Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ravindra Jadeja: বিশ্বজয়ের পর বিজেপিতে যোগ দিলেন রবীন্দ্র জাডেজা, ট্যুইট করলেন স্ত্রী

    Ravindra Jadeja: বিশ্বজয়ের পর বিজেপিতে যোগ দিলেন রবীন্দ্র জাডেজা, ট্যুইট করলেন স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার তিনি। ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং মিলিয়ে দলে তাঁর মতো আরেকজনও নেই। ক্রিকেটার হিসেবে সেই রবীন্দ্র জাদেজা (Rivaba Jadeja) তাঁর ক্যারিশমা দেখিয়েছেন বাইশ গজে। এবার তিনি শুরু করলেন কেরিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংস। সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লিখিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিলেন তিনি। সম্প্রতি, বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচি শুরু করেছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এই কর্মসূচিতে গত ২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সদস্যপদও পুনর্নবীকরণ করা হয়েছে। সেই কর্মসূচিতেই প্রথমবার বিজেপির খাতায় নাম লেখালেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘জাড্ডু’। 

    ট্যুইট করলেন জাদেজার স্ত্রী (Rivaba Jadeja)

    ২০২২ সালে বিজেপির টিকিটে জামনগর (উত্তর) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জাদেজার স্ত্রী রিভাবা জাদজো (Rivaba Jadeja) ভোটে জিতেছিলেন। সেই ২০১৯ সাল থেকে বিজেপি করছেন মোদির ভক্ত রিভাবা। এবার তাঁর ডাকেই সাড়া দিয়ে জাদেজাও পদ্মশিবিরে এলেন। রিভাবাই তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে নিজের ও রবীন্দ্রর বিজেপি সদস্য-কার্ড পোস্ট করেছেন। আগামী দিনে জাদেজাও ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কিনা তা হয়তো সময় বলবে।

    <

    বিশ্বকাপ জয়ের পরই অবসর ঘোষণা

    ১৯৮৮ সালের ৬ ডিসেম্বর সৌরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি ৭২টি টেস্ট এবং ১৯৭টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। টেস্ট খেলায় ২৯৪টি এবং একদিনের ম্যাচে ২২০টি উইকেট নিয়েছেন। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে ৩৬ বছর বয়সি এই অলরাউন্ডার মোট ৬,০০০ রান করেছেন। ইংল্যান্ডে ২০১৩ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতে ভারতে জাদেজা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জাদেজা চারটি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালে টি-২০ বিশ্বকাপ জেতার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন তিনি।

    সদস্য সংগ্রহ অভিযান নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এই সপ্তাহের শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার ভারতীয় জনতা পার্টির ২০২৪ সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচিতে যোগদান করেন। বিজেপি সর্বশেষ অভিযানের মাধ্যমে ১০ কোটি সদস্য সংগ্রহ করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘২০১৪ থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে মোট ১৮ কোটি সদস্য দলে নথিভুক্ত হয়েছেন। যেখানে বিজেপি জনপ্রিয় সেখানে সদস্য সংগ্রহ করা সহজ, কিন্তু আমাদের প্রভাব বিস্তার এবং সমর্থন পেতে সবচেয়ে দুর্বল ভোট কেন্দ্র থেকে সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করা উচিত। আমাদের অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং এলাকায় কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।’’ এরপর তিনি বলেন, ‘‘জনসঙ্ঘের (বিজেপির পূর্বসূরি) সময় কর্মীরা প্রচণ্ড উৎসাহে দেওয়ালে প্রদীপ আঁকতেন। এভারে ক্ষমতায় আসা যাবে না বলে উপহাস করত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা। আমরা সেই কর্মী যাঁরা দেওয়ালে প্রত্যয়ের সঙ্গে পদ্ম এঁকেছিলাম। কারণ, দেওয়ালে আঁকা পদ্ম মানুষের হৃদয় জয় করবে তা জানতাম, আর সেটাই হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Physiotherapy: স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচার থেকে হাড়ের সমস্যা, মুশকিল আসান ফিজিওথেরাপি?

    Physiotherapy: স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচার থেকে হাড়ের সমস্যা, মুশকিল আসান ফিজিওথেরাপি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচারের পরবর্তী জটিলতা কাটাতে, কিংবা কোনও দুর্ঘটনার পরে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে বাড়তি সাহায্য করে ফিজিওথেরাপি (Physiotherapy)। এমনকী একাধিক হাড়ের রোগের মুশকিল আসান হল ফিজিওথেরাপি। ওয়ার্ল্ড ফিজিওথেরাপি ডে উপলক্ষে বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা জরুরি। কারণ, একাধিক জটিল অস্ত্রোপচারের পরে ফিজিওথেরাপি আবশ্যিক। এই থেরাপি ঠিকমতো না হলে রোগীর পক্ষে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবন যাপন করা সম্ভব হয় না। আবার এমন একাধিক রোগ রয়েছে, যেগুলি ফিজিওথেরাপির মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

    কোন কোন রোগের মুশকিল আসান ফিজিওথেরাপি? (Physiotherapy)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, হাড় এবং পেশির সমস্যায় আক্রান্তদের মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব হয়। বিশেষত মস্তিষ্কের পিছনে এবং ঘাড়ে অনেক সময়েই একনাগাড়ে তীব্র যন্ত্রণা হয়। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে অনেক সময়েই এর থেকে রেহাই পাওয়া যায়। হাড়ের সমস্যায় আক্রান্তেরা, বিশেষত যাঁরা আর্থরাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত, তাঁদের জন্য ফিজিওথেরাপি উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, আর্থরাইটিসের মতো রোগে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব নয়। কিন্তু যন্ত্রণাকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক জীবন যাপন জরুরি। আর সেই জন্য ফিজিওথেরাপি বিশেষ সাহায্য করে। 
    স্নায়ুর জটিল রোগ (Nerve Surgery), বিশেষত পারকিনসনের মতো রোগে ফিজিওথেরাপি (Physiotherapy) খুবই উপকারী বলে জানাচ্ছে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, শরীরের বিভিন্ন অংশের স্নায়ুকে সক্রিয় রাখতে এই থেরাপি বিশেষ সাহায্য করে। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, বয়স বাড়লে অনেকেই অন্ত্রের সমস্যায় ভোগেন। আবার অন্ত্র এবং মূত্রাশয়ের একাধিক পেশি ও শিরা সংযুক্ত থাকে। তাই মূত্রাশয় ও নানান রোগে আক্রান্ত হন। তাই প্রবীণ মানুষদের এই ধরনের রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফিজিওথেরাপি বিশেষ উপকারী। ফুসফুস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও ফিজিওথেরাপি বিশেষ উপকারী। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, অ্যাজমার মতো রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখে ফিজিওথেরাপি। আবার হৃদরোগে আক্রান্তদের হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়াতেও ফিজিওথেরাপি সাহায্য করে।

    কীভাবে সাহায্য করে ফিজিওথেরাপি? (Physiotherapy)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে, বিশেষত পেশিতে আঘাতের কারণে অনেক সময়েই কার্যক্ষমতা কমে যায়। আবার আর্থরাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হলেও রোগীর হাড়ের ক্ষমতা কমে। পেশি শক্তি কমে। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। পেশি ধীরে ধীরে সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাই যে কোনও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী জটিলতা কাটাতে কিংবা আর্থরাইটিসের মতো রোগের মোকাবিলায় ফিজিওথেরাপি বিশেষ কার্যকর। হৃদরোগ কিংবা স্নায়ুর সমস্যা শরীরকে ক্লান্ত করে তোলে। এর জেরে রোগী হাঁটাচলা করতে চান না।‌ যে কোনও কাজে অনীহা তৈথি হয়। ফিজিওথেরাপি পেশি এবং স্নায়ু সক্রিয় করে এই ক্লান্তি ভাব সহজেই দূর করে। তাই রোগীর সক্রিয় হয়ে ওঠার ইচ্ছাও তৈরি হয়। এর ফলে যে কোনও রোগ মোকাবিলা করে আবার স্বাভাবিক জীবন যাপন করার পথ সহজ হয়। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে রক্তসঞ্চালন ভালোভাবে হয়। এর জেরেই হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা বাড়ে। হৃদরোগীদের জন্য বাড়তি উপকার হয়। 
    ফিজিওথেরাপি স্নায়ুর কার্যক্ষমতা বাড়ায়। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, স্নায়ুর কাজ একাধিকবার করার জেরে স্নায়ুর গতিশীলতা বাড়ে। তাই ফিজিওথেরাপি পারকিনসন আক্রান্তদের জন্য বিশেষ কার্যকর।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP MLA: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার রাজ্যের ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার ফেরালেন কাঁথির বিজেপি বিধায়ক

    BJP MLA: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার রাজ্যের ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার ফেরালেন কাঁথির বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Protest)  এবং বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ-আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু দুর্গাপুজো ক্লাব সরকারি অনুদান ফিরিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের দেওয়া সম্মান ফেরাতে শুরু করেছেন শিক্ষক এবং নাট্যব্যক্তিত্বরা। সেই আবহে এবার রাজ্য সরকারের দেওয়া দেওয়া ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার ফেরানোর কথা ঘোষণা করলেন পূর্ব মেদিনীপুরের দক্ষিণ কাঁথির বিজেপি বিধায়ক (BJP MLA) তথা প্রাক্তন শিক্ষক অরূপকুমার দাস। বৃহস্পতিবার শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কাঁথিতে একটি কর্মসূচিতে শামিল হয়েছিলেন তিনি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্য জেলা নেতৃত্ব। সেই মঞ্চে দাঁড়িয়েই রাজ্য সরকারের দেওয়া পুরস্কার ফেরানোর কথা ঘোষণা করলেন তিনি।

    কবে পেয়েছিলেন পুরস্কার? (BJP MLA)

    ২০১১ সালে কাঁথি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অরূপবাবু রাজ্য সরকারের ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার পেয়েছিলেন। ২০১৭ সালে চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগদান করেন। এরপর দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করে তিনি বিধায়ক (BJP MLA) হন। এবার তিনি ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার ফিরিয়ে আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ জানালেন। এর আগে,  আলিপুরদুয়ারের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পরিমল দে রাজ্য সরকারের দেওয়া ‘বঙ্গরত্ন’ পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। নাট্যক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মান ‘দীনবন্ধু মিত্র পুরস্কার’ ফিরিয়েছেন নাট্যকার চন্দন সেন। একই ভাবে নাট্য অ্যাকাডেমির দেওয়া সেরা নির্দেশকের পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন নাট্য নির্দেশক বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়। বামফ্রন্ট জমানায় সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম ঘটনার প্রতিবাদে এভাবেই পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের হিড়িক দেখা গিয়েছিল। এবার তৃণমূল সরকারের আমলে একের পর এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব পুরস্কার ফেরত দিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এই ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: সাতসকালে সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে হানা ইডির, তালা খুলে ঢুকলেন অফিসাররা

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পাশে দাঁড়িয়ে পুরস্কার ফেরানোর কথা জানান তিনি। অরূপবাবু (BJP MLA) বলেন, “আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে দেশ জুড়ে আন্দোলন চলছে। আমরাও প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছি। এবার আমি সরকারের দেওয়া এই সম্মান ফিরিয়ে দিলাম। শিক্ষক দিবসের দিনকেই এই ঘোষণার দিন হিসাবে বেছে নিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shibnibas: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের প্রতিষ্ঠিত শিবনিবাসের শিব লিঙ্গ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম, এর ইতিহাস জানেন?

    Shibnibas: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের প্রতিষ্ঠিত শিবনিবাসের শিব লিঙ্গ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম, এর ইতিহাস জানেন?

    হরিহর ঘোষাল

    এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় কষ্টি পাথরের শিব লিঙ্গ দেখেছেন? নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের শিবনিবাস (Shibnibas) গ্রামে রয়েছে এই শিবের মন্দির। সেখানে মোট তিনটি মন্দির রয়েছে। রাজরাজেশ্বর, রাগনীশ্বর এবং রাম-সীতার মন্দির। নবাবি আমলে গড়ে ওঠা এই শিব মন্দিরে এখনও বছরের বিশেষ বিশেষ সময়ে পুজো দিতে লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হয়। কলকাতা থেকে এই মন্দিরে সহজে যাওয়া যায়। শিয়ালদা থেকে গেদে লোকালে মাজদিয়া পৌঁছাতে হবে। সেখান থেকে টুকটুকি করে শিবনিবাস যাওয়া যায়। আর শিয়ালদা থেকে কৃষ্ণনগর লোকাল ধরে কৃষ্ণনগরে (Nadia) পৌঁছে, সেখানে থেকে টুকটুকিতে বাসস্ট্যান্ড আসতে হবে। তারপর বাসস্ট্যান্ড থেকে মাজদিয়ার বাসে করে শিবনিবাস মোড়ে নেমে কিছুটা গেলেই এই মন্দিরের দর্শন মিলবে।

    শিবনিবাসের নামকরণের ইতিহাস (Shibnibas)

    শিবনিবাস (Shibnibas) গ্রামের নামকরণ এবং মন্দির তৈরি নিয়ে নানা মত রয়েছে। কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বাবা কার্তিকেয় চন্দ্র রায় লিখেছেন, “বর্গির আক্রমণ থেকে অত্মরক্ষার জন্যে কৃষ্ণচন্দ্র এ জায়গাটা কৃষ্ণনগর অপেক্ষা নিরাপদ মনে করে এখানে রাজপ্রাসাদ ও শিবমন্দির নির্মাণ করেন। এই জায়গার নতুন নাম রাখেন ‘শিবনিবাস”। অন্যমতে, নসরত খাঁ নামে এক কুখ্যাত ডাকাত এই এলাকায় বাস করতেন। কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে দমন করার জন্যে এখানে শিবির স্থাপন করেছিলেন। একদিন সকালে নদীতে স্নান করার সময় একটি রুই মাছ কৃষ্ণচন্দ্রের সামনে এলে তাঁর এক জ্ঞাতি আনুলিয়ানিবাসী কৃপারাম রায় বলেন, এই জায়গাটি মহারাজার বাসযোগ্য। কারণ, রাজভোগ্য দ্রব্য আপনা থেকেই হাজির হয়েছে। মহারাজা বর্গির আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষার জন্যে এই স্থান নিরাপদ মনে করলেন এবং দেওয়ান রঘুনন্দন মিত্রের পরামর্শক্রমে এখানে রাজপ্রাসাদ নির্মাণ করে নাম রাখলেন ‘শিবনিবাস’। কেউ কেউ বলেন, এ জায়গা আগে অরণ্যময় ও জলবেষ্টিত ছিল। নসরত খাঁ নামে এক ফকির এখানে বাস করতেন। লোকে এই জায়গাকে ‘নসরত খাঁর বেড়’ বলত। কৃষ্ণচন্দ্র ফকির সাহেবের অনুমতি নিয়ে এখানে রাজধানী স্থাপন করেন। নদিয়া রাজ্যের মধ্যে বর্গির উপদ্রব হয়েছিল ১৭৪২ সালের মে-জুন মাসে। নিশ্চয়ই এর আগে তিনি এখানে রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। তিনি আত্মীয়-স্বজন ও ধনরত্ন নিয়ে উক্ত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এখানে চলে আসেন। তখনও কিন্তু এই মন্দিরগুলি তৈরি সম্পূর্ণ হয়নি। দেওয়ান রঘুনন্দন মিত্রের পরামর্শক্রমে তিনি এখানে রাজধানী ও মন্দির তৈরি করেছিলেন। ১৭৫৪ সালে মন্দির তৈরি করে থাকতে পারেন। দেওয়ান রঘুনন্দন মিত্রের পরামর্শক্রমে, চূর্ণী নদীর দ্বারা ‘কঙ্কনের আকারে পরিবেষ্টিত’ (মতান্তরে ওই ভাবে পরিখা খনন ক’রে) এই স্থানে তিনি রাজপ্রাসাদ ও শিবমন্দির তৈরি করেন। শিবের আলয় হিসেবে এই নতুন বসতির নাম হয় শিবনিবাস। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রাজধানী মাজদিয়াকে সুরক্ষা বলয়ে নিয়ে আসার জন্য খাল কেটে ইচ্ছামতী ও চূর্ণী নদীকে একত্রে জুড়ে দিয়ে একটি জনপদ গঠন করেছিলেন। যেই খালটি আজও কঙ্কণা নদী নামে পরিচিত।

    সিঁড়ি দিয়ে উঠে শিবের মাথায় জল ঢালতে হয়

    মন্দিরের (Shibnibas) চূড়া সমেত মন্দিরের উচ্চতা ১২০ ফুট। আটকোনা মন্দির, প্রতিটি কোনায় মিনার ধরনের সরু থাম আছে। মন্দিরের ভিতর কালো শিবলিঙ্গ, উচ্চতা ১১ ফুট ৯ ইঞ্চি, বেড় ৩৬ ফুট। সিঁড়ি দিয়ে উঠে শিবের মাথায় জল ঢালতে হয় এখানে। পূর্ব ভারতে এতো বড় শিবলিঙ্গ আর নেই। মন্দিরের ছাদ ঢালু ও গম্বুজ। মন্দিরে পোড়ামাটির কাজ ও গথিক স্থাপ্যশৈলীর কাজ দেখার মতো। ১৮২৪ খ্রীষ্টাব্দের ১৮ জুন, কলকাতার বিশপ রেভারেন্ড হেবার জলপথে ঢাকা যাবার সময় শিবনিবাসের মন্দির ও রাজপ্রাসাদাদি দেখে মুগ্ধ হন। ১৮২৮ খ্রীষ্ঠাব্দে লণ্ডন থেকে প্রকাশিত তাঁর স্মৃতিকথায় তিনি শিবনিবাসের হিন্দু মন্দিরগুলিকে সুরম্য ও অতি উত্তম স্থাপত্যের নিদর্শন বলে বর্ণনা করেছেন। এগুলির নির্মাণে ‘গথিক’ খিলানের ব্যবহার তাঁকে বিস্মিত করে। শিবনিবাসে সারা বছরই ভক্ত সমাগম ঘটলেও শ্রাবণ মাসে শিব-ভক্তদের এখানে ভিড় হয় বেশি। শ্রাবনের প্রতি সোমবার নবদ্বীপের গঙ্গা থেকে জল নিয়ে ভক্তরা পায়ে হেঁটে শিবনিবাসে এসে শিবের মাথায় জল ঢালেন। সারারাত ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোর থেকে জল ঢালেন ভক্তরা। জল ঢালা চলে সারাদিন ধরে। সারা শ্রাবণ মাস ধরে মেলা চলে।  

    শিবনিবাসকে কেন ‘বাংলার কাশী’ বলা হয়?

    জনশ্রুতি আছে, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র কাশীর শিবের স্বপ্নাদেশ পান যে, তিনি কাশী ছেড়ে কৃষ্ণচন্দ্রের হাতে পূজা পেতে চান। সেই আদেশ পালনার্থেই কৃষ্ণচন্দ্র শিবমন্দির (Shibnibas) স্থাপন করেন। যদিও ১০৮টি শিব মন্দির তৈরির কথা বলা হলেও সেটা সঠিক নয়। কারণ, তার কোনও কিছুই অবশিষ্ট নেই। তবে, শ্রী শশিভূষণ বিদ্যালঙ্কার সঙ্কলিত “জীবনীকোষ” (ভারতীয় ঐতিহাসিক) পুস্তকের দ্বিতীয় খন্ডে উল্লেখ আছে, শিবনিবাস প্রতিষ্ঠার পর কাশী ও কাঞ্চী থেকে আগত ব্রাহ্মণগণের উপস্থিতিতে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র অগ্নিহোত্র বাজপেয় যজ্ঞ সম্পন্ন করেন। মহারাজ “অগ্নিহোত্রী বাজপেয়ী” উপাধি পান। তাই শিবনিবাস কাশী তুল্য। ভারতচন্দ্র রায়ের ‘অন্নদামঙ্গলে’ আছে:”……কৃষ্ণচন্দ্র মতিমান। কাশীতে করিবে জ্ঞানবাপীর সমান। বিগ্রহ ব্রহ্মণ্যদেব মূর্তি প্রকাশিয়া। নিবাস করিবে শিবনিবাস করিয়া।” অতএব, শিবনিবাস মাহাত্ম্যে কাশীতুল্য। প্রচলিত ছড়ায় আছে: “শিবানিবাসী তুল্য কাশীধন্যনদী কঙ্কনা। ওপরে বাজে দেবঘড়ি নীচে বাজে ঠণ্ঠনা।”

    মন্দির চত্বরে মেলা

    বিড়লা জনকল্যাণ ট্রাস্ট ষাট হাজার টাকা ব্যয়ে ১৯৬৫-৬৬ সালে এই মন্দির তিনটির সংস্কার করেছিলেন। কিন্তু, মন্দিরগুলির অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। মন্দিরগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ও নিত্যপুজোর জন্যে বাৎসরিক যাট হাজার টাকা দেবোত্তর ছিল। কিন্তু, সে সম্পত্তি বেহাত হয়ে গিয়েছে। বারো মাসে তেরো পার্বন নিয়েই বাঙালির জীবন। চূর্ণি নদী তীরে কৃষ্ণচন্দ্র রাজরাজেশ্বর ও রামসীতার মন্দির প্রাঙ্গণে একটি মেলার প্রচলন করেছিলেন। এ মেলা খুবই প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী। শিবচতুর্দশী উপলক্ষ্যে মেলা হত বলে এই মেলা শিবচতুর্দশীর মেলা বলে পরিচিত। জনশ্রুতি, মহাদেব নাকি একবার কৃষ্ণচন্দ্রকে স্বপ্নাদেশ দেন, তিনি কাশী ছেড়ে শিবনিবাসে (Shibnibas) এসেছেন। কৃষ্ণচন্দ্র যেন তাঁকে এখানে প্রতিষ্ঠিত করেন। স্বপ্নাদেশ পেয়ে কৃষ্ণচন্দ্র কোনও এক মাঘ মাসের ভীম একাদশীতে এখানে শিব প্রতিষ্ঠা করেন। সেই থেকে এই মেলা আজও চলে আসছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghar Wapsi: ঝাড়খণ্ডে ‘ঘর ওয়াপসি’! হাজারীবাগ ও সুকমায় সনাতন ধর্মে প্রত্যাবর্তন ১৫০ জনের

    Ghar Wapsi: ঝাড়খণ্ডে ‘ঘর ওয়াপসি’! হাজারীবাগ ও সুকমায় সনাতন ধর্মে প্রত্যাবর্তন ১৫০ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের হাজারীবাগ জেলায় অনুষ্ঠিত হল ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi) অনুষ্ঠান। কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করা শতাধিক লোক, হিন্দু সনাতন (Hinduism) ধর্মে পুনরায় ফিরে এসেছেন। মোট ৮১টি পরিবার হিন্দু ধর্মে ফিরলেন। বাদকাখুর্দ পঞ্চায়েতের অধীনে ছয়টি গ্রামের ৬৭টি পরিবারের মোট ১২০ জন একটি যজ্ঞের পরে সনাতন ধর্মে ফিরে এসেছেন। আবার সুকমায় ১৪টি পরিবারের ৩০ জনেরও বেশি লোক হিন্দুধর্মে ফিরে এসেছেন। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের বিশিষ্ট সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যাবর্তনের পর গ্রামবাসীরা তাঁদের পবিত্র গঙ্গাজল দিয়ে পা ধুয়ে স্বাগত জানান এবং অনুষ্ঠানের সময় বস্ত্র উপহার দিয়ে মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনা হয়। বিশ্বহিন্দু পরিষদ এই ‘ঘর ওয়াপসি’-কে স্বাগত জানিয়েছন।

    প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল (Ghar Wapsi)

    জানা গিয়েছে, হিন্দু ধর্মে প্রত্যাবর্তনকারীরা (Ghar Wapsi) আগে সনাতন (Hinduism) ধর্মাবলম্বী ছিলেন। কিন্তু একাধিক খ্রিস্টান মিশনের প্রভাবে বিভ্রান্ত হয়ে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। যদিও, পরবর্তীকালে তাঁরা স্বীকার করেন, সেই সময়ে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করা ভুল পদক্ষেপ ছিল। অনেক দিন ধরেই মূল হিন্দু ধর্মে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করছিলেন তাঁরা। অবশেষে তাঁদের বাসনা পূর্ণ হওয়ায় খুশি ব্যক্ত করেন। মূল ধর্মে ফরে তাঁরা জানিয়েছেন, খ্রিস্টান ধর্মগ্রহণ করার সময় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল। কিন্তু ধর্মান্তরিত হওয়ার পর শীঘ্রই অনুতপ্ত হতে শুরু করেন তাঁরা। বাকি পরিবারের সদস্যরা, তাঁদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখাতে শুরু করেছিল। ভুল সিদ্ধান্তে সমাজ থেকে চ্যুত হয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা।

    সুকমায় ১৪টি পরিবারের হিন্দু ধর্মে প্রত্যাবর্তন

    আবার সুকমায় অনুষ্ঠিত আরও এক ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi) অনুষ্ঠানে ১৪টি পরিবারের ৩০ জনেরও বেশি লোক হিন্দুধর্মে ফিরে এসেছেন। যাঁরা সনাতন ধর্মের স্রোতে ফিরে এসেছেন তাঁরা সুকমার সোদিপাড়ার ০১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। প্রত্যাবর্তনকারীরা কিছু মিশন গ্রুপের প্রভাবে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। গ্রামের স্থানীয়রা প্রচলিত ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠান করে স্বাগত জানান তাঁদের। ‘গঙ্গাজল’ ছিটিয়ে এবং কপালে ‘তিলক’ লাগানো হয়। উল্লেখ করা উচিত, অবৈধ ধর্মান্তর সম্পর্কিত নানা প্রতিবেদন উপজাতি-অধ্যুষিত ২ রাজ্য — ঝাড়খণ্ড এবং ছত্তিশগড় থেকে বারবার সামনে আসছে, যা দেশের কাছে ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ।

    আরও পড়ুনঃমাদ্রাসা থেকে উদ্ধার জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম! মিলেছে ভুয়ো আধারের সন্ধানও

    স্বাগত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    হিন্দু ধর্মে (Ghar Wapsi) ফিরে আসাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) জাতীয় মুখপাত্র বিনোদ বনসল। তিনি বলেন, “ঝাড়খণ্ডে ব্যাপক ধর্মান্তরকরণ চলছে, হিন্দু বিরোধী ধর্মপ্রচারকদের সাম্রাজ্য চলছে। জোড়া সমস্যার সম্মুখীন রাজ্যটি। একদিকে, অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, তো অন্যদিকে হিন্দু বিরোধী ধর্মপ্রচারকদের আক্রমণ। এখনই সময় সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারকে এই সব গতিবিধিকে চিহ্নিত করতে হবে এবং বিষয়কে গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 06 September 2024: গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 06 September 2024: গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) আইনি সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    বৃষ

    ১) ধর্মালোচনায় আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) যানবাহন খুব সাবধানে চালাতে হবে, বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করুন।

    কর্কট

    ১) আগুপিছু না ভেবে উপার্জনের রাস্তায় পা দেবেন না।

    ২) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ৩) ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    সিংহ

    ১) কর্মচারীর জন্য ব্যবসায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ৩) ধৈর্য্য রেখে কাজ করুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ।

    ২) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে। 

    ৩) কোনও বিরুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়বেন না আজ।

    তুলা

    ১) ভালো কথার দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে পারবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ৩) সমাজে আপনার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়বে আজ।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রিয়জনের কুকর্মের জন্য বাড়িতে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) নিজের বাণীতে সংযম রাখুন।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) সতর্কভাবে চলাফেরা করুন।

    মকর

    ১) শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) ব্যবসায় লোকসানের সম্ভাবনা।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন ব্যাকুল থাকবে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে খুশিতে কাটান দিনটি।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeep Ghosh: ঘুরপথে পড়ুয়াদের ফান্ডের টাকা যেত সন্দীপের পকেটে, চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআই-এর

    Sandeep Ghosh: ঘুরপথে পড়ুয়াদের ফান্ডের টাকা যেত সন্দীপের পকেটে, চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোজাসুজি নয়, একপ্রকার ঘুরপথে টাকা রোজগারের পথ বের করেছিলেন সন্দীপ (Sandeep Ghosh)। আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষের আরও এক কীর্তি ফাঁস হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে। জানা গেল, ডাক্তারি পড়ুয়াদের ফান্ডের টাকা ঘুরপথে যেত এই তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ডাক্তারের পকেটে। আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে নেমে সিবিআই অফিসারদের হাতে এল এমনই চাঞ্চাল্যকর তথ্য। উল্লেখ্য, চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার পর থেকে একাধিকবার জেরা করা হয়েছে তাঁকে। তিনি ঘটনার দিন সঠিক দায়িত্ব পালন না করে কার্যত হত্যাকে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দিতে চেয়েছিলেন, সামজিক মাধ্যমে এমন অভিযোগে সরব হয়েছেন সাধারণ মানুষ।

    সন্দীপের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা যেত (Sandeep Ghosh)

    সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষ (Sandeep Ghosh) বিভিন্ন কন্ট্রাক্টরদের টাকা দিয়েছেন অ্যাকাডেমিক ফান্ড থেকে। আরজি কর হাসপাতালের জন্য যে টাকা আসত, তা ডাক্তারি পড়ুয়াদের জন্য কলেজে ব্যয় করার কথা। কিন্তু সেই টাকা নিজের কাজে ব্যবহার করে ভোগ করতেন বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। একই ভাবে আরও জানা গিয়েছে, যাদের কাছে এই টাকা যেত, তারাও তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বা সন্দীপ ঘনিষ্ঠ। প্রথমে টাকা কন্ট্রাক্টরদের কাছে গেলেও পরে তাঁরা সেই টাকা সন্দীপের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিতেন। এই প্রসঙ্গে সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনকে অন্ধকারে রেখেই চলত এই লেনদেন। এই টাকা এখন কোন কোন খাতে ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে এখানেও যে বড় রকমের দুর্নীতি হয়েছে, তা নিয়ে যে সন্দেহ নেই, তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে এই তদন্তে।

    আরও পড়ুনঃ ‘কেড়ে নেওয়া হোক বিনীতের পুলিশ মেডেল’, রাষ্ট্রপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    আরও অভিযোগ

    সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন আরজি কর মেডিক্যালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি। সন্দীপ ঘোষ (Sandeep Ghosh) বেআইনিভাবে বিপজ্জনক বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য বিক্রি করতেন। জিম এবং নিজের চেম্বারের সৌন্দর্যায়নের জন্য কোভিড ফান্ডের অপব্যবহার করছেন। টাকার বিনিময়ে চিকিৎসক-অফিসারদের বদলি করতেন। অযোগ্যদের কাজের বরাত দিতেন। আরও ১৫ রকমের অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছিলেন আখতার আলি। সরকারি অর্থের অপচয়, টেন্ডার না ডেকে সরকারি জায়গা খাবারের দোকান, ক্যাফে, ক্যান্টিন, সুলভ শৌচালয়ের জন্য বরাদ্দ করা, ভেন্ডার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে স্বজনপোষণ ইত্যাদি নানা কুকর্ম তিনি করতেন। সিভিল এবং ইলেকট্রিক্যাল কাজকর্ম সরকারি সংস্থাকে না দিয়ে তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে কাজ করাতেন। ইচ্ছাকৃতভাবে অর্ডার ভেঙে এক লক্ষ টাকার নীচে যাতে থাকে এবং ই-টেন্ডারকে এড়ানো যায়, সেই কাজ করতেন। রাজ্য সরকার এবং কলকাতা পুরসভাকে এড়িয়ে, বেআইনিভাবে ২ চাকার গাড়ি পার্কিং-এর বেনামি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Dharna: আরজি কর-কাণ্ড নিয়ে বিজেপিকে ধর্মতলায় ধর্না চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    BJP Dharna: আরজি কর-কাণ্ড নিয়ে বিজেপিকে ধর্মতলায় ধর্না চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় (BJP Dharna) বসেছিল বিজেপি। ২৯ অগাস্ট থেকে বিজেপির তফশিলি মোর্চার পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ৫ সেপ্টেম্বর ছিল সেই ধর্নার শেষ দিন। এরই মধ্যে ধর্নার সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মোর্চার কর্মীরা। সেই আবেদনে সাড়া দিল হাইকোর্ট। ওই সময়সীমা বৃদ্ধি করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।

    ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ধর্না (BJP Dharna)

    ধর্নার (BJP Dharna) সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মোর্চার কর্মীরা। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধর্না করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়। এদিন রাজ্যের তরফে সওয়াল করা হয়, বিজেপির তফশিলি মোর্চা কেন আগে এ নিয়ে কিছু বলল না? রাজ্যের তরফে আইনজীবী প্রশ্ন করেন, প্রথমে যখন অনুমতি চাওয়া হয় বা আদালতে আগের পর্যায়ের শুনানির সময় কেন বলল না, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধর্না চালিয়ে নিয়ে যেতে চায়? কারণ তারা জানত একসঙ্গে এত লম্বা ধর্নার অনুমতি আদালত দেবে না। এর আগে ২৯ অগাস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডোরিনা ক্রসিং বা ওয়াই চ্যানেলে ধর্নার অনুমতি দিয়েছিল আদালত। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১০০০ জনকে নিয়ে ধর্না করার অনুমতি দেয় আদালত। বৃহস্পতিবার ধর্মতলায় ধর্নার শেষ দিন ছিল। ওই দিনই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয় বিজেপি। ধর্মতলায় নিজেদের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি চায়। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধর্না চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিলেন।

    আরও পড়ুন: ‘মোমের আলোর তাপ সইতে পারছে না তৃণমূল’, মাথাভাঙার ঘটনায় প্রতিবাদ বিজেপির

    প্রসঙ্গত, ৯ অগাস্ট আরজি করের চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। বিজেপি রাজ্য সরকারের দিকে আঙুল তুলে প্রতিবাদ শুরু করে। শ্যামবাজারে ধর্নায় বসতে চেয়েছিল বিজেপি। তারা অভিযোগ করে, কলকাতা পুলিশ অনুমতি দেয়নি। কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। গত ২০ অগাস্ট কলকাতা হাইকোর্ট টানা পাঁচদিন কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেয় বিজেপিকে। ওই পাঁচ দিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ধর্না (BJP Dharna) কর্মসূচি চালানো যাবে বলেও জানিয়েছি হাইকোর্ট। ২৮ অগাস্ট বিজেপি রাজ্যে বনধের ডাক দিয়েছিল। এরপর ২৯ তারিখ থেকে আবার ধর্মতলা কর্মসূচি শুরু করে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফার দাবি তোলে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম! মিলেছে ভুয়ো আধারের সন্ধানও

    Uttar Pradesh: মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম! মিলেছে ভুয়ো আধারের সন্ধানও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মাদ্রাসায় (Madrasa) জাল নোটের কারবার ফাঁস করে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। একাধিক বিদেশি সংযোগ এবং ভুয়ো আধার কার্ড তৈরির তথ্য পাওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে প্রয়াগরাজ পুলিশ। এই মাদ্রাসায় নকল টাকা তৈরির সরঞ্জামেরও খোঁজ মিলেছে। তদন্তকারী অফিসাররা এখন মাদ্রাসার ৬৩০ জন ছাত্রের খোঁজে তল্লাশিতে নেমেছেন।

    মৌলবাদের জন্ম দেয় মাদ্রাসা(Uttar Pradesh)!

    স্থানীয় (Uttar Pradesh) সূত্রে জানা গিয়েছে, মাদ্রাসার (Madrasa) শিক্ষক মৌলভী তাফসীরুল ছাত্রদের মগজ ধোলাইয়ের কাজ করতেন। এই মাদ্রাসা প্রতি বছর বিদেশ থেকে প্রায় ৪৮ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (এটিএস) এবং ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি) দল বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তের কাজ শুরু করেছে। মাদ্রাসা থেকে প্রায় ৬৩০ জন ছাত্র পাশ করেছে। উল্লেখ্য, এই মাদ্রাসা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে (আরএসএস) সেখানে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে রেখেছে। মৌলভী তাফসীরুল প্রায় ৬ বছর মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছিলেন। আর এখান থেকে বছরে গড়ে প্রায় ১০৫ জন করে ছাত্র পাশ করে থাকে। আবার তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মৌলভী ছাত্রদের মধ্যে মৌলবাদের জন্ম দিয়েছেন। এই ছাত্ররা রীতিমতো প্রশিক্ষণ নিয়ে এখন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের খোঁজে ছয়টি রাজ্যে এটিএস, আইবি ও পুলিশ সক্রিয় হয়ে অভিযানে নেমেছে।

    সৌদি আরব-তুরস্ক থেকে বছরে ৪৮ লক্ষ টাকা আসত

    সৌদি আরব, তুরস্কের মতো দেশগুলি থেকে প্রতি বছর ৪৮ লাখ টাকা পাঠানো হয় এবং এখন পর্যন্ত মাদ্রসায় ২ কোটির বেশি টাকা জমা হয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে। মাদ্রাসা (Uttar Pradesh) কমিটির ম্যানেজার শহিদ দাবি করেছেন, এই অর্থ অন্যান্য দেশের সাহায্য, যা শিশুদের রক্ষণাবেক্ষণ এবং শিক্ষার খরচ হিসেবে বহন করা হয়। এখনও পর্যন্ত ২ কোটি টাকার বেশি টাকা জমা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। 

    আরও পড়ুনঃ “আমরা অশুভ শক্তির শেষকৃত্য সম্পন্ন করি”, বললেন ভাগবত

    অবৈধ লেনদেন

    যারা টাকা পাঠিয়েছে তাদের পরিচয় তদন্তকারী সংস্থা প্রকাশ করেনি। তবে পাকিস্তান-সংযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে ১২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাদ্রাসার (Uttar Pradesh) অধ্যক্ষ মৌলভী তাফসীরুলের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়দের হিসেবের বিবরণও চাওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলির কাছ থেকে অবৈধ লেনদেনের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। আইবি জিজ্ঞাসাবাদের সময় আরও চাঞ্চাল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, আব্দুল জহির নামক এক ব্যক্তি স্বীকার করেছেন যে ওড়িশায় তাঁর ভাইও জাল আধার কার্ড তৈরির চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এর খোঁজেও তদন্তে নেমেছে আইবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: পদ ৬০ হাজার ২০০, পরীক্ষার্থী ৩২ লক্ষ! পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষায় নজির যোগী সরকারের

    Uttar Pradesh: পদ ৬০ হাজার ২০০, পরীক্ষার্থী ৩২ লক্ষ! পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষায় নজির যোগী সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিশ্বের বৃহত্তম’ পুলিশ নিয়োগ (Police Recruitment) পরীক্ষা সফলভাবে পরিচালনা করল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) যোগী সরকার। এই রাজ্যে ৬০ হাজার ২০০টি পদের জন্য পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এতে মোট ৩২ লক্ষ প্রতিযোগী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এটি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের একটি যুগান্তকারী কৃতিত্ব বলেই অনেকে মনে করছেন। কারণ, সুষ্ঠুভাবে, কোনও রকম বিঘ্ন ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছে এই বিশাল পরীক্ষা। যোগী বিষয়টি নিয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধও ছিলেন। উল্লেখ্য, আগের সমাজবাদী সরকারের অধীনে একাধিক বার পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং দুর্নীতির অভিযোগে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন। তাই এবার কড়া নিরাপত্তায় নিয়োগ-পরীক্ষা সম্পন্ন করতে আদিত্যনাথ সংকল্পবদ্ধ ছিলেন।

    মোট কতগুলি কেন্দ্র ছিল (Uttar Pradesh)?

    বিশ্বের সর্ববৃহৎ পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষা (Police Recruitment) সফলভাবে এবং নিরাপদে পরিচালনা করার জন্য সাহায্যকারী সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি উত্তরপ্রদেশ পুলিশ নিয়োগ বোর্ড এবং সমস্ত জেলা প্রশাসনকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) পুলিশ রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড প্রমোশন বোর্ড (ইউপিপিআরপিবি) পাঁচদিনের মধ্যে ৬৭টি জেলার ১১৭৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা আয়োজনের এই বিশাল কাজটি পরিচালনা করেছে। গত মাসের ২৩ থেকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত দুটি শিফটে অনুষ্ঠিত হয়েছে নিয়োগের পরীক্ষা। যোগী সরকার এক অভূতপূর্ব সমন্বয় এবং নিরাপত্তার মাধ্যমে কাজটি সম্পাদন করেছে।

    ২০১৭ সাল থেকে নিয়োগের পরীক্ষায় বড় রকমের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল। অতীতের সমস্যাগুলির কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার এবারের পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং তা নির্বিঘ্নে করার জন্য সব রকম ব্যবস্থা করেছিল। কেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কঠোর। প্রাদেশিক আর্মড কনস্ট্যাবুলারির (PAC) ৩৫টি কোম্পানি এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ৮টি কোম্পানি সহ ১৯৭৮৫৯ জন পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। এসবের পরেও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পরীক্ষার স্বচ্ছতাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অন্য মাত্রায়। মোট ১৬৪৪০টি পরীক্ষার কক্ষকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছিল।

    প্রার্থীর আধার যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক ছিল (Uttar Pradesh)

    পরীক্ষার্থীদের (Police Recruitment) পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য সমস্ত প্রার্থীর আধার পরীক্ষা ছিল বাধ্যতামূলক। ৮৫ শতাংশ প্রার্থীর আধার বিবরণ নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অবশিষ্ট ১৫ শতাংশের অতিরিক্ত ই-কেওয়াইসি যাচাই করা হয়েছে। প্রতিটি শিফট শুরু হওয়ার আধ ঘন্টার মধ্যে প্রার্থীর তথ্য ক্রস-ভেরিফাই করা এবং যাবতীয় তথ্য পরীক্ষার বিষয়টি সম্পন্ন করা হয়েছিল। কাজগুলি সময় সাপেক্ষ হলেও উন্নত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে করা গিয়েছিল। যে কোনও অসঙ্গতি অবিলম্বে খুঁজে বের করা সম্ভব হয়েছিল। এমনকী সন্দেহ হলে গ্রেফতারও করা হয়েছে। প্রার্থীদের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে, উত্তরপ্রদেশ রাজ্য পরিবহণ কর্পোরেশন বিনামূল্যে বাস পরিষেবাও প্রদান করেছে। একই ভাবে বেশ কয়েকটি জেলায় (Uttar Pradesh) বৈদ্যুতিক বাসে বিনামূল্যে পরীক্ষার্থীদের পরিষেবা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ লগ্নি ৩৩০০ কোটি টাকা, দেশের পঞ্চম সেমিকন্ডাক্টর ইউনিটকে অনুমোদন কেন্দ্রের

    কী বললেন যোগী?

    রাজ্যের (Uttar Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ পরীক্ষা সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য জড়িত সকল সরকারি কর্মী এবং বিভিন্ন সংস্থাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে বলেন, “পুলিশ কনস্টেবল সিভিল পদের ৬০ হাজার ২০০টিরও বেশি পদে প্রার্থী নির্বাচনের জন্য লিখিত পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হয়েছে। তার জন্য সকল প্রার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এটি উত্তরপ্রদেশে নিরাপত্তা ও সুশাসনের মডেলকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এই পরীক্ষার সফল সম্পাদন শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশের জন্য নয়, সমগ্র ভারতের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে। শাসন ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। নতুন পুলিশ কনস্টেবলের মধ্যে ১৫০০০ জনেরও বেশি মহিলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যা রাজ্যের পুলিশ বাহিনীকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে বলে আমরা আশা রাখতে পারি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share