Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh: দুর্গাপুজোর আগে হিন্দুদের অধিকার রক্ষার জন্য বাংলাদেশকে বার্তা দিল যুক্তরাষ্ট্র

    Bangladesh: দুর্গাপুজোর আগে হিন্দুদের অধিকার রক্ষার জন্য বাংলাদেশকে বার্তা দিল যুক্তরাষ্ট্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাপঞ্চমীতে এপার বাংলায় দুর্গাপুজোয় শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। আর ওপার বাংলায় দুর্গাপুজো করা নিয়ে চরম বিড়ম্বনার মধ্যে রয়েছেন হিন্দুরা। এমনিতেই বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা সন্তোষজনক নয় বলে সেখানকার হিন্দুদের অভিযোগ। পাশাপাশি মৌলবাদীরা লাগাতার হিন্দুদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এই আবহের মাঝে বাংলাদেশকে বার্তা পাঠাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই দেশে হিন্দুরা যাতে নিরাপদে দুর্গাপুজো পালন করতে পারে, তা দেখার জন্যই ইউনূস সরকারকে কড়়া বার্তা দিয়েছে মার্কিন মুলুক।

    কী বার্তা দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র? (Bangladesh)

    বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজো করতে গিয়ে হিন্দুরা মৌলবাদীদের হুমকির মুখে পড়ছেন। এই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (United States) স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার সাংবাদিকদের বলেন, “অবশ্যই, আমরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার সুরক্ষিত দেখতে চাই। সারা বিশ্বে যা সত্য।” প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং অগাস্টে তাঁর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই বিবৃতি এসেছে। মূলত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে তারা বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষিত দেখতে চায়, কারণ হিন্দুরা তাদের সব চেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো উদযাপন করে।

    আরও পড়ুন: সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! চার্জশিটে উল্লেখ করল সিবিআই

    উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের

    এমনিতেই বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং মুসলমান সংগঠনগুলি দেশের বিভিন্ন জায়গায় দুর্গাপুজোর অনুমতি দেয়নি। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব এবং হুমকির কথা উল্লেখ করে দেওয়া হয়নি অনুমতি। এমনকী, পুজোর আয়োজন করলে এলাকাছাড়া করা হবে বলেও বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগে কিশোরগঞ্জের বত্রিশ গোপীনাথ জিউয়ের আখড়ায় ভাঙচুর করা হয়েছে দুর্গা প্রতিমা। কুমিল্লা জেলাতেও ভাঙচুর করা হয়েছে দুর্গা প্রতিমা। লুট করা হয়েছে মন্দিরের দান বাক্স। নারায়ণগঞ্জ জেলার মিরপাড়া এলাকায় ভাঙচুর করা হয় একটি দুর্গা মন্দিরে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে দুর্গাপুজো হওয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বাংলাদেশি হিন্দুরা যাতে শান্তিতে এবং নির্বিঘ্নে দুর্গাপুজো তথা শারদোৎসব পালন করতে পারেন, তার জন্য সেদেশের প্রশাসন যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে বলেই আশা করছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ভারত। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লিগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর বাংলাদেশে সহিংস বিক্ষোভের সময় হিন্দুসহ ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: মাওবাদী-মুক্ত হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: মাওবাদী-মুক্ত হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ কীভাবে মাওবাদী-মুক্ত হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, দেশ ২০২৬ সালের মধ্যেই মাওবাদী মুক্ত হবে। ছত্তিশগড়ে সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরে রাজ্য সরকারের প্রশংসা করেন তিনি। তিনি বলেন, “চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এই রাজ্যে ১৯৪ জন মাওবাদীকে খতম (Maoist-free) করা গিয়েছে। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে মোট ৮০১ জন মাওবাদীকে। আত্মসমর্পণ করেছে ৭৪২ জন জঙ্গি।”

    সমাজের মূল স্রোতে ফেরার বার্তা(Amit Shah)

    সোমবার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী এবং আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিল ছত্তিশগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের প্রতিনিধিরা। মাওবাদীরা যাতে অস্ত্র ত্যাগ করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসে, সেই জন্য বিশেষভাবে আবেদন রাখেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি মনে করিয়েছেন উত্তর এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যের প্রায় ২৩ হাজার জঙ্গি অস্ত্র (Maoist-free) ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে যোগদান করেছে।

    আরও পড়ুনঃ পুজোতে রোজই হালকা বৃষ্টির ইঙ্গিত কলকাতায়, আনন্দ মাটি হবে না তো?

    কী বললেন অমিত শাহ?

    গত শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর-দন্তেওয়ারা সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের ব্যাপক গুলির লড়াই হয়। আর তাতে ৩০ জন মাওবাদী মারা পড়ে। মৃত মাওবাদীদের কাছ থেকে একে ৪৭ সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রচুর বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকে এটা বিরাট সাফল্য। তাই রাজ্য সরকারকে বাহবা দিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “আমি ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী, ডিজিপি এবং পুরো টিমকে অভিনন্দন জানাই। চলতি বছরে ছত্তিশগড়ে ১৯৪ মাওবাদীকে নিকেশ করা হয়েছে। এ’বছরের জানুয়ারিতে রাজ্যে গিয়ে মাওবাদী দমনে কড়া পদক্ষেপের বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। গত ইউপিএ সরকারের তুলনায় নিরাপত্তা খাতে এবারে বাজটের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাজেটের পরিমাণ ছিল ১১৮০ কোটি টাকা। আবার ২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত এই বাজেট বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ৩০০৬ কোটি টাকা। আগের সরকারের তুলনায় বাজেট বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৩ গুণ। একই ভাবে মাওবাদী (Maoist-free) দমনের পাশাপাশি উন্নয়নমূলক কাজেও অর্থ ব্যয় করার কাজ চলছে।”  

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ১০ বছরে ১৬৪৬৩টি হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে যা ৭৭০০-এ নেমে এসেছে। প্রায় ৫৩% হ্রাস পেয়ছে। একইভাবে, অসামরিক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মৃত্যু ৭০% কমেছে। হিংসার ঘটনায় রিপোর্ট দেওয়া জেলার সংখ্যা ৯৬ থেকে ১৬-এ নেমে এসেছে। সেখানেও ৫৭% হ্রাস পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maa Lakshmi: এই পাঁচটি কাজ করুন প্রতিদিন, মা লক্ষ্মী হবেন প্রসন্না, আসবে সুখ-সমৃদ্ধি

    Maa Lakshmi: এই পাঁচটি কাজ করুন প্রতিদিন, মা লক্ষ্মী হবেন প্রসন্না, আসবে সুখ-সমৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে মা লক্ষ্মীকে (Maa Lakshmi) ধন, সম্পদ, গৌরব, সুখ প্রদানকারী দেবী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জীবনে ধন-সম্পদ ও সুখ-সমৃদ্ধি লাভের জন্য দেবী লক্ষ্মীর পুজোর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে বলেই ভক্তদের বিশ্বাস। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, দেবী লক্ষ্মীর (Maa Lakshmi) আশীর্বাদপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কখনও সম্পদ এবং সুখ ও খ্যাতির অভাব হয় না। দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ পেতে এবং তাঁকে খুশি করার জন্য শাস্ত্রে অনেক কিছু বলা হয়েছে। মা লক্ষ্মীকে প্রসন্ন করার জন্য অনেক রকম পদ্ধতি রয়েছে। কীভাবে প্রতিনিয়ত কাজের মাধ্যমে দেবী লক্ষ্মীকে খুশি করা যায়-এরকমই ৫টি কাজ আমরা জানব।

    সকালে বাড়ির প্রবেশদ্বার ধুতে হবে: ভক্তদের  বিশ্বাস রয়েছে, যে বাড়িতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থাকে, সেখানেই দেবী লক্ষ্মী বাস করেন। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী জানা যায়, বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারটি খুবই পরিষ্কার রাখা উচিত। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ভগবানকে স্মরণ করে বাড়ির মূল দরজা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলার পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তুশাস্ত্রবিদরা। এতে দেবী লক্ষ্মী (Maa Lakshmi) দ্রুত প্রসন্না হন এবং বাড়িতে সুখ-সমৃদ্ধি প্রবেশ করে। 

    দরজায় প্রদীপ জ্বালাতে হবে: বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারটিকে বাস্তুশাস্ত্রে খুবই বিশেষ বলে বিবেচনা করা হয়। প্রত্যহ সন্ধ্যায় বাড়ির প্রধান দরজায় একটি ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তুশাস্ত্রবিদরা। ভক্তদের বিশ্বাস, এইভাবে দেবী লক্ষ্মী (Maa Lakshmi) খুব দ্রুত প্রসন্না হন এবং সুখ ও সৌভাগ্য দিয়ে ঘর পূর্ণ করেন।

    তুলসী পূজন করতে হবে: মা লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুর কাছে তুলসী খুবই প্রিয় বলে মনে করা হয়। এমনটা বিশ্বাস রয়েছে, যে বাড়িতে তুলসী গাছের নিয়মিত পুজো হয়, সেখানে দেবী লক্ষ্মী অবশ্যই বাস করেন। প্রতিদিন সকালে তুলসীতলায় জল নিবেদন এবং সন্ধ্যায় ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে ঘরে সুখ, সমৃদ্ধি আসে বলেই বিশ্বাস।

    সূর্যদেবকে জল নিবেদন করতে হবে: শাস্ত্র অনুযায়ী (Hindu Custom), যে ব্যক্তি সূর্যদেবকে জল নিবেদন করেন এবং তাঁর ঘর সুখ, সমৃদ্ধি এবং গৌরবে পরিপূর্ণ থাকে। প্রতিদিন সূর্যদেবকে জল নিবেদন করলে রাশিতে সূর্যের অবস্থান মজবুত হয় বলেও জানাচ্ছেন জ্যোতিষীরা।

    তিলক লাগাতে হবে: শাস্ত্রবিদরা নিয়মিত কপালে চন্দনের তিলক লাগানোরও পরামর্শ দিচ্ছেন। ধর্মীয় বিশ্বাস (Hindu Custom) অনুসারে, সকালে পুজোর পর কপালে তিলক লাগালে দেবী লক্ষ্মী প্রসন্ন হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েতে বাধা! খাবারে বিষ মিশিয়ে পরিবারের ১৩ জনকে চিরঘুমে পাঠাল যুবতী

    Pakistan: প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েতে বাধা! খাবারে বিষ মিশিয়ে পরিবারের ১৩ জনকে চিরঘুমে পাঠাল যুবতী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাবারে বিষ (Poison) মিশিয়ে নিজের পরিবারেরই ১৩ জন সদস্যকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে এক যুবতীর বিরুদ্ধে। মৃতের তালিকায় অভিযুক্তের মা-বাবাও রয়েছেন। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধ প্রদেশে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত যুবতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। কী কারণে এই ধরনের নির্মম সিদ্ধান্ত নিল ওই যুবতী, তা নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ খুনের কারণও জানতে পেরেছে।

    কেন এই কাণ্ড ঘটাল ধৃত যুবতী? (Pakistan)

    জানা গিয়েছে, ওই যুবতীর বাড়ি সিন্ধ প্রদেশের (Pakistan) খয়েরপুরের কাছে হাইবত খান ব্রোহী গ্রামে। সে তার প্রেমিককে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু, তার পরিবার ওই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি হয়নি। আর এই রাগ থেকেই গত ১৯ অগাস্ট পরিবারের ১৩ জনকেই চিরঘুমে পাঠিয়ে দেয় ওই যুবতী। পুলিশ জানিয়েছে, তার পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করতে না দেওয়ায় মেয়েটি তার পরিবারের সকলের ওপর প্রচণ্ড খেপে গিয়েছিল। এরপর সে তার প্রেমিকের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের বিষ খাওয়ানোর ষড়যন্ত্র করে। যার মধ্যে মেয়েটির বাবা-মা-ও ছিল। কীভাবে তাঁদের বিষ খাওয়ালো? পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে, ওই বাড়িতে গম থেকে রুটি তৈরি করা হত। সেই গমেই বিষ মিশিয়েছিল মেয়েটি এবং তার প্রেমিক। পুলিশের জেরার মুখে মেয়েটি তার প্রেমিকের সঙ্গে গমে বিষ মেশানোর কথা স্বীকারও করেছে। এরপরই, রবিবার তাকে আটক করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! চার্জশিটে উল্লেখ করল সিবিআই

    পুলিশের কর্তা কী বললেন?

    খয়েরপুরের (Pakistan) পদস্থ পুলিশ কর্তা ইনায়েত শাহ বলেন, “১৩ জন সদস্যের সকলেই ওই বিষ মেশানো খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাউকেই বাঁচানো যায়নি। চিকিৎসা চলাকালীন সকলেরই মৃত্যু হয়। সকলের দেহ ময়নাতদন্ত করে দেখা গিয়েছে, প্রত্যেকেরই মৃত্যু হয়েছে বিষক্রিয়ায়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: পুজোতে রোজই হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়, আনন্দ মাটি হবে না তো?

    Weather Update: পুজোতে রোজই হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়, আনন্দ মাটি হবে না তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নচাপ কেটে গিয়েছে। তবুও বৃষ্টি ভোগাতে পারে। দুর্গাপুজোয় প্রত্যেক দিনই প্রায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়। বাকি রাজ্যেও বৃষ্টির প্রভাব থাকবে। তাহলে কি পুজোর আনন্দ মাটি হবে? আলিপুর আবহাওয়া দফতর কী বলছে? হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ১০ অক্টোবর সপ্তমী পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে জেলায়ও বৃষ্টি (Light rain) হতে পারে, কিন্তু ভারী বর্ষণের তেমন কোনও ইঙ্গিত নেই। ফাঁকা সময়ে ঠাকুর দেখার অবসর মিলবে।

    অতি হালকা থেকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে (Weather Update)

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১০ অক্টোবর সপ্তমী পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি (Weather Update) হতে পারে। ১১ অক্টোবর, অষ্টমী-নবমীতে উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের বেশ কিছু এলাকায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি কিছু অংশেও হতে পারে হালকা বৃষ্টি (Light rain)। আগামী শনিবার দশমীর দিন দক্ষিণের সব জেলার কিছু কিছু জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে রবিবার একাদশীতে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে অতি হালকা থেকে হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

    উত্তরবঙ্গেও হবে হালকা বৃষ্টি

    উত্তরবঙ্গে মঙ্গল এবং বুধবারে প্রায় সব জেলার বেশ কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বৃহস্পতিবার সপ্তমীতে দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ একাধিক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ওই দিন উত্তরের বাকি ছয় জেলার দুই এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার, অষ্টমী-নবমীতে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারের বেশ কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। আগামী শনিবার, দশমী এবং রবিবার একাদশীতে দার্জিলিং, কালিম্পং-এর বেশকিছু জায়গায় হালকা ও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    কলকাতায় কেমন আবহাওয়া থাকবে?

    পুজোর প্রায় সব দিনেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতায়। মঙ্গলবার পঞ্চমীর দিনে কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শহরে এদিন, দিনের সর্ব্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩২ ডিগ্রির কাছাকাছি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। ষষ্ঠী থেকে সপ্তমীতে শহরের বেশকিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টির (Light rain) সম্ভাবনা রয়েছে। অষ্টমী-নবমীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় আকাশ থকাবে আংশিক মেঘলা (Weather Update)। আবার একাদশীর দিনেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Parthiv Shivalinga: মাটির শিবলিঙ্গ পূজনে পূরণ হয় ভক্তদের সকল মনোবাঞ্ছা! কীভাবে তৈরি করবেন?

    Parthiv Shivalinga: মাটির শিবলিঙ্গ পূজনে পূরণ হয় ভক্তদের সকল মনোবাঞ্ছা! কীভাবে তৈরি করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবপুরাণে ভগবান শিব ও শিবলিঙ্গের (Parthiv Shivalinga) পুজোর পদ্ধতি বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি মাটির বা পার্থিব শিবলিঙ্গ পুজোর গুরুত্বও ব্যাখ্যা করা হয়েছে এখানে। মাটির শিবলিঙ্গের পুজো করলে দুঃখ-কষ্ট নাশ হয় এবং ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরণ হয় বলে ধর্মীয় বিশ্বাস। শাস্ত্রবিদরা জানাচ্ছেন, শিবলিঙ্গের পুজো করার সংকল্প নিয়ে একটি পবিত্র স্থান বেছে নিন। আর নিয়ে আসুন পবিত্র নদী বা হ্রদের মাটি। মাটি শুদ্ধ করতে ফুল ও চন্দন ব্যবহার করুন। মাটি শোধনের সময় শিবমন্ত্র জপ করতে করতে মাটিতে গরুর দুধ, গুড়, মাখন ও ভস্ম মিশিয়ে শিবলিঙ্গ (Shivalinga) তৈরি করুন। শাস্ত্রবিদরা আরও জানাচ্ছেন, মাটির শিবলিঙ্গ তৈরির সময় শিবভক্তদের (Parthiv Shivalinga) মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রাখতে হবে। শিবলিঙ্গের উচ্চতা ৮ ইঞ্চির বেশি রাখবেন না। শিবপুরাণ মতে, যে ব্যক্তি মাটির শিবলিঙ্গ তৈরি করে প্রতিদিন পুজো করেন, তিনি শিবপদ ও শিবলোক লাভ করেন। আবার যে ব্যক্তি ব্রাহ্মণ কুলে জন্মগ্রহণ করা সত্ত্বেও পুজো করে না, সে ঘোর নরকলাভ করে। 

    কীভাবে মাটির শিবলিঙ্গের (Parthiv Shivalinga) পুজো করবেন

    ওম নমঃ শিবায় মন্ত্রোচ্চারণ করে পুজোর সামগ্রী একত্রিত করে জল ছিটিয়ে শুদ্ধ করে নিতে হবে। পার্থিব শিবলিঙ্গের (Shivalinga) পুজো করার আগে শ্রী গণেশ, ভগবান বিষ্ণু, নবগ্রহ এবং দেবী পার্বতীর পুজো করতে বলছেন শাস্ত্রবিদরা। শিবলিঙ্গে অর্পণ করতে হবে বেলপত্র, ফুল ইত্যাদি। এরসঙ্গে কাঁচা দুধ দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করতে হবে। পঞ্চমেব, পঞ্চামৃত, মিষ্টি, ফল, ধাতুরা, ভাং ইত্যাদিও নিবেদন করতে হবে। সবশেষে মহাদেবের আরতি করতে হবে। এরপর কোনও ব্রাহ্মণের সাহায্যে পুজো করে থাকলে, তাঁকে দক্ষিণা দিন। শিবের সামনে নিজের মনস্কামনা পূরণের প্রার্থনা করুন। তার পর বিসর্জন করবেন। শিবপুরাণ অনুযায়ী এ ভাবে শিবের পুজো করলে মোক্ষ লাভ করা যায়।

    হিন্দু ধর্মে মাটির শিবলিঙ্গের (Parthiv Shivalinga) গুরুত্ব কী?

    শিবপুরাণ অনুযায়ী, মাটির শিবলিঙ্গের পুজো জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। এছাড়া যে কোনও মানসিক ও শারীরিক কষ্ট থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় সহজেই। পুরাণ অনুযায়ী, কুষ্মাণ্ড ঋষির পুত্র মণ্ডপ সর্বপ্রথম মাটির শিবলিঙ্গের পুজো শুরু করেন। মাটির শিবলিঙ্গের পুজোর সময় শিবমন্ত্র জপ করা উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Junior Doctor: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে অনশনে দুই জুনিয়র ডাক্তার, ধর্মতলায় পুলিশি বাধা অব্যাহত

    Junior Doctor: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে অনশনে দুই জুনিয়র ডাক্তার, ধর্মতলায় পুলিশি বাধা অব্যাহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডের প্রতিবাদ ও চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার দাবিতে ধর্মতলায় আমরণ অনশনে বসেছেন সাতজন জুনিয়র ডাক্তার (Junior Doctor)। তাঁদের সমর্থন জানিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদও করছেন সিনিয়র ডাক্তারদের একাংশ। এবার সেই রকমই ১০ দফা দাবি জানিয়ে আমরণ অনশন শুরু করলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের দুই জুনিয়র চিকিৎসক সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অলোককুমার ভার্মা।

    অনশন নিয়ে কী বললেন আন্দোলনকারী? (Junior Doctor)

    রবিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ১৭ জন জুনিয়র চিকিৎসক (Junior Doctor) ২৪ ঘণ্টা প্রতীকী অনশন করেন। এরপর সোমবার সকাল থেকেই রোগী পরিষেবার কথা মাথায় রেখে কাজে যোগ দেন ৫৮ জন জুনিয়র ডাক্তার। আউটডোর, ইনডোর, সব বিভাগেই পরিষেবা স্বাভাবিক রাখেন তাঁরা। অন্যদিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আমরণ অনশনে বসেন ২ জুনিয়র চিকিৎসক। যতদিন না ১০ দফা দাবি পূরণ হচ্ছে ততদিন এই অনশন চলবে বলে জানান তাঁরা। উত্তরবঙ্গ ডেন্টাল কলেজের ইন্টার্ন সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের দশ দফা দাবি মানতে হবে। যতদিন না সেই দাবি মানা হবে ততদিন আমরণ অনশন চলবে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে সেটা এখনও স্থির নয়। তবে জুনির ডাক্তাররা যে সিদ্ধান্ত নেবে আমরা সেটাই সমর্থন করব।”

    আরও পড়ুন: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    চৌকি কাঁধে করে নিয়ে যান জুনিয়র ডাক্তাররা

    ধর্মতলায় অনশনের তৃতীয় দিনে অশান্তি শুরু হয়। বৌবাজার থানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান আন্দোলনরত চিকিৎসকেরা। অভিযোগ, অনশনমঞ্চে বসবার জন্য যে চৌকি আনা হয়েছিল, সেগুলো ‘বাজেয়াপ্ত’ করেছে পুলিশ। রাস্তাতেই ওই নিয়ে একপ্রস্ত বাদানুবাদ হয় পুলিশ এবং জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor)। তার পর সোমবার সন্ধ্যায় উত্তেজনা ছড়াল বৌবাজার থানার সামনে। জুনিয়র ডাক্তারদের স্লোগানে স্লোগানে ভরে ওঠে থানা চত্বর। পরে থানার মূল গেটের সামনে বসে পড়েন তাঁরা। প্রায় তিন ঘণ্টা বৌবাজার থানায় বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটির পরে ‘বাজেয়াপ্ত’ করা চৌকি ‘ছাড়িয়ে’ আনলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। ছেড়ে দেওয়া হয় সাইকেল ভ্যানগুলিও। সেগুলোয় কয়েকটি চাপানো হয়। কয়েকটি চৌকি নিজেরাই কাঁধে তুলে নেন ডাক্তারেরা। তার পর হাঁটা দেন অনশনমঞ্চের দিকে। সঙ্গে পুলিশের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, সোমবারই সাংবাদিক বৈঠক করে অনশনরত জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। অন্যদিকে, আন্দোলনের সমর্থনে জুনিয়র ডাক্তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টর্স। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ইউটিউবে লাইভ স্ট্রিমিং হবে অনশনের।

    পুলিশের জুলুমবাজি!

    আন্দোলনরত এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “পুলিশ এই আন্দোলনে নানা ভাবে বাধা দিচ্ছে। বায়ো টয়লেট বসানো থেকে ডেকোরেটরদের গাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া, সবেতেই গায়ের জোর দেখাচ্ছে পুলিশ। সকালে নিজেরাই বায়ো টয়লেট তৈরি করেছি। কিন্তু, এবার চৌকি আনতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর থেকে খারাপ জিনিস বোধ হয় কোনও দেশের বা অন্য কোনও রাজ্যের সরকার কোনও দিন করেনি! এরা সেই রাস্তাটাও এবার দেখিয়ে দিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! চার্জশিটে উল্লেখ করল সিবিআই

    CBI: সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! চার্জশিটে উল্লেখ করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগে আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar) শিয়ালদা কোর্টে প্রথম চার্জশিট পেশ করে সিবিআই (CBI)। চার্জশিটে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ই তরুণী চিকিৎসককে মত্ত অবস্থায় ধর্ষণ ও খুন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চার্জশিটে মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে সঞ্জয় রায়ের। অভিযুক্ত সিভিকের ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

    সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! (CBI)

    সিবিআই (CBI) এফআইআর করেছিল ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ (ধর্ষণ) এবং ১০৩ (১) খুনের ধারায়। তবে চার্জশিট দিল ৬৪ (ধর্ষণ), ৬৬ (ধর্ষণ করতে গিয়ে কাউকে হত্যা বা তাকে মৃতপ্রায় (vegetative state) করলে, সেই ধারায়। সেই সঙ্গে দেওয়া হল ১০৩ (১) খুনের ধারা। চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি সেমিনার রুমে পৌঁছে নির্যাতিতাকে দেখে। তারপরেই ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাধা পেয়ে আঘাত করে যার ফলে নির্যাতিতা মৃতপ্রায়, সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। সেই অবস্থায় ধর্ষণ করা হয়। অর্থাৎ সিবিআই গণধর্ষনের কোনও ধারা যুক্ত করল না এক্ষেত্রে। ঘটনাস্থলে আর কারও উপস্থিত থাকা এবং খুন-ধর্ষণ কাণ্ডে সিভিক ছাড়া আর কারও যোগ খারিজ এই চার্জশিট অনুযায়ী। অভিযুক্তের বিকৃত যৌন প্রবৃত্তি এবং মানসিক বিকৃতি আছে, সেটাও উল্লেখ সিবিআই চার্জশিটে। মোট ১২৮ জনের বয়ান রেকর্ড করার কথা উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। 

    আরও পড়ুন: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    ধারা অনুযায়ী কী সাজা হতে পারে ধৃত সিভিকের?

    সিবিআই (CBI) সূত্রে খবর, ভারতীয় ন্যায় সুরক্ষা সংহিতা ৬৪ নম্বর ধারা অর্থাৎ ধর্ষণ। ভারতীয় ন্যায় সুরক্ষা সংহিতার ৬৬ নম্বর ধারা অর্থাৎ ধর্ষণের জেরে খুন। এই ধারা প্রমাণিত হলে কুড়ি বছরের কারাবাস বা জেলে স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত কারাবাস কিংবা মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। ভারতীয় ন্যায় সুরক্ষা সংহিতার ১০৩ (১) ধারা অর্থাৎ খুন। এই ধারা প্রমাণিত হলে আমৃত্যু কারাবাস কিংবা মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার যায় সিবিআই-এর হাতে। মামলার দায়ভার নেওয়ার ৫৫ দিনের মাথায় এবার শিয়ালদা কোর্টে চার্জশিট জমা দিল সিবিআই। চার্জশিটটি ২১৩ পাতার। সেখানে ২০০জন সাক্ষীর কথা উল্লেখ করেছে সিবিআই। সেই সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই মূল অভিযুক্ত হিসেবে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ারের কথা উঠে আসছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    Birbhum: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) খয়রাশোলে কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে সাতজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বিস্ফোরণ নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন! পুলিশকে ঘিরে প্রবল বিক্ষোভ দেখিয়েছে জনতা। রাজ্যের গেরুয়া শিবির গোটা ঘটনায় এনআইএ (NIA) তদন্ত দাবি করেছে। ঠিক এই আবহে ফের  টাকা দিয়ে মুখ বোজানোর রাজনীতি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতদের পরিবারপিছু একটি করে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বিস্ফোরণে মৃতদের পরিবারকে মোট ৩০ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানিয়ে দিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ।

    মূল ঘটনা (Birbhum)

    প্রসঙ্গত, সোমবার সকালেই বীরভূমের (Birbhum) খয়রাশোল ব্লকের লোকপুর থানার অন্তর্গত ভাদুলিয়া গ্রামে বিস্ফোরণটি ঘটে। ভাদুলিয়ার গঙ্গারামচক মাইনিং প্রাইভেট লিমিটেড কোলিয়ারিতে (জিএমপিএল) বিস্ফোরণে নিহত হন জয়দেব মুর্মু, সোমলাল হেমব্রম, মঙ্গল মারান্ডি, জুডু মারান্ডি, পলাশ হেমব্রম, রুবিলাল মুর্মু। মৃতদের সকলেরই বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বলে জানা গিয়েছে৷ বিস্ফোরণের অভিঘাতে তাঁদের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এদিক ওদিক ছিটকে পড়ে দেহাংশ। ঘটনার পরেই এলাকা ছেড়ে পালান জিএমপিএল-এর আধিকারিক এবং উপরতলার কর্মীরা। এরপর পুলিশ পৌঁছলে তাদেরকে ঘিরে ধরেও চলে বিক্ষোভ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খনিতে বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য একটি ট্রাকেই বিস্ফোরক আনা হয়েছিল। যে পরিমাণ বিস্ফোরক দু’টি ট্রাকে আনা হয়, সোমবার তা একটি ট্রাকে করেই নিয়ে আসা হয়েছিল। তাই ওভারলোডিংয়ের জেরেই এই বিস্ফোরণ কি না, সে প্রশ্ন উঠেছে।

    এনআইএ দাবি বিজেপির 

    ইতিমধ্যেই এনআইএ (NIA) তদন্ত চেয়েছেন দুবরাজপুরের (Birbhum) বিজেপি বিধায়ক অনুপ সাহা। ঘটনাস্থলে গিয়ে মানুষজনের সঙ্গে সোমবার কথাও বলতে দেখা যায় তাঁকে। পরে সংবাদমাধ্যমকে অনুপ সাহা বলেন, ‘‘যা ঘটেছে, তা খুবই মর্মান্তিক৷ বিস্ফোরণে এতগুলো প্রাণ গেল। প্রশাসনের মদতে এই কয়লা খনি চলে। জঙ্গল কেটে খনি করা হয়, অনুমোদন ছা়ড়াই গভীর খনন করা হয়৷ আর বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি খোলা রাস্তা দিয়ে আসছে? আজ যদি এই বিস্ফোরণ জনবহুল এলাকায় ঘটত কী হত? প্রশাসন এ ভাবে দায়িত্ব এড়াতে পারে না৷ আমরা চাই এনআইএ তদন্ত হোক। তা হলেই সত্য সামনে আসবে।’’

    কীভাবে এত ডিনামাইট সেখানে মজুত হল? প্রশ্ন বিজেপি নেতার

    বীরভূমের কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ নিয়ে ইতিমধ্যে সামনে এসেছে বিজেপি রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বিবৃতিও জগন্নাথবাবু নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘‘পুলিশের উপর মানুষের কোনও আস্থা নেই। বীরভূমের ভাদুলিয়ায় খনিতে বিস্ফোরণের পর ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। কীভাবে এত ডিনামাইট সেখানে মজুত হল? কোনও বিশেষজ্ঞ ছিলেন নাকি যে আদিবাসীদের প্রাণ গেল তাঁরাই ডিনামাইট ফাটিয়ে কয়লা তুলতো। এই অসাধু চক্রের মূলে আঘাত করতে হবে। না হলে মাননীয়ার পুলিশকে এভাবেই জনগণ তাড়িয়ে দেবে। সেই সঙ্গে এই সরকারটাকেও।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: অনুপ্রবেশে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস! ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি, আশ্বাস বিজেপির

    BJP: অনুপ্রবেশে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস! ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি, আশ্বাস বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে ক্ষমতায় এলে সে রাজ্যে এনআরসি করার আশ্বাস দিল বিজেপি (BJP)। ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ (Bangladeshi Infiltration) এখন বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে জনবিন্যাসের পরিবর্তনও দেখা গিয়েছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের কারণে। বিজেপির অভিযোগ, এই অনুপ্রবেশকে বরাবরই ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছে কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি। তাই এই নির্বাচনে বিজেপি (BJP) ক্ষমতায় এলে সে রাজ্যে এনআরসি হবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এর পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডকে রক্ষা করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শিবরাজ সিং চৌহানের মতে, ‘‘অনুপ্রবেশ শুধুমাত্র ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাসের পরিবর্তন করেনি, এর পাশাপাশি উপজাতিদের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কাঠামোকেও তা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে।’’

    কী বললেন শিবরাজ

    শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, ‘‘বিজেপির (BJP) বিস্তারিত ইস্তেহার শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। তবে এই নির্বাচন শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়ার নির্বাচন নয়। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা আমাদের জমি, আমাদের কন্যা এবং আমাদের জীবিকাকে রক্ষা করতে পারি। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের কারণে সাঁওতাল পরগনার জনবিন্যাসের পরিবর্তন উদ্বেগজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটা সময় উপজাতিদের জনসংখ্যা ৪৪ শতাংশ ছিল, যা বর্তমানে ২৮ শতাংশে নেমে এসেছে। অবিরাম অনুপ্রবেশের কারণেই এটা হয়েছে।’’

    নিশানা হেমন্ত সোরেনকেও 

    এর পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে নিশানা করে শিবরাজ সিং চৌহান আরও বলেন, ‘‘ভোট ব্যাঙ্কের লোভে সোরেন সরকার আধার কার্ড থেকে শুরু করে ভোটার তালিকায় নাম তোলা, সবটাই করে দিয়েছে এদের। অনুপ্রবেশকারীরা (Bangladeshi Infiltration) আমাদের জমি দখল করছে, আদিবাসী মহিলাদের বিয়ে করে তাদের শোষণ করছে এবং আমাদের মেয়েদের নির্মমভাবে হত্যা করছে।’’ প্রসঙ্গত, গত মাসে ঝাড়খণ্ড সফরের সময় প্রায় একই ধরনের কথা বলতে শোনা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও এবং তিনিও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার কথা বলেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share