Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। নয়াদিল্লির বক্তব্যকে মান্যতা দিয়ে এ কথা জানাল আমেরিকা। বুধবার আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যতম উপদেষ্টা জন কিরবি সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) নিয়েও কথা বলেছিলেন বাইডেন।

    কী বললেন কিরবি (Bangladesh Crisis)

    আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যতম উপদেষ্টা বলেন, “প্রেসিডেন্ট (বাইডেন) বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে নিজের ধারাবাহিক উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। সে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়েও নিজের মনোভাব জানিয়েছেন।” ২৬ অগাস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রেও জানানো হয়েছিল, বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে।

    কী লিখেছিলেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “বাইডেনের সঙ্গে আজ ফোনে কথা হয়েছে। ইউক্রেন পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আমাদের বিশদে মত বিনিময় হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছি। দ্রুত স্বাভাবিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছি। জোর দিয়েছি, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর।”

    আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর, ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’, বললেন শাহ

    হোয়াইট হাউসের তরফেও জারি করা হয়েছিল বিবৃতি (Bangladesh Crisis)। তাতে বলা হয়েছিল, “প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেন আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক পোল্যান্ড এবং ইউক্রেন সফরের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের প্রসঙ্গও।” এই বিবৃতিতে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ ছিল না। তা নিয়ে চড়ে জল্পনার পারদ। সেই জল্পনায়ই জল ঢেলে দিল কিরবির বিবৃতি।

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। অশান্তির সুযোগে শুরু হয় হিন্দু নিধন যজ্ঞ। হিন্দু পদাধিকারীদের জোর করে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়। হিন্দু নারীদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও ওঠে। ধর্ষণের অভিযোগেও তপ্ত হয় বাংলাদেশ। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তারপর পরিস্থিতি চরমে ওঠে। এই ঘটনায় মোদির পাশাপাশি (Bangladesh Crisis) উদ্বেগ প্রকাশ করেন বাইডেনও (Joe Biden)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: শাল-মহুয়া-পলাশের ঘন অরণ্য, দূরে পাহাড়ের শ্রেণি, ঘুরে আসুন প্রজাপতির দেশে!

    Jharkhand: শাল-মহুয়া-পলাশের ঘন অরণ্য, দূরে পাহাড়ের শ্রেণি, ঘুরে আসুন প্রজাপতির দেশে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরণ্য যাঁদের প্রথম প্রেম, অখণ্ড নির্জনতা, পাখির কূজন আর পাহাড়ের বুক চিরে আদিবাসী কিশোরীর প্রাণবন্ত চপলতায় নেমে আসা ঝর্ণা যাঁদের হৃদয়ে, তাঁদের কাছে অন্যতম সেরা গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলার এক অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান মারোমার (Jharkhand) আর আঁকশি। বেতলা জাতীয় উদ্যান থেকে নেতারহাট যাওয়ার পথে পড়বে মহুয়াডার। এই মহুয়াডার থেকেই রাস্তা ভাগ হয়ে গিয়েছে। একটি রাস্তা চলে গিয়েছে নেতারহাট, অপর রাস্তাটি ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এবড়ো-খেবড়ো, আঁকা-বাঁকা রুক্ষ পাথুরে পথ বেয়ে চলে গিয়েছে মারোমারের দিকে। চারদিকে শাল, মহুয়া, পলাশ, শিমুলের ঘন অরণ্য, দূর থেকে দেখা যায় পাহাড়ের শ্রেণি, এরই মাঝে অবস্থান এই মারোমারের। মারোমার যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা এক ছবি, স্থানীয় মানুষের ভাষায় যা বেশি পরিচিত মারুমার নামে।

    প্রজাপতির দেশ (Jharkhand)

    এখানকার বন বাংলোটিতে বসে বসেই কাটিয়ে দেওয়া যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এখানে দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির প্রজাপতির। তাই অনেকেই একে প্রজাপতির দেশ বলে থাকেন। বাংলোর পাশেই পাহাড়। পাহাড়ের বুক চিরে নেমে এসেছে একটি অপূর্ব সুন্দর ঝর্ণা। নাম, মিরচাইয়া ফলস। উত্তর কোয়েল নদীর জলধারা থেকে সৃষ্ট মিরচাইয়া ফলস প্রায় ১০০ ফুট উঁচু থেকে পাথরের বুকে ধাক্কা খেতে খেতে নেমে এসেছে নীচে। এই অপরূপ সৌন্দর্যকে (Maromar Forest) ভাষায় প্রকাশ করা এক প্রকার অসাধ্য।

    সুগা বাঁধ ও আঁকশি 

    মারোমার থেকে আরও প্রায় ২০ কিমি দূরে আর একটি দারুণ সুন্দর স্পট ‘সুগা বাঁধ’। মারোমার থেকে আর একটু অরণ্য পথে গেলে ‘আঁকশি’। এও এক অসামান্য রূপসী স্থান। চারদিকে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের শ্রেণি, নিবিড় অরণ্য, নীচ দিয়ে বয়ে চলা নদী, মনপ্রাণ যেন এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। এর কাছেই রয়েছে উলফ স্যাংচুয়ারি। এখানকার অরণ্যে বাস হরিণ, বুনো শুকর, শজারু, হায়না, বন্য কুকুর, যাদের স্থানীয় ভাষায় বলে ‘ঢোল’। আছে অজস্র বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, আর আছে দামাল হাতির পাল। তবে মারোমারের (Jharkhand) পর থেকে আর সহজে হাতির দেখা মেলে না।

    অবস্থান, যাতায়াত, থাকা-খাওয়া (Jharkhand)

    বেতলা থেকে মারোমারের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিমি। পথ হবে এই রকম, বেতলা-গাড়ু-মহুয়াডার-মারোমার-বারেসাদ-আঁকশি-উলফ স্যাংচুয়ারি।

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে ডাল্টনগঞ্জ যাওয়ার ট্রেনে (যাচ্ছে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস, ভূপাল এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন ) এসে নামতে হবে বারাওডি ষ্টেশনে। সেখান থেকে বাকি পথ যেতে হবে গাড়িতে।

    থাকা-খাওয়া-এই পথে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভরসা বনবাংলো। এখানেই হতে পারে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা (Maromar Forest)। বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ-ডিএফও, ডাল্টনগঞ্জ, অথবা ফোন করতে পারেন ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে। আর গাড়ি বা জঙ্গলে সাফারি করার জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: ‘মোমের আলোর তাপ সইতে পারছে না তৃণমূল’, মাথাভাঙার ঘটনায় প্রতিবাদ বিজেপির

    RG Kar Protest: ‘মোমের আলোর তাপ সইতে পারছে না তৃণমূল’, মাথাভাঙার ঘটনায় প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar Protest) ঘটনা নিয়ে গোটা বাংলা যখন পথে নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, তখন কোচবিহারের (Cooch Behar) মাথাভাঙায় প্রতিবাদীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ছবি এঁকে, গান গেয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ। আচমকা শাসক দলের কর্মীরা দল এসে জল ঢেলে সব ছবি আঁকা মুছে দেন বলে অভিযোগ। প্রতিবাদীরা রীতিমতো চমকে যান এই আকস্মিক হামলায়। এই ঘটনা জানাজানি হতেই রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে।  

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (RG Kar Protest)

    কোচবিহারের মাথাভাঙা শহরের চৌপতিতে বুধবার গণতান্ত্রিক লেখক সংগঠন এবং ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘের উদ্যোগে প্রতিবাদ কর্মসূচির (RG Kar Protest) আয়োজন করা হয়েছিল। বহু সাধারণ মানুষ তাতে শামিল হয়েছিলেন। রাস্তা জুড়ে প্রতিবাদের প্রতীকী ছবি এঁকেছিলেন শিল্পীরা। অভিযোগ, কর্মসূচি চলাকালীন আচমকা ঘটনাস্থলে হাজির হন স্থানীয় তৃণমল নেতাকর্মীরা। তাঁরা প্রতিবাদীদের মারধর করেন এবং ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেন। তাঁদের সঙ্গে প্রতিবাদীদের কথা কাটাকাটিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিবাদীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। কয়েকজনকে মারধরও করা হয়। অভিযোগ, রাস্তায় আঁকা প্রতিবাদের ছবি জল ঢেলে মুছে দেন তৃণমূল কর্মীরা।

    আয়োজকদের বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে আয়োজকদের এক জন বলেন, “গণসংগঠনের তরফে আমরা আরজি করের প্রতিবাদে কর্মসূচির আয়োজন করেছিলাম। গান-বাজনা-আবৃত্তির মাধ্যমে আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। বহু বিশিষ্ট নাগরিক প্রতিবাদে যোগ দিয়েছিলেন। মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ চলছিল। কোনও রাজনৈতিক ঝান্ডা ছিল না। এর মধ্যে দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূলের নেতৃত্বে আমাদের কিছু সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়। যা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। বিচার চেয়ে রাস্তায় ছবি এঁকেছিলেন শিল্পীরা। তাও মুছে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ধিক্কার জানাচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: ‘‘ঘরে মেয়ের দেহ, তখন পুলিশ টাকা দিতে চেয়েছিল’’, বিস্ফোরক নির্যাতিতার বাবা

    ঘটনার নিন্দায় বিরোধী দলনেতা

    ঘটনার নিন্দা করে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মাথাভাঙায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে (RG Kar Protest) কাপুরুষের মতো হামলা চালানো হয়েছে। তৃণমূল ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় এবং তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডারা এই হামলা চালিয়েছে।” এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “চিকিৎসকদের আবেদনে সাড়া দিয়ে সাধারণ মানুষ ন্যায়ের জন্য আলো জ্বালাও কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত তৃণমূল এই মোমবাতির আলোর তাপ সহ্য করতে পারছে না। তাই তারা জোর করে আলো নেভানোর চেষ্টা করছে। এমনকী, তৃণমূলের গুন্ডারা প্রতিবাদীদের ছবিকেও মুছে ফেলছে।”

    সরব কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত

    এক্স হ্যান্ডলে মাথাভাঙার ঘটনার (RG Kar Protest) নিন্দা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তৃণমূল গণতন্ত্র-বিরোধী এবং মানবতা-বিরোধী বলে আক্রমণ করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tripura: ত্রিপুরায় দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর, ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’, বললেন শাহ

    Tripura: ত্রিপুরায় দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর, ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনএলএফটি (NLFT) ও এটিটিএফ (ATTF)-এর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করলেন (Tripura) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। গত বছরেরই অক্টোবরে ত্রিপুরার এই দুই জঙ্গিগোষ্ঠীকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে (ইউএপিএ) নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এই দুই জঙ্গিগোষ্ঠী ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলিকে। বছর ঘোরার আগেই অবস্থান বদলে তাদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ (Tripura)

    এই চুক্তি স্বাক্ষরকে ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ বলে বর্ণনা করেছেন শাহ। তিনি বলেন, “৩৫ বছর পরে আপনারা অস্ত্র ছেড়ে গণতন্ত্রের মূল স্রোতে ফিরে এলেন। এটা আমাদের সকলের জন্য আনন্দের বিষয়।” এদিন নয়াদিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে স্বাক্ষরিত হয় শান্তিচুক্তি। শাহ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা এবং গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকরা। শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় একদিকে যেমন রাজ্যে উন্নত হবে আইনশৃঙ্খলা, তেমনি সুগম হবে উন্নয়নের পথ।

    কী বললেন শাহ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে শান্তি ও সমৃদ্ধির দিকে আর একটি পদক্ষেপ করল ত্রিপুরা। উত্তর-পূর্ব ভারতে এ নিয়ে দ্বাদশ চুক্তি হল, ত্রিপুরায় হল তৃতীয় চুক্তি। এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার বিদ্রোহী আত্মসমর্পণ করেছেন, অস্ত্র ছেড়ে দিয়েছেন এবং সমাজের মূলধারায় যোগ দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “আজ এনএলএফটি এবং এটিটিএফ-এর আত্মসমর্পণ ও এই চুক্তির মাধ্যমে ৩২৮ এর বেশি সশস্ত্র ক্যাডার সমাজের মূলধারায় যোগ দেবেন।”

    আরও পড়ুন: সিঙ্গাপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, বাজালেন ঢোল, প্রবাসীরা নাচলেন লাভানি

    ১৯৯৬ সালে বাম আমলে আত্মপ্রকাশ করে ওই দুই জঙ্গি সংগঠন। গণহত্যা, অপহরণ, চোরাচালান-সহ নানা অভিযোগ রয়েছে এই দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। এই জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির মধ্যে এনএলএফটি উগ্র বাম বিরোধী বলে পরিচিত। আবার এটিটিএফ নেতৃত্বের একাংশ বাম ঘনিষ্ঠ বলে নানা সময় অভিযোগ উঠেছে। দুই সংগঠনের নেতারাই দক্ষিণ ত্রিপুরার জনজাতি সম্প্রদায়ের। উত্তর-পূর্ব ভারতে শান্তি ফেরাতে এই দুই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর (Amit Shah) একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে (Tripura)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সিঙ্গাপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, বাজালেন ঢোল, প্রবাসীরা নাচলেন লাভানি

    PM Modi: সিঙ্গাপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, বাজালেন ঢোল, প্রবাসীরা নাচলেন লাভানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক ব্রুনেই সফর সেরে বুধবার সিঙ্গাপুরে (Singapore) পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। চলতি সফরে উচ্চস্তরের বেশ কয়েকটি বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত-সিঙ্গাপুর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে বলেও সূত্রের খবর। এদিন চাঙ্গি বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী কে শানমুঘম। প্রবাসী ভারতীয়রা স্বাগত জানান তাঁকে। পরে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোয় কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    সিঙ্গাপুরে প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওয়ংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “আমার বন্ধু, প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওয়ং-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমি খুশি। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চমৎকার আলোচনা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বন্ধুত্বকে ভারত মূল্য দেয়।” সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবিও শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ইস্তানায় তাঁকে ডিনারে স্বাগত জানানো হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের গুরুত্ব

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘এই সফর ভারত ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ভারতের অ্যাক্ট ইস্ট নীতিকে এগিয়ে নেওয়ার, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসগরীয় অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়ানোর এবং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ক গভীর করার।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ব্যাপারে একটি পোস্টও করা হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের তরফে।

    এদিকে, এদিন রাজধানী মেরিনা বে-তে প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) নাচে-গানে স্বাগত জানান প্রবাসী ভারতীয়রা। মহারাষ্ট্রের লোকনৃত্য লাভানি পরিবেশন করেন তাঁরা। হঠাৎই প্রধানমন্ত্রীকে দেখা যায় ঢোলের কাঠি হাতে তুলে নিতে। তিনি বাজালেন। আর লাভানি নাচলেন প্রবাসীরা। প্রধানমন্ত্রীর এই ঢোল বাজানোর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি পোস্ট করে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস লেখেন, ‘যখন সিঙ্গাপুরেও (Singapore) মহারাষ্ট্রের উৎসাহ, সংস্কৃতি ও উৎসবের স্পন্দন অনুভূত হয়, তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিও তাতে যোগ না দিয়ে পারেন না। একটি তাল ভুল না করে নিখুঁতভাবে ঢোল বাজান’ (PM Modi)।

     

    আরও পড়ুন: রাতে রাজপথে জনস্রোত! ‘তিলোত্তমা’র স্মৃতিতে আলো নিভিয়ে বাতি জ্বালাল কলকাতা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সুপ্রিম কোর্টে আজ শুনানি হচ্ছে না আরজি করকাণ্ড মামলার

    RG Kar Incident: সুপ্রিম কোর্টে আজ শুনানি হচ্ছে না আরজি করকাণ্ড মামলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানি হচ্ছে না আরজি করকাণ্ড (RG Kar Incident) মামলার। এদিন যে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বসছে না, তা আগেই জানানো হয়েছিল। এবার জানা গেল, অন্য বেঞ্চেও রাখা হয়নি আরজি কর মামলা। শীর্ষ আদালতে নয়া শুনানির যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেই তালিকায় রাখা হয়নি আরজি কর মামলা। তবে কবে পরবর্তী শুনানি হবে, তা আজ, বৃহস্পতিবার জানানো হতে পারে বলে আদালত সূত্রে খবর।

    সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি (RG Kar Incident)

    বুধবার সন্ধেয় সুপ্রিম কোর্টের তরফে জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। তাতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার বসবে না প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ। এই বেঞ্চের দুই সদস্য বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্র আলাদা করে ১০ নম্বর কোর্টের কিছু মামলা শুনবেন। তবে কোন মামলা শুনবেন, তা স্পষ্ট নয়। পরে আরও একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে শীর্ষ আদালত। সেখানে ১০ নম্বর কোর্টে কোন কোন মামলার শুনানি হবে, তার তালিকা প্রকাশিত হয়। এই তালিকায় দেখা যায়, আরজি কর মামলা নেই। আরজি করের (RG Kar Incident) বিচারের দাবিতে দিন গুণছেন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররাও তাকিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের শুনানির দিকে। শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় হতাশ তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ৫২ বাড়িয়ে ৮০! কার চাপে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে বাড়ানো হত নম্বর?

    সুয়োমটো কগনিজেন্স

    জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই আদালতে আসছেন না প্রধান বিচারপতি। অসুস্থতার কারণেই তাঁকে কোর্টে দেখা যাচ্ছে না বলে খবর। বৃহস্পতিবার ৫ সেপ্টেম্বরও তিনি কোর্ট গরহাজির থাকছেন। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে বলা হয় ‘মাস্টার অফ রস্টার’। কোন মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে, তা ঠিক করেন তিনিই। তবে আরজি কর মামলার (RG Kar Incident) সুয়োমটো কগনিজেন্স নিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। তাই মামলাটি অন্য বেঞ্চে পাঠানো হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার একটি পরিবর্তিত মামলার তালিকা আসতে পারে। তখনই জানা যাবে এই মামলার ভবিষ্যত কী হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ভারতে বড় বিনিয়োগের ঘোষণা সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের

    PM Modi: ভারতে বড় বিনিয়োগের ঘোষণা সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৮ সালের মধ্যে ভারতে পরিচালনাধীন তহবিল দ্বিগুণের বেশি করার পরিকল্পনা করেছে সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (CLI)। ক্যাপিটাল্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের লক্ষ্য, ২০২৮ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী তাদের পরিচালনাধীন তহবিল ২০০ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলারে পৌঁছানো।

    সিঙ্গাপুরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    আজ, বুধবার দু’দিনের সফরে সিঙ্গাপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার তিনি ব্রুনেই যান। বুধবার সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী যান সিঙ্গাপুরে। ভারত-সিঙ্গাপুরের মধ্যে বন্ধুত্ব, কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করা এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ থেকে বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে সিঙ্গাপুরে পৌঁছেছেন তিনি। সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং এর আমন্ত্রণে সে দেশে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “ভারতের সংস্কার ও আমাদের যুবশক্তির প্রতিভা আমাদের দেশকে একটি আদর্শ বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্যে পরিণত করেছে। আমরা ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক সম্পর্কের জন্য উন্মুখ।”

    বড় বিনিয়োগের ঘোষণা 

    বর্তমানে সিঙ্গাপুরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সেই সময়ই সে দেশের শীর্ষস্থানীয় সিঙ্গাপুর গোষ্ঠীর তরফে ঘোষণা করা হয় এই বড়সড় বিনিয়োগের কথা। জানা গিয়েছে, আগামী চার বছরের মধ্যে ভারতে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে সিঙ্গাপুরের ওই সংস্থা। এক্স হ্যান্ডেলে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার লিখেছেন, “এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম বৈচিত্র্যপূর্ণ রিয়েল এস্টেট গ্রুপ ক্যাপিটাল্যান্ড ২০২৮ সালের মধ্যে ভারতে তার ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ করতে চায় ১৪.৮ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলারেরও বেশি।”

    আরও পড়ুন: ‘তৃণমূল বিধায়ক দিতেন কুপ্রস্তাব’, মহিলা পুরকর্মীর বিস্ফোরক অভিযোগ

    বর্তমানে ভারতে ৩০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে সিএলআই। এ দেশে সংস্থাটি যাত্রা শুরু করেছিল ৩০ বছর আগে অ্যাসেন্ডারের মাধ্যমে। এ দেশে তারা আইটি পার্ক, ইন্টার ন্যাশনাল টেক পার্ক গড়ে। ২০১৫ সালে অ্যাসেন্ডাস সিঙ্গব্রিজের সঙ্গে জুড়ে গিয়ে তৈরি হয় অ্যাসেন্ডাস সিঙ্গব্রিজ। ২০১৯ সালে ক্যাপিটাল্যান্ডের সঙ্গে মিশে যায় অ্যাসেন্ডাস সিঙ্গব্রিজ। ক্যাপিটাল্যান্ডের পুনর্গঠনের পর সিএলআই তালিকাভুক্ত হয় ২০২১ সালে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • North Bengal Medical: ৫২ বাড়িয়ে ৮০! কার চাপে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে বাড়ানো হত নম্বর?

    North Bengal Medical: ৫২ বাড়িয়ে ৮০! কার চাপে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে বাড়ানো হত নম্বর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে প্রতিবাদের রেশ এবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজেও (North Bengal Medical) দুর্নীতির অভিযোগের বিস্ফোরণ ঘটল। অভিযোগ খোদ অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহা এবং ডিন সন্দীপ সেনগুপ্তর বিরুদ্ধে। পরীক্ষায় কারচুপি, ছাত্র-ছাত্রীদের হুমকিতে মদত দেওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি অবৈধভাবে তৃণমূলের নামে ছাত্র সংসদ পরিচালনার অনুমোদন দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এ নিয়ে বুধবার তাঁরা কলেজের অধ্যক্ষকে স্মারকলিপি দেন।

     অধ্যক্ষকে ঘেরাও কেন? (North Bengal Medical)

    রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন ও জুনিয়র ডাক্তাররা এদিন তৃণমূলের ছ’জন ছাত্রনেতার নামে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া, হস্টেলে ঘর বণ্টন নিয়ে দাদাগিরি, অনৈতিকভাবে টাকা তোলার অভিযোগ করেন। ওই  ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ছাত্র সংসদ বাতিলের দাবিতে অধ্যক্ষ ও ডিনকে ঘেরাও করেন আন্দোলন রত জুনিয়র ডাক্তাররা। আরজি করকাণ্ডে বিতর্কিত তৃণমূল ছাত্র নেতা অভীক দের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে (North Bengal Medical) প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবিও জানান তাঁরা। তৃণমূল ছাত্র নেতা সোহম মণ্ডল ও সাহিন সরকারকে অবিলম্বে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের হস্টেল থেকে বরখাস্ত করার জোরালো দাবিও রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘বিচার চাই’! বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধন, অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা

    কে অভীক দে?

    নির্যাতিতা কাণ্ডে যে সব ভিডিও ভাইরাল হচ্ছিল, সেখানে সেমিনার রুমে এক লাল জামা পরা যুবককে দেখা গিয়েছিল। লালবাজার যাঁকে ফিঙ্গার প্রিন্ট বিশেষজ্ঞ বলেছিল। যদিও পরে জানা যায়, ওই যুবকের নাম অভীক দে। এসএসকেএমের সার্জারির পিজিটি তিনি। আরও পরে জানা যায়, তৃণমূল ছাত্র পরিষদ করেন তিনি। যদিও এ নিয়ে সংগঠনের তরফে সেভাবে মুখ খোলেনি কেউই। অবশেষে সোমবার রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কর ভট্টাচার্য প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানান, অভীক দে-কে বরখাস্ত করা হল। এই অভিক দে-র বিরুদ্ধেই উঠছিল জোর করে চাপ দিয়ে নম্বর বাড়ানোর অভিযোগ।

     দুর্নীতির অভিযোগের বিস্ফোরণ!

    জুনিয়র ডাক্তারদের (North Bengal Medical) ঘেরাও আন্দোলনের মাঝে অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিৎ সাহা ও ডিন সন্দীপ সেনগুপ্তকে দুর্নীতির অভিযোগে চেপে ধরেন অধ্যাপক চিকিৎসকরাও। সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক চিকিৎসক এসকে রায়ের অভিযোগ, অধ্যক্ষ ও ডিন কীভাবে পরীক্ষায় কারচুপির পাশাপাশি আর্থিক দুর্নীতিতে যুক্ত রয়েছেন। তিনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন আমাদেরকে ডেকে হুমকি দেওয়া হয়েছে, নকল না ধরার জন্য। ফেল করা এক ছাত্রীকে পাশ করানোর জন্য সন্দীপ সেনগুপ্ত দিনের পর দিন নানা চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন। ট্যাবুলেশন শিটে হোয়াইটনার দিয়ে প্রকৃত নম্বর মুছে উত্তরের লবির ছাত্রদের নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ৫২ নম্বর বাড়়িয়ে ৮০!

    এই অভীকের বিরুদ্ধে শুধু জুনিয়র চিকিৎসকরা নয়, ডিপার্টমেন্টাল হেডরাও সরব হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, বিশেষ একজন ছাত্র নেতার নম্বর সাদা কালি দিয়ে মুছে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এইচওডি-রা বলছেন, তাঁরা ৫২-৫৩ নম্বর দিয়েছিলেন। অথচ মার্কশিটে নম্বর লেখা ৮০। এক অধ্যক্ষ বলেন, “নম্বর ধরে ধরে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের ডাকলে ফাইল দেখাব।” এদিন ছাত্রছাত্রী এবং অধ্যাপকরা ঘিরে ধরেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের ডিন ও অধ্যক্ষকে। তাঁরা জানতে চান নম্বর বাড়ানোর পিছনে কে যুক্ত। প্রথমে ডিন মানতে না চাইলেও পরে আন্দোলনকারীদের চাপে পড়ে কার্যত মুখ খোলেন তিনি। ডিন অফ স্টুডেন্স বলেন, “কোনও-কোনও সময় অভীক দে-র ফোন আসত। তবে বারবার ফোন এলে আমি বিরক্ত হয়ে বেরিয়ে যেতাম। অভীক ছাড়া কেউ ফোন করত না। তবে যতক্ষণ হলে ছিলাম, ততক্ষণ কড়া গার্ড দিয়েছি।” পাল্টা আন্দোলনকারীরা বলতে থাকেন নাম বলুন নাম। তখন আবার ডিন বলেন, “আমি অ্যাপোলজি চেয়ে বলছি, কয়েকটা ক্ষেত্রে প্রিন্সিপাল স্যরের কাছেও ফোন আসত। অভীক ছাড়া ফাইনাল ইয়ারে শাহিন সরকার ফোন করেছিল। আর কেউ নেই।” যদিও, প্রিন্সিপাল বলেন, “আমার কাছে কোনও ফোন আসত না।” আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা একটি ছবি দেখিয়ে প্রমাণ করেন এখানে পরীক্ষা হল থেকে প্রতিটি অনুষ্ঠানে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে (North Bengal Medical)  অভীকের অবাধ বিচরণ ছিল। সেই ছবিতে দেখা যায়, অধ্যক্ষের জন্মদিনে কেক খাইয়ে দিচ্ছেন অভীক। কলেজ ক্যাম্পাসেই সেই অনুষ্ঠান হয়েছিল। এরপর মাধা নিচু করে চুপ করে বসে থাকেন অধ্যক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata metro: ৫ সেপ্টেম্বর থেকে সকাল বেলায় বাড়ছে মেট্রোর সংখ্যা

    Kolkata metro: ৫ সেপ্টেম্বর থেকে সকাল বেলায় বাড়ছে মেট্রোর সংখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতাবাসীর জন্য ফের সুখবর। সকালে বৃদ্ধি (Increasing) পাচ্ছে মেট্রো (Kolkata metro)। এ খবর জানালো কলকাতা মেট্রো। আগামিকাল ৫ সেপ্টেম্বর থেকেই এই পরিবর্তন দেখা যাবে। ট্রেন বাড়ছে ব্লু লাইনে। মহানায়ক উত্তমকুমার মেট্রো স্টেশন থেকে দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত। সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত মোট ট্রেন চলবে ২৯০টি। কম সময়ে শহর কলকাতার একপ্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে পৌঁছে যেতে এই মেট্রো পরিষেবা সাধারণ মানুষের প্রথম পছন্দ। তাই মেট্রোয় অতিরিক্ত ভিড় কমবে বলে মনে করছেন যাত্রীদের একাংশ।

    কোন সময় মেট্রো চলবে (Kolkata metro)?

    এতো দিন পর্যন্ত এই লাইনে মোট মেট্রো চলত ২৮৮টি। এবার এই ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি (Increasing) পাওয়ায় যাত্রীদের পরিষেবা আরও সুগম হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বাড়তি ট্রেনের মধ্যে একটি চলবে সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটে। এটি ছাড়বে মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে আর যাবে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত। পাশাপাশি অপর ট্রেনটি চলবে সকাল ৭ টা ৫৪ মিনিটে থেকে। এই মেট্রোটি (Kolkata metro) ছাড়বে দক্ষিণেশ্বর থেকে, যাবে কবি সুভাষ স্টেশন পর্যন্ত। তবে দুই মেট্রোর নতুন সংযোজন হলেও বাকি সময়সূচির তেমন বদল ঘটবে না। এই শাখায় প্রথম মেট্রো ছাড়ছে সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটে। এটি চলবে দমদম থেকে, যাবে কবি সুভাষ পর্যন্ত। একই সময়ে কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত আসছে অন্য একটি মেট্রো। আবার রাত ৯টা ২৮ মিনিটে শেষ মেট্রো ছাড়বে দক্ষিণেশ্বর স্টেশন থেকে, গন্তব্য কবি সুভাষ স্টেশন। একই ভাবে রাত ৯টা বেজে ৩০ মিনিটে কবি সুভাষ ছাড়বে মেট্রো, যাবে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত।

    আরও পড়ুনঃ নারী-শিশু সুরক্ষায় মমতার বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ রিজিজুর, সরব শুভেন্দুও

    ছুটির দিনেও চলবে হাওড়া ময়দান-এসপ্ল্যানেড মেট্রো

    দৈনন্দিন জীবনে মানুষ ট্রেন এবং মেট্রো (Kolkata metro) ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে থাকেন কালকাতাবাসী। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং যাত্রাপথকে আরও সুরক্ষিত করতে কলকাতা মেট্রো নিরন্তর কাজ করে চলেছে। কলকাতা মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র কয়েকদিন আগেই বলেছিলেন, “মেট্রোর সাধারণ টাইমে কোনও বদল আসছে না। আগামী ৫ তারিখ থেকে বদল আসছে গঙ্গার নিচের মেট্রো পরিষেবাতেও। এখন থেকে ছুটির দিন রবিবারও পাওয়া যাবে হাওড়া ময়দান-এসপ্ল্যানেড মেট্রো পরিষেবা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kiren Rijiju: নারী-শিশু সুরক্ষায় মমতার বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ রিজিজুর, সরব শুভেন্দুও

    Kiren Rijiju: নারী-শিশু সুরক্ষায় মমতার বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ রিজিজুর, সরব শুভেন্দুও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে রাজ্য সরকার, পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এই আবহের মধ্যে মঙ্গলবারই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাশ হয়েছে ‘অপরাজিতা মহিলা ও শিশু বিল’। সেই বিল পাশের চব্বিশ ঘণ্টা কাটার আগেই নারী সুরক্ষা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে সরব হলেন মোদি সরকারের মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)।  রিজিজুর বক্তব্যের রেশ টেনে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও।

    ঠিক কী বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? (Kiren Rijiju)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju) উল্লেখ করেছেন, ২০১৮ সালে সংসদে ‘ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের মোকাবিলায় একটি কঠোর আইন’ পাস করা হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল ধর্ষণ ও পকসো আইনের মামলাগুলির দ্রুত বিচার ও সমাধানের জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক বিশেষ আদালত (এফটিএসসি) প্রতিষ্ঠা করা। তিনি আরও অভিযোগ, করেছেন যে ২০১৯, ২০২০ এবং ২০২১ সালে একাধিকবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ফৌজদারি (সংশোধনী) আইন, ২০১৮-এর অধীনে এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পে সম্মতি দেয়নি। চিঠিতে কিরেন রিজিজু পশ্চিমবঙ্গে বিচারাধীন ধর্ষণ ও পকসো আইনের দ্রুত বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য এফটিএসসি গঠনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন। চিঠিতে বলা হয়েছিল যে, ২০টি ই-পকসো আদালত সহ ১২৩টি এফটিএসসি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে, রাজ্য সরকারের সম্মতি পাওয়া যায়নি। রিজিজু জানান, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী নারী ও শিশুদের জন্য দ্রুত ন্যায়বিচার প্রদানের ‘সবচেয়ে পবিত্র দায়িত্ব’ উপেক্ষা করায় তিনি ‘দুঃখিত’ বোধ করছেন। এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। দয়া করে এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বানাবেন না। খুব শক্তিশালী আইন প্রয়োজনীয়, কিন্তু শক্তিশালী পদক্ষেপ আরও গুরুত্বপূর্ণ। যখন চিঠিটি লেখা হয়েছিল, তখন সংবাদমাধ্যমে এই খবরটি ব্যাপকভাবে প্রচার করেছিল, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছিল!

    <

    সরব শুভেন্দুও

    বিরোধী বিজেপি বিধায়করা রাজ্য সরকারের এই বিলকে সমর্থন করার পরেই বিলটি পাস করা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, এই নৃশংস অপরাধের বিষয়ে ‘জনগণের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ থেকে নজর ঘোরাতে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিলটি উত্থাপন করেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকারের আসল সত্যিটা সামনে আনার জন্য মাননীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুকে ধন্যবাদ।” এর পর ওই পোস্টে রিজিজুর (Kiren Rijiju) পোস্ট করা ছবির কথা উল্লেখ করেন। শুভেন্দু লেখেন, “২০২১ সালের এই চিঠি, তৎকালীন কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার মন্ত্রীর পাঠানো। কিরেন রিজিজু ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট এবং পকসো আদালত প্রতিষ্ঠার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দায়সারা মনোভাব তুলে ধরেন।” ওই পোস্টে শুভেন্দু আরও লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার পরেও তিনি মহিলা ও শিশুদের জন্য দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই বিষয়টি উপেক্ষা করেছিলেন।” এর পর মমতার উদ্দেশে শুভেন্দু লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী যে চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য এখন নারী নির্যাতন বিরোধী বক্তব্য রাখছেন, তা মানুষ বুঝতে পারছে। তাই…

    <

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share