Tag: Bengali news

Bengali news

  • RG Kar Scam: ‘আরজি করে সন্দীপের হাত ধরে হওয়া দুর্নীতি বিগ স্ক্যাম’, বলল আদালত

    RG Kar Scam: ‘আরজি করে সন্দীপের হাত ধরে হওয়া দুর্নীতি বিগ স্ক্যাম’, বলল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Scam) চিকিৎসক পড়ুয়ার খুনের পাশাপাশি এই হাসপাতাল দুর্নীতির আঁতুড়ঘর। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের হাত ধরে এই হাসপাতালে বড়সড় দুর্নীতি হয়েছে। তাঁর হাত ধরেই কাজের বরাত পেয়েছেন ঘনিষ্ঠরা। ইতিমধ্যেই সেই দুর্নীতির তদন্ত করছে সিবিআই। আর এই দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন আলিপুর আদালতের বিচারক সুজিত কুমার ঝা।

    আদালতে কী জানাল সিবিআই? (RG Kar Scam)

    এক সরকারি হাসপাতাল (RG Kar Scam) থেকে আরেক সরকারি হাসপাতাল। সন্দীপ ঘোষের সহচর ছিলেন বিপ্লব সিং, সুমন হাজরা-রা। সন্দীপের সঙ্গেই হাসপাতাল বদল হত বিপ্লব-সুমনদের। আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতিতে এবার ত্রিফলা যোগের দাবি করল সিবিআই। আলিপুর আদালতে তাদের দাবি, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে থাকাকালীন সন্দীপের সঙ্গে পরিচয় হয় ভেন্ডর বিপ্লব সিংয়ের। সন্দীপ ন্যাশনাল মেডিক্যালের সুপার পদে বদলি হতেই, সেখানে কাজ পেতে শুরু করেন বিপ্লব। তাঁর সূত্র ধরেই আরেক ভেন্ডর সুমন হাজরার সঙ্গে পরিচয় হয় সন্দীপের (Sandip Ghosh)। সুমনও ন্যাশনাল মেডিক্যালে বরাত পেতে শুরু করেন। এরপর সন্দীপ আরজি কর মেডিক্যালের অধ্যক্ষ হওয়ার পর যাবতীয় টেন্ডার যেত বিপ্লব-সুমনের কাছে। আর জি কর মেডিক্যালে দুর্নীতির জাল তৈরিতে প্রত্যক্ষ যোগ ছিল সন্দীপ-বিপ্লব-সুমনের। আদালতে নথি পেশ করে দাবি করেছে সিবিআই। সিবিআইয়ের আইনজীবী আরও দাবি করেন, ধৃত তিন জনের সঙ্গে সন্দীপ ঘোষের গভীর ষড়যন্ত্র ছিল। সেটা সামনে আসা দরকার।

    আরও পড়ুন: ‘বিচার চাই’! বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধন, অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা

    আরজি করে ‘বিগ স্ক্যাম’

    আলিপুর বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালতের বিচারক সন্দীপ ঘোষকে সিবিআই হেফাজতে পাঠানোর আদেশনামায় লিখেছেন, ‘‘কেস ডায়েরি যত্ন সহকারে খুঁটিয়ে পড়ার পর বোঝা যাচ্ছে এই কেস একটি বড় স্ক্যাম। এজেন্সিকে এই দুর্নীতির মানি ট্রেল ও কীভাবে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা খুঁজে বের করতে হবে।’’ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আরজি করের (RG Kar Scam) আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া সন্দীপ ঘোষ-সহ তিন জনকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক সুজিত কুমার ঝা-এর এজলাসে মামলাটি ওঠে। তবে সন্দীপের আইনজীবী জামিনের আর্জি জানাননি। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার তাঁদের আদালত চত্বরে দেখা মাত্রই ক্ষোভ উগরে দিলেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আইনজীবীদের একটা বড় অংশ। নিজাম প্যালেস থেকে আলিপুর আদালতে শোনা গেল চোর-চোর ও ধিক্কার স্লোগান। আদালত কক্ষ থেকে সন্দীপ-সহ চারজনকে বের করার সময়েও, ফের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আদালত চত্বর। স্লোগানের পাশাপাশি সন্দীপ ঘোষকে চড়ও মারেন একজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: স্বপ্নাদেশে স্থান বদল গণেশ ও কার্তিকের, লুচি-মিষ্টি-ফল দিয়েই পাঁচদিনের পুজো!

    Durga Puja 2024: স্বপ্নাদেশে স্থান বদল গণেশ ও কার্তিকের, লুচি-মিষ্টি-ফল দিয়েই পাঁচদিনের পুজো!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট শহরের আর দশটা পুজোর থেকে একটু আলাদা সাহা বাড়ির পুজো। এবার ১৮৬তম বর্ষে পদার্পণ করল এই পুজো (Durga Puja 2024)। সেই জমিদারি থাকাকালীন শুরু হয়েছিল এই দুর্গাপুজো। তারপর থেকেই পুজো হয়ে আসছে, বংশধররা সেই ধারা বজায় রেখেছেন এখনও পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই প্রচুর ব্যস্ততা শুরু হয়েছে সাহা বাড়িতে। বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার জামির্তা গ্রাম থেকে নৌকাযোগে কোনও এক সময় সাহা পরিবার এসেছিল বালুরঘাটে ব্যবসার জন্য। তারপর এখানেই পরিবারের একটা অংশ থেকে গিয়েছে। ক্রমেই তাদের প্রতিপত্তি বৃদ্ধি হয়েছিল। এমনকী কথিত আছে, কিছুটা অংশের জমিদারিও লাভ করেন পরিবারের বংশধরেরা। তারপর ১৮৬ বছর আগে শুরু হয় দুর্গাপুজো। ক্রমেই তা সাহা পরিবারের সকলের পুজো হয়ে ওঠে।

    প্রচুর মানুষ আজও ভিড় জমান (Durga Puja 2024)

    দেশ ভাগ হওয়ার পরেও বাংলাদেশ থেকে তাঁদের আত্মীয়-স্বজনরা এসেছেন বেশ কয়েকবার। দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে সাহা পরিবার কার্যত মিলন মেলায় পরিণত হত। সময় বদলেছে, চলে গিয়েছে জমিদারি, কিন্তু বদলায়নি পুজোর রীতি-রেওয়াজ। স্বপ্নাদেশে গণেশ ও কার্তিকের (Ganesh and Kartik) স্থান বদল হয়েছে। দুর্গা প্রতিমা অর্থাৎ দেবীর ডানদিকে থাকবেন কার্তিক, বাঁদিকে থাকবেন গণেশ। সাহা বাড়ির পুজোর আরও একটি বিশেষত্ব, এখানে কোনও অন্নভোগ হয় না। লুচি-মিষ্টি এবং ফল দিয়েই দেবীর পাঁচদিনের পুজো হয়। জমিদারি যখন ছিল, তখন শাহ বাড়িতে প্রায় প্রতিদিন কয়েকশো মানুষ প্রসাদ পেতেন। এখন জমিদারি নেই, আর্থিক সচ্ছলতাও কমেছে। পুরনো বাড়িতে এখন শুধুই শূন্যতা। দুর্গামণ্ডপ বহু পুরনো। আগে পুজোর কদিন প্রায় প্রতিদিনই গান-বাজনার আসর বসত। বাইরে থেকে আসতেন শিল্পীরা। এখন এসবও অতীত। নিয়ম মেনে দেবীর পুজো হয়। ব্যতিক্রমী এই পুজো দেখতে এবং প্রতিমা দর্শন করতে প্রচুর মানুষ আজও ভিড় জমান সাহা বাড়ির দুর্গা দালানে। পরিবারের প্রতিটি সদস্যই সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন এই পাঁচদিনের দুর্গা উৎসবের জন্য।

    কী জানালেন পুজোর উদ্যোক্তারা?

    এই বিষয়ে পুজোর উদ্যোক্তা কালীকৃষ্ণ সাহা চৌধুরী বলেন, আমাদের এবারের দুর্গা পুজো ১৮৬তম বছরে পড়ল (Durga Puja 2024)। আমাদের এই পুজোর উল্লেখযোগ্য বিষয় হল স্বপ্নাদেশে গণেশ ও কার্তিকের স্থান বদল হয়েছে। দুর্গা প্রতিমার অর্থাৎ দেবীর ডানদিকে থাকে কার্তিক, বাঁদিকে থাকে গণেশ এবং আমাদের এই পুজোর আরও একটি বিশেষত্ব, এখানে কোনও অন্নভোগ  হয় না। লুচি-মিষ্টি এবং ফল দিয়েই দেবীর পাঁচদিনের পুজো হয়। তিনি আরও বলেন, এই পুজোতে নবমীর দিন যজ্ঞ করা হয়। তবে কোনও বলি হয় না। আর দশমীর দিন শ্যাপলা ফুল ও ভ্যাটের খৈ দিয়ে মাকে ভোগ দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi In Brunei: ব্রুনেই সফরে মোদি, বিশ্বের বৃহত্তম প্রাসাদে বৈঠক করলেন সুলতানের সঙ্গে

    PM Modi In Brunei: ব্রুনেই সফরে মোদি, বিশ্বের বৃহত্তম প্রাসাদে বৈঠক করলেন সুলতানের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক ব্রুনেই সফর সম্পন্ন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In Brunei)। সরকারি আমন্ত্রণে ব্রুনেই গিয়েছিলেন তিনি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশে এই প্রথম পা রাখলেন কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। এই সফরটি দ্বি-দেশীয় সফরের অংশ। এখান থেকে তিনি গেলেন সিঙ্গাপুরে। বুধবার ব্রুনেইয়ের সুলতানের (Sultan Of Brunei) সঙ্গে বৈঠকও করলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ব্রুনেই সফরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Brunei)

    প্রধানমন্ত্রীর এবারকার সফর তিনদিনের। মঙ্গলবারই ব্রুনেই (Sultan Of Brunei) পৌঁছেছেন মোদি। ব্রুনেইয়ের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক চার দশকের পুরনো। তা সত্ত্বেও এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী পা রাখলেন সুলতানের দেশে। মলদ্বীপ, শ্রীলঙ্কার মতো ব্রুনেইও দ্বীপরাষ্ট্র। তেলসমৃদ্ধ দেশ। ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আসিয়ান-ভারত সম্পর্কের সমন্বয়ক রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করছে ব্রুনেই। এ দেশে ভারতীয় রয়েছেন ১৪ হাজারের কাছাকাছি। মঙ্গলবার ব্রুনেই সফরে গিয়ে সে দেশের বিখ্যাত মসজিদ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Brunei)। ব্রুনেইয়ের বন্দর সেরি বেগাওয়ানের ওমর আলি সইফুদ্দিন মসজিদে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান ব্রুনেইয়ের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী পেহিন দাতো উস্তাজ হাজি আওয়াং বদরউদ্দিন এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাতো হাজি মহম্মদ ইশাম। মসজিদ দর্শনের পর প্রদীপ জ্বালিয়ে ভারতীয় দূতাবাসের নয়া ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    মোদির মসজিদ দর্শন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই মসজিদ দর্শন এই প্রথম নয়। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন মোদি (PM Modi In Brunei)। তার ঠিক এক বছর পরেই মসজিদ পরিদর্শন করেন তিনি। ২০১৫ সালে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে গিয়ে আবু ধাবির শেখ জায়েদ মসজিদে যান তিনি। প্রধানমন্ত্রী এদিন যে মসজিদ পরিদর্শন করেন, সেটি ব্রুনেইয়ের (Sultan Of Brunei) ২৮তম সুলতানের নামাঙ্কিত মসজিদ। বর্তমান সুলতানের বাবা ওমর আলিকেই আধুনিক ব্রুনেইয়ের নির্মাতা মনে করা হয়। এদিন সেই মসজিদই পরিদর্শন করেন মোদি। মোদিকে স্বাগত জানান প্রবাসী ভারতীয়রাও। ব্রুনেই ইসলামিক রাষ্ট্র। সুলতান হাজি হাসানাল বলকিহার আমন্ত্রণে ব্রুনেই সফরে যান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Brunei)। সুলতানের সঙ্গে ভোজও সারেন তিনি। ব্রুনেই রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০ বছর পালিত হচ্ছে। হাজি হাসানাল বলকিহা ও রাজ পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছি আমি। আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক নয়া উচ্চতায় পৌঁছবে।”

    আরও পড়ুন: ‘বন্ধ রেখে ঘরের আলো, রাজ্যজুড়ে প্রদীপ জ্বালো’, জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন সমর্থন বিজেপির

    প্রধানমন্ত্রীর সফর তাৎপর্যপূর্ণ

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনৈতিক দিক থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই ব্রুনেই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট নীতি’ ও ‘ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভিশনে’র গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ব্রুনেই। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সফর ব্রুনেই, সিঙ্গাপুর-সহ বৃহত্তর আসিয়ান অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও পোক্ত করবে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বলেছিলেন, “আমার এই সফরে এই দুই দেশ ও বৃহত্তর আসিয়ান অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের অংশীদারিত্ব আরও মজবুত হবে।” জানা গিয়েছে, আজ, বুধবার ব্রুনেইয়ের সুলতানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Brunei)। সূত্রের খবর, কূটনৈতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আলোচনা হয়েছে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শক্তি, মহাকাশ প্রযুক্তি সহায়তা-সহ নানা বিষয়ে। বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, মহামান্য সুলতান হাজি হাসানাল বোলকিয়াহের (Sultan Of Brunei) সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে আনন্দিত হয়েছি। আমাদের আলোচনা ছিল ব্যাপক। এতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার উপায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। আমরা বাণিজ্য সম্পর্ক, বাণিজ্যিক সংযোগ এবং জনগণের মধ্যে বিনিময় আরও সম্প্রসারণ করতে যাচ্ছি।

     

    বৃহত্তম প্রাসাদ

    ব্রুনেই দেশটা খুবই ছোট। আয়তনে সিকিম বা ত্রিপুরার চেয়েও ছোট। এ দেশের সুলতানের (Sultan Of Brunei) রাজপ্রাসাদটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রাসাদ। ২০ লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে রয়েছে প্রাসাদ। কক্ষ রয়েছে ১ হাজার ৭৮৮টি। বাথরুম রয়েছে ২৫৭টি। সিঁড়ি রয়েছে ৪৪টি। ৩৮টি ভিন্ন ধরনের মার্বেল দিয়ে তৈরি এই সিঁড়িগুলি। প্রাসাদটির অন্যতম আকর্ষণ ২২ ক্যারেট স্বর্ণখচিত গম্বুজ। বিশ্বের বৃহত্তম প্রাসাস হওয়ায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছে এই প্রাসাদ। এখানেই প্রাসাদেই সুলতানের সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি (PM Modi In Brunei)। সুলতানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এক সময় তিনিই ছিলেন বিশ্বের সব চেয়ে ধনী ব্যক্তি। বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সময় ধরে শাসন করছেন তিনি। তাঁর আগে রয়েছেন কেবল ইংল্যান্ডের প্রয়াত রানি এলিজাবেথ।

    সুলতানের (Sultan Of Brunei) দেশে এই প্রথম পা রাখলেও, তাঁর সঙ্গে মোদির সাক্ষাৎ হয়েছে আগেও। ২০১৪ সালে ব্রুনেইয়ের সুলতানের সঙ্গে মোদির প্রথম দেখা হয়েছিল। ওই বছরের নভেম্বরে নেপি তাওয়ে ২৫তম আসিয়ান সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ব বৈঠকে বসেন তাঁরা। ২০১৭ সালে ম্যানিলায় পূর্ব এশিয়া সম্মেলনের সময়ও সাক্ষাৎ করেন তাঁরা। ব্রুনেই এবং ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত সংযোগ রয়েছে হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া রয়েছে।

    ব্যাপক সাড়া

    প্রধানমন্ত্রী ব্রুনেই যাওয়ায় (PM Modi In Brunei) সাড়া পড়ে গিয়েছিল সে দেশের প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী যে হোটেলে রয়েছেন, তাঁকে এক ঝলক দেখতে সেখানেও ভিড় জমিয়েছিলেন বহু অনাবাসী ভারতীয়। অনেকে আবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে কোলে করে নিয়ে এসেছিলেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের। কেউ কেউ আবার প্রধানমন্ত্রীর ছবি এঁকে নিয়ে এসেছিলেন (Sultan Of Brunei)। ছবিগুলিতে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী। অনেককে দেখা যায় ঢাকঢোল বাজাতে। ‘মোদি’, ‘মোদি’ (PM Modi In Brunei) স্লোগানে মুখরিত হয় ব্রুনেইয়ের সমুদ্র সৈকত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সন্দীপ ঘোষের মামলা অন্য রাজ্যে নিয়ে যাক সিবিআই’, দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘সন্দীপ ঘোষের মামলা অন্য রাজ্যে নিয়ে যাক সিবিআই’, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোজভ্যালির মামলা ভিন রাজ্যে নিয়ে গিয়ে সিবিআই তদন্ত করেছিল। আরজি কর ইস্যুতে তদন্ত করছে সিবিআই। এমনকী, এই হাসপাতালের দুর্নীতি মামলার তদন্তভার রয়েছে কেন্দ্রীয় এই সংস্থার হাতে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে সিবিআই গ্রেফতার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এবার আরজি কর ইস্যুতে সন্দীপসহ সিবিআই হাতে থাকা মামলা ভিন রাজ্যে নিয়ে গিয়ে তদন্ত করার আর্জি জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ঠিক কী বলেছেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    আরজি কর ইস্যুতে বিজেপির সপ্তাহব্যাপী ধর্মতলায় ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধর্না মঞ্চে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখার সময় মঙ্গলবার শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমরা চাই সিবিআই এই রাজ্যের মামলা গুলো অন্য রাজ্যে নিয়ে যাক। যেমন রোজভ্যালির মামলা ভুবনেশ্বরে নিয়ে গিয়েছিল। সন্দীপ ঘোষের দুর্নীতি মামলাও বাইরে নিয়ে যেতে হবে। প্রয়োজনে শীঘ্রই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমি সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে অনুরোধ করে চিঠি লিখব।” বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, “নির্যাতিতার পরিবারকেও এই বিষয়ে অনুরোধ করে বলব আপনারাও একই দাবি জানান।” শুভেন্দুর এই দাবি ঘিরেই বর্তমানে ফের নতুন চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কী মামলা প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন শুভেন্দু? তাঁর দাবি ঘিরে সেই জল্পনাই তীব্র হতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ‘বিচার চাই’! বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধন, অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা

    সন্দীপ ঘনিষ্ঠরা পেতেন টেন্ডার!

    প্রসঙ্গত, দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই সন্দীপ-সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। সন্দীপ ছাড়াও সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছে আফসার আলি, সুমন হাজরা ও বিপ্লব সিং নামে তিন ব্যক্তিকে। এরমধ্যে আফসার সন্দীপের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী। বাকি দুজন ভেন্ডর হিসেবে পরিচিত। কোনও অজ্ঞাত কারণে হাসপাতালের বেশিরভাগ টেন্ডার তাঁরাই পেয়ে যেতেন বলে অভিযোগ। যদিও শুনানির শুরু থেকেই সন্দীপকে ১০ দিনের জন্য হেফাজতে চেয়েছিল সিবিআই। যদিও শেষ পর্যন্ত বিচারক সুজিত কুমার ঝা অভিযুক্ত সকলেরই ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত মঞ্জুর করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Coconuts: চিংড়ির মালাইকারি কিংবা সন্ধ্যার মশলামুড়ি, শরীরে নারকেলের প্রভাব কম নয়!

    Coconuts: চিংড়ির মালাইকারি কিংবা সন্ধ্যার মশলামুড়ি, শরীরে নারকেলের প্রভাব কম নয়!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দুপুরে ভাতের সঙ্গে চিংড়ির মালাইকারি হোক কিংবা সন্ধ্যার মশলামুড়ি, নারকেল (Coconuts) বাঙালি নানান পদে ব্যবহার করে। উৎসবের মরশুমে নারকেলের নাড়ু থেকে রোজকার সাধারণ রান্নাতেও অনেকে নারকেল ব্যবহার করেন। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, নারকেল খেলে শরীরে এর গভীর প্রভাব পড়ে। তাই নারকেল কেন খাবেন, সে নিয়ে সচেতনতা থাকা জরুরি। তাহলে আসুন, দেখে নিই, নারকেল খেলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

    হার্টের রোগের ঝুঁকি কমে (Coconuts)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, নারকেল হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তবে মনে রাখতে হবে, নারকেল খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে, নারকেলের তেলে কিন্তু নয়। কারণ, নারকেলে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিডের এক মিশ্রণ, যার নাম লরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড রক্তে ভালো কোলেস্টেরল অর্থাৎ এইচডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। এর জেরেই হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

    স্থূলতার সমস্যা 

    নারকেল বাড়তি ক্যালোরি বার্ন করতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, নারকেলে (Coconuts) রয়েছে মিডিয়াম চেইন ট্রাইগ্লিসারাইড। এর জেরে হজম ভালো হয়। পাশপাশি ক্যালোরি বার্ন হতেও নারকেল সাহায্য করে। তাই স্থূলতা রুখতে নারকেল বিশেষ সাহায্য করে।

    ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ (Coconuts)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নারকেল খুব সাহায্য করে। বিশেষত টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নারকেল কার্যকর। সপ্তাহে অন্তত দু’দিন ডায়াবেটিস আক্রান্তের ডায়েটে নারকেল রাখা উচিত।

    নারকেল রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, নারকেল রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। কারণ, নারকেলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। পাশপাশি নারকেলে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান রয়েছে। তাই যে কোনও সংক্রমক রোগ রুখতে নারকেল (Coconuts) শরীরকে শক্তি জোগায়।

    মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতে

    সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে (Nutritional Benefits) নারকেল বিশেষ সাহায্য করে। ওই গবেষণায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নারকেলে থাকে মিডিয়ায় চেইন ট্রাইগ্লিসারাইড। এর জেরেই মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। তাই অ্যালজাইমারের মতো রোগের ঝুঁকিও কমে।

    ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, নারকেলে রয়েছে ময়েশ্চারাইজার। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, দূষণ সহ একাধিক কারণে অধিকাংশ মানুষ ত্বক এবং চুলের নানান সমস্যায় ভোগেন। নারকেল তাদের জন্য বাড়তি উপকারী (Nutritional Benefits)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: ফের রাজ্যজুড়ে রাত দখলের ডাক, আন্দোলনে সামিল হবে নির্যাতিতার পরিবারও

    RG Kar Protest: ফের রাজ্যজুড়ে রাত দখলের ডাক, আন্দোলনে সামিল হবে নির্যাতিতার পরিবারও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Protest) সুবিচারের দাবিতে স্বাধীনতা দিবসের আগেরদিন রাত দখলের (Raat Dokhol) অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী ছিলেন রাজ্যবাসী। আবারও পথে নামছে আমজনতা। সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের শুনানির আগের ফের রাত দখল করার ডাক কলকাতা থেকে জেলায় জেলায়। ইতিমধ্যেই কলকাতার (Kolkata) বিভিন্ন এলাকা সহ গোটা রাজ্য জুড়ে বহু জায়গাতেই ফের রাত দখলের কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। এই কর্মসূচিকে স্বতঃস্ফূর্ত নাগরিক প্রতিবাদ হিসেবেই দাবি করা হচ্ছে।

    রাত দখলের ডাক সোশ্যাল মিডিয়ায় (RG Kar Protest)

    সেপ্টেম্বর মামলার শুনানির আগের রাতে নিজ নিজ এলাকায় রাত দখলের (Raat Dokhol)  ডাক সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভাইরাল হয়েছে সেই পোস্ট। লেখা হয়েছে, ‘বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা রাত জাগছে সেই জনতা।’ প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়েছে বিচারব্যবস্থার দিকেও। প্রশ্ন এক, ‘২৬ দিন গেলেও ধর্ষণের বিচার নেই কেন?’ প্রশ্ন দুই, ‘কর্মক্ষেত্রে মর্যাদার প্রশ্ন আদালত কানে নেয় না কেন?’ প্রশ্ন তিন, ‘কেন্দ্রে আনা নতুন আইনে লিঙ্গ প্রশ্ন পিছনে কেন?’ ৪ সেপ্টেম্বর কর্মসূচি শুরু রাত ১১টায়। নিজ নিজ এলাকায় মানববন্ধন (RG Kar Protest) গড়ে তোলার ডাক দেওয়া হয়েছে। তার আগে, রাত ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঘরে ঘরে আলো নিভিয়ে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেই আহ্বানকে সমর্থন জানিয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: ‘বিচার চাই’! বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধন, অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা

    কোথায় কোথায় আন্দোলন?

    বুধবার রাতে আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Protest) সুবিচার চেয়ে ফের সাধারণ মানুষকে পথে নামার আর্জি জানিয়ে সমাজমাধ্যমে জোর প্রচার শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কলকাতার ধর্মতলা, শ্যামবাজার, যাদবপুর ৮বি বাস স্ট্যান্ড, গড়িয়াহাট, লেক গার্ডেন্স লর্ডস মোড়, কলেজ স্ট্রিট, নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা গেট, বেহালা, সিঁথির মোড় সহ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে আরজি কর কাণ্ডের কলেজ স্ট্রিট থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মিছিলও হওয়ার কথা। এর পাশাপাশি, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, কল্যাণী, আসানসোল, বালুরঘাট, কৃষ্ণনগর, শ্রীরামপুর, চুঁচুড়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাত দখল (Raat Dokhol) কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের শুনানি রয়েছে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ফের উঠবে। স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই আরজি কর কাণ্ডে হস্তক্ষেপ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এর আগের শুনানিতে পুলিশি তদন্ত নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছিল শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের বক্তব্য জানাবে রাজ্য সরকারও। শুনানির আগের রাতে রাজ্যজুড়ে ফের প্রতিবাদে সরব হবেন রাজ্যবাসী।

    রাত দখলে থাকবে নির্যাতিতার পরিবার!

    নির্যাতিতা চিকিৎসকের পরিবারও এবার পা মেলাবে ‘রাত দখল’ (Raat Dokhol) কর্মসূচিতে। তবে তাঁর বাবা-মা থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কী জানাল পরিবার? নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, “রাত দখলে (RG Kar Protest) পরিবারের সদস্যরা থাকবে। আমরা যাব কি না, গেলে কখন যাব, এখনও ঠিক হয়নি। তবে, গেলে আরজি করেই যাব।” তিনি আরও বলেন, “সন্দীপ ঘোষ দুর্নীতি মামলায় ধরা পড়েছে। আমাদের মেয়ের ব্যাপারে তো ধরা পড়েনি। তাই এই নিয়ে কি বলব! খুব তাড়াতাড়ি খুন ও দুর্নীতির মামলায় সাফল্য সিবিআই পাবে বলেই আশা রাখছি। তবে আমার মেয়ে দুর্নীতির বলি হয়েছে বলেই মনে করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: “আলোচনা সদর্থক হয়নি”, লালবাজার অভিযানের পর বললেন আন্দোলনকারীরা

    RG Kar Incident: “আলোচনা সদর্থক হয়নি”, লালবাজার অভিযানের পর বললেন আন্দোলনকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আলোচনা সদর্থক হয়নি।” রাস্তার অবস্থান তোলা হলেও, আন্দোলন জারি থাকবে বলে মঙ্গলবার সাফ জানিয়ে দিলেন (Lalbazar) আরজি করকাণ্ডে আন্দোলনরত জুনিয়র  ডাক্তাররা। এদিন দফায় দফায় পুলিশকর্তারা এসে কথা বললেও, অবস্থানে অনড় ছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল দল গিয়ে দেখা করেন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে। লালবাজার থেকে বেরিয়ে তাঁরা জানান আলোচনা সদর্থক হয়নি।

    কী বলছেন আন্দোলনকারীরা (RG Kar Incident)

    লালবাজার থেকে (RG Kar Incident) বেরিয়ে প্রতিনিধি দলের এক সদস্য বলেন, “গত ১৪ ও ১২ তারিখের ঘটনা প্রসঙ্গে তাঁরা স্বীকার করেন, এটি পুলিশি ব্যর্থতা। কিন্তু আলোচনায় কোনও সদুত্তর আমরা পাইনি। আমরা আমাদের দাবিতে এখনও অনড়। নৈতিক দায় নিয়ে সিপির পদত্যাগ করা উচিত বলে আমরা মনে করি।” প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, অবস্থান বিক্ষোভ তুলে নিলেও বিচারের দাবিতে আন্দোলন চলবে একই ভাবে। এদিন ঘণ্টাখানেক ধরে পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দল। আন্দোলনকারীদের অন্যতম প্রধান দাবিই হল পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগ। এই দাবিতেই বিনীতের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ২২ জন জুনিয়র ডাক্তার।

    মেরুদণ্ড উপহার

    পুলিশকে তাঁরা একটি প্রতীকী মেরুদণ্ড উপহার দিয়ে আসেন। সোমবার থেকে এই প্রতীকী মেরুদণ্ডটি নিয়ে আন্দোলন করছিলেন তাঁরা। এদিন লালবাজারে সেটাই নিয়ে যান তাঁরা। সূত্রের খবর, চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দলের জন্য বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে তাঁরা হেঁটেই লালবাজারে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    আন্দোলনকারীদের রুখতে ব্যারিকেডের ব্যবস্থা করেছিল পুলিশ। প্রতীকী মেরুদণ্ড হাতে নিয়ে সেখানেই অপেক্ষা করছিলেন তাঁরা। প্রায় ২২ ঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর এদিন লালবাজারের দিকে একশো মিটার এগনোর (Lalbazar) অনুমতি পান তাঁরা। সেই মতো এগোনও (RG Kar Incident)।

    আরও পড়ুন: ‘‘বিলকে আইনে রূপান্তর করার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীরই’’, বিধানসভায় কৌশলী শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি, সুকান্তের নেতৃত্বে বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

    Sukanta Majumdar: ধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি, সুকান্তের নেতৃত্বে বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারিতে আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের চেষ্টায় অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি করেছে বিজেপি। আরজি করে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও অভিযান কর্মসূচি ছিল। সেই অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় বালুরঘাটে। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে জেলা প্রশাসনিক ভবনে ঢোকার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ বাধা দিলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনিক ভবন চত্বরে।

    মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার (Sukanta Majumdar)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে এদিন বালুরঘাটে জেলা প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে এগোলে পুলিশ ব্যারিকেড করে তাঁদের বাধা দেয়। সেই ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে যায়। একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনিক ভবনে ঢুকতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। তাতে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রতিবাদ সভাও হয়েছে। সেখানে প্রধান বক্তা ছিলেন সুকান্ত মজুমদার।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “প্রশাসনিক ভবনে ঢুকতে গেলে আমাদের পুলিশ আটকে দেয়। আমাদের কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে দিয়েছে। কর্মীদের না আটকালে আরও বড় গন্ডগোলে পরিণত হত। আমরা কোনও গন্ডগোল চাই না। গোটা রাজ্য জুড়ে আরজি কর শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের সব জায়গায় মহিলারা ধর্ষিত হচ্ছে। আমরা বংশীহারীর ধর্ষণ কাণ্ডের অভিযুক্তর ফাঁসির দাবিতে এই বিক্ষোভ করলাম।”

    বিধানসভায় আনা বিল নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    বিধানসভায় ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুর বিল নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “এই বিল লোক দেখানো বিল। আমরা এই বিল সমর্থন করেছি। কারণ মুখ্যমন্ত্রীর মুখোশ খোলার জন্য। একইসঙ্গে আরজি কর ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান সুকান্ত। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে আদিবাসী ওই স্কুল ছাত্রীর ঘরে ঢুকে পড়ে অভিযুক্ত। মেয়েটির পাশের ঘরে তার বাবা মা ঘুমোচ্ছিল। সেই সময় ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

    প্রমাণ না রাখার জন্য অভিযুক্ত প্যান্টের দড়ি দিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টাও করে বলেও দাবি নির্যাতিতার পরিবারের। মেয়েটির গলায় দাগ রয়েছে। তবে মেয়েটির চিৎকারে ছুটে আসে পরিবার ও প্রতিবেশীরা। অবস্থা বেগতিক দেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। রাতেই নির্যাতিতাকে গঙ্গারামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযুক্তকে ধরে ফেলে পুলিশ। সেই অভিযুক্তর ফাঁসির দাবিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও কর্মসূচি করে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: আরজি করকাণ্ডে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের পর খাবারের বিলে ‘বিচার চাই’

    RG Kar Rape-Murder: আরজি করকাণ্ডে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের পর খাবারের বিলে ‘বিচার চাই’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Rape-Murder) নির্যাতিতার ন্যায় বিচার এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে কলকাতা সহ সারা দেশ এখন উত্তাল। একদিকে যেমন মিছিল-মিটিং, সভা-সমিতি, ধর্না, অবস্থান বিক্ষোভ, থানা ঘেরাও সহ একাধিক কর্মসূচি পালিত হয়েছে। তেমনি আবার শুরু হয়েছে প্রতীকী মৌন প্রতিবাদ। ডাক্তাররা আগেই নিজেদের প্রেসক্রিপশনে ‘বিচার চাই’ লিখে রোগীর পরিষেবা দিচ্ছিলেন। এবার ব্যান্ডেলের এক ক্লাউড কিচেনের পক্ষ থেকে অভিনব প্রতিবাদের সূচনা করা হল। বহুজাতিক খাদ্য সরবরাহকারী অ্যাপে খাবার ডেলিভারি করার সময় বিলে (Food Bill) লেখা হল, ‘আরজি করের জন্য ন্যায় বিচার চাই।’ এই বিল এখন বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে। 

    পশ্চিমবঙ্গের নারীরা কী সত্যই সুরক্ষিত (RG Kar Rape-Murder)?

    ব্যান্ডেলের নারায়ণপুর কলোনির বাসিন্দা শুচিস্মিতা ভট্টাচার্য ও প্রবীর ভট্টাচার্য। গত তিন বছর ধরে একটি ক্লাউড কিচেন চালান। মূলত অনলাইনে খাদ্য সরবরাহকারী অ্যাপের মাধ্যমেই খাবার গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেন তাঁরা। কাজের জন্য আন্দোলনে যেতে পরেননি। তাই অভিনব ভাবে প্রতিবাদের হাতিয়ার বেছে নিয়েছেন। ‘ফ্লেভার হোম সার্ভিস’-এর বিলে লেখা রয়েছে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস ফর আরজিকর (RG Kar Rape-Murder)।’ শুচিস্মিতা বলেন,“পশ্চিমবঙ্গের নারীরা কী সত্যই সুরক্ষিত? হাসপাতলের কর্মক্ষেত্রে কী মহিলা চিকিৎসকেরা সুরক্ষিত? ব্যবসা সামলাতে গিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে যোগদান করতে পারিনি। তাই আমার প্রতিবাদ লিখে করলাম। তিলোত্তমার উপর নির্যাতনের দিন থেকেই মেনে নিতে পারছিলাম না। আমার ছেলে সাগ্নিক এই ভাবনার কথা আমায় বলেছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে সমস্ত বিলে (Food Bill) লিখে আমরা প্রতিবাদ শুরু করেছি। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদ আমাদের চলবে।”

    আরও পড়ুনঃ চার ছাত্রের গ্রেফতারি ‘বেআইনি’, পুলিশকে ‘বিধি মানার’ নির্দেশ বিচারপতির

    অপরাধ চক্রের বিনাশ চাই, দাবি প্রাক্তনীর

    ডাক্তাররা আগেই নিজের প্রেসক্রিপশনে অভয়ার বিচার চাই লিখে প্রতিবাদ শুরু করেছেন। এবার আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Rape-Murder) প্রাক্তন ছাত্র দেবব্রত দাস প্রতিবাদ জানিয়ে লাল কালির স্ট্যাম্পে লিখেছেন, “আর জি করের বিচার চাই, অপরাধ চক্রের বিনাশ চাই।” তিনি রামপুরহাট গভঃ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতলের প্রাক্তন কনসালট্যান্ট ল্যাপরোস্কোপিক সার্জেন। তিনি বলেন, “প্রেসক্রিপশন প্রতিটি মানুষের পাশাপাশি ওষুধের দোকানেও চলে যাচ্ছে। সারা ভারতে যে আমাদের সংগঠন রয়েছে সেখানেও আমার প্রেসক্রিপশন পাঠিয়ে দিয়ে প্রতিবাদের ভাষা তুলে ধরেছি। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে প্রতিবাদের এই ভাষা ইংরেজিতেও লেখা হয়েছে”। একই ভাবে স্থানীয় রোগীর হাতে হাতে এই প্রেসক্রিপশন তুলে দিচ্ছেন। সামজিক মাধ্যমে এ রকম প্রতিবাদ যাতে সবাই করেন, সেই আবেদনও করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সন্দীপের গাড়ি ঘিরে ‘চোর-চোর’ স্লোগান, ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত

    CBI: সন্দীপের গাড়ি ঘিরে ‘চোর-চোর’ স্লোগান, ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ৮ দিনের সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সোমবারই তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। মঙ্গলবার সন্দীপকে আদালতে পেশ করে ১০ দিনের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় সিবিআই। আদালত শেষ পর্যন্ত ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয়। 

    সন্দীপের গাড়ি ঘিরে ‘চোর-চোর’ স্লোগান (CBI)

    মঙ্গলবার দুপুরে গাড়িতে চাপিয়ে সন্দীপকে নিজ়াম প্যালেসে সিবিআই (CBI) দফতর থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষোভে ফেটে পড়েন কয়েকজন। সন্দীপের গাড়ি ঘিরে ধরে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। সেসব কাটিয়েই সন্দীপকে নিয়ে আদালতের উদ্দেশে রওনা দেন সিবিআই আধিকারিকরা। আদালত চত্বরেও সন্দীপের গাড়ি ঘিরে হট্টগোল শুরু হয়। সোমবার সন্দীপের সঙ্গে সিবিআই গ্রেফতার করে চিকিৎসার সরঞ্জাম সরবরাহ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হাওড়ার সাঁকরাইলের বাসিন্দা বিপ্লব সিংহ এবং একটি ওষুধের দোকানের মালিক সুমন হাজরাকে। গ্রেফতার করা হয় সন্দীপের নিরাপত্তারক্ষী আফসর আলিকে।

    মঙ্গলবার এই তিনজনকেও আদালতে হাজির করায় সিবিআই। আদালতে সিবিআইয়ের দাবি ছিল, আর্থিক দুর্নীতির একটি বড় চক্র রয়েছে। কারা এই চক্রে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সিবিআইয়ের তরফে বলা হয় তারা সন্দীপ ঘোষকে ১০ দিনের জন্য হেফাজতে চান। কারণ তাঁকে জেরা করলে অনেক গোপন তথ্য উঠে আসবে। অভিযুক্তদের সঙ্গে আরও অনেকে জড়িয়ে রয়েছে। সেক্ষেত্রে ওই ৪ জনকে যদি জেরা করা যায় তাহলে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। আরও অনেককে গ্রেফতার করা যাবে। কারণ অপরাধের পরিধি অনেকটাই বড়।  সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) আইনজীবী জানান, সবসময় তারা সিবিআইকে সহযোগিতা করে গিয়েছেন। প্রত্যেক দিনই সন্দীপ ঘোষ সিবিআই দফতরে যেতেন। ভবিষ্যতেও সহযোগিতা করবেন। ওই সওয়াল জবাব শোনার পর সন্দীপ ঘোষ ও বাকি ৩ জনকে ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সন্দীপ

    টানা ১৫ দিন সিবিআইয়ের জেরার মুখোমুখি হওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার হন সন্দীপ। সিবিআই (CBI) সূত্রে জানানো হয়, আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন সন্দীপ। সন্দীপের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার মধ্যে একটি হল বায়োমেডিক্যাল ওয়েস্ট পাচার। পাশাপাশি আরজি করের মর্গে পড়ে থাকা শনাক্ত হয়নি এমন দেহ পাচারের অভিযোগও রয়েছে সন্দীপের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share