Tag: Bengali news

Bengali news

  • Jharkhand: দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন, ঝাড়খণ্ডে ঘর ভাঙছে শাসকের!

    Jharkhand: দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন, ঝাড়খণ্ডে ঘর ভাঙছে শাসকের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই ভাঙন ধরছে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) শাসক শিবিরে। এ রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা হেমন্ত সোরেন। শিবু সোরেনের এই ছেলের সঙ্গেই মনোমালিন্যের জেরেই শিবুর দল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন (Champai Soren)। এবার আরও এক প্রবীণ উপজাতি নেতা শিবির বদলে নাম লেখালেন গেরুয়া খাতায়। তাঁর নাম লবিন হেমব্রম।

    ঘর ভাঙছে শাসকের!

    ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার এই বহিষ্কৃত নেতা শনিবার যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে গিয়ে লবিন হাতে তুলে নেন পদ্ম আঁকা ঝান্ডা। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে রাজমহল কেন্দ্রে তিনি জেএমএম-এর প্রার্থী বিজয় হাঁসদার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন নির্দল হিসেবে। গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়ে তিনি বলেন, “গুরুজির (জেএমএম সুপ্রিমো শিবু সোরেন) আদর্শ থেকে সরে এসেছে জেএমএম। দলে এখন প্রবীণ নেতাদের সম্মান নেই। তাই আমি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ঝাড়খণ্ডের উন্নয়ন ও আদিবাসীদের উন্নতির জন্য আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    কী বললেন লবিন

    তিনি বলেন, “ঝাড়খণ্ডের উন্নয়নে আমি কাজ করব। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের রুখব। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জন্য উপজাতি অধ্যুষিত গ্রামগুলো উধাও হয়ে যাচ্ছে। ঝাড়খণ্ডে উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ বিপন্ন। উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষকে বাঁচাতে হলে আমাদের বিজেপির সঙ্গে থাকতে হবে (Jharkhand)।” তিনি বলেন, “একমাত্র বিজেপিই এই ইস্যুটি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে। তাই আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর আমার ভরসা রয়েছে। আমি এখন বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের সঙ্গে রয়েছি। আগে আমি একটি আঞ্চলিক দলের সঙ্গে ছিলাম। জয় শ্রীরাম।”

    আরও পড়ুন: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    সাঁওতালদের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে হেমব্রমের। তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় বিজেপির পায়ের নীচের মাটি শক্ত হল বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। হেমব্রমের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন। বিজেপির প্রবীণ নেতাদের উপস্থিতিতে পদ্মশিবিরে যোগ দেন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এই দুজনই রয়েছেন ঝাড়খণ্ডের নির্বাচনের দায়িত্বে।

    চম্পাইয়ের (Champai Soren) পর লবিন, এবার বিধানসভা নির্বাচনে ঝাড়খণ্ড তাহলে পদ্মময় (Jharkhand)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kangana Ranaut: কঙ্গনা রানাউতকে অপমান, আকাশ ব্যানার্জির, নেপথ্যে কে?

    Kangana Ranaut: কঙ্গনা রানাউতকে অপমান, আকাশ ব্যানার্জির, নেপথ্যে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউতকে (Kangana Ranaut) কটাক্ষ ইউটিউবার আকাশ ব্যানার্জির (akash banerjee)। যা নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। গত ২৮ অগাস্ট তিনি কঙ্গনার পুরানো একটি ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন। এই ভিডিওয় কঙ্গনাকে একটা পার্টিতে নাচতে দেখা যাচ্ছে। এই ছবিই পোস্ট করে নারী বিদ্বেষী মনোভাব ব্যক্ত করেন আকাশ। প্রশ্ন করেন, কঙ্গনা যে নাচ নাচছেন, তার নাম কী?

    আগেও খবর হয়েছেন ইউটিউবার আকাশ (Kangana Ranaut)

    কিছুদিন আগেই বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন এই ইউটিউবার। তামাম বিশ্ব যখন দেখছে, বাংলাদেশে কার্যত হিন্দু নিধন যজ্ঞ হচ্ছে, তখন আকাশ সে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতাকে হোয়াইট ওয়াশ করতে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এহেন এক ইউটিউবার ফের চলে এসেছেন খবরে। এবার অবশ্য বিদেশ নয়, স্বদেশের এক সাংসদকে অপমান করে।

    কঙ্গনাকে ‘অপমান’

    আকাশের গুণপনার শেষ এখানেই নয়। কঙ্গনার বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত একটি পুরানো ভিডিও শেয়ার করে এই ইউটিউবার অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অসম্মানজনক মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ। ভিডিওয় কঙ্গনাকে মজার মুডে দেখা যাচ্ছে। কঙ্গনা ‘চাবুক মারা’ নিয়ে মন্তব্য করে দলে তিরস্কৃত হয়েছিলেন। সেটাকেই হাতিয়ার করে আকাশ বলেন, “কঙ্গনা ফান পার্টিতে চাবুক খাওয়ার পর এখন নিজের রাজনৈতিক পার্টির কাছ থেকে চাবুক খাচ্ছেন।” এর পরেই এই ইউটিউবার হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখেন, “কঙ্গনা রানাউতের জার্নিটা খুব এক্সাইটিং।”

    এই প্রথম নয়, এর আগেও কঙ্গনা হিংসা এবং যৌন নির্যাতনের হুমকি পেয়েছেন। আকাশের মতো লোকজন তাঁর চরিত্রে কালি ছেটানোর চেষ্টা করেছেন আগেও। অনলাইনেও তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছে বহুবার। আকাশের পোস্টের পর একলপ্তে সেই ঘটনা বেড়ে গিয়েছে বহুগুণ। ঘটছে অভিনেত্রীকে (Kangana Ranaut) অপমানের ঘটনাও।

    আরও পড়ুন: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    ঘটনাচক্রে ভারতের মার্কিন দূতাবাস আকাশের মতো একজন নারী বিদ্বেষীকে সামাজিক পরিবর্তনের ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে বেছে নিয়েছে। ভারতীয় যুব সমাজ কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তিকে কাজে লাগাবে, কীভাবেই বা সক্রিয় নাগরিক হবে, তা শেখাবেন তিনি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আকাশের মতো ইনফ্লুয়েন্সাররা কখনওই সক্রিয় নাগরিকত্ব কিংবা ‘মিনিংফুল চেঞ্জে’র ক্ষেত্রে উৎসাহিত করতে পারেন না। বরং তাঁরা কেবল নারীদের (Kangana Ranaut) বিরুদ্ধে অসন্তোষজনক সত্য প্রকাশ করে কীভাবে নারী বিদ্বেষী হওয়া যায় এবং এটা একটা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সেই শিক্ষা দিতে পারে (akash banerjee)। এ ব্যাপারে অবশ্য মার্কিন দূতাবাসের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 01 September 2024: কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 September 2024: কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ২) দায়িত্ব পালন নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি হতে পারে। 

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে না এগোনোই ভালোে হবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) কুচক্রে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ২) বায়ুপথে ভ্রমণ হতে পারে।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) বক্তা হিসাবে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

    ১) পড়াশোনার খুব ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের পাশে পাবেন।

    মীন

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Midnapore Medical College: মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করা হতো! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রনেতা

    Midnapore Medical College: মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করা হতো! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকে ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজ্য সহ গোটাদেশ এখন তোলপাড়। সর্বত্র একটাই আওয়াজ উঠছে, অবিলম্বে দোষীর শাস্তি চাই। ঠিক এর মধ্যেই এবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের (Midnapore Medical College) মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর ব়্যাগিংয়ের অভিযোগে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মূল অভিযুক্ত টিএমসিপি (TMC student leader) ইউনিটের প্রভাবশালী নেতা মুস্তাফিজুর রহমান এবং তার অনুগামীরা। ইতিমধ্যে হবু চিকিৎসকরা আন্দোলনে নেমেছেন, তাঁদের দাবি একটাই, বহিষ্কার করতে হবে এই টিএমসিপি নেতাকে।

    প্রতিবাদ করলেই প্রাণে মারার হুমকি (Midnapore Medical College)

    মেডিক্যাল কলেজের (Midnapore Medical College) জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, এই তৃণমূল ছাত্রনেতা মুস্তাফিজুর রহমান (TMC student leader) মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করত। বেছে বেছে সুন্দরী পড়ুয়াদের নাচ করতে বলা হতো। এর প্রভাব এতটাই যে কলেজে পাশ কে করবে, আর ফেল কে করবে, তাও ঠিক করত এই অভিযুক্ত। প্রতিবাদ করলেই প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হতো। আবার ওই তৃণমূল ছাত্রনেতা আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ। তাদের একাধিক ছবি সামাজিক মাধ্যমে দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার থেকে অভিযুক্ত মুস্তাফিজুরকে কলেজে আসতে বারণ করা হয়েছে। পড়ুয়াদের দাবি অভিযুক্তকে অবিলম্বে বহিষ্কার করতে হবে। ইতিমধ্যে কলেজের কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের বিষয় নিয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    মুখ খুলতে সাহস দেখান না কেউ!

    সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর মেডিক্যালের (Midnapore Medical College) ছাত্রনেতা (TMC student leader) মুস্তাফিজুর রহমান এতটাই প্রভাবশালী যে কলেজের চিকিৎসকেরাও মুখ খুলতে সাহস দেখান না। এই বিষয় নিয়ে কলেজের প্রিন্সিপাল মৌসুমি নন্দীও কিছু বলতে চাননি। হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক বিভাগের প্রধান তারাপদ ঘোষ, অভিযুক্ত এই তৃণমূল ছাত্র নেতার কলেজে আসার নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে স্বীকার করেছেন।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rashtrapati Award: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাচ্ছেন শ্যামনগর শালবাগান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

    Rashtrapati Award: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাচ্ছেন শ্যামনগর শালবাগান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার (Rashtrapati Award) পেতে চলেছেন শ্যামনগর শালবাগান জিএসএফপি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত কুমার মারিক। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে জাতীয় শিক্ষক হিসেবে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন তিনি। তাঁর বাড়ি ইছাপুর বিধানপল্লি এলাকায়। তাঁর এই পুরস্কার পাওয়ার খবর জানাজানি হতেই খুশির হাওয়া গোটা এলাকায়।

    প্রধান শিক্ষককে সংবর্ধনা (Rashtrapati Award)

    শিক্ষক দিবসে (Teachers Day) প্রতি বছরেই কেন্দ্রের তরফে দেশের সেরা শিক্ষকদের পুরস্কৃত (Rashtrapati Award) করা হয়। এ বছর জাতীয় শিক্ষক সম্মানের জন্য সারা দেশ থেকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে বেছে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেছে নেওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বিশেষ শিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষাদানের জন্য সম্মানিত করেন রাষ্ট্রপতি। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এবছর দেশের অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে শ্যামনগরের শালবাগান জিএসএফপি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বেছে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০ বছর ধরে তিনি শিক্ষকতা করছেন। শালবাগান জিএসএফপি স্কুলে তিনি ১১ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাবার খবরে খুশির জোয়ার গোটা শ্যামনগর জুড়ে। শুক্রবার বেলায় জাতীয় শিক্ষককে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন ভাটপাড়া পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্মৃতি ধর ও তাঁর স্বামী রতন ধর-সহ বিশিষ্ট জনেরা। স্কুল পড়ুয়া এবং অন্যান্য শিক্ষকদের উপস্থিতিতে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    প্রধান শিক্ষকের জন্য গর্বিত সহকর্মীরা

    শ্যামনগর (Shyamnagar) শালবাগান জিএসএফপি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সহকর্মীরা বলেন, প্রশান্তবাবুর মতো শিক্ষকের অনেক আগেই এই পুরস্কার পাওয়ার দরকার ছিল। তাঁর মতো শিক্ষক সকলের কাছে আদর্শের। শুধু পড়াশুনা করানো নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষা তিনি দেন। তাঁর মতো শিক্ষকের এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে আমরা চরম খুশি। তিনি শুধু স্কুলের নয়, গোটা এলাকার মানুষের কাছে গর্বের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের রেশ এখনও মেলায়নি। এই আবহে এবার খবরে চলে এল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Medinipur Medical College Hospital)। এখানে কাঠগড়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (Trinamool Chatra Parishad) এক নেতা। নাম মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিক। ঘটনাচক্রে তিনি আবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই নেতার অত্যাচারে অতিষ্ঠ জুনিয়র ডাক্তাররা বৃহস্পতিবার করলেন অবস্থান বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন চিকিৎসক মহম্মদ সিবি।

    কী বলছেন প্রতিবাদীরা? (Medinipur Medical College Hospital)

    তিনি জানান, তিন বছর আগে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকেই গ্র্যাজুয়েশন করেছেন মোস্তাফিজুর। পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলেও, হস্টেল ছাড়েননি। সিবি বলেন, “তিনি (মোস্তাফিজুর) প্রতিনিয়ত আমাদের হ্যারাস করেন। হস্টেল থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের বের করে দেওয়ার হুমকিও দেন। আমরা যখন বলি, যে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করব, তিনি বলেন স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ করলেও, তাঁর কিছু হবে না।” এই জুনিয়র ডাক্তারের অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেন মোস্তাফিজুর।

    মোস্তাফিজুর গুণাবলী

    তৃণমূলের এই নেতার বিরাট ক্ষমতা বলেও জানান আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। মহম্মদ সিবি বলেন (Medinipur Medical College Hospital), “এই তৃণমূল নেতা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। ফেল করা স্টুডেন্টদের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কিছু।” মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে তোলা আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে। মহম্মদ সিবি বলেন, “মোস্তাফিজুর প্রত্যেক জুনিয়র ডাক্তারের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে নেন। জোর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের খাতায় নাম লিখিয়ে নেন।” তিনি বলেন, “একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই কলেজ হাসপাতালে তাঁরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।”

    আরও পড়ুন: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    শ্রেয়া মণ্ডল নামে আর এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “প্রথম যেদিন আমরা এই কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম, শিক্ষকরা ক্লাস ছেড়ে চলে গেলেন। এই ইউনিট এসে দরজা বন্ধ করে দিল। মুস্তাফিজুরের রাস্কেলরা এসে আমাদের র‍্যাগ করে।” মেয়েদের আইটেম সং নাচতেও বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ। তৃণমূলের (Trinamool Chatra Parishad) ওই নেতাকে অবিলম্বে হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তাররা (Medinipur Medical College Hospital)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 119: “শ্রীঅদ্বৈতের শোণিত ধমনী মধ্যে প্রবাহিত…শরীর মধ্যস্থিত হরিপ্রেমের বীজ এখন প্রকাশোন্মুখ”

    Ramakrishna 119: “শ্রীঅদ্বৈতের শোণিত ধমনী মধ্যে প্রবাহিত…শরীর মধ্যস্থিত হরিপ্রেমের বীজ এখন প্রকাশোন্মুখ”

    শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অন্যান্য ভক্তের প্রতি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ উপদেশ

    প্রথম অধ্যায়

    ন জায়তে ম্রিয়তে বা কদাচিন্নায়ং ভূত্বাঽভবিতা বা ন ভূয়ঃ ৷
    অজো নিত্যঃ শাশ্বতোঽয়ং পুরাণো ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে ॥
                                                                                    (গীতা— ২।২০)

    মুক্তপুরুষের শরীরত্যাগ কি আত্মহত্যা?

    দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িতে শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণকে (Ramakrishna) দর্শন করিতে আসিয়াছেন। সঙ্গে তিন-চারটি ব্রাহ্মভক্ত। ২৯শে অগ্রহায়ণ, শুক্লা চতুর্থী তিথি। বৃহস্পতিবার, ইংরেজী ১৪ ডিসেম্বর ১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দ। পরমহংসদেবের পরমভক্ত শ্রীযুক্ত বলরামের সহিত ইঁহারা নৌকা করিয়া কলিকাতা হইতে আসিয়াছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ মধ্যাহ্নকালে সবে মাত্র একটু বিশ্রাম করিতেছেন। রবিবারেই বেশি লোক সমাগম হয়। যে-সকল ভক্তেরা একান্তে তাঁহার সহিত কথোপকথন (Kathamrita) করিতে চান, তাঁহারা প্রায় অন্য দিনেই আসেন।

    পরমহংসদেব (Ramakrishna) তক্তপোশের উপর উপবিষ্ট। বিজয়, বলরাম, মাস্টার ও অন্যান্য ভক্তেরা পশ্চিমাস্য হইয়া, তাঁহার দিকে মুখ করিয়া কেহ মাদুরের উপর। কেহ শুধু মেঝের উপর বসিয়া আছেন। ঘরের পশ্চিমদিকের দ্বারমধ্য দিয়া ভাগীরথী দেখা যাইতেছিল। শীতকালের স্থিরা স্বচ্ছলসলিলা ভাগীরথী। দ্বারের পরই পশ্চিমের অর্ধমণ্ডলাকার বারান্দা, তৎপরেই পুষ্পোদ্যান, তারপর পোস্তা। পোস্তার পশ্চিমগায়ে পুণ্যসলিলা কলুষহারিণী গঙ্গা, যেন ঈশ্বর মন্দিরের পাদমূল আনন্দে ধৌত করিতে করিতে যাইতেছিলেন।

    শীতকাল, তাই সকলের গায়ে গরম কাপড়। বিজয় শূলবেদনায় দারুণ যন্ত্রণা পান; তাই সঙ্গে শিশি করিয়া ঔষধ আনিয়াছেন—ঔষধ সেবনের সময় হইলে খাইবেন। বিজয় এখন সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের একজন বেতনভোগী আচার্য। সমাজের বেদীর উপর বসিয়া তাঁহাকে উপদেশ দিতে হয়। তবে এখন সমাজের সহিত নানা বিষয়ে মতভেদ হইতেছে। কর্ম স্বীকার করিয়াছেন, কি করেন, স্বাধীনভাবে কথাবার্তা (Kathamrita) বা কার্য করিতে পারেন না। বিজয় অতি পবিত্র বংশে—অদ্বৈত গোস্বামীর বংশে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন। অদ্বৈত গোস্বামী জ্ঞানী ছিলেন—নিরাকার পরব্রহ্মের চিন্তা করিতেন, আবার ভক্তির পরাকাষ্ঠা দেখাইয়া গিয়াছেন! তিনি ভগবান চৈতন্যদেবের একজন প্রধান পার্ষদ—হরিপ্রেমে মাতোয়ারা হইয়া নৃত্য করিতে করিতে পরিধানবস্ত্র খসিয়া যাইত। বিজয়ও ব্রাহ্মসমাজে আসিয়াছেন—নিরাকার পরব্রহ্মের চিন্তা করেন; কিন্তু মহাভক্ত পূর্বপুরুষ শ্রীঅদ্বৈতের শোণিত ধমনী মধ্যে প্রবাহিত হইতেছিল, শরীর মধ্যস্থিত হরিপ্রেমের বীজ এখন প্রকাশোন্মুখ—কেবল কাল প্রতীক্ষা করিতেছে! তাই তিনি ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) দেবদুর্লভ হরিপ্রেমে “গরগর মতোয়ারা” অবস্থা দেখিয়া মুগ্ধ হইয়াছেন। মন্ত্রমুগ্ধ সর্প যেমন ফণা ধরিয়া সাপুড়ের কাছে বসিয়া থাকে, বিজয়ও পরমহংসদেবের শ্রীমুখনিঃসৃত ভাগবত শুনিতে শুনিতে (Kathamrita) মুগ্ধ হইয়া তাঁহার নিকটে বসিয়া থাকেন। আবার যখন তিনি হরিপ্রেমে বালকের ন্যায় নৃত্য করিতে থাকেন, বিজয়ও তাঁহার সঙ্গে নৃত্য করিতে থাকেন।

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

    আরও পড়ুনঃ “পাপ করলে তার ফল পেতে হবে! লঙ্কা খেলে তার ঝাল লাগবে না?”

    আরও পড়ুনঃ “ব্যাকুলতা না এলে কিছুই হয় না, সাধুসঙ্গ করতে করতে ঈশ্বরের জন্য প্রাণ ব্যাকুল হয়”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sada Bonde: কামারপুকুরের ‘সাদা বোঁদে’ স্বাদে অনন্য, ঠাকুর রামকৃষ্ণের প্রিয় ছিল এই মিষ্টান্ন

    Sada Bonde: কামারপুকুরের ‘সাদা বোঁদে’ স্বাদে অনন্য, ঠাকুর রামকৃষ্ণের প্রিয় ছিল এই মিষ্টান্ন

    হরিহর ঘোষাল

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিষ্টির দোকানে রঙীন বোঁদে দেখে অভ্যস্ত আম বাঙালি। তবে, সাদা বোঁদের চল শুধু কামারপুকুর ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না। কামারপুকুরে ঠাকুর রামকৃষ্ণের জন্মভিটেতে গিয়েছেন আর ঠাকুরের প্রিয় সাদা বোঁদে খাননি, এরকম ভক্ত নেই বললেই চলে। তাই, কামারপুকুরের সাদা বোঁদের (Sada Bonde) জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। 

    সাদা বোঁদের ইতিহাস (Sada Bonde)

    কামারপুকুরের সাদা বোঁদে কে কবে প্রথম প্রস্তুত করেছিলেন তার সম্পর্কে কোনও তথ্য পাওয়া যায় না। আদিতে কামারপুকুরে এই সাদা বোঁদে তৈরি করত কয়েকটি হাতে গোনা পরিবার। জানা গিয়েছে, ১৭৯৩-৯৪ সাল নাগাদ কামারপুকুরে সাদা বোঁদে তৈরি করতেন জনৈক মধুসূদন মোদক। অতীতে কামারপুকুরের স্থানীয় চাষিরা বরবটি চাষ করে পাকা বরবটির বীজের জোগান দিতেন। সেই বরবটির বীজ কলাইকে প্রথমে জলে ধুয়ে তারপর রোদে শুকিয়ে নেওয়া হত। এর পর সেই শুকনো কলাইকে পিষে বেসন তৈরি করা হত। কামারপুকুরের সাদা বোঁদের প্রধান উপাদান হল রমা কলাইয়ের বেসন এবং আতপ চালের গুঁড়ো। তার সঙ্গে লাগে গাওয়া ঘি বা বনস্পতি ঘি ও চিনির রস।

    আরও পড়ুন: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    ঠাকুর রামকৃষ্ণ-মা সারদার প্রিয় ছিল সাদা বোঁদে

    রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্ম ভিটে ছিল কামারপুকুরের মোদক বাড়ির পাশেই। একটি মত অনুসারে, মধুসূদন মোদকের পুত্র দুর্গাদাসের বাল্যবন্ধু ছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ। বালক গদাধর (ঠাকুর রামকৃষ্ণ) তাঁর বন্ধু দুর্গাদাসের বাড়িতে গেলেই সাদা বোঁদে (Sada Bonde) খেতেন। অন্য মতে, গদাধর দুর্গাদাস মোদকের পুত্র সত্যকিঙ্করের দোকান থেকে সাদা বোঁদে কিনে খেতেন। সেই থেকে আজীবন কামারপুকুরের সেই সাদা বোঁদে খেতে খুব ভালোবাসতেন ঠাকুর। রামকৃষ্ণ কথামৃতে কামারপুকুরের সাদা বোঁদের উল্লেখ রয়েছে। কামারপুকুর মঠ ও মিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রামকৃষ্ণ সাদা বোঁদে খেতে ভালবাসতেন, এমন কোনও নথি মিশনের কাছে নেই। তবে, সারদা দেবীর সাদা বোঁদে ভীষণ প্রিয় ছিল। তিনি দুর্গাদাস মোদকের পুত্র সত্যকিঙ্কর মোদকের দোকানের বোঁদে খুব ভালবাসতেন। তিনি ভক্তদের সাদা বোঁদে বা জিলিপি খেতে দিতেন। সেই থেকেই কামারপুকুরের সঙ্গে সাদা বোঁদে আর মোদক পরিবারের নাম জড়িয়ে রয়েছে। ১৯৪৭ সালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন কর্তৃপক্ষ কামারপুকুরে রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্ম ভিটে অধিগ্রহণ করে নেন। ক্রমে কামারপুকুর ঠাকুরের ভক্তদের জন্য একটি তীর্থস্থানে পরিণত হয় এবং ভক্তদের মাধ্যমে ঠাকুরের স্নেহধন্য কামারপুকুরের সাদা বোঁদের জনপ্রিয়তা দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

    কীভাবে তৈরি হয় এই মিষ্টি?

    আতপ চাল এবং রমা কলাই আজও ঢেঁকির সাহায্যে গুঁড়ো করা হয়। আগে ঘি দিয়েই তৈরি হত। এখন সেটি সাদা তেলে তৈরি হয়। সেই থেকে একটি মিশ্রণ তৈরি হয়, যাকে খামি বলে। এটিকে ৪৫ মিনিট মতো মিষ্টির রসে ভিজিয়ে রাখা হয়। তাহলেই তৈরি হয়ে যায় সাদা বোঁদে (Sada Bonde)। গরমে ৫-৭ দিন বাইরে রাখলেও এই মিষ্টি নষ্ট হবে না।

    পরমহংসের ভোগে সাদা বোঁদে

    সারা বছর দেশ-বিদেশ থেকে কামারপুকুর-জয়রামবাটিতে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। ভক্তরা ভ্রমণ শেষে এই কামারপুকুরের সাদা বোঁদে (Sada Bonde) সঙ্গে করে বাড়ি নিয়ে যান। তাঁরা মনে করেন, তা না করলে ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। কামারপুকুরের বাসিন্দারা সাদা বোঁদে নিয়ে ভীষণ আবেগপ্রবণ। কামারপুকুরের বাসিন্দারা বাড়িতে অতিথি এলে সাদা বোঁদে দিয়ে তাদের আপ্যায়ন করেন। বিবেকানন্দ মঠে রামকৃষ্ণ পরমহংসের (Ramkrishna Paramhans) ভোগে কামারপুকুরের সাদা বোঁদে দেওয়া হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই মিষ্টির খোঁজে ঠাকুরের অনেক ভক্তরাই ছুটে এসেছেন, তার মধ্যে শ্রীম (কথামৃতের লেখক) অন্যতম। এই মিষ্টির চাহিদা এতটাই বেশি, যে মানুষ এসে খালি হাতে ফিরবেন না, এটি নিয়েই যাবেন। এমনকী কামারপুকুরে উৎসব, অনুষ্ঠান, বিয়েবাড়ি সবকিছুতেই এই বোঁদের (Sada Bonde) চাহিদা খুব বেশি।

    বর্তমান অবস্থা

    জানা গিয়েছে, কামারপুকুরে মিষ্টির দোকানের সংখ্যা মোট কুড়িটি। তার মধ্যে তিনটি দোকান রামকৃষ্ণ পরমহংসের সমসাময়িক সত্যকিঙ্কর মোদকের বংশধরদের। দোকানগুলি মঠ চত্বর, লাহা বাজার ও কামারপুকুর চটি এই তিনটি অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে। প্রতিটি মিষ্টির দোকানেই এই সাদা বোঁদে পাওয়া যায়। শীতের সময় অর্থাৎ নভেম্বর থেকে মার্চ কামারপুকুরের পর্যটক সংখ্যা সব চেয়ে বেশি হয়। তখন চাহিদা মেটাতে মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারকরা সাদা বোঁদের উৎপাদন বাড়িয়ে দেন। এই সময় প্রতিদিন গড়ে ৮-১০ টন সাদা বোঁদে (Sada Bonde) তৈরি হয়। বছরের বাকি সময়টা দৈনিক ২-৩ টন সাদা বোঁদে উৎপাদন হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদিকে দেওয়া মমতার চিঠিতে তথ্যগত ভুল রয়েছে, সাফ জানাল কেন্দ্র

    PM Modi: মোদিকে দেওয়া মমতার চিঠিতে তথ্যগত ভুল রয়েছে, সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যে দ্বিতীয় চিঠিটি দিয়েছেন, তাতে তথ্যগত ভুল রয়েছে।” শুক্রবার এ কথা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী। তাঁর মতে (PM Modi), এটি রাজ্যে ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু করার ক্ষেত্রে যে অযথা দেরি হচ্ছে, তা ঢাকা দেওয়াই এই চিঠির লক্ষ্য।

    কী বলছেন মমতা? (PM Modi)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই চিঠিটি এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখার পরে। ওই চিঠিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য ছিল, মামলাগুলির বিষয়ে কঠোর কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের জন্য তাঁর প্রথামিক আবেদনের প্রেক্ষিতে কোনও প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় হতাশ তিনি। তাঁর চিঠিতে মমতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আগের চিঠি মারফত দেওয়া উত্তরকে অপর্যাপ্ত ও সাধারণ বলে সমালোচনা করেছিলেন।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর তোপ

    রাজ্যকে লেখা চিঠিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লিখেছেন, ‘যেমন দেখা যাচ্ছে, আপনার চিঠিতে থাকা এ সংক্রান্ত তথ্য ফ্যাকচুয়ালি ইনকারেক্ট। রাজ্যে ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু করার ক্ষেত্রে যে দেরি হচ্ছে, সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই এটি একটি পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।’ ১১টি অতিরিক্ত ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু না করায়ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিন্দে করেন অন্নপূর্ণা। তিনি জানান, রাজ্যে বকেয়া রয়েছে ৪৮ হাজার ৬০০ ধর্ষণ এবং পকসো মামলা। কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী চিঠিতে লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে সব মিলিয়ে নিষ্পত্তি হয়নি ৮১ হাজার ১৪১টি মামলার। এই পরিসংখ্যান গত ৩০ জুন পর্যন্ত। রাজ্যে ৪৮ হাজার ৬০০ ধর্ষণ এবং পকসো মামলা বকেয়া রইলেও, রাজ্য এখনও ১১টি অতিরিক্ত ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু করেনি। অথচ পকসো কোর্ট কিংবা ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে এই আদালত এক্সক্লুসিভ হতে পারে।’

    আরও পড়ুন: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    ভারতীয় (PM Modi) ন্যায় সংহিতার অধীনে ইতিমধ্যেই কঠোর আইন রয়েছে বলেও চিঠিতে (Mamata Banerjee) মনে করিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই আইনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং মৃত্যুদণ্ডের মতো সাজারও সংস্থান রয়েছে বলেও জানান (PM Modi) মন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Kaushiki Amavasya: কৌশিকী অমাবস্যার মাহাত্ম্য কী? তারাপীঠে পুজো কবে, জানেন?

    Kaushiki Amavasya: কৌশিকী অমাবস্যার মাহাত্ম্য কী? তারাপীঠে পুজো কবে, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে (Hinduism) বিভিন্ন তিথিতে দেবী কালী মায়ের (Goddess Kali) নানা রূপের আরধানা করা হয়ে থাকে। শক্তি রূপে দেবীর আরাধনা বাংলায় বেশ জনপ্রিয়। ভাদ্র মাসের শুরুতেই যে অমাবস্যা পড়ে, তাই কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya) রূপে পালন করা হয়। এদিন ভক্তরা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে মায়ের পুজো করে থাকেন।

    কবে পড়েছে অমাবস্যা?

    এই বছর কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya) পড়েছে ১ সেপ্টেম্বর, রবিবার (বাংলা তারিখ ১৫ ভাদ্র)। ২ সেপ্টেম্বর সোমবার (বাংলা তারিখ ১৬ ভাদ্র) অহরাত্র থাকবে এই কৌশিকী অমাবস্যা। ছাড়বে ৩ সেপ্টেম্বর (বাংলা তারিখ ১৭ ভাদ্র) সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে।

    পৌরাণিক সূত্র

    এই কৌশিকী অমাবস্যার (Kaushiki Amavasya) সঙ্গে জড়িত আছে নানা পৌরাণিক কাহিনি। মার্কণ্ডেয় পুরাণ সূত্র থেকে জানা যায়, মহাপরাক্রমী দৈত্য ভ্রাতৃদ্বয় শুম্ভ ও নিশুম্ভ ব্রহ্মাদেবের পরম ভক্ত ছিলেন। সাধনায় তুষ্ট হয়ে ভগবান ব্রহ্মা (Lord Brahma) তাঁদের বর দিয়ে বলেন, “তোমরা ত্রিভুবনে অবধ্য হবে। তবে কখনও যদি কোনও অযোনিসম্ভবা নারীর সঙ্গে তোমাদের সংঘাত ঘটে তবে ওই নারীর দ্বারাই তোমরা বধ হবে। তাই এই কথাগুলি স্মরণে রেখো।” ব্রহ্মার বরে বলীয়ান হয়ে শুম্ভ-নিশুম্ভ ভাবতে শুরু করেন, ত্রিভুবনে কোনও নারীই  মাতৃগর্ভজাত না হয় জন্মলাভ করতে পারবেন না, তাই আমরা অমর। আমাদের মৃত্যু ভয় নেই। এই অসুরদ্বয় প্রথমেই স্বর্গরাজ্য আক্রমণ করেন। দেবকুল তখন ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে শুম্ভ-নিশুম্ভর হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য মহাদেবের শরণাপন্ন হন।

    দেবী কৌশিকীর জন্ম

    মহাদেব (Lord Shiva) ঠাট্টার ছলে ঘোর কৃষ্ণবর্ণা পার্বতীকে (Goddess Parvati) ডেকে বলেন, ‘হে কালীকে, তুমি এই বিপদ থেকে দেবতাদের রক্ষা করো।’ জনসমক্ষে পতিমুখে কালীকে সম্বোধন শুনে দেবী পার্বতী অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন। তৎক্ষণাৎ মানস সরোবরে গিয়ে নিজেকে অভিষিক্ত করে নিজ গাত্রের সকল কৃষ্ণবর্ণ কোষগুলিকে পরিত্যাগ করে এক অসামান্যা সুবর্ণ রূপ ধারণ করে নিজেকে প্রকট করেন। অপর দিকে, পার্বতীর দেহ থেকে ফেলে দেওয়া কোষ থেকে আর এক দেবী আবির্ভুত হন। সেই দেবীর নাম কৌশিকী (Kaushiki Amavasya)। দেবী কৌশিকীর আবির্ভাবের পর দেবী ভগবতী কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করেন এবং দেবী কালিকা বা কালী নামে পরিচয় লাভ করেন।

    অমাবস্যায় অসুর বধ

    দেবী কৌশিকী (Kaushiki Amavasya) অযোনিসম্ভবা ছিলেন, সেই কারণে কৌশিকী দেবীই শুম্ভ-নিশুম্ভকে বধ করেন। যুদ্ধকালীন সময়ে দেবী কৌশিকীর শরীর থেকে হাজারও যোদ্ধা সৃষ্ট হয় এবং তারাই সমগ্র অসুরকুলকে ধ্বংস করে দেন। এই ঘটনাটি ভাদ্র মাসের প্রথম অমাবস্যায় ঘটেছিল। পরবর্তীকালে এটি কৌশিকী অমাবস্যা নামে ধরাধামে খ্যাত হয়।

    বিশ্বাস, তন্ত্রমত ও শাস্ত্র মতে পুজো করা হয়

    ভাদ্র মাসের এই কৌশিকী অমাবস্যা তিথি যে সকল মানুষ ধর্ম, তন্ত্র, মন্ত্র, সাধনা এবং ঈশ্বর বিশ্বাসী তাঁদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। কৌশিকী অমাবস্যার সঙ্গে তারাপীঠের অঙ্গাঙ্গি সম্পর্ক। বিশ্বাস, তন্ত্রমত ও শাস্ত্র মতে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে দেবীর পুজো করলে অশুভ শক্তির বিনাস ঘটে। তন্ত্রশাস্ত্র মতে গুপ্ত সাধনায় এই দিনে কাঙ্খিত ফল পাওয়া যায়। কৌশিকী অমাবস্যার পবিত্র লগ্নে তারাপীঠ মন্দিরে, বিশেষ উপাচারে পুজো করা হয় তারা মায়ের৷ তন্ত্র মতে, এই রাতকে ‘তারা রাত্রি’ও বলা হয়।

    বামাক্ষ্যাপাকে দর্শন দিয়েছিলেন

    কথিত আছে, ওই অমাবস্যা তিথিতেই বামাক্ষ্যাপাকে দেবী কৌশিকী ‘তারা’ নামে তারাপীঠ (Tarapith) মহাশ্মশানে দর্শন দিয়েছিলেন। অমাবস্যার এই বিশেষ তিথিতে সাধক বামাক্ষ্যাপা (Sadhak Byamakhyapa) তারাপীঠের মহাশ্মশানের শিমূল গাছের তলায় মা তারার (Tara Maa) আরাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। লোকমুখে প্রচলিত কাহিনি সূত্রে শোনা যায়, দেবী কৌশিকী ‘তারা’ নামে ওই বিশেষ অমাবস্যায় তারাপীঠ মহাশ্মশানে বিরাজিতা থাকেন। সেই কারণে তারাপীঠ মহাশ্মশানে ওই দিন লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাবেশ ঘটে। ভক্তগণের বিশ্বাস, ওই দিন মাকে পূজা করলে ভক্তগণের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হয়।

    আরও পড়ুনঃ ‘বিষ্ণু সহস্রনাম’ পাঠে চারপাশে তৈরি হয় ইতিবাচক শক্তির বলয়, বদলে যায় জীবন

    দ্বারকা নদীতে স্নান করলে পুণ্যলাভ হয়

    দেবী কৌশিকী এবং তারা মা অভিন্ন বলে বিশ্বাস ভক্তদের। অনেকেই বিশ্বাস করেন, এই দিন মা তারার পুজো দিলে এবং দ্বারকা নদীতে স্নান করলে পুণ্যলাভ হয়। এই স্নান কুম্ভস্নানের সমতুল্য। বিশেষ এই তিথিতে তারাপীঠে তারা মায়ের পুজো করলে মনের ইচ্ছে পূরণ হয়। এই বিশ্বাসে আজও ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ওই দিনটিতে তারাপীঠে ছুটে আসেন। কৌশিকী অমাবস্যার (Kaushiki Amavasya) দিন বাড়ি রাখুন পরিচ্ছন্ন। পুরনো ছেঁড়া কোনও জামাকাপড় থাকলে তা ফেলে দিন। সন্ধ্যের পর বাড়ির তুলসী মঞ্চে তিলের প্রদীপ জ্বালালে তা সংসারে কোনও নেতিবাচক শক্তিকে প্রবেশ করতে দেয় না। এই তিথি কেবলমাত্র হিন্দুশাস্ত্রে নয়, বৌদ্ধ শাস্ত্রেও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share