Tag: Bengali news

Bengali news

  • Nabanna Abhijan: ‘‘চুড়ি পরে বসে থাকুক’’, নবান্ন অভিযানে পুলিশকে তুলোধনা আন্দোলনকারীর

    Nabanna Abhijan: ‘‘চুড়ি পরে বসে থাকুক’’, নবান্ন অভিযানে পুলিশকে তুলোধনা আন্দোলনকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে দোষীদের শাস্তির দাবিতে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ -এর পক্ষ থেকে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযানকে (Nabanna Abhijan) কেন্দ্র করে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। জাতীয় পতাকা হাতে আন্দোলনে যোগ দিতে এসেছিলেন এক আন্দোলনকারী। কিন্তু, পুলিশের টানা জলকামানের সামনে কার্যত দাঁড়াতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। জল কামান, কাঁদানে গ্যসের ঝাঁঝের মধ্যেই তাঁর গলায় ঝাঁঝ দেখা যায়। 

    পুলিশকে হাতে চুড়ি পরে বসে থাকার নিদান আন্দোলনকারীর (Nabanna Abhijan)

    হাওড়া ব্রিজের কাছে জমায়েতকে (Nabanna Abhijan) ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান দাগা হয়। কামানের জলের সেই তোড়ের সামনেই জাতীয় পতাকা হাতে এক আন্দোলনকারী টানা দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু, জলের তোড় বাড়তে থাকায় দাঁড়িয়ে থাকার উপায় ছিল না। এই পরিস্থিতিতে পিছু হটেন তিনি। এরপরই পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “চুড়ি পরে বসে থাকুক এরা। এদের বাড়িতেও মা-বোন আছে। আমরা মহিলাদের সুরক্ষার জন্য আন্দোলন করতে এসেছি। কারও হাতে তো কোনও অস্ত্র নেই। জাতীয় পতাকা নিয়ে এসেছি আমরা।”

    এদিন সকাল থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নবান্ন অভিযান ঠেকানোর প্রস্তুতি ছিল পুলিশের। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয় নবান্ন ও তার আশপাশের চত্বর। কিন্তু, আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে বিভিন্ন প্রান্তে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে এই অশান্তির জেরে রক্ত ঝরে একাধিক মহিলার। মাথা ফাটল পুলিশেরও। চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা ছড়ায় হাওড়া ব্রিজে। বিশাল গার্ডরেল, ব্যারিকেডের ওপর এক যুবক জাতীয় পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে পড়েন। কেই ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    দমিয়ে রাখা যাবে না

    আন্দোলনকারীরা (Nabanna Abhijan) বলেন, ‘‘আমাদের এইভাবে দমিয়ে রাখা যাবে না। আমরা জাস্টিস চাইছি জাস্টিস, লিগাল জাস্টিস চাইছি।’’ পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠতে শুরু করে। এই সময়ই জলকামান থেকে জল ছোড়া শুরু হয়। হাওড়া ব্রিজে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন দিক থেকে মিছিল এসেছিল। জলকামান চলার মধ্যেই ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতে পরপর কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। ধোঁয়া ও জলের তোড়ে কিছুটা ছত্রভঙ্গ হলেও পরক্ষণেই ফের এককাট্টা হয়ে ব্যারিকেড ভাঙতে এগিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। বেলা যত গড়িয়েছে, বাড়ে আন্দোলনের ঝাঁঝ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: বিজেপির লালবাজার অভিযানে কাঁদানে গ্যাস পুলিশের, অসুস্থ হয়ে পড়লেন সুকান্ত

    Nabanna Abhijan: বিজেপির লালবাজার অভিযানে কাঁদানে গ্যাস পুলিশের, অসুস্থ হয়ে পড়লেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির বিক্ষোভে ধুন্ধুমার লালবাজার চত্বরে। একদিকে যেমন ছাত্র সমাজের ডাকে নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhijan) করা হয়, ঠিক একই ভাবে বিজেপির লালবাজার অভিযান করা হয়। জানা গিয়েছে, অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ছাত্র সহ সাধারণ মানুষকে ছাড়াতে এই অভিযান করে বিজেপি। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘হায় হায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’ ইত্যাদি স্লোগানও ওঠে ঘটনাস্থলে। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের তর্কাতর্কি ও ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপিকে ঠেকাতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ল পুলিশ। যার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়লেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। 

    পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি (Nabanna Abhijan)

    মঙ্গলবার দুপর ১টায় সাঁতরাগাছি ও কলেজ স্ট্রিট থেকে মিছিলের (Nabanna Abhijan) ডাক দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র সমাজ। মিছিল শুরু হতেই পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস এবং জল কামান দিয়ে নির্মম ভাবে অত্যাচার করে। একই ভাবে নির্বিচারে বহু ছাত্র-ছাত্রী এবং সাধারণ নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। এর আগে, গতকাল মধ্যরাতে আন্দোলনকারী ৪ ছাত্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মুক্ত করতে বিজেপির তরফ থেকে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে লালবাজারে অভিযান করা হয়।

    পুলিশের কাঁদানে গ্যাস অসুস্থ সুকান্ত

    বিকেল চারটের সময় মিছিল করে লালবাজারের দিকে এগোলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়। এদিন রাজ্য সভাপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন— লকেট চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, সমীক ভট্টাচার্য সহ আরও অনেকে। আটকে দিলে বিজেপির নেতা-কর্মীরা অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেন। রাস্তায় বসে বিজেপি নেতারা স্লোগান দেন— ছাত্রদের জোর করে পুলিশ আটক করেছে। তাঁদের মুক্তির জন্য পুলিশকে আধ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এর পরই সুকান্তদের অবস্থান হঠানোর চেষ্টা করে পুলিশ। এতে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের তর্কাতর্কি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপর বিজেপিকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। তাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। বিজেপির বিক্ষোভে কার্যত অবরূদ্ধ হয়ে যায় লালবাজার। লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “পুলিশ বিনা কারণে লাঠিচার্জ করেছে। কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে।” 

    আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের দাবি শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হোক।” মঙ্গলবার এমনই দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে এদিন নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। সেই অভিযান উপলক্ষে ব্যাপক জমায়েত হয় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। আন্দোলনকারীদের রুখতে কোথাও রাস্তায় রাখা হয়েছে কন্টেনার, কোথাও আবার রাখা হয়েছে গাছের গুঁড়ি। আবার কোথাও ব্যারিকেডের গায়ে লাগানো হয়েছে গ্রিজের পুরু আস্তরণ। এতেও ক্ষান্ত হয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। নির্বিচারে চালিয়েছে লাঠি, ব্যবহার করেছে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস। পুলিশের লাঠির ঘায়ে জখম হয়েছেন বহু আন্দোলনকারী।

    রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি (Suvendu Adhikari)

    কর্মসূচি শেষে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। সেখানেই দাবি তোলেন পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের। পুলিশের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “পুলিশকে আমি আবারও বলব, আপনারা ধরপাকড় বন্ধ করুন। আপনারা সামলাতে পারবেন না। সাঁতরাগাছির জনতাকে ভিডিও কল করে অনুরোধ করেছি, সাধারণ পুলিশ কর্মী ও ছাত্র সমাজ-সহ নিরীহ জনগণ আক্রান্ত হচ্ছেন। পুলিশের জল কামানের জল শেষ, গ্যাস শেষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশকেও অসহায় অবস্থায় ফেলে দিয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানে ‘পুলিশি সন্ত্রাস’, বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি

    “মমতার পদত্যাগ চাই”

    শুভেন্দু বলেন, “ওঁরা (পুলিশ) বাধ্য হতেন গুলি চালাতে। নীচের তলার পুলিশের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। তাঁদেরও স্ত্রী-মা-বোন আছে। আমরা চাই না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজীব কুমারদের ভুল পলিসির জন্য তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হোন।” তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “এটা সাধারণ মানুষের একটা সফল কার্যক্রম। তবে পুলিশের উসকানি ছিল। তারা প্রচুর মানুষকে মারধর করেছে।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমি অনুরোধ করব, আপনারা ধরপাকড়, মারধর বন্ধ করুন। জাগ্রত জনতার সঙ্গে পারবেন না। ফেল করবেন।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমরা মমতার পদত্যাগ চাই। এই আন্দোলন একদিনের (RG Kar Incident) নয়। কর্মসূচি আরও হবেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদত্যাগে বাধ্য করব। পশ্চিমবাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হোক আমরা চাইব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: মমতা-প্রশাসনে সুরক্ষিত ধর্ষকরা! ‘‘এই সিস্টেম বদলাতে হবে’’, বলছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ

    Nabanna Abhijan: মমতা-প্রশাসনে সুরক্ষিত ধর্ষকরা! ‘‘এই সিস্টেম বদলাতে হবে’’, বলছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হত্যাকাণ্ডে মৃত মহিলা চিকিৎসকের ন্যায় বিচারের দাবিতে পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র সমাজের ডাকে নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) যোগদান করেছিল সংগ্রামী যৌথমঞ্চ। মঞ্চের পক্ষ থেকে মিছিলে পা মিলিয়েছেন আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ এবং তাঁর সহযোগীরা। তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, “ধর্ষক-খুনি হলেও নীল-সাদা আঁচলের তলায় তোমাকে সুরক্ষা দেওয়া হবে, এই সিস্টেম বদলাতে হবে।” নবান্ন অভিযানে পুলিশ নির্মম ভাবে ছাত্র সমাজের আন্দোলনের ওপর লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস এবং জল কামানের ব্যবহার করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যয়াধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পদত্যাগের বিষয়ে অনড় এখনও আন্দোলনকারীরা।

    শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপরে বলপ্রয়োগ (Nabanna Abhijan)

    মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) শান্তিপূর্ণ মিছিলের উপর পুলিশ একাধিক জায়গায় বলপ্রয়োগ করেছে বলে ছাত্র সমাজ অভিযোগ তুলেছে। সংগ্রামী মঞ্চের পক্ষ থেকেও একটি মিছিল এদিন নবান্নের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। হাওড়ায় ব্যাপক ভাবে পুলিশের বাঁধার মুখে পড়েন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে জল কামান এবং কাঁদানে গ্যাসের প্রয়োগ করা হয়। ঠিক তার মধ্যেই রাস্তায় বসে পড়েছিলেন ভাস্কাররা। পুলিশ কর্তা ১০ মিনিটের সময় দিয়ে উঠে যেতে বলেছিলেন, অন্যথায় কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে হুমকিও দেওয়া হয়। ভাস্কর, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপরে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না পুলিশ, সেটা সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল। যে পুলিশ এই কথা বলছেন তিনি হয়তো সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ওপরের পদমর্যাদার অফিসার, তাই এই রকম কথা বলছেন।”

    আরও পড়ুনঃ হাতে জাতীয় পতাকা, জলকামান-টিয়ার গ্যাস উপেক্ষা করেই নবান্নর পথে প্রতিবাদীরা

    পুলিশ লোক দিয়ে পাথর মেরেছে

    অপর দিকে, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পিছন থেকে তাঁকে পাথর মারা হলে ভাস্কর ঘোষ বলেন, “পুলিশ ইচ্ছে করে লোক রেখে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। ওরা নিশ্চিত মমতা (Mamata Banerjee) পুলিশের লোক। মাথায় রাখুন সুপ্রিম কোর্টে আমাদের আইনজীবীরা বসে আছেন। সবকিছু ছবিতে ধরা পড়েছে, আদালতে অবমাননার মামলা (Nabanna Abhijan) হবে। যতক্ষণ আমাদের দাবি না মানা হবে, ততক্ষণ আমাদের আন্দোলন চলবে। ধর্ষক-খুনি হলে নীল সাদা আঁচলের তালায় আশ্রয় দেওয়ার ব্যবস্থার বদল করতে হবে।” উল্লেখ্য, নবান্ন অভিযানের আগের দিন রাতে সংগ্রামী মঞ্চের পক্ষ থেকে একটি দল নবান্নে গিয়েছিল পরিদর্শন করতে। সেখানে দেখা যায় ১৪৪ ধারার কথা জানিয়ে ভাস্কর এবং অনুগামীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কার্যত পুলিশ জোর করে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় বলে অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Halisahar: ক্ষমতার দম্ভ! জন্মাষ্টমীতে প্রকাশ্যে পর পর গুলি চালালেন তৃণমূল কাউন্সিলর

    Halisahar: ক্ষমতার দম্ভ! জন্মাষ্টমীতে প্রকাশ্যে পর পর গুলি চালালেন তৃণমূল কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মাষ্টমীর রাতে প্রকাশ্যে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হালিশহর (Halisahar) পুরসভা এলাকায়। অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলরের নাম অশোক যাদব। তিনি পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। প্রকাশ্যে এভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Halisahar)

    সোমবার ছিল জন্মাষ্টমী উৎসব। হালিশহর (Halisahar) পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানীয়দের উদ্যোগে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে স্থানীয় তৃণমূল (Trinamool Congress) বিধায়ক সুবোধ অধিকারী, স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অশোক যাদব থেকে শুরু করে দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এলাকার কয়েকশো সাধারণ মানুষও সেখানে হাজির ছিলেন। জন্মাষ্টমী উৎসবে মেতে ওঠেন এলাকার মানুষ। অনুষ্ঠান চলাকালীন আচমকা তৃণমূল কাউন্সিলর শূন্যে দু রাউন্ড গুলি চালান বলে অভিযোগ। প্রকাশ্যে এভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়।

    ‘‘আবদার রাখতেই গুলি চালিয়েছি’’

    বিরোধীদের অভিযোগ, এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল কাউন্সিলর এভাবে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছেন। যদিও তৃণমূল কাউন্সিলর অশোক যাদবের সাফাই, তিনি আবদার রাখতেই নাকি গুলি চালিয়েছেন! অশোক যাদব বলেন,  ‘‘এ বছর আমি রিভলভরের লাইসেন্স পেয়েছি। এটা কোনও বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র নয়। আমার ওয়ার্ডের দলের ছেলেরা আমাকে অনুরোধ করেন, জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ফায়ার করার জন্য। ওরা বাজি ফাটাচ্ছিল, সঙ্গে ফায়ার করার জন্য অনুরোধ করে। তার জন্য আমাকে টাকাও দিতে চেয়েছিল। আমি তাদের কাছে কোনও টাকা পয়সা নিইনি। শুধু ওয়ার্ডের ছেলেদের আবদার রাখতেই আমি পর পর দু’রাউন্ড শূন্যে ফায়ার করেছি। কোনও সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করার জন্য এ কাজ আমি করিনি। আর আমি ১২.০৫ মিনিট নাগাদ ফায়ারিং করি। তখন সেখানে খুব বেশি লোকজনও ছিল না। ফলে, ভয় দেখানোর কোনও প্রশ্নই নেই।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আসলে ওই তৃণমূল নেতার কাছে রিভলভর রয়েছে তা সকলকে জানাতে হবে। তাই, এভাবে তিনি প্রকাশ্যে গুলি চালালেন। এই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’’ অন্যদিকে, হালিশহর (Halisahar) পুরসভার চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘‘আমি প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ভিডিও দেখেছি। কেন তিনি এভাবে গুলি চালালেন তা জানি না। বিষয়টি নিয়ে আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলব। তাছাড়া প্রশাসন বিষয়টি দেখছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: ‘‘প্রশাসন পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করেছে’’, কন্টেনারকাণ্ডে তোপ শুভেন্দুর

    Nabanna Abhijan: ‘‘প্রশাসন পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করেছে’’, কন্টেনারকাণ্ডে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘটনা একটা। তাকে কেন্দ্র করেই যাবতীয় আন্দোলন। আরজি করকাণ্ডের ওই ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত সেই আন্দোলন রুখতে গিয়েই রেকর্ড গড়ে ফেলল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ (Kolkata Police)। তার আগে অবশ্য নিজেই রেকর্ড গড়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মমতা স্বয়ং। চিকিৎসক খুনে দোষীর বিচার চেয়ে পথে নেমেছিলেন তিনি! এটা যদি এক নম্বর রেকর্ড হয়, তাহলে দু’নম্বর রেকর্ডটা শুনলে হাসবেন না কাঁদবেন, তা বুঝতে পারবেন না।

    কন্টেনার যখন পুলিশের ঢাল (Nabanna Abhijan)

    মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। সেই অভিযান উপলক্ষে ব্যাপক জমায়েত হয় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। আন্দোলনকারীরা যাতে নবান্নে পৌঁছতে না পারেন, তাই ব্যারিকেড হিসেবে পুলিশ ব্যবহার করল কন্টেনার (Nabanna Abhijan)। যে কন্টেনারে করে পণ্য পরিবহণ করা হয়, ক্রেনে করে সেই কন্টেনারটাই টেনে এনে ফেলা হল রাস্তায়। আন্দোলনকারীরা যাতে সুউচ্চ কন্টেনার টপকে নবান্নে ঢুকে পড়তে না পারেন, তাই এই ব্যবস্থা। লোহার গার্ড রেলের পাশাপাশি এই কন্টেনারকে ঢাল করে পুলিশের আন্দোলন রোখার এই চেষ্টা রাজ্যে প্রথম। যেহেতু দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে ওঠার রাস্তাগুলি দিয়ে নবান্নে আসা সহজ, তাই দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে ওঠার রাস্তাগুলি বন্ধ করতেই যাবতীয় উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। কলকাতা পুলিশের এহেন উদ্যোগে হাসির ছররা রাজ্যে।

    আরও পড়ুন: ‘‘আদালতে দেখা হবে…’’, ধৃত ৪ ছাত্রকে আইনি সহায়তার আশ্বাস, পুলিশকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    গার্ডরেল দিয়ে ব্যারিকেড

    এদিন হেস্টিংসের মোড়ে গিয়ে দেখা গেল, লোহার গার্ডরেল ও ওয়াল দিয়ে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর দিকে যাওয়ার রাস্তাগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখানেই দেখা গেল, ক্রেন নিয়ে বড় বড় কন্টেনার রাস্তার ওপর রেখে দিয়েছে পুলিশ। আন্দোলনকারীরা যাতে নবান্নে পৌঁছতে না পারে, তাই প্রথমে গার্ডরেল দিয়ে ব্যারিকেড করা হয়েছে। তার আগে বসানো হয়েছে কন্টেনার। কন্টেনার রাখা হয়েছে কলেজ স্ট্রিট এবং এজেসি বোস রোডেও। হেস্টিংসে আবার ব্যারিকেডে লাগানো হয়েছে গ্রিজ। হাওড়া ব্রিজের দু’দিকেই রাখা হয়েছে গাছের গুঁড়ি এবং অ্যালুমিনিয়ামের ব্যারিকেড। সাঁতরাগাছিতে ১০ ফুটেরও বেশি উঁচু গার্ডওয়াল রাখা হয়েছে।

    জানা গিয়েছে, গার্ডরেলের ব্যারিকেড বড্ড পলকা। তাই অতীতে নবান্ন অভিযানের সময় রাস্তায় গর্ত খুঁড়ে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে মজবুত ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। তবে সিংহভাগ ক্ষেত্রেই ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে গিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাই এবার আর গার্ডরেলের ওপর ভরসা করেনি পুলিশ (Kolkata Police), সাহায্য নিয়েছে পণ্যবাহী কন্টেনারের (Nabanna Abhijan)।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘তিনজন ছাত্রের সাংবাদিক বৈঠক আর কয়েকজন ইউটিউবারের ডাকের কাছে প্রশাসন পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করেছে। প্রতিবাদীদের আটকাতে গার্ডেনরিচ থেকে কন্টেনার রাস্তায় বসানো হয়েছে, যা নজিরবিহীন। অরাজনৈতিক একটা কর্মসূচি ঠেকাতে কয়েক কোটি টাকা খরচ করেছে সরকার।’’ বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ তথা ন্যাশনাল এগজিকিউটিভ মেম্বার স্বপন দাশগুপ্ত এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘কলকাতার রাস্তায় পুলিশ কেন কন্টেনার রাখছে? পুলিশ কি ভাবছে বিক্ষোভকারীরা ট্যাঙ্ক নিয়ে নবান্নে হামলা করবেন?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ED: আরও চাপে সন্দীপ! আরজি করের দুর্নীতির তদন্তে কোমর বেঁধে নামছে ইডি?

    ED: আরও চাপে সন্দীপ! আরজি করের দুর্নীতির তদন্তে কোমর বেঁধে নামছে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে চিকিৎসক পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় প্রথম থেকেই এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের স্ক্যানারে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। টানা ১১ দিন সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছে সন্দীপকে। এমনকী সিবিআই তাঁর বাড়িতে পর্যন্ত তল্লাশি চালায়। বাড়ি থেকে সবুজ কাপড়ে ভরে নথিও নিয়ে আসে তারা। এবার আরও চাপে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক তছরূপের অভিযোগের তদন্তে নামতে চলেছে ইডি (ED)। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে জমা পড়া অভিযোগের নথিপত্র সংগ্রহ করে দিল্লি পাঠিয়ে দিয়েছেন কলকাতার ইডির আধিকারিকরা। দিল্লি থেকে সবুজ সংকেত এলেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    দুর্নীতির তদন্তে ইডি! (ED)

    সিবিআই-এর পর এবার আরজি কর দুর্নীতিতে (RG Kar Scam) মামলা রুজু করল ইডি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে ইসিআইআর (এনফোর্সমেন্ট কেস ইনফরমেশন রিপোর্ট) দায়ের করা হয়েছে। এই ইসিআইআর হল, কোনও মামলায় অভিযোগ দায়ের করে ইডির (ED) নিজেরই সেই তদন্তের পথে পা বাড়ানো। বলা হয়, পিএমএলএ অ্যাক্টে (প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট) ব্যবস্থা গ্রহণের আগে সাধারণত ইডি এই ইসিআইআর দায়ের করে। সিবিআইয়ের এফআইআর-এর ভিত্তিতেই এই ইসিআইআর দায়ের করেছে তারা। অভিযুক্ত হিসেবে প্রথম নামই সন্দীপ ঘোষের। কিছুদিন আগেই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতি-সহ বিভিন্ন দুর্নীতির মামলায় ইডির তদন্ত চেয়ে মামলার আবেদন করেন আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার (নন মেডিক্যাল) আখতার আলি। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের এজলাসে আর্জি জানান তিনি। মামলা দায়ের করার অনুমতিও দেয় কোর্ট। অন্যদিকে, আরজি করে চিকিৎসক পড়ুয়ার ধর্ষণ-খুনের মামলার পাশাপাশি এই আখতার আলিরই দায়ের করা দুর্নীতির মামলারও তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে দু’টি মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। তাই, এবার আর্থিক দুর্নীতির মামলার তদন্তভার ইডির হাতে যে কোনও সময়ই যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    নথি সংগ্রহ করেছে ইডি

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত শুরু করতে সোমবার সিবিআইয়ের কাছে থেকে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করেছেন আধিকারিকরা। টালা থানায় গিয়ে আরজি কর মেডিক্যালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার এফআইআর-এর কপি সংগ্রহ করেছেন তাঁরা (ED)। সমস্ত নথি পাঠানো হয়েছে দিল্লির প্রবর্তন ভবনে। সেখানকার কর্তারা নির্দেশ দিলে কলকাতায় সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ইসিআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করবেন আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, শুক্রবার সিবিআইকে আরজি কর মেডিক্যালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তভার দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি একাধিক গুরুতর অভিযোগ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে মেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, মানবদেহ পাচার, ছাত্রদের কাছ থেকে টাকা আদায় ও ঘনিষ্ঠদের স্টল বিলির অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: হাতে জাতীয় পতাকা, জলকামান-টিয়ার গ্যাস উপেক্ষা করেই নবান্নর পথে প্রতিবাদীরা

    Nabanna Abhijan: হাতে জাতীয় পতাকা, জলকামান-টিয়ার গ্যাস উপেক্ষা করেই নবান্নর পথে প্রতিবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) ডাক দিয়েছিল ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্রসমাজ’, যাকে ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল শহর কলকাতা ও হাওড়ার বেশকিছু এলাকা। ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার বাঁধে হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় (Protest March)। এদিকে নবান্নে যাওয়ার সমস্ত রাস্তা বিশাল ব্যারিকেড করে বন্ধ করে দেয় পুলিশ। অভিযান আটকাতে সাঁতরাগাছি, হাওড়া ময়দান, ফরশোর রোড, লক্ষ্মীনারায়ণতলা এবং মন্দিরতলায় বড় ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। এর পর বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেডের কাছে পৌঁছলে তাদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ও জল কামান ছোড়ে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান দিয়ে ছত্রভঙ্গ করার পর আন্দোলনকারীদের ধরপাকড়ও শুরু করে পুলিশ। তার মধ্যে স্লোগান ওঠে, ‘দফা এক দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। 

    আন্দোলনকারীদের নির্বিচারে লাঠি চার্জ (Nabanna Abhijan) 

    নবান্ন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় হাওড়ায়। জল কামান, কাঁদানে গ্যাসের শেল উপেক্ষা করে নবান্নর দিকে এগিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। নিজেদের দাবিতে অনড় ছিলেন প্রতিবাদীরা (Protest March)। তাঁদের দাবি— মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ বলে স্লোগান দিতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। কারও হাতে প্ল্যাকার্ড, লেখা ‘মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। আবার ব্যানারে লেখা রয়েছে ‘উই ওয়াণ্ট জাস্টিস’। বৃহৎ মিছিল নিয়ে একাধিক জায়গা থেকে নবান্নের (Nabanna Abhijan) দিকে আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার জন্য সুবিচার চেয়ে এগিয়ে চলেন। অপর দিকে পুলিশ জল কামান, কাঁদানে গ্যাসের শেল উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা নিজেদের দাবিতে অনড়। সাঁতরাগাছিতে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেছেন আন্দোলনকারীরা (Protest March)। অপর দিকে হাওড়ায় আন্দোলনকারীদের নির্বিচারে লাঠি চার্জ করলে পাল্টা জন সাধারণের সঙ্গে তুমুল ধুন্ধুমার বাঁধে। ইতিমধ্যে অনেক পড়ুয়া এবং সাধারণ মানুষ লাঠির আঘাত এবং কাঁদানে গ্যাসের কারণে আহত হয়েছেন। অপর দিকে এক পুলিশ কর্তার মাথা ফেটে রক্তাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। একই ভাবে কলেজ স্ট্রীট থেকে ছাত্র সমাজের আরও একটি মিছিল নবান্নের দিকে ক্রমেই এগিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ মিছিল আটকাতে রাস্তায় অত্যন্ত মরিয়া হয়ে উঠেছে।

    নবান্নর সামনে চলে এলেন প্রতিবাদীরা

    একদিকে, যখন আন্দোলনকারীদের (Protest March) ঠেকাতে মরিয়া মমতার পুলিশ, ঠিক সেই সময় নবান্নর একেবারে সামনে চলে আসেন প্রতিবাদীরা। নবান্ন (Nabanna Abhijan) থেকে ১০ মিটার দূরে হঠাৎই আন্দোলনকারীরা চলে আসেন। আন্দোলনকারীরা হঠাৎই চলে আসেন নর্থ গেটের থেকে ১০ মিটার দূরে। নবান্নের সামনে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা সত্ত্বেও চলে আসেন আন্দোলনকারীরা। ব্যারিকেডের সামনেই বসে পড়েন তাঁরা (Protest March)। বসে স্লোগান দিতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। জাতীয় পতাকা হাতে চিৎকার করতে শুরু করেন। বলতে থাকেন ‘দাবি এক, দফা এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। খানিকক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেন তাঁরা। পরে পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয়।

    সাঁতরাগাছিতে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা (Protest March)

    সাঁতরাগাছিতে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। একের পর এক ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে উপড়ে ফেলেন। আন্দোলনকারীরা (Nabanna Abhijan) মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগের দাবি করলে, পুলিশের সঙ্গে ছাত্র সমাজের ব্যাপক বাদানুবাদ বাঁধে। ব্যারিকেড তুলে ফেলতেই আন্দোলনকে দমন করতে একযোগে পুলিশ এবং র‌্যাফ নামে ঘটনাস্থলে। এরপর জল কামান থেকে শুর হয় জল বর্ষণ। পুলিশ সামনে এগিয়ে যেতেই আন্দোলনকারীরা কিছু সময়ের জন্য পিছিয়ে যান। এরপর আবার আন্দোলনকারীরা সামনে এগিয়ে যান।

    হাওড়ায় জল কামান বর্ষণ

    অপরদিকে হাওড়া ব্রিজের উপর আরও একটি দল নবান্নের দিকে যেতে ব্যারিকেডকে সরিয়ে ক্রমেই এগিয়ে যেতে থাকে। কিন্তু পাল্টা পুলিশ বিশাল এই মিছিলের (Nabanna Abhijan) লোকজনকে আটকাতে অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে। আচমকা পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। একই ভাবে ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল। এরপর উত্তেজিত জনতার রোষ সামলাতে জলকামান থেকে শুরু করা হয় জলবর্ষণ। এখানে অনেক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে সবকিছুকে অতিক্রম করে মানুষ আন্দোলনে এখনও অনড় হয়ে ছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘আদালতে দেখা হবে…’’, ধৃত ৪ ছাত্রকে আইনি সহায়তার আশ্বাস, পুলিশকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    কলেজ স্ট্রীটের মিছিলে (Protest March) স্কুল পড়ুয়ারা

    আন্দোলন (Nabanna Abhijan) আটকাতে পুলিশ ব্যারিকেডের উপর মোবিল এবং গ্রিজ লাগিয়ে দিয়েছিল পুলিশ। একই ভাবে রাস্তা আটকাতে শহরের একাধিক জায়গায় ক্রেনের মাধ্যমে বড় বড় কন্টেনার নামিয়ে দেয় পুলিশ। কলজে স্ট্রিট এবং এজসি বোস রোডে রাস্তার উপর কন্টেনার নামানো হয়। এগুলির সামনে বেশ কিছু ক্রেন রাখা ছিল। এদিকে কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ‘নবান্ন চলো’ ব্যানার লিখে একটি বড় মিছিল যাত্রা শুরু করে। এই মিছিলে স্কুল পড়ুয়ারাও যোগদান ছিলেন। এদিকে এই আন্দোলনকে সমর্থন করে কল্যাণীর বিজেপি নেতা অম্বিকা রায় যোগ দেন। একই সঙ্গে মিছিলে (Protest March) দেখা গিয়েছে বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংকে। মানুষের একটাই দাবি, ‘নির্মম মমতার পদত্যাগ’। 

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 115: “একঘটি জলে আমার তৃষ্ণার শান্তি হতে পারে; পৃথিবীতে কত জল আছে, সে খবরে প্রয়োজন নাই”

    Ramakrishna 115: “একঘটি জলে আমার তৃষ্ণার শান্তি হতে পারে; পৃথিবীতে কত জল আছে, সে খবরে প্রয়োজন নাই”

    সার্কাস রঙ্গালয়েগৃহস্থের ও অন্যান্য কর্মীদের কঠিন সমস্যা ও শ্রীরামকৃষ্ণ

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    শ্রীযুক্ত মনোমোহন ও শ্রীযুক্ত সুরেন্দ্রের বাটিতে শ্রীরামকৃষ্ণ

    পরের পরিবারে (১৯ শে নভেম্বর ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দ) জগদ্ধাত্রীপূজা, সুরেন্দ্র নিমন্ত্রণ করিয়াছেন। তিনি ঘর বাহির করিতেছেন—কখন ঠাকুর (Ramakrishna) আসেন। মাস্টার দেখিয়া তিনি বলিতেছেন (Kathamrita), তুমি এসেছ, আর তিনি কোথায়? এমন সময় ঠাকুরের গাড়ি আসিয়া উপস্থিত। কাছে শ্রীযুক্ত মনোমোহনের বাড়ি, ঠাকুর প্রথমে সেখানে নামিলেন, সেখানে একটু বিশ্রাম করিয়া সুরেন্দ্রের বাড়িতে আসিবেন।

    মনোমোহনের বৈঠকখানায় ঠাকুর বলিতেছেন, যে আকিঞ্চন যে দীন তাঁর ভক্তি ঈশ্বরের প্রিয় জিনিস। খোল মাখানো জাব যেমন গরুর প্রিয়! দুর্যোধন অত টাকা অত ঐশ্বর্য দেখাতে লাগল; কিন্তু তার বাটিতে ঠাকুর গেলেন না। তিনি বিদুরের বাটি গেলেন। তিনি ভক্তবৎসল, বৎসরের পাছে যেমন গাভী ধায় সেইরূপ তিনি ভক্তের পাছে পাছে যান।

    ঠাকুর (Ramakrishna) গান গাহিতেছেনঃ

    যে ভাব লাগি পরম যোগী, যোগ করে যুগ-যুগান্তর।

    হলে ভাবের উদয় লয় সে যেমন লোহাকে চুম্বক ধরে।

    চৈতন্যদেবের কৃষ্ণনামে অশ্রু পড়ত। ঈশ্বরই বস্তু, আর সব অবস্তু। মানুষ মনে করলে ঈশ্বরলাভ করতে পারে। কিন্তু কামিনী-কাঞ্চন ভোগ করতেও মত্ত। মাথায় মাণিক রয়েছে তবু সাপ ব্যাঙ খেয়ে মরে!

    ভক্তিই সার। ঈশ্বরকে (Ramakrishna) বিচার করে কে জানতে (Kathamrita) পারবে। আমার দরকার ভক্তি। তাঁর অনন্ত ঐশ্বর্য অত জানবার কি দরকার? এক বোতল মদে যদি মাতাল হই শুড়ির দোকানে কত মন মদ আছে, সে খবরে আমার কি দরকার? একঘটি জলে আমার তৃষ্ণার শান্তি হতে পারে; পৃথিবীতে কত জল আছে, সে খবরে আমার প্রয়োজন নাই।

     

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় জোর দিয়েছি”, বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেনকে বলেন মোদি

    PM Modi: “হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় জোর দিয়েছি”, বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেনকে বলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরে জোর দিয়েছি।” মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে আলোচনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) নিয়েও আলোচনা করেছি এবং দ্রুত স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি।” এর পরেই তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরে।”

    মোদির শিরঃপীড়ার কারণ হিন্দু নিপীড়ন (PM Modi)

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে হিংসার আগুন জ্বলছে বাংলাদেশে। বেছে বেছে আক্রমণ করা হচ্ছে হিন্দুদের। ঘরবাড়ি জ্বালানোর পাশাপাশি করা হয় খুন। হিন্দু মহিলাদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছে। জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয় হিন্দু পদাধিকারিদের। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর হিংসা ওঠে চরমে। পড়শি দেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিরঃপীড়ার কারণ, তার আঁচ মিলেছিল ১৫ অগাস্ট, ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে। এদিন দিল্লির লালকেল্লায় দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “১৪০ কোটি ভারতীয় হিন্দু বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। ভারত সর্বদাই বাংলাদেশের শুভাকাঙ্খী। ভারত বাংলাদেশের অগ্রগতি চায়। আমরা আশা রাখি, বাংলাদেশের পরিস্থিতি শীঘ্রই স্বাভাবিক হবে। ভারতীয়রা চায়, বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সমস্ত সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হোক।”

    আরও পড়ুন: ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনকে মুক্ত করল বাংলাদেশ সরকার

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    বাইডেনকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত সব সময় শান্তি বজায় রাখার পক্ষে। আমেরিকা ও ভারত দুই দেশই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।” ইউক্রেন ইস্যুতেও কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ইউক্রেনের পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে আমাদের বিশদ মত বিনিময় হয়েছে।” প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই ইউক্রেন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি বৈঠক করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে। বর্তমান (Bangladesh Crisis) যুগে যুদ্ধে যে কোনও সুফল মেলে না, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share