Tag: Bengali news

Bengali news

  • Tribal Welfare Schemes: আদিবাসী উন্নয়নে জোর কেন্দ্রের, ৭৯ হাজার ১৫৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

    Tribal Welfare Schemes: আদিবাসী উন্নয়নে জোর কেন্দ্রের, ৭৯ হাজার ১৫৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসীদের সার্বিক উন্নয়নের (Tribal Welfare Schemes) ওপর জোর দিল মোদি সরকার। আর এই লক্ষ্যকে ফলপ্রসূ করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জনজাতীয় উন্নত গ্রাম অভিযানে ৭৯,১৫৬ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় মন্ত্রক থেকে অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ রয়েছে ৫৬,৩৩৩ কোটি টাকা। আর রাজ্যগুলির বরাদ্দের পরিমাণ ২২,৮২৩ কোটি টাকা। এই অর্থ দেশের উপজাতি সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতির জন্য ব্যয় করা হবে বলে কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ৫ কোটি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উপকৃত হবেন (Tribal Welfare Schemes)

    উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রকের দেওয়া প্রেস বিবৃতি থেকে জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের ফলে দেশের ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত এলাকার ৫৪৯টি জেলা এবং ২৭৪০টি ব্লককে কভার করা হবে। মূলত, ৬৩ হাজার গ্রামের ৫ কোটিরও বেশি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উপকৃত হবেন। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, দেশে তফশিলি উপজাতির জনসংখ্যা ১০.৪৫ কোটি। সারা দেশে ৭০৫টিরও বেশি উপজাতি সম্প্রদায় রয়েছে, যারা প্রত্যন্ত এবং দুর্গম এলাকায় বসবাস করে। প্রধানমন্ত্রী জনজাতীয় উন্নত গ্রাম অভিযানে (PMJUGA) ভারত সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সামাজিক পরিকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবিকার ক্ষেত্রে যে সব ঘাটতি রয়েছে, সেগুলি পূরণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘সনাতন ধর্মের উত্থানের সময় এসেছে’’, বললেন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত

    কী কী উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে?

    প্রধানমন্ত্রী জনজাতীয় উন্নত গ্রাম অভিযানের মাধ্যমে উপজাতি (Tribal Welfare Schemes) পরিবারগুলিকে পাকা ঘর, বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এই সব গ্রামে রাস্তাঘাট, মোবাইল সংযোগ ও ইন্টারনেট সুবিধাও উন্নত করা হবে। অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য উপজাতিদের স্বনির্ভরতা বাড়াতে, দক্ষতা উন্নয়ন, স্ব-কর্মসংস্থানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। আর শিক্ষার প্রসার ঘটাতে ১০০০টি নতুন হস্টেল তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের জন্য মোবাইল মেডিক্যাল ইউনিট এবং উন্নত টিকাদান কর্মসূচিরর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। স্থায়ী জীবিকার জন্য পর্যটন অঞ্চলে হোমস্টে চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তার জন্য প্রচারও করা হবে। আর ফরেস্ট রাইট অ্যাক্ট অনুযায়ী, পাট্টা প্রাপকদের কৃষি ও বনাঞ্চলে জীবিকার সুযোগ দিয়ে সহায়তা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: সুপ্রিম-ধাক্কা খেল এয়ারটেল-ভোডাফোন, কেন্দ্রকে দিতে হবে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা

    Supreme Court: সুপ্রিম-ধাক্কা খেল এয়ারটেল-ভোডাফোন, কেন্দ্রকে দিতে হবে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) বড়সড় ধাক্কা খেল দেশের ২ বৃহত্তম বেসরকারি টেলিকম সংস্থা। বিরাট অঙ্কের টাকা জরিমানার মুখে পড়ল এয়ারটেল ও ভোডাফোনের (Airtel-Vodafone) মতো সংস্থাগুলি। বুধবার এই টেলিকম সংস্থাগুলির অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভেনিউ (এজিআর) বা সামঞ্জস্যপূর্ণ মোট রাজস্ব পুনরায় গণনার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দেশের  শীর্ষ আদালত।

    সংস্থাগুলি কি আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়বে (Supreme Court)?

    ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে ভারতীয় এয়ারটেল, ভোডাফোন ইন্ডিয়া সহ একাধিক সংস্থাকে দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court) নির্দেশ দিয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে ৯২ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে। আবার ২০২০ সালে নির্দেশ দেওয়া হয়, অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভেনিউ বা এজিআর যদি ১০ বছর বা তার বেশি সময় বকেয়া থাকে তাহলে প্রতি বছর ৩১ মার্চের পর সেই অর্থের পরিমাণের উপরে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে। এই নির্দেশের বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছিল টেলিকম সংস্থাগুলি। সেইসময় তাঁদের দাবি ছিল, লাইসেন্স ফি ও স্প্রেকট্রাম চার্জের হিসেব করা হয়েছিল, তাতে একটা বড় ভুল করেছে টেলিকমিউনিকেশন দফতর। এই বিপুল অর্থ দিতে হলে সংস্থাগুলিকে আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়তে হবে। 

    কত টাকা দেওয়ার নির্দেশ?

    প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, টেলিকম মন্ত্রক এয়ারটেল-ভোডাফোন (Airtel-Vodafone) সহ একাধিক টেলিকম সংস্থাকে মোট ১ লক্ষ কোটি টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। এর মধ্যে এয়ারটেলের বকেয়া অর্থের পরিমাণ ৪৩,৯৮০ কোটি টাকা এবং ভোডাফোনের বকেয়া ছিল প্রায় ৫৮ হাজার ২৫৪ টাকা। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্টে এয়ারটেল তাদের আবেদনে দাবি করে, তাদের বকেয়া অর্থের পরিমাণ ১৩ হাজার কোটি টাকা। একই ভাবে ভোডাফোন দাবি করেছিল, ২১ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা। এমনকী, আদালত (Supreme Court) এই বিপুল পরিমাণের টাকা টেলিকম সংস্থাকে জরিমানা স্বরূপ চাপিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছিল সংস্থাগুলির তরফে। কিন্তু, টেলিকম সংস্থাগুলির সেই আবেদন খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত।

    আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের অনুরোধ ফেরাল ভারত, মার্কিন মুলুকে হচ্ছে না মোদি-ইউনূস বৈঠক

    অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভেনিউ কী?

    অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভেনিউ হল, টেলিকম সংস্থা ও সরকারের মধ্যে রাজস্বের হিসেব। লাইসেন্স দেওয়া ও স্প্রেকট্রাম ব্যবাহার জন্য সরকারকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয়। টেলিকম মন্ত্রক সরকারের এই শেয়ারের হিসেব করে। টেলিকম সংস্থাগুলিতে ৩ মাসের মধ্যে ৯২ হাজার কোটি টাকা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অনেক দিন ধরে এজিআর-র হিসেব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। যদিও ২০১৯ সালে এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) রায় দিয়েছিল সরকারের পক্ষেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati Laddoo: পশুর চর্বি দিয়ে তৈরি লাড্ডু নিবেদন তিরুপতি মন্দিরে! উত্তাল অন্ধ্রের রাজনীতি

    Tirupati Laddoo: পশুর চর্বি দিয়ে তৈরি লাড্ডু নিবেদন তিরুপতি মন্দিরে! উত্তাল অন্ধ্রের রাজনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘিয়ের বদলে লাড্ডুতে মেশানো হতো পশুর চর্বি। সেই লাড্ডুই উৎসর্গ করা হতো দেবতাকে। এমনই অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরগরম অন্ধ্রপ্রদেশের রাজনীতি। তেলুগু দেশম পার্টি সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর (Chandrababu Naidu) অভিযোগ, তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডু (Tirupati Laddoo) প্রসাদে মেশানো হতো পশুর চর্বি। ব্যবহার করা হতো নিম্নমানের উপাদান। এসবই হতো পূর্বতন জগনমোহন রেড্ডির নেতৃত্বাধীন ওয়াইএসআর কংগ্রেস সরকারের আমলে।

    লাড্ডুতে পশুর চর্বি!

    তিরুমালা মন্দিরের অধীশ্বর শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর। তাঁর প্রসাদমের তালিকায় রয়েছে লাড্ডুও। এই লাড্ডু তৈরি হয় খাঁটি ঘি দিয়ে। অভিযোগ, ওয়াইএসআর কংগ্রেস জমানায় এই লাড্ডুই তৈরি হয়েছিল ঘিয়ের বদলে পশুর চর্বি দিয়ে। লাড্ডু তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছিল নিম্নমানের উপকরণ। প্রতিদিন তিরুপতি মন্দির দর্শনে আসেন লাখ লাখ পুণ্যার্থী। প্রসাদ হিসেবে তাঁরাই নিয়ে যান লাড্ডু। সেই লাড্ডুতেই পশুর চর্বি ব্যবহার করা হতো জেনে, ব্যাপক শোরগোল পড়ছে অন্ধ্র-রাজনীতিতে।

    ‘গুণমান উন্নত হয়েছে’

    মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, “ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সময় তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডুতে ঘিয়ের পরিবর্তে পশুর চর্বি ব্যবহার করা হয়েছিল। এখন খাঁটি ঘি ব্যবহার করা হচ্ছে। নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে মন্দির। যার জেরে এখন গুণমান উন্নত হয়েছে।” ভগবানের প্রসাদে (Tirupati Laddoo) ঘিয়ের পরিবর্তে পশুর চর্বি ব্যবহার করা হয়েছে শুনে কার্যত আকাশ থেকে পড়েছেন চন্দ্রবাবু সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী নারা লোকেশও। তিনি বলেন, “তিরুমালার ভগবান ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দির আমাদের সব চেয়ে পবিত্র স্থান। ওয়াইএস জগন মোহন রেড্ডি প্রশাসনের সময় এই পবিত্র প্রসাদমে ঘিয়ের পরিবর্তে পশুর চর্বি ব্যবহারের খবর শুনে আমি হতবাক।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশের অনুরোধ ফেরাল ভারত, মার্কিন মুলুকে হচ্ছে না মোদি-ইউনূস বৈঠক

    তিরুপতি শহরের ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরের প্রসাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় শ্রীভরি লাড্ডু। প্রস্তুত হয় মন্দিরেরই হেঁসেলে। দেবতাকে নিবেদনের পর প্রসাদী লাড্ডু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ভক্তদের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন তিরুপতি মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম কর্তৃপক্ষ। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের। সেই অনুষ্ঠানেও বিশেষ প্রসাদ হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডু। চন্দ্রবাবু নাইডুর (Chandrababu Naidu) তোলা অভিযোগের প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেস। দলের তরফে সাংসদ সুব্বা রেড্ডি বলেন, “চন্দ্রবাবু নোংরা রাজনীতি করছেন (Tirupati Laddoo)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Flood in Bengal: বন্যায় টিকার আকাল! রোগীকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে ছুটতে হচ্ছে অন্য হাসপাতালে

    Flood in Bengal: বন্যায় টিকার আকাল! রোগীকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে ছুটতে হচ্ছে অন্য হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টিতে জেরবার রাজ্যবাসী। একাধিক জায়গায় জমা জলে (Flood in Bengal) ভোগান্তি বাড়ছে‌। হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুর সহ রাজ্যের বহু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। আর তার মধ্যেই রেবিস ভ্যাকসিন, অ্যান্টি ভেনম টিকার আকাল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই পরিস্থিতি স্বাস্থ্য পরিষেবায় যথেষ্ট সমস্যা তৈরি করতে পারে বলেও আশঙ্কা চিকিৎসকদের একাংশের।

    কোন ভ্যাকসিনের চাহিদা বাড়ছে? কেন বাড়ছে? (Flood in Bengal)

    রাজ্যের একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতির ফলে অধিকাংশ জায়গায় জল জমছে। এই পরিস্থিতিতে সাপের উপদ্রব বাড়ে। আবার ইঁদুর, ছুঁচোর উপদ্রবও বাড়ে। বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় সাপে কামড়ানো, ইঁদুর কিংবা ছুঁচোয় কামড়ানোর মতো ঘটনা বাড়তে থাকে। আবার এর সঙ্গে কুকুর কামড়ানোর মতো ঘটনাও ঘটে। যেহেতু খাবার এবং জলের চাহিদা বাড়ে, মানুষের মতো অন্যান্য প্রাণীরাও অস্থির হয়ে থাকে। তাদের বাসস্থানের সমস্যা হয়। আর জমা জলের জেরে অনেক সময়েই ঘরের ভিতরেও সাপ ঢুকে আসে। শিশু থেকে প্রবীণ, সকলের বিপদ বাড়ে। তাই এই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রেবিস এবং অ্যান্টি ভেনম টিকার প্রয়োজনীয়তা বেশি। এই সময়ে জেলাস্তরের হাসপাতালে এই ধরনের টিকার চাহিদা বাড়ে। বিশেষত পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, মালদা সহ একাধিক জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চলতি সপ্তাহে এই টিকার চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই টিকাগুলির জোগান‌ বাড়েনি। তাই অনেক সময়েই ভোগান্তি বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, টিকার জোগান না বাড়ালে পরিস্থিতি বিপজ্জনক (Vaccination problem) হয়ে উঠতে পারে। 

    কেন আশঙ্কিত চিকিৎসক মহল? 

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদা, মুর্শিদাবাদ কিংবা পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলার একাধিক প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাপে কামড়ানো এবং ইদুরে কামড়ানোর মতো ঘটনা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। কিন্তু বন্যাবিধ্বস্ত (Flood in Bengal) পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়ার একাধিক জায়গায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রেবিস কিংবা অ্যান্টি ভেনম টিকা নেই। ফলে রোগীকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ছুটতে হচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে রোগীর ভোগান্তি আরও বাড়ছে। এমনকী প্রাণহানির আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, মহকুমা কিংবা জেলা হাসপাতালেও পর্যাপ্ত টিকা নেই। তাই একাধিক হাসপাতালে রোগীকে ঘুরতে হচ্ছে। পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে বলেই আশঙ্কা করছে চিকিৎসক মহল! তাঁরা জানাচ্ছেন, কুকুর, ইঁদুর কামড়ানোর পরে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে রেবিস ভ্যাকসিন না দিলে প্রাণ সংশয় তৈরি হয়। পাশপাশি সাপে কামড়ানো ব্যক্তির মৃত্যু রুখতে পারে একমাত্র অ্যান্টি ভেনম টিকা। তাই যত দ্রুত এই টিকা দেওয়া হবে, রোগীর প্রাণ সংশয় তৈরি হবে না। তাই এই টিকা প্রত্যেক হাসপাতালে এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পর্যাপ্ত থাকা জরুরি। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ছুটতে ছুটতে সময় পেরিয়ে গেলে মর্মান্তিক পরিণতি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে চিকিৎসকদের একাংশ। 

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? (Flood in Bengal) 

    প্রত্যেক বছরে হুগলি, হাওড়া কিংবা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই ধরনের সমস্যা সম্পর্কে স্বাস্থ্য প্রশাসনের ওয়াকিবহাল থাকা উচিত বলেই মনে করছে চিকিৎসকদের একাংশ। কিন্তু তার পরেও কেন এই সব টিকার আকাল (Vaccination problem)? এই প্রশ্নের অবশ্য কোনও উত্তর দিতে চাননি স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা। এক স্বাস্থ্যকর্তা বলেন, “সব সময় যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রত্যেক জেলার হাসপাতালে যাতে ঠিকমতো জীবনদায়ী ওষুধ ও ভ্যাকসিন পৌঁছতে পারে, সে দিকে নজর রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বাংলাদেশের অনুরোধ ফেরাল ভারত, মার্কিন মুলুকে হচ্ছে না মোদি-ইউনূস বৈঠক

    PM Modi: বাংলাদেশের অনুরোধ ফেরাল ভারত, মার্কিন মুলুকে হচ্ছে না মোদি-ইউনূস বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মঞ্চ। দেখাও হবে দুজনের। তবে কথা হবে না। কারণ বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন এবং ইউনূসের সাম্প্রতিক ভারত-বিরোধী অবস্থান। যা ভালো চোখে নেয়নি নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, সেই কারণেই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের (Muhammad Yunus) সঙ্গে পার্শ্ব বৈঠকে যোগ দেবেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। 

    নিউ ইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    ঘটনাটি তাহলে খুলেই বলা যাক। রাষ্ট্রসঙ্ঘের (United Nations) সভায় যোগ দিতে আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)। সেখানে উপস্থিত থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা। বক্তাদের তালিকার ৩৫ নম্বরে নাম রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। এই সভায় যোগ দিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। তবে ইউনূসের সঙ্গে কোনও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দেবেন না তিনি। সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে এ খবর।

    ‘কোয়াড’-এর শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেবেন মোদি

    জানা গিয়েছে, ২১ সেপ্টেম্বর তিন দিনের আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিশেষ সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি ভারত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে নিয়ে গঠিত ‘কোয়াড’-এর শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ও অনাবাসী ভারতীয়দের সভায়ও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হচ্ছে না তাঁর।

    অথচ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে যোগ দিতে মুখিয়ে ছিলেন ইউনূস (Muhammad Yunus)। জানা গিয়েছে, এই মাসের শুরুর দিকে বাংলাদেশের তরফে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছিল, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় যোগ দেওয়ার ফাঁকে দুই রাষ্ট্রনেতা যেন পার্শ্ববৈঠকে বসেন। হাসিনা-উত্তর জমানায় দুই দেশের (PM Modi) মধ্যে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, তা প্রশমনের লক্ষ্যেই হওয়া প্রয়োজন এই পার্শ্ববৈঠক। তবে বাংলাদেশের অনুরোধ পত্রপাঠ ফিরিয়ে দিয়েছে ভারত। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউনূসের সাম্প্রতিক ভারত-বিরোধী অবস্থান এবং বাংলাদেশে চলতে থাকা হিন্দুদের ওপর আক্রমণ বন্ধে ইউনূস ব্যর্থ হওয়ায় ভারত যারপরনাই ক্ষুব্ধ। সেই কারণেই ইউনূসকে এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।

    আরও পড়ুন: আর্থিক মাপকাঠিতে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে বাংলা, বলছে কেন্দ্রের রিপোর্ট

    নয়াদিল্লির রাগের আরও কারণ রয়েছে। দিল্লির বাংলাদেশ হাই-কমিশন ও কলকাতার ডেপুটি হাই-কমিশন থেকে হাসিনার আমলের দুই কূটনীতিককে বরখাস্ত করে ভারতকে বার্তা দিয়েছেন ইউনূস (Muhammad Yunus)। হাসিনার কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রত্যাহার করেও পরিস্থিতি ঘোরালো করে তুলেছে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার। সব মিলিয়ে ইউনূসকে এড়িয়ে যাওয়াই শ্রেয় বলে মনে করছে নয়াদিল্লি। তাই মোদি-ইউনূস দেখা হলেও, হচ্ছে না পার্শ্ববৈঠক (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vineet Goyal: পুলিশ কমিশনারের পদও গেল, হাইকোর্টের অস্বস্তিও কাটল না বিনীত গোয়েলের

    Vineet Goyal: পুলিশ কমিশনারের পদও গেল, হাইকোর্টের অস্বস্তিও কাটল না বিনীত গোয়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য পদ থেকে সরানো হয়েছে বিনীত গোয়েলকে (Vineet Goyal)। জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি মেনে পুলিশ কমিশনার পদ থেকে তাঁকে সরানোর কথা ঘোষণা করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ-এর এডিজি পদে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তারপরও প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের অস্বস্তি কাটল না। আদালতে চাপের মুখে রয়েছেন তিনি। আরজি কর মেডিক্যালে নির্যাতিতার নাম প্রকাশ করে দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবিতে দায়ের হওয়া মামলা খারিজ করতে অস্বীকার করল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি নিয়ে শুনানি চলায় আপাতত এই মামলায় কোনও নির্দেশ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম।

    আদালতে মামলার শুনানিতে কী হল? (Vineet Goyal)

    গত ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যালে মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের পর তাঁর নাম প্রকাশ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের (Vineet Goyal) বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে বিনীত গোয়েলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাকারী আদালতে আবেদন করেন, পুলিশ কমিশনারের মতো উচ্চ পদে থেকেও বিনীত গোয়েল নির্যাতিতার নাম প্রকাশ করে দিয়েছেন। যা গুরুতর অপরাধ। বুধবার এই মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানে বিনীত গোয়েলের আইনজীবী মামলাটি খারিজ করে দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, যে পুলিশ আধিকারিকের কথা বলা হচ্ছে তাঁকে ইতিমধ্যে বদলি করা হয়েছে। সে কথা শুনে মামলাকারীর আইলাজীবী মহেশ জেঠমালানি বলেন, পুলিশ কমিশনার থেকে তাঁকে এডিজি করা হয়েছে। উনি তো প্রোমোশন পেয়েছেন। বরং, এই মামলাকে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হোক। এ কথা শুনে বিনীত গোয়েলের আইনজীবী বলেন, সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন। তাই হাইকোর্টে এই মামলার কোনও গুরুত্ব নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘সনাতন ধর্মের উত্থানের সময় এসেছে’’, বললেন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    প্রধান বিচারপতি জানিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই মামলা এখন খারিজ করা হচ্ছে না। শীর্ষ আদালতে শুনানির পর ফের শুনানি হবে। তাই হাইকোর্টে আপাতত অস্বস্তি কাটল না প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের (Vineet Goyal)। প্রধান বিচারপতি জানান, আপাতত এব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ করবে না আদালত। তবে মামলা খারিজ করা হবে না। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখে এ ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 138: “ভাব-ভক্তির দ্বারা তাঁর সেই অতুলনীয় রূপ দর্শন করা যায়, মা নানারূপে দর্শন দেন”

    Ramakrishna 138: “ভাব-ভক্তির দ্বারা তাঁর সেই অতুলনীয় রূপ দর্শন করা যায়, মা নানারূপে দর্শন দেন”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে শ্রীযুক্ত রাখাল, প্রাণকৃষ্ণ, কেদার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১লা জানুয়ারি

    ভাবরাজ্য ও রূপদর্শন

    ঠাকুর (Ramakrishna) সমাধিস্থ—অনেকক্ষণ ভাবাবিষ্ট হইয়া বসিয়া আছেন (Kathamrita)। দেহ নড়িতেছে না—চক্ষু স্পন্দহীন—নিঃশ্বাস পড়িতেছে কিনা—বুঝা যায় না।

    অনেকক্ষণ পরে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিলেন—যেন ইন্দ্রিয়ের রাজ্যে আবার ফিরিয়া আসিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (প্রাণকৃষ্ণের প্রতি)—তিনি শুধু নিরাকার নন, তিনি আবার সাকার। তাঁর রূপ দর্শন করা যায়। ভাব-ভক্তির দ্বারা তাঁর সেই অতুলনীয় রূপ দর্শন করা যায়। মা নানারূপে দর্শন দেন।

    গৌরাঙ্গদর্শন—রতির মা বেশে মা 

    কাল মাকে দেখলাম। গেরুয়া জামা পরা, মুড়ি সেলাই নাই। আমার সঙ্গে কথা কচ্ছেন।

    আর-একদিন মুসলমানের মেয়েরূপে আমার কাছে এসেছিলেন। মাথায় তিলক কিন্তু দিগম্বরী। ছয় সাত বছরের মেয়ে—আমার সঙ্গে সঙ্গে বেড়াতে লাগল ও ফচকিমি করতে লাগল।

    হৃদের বাড়িতে যখন ছিলাম—গৌরাঙ্গদর্শন হয়েছিল—কালোপেড়ে কাপড় পরা।

    হলধারী বলত তিনি ভাব-অভাবের অতীত। আমি মাকে গিয়ে বললাম, মা, হলধারী এ-কথা বলছে, তাহলে রূপ-টুপ কি সব মিথ্যা? মা রতির মার বেশে আমার কাছে এসে বললে, ‘তুই ভাবেই থাক।’ আমিও হলধারীকে তাই বললাম।

    এক-একবার ও-কথা ভুলে যাই বলে কষ্ট হয়। ভাবে না থেকে দাঁত ভেঙে গেল। তাই দৈববাণী বা প্রতক্ষ্য না হলে ভাবেই থাকব—ভক্তি নিয়ে থাকব। কি বল?

    প্রাণকৃষ্ণ—আজ্ঞা।

    ভক্তির অবতার কেন? রামের ইচ্ছা 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আর তোমাকেই বা কেন জিজ্ঞাসা করি। এর ভিতরে কে একটা আছে। সেই আমাকে নিয়ে এইরূপ কচ্ছে। মাঝে মাঝে দেবভাব প্রায় হত—আমি পুজো না করলে শান্ত হতুম না।

    আমি যন্ত্র, তিনি যন্ত্রী। তিনি যেমন করান, তেমনি করি। যেমন বলান, তেমনি বলি (Kathamrita)।

    প্রসাদ বলে ভবসাগরে, বসে আছি ভাসিয়ে ভেলা।
    জোয়ার এলে উজিয়ে যাব, ভাটিয়ে যাব ভাটার বেলা॥

    ঝড়ের এঁটো পাতা কখনও উড়ে ভাল জায়গায় গিয়ে পড়ল, কখন বা ঝড়ে নর্দমায় গিয়ে পড়ল—ঝড় যেদিকে লয়ে যায়।

    আরও পড়ুনঃ “তিনি লাউ কুমড়ো ফল দেন না—তিনি অমৃত ফল দেন—জ্ঞান, প্রেম, বিবেক, বৈরাগ্য”

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: আট হাতে নেই কোনও অস্ত্র, দুটি হাতেই অসুর দমন করেন দেবী কাত্যায়নী!

    Durga Puja 2024: আট হাতে নেই কোনও অস্ত্র, দুটি হাতেই অসুর দমন করেন দেবী কাত্যায়নী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার অদ্বৈত আচার্যের বংশধর বড় গোস্বামী বাড়ি শান্তিপুরের এক অন্যতম তীর্থস্থান। এই বাড়িতেই প্রায় ৩৫০ বছর ধরে চিরাচরিত নিয়ম মেনে পূজিত হয়ে আসছেন দেবী কাত্যায়নী। বর্তমানে চতুর্থতম বংশধর আদ্রিপ গোস্বামীর কথায় জানা যায় দেবী (Durga Puja 2024) আরাধনার ইতিকথা। জানা গিয়েছে, এখন থেকে ৩৫০ বছর আগে তাঁদের বাড়ির রাধারমন বিগ্রহ হঠাৎ চুরি হয়ে যায়। তার পর থেকেই প্রত্যেক সদস্য মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কীভাবে রাধারমনকে খুঁজে পাওয়া যাবে, এই চিন্তায় তখন সবার দিশাহারা অবস্থা। অবশেষে তাঁরা জানতে পারেন, ভাগবত পুরাণে রয়েছে, দেবী কাত্যায়নীর ব্রত করলে ইষ্ট দেবতাকে পাওয়া যাবে। সেই মতো বড় গোস্বামী বাড়ির গৃহবধূরা দেবী কাত্যায়নীর ব্রত করতে শুরু করেন।

    কার্তিক এবং গণেশ উল্টো দিকে (Durga Puja 2024)

    পরবর্তীতে বাড়ির জেষ্ঠা গৃহবধূ স্বপ্নাদেশ পান, তাঁদের রাধারমন নদিয়ার দিগনগরের একটি দিঘিতে পড়ে রয়েছে। তৎক্ষণাৎ বাড়ির সদস্যরা সেই স্থানে ছুটে গিয়ে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন তাঁদের বিগ্রহ দেবতা রাধারমনকে। তার পর থেকে প্রত্যেক বছরই মহা সমারোহে পূজিত হয়ে আসছেন দেবী কাত্যায়নী। যদিও দেবী আরাধনায় রয়েছে বিশেষ নিয়ম। দেবীর ৮টি হাতে কোনও অস্ত্র থাকে না, দুটি হাতে থাকে অসুর দমনে অস্ত্র। দেবীর দুই সন্তান কার্তিক এবং গণেশ থাকেন উল্টো দিকে। দেবীর ভোগ নিবেদনেও রয়েছে বিশেষ নিয়ম। বৈষ্ণব মতে পূজিত হন দেবী কাত্যায়নী। মহাভোগ তৈরি হয় বাড়ির দীক্ষিত গৃহবধূদের দিয়ে। সকালে হয় বাল্য ভোগ, সপ্তমী-অষ্টমী-নবমী-এই তিন দিন বিশেষ মহাভোগ হয় ৩৩ ব্যঞ্জনে। নবমীর দিন সকালে দেবীর কাছে সকলের মঙ্গল কামনা করা হয়, বিশেষভাবে দশমীতে (Durga Puja 2024) সারা বাড়িতে শান্তির জল ছেটানো হয়। বাড়ির প্রত্যেক সদস্য শুদ্ধ পোশাকে থাকেন।

    বিসর্জনেও বিশেষত্ব

    তবে দেবী বিসর্জনে রয়েছে বিশেষ নিয়ম। দশমীর দিন সকালে দেবী (Durga Puja 2024) বিসর্জন করে সকলে তড়িঘড়ি বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর রাধারমন অর্থাৎ বাড়ির বিগ্রহ দেবতাকে ভোগ নিবেদন করেন। জানা গিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত দেবী বিসর্জন না হয়, ততক্ষণ রাধারমনকে ভোগ নিবেদন করা হয় না। তবে ৩৫০ বছর ধরে নিষ্ঠা সহকারে দেবীর আরাধনা হয়ে আসছে শান্তিপুরের এই বড় গোস্বামী বাড়িতে। এখন থেকেই চলছে দেবীমূর্তি তৈরির কাজ। ব্যস্ত রয়েছেন অদ্বৈতাচার্যের বংশধারেরাও (Nadia)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengal Economy: আর্থিক মাপকাঠিতে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে বাংলা, বলছে কেন্দ্রের রিপোর্ট

    Bengal Economy: আর্থিক মাপকাঠিতে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে বাংলা, বলছে কেন্দ্রের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে ভালো নেই বাংলা! আর্থিক মাপকাঠিতে অন্য রাজ্যের তুলনায় ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে পশ্চিমবঙ্গ (Bengal Economy)। প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক উপদেষ্টা পরিষদের (PM-EAC Report) প্রকাশিত একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, পশ্চিম ভারত ও দক্ষিণের রাজ্যগুলি যখন অর্থনীতির দিক দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে, তখন পশ্চিমবঙ্গ ক্রমশই পিছিয়ে পড়ছে।

    অর্থনীতির বেহাল দশা (Bengal Economy) 

    বঙ্গ অর্থনীতির এই হাঁড়ির হাল কেবল তৃণমূলের জমানায়ই হয়নি। বাম আমলেরও একটা বড় সময়ে এই ‘ক্ষয়’ শুরু হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ১৯৬০-৬১ অর্থবর্ষে দেশের জিডিপিতে পশ্চিমবঙ্গের অবদান ছিল ১০ শতাংশের বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে (PM-EAC Report) দেশের জিডিপিতে পশ্চিমবঙ্গের অবদান মাত্রই ৫ শতাংশের ঘরে (Bengal Economy)। এক সময় অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় ঢের পিছিয়ে ছিল বিহার। গত দু’দশকে কিছুটা থিতু হয়েছে। পিছিয়ে ছিল আর এক পড়শি রাজ্য ওড়িশা। তারা বরাবর পিছিয়ে থাকলেও, সম্প্রতি যথেষ্ট উন্নতি করেছে। ব্যতিক্রম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ। এক সময় এগিয়ে থাকলেও, এখন ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

    কী বলছে রিপোর্ট (PM-EAC Report)?

    রিপোর্টটি তৈরি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অর্থনীতিবিদ সঞ্জীব স্যান্যাল এবং যুগ্ম অধিকর্তা আকাঙ্খা অরোরা। তাতে বলা হয়েছে, ১৯৬০-৬১ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের মাথাপিছু আয় জাতীয় গড় আয়ের চেয়ে বেশি। মাথাপিছু আয়ের এই অবস্থা ধরে রাখতে পারেনি পশ্চিমবঙ্গ (Bengal Economy)। সময় বদলেছে, বদলেছে শাসকও। তবে বদলায়নি মাথাপিছু আয়। বরং তা ক্রমেই ক্ষয়িষ্ণু (PM-EAC Report)। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের মাথা পিছু আয় কমে গিয়েছে রাজস্থান, ওড়িশার মতো পিছিয়ে পড়া রাজ্যের তুলনায়ও। ছয়ের দশকে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু এবং বিহার থেকে জিডিপি হত ৫৪ শতাংশ। শিল্পের দিক থেকে এগিয়ে ছিল মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। মহারাষ্ট্র সাফল্য ধরে রাখলেও, শিল্পে পশ্চিমবঙ্গের ভাগ ক্রমশ কমেছে। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ভারতের অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় ব্যাপক উন্নতি করেছে তামিলনাড়ু।

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে প্রথম দফা নির্বাচন নির্বিঘ্নেই, ভোট পড়ল ৫৮ শতাংশ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলার এই পিছিয়ে পড়ার (Bengal Economy) অন্যতম একটি কারণ হল রাজ্যের হা-শিল্প দশা। শিল্প না থাকায় চাকরি-বাকরিও নেই (PM-EAC Report)। ভোটব্যাঙ্ক অটুট রাখতে চলছে খয়রাতির রাজনীতি। সব মিলিয়ে অর্থনীতির জটিল আবর্তে ঘুরছে বঙ্গ অর্থনীতির চাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Covid XEC: ইউরোপ-আমেরিকায় করোনার নয়া উপরূপের হদিশ, উদ্বিগ্ন গবেষকরা

    Covid XEC: ইউরোপ-আমেরিকায় করোনার নয়া উপরূপের হদিশ, উদ্বিগ্ন গবেষকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) সম্পূর্ণভাবে যে নির্মূল হবে না, এই কথা আগেই বহু বিজ্ঞানীরা জানিয়ে ছিলেন। অতিমারির দাপট মনে হয় ফের ফিরে আসতে চলেছে। ইউরোপ (Europe-America) জুড়ে করোনার নতুন উপরূপ এক্সইসি-র (Covid XEC) খোঁজ মেলার পর ফের আতঙ্কের দানা বেঁধেছে। চলতি বছরের জুন মাসেই প্রথমবার জার্মানিতে করোনার এই নয়া রূপ এক্সইসি-র হদিশ মেলে। ক্রমে তা ব্রিটেন, আমেরিকা, ডেনমার্ক এবং অন্য দেশগুলিতে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এক্সইসি-র (Covid XEC)  করোনার ওমিক্রনের বংশধর। চরিত্রবদল করে শক্তি বাড়িয়েছে। ফলে শরৎকালেও সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম হয়ে উঠছে। শীতে প্রভাব আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গবেষকরা অনুমান করছেন, এই নয়া প্রজন্মের করোনা ভাইরাস (Coronavirus) মানুষের শরীরে বাসা বাধলে ইউরোপ এবং আমেরিকায় সংক্রমণ ব্যাপক ভাবে ঊর্ধবমুখী হবে।

    চিন-সহ বিশ্বের ২৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে

    এই নতুন প্রজাতির করোনা (Covid XEC) সংক্রমণের সম্পর্কে এখনই বিস্তৃত ভাবে না বলা গেলেও, লন্ডনের ‘জেনেটিক্স ইনস্টিটিউট অ্যাট ইউনিভার্সিটি কলেজ’-এর ডিরেক্টর ফ্র্যাঙ্কোসিস ব্যালাউক্স বলেন, ডেনমার্ক, জার্মানি, ব্রিটেন, আমেরিকা, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, নরওয়ে, ইউক্রেন, পর্তুগাল, চিন-সহ বিশ্বের ২৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার (Coronavirus)  এই প্রজাতি। গবেষকের দাবি, ওমক্রিনের দুটি প্রজাতির আরেক রূপ হল এক্সইসি। ওমিক্রনের কেএস.১.১ এবং কেপি.৩.৩ এই দুই প্রজাতির মিলমিশেই নতুন রূপ নিয়েছে (Covid XEC)। এই প্রজাতি অত্যন্ত মারাত্মক ভয়াবহরূপ। খুব দ্রুত এক শরীর থেকে অপর আরেক শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই রূপান্তরিত ভাইরাসের (Coronavirus) জন্য গোটা বিশ্বে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। তবে টিকা দিয়ে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিল বলে দাবি গবেষকদের। এখন আরেকবারও এই সংক্রমণের প্রভাব দেখা গিয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    গবেষকদের মধ্যেও উদ্বেগ

    অধ্যাপক ফ্র্যাঙ্কোসিস বলেন, “২৭টি দেশে ৫০০ জনের রক্ত এবং থুতু-লালার নমুনা পরীক্ষা করে করোনার (Coronavirus) লক্ষণ পাওয়া গিয়েছে। আক্রান্তরা অনেকেই জ্বর, গলা ব্যথা, শুকনো কাশি, গন্ধ এবং স্বাদের অভাব সহ উপসর্গ পাওয়া গিয়েছে।” উল্লেখ্য চিনে করোনা সংক্রমণ রেখাচিত্র উপরের দিকে উঠেছিল বিএফ ৭ রূপের জন্য। ভারতেও এই প্রজাতির নমুনা (Covid XEC) পাওয়া গিয়েছিল। তবে ভারতীয়দের মধ্যে মিশ্র রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রতিক্রিয়া এবং দুই বার টিকা প্রয়োগের জন্য এই ধরেনর সংক্রমণের আশঙ্কা খুব কম। একই ভাবে করোনার নতুন প্রজাতির সংক্রমণ ভারতে এখনও লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকায় সংক্রমণের প্রভাব বাড়ায় ভারতেরও চিন্তার একটা বিষয় রয়েছে। এই বিষয়ে গবেষকদের মধ্যেও উদ্বেগের ভাব স্পষ্ট হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share