Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh Crisis: প্রাণ বাঁচাতে ভারতে আওয়ামি নেতা! খুশিতে বাংলাদেশ ফিরছেন বিএনপি কর্মী

    Bangladesh Crisis: প্রাণ বাঁচাতে ভারতে আওয়ামি নেতা! খুশিতে বাংলাদেশ ফিরছেন বিএনপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন চরম আতঙ্ক নিয়ে প্রাণ বাঁচাতে নিজের জন্মভিটে ছেড়ে ভারতে চলে এসেছেন। আর অন্যজন খুশির মেজাজে ভারত থেকে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) ফিরছেন। প্রথমজন আওয়ামি লিগের নেতা মহম্মদ রুবেল ইসলাম। আর দ্বিতীয় জন বিএনপি-র সমর্থক ইশাক জমান পাটোয়ারি। হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর একই সময়ে বাংলাদেশের দু’রকম ছবি উঠে এল শিলিগুড়িতে।

    দেশ ছাড়ার অভিজ্ঞতার কথা বললেন রুবেল (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) দিনাজপুর পুরসভার বাসিন্দা মহম্মদ রুবেল ইসলাম সাত বছর ধরে হাসিনার দলের সঙ্গে যুক্ত। মঙ্গলবার তিনি শিলিগুড়িতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে চলে এসেছেন। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে তিনি ভারতে এসেছেন। সেখান থেকে আসার সময় তাঁর অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন। তিনি বলেন, “ভয়াবহ! আসার সময় রাস্তায় দেখলাম কোথাও কোথাও আগুন জ্বলছে। দোকানপাট খোলা থাকলেও লোক নেই। বেশির ভাগ দোকানেই লুট হয়েছে। কোনও মালপত্র নেই। আমার স্ত্রী এবং তিন সন্তান বাড়িতে রয়েছে। অনুমতি পেলে তাদেরও সঙ্গে করে নিয়ে আসতাম। চিন্তায় আছি। প্রধানমন্ত্রী দেশ ছাড়ার পর নাকি তারা (বাংলাদেশিরা) স্বাধীনতা পেয়েছে! আসলে যারা লুটপাট চালাচ্ছে, তাদের স্বাধীনতা হয়েছে। যারা দেশ চালাবে বলে ভাবছে, তারা দেশপ্রেমী না। সংসদ ভবন, গণভবন লুট করছে।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের থাকার অবস্থা নেই!

    রুবেল বলেন, “আওয়ামি লিগের (Awami League) নেতা-কর্মীদের বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) থাকা দুর্বিষহ হয়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আরও বেশি খারাপ হয়েছে। যেখানেই আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মী, সমর্থকদের পাচ্ছে, সেখানেই মারধর করা হচ্ছে। বাড়ি লুট করা হচ্ছে। আমি নিজের পরিবার ছেড়ে ভারতে এসে প্রাণ বাঁচালাম। আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের মেরে ফেলছে, গুম করে দিচ্ছে। যাকে যেভাবে পারছে বিএনপি আর জামাত শিবির অত্যাচার করছে। আন্দোলন শুরু হয়েছিল ছাত্রদের। কিন্তু, এখন ছাত্রদের ঘাড়ে বন্দুক রেখেছে জামাত শিবির। দেশের একের পর এক শপিং মল, সরকারি কার্যালয়ে হামলা চালাচ্ছে। আসলে জামাতরা দেশটাকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানাতে চাইছে, আফগানিস্তান বানাতে চাইছে।”

    খুশির মেজাজে বাড়ি ফিরছেন বিএনপি কর্মী

    সোমবার থেকেই ফুলবাড়ির ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তে দেশ পারাপারের ভিড় অনেকটাই থমকে গিয়েছে। গত দু’দিন আগেও দুই দেশের যে সংখ্যক মানুষের যাতায়াত ছিল, তা আর চোখে পড়ছে না। তবে, খুশির মেজাজে মঙ্গলবার ভারত থেকে বাংলাদেশ ফিরতে দেখা গেল পঞ্চগড়ের এক বাসিন্দাকে। ইশাক জমান পাটোয়ারি নামে ওই যুবক পড়াশোনার জন্য সিকিমে ছিলেন। তবে, দেশের উত্তাল পরিস্থিতি সময় তিনি বাড়ি ফিরছেন। ইশাকের দাবি, তিনি বিএনপির সমর্থক। তাই আগে দেশে ফিরতে চেয়ে পারেননি। এবার আনন্দে তিনি বাড়ি ফিরছেন। তিনি বলেন, “আওয়ামি লিগের (Awami League) তাণ্ডবে আমার বাবাকে টানা ১৭ দিন বাড়ি থেকে পালিয়ে বাঁচতে হয়েছে। মা একা থেকেছেন। আমার বাড়ি যাওয়া অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। আমরা বিরোধী দল করি বলেই এত অত্যাচার। হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। এখন আমি খুশির মেজাজে দেশে ফিরছি। দেশের পরিস্থিতি এখন ঠিক আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ আর ২০২৪ সালের মধ্যে সময়ের ফারাক বিস্তর। কালের নিয়মে এই সময়-পর্বে পদ্মা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। তবে নানা অছিলায় বাংলাদেশে হিন্দু নিধন যজ্ঞ (Bangladesh Crisis) বন্ধ হয়নি। ১৯৭১ আর ২০২৪ সাল দুটোর প্রেক্ষাপট আলাদা। তবে বাংলাদেশি মুসলমানদের (Islamist Mob) চাঁদমারি কিন্তু সেই হিন্দুরা। যেন-তেন-প্রকারে হিন্দু বিতাড়ন কিংবা নিধন করে জমিজমা দখল করাই পরোক্ষ লক্ষ্য বাংলাদেশি মুসলমানদের, এমনটাই বলছেন অভিজ্ঞরা। প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও সেই কারণেই হিন্দুদের মন্দিরে হানা দিচ্ছে বাংলাদেশি মুসলমানরা। বাংলাদেশের মেহেরপুরে রয়েছে ইস্কনের মন্দির। এই মন্দিরের মুখপাত্র সুমোহন মুকুন্দ দাস সেই অবর্ণনীয় (Bangladesh Crisis) ছবির ভিডিও শেয়ার করেছেন। ৫ অগাস্ট রাতে এই মন্দিরে ভাঙচুর চালায় মুসলমানরা। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় নিরপরাধ দেব বিগ্রহগুলিকে।

    কী বলছেন ইস্কনের সেবায়েত

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, “বর্তমান পরিস্থিতি ১৯৭০ সালের চেয়ে খুব একটা আলাদা কিছু নয়। বেছে বেছে আক্রমণ করা হচ্ছে হিন্দু রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং মন্দিরগুলিকে।” ইস্কনের ওই মন্দিরের মুখপাত্র বলেন, “ওরা আমাদের ইস্কন মন্দিরকে টার্গেট করেছিল। ভাঙচুর করেছে। মন্দিরের ভেতরে বোমা বিস্ফোরণও করা হয়েছে।” প্রাণ বাঁচাতে বিগ্রহকে অন্তর্যামীর ভরসায় রেখে রাতের অন্ধকারে জঙ্গলে আশ্রয় নেন তাঁরা। তিনি বলেন, “আমি এখনও জঙ্গলেই লুকিয়ে রয়েছি। স্থানীয় কয়েকজনের বাড়িতে (Bangladesh Crisis) আশ্রয় নিতে গিয়েছিলাম। তারা মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল। বলেছিল, আপনাদের আশ্রয় দিলে ওরা (মুসলমানরা) আমাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেবে। অগত্যা জঙ্গলেই আশ্রয় নিতে হল। এখনও জঙ্গলেই লুকিয়ে রয়েছি। আপনাদের মাধ্যমে গোটা বিশ্বকে বলতে চাই, বাংলাদেশে হিন্দুরাই টার্গেট মুসলমানদের। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ – হিন্দু-পীড়ন চলছেই।”

    বাংলাদেশের আর একটি ইস্কনের মুখপাত্র যুধিষ্ঠির গোবিন্দ দাস বলেন, “খবর যা পেয়েছি, তাতে জেনেছি মেহেরপুরে আমাদের ইস্কনের মন্দিরে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্দিরে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ ছিল। মন্দিরে যে তিন ভক্ত ছিলেন, তাঁরা কোনওক্রমে পালিয়ে বেঁচেছেন। দুষ্কৃতীরা রেহাই (Bangladesh Crisis) দেয়নি বিগ্রহদের।” আধপোড়া বিগ্রহের ছবি ভাইরাল হয়েছে। তাতে দুঃখ পেয়েছেন ভারতীয় হিন্দুরা। তাতে অবশ্য কিছু যায় আসে না বাংলাদেশি মুসলমানদের।

    সুপ্ত ইচ্ছে (Bangladesh Crisis)

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হিন্দুদের সম্পত্তি দখল যদি একটা উদ্দশ্যে হয়, তাহলে আরও একটা সুপ্ত ইচ্ছে আছে বাংলাদেশি মুসলমানদের। সেটা হল, বাংলাদেশকে হিন্দুশূন্য রাষ্ট্রে পরিণত করা। সেই কাজটাই সুচারুভাবে করে চলেছে বাংলাদেশি মুসলমানদের একটা বড় অংশ। তাই কোনও একটা ছুতো পেলেই বাংলাদেশি মুসলমানদের সফট টার্গেটে পরিণত হয় হিন্দুদের মন্দির ও আরাধ্য দেবতা। হিন্দু মতে বিগ্রহ নাবালক, তাই তাঁর সেবা করতে হয় শিশুপুত্র কিংবা শিশুকন্যার মতো। অভিভাবক যে গৃহস্থ, খুন করা হয় তাঁকেও। 

    স্পিকটি নট ‘সোনার বাংলা’র বুদ্ধিজীবীরা

    যারা যুক্তি-বুদ্ধির ধার ধারে না, তারা যে দেবতাকেও রেহাই দেবে না, তা তো জলের মতোই পরিষ্কার। সংখ্যালঘুদের পালক চাপা দিয়ে রক্ষা করা যে সংখ্যাগুরুদের কর্তব্য, তা ধর্তব্যের মধ্যেই আনে না বাংলাদেশের সিংহভাগ মুসলমান। তাই দেশে হিন্দু নিধন যজ্ঞ হলেও, স্পিকটি নট ‘সোনার বাংলা’র বুদ্ধিজীবীরা। মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকেন বাংলাদেশের ভারতীয় জামাইরাও। তাই মুসলমানদের হাতে লাঞ্ছিত হতে হয় হিন্দুর দেবতাকে। ১৯৭১ সালে যখন স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়, তখন সেই ডামাডোলের বাজারেও বাংলাদেশে লাঞ্ছিত হতে হয়েছে হিন্দুদের। যার জেরে প্রাণ বাঁচাতে কাতারে কাতারে বাংলাদেশি হিন্দু রাতের (Bangladesh Crisis) আঁধারের বুক চিরে চলে এসেছেন ভারতে। সেই সঙ্কটকালেও স্রেফ দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে যাঁরা রয়ে গিয়েছিলেন ওপার বাংলায়, তাঁদের অবস্থা করুণ।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক ভারত সরকার, আর্জি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    নিত্য কমছে হিন্দুর হার

    পরিসংখ্যান (Islamist Mob) বলছে, স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার সময় সে দেশে হিন্দুর হার ছিল মোট জনসংখ্যার ১৩ শতাংশের আশপাশে। কমতে কমতে ৫৪-৫৫ বছরে সেটাই এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র আট শতাংশে। এই সামান্য শতাংশকেও ভিটেমাটি ছাড়া করতে পারলে কেল্লাফতে। বাংলাদেশ হয়ে যাবে একশো শতাংশ মুসলমানের দেশ। এই মুসলমানের ‘দ্যাশ’ করতে গিয়েই খুন করা হচ্ছে সে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের (Bangladesh Crisis)। ২০২৪ সালের ছবিটাও সেই সময়কার চিত্রের চেয়ে খুব একটা আলাদা নয়। 

    অকৃতজ্ঞ!

    সনাতন ধর্মের আঁতুড়ঘর যে ভারতের সাহায্য ছাড়া স্বাধীন হতে পারত না বাংলাদেশ, যে ভারতের আর্থিক সাহায্য ছাড়া বাংলা হতে পারত না সোনার বাংলা, সেই দেশেই স্লোগান ওঠে ‘ইন্ডিয়া আউট’। দিনের বেলায় যারা ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দেয়, সূর্য অস্ত গেলে তারাই লোটাকম্বল নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে দুমুঠো ভাতের আশায় চলে আসে ভারতে। তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারবারিদের আশ্রয়ে এবং প্রশ্রয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করে তারা মিশে যায় ভারতীয় জনারণ্যে। ভারত হয়ে ওঠে ‘বিবিধের মাঝে মিলন মহানে’র দেশ। আর ‘আ-মরি বাংলা ভাষা’র দেশের (Islamist Mob) হিন্দুরা বলতে ভয় পান (Bangladesh Crisis), “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Rail Service: ভারত-বাংলাদেশের বাতিল ট্রেনের টিকিটের টাকা ফেরত দিচ্ছে রেল

    India Bangladesh Rail Service: ভারত-বাংলাদেশের বাতিল ট্রেনের টিকিটের টাকা ফেরত দিচ্ছে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ (India Bangladesh Rail Service) বাতিল ট্রেনের টিকিটের (Train Ticket) টাকা ফেরত দিচ্ছে রেল। মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেসের যাত্রীদের জন্য এই বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন অগ্নিগর্ভ। ওই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক। হাসিনাকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে হয়েছে। রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগ সরকার ভেঙে দিয়েছেন। সেনাবাহিনী আইনের শাসন ফেরাতে ব্যর্থ। সোমের পর মঙ্গলবারও বহু জায়গায় খুন, হত্যা, লুটপাট, ভাঙচুর, অগ্নি সংযোগের খবর উঠে আসছে। দেশের বেশিরভাগ থানায় নেই কোনও পুলিশ। রাজধানী ঢাকা সহ একাধিক জেলায় জেলায় চলছে ব্যাপক হিংসাত্মক ঘটনা। সংখ্যালঘু হিন্দু সামাজের ওপরও চলছে নির্বিচারে অত্যাচার।

    বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে খবর (India Bangladesh Rail Service)

    বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯ জুলাইয়ের কলকাতা থেকে ঢাকাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি (India Bangladesh Rail Service) এবং ২০ জুলাই কলকাতা থেকে খুলনাগামী বন্ধন এক্সপ্রেস বাতিল আগেই করা হয়েছিল। এই দুই ট্রেনে অনেক মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে টিকিট (Train Ticket) কেটে ছিলেন, কিন্তু ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীরা গন্তব্যে যাত্রা করতে পারেননি। এবার যাত্রীরা যাতে টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত পান, সেই দিকে রেল বিশেষভাবে নজর দিয়েছে। কবে কখন কোন কাউন্টার থেকে ট্রেনের টিকিট দাম ফেরত পাওয়া যাবে, সেই সব কিছু বিশদে জানিয়ে দেওয়া হবে সামজিক মাধ্যমে। তবে বেশির ভাগ যাত্রীই এই সকল সুবিধা পাবেন কলকাতা স্টেশন ও ফেয়ারলি প্লেসের টিকিট কাউন্টারগুলিতে।

    আরও পড়ুনঃ ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০, তেজস যুদ্ধবিমানে বসতে চলেছে নতুন ‘অস্ত্র

    এখনও পর্যন্ত ৮ লক্ষ টাকার উপর ফেরত দেওয়া হয়েছে

    রেলের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, গত ২০ জুলাই, ২০২৪ থেকে ০৪ অগাস্ট, ২০২৪ পর্যন্ত ৮ লক্ষ ১২ হাজার ৮৯০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এবং কলকাতা-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস (India Bangladesh Rail Service) পরিষেবা বন্ধ থাকবে আগামী ৭ অগাস্ট পর্যন্ত। বাংলাদেশের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য ভারতীয় রেলের তরফ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ রেলের তরফ থেকে পরবর্তী বার্তা না আসা পর্যন্ত রেল চালানোর তেমন কোনও ঘোষণা আপাতত নেই। জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ভারত-বাংলাদেশে রেল পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছিল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Embassy: অগ্নিগর্ভ ব্রিটেন! আন্দোলনের আঁচ থেকে বাঁচতে ভারতীয়দের নির্দেশিকা হাইকমিশনের

    Indian Embassy: অগ্নিগর্ভ ব্রিটেন! আন্দোলনের আঁচ থেকে বাঁচতে ভারতীয়দের নির্দেশিকা হাইকমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুষ্কৃতী হামলাকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন (UK issues) শুরু হয়েছে ব্রিটেনে, এবার সেই আন্দোলনের আঁচ থেকে ব্রিটেনে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের বাঁচাতে সতর্কবার্তা জারি করেছে ভারতীয় হাইকমিশন (Indian Embassy)। যাঁরা ভারত থেকে ব্রিটেনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে তাঁদেরকেও। 

    কী কারণে এই বিক্ষোভ? (UK issues) 

    সম্প্রতি ব্রিটেনের সাউথপোর্টে এক নাচের ক্লাসে ছুরি নিয়ে হামলা চালায় এক দুষ্কৃতী। এই ঘটনায় মৃত্যু হয় ৩ জনের। রটে যায় ওই হামলাকারী একজন অভিবাসী এবং ইসলামিক কট্টরপন্থী। তার পর থেকেই সরকারের বিরুদ্ধে অভিবাসন বিরোধী বিক্ষোভ শুরু করেন সাধারণ মানুষ। দেশের নানা প্রান্তে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বর্তমানে কার্যত যা দাঙ্গার রূপ নিয়েছে। জায়গায় জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দোকান ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ উঠছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতেই ব্রিটেনে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক করল ভারতীয় হাইকমিশন (Indian Embassy)। তবে ইতিমধ্যেই এ ঘতনায় ঘটনায় ১৫০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: নারী ক্ষমতায়নে জোর, ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় সম্মানিত হবেন ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধান

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট ভারতীয় হাইকমিশনের (Indian Embassy)

    মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে নির্দেশিকা জারি করে হাইকমিশনের তরফে জানানো হয়, ‘গত কয়েকদিন ধরে ব্রিটেনের বেশ কিছু জায়গায় অশান্তি ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে এখানে যে ভারতীয়রা রয়েছেন এবং যাঁরা ভারত থেকে আসছেন, তাঁদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বনের কথা বলা হচ্ছে। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে ভারতীয় হাইকমিশন। সকলকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, স্থানীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর খবরে নজর রাখুন, তারপর ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিন। যেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ সেই জায়গাগুলোয় এড়িয়ে চলুন। কোনও প্রয়োজন হলে হাইকমিশনের এমারজেন্সি নম্বর ৪৪২০৭৮৩৬৯১৪৭ এবং মেল আইডি inf.london@mea.gov.in-তে যোগাযোগ করুন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Astra Mark 1: ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০, তেজস যুদ্ধবিমানে বসতে চলেছে নতুন ‘অস্ত্র’

    Astra Mark 1: ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০, তেজস যুদ্ধবিমানে বসতে চলেছে নতুন ‘অস্ত্র’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুখোই-৩০ ও এলসিএ তেজস যুদ্ধবিমানে বসানোর জন্য ভারত ডায়নামিকস লিমিটেডকে এয়ার-টু-এয়ার ‘অস্ত্র মার্ক-১’ (Astra Mark 1) ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ছাড়পত্র দিল ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)। দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই মিসাইল তৈরি করেছে প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও। এটি একটি আকাশ-থেকে-আকাশ বিভিআর মিসাইল। জানা গিয়েছে, এই মিসাইলের রেঞ্জ ১০০ কিলোমিটার। অস্ত্র মার্ক-২ বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। এর রেঞ্জ হতে চলেছে ৩০০ কিলোমিটার।

    ২৯০০ কোটি টাকার বেশি প্রকল্পের অনুমোদন (Astra Mark 1)

    ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) তরফে জানানো হয়েছে, এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত হায়দরাবাদ সফরের সময় বিডিএলকে উৎপাদনের ছাড়পত্র প্রদান করেছিলেন। তিনি ডিআরডিও-র পরীক্ষাগার পরিদর্শন করেছিলেন, যেখানে (Astra Mark 1) এই মিসাইল তৈরি হয়েছিল। প্রতিরক্ষা সূত্রের খবর, ২০২২-২৩ সালে ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল বা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় পরিষদ ২৯০০ কোটি টাকার বেশি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিল। সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে উৎপাদন সংক্রান্ত ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। এই মিসাইল সুখোই-৩০ এবং এলসিএ তেজস বিমানে ব্যবহার করা হবে।

    ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য দেশীয় প্রকল্পে সাহায্য বায়ুসেনার (IAF)

    প্রসঙ্গত, অস্ত্র মার্ক-১ (Astra Mark 1) ছাড়াও আকাশ থেকে ভূমি নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সহ তিন থেকে চারটি বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এছাড়াও বায়ুসেনা (IAF) তরঙ্গ শক্তি মহড়া শুরু করেছে। প্রথম ধাপে ৬ থেকে ১৪ অগাস্ট এবং দ্বিতীয় ধাপে ২৯ অগাস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মহড়া চলবে।

    আরও পড়ুন: হাসিনার জন্য তৈরি ছিল রাফাল! বাংলাদেশের উপর কড়া নজর কেন্দ্রের

    ১০ দেশ এই মহড়ায় অংশ নেবে। ১৮টি দেশ পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে অংশগ্রহণ করবে। ভারতীয় নৌসেনাও মিগ-২৯ বিমান সহ এই মহড়ায় অংশ নেবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: “পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন ডেঙ্গির তথ্য কেন্দ্রের কাছে নথিভুক্ত করাচ্ছে না?”, আক্রমণ নাড্ডার

    Dengue: “পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন ডেঙ্গির তথ্য কেন্দ্রের কাছে নথিভুক্ত করাচ্ছে না?”, আক্রমণ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সরকার কেন ডেঙ্গির (Dengue) তথ্য লুকিয়ে রাখে? মঙ্গলবার রাজ্যসভায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে প্রশ্ন তুলে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। তাঁর প্রশ্নে এই রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপির এই সর্বভারতীয় সভাপতি। উল্লেখ্য, মমতার সরকারের বিরুদ্ধে করোনা কাল থেকেই সংক্রমণ রোগ বা মশা বাহিত রোগে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশে তথ্য গোপন করার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঠিক কী বলেন জেপি নাড্ডা (Dengue)?

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী জেপি নাড্ডা আজ রাজ্যসভায় বাংলার সরকারের ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলা নিয়ে বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন ডেঙ্গির তথ্য কেন্দ্রের কাছে নথিভুক্ত করাচ্ছে না? তথ্য গোপন করার কী আছে? আমি রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চাই। তবে এই প্রশ্ন তোলার মধ্যে আমার কোনও রাজনৈতিক অভিপ্রায় নেই। সব পক্ষের কথা শোনার ধৈর্য এবং বলবার অবসর থাকা একান্ত প্রয়োজন।” এই বক্তব্যের ভিডিও বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন।

    ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যের বৈঠক

    বর্ষার মরসুমে প্রত্যেক বছরই ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ দেখা যায়। রাজ্য সরকার প্রতিবছর ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড সহ একাধিক রোগের সঠিক তথ্যে কেন্দ্রকে যে পাঠায় না, সেই বিষয়ে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বরাও সরব হয়েছেন। এদিকে রাজ্যে লাগাতার বর্ষণের ফলে বর্ষায় জল জমে একাধিক জেলায় ডেঙ্গি প্রকোপ মারাত্মক আকার নিয়েছে। কলকাতায়ও অবস্থা বেশ সঙ্কটজনক। একাধিক জেলা সহ কলকাতায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। রাজ্যের পুরসভাগুলির বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগামী ৮ অগাস্ট ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যের সব পুরসভার চেয়ারম্যান এবং দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের ডাকা হয়েছে। একই ভাবে এই বৈঠকে থাকবেন কলকাতা স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরাও। ইতিমধ্যে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর থেকে জেলা এবং মহাকুমা শাসক, স্বাস্থ্য আধিকারিকদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্ষার জমা জল এবং নিকাশি ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Red Fort: নারী ক্ষমতায়নে জোর, ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় সম্মানিত হবেন ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধান

    Red Fort: নারী ক্ষমতায়নে জোর, ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় সম্মানিত হবেন ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৫ অগাস্ট ৭৭তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা (Red Fort) থেকে নারী ক্ষমতায়নের বার্তা দিতে চলেছে মোদি সরকার। ইতিমধ্যেই জোর কদমে শুরু হয়ে গিয়েছে তার প্রস্তুতি। জানা গিয়েছে, এবারে দিল্লিতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের দিন মহিলা ক্ষমতায়নের উপর বিশেষ জোর দিয়ে গোটা দেশ থেকে ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে লালকেল্লায় সম্মানিত করবে কেন্দ্রীয় সরকার।

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (Women Sarpanches)   

    স্বাধীনতা দিবসের দিন ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে ডাকার পেছনে মূল উদ্দেশ্য হল, নারী ক্ষমতায়নে জোর। এটি আসলে সরকারের একটি দ্বিমুখী প্রচার উদ্যোগ যা পঞ্চায়েত স্তরে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে উৎসাহিত দেওয়ার উপর জোর দেয়। এ প্রসঙ্গে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত একজন সিনিয়র অফিসার বলেছেন, ”এর লক্ষ্য গ্রামীণ এলাকায় রাজনীতি ও প্রশাসনে নারীদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা।”     

    ইতিমধ্যেই ১৫০ জন পঞ্চায়েত প্রধানকে (Women Sarpanches) আমন্ত্রণ জানাতে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রের পঞ্চায়েত মন্ত্রক। মহিলা প্রতিনিধিদের স্বামীসহ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই মহিলা প্রতিনিধিদের জন্য ১৪ অগাস্ট সকাল ১০টা থেকে দিল্লির ভীমরাও আম্বেদকর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে ‘পঞ্চায়েত রাজে নারী নেতৃত্ব’ শীর্ষক একটি জাতীয় কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘শেষ মুহূর্তেও দেশ ছাড়তে চাননি মা’’, জানালেন হাসিনার ছেলে সাজিব 

    লালকেল্লায় দেশের প্রত্যন্ত গ্রামের মহিলা প্রতিনিধিরা (Red Fort) 

    নারী ক্ষমতায়নের গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে মোদি সরকার। পুরুষদের সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে নারী শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে একাধিক জাতীয় কর্মসূচির আয়োজনের পাশাপাশি আনা হয়েছে বহু সামাজিক প্রকল্প। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মহিলাদের আধিপত্য বাড়িতে তুলতে আনা হয়েছে নয়া আইন। এমনকী, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচারের মুখ হিসেবে তুলে আনা হয়েছে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত একাধিক মহিলাকে। এবার সেই পথে হেঁটেই ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় (Red Fort) জায়গা পেতে চলেছেন দেশের প্রত্যন্ত গ্রামের মহিলা প্রতিনিধিরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বিক্ষোভকারীরা দিয়েছিলেন হুঁশিয়ারি! বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

    Bangladesh Crisis: বিক্ষোভকারীরা দিয়েছিলেন হুঁশিয়ারি! বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ শাহবুদ্দিন (Bangladesh President)। প্রসঙ্গত, এ নিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল আন্দোলনকারী ছাত্রদের জোট। সোমবার রাতেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট এবং সেখানেই তিনি সংসদ ভেঙে যাওয়ার কথা জানান। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে সংসদ ভেঙে দেওয়ার খবরও প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

    আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সেনা প্রধান

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতি সোমবারই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন দখল করে নেন আন্দোলনকারীরা। ইস্তফা দিয়ে তড়িঘড়ি দেশ ত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ভারতেই রয়েছেন। এরপর থেকেই আন্দোলনকারীরা সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানাতে থাকেন। আন্দোলনকারী ছাত্ররা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার বিকেল তিনটের মধ্যে যদি বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে না দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। প্রসঙ্গত, সোমবারে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা জানিয়েছিলেন যে, সেনার সমর্থনে অথবা রাষ্ট্রপতি শাসনে থাকা কোনও সরকারকেই সমর্থন করা হবে না। প্রস্তাবিত সরকার তৈরি করতে হবে। নতুন সরকারের রূপরেখা গঠনের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময়ও দেন পড়ুয়ারা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে বসার কথা রয়েছে বাংলাদেশের সেনা প্রধানের।

    জাতির উদ্দেশে ভাষণে কী বললেন প্রেসিডেন্ট?

    সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) প্রেসিডেন্ট (Bangladesh President) বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সংসদ বিলুপ্ত করা হবে। দ্রুত নতুন নির্বাচন করে সরকার নির্বাচিত হবে।’’ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘‘তিন বাহিনীর প্রধান, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সমাজের প্রতিনিধি ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে জরুরিভিত্তিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দল ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।’’ এর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট এও ঘোষণা করেন, সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় আটক সকল বন্দিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে। ছাত্র আন্দোলনের নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও জানান প্রেসিডেন্ট। প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই সোমবার বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘একমাত্র মোদি পারবেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে’’, দাবি বিজেপি সাংসদের

    Bangladesh Crisis: ‘‘একমাত্র মোদি পারবেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে’’, দাবি বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) কার্ফু তুলে দেওয়া হলেও দেশজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ রয়েছে। সোমবারও দেশের একাধিক জায়গায় হিন্দুদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট চালানো হয়েছে। একাধিক জেলায় বহু হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের এই সার্বিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar)।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ? (Bangladesh Crisis)

    রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ বলেন, ‘‘বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘুদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা হচ্ছে। তাদের সম্পত্তি লুট করা হয়েছে। আর এসব ঘটনার পিছনে সেখানকার সেনাবাহিনীর সমর্থন রয়েছে। এটা ভবিষ্যতে আমাদের দেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁদের সুরক্ষা দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তবে, এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।’’ জগন্নাথ সরকারের (Jagannath Sarkar) মতে, শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারেন। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের অসহায় সংখ্যালঘুদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করতে পারেন মোদি-ই। আমি হিন্দু বেঙ্গল ইউনিটের একজন সদস্য হিসেবে এসব কথা বলছি। বাংলাদেশে যেই সরকার গঠন করুক আমি তা নিয়ে চিন্তা করি না। আমার একমাত্র উদ্বেগ হল সংখ্যালঘুদের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোনও ক্ষতি না হয়।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক

    ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভের মধ্যে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও শান্ত হয়নি। সোমবার আওয়ামি লিগের বহু নেতাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। সাংসদের বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। আওয়ামি লিগের নেতার হোটেলে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে ২১ জন পুড়িয়ে মারা হয়েছে। সোমবার মোট ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শতাধিক মানুষ জখম হয়েছেন। পদত্যাগের পর সোমবার সন্ধ্যায় ভারতে পৌঁছন শেখ হাসিনা। তিনি দিল্লিতে থাকবেন, নাকি অন্য জায়গায় যাবেন তা স্পষ্ট নয়, কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে যে তিনি লন্ডনে যেতে পারেন। অন্যদিকে, সংকট মোকাবিলায় সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই বৈঠকে বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর আলোচনা করা হয়। সেখানে কয়েক হাজার ভারতীয় রয়েছেন। তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দুরা, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দুরা, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। মঙ্গলবারই সীমান্ত পরিদর্শন করেন বিএসএফের ডিজি। ঠিক এই আবহে হঠাৎই দিল্লি উড়ে গিয়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করেন। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা এরপর সাংবাদিকদের বলেন, “অমিত শাহ যেহেতু সিকিউরিটি কাউন্সিলের সদস্য, আমি তাঁর কাছে অনুরোধ করেছি যাতে বাংলাদেশের হিন্দু এবং হিন্দু মন্দিরের যেন আর কোনও ক্ষতি না হয়, সেটা দেখতে। আমি অনেক উদ্বেগ নিয়ে এসেছিলাম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়টি দেখছেন।”

    আমার মা নিজে বরিশাল থেকে এক কাপড়ে চলে এসেছিলেন

    চিন্তিত শুভেন্দু উদ্বেগ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের সামনে এও বলেছেন, “আমার মা নিজে বরিশাল থেকে এক কাপড়ে চলে এসেছিলেন। যন্ত্রণাটা আমার ভিতরে রয়েছে। তাই উদ্বেগটা ছিল। উদ্বেগটা নিরসনের জন্য এসেছিলাম। সেটা নিরসন হয়েছে।” নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক সেরে বলেন, “মাননীয় রাষ্ট্রীয় অধ্যক্ষর সঙ্গে নির্বাচনের পর দেখা হয়নি। ফোনে কথা হয়েছিল। উনি আমাকে কিছু কাজ দিয়েছিলেন। সেটা নিয়ে কথা হয়েছে।”

    সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে হিংসা

    প্রসঙ্গত, গোটা বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) জুড়েই বর্তমানে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। থানা-হোটেল-বাড়ি সবকিছুই পুড়ছে, যথেচ্ছ হামলা চলছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের মন্দিরেও, একাধিক হিন্দুকে পিটিয়ে মারার ঘটনাও সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, গতকাল সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অন্ততপক্ষে ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা অত্যন্ত আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। দিকে দিকে হিংসা সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে। ওপার বাংলার এমন পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর হঠাৎ করেই দিল্লি উড়ে যাওয়া যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share