Tag: Bengali news

Bengali news

  • Delhi IAS Coaching Centre: “কোচিং দিন দিন বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে”, রাজ্যসভায় তোপ জগদীপ ধনখড়ের

    Delhi IAS Coaching Centre: “কোচিং দিন দিন বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে”, রাজ্যসভায় তোপ জগদীপ ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি আইএএস কোচিং সেন্টারের (Delhi IAS Coaching Centre) বেসমেন্টে পড়ুয়া মৃত্যুকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চর্চা এখন ব্যাপক তুঙ্গে। রাজেন্দ্রনগরের এই সেন্টারে  জমা জলে ডুবে তিন পড়ুয়ার শনিবার মৃত্যু হয়েছিল। এই মর্মান্তিক মৃত্যু নিয়ে দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankar) ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “কোচিং পুরোপুরি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।” আজ সংসদের রাজ্যসভা এবং লোকসভা উভয়েই কক্ষেই এই বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আর তাতেই শাসক-বিরোধীদের বাক্যবাণে দিল্লির পুরনিগমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ফলে শোরগোল পড়ে যায়।

    উপরাষ্ট্রপতি কী বলেন (Delhi IAS Coaching Centre)?

    রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankar) কোচিং সেন্টারগুলির (Delhi IAS Coaching Centre) বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সংসদের উচ্চকক্ষে স্বল্প সময়ের জন্য আলোচনার অনুমতি দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “কোচিং দিন দিন বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যম খুললেই প্রথম, দ্বিতীয় পাতাগুলিতে কোচিং সেন্টারের বিজ্ঞাপনে ভরা থাকে। আমি মনে করি স্বল্প সময়ের জন্য পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সকল সংসদীয় দলের নেতাদের সঙ্গে পর্যালোচনা করা উচিত।”

    লোকসভায় আলোচনা

    একই ভাবে সংসদের লোকসভায় ‘জিরো আওয়ার’-এ পড়ুয়া মৃত্যুর (Delhi IAS Coaching Centre) বিষয়টি উত্থাপিত হয়। বিজেপি সাংসদ বাঁশুরী স্বরাজ এই ছাত্র মৃত্যুর জন্য দিল্লির আপ সরকারকে অপরাধী হিসাবে উল্লেখ করেছেন। একই ভাবে আপ সরকারকে চূড়ান্ত দায়িত্ব জ্ঞানহীন বলে অবহেলার দায় চাপিয়েছেন। কংগ্রেস নেতা শশী থারুর দিল্লির আরএমএল হাসপাতালে গিয়ে আহতদের চিকিত্সা কেমন চলছে, তার খোঁজ খবর নেন। একই সঙ্গে আর্থিক ক্ষতিপূরণের কথাও জানিয়েছেন। আবার সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং বিহারের পূর্ণিয়ার সাংসদ পাপ্পু যাদবও বিষয়টির তদন্তের দাবি করেছেন।

    আরও পড়ুনঃ কোচিং সেন্টারে পড়ুয়া মৃত্যুকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশ্যে, গ্রেফতারি বেড়ে ৭

    বুলডোজার অ্যাকশন করালবাগে

    দিল্লির মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন (এমসিডি) কমিশনার অশ্বনি কুমার, পড়ুয়াদের মৃত্যু (Delhi IAS Coaching Centre) প্রসঙ্গে চাপে পড়ে বলেছেন, “একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একজন সহকারী এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত বলে তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।” একই ভাবে সোমবার সকালেই পুরনিগমের পক্ষ থেকে করালবাগে বুলডোজার অ্যাকশন চালাতে দেখা গিয়েছে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Titagarh: প্রকাশ্যে স্কুল ছাত্রীকে জুতোপেটা করে শ্লীলতাহানি! গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

    Titagarh: প্রকাশ্যে স্কুল ছাত্রীকে জুতোপেটা করে শ্লীলতাহানি! গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা তৃণমূলের কাউন্সিলর। স্বাভাবিকভাবে ছেলে নিজেকে ‘বেতাজ বাদশা’ ভাবে। আর সেই ক্ষমতার দম্ভে এক স্কুল ছাত্রীকে প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল কাউন্সিলরের ছেলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে টিটাগড় (Titagarh) পুরসভা এলাকায়। নির্যাতিতা ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কাউন্সিলরের ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলরের ছেলেকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম রাহুল সোনকার। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Titagarh)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টিটাগড়ের (Titagarh) এক স্কুল ছাত্রীর সঙ্গে কাউন্সিলরের ছেলের পরিচিত এক কিশোরীর পড়াশুনার কোনও একটি বিষয় নিয়ে গন্ডগোল বাধে। দুই স্কুল ছাত্রীর মধ্যে বচসা হয়। হাতাহাতি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিষয়টি মিটে যায়। এরপরই বিষয়টি কাউন্সিলরের ছেলেকে সমস্ত বিযয়টি ওই কিশোরী বলে। তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে রাহুল বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়ে। এরপরই তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের কতটা ক্ষমতা তা দেখাতে দলবল নিয়ে ওই ছাত্রীর বাড়িতে এসে হাজির হয়। ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে প্রকাশ্যে জুতো দিয়ে মারতে থাকে বলে অভিযোগ। ওই ছাত্রী বাধা দিতে গেলে তার জামা ছিঁড়ে দেয়। পরে, এক প্রতিবেশী যুবক নিজের জামা খুলে ওই ছাত্রীকে দেন। এক প্রতিবেশী বলেন, তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে বলেই কী ও যা খুশি তাই করবে। সকলের সামনে ওই মেয়েটাকে মারল। তার শ্লীলতাহানি করল। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    নির্যাতিতার কী বক্তব্য?

    নির্যাতিতা (Titagarh) ছাত্রী বলে, পড়াশুনা নিয়ে সামান্য গন্ডগোল। বচসা চলাকালীন আমাকে গালিগালাজ করে। আমিও তাকে গালিগালাজ করি। তারপর মিটে যায়। আমি বাড়ি ফিরে আসার পর কয়েকজন দল বেঁধে এসে আমার বাড়িতে চড়াও হয়। কাউন্সিলরও ছিল। তাঁর ছেলে আমার ওপর চড়াও হয়। সকলের সামনে আমাকে জুতোপেটা করে। আমার দাদা প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করে। আমি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে আমার জামা ছিঁড়ে দেয়। সামান্য গন্ডগোলের জন্য আমার সঙ্গে এভাবে আচরণ করবে তা ভাবতে পারছি না।

    তৃণমূল কাউন্সিলরের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর রাজেন্দ্র সোনকার বলেন, দুজন ছাত্রীর মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। কী কারণে ঝামেলা তা আমি জানি না। তবে, এই গন্ডগোলের সঙ্গে আমার ছেলের নাম জড়িয়ে গিয়েছে। এরপরই পুলিশ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। আইন আইনের পথে চলবে। এতে আমার কিছু বলার নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Muslim Appeasement: সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে হাঁড়ির হাল কর্নাটকের অর্থনীতির?

    Muslim Appeasement: সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে হাঁড়ির হাল কর্নাটকের অর্থনীতির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএ জমানায় সংখ্যালঘু তোষণের (Muslim Appeasement) রাজনীতি করতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে দেশ। বছরের পর বছর অশান্তির আগুনে পুড়েছে ভূস্বর্গ। দেশের যত্রতত্র ঘটেছে বিস্ফোরণ। তাতে কখনও প্রাণ হারিয়েছেন নিরাপত্তারক্ষীরা, কখনও আবার জঙ্গিবাদের বলি হয়েছেন নিতান্তই নিরীহ মানুষ। তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই কংগ্রেস সরকার দলিতদের বাধ্য করেছে পেটে খিল দিয়ে পড়ে থাকতে। এই যেমনটা চলছে কর্নাটকে (Karnataka), কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া সরকারের জমানায়। কর্নাটকে কংগ্রেসের এই বিপজ্জনক খেলার জেরে হাঁড়ির হাল হতে চলেছে দক্ষিণের এই রাজ্যটির অর্থনীতির। তার পরেও সম্বিত ফেরে কই সরকারের! দিব্যি চলছে ভোটসর্বস্ব রাজনীতির খেল!

    সংখ্যালঘু তোষণ (Muslim Appeasement)

    ২০২৩ সালের মে মাসে কর্নাটকের কুর্সিতে বসে কংগ্রেস। তার পর থেকেই রাজ্যে চলছে সংখ্যালঘু তোষণ। উদাহরণ? যেমন দেখুন, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকার উন্নয়নে তৈরি হয়েছে হাজার কোটি টাকার অ্যাকশান প্ল্যান। মাইনরিটি বাজেটারি অ্যালোকেশন বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে। ওয়াকফ সম্পত্তির উন্নয়নে বরাদ্দ করা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। রাজ্যের ৪১৬টি ওয়াকফ সম্পত্তি বাঁচাতে গড়া হবে সুরক্ষা দেওয়াল। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ৩১.৮৪ কোটি টাকা। মেঙ্গালুরুতে নয়া হজ ভবন গড়তে বরাদ্দ করা হয়েছিল ১০ কোটি টাকা। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তাঁতিদের অর্থনৈতিক সাপোর্ট দিতে হয়েছে লোনের ব্যবস্থা। সংখ্যালঘু মহিলাদের নিয়ে গঠিত স্বনির্ভর গোষ্ঠী যাতে বিভিন্ন ধরনের সেলফ এমপ্লয়মেন্ট অ্যাকটিভিজিজ করেন, সেজন্য তাদের উৎসাহ দেওয়া হবে। এজন্য বরাদ্দ করা হবে ১০ কোটি টাকা। সংখ্যালঘু ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে খরচের জন্য বরাদ্দ করা ৩৯৩ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুন: বাবাকে বাঁচাতে কুমিরের মুখেই হাত ঢুকিয়ে দিল বারো বছরের ছেলে! তারপর?

    খয়রাতির রাজনীতি

    খয়রাতির এই রাজনীতি চলছে যখন কর্নাটকে কৃষকরা প্রাণপাত করছেন জীবন সংগ্রামে। রাজ্যের সর্বত্রই কান পাতলে শোনা যায় বঞ্চনার ক্ষোভে ভারী বাতাসের শব্দ। রাজ্যবাসীর উন্নয়নে যে অর্থ ব্যয় করার কথা, তা দিয়ে ‘রেউড়ি’ রাজনীতি করার অভিযোগে সরব কর্নাটকের বিরোধীরা। তার পরেও দিব্যি চলছে সংখ্যালঘু তোষণ (Muslim Appeasement)। চাকরিতে সংখ্যালঘুদের সংরক্ষণে বরাদ্দ করা হয়েছে ৪ শতাংশ পদ। এই সংখ্যালঘুদের ফেলা হয়েছে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির ক্যাটেগরিতে। প্রশ্ন হল, খয়রাতির টাকা আসছে কোথা থেকে? জানা গিয়েছে, বাংলার তৃণমূল পরিচালিত সরকারের মতো কর্নাটকেও কংগ্রেস পরিচালিত রাজ্য সরকার কেন্দ্রের দেওয়া এক খাতের বরাদ্দ ব্যয় করছে অন্য খাতে। ভোট ব্যাঙ্ক অটুট রাখতেই করা হচ্ছে এই রেউড়ি সংস্কৃতির রাজনীতি।

    ভাঁড়ে মা ভবানী দশা অর্থনীতির

    সস্তার এই রাজনীতি করতে গিয়ে রাজ্যে দশা ভাঁড়ে মা ভবানীর। এক সময় যে রাজ্য ছিল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে পূর্ণ, সেই রাজ্যই আজ দাঁড়িয়ে অর্থনৈতিক ধ্বংসের কিনারে। সিদ্দারামাইয়ার আগে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বাসবরাজ বোম্বাই। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে বাজেট পেশ করেছিলেন তিনি। তখনও রাজ্যের অর্থনীতি তলানিতে গিয়ে ঠেকেনি। বরং সারপ্লাস ছিল। তাঁর বাজেটে প্রস্তাবিত রাজস্ব সারপ্লাস ছিল ৪০২ কোটি টাকা। যেখানে এতদিন রাজস্ব ঘাটতি বাজেট পেশ হত, সেখানেই বোম্বাই পেশ করলেন সারপ্লাস বাজেট। ওই বছরই মে মাসে কুর্সিতে বসলেন সিদ্দারামাইয়া। খয়রাতির রাজনীতি (Muslim Appeasement) করতে গিয়ে রাজ্যকে দেউলিয়ার খাতায় নাম লেখানোর জোগাড় করে দিয়েছেন তিনি।

    ‘রেউড়ি পলিটিক্স’

    অর্থনীতিবিদদের মতে, কর্নাটকের অর্থনীতির এই হাঁড়ির হালের নেপথ্যে রয়েছে সস্তার রাজনীতি, খয়রাতির রাজনীতি। যাকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আখ্যা দিয়েছেন ‘রেউড়ি পলিটিক্স’। রেউড়ি রাজনীতি হল খয়রাতির রাজনীতি। এই হেটো রাজনীতিতে জনতাকে নিখরচায় দেওয়া হয় বিভিন্ন উপহার। এই সব উপহার পেয়ে আমজনতা ভুলে যায় শিক্ষা-স্বাস্থ্য-চাকরির দৈন্যদশার কথা। ক্ষমতা অটুট (Karnataka) থাকে রেউড়ি রাজনীতির কারবারিদের। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কর্নাটকে সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশকে লক্ষ্য করে তাদের মনোরঞ্জনে যেসব পদক্ষেপ করা হয়েছে, তাতে উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে প্রকৃত দরিদ্র মানুষের। টান পড়েছে রাজ্যের কোষাগারে। সরকারের বেপরোয়া ব্যয়ের প্রবণতা ফাঁকা করে দিয়েছে কর্নাটকের রাজকোষাগার।

    ট্যাডিশন আজও চলছে

    তার পরেও চলছে খয়রাতির রাজনীতি। যে রাজনীতি করে দীর্ঘদিন কেন্দ্রের ক্ষমতায় টিকে ছিল কংগ্রেস, যে রাজনীতি করতে গিয়ে বুদ্ধ-অশোকের দেশে মাথা তুলেছে জঙ্গিবাদ, সেই রাজনীতির ট্যাডিশন আজও চলছে। এবং কেবল কংগ্রেস নয়, বাংলার তৃণমূল সরকারও একই কায়দায় ক্ষমতায় টিকে রয়েছে টানা তিনটে মেয়াদ। কর্নাটক কিংবা বাংলা – রাজ্যের উন্নয়ন জলে, কোষাগারের নেই নেই দশা, তার পরেও দিব্যি চলছে রেউড়ি রাজনীতি। ‘করে’ খাচ্ছেন শাসক দলের নেতারা। বঞ্চিত হচ্ছেন আমআদমি (Karnataka)। গরিবরা আরও গরিব হচ্ছেন। আড়ে বহরে বাড়ছে সংখ্যালঘুদের (Muslim Appeasement) দৌরাত্ম্য!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vastu Tips For Home: কোন দিকে ঠাকুরঘর করলে সংসারে শান্তি আসে? কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র?

    Vastu Tips For Home: কোন দিকে ঠাকুরঘর করলে সংসারে শান্তি আসে? কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমাদের সবার জীবনেই বাস্তুশাস্ত্রের (Vastu shastra) প্রচুর অবদান রয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে যাঁরা কিছু জানেন না, তাঁরা হয়ত অবৈজ্ঞানিক বলে উড়িয়ে দেবেন। কিন্তু আদতে এই বাস্তুশাস্ত্রের নিজস্ব কিছু যুক্তি আছে যা অত্যন্ত কার্যকারী। আর বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী ঠাকুর ঘর সঠিক দিকে হওয়া খুবই জরুরি। বাস্তুশাস্ত্রের (Vastu Tips For Home) সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে বিজ্ঞানের। বাস্তুশাস্ত্র মতে ঠাকুরঘর উত্তর–পূর্ব কোণ অর্থাৎ যাকে আমরা ঈশান কোণ বলি সেখানেই হওয়া উচিত।  

    ঈশান কোণে ঠাকুরঘর রাখার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী? 

    বাস্তুশাস্ত্র মতে, (Vastu Tips For Home) ওই দিককার অধিষ্ঠাত্রী দেবতা হলেন বৃহস্পতি। ফলত, পুজোপাঠের জন্য বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে ঘর বানানো সবচেয়ে সঠিক। আর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আমাদের দশ দিকের প্রধান দিক হলো উত্তর ও পূর্ব। উত্তর হলো পৃথিবীর উত্তর মেরু অর্থাৎ যেখান থেকে চৌম্বকীয় তরঙ্গের সৃষ্টি হয়ে বাহিত হয় দক্ষিণ দিকে। তবে আমরা এই ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে দেখতে পাই না, ঠিক যেভাবে আমরা বিদ্যুৎকেও দেখতে পাই না। কিন্তু বিদ্যুৎ বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। আমাদের এই ম্যাগনেটিক এনার্জি সর্বদা উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। আর পূর্ব দিক হল যেদিক থেকে সূর্যদেব উদিত হন এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যান। এই পূর্ব দিক হল সোলার এনার্জি বা সৌর শক্তির উৎস। ফলে এই দুটি এনার্জি উত্তর ও পূর্ব কোণ থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ – পশ্চিম কোণে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই বৈজ্ঞানিক মতেই হোক বা বাস্তুশাস্ত্র মতে ঈশান কোণেই ঠাকুর ঘর করা উচিত।

    তবে বাস্তুশাস্ত্র (Vastu shastra) না জানা মানুষের অনেকের কাছে এটা হয়তো অবৈজ্ঞানিক। কিন্তু বাস্তুর (Vastu Tips For Home) আবার নিজস্ব কিছু যুক্তি আছে, যেগুলি অত্যন্ত জরুরি। কারণ জীবনের নানা ওঠাপড়া, সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ, সার্বিক উন্নতি— সব কিছুর জন্য আমরা নিজের নিজের দেবতার উপর নির্ভরশীল। তার জন্যই বাড়িতে ঠাকুরঘর বানানো অতি আবশ্যক এবং সেই ঠাকুরঘর বাড়ির সঠিক দিকে থাকা উচিত। কারণ সেটা ভুল হলে জীবনে তার কুপ্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। আর সেটা সঠিক হলে সাংসারিক জীবনে সুখশান্তি আসার সম্ভাবনা থাকে ও মানসিক দিকেও শান্তি থাকে।  

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ‘টপস’ এবং ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের প্রশংসা ব্রোঞ্জ জয়ী মনু ভাকেরের

    কী করবেন, কী করবেন না? (Vastu Tips For Home)  

    ঠাকুর ঘর সবসময় পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সুগন্ধি ধুপ ও ফুল দিয়ে পুজো করতে হবে। যেহেতু ঈশান কোণ পজিটিভ এনার্জিকে সৃষ্টি করে, তাই পুজোপাঠের সময় পুরো বাড়ি পজিটিভ শক্তি দ্বারা ভরে থাকে। আর বাড়িতে পজিটিভ এনার্জি থাকলে শরীর ও মন সুস্থ থাকে। তবে বেডরুম বা শোওয়ার ঘরে ঠাকুর রাখা একদম ঠিক নয়। কিন্তু জায়গা একান্তই না থাকলে শোওয়ার ঘরে ঠাকুর রাখলেও, রাতে সেই জায়গায় পর্দা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আর বাড়ির ঈশান কোণে কখনওই বাথরুম, কিচেন, সিঁড়ি করবেন না, তার কারণ হল এইগুলি সবসময়ই নেগেটিভ এনার্জি সৃষ্টি করে। আর নেগেটিভ এনার্জি মানুষের শরীর ও মন সুস্থ রাখতে পারে না।

      
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • The Department of Post: দশম শ্রেণি উত্তীর্ণ? ডাক বিভাগে চলছে বড় নিয়োগ, শূন্যপদ ৪৪ হাজার ২২৮

    The Department of Post: দশম শ্রেণি উত্তীর্ণ? ডাক বিভাগে চলছে বড় নিয়োগ, শূন্যপদ ৪৪ হাজার ২২৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য ইতিমধ্যে বিবৃতি প্রকাশ করেছে ভারতীয় ডাক বিভাগ (The Department of Post)। ঐ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, গ্রামীণ ডাক সেবক, ব্রাঞ্চ পোস্টমাস্টার, সহকারী ব্রাঞ্চ পোস্টমাস্টার পদের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। এর জন্য যোগ্যতা চাওয়া হচ্ছে দশম শ্রেণি পাশ। মোট ৪৪ হাজার ২২৮টি শূন্যপদে নিয়োগ করবে ভারতীয় ডাক বিভাগ (GDS Recruitment)। এর জন্য আবেদনগ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। আবেদন চলবে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত।

    দেশ জুড়ে ২৩টি সার্কেলে এই শূন্যপদ পূরণ করা হবে

    ভারতীয় ডাক বিভাগের (The Department of Post) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দেশ জুড়ে ২৩টি সার্কেলে এই শূন্যপদ পূরণ করা হবে। প্রতিটি রাজ্যে আলাদা আলাদা শূন্যপদ রয়েছে। রাজস্থানে শূন্যপদের সংখ্যা ২,৭১৮, বিহারে শূন্যপদের সংখ্যা ২,৫৫৮, উত্তরপ্রদেশে শূন্যপদের সংখ্যা ৪,৫৮৮, মধ্যপ্রদেশের শূন্যপদের সংখ্যা ৪,০১১, ছত্তিশগড়ের শূন্যপদের সংখ্যা রয়েছে ১,৩৩৮টি।

    নিয়োগ সংক্রান্ত খুঁটিনাটি জানুন (The Department of Post)

    যে সকল প্রার্থীরা কোনও স্বীকৃত বোর্ড থেকে দশম শ্রেণি পাশ করেছেন, তাঁরাই আবেদন করার যোগ্য। এর জন্য সাইকেল চালাতে জানতে হবে এবং কম্পিউটার ব্যবহারের দক্ষতা থাকতে হবে। আবেদনকারীর বয়স ৫ অগাস্ট ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। সংরক্ষিত প্রার্থীদের জন্য বয়সের ছাড় রয়েছে। দশম শ্রেণিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তৈরি করা হবে তালিকা এবং তার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে বলে জানিয়েছে ডাক বিভাগ।

    কীভাবে করবেন আবেদন?

    -প্রথমেই ডাক বিভাগের (The Department of Post) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

    -তারপর সেখানে রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কে ক্লিক করে নিজের নাম, জন্ম-তারিখ, মোবাইল নাম্বার ইত্যাদি দিতে হবে।

    -রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরে লগ-ইন করতে হবে পাসওয়ার্ড দিয়ে।

    -পরবর্তীকালে আবেদন পত্রটি পূর্ণ করতে হবে ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা ইত্যাদি দিয়ে।

    -নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা (GDS Recruitment), বয়সের প্রমাণপত্র ইত্যাদি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

    -পরীক্ষা ফি হিসেবে জমা দিতে হবে অনলাইনের মাধ্যমে ১০০ টাকা।

    -এরপরে দরখাস্তটি সাবমিট করতে হবে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 89: “আমি কর্তা, আমি কর্তা—এই বোধ থেকেই যত দুঃখ, অশান্তি”

    Ramakrishna 89: “আমি কর্তা, আমি কর্তা—এই বোধ থেকেই যত দুঃখ, অশান্তি”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ  কথোপকথন

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    পিতাহসি লোকস্য চরাচরস্য ত্বমস্য পূজ্যশ্চ গুরুর্গরীয়ান্

    ত্বৎসমোহস্ত্যভ্যধিকঃ কুতোহন্যো, লোকত্রয়েহপ্যপ্রতিমপ্রভাব।।

    গীতা১১/৪৩/

    পূর্বকথাভাবচক্ষে হালদারপুকুর দর্শন (Ramakrishna)

    ও-দেশে হালদার-পুকুর বলে (Kathamrita) একটা পুকুর আছে। পাড়ে রোজ সকালবেলা বাহ্যে করে রাখত। যারা সকালবেলায় আসে, খুব গালাগাল দেয়। আবার তার পরদিন সেইরূপ। বাহ্যে আর থামে না (সকলের হাস্য) লোকে কোম্পানিকে জানালে। তারা একটা চাপরাসী পাঠিয়ে দিলে। সে যখন একটা কাগজ মেরে দিলে, বাহ্যে করিও না তখন সব বন্ধ!(সকলের হাস্য)

    লোকশিক্ষা দেবে তার চাপরাস চাই। না হলে হাসির কথা হয়ে পড়ে। আপনারই হয় না, আবার অন্যলোক। কানা কানাকে পথ দেখিয়ে যাচ্ছে। (হাস্য) হিতে-বিপরীতে। ভগবানলাভ হলে অর্ন্তদৃষ্টি হয়, কার কি রোগ বোঝা যায়। উপদেশ দেওয়া যায়।

    অহংকারবিমূঢ়াত্মা কর্তাহম্ইতি মন্যতে

    আদেশ না থাকলে আমি লোকশিক্ষা (Kathamrita) দিচ্ছি এই অহংকার হয়। অহংকার হয় অজ্ঞানে। অজ্ঞানে বোধ হয়, আমি কর্তা। ঈশ্বর (Kathamrita) কর্তা, ঈশ্বর সব করছেন, আমি কিছু করছি না—এ-বোধ হলে তো সে জীবন্মুক্ত। আমি কর্তা, আমি কর্তা—এই বোধ থেকেই যত দুঃখ, অশান্তি।

    নবম পরিচ্ছেদ

    তস্মাদসক্তঃ সততং কার্যং কর্ম সমাচার।

    অসক্তো হ্যাচরন্‌ কর্ম পরমাপ্নোতি পুরুষঃ।।

    গীতা—৩/১৯/

    কেশবাদি ব্রাহ্মদিগকে কর্মযোগ সমন্ধে উপদেশ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবাদি ভক্তের প্রতি)—তোমরা বল জগতের উপকার করা। জগৎ কি এতটুকু গা! আর তুমি কে, যে জগতের উপকার করবে? তাঁকে সাধনের দ্বারা সাক্ষাৎকার কর। তাঁকে (Ramakrishna) লাভ কর। তিনি শক্তি দিলে তবে সকলের হিত করতে পার। নচেৎ নয়।

    একজন ভক্ত—যতদিন না লাভ হয়, ততদিন সব কর্ম (Kathamrita) ত্যাগ করব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—না; কর্ম ত্যাগ করবে কেন? ঈশ্বরের চিন্তা, তাঁর নামগুণগান, নিত্যকর্ম—এ-সব করতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International Educational Trends: বদলে যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে শিক্ষার ধরন, সফল হতে কী করবেন?

    International Educational Trends: বদলে যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে শিক্ষার ধরন, সফল হতে কী করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশই বদল হচ্ছে বিশ্বব্যাপী (International Educational Trends) শিক্ষার ধরন। নিত্যনতুন প্রযুক্তি চলে আসছে। এর ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের সেই মতো দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হচ্ছে, যাতে কলেজ জীবন শেষে একটি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ তাঁরা পেতে পারেন। এই প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব, যেখানে পড়ুয়ারা বুঝতে পারবেন যে আন্তর্জাতিক শিক্ষা (International Educational Trends) ঠিক কোন পথে এগোচ্ছে, যাতে বিদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা তাঁরা বুঝতে পারেন।

    এআই নির্ভরতা কমাতে হবে (International Educational Trends)

    বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই পরীক্ষা করা হয়, যে শিক্ষার্থীদের (International Educational Trends) নিজেদের লেখার ক্ষমতা ঠিক কতটা! কারণ চ্যাট জিপিটি চলে আসার পরে এ ধরনের পরীক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। দেখতে হচ্ছে যে পড়ুয়ারা নিজেদের ভাবনা এবং ধারণাকেই প্রকাশ করছেন লেখার মাধ্যমে নাকি তাঁরা চ্যাট জিপিটির ব্যবহার করে কোথাও থেকে তা কপি করছেন (Successful Career)।

    পড়ুয়াদের ব্যক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে হবে

    অন্যদিকে, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (Successful Career) কোনও অপব্যবহার যাতে না হয় সেজন্য ইতিমধ্যে বাজারে এসেছে বেশ কিছু টুল। এই টুলগুলির মাধ্যমে দেখা হচ্ছে যে পড়ুয়ারা নিজেদের প্রজেক্টকে এআই টেকনোলজির মাধ্যমে করছেন নাকি তাঁদের নিজেদের দক্ষতা থেকে করছেন। তাই অনেক পড়ুয়াদের এআই-এর ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভশীল হওয়া যাবে না কোনওভাবে।

    পরীক্ষা ব্যবস্থাও প্রতিনিয়ত ডিজিটাল হয়ে চলেছে

    পরীক্ষা ব্যবস্থাও প্রতিনিয়ত ডিজিটাল হয়ে চলেছে। এতে পড়ুয়াদের সময় যেমন কম লাগে, তেমনই পরীক্ষার খাতার রেকর্ড অনেকদিন পর্যন্ত রাখা যায়। ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের ল্যাপটপ বা ট্যাবে ব্লু বুক খুলে এই পরীক্ষা দিতে পারেন। আন্তর্জাতিকভাবে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ব্যবস্থা।

    ভিসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের (International Educational Trends) জন্য ভিসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতিমধ্যে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমেত বেশ কতগুলি দেশ নতুন ভিসা রুট চালু করেছে। সহজেই যাতে ভিসা পেতে পারেন পড়ুয়ারা সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

    বাড়ছে বিদেশে জীবনধারনের খরচ 

    তবে এর পাশাপাশি মনে রাখতে হবে বিদেশে পড়তে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যয় একটি উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াতে বিগত বছরগুলিতে জীবনধারনের ব্যয় নয় শতাংশ বেড়েছে (International Educational Trends) বলে দাবি করেছে এক রিপোর্ট। বলে। একইভাবে পড়ার খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমেত প্রতিটি জায়গাতেই। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিতে বিদেশে যাঁরা পড়তে যান, উপরোক্ত বিষয়গুলি সম্পর্কে তাঁদেরকে অবশ্যই অবগত হতে হবে বলে জানাচ্ছেন শিক্ষাবিদরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • N Srinivasan: সিমেন্ট সংস্থার কর্তৃত্ব হারালেও শ্রীনিবাসনের হাতেই থাকছে চেন্নাই সুপার কিংস

    N Srinivasan: সিমেন্ট সংস্থার কর্তৃত্ব হারালেও শ্রীনিবাসনের হাতেই থাকছে চেন্নাই সুপার কিংস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেন্নাই সুপার কিংস দল বিক্রি করবেন না এন শ্রীনিবাসন (N Srinivasan) । ইন্ডিয়া সিমেন্টসের প্রধান এই আইপিএল ফ্রাঞ্চাইজের মালিক। মহেন্দ্র সিং ধোনি, দীর্ঘদিন চেন্নাই সুপার কিংসের (CSK) অধিনায়কত্ব করেছেন। চলতি বছরই হয়ত শেষ বারের জন্য দেখা যাবে মহেন্দ্র ধোনিকে হলুদ জার্সি গায়ে। ইতিমধ্যেই ইন্ডিয়া সিমেন্টসকে অধিগ্রহণের জন্য আল্ট্রাটেক সিমেন্ট চেষ্টা চালাচ্ছে। সূত্রের খবর সিমেন্ট সংস্থার ফের বদলের কোনও প্রভাব পড়বে না আইপিএল দলের উপর। চেন্নাই সুপার কিংসের মালিক ইন্ডিয়া সিমেটসের মালিক। তবু চেন্নাই সুপার কিংস একটি আলাদা সংস্থা। স্বাভাবিকভাবেই কোম্পানির ফের বদলের প্রভাব ক্রিকেট দলের উপর পড়বে না।

    এন শ্রীনিবাসনের হাতেই থাকছে চেন্নাই সুপার কিংসের ক্ষমতা (N Srinivasan)

    আদিত্য বিড়লা গ্রুপের হাতে রয়েছে আলট্রাটেক সিমেন্টের মালিকানা। এই সংস্থা ইন্ডিয়া সিমেন্টস এর ৩৩.৭২% মালিকানা ইতিমধ্যে পেয়ে গিয়েছে। ক্রিকবাজের অনুসারে, এন শ্রীনিবাসন (N Srinivasan) এবং তাঁর পরিবার চেন্নাই সুপার কিংস এর মালিক থাকছেন। আলট্রাটেক সিমেন্টের সঙ্গে ইন্ডিয়া সিমেন্টের যে বিজনেস ডিল হচ্ছে, তাঁর প্রভাব পড়বে না ক্রিকেট দলের মালিকানার উপরে। কারণ চেন্নাই সুপার কিংস (CSK) একটি আলাদা সত্তা। ইন্ডিয়া সিমেন্টসের মালিক চেন্নাই সুপার কিংসের মালিক হলেও ইন্ডিয়া সিমেন্টের সঙ্গে চেন্নাই সুপার কিংসের সংস্থাগত কোনও যোগ নেই। ২০১৫ সালে চেন্নাই সুপার কিংস লিমিটেডের শেয়ার ইন্ডিয়াসিমেন্ট  সিমেন্টসের শেয়ার হোল্ডাদের মধ্যে বিতরণ করা হলেও, সুপার কিংসের বেশিরভাগ শেয়ার ছিল এন শ্রীনিবাসন এবং তাঁর পরিবারের হাতেই।

    ইন্ডিয়া সিমেন্ট ও চেন্নাই সুপার কিংস আলাদা সত্তা (CSK)

    চেন্নাই সুপার কিংসের মুখ্য নির্বাহী অধিকারিক, কাশি বিশ্বনাথন বলেন, “চেন্নাই সুপার কিংস (CSK) এবং ইন্ডিয়া সিমেন্ট দুটি আলাদা সংস্থা। ইন্ডিয়া সিমেন্ট, চেন্নাই সুপার কিংসকে নিয়ন্ত্রণ করে না। চেন্নাই সুপার কিংসকে নিয়ন্ত্রণ করে ‘চেন্নাই সুপার কিংস লিমিটেড’ নামক সংস্থা। জানা গিয়েছে, চেন্নাই সুপার কিংসের বেশিরভাগ শেয়ার রয়েছে শ্রীনিবাসন (N Srinivasan), তাঁর স্ত্রী চিত্রা শ্রীনিবাসন এবং মেয়ে রুপা গুরুনাথের কাছে। যদিও সংস্থার চেয়ারম্যান আর শ্রীনিবাসন। আলট্রাটেক সিমেন্ট খুব শীঘ্রই ইন্ডিয়া সিমেন্টসকে অধিগ্রহণ করতে চলেছে।

    আরও পড়ূন: প্রথম রাউন্ডের জয় বাতিল, অলিম্পিক্সে লড়াই কঠিন হল লক্ষ্য সেনের

    অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শ্রীনিবাসন ৭৭ বছর পুরোনো সংস্থার কর্তৃত্ব হারাবেন। তবে চেন্নাই সুপার কিংসের কর্তৃত্ব থাকবে তাঁর হাতেই।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Manu Bhaker: মোদি সরকারের ‘টপস’ এবং ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের প্রশংসা ব্রোঞ্জ জয়ী মনু ভাকেরের

    Manu Bhaker: মোদি সরকারের ‘টপস’ এবং ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের প্রশংসা ব্রোঞ্জ জয়ী মনু ভাকেরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) ভারতের হয়ে প্রথম পদক জিতে নাম উজ্জ্বল করেছেন হরিয়ানার মনু ভাকের (Manu Bhaker)। এবার তাঁর মুখেই প্রশংসিত হল মোদি সরকারের টার্গেট অলিম্পিক্স পডিয়াম স্কিম (টপস) এবং খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্প। সম্প্রতি মনু ভাকেরের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে খেলো ইন্ডিয়া এবং টপস উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে দেখা যায় তাঁকে। এই প্রোগ্রামগুলি কীভাবে তাঁর এবং অন্যান্য অনেক ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সাফল্যে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রেখেছে তা উল্লেখ করেন তিনি।  

    কী জানিয়েছেন মনু ভাকের? (Manu Bhaker)

    ভাইরাল ওই ভিডিওতে মনু ভাকের বলেছেন, “আমি ২০১৮ সালে খেলো ইন্ডিয়া স্কুল গেমসে সোনা জিতেছি। তখন থেকেই আমি দেশের জন্য প্রতিনিধিত্ব করতে চেয়েছিলাম। তবে শুধু আমিই নই, আমার সঙ্গে অন্যান্য অনেক ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সাফল্যে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রেখেছে এবং সবাইকে পথ দেখিয়েছে টপস এবং খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্প। টপস ২০১৮ সাল থেকে আমাকে সহায়তা করছে, এটি আমার জীবনের একটি বড় অগ্রগতি। আমি আন্তরিকভাবে সরকারের এই প্রকল্পগুলির প্রশংসা করি। টপস এবং খেলো ইন্ডিয়া আমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাদের সহযোগিতায় আজ আমি এখানে পৌঁছেছি।” 

    অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জ জয়ী মনু

    প্রথম মহিলা শুটারও মনু (Manu Bhaker), যিনি অলিম্পিক্সে পদক পেলেন। তাই ভারতীয় শুটিংয়ের ‘পোস্টার গার্ল’ বলা হচ্ছে তাঁকে। রবিবার প্যারিস অলিম্পিক্সে মহিলাদের ১০ মিটার এয়ার পিস্তল শুটিংয়ে একটুর জন্য রুপোর পদক পাননি মনু। ০.০১ পয়েন্টের জন্য রুপো হাতছাড়া হয়েছে। শেষমেশ ২২১.৭ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে ব্রোঞ্জ পেয়ে অন্তত টোকিও অলিম্পিক্সের পদক হাতছাড়া হওয়ার দুঃখটা কিছুটা মিটেছে।

    আরও পড়ুন: গুরু গম্ভীরের প্রথম সিরিজ জয়, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি২০-তেও জয়ী ভারত

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মনুকে নিয়ে লিখেছেন, “একটি ঐতিহাসিক পদক! অনেক শুভেচ্ছা মনু ভাকেরকে প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) ভারতের প্রথম পদক জেতার জন্য! ব্রোঞ্জের জন্য অভিনন্দন। এই সাফল্য আরও বেশি বিশেষ কারণ তিনি ভারতের হয়ে শ্যুটিংয়ে পদক জয়ী প্রথম মহিলা হয়েছেন। একটি অবিশ্বাস্য অর্জন!”
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: আন্দোলনের আড়ালে সরকার উচ্ছেদের চেষ্টা জামাত-বিএনপির, দাবি হাসিনার  

    Bangladesh Protest: আন্দোলনের আড়ালে সরকার উচ্ছেদের চেষ্টা জামাত-বিএনপির, দাবি হাসিনার  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা সংস্কার (Bangladesh Protest) আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার ফেলার চেষ্টা করেছিল বিএনপি-জামাত। দাবি হাসিনা (Seikh Hasina) প্রশাসনের। সরকারিভাবে জানানো হল মৃত্যুর সংখ্যা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে নিহতদের একটা সংখ্যা এসেছে। তা হল ১৪৭। পরে সংখ্যাটি বাড়তে পারে। ১৪৭ জনের মধ্যে ছাত্র, পুলিশ, সাংবাদিক, পথচারী, হকার সহ নানান পেশার মানুষ রয়েছেন।”

    সমন্বয়ের উপর চলছে অত্যাচার (Bangladesh Protest)

    যদিও সরকারি সংখ্যা মানতে নারাজ আন্দোলনের সমন্বয়করা। সমন্বয়কদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে দাবি আন্দোলনকারী ছাত্রদের একাংশের। ইতিমধ্যেই নাহিদ ইসলাম সহ ৬ জন সমন্বয়ককে রাতের অন্ধকারে আটক করে তুলে নিয়ে যায় বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগ। সমন্বয়কদের কোথায় আটকে রাখা হয়েছে এবং কবে ছাড়া হবে তা জানানো হয়নি। পরিবার দেখা করতে চাইলে, দেখা করেননি ডিবি কর্তারা। সমন্বয়কদের জোর করে আন্দোলন (Bangladesh Protest) প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। সমন্বয়করা তাঁদের হেফাজতেই রয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ। তিনি জানিয়েছেন ওদের (সমন্বয়ক) প্রাণের ভয় আছে। নিরাপত্তার কারণে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলাম সহ বেশ কয়েকজন সমন্বয়ককে এর আগেও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁদের উপর অত্যাচার করে ঢাকার রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখান থেকে ওফের তুলে নিয়ে যায় ডিবি। যদিও সরকারের দাবি, শিক্ষার্থীদের আড়ালে বিক্ষোভ এবং নাশকতা ছড়িয়েছে বিএনপি এবং তাঁদের মৌলবাদী শরিক দল জামাত-এ-ইসলামী। তাঁরা সরকার ফেলার অপচেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

    সরকারী সম্পত্তি ছিল আন্দোলনকারীদের টার্গেট

    বাংলাদেশ সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের তরফেও একই দাবি করা হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের দাবি, নাশকতার (Bangladesh Protest) উদ্দেশ্য ছিল, সরকারের পতন ঘটানো। এই উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশ টেলিভিশনের সদর দপ্তর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। বিমানবন্দর দখল করার চেষ্টা হয়। একাধিক পুলিশ স্টেশন ছিল আন্দোলনকারীদের টার্গেটে। মেট্রো রেল এবং বেশ কয়েকটি সরকারি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই কঠিন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহল যেভাবে বাংলাদেশ সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাঁর জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

    ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বাংলাদেশ সরকার (Seikh Hasina)

    বাংলাদেশ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, “হিংসায় যাদের প্রাণ গিয়েছে, তাঁদের পরিবারকে সম্পূর্ণ সুবিচার দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Seikh Hasina), আবু সায়েদের পরিবার সহ বেশ কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে আর্থিক সহযোগিতার চেক তুলে দিয়েছেন। মৃতদের পরিবারের জীবন-জীবিকার প্রতি লক্ষ্য রাখা হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখে সহমর্মিতার কথা বললেও কোনওভাবেই (Bangladesh Protest) আন্দোলন দমনে পিছপা হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে কাউকে দেখলেই গুলি মারার নির্দেশের আওতায় খতম করা হয়নি বলে দাবি করেছে হাসিনা প্রশাসন। তবু বিরোধীদের অভিযোগ, যারা আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না, শুধুমাত্র আন্দোলনের খবর ফেসবুকে শেয়ার করেছেন, তাঁদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকার কোনওভাবেই বিরোধিতা সহ্য করতে চাইছে না।

    সরকার ফেলতে চেয়েছিল বিরোধীরা

    সরকার , ছাত্র সমাজের সমাজের পাশে আছে বলে দাবি করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Seikh Hasina) বলেন, আমরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে আছি। তবে তাঁদেরকে ঢাল বানিয়ে যেভাবে বিএনপি-জামাত জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন শুরু করেছে, আমরা সেটাকে কোনভাবেই বরদাস্ত করব না। অনেক কষ্ট করে এই দেশ আজকের এই পর্যায়ে এসেছে। মানুষের জীবনের মানের উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশ পিছিয়ে যাক, এটা হতে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সরকার (Bangladesh Protest) আন্দোলনের পাশে থেকেছে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল সরকার। প্রধানমন্ত্রী নিজে মন্ত্রী পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে ছাত্রদের দাবি শুনতে চেয়েছিলেন। সরকারের চেষ্টায় অবশেষে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার হয়েছে। এরপর হিংসাত্মক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কোনও মানে হয় না। দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, প্রধানমন্ত্রীর নিরন্তর আশ্বাস সত্ত্বেও বিএনপি-জামাত মিলিতভাবে হিংসায় ইন্ধন দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে বাংলাদেশ, খুলল অফিস, ফিরল ইন্টারনেট

    প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে একটি মন্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। আসলে তাঁরা চেয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান গণভবনে সশস্ত্র আন্দোলনকারীদের ঢুকিয়ে দিতে। যাতে শ্রীলঙ্কার মত পরিস্থিতি তৈরি হয় বাংলাদেশে। গোটা ঘটনার যথাযথ তদন্ত হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share