Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh Protest: আন্দোলনের আড়ালে সরকার উচ্ছেদের চেষ্টা জামাত-বিএনপির, দাবি হাসিনার  

    Bangladesh Protest: আন্দোলনের আড়ালে সরকার উচ্ছেদের চেষ্টা জামাত-বিএনপির, দাবি হাসিনার  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা সংস্কার (Bangladesh Protest) আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার ফেলার চেষ্টা করেছিল বিএনপি-জামাত। দাবি হাসিনা (Seikh Hasina) প্রশাসনের। সরকারিভাবে জানানো হল মৃত্যুর সংখ্যা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে নিহতদের একটা সংখ্যা এসেছে। তা হল ১৪৭। পরে সংখ্যাটি বাড়তে পারে। ১৪৭ জনের মধ্যে ছাত্র, পুলিশ, সাংবাদিক, পথচারী, হকার সহ নানান পেশার মানুষ রয়েছেন।”

    সমন্বয়ের উপর চলছে অত্যাচার (Bangladesh Protest)

    যদিও সরকারি সংখ্যা মানতে নারাজ আন্দোলনের সমন্বয়করা। সমন্বয়কদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে দাবি আন্দোলনকারী ছাত্রদের একাংশের। ইতিমধ্যেই নাহিদ ইসলাম সহ ৬ জন সমন্বয়ককে রাতের অন্ধকারে আটক করে তুলে নিয়ে যায় বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগ। সমন্বয়কদের কোথায় আটকে রাখা হয়েছে এবং কবে ছাড়া হবে তা জানানো হয়নি। পরিবার দেখা করতে চাইলে, দেখা করেননি ডিবি কর্তারা। সমন্বয়কদের জোর করে আন্দোলন (Bangladesh Protest) প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। সমন্বয়করা তাঁদের হেফাজতেই রয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ। তিনি জানিয়েছেন ওদের (সমন্বয়ক) প্রাণের ভয় আছে। নিরাপত্তার কারণে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলাম সহ বেশ কয়েকজন সমন্বয়ককে এর আগেও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁদের উপর অত্যাচার করে ঢাকার রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখান থেকে ওফের তুলে নিয়ে যায় ডিবি। যদিও সরকারের দাবি, শিক্ষার্থীদের আড়ালে বিক্ষোভ এবং নাশকতা ছড়িয়েছে বিএনপি এবং তাঁদের মৌলবাদী শরিক দল জামাত-এ-ইসলামী। তাঁরা সরকার ফেলার অপচেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

    সরকারী সম্পত্তি ছিল আন্দোলনকারীদের টার্গেট

    বাংলাদেশ সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের তরফেও একই দাবি করা হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের দাবি, নাশকতার (Bangladesh Protest) উদ্দেশ্য ছিল, সরকারের পতন ঘটানো। এই উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশ টেলিভিশনের সদর দপ্তর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। বিমানবন্দর দখল করার চেষ্টা হয়। একাধিক পুলিশ স্টেশন ছিল আন্দোলনকারীদের টার্গেটে। মেট্রো রেল এবং বেশ কয়েকটি সরকারি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই কঠিন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহল যেভাবে বাংলাদেশ সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাঁর জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

    ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বাংলাদেশ সরকার (Seikh Hasina)

    বাংলাদেশ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, “হিংসায় যাদের প্রাণ গিয়েছে, তাঁদের পরিবারকে সম্পূর্ণ সুবিচার দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Seikh Hasina), আবু সায়েদের পরিবার সহ বেশ কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে আর্থিক সহযোগিতার চেক তুলে দিয়েছেন। মৃতদের পরিবারের জীবন-জীবিকার প্রতি লক্ষ্য রাখা হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখে সহমর্মিতার কথা বললেও কোনওভাবেই (Bangladesh Protest) আন্দোলন দমনে পিছপা হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে কাউকে দেখলেই গুলি মারার নির্দেশের আওতায় খতম করা হয়নি বলে দাবি করেছে হাসিনা প্রশাসন। তবু বিরোধীদের অভিযোগ, যারা আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না, শুধুমাত্র আন্দোলনের খবর ফেসবুকে শেয়ার করেছেন, তাঁদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকার কোনওভাবেই বিরোধিতা সহ্য করতে চাইছে না।

    সরকার ফেলতে চেয়েছিল বিরোধীরা

    সরকার , ছাত্র সমাজের সমাজের পাশে আছে বলে দাবি করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Seikh Hasina) বলেন, আমরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে আছি। তবে তাঁদেরকে ঢাল বানিয়ে যেভাবে বিএনপি-জামাত জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন শুরু করেছে, আমরা সেটাকে কোনভাবেই বরদাস্ত করব না। অনেক কষ্ট করে এই দেশ আজকের এই পর্যায়ে এসেছে। মানুষের জীবনের মানের উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশ পিছিয়ে যাক, এটা হতে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সরকার (Bangladesh Protest) আন্দোলনের পাশে থেকেছে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল সরকার। প্রধানমন্ত্রী নিজে মন্ত্রী পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে ছাত্রদের দাবি শুনতে চেয়েছিলেন। সরকারের চেষ্টায় অবশেষে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার হয়েছে। এরপর হিংসাত্মক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কোনও মানে হয় না। দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, প্রধানমন্ত্রীর নিরন্তর আশ্বাস সত্ত্বেও বিএনপি-জামাত মিলিতভাবে হিংসায় ইন্ধন দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে বাংলাদেশ, খুলল অফিস, ফিরল ইন্টারনেট

    প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে একটি মন্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। আসলে তাঁরা চেয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান গণভবনে সশস্ত্র আন্দোলনকারীদের ঢুকিয়ে দিতে। যাতে শ্রীলঙ্কার মত পরিস্থিতি তৈরি হয় বাংলাদেশে। গোটা ঘটনার যথাযথ তদন্ত হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barasat: “লক্ষ্মীর ভান্ডারের হাজার টাকায় কি সংসার চলে?” দোকান গুঁড়িয়ে দিতেই ক্ষিপ্ত নাসিমা বিবি

    Barasat: “লক্ষ্মীর ভান্ডারের হাজার টাকায় কি সংসার চলে?” দোকান গুঁড়িয়ে দিতেই ক্ষিপ্ত নাসিমা বিবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো ফুটপাথ জবরদখল করে থাকা দোকান ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে (Barasat)। বুলডোজার দিয়ে ফুটপাথ জবর দখল করে থাকা সব দোকান ভেঙে দেওয়া হয়। আর রহস্যজনকভাবে এই উচ্ছেদ অভিযানে ভাঙা পড়ল না তৃণমূলের পার্টি অফিস। ভাঙা পড়ল তৃণমূল পার্টি অফিস সংলগ্ন সব দোকান। আর এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barasat)

    বারাসত দক্ষিণপাড়া মোড় থেকে হরিতলা হয়ে বড়বাজার মোড় পর্যন্ত সোমবার উচ্ছেদ অভিযানে নামে বারাসত (Barasat) পুরসভা। রাস্তার ওপর দখল করে থাকা বেআইনি দোকান ভেঙে দেওয়া হয়। দোকানের পাশে জ্বলজ্বল করছে তৃণমূলের বারাসত ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের অফিস। আশপাশের সমস্ত দোকান ভেঙে দেওয়া হলেও ওয়ার্ড অফিস ভাঙার বিষয়ে কোনও উদ্যোগ চোখে পড়ল না। কয়েকদিন আগে বারাসত পুরসভা থেকে উচ্ছেদ নোর্টিশ দেওয়া হয়েছিল। সোমবার শেষ দিন ছিল। সেই মতো এদিন সকাল থেকেই উচ্ছেদ অভিযানে নামে বারাসত পুরসভা।

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    লক্ষ্মীর ভান্ডারের ১০০০ টাকায় কি সংসার চলে?

    নাসিমা বিবি নামে এক দোকানদার বলেন, “আমার দোকানটি তৃণমূলের (Trinamool Congress) পার্টি অফিস থেকে অনেকটাই ভিতরে ছিল। ভেবেছিলাম, পার্টি অফিস ভাঙার পর আমার দোকানে হাত পড়বে। কিন্তু, দেখলাম, পার্টি অফিসে কোনও হাত পড়ল না, তারপরও আমার দোকান ভাঙা হল। ৫০ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। আমার দোকানের সব কিছু নষ্ট করে দিল। লক্ষ্মীর ভান্ডারের ১০০০ টাকায় কি সংসার চলে?” দোকান ভাঙচুর হওয়ার পর এদিন পার্টি অফিসের (Trinamool Congress) সামনে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করতেও দেখা যায় বেশ কয়েকজন মহিলাকে। তাঁরা বলেন, “পার্টি অফিস না ভেঙে আমাদের দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে, আমরা কীভাবে সংসার চালাব? বাচ্চাদের নিয়ে বিষ খেয়ে মরা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না আমাদের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi IAS Coaching Centre: কোচিং সেন্টারে পড়ুয়া মৃত্যুকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশ্যে, গ্রেফতারি বেড়ে ৭

    Delhi IAS Coaching Centre: কোচিং সেন্টারে পড়ুয়া মৃত্যুকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশ্যে, গ্রেফতারি বেড়ে ৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজেন্দ্রনগরে আইএএস কোচিং সেন্টারে (Delhi IAS Coaching Centre) বেসমেন্টের জমা জলে ডুবে পড়ুয়া মৃত্যুর ঘটনায় আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, মোট গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭। ইতিমধ্যে দিল্লি পুরনিগম থেকে ১৩টি কোচিং সেন্টার সিল করে দিয়েছে। এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার একাধিক রোমহর্ষ ভিডিও (Sensational video) সামনে আসতে শুরু করেছে। এই দুর্ঘটনার পর এবার বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে তৎপর হল দিল্লির প্রশাসন। সোমবার সকাল থেকে পুরনিগম বুলডোজার দিয়ে সেই নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করেছে। তবে নির্মাণ ভাঙার আগে পুলিশের কাছে অনুমতি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভাঙার কাজে উপস্থিত ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    ভিডিও ভাইরাল (Delhi IAS Coaching Centre)

    জলমগ্ন কোচিং সেন্টারের (Delhi IAS Coaching Centre) ভাইরাল একটি ভিডিওতে (Sensational video) দেখা যাচ্ছে, সেন্টারের বাইরে জলমগ্ন রাস্তায় জলের স্রোত ভেঙে দ্রুত গতিতে একটি গাড়ি ছুটে চলেছে। সেই গাড়ির গতি জলের উপরে ঢেউ তৈরি করেছে। এরপর সেই ঢেউ আছড়ে পড়ে কোচিং সেন্টারে। একাধিক মানুষের দাবি, সেই গাড়িটি দ্রুত গতিতে যাওয়ায় জলের তীব্র গতি কোচিং সেন্টারের দরজায় ধাক্কা মারে। এরপর তার জেরেই দরজা ভেঙে জল ঢুকে গিয়েছিল বেসমেন্টে। দিল্লি পুরসভার মেয়র শেলী ওবেরয় বলেছেন, “এই কোচিং সেন্টারগুলি বেআইনি ভাবে বেসমেন্ট ব্যবহার করছিল। সবগুলিকে সিল করে কর্তৃপক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই সব কোচিং সেন্টারেই শুধুমাত্র গাড়ি পার্কিং এবং জিনিসপত্র রাখার গুদামঘরের অনুমতি ছিল। কিন্তু ক্লাসরুম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, এটা নিয়মবিরুদ্ধ।

    আরও পড়ুনঃ জুলাইয়ে কাশ্মীরে তাপপ্রবাহ! ২৫ বছরে রেকর্ড তাপমাত্রা, ছোটদের স্কুল বন্ধের নির্দেশ

    ১৩টি কোচিং সেন্টার সিল

    রাজধানী দিল্লির ১৩টি কোচিং সেন্টার (Delhi IAS Coaching Centre) বন্ধ করে দিল দিল্লি পুরনিগম। এই কোচিং সেন্টারগুলির বিরুদ্ধে নির্মাণ বিধিনিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। কোচিং সেন্টারগুলি হল, আইএএস গুরুকুল, চাহাল অ্যাকাডেমি, প্লুটাস অ্যাকাডেমি, সাই ট্রেডিং, আইএএস ব্রিজ, টপার্স অ্যাকাডেমি, দৈনিক সংবাদ, সিভিল ডেইলি আইএএস, কেরিয়ার পাওয়ার, ৯৯ নোট, বিদ্যা গুরু, নির্দেশিকা আইএএস, ইজি ফর আইএএস। কোচিং সেন্টারে পড়ুয়া মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই উত্তাল দিল্লি। একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন পড়ুয়ারা। পুরনিগমের এক আধিকারিক বলেছেন, “কোচিং সেন্টারের মালিকের গাফিলতির লক্ষ্য করা গিয়েছে। যে নিয়ম বেসমেন্টের নিয়ম রয়েছে, তা এখানে ঠিক করে পালন করা হয়নি। জল ঢুকলেও অনেকেই বেরিয়ে যেতে পারতেন, কিন্তু তা ঘটেনি। প্রশাসনের আইনকে অমান্য করে বেসমেন্টের নিচে চলছে রমরমিয়ে ব্যবসা। গত বছর মুখার্জিনগরে একটি কোচিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডের পর কড়া নজরদারি শুরু করেছিল দিল্লি প্রশাসন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যৌথ অভিযানের উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। অভিযানে অংশ নেবেন একজন ভারতীয় গগনযাত্রীও (Gaganyatri)। তিনি অবশ্য হবেন কোনও ভারতীয় নভশ্চর। লোকসভায় এ কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)।

    ইসরো, নাসার যৌথ উদ্যোগ (Jitendra Singh)

    এই মিশনটি হতে চলেছে ইসরো, নাসা এবং নাসা স্বীকৃত প্রাইভেট সংস্থা তথা অ্যাক্সিওম স্পেসের যৌথ প্রয়াসে। সম্প্রতি মহাকাশ মিশনের অংশ হিসেবে, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাত্রার জন্য ইসরো অ্যাক্সিওম স্পেসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। লিখিত জবাবে লোকসভায় মন্ত্রী জানান, নাসার সঙ্গে যৌথ মিশনে নেমেছে ইসরো। এই মিশনেরই অংশ হিসেবে ইসরোর তরফে এক গগনযাত্রীকে পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে।

    বেসরকারি উদ্যোগ

    নাসার তরফে জানানো হয়েছে, বেসরকারি উদ্যোগে চতুর্থবারের জন্য আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে মহাকাশচারীদের নিয়ে যেতে অ্যাক্সিওমের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে নাসা। এই চুক্তি মোতাবেক, চলতি বছরের অগাস্ট মাসের পরে বেসরকারি উদ্যোগে নভশ্চরদের নিয়ে যাওয়া হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ইসরোও (Jitendra Singh)।

    জানা গিয়েছে, এই মিশনের জন্য ইতিমধ্যেই চার নভশ্চরকে বেছে নিয়েছে ইসরো। ইসরোর পক্ষ থেকে তাঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। তার আগে এঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন রাশিয়ায়। তবে প্রশিক্ষণের শেষ ধাপ সম্পূর্ণ হবে ভারতেই। প্রশিক্ষণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “গগনযাত্রীদের তিন ধাপ প্রশিক্ষণ পর্বের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে দুধাপ। এক ধাপের প্রশিক্ষণ এখনও বাকি।”

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    চারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও, মহাকাশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন তিনজন। তবে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর আগে পাঠানো হবে যন্ত্রমানব। তার যাত্রাপথ মসৃণ হলে, তবেই মহাকাশে পাঠানো হবে রক্তমাংসের মানুষ। ইসরোর ওই মিশন হবে তিন দিনের। শুরু হতে পারে ২০২৫ সালে।

    যে যানটিতে করে নভশ্চরদের (Gaganyatri) মহাকাশে পাঠানো হবে, সেই যান সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, “মানব-রেটেড লঞ্চ ভেহিক্যালের কঠিন ও তরল প্রপালশন পর্যায়গুলি ফ্লাইট ইন্টিগ্রেশনের জন্য প্রস্তুত (Jitendra Singh)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nadia: কলেজের মধ্যে পিস্তল হাতে তৃণমূল ছাত্র নেতা! ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল

    Nadia: কলেজের মধ্যে পিস্তল হাতে তৃণমূল ছাত্র নেতা! ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিস্তল হাতে কলেজ ইউনিয়ন রুমের মধ্যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সভাপতি! ভিডিও ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে শাসক দল। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরের একটি কলেজে। এই ঘটনা জানাজানি হতে জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূল ছাত্র নেতার এই আচরণে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    ভাইরাল ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে? (Nadia)

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কৃষ্ণনগরের (Nadia) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কলেজ ইউনিয়নের একটি ঘরের মধ্যে বেশ কয়েকজন তৃণমূল ছাত্র নেতা-কর্মী বসে রয়েছেন। এরমধ্যে একজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। তিনি কৃষ্ণনগর শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি ইমরান শেখ। আর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তৃণমূলের কৃষ্ণনগর শহর ছাত্র পরিষদের সভাপতি ইমরান শেখ বলেন, “যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিওতে আমি নেই। বোঝাই যাচ্ছে এটা পুরোটাই বিরোধীরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। যে বা যারা এই ভিডিওটি ভাইরাল করে আমার নামে দোষারোপ করার চেষ্টা করছে, আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেব।”

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি

    এই প্রসঙ্গে নদিয়া (Nadia) জেলা উত্তরের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সম্রাট পাল বলেন, “ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে সেটা আমাদের শহর সভাপতি ইমরান শেখ নয়। তাছাড়া, প্রথমে জানতে হবে, পিস্তলটি আসল কি না। এখন ফ্লিপকার্টেও এই ধরনের খেলনা পিস্তল পাওয়া যাচ্ছে। এটা পুরোটাই বিজেপির চক্রান্ত। আর যিনি এই ভিডিওটি ছেড়েছেন তিনি বিজেপি নেতা রাজশ্রী লাহিড়ী। তিনি প্রমাণ করুন,এই পিস্তলটি আসল। আমরা আইনজীবীর সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা আইনত ব্যবস্থা নেব।” ভাইরাল ভিডিওতে কী রয়েছে দেখে নিন।

    <

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সন্দীপ মজুমদার। তিনি বলেন, “এটা তৃণমূলের কালচার। এখানে যা কিছু হয় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় হয়। যে ছাত্রের হাতে খাতা কলম থাকার কথা, সেই ছাত্রের হাতে রয়েছে পিস্তল। সেই কারণেই সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের বলব, আপনারা তৃণমূল (TMCP) থেকে নিজের ছেলে-মেয়েকে সরিয়ে আনুন। এরা আপনার ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দেবে। অবিলম্বে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Sri Lanka: গুরু গম্ভীরের প্রথম সিরিজ জয়, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি২০-তেও জয়ী ভারত

    India vs Sri Lanka: গুরু গম্ভীরের প্রথম সিরিজ জয়, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি২০-তেও জয়ী ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি (India vs Sri Lanka) সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে নিল ভারত। শনিবার, প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৪৩ রানে হারিয়ে দিয়েছিল সূর্যবাহিনী। রবিবার দ্বিতীয় ম্যাচেও আধিপত্য বজায় রেখে জিতে নেয় নতুন টিম ইন্ডিয়া। এদিনের ম্যাচে প্রথম ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা তুলেছিল ১৬১ রান। বৃষ্টির জন্য ভারতের লক্ষ্য হয় ৮ ওভারে ৭৮ রান। ফলে সহজেই তা করে নেয় ভারত। ফলে, এক ম্যাচ বাকি থাকতেই তিনম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত (India Beats Sri Lanka)। দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সিরিজেই জয়ের স্বাদ পেলেন গুরু গম্ভীরও।

    শুরুটা ভালো করলেন সূর্যকুমার (India vs Sri Lanka)

    রবিবার,  ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাটিং করে ৯ উইকেটে ১৬১ রান তুলেছিল শ্রীলঙ্কা৷  শেষ ৩১ রানে ৭ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা৷ ৪ ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা পুরস্কার জিতে নেন বিষ্ণোই৷ অক্ষর ৪ ওভারে ৩০ রান খরচ করে ২টি উইকেট তুলে নেন৷ বৃষ্টির জন্য ভারতীয় ইনিংস অনেক দেরিতে শুরু হয় ৷ ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে জয়ের জন্য সূর্যকুমারদের লক্ষ্যমাত্রা হয় ৮ ওভারে ৭৮৷ কিন্তু, মাত্র ৬.৩ ওভারেই তিন উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টিম ইন্ডিয়া৷ যশস্বী ১৫ বলে ৩০ রান করেন। ১২ বলে ২৬ রান করেন সূর্যকুমার। হার্দিক ৯ বলে ২২ রান করেন। এর আগে, শনিবার, সিরিজের প্রথম ম্যাচে (India vs Sri Lanka) ভারতীয় দল করেছিল ২১৩/৭। জবাবে, ১৭০ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।  ৪৩ রানে জিতে যায় ভারত (India Beats Sri Lanka)।

    আরও পড়ুন: মলদ্বীপের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ মুইজ্জুর

    এশিয়া কাপ ফাইনালে হার ভারতের 

    তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে (India vs Sri Lanka) প্রথম দুটি ম্যাচ ভারত জিতলেও মহিলা এশিয়া কাপের ফাইনালে এসে থমকে যায় ভারতের বিজয়রথের চাকা। আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কার কাছে ফাইনালে আট উইকেটে হেরে (Women Asia Cup 2024 Final) রানার্স হয়ে দেশে ফিরছেন হরমনপ্রীতরা। সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে ১০ উইকেটে গুঁড়িয়ে ফাইনাল খেলতে নেমেছিল ভারত। শেফালি বর্মা ও স্মৃতি মন্ধানার ওপেনিং জুটিতে ৬.২ ওভারে এসেছিল ৪৪ রান। তবে ১৯ বলে ১৬ রান করে আউট হয়ে যান শেফালি। এরপরেও স্মৃতি একটা প্রান্ত ধরে রেখেছিলেন। কিন্তু তাঁকে সঙ্গ দেওয়ার মতো এদিন কাউকে সেভাবে পাওয়া গেল না। শেষমেশ আট বল হাতে রেখে ম্যাচ শেষ করে শ্রীলঙ্কা। এরইসঙ্গে টি-২০ ক্রিকেটে জিতে শ্রীলঙ্কা পেল প্রথম মেয়েদের এশিয়া কাপ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahool-Federation conflict: মাথায় তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই, ফেডারেশনের ‘দৌরাত্ম্যে’ টলিপাড়ায় বন্ধ শুটিং

    Rahool-Federation conflict: মাথায় তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই, ফেডারেশনের ‘দৌরাত্ম্যে’ টলিপাড়ায় বন্ধ শুটিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়কে নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে টলিপাড়ায় বাংলা সিনেমা-ধারবাহিক শুটিং (Shooting closed) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল পরিচালকদের সংগঠন। পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার থেকে টলিপাড়ায় বাংলা সিনেমা-ধারবাহিক শুটিং (Shooting closed) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়েছে। পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়কে (Rahool-Federation conflict) কেন্দ্রে রেখে, ফেডারেশনের দৌরাত্ম্য রুখতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ডিরেক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “রাহুলের আগামী ছবিতে পুরনো পদ ফিরিয়ে না দিলে কোনও পরিচালক শুটিং ফ্লোরে যাবেন না।” অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন, অপর্ণা সেন, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, তথাগত মুখোপাধ্যায়, মানসী সিনহা-সহ একাধিক পরিচালক। ফেডারেশন বনাম পরিচালক ও প্রযোজক সংঘাতে আড়াআড়ি বিভক্ত টলিউড। 

    ফেডারেশনের সভাপতি তৃণমূল মন্ত্রীর ভাই (Rahool-Federation conflict)

    অপর দিকে প্রতিবাদী পরিচালকদের একাংশের দাবি, টলিপাড়ায় একাধিপত্য চলে রাজ্যের মন্ত্রী তথা টালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের। ছবির শুটিং, টেকনিশিয়ান ও স্টুডিও-তে ফেডারেশনের তরফে বিশেষ প্রভাবশালী তিনি। পদাধিকার বলে তিনিই সভাপতি। রাহুলকে পরিচালক হিসাবে কাজ করতে না দেওয়ার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে টলিউডে। ফেডারেশন-এর আওতা ভুক্ত টেকনিশিয়ানরা শ্যুটিং-এর (Shooting closed) কাজে অসহযোগিতা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এই প্রতিবাদী পরিচালক।

    পরিচালকদের মতকে গুরুত্ব দিতে হবে (Rahool-Federation conflict)

    রবিবার রাতে রাহুলের (Rahool-Federation conflict) পক্ষ নিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ডিরেক্টর্স গিল্ড বলেছে, “অধিকাংশ পরিচালক সদস্যদের আবেগ ও মতামতকে গুরুত্ব এবং মান্যতা দিয়ে সংগঠনের কার্যকারী সমিতি, আগামীকাল ২৯ জুলাই থেকে যত দিন পর্যন্ত পরিচালকদের সমস্যার সমাধান না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত বাংলা ভাষার সমস্ত শুটিং ফ্লোরে সদস্যদের অনুপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে। বাংলা ভাষা ছাড়া অন্য ভাষার ক্ষেত্রে এই অনুরোধ প্রযোজ্য নয়।”

    টলিউডে ফেডারেশনের আধিপত্য?

    এসভিএফের পুজোর ছবির পরিচালক হিসাবে রাহুল মুখোপাধ্যায়কে ফেডারেশন মেনে না নিলে ফ্লোরে যাবেন না পরিচালকরা। সেই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তে অনড় পরিচালকেরা। এই দাবির ওপর নির্ভর একটি স্বাক্ষর বার্তা ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে লেখা হয়েছে, “গতকাল ২৭ জুলাই রাহুল মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় একটি বাংলা ছবির শ্যুটিং টেকনিশিয়ান স্টুডিও-তে ছিল। ফেডারেশন-এর আওতা ভুক্ত টেকনিশিয়ানরা সেই শ্যুটিং-এ উপস্থিত হননি, ফলত শ্যুটিং করাই যায়নি এবং ওখানে উপস্থিত পরিচালক, অভিনয় শিল্পী সকলে চূড়ান্ত অপমানিত হন। এই মর্মে অন্যান্য অনেক পরিচালক ওখানে উপস্থিত হয়ে যে বিবৃতি দেন, তার সূত্র ধরে আমরা প্রস্তাব করতে চাই, যতক্ষণ না রাহুল মুখোপাধ্যায়কে পরিচালক হিসেবে মেনে নিয়ে ফেডারেশনের কলাকুশলীরা শ্যুটিং করতে রাজি হচ্ছেন, ততক্ষণ আমরা পরিচালকরা আগামীকাল (২৯ জুলাই ২০২৪, সোমবার) থেকে মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত অসহযোগিতায় যেতে বাধ্য হচ্ছি।” তাতে সম্মতি জানিয়েছেন রাজ চক্রবর্তী, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল, দেবালয় ভট্টচার্য, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, মানসী সিনহা, তথাগত মুখোপাধ্যায়, পাভেল,রাজা চন্দ, অভিজিৎ সেন, অমিত দাস, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভ্রজিৎ মিত্র, রাজর্ষি দে সহ টলিউডের পরিচালকেরা। তবে শুটিং বন্ধ থাকলেও প্রাক প্রডাকশনের কাজ বন্ধ হয়নি।

    আরও পড়ুনঃ বক্স অফিসে নয়া রেকর্ড! ২৮ দিনে ১ হাজার ১০০ কোটি ছুঁল প্রভাসের ‘কল্কি’

    ফেডারেশেনের বক্তব্য

    পরিচালক হিসাবে রাহুলের উপর নিষেধাজ্ঞা (Rahool-Federation conflict) করার অভিযোগে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। টলিউড ফেডারেশেনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস বলেছেন, “পরিচালক হিসেবে রাহুল মুখোপাধ্যায়ের কাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ডিরেক্টরস গিল্ড। তাঁরাই পারবেন এই নিষেধাজ্ঞা তুলতে। ফেডারেশনের এখানে কিছু করার নেই। পরিচালকদের সঙ্গে কথা হবে সামনাসামনি। নচেৎ সিদ্ধান্ত আগের জায়গায় স্থির থাকবে।” অপর দিকে জানা গিয়েছে ডিরেক্টরস গিল্ড নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও ফেডারেশন এখনও তোলেনি। তাই তৃণমূল মন্ত্রীর এই ভাই পরিচালকদের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করে অচলাবস্থা সৃষ্টি করছেন বলে একাংশের দাবি। কবে সমাধান হয় তাই এখন দেখার।

    অচল অবস্থা কাটাতে বৈঠক প্রসেঞ্জিৎ-এর বাড়িতে

    আবার এই অচল অবস্থা কাটাতে সোমবার বৈঠক ডাকা হয়েছিল প্রসেঞ্জিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন টলিপাড়ার পরিচালক এবং প্রযোজকেরা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রাজ চক্রবর্তী, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, গৌতম ঘোষ, বিরসা দাশগুপ্ত, সুদেষ্ণা রায়, অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী, সুব্রত সেন প্রমুখ। বৈঠকের পর রাজ চক্রবর্তী বলেছেন, “আমরা এই বিষয় নিয়ে চিন্তিত। ফেডারেশনের আওতায়ভুক্ত কলাকুশলীরা, টেকনিশিয়ানরা সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani AIIMS: রাজ্য সরকারের বন্ডের গেরো! কল্যাণী এইমস হাসপাতালে মিলছে না চিকিৎসক

    Kalyani AIIMS: রাজ্য সরকারের বন্ডের গেরো! কল্যাণী এইমস হাসপাতালে মিলছে না চিকিৎসক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল্যাণী এইমস (Kalyani AIIMS) হাসপাতাল চালু হওয়ার পর থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলা থেকেই রোগীরা ভিড় করছেন। বাংলাদেশ থেকেও বহু রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসছেন। দিন দিন রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। কিন্তু, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে চিকিৎসক পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে, চিকিৎসক সংকটে ভুগছে এই হাসপাতাল। বিজ্ঞাপন দিয়েও মিলছে না সাড়া।

    আউটডোরে প্রতিদিন আসেন আড়াই হাজার রোগী! (Kalyani AIIMS)

    হাসপাতাল (Hospital) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে আউটডোর ইউনিট চালু হয়। আর চলতি বছরে ২৫ ফেব্রুয়ারি গুজরাত থেকে কল্যাণী এইমস-এর (Kalyani AIIMS) ইন্ডোর পরিষেবার ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, গোড়ায় আউটডোরে রোগীর সংখ্যা দিনে একশোও হত না। এখন দৈনিক প্রায় আড়াই হাজার রোগী হাসপাতালে আসেন। বেডের সংখ্যা ৯৬০। চিকিৎসকদের জন্য ২৫৯টি পদ রয়েছে। কিন্তু, শূন্যপদের সংখ্যা একশোরও বেশি। বিজ্ঞাপন দিয়েও ভিনরাজ্যের চিকিৎসকদের কাছ থেকে সাড়া মেলেনি। এর ফলে সীমিত লোকবলে পরিষেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, অবস্থানগত কারণে চিকিৎসক পদে ভিনরাজ্যের আবেদনকারীর সংখ্যা কম। তাছাড়া বাংলা থেকে দক্ষ চিকিৎসক পেতেও সমস্যা হচ্ছে। মূলত, নতুন চিকিৎসকদের জন্য সরকার ৩ বছরের বন্ড চালু করেছে। তাই তাঁরা চাইলেও আবেদন করতে পারছেন না।

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    কল্যাণী এইমস-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর কী বললেন?

    কল্যাণী এইমস-এর (Kalyani AIIMS) এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রামজি সিং বলেন,”চিকিৎসকদের সংখ্যা কম। এই মুহূর্তে হাসপাতালে (Hospital) ১৫৭ জন চিকিৎসক রয়েছেন। ফলে, আমরা কিছুটা পিছিয়ে রয়েছি। যেখানে শূন্যপদের সংখ্যা ২৫৯। সম্প্রতি আমরা বিজ্ঞাপন দিয়েছি। কিন্তু, আবেদনকারীর সংখ্যা যেমন কম, তেমনই যোগ্য প্রার্থীর অভাব রয়েছে। আর এখানকার চিকিৎসকরা রাজ্য সরকারের বন্ডের নিয়মে আবেদন করতে পারছেন না। বাংলার মানুষকেই আমরা পরিষেবা দিচ্ছি। তাই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হলে চিকিৎসা পরিষেবা আরও ভাল হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pesticides: ধূমপানের মতোই কীটনাশকও বাড়ায় ক্যান্সারের ঝুঁকি, প্রকাশ পেল রিপোর্ট

    Pesticides: ধূমপানের মতোই কীটনাশকও বাড়ায় ক্যান্সারের ঝুঁকি, প্রকাশ পেল রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধূমপানের মতো কীটনাশকের (Pesticides) ব্যবহারেও ঝুঁকি রয়েছে ক্যান্সারের (Cancer Risk)। সম্প্রতি, এমনই তথ্য উঠে এল মার্কিন দেশের এক গবেষণায়। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, এমন ৬৯টি কীটনাশক রয়েছে যার মধ্যে চারটি সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় আমাদের দেশে, এগুলি বাড়ায় ক্যান্সারের ঝুঁকি। এই সাম্প্রতিক গবেষণাতে (Pesticides) তিন ধরনের ক্যান্সারের কথা জানা গিয়েছে এগুলি হল, লিম্ফোমা, লিউকেমিয়া এবং মূত্রাশয়ের ক্যান্সার। মূলত, এই তিন ধরনের ক্যান্সার বেশি ছড়ায় কীটনাশকের ব্যবহারে। এমনটাই জানিয়েছে গবেষণাকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: ফের লাভ জিহাদ! হিন্দু মেয়েকে তুলে নিয়ে গেল মুসলমান শ্রমিক

    ফ্রন্টিয়ার্স ইন ক্যান্সার কন্ট্রোল অ্যান্ড সোসাইটির গবেষণা (Pesticides)

    প্রসঙ্গত, এই গবেষণাটি চালিয়েছে ফ্রন্টিয়ার্স ইন ক্যান্সার কন্ট্রোল অ্যান্ড সোসাইটি। এই সমীক্ষায় উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে এসেছে কতগুলি কীটনাশকের (Pesticides) নাম, 2,4-D, Acephate, Metolachlor এবং Methomyl. এই কীটনাশকগুলি থেকেই বেশি ছড়াচ্ছে ক্যান্সার, এমনটাই জানিয়েছেন গবেষকরা। সাধারণত ভারতে কীটপতঙ্গ এবং আগাছা থেকে ফসল রক্ষা করতে ব্যবহৃত (Cancer Risk) হয় এই ধরনের কীটনাশকগুলি।

    প্রথমবারের জন্য কোনও মার্কিন ভিত্তিক সংস্থা এমন গবেষণা  

    প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ এবং সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল থেকে বিভিন্ন ডেটা বিশ্লেষণ করে গবেষকরা আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন। ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মার্কিন দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার দেখা গিয়েছে, এগুলির জন্য কীটনাশকের ব্যবহারকেই দায়ী করছেন গবেষকরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম দিকের প্রদেশগুলিতে এই সময়ের মধ্যে কীটনাশক (Pesticides) ব্যবহারের ফলে মুত্রাশয়ের ক্যান্সার, লিউকেমিয়া ইত্যাদি ক্যান্সারে আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়েছে। প্রসঙ্গত, এই প্রথমবারের জন্য কোনও মার্কিন ভিত্তিক সংস্থা গবেষণা চালাল ধূমপানের মতোই কীটনাশকের ব্যবহারেও ঝুঁকি রয়েছে ক্যান্সারের।

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • AI: জাপানের ৪০ শতাংশের বেশি সংস্থা এআই ব্যবহার করতে চায় না, কারণ কী জানেন?

    AI: জাপানের ৪০ শতাংশের বেশি সংস্থা এআই ব্যবহার করতে চায় না, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশটা প্রযুক্তি নির্ভর। অথচ নয়া প্রযুক্তিকে আলিঙ্গন করতে তাদের বড্ড অনীহা! এই দেশটির ৪০ শতাংশের বেশি কোম্পানি (Japanese Companies) এখনই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সংক্ষেপে এআই (AI) ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে না। আজ্ঞে, হ্যাঁ, শুনতে যেমন তেমন হলেও, এটাই ঘোর বাস্তব। অন্তত, সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। এআই হল একটি কম্পিউটার বা কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবটের কাজ করার ক্ষমতা যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত। ওই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, জাপানের বহু সংস্থা এআই ব্যবহার করলেও, ৪০ শতাংশের বেশি কোম্পানি এখনই এআই ব্যবহার করতে রাজি নয়।

    সমীক্ষা রয়টার্সের (AI)

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের হয়ে সমীক্ষাটি করেছিল নিইকি রিসার্চ। জুলাইয়ের ৩ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে উদীয়মান সূর্যের দেশের ৫০৬টি কোম্পানির কাছে একগুচ্ছ প্রশ্ন রেখেছিলেন সমীক্ষকরা। উত্তর দিয়েছেন ২৫০ কোম্পানির কর্ণধাররা। নাম প্রকাশ করা হবে না এই শর্তেই তাঁরা জবাব দিয়েছেন সমীক্ষকদের নানা প্রশ্নের। তার ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে রিপোর্ট।

    কী বলছেন উত্তরদাতারা?

    জানা গিয়েছে, ২৪ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁরা ইতিমধ্যেই তাঁদের ব্যবসায় এআই (AI) ব্যবহার করছেন। এআই ব্যবহার করার কথা ভাবছেন ৩৫ শতাংশ উত্তরদাতা। বাকি ৪১ শতাংশের এই জাতীয় কোনও পরিকল্পনাই নেই। যে দেশটা কর্পোরেট কালচারে অভ্যস্ত, সেখানেই কিনা উন্নত প্রযুক্তিকে সাদরে গ্রহণ করতে গিয়ে বস্তুত নাক সিঁটকোচ্ছেন কোম্পানির কর্ণধারদের একটা অংশ।

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    এআই ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী? প্রশ্নের উত্তরে উত্তরদাতাদের ৬০ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা শ্রমিকের ঘাটতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করছেন। ৫৩ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁদের লক্ষ্য শ্রমব্যয় কমানো। ৩৬ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁরা এআই ব্যবহার করছেন গবেষণা এবং উন্নয়নের স্বার্থে।

    এআই ব্যবহার করছেন, এমন অনেকে আবার ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন। ১৫ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, গত বছর তাঁরা সাইবার হামলার শিকার হয়েছিলেন। ৯ শতাংশ উত্তরদাতা আবার জানিয়েছেন, তাঁদের ব্যবসায়িক অংশীদাররাও সাইবার হামলার শিকার হয়েছেন (Japanese Companies)। ৪ শতাংশ উত্তরদাতা আবার জানিয়েছেন, তাঁদের তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে (AI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share