Tag: Bengali news

Bengali news

  • Potato Price: ধর্মঘট উঠলেও দাম কমেনি আলুর! হেলদোল নেই রাজ্যের, ক্ষোভ বাড়ছে রাজ্যবাসীর

    Potato Price: ধর্মঘট উঠলেও দাম কমেনি আলুর! হেলদোল নেই রাজ্যের, ক্ষোভ বাড়ছে রাজ্যবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ঘটা করে আলু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে ধর্মঘট তোলার ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যবাসীর আশা ছিল, এবার হয়তো আলুর দাম (Potato Price) নাগালে আসবে। কিন্তু, দুদিন হতে চলল আলুর দাম কমার কোনও নাম গন্ধ নেই। তৃণমূল সরকারের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে রাজ্যবাসীর।

    আলুর কেজি প্রতি দাম ৪০-৫০ টাকা (Potato Price)

    বুধবার, কৃষি দফতরের সচিব, জেলাশাসক ও পুলিশকর্তাদের বৈঠকে মুখ্যসচিব বলেছিলেন, “হিমঘরে ২০ শতাংশ আলু রাজ্য সরকারের মালিকানাধীন। সেই শতাংশ আলু বাজারে (Market) এনে আলুর জোগান বাড়াতে হবে। এরপরও প্রয়োজন হলে, রাজ্য সরকার ২৬ টাকা কিলো দরে আলু কিনে সুফল বাংলা ও সেলফ হেল্প গ্রুপের মাধ্যমে বিক্রি করবে।” কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। খোলা বাজারে শুক্রবারও রাজ্যের বহু জায়গাতেই কিলো প্রতি জ্যোতি আলুর দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে ঘুরছে। আর চন্দ্রমূখীর দাম ৪৫-৫৫ টাকার আশপাশে রয়েছে। অভিযোগ, অনেক জায়গাতেই ডামাডোলের সুযোগ নিয়ে চড়া দামে আলু বিক্রি করছেন খুচরো ব্যবসায়ীরা। সরকারের কোনও হেলদোল নেই।

    আরও পড়ুন: ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস, দেশের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন

    ১০০টি আলু বোঝাই গাড়ি আটক

    পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে প্রায় শ’খানেক আলু বোঝাই ট্রাক আটক করেছে পুলিশ। মূল্যবৃদ্ধির (Potato Price) রুখতে ভিন রাজ্যে আলু ট্রাক যাওয়ার সময় আটকে দিল পুলিশ-প্রশাসন। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন থানার বামুনপুকুর ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে ট্রাকগুলিকে আটকে দেওয়া হয়। প্রায় শতাধিক আলুর ট্রাক চলে যাচ্ছিল ভিনরাজ্যে। আলুর এই নেই-নেই পরিস্থিতিতেও যদি চুপিসাড়ে অন্য রাজ্যে পাচার হয়ে যায় আলু, তাহলে বাজারে দাম আরও চড়বে। গাড়ি চালকরা জানান, চন্দ্রকোনা থেকে গাড়িতে আলু তোলা হয়। রাতেই তারা দাঁতনে আসেন। দাঁতন থানার পুলিশ আটক করেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আসানসোলের বাজারে (Market) জেলাশাসক অভিযানে নামেন। আলুর দাম চড়া না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। শুক্রবার থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আসানসোলের মতো রাজ্যের সব জায়গায় অভিযান চালিয়ে দাম কমানো দরকার। কারণ, এদিনও চড়া দামেই আলু বিক্রি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gold Price: বাজেটের পর সোনার দামে বিরাট হ্রাস! প্রতি ১০ গ্রামে কমল ৫০০০ টাকা

    Gold Price: বাজেটের পর সোনার দামে বিরাট হ্রাস! প্রতি ১০ গ্রামে কমল ৫০০০ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেটে (Budget 2024) সোনা-রুপোর (Gold Price) উপর শুল্ক কমানো ঘোষণার পর থেকে এই মূল্যবান ধাতুর দাম কমে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই বুলিয়ান বাজারে সোনার দাম ১০০০ টাকা কমেছে। প্রতি ১০ গ্রাম ৭০,৬৫০ টাকায় নেমে এসেছে। সরকার সোনার উপর প্রতি ১০ গ্রামে ৭ শতাংশ অর্থাৎ ৫০০০ টাকা আমদানি শুল্ক কমিয়েছে। একই ভাবে রুপোর দামও ব্যাপক ভাবে হ্রাস পেয়েছে। প্রতি কেজিতে ৩৫০০ টাকা কমে ৮৪০০০ হাজার দামে পৌঁছেছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা এবার লাভজনক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কেন কমে গেল সোনার মূল্য (Gold Price)?

    গত ২৩ জুলাই ২০২৪-এর বাজেটে (Budget 2024) দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মালা সীতারামণ সোনার (Gold Price) উপর শুল্ক কমানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন। আর তাই সোনার দাম গত তিন দিনে ১০ গ্রাম প্রতি ৫০০০ টাকা কমে গিয়েছে। ২২ জুলাই বুলিয়ন বাজারে সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ৭৫,৬৫০ টাকায় বন্ধ হয়েছিল। তারপর সোনার দাম কমেছে ৬.৬০ শতাংশ। একই ভাবে রুপোর দাম কেজি প্রতি ৯১ হাজার থেকে কমে ৮৪ হাজার টাকায় নেমেছে। ফলে গত তিন দিনে রুপোর দামও কমেছে ৭,০০০ টাকা।

    বিদেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে

    শুল্ক কমানোর জন্য বিদেশের বাজারেও সোনা-রুপোর (Gold Price) দাম কমে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আউন্স প্রতি ৪২.২০ ডলার কমে ২,৪২১.৮০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। একই ভাবে রুপো আউন্স প্রতি ২৮.০৪ ডলারে বন্ধ হয়েছে। এই বুলিয়ান বাজারে সোনা-রুপোর দাম কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও প্রভাব পড়েছে। এইচডিএফসি সিকিউরিটিজের সিনিয়র কমোডিটি অ্যানালিস্ট সৌমিত্র গান্ধী বলেছেন, “ইউরোপের বাজারে সোনার দামে পতন ঘটায় বৃহস্পতিবারে সোনার দাম কমেছে। এ ছাড়া মার্কিন অর্থনীতির তথ্য প্রকাশের আগে সোনার দাম কমিয়ে আনা হয়েছে।” তবে সোনার বাজার বিশেজ্ঞরা বলছেন, শুল্ক কামানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ ভাবে স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত দাম কমার ধারা অব্যাহত থাকবে। আগামী কয়েক সপ্তাহে এই প্রবাহ চলবে। আর তাই সোনা ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের বিশেষ ছাড় দিচ্ছেন।

    সোনা ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া

    এলকেপি সিকিউরিটিজের কমোডিটি এবং কারেন্সির ভিপি রিসার্চ-এর বিশ্লেষক যতীন ত্রিবেদী বলেছেন, “সোনার দামে (Gold Price) মৌলিক শুল্ক কমায় হলদে এই ধাতুকে সস্তা করে তুলেছে। খুচরো বিনিয়োগকারীরা সোনার এই আকর্ষণীয় মূল্যের দ্বারা উপকৃত হবেন।” অনুরূপ ভাবে ইউনিমোনি ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের নির্দেশক ও সিইও কৃষ্ণান আর বলেছেন, “দাম কমের ফলে আরও বেশি লোক সোনার গহনায় বিনিয়োগ করতে উৎসাহ পাবেন। সোনা আর্থিক সম্পদ হিসেবে প্রায়শই মুদ্রাস্ফীতি এবং মুদ্রার অবমূল্যায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সোনার দাম কম হওয়ায় গহনার চাহিদা পুনরুজ্জীবিত হবে।”

    আরও পড়ুনঃ ঝড় উপেক্ষা করে চিনা নাবিককে উদ্ধার ভারতীয় নৌসেনার, প্রশংসা বেজিংয়ের

    পিসি জুয়েলারের বক্তব্য

    পিসি জুয়েলারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলরাম গর্গ বলেছেন, “সোনায় (Gold Price) শুল্ক হ্রাস হওয়ায় দেশীয় বাজারে গহনার চাহিদা এবং বিক্রির বাজার আরও চাঙ্গা হবে। বাজারে বিনিয়োগ বাড়বে। ক্রেতাদের কেনাকাটার উপর দারুণ প্রভাব ফেলবে।” আবার মালাবার গ্রুপের চেয়ারম্যান এমপি আহমেদ বলেছেন, “এই মূল্য হ্রাস সোনা ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। ভারতীয় অর্থনীতির জন্য সোনার চোরাচালান ব্যাপক হুমকি স্বরূপ ছিল। এবার সোনার চোরাচালান অনেকটা কম হবে বলে আমার মনে হয়।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Meerut Police: নির্ভয়ার স্মৃতি ফিরল মেরঠে, গ্রেফতার হাসিন, শাহরুখ, একরামউদ্দিন এবং মহসিন

    Meerut Police: নির্ভয়ার স্মৃতি ফিরল মেরঠে, গ্রেফতার হাসিন, শাহরুখ, একরামউদ্দিন এবং মহসিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের (U.P.) মেরঠ (Meerut Police) এলাকায় এক কিশোরীকে অপহরণ করে পরে গণধর্ষণ করে খুন করার ঘটনা ঘটল। তাঁর মুখ অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। দুইদিন নিখোঁজ থাকার পর পর ওই কিশোরীর দেহ পাওয়া যায়। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃতের পরিবার দেহ রাস্তায় ফেলে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশ চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম হাসিন, শাহরুখ, একরামউদ্দিন এবং মহসিন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় হাসিন মূল অভিযুক্ত বলে জানা গেছে। হাসিন ওই কিশোরীকে পছন্দ করত বলে জানা যায়। কিন্তু কয়েকদিন ধরে মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেল করছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার কয়েকদিন আগে ব্ল্যাকমেলের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ওই কিশোরী হাসিনকে চড় মারে। এর পর প্রতিশোধ নিতেই হাসিন বন্ধুদের সঙ্গে মিলে এই কাণ্ড ঘটায় বলে অভিযোগ।

    পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার (U.P.)

    পুলিশ (Meerut Police) সূত্রে খবর, মৃতের পরিবার তাঁদের কাছে ওই কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করে। এরপর ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযোগ জানানোর কয়েক দিনের মধ্যেই নাবালিকার দেহ পাওয়া যায়। পরিবারের তরফেও ওই চার অভিযুক্তকেই সন্দেহ করা হচ্ছিল। এরপর (U.P.) পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে চাকু এবং একটি স্কুটি পাওয়া যায়। পুলিশের অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড এই ঘটনার পর বিভিন্ন স্কুলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নাবালিকা ও তরুনীদের কীভাবে বিপদে পড়লে বাঁচতে হবে সেই কৌশল শেখায়।

    নির্ভয়া কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি (Meerut Police)

    স্থানীয়রা জানিয়েছে প্রথমে ওই কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়। ঠিক যেভাবে দিল্লির নির্ভয়াকে যন্ত্রণা দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল, ঠিক একইভাবে ওই নাবালিকার গোপনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। জানাজানি আটকাতে তারপর ওই চারজনে মিলে নির্মমভাবে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করে। এবং তার দেহ চাষের জমিতে ফেলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে গোপনাঙ্গ থেকে তীব্র রক্তক্ষরণের জেরে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়। মৃতের পরিচয় লুকানোর জন্য মুখে অ্যাসিড ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। মৃতের পরিবার অভিযুক্তদের চরম শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ঝড় উপেক্ষা করে চিনা নাবিককে উদ্ধার ভারতীয় নৌসেনার, প্রশংসা বেজিংয়ের

    ২০১২ সালে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল দিল্লিতে। সেই নির্ভয়ার ঘটনাই যেন ফের পুনরাবৃত্তি হল ফের এক বার, এক দশক পর (U.P.) মেরঠে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ১০ বছরেও মেলেনি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পাট্টার জমি! তৃণমূলের ওপর চটে লাল ভূমিহীন পরিবার

    Bankura: ১০ বছরেও মেলেনি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পাট্টার জমি! তৃণমূলের ওপর চটে লাল ভূমিহীন পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে পাট্টার কাগজ নেওয়ার পর এই হাল হবে তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি বাঁকুড়ার (Bankura) বেলিয়াতোড়ের বহু ভূমিহীন পরিবার। গত ১০ বছরেও তাঁরা হাতে জমি না পাওয়ায় তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। আর অসহায় এই ভূমিহীনদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    জানা গিয়েছে, সালটা ছিল ২০১৩ এবং ২০১৬। সেই সময় বাঁকুড়া জেলায় পৃথক দু’টি সরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে ঘটা করে বেলিয়াতোড়ের (Bankura) মোট ১৮ জন ভূমিহীনের হাতে সরকারি পাট্টার জমির নথিপত্র তুলে দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জমির এই পাট্টা তুলে দেওয়ার আগে সরেজমিনে কয়েকদফা সমীক্ষা করা হয়। ভূমিহীন উপভোক্তাদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি ঠিক কোন এলাকায় জমি দেওয়া হবে তা চিহ্নিত করার প্রক্রিয়াও সেরে ফেলা হয়। এরপর ভূমিহীনদের হাতে পাট্টার নথি হিসাবে যে বন্দোবস্তপত্র তুলে দেওয়া হয় তাতে স্পষ্ট উল্লেখ থাকে মৌজার নাম, জে এল নম্বর, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও জমির পরিমাণ। যে ১৮ জন ভূমিহীন পরিবারের হাতে পাট্টার নথি তুলে দেওয়া হয়েছিল তাতেও তার অন্যথা হয়নি। কিন্তু, সমস্যা তৈরি হয় পাট্টা প্রাপকরা ওই জমির দখল নিতে গেলে। অভিযোগ, যে সরকারি জমির পাট্টার নথি তাঁদের দেওয়া হয়েছিল, সেই জমি আগে থেকেই জবর দখল হয়ে যায়। বাস্তবে জমির দখল নিতে পারেননি পাট্টা প্রাপকরা। এক পাট্টা প্রাপক বলেন, “২০১৩ সালে পাট্টা পেয়েছিলাম। এখনও চোখে দেখিনি জমি। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি। জেলা প্রশাসনের কর্তারা সব জানেন। তবে, এখনও জমি পাইনি। মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থেকে পাট্টা নেওয়ার পর এভাবে প্রতারিত হব তা ভাবিনি। আদৌ জমি পাব কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি।”

    আরও পড়ুন: ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস, দেশের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ভূমিহীনদের এই দাবিকে সমর্থন জানিয়ে পথে নেমেছে বিজেপি (BJP)। বিজেপি (BJP) নেতা সোমনাথ কর বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভূরি ভূরি প্রতিশ্রুতি দেন। কাজের কাজ কিছুই করছেন না। তিনি শুধু ভাতা দেওয়ার রাজনীতি করেন। অপরদিকে, বড়জোড়ার তৃণমূল বিধায়ক  অলোক মুখোপাধ্যায় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী যাঁদের পাট্টা দিয়েছেন তাঁরা সকলে জমি পেয়েছেন। তবে এটা ব্যতিক্রম। আমি খতিয়ে দেখব বিষয়টি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সের উদ্বোধনের আগের রাতে একাধিক ট্রেনে আগুন! নাশকতা?

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সের উদ্বোধনের আগের রাতে একাধিক ট্রেনে আগুন! নাশকতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে প্যারিস। কিন্তু এরই মধ্যে উদ্বোধনের কয়েক ঘণ্টা আগে ঘটে গেল বিপত্তি৷ দুষ্কৃতী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ফ্রান্সের ট্রেন পরিষেবা (France train lines) ব্যবস্থা। জানা গিয়েছে, অলিম্পিক্সের আগের রাতে বেশ কয়েক জায়গায় ট্রেনে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ফ্রান্সের রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতি সামলে স্বাভাবিক পরিষেবা শুরু করতে এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এমন ঘটনায় উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না নাশকতার আশঙ্কাও।

    কী জানিয়েছে ফরাসি রেল কর্তৃপক্ষ? (Paris Olympics 2024) 

    এ ঘটনায় ফরাসি রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, ধ্বংসের চেষ্টা চালানো হয়েছে গোটা রেল পরিষেবায়। একাধিক জায়গায় আগুন লাগিয়ে নষ্ট করা হয়েছে রেলের সম্পত্তি। আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ফলে দ্রুতগতির ট্রেন পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে৷ ফলে প্রায় আট লক্ষ মানুষ সমস্যায় পড়তে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিপদ এড়াতে সাধারণ মানুষকে আগামী কয়েক দিন ট্রেন পথ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, একই সময়ে একাধিক এলাকায় তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। ফ্রান্স রেলের অ্যাটলান্টিক, নর্দার্ন এবং ইস্টার্ন শাখা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই হামলার (France train lines) পিছনে কারা রয়েছে, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ফরাসি পুলিশ। অন্তর্ঘাতের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে অলিম্পিকের উদ্বোধনের ঠিক আগে এই ঘটনা বাড়িয়েছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক।

    আরও পড়ুন: অবশেষে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ঠাঁই পেল ‘অসমের পিরামিড’ মৈদাম 

    পরিস্থিতি সামাল দিতে হাজির ভারতের আধাসামরিক বাহিনী 

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার ভারতীয় সময় রাত ১১টা থেকে শুরু হবে অলিম্পিক্সের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। সে কারনেই সেজে উঠেছে গোটা প্যারিস। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কিন্তু, অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024) উদ্বোধনের আগেই ফ্রান্সের রেল পরিষেবার এই হামলার ঘটনায় বিচলিত হয়ে পড়েছেন আয়োজকরা। যদিও প্যারিস অলিম্পিক্সে নাশকতামূলক ঘটনার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। সে জন্য কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে দেওয়া হয়েছিল অলিম্পিক্সের শহরকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও রোখা গেল না এই অতর্কিত হামলা। ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তার জন্য প্যারিসে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ভারতের আধাসামরিক বাহিনীর একটি বিশেষ দলও। প্যারিসে স্যেন নদীর তীরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন তারাও।  
    এ প্রসঙ্গে ফ্রান্সের ক্রীড়ামন্ত্রী অ্যামিলি কাস্তেরা বলেছেন, ”এই ঘটনায় যারা দায়ী, তাদের চিহ্নিত করা হবে। দেশে যখন অলিম্পিক্স, তখন এমন ঘটনা যারা ঘটাচ্ছে, তাদের দেশ বিরোধী বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি যত দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সেই চেষ্টা আমরা চালাচ্ছি। অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) দেখতে যাঁরা আসছেন, যে অ্যাথলিটরা অংশগ্রহণ করছেন, তাঁদের যাতে কোনও রকম অসুবিধে না হয়, সেই কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি।”
      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টে বিরাট স্বস্তি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-র, পুলিশকে মামলা খারিজের নির্দেশ

    Calcutta High Court: হাইকোর্টে বিরাট স্বস্তি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-র, পুলিশকে মামলা খারিজের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ (Soumitra Khan) অবশেষে ‘স্বস্তি’ পেলেন কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। বাঁকুড়ার সোনামুখী থানায় দায়ের করা একটি পুরনো মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চ, দায়ের করা এই মামালকে খারিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বিজেপি অবশ্য একাধিকবার দাবি করেছে, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল পুলিশকে ব্যবহার করে বিরোধী দলের নেতা-কর্মী-সমর্থক-বিধায়ক-সাংসদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্যাতন করছে।

    মামলা দায়ের হয়েছিল ২০২৩ সালে (Calcutta High Court)

    জানা গিয়েছে, গত বছর ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে বাঁকুড়ার সোনামুখী থানার অন্তর্গত মানিক বাজার এলাকায় এক বিক্ষোভ আন্দোলেন ভাষণ দিয়েছিলেন সৌমিত্র (Soumitra Khan)। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, এই সভা থেকে থানার সেই সময়ের ওসির বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। এরপর এই বিষ্ণুপুর সাংসদের বিরুদ্ধে হিংসা ছাড়ানো, মারধর এবং শ্লীতাহানির অভিযোগে এফএইআর দায়ের করেছিল থানার পুলিশ। সৌমিত্র যেহেতু একজন জনপ্রতিনিধি তাই তাঁর মামলা এতদিন শুনানি চলছিল বিধাননগর সাংসদ-বিধায়ক আদালতে। এই মামলায় একাধিকবার হাজিরা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। গত ৯ জুলাই ছিল হাজিরার নির্দেশ। কিন্তু হাজিরা না দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল পুলিশ। নিম্ন আদালতের নির্দেশের পর কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃস্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, থানায় অভিযোগ হতেই তৃণমূল নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, শোরগোল

    আগেও মামলা দায়ের হয়েছিল

    এই প্রসঙ্গে বলা যায় ২০১৯ সালে বাঁকুড়ার পাত্রসায়র এবং বিষ্ণুপুর থানায় সৌমিত্রের বিরুদ্ধে আগেও মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আবার আদালত (Calcutta High Court) সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই সময় পুলিশ বেআইনি অস্ত্র মামলা এবং বালি পাচার মামলা রুজু হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এই মামলার কারণে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময় নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে ভোটের প্রচারে যেতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে লোকসভা ভোটে জয়ী হয়ে নিজের লোকসভা কেন্দ্রে ঢোকার অনুমতি পেয়ছিলেন। তবে সৌমিত্র পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একই ভাবে শাসক দল তৃণমূলকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, থানায় অভিযোগ হতেই তৃণমূল নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, শোরগোল

    Siliguri: স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, থানায় অভিযোগ হতেই তৃণমূল নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল শিলিগুড়ির (Siliguri) খড়িবাড়ি এলাকায়। শুক্রবার সকালে খড়িবাড়ির চক্করমারি শ্মশানঘাট এলাকায় অভিযুক্তের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম জগদীশ রায় (৬৫)। তিনি স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং বিশিষ্ট লোকশিল্পী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

     ঠিক কী হয়েছিল? (Siliguri)

    জানা গিয়েছে, এলাকার নবম শ্রেনির এক ছাত্রীকে চাকরি দেওয়ার নাম করে ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এরমধ্যে ওই ছাত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়ে। গত বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর শারীরিক অবস্থার বেশ কিছু পরিবর্তন ও জটিলতা দেখা দেওয়ায় অভিভাবকরা তাকে চেপে ধরতেই ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারেন। তারপর ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা খড়িবাড়ি থানায় (Siliguri) অভিযোগ দায়ের করেন। তৃণমূল নেতার নাম দিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়। মূলত, ওই তৃণমূল নেতা লোকশিল্পী ছিলেন। সেই সূত্র ধরে ওই ছাত্রীকে তিনি গান শেখাতেন। সেখানেই ওই ছাত্রীকে চাকরির টোপ দিয়ে তিনি ধর্ষণ করেন। পরিবারের অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শুক্রবার  সকালে অভিযুক্তের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠায়। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে খড়িবাড়ি থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস, দেশের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন

     স্থানীয় বাসিন্দারা কী বলছে?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাস চারেক আগে ওই তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা এই অপকর্ম করেন। এতদিন পর জানাজানি হতেই অভিযোগ থানা (Siliguri) পর্যন্ত গড়ায়। এরপরই বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে সমাজে মুখ দেখাতে পারবে না ভেবেই ওই তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা চরম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam Moidam: অবশেষে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ঠাঁই পেল ‘অসমের পিরামিড’ মৈদাম

    Assam Moidam: অবশেষে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ঠাঁই পেল ‘অসমের পিরামিড’ মৈদাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হল অসমের অহম রাজবংশের কবরের ঢিবি ‘মৈদাম’ (Assam Moidam)৷ ফলে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্যক্ষেত্র’-এর  (UNESCO World Heritage Site) তালিকায় এ বার ঠাঁই পেল উত্তর-পূর্ব ভারত। প্রসঙ্গত, মৈদাম সমাধিক্ষেত্রকে গত বছর ‘বিশ্ব ঐতিহ্যক্ষেত্র’ হিসাবে মর্যাদা দেওয়ার জন্য ইউনেস্কোর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪৬তম অধিবেশনে সেই প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল। 

    কী এই ‘মৈদাম’? (Assam Maidams) 

    অনেকটা পিরামিডের মতই আকার। এটি আসলে অহম রাজপরিবারের সমাধিস্থল। অসমে প্রায় ৬০০ বছর শাসন করেছিল অহম রাজবংশ। আজকের অসম আগে পরিচিত ছিল অহম হিসাবে। এবার সেই অহম রাজপরিবারের ‘কবরস্থান’ বা ‘মৈদাম’ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থান (UNESCO World Heritage Site) তকমা পেল। অনেকে এটিকে আবার ‘অসমের পিরামিড’-ও বলে। বিশেষত ইট, পাথর বা মাটি দিয়ে তৈরি ফাঁপা খিলানের উপরে একটি ঢিবি তৈরি করে এই অষ্টভুজাকার সমাধিস্থলগুলি তৈরি করা হত। ভিতরে ঢোকার জন্য সুড়ঙ্গের মতো প্রবেশপথ থাকত। প্রাথমিকভাবে  অসমের ছাড়াইদেও জেলায় এই সমাধিস্থলগুলি দেখা যায়। জানা গিয়েছে, ছাড়াইদেওতে  ৯০ টিরও বেশি রাজকীয় সমাধির ঢিবির রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ছাত্রদের সংস্কৃত ‘শ্লোক’ পাঠে বাধা! প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর 

    এক দশক পরে ফলপ্রসূ হল উদ্যোগ

    উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ছাড়াইদেও জেলায়, অহম সাম্রাজ্যের ‘ঢিপি সমাধি ব্যবস্থা’ ( mound burial system) ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থানে তকমা পাওয়ার জন্য প্রথম তালিকাভুক্ত হয়। সেসময় মৈদামগুলি (Assam Moidam) ইউনেস্কো হেরিটেজ ক্ষেত্রের তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা শুরু করেছিল অসমের তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। শেষ পর্যন্ত এক দশক পরে ফলপ্রসূ হল সেই উদ্যোগ। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী এই পদক্ষেপের জন্য ইউনেস্কোকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘‘এই দিনটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’’ 

    কী বললেন হেমন্ত বিশ্ব শর্মা?  

    এ প্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন যে, ”মৈদাম ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক সম্পত্তি বিভাগের অধীনে, বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এটি অসমের জন্য একটি দারুণ সাফল্য। কারণ, প্রথমবারের মতো উত্তর-পূর্ব থেকে কোনও স্থাপত্য (Assam Moidam) ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থানের তকমা পেল। কাজিরাঙ্গা ও মানস জাতীয় উদ্যানের পর এটি অসমের তৃতীয় বিশ্ব ইতিহ্যবাহী স্থান”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 87: “সংসার-সমুদ্রে কামক্রোধাদি কুমির আছে, হলুদ গায়ে মেখে নামলে ভয় থাকেনা”

    Ramakrishna 87: “সংসার-সমুদ্রে কামক্রোধাদি কুমির আছে, হলুদ গায়ে মেখে নামলে ভয় থাকেনা”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ ও কথোপকথন

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    সর্বধর্মান পরিত্যাজ্য মামেকং শরণং ব্রজ।

    অহং ত্বাং সর্বপাপেভ্যো মোক্ষয়িষ্যামি মা শুচঃ।।

    গীতা—১৮৬৬

    ব্রাহ্মসমাজ ও জনক রাজা-গৃহস্থের উপায়—নির্জনে বাস ও বিবেক 

    কিন্তু ফস করে জনক রাজা হওয়া যায় না। জনক রাজা নির্জনে অনেক তপস্যা করেছিলেন। সংসারে থেকেও এক-বার নির্জনে বাস করতে হয়। সংসারের বাহিরে একলা গিয়ে যদি ভগবানের (Ramakrishna) জন্য তিনদিনও কাঁদা যায় সেও ভাল। এমনকি অবসর পেয়ে একদিনও নির্জনে তাঁর চিন্তা যদি করা যায়, সেও ভাল। লোক মাগছাগলের জন্য একঘটি কাঁদে, ঈশ্বরের জন্যে কে কাঁদছে বল? নির্জনে থেকে মাঝে মাঝে ভগবানের জন্যে সাধন করতে হয়! সংসারের ভিতর কর্মের মধ্যে থেকে, প্রথমাবস্থায় মন স্থির করতে অনেক ব্যাঘাত হয়। ফুটপাতের গাছ, যখন চারা থাকে, বেড়া না দিলে ছাগল-গরুতে খেয়ে ফেলে। প্রথমাবস্থায় বেড়া, গুঁড়ি হলে আর বেড়ার দরকার থাকে না। গুঁড়িতে হাতি বেঁধে দিলেও কিছু হয় না।

    রোগটি(Kathamrita) হচ্ছে বিকার। আবার যে-ঘরে বিকারের রোগী, সেই ঘরে জলের জালা আর আচার তেঁতুল। যদি বিকারের রোগী আরাম করতে চাও, ঘর থেকে ঠাই নাড়া করতে হবে। সংসারী জীব বিকারের রোগী; বিষয়—জলের জালা; বিষয়ভোগতৃষ্ণা-জলতৃষ্ণা। আচার তেঁতুল মনে করলেই মুখে জল সরে, কাছে আনতে হয় না; এরূপ জিনিসও ঘরে রয়েছে; যোষিৎসঙ্গ। তাই নির্জনে চিকিৎসা দরকার।

    বীবেক-বৈরাগ্য লাভ করে সংসার করতে হয়। সংসার-সমুদ্রে কামক্রোধাদি কুমির আছে। হলুদ গায়ে মেখে জলে নামলে কুমিরের ভয় থাকেনা। বিবেক-বৈরাগ্য—হলুদ। সদসৎ বিচারের নাম বিবেক। ঈশ্বরই সৎ, নিত্যবস্তু। আর সব অসৎ, অনিত্য; দুদিনের জন্য। এই বোধ আর ঈশ্বরে অনুরাগ। তাঁর উপর টান—ভালবাসা। গোপীদের কৃষ্ণের (Ramakrishna) উপর যেরূপ টান ছিল। একটা গান শোন;

    আর উপায়—ঈশ্বর অনুরাগ—গোপীদের মতো টান বা স্নেহ

    বংশী বাজিল ওই বিপিনে।

    (আমার তো না গেলে নয়) (শ্যাম পথে দাঁড়ায় আছে)

    তোরা যাবি কি না যাবি বল গো।।

    তোদের শ্যাম কথার কথা।

    আমার শ্যাম অন্তরের ব্যাথা (সই)

    তোদের বাজে বাঁশী কানের কাছে।

    বাঁশী আমার বাজে হৃদয়মাঝে।

    শ্যামে বাঁশী বাজে, বেরাও রাই।

    তোমা বিনা কুঞ্জের শোভা নাই।

    ঠাকুর (Ramakrishna) অশ্রুপূর্ণ নয়নে এই গান গাইতে গাইতে (Kathamrita) কেশবাদি ভক্তেদের বললেন, রাধাকৃষ্ণ মনো আর নাই মানো, এই টানটুকু নাও, ভগবানের জন্য কিসের এইরূপ ব্যাকুলতা হয়, চেষ্টা কর। ব্যাকুলতা থাকলেই তাঁকে লাভ করা যায়।

    আরও পড়ুনঃ “মা এই নাও তোমার পাপ, এই নাও তোমার পুণ্য, আমায় শুদ্ধাভক্তি দাও”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chinese Mariner Rescue: ঝড় উপেক্ষা করে চিনা নাবিককে উদ্ধার ভারতীয় নৌসেনার, প্রশংসা বেজিংয়ের

    Chinese Mariner Rescue: ঝড় উপেক্ষা করে চিনা নাবিককে উদ্ধার ভারতীয় নৌসেনার, প্রশংসা বেজিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক চিনা নাবিককে উদ্ধার করল ভারতীয় নৌ-বাহিনী (Indian Navy)। গুরুতর আহত ওই চিনা নাবিকের চিকিৎসা চলছে। মুম্বই মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার মঙ্গলবার ‘ঝিং শান মেন’ নামে একটি চিনা বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে ওই নাবিককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার (Chinese Mariner Rescue) করে ভারতীয় নৌসেনা। এই নৌযানের অবস্থান মুম্বই উপকূল থেকে ২০০ (৩৭০ কিলোমিটার) নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল।

    বিষম পরিস্থিতে নাবিককে উদ্ধার (Chinese Mariner Rescue)

    জানা গিয়েছে, নৌ-বাহিনীর মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার এর কাছে একটি জরুরি বার্তা (এসওএস) আসে। তাতে জানানো হয়, ৫১ বছর বয়সি ওই নাবিক আহত হয়েছেন। তাঁর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাঁকে বাঁচানো প্রয়োজন। এরপর ভারতীয় (Indian Navy) নৌবাহিনীর ‘সি কিং’ হেলিকপ্টারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। আইএনএস শিখরা থেকে হেলিকপ্টার উড়ে গিয়ে ওই নাবিককে উদ্ধার (Chinese Mariner Rescue) করে।  যদিও উদ্ধারের সময় খুব জোরালো ঝড় বইছিল সমুদ্রের উপর দিয়ে। জানা গিয়েছে, ৪৫ নট (৮৩.৩৪ কিমি/ঘণ্টা) গতি ছিল ওই ঝোড়ো হাওয়ার। এই কঠিন পরিস্থিতিতে ওই নাবিককে এয়ার লিফট করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘ইতিহাস থেকে শেখেনি…’’, কার্গিল বিজয় দিবসে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    নাবিককে উদ্ধারের প্রশংসা করলেন চিনা রাষ্ট্রদূত (Indian Navy)

    নাবিককে (Chinese Mariner Rescue) উদ্ধারের ঘটনায় ভারতীয় নৌবাহিনীর (Indian Navy) প্রশংসা করেছেন ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “একজন চিনা ক্রু সদস্যকে ভারতীয় নৌ-বাহিনী যেভাবে জরুরি পরিষেবা এবং অন্যান্য সাহায্য করেছে আমরা তার প্রশংসা করি। এখন চিনা নাগরিকের ফলো আপ চিকিৎসা চলছে। চিন ও ভারতে মানুষ প্রথম এবং জীবন প্রথম, এটাই দর্শন।

    ভারত ও চিনের বিদেশমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

    অন্যদিকে, আসিয়ান বৈঠকের ফাঁকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর চিনা বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা এবং অতীত চুক্তিগুলির প্রতি সম্মান নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রীর জোর দিয়ে বলেন, “সম্পর্কের স্থিতিশীলতা উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা করবে। স্থিতিশীলতায় বিঘ্ন হলে দুই দেশের ক্ষতি হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share