Tag: Bengali news

Bengali news

  • ISKCON: ইসকনে জগন্নাথদেবকে পাস্তা, বার্গার, ক্রিমরোল, কাঁঠালসহ ৫৬ ভোগ নিবেদন, ভক্তদের ঢল

    ISKCON: ইসকনে জগন্নাথদেবকে পাস্তা, বার্গার, ক্রিমরোল, কাঁঠালসহ ৫৬ ভোগ নিবেদন, ভক্তদের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রাজাপুর থেকে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে (ISKCON) এসেছেন জগন্নাথ-বলদেব-সুভদ্রা। ইসকনে জগন্নাথ দেবের ৫৬ ভোগের সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। তা দেখতে হাজির হয়েছেন দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত। দিন কয়েক আগেই হয়ে গেল রথযাত্রা উৎসব। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মহাসমারোহে পালিত হয়েছে এই উৎসব। রথযাত্রার দিন নদিয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দিরে রাজাপুর থেকে নিয়ে আসা হয়েছে বলদেব, সুভদ্রা ও জগন্নাথ দেবকে। মায়াপুরের ইসকন মন্দিরকে জগন্নাথদেবের অস্থায়ী মাসি বাড়ি হিসেবে ধরা হয়। উল্টোরথের আগে পর্যন্ত মায়াপুর (Mayapur) ইসকন মন্দিরে জগন্নাথদেবের জাঁকজমকভাবে পুজো চলে।

    জগন্নাথদেবের আটটি শ্লোকে আরতি ইসকন মন্দিরে (ISKCON)

    ইসকন মন্দিরের (ISKCON) ভিতরেই সাজানো হয়েছে জগন্নাথ দেবের মণ্ডপ। ভোর সাড়ে চারটের নাগাদ শুরু হয় মঙ্গলারতি। এরপর প্রতিদিন দুপুর সাড়ে বারোটায় ৫৬ ভোগ দেওয়া হয় জগন্নাথদেবের সামনে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ধরনের খাবার রাখা হয় বিগ্রহের সামনে। তার মধ্যে থাকে পাস্তা, বার্গার, ক্রিমরোল, ডোনাট আরও রকমারি খাদ্য। দেশ-বিদেশের বহু ভক্তরা প্রতিনিয়ত আসছেন জগন্নাথদেবকে দর্শন করতে। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা মহারানি সোনার আবরণে সজ্জিত হন। উল্টো রথের আগে পর্যন্ত প্রতিদিনই চলবে মঙ্গলারতি ও ৫৬ ভোগ আরতি। এছাড়াও প্রতিদিন জগন্নাথদেবের আটটি শ্লোকে আরতি হয় মায়াপুর ইসকন মন্দিরে।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    কী বললেন ইসকন মন্দিরের জনসংযোগ আধিকারিক?

    এ বিষয়ে মায়াপুর (Mayapur) ইসকন (ISKCON) মন্দিরের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন, ৭ জুলাই রথের দিন বলরাম, সুভদ্রা এবং বলদেবকে তাঁদের অস্থায়ী মাসি বাড়ি মায়াপুর ইসকনের নিয়ে আসা হয়েছে। আবার সাত দিন পর উল্টো রথের দিন তাঁরা নিজের বাড়িতে রওনা হবেন। এই সাতদিন মায়াপুর ইসকনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সঙ্গে জগন্নাথদেবকে ৫৬ ভোগ প্রদান করা হয়। যেহেতু জগন্নাথদেব খাদ্য রসিক ছিলেন, সেই কারণে তাঁর পছন্দের খাবার যেমন কেক, লাড্ডু থেকে শুরু করে পাস্তা এবং প্রিয় ফল কাঁঠাল ভোগ দেওয়া হয়। দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত এই জগন্নাথদেবের ছাপানো ভোগ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এবং প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার মানুষকে জগন্নাথদেবের প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এই জগন্নাথদেবের প্রসাদ গ্রহণ করার জন্য সকল ভক্তদের কাছে অনুরোধ রাখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gangasagar: কপিল মুনির আশ্রমের রাস্তায় ধস! কোটি কোটি টাকা কি জলে? তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    Gangasagar: কপিল মুনির আশ্রমের রাস্তায় ধস! কোটি কোটি টাকা কি জলে? তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ভাঙনের কবলে অন্যতম বাংলার তীর্থ পর্যটন কেন্দ্র গঙ্গাসাগর (Gangasagar)। অমাবস্যার কোটালের জেরে কপিলমুনির মন্দির (Kapil Muni Ashram) সংলগ্ন ঢালাই রাস্তা ভেঙে পড়ল। গঙ্গাসাগর সমুদ্র পাড়েও দেখা দিয়েছে বড়সড়ো ধস! বিজেপির অবশ্য অভিযোগ, তৃণমূল সরকার বছর বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাস্তা নির্মাণ করলেও, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই রাস্তা ভেঙে পড়ছে। খরচের টাকা সব কি জলে? বিজপির দাবি, তৃণমূলের নেতার কাটমানি খেয়ে সরকারি টাকা লুট করছে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    দুই থেকে পাঁচ নম্বর স্নান ঘাটের রাস্তা বেহাল (Gangasagar)

    সমুদ্রের জলের স্রোতে ভেঙে গেল গঙ্গাসাগর (Gangasagar) মন্দির সংলগ্ন ঢালাই রাস্তা। একদিকে অমাবস্যার কোটাল, তারপর দ্বিতীয়া ও তৃতীয়ায় ধীরে ধীরে বাড়ছে সমুদ্রের জল। উত্তাল হয়ে পড়েছে গঙ্গাসাগরের সমুদ্র। সমুদ্রের জলের ধাক্কা লাগছে সমুদ্রের পাশে থাকা কংক্রিটের ঢালাই রাস্তাতেও। কপিলমুনির আশ্রমের (Kapil Muni Ashram) সামনে দুই থেকে পাঁচ নম্বর স্নান ঘাটের রাস্তা বেহাল অবস্থা। অমাবস্যার কোটালে সমুদ্রের জলের ধাক্কায় ভেঙে পড়ল চার নম্বর সান ঘাটের ঢালাই রাস্তা। ইতিমধ্যে ভগ্ন এলাকার রাস্তাকে বেরিকেট করে ঘিরে দিয়েছে প্রশাসন। আতঙ্কিত ব্যবসায়ী থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা।

    বিজেপির অভিযোগ

    এই বিষয় নিয়ে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির কনভেনার অরুণাভ দাস বলেছেন, “তৃণমূলের উন্নয়নের পথে কপিলমুনির আশ্রম (Gangasagar) এখন বিপন্ন হওয়ার পথে। ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে পাইলট প্রজেক্ট করা হয়েছিল কাজ, কিন্তু তার সবটাই কাটমানিতে চলে গিয়েছে। মাত্র তিন মাসের মধ্যে ভেঙে সব তলিয়ে যেতে বসেছে। আগামী দিনে কপিল মুনির মন্দিরও সমুদ্র গর্ভে চলে যাবে। যেখানে গঙ্গাসাগর থেকেই সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী পেয়েছে, সেখানে এমন হাল সত্যি লজ্জার বিষয়। অবিলম্বে মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই।”

    কোটি টাকার বাঁধ নির্মাণ করা হলেও নজর নেই

    স্থানীয় বাসিন্দা দিব্যেন্দু খাটুই অভিযোগ করে বলেছেন, “গঙ্গাসাগর (Gangasagar) মেলার সময় কয়েক কোটি টাকা খরচে অস্থায়ী নদী বাঁধ নির্মাণ করা হলেও, সারা বছর ফিরেও তাকানো হয় না এই গঙ্গাসাগরের দিকে। আর যার ফলে একটু একটু করে ভাঙন আরও বেড়েই চলেছে গঙ্গাসাগরে। অন্যদিকে সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের আবেদন, চিরস্থায়ী ব্যবস্থা করা হোক এই নদী বাঁধের।”

    আরও পড়ুনঃক্ষমতার দম্ভ? মাথাভাঙায় পুলিশের সামনেই মহিলাকে বেধড়ক মার তৃণমূলের উপ-প্রধানের

    প্রশাসনের বক্তব্য

    পাশাপাশি এই বিষয় নিয়ে গঙ্গাসাগর (Gangasagar) বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান সন্দীপ কুমার পাত্র জানিয়েছে, “ট্রাটাপট পদ্ধতির মাধ্যমে যে কাজ করা হয়েছিল তা খুব বেশি কাজে আসেনি তবে নতুন করে আবার প্রজেক্ট করা হচ্ছে। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Snakes: ঘরে মাটির কলসিতে রাখা কেউটে, গোখরো, চন্দ্রবোড়া! সাপের বিষ পাচারের হদিশ পূর্ব মেদিনীপুরে

    Snakes: ঘরে মাটির কলসিতে রাখা কেউটে, গোখরো, চন্দ্রবোড়া! সাপের বিষ পাচারের হদিশ পূর্ব মেদিনীপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপ (Snakes) এবং সাপের বিষ পাচারের কয়েক কোটি টাকার চোরাকারবারের খোঁজ মিলেছে তদন্তকারী অফিসারদের হাতে। পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর ব্লকের গাজীপুর ও দামোদরপুর গ্রামের বেশকিছু বাড়িতে, জেলার বনবিভাগের বাজকুল রেঞ্জের অফিসারেরা হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ সাপের হদিশ পেয়েছেন। এই উদ্ধারের কাজে বিশেষ ভাবে সাহায্য করেছে জীববৈচিত্র সংরক্ষণ মঞ্চ নামে এক সংগঠন। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    কোটি টাকার সাপ ও সাপের বিষ উদ্ধার (Snakes)!

    ঘরের মধ্যে মাটির কলসি, ট্রাঙ্ক ও ঝুপির মধ্যে রাখা অসংখ্য বিষধর সাপ! কেউটে, গোখরো, চন্দ্রবোড়া সব মিলিয়ে গোটা পঁচিশ হবে। ঘরেই সাপের খাবারের মধ্যে রাখা রয়েছে ল্যাটা মাছ, ব্যাঙ ইত্যাদি। এই সাপ উদ্ধারের ফলে কয়েক কোটি টাকার সাপ ও সাপের (Snakes) বিষ পাচারের বেআইনি কারবারের কথা উঠে এসেছে। একাধিক রাজ্যে এই পাচারের জাল ছড়িয়ে রয়েছে। এই ভাবে এই পাচার চক্র, অনেক দিন ধরে চলছিল এলাকায়। ইতিমধ্যে সাপের বিষ পাচারের সঙ্গে যুক্ত এক সাপুড়ে এবং তার সঙ্গীকে গ্রেফতার করে তমলুক আদালতে তোলা হয়েছে। বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, “ধৃতেরা হল জ্যোৎস্না রানি সিং (৬৫) ও সুকুমার বর (৫৫)। তাদের আপাতত জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে বনদফতরের তরফ থেকে বলা হয়েছে, যাদের ধরা হয়েছে তারা আসলে চুনো পুঁটি। আসলে ওরা সাপ্লাই লাইন, তবে তাদের লিঙ্কম্যান কারা, সেই মাথাদের খুঁজে বের করতে হবে।” জীববৈচিত্র দলের সদস্য দেবগোপাল মণ্ডল বলেছেন, “ধৃতেরা এলাকায় বহু বছর ধরে বিষাক্ত সাপ ধরার কাজ করে থাকে। সাপের গতিবিধি তাদের নখদর্পণে। বেইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত তারা।”

    আরও পড়ুনঃ মঙ্গলাহাটে প্রকাশ্যেই চলছে অবাধে ‘তোলাবাজি’, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

    পঞ্চাশ বছর ধরে বিষের কাজে যুক্ত ধৃতরা

    ধৃতদের কাছ থেকে তদন্তকারী অফিসারেরা জানতে পেরেছেন, গত পঞ্চাশ বছর ধরে সাপের বিষ বের করার কাজ করছিলেন জ্যোৎস্না রানি সিং। সাপ ধরার পর তাদের দাঁত চেপে অতিরিক্ত বিষ বের করে নেওয়া হতো। মোটামুটি ১০-১০০মিলিলিটার বিষ একটি সাপের থেকে বের হয়। আবার চাপ বেশি দিলে দাঁত ভেঙেও যায়। তবে সাপ (Snakes) খেলা দেখানো সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ হলেও, এই এলাকায় অনেক দিন ধরে চলছিল এই খেলা। আর এই সব কিছুর আড়ালে চলছে বিষ পাচারের চক্র। বিষ ভেনম পাউডার করেই চালান দেওয়া হতো। একবার একটি সাপ থেকে বিষ বের করলে ফের দাঁতে বিষ তৈরি হতে সময় লাগে এক মাস। আবার বিষ বের করার সময় সাপের দাঁত ভেঙে গেলে, ভাঙা জায়গায় নতুন দাঁত গাজতে সময় লাগে সাত দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: আজ থেকে রাঁচিতে বসছে আরএসএস-এর সর্বভারতীয় বৈঠক, চলবে তিনদিন

    RSS: আজ থেকে রাঁচিতে বসছে আরএসএস-এর সর্বভারতীয় বৈঠক, চলবে তিনদিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার থেকে ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে বসছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) প্রান্ত প্রচারকদের বৈঠক। চলবে আগামী তিনদিন। সেখানে হাজির থাকবেন সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত সমেত বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও পার্টির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। সূত্রের মারফত জানা গিয়েছে, সঙ্ঘের এই বৈঠকে যোগ দেবেন দেশের সমস্ত প্রান্ত প্রচারক। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সাংগঠনিক দৃষ্টিতে গঠিত প্রদেশগুলিকেই বলা হয় প্রান্ত। যেমন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে রয়েছে তিনটে প্রান্ত- উত্তরবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ। এর পাশাপাশি ক্ষেত্রীয় প্রচারকরাও এই বৈঠকে হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। কতগুলি প্রান্ত নিয়ে গঠিত হয় একটি ক্ষেত্র।

    কী কী আলোচনা হতে পারে?

    জানা গিয়েছে, দেশের ৪৬ টি ক্ষেত্র থেকেই ক্ষেত্র প্রচারকরা উপস্থিত থাকবেন এই বৈঠকে। হাজির থাকবেন সহ প্রান্ত প্রচারকরাও। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) জাতীয় কর্ম সমিতির যাঁরা সদস্য রয়েছেন, তাঁরাও এই বৈঠকে যোগ দেবেন। সাধারণভাবে সঙ্ঘের এই বার্ষিক বৈঠকগুলিতে আলোচনা করা হয়, আগামী বছরগুলিতে কোন পথে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ চলবে এবং কী কী কর্মসূচি তারা গ্রহণ করবে। সমসাময়িক ঘটে চলা দেশের তথা আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলির ওপরেও আলোচনা করা হয় এই ধরনের বৈঠকগুলিতে। প্রস্তাব পাস করা হয় বিভিন্ন ইস্যুর ওপরে।

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে ভারতীয় জনতা পার্টির মেন্টরও বলা হয়

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) বিভিন্ন ইস্যুতে মতামতগুলিকে প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে জনগণের কাছেও পৌঁছানো হয়। সাধারণভাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে ভারতীয় জনতা পার্টির মেন্টরও বলা হয়। ভারতীয় জনসঙ্ঘের আমল থেকেই সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকদের বিজেপিতে পাঠানোর রীতি রয়েছে এবং রাজনীতি ক্ষেত্রে স্বয়ংসেবকরা কাজ করেন। পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় থেকে লালকৃষ্ণ আদবানি বা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রত্যেকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক (RSS) সঙ্ঘের স্বয়ংসেবক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistani cook Minhaj Hussain: দিল্লিতে ভারতীয় পরিচারিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টায় অভিযুক্ত পাকিস্তানি কুক

    Pakistani cook Minhaj Hussain: দিল্লিতে ভারতীয় পরিচারিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টায় অভিযুক্ত পাকিস্তানি কুক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভারতীয় এক মহিলাকে শ্লীলতাহানির (Attempt to Molest) চেষ্টার অভিযোগ উঠল পাকিস্তানি কূটনৈতিকের রাঁধুনির বিরুদ্ধে। ওই কূটনৈতিক সাদ আহমেদ ওয়ারাইচের দিল্লির বাসভবনের এক পরিচারিকার সঙ্গে রাঁধুনি অশ্লীল ব্যবহার করার ঘটনায় ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজধানীতে। দিল্লি পুলিশের কাছে দায়ের হয়েছে অভিযোগও। ৫৪ বছর বয়সী ওই পাকিস্তানি নাগরিকের নাম মিনহাজ হুসেন (Pakistani cook Minhaj Hussain)। পুলিশ সূত্রে খবর, মধ্য দিল্লির তিলক মার্গ এলাকায় ওই রাঁধুনি পাকিস্তানি এক কূটনীতিবিদের জন্য রান্না করতেন। সেই বাড়িতেই গৃহ পরিচারিকা হিসেবে কাজ করত ওই নির্যাতিতা। সেই বাড়িতেই শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। 

    নির্যাতিতার অভিযোগ  

    নির্যাতিতার অভিযোগ, সেই বাড়িতেই তাঁর সঙ্গে বার বার দুর্ব্যবহার করতেন মিনহাজ (Pakistani cook Minhaj Hussain)। এমনকি, একা থাকার সুযোগ নিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টাও করেন। বার বার একই ঘটনা ঘটায় নির্যাতিতা আহমেদকে বিষয়টি জানান। কিন্তু আহমেদ তেমন পাত্তা দেননি বলেই অভিযোগ। উল্টে অভিযুক্তকে ইদের সময় পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দেন। পরে আহমেদ নির্যাতিতাকেই কাজ ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। ৩০ জুনের মধ্যে তাঁর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তার মধ্যেই মিনহাজ আবার ফিরে আসেন ওই পাকিস্তানি কূটনৈতিকের বাড়িতে। যা দেখে ভয়েই থানায় যান নির্যাতিতা।

    আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ ধস নেপালে! রাস্তা থেকে নদীতে পড়ল ২টি বাস, নিখোঁজ ৬৩ জন

    রাঁধুনির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (Pakistani cook Minhaj Hussain) 

    এরপর গত ২৮ জুন তিলক মার্গ থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৩৫৪ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। এটা হল মূলত কোনও মহিলার মর্যাদাহানি (Attempt to Molest) করার জন্য তার উপর অত্যাচার করা। তবে এরই মধ্যে খবর পাওয়া গিয়েছে, গত ৩০ জুন মিনহাজকে আবারও পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন আহমেদ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ক্ষমতার দম্ভ? মাথাভাঙায় পুলিশের সামনেই মহিলাকে বেধড়ক মার তৃণমূলের উপ-প্রধানের

    Cooch Behar: ক্ষমতার দম্ভ? মাথাভাঙায় পুলিশের সামনেই মহিলাকে বেধড়ক মার তৃণমূলের উপ-প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার তৃণমূল নেতা জেসিবি, কামারহাটির জয়ন্ত সিংয়ের পর এবার কোচবিহারের (Cooch Behar) মাথাভাঙার তৃণমূলের উপ-প্রধান হাসিম আলির নাম প্রকাশ্যে এল। নিজের ক্ষমতার দাপট দেখাতে গিয়ে পুলিশের সামনেই এক মহিলাকে নৃশংশভাবে মারধর করার অভিযোগ উঠল। সব কিছু দেখেও পুলিশ নীরব দর্শক ছিল বলে অভিযোগ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মাথাভাঙার হাজরাহাটে। জখম মহিলাকে উদ্ধার করে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Cooch Behar)

    জানা গিয়েছে, কোনও জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গন্ডগোল। তাতে ওই মহিলার নাম জড়িয়েছে। মহিলাকে উচিত শিক্ষা দিতে তৃণমূলের (Trinamool Congress) উপ-প্রধান পুলিশের সামনেই হামলা চালান। মাথাভাঙা (Cooch Behar) মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই আক্রান্ত মহিলা বলেন, আমি কোনও অন্যায় করলে তারজন্য পুলিশ প্রশাসন রয়েছে। তিনি তৃণমূলের উপ-প্রধান বলেই তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পান না। এমনকী উপ প্রধান হাসিম আলি ও তাঁর ভাই মিলে আমাকে সকলের সামনে ব্যাপক মারধর করেছে। কেউ আমাকে বাঁচাতে আসেনি। সকলের সামনে আমাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই সময়ে ঘটনাস্থলে ছিল মাথাভাঙা থানার পুলিশও। পুলিশের সামনেই চলে মারধর। তৃণমূল নেতা মারধর করছে বলে ভয়ে কেউ বাঁচাতে আসেনি। আমি হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করছি। প্রকাশ্যে মারধর করার অভিযোগ ওঠায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    তৃণমূলের উপ-প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    যদিও তৃণমূলের (Trinamool Congress) উপ-প্রধান হাসিম আলির দাবি, ওই মহিলা স্থানীয় একটি কালী মন্দিরের পিছনের ফাঁকা জায়গা দখল করতে চেয়েছিলেন। তাতে বাধা দেওয়া হয়। এদিন অন্য একজনের দোকানে এসে ঝামেলা করাতে তাঁকে সেখান থেকে শুধু সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বেশি কিছু হয়নি। এমনকী মারধর করার অভিযোগ ভিত্তিহীন। মিথ্যা করে আমার নাম জড়িয়ে সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছেন ওই মহিলা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cold and Cough: সন্তানের সর্দি-কাশিতে নাজেহাল? কোন ঘরোয়া উপাদান করবে মুশকিল আসান?

    Cold and Cough: সন্তানের সর্দি-কাশিতে নাজেহাল? কোন ঘরোয়া উপাদান করবে মুশকিল আসান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম হাজির হতেই শুরু ভোগান্তি। কখনও ভ্যাপসা গরম, আবার কখনও লাগাতার বৃষ্টি। আবহাওয়ার এই রকমফেরের জেরে নানান অসুখ বাড়ছে। বিশেষ করে ভাইরাস ঘটিত রোগের দাপট বাড়ছে। সর্দি-কাশি, গলাব্যথায় কাবু অধিকাংশ স্কুলপড়ুয়া‌। ঋতু পরিবর্তনের সময় লাগাতার সন্তানের সর্দি-কাশির জেরে নাজেহাল বাবা-মায়েরাও। বিশেষজ্ঞদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, কিছু ঘরোয়া উপাদানের (Domestic Ingredients) ব্যবহারেই হবে মুশকিল আসান। সামান্য কয়েকটি বিষয়ে সচেতনতা আর কিছু নিয়মিত অভ্যাসের বদল কমাবে ভোগান্তি। এবার একনজরে দেখে নিন, কোন ঘরোয়া উপাদান সমস্যা কমাবে?

    মেথি কমাবে শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি (Cold and Cough)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সর্দি-কাশির ভোগান্তি রুখতে মেথি খুবই সাহায্য করে। শ্বাসনালীতে ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের জেরে সর্দি-কাশি থেকে নিউমোনিয়ার মতো জটিল সমস্যাও তৈরি হয়। পাশপাশি ফুসফুসের কার্যকারিতাও সমস্যায় পড়ে। ফলে হাঁপানির মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। মেথির মতো মশলা রান্নায় নিয়মিত ব্যবহার করলে শ্বাসনালী ভালো থাকে। সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। তাই বর্ষায় সন্তানকে সুস্থ রাখতে রান্নায় মেথির ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

    নিয়মিত রান্নায় থাকুক আদা আর রসুন

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আদা আর রসুন-এই দুই উপাদান সর্দি-কাশি (Cold and Cough) মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত যে কোনও একটি তরকারি রান্নার সময় এই দুই উপাদান ব্যবহার করলে সর্দি-কাশি মোকাবিলা সহজ হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই রসুন রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হয়। বর্ষার মরশুমে সর্দি-কাশির এই সমস্যা মূলত বিভিন্ন ভাইরাস ঘটিত হয়। তাই দেহে পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকলে, তা প্রতিরোধ সহজ হবে। পাশপাশি, আদা শ্বাসনালীর সংক্রমণ রুখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই বর্ষার আবহাওয়ায় নিয়মিত আদা খেলে গলাব্যথা আর কাশির মতো সমস্যা কমবে।

    এক চামচ মধু-লেবুর সিরাপ কমাবে সর্দির ঝুঁকি (Cold and Cough)

    মধু শরীরের জন্য খুবই উপকারী। মধু যেমন দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, তেমনি রোগ প্রতিরোধ শক্তিও‌ বাড়ায়। সর্দি-কাশির মতো সমস্যা কমাতে মধু বিশেষ সাহায্য করে। আবার লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। যে কোনও রকম লেবু নিয়মিত খেলে দেহে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি পৌঁছয়। এর জেরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। সর্দি-কাশির ভোগান্তিও কমে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে বাড়িতেই এক ধরনের সিরাপ তৈরি থাক। নিয়মিত লেবুর রস আর মধু (Domestic Ingredients) মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশির ভোগান্তি কম হবে। এতে শরীর সুস্থ থাকবে।

    কোন অভ্যাস ছাড়লে কমবে রোগের ঝুঁকি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষার আবহাওয়ায় তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। কিন্তু অনেকেই এখনও সারারাত এসি চালিয়ে ঘুমোচ্ছেন। বিশেষত শিশুরা এই আবহাওয়ায় কোনও রকম চাদর গায়ে ঢাকা না দিয়ে, সারা রাত এসি ঘরে ঘুমোলে সর্দি-কাশির (Cold and Cough) ঝুঁকি বেড়ে যাবে। এসির ব্যবহারে তাই লাগাম টানতে হবে। ঠান্ডা পানীয় বা আইসক্রিম খাওয়ার ক্ষেত্রেও রাশ টানা জরুরি। খুব ঠান্ডা জাতীয় খাবার খেয়েই আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশন হয়। আর তার থেকেই সর্দি-কাশির ভোগান্তিও বাড়ে। তাই আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় খাবারে রাশ জরুরি। ফ্রিজে রাখ ঠান্ডা জল এই আবহাওয়ায় একেবারেই খাওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: পুরীর রথযাত্রায় তীর্থযাত্রীদের মানবিক সেবা প্রদানের কাজে এগিয়ে আরএসএস

    RSS: পুরীর রথযাত্রায় তীর্থযাত্রীদের মানবিক সেবা প্রদানের কাজে এগিয়ে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীতে (Puri Rath Yatra) শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রার সময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) ও উৎকল বিপন্ন সহায়তা সমিতি যৌথ ভাবে এক ব্যতিক্রমী মানবিক সেবা প্রদান করে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। ইউবিএসএস ও আরএসএস এই রথযাত্রার মহোৎসবে এক যোগে জনসেবা এবং তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা বিষয়ে পরিষেবা প্রদান করেছে। এই দুই সামজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দশটি বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করা হয়েছে। আসুন জেনে নিই কীভাবে সেবাকাজে অংশ গ্রহণ করেছেন।

    বিপুল ভিড়ের মধ্যে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা (RSS)

    পুরীতে (Puri Rath Yatra) রথযাত্রা উপলক্ষে লক্ষ লক্ষ ভক্তদের সমাগম হয়। অত্যধিক ভিড় এবং উত্তেজনার মধ্যে মানবিক সেবায় পাশে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের (RSS) স্বয়ংসেবকরা। তাঁদের সেবা কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসা, ওষুধ বিতরণ, জল ছিটানো, পানীয় জল বিতরণ, স্ট্রেচার সেবা, অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা প্রদান ও করিডোর তৈরি করা সহ নানান সেবা মূলক কাজ। রথযাত্রায় আহত বা অচৈতন্য ভক্তদের অবিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া এবং বিপুল ভিড়ের মধ্যে অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য পথ তৈরি করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন স্বয়ংসেবকরা। ফলে স্বয়ংসেবকদের প্রচেষ্টায় আহতদের সহজে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে হাসপাতালে যেতে বিরাট সুবিধা হয়।

    আয়োজন করা হয় স্বাস্থ্য শিবির

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) এবং উৎকল বিপন্ন সহায়তা সমিতির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, এই উৎসব মুখর দিনে আগত ভক্তদের শরীর-স্বাস্থ্যের কথা ভেবে একটি স্বাস্থ্য শিবির বাসানো হয়েছিল। তার মধ্যে ৮ জন ডাক্তার, ২ জন ফার্মাসিস্ট এবং ২ জন স্বাস্থ্য সহকারী প্রাথমিক চিকিৎসায় নিয়োজিত ছিলেন। একইভাবে, ৪০ জন স্বয়ংসেবক, ২টি অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে দিয়ে সেবাকাজ চালিয়ে যান। স্ট্রেচারে সেবার জন্য ৩৬ জন স্বয়ংসেবকদের দল কাজ করেছেন। আলাদা করে ১০টি স্থানে পানীয় জল বিতরণ সেবা চলেছিল এবং ৬০ জন স্বয়ংসেবক এই সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।

    ১৪টি মেশিন স্থাপন করে জল বর্ষণ করা হয়

    পুরীতে রথের দিনের আবহাওয়া তীব্র আর্দ্র ও গরমের কারণে ইউবিএসএস-এর পক্ষ থেকেও ভক্তদের ওপর জল ছিটানো হয়েছিল। ভক্তদের উপর এই জল বর্ষণের জন্য ৪২ জনের স্বয়ংসেবকের দল ১৪টি মেশিন স্থাপন করে পরিষেবা প্রদান করেছেন। একইভাবে, আহত ও অসুস্থ ভক্তদের সাহায্য করার জন্য পুরীর হাসপাতালে স্বয়ংসেবকদের (RSS) মোতায়েন করা হয়েছিল। মোট ৩৫০ জন স্বয়ংসেবক হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজে নিযুক্ত ছিলেন। একইভাবে ১৫০ জন স্বয়ংসেবক আলাদা আলাদা করে ১০টি দলে নিযুক্ত হয়ে পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। প্রায় ৬০ জন স্বয়ংসেবক খাদ্য বিতরণের কাজে নিয়োজিত ছিলেন। মোট ১০৬০ জন স্বয়ংসেবকরা জায়গায় জায়গায় আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য একাধিক করিডোর তৈরি করেছিলেন। এই সমস্ত স্বয়ংসেবকরা ৭ ও ৮ জুলাই দুদিন একটানা সেবামূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ সেনার নমিনি নিয়মে বদলের আর্জি ক্যাপ্টেন অংশুমান সিং-এর বাবা-মার

    একদিন আগে বৈঠক করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়

    রথযাত্রার (Puri Rath Yatra) একদিন আগে, অর্থাৎ ৬ জুলাই, পুরীর গোরা বাজারের সরস্বতী শিশু বিদ্যা মন্দিরে, আরএসএস-এর প্রবীণ নেতারা উপস্থিত হন এবং সেখানে বিশেষ বৈঠক করে সমস্ত স্বয়ংসেবকদের (RSS) এই সেবামূলক কাজের কথা জানিয়ে প্রশিক্ষণও দিয়েছিলেন। এরপরেই স্বয়ংসেবকরা তাঁদের নির্ধারিত সেবামূলক কাজগুলি করতে শুরু করে দিয়েছিলেন। এই রথযাত্রা উপলক্ষে সেবা কর্মযজ্ঞের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন আরএসএস (RSS) ওড়িশা সঙ্ঘচালক (পূর্ব) সমীর মাহান্তি, রাষ্ট্রীয় সেবা ভারতীর সাংগঠনিক সেক্রেটারি সুধীর জি, ক্ষেত্রীয় সম্পর্ক প্রমুখ বিদ্যুৎ মুখার্জি, প্রান্ত প্রচারক বিপিন প্রসাদ নন্দ, সহ-প্রান্তকার্যবাহ সুদর্শন দাস, উৎকল বিপন্ন সহায়তা সমিতির সভাপতি অক্ষয় বিট, সেবা ভারতীর রাজ্য সাংগঠনিক সম্পাদক কৈলাশ চন্দ্র জেনা, রথযাত্রা সেবা সমন্বয়কারী রুদ্র নারায়ণ মহাপাত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nagerbazar: নাগেরবাজারে গেঞ্জি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ২২টি ইঞ্জিন

    Nagerbazar: নাগেরবাজারে গেঞ্জি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ২২টি ইঞ্জিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দমদমের নাগেরবাজার (Nagerbazar) সংলগ্ন মল রোড এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। একের পর এক কারখানা দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। স্থানীয়রা উদ্যোগী হয়ে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগালেও কোনও লাভ হয়নি। কারণ, একটি গোডাউনে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুনের তীব্রতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। দমকলের বিশাল বাহিনী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।  

    কীভাবে আগুন লাগল? (Nagerbazar)

    নাগেরবাজার (Nagerbazar)১০ কাঠা জমির ওপর একাধিক কারখানা রয়েছে। কারখানার চারিদিকে পাঁচিল দেওয়া ছিল। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, একটি আইসক্রিম কারখানায় প্রথম আগুন লাগে। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের এক হোসিয়ারি কারখানায়। পাশাপাশি দুটি কারখানায় দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ আগুন লাগে। সকালের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। যদিও খবর পেয়ে রাতেই দমকলের কয়েকটি ইঞ্জিন এসে কাজ শুরু করেছিল। কিন্তু, তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি। বরং, আগুন আশপাশের কারখানা,গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে। পরে, দমকলের ই়়ঞ্জিনের সংখ্যা বাড়ানো হয়। সবমিলিয়ে ২২টি ইঞ্জিন একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, বেলা ১১টা পর্যন্ত দমকল কর্মীরা আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে পারেননি। ভয়ঙ্কর আগুনের (Fire) তাপে কারখানা দুটির লোহার গ্রিলগুলি পর্যন্ত বেঁকে গিয়েছে। সেগুলি সরিয়ে আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা। এখনও পর্যন্ত অবশ্য কারও হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    দমকল দেরিতে আসায় ক্ষোভ

    জানা গিয়েছে, হোসিয়ারি কারখানায় প্রচুর গেঞ্জি এবং অন্যান্য হোসিয়ারি পণ্য মজুত ছিল। সেগুলি থেকে আগুন আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে না পেরে দমকল কর্মীরা আপাতত জানলার বাইরে থেকে জল দিয়ে আগুন (Fire) নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। দুটি কারখানাতেই প্রচুর শ্রমিক কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে, রাতে সেখানে কেউ ছিল কি না তা স্পষ্ট নয়। রাত থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। এর মধ্যে কীভাবে আগুন লাগল, সেই বিষয়টিও জানা  যায়নি। তবে, দমকলকর্মীদের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লেগে থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু যান। তিনি ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দমকল আসতে অনেক দেরি করেছে। দমকল সময় মতো এলে, আগুন এতটা ছড়িয়ে পড়ত না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nepal’s Communists: ‘সেকুলার’ শব্দ হিন্দু ধর্মকে আক্রমণের লাইসেন্স দেয় না, মত নেপালের কমিউনিস্টদের 

    Nepal’s Communists: ‘সেকুলার’ শব্দ হিন্দু ধর্মকে আক্রমণের লাইসেন্স দেয় না, মত নেপালের কমিউনিস্টদের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশিরভাগ ভারতীয়র কাছে আশ্চর্যজনক হলেও এটা সত্য যে নেপালের (Nepal’s Communists) বৃহত্তম কমিউনিস্ট পার্টি ইউনিফায়েড মার্কসবাদী-লেনিনবাদী প্রায় নয় বছর আগে সেদেশের নতুন সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দের অপব্যবহার ও ভুল ব্যাখ্যার জন্য যথেষ্ট চিন্তিত। এনিয়ে সরব হয়েছেন সেদেশের একাধিক কমিউনিস্ট নেতাও। ভারতের মতো নেপালেও সাংবিধানিক ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’র অপব্যবহার করার  অভিযোগ একাধিকবার উঠেছে খ্রিস্টান মিশনারী এবং ইসলাম ধর্মের প্রচারকদের বিরুদ্ধে। বিপুল সংখ্যক সে দেশের হিন্দুকে খ্রিস্টান ও ইসলামে ধর্মান্তরিত (Secularism) করা হচ্ছে শুধুমাত্র সাংবিধানিকভাবে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দের ভুল ব্যাখ্যা এবং অপব্যবহারের মাধ্যমে। নেপালের ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দকে অপব্যবহার করা হচ্ছে শুধুমাত্র সনাতন ধর্মকে আক্রমণ করা ও খাটো করার উদ্দেশে। এমনিতে সে দেশের অ-কমিউনিস্ট দলগুলি প্রায় সরব হয়ে থাকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দের অপব্যবহারের জন্য। এই দাবিতে তারা আন্দোলনও করেছে। যেমন, নেপালের রাজনৈতিক দল ‘রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি’ ইতিমধ্যে দাবি তুলেছে যে নেপালকে হিন্দু রাষ্ট্রের মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে হবে। আশ্চর্যজনকভাবে নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির নেতারাও ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’র অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।

    কী বলছেন শীর্ষ কমিউনিস্ট নেতা (Nepal’s Communists) প্রদীপ গিয়াওয়ালি?

    সে দেশের অন্যতম শীর্ষ কমিউনিস্ট নেতা প্রদীপ গিয়াওয়ালি একটি নেপালি দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন মতই তুলে ধরেছেন। গিয়াওয়ালি তাঁর সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সমাজের একটা অংশ সর্বদাই সচেষ্ট রয়েছে সংবিধানের ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দটিকে কিভাবে অপব্যবহার করা যায়। নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির নেতার (Nepal’s Communists) এমন মন্তব্যে ভারতের বামপন্থী তথা লিবারেলরা যে ঘাবড়ে যাবেন তা বলাই যায়। গিয়াওয়ালি আরও বলেছেন, ‘‘কিছু লোক ধর্মনিরপেক্ষতাকে ব্যবহার করছে শুধুমাত্র ধর্মান্তরিত করার জন্যই। ধর্মনিরপেক্ষ শব্দ আজকে লাইসেন্স হয়ে গিয়েছে অন্য ধর্মের লোককে আরেকটি ধর্মে ধর্মান্তরিত করার জন্য।’’

    ভারতবর্ষের কমিউনিস্টদের চিরাচরিত বৈশিষ্ট্য হল হিন্দু সংস্কৃতির বিরোধিতা

    ভারতবর্ষের কমিউনিস্টদের চিরাচরিত বৈশিষ্ট্য হল হিন্দু সংস্কৃতির বিরোধিতা এবং এক্ষেত্রে তাঁরা চোখ-কান-নাক মুখ বুজে থাকেন। যখন হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর আক্রমণ হয় অথবা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের খ্রিস্টান বা ইসলামে ধর্মান্তকরণ করা হয় তখনও নিশ্চুপ থাকেন এদেশের কমিউনিস্টরা। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের কাছ থেকে কি এবার শিক্ষা নিয়ে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা তাঁদের লাইন চেঞ্জ করবেন? এমন প্রশ্ন উঠছে।

    নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির আর এক শীর্ষ নেতা ঈশ্বর পোখারেল কী বলছেন?

    নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির আর এক শীর্ষ নেতা ঈশ্বর পোখারেল তিনিও তাঁর সহকর্মী গিয়াওয়ালির মতামতকে ১০০ শতাংশ সমর্থন করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ধর্মান্তকরণ রোধ করার জন্য নতুন শক্তিশালী আইন আনা প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, নেপালে দীর্ঘ দিন ধরেই অভিযোগ আসছে যে খ্রিস্টান মিশনারীরা এবং ইসলামিক ধর্ম প্রচারকরা হিন্দুদের ব্যাপকভাবে ধর্মান্তরিতকরণ করছেন। ঈশ্বর পোখারেলের কথাতেও উঠে এসেছে সেই প্রসঙ্গই। তিনি জানিয়েছেন, খ্রিস্টান মিশনারীরা ধর্মনিরপেক্ষতার অপব্যবহার করে বড়সড় ধর্মান্তকরণের ফাঁদ পাতা হয়েছে সারা নেপালজুড়ে। এক্ষেত্রে তাঁরা ব্যবহার করছেন মানুষের দারিদ্রতা-অসচ্ছলতাকে। এটা যে কোনও মূল্যে বন্ধ করতে হবে বলেও জানিয়েছেন ঈশ্বর। নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির বর্তমান সাংসদ জনার্দন শর্মা তিনি এ বিষয়ে বলেন,‘‘বড় আকারের ধর্মান্তকরণ চলছে নেপালজুড়ে। বিশেষ করে খ্রিস্টান ধর্মে। এর ফলে এক সামাজিক বৈষম্য তৈরি হচ্ছে।’’

    একই মত উঠে এসেছে, নেপালি কংগ্রেসের কাছ থেকেও

    একই মত উঠে এসেছে, নেপালি কংগ্রেসের কাছ থেকেও। সে দেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখর কৈরালা জানিয়েছেন, সনাতন ধর্মকে খাটো করার প্রয়াস চলছে ধর্মান্তকরণের মাধ্যমে। অর্জুন প্রসাদ জোশি নামের অপর এক নেপালি কংগ্রেসের নেতা জানিয়েছেন ধর্মনিরপেক্ষতার (Secularism) ব্যাপকভাবে অপব্যবহার হচ্ছে নেপালে। এই আবহে রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি ফের একবার দাবি তুলেছে যে সংবিধান থেকে সেকুলার শব্দকে হটিয়ে দেওয়া হোক এবং হিন্দু রাষ্ট্রকে প্রতিষ্ঠা করা হোক।

    ভারত সফরের সময়ও নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা মন্দির পরিদর্শন করেন

    ভারত সফরের সময়ও নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির (Nepal’s Communists) নেতাদের মন্দির পরিদর্শন এবং পূজা দিতে দেখা যায়। নেপালের প্রধানমন্ত্রী দাহাল গত বছরের মে মাসে ভারত সফরে এসেছিলেন এবং সে সময় উজ্জ্বয়নীর মহাকালেশ্বর মন্দিরে পরিদর্শন করেছিলেন। কিন্তু ভারতের কমিউনিস্টদের কাছে মন্দির পরিদর্শন যেন খুব বড় অপরাধ হয়ে যায়। হিন্দু সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করাটা, তাঁদের পার্টির শোকজের কারণ হয়। অনেক আগে সিপিএম নেতা সুভাষ চক্রবর্তী তারাপীঠ মন্দির পরিদর্শন করেছিলেন এবং এর পরে কী ঘটনা ঘটেছিল তা আমরা সকলেই জানি। সে সময় গোটা কমিউনিস্ট পার্টি সুভাষ চক্রবর্তীর এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় নেমেছিল। ভারতবর্ষের কমিউনিস্টদের কখনও মন্দিরে যেতে বা হিন্দুদের কোনও উৎসব অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখা যায় না। শুধুমাত্র তাই নয়, তাঁদের দলের সম্মেলন যখন শুরু হয় তখন ভারতের কমিউনিস্টরা প্রদীপ জ্বালিয়ে উদ্বোধনটাও করেন না। কারণ হিসেবে তাঁরা মনে করেন, হিন্দু সংস্কৃতির প্রতিফলন হয় প্রদীপে। তবে কমিউনিস্ট নেতা হয়েও আব্দুল রেজ্জাক মোল্লা হজ করতে যেতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share