Tag: Bengali news

Bengali news

  • Kalyan Chaubey: ইটের বদলে পাটকেল! কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে এবার একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ

    Kalyan Chaubey: ইটের বদলে পাটকেল! কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে এবার একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানিকতলা উপনির্বাচনের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষ ও বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবের (Kalyan Chaubey) মধ্যে দ্বৈরথ অব্যাহত রইল। মানিকতলা উপনির্বাচনের আগে কল্যাণ চৌবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষ। এবার কুণালের সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন বিজেপি প্রার্থী। উপনির্বাচনের দিনই সাংবাদিক বৈঠক করে কুনালের বিরুদ্ধে একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ চৌবে।

    কুণাল ঘোষের অভিযোগ (Kunal Ghosh) 

    মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে কুণাল ঘোষ বলেন, ”রবিবার আমাকে ভোটে অন্তর্ঘাতের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে খেলার জগতে রাজ্য বা জাতীয় স্তরে বড় পদের প্রস্তাবও দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ।” তবে কুনাল এই অফার প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, ”এই বিজেপি প্রার্থীকে (Kalyan Chaubey) একটা ভোটও দেওয়া উচিত নয়।” এরপর নিজের দাবির সপক্ষে একটি অডিয়ো ক্লিপ সংবাদমাধ্যমের সামনে আনেন তৃণমূল নেতা। 

    যদিও এ প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী বলেন, ”আমি কখনো কোথাও বলিনি ফুটবল ফেডারেশনের কোন পদে রাখব। সেটা অপপ্রচার করছেন। এটা ওনার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। কথোপকথনকে রেকর্ড করে বাইরে ছাড়া শুধুমাত্র ওনার বিশ্বাসযোগ্যতা শেষ করল না, মানুষ এরপর থেকে কারোর সাথে কথা বলতে চাইলে দশবার ভাববে। আমি ওনাকে ফোন করেছি, কারণ উনি আমাকে বলেছিলেন রাত এগারোটায় ফোন করতে এবং সেই কথা রেকর্ড করে প্রকাশ্যে এনেছেন।” 

    বিজেপি প্রার্থীর পাল্টা জবাব (Kalyan Chaubey) 

    কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যের পর নির্বাচনের দিনই সাংবাদিক বৈঠক করে একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ। তাঁর বক্তব্য, ”‌আমি সকলের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি। সেই হিসাবে তাঁর সঙ্গেও কথা বলেছি। কিন্তু আমি কোনও প্রতিশ্রুতি দিয়েছি এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা। পুরো অডিয়ো ক্লিপিং শোনালে সেটা বোঝা যাবে।”‌ আর এরপরেই বিজেপি প্রার্থী একেবারে বেনজির আক্রমণ শানালেন কুণাল ঘোষের উদ্দেশ্যে। পরিষ্কার বলেই দিলেন, “এই মানুষটা কয়েকদিন আগে তাপস রায়কে জেতানোর জন্য নিজের দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আমার কাছে হোয়াটস অ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট রয়েছে। ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সব লোকেরা তাপস রায়ের হয়ে কাজ করছে। বিজেপির হয়ে কাজ করছে। তবে আমি ব্যক্তিগত কথোপকথন বাইরে আনব না।”   

    আরও পড়ুন: নারী থেকে পুরুষ হয়ে ইতিহাস গড়লেন আইআরএস আধিকারিক

    উল্লেখ্য, ভোটের আগের দিনই কল্যাণ চৌবে (Kalyan Chaubey) অভিযোগ করে বলেছিলেন কুণাল ঘোষ নাকি বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। এর জন্য একাধিকবার তাঁর বাড়িও গিয়েছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী বলেন, “উনি আমার বাড়িতে একটা মেরুন স্যান্ট্রো করে অংখ্যবার গিয়েছেন। আমায় বলেছিলেন বিজেপিতে যোগ দেবেন।” এ নিয়ে কুণাল (Kunal Ghosh) জানিয়েছিলেন, “বিজেপি-তে যাওয়ার ইচ্ছা হলে পচা কল্যাণকে আমার লাগবে না।” যদিও বুধবার ‘পচা কল্যাণ’ শব্দটি নিয়ে প্রতিবাদ করেন মানিকতলার বিজেপি প্রার্থী বলেন, “এই শব্দটাকে আমি নিন্দা করছি। উনি নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছেন।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raigunj By Election: উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার ‘দাদাগিরি!’, শোরগোল

    Raigunj By Election: উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার ‘দাদাগিরি!’, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার দাদাগিরি! তাঁর মাতব্বরি কার্যত প্রশ্নের মুখে। প্রিসাইডিং অফিসারকে নিজেই অকপটে স্বীকার করেছেন, সকাল সাড়ে আটটার মধ্যেই তিন থেকে চারবার ভোটারদের নিয়ে সারাসরি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ঢুকে পড়েছিলেন তিনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে কার্যত নীরব কৃষ্ণ কল্যাণীর দাদা পাপ্পু কল্যাণী। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে (Raigunj By Election)।

    ১৪১-১৪২ নম্বর বুথে তৃণমূলের জমায়েত (Raigunj By Election)!

    উপনির্বাচনকে ঘিরে রায়গঞ্জের করোনেশন হাই স্কুলের বাইরে তৃণমূলের বিরাট জমায়েত দেখা গিয়েছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে জামায়েত সরিয়ে দেয়। আবার ১৪১ এবং ১৪২ নম্বর বুথের বাইরে ফের জমায়েত করে তৃণমূলের কর্মীরা। তাঁরা রীতিমতো স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। ঠিক এই পরিস্থিতির মধ্যে একটি বুথে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার দৌরাত্ম্য চোখে পড়েছে। ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ঢুকে রীতিমতো মাতব্বরি শুরু করে দেন কৃষ্ণ কল্যাণীর দাদা পাপ্পু কল্যাণী। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেই নিজের শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন।  

    তৃণমূলের দায়িত্বে ছিলেন পাপ্পু

    ভোট গ্রহণের সময় পাপ্পু কল্যাণীর দাদাকে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনেই দেখা যায়, ভোটারদের নিয়ে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বুথে (Raigunj By Election) ঢুকেছেন। উল্লেখ্য মাত্র একববার দুবার নয় বেশ কয়েকবার ভোটারদের ভোট দেওয়ান পাপ্পু। ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং অফিসার স্বীকার করেছেন তিন-চারবার ভোটারদেরকে ভোট দেওয়ান। তৃণমূল প্রার্থীর অবশ্য বক্তব্য, “তৃণমূলের হয়ে বুথের দায়িত্বে ছিলেন পাপ্পু, তাই সক্রিয় ছিলেন।”

    আরও পড়ুনঃ ‘বাদামবীজ পাচার!’ বাঁকুড়ার পঞ্চায়েত অফিসে বিরাট দুর্নীতি, ভিডিও প্রকাশ শুভেন্দুর

    লোকসাভায় রায়গঞ্জে এগিয়ে ছিল বিজপি

    রায়গঞ্জ বিধানসভার আসনে উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াইতে রয়েছেন, বিজেপি প্রার্থী মানসকুমার ঘোষ, কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেন গুপ্ত এবং তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন কৃষ্ণ কল্যাণী। কিন্তু পরবর্তী কালে বিজেপি থেকে তৃণমূল যোগদান করেন তিনি। এরপর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়াই করেন। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী কার্তিক চন্দ্র পালের কাছে ৬৮ হাজার ভোটে পারাজিত হন তিনি। লোকসভা ভোটে রায়গঞ্জ বিধানসভাতেও (Raigunj By Election) বাজিমাত করেছে বিজেপি এবং ধরাশায়ী হয়েছিল তৃণমূল। এইবার উপনির্বাচনে কী হয় তাই এখন দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tourists Fight On Mt Everest: ‘যত কাণ্ড মাউন্ট এভারেস্টে’! সেলফি তোলা নিয়ে হাতাহাতি, পুলিশ হেফাজতে ৪

    Tourists Fight On Mt Everest: ‘যত কাণ্ড মাউন্ট এভারেস্টে’! সেলফি তোলা নিয়ে হাতাহাতি, পুলিশ হেফাজতে ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে নয়, পড়ুন, যত কাণ্ড মাউন্ট এভারেস্টে (Tourists Fight On Mt Everest)! আজ্ঞে হ্যাঁ, সেলফি (Selfie Spot) তোলার হিড়িকেই রীতিমতো হাতাহাতি পর্যটকদের মধ্যে। ২৫ জুন এভারেস্টের বেস ক্যাম্পের ঘটনা। তবে প্রকাশ্যে এসেছে অতি সম্প্রতি। বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গে যে এমন একটা কাণ্ড ঘটতে পারে, তা আঁচ করতে পারেননি পর্বতারোহীরা। তবে ঘটনাটি সত্যি একশো ভাগ।

    এভারেস্ট পর্যটকের ভিড় (Tourists Fight On Mt Everest)

    প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এভারেস্ট। তুষারধবল এই পর্বতশৃঙ্গের সৌন্দর্য উপভোগ করতেই ফি বছর বহু মানুষ যান পর্বতারোহনে। এই তালিকায় থাকেন দু’ধরনের মানুষ। একদল পর্বতারোহী। অন্যদল ছবি শিকারি। দ্বিতীয় এই দলের লোকজন পাহাড় চূড়ায় ওঠেন না। তাঁরা মূলত ভিড় করে বেস ক্যাম্পে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি চিনা পর্যটকদের দু’টি দল তিব্বতের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে যান এভারেস্টের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য। এভারেস্ট ভ্রমণ স্মরণীয় করে রাখতে সেলফি তুলতে যান এক দম্পতি।

    তুষার ধবল শৃঙ্গে হাতাহাতি

    তাঁদের সঙ্গে থাকা ট্যুর গাইড এভারেস্ট এলিভেশন মনুমেন্টের পাশে ছবি তুলতে বলেন। এই সময় ওই একই জায়গায় ছবি তোলার চেষ্টা করেন অন্য এক পর্যটক দম্পতি। তাঁরাও এসেছিলেন চিন থেকে। কারা আগে সেলফি তুলবে, তা নিয়েই বচসা দুই দলের। তা গড়ায় হাতাহাতিতে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যায়, একদল অন্য দলকে এলোপাথাড়ি লাথি, ঘুসি মারছে। এরই মাঝে এক মহিলা নিরন্তর মারপিট থামানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে চলেছেন। তবে লড়াই আর থামে কই? খবর পেয়ে দ্রুত চলে আসেন এভারেস্ট (Tourists Fight On Mt Everest) বর্ডার পুলিশ ক্যাম্পের আধিকারিকরা। তাঁদের হস্তক্ষেপেই শেষমেশ দাঁড়ি পড়ে হাতাহাতিতে।

    আর পড়ুন: এবার খোরপোশ দাবি করতে পারবেন ডিভোর্সি মুসলিম মহিলারাও, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    এভারেস্টে বিশৃঙ্খলা পাকানোর অভিযোগে তাঁদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। এভারেস্ট যাত্রার ইতিহাসে এমনতর ঘটনা এই প্রথম। তবে এই ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, কীভাবে সেলফির (Selfie Spot) প্রতি আকর্ষণ বাড়ছে মানুষের। কীভাবে সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করার ঝোঁক বাড়ছে। স্থান-কাল-পাত্রের গুরুত্ব এবং ঐতিহ্য কিংবা মাহাত্ম্য ভুলেই চলছে এসব ‘বেওসা’ (Tourists Fight On Mt Everest)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: রানাঘাটে বিজেপির বুথ অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে কর্মীদের বেধড়ক মার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Ranaghat: রানাঘাটে বিজেপির বুথ অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে কর্মীদের বেধড়ক মার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভা উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের উত্তজনা ছড়াল। জানা গিয়েছে, তৃণমূলের বাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজেপির নির্বাচনী বুথ অফিস ভেঙে ভোটার স্লিপ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার বুথ অফিসে বসে থাকা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    বুধবার রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভার জগপুরে নির্বিঘ্নে ভোট (By-Election) চলছিল। বুথ অফিস থেকে সাধারণ মানুষকে ভোটার স্লিপ দিচ্ছিলেন বিজেপি কর্মীরা। হঠাৎই বাইকে করে বেশ কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসে বিজেপির বুথ অফিসে চড়াও হয়। বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়। ভেঙে ফেলা হয় বুথ অফিস। প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক বলেন, এদিন সকাল থেকেই এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। কোনও সমস্যা হয়নি। আচমকা বাইকে করে ২০ জন তৃণমূল কর্মী এসে বিজেপির বুথ অফিসে চড়াও হয়। পুলিশের সামনেই বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করে। ভোটার স্লিপ কেড়ে রাস্তায় ফেলে দেয়। বুথ অফিসে ভাঙচুর চালায়। পরে, বিজেপি কর্মীরা বুথ অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান। গোটা এলাকা তৃণমূলের ছেলেরা দখল করে নেয়। পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, “পুলিশ থাকা সত্ত্বেও পুলিশের সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এবং রাজ্য সরকার একত্রিতভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে সহায়তা করছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মারধর করার পাশাপাশি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। তৃণমূল বুঝে গিয়েছে, রানাঘাট দক্ষিণে (By-Election) বিজেপির জয় অনিবার্য, তাই এরকম অপরাধমূলক ঘটনা ঘটাচ্ছে।” যদিও ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় রানাঘাট পুলিশ জেলার উচ্চ পদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 72: “মা সেই একলা দক্ষিণেশ্বরে কালীবাড়ির নবতে, আর থাকা হল না”

    Ramakrishna 72: “মা সেই একলা দক্ষিণেশ্বরে কালীবাড়ির নবতে, আর থাকা হল না”

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ঠাকুর অনন্ত ও অনন্ত ঈশ্বর—সকলই পন্থা—শ্রীবৃন্দাবন-দর্শন

    জ্ঞানীর মতে অসংখ্য অবতার-কুটীচক-তীর্থ কেন

    তবে তীর্থে উদ্দীপন হয় বটে। মথুরবাবুর সঙ্গে বৃন্দাবনে (Ramakrishna) গেলাম। মথুরবাবুর বাড়ির মেয়েরাও ছিল—হৃদেও ছিল। কালীয়দমন ঘাট দেখবামাত্রই উদ্দীপন হত—আমি বিহ্বল হয়ে যেতাম!—হৃদে আমায় যমুনার সেই ঘাটে ছেলেটির মতন নাওয়াত।

    যমুনার তীরে সন্ধ্যার সময়ে বেড়াতে যেতাম। যমুনার চড়া দিয়ে সেই সময় গোষ্ঠ হতে গরু সব ফিরে আসত। দেখবামাত্র আমার কৃষ্ণের উদ্দীপন হল, উন্মত্তের ন্যায় আমি দৌড়াতে লাগলাম—কৃষ্ণ কই কৃষ্ণ কই এই বলতে (Kathamrita) বলতে!

    পালকি করে শ্যামকুণ্ডু রাধাকুণ্ডের পথে যাচ্ছিল, গোবর্ধন দেখতে নামলাম, গোবর্ধন দেখবামাত্রই একেবারে বিহ্বল, দৌড়ে গিয়ে গোবর্ধনের উপরে দাঁড়িয়ে পড়লুম।–আর বাহ্যশূন্য হয়ে গেলাম। তখন ব্রজবাসীরা গিয়ে আমায় নামিয়ে আনে। শ্যামকুণ্ডু রাধাকুণ্ডু পথে সেই মাঠ, আর গাছপালা, পাখি, হরিণ—এই সব দেখে বিহ্বল হয়ে গেলাম। চোখের জলে কাপড় ভিজে যেতে লাগল। মনে হতে লাগল, কৃষ্ণ (Ramakrishna) রে, সবই রয়েছে, কেবল তোকে দেখতে পাচ্ছি না। পালকির ভিতরে বসে, কিন্তু একবার একটি কইবার শক্তি নাই—চুপ করে বসে! হৃদে পালকির পিছনে আসছিল। বেয়ারাদের বলে দিল খুব হুঁশিয়ার।

    গঙ্গামায়ী বড় যত্ন করত। অনেক বয়স। নিধুবনের কাছে কুটিরে একলা থাকত। আমার অবস্থা আর ভাব দেখে, বলত (Kathamrita)—ইনি সাক্ষাৎ রাধা দেহধারণ করে এসেছেন। আমায় দুলালী বলে ডাকত! তাকে পেলে আমার খাওয়া-দাওয়া, বাসায় ফিরে যাওয়া সব ভুল হয়ে যেত। হৃদে এক-দিন বাসা থেকে খাবার এনে খাইয়ে যেত-সেও খাবার জিনিস তয়ের করে খাওয়াত।

    গঙ্গামায়ীর ভাব হত। তার ভাব দেখবার জন্য লোকের মেলা হত। ভাবেতে একদিন হৃদের কাঁধে চড়েছিল।

    গঙ্গামায়ীর কাছ থেকে দেশে চলে আসবার আমার ইচ্ছা ছিল না। সব ঠিক-ঠাক, আমি সিদ্ধ চালের ভাত খাব;–গঙ্গামায়ীর বিছানা ঘরের এদিকে হবে, আমার বিছানা ওদিকে হবে। সব ঠিক-ঠাক। হৃদে তখন বললে, তোমার এত পেটের অসুখ—কে দেখবে? গঙ্গামায়ী বললে, কেন আমি দেখব, আমি সেবা করব। হৃদে একহাত ধরে টানে আর গঙ্গামায়ী একহাত ধরে টানে—এমন সময় মাকে মনে পড়ল!—মা সেই একলা দক্ষিণেশ্বরে (Ramakrishna) কালীবাড়ির নবতে। আর থাকা হল না। তখন বললাম, না আমায় যেতে হবে!

    আরও পড়ুনঃ “আমি সাকারবাদীর কাছে সাকার, আবার নিরাকারবাদীর কাছে নিরাকার”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jiban Krishna Saha: জামিনের পরেই বিপাকে তৃণমূল বিধায়ক! সিবিআইয়ের পরে এবার ইডির জালে জীবনকৃষ্ণ?

    Jiban Krishna Saha: জামিনের পরেই বিপাকে তৃণমূল বিধায়ক! সিবিআইয়ের পরে এবার ইডির জালে জীবনকৃষ্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা (Recruitment Case)। সম্প্রতি জামিন পেয়েছেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত বড়ঞাঁর তৃণমূল বিধায়ক  জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। কিন্তু সিবিআই হেফাজত থেকে বেরতে না বেরতেই ফের কি ইডির জালে ফাঁসলেন তিনি? বর্তমানে এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে। কারণ, জানা গিয়েছে, এ বার ‘বেআইনি আর্থিক লেনদেনে’র অভিযোগে ইডির ‘নিশানা’ হতে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর স্ত্রীকে তলব করে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে একটি সূত্রের দাবি। তার পরেই দানা বেঁধেছে এই জল্পনা।

    ঠিক কী জানা গিয়েছে? (Jiban Krishna Saha)

    এ প্রসঙ্গে ইডির একটি সূত্র জানিয়েছে, জীবনকৃষ্ণের স্ত্রী টগরির সম্পত্তি নিয়ে ‘খোঁজখবরের’ সূত্রেই তাঁকে জি়জ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ওই সূত্রের দাবি, এরপর জীবনকৃষ্ণকেও সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে। জীবনকৃষ্ণের ‘পুকুরে ছুড়ে ফেলা মোবাইল’ থেকে যে তথ্য পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল বলে দাবি, তাতে ‘টাকা ফেরতের’ প্রসঙ্গ রয়েছে বলে জানিয়েছিল সিবিআই। সে ক্ষেত্রে, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Case) টাকা লেনদেনের বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে ইডি।

    আরও পড়ুন: চেয়েছিলেন পুত্রসন্তান, হল যমজ কন্যাসন্তান, দু’জনকেই খুন করে গ্রেফতার ‘কীর্তিমান’ পিতা

    এর আগে কী ঘটেছিল? (Recruitment Case)

    নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে তদন্তে নেমে গত বছরের ১৪ এপ্রিল জীবনকৃষ্ণের (Jiban Krishna Saha) কান্দির বাড়িতে টানা তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। এরপর ১৭ এপ্রিল মধ্যরাতে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। সেই থেকেই প্রায় ১৩ মাস জেলে কেটেছে তাঁর। অভিযোগ, গ্রেফতারের সময় নিজের দুটি মোবাইল বাড়ির পাশের পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ। এরপর বহু কষ্টে জল ছেঁচে সেই ফোন উদ্ধার করেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা। 
    মোবাইল দু’টি থেকে বিভিন্ন তথ্য পুনরুদ্ধার করা হয় বলে পরে জানায় সিবিআই। যদিও জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha) মোবাইল পুকুরে ছুড়ে ফেলার অভিযোগ স্বীকার করেননি। এবার সেই মোবাইল থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ফের ইডির নজরে পড়লেন জীবনকৃষ্ণ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bnakura: ‘বাদামবীজ পাচার!’ বাঁকুড়ার পঞ্চায়েত অফিসে বিরাট দুর্নীতি, ভিডিও প্রকাশ শুভেন্দুর

    Bnakura: ‘বাদামবীজ পাচার!’ বাঁকুড়ার পঞ্চায়েত অফিসে বিরাট দুর্নীতি, ভিডিও প্রকাশ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিস থেকে রাতের অন্ধকারে পাচার হচ্ছে বাদামবীজ। যে বাদামবীজ এলাকার গরিব চাষিদের পাওয়ার কথা, সেই বীজ কার্যত অন্যত্র চুরি হচ্ছে। ঠিক এমন অভিযোগ এনে প্রমাণ সহ একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মূলত অভিযোগ বাঁকুড়া (Bnakura) মেলাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। তৃণমূল অবশ্য অভিযোগের পাল্টা অস্বীকার করেছে।

    শুভেন্দুর দাবি (Bnakura)

    মঙ্গলবার শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) একটি পোস্ট করে সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন, “আত্মা প্রকল্পে এলাকার দরিদ্র কৃষকদের দেওয়ার জন্য বাঁকুড়া (Bnakura) রাইপুর ব্লকের মেলাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতকে বাদাম বীজ সরবরাহ করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু তৃণমূলের চোরেরা সেই বাদামবীজ চুরি করেছে।” তাঁর প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পঞ্চায়েত অফিসের সামনে একটি ছোট ট্রাকে করে কিছু বস্তা ওঠানোর কাজ চলছে। এই ভিডিও পোস্টের পর রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্যে একাধিক দুর্নীতি ইস্যুর সঙ্গে বাদামবীজ চুরির ঘটনা আরও এক চুরির সংযোজন বলে মনে করেছে বিজেপি। তাঁর এই পোস্টকে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংকে ট্যাগ করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন শুভেন্দু। বিজেপির স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পে বরাদ্দ বীজ, টাকার বিনিময়ে বিক্রি করছে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু ঘটনার কথা সামজিক মাধ্যমে জানাজানি হতেই চুরির কাজ আচমকা আটকে গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ স্কুলে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা, চলল ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানিও! শোরগোল

    তৃণমূলের বক্তব্য

    মেলাড়া (Bnakura) গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “যে বাদামবীজ চাষিদের কাছে বিতরণের জন্য এসেছে তা দ্রুত চাষিদের মধ্যে দেওয়া হবে। বিজেপি অপপ্রচার করছে। অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।” আবার তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বলেছেন, “বাদামবীজগুলি চাষিদের মধ্যে বিতরণের জন্য পঞ্চায়েত অফিস থেকে পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই ছবি পোস্ট করেই এখন রাজনীতি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিজেপির কাছে কোনও উন্নয়নের ইস্যু নেই, তাই বদনাম করার অপচেষ্টা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bagda: বাগদায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর, সরকারি গাড়িতে ঘুরে বিতর্কে তৃণমূল প্রার্থী

    Bagda: বাগদায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর, সরকারি গাড়িতে ঘুরে বিতর্কে তৃণমূল প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাগদা বিধানসভা উপ-নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরকারি গাড়িতে করে বুথে বুথে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাসের গাড়ি ভাঙচুর এবং তাঁকে হেনস্থা করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। সবমিলিয়ে এদিন দিনভর সরগরম ছিল বাগদা (Bagda) বিধানসভা এলাকা।

    বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর! (Bagda)

    জানা গিয়েছে, বাগদা (Bagda) গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১৮৮ নম্বর বুথে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাস। সঙ্গে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। বিজেপি প্রার্থী বুথের সামনে নামতেই তাঁকে ঘিরে ধরে তৃণমূল কর্মীরা “জয় বাংলা” স্লোগান দেন। একইসঙ্গে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় সাংবাদ মাধ্যমের গাড়িও। পাশপাশি, দেয়ালদহ ৮২ নম্বর বুথে উপ-নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বুথ জ্যাম করার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানার পরই বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাস সেখানে যান। বিজেপি প্রার্থীকে দেখে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থী বলেন, বুথ জ্যাম করে রেখেছিল তৃণমূলের লোকজন। আমি ঘটনাস্থলে যেতে ওরা আমাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এসব করে কোনও লাভ নেই। মানুষ আমাদের সঙ্গেই রয়েছে।

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    সরকারি গাড়িতে তৃণমূল প্রার্থী!

    জানা গিয়েছে, এদিন সকাল থেকে তৃণমূল প্রার্থী (Bagda) মধুপর্ণা ঠাকুর তাঁর মায়ের সঙ্গে ঘুরছেন। মমতা বালা ঠাকুর ঘুরছেন তাঁর সাংসদ গাড়ি নিয়ে। গাড়িতে লেখা রয়েছে গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া। এমপি। এই ধরনের লেখা একটা গাড়িতে কীভাবে তৃণমূল প্রার্থী ঘুরতে পারেন, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। যদিও মমতা বালা ঠাকুর বলেন, এই গাড়ির নম্বর দিয়েই আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে উপ-নির্বাচনে (By-Election) পাস তুলেছি। তখন তো কমিশনের কেউ আপত্তি করেনি। আমার মেয়ে কনিষ্ঠতম একজন প্রার্থী। সেই জায়গায় মেয়েকে ‘গাইড’ করতেই পারি। তাঁকে পাশে নিয়ে গাড়িতে বেরিয়েছি। আমার মেয়ে তো এই গাড়িতে থাকতেই পারে। গাড়ি তো বুথের ভিতর ঢুকছে না। কিংবা গাড়িতে বুথে গিয়েও ভোট দিচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কী সম্পর্ক থাকে?

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, “মায়ের গাড়িতে কি সন্তান ঘুরতে পারে না, এটা কি অপরাধ? বিজেপি জানে যে ওরা হেরে বসে রয়েছে। তাই এখন কাঠিবাজি করছে। নাটক করছে। প্রার্থীকে পিছনে করার ষড়যন্ত্র। মানুষ কি সরকারি দেখে ভোট (By-Election) দেবে, তৃণমূলের চিহ্ন দেখে ভোটে দেবে। যদিও বিজেপি প্রার্থী চিকিৎসক বিনয় বিশ্বাস বল, “নিশ্চয়ই এটা অন্যায়। জনতার মধ্যে প্রভাব ফেলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: উত্তরবঙ্গে দুর্যোগ অব্যাহত! দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া? কী জানাল হাওয়া অফিস?

    Weather Update: উত্তরবঙ্গে দুর্যোগ অব্যাহত! দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া? কী জানাল হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও একবার দুর্ভোগের (Weather Update) মুখে উত্তরবঙ্গ। বুধবার থেকে ফের বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা আরো একবার বাড়বে। উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে রয়েছে বজ্রপাতের আশঙ্কাও। 

    প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা উত্তরবঙ্গে  (Weather Update) 

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের আঞ্চলিক অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত জানিয়েছেন, মঙ্গলবারে প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে। এই দুই জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ ২০০ মিলিমিটারের বেশি হবার আশঙ্কা। একইসঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলায়। অন্যদিকে মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা। 
    মঙ্গলবারের পর বুধবার থেকে ফের বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা আরো একবার বাড়বে। প্রবল বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার জেলায়। কালিম্পং ও কোচবিহার জেলাতে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা (Weather Update) উত্তর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে। বৃহস্পতিবারেও আলিপুরদুয়ারে রয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। এছাড়া দার্জিলিং কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। শুক্রবারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দার্জিলিং আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি জেলাতে। কোচবিহার ও কালিম্পং জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। আর সপ্তাহের শেষে শনিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন এলাকায়।   

    আবারও দুর্ভোগের আশঙ্কা উত্তরবঙ্গে 

    একটানা বৃষ্টির ফলে চলতি সপ্তাহেই আরো একবার দুর্যোগে দুর্ভোগ (West Bengal weather) হতে পারে উত্তরবঙ্গে। পার্বত্য এলাকায় নামতে পারে ধস। বিচ্ছিন্ন হতে পারে সড়ক যোগাযোগ ও বিপর্যস্ত হতে পারে টেলি কমিউনিকেশন। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে নদীর জলস্তর বেড়ে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।  এছাড়াও কাঁচা বাড়ি ও কাঁচা বাঁধের ক্ষতি হতে পারে। ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা শস্য চাষেও।

    বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় (Weather Update) 

    তবে উত্তরবঙ্গের মত সতর্কতা জারি নেই দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ ও কাল স্ক্যাটার্ড রেইন হবে। বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমবে। তবে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। বুধবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি থাকলেও বৃহস্পতিবার থেকে ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা (West Bengal weather) বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। তবে বুধবার, ১০ জুলাই পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূ্ম,‌ মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা বেশি থাকবে। 

    আরও পড়ুন: দেশের সেবায় ২ মাসে শহিদ ২ ভাই! শোকে পাথর উত্তরাখণ্ডের নেগি পরিবার

    মৌসুমী অক্ষরেখার অবস্থান  

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে মৌসুমী অক্ষরেখা রাজস্থান থেকে শুরু হয়ে জয়সলমীর, ভিলওয়াড়া, রাইসেন, রাজনন্দগাঁও হয়ে পুরী পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে এরপর ওই অক্ষরেখা দক্ষিণ পূর্ব  দিকে মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। অন্যদিকে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্নাবর্ত (Weather Update) আপাতত পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এরপর ধীরে ধীরে এটি দক্ষিণ পশ্চিম দিক হয়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে অবস্থান করবে। ফলে এর থেকে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়ে ওড়িশা উপকূল সংলগ্ন এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: স্কুলে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা, চলল ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানিও! শোরগোল

    South 24 Parganas: স্কুলে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা, চলল ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানিও! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচমকা শতাধিক লোক নিয়ে স্কুলে ঢুকে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা! সেই সঙ্গে চালানো হয় ব্যাপক ভাঙচুর। উপস্থিত মহিলাদের মারধর করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে সুন্দরবনের (South 24 Parganas) ঝড়খালিতে। সোমবার রাতে এসপি অফিসে গিয়ে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতারা। যদিও তৃণমূল নেতা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    জামা-কাপড় ছিঁড়ে দেওয়া হয় (South 24 Parganas)!

    সুন্দরবনের (South 24 Parganas) ঝড়খালি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পার্বতীপুরে এই ঘটনা ঘটেছে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেখানে স্কুল পরিচালনা করত। অভিযোগ উঠেছে, স্কুলের ভবনটি দখল করতে চান স্থানীয় পঞ্চায়েতের তৃণমূল (TMC) উপপ্রধান। আর এই জন্য হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় নির্যাতিতা এক মহিলা বলেছেন, “আমাদের স্কুলের জন্য এই পঞ্চায়েত থেকে জমি দেওয়া হয়েছিল। অনুদানের টাকা দিয়ে আমরা স্কুল সংস্করণ শুরু করি। এই ভবনটি এবার তৃণমূলের লোকেরা দখল করতে চাইছে। রাতের বেলা একশ লোক নিয়ে দিলীপ মণ্ডল আক্রমণ করেন। তিনি এলাকার পঞ্চায়েত উপপ্রধান। স্কুলে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। আমাকে সিঁড়ি থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। আমার পরনে জামা-কাপড় ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। আমার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে।”

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বক্তব্য

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও এক নির্যাতিতা মহিলা বলেছেন, “স্কুলে (South 24 Parganas) যাতে কেউ পড়তে না আসে তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে সকলকে ভয় দেখানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে অভিভাবকরা স্কুলে বাচ্চাদের পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।”

    আরও পড়ুনঃ আরামবাগে তৃণমূলের দাদাগিরি! দলীয় কর্মীর রাস্তা তৈরি করতে পাঁচিল ভাঙলেন উপ-প্রধান

    তৃণমূল উপপ্রধানের বক্তব্য

    তৃণমূলের (TMC) উপপ্রধান (South 24 Parganas), তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছন, “ওই স্কুল থেকে সম্পত্তি নানা ভাবে পাচারের কাজ করা হতো। ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করা হত। তাই এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উপর মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছিল। এলাকার শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা পালন করা হয়নি। সম্পূর্ণ ভাঁওতাবাজি চলছে। তাই এলাকার মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এদিন ঘটেছে।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share