Tag: Bengali news

Bengali news

  • Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের হিন্দু মন্দিরে অশ্লীল ভিডিও তৈরি! গ্রেফতার দিলশাদ ও আজিম

    Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের হিন্দু মন্দিরে অশ্লীল ভিডিও তৈরি! গ্রেফতার দিলশাদ ও আজিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) আমরোহা জেলায় একটি প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের (Ancient Hindu temple) ভিতরে অশ্লীল ভিডিও ও রিল বানানোর অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে দুই যুবককে। জানা গিয়েছে, ওই দুই ইউটিউবারের নাম দিলশাদ ও আজিম। পুলিশ এ বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করেছে। গত ২ অগাস্ট ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়, এরপরেই গ্রেফতার করা হয় দু’ জনকে। তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ।

    ১ অগাস্ট সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয় ওই ভিডিও 

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে আমরোহা জেলার (Uttar Pradesh)  কোতোয়ালি নগর পুলিশ স্টেশন এলাকায়। ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কোতোয়ালি নগর পুলিশ স্টেশন। গত শুক্রবার ওই থানার পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর পরশুরাম ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। ওই পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন যে একটি ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়, ১ অগাস্ট বৃহস্পতিবারই। ওই ভিডিওতে দেখা যায় একটি মন্দিরের প্রাঙ্গণে দুই ইউটিউবার রিল বানাচ্ছেন। যাঁদের মধ্যে একজন শাড়ি পরে রয়েছেন। তদন্তে উঠে এসেছে, ভিডিওটি যেখানে বানানো হচ্ছে সেটি হচ্ছে প্রাচীন বাসুদেব মন্দির (Ancient Hindu temple) যা উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলায় অবস্থিত।

    কোন কোন ধারায় মামলা দায়ের করল পুলিশ (Uttar Pradesh) 

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত দিলশাদ ও আজিম দুজনেই আমরোহা জেলারই বাসিন্দা। তবে তাঁদের বাড়ি একই জায়গায় নয় বলেই জানা গিয়েছে। হিন্দু মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করা এবং অশ্লীল ভিডিও করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী এবং আইটি অ্যাক্টের ৬৭ নম্বর ধারাও তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে।

    দিলশাদ অন্যান্য হিন্দু মেয়েদের সঙ্গেও একইভাবে রিলস বানায়

    পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এবং অন্যান্য পদক্ষেপ করা হচ্ছে ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে দিলশাদ, আজিমের সঙ্গে কথোপকথন চালাচ্ছে। আজিম মহিলার শাড়ি পরে বসে রয়েছেন। জানা গিয়েছে ঘটনার মূল অভিযুক্তই হলেন দিলশাদ। কারণ তিনিই এই ভিডিওটি রেকর্ড করেন এবং পরবর্তীকালে তা সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল করেন। তদন্ত নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে দিলশাদ অন্যান্য হিন্দু মেয়েদের সঙ্গেও একইভাবে রিলস বানায় এবং তা শেয়ার করে। ফেসবুকে তাঁর প্রোফাইলের নাম রয়েছে জর্ডন ডিএস। এর পাশাপাশি আমরোহা শহরে অত্যধিক গতিতে বাইক চালানোরও অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে যে ওই মন্দিরে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বাস করেন (Uttar Pradesh)

    যে মন্দিরে এই ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে তা আমরোহা সমেত আশেপাশের জেলাগুলির বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষদের কাছে অত্যন্ত পবিত্রতা ও আস্থার জায়গা বলে মনে করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে যে ওই মন্দিরে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বাস করেন। তারপরেও ওই মন্দিরে এমন রিলস! এটা প্রায়ই কেউই মেনে নিতে চাইছেন না। তাঁরা অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির দাবি করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Minister: ‘জানোয়ার, বেয়াদপ’ বলে মহিলা আধিকারিককে গালি মমতার মন্ত্রীর, রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড়

    TMC Minister: ‘জানোয়ার, বেয়াদপ’ বলে মহিলা আধিকারিককে গালি মমতার মন্ত্রীর, রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মন্ত্রী (TMC Minister) অখিল গিরি (Akhil Giri) সর্বসমক্ষে বন দফতরের এক মহিলা আধিকারিককে জানোয়ার-বেয়াদব বলে গালি দিলেন। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে মমতা মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি ওই আধিকারিককে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন মমতা সরকারের মন্ত্রী। শুধু তাই নয়, গোটা ঘটনায় কোনওভাবেই অনুতপ্ত হতেও দেখা যায়নি অখিল গিরিকে (Akhil Giri)। সাধারণ মানুষজন বলছেন, ‘‘অখিল গিরির কাছে এ আবার নতুন কী? এটাই তো ওনার মুখের ভাষা! মহিলাদের নিয়ে কটূক্তি তিনি করেই থাকেন। কখনও তাঁর লক্ষ্যে থাকে দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, কখনও থাকে বন দফতরের আধিকারিক।’’ আবার কেউ কেউ বলছেন, ‘‘তৃণমূলের তো এটাই সংস্কৃতি। গালিগালাজের এই রাজনীতি রাজ্যজুড়ে করে চলেছে তৃণমূল (TMC Minister)। এতে আবার নতুন কী রয়েছে।’’ আশ্চর্যজনকভাবে অখিল গিরি আবার এমন দাবিও তুলেছেন যে বন দফতরের দুর্নীতির বিষয়ে তিনি নাকি অনেক কিছুই জানেন, সেটা ফাঁস করবেন বিধানসভায়। এতেই উঠছে প্রশ্ন! মমতা মন্ত্রিসভার দফতরগুলি যদি এভাবেই নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, তাহলে সাধারণ মানুষ পরিষেবা পাবে কখন? এদিকে রাজ্যের বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, এই ঘটনায় দলের অন্দরে অখিলের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় তোলেন বলে সূত্রের খবর। তিনিও আবার ঘুরিয়ে তির ছুড়েছেন মন্ত্রিসভার সহকর্মীর দিকেই।

    ঘটনার সূত্রপাত শনিবার বেলার দিকে (TMC Minister) 

    ঘটনার সূত্রপাত শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের তাজপুরের সমুদ্র সৈকতে। বন দফতরের জায়গা থেকে যে সমস্ত হকারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, সেখানে যান অখিল গিরি। সেখানেই হাজির ছিলেন কাঁথি রেঞ্জের ফরেস্ট অফিসার মনীষা সাউ সহ অন্যান্য কর্মীরা। সে সময়ে অখিল গিরি বন দফতরের ওই অফিসারকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করতে থাকেন। আঙুল নাচিয়ে অখিল গিরি বলেন, “২৫ ফুট আমরা নিলাম। এর ভিতরে যদি আপনি আসেন, আপনি ফিরে যেতে পারবেন না। বেশি কথা বলবেন না আপনি একদম। এরকম জানোয়ার, বেয়াদপ রেঞ্জার আসেনি কখনও।”

    বিজেপি বলল, ওনাদের দলীয় শিক্ষা, নীরব থাকলেন ফিরহাদ 

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “অখিলবাবুকে তো বিধানসভায় দেখেছি। এটা ওনাদের দলীয় শিক্ষা। ফলে এইভাবেই ওনারা কথা বলবেন যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন।” তবে একজন মহিলা আধিকারিককে এভাবে গালিগালাজ করা যায় কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে নীরব থেকেছেন রাজ্যেরই অপর এক মন্ত্রী (TMC Minister) তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি শুধু বলেন, “আমি এটা জানি না।”  এতে কেউ কেউ বলছে নীরবতাই কি সম্মতির লক্ষণ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 04 August 2024: এই রাশির জাতকদের শত্রুদের থেকে সাবধান থাকতে হবে

    Daily Horoscope 04 August 2024: এই রাশির জাতকদের শত্রুদের থেকে সাবধান থাকতে হবে

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) পেটের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন। 

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) প্রবাসীদের জন্য ভালো সময়।

    ২) স্ত্রীর সঙ্গে তর্ক না করাই ভালো হবে। 

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মিথুন

    ১) বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসার জন্য বাড়তি অর্থ দরকার পড়তে পারে। 

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) আয় ভালো থাকলেও দারিদ্র সহজে দূর হবে না।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুবিবেচক ব্যক্তি হিসাবে উন্নতির যোগ। 

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) মিথ্যা বদনাম রটতে পারে।

    ২) ব্যবসায় পরিশ্রম বৃদ্ধি পেলেও লাভ ভালো হবে। 

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) পিতা-মাতার সঙ্গে মতের অমিল হতে পারে।

    ২) চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন। 

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) নিজের বাকপটুতায় সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবেন।

    ২) জনহিতকর কাজে সুনাম পাবেন। 

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) সন্তানের জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সঙ্গে ধর্ম নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন। 

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মকর

    ১) শত্রুদের থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) বাড়তি খরচ হতে পারে। 

    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান।

    কুম্ভ

    ১) একটু বিপদের সম্ভাবনা আছে।

    ২) মানসিক অস্থিরতার জন্য কোনও ভালো কাজ হাতছাড়া হতে পারে। 

    ৩) মানসিকভাবে শক্তিশালী হোন।

    মীন

    ১) ব্যবসা ভালো ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন। 

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam: অসমে সেমি কন্ডাক্টর প্ল্যান্টের ভূমি পূজন, বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ

    Assam: অসমে সেমি কন্ডাক্টর প্ল্যান্টের ভূমি পূজন, বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেমি কন্ডাক্টর (Semiconductor Assembly) প্ল্যান্টের ভূমি পূজন হয়ে গেল অসমে (Assam)। শনিবার, ৩ অগাস্ট এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এবং টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণ।

    প্ল্যান্ট গড়বে টাটা (Assam)

    ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্ল্যান্টটি গড়বে টাটা ইলেকট্রনিক্স প্রাইভেট লিমিটেড। এই প্ল্যান্ট হবে ভারতের প্রথম দেশিয় সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি এবং টেস্টের সুবিধা যুক্ত। প্ল্যান্টটি তৈরি হবে মরিগাঁও জেলার জাগিরোডে। স্তোস্ত্র পাঠ করে পুজোয় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ব শর্মা এবং চন্দ্রশেখরণ। পুজোয় অংশ নিয়েছিলেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পুরোহিতরা। প্ল্যান্টের একটি থ্রি-ডি মডেলের আবরণ উন্মোচন করেন মুখ্যমন্ত্রী। ভাষণ দেন সমাবেশে।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘মা কামাখ্যা ও শ্রীমন্ত শঙ্করদেব এবং আমাদের লোকজন ভূমি পূজন অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন। অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন টাটা সন্সের চেয়ারম্যান শ্রী এন চন্দ্রশেখরণ।’ তিনি এও লিখেছেন, ‘প্ল্যান্ট তৈরিতে ব্যয় হবে ২৭ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হবে ২৭ হাজার মানুষের। ওয়ার্ল্ড ক্লাস ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকো সিস্টেম আকর্ষণ করবে এই প্ল্যান্ট।এটি নয়া যুগের প্রযুক্তিতে বিশ্বব্যাপী নেতা হওয়ার জন্য ভারতের অনুসন্ধানকে উৎসাহিত করবে।’ অসমের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক দিন হয়ে থাকবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী (Assam)।

    মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের তরফে ট্যুইট-বার্তায় বলা হয়েছে, প্ল্যান্টটি চালু হয়ে গেলে এটি অসমের ল্যান্ডস্কেপ বদলে দেবে। সমৃদ্ধির নয়া যুগের অগ্রদূত হয়ে থাকবে। চলতি বছরই গ্রিনফিল্ড অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং, মার্কিং অ্যান্ড প্যাকেজিং ফেসিলিটি মিলবে এমন প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মন্ত্রিসভায় পাশ হওয়ার পর ১৩ মার্চ তিনি আরও দুটি সেমি কন্ডাক্টর প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: হিন্দু সহপাঠীকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, লন্ডনের স্কুলে বহিষ্কৃত ৩ পড়ুয়া

    অসম পারলেও, এখনও বাংলায় এই জাতীয় প্রজেক্ট হয়নি বলেই অভিযোগ। অথচ ফি বছর কাঁড়ি কাঁড়ি সরকারি টাকা খরচ করে শিল্প সম্মেলনের নামে মোচ্ছব হয় (Semiconductor Assembly)। তার পরেও রাজ্যে হা-শিল্প দশা।

    অসমকে (Assam) দেখে শিক্ষা নেবে কি বাংলা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Income Tax: নয়া আয়কর কাঠামোতেই বাজিমাত, নতুন ব্যবস্থা পছন্দ সিংহভাগ করদাতার

    Income Tax: নয়া আয়কর কাঠামোতেই বাজিমাত, নতুন ব্যবস্থা পছন্দ সিংহভাগ করদাতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। এখন জরিমানা দিয়ে রিটার্ন দাখিল করা যাচ্ছে। নতুন নিয়মে এবার আয়কর (Income Tax) রিটার্ন ফাইলিংয়ের শেষ দিনে সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৯১৭টি আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে। যা রেকর্ড বলে দফতর সূত্রে খবর।

    কত আয়কর রিটার্ন জমা পড়ল? (Income Tax)

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৭.২৮ কোটির বেশি আয়কর (Income Tax) রিটার্ন (২০২৪-২৫) ফাইল করা হয়েছে। যা গত বছরের থেকে ৭.৫ শতাংশ বেশি। গত বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ৬.৭৭ কোটি আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হয়েছিল। আগের তিন বছর সেই সংখ্যাটা ৫.৭ কোটি থেকে ৫.৮ কোটির মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল।  শুধুমাত্র ৩১ জুলাই জমা পড়েছে ৬৯.৯২ লাখের বেশি আয়কর রিটার্ন। ঘণ্টার নিরিখে সবথেকে আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত আটটার মধ্যে। সেই সময় ৫.০৭ লাখ ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা পড়েছে। উল্লেখ্য, ৩১ জুলাই ছিল আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন। এদিন ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের পোর্টালে ৩.২ কোটির বেশি লগইন হয়েছে। কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শেষ দিনে প্রতি সেকেন্ডেও হু হু করে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে। সেকেন্ডের নিরিখে সর্বোচ্চ আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে সকাল ৮ টা ১৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে। সংখ্যাটা হল ৯১৭। মিনিটের নিরিখে সর্বোচ্চ ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা পড়েছে রাত ৮ টা ৮ মিনিটে। সংখ্যাটা হল ৯,৩৬৭।  

    আরও পড়ুন: ৫০০ টাকা থেকে ৫ কোটির সাম্রাজ্য! কৃষ্ণার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই অনুপ্ররণা শত শত নারীর

    নয়া আয়কর কাঠামোয়ই বাজিমাত

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, পুরনো আয়কর (Income Tax) কাঠামোকে ‘গোল’ দিয়েছে নয়া কাঠামো। এবার মোট যে পরিমাণ আয়কর রিটার্ন (IT Return) দাখিল করা হয়েছে, তার ৭২ শতাংশই জমা পড়েছে নয়া আয়কর কাঠামোয়। নয়া আয়কর কাঠামোর আওতায় ৫.২৭ কোটি আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে। পুরনো আয়কর কাঠামোয় দাখিল করা আয়কর রিটার্নের সংখ্যা ২.০১। তবে, জরিমানা ছাড়াই আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানো হবে কিনা, সে বিষয়ে আপাতত কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কিছু জানানো হয়নি। কেন্দ্রের তরফে জনানো হয়েছে যে, ৩১ জুলাই পর্যন্ত এবার প্রথমবারের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন ৫৮.৫৭ লাখের বেশি মানুষ। আর সার্বিকভাবে আয়কর রিটার্নের (IT Return) মধ্যে আইটিআর-১ ফর্মে সব থেকে বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Infiltration: মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে মুসলমান অনুপ্রবেশ! কীভাবে হয় জানেন 

    Infiltration: মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে মুসলমান অনুপ্রবেশ! কীভাবে হয় জানেন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও মুসলিম ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ (Infiltration) করতে পারে মাত্র ৫ হাজার টাকার  বিনিময়ে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের (India-Bangladesh border) পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলা হল চোরা পথের প্রধান প্রবেশ দ্বার, এই তথ্য স্বীকার করেছে খোদ এক অনুপ্রবেশকারী। এই ব্যক্তি বেঙ্গালুরু থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। ধৃতের নাম মহম্মদ হাফিজুল। বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল যে পশ্চিমবঙ্গ, তা বারবার সংসদ এবং বিধানসভায় বিজেপির সাংসদ-বিধায়করা প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন। তাহলে এই রাজ্যের তৃণমূল শাসক কী কিরছে? অবশ্য লোকসভার ভোটের আগে হাবড়ার এক তৃণমূল নেত্রী অনুপ্রবেশকারীদের প্রকাশ্যে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। ফলে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকাগুলি কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন।

    অনুপ্রবেশকারী যুবকের বক্তব্য (Infiltration)

    অনুপ্রবেশকারী (Infiltration) মুসলমান যুবক মহম্মদ হাফিজুল পুলিশের কাছে ধরা পড়ে অনর্গল হিন্দিতে বলছে, “বাংলাদেশের খুলনায় আমার বাড়ি। টাকা দিলে ওপার থেকে এপারে (India-Bangladesh border) আসা যায়। জনপ্রতি ভারতীয় টাকায় ৫ হাজার দিলে পশ্চিমবঙ্গে খুব সহজেই ঢোকা যায়। পুলিশ, বিএসএফ কেউ ধরেও না, কিছু জিজ্ঞেসাও করে না। তবে আমি চোর নই।”

    অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় পশ্চিমবঙ্গ

    বাংলাদেশ থেকে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা (Infiltration) দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ হয়ে সারা ভারতে যাচ্ছে। এই বিষয় নিয়ে অনেক বার রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। সীমান্তের বিএসএফ এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এজেন্টরা সক্রিয় রয়েছে। তাদের চোরাকারবার এবং অনুপ্রবেশ করানো নিত্যদিনের ব্যবসা। একই সঙ্গে শুধু সীমান্তে অনুপ্রবেশ করানো নয়, তাদের আশ্রয় দিয়ে প্রয়োজনীয় ভোটার কার্ড, আধার কার্ডও টাকার বিনিময়ে করে দেওয়া হয়। আর এই কাজে সাহায্য করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের অনুপ্রেবশকারীদের অধিকাংশের জাল প্রমাণপত্রের সূত্র সন্ধানে এই রাজ্যের নাম বার বার উঠে আসে। এমন দৃষ্টান্ত ছিল ২০১৪ সালের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড। ওই অভিযুক্তিও অনুপ্রবেশকারী ছিল। এইরকম অবৈধ পাচারচক্র একই ভাবে অসম, ত্রিপুরা প্রদেশের সীমান্ত বরাবরও সক্রিয় বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: জমা জলে প্লাবিত কলকাতা বিমানবন্দর! আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত

    সীমান্ত কতটা সুরক্ষিত?

    সম্প্রতি সংসদে ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ, বিহারের পূর্ণিয়া, কিষানগঞ্জ এবং ঝাড়খণ্ডের পাকুর সহ একাধিক অঞ্চলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী (Infiltration) মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আঞ্চলিক জনবিন্যাস ও ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সরকারকে পূর্ব ও উত্তরপূর্বের সীমান্ত এলাকায় সুরক্ষা এবং জনবিন্যাস বদলে যাওয়া নিয়ে সমীক্ষা করে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন। একই ভাবে রাজ্যের মুর্শিদবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অত্যন্ত আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশ নিয়ে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ভারত খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ; বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার সমাধানে কাজ করছি, বার্তা মোদির 

    Narendra Modi: ভারত খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ; বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার সমাধানে কাজ করছি, বার্তা মোদির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত একটি খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ; বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার (Global food security) সমাধান দিতে কাজ করছি আমরা। আজ দেশ খাদ্যশস্য, ফল, শাকসবজি, তুলা, চিনি এবং চায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উত্পাদনকারী দেশ হয়ে উঠেছে। নতুন দিল্লিতে কৃষি অর্থনীতিবিদদের ৩২ তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই ভাবেই বক্তব্য রাখলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

    কী বললেন মোদি (Narendra Modi)?

    প্রায় ৬৫ বছর পর ভারতে আয়োজিত কৃষি অর্থনীতিবিদদের (ICAE) ৩২ তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করার পরে একটি বিশেষ ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) বলেছেন, “কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৪-২৫ সালে দেশের জন্য একটি মজবুত এবং টেকসই কৃষিনীতির উপর জোর দিয়েছি। শেষবার যখন নতুনদিল্লিতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল, সেই সময় ভারত সবেমাত্র স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। তখন ভারতের মতো দেশের কাছে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য একটি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির পর্ব ছিল। বর্তমানে আমাদের দেশ একটি খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ। ভারত এখন বিশ্বের এক নম্বর দুধ, ডাল এবং মশলা উৎপাদনে। সেই সঙ্গে খাদ্যশস্য, ফল, শাকসবজি, তুলা, চিনি এবং চায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।”

    আরও পড়ুন: এসি ছাড়াই ঠাণ্ডা হয় ব্যাঙ্গালুরুর এই অফিস! কীভাবে সম্ভব?

    ডিজিটাল কৃষি পদ্ধতির ব্যবহার বৃদ্ধি করা (Narendra Modi)

    এই সম্মেলনে প্রায় ৭০টি দেশের প্রায় ১০০০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন। এবারের এই সম্মেলনের থিম হল “সুরক্ষিত কৃষি-খাদ্য (Global food security) ব্যবস্থার দিকে রূপান্তর”। প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) আরও বলেছেন, “একটা সময় ছিল যখন ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা বিশ্বের জন্য উদ্বেগজনক ছিল। এখন, ভারত বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক পুষ্টি নিরাপত্তার সমাধান দেওয়ার জন্য কাজ করে চলেছে। ভারত গত ১০ বছরে ১৯০০টি নতুন জলবায়ু-সহনশীল ফসলের প্রজনন করার কাজ করেছি আমরা। ভারত রাসায়নিক মুক্ত প্রাকৃতিক চাষের প্রচার করছে। দেশ বর্তমানে পেট্রোলের বদলে ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দিকে এগিয়ে চলেছে। এই সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে কৃষি সমস্যার বিষয়ে ভারতের সক্রিয় দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে কৃষি গবেষণা ও নীতিতে দেশের অগ্রগতি প্রদর্শন করবে কীভাবে, সেই দিকগুলির কথা তুলে ধরা হবে এই সম্মেলনে। তরুণ গবেষক এবং নেতৃস্থানীয় পেশাদারদের জন্য তাদের কাজ একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করবে বলে আশা রাখছি। এর লক্ষ্য হল গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অংশগ্রহণকে জোরদার করা। দেশব্যাপী এবং বৈশ্বিক উভয় স্তরে নীতিনির্ধারণকে প্রভাবিত করা। একই সঙ্গে ডিজিটাল কৃষি এবং টেকসই কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার অগ্রগতি সহ ভারতের কৃষি অগ্রগতি প্রদর্শন করা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mindspace Architects: এসি ছাড়াই ঠাণ্ডা হয় ব্যাঙ্গালুরুর এই অফিস! কীভাবে সম্ভব?

    Mindspace Architects: এসি ছাড়াই ঠাণ্ডা হয় ব্যাঙ্গালুরুর এই অফিস! কীভাবে সম্ভব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনে করুন আপনি অফিসে বসে ল্যাপটপে কাজ করছেন, আর কাজের ফাঁকে জানলার বাইরে তাকালেই ঘন সবুজে ঘেরা প্রকৃতি দেখতে পাচ্ছেন। না আমি কোনও অবাস্তব কথা বলছি না, আমি বলছি ব্যাঙ্গালুরুর মাইন্ডস্পেস আর্কিটেক্টসের (Mindspace Architects) কথা। ব্যাঙ্গালুরুর (Bengaluru) এই অফিসকে ঘিরে রয়েছে শতাধিক গাছ, যার ফলে এই অসিফে কোনও এসির প্রয়োজন হয়না, প্রাকৃতিক উপায়েই শীতল থাকে অফিসের পরিবেশ। 

    মাইন্ডস্পেস আর্কিটেক্টসের বিশেষত্ব (Mindspace Architects) 

    মাইন্ডস্পেস আর্কিটেক্টস আসলে ব্যাঙ্গালুরুতে (Bengaluru) অবস্থিত একটা স্থাপত্য। এর গঠন অনেকটা ভাসমান ক্রুজের মতো। অফিসটির পূর্ব দিকে ৬.৫ একর জায়গা জুড়ে একটি হ্রদ অবস্থিত। ২০০৪ সালের অক্টোবরে সঞ্জয় মোহে, বাসুকি প্রকাশ, সূর্যনারায়ণন এবং স্বেতার হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই মাইন্ডস্পেস আর্কিটেক্টস। তবে মাইন্ডস্পেস বর্তমানে সঞ্জয় মোহে, মেদাপ্পা, সূর্যনারায়ণন, অমিত সোয়াইন এবং স্বেতা সহ ২১ জন কর্মী নিয়ে গঠিত, যারা সকলেই এখন একটি দল হিসাবে কাজ করে।

    কী জানালেন মাইন্ডস্পেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্বেতা? 

    মাইন্ডস্পেসের (Mindspace Architects) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্বেতা জানিয়েছেন, তাদের এই স্থাপত্যে আবহাওয়ার একটা বিরাট ভূমিকা রয়েছে। যেহেতু এই অফিসের আকার ক্রুজের মতো, তাই এর প্রত্যেকটা ফ্লোরের ছাদেই সবুজে ঘেরা বাগান রয়েছে। এর ফলে অফিসের কোনও ছাদেই সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে গরম করতে পারেনা। স্বাভাবিকভাবেই এর জন্য সব ফ্লোরই প্রাকৃতিক উপায়ে ঠাণ্ডা থাকে। অন্যদিকে, ছাদের ওপর সবুজ ঘাসের ৬৫০ মিটারের লম্বা রাস্তাও রয়েছে। মন চাইলে খালি পায়ে সবুজে ঘেরা ছাদ বাগানে ঘুরে আসাই যায়। অনেক ভাবনা চিন্তা করেই এমন একটি স্থাপত্যে বানিয়েছেন তাঁরা। এমনটাই জানালেন স্বেতা। বললেন, “আমরা সবসময়ই চেয়েছি চোখের শান্তির সঙ্গে যেন মনেও শান্তি আসে।” 

    আরও পড়ুন: চাঁদের মাটির নমুনায় জলের উপস্থিতি! নিশ্চিত করল চিনা বিজ্ঞানীরা

    জানা গিয়েছে, এই গোটা স্থাপত্যটি (Mindspace Architects) অপরিশোধিত গ্রানাইট ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে। এর ফলে সূর্যের প্রচণ্ড তাপ দেওয়াল ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না, ফলে অফিসের ভেতরের তাপমাত্রা সবসময় বাইরের তাপমাত্রার তুলনায় অনেক শীতল থাকে। এই গোটা এলাকা জুড়ে সবুজে ঘেরা প্রকৃতির মধ্যে একাধিক মিটিং স্পেস বা বসার জায়গা রয়েছে। এছাড়াও লেকের ধারে মনোরম দৃশ্যের সঙ্গে ঠাণ্ডা হাওয়া সারাদিনের কর্ম ক্লান্তিকে এক নিমেষেই দূর করতে সাহায্য করে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assassination:  ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটা এসেছে মুসলমান গাঁজা সেবনকারীদের থেকে?

    Assassination:  ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটা এসেছে মুসলমান গাঁজা সেবনকারীদের থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অ্যাসেসিনেশন’ (Assassination)। ছোট্ট এই শব্দটি নিয়েই বর্তমানে চলছে চুলচেরা (Muslims) বিশ্লেষণ। শব্দটির অর্থ ‘হত্যা’। ১৩ জুলাই পেনসিলভানিয়ার বাটলারে একটি জনসভায় যোগ দেওয়ার সময় হত্যার চেষ্টা করা হয় প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তথা রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। তার পর থেকেই ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটি নিয়ে চলছে জোর চর্চা।

    ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ

    গোটা বিশ্বের ইতিহাসে যুদ্ধ এবং স্পাইক্র্যাফ্টের ক্ষেত্রে ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শব্দটি প্রায়ই ব্যবহৃত হয় প্রধান চরিত্রগুলোকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য। প্রতিপক্ষ যাতে সব সময় অস্থিতিশীল থাকে, সেজন্যও এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। ইতিহাসে বহু সফল অ্যাসেসিনেশনের ঘটনা ঘটেছে। এই তালিকায় যেমন রয়েছেন জুলিয়াস সিজার (৪৪ বিসিই), তেমনি রয়েছেন ৩৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডিও। এই তালিকায়ই চলে এসেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পকে অবশ্য হত্যা করতে পারেনি দুষ্কৃতী। হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। তার পর থেকেই ব্যাপক চর্চায় চলে এসেছে ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটি।

    অন্ধকারের গর্ভ হতে জন্মানোর পরিচয়

    ঘাতকরা প্রাচ্য এবং প্রতীচ্য দুই অঞ্চলের ইতিহাসেই দীর্ঘস্থায়ী একটা ছাপ রেখে গিয়েছে। ‘অ্যাসেসিনেশন’ (Assassination) শব্দটি বয়ে বেড়াচ্ছে অন্ধকারের গর্ভ হতে তার জন্মানোর পরিচয়। এটি ইচ্ছাকৃত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হত্যার রীতিকে বোঝায়। যারা হত্যা করে, সেই ঘাতকদের গল্পটা ভয়ের স্থায়ী শক্তির স্মারক হয়ে দাঁড়ায়। সেই কারণেই মানুষ জানতে চায় ঘাতকদের সম্পর্কে। জানতে চায়, কীভাবেই বা তারা খুনটা করেছিল, খুন করতে গিয়ে তারা গঞ্জিকা সেবন করেছিল কিনা।

    আরও পড়ুন: হিন্দু সহপাঠীকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, লন্ডনের স্কুলে বহিষ্কৃত ৩ পড়ুয়া

    শব্দটির অশুভ উৎস

    এই ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটির একটি আকর্ষণীয় (Muslims) এবং অশুভ উৎস রয়েছে। এটি নিহিত ছিল একটি মধ্যযুগীয় শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের ইতিহাসে। এই সম্প্রদায়টি ঘাতক হিসেবে পরিচিত। মুসলমানদের এই গোষ্ঠীটিকে বলা হয় ‘নিজারি ইসমাইলিস’। একাদশ শতাব্দীর শেষাশেষি জনৈক হাসান-ই সাব্বাহের নেতৃত্বে পারস্য ও সিরিয়ার পার্বত্য অঞ্চলে আবির্ভুত হয়েছিল এই গোষ্ঠী। বলা হয়, একাধিক মুসলমান সম্প্রদায় ভেঙে তৈরি হয়েছিল শিয়া ইসমাইলিসের। অষ্টম শতাব্দীর ষষ্ঠ ইমাম জাফর আল সিদ্দিকির বড় ছেলে ইসমাইলের প্রতি আনুগত্য দেখাতেই একাদশ শতাব্দীতে জন্ম হয়েছিল মুসলমানদের এই গোষ্ঠীটির।

    গোঁড়া শিয়া

    এদিকে, গোঁড়া শিয়ারা সপ্তম ইমাম হিসেবে মেনে নিয়েছিল ইসমাইলের ভাই মুসা আল কাজিমকে। তখন ইসমাইলিদের সমর্থন জুগিয়েছিলেন মুহাম্মদ আল মাহদি। এই ইসমাইলিরা বিশ্বাস করত, মাহদি আসবেন এবং শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন। ইসমাইলিদের এই জগৎ একেবারেই আলাদা গোঁড়া শিয়া এবং আলাদা বাগদাদ ভিত্তিক আব্বাসীয় খিলাফতের থেকে। একাদশ শতকে রাজবংশ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ইসমাইলি সম্প্রদায় দুটি দলে বিভক্ত হয়ে যায়। এর পরেই আবু মঞ্জুর নিজারের সমর্থকরা (Assassination) নিজারি ইসমাইলিস নামে পরিচিত হয়। এরাই অতঃপর হত্যাকারীতে পরিণত হয়।

    নিজারি ইসমাইলি

    ১১৩০ থেকে ১১৫১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে সম্প্রদায়টি প্রসার লাভ করে। এরা প্রথমে বিভিন্ন পাহাড়ের চূড়ার দুর্গগুলির কয়েকটির দখল নেয়। পরে উত্তর সিরিয়ায় তারা বেশ শক্তিশালী একটি ঘাঁটি গড়ে তোলে। এর মধ্যে জাবাল আনসারিয়া অঞ্চলে এদের সংগঠন বেশ মজবুত ছিল। এই আনসারিয়া ছিল সিরিয়ার ক্রুসেডার রাষ্ট্রগুলির সীমান্ত এলাকা। সিরিয়ার ওরন্টেস উপত্যকার দুর্গযুক্ত শহর মাসয়াফকে নিজারি ইসমাইলিরা দখল করেছিল ১১৪১ খ্রিস্টাব্দে। এই শহরই হয়ে উঠেছিল, নিজারি ইসমাইলিদের রাজধানী। মুসলমানদের হাত থেকে এডেসার নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে হয় দ্বিতীয় ক্রুসেড। এই ক্রুসেড ব্যর্থ হয়। 

    ক্রুসেডার রাষ্ট্রগুলিকে শ্রদ্ধাঞ্জলি

    নিজারি ইসমাইলিরা (যারা হাসান-ই সাব্বাহের অনুগামী হিসেবেও পরিচিত) কখনও কখনও তাদের পৃথক অস্তিত্ব বজায় রাখতে ক্রুসেডার রাষ্ট্রগুলিকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিত। আবার এই হাসাশিনরা কখনও কখনও সুন্নি মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ক্রুসেডারদের সমর্থনও করেছিল। এই হাসাশিন থেকেই এসেছে ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটি। ‘হাসাশিন’ নামটি হাসান-ই সাব্বাহের অনুগামীদের দেওয়া। এঁর অনুগামীদের হাসাশিন আখ্যা দেওয়া হত। কারণ কাউকে হত্যা করার আগে তারা সেবন করত গঞ্জিকা অর্থাৎ গাঁজা। হাসাশিন আরবি শব্দ। এর অর্থ হল, যে হাসিস বা গাঁজা খায়। কালক্রমে বিবর্তিত হতে হতে এই শব্দটিই প্রথমে ল্যাটিন ভাষায় হত্যাকারী এবং পরে ইউরোপীয় ভাষায়ও হত্যাকারীতে রূপান্তরিত হয়। যা থেকে আধুনিক ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দের জন্ম বলে অনুমান ভাষাতত্ত্ববিদদের। বর্তমানে ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দের অর্থ ইচ্ছাকৃতভাবে একজন বিশিষ্ট বা গুরুত্বপূর্ণ (সাধারণত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব) ব্যক্তিকে (Muslims) হত্যা করা বোঝায় (Assassination)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।    

  • Powerful Passport Rankings: বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট ব্যবস্থায় প্রথম দশে কোন কোন দেশ?

    Powerful Passport Rankings: বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট ব্যবস্থায় প্রথম দশে কোন কোন দেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ভ্রমণ অথবা কাজের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের গুরুত্ব অপরিসীম। আধুনিক বিশ্বে এক দেশ থেকে আরেক দেশে মানুষের যাতায়াত সংখ্যা দ্রুতভাবে বাড়ছে। ইতিমধ্যে কোন কোন দেশের পাসপোর্ট সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী, তা নিয়েই সমীক্ষা চালিয়েছে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স নামের একটি সংস্থা। কোনও দেশের পাসপোর্ট ব্যবস্থাকে সব থেকে বেশি শক্তিশালী (Powerful Passport Rankings) গণ্য করা হয়, সেই পাসপোর্ট নিয়ে কতগুলি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যেতে পারে তার ভিত্তিতে। প্রসঙ্গত, হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সে ভারত ৮২তম স্থানে রয়েছে। আমাদের দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া শুধুমাত্র পাসপোর্ট নিয়েই সফর করতে পারেন ৫৮টি দেশে (India’s Passport Ranking)। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সের এমন সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে যে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট ব্যবস্থার (Powerful Passport Rankings) তালিকায় উপরের দিকে রয়েছে এশিয়ার তিনটি দেশ, এগুলি হল, সিঙ্গাপুর, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। যেকোনও দুটি দেশের মধ্যে কুটনৈতিক সম্পর্ক কতটা জোরালো তাও বোঝা যায় পাসপোর্টের ভূমিকা দেখে। সাধারণভাবে দুটি দেশের মধ্যে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলে, সেক্ষেত্রে ভিসার দরকার পড়ে না।

    প্রথম স্থান পেয়েছে সিঙ্গাপুর (Powerful Passport Rankings)

    হেনলি ইন্ডেক্স সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট ব্যবস্থা রয়েছে সিঙ্গাপুরের। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সিঙ্গাপুর। ভিসা ছাড়া শুধুমাত্র পাসপোর্ট নিয়েই সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা যেতে পারেন ১৯৫টি দেশে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাঁচটি দেশ, এগুলি হল, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং স্পেন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দেশগুলির নাগরিকরা শুধুমাত্র পাসপোর্ট নিয়ে ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন ১৯২টি দেশে। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে সাতটি দেশ, এগুলি হল, অস্ট্রিয়া, ফিনল্যান্ড আয়ারল্যান্ড, লুক্সেম্বার্গ, নেদারল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইডেন। এই দেশগুলির নাগরিকরা ভিসা ছাড়া পাসপোর্ট নিয়ে যেতে পারেন ১৯১টি দেশে। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ছয়টি দেশ। এই দেশগুলি হল, ডেনমার্ক, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড ও ব্রিটেন। এই দেশগুলির নাগরিকরা ভিসা ছাড়া পাসপোর্ট নিয়ে যেতে পারেন ১৯০টি দেশে।

    পঞ্চম থেকে দশম স্থানে রয়েছে কোন কোন দেশ?

    পঞ্চম স্থানে রয়েছে দুটি দেশ অস্ট্রেলিয়া ও পর্তুগাল। এই দুই দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া শুধুমাত্র পাসপোর্ট (Powerful Passport Rankings) নিয়ে যেতে পারেন ১৮৯টি দেশে। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে গ্রীস। এই দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া পাসপোর্ট নিয়ে যেতে পারেন ১৮৮টি দেশে। সপ্তম স্থানে রয়েছে মোট চারটি দেশ কানাডা, চেক রিপাবলিক, হাঙ্গেরি ও মালটা। এই দেশগুলি নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই শুধুমাত্র পাসপোর্ট নিয়ে যেতে পারেন ১৮৭টি দেশে। অষ্টম স্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাদের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া পাসপোর্ট নিয়ে যেতে পারেন ১৮৬টি দেশে। নবম স্থানে রয়েছে ইস্টোনিয়া, লিথুয়ানিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। এই দেশগুলির নাগরিকরা ভিসা ছাড়া পাসপোর্ট নিয়ে যেতে পারেন ১৮৫টি দেশে। অন্যদিকে আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, স্লোভাকিয়া ও স্লোভানিয়া রয়েছে দশম স্থানে। এই চার দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া পাসপোর্ট নিয়ে যেতে পারেন ১৮৪টি দেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share