Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ramakrishna 93: “কেশবকে বললুম মায়ে-ঝিয়ে মঙ্গলবার, আর জটিলে-কুটিলে না থাকলে লীলা পোষ্টাই হয় না”

    Ramakrishna 93: “কেশবকে বললুম মায়ে-ঝিয়ে মঙ্গলবার, আর জটিলে-কুটিলে না থাকলে লীলা পোষ্টাই হয় না”

     

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ  কথোপকথন

    দশম পরিচ্ছেদ

    সুরেন্দ্রের বাড়ি নরেন্দ্র প্রভৃতি সঙ্গে

    নন্দলাল কলুটোলায় নামিলেন। ঠাকুর (Ramakrishna) গাড়ি সিমুলিয়া স্ট্রীটে শ্রীযুক্ত সুরেশ মিত্রের বাড়িতে আসিয়া লাগিল। ঠাকুর তাঁহাকে সুরেন্দ্র বলিতেন। সুরেন্দ্র ঠাকুরের পরম ভক্ত।

    কিন্তু সুরেন্দ্র বাড়িতে নাই। তাঁহাদের নূতন বাগানে গিয়াছেন। বাড়ির লোকেরা বসিতে নিচের ঘর খুলিয়া দিলেন। গাড়িভাড়া দিতে হবে। কে দিবে? সুরেন্দ্র থাকিলে সেই দিত। ঠাকুর একজন ভক্তকে বলিলেন, ভাড়াটা মেয়েদের কাছে থেকে চেয়ে নে না। ওরা কি জানে না, ওদের ভাতাররা যায় আসে। (সকলের হাস্য)

    নরেন্দ্র পাড়াতেই থাকেন। ঠাকুর (Ramakrishna) নরেন্দ্রকে ডাকিতে পাঠাইলেন। এদিকে বাড়ির লোকেরা দোতলার ঘরে ঠাকুরকে বসাইলেন (Kathamrita)। ঘরের মেঝেতে চাদর পাতা, দু-চারটে তাকিয়া তার উপর; কক্ষ-প্রাচীরে সুরেন্দ্রের বিশেষ যত্নে প্রস্তুত ছবি (oil painting) যাহাতে কেশবকে ঠাকুর দেখাইতেছেন হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ সকল ধর্মের সমন্বয়। আর বৈষ্ণব, শাক্ত, শৈব ইত্যাদি সম্প্রদায়ের সমন্বয়।

    ঠাকুর (Ramakrishna) বসিয়া সহাস্যে গল্প করিতেছেন, এমন সময় নরেন্দ্র আসিয়া পৌঁছিলেন, তখন ঠাকুরের আনন্দ যেন দ্বিগুণ হইল। তিনি বলিলেন, আজ কেশব সেনের সঙ্গে কেমন জাহাজ করে বেড়াতে গিছিলাম। বিজয়া ছিল, এরা সব ছিল। মাস্টারকে নির্দেশ করিয়া বলিলেন, একে জিজ্ঞাসা কর, কেমন বিজয় আর কেশবকে বললুম, মায়ে-ঝিয়ে মঙ্গলবার, আর জটিলে-কুটিলে না থাকলে লীলা পোষ্টাই হয় না—এই সব কথা। (মাস্টারের প্রতি) কেমন গা?

    মাস্টার—আজ্ঞা হাঁ।

    রাত্রি হইল, তবু সুরেন্দ্র ফিরিলেন না। ঠাকুর দক্ষিণেশ্বরে (Kathamrita) যাইবেন, আর দেরি করা যায় না, রাত সাড়ে দশটা। রাস্তায় চাঁদের আলো।

    গাড়ি আসিল। ঠাকুর উঠিলেন। নরেন্দ্র ও মাষ্টার প্রণাম করিয়া কালিকাতাস্থিত স্ব স্ব বাটিতে প্রত্যাগমন করিলেন।

    আরও পড়ুন: “কেশবকে ঠাকুর দেখাইতেছেন হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ সকল ধর্মের সমন্বয়”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Railway Jobs: মোদি জমানায় ইউপিএ-র তুলনায় অনেক বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে রেলে, দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    Railway Jobs: মোদি জমানায় ইউপিএ-র তুলনায় অনেক বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে রেলে, দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০ বছরে মোদি সরকার ইউপিএ-র তুলনায় অনেক বেশি কর্মসংস্থান করেছে রেলে। সম্প্রতি সংসদে বক্তৃতা দেওয়ার সময় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) দাবি করেছেন, এনডিএ আমলে ইউপিএর তুলনায় ভারতীয় রেলে অনেক বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে। সংসদে ভারতীয় রেলওয়ের দেওয়া তথ্য অনুসারে, নরেন্দ্র মোদি সরকার ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ৫.০২ লক্ষ কর্মসংস্থান  (Railway Jobs) করেছে।

    রেলমন্ত্রীর দাবি (Ashwini Vaishnaw) 

    এদিন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব উল্লেখ করেছেন যে, ইউপিএ সরকার ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৪.১১ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করেছিল, যা বর্তমান সরকারের চেয়ে ৯১ হাজার কম। চাকরি নিয়োগের ক্ষেত্রে (Railway Jobs) অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন যে, আগস্ট ২০২২ থেকে অক্টোবর ২০২২ পর্যন্ত, ১.১ কোটিরও বেশি প্রার্থী আরআরবি (RRB) পরীক্ষা দিয়েছে। এর মধ্যে রেলওয়ে দ্বারা ১,৩০,৫৮১ জন প্রার্থী নিয়োগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে রেলমন্ত্রী আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, এই প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অনুরূপ সমস্যার কোনও ঘটনা ঘটেনি, স্বচ্ছ ভাবে পরীক্ষার মাধ্যমেই নিয়োগ ঘটেছে। এছাড়াও এদিন তিনি উল্লেখ করেছেন যে, রেল দুর্ঘটনা ২০১৩-১৪ সালে ১১৮ থেকে ২০২৩-২৪ সালে ৪০-এ নেমে এসেছে। 
    এছাড়াও অন্য একটি প্রশ্নের উত্তরে, তিনি জানিয়েছেন, রেল মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, ২০০৪-২০১৪ সাল পর্যন্ত ১,৭১১টি দুর্ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে, যার ফলে ৯০৪ জন মারা গেছে। কিন্তু অন্যদিকে এনডিএ ক্ষমতায় আসার পর গত ১০ বছরে, ৬৭৮টি দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং ৭৪৮টি প্রাণহানি ঘটেছে। ফলে দুর্ঘটনার সংখ্যা ৬০ শতাংশ এবং প্রাণহানির সংখ্যা ১৭ শতাংশ কমেছে।

    আরও পড়ুন: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    রেল নিরাপত্তায় শীর্ষ অগ্রাধিকার (Railway Jobs) 

    অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েছেন যে মোদি সরকার আসার পরেই রেল মন্ত্রক রেল নিরাপত্তাকে শীর্ষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ২০২২-২৩ সালে ব্যয় করেছিল ৮৭,৭৩৬ কোটি টাকা এবং ২০২৪-২৫ সালে সেই টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,০৮,৭৯৫ কোটিতে। এখনও পর্যন্ত ৯,৫৭২ টিরও বেশি কোচে সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে মেল কোচে দুটি নিম্ন বার্থের সঙ্গে দুটি শিশুর বার্থ সংযুক্ত করা হয়েছে, যাতে যাত্রার সময় শিশু সহ মায়েদের ভ্রমণ সহজ হয়। এ বিষয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ইতিবাচকই ছিল। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalpakkam: কালপক্কম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র সবুজ সংকেত পেল অ্যাটমিক এনার্জি বোর্ডের থেকে

    Kalpakkam: কালপক্কম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র সবুজ সংকেত পেল অ্যাটমিক এনার্জি বোর্ডের থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরমাণু শক্তির গবেষণার ক্ষেত্রে বড় খবর! তামিলনাড়ুর কালপক্কম (Kalpakkam) পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র সবুজ সংকেত পেল অ্যাটমিক এনার্জি বোর্ডের কাছ থেকে। প্রসঙ্গত, এটি ভারতের প্রথম স্বদেশী প্রযুক্তিতে নির্মিত পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী মোদিও কয়েকমাস আগে এই পরমাণু বিদ্যুৎ (Kalpakkam) কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন এবং কথা বলেন সেখানকার কর্মী ও আধিকারিকদের সঙ্গে। পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ের করমণ্ডল উপকূলে অবস্থিত। ৫০০ মেগাওয়াটের ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরটি ভারতীয় নাভিকিয়া বিদ্যুত নিগম লিমিটেড (BHAVINI) দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।

    কুড়ি বছর ধরে কেন্দ্রটির (Kalpakkam) উন্নয়ন করা হয়েছে

    কেন্দ্রটি সবুজ সংকেত পাওয়ায়, এরপর থেকে এখানে কাজ শুরু হবে নিউক্লিয়ার ফুয়েল লোডিং ও চেন রিয়েকশনের। মনে করা হচ্ছে এই প্রকল্প আত্মনির্ভর ভারত কর্মসূচিকে অনেক বড় সাফল্য এনে দিল। দেশের অ্যাটমিক এনার্জি (Atomic Energy Board) বোর্ডের চেয়ারম্যান দীনেশ শুক্লা সবুজ সংকেত দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এও বলেছেন যে এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি (Kalpakkam) অত্যন্ত নিরাপদ। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুর এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কাজ শুরু করে ১৯৮৪ সাল থেকেই। জানা গিয়েছে, বিগত কুড়ি বছর ধরে কেন্দ্রটিকে উন্নয়ন করা হয়েছে এবং এর জন্য খরচ হয়েছে ৬,৮৪০ কোটি টাকা।

    রাশিয়ার পরে ভারতই দ্বিতীয় দেশ যারা এমন পরমাণু কেন্দ্র তৈরি করতে পেরেছে 

    এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি (Kalpakkam) ফার্স্ট ব্রিডার রিয়াক্টর। রাশিয়ার পরে ভারতই দ্বিতীয় দেশ যারা এমন পরমাণু কেন্দ্র তৈরি করতে পেরেছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যান এবং সেখানকার কার্য পদ্ধতি খতিয়ে দেখেন। ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জি (Atomic Energy Board) জানিয়েছে যে তামিলনাড়ুর এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে থার্ড জেনারেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতের শক্তি নিরাপত্তার কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির এমন উন্নয়ন খুবই প্রয়োজনীয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: কোটি টাকা উপার্জন করলেও, দিতে হবে না কর! আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি সিকিমবাসীদের

    Sikkim: কোটি টাকা উপার্জন করলেও, দিতে হবে না কর! আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি সিকিমবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম হল ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে কাউকেই কোনও আয়কর (Income Tax) দিতে হয় না। সেখানে মানুষ যদি কোটি টাকাও উপার্জন করেন, তাহলেও এক টাকাও কর দিতে হয় না। এমনকী, শেয়ার এবং ডিভিডেন্ড থেকে আয় করলেও তাঁদের কোনও কর দিতে হয় না। ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। সেই সময় সিকিমের (Sikkim) শর্ত ছিল যে তারা শুধু তাদের পুরনো নিয়ম-নীতিই মেনে চলবে এবং স্পেশাল স্টেটাসে থাকবে। আর তাই সেই সময় থেকেই আয়করের আওতার বাইরেই থেকেছে সিকিম। 

    দেশের আয়করের আওতায় বাইরে সিকিম (Sikkim) 

    ভারতে যোগদানের আগে, সিকিমের নিজস্ব কর ব্যবস্থা ছিল এবং সেখানকার বাসিন্দারা ভারতীয় আয়কর (Income Tax) আইনের অধীনে ছিলেন না। কিন্তু পরে সিকিম যখন ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল, সেই সময় এই শর্তই তাদের দাবিতে ছিল। সেই মোতাবেক, সিকিমের (Sikkim) বাসিন্দারা ১৯৭৫ সালের অন্তর্ভুক্তি চুক্তি এবং সংবিধানের ৩৭১এফ ধারা অনুসারে করের আওতায় পড়েন না। তাই এই রাজ্যের বাসিন্দাদের উপর ১৯৬১ সালের আয়কর আইন কার্যকর হয় না। তবে ১৯৭৫ সালের ২৬ এপ্রিলের আগে থেকে যে সমস্ত আদি বাসিন্দারা বা ‘সিকিমিজ’-রাই কেবল এই সুবিধে পাবেন। 

    সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের

    কিন্তু, এই ‘সিকিমিজ’-এর সংজ্ঞা নিয়ে অনেকে অসন্তুষ্ট ছিলেন। এই নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, ১৯৭৫ সালের যুক্তিটি অন্যায্য এবং বৈষম্যমূলক। তাঁদের যুক্তি, ১ এপ্রিল, ১৯৭৫ সালের আগে সিকিমে বসতি জমানো ভারতীয়দেরও — অর্থাৎ, সিকিম ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসেবে যোগদানের আগে থেকে ওই রাজ্যে বসবাস শুরু করা ভারতীয়দেরও ‘সিকিমিজ’- হিসেবে গণ্য করতে হবে (যা বর্তমানে করা হয় না)। উপরন্তু, যে সকল সিকিমিজ মহিলা নন-সিকিমিজদের বিয়ে করেছেন, তাঁদেরও এই ছাড়ের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি ভারতবাসীর দারিদ্র্য মুক্তি স্মার্টফোনেই! ডিজিটাল ভারতের প্রশংসায় রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    আদালতের রায় 

    এরপর সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ রায় দিয়েছে যে, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিলের পরে অ-সিকিমি পুরুষদের সঙ্গে বিবাহিত সিকিমিজ মহিলাদের কর ছাড় অস্বীকার করা সত্যিই বৈষম্যমূলক, অবিলম্বে তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত। আদালত তরফে জানানো হয়েছে আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত, এই ব্যক্তিদের ১০(২৬ এএএ) ধারার অধীনে কর ছাড় দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wayanad: মানা হয়নি সতর্কতা! অতিরিক্ত পর্যটনই কি দায়ী ওয়েনাড় বিপর্যয়ের জন্য? উঠছে প্রশ্ন

    Wayanad: মানা হয়নি সতর্কতা! অতিরিক্ত পর্যটনই কি দায়ী ওয়েনাড় বিপর্যয়ের জন্য? উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতিরিক্ত পর্যটনের কারণেই কি ওয়েনাড়ে (Wayanad) ঘটল এমন বিপর্যয়? এই প্রশ্নই তুলছে কোনও কোনও মহল। তাঁরা মনে করছেন, অতিরিক্ত পর্যটনের কারণেই পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হতে থাকে যার ফলেই ঘটেছে এমন বিপর্যয়। দক্ষিণ ভারতের কেরলে প্রাকৃতিক শোভার কারণে পর্যটন শিল্পের জন্য এক উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ওয়েনাড়ে (Wayanad) গত বছরে ১০ লাখেরও বেশি দেশী ও বিদেশি পর্যটক এসেছিলেন বলে জানা যায়। ভূমিধসের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওয়েনাড়ের মুন্ডাকাইত এলাকা। জানা গিয়েছে, এই অঞ্চলে ৫০০ পরিবার বাস করতেন। পর্যটন শিল্পের জন্য, এর আশেপাশের গ্রামগুলিতে ৭০০ রিসর্ট, হোমস্টে প্রভৃতি গড়ে তোলা হয়েছিল। এখানে রয়েছে পাহাড়ের কোলে বিস্তৃত চা বাগান।

    মানা হয়নি সরকারি সতর্কতা (Landslide)

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিগত ১৩ বছর ধরে বেশ কয়েকটি সরকারি রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছিল যে পর্যটন শিল্পের জোয়ার আনতে গিয়ে প্রাকৃতিক জলের প্রবাহকে বাধা দেওয়ার ফলে ভূমিধস (Landslide) ও বন্যার মতো বিপর্যয় ঘটতে পারে। কিন্তু তারপরেও এই সমস্ত সর্তকতাকে উপেক্ষা করা হয়েছিল। ভারতের অন্যতম প্রযুক্তি কেন্দ্র বলে পরিচিত বেঙ্গালুরু থেকে ওয়েনাড় সড়ক পথে মাত্র ৬ ঘণ্টা দূরত্ব। বেঙ্গালুরুর আইটি কর্মীরা সপ্তাহের শেষে ওয়েনাড়ে আসেন ছুটি কাটাতে। বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ তুলছেন যে অতিরিক্ত উন্নয়নের কারণে বেশ কিছু জায়গায় বনভূমিকেও ধ্বংস করা হয়েছে। সাধারণভাবে বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য রাখতে এবং বন্যা প্রতিরোধ করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বনাঞ্চল ধ্বংস হওয়াতে প্রাকৃতিক যে জলপ্রবাহ তা শোষণ হয়নি।

    মৃত্যুপুরী ওয়েনাড় (Wayanad)

    বিগত কয়েক দিনের ভূমিধসে ওয়েনাড় যেন মৃত্যুপুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওয়েনাড় অঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় রিসর্ট ছিল স্টোন হাউজ। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ভোরে পরপর দুটি ভূমিধসে (Landslide) এই বিল্ডিংটি একেবারে ভেসে গিয়েছে। আগেই অবশ্য পর্যটক ও কর্মচারীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় মানুষজন থেকে বিশেষজ্ঞরা প্রত্যেকেই এখন খুঁজছেন ওয়েনাড়ের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণ এবং সেখানেই প্রশ্ন উঠছে যে অতিরিক্ত পর্যটনের জোর দেওয়ায় জন্যই এমন অবস্থা। প্রসঙ্গত, এর আগেই ২০১৮ সালে বন্যার কারণে কেরলে ৪০০ জন নিহত হয়েছিলেন, তারপরে ওয়েনাড়ে ঘটল বিধ্বংসী ভূমিধস (Landslide)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে রাহুল গান্ধী

    Rahul Gandhi: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে রাহুল গান্ধী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে (Wayanad) গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সমাজ মাধ্যমে এবং সেখানে দেখা যায়, রাহুল গান্ধীর কনভয়কে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয়রা। তাঁকে গাড়ি থেকে নামার অনুরোধও করছেন স্থানীয়রা তবে নিশ্চুপ হয়ে বসে রয়েছেন রাহুল। 

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্যর তোপ

    এ নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এবং তোপ দেগেছেন কংগ্রেস সরকারকেই। অমিত মালব্য জানিয়েছেন, ইউপিএ সরকারই পশ্চিমঘাট ইকোলজি এক্সপার্ট প্যানেল রিপোর্টকে খারিজ করেছিল। প্রসঙ্গত, এই রিপোর্টটি মেপাদ্দিতে পরিবেশ বিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিল বলে জানিয়েছেন অমিত মালব্য। বিপর্যয়ের দায় যে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এড়াতে পারেন না সে কথাও নিজের পোস্টে উল্লেখ করেছেন মালব্য।

    তিনি কেন এখানে এসেছেন (Rahul Gandhi)!

    প্রসঙ্গত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে স্থানীয়রা রাহুল গান্ধীকে গাড়ি থেকে নিচে নামতে বলছেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) নিশ্চুপভাবে গাড়িতেই বসে আছেন। স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে তাঁদের সাংসদ জনগণের বিষয়ে একেবারেই উদ্বিগ্ন নন। একজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘ওনাকে গাড়ি থামাতে বলো! আমরাই হলাম সেই সমস্ত ভোটার যাঁরা ওনাকে সাংসদ বানিয়েছি। তিনি এই কেন্দ্রের (Wayanad) এমপি ছিলেন। তিনি যদি গাড়ি থেকে না নামতে পারেন এবং কাদায় পা না দিতে পারেন, তাহলে তিনি কেন এখানে এসেছেন!’’ আরও একজন ক্ষোভের সঙ্গে জানিয়েছেন যে রাহুল গান্ধীর সফরের জন্যই দোকান পাট সমস্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, এই কারণে তাঁরা আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্ষুধার্ত।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Daily Horoscope 03 August 2024: প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 August 2024: প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে বিবাদ হতে পারে। 

    ৩) মানসিক চাপে কাটবে দিনটি। 

    মিথুন

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন। 

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    কর্কট

    ১) কর্মস্থানে বন্ধুদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য মানসিক চাপ বৃদ্ধি। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে। 

    ৩) আশাহত হবেন।

    কন্যা

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে। 

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    তুলা

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ হতে পারে। 

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ থেকে সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    ধনু

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    মকর

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে খরচ বৃদ্ধি হবে। 

    ৩) অনেক বেশি ধৈর্য ধরতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) রক্তহীনতা বাড়তে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ। 

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jamaat-e-Islami: জামাত-ই-ইসলামিকে দেশজুড়ে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাল মুসলিম সংগঠন

    Jamaat-e-Islami: জামাত-ই-ইসলামিকে দেশজুড়ে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাল মুসলিম সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৩১ জুলাই মুসলিম সংগঠন ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরি (Indian Muslim Association-Noori) একটি প্রেস বিবৃতি জারি করেছে এবং সেখানে দেশব্যাপী নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে তারা, কট্টরপন্থী সংগঠন জামাত-ই-ইসলামিকে। ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরি আরও দাবি জানিয়েছে, জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) শুধুমাত্র কাশ্মীরেই সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে না উপরন্ত গোটা দেশে তারা জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছে এবং দেশজুড়ে ভারত বিরোধী ও জিহাদী কার্যকলাপ চালিয়ে যুবসমাজকে নিজেদের সংগঠনে তারা জুড়ছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।

    ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরির সভাপতি কী বলছেন?

    ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরি যার সংক্ষিপ্ত নাম হল ইমান (Indian Muslim Association-Noori), এই সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হামিদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা শুধুমাত্র জামাত-ই-ইসলামিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাচ্ছি না। এর পাশাপাশি সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি যে, সেই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে, যেগুলি থেকে নিজেদের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়িত করছে জামাত। তাদের কর্মসূচিগুলিকেও চিহ্নিত করতে হবে।

    প্রেস বিবৃতি

    নিজেদের প্রেস বিবৃতিতে ইমান বলেছে, ‘‘বিগত কয়েক মাসে জম্মু-কাশ্মীরে ফের সন্ত্রাসবাদ বেড়েছে। জঙ্গিরা আক্রমণ চালাচ্ছে সেনাবাহিনীর ওপর। রাজৌরি, কুপওয়ারা, ডোডা প্রভৃতি জেলা থেকে মিলছে সন্ত্রাসবাদের একের পর এক খবর। এই ধরনের হামলাগুলিতে জয়শ-ঈ-মহম্মদ, কাশ্মীর টাইগার প্রভৃতি সংগঠনগুলির পাশাপাশি রয়েছে জামাত-ই-ইসলামিও। এদের লক্ষ্য হল ভারতকে অস্থির করে রাখা। সম্প্রতি জামাত-ই-ইসলামিকে (Jamaat-e-Islami) জম্মু-কাশ্মীরে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই সংগঠনকে সম্পূর্ণ দেশে নিষিদ্ধ করা হোক।’’

    জামাতের (Jamaat-e-Islami) ইতিহাস

    প্রসঙ্গত, জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) সংগঠনকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সৈয়দ-আবু-আল-মৌদাদী। কট্টরপন্থী ইসলামিক ভাবধারাকে বাস্তবায়িত করতে এই সংগঠনকে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকারদের সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাকে সাহায্য করে এই সংগঠন। শুধু তাই নয়, সেই সময়ে হিন্দুদের ওপর চরম অত্যাচার চালায় জামাত। হাজার হাজার হিন্দুকে হত্যা করে তারা। মহিলাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। প্রসঙ্গত প্রথমদিকে অর্থাৎ ১৯৫০-এর দশকে পাকিস্তানে জামাত-ই-ইসলামি একটা রাজনৈতিক দল ছিল এবং তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করত। পরবর্তীকালে তারা ছাত্র-যুবদের নিয়ে সংগঠন তৈরি করে। যার নাম দেয় জামাত-ই-তালাবা। এই সংগঠন পাকিস্তানের বেশিরভাগ কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের দখলে আনে ও হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালাতে থাকে। সেই থেকেই শুরু হয় জামাতের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ। আন্তর্জাতিক স্তরেও এই সংগঠন জাল বিছিয়েছে। প্যালেস্তাইনের হামাস জঙ্গিদের সঙ্গেও এদের যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা যায়। এর পাশাপাশি মুসলিম ব্রাদারহুড নামের সংগঠনের সঙ্গেও এদের যোগাযোগ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘এত দাম খাব কী, মমতা যাবে কি!’ মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    BJP: ‘এত দাম খাব কী, মমতা যাবে কি!’ মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট করলেন বিজেপি (BJP) বিধায়করা, নেতৃত্বে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিধানসভায় এদিন স্লোগান তোলা হয় ‘এত দাম খাব কী, মমতা যাবে কি?’ এর পাশাপাশি এদিন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদের অভিনব বিক্ষোভও দেখায় গেরুয়া শিবির। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উদ্যোগে এদিন বিধানসভার সামনে প্রতীকী সবজি বিক্রি করতে দেখা যায় বিজেপি বিধায়কদের। তাঁদের দাবি, ৪০ টাকার আলু এদিন ১০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

    দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে গরিব মানুষের অসুবিধা হচ্ছে

    বিধানসভার চলতি অধিবেশনে অনেকবারই বিজেপির বিধায়করা অভিযোগ তুলেছেন, বিভিন্ন জরুরি বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাব আনা হলেও, সে সব বিষয়ে আলোচনার সুযোগ দেননা স্পিকার। স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগও তুলেছে গেরুয়া শিবির। শুক্রবার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনার জন্য মাত্র ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ করেন স্পিকার। বিজেপির (BJP) পরিষদীয় দলের তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয় যে, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে গরিব মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। কালোবাজারি বন্ধ এবং ফড়েদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়। পুরুলিয়ার জয়পুরের বিজেপি বিধায়ক নরহরি মাহাতো প্রস্তাবটি বিধানসভায় পাঠ করেন।

    অভিনব নামতা পাঠ করলেন শুভেন্দু (BJP)

    বিজেপি (BJP) বিধায়কদের গলায় ছিল এদিন সবজির প্ল্যাকার্ড। অভিনব কায়দায় ২০-এর ঘরের নামতা পড়তে শোনা যায় বিরোধী দলনেতাকে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘২০ এক্কে পাউচ, ২০ দু’গুণে আলু, তিন ২০ টমেটো,  পাঁচ ২০ ক্যাপসিকম, সাত ২০ রসুন, আট ২০ আদা, নয় ২০ মটরশুটি, ২০ দশে মুরগি!’’ পরে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল অভিযোগ করেন, ‘‘চাষিরা দাম পাচ্ছেন না অথচ মানুষ বাজারে সব্জি কিনতে পারছেন না। কারণ, মাঝে ফড়েরা দালালি করছে। এই কারণেই ফসলের দাম বৃদ্ধি।’’
     

    আরও পড়ুন: বিজেপির লাগাতার বয়কটে ধর্ম নিয়ে নিজের মন্তব্য থেকে পিছু হটলেন ফিরহাদ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 92: “কেশবকে ঠাকুর দেখাইতেছেন হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ সকল ধর্মের সমন্বয়”

    Ramakrishna 92: “কেশবকে ঠাকুর দেখাইতেছেন হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ সকল ধর্মের সমন্বয়”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ  কথোপকথন

    দশম পরিচ্ছেদ

    সুরেন্দ্রের বাড়ি নরেন্দ্র প্রভৃতি সঙ্গে

    গাড়ি চলিতে লাগিল। ইংরেজটোলা। সুন্দর রাজপথ। পথের দুইদিকে সুন্দর সুন্দর অট্টালিকা। পূর্ণচন্দ্র উঠিয়াছে, অট্টালিকা যেন বিমল শীতল চন্দ্রকিরণে বিশ্রাম করিতেছেন। দ্বারদেশে বাষ্পীয় দীপ, কক্ষমধ্যে দীপমালা, স্থানে স্থানে হার্মোনিয়াম, পিয়ানো সংযোগে ইংরেজ মহিলারা গান করিতেছেন। ঠাকুর আনন্দ হাস্য করিতে করিতে যাইতেছেন। হঠাৎ বলিলেন (Kathamrita), আমার জলতৃষ্ণ পাচ্ছে; কী হবে? কি করা যায়! নন্দলাল ইন্ডিয়া ক্লাবের নিকট গাড়ি থামাইয়া উপরে জল আনিতে গেলেন, কাচের গ্লাসে করিয়া জল আনিলেন। ঠাকুর সহাস্যে জিজ্ঞাসা করিলেন, গ্লাসটি ধোয়া তো? নন্দলাল বললেন, হাঁ। ঠাকুর (Ramakrishna) সেই গ্লাসে জলপান করিলেন।

    বালকের স্বভাব। গাড়ি চালাইয়া দিলে ঠাকুর মুখ বাড়াইয়া লোকজন গাড়ি-ঘোড়া চাঁদের আলো দেখিতেছেন। সকল তাতেই আনন্দ।

    নন্দলাল কলুটোলায় নামিলেন। ঠাকুর (Ramakrishna) গাড়ি সিমুলিয়া স্ট্রীটে শ্রীযুক্ত সুরেশ মিত্রের বাড়িতে আসিয়া লাগিল। ঠাকুর তাঁহাকে সুরেন্দ্র বলিতেন। সুরেন্দ্র ঠাকুরের পরম ভক্ত।

    কিন্তু সুরেন্দ্র বাড়িতে নাই। তাঁহাদের নূতন বাগানে গিয়াছেন। বাড়ির লোকেরা বসিতে নিচের ঘর খুলিয়া দিলেন। গাড়িভাড়া দিতে হবে। কে দিবে? সুরেন্দ্র থাকিলে সেই দিত। ঠাকুর একজন ভক্তকে বলিলেন, ভাড়াটা মেয়েদের কাছে থেকে চেয়ে নে না। ওরা কি জানে না, ওদের ভাতাররা যায় আসে। (সকলের হাস্য)

    নরেন্দ্র পাড়াতেই থাকেন। ঠাকুর (Ramakrishna) নরেন্দ্রকে ডাকিতে পাঠাইলেন। এদিকে বাড়ির লোকেরা দোতলার ঘরে ঠাকুরকে বসাইলেন (Kathamrita)। ঘরের মেঝেতে চাদর পাতা, দু-চারটে তাকিয়া তার উপর; কক্ষ-প্রাচীরে সুরেন্দ্রের বিশেষ যত্নে প্রস্তুত ছবি (oil painting) যাহাতে কেশবকে ঠাকুর দেখাইতেছেন হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ সকল ধর্মের সমন্বয়। আর বৈষ্ণব, শাক্ত, শৈব ইত্যাদি সম্প্রদায়ের সমন্বয়।

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share