Tag: Bengali news

Bengali news

  • Balurghat: বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণের কাজে রাজ্যের ঢিলেমি, সরব সুকান্ত

    Balurghat: বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণের কাজে রাজ্যের ঢিলেমি, সরব সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট-হিলি রেলপথ (Balurghat) সম্প্রসারণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজে ঢিলেমির অভিযোগ উঠল রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে। জুলাই মাসের মধ্যেই রেল দফতরের হাতে এক-তৃতীয়াংশ জমি হস্তান্তর করার প্রশাসনিক দাবি থাকলেও, বাস্তবে কিন্তু ঘটেছে অন্যরকম। ৭০ শতাংশ জমিদাতাই এখনও টাকা পাননি। শুধু তাই নয়, কত টাকা পাওয়া যাবে, ওই টাকা কবে ঢুকবে বা কবে জমি তাঁদের ছাড়তে হবে ইত্যাদি নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন জমিদাতারা। আর তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে এই কাজে গতি আনার দাবি জানালেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সোমবার সুকান্তবাবু বলেন, জমি অধিগ্রহণের কাজ জেলা প্রশাসনের। জমিদাতাদের বিঘা প্রতি কী পরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে বা কত টাকা তাঁরা পাবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট তাঁদের জানানো উচিত। কেন্দ্রীয় সরকার এই খাতে প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করেছে, তাই জেলা প্রশাসনকে জমি অধিগ্রহণের (Land Acquisition) কাজে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে।

    সমস্যায় ১০০টি পরিবার (Balurghat)

    প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে বালুরঘাট পর্যন্ত ট্রেন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিলি পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের দাবি ওঠে। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে ইউপিএ সরকার ওই রেলপথের অনুমোদন দিয়ে দেয়। বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত ২৯.৭ কিলোমিটার পথের জন্য ৩৮৬ একর জমি চিহ্নিত করা হয়। দীর্ঘদিন ওই প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। বেশ কিছু জমিদাতা ইতিমধ্যেই টাকা পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু প্রথম দফায় বালুরঘাট ব্লকের যে সমস্ত এলাকার জমি রেল দফতরকে জুলাই মাসের মধ্যে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে প্রশাসনের, সেই সব এলাকার জমিদাতাদের অধিকাংশই এখনও টাকা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত লাইন আত্রেয়ী নদী পেরিয়ে বালুরঘাট শহরে ঢুকে ভাটপাড়া, অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা দিয়ে ঢুকবে হিলি ব্লকে।

    বালুরঘাট পুরসভা লাগোয়া ভাটপাড়া গ্রামাঞ্চলের যে দিকে রেল লাইন যাবে, সেখানকার অধিকাংশ বাসিন্দাই এখনও তাঁদের জমির প্রাপ্য টাকা পাননি। অথচ জেলা প্রশাসন দাবি করছে, আগামী জুলাই মাসের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে এক-তৃতীয়াংশ জমি তুলে দেওয়া হবে রেল কর্তৃপক্ষের হাতে এবং দুর্গাপুজোর মধ্যেই ৭০ শতাংশ জমি রেলের হাতে তুলে দেওয়া হবে। গত বছর দুর্গাপুজোর পর থেকেই টাকা দেওয়া হবে বলে শুনেছেন জমিদাতারা। তাঁদের বসবাসের বাড়ি এবং জায়গা ছেড়ে চলে যেতে হবে অন্যত্র। এই ১০০টি পরিবারকে জমি কিনে বাড়ি করে নিতে হবে। এই সুযোগে এলাকায় জমির দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। কিন্তু সরকারি কোষাগার থেকে কত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বা যে হিসেবে টাকা দেওয়া হবে, সেই টাকা দিয়ে আদৌ জমি কিনে বাড়ি করা যাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দিহান জমিদাতারা। এমনকী তাঁদের অভিযোগ, জমি দান করতে সম্মতি জানালেও কত দাম দেওয়া হবে জমির জন্য, তা তাঁদের কাছে পরিষ্কার নয়। বারবার জেলা প্রশাসনিক দফতরে গিয়েও তাঁরা জানতে পারেননি, কত টাকা পেতে পারেন বা কবে ঢুকবে টাকা। সেই কারণে সমস্যায় পড়েছে এই ১০০টি পরিবার।

    কী বলছেন জমিদাতারা?

    জমিদাতা লোকনাথ হালদার বলেন, বছরখানেক আগেই কাগজপত্র প্রশাসনের কাছে জমা করে দিয়েছি। এখন আমাদের অন্যত্র জমি কিনে নেওয়ার কথা। কিন্তু কত টাকা পাব বা কবে টাকা পাব, এই ব্যাপারে কিছুই জানতে পারছি না। এদিকে জমিও (Balurghat) কিনতে পারছি না, জমির দামও বেড়ে যাচ্ছে।

    কী জানাল জেলা প্রশাসন?

    জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা জানান, এই প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ৩০ শতাংশ জমিদাতাদের (Balurghat) টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। জুলাই মাসের মধ্যেই বালুরঘাট স্টেশন থেকে কামারপাড়া পর্যন্ত জমি রেলকে হস্তান্তর করা হবে। পুজোর আগে এই প্রকল্পের জন্য সমস্ত জমিই রেলকে হস্তান্তর করা হবে। সম্প্রতি রেলের আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    সক্রিয় হওয়ার আর্জি সুকান্তর (Balurghat)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, জেলা প্রশাসনের কাজ হল জমি অধিগ্রহণ করা। তাদের উচিত, জমিদাতাদের সঠিক তথ্য জানানো, তাঁরা প্রতি বিঘার উপর কত করে দাম পাবেন। কেন্দ্রীয় সরকার বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকারকে জমি অধিগ্রহণের জন্য। জেলা প্রশাসনের সক্রিয় হওয়া উচিত (Land Acquisition)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Inspiring Story: দুর্ঘটনার জেরে পঙ্গুপ্রায়, দশ শতাংশ ছিল বাঁচার সম্ভাবনা, এখন ডাক্তার হয়ে অন্যকে বাঁচান

    Inspiring Story: দুর্ঘটনার জেরে পঙ্গুপ্রায়, দশ শতাংশ ছিল বাঁচার সম্ভাবনা, এখন ডাক্তার হয়ে অন্যকে বাঁচান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আহমেদাবাদে ২৭ বছর বয়সি হাড়ের ডাক্তার সাক্ষী মাহেশ্বরী, আজ এক প্রেরণার (Inspiring Story) নাম। যাঁরা প্রতি মুহূর্তে সংঘর্ষ করছেন তাঁদের রোল মডেল হতে পারেন সাক্ষী। দুর্ঘটনায় পঙ্গুপ্রায় হয়েছিলেন, কুড়ি বার অস্ত্রোপচার করা হয় তাঁর শরীরে, একটা সময় নিজেও আশা হারিয়ে ফেলছিলেন তিনি। তবে মনের জোর অটুট রেখে শেষমেষ হাড়ের ডাক্তারই হয়ে উঠলেন সাক্ষী!

    সাত বছর আগের দুর্ঘটনা

    সাত বছর আগে দুর্ঘটনার মুখে পড়েন (Inspiring Story) সাক্ষী, তখন তিনি এমবিবিএসের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া। আর পাঁচটা দিনের মতো দুর্ঘটনার দিনও আহমেদাবাদে নিজেদের বাড়িতে বসে দৈনিক কাজকর্ম সারছিলেন সাক্ষীর বাবা দীনেশ এবং মা স্নেহা। মেয়ের দুর্ঘটনার কথা জানিয়ে হঠাৎই ফোন আসে তাঁদের কাছে। তড়িঘড়ি ফোন পেয়ে তাঁরা ছুটে যান কর্নাটকে। সেখানেই হয়েছিল দুর্ঘটনা। মেয়েকে দেখে হতবাক হয়ে যান তাঁরা। দুর্ঘটনায় বুকে, মাথায়, হাতে, পায়ে গুরুতর চোট। সাক্ষী (Sakshi Maheshwari) ২০ দিন ছিলেন আইসিইউতে। পর পর অস্ত্রোপচার হয়েছিল শরীরের বিভিন্ন অংশে। সেই সংখ্যাটা প্রায় ২০। এর পাশাপাশি অস্ত্রোপচারের পর ছ’মাস ধরে চলেছিল চিকিৎসা। সাক্ষীর পরিবার জানিয়েছে, দু’বছর ধরে টানা ফিজিয়োথেরাপি করানো হয়েছিল। সাক্ষীর পরিবার এখনও ভুলতে পারেননি দিনগুলি।

    হাসপাতাল ফেরত সাক্ষীর লড়াই (Inspiring Story)

    সাক্ষী (Sakshi Maheshwari) জানিয়েছেন, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরেই শুরু হয়েছিল আসল লড়াই। তিনি জানিয়েছেন, নিজে ডাক্তারির ছাত্রী হয়েও শরীরের চোট-আঘাতের দিকে তাকাতে পারতেন না। দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়ে নিতে বসেছিল তাঁর। চিকিৎসকেরাও জানিয়েছিলেন ভাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ। শুধু নিজের জেদকে সম্বল করে ২৭ বছরের সাক্ষী আজ হাড়ের ডাক্তার হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ছাড় পাওয়ার পর অর্ধেক যুদ্ধ জিতে যান সাক্ষী। তবে বাকি যুদ্ধ এখনও তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিল। সাক্ষী মাহেশ্বরীর নিজের ভাষায়, ‘‘আমি তখন ছিলাম একজন ডাক্তারি পড়ুয়া। যে গুরুতর আঘাত আমি পেয়েছিলাম তা দীর্ঘ সমস্যার সৃষ্টি করবে এটা জানতাম। এর পাশাপাশি আমি জানতাম যে ভবিষ্যতে চলার পথটাও খুব কঠিন হতে চলেছে।’’ বর্তমানে হাসপাতালে যখন দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগীরা আসেন, তখন সাক্ষী তাঁদের মধ্যে নিজের অতীতকে খুঁজে পান, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে,  সব সময় মাথার মধ্যে ঘুরত একটাই প্রশ্ন, ‘‘কোনও দিন কি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব?’’ প্রতি বারই প্রশ্নের জবাব দিতেন নিজেই। নিজেকে বলতেন, ‘‘আমাকে পারতেই হবে (Inspiring Story)।’’ পাশে ছিলেন মা, বাবা, দাদু, দিদা।

    বাবা আমাকে দৈনন্দিন কাজে ছোট ছোট লক্ষ্য বেঁধে দিতেন

    সাক্ষী (Sakshi Maheshwari) বলেন, ‘‘কঠিন দিনগুলিতে সবার কাছ থেকেই সাহায্য পেয়েছি। বাবা আমাকে দৈনন্দিন কাজে ছোট ছোট লক্ষ্য বেঁধে দিতেন। আমি সেগুলো পূরণ করার চেষ্টা করতাম।’’ বেশ কয়েকদিন শয্যাশায়ী থাকার পরে সাক্ষী ওয়াকারে করে হাঁটাচলা শুরু করেন। তিনি নিজেই জানিয়েছেন, প্রথমে তাঁর হাঁটতে খুবই অসুবিধা হত। তিনি কেবলমাত্র ঘর থেকে বের হতে পারতেন, আবার বিছানায় চলে আসতেন প্রায় সঙ্গে সঙ্গে। কিন্তু এমন সময়ে তাঁর বাবা ছোট ছোট লক্ষ্য বেঁধে দিতে থাকেন। লক্ষ্যপূরণের জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে বেশি পা ফেলতে থাকেন সাক্ষী ঘরে ঢোকার আগে। এভাবেই সেরে উঠছিলেন তিনি। পিতার কাছ থেকে পাওয়া এমন প্রেরণা তাঁকে সুস্থ হতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন (Inspiring Story) সাক্ষী।

    সাক্ষীর মা কী বলছেন?

    সাক্ষীর মা স্নেহা বলেন, ‘‘ওকে অত কষ্টের মধ্যে দেখে আমরাও ভেঙে পড়তাম প্রায়ই। প্রত্যেকটা দিনই ওর কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল।’’ এই অবস্থায় সাক্ষী জেদ ধরেন, ডাক্তারি পড়া তিনি চালিয়ে যাবেন যেকোনও মূল্যে। আত্মীয়-স্বজন, অধ্যাপক, সহপাঠী, বন্ধুরা বুঝিয়েছিলেন অনেক। তাঁদের মনে হয়েছিল, সাক্ষীর শরীরে যা অবস্থা, তাতে তিনি পড়ার চাপ সামলাতে পারবেন না। কিন্তু সাক্ষী ছিলেন নাছোড়বান্দা।

    স্নাতকোত্তরে ভর্তির দিন বোন কেটেছিলেন কেক

    দুর্ঘটনার পরেই সাক্ষী সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, ডাক্তারি পড়া চালিয়ে যাবেন এবং স্নাতকোত্তরে অর্থোপেডিক নিয়েই পড়াশোনা করবেন। যে দিন আহমেদাবাদের বিজে হাসপাতালে অর্থোপেডিক বিভাগে স্নাতকোত্তর পড়ার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন সাক্ষী, সে দিন তাঁর বোন ইশা কেক কেটেছিলেন। ইশা বলেন, ‘‘আমি মনে করতে পারি সেই দিনটির কথা যেদিন আমার দিদি আহমেদাবাদের ডিজে মেডিকেল কলেজে অর্থপেডিক ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়। সেদিন আমরা বাড়িতে উৎসব শুরু করি এবং কেক কাটি।’’

    সাক্ষীকে স্যালুট ছোট বোনের

    ইশা মাহেশ্বরী আরও বলেন, ‘‘দিদি আমার আদর্শ। খুব কম বোনেরই এমন সুযোগ থাকে নিজের দিদিকে বেড়ে উঠতে দেখার। আমি তাঁকে স্যালুট জানাই। তাঁর ইচ্ছা শক্তিকে স্যালুট জানাই। আমার জীবনের প্রধান চরিত্রই সাক্ষী।’’ ইশা আরও জানিয়েছেন, যে দিন সাক্ষী দুর্ঘটনার পর প্রথম বার নিজের দাঁত মাজতে পেরেছিলেন, পরিবারের সকলে নাচ-গান, হুল্লোড় করেছিলেন। সাক্ষী জানিয়েছেন, সে দিন সেই দুর্ঘটনা না হলে হয়ত রোগীদের প্রতি এতটা সমব্যথী হতে পারতেন না তিনি। তাঁদের কষ্টটা বুঝতে পারতেন না।

    যাঁরা সংঘর্ষ করছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে সাক্ষীর বার্তা

    সাক্ষীর এমন গল্প অনেকের কাছেই প্রেরণা হতে পারে। যাঁরা সংঘর্ষ করছেন তাঁদের উদ্দেশে সাক্ষীর বার্তা, ‘‘কখনও আশা ছাড়বেন না। যা কিছু সংস্থান আছে সব ব্যবহার করতে থাকুন। সাফল্য মিলবেই।’’ সাক্ষী এও জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পরে শয্যাশায়ী অবস্থায় তিনি হাত নাড়াতে পারতেন না। তাই বর্তমানে যখন তিনি কোনও সমস্যায় পড়েন তখন নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে থাকেন এবং সেগুলোর প্রশংসা করেন। ভাবেন কীভাবে তাঁর হাত স্বপ্ন পূরণ করতে সাহায্য করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ক্লাবে ঢুকে তৃণমূল কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’! বারাকপুরে ধস্তাধস্তির মাঝে মৃত ১

    Barrackpore: ক্লাবে ঢুকে তৃণমূল কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’! বারাকপুরে ধস্তাধস্তির মাঝে মৃত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর বৈঠক ঘিরে অশান্তি বারাকপুরে (Barrackpore)। একটি ক্লাবের সদস্যদের মধ্যেই শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি। এতেই জড়িয়ে প্রাণ গেল এক প্রৌঢ়ের। ঘটনায় কাঠগড়ায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগের আঙুল উঠেছে বারাকপুরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC councilor) মৌসুমি মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ধস্তাধস্তি শুরু হতেই ক্লাব ঘরের বাইরে মৃত্যু হয় পার্থ চৌধুরী নামের ওই কমিটির সদস্যর। তাঁকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বারাকপুরের (Barrackpore) ১২ নম্বর ওয়ার্ডে।

    অভিযোগ, সদলবলে ঝাঁপিয়ে পড়েন বারাকপুরের (Barrackpore) কাউন্সিলর মৌসুমী মুখোপাধ্যায়

    জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর নতুন কমিটি গঠন করা হচ্ছিল, সে সময় তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী মুখার্জী দল বল (TMC councilor) নিয়ে সেখানে আসেন এবং এই কমিটি মানি না বলে গন্ডগোল শুরু করেন। এরপরই সদলবলে ঝাঁপিয়ে পড়েন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী মুখোপাধ্যায়। এরপরই গন্ডগোলের সূত্রপাত। ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পার্থ চৌধুরীকে। ঘটনাস্থলেই পড়ে যান পার্থবাবু। তড়িঘড়ি তাঁকে বারাকপুর (Barrackpore) বিএন বসু হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে ডাক্তাররা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    ঘটনা অস্বীকার কাউন্সিলরের, তবে অন্য মত মৃতের পরিবারের

    যদিও মারপিট গন্ডগোলের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর। তাঁর দাবি মিটিং ভেতরে চলছিল আর বাইরে পার্থ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁকে অন্যরা ঘিরে ধরে। মৃতের সঙ্গে পুজো কমিটির মিটিং-এর কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন মৌসুমি। যদিও নিহত প্রৌঢ়ের পরিবারের দাবি, পার্থের কোনও শারীরিক অসুস্থতা ছিল না। কাউন্সিলরের (TMC councilor) অনুগামীরা তাঁকে মারধর করেন।

    কী বলছেন পুরপ্রধান?

    এই ঘটনার পর বারাকপুর বিএন বসু হাসপাতালে আসেন পৌর প্রধান উত্তম দাস। তিনি বলেন, “ক্লাবে মিটিং ছিল। ভিতরে কী হয়েছে বলতে পারব না। তবে খবর নিয়ে জেনেছি, যিনি মারা গিয়েছেন, তিনি ওই বৈঠকে ছিলেন না। কিছু ছেলে ওঁকে ধাক্কাধাকি করেছে। তখনই উনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।” একই সঙ্গে পুরপ্রধান জানান, কাউন্সিলর বা যিনিই এই ঘটনায় দোষী হোন না কেন, পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। আগে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসুক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: তোলাবাজির অভিযোগ উঠতেই আঁতে ঘা, তৃণমূল নেতাদেরও চক্ষুশূল হয়ে গেল পুলিশ! 

    Paschim Bardhaman: তোলাবাজির অভিযোগ উঠতেই আঁতে ঘা, তৃণমূল নেতাদেরও চক্ষুশূল হয়ে গেল পুলিশ! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসিএলের খনি ভরাট করার জন্য প্রয়োজন বালি। বরাত পাওয়া প্রাইভেট সংস্থার বালির গাড়ি অবৈধ, এই অভিযোগ তুলে তা আটকে দিয়ে বিপাকে পড়েছেন জামুরিয়ার তৃণমূল নেতা তথা পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন দুই তৃণমূল নেতা। সংস্থার তরফে কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে তোলাবাজির। ঘটনার প্রেক্ষিতে সংঘাত লেগেছে তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে জামুরিয়া থানার। জামুরিয়া থানার পুলিশের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলে দলীয় পদ এবং সরকারি পদ থেকে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামুড়িয়ার পরাশিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান, সমিতির সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, অবৈধ এবং দূষিত বালিমাটি পরিবহণ তাঁরা আটকে দিয়েছেন মানুষের স্বার্থে। কিন্তু পুলিশ কাজ করছে ওই প্রাইভেট সংস্থার হয়ে, মানুষের হয়ে নয়। এই নিয়ে সরগরম জামুরিয়ার (Paschim Bardhaman) রাজনীতি।

    কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ?

    ইসিএলের কাজে বাধা দেওয়া ও তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে জামুরিয়া পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা উদীপ সিংয়ের বিরুদ্ধে। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, বেআইনি ও অবৈধ কাজ বরদাস্ত নয়। তারপরেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন জামুরিয়া পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল নেতারা (Trinamool Congress)। মাটি, বালি, ফ্লাইঅ্যাশ বোঝাই গাড়ি দেখলেই অভিযান শুরু নেতাদের। এই নিয়েই তৃণমূল নেতাদের একাংশের সঙ্গে লাগল সংঘাত। প্রাইভেট সংস্থার অভিযোগ, অভিযানের নামে তোলাবাজিতে নেমেছেন ওই তৃণমূল নেতারা।

    পাল্টা কী হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা? (Paschim Bardhaman)

    ইসিএলের কুনুস্তোরিয়া এরিয়ার পরাশিয়া গ্রুপ অফ মাইনসের এজেন্ট মধুসূদন সিং ও ইসিএলের টেন্ডার পাওয়া একটি বেসরকারি সংস্থার তরফে পিওবি (প্রসেস ওভার বার্ডেন) প্ল্যান্টের ইনচার্জ অসীম চক্রবর্তীর অভিযোগের ভিত্তিতে জামুড়িয়া থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত উদীপ সিং ও তার ৬ সঙ্গী সহ ২০-২৫ জনের নামে একটি এফআইআর করেছে। শনিবার রাতে তাঁদের মধ্যে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাঁরা হলেন রঘুপদ মণ্ডল ও মলয় মণ্ডল। পুলিশ অ্যাকশন নিতেই  জামুড়িয়া ব্লকের পরাশিয়া গ্রামে সাংবাদিক সম্মেলনে করে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করলেন তৃণমূল নেতা, তথা কর্মাধ্যক্ষ উদীপ সিং। পাল্টা তিনি জামুরিয়া থানার (Paschim Bardhaman) ওসি রাজশেখর মুখোপাধ্যায়, ইসিএল এবং ওই বেসরকারি সংস্থার আধিকারিককে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, আমি জামুরিয়া এলাকায় মাটি ও বালির বেআইনি কারবার বন্ধে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে এফআইআর করা হয়েছে। এদিন তাঁর সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে পরাশিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নির্বাচিত গ্রামসদস্য ছিলেন। উদীপ সিং এদিন হুমকি দিয়ে বলেন, দল পাশে না দাঁড়ালে এই ঘটনার বিরুদ্ধে সবাইকে নিয়ে অবস্থানে বসব। দলের নেতৃত্বকে সব জানিয়েছি। দল যদি পাশে না দাঁড়ায় তাহলে পদত্যাগ করব, এমন হুমকিও তিনি দেন। তিনি বলেন, আমি ইতিমধ্যেই ওই বেসরকারি সংস্থার আধিকারিকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছি। আর কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়ে পরামর্শ করছি।

    কী প্রতিক্রিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের, কী বলছে বিজেপি?

    অন্যদিকে, দায় এড়িয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জামুরিয়ার (Paschim Bardhaman) বিধায়ক হরেরাম সিং বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখব। বিষয়টি জানা নেই। পাণ্ডবেশ্বর প্রাক্তন বিধায়ক, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, তৃণমূলে যাঁরা থাকেন, তাঁরা স্বাধীনভাবে থাকতে পারেন না বা তাঁদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার অধিকারও নেই। কারণ জামুরিয়ার সমস্ত কিছুই আসানসোলের তৃণমূল নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত হয়। তাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেও দল ও পুলিশ-প্রশাসন থেকে অভিযোগের কাঠগড়ায় তোলা হবে উদীপকেই। সম্মান নিয়ে যদি উনি বাঁচতে চান, ওঁকে তৃণমূল ছাড়তে হবে। আর যদি উনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে চান, আত্মসমর্পণ না করতে চান, তাহলে দল ছাড়ুন। আমরা তাঁর (Trinamool Congress) পাশে থাকব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ড মামলায় (Sandeshkhali Case) সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মুখ পুড়ল রাজ্যের। শীর্ষ আদালতে খারিজ রাজ্যের সিবিআই তদন্তের বিরোধিতার আর্জি। রাজ্যকে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, “রাজ্য কি কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে?”

    কী বলল সুপ্রিম কোট? (Sandeshkhali Case)

    সন্দেশখালিতে জমি দখল ও মহিলাদের যৌন হেনস্থার অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে আবেদন করে রাজ্য। সেখানেই খারিজ হয়ে যায় রাজ্যের আবেদন। সোমবার মামলাটির শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিআর গাভাই এবং কেভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চে। তখনই বিচারপতি গাভাই প্রশ্ন ছুড়ে দেন, “এই বিষয়ে কেন আবেদন করেছে রাজ্য সরকার? তারা কাকে প্রোটেক্ট করতে চাইছে?” বেঞ্চের আরও প্রশ্ন, “সন্দেশখালিতে যেখানে নারী নির্যাতনের এত অভিযোগ উঠেছে, যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে, সেখানে কেন রাজ্য সরকার বাড়তি আগ্রহ দেখাচ্ছে?”

    কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেলেঙ্কারির বেরল কেউটে!

    রাজ্যে রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে কেউটে। গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের দাপুটে নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই কেলেঙ্কারির শেকড় খুঁজতে জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেই সময় হামলা হয় ইডির আধিকারিকদের ওপর (Sandeshkhali Case)। পরে গ্রেফতার হয় শাহজাহান। তার পরেই একে একে বেরিয়ে আসতে থাকে কেলেঙ্কারির কেউটে।

    আর পড়ুন: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    শাহজাহান ও তার দলবলের বিরুদ্ধে জমি দখল, নারী নির্যাতন-সহ একাধিক অভিযোগ তুলে পথে নামে সন্দেশখালির প্রমীলা বাহিনী। জমি দখল এবং নারী নির্যাতনের অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। দেওয়া হয়েছিল সিবিআই তদন্তের নির্দেশ। উচ্চতর আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোটের দুয়ারে হাজির হয় রাজ্য। সেখানেও জুটল রামধাক্কা।

    দেশের শীর্ষ আদালতে রাজ্য সরকারের মুখ পোড়ায় যারপরনাই খুশি বিজেপি। সাংসদ বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্য সরকার কিছু অনৈতিক দাবি নিয়ে কিছু অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। সেই জন্যই মানুষেরই দেওয়া ট্যাক্সের টাকা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয় তারা। বারংবার পরাজিতও হয় (Sandeshkhali Case)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • France Election 2024: ফ্রান্সের কুর্সি দখলে এগিয়ে বামপন্থীরা, অশান্তির আগুন স্যেন নদীর পাড়ে

    France Election 2024: ফ্রান্সের কুর্সি দখলে এগিয়ে বামপন্থীরা, অশান্তির আগুন স্যেন নদীর পাড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই অশান্ত ফ্রান্স (France Election 2024)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হয় ৭ জুলাই, রবিবার। সেই নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী পদে জয়ের পথে বামপন্থীরা। কার্যত তার পরেই অশান্ত (Riots) হয়ে ওঠে দেশ। রাজধানী প্যারিস-সহ দেশের একাধিক শহরে ঘটে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। বিক্ষোভ সামাল দিতে নামানো হয় বাহিনী। জনতার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন পুলিশ কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয়। উন্মত্ত জনতাকে ছত্রখান করতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ।

    জয়ী বামেরা (France Election 2024)

    ফ্রান্সে প্রথম দফার নির্বাচনে এগিয়ে ছিলেন দক্ষিণপন্থীরা। ভোট বিশেষজ্ঞরাও মনে করেছিলেন, এবার ফ্রান্সের রশি থাকবে ডানপন্থীদের হাতে। যদিও রবিবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের ফল বের হলে দেখা যায়, বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে বামেরা। ফ্রান্সের পার্লামেন্টে আসন রয়েছে ৫৭৭টি। সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৮৯টি আসন। ফল ঘোষণার পর দেখা যায়, জয়ী হয়েছে বামপন্থী জোট এনএফপি। তবে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায়নি তারা। এনএফপির পরেই রয়েছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর মধ্যপন্থী জোট এনএস। আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে উগ্র দক্ষিণপন্থী দল আরএন।

    অশান্তির আগুন ফ্রান্সে

    কোনও একটি দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ফ্রান্সে হতে চলেছে হ্যাং পার্লামেন্ট বা ত্রিশঙ্কু। ফ্রান্সের (France Election 2024) এই তিন দল অতীতে এক সঙ্গে সরকার চালিয়েছে, এমন নজির নেই। তাই ঠিক কী হবে, তা নিয়ে আগাম কিছু বলতে পারছেন না ফ্রান্সের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও। তবে যেহেতু বামপন্থারী সব চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে, তাই তাদের নেতৃত্বেই গঠিত হতে পারে সরকার। এই আশঙ্কা থেকেই দেশটিতে জ্বলছে অশান্তির আগুন।

    আর পড়ুন: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    ভারতের মতো ফ্রান্সেও আরএনকে ঠেকাতে জোট গড়ে সোশ্যালিস্ট, পরিবেশবাদী, কমিউনিস্ট এবং কট্টর বামপন্থী দল এলএফআই। জোটের নাম হয় ‘এনএফপি’। নির্বাচনের আগে এই দলগুলো সব সময় একে অন্যের সমালোচনায় মুখর থাকত। দক্ষিণপন্থীদের সরকারে আসা রুখতেই জোট বাঁধে তারা। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় এগিয়ে এই জোটই।

    প্রসঙ্গত, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাক্রঁর মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালে। যে বামপন্থী জোট ক্ষমতায় আসতে চলেছে, তাদের (Riots) নীতির সঙ্গে মাক্রঁর দলের নীতির ফারাক বিস্তর। তাই বামপন্থীদের মধ্যে থেকে কেউ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর যে ‘ঠান্ডা লড়াই’ চলতেই থাকবে, তা বলাই বাহুল্য (France Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: একদিকে হকার উচ্ছেদ, অন্যদিকে নয়নজুলি দখল করে চলছে অবৈধ নির্মাণ!

    South 24 Parganas: একদিকে হকার উচ্ছেদ, অন্যদিকে নয়নজুলি দখল করে চলছে অবৈধ নির্মাণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেকটি দফতর থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, কোনও ভাবেই সরকারি জায়গা দখল করা যাবে না। যারা যারা দখল করেছে, তাদের উচ্ছেদ করতে হবে। আর সেই নির্দেশের পরেও উল্টো ছবি দেখা গেল কুলপি বিধানসভার (South 24 Parganas) বিভিন্ন জায়গায়। সেখানে নয়নজুলি দখল করে চলছে একের পর এক অবৈধ নির্মাণ। হেলদোল নেই প্রশাসনের।

    কোথায় চলছে এই বেপরোয়া কার্যকলাপ? (South 24 Parganas)

    কুলপি বিধানসভার নিশ্চিন্তপুর স্টেশন রোড সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক নয়নজুলি ও পিডব্লিউডি’র জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে একাধিক অবৈধ নির্মাণ। নিশ্চিন্তপুর এলাকায় রাস্তার পাশেই দীর্ঘদিন ধরে সিপিএমের পার্টি অফিস ছিল। তার পাশে পিডব্লিউডি’র ফাঁকা জায়গা দীর্ঘদিন ধরেই সিপিএমের দখলে ছিল। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছিল জায়গাটি, যাতে নয়নজুলি থেকে জল ব্যবহার করতে পারেন তাঁরা। কিন্তু সেই জায়গাটিও রাতারাতি এলাকারই শাসকদল ঘনিষ্ঠ উমাপদ দাস নামে এক ব্যক্তি জোরপূর্বক দখল করে নেয় বলে অভিযোগ। এমনকী নয়নজুলি দখল করে চলে নির্মাণকাজও (Eviction)। এই বিষয় নিয়ে সিপিএমের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগও করা হয়।

    কে শুনছে কার কথা?

    শুধুমাত্র এই নিশ্চিন্তপুর এলাকাতেই নয়, কুলপি বিধানসভার বাগারিয়া এলাকাতেও (South 24 Parganas) নয়নজুলি দখল করে দিনে-দুপুরে চলছে এই অবৈধ নির্মাণের কাজ। তবে এই বিষয় নিয়ে বেলপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বর্ণালী মণ্ডলের দাবি, তাঁরা এই অবৈধ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও কার অনুমতিতে এই অবৈধ নির্মাণ হচ্ছে, তা তাঁদের কিছুই জানা নেই।অন্যদিকে কুলপি বিধানসভার বাগারিয়া এলাকা নিয়ে বিডিও, এসডিও, পুলিশ-প্রশাসন থেকে প্রত্যেকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে। কিন্তু তারপরেও কোনও ফল লাভ হয়নি। এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, এইভাবে একের পর এক নয়নজুলি দখল করে অবৈধ নির্মাণের ফলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জল নিকাশি ব্যবস্থা। আগামী দিনে চাষের কাজ একদিকে যেমন বন্ধ হয়ে যাবে, ঠিক তেমনি ভোগান্তির শিকার হতে হবে সাধারণ মানুষকে। তবে এই অবৈধ দখলদারি নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কেউ কিছুই বলতে চাননি। কুলপি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুপ্রিয় হালদার জানান, ইতিমধ্যেই যে যে জায়গায় অবৈধ নির্মাণ হচ্ছিল, প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন বন্ধ করে দিয়েছে সেই নির্মাণ কাজ। 

    কটাক্ষ বিজেপি’র (South 24 Parganas)

    তবে এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কুলপি বিধানসভার শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক স্বপন হালদার জানান, মুখ্যমন্ত্রীর ওই নির্দেশ শুধুমাত্রই ভাঁওতা ছাড়া অন্য কিছুই নয়। শাসকদলের মদত ছাড়া এবং প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এইভাবে নয়নজুলি দখল করে নির্মাণ কোনও দিনই করা যায় না। এই বিষয় নিয়ে বারে বারে তাঁদের পক্ষ থেকেও প্রশাসনকে জানিয়ে কোনও ফল লাভ হয়নি। তাই প্রশ্ন উঠছে, এক দিকে যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিচ্ছেন অবৈধ নির্মাণ বন্ধের জন্য, তখন কীভাবে গোটা কুলপি বিধানসভা জুড়ে দিনে-দুপুরে চলছে অবৈধ নির্মাণ (Eviction)? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Anand Bose: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    CV Anand Bose: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালকে (CV Anand Bose) নানা সময় অসম্মান প্রদর্শন করতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের ছোট-বড় নেতাকেও। কটু কথা বলতে শোনা গিয়েছে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমোকেও। এবার রাজ্যপালের অফিসকে কলঙ্কিত করার অভিযোগে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (MHA Action)। কলকাতার ডিসি এবং ডিসিপি সেন্ট্রালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়ে দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তার প্রেক্ষিতেই পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    রাজ্যপালের চিঠি (CV Anand Bose)

    জানা গিয়েছে, রাজ্যপালের পাঠানো চিঠিতে নাম গিয়েছিল ডিসি বিনীত গোয়েল এবং ডিসিপি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের। গোয়েল ও মুখোপাধ্যায়কে অপসারণের আর্জি জানিয়ে নবান্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আইএএস, আইপিএস ক্যাডার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তথা ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিংকে চিঠি লিখেছিলেন রাজ্যপাল। তার জেরেই পদক্ষেপ হতে চলেছে বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর। যদিও দুই পুলিশ কর্তাই জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তাঁরা কিছু জানেন না। রাজ্যের তরফেও এখনও কিছু জানানো হয়নি তাঁদের। বিষয়টি নিয়ে রা কাড়েনি রাজভবনও।

    বাংলা থেকে সরানোর চক্রান্ত!

    এদিকে, রাজ্যের মুখ্যসচিব গোপালিকার বিরুদ্ধেও আইএসএস কার্যবিধি লঙ্ঘন ও দুর্নীতিতে সাহায্য করা ও উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগও এনেছেন রাজ্যপাল (CV Anand Bose)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠানো রিপোর্টে রাজ্যপাল এও লিখেছেন, বাংলা থেকে তাঁকে সরাতে চক্রান্ত করা হচ্ছে। সেই চক্রান্তে শামিল রয়েছেন এই আধিকারিকরাও। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন রাজভবনের এক কর্মী। ওই মহিলা প্রথমে অভিযোগ জানান রাজভবনের অফিসার ইনচার্জের কাছে। তাঁর অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যপাল তাঁকে কু-ইঙ্গিত করছিলেন। সেদিন সন্ধেয় চেম্বারে ডেকে পাঠিয়ে অশালীন আচরণ করেন বলেও অভিযোগ। রাজভবনের অফিসার ইনচার্জের কাছে অভিযোগ জানানোর পর তিনি সটান চলে যান হেয়ারস্ট্রিট থানায়।

    আর পড়ুন: হিন্দু বিরোধিতা কংগ্রেসের ট্র্যাডিশন! জেনে নিন বহমান সেই ধারা

    সাংবিধানিক রক্ষাকবচ থাকায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা না গেলেও, অভিযোগকারিণীর বয়ানের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করতে (MHA Action) শুরু করে কলকাতা পুলিশ। এর পরেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট ডিসির বিরুদ্ধে ‘অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেসে’র অফিসারদের আচরণবিধি সংক্রান্ত শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন রাজ্যপাল (CV Anand Bose)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘ওড়িশার মতো বাংলাকেও রক্ষা করুন প্রভু জগন্নাথ’’, রথের উৎসবে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘ওড়িশার মতো বাংলাকেও রক্ষা করুন প্রভু জগন্নাথ’’, রথের উৎসবে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ওড়িশার মতো বাংলাকেও রক্ষা করুন প্রভু জগন্নাথ’’, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের বোয়ালদারের রথযাত্রায় সামিল হয়ে এমনটাই বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই ওড়িশাতে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে নবীন পট্টনায়েকের বিজেডি সরকার। বিপুল সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। সেই পালাবদলের কথা মাথায় রেখেই জগন্নাথদেবের কাছে বাংলাতেও অনুরূপ পালাবদলের প্রার্থনা করেন সুকান্ত মজুমদার। সাংবাদিকদের কাছে এই মনোবাসনার কথা নিজেই জানিয়েছেন বিজেপির সভাপতি (Sukanta Majumdar)।

    জেলা অফিসের ভূমি পূজন করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    চলতি বছরের তিথি অনুযায়ী, জগন্নাথদেবের রথযাত্রা শুরু হয় দুপুরে। সেই মতোই গোটা জেলার সমস্ত রথযাত্রা দুপুরের পরেই শুরু হয়। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এদিন প্রথমে বালুরঘাট ব্লকের বোয়ালদারে রথের দড়ি টানেন। এরপর সেখান থেকে তপন রাধাগোবিন্দ মন্দিরের রথযাত্রা, বালুরঘাটে নিউ টাউন ক্লাবের রথযাত্রার পাশাপাশি শহরের বহু পুরোনো দিপালী নগর মাঠের রথযাত্রাতেও সামিল হন তিনি। পাশাপাশি রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি পার্টি অফিসের ভূমি পূজনও করেন তিনি। এর মাধ্যমে জেলা বিজেপির সদর কার্যালয়ে নির্মাণ কাজের সূচনা হয়। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিজেপির সদর কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয় একটি পুরোনো বাড়ি, যেটা বছর ৭ আগে দলের পক্ষ থেকে কেনা হয়েছিল। সেই বাড়িটি ভেঙেই নতুন ভবন তৈরি হবে বলে জানা গিয়েছে। সুকান্ত মজুমদারের দাবি, অফিসের সমস্ত রকমের পরিকাঠামো থাকবে নতুন এই ভবনে। এই নতুন ভবনটি তিন তলা হবে বলে জানা গিয়েছে। ভূমি পূজন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা নেতৃত্বও।

    প্রসঙ্গ উপ নির্বাচন

    সাংবাদিক সম্মেলনে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘সরকার পুলিশকে বলে দিচ্ছে, হকার উচ্ছেদ করো, কোথাও বলছে বিজেপি নেতাদেরকে কেস দাও। অনৈতিক কাজ করার জন্য পুলিশের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত, ১০ জুলাই ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচন রয়েছে। গত বিধানসভা ভোটে চারটি কেন্দ্রের মধ্যে তিনটিতেই তৃণমূল হেরেছিল। উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কি কনফিডেন্ট? এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘যে তিনটি সিট আমাদের ছিল, সেগুলি আবার জিতব ও চতুর্থ সিট যা আমরা ৫ হাজার ভোটে হেরেছিলাম সেইটাও জিতব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bolpur Fire: বোলপুরে তিনজনকে অগ্নিদগ্ধ করার আগে ক্লোরোফর্ম ছিটিয়ে করা হয়েছিল অবশ!

    Bolpur Fire: বোলপুরে তিনজনকে অগ্নিদগ্ধ করার আগে ক্লোরোফর্ম ছিটিয়ে করা হয়েছিল অবশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির এক বউয়ের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক শফিকুল ইসলাম ওরফে চন্দনের। এমন পরকীয়া করতে ছোট জা’কে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় প্রেমিকের সঙ্গে দেখে ফেলেছিলেন বড় জা। ঠিক এই কারণে চরম খেসারত দিতে হল বড় জায়ের গোটা পরিবারকে। ছোট্ট সন্তানও নিস্তার পেল না নৃশংসতা থেকে। বোলপুরের (Bolpur Fire) রজতপুরে ফিরে এল বগটুইয়ের স্মৃতি। ছোট জা স্মৃতিবিবি আগুনে পুড়িয়ে মারল ভাসুর শেখ তোতা, জা রুপা বিবি ও তাঁদের ছোট্ট ৪ বছরের সন্তানকে। শুধুই কী তাই! নিখুঁত অপারেশন চালাতে ব্যবহার করা হল ক্লোরোফর্ম। জানলা থেকে ক্লোরোফর্ম (Chloroform) ছিটিয়ে দেওয়া হল বড় জায়ের ঘরে। ঘুমন্ত অবস্থায় ক্লোরোফর্মে সবাই তখন অজ্ঞান। এরই মধ্যে আগুন লাগিয়ে দেয়া হল ঘরে। যাতে কোনওভাবেই চিৎকার করতে না পারে তাঁর জায়ের পরিবার। স্মৃতি বিবির পক্ষে ক্লোরোফর্ম জোগাড় করাও সহজ ছিল। তার কারণ প্রেমিক ছিল পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক, এমনটাই মনে করছে পুলিশ। জেরায় উঠে এসেছে এই খুনের রোমহর্ষক ঘটনার বিবরণ। নৃশংস ঘটনা শোনার পরে বাকরুদ্ধ গোটা সভ্যসমাজ।

    গভীর রাতে স্মৃতি বিবি অপেক্ষা করতে থাকেন কখন তাঁর প্রেমিক আসবেন (Bolpur Fire)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন গভীর রাতে (Bolpur Fire) স্মৃতি বিবি অপেক্ষা করতে থাকেন কখন তাঁর প্রেমিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক আসবেন। এর পরবর্তীকালে জানলা দিয়ে ঘরে ক্লোরোফর্ম ছিটিয়ে দেন তিনি। তখনই তাঁর জা রুপা বিবি, স্বামী সন্তান সহ চৈতন্য হয়ে পড়েন ঘুমের মধ্যেই। সেই সময়ই পেট্রোল ঢেলে দেওয়া হয় ঘরে। ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। যতক্ষণে তাঁদের জ্ঞান (Chloroform) ফেরে ততক্ষণে দেখা যায় শরীরের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পুরে গিয়েছে। এর ফলে বাঁচার সম্ভাবনাও ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসে। পুলিশের ধারণা, আগুন লাগার পরে যাতে তাঁরা কেউ চিৎকার করতে না পারেন সেজন্যই অজ্ঞান (Bolpur Fire) করে দেওয়া হয়েছিল আগে থেকে।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    ঘটনা প্রসঙ্গে, নিহত রূপা বিবির বাবা শেখ করিম বলেন, ‘‘আমার জামাই বোলপুরে ঠিকাদারির কাজ করত। ওর তেমন কেউ ছিল কি না জানি না। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’’ প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২১ মার্চ রাতে বীরভূমের রামপুরহাট থানার বগটুইয়ের এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তাতে মৃত্যু হয় ১০ জনের। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বগটুই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করে সিবিআই। সেই সময় এই ঘটনাকে ঘিরে আলোড়িত হয়েছিল গোটা রাজ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share