Tag: Bengali news

Bengali news

  • Durga Puja 2024: ষষ্ঠীর ১৫ দিন আগেই ছাগ বলির মাধ‍্যমে হয় দেবীর বোধন! বিসর্জনের রীতিও অনন‍্য

    Durga Puja 2024: ষষ্ঠীর ১৫ দিন আগেই ছাগ বলির মাধ‍্যমে হয় দেবীর বোধন! বিসর্জনের রীতিও অনন‍্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন। তার পরেই দেশ তথা রাজ‍্য জুড়ে শুরু হবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদ উৎসব (Durga Puja 2024), যার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে এখন থেকেই। সেখানে যেমন বড় বাজেটের থিমের পুজো আছে, তেমনই আছে অনেক বনেদি গ্রামীণ ঐতিহ‍্যমণ্ডিত প্রাচীন পুজো। যে পুজোগুলি তাদের অনন‍্য ঘরানায় উল্লেখযোগ‍্য হয়ে আছে। আসানসোল শিল্পাঞ্চলেও এরকম একাধিক প্রাচীন ঐতিহ‍্যমণ্ডিত শারদীয়া পুজোর প্রচলন আছে। তার মধ‍্যে অন‍্যতম বারাবনি বিধানসভার সালানপুর ব্লকের এথোড়া গ্রামের পুজো।

    পুজো হয় সুরথ রাজার প্রচলিত নিয়ম ও রীতি মেনে

    বৈশিষ্টের দিক থেকে এই গ্রামটি বর্ধিষ্ণু ও অত‍্যন্ত প্রাচীন। যে গ্রামে বর্গী হানার দৃশ‍্য আজও বিদ‍্যমান। বর্তমানে এথোড়া গ্রামে ছোট-বড় মিলিয়ে ১১টি দুর্গাপুজো হলেও সব চেয়ে জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ‍্য হল বড় মা তথা বড় দুর্গা মন্দিরের পুজো, যা প্রায় ৪০০ বছরের প্রাচীন। স্বাভাবিকভাবেই এই পুজোর রীতিনীতিও অত‍্যন্ত প্রাচীন ও স্বতন্ত্র। আমাদের প্রচলিত শারদ উৎসব মূলত দেবীর অকাল বোধন হিসেবে পরিচিত। তবে এথোড়া গ্রামে বড় দুর্গার পুজো (Durga Puja 2024) হয় সুরথ রাজার প্রচলিত নিয়ম ও রীতি মেনে। যে কারণে ষষ্ঠীর ১৫ দিন আগেই এই গ্রামে ছাগ বলির মাধ‍্যমে দেবীর বোধন হয়। পাশাপাশি এই গ্রামে পুজোর দিনে, বিশেষত নবমীতে অসুর রূপে মহিষ তথা কাঁড়া বলির প্রচলন আজও চলে আসছে। সঙ্গে বন্দুকের গুলি উপরে ছুড়ে তার আওয়াজ শোনার পরেই বলি করা হয়। সঙ্গে পাঁঠা বলিও দেওয়া হয়। এছাড়াও পুজোর তিনদিনই (সপ্তমী-অষ্টমী-নবমী) বলি প্রথার প্রচলন আছে।

    দেবীর বিসর্জনের রীতিও অনন‍্য (Durga Puja 2024)

    এথোড়া গ্রামের বড় দুর্গা মন্দিরের পুজোতে প্রাচীন তালপাতার ওপর ভুসো কালিতে লেখা পুঁথির মন্ত্রোচ্চারণের মাধ‍্যমে দেবীর আরাধনা করা হয়। দেবী এখানে তাঁর পুরো পরিবার নিয়ে এক চালাতেই অধিষ্ঠান করেন। দেবীকে প্রতিদিনই দু’বার ভোগ নিবেদন করা হয়। যার মধ‍্যে দেবীর স্নান-আচমন পর্যায়ে লুচি-মিষ্টান্ন-লাড্ডুর ভোগ নিবেদন করা হয়। পরবর্তী ক্ষেত্রে বলি পর্যায় শেষ হলে গ্রামের মহিলারা স্নানপর্ব শেষে শুদ্ধাচারে দেবীকে পাঁচ রকমের ভাজা ও পায়েস সহযোগে অন্ন ভোগ নিবেদন করেন। দেবীর (Asansol Barabani) বিসর্জনের রীতিও এখানে অনন‍্য। দেবীকে বাঁশের মাচায় চাপিয়ে বাদ‍্য, মন্ত্রোচারণ ও গানের মাধ‍্যমে মানুষের কাঁধে করে গোটা গ্রাম পরিদর্শনের মাধ‍্যমে শ্বশুর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রাচীন কাল থেকেই এই গ্রামের প্রতিমা নিরঞ্জন হয় কুমারা পুকুর নামের জলাশয়ে। যেখানে গ্রামের সব দেব-দেবীরই বিসর্জন হয়ে থাকে। এই পুজোতে (Durga Puja 2024) গ্রামের মানুষ তো পুজোয় আনন্দে মেতে উঠেনই, এছাড়া বাইরে থেকেও মানুষ আসেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Konark Sun Temple: কোনার্ক সূর্য মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে কতটা বালি সরল? খতিয়ে দেখল এএসআই

    Konark Sun Temple: কোনার্ক সূর্য মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে কতটা বালি সরল? খতিয়ে দেখল এএসআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ শতাব্দীতে নির্মিত পুরীর বিখ্যাত কোনার্ক সূর্য মন্দিরের (Konark Sun Temple) গর্ভগৃহে ভরে যাওয়া বালি সরানোর কাজ শুরু করেছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। সেই কাজের কতটা অগ্রগতি হল, তার মূল্যায়ন করতে মন্দির পরিদর্শন করল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই)-র ছয় সদস্যের একটি দল। সংস্থার অতিরিক্ত মহানির্দেশক জানভিজ শর্মার নেতৃত্বে এই দলটি (ASI) বিশ্ব ঐতিহ্যের স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে গণ্য এই মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা করেছে। মন্দিরের স্থাপত্যে গর্ত দেখা দিলে এক সময় বালি দিয়ে তা ভরাট করা হয়েছিল। এখন তা সরানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অবশ্য, বালি সরিয়ে প্রকট হয়ে পড়া সেই গর্তের স্থানগুলো নতুন পদ্ধতিতে মেরামত করা হবে।

    ইংরেজ আমলে অবক্ষয় প্রতিরোধে বালি ভরাট (Konark Sun Temple)

    এএসআই (ASI)-এর অতিরিক্ত মহানির্দেশক জানভিজ শর্মা বলেন, ‘‘এই মন্দির ঐতিহ্যের স্মৃতিস্তম্ভ এবং আমরা সময়ে সময়ে পরিদর্শন ও সমীক্ষা পরিচালনা করে থাকি।’’ জানা গিয়েছে, ইংরেজ আমলেও মন্দিরের (Konark Sun Temple) অবক্ষয় প্রতিরোধ করতে সচেষ্ট হয়েছিলেন ব্রিটিশরা। বিভিন্ন সময়ে স্থাপত্যে গর্ত সৃষ্টি হলে তা ঠিকঠাক করা হতো। এই বিশাল স্থাপত্যের দ্বারমুখ  স্থানটিকে বালি দিয়ে ভরাট করার কাজ করেছিলেন তাঁরা। এবার প্রায় একশো বছরের পরে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই), স্থাপত্যের চারপাশে পুনরায় কাজ করা শুরু করেছে। মন্দিরের জগমোহন অর্থাৎ দ্বারমুখ-এর স্থায়িত্ব এবং বালির বর্তমান অবস্থার মূল্যায়ন করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে (ASI)। বালির স্তর ১৫ ফুট বসে গিয়েছে। যার জেরে একটি বড় গহ্বরের সৃষ্টি হয়েছে।”

    লেজার স্ক্যানিং এবং এন্ডোস্কোপি করা হবে

    ১৯০৩ সালে বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর জেএ বোর্ডিলনের নির্দেশে ৭০ ফুট উঁচু জগমোহন বা দ্বারমুখ বালি দিয়ে ভরাট করা হয়েছিল। এএসআই (পুরী সার্কেল) এর সুপারিনটেনডিং প্রত্নতাত্ত্বিক, দিবাশাদ গডনায়েক বলেন, “মন্দিরের (Konark Sun Temple) সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় বহু-মুখী পদক্ষেপ করা হয়েছে। সবটাই মন্দিরের সংরক্ষণ এবং সমীক্ষা-মূল্যায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। এখন প্রাথমিকভাবে, কাঠামোগত অখণ্ডতা ও স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন করার জন্য মন্দিরের দেওয়ালে একটি ছোট গর্ত করা হবে (ASI)। এরপর তাঁকে অনুসরণ করে, লেজার স্ক্যানিং এবং এন্ডোস্কোপির মতো উন্নত কৌশলগুলি ব্যবহার করা হবে।”

    বালি ভরাট প্রায় সাড়ে ১২ ফুট স্থির হয়েছে

    উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত “সূর্য মন্দিরের সংরক্ষণ” বিষয়ক একটি জাতীয় সম্মেলনের সময়, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তকমা অর্জন করেছিল এই মন্দির। তবে এই সম্মেলনে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। তিনিই ১৯০৩ সালে ব্রিটিশদের দ্বারা মন্দিরের জগমোহন থেকে ভরাট করা বালি সারানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিবিআরআই)-এর নেতৃত্বে এন্ডোস্কোপি গবেষণায় উল্লেখযোগ্য কাঠামোগত ক্ষতি প্রকাশের পর কোনার্ক মন্দিরের (Konark Sun Temple) জগমোহন থেকে বালি সারিয়ে ফেলা অপরিহার্য বলে মনে করা হয়েছিল। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাথায় একটি বড় গর্ত  সৃষ্টি হয়েছে। তাই বালি সরিয়ে আবার বালি দিয়ে ভরাট করা হবে (ASI)। এই কাজ হবে প্রায় সাড়ে ১২ ফুট স্থাপত্যে জুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani Medical: থ্রেট কালচার! কল্যাণী মেডিক্যালে ৩৯ জন ডাক্তারি পড়ুয়াকে বহিষ্কার

    Kalyani Medical: থ্রেট কালচার! কল্যাণী মেডিক্যালে ৩৯ জন ডাক্তারি পড়ুয়াকে বহিষ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar) পর পরই জনসমক্ষে চলে এসেছে রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে চলতে থাকা ‘থ্রেট কালচার’-এর পরিবেশ। ভয় কাটিয়ে এখন পড়ুয়ারা এই (অপ)‘সংস্কৃতির’ বিনাশ এবং অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন শুরু করেছেন। সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের অনুগামীরা থ্রেট কালচার শুরু করেছিলেন। তাঁদের দাপটে জুনিয়র ডাক্তাররা ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের জেরে নড়েচড়়ে বসে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। হস্টেল থেকে বের করে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার কল্যাণী মেডিক্যাল (Kalyani Medical) কলেজ হাসপাতালেও থ্রেট কালচারের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। যা নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

    ৩৯ জন ডাক্তারি পড়ুয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা (Kalyani Medical)

    থ্রেট কালচারের অভিযোগে নদিয়ার কল্যাণী জেএনএম মেডিক্যাল (Kalyani Medical) কলেজ কর্তৃপক্ষ ৩৯ জন ডাক্তারি পড়ুয়ার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল। পাশাপাশি তদন্ত চলাকালীন আগামী ৬ মাস কলেজ ক্যাম্পাস থেকে তাঁদের বহিষ্কার করা হল। এই ৬ মাস অভিযুক্তরা কলেজ ক্যাম্পাস, হস্টেল এবং হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারবেন না। শুধুমাত্র পরীক্ষার কারণ ও তদন্তের প্রয়োজনে কলেজে বা হাসপাতালে আসতে পারবেন। পাশাপাশি এই ৩৯ জন জনের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত সমস্ত রকমের প্রমাণ পুলিশের কাছে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যেই হস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁদের।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ থেকে টেন্ডার, স্বাস্থ্য দফতরে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি! নথি হাতে নিয়ে সরব শুভেন্দু

    প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    এই ৩৯ জন পড়ুয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন অধ্যক্ষ (Kalyani Medical) এবং একজন চিকিৎসকও থ্রেট কালচারে অভিযুক্ত হয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধেও শুরু হচ্ছে বিভাগীয় তদন্ত। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই ২ জন আগামী দিনে পরীক্ষা সহ কোনও প্রশাসনিক কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন না। গত সপ্তাহে একাধিক ছাত্র-ছাত্রী একযোগে থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে ইমেল করে প্রিন্সিপাল সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কলেজ কাউন্সিলের বর্ধিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করায় রাজ্যের অন্যান্য মেডিক্যাল কলেজকে বড় বার্তা দেওয়া হল বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল গঠন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য, মিলল হুঁশিয়ারি

    Supreme Court: মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল গঠন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য, মিলল হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিপাকে মমতা সরকার। এবার মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল গঠন নিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতে বেকায়দায় পড়ল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জানা গিয়েছে, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের আরও নির্দেশ, সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ট্রাইবুনাল গঠন সম্পন্ন হল কি না তা জানাতে হবে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, আরজি কর ইস্যুতে এমনিতেই সুপ্রিম কোর্টে ল্যাজে গোবরে অবস্থা হয়েছে শাসক দলের, তার সঙ্গে এবার জুড়ল মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল।

    ট্রাইবুনাল গঠন না হলে আদালত অবমাননার (Supreme Court) মামলা শুরুর নির্দেশ

    শুধু তাই নয়। এই ইস্যুতে মমতা সরকারকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মানা না হলে কলকাতা হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ১৯৮০ সালের কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আইন অনুযায়ী, কোনও অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশের বিরুদ্ধে মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনালে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ আছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল এখনও যথাযথভাবে গঠিতই হয়নি বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: নিলামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, রোজগারের টাকা ব্যয় হবে নমামি গঙ্গে প্রকল্পে

    ৯ অগাস্ট ট্রাইবুনাল গঠন নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছিল

    এই মর্মে গত ৯ অগাস্ট ট্রাইবুনাল গঠন নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে তাতে কর্ণপাত করেনি রাজ্য। বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বেঞ্চের বক্তব্য, ‘‘রাজ্য সরকার ট্রাইবুনালের চেয়ারপার্সন নিয়োগ করলেও বিচার বিভাগীয় ও টেকনিক্যাল স্টাফদের নিয়োগ এখনও করেনি, যার ফলে ট্রাইবুনাল কার্যকর করা যাচ্ছে না।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: মেডিক্যাল কলেজে কায়েম ‘থ্রেট কালচার’, জানুন এই সংস্কৃতি সম্পর্কে

    RG Kar Protest: মেডিক্যাল কলেজে কায়েম ‘থ্রেট কালচার’, জানুন এই সংস্কৃতি সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Protest) পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তার মধ্যে একটা দাবি একটু অন্য রকম। সেটা হল ‘থ্রেট কালচার’ (Threat Culture) শেষ করতে হবে। বন্ধ করতে হবে ‘দাদাগিরি’। আন্দোলনকারীদের এই দাবি থেকেই স্পষ্ট, রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে দিব্যি চলছে ‘থ্রেট কালচার’, ‘দাদাগিরি’।

    ‘থ্রেট কালচার’ (RG Kar Protest)

    এই কালচারের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সকলরেই মাথায় রয়েছে শাসক দলের ছাতা। যে কারণে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা, মেদিনীপুর সর্বত্রই চলছে তৃণমূলের চিকিৎসক সংগঠনের ছত্রছায়ায় থাকা কোনও কোনও ‘দাদা’র দাদাগিরি। এই ‘দাদা’রা আবার নাড়া বেঁধে রেখেছেন তৃণমূলের ওপরতলার কোনও চিকিৎসক নেতার কাছে। তার জেরে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে কায়েম রয়েছে ‘থ্রেট কালচার’।

    তৃণমূল জমানায় জন্ম

    এবং এই সংস্কৃতি শুরু হয়েছে তৃণমূল জমানায়। ডাক্তারি পড়ুয়াদের একটা বড় অংশের দাবি, ২০২০-২১ সাল থেকে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে মাথা তুলতে শুরু করে থ্রেট কালচার। আনুগত্য লাভের ইচ্ছে, জুনিয়রদের কাছে সমীহ আদায় করা এবং নিজেকে কেউকেটা বলে জাহির করার উদ্দেশ্যেই এই সংস্কৃতির জন্ম। কৌশলে শাসকদলের সংগঠন বাড়ানো এবং তোলাবাজিও এই দাদারা করত বলে অভিযোগ। কখনও হুমকি (RG Kar Protest) দিয়ে তোলা আদায়, কখনও আবার অন্য কোনও কৌশলে টাকা আদায় করে এই স্বঘোষিত ‘দাদা’রা।

    আরও পড়ুন: উঠল ধর্না, শুক্রবার মিছিল, শনি থেকে জরুরি পরিষেবায় জুনিয়র ডাক্তাররা

    জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, দাদারা যাঁদের আনুগত্য আদায় করতে পারত না, তাঁদের প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হত। ফল রিভিউ করার সুযোগও নেই। ইন্টার্নশিপ করার সময় বিভিন্নভাবে সমস্যার সৃষ্টি করা হত। ইন্টার্নশিপের শংসাপত্র দেওয়া হত না। যে সিনিয়র ডাক্তারের অধীনে ওই জুনিয়র ডাক্তার ইন্টার্নশিপ করতেন, তাঁকেও হুমকি দেওয়া হত। আর যাঁরা দাদার আনুগত্য লাভ করতেন, ডিগ্রি পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতেন তাঁরা। ফলে পড়াশোনা করার চেয়ে তাঁরা বেশি ব্যস্ত থাকেন দাদাদের চামচামি করতেই।

    চিকিৎসক দ্বৈপায়ন মজুমদার বলেন, “মেডিক্যাল কলেজগুলিতে দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়াটা থ্রেট কালচার জাঁকিয়ে বসার কারণ। নির্বাচন না হওয়ায় কারও দায়িত্ব নেই। অথচ সকলে দায়িত্বহীন ক্ষমতা ভোগ করতে চাইতেন (Threat Culture)। তাই হুমকি দিয়ে কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টা করা হত (RG Kar Protest)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC: ব্যবসায়ীকে অপহরণ! সিআইডির হাতে গ্রেফতার বারাসতের তৃণমূল কাউন্সিলর

    TMC: ব্যবসায়ীকে অপহরণ! সিআইডির হাতে গ্রেফতার বারাসতের তৃণমূল কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরার এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে, দু’দফায় ন’কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল এক তৃণমূল নেতাকে (TMC)। জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া ওই তৃণমূল নেতার নাম মিলন সর্দার। তিনি বারাসত (Barasat) পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। আর্থিক প্রতারণা এবং অপহরণের মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। জানা গিয়েছে, ত্রিপুরার বাসিন্দা দেবব্রত দে বর্তমানে উত্তর ২৪ পরগনাতেই থাকেন। তাঁকেই কিডন্যাপ করার অভিযোগ রয়েছে মিলনের বিরুদ্ধে। 

    আটকে রাখা হয় বারাসতের একটি ফ্ল্যাটে (TMC)

    মোটা অঙ্কের মুক্তিপণের জন্যই ওই ব্যাবসায়ীকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই কাজে মিলন (TMC) নামায় তাঁর শাগরেদদের। মিলনের পরিকল্পনা অনুযায়ীই, বারাসতে (Barasat) আটকে রাখা হয়েছিল খড়দা থানা এলাকার ওই ব্যবসায়ীকে। প্রথম দফায় মুক্তিপণ হিসেবে ব্যবসায়ীর কাছে নেওয়া হয় ৬ কোটি টাকা, পরবর্তীকালে আরও তিন কোটি টাকা নেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার ব্যবসায়ী দেবব্রত দে’কে বারাসতের একটি পার্কিং লট থেকে অপহরণ করা হয়। সেখানে এক আবাসনে তাঁর পরিচিতের বাড়িতে গিয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ী। ঘটনার দিন মিলনের শাগরেদরা অস্ত্র দেখিয়ে তাঁকে সেখান থেকে জোর করে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। এরপরে তাঁকে আটক করে রাখা হয় বারাসাতের একটি ফ্ল্যাটে।

    উদ্ধার করে সিআইডি

    প্রথমে ঘটনার তদন্ত শুরু করে খড়দা থানা। পরে দায়িত্বভার গ্রহণ করে সিআইডি। তদন্ত শুরু করার পরেই, একদিনের মাথায় সিআইডির স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের গোয়েন্দাদের একটি দল, বারাসতের সেই আবাসনে পৌঁছে যায়। যেখানে দেবব্রত বাবুকে অপহরণ করে রাখা হয়েছিল। সেখানে তাঁরা ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেন এবং ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয় ছয় জনকে। এরা প্রত্যেকেই মিলনের (TMC) শাগরেদ বলে পরিচিত। জানা গিয়েছে, ধৃতদের বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। জানা যাচ্ছে গ্রেফতার হওয়া ওই দুষ্কৃতীদের মধ্যে একজন প্রাক্তন পুলিশ কর্মী। ধৃতদের জেরা করেই মলনের নাম উঠে আসে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: উঠল ধর্না, শুক্রবার মিছিল, শনি থেকে জরুরি পরিষেবায় জুনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar Protest: উঠল ধর্না, শুক্রবার মিছিল, শনি থেকে জরুরি পরিষেবায় জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১১ দিনের মাথায় ধর্না প্রত্যাহার করতে চলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar Protest)। আজ, শুক্রবারই উঠে যাচ্ছে ধর্না। এদিন স্বাস্থ্য ভবন থেকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স পর্যন্ত বিকেল তিনটের সময় মিছিল করবেন তাঁরা (Junior Doctors)। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে উঠে যাবে ধর্না। শনিবার থেকে জরুরি পরিষেবায় যোগ দেবেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তবে, জরুরি পরিষেবায় যোগ দিলেও ওপিডি-কোল্ড ওটি’র ক্ষেত্রে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে বলে এদিন স্পষ্টতই জানিয়ে দেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। একইসঙ্গে ফের দেওয়া হয়েছে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারিও।

    কী বলছেন চিকিৎসকরা? (RG Kar Protest)

    আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা বলেন, “আংশিক জয়ের জন্য শনিবার থেকে আমরা কাজে যোগ দিচ্ছি। আমাদের লড়াই শেষ হয়নি। আংশিকভাবে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের মাধ্যমে সদিচ্ছা যে আছে, তা দেখাতে চাইছি। তবে এই লড়াই জারি থাকবে। স্বাস্থ্য সচিবের পদত্যাগ নিয়ে সময় চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আমরা নজর রাখছি।” তাঁরা বলেন, “সিবিআইয়ের কাছে আমাদের কণ্ঠস্বর পৌঁছে দেওয়ার জন্য আপনাদের সকলকে আহ্বান জানাচ্ছি। আগামীকাল থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় আমরা পৌঁছে যাব। আমাদের আন্দোলন যে সাধারণ মানুষের আন্দোলন, তা প্রমাণে বন্যা কবলিত এলাকায় ক্লিনিক খোলা হবে। আমরা যে রাজনীতি করতে আসিনি, ন্যায় বিচারের জন্য এসেছি, তা প্রমাণেই এই সিদ্ধান্ত।”

    দাবি পূরণ না হলে…

    তবে দাবি পূরণ না হলে তাঁরা যে ফের পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাবেন (RG Kar Protest), তাও জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। বলেন, “জরুরি পরিষেবায় যোগ দিলেও ওপিডি-কোল্ড ওটি’র ক্ষেত্রে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। আমাদের সকল দাবি পূরণ না হলে আবার আমরা পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাব।” আন্দোলনকারীদের তরফে দেবাশিস হালদার বলেন, “আমরা শুক্রবার মিছিলের পর নিজের নিজের কলেজে ফিরে গিয়ে বিভাগ ভিত্তিক এসওপি তৈরি করব। যেখানে যেখানে খুব প্রয়োজন, সেগুলি চিহ্নিত করা হবে। শুধু সেই অতি প্রয়োজনীয় জায়গাগুলিতেই আমরা কাজে যোগ দেব। বাকি জায়গায় আমাদের কর্মবিরতি চলবে।” তিনিও বলেন, “প্রয়োজনে আমরা ফের পূর্ণ কর্মবিরতিতেও ফিরতে পারি।”

    আরও পড়ুন: নিলামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, রোজগারের টাকা ব্যয় হবে নমামি গঙ্গে প্রকল্পে

    প্রসঙ্গত, হাসপাতালে চিকিৎসক, চিকিৎসাকর্মীদের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের বিচার-সহ পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। বুধবার সেই দাবি নিয়েই নবান্নে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছিলেন তাঁরা হতাশ। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকে চিঠি দেন মুখ্যসচিব। হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন ও চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুচ্ছ পদক্ষেপ করে রাজ্য সরকার। তার পরেই কাটে জট। জানা যায় জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors) সিদ্ধান্তের কথা (RG Kar Protest)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নিলামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, রোজগারের টাকা ব্যয় হবে নমামি গঙ্গে প্রকল্পে

    PM Modi: নিলামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, রোজগারের টাকা ব্যয় হবে নমামি গঙ্গে প্রকল্পে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশ থেকে বিভিন্ন উপহার বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে। তার জেরে জেলও খেটেছেন তিনি। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) প্রতিবার পাওয়া উপহার নিলামে তোলেন। সেই টাকা দান করে দেন দেশের কল্যাণমূলক কাজে।

    নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের তহবিলে দান (PM Modi)

    এবার যেমন ‘নমামি গঙ্গে’ (Namami Gange Project) প্রকল্পের তহবিলে দান করবেন নিলাম বাবদ রোজগারের টাকা। বৃহস্পতিবার একথা জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তিনি বলেন, “প্রতি বছরই বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সভায় পাওয়া স্মারকগুলি নিলামে তুলি। সেই অর্থ নমামি গঙ্গে প্রকল্পে দান করা হয়। আপনাদের জানাই, এ বছরের নিলাম শুরু হয়ে গিয়েছে। যে স্মারকটি আপনার পছন্দ, সেটি বেছে নিন।” প্রসঙ্গত, নিলাম শুরু হয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে। চলবে ২ অক্টোবর পর্যন্ত।

    কী কী বিক্রি হচ্ছে?

    জানা গিয়েছে, এবার ৬০০-রও বেশি স্মারক (PM Modi) রয়েছে। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে উপহার স্বরূপ এগুলি পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ভাস্কর্য, চিত্র, দেশীয় শিল্পনিদর্শন, তেমনি রয়েছে ২০২৪ সালের প্যারা অলিম্পিকের বিভিন্ন স্মারকও। অযোধ্যার রাম মন্দিরের রেপ্লিকাও রয়েছে। রয়েছে দ্বারকার দ্বারকাধীশের প্রতিমূর্তিও। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে নাম নথিভুক্ত করে যে কেউ এগুলি সংগ্রহ করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিংহ শেখাওয়াত বলেন, “এই উদ্যোগ ইতিহাসকে আরও আপন করে নিতে মানুষকে উদ্ধুদ্ধ করবে। সেই সঙ্গে তাঁরা এই মহৎ উদ্যোগেও শামিল হতে পারবেন।”

    আরও পড়ুন: “৩৭০ ধারা নিয়ে কংগ্রেস-এনসি জোট একই পৃষ্ঠায়”, পাক মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

    মিশন গঙ্গা মোদি জমানায় নাম বদলে হয় নমামি গঙ্গে। এই প্রকল্পে ইতিমধ্যেই খরচ হয়ে গিয়েছে বরাদ্দকৃত ২০ হাজার কোটি টাকার অর্ধেকেরও বেশি। নিলাম থেকে সংগৃহীত অর্থও এবার যোগ হবে এই খাতে। ই-নিলামের এই ব্যবস্থা চালু হয় মোদি জমানায়ই, ২০১৯ সালে। ইতিমধ্যেই নিলাম হয়েছে পাঁচবার। আয় হয়েছে ৫০ কোটিরও বেশি (Namami Gange Project) টাকা। এই টাকার পুরোটাই খরচ হয়েছে দেশের কল্যাণে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hospital: আরজি কর তৈরির জন্য ভিক্ষা করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর

    RG Kar Hospital: আরজি কর তৈরির জন্য ভিক্ষা করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর

    হরিহর ঘোষাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (RG Kar Hospital) ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় এখন সারা বাংলা-তথা দেশ তোলপাড়। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ পথে নেমে এর সুবিচারের দাবি জানাচ্ছেন। কিন্তু, এই হাসপাতালের সৃষ্টি এবং স্রষ্টার ইতিহাস জানেন কি? সম্পূর্ণ কাহিনি শুনলে অবাক হবেন। জানা যায়, এই হাসপাতাল তৈরি করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর।

    কে এই রাধাগোবিন্দ কর? (RG Kar Hospital)

    বেলগাছিয়া (Kolkata) থেকে দমদম বাড়ি বাড়ি সাইকেল চালিয়ে ঘুরে বেড়াতেন এক ডাক্তার। মাথায় একটা টুপি আর সাইকেলে ঝোলানো ক্যামবিসের ব্যাগ। রোগী দেখাই শেষ নয়, নানা ভাবে সহযোগিতা এমনকী ওষুধ কেনার পয়সাও দিচ্ছেন তিনি। সেই ডাক্তারবাবুর নাম রাধাগোবিন্দ কর। আরজি  কর হাসপাতালের (RG Kar Hospital) স্রষ্টা তিনি। সারা বাংলার মানুষের চিকিৎসার সুবিধার্থে একজন ডাক্তার সারাটা জীবন লড়াই করেছেন। হাওড়া জেলার রামরাজাতলা স্টেশন থেকে সামান্য দূরত্বে বেতড়ের বিখ্যাত কর বাড়ি তাঁর জন্মভিটে। ১৮৫০ সালের ২৩ অগাস্ট তাঁর জন্ম। জানা যায়, বাবা দুর্গাদাস কর ছিলেন অবিভক্ত বাংলায় মেডিক্যাল অফিসার। তিনি ঢাকা মিডফোর্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর রাধাগোবিন্দ কর কলকাতার হেয়ার স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করার পর চিকিৎসা বিজ্ঞানের পাঠ গ্রহণের জন্য ১৮৮০ সালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন। ১৮৮৩ সালে ডাক্তারি পড়তে কলকাতা ছেড়ে স্কটল্যান্ডে পাড়ি দেন তিনি। ১৮৮৭ সালে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিদ্যার শ্রেষ্ঠ অলংকারে ভূষিত হলেন তিনি। এমআরসিপি হয়ে বিদেশে ডাক্তারি করার সুযোগ থাকলেও তিনি ফিরে এলেন এই বাংলায়। একজন বিলেত ফেরত ডাক্তার হয়ে বাংলার অসহায় গরিব মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।

    হাসপাতাল তৈরির জন্যে ভিক্ষা!

    এদেশের মানুষের জন্য একটি হাসপাতাল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন রাধাগোবিন্দ কর। হাসপাতালের অর্থ সংগ্রহ করতে সে সময় এই বিলেত ফেরত ডাক্তার ভিক্ষা পর্যন্ত করেছেন। তখনকার দিনে কলকাতার বড়লোকদের কাছে হাত পেতে ভিক্ষা করেছেন। বড়লোক বাড়িতে কোনও আনন্দ-অনুষ্ঠান হলে সেই বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন, হাত পেতে ভিক্ষা চাইতেন তিনি। চিকিৎসক হিসেবে অর্জিত অর্থের সমস্তটাই দান করে গিয়েছেন মেডিক্যাল স্কুল ও হাসপাতাল স্থাপনে।

    আরজি কর হাসপাতাল তৈরির আদি কথা

    ১৮৯৮ সালে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে বেলগাছিয়ায় ১২ বিঘে জমি কিনে নেন রাধাগোবিন্দ কর। এরপর সেখানেই ৭০ হাজার টাকা খরচ করে গড়ে তোলেন হাসপাতাল (RG Kar Hospital)। ঠিকানা, ১ নম্বর বেলগাছিয়া রোড। শয্যাসংখ্যা ৩০। হাসপাতাল পরিদর্শন করতে এসে প্রিন্স অ্যালবার্ট ভিক্টর দান করেন ১৮ হাজার টাকা। এই বিপুল পরিমাণ টাকা সাহায্য করার জন্য হাসপাতালের নাম রাখা হয় ‘অ্যালবার্ট ভিক্টর হাসপাতাল’। ১৯০৪ সালে এই হাসপাতালের সঙ্গে মিশে যায় কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জেনস অব বেঙ্গল। তারও ১০ বছর পর মেলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন। তখন নামকরণ হয় বেলগাছিয়া মেডিক্যাল কলেজ। ১৯১৬ সালের ৫ জুলাই সেই কলেজের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করেন লর্ড কারমাইকেল। তাই তাঁর সম্মানে আবারও বদলে যায় এই চিকিৎসা কেন্দ্রের নাম। দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত নাম ছিল কারমাইকেল। ১৯১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৬৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাধাগোবিন্দ কর। মৃত্যুর সময় তাঁর নিজস্ব সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। শুধু ছিল বেলগাছিয়ায় তাঁর একটি বাড়ি। সেই বাড়িটিও তিনি উইল করে দিয়ে যান এই মেডিক্যাল কলেজের নামে। পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের উদ্যোগে রাধাগোবিন্দ করের নামেই কলেজের নাম রাখা হয় ‘আরজি কর’। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৫৮ সালের ১২ মে এটি গ্রহণ করে।

    রাধাগোবিন্দ কর ও নিবেদিতা

    ১৮৯৯ সালে কলকাতা জুড়ে প্লেগ মহামারির আকার নেয়। সেই সময়ে উত্তর কলকাতার অলিতে গলিতে ঘুরে রোগীদের সেবা করছেন ভগিনী নিবেদিতা। আর বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর সাইকেলে করে এলাকা চষে বেড়ান। বেশিরভাগ রোগীই গরিব। পথ্য কেনারই পয়সা নেই, তার ওপর আবার ডাক্তাবের ফিস। রোগী দেখার সঙ্গে সঙ্গে দরকার হলে রোগীদের পথ্য কেনার টাকাও দিচ্ছেন বিলেত ফেরত ডাক্তারবাবু। এর কিছুদিন পরই নিবেদিতার সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। প্লেগ সংক্রমণ রুখতে এবং মৃত্যুর হার কমাতে দু’জনে মিলে একসঙ্গে কাজ করেছেন তাঁরা। ডাক্তারি পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাতে চিকিৎসা শাস্ত্রের ওপর একাধিক বইও লিখেছেন। যা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

    এখন আরজি কর হাসপাতাল

    বর্তমানে ১৫ একর জুড়ে বিস্তৃত ১২১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল (RG Kar Hospital) কমপ্লেক্সে ১০টি ভবন এবং সাতটি হস্টেল রয়েছে। ২০১৫ সালে শতবর্ষ উদযাপনের সূচনা উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা বলেন, এই মেডিক্যাল কলেজকে এক সময় অনেকে অবজ্ঞা করত। কারণ, তখন বেলগাছিয়াকে কলকাতা শহরের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হত না। তাই, এই মেডিক্যাল কলেজকে খালের কলেজ বলা হত। জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালে এমবিবিএস, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট করা হয়। বিএসসি নার্সিং, প্যারামেডিক্যাল শাখায় আরও কয়েকটি কোর্সের জন্য আসন রয়েছে। বিলেত থেকে ফিরে এদেশের মানুষের জন্য যে হাসপাতাল তৈরির চারাগাছ তিনি লাগিয়েছিলেন, আজ তা বটবৃক্ষে পরিণত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gurpatwant Pannun: পান্নুন খুনের ষড়যন্ত্রে ভারতের বিরুদ্ধে সমন, কী বলল নয়াদিল্লি?

    Gurpatwant Pannun: পান্নুন খুনের ষড়যন্ত্রে ভারতের বিরুদ্ধে সমন, কী বলল নয়াদিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ সেপ্টেম্বর তিন দিনের আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (India)। তার আগে শিখ ফর জাস্টিসের নেতা গুরুপন্ত সিং পান্নুনকে (Gurpatwant Pannun) খুনের চেষ্টার ষড়যন্ত্র মামলায় ভারত সরকারের বিরুদ্ধে সমন জারি প্রসঙ্গে মন্তব্য করলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি।

    ভারত সরকারের নামে সমন জারি (Gurpatwant Pannun)

    আমেরিকার একটি আদালত ভারত সরকারের নামে সমন জারি করেছে। এই সমনে নাম রয়েছে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, র-এর প্রাক্তন প্রধান সামন্ত গোয়েল, এজেন্ট বিক্রম যাদব ও ব্যবসায়ী নিখিল গুপ্তার। ভারতের বিদেশ সচিব বলেন, “এই বিষয়টি প্রথমবার ভারতের নজরে আসার পর কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছিল। উচ্চ পর্যায়ের কমিটি দ্বারা অভিযোগগুলির তদন্ত করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “উভয় পক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে যুক্ত রয়েছে।” বিদেশ সচিব বলেন, “সম্প্রতি দায়ের করা মামলাগুলি পুরোপুরি অযৌক্তিক। অভিযোগও ভিত্তিহীন। মামলা দায়ের করা হলেও, এতে আমাদের মূল অবস্থানের প্রতি কোনও প্রভাব পড়বে না।”

    আরও পড়ুন: “৩৭০ ধারা নিয়ে কংগ্রেস-এনসি জোট একই পৃষ্ঠায়”, পাক মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

    নিষিদ্ধ শিখ ফর জাস্টিস

    ভারতে নিষিদ্ধ শিখ ফর জাস্টিস (Gurpatwant Pannun)। এর প্রতিষ্ঠাতা খালিস্তানপন্থী জঙ্গি পান্নুন। মিশ্রি বলেন, “এই মামলার পেছনে রয়েছে ব্যক্তির অতীত পরিচিতি। কারণ তিনি আগেও বহুবার ভারত বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “এটি (শিখ ফর জাস্টিস) একটি বেআইনি সংগঠন। এই সংগঠনকে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন ১৯৬৭-এর অধীনে বেআইনি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ এটি দেশ বিরোধী ও ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে জড়িত।” বিদেশ সচিব বলেন, “শিখ ফর জাস্টিসের উদ্দেশ্য হল ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা বিঘ্নিত করা।”

    প্রসঙ্গত, খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনকে হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত নিখিল গুপ্তা। ২০২৩ সাল থেকেই চেক প্রজাতন্ত্রের জেলে বন্দি ছিলেন তিনি। এই নিখিলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় নিখিলকে তাদের দেশে নিয়ে গিয়ে বিচার করতে চেয়েছিল আমেরিকা। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের জন্য বরাত দেওয়ার ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে মার্কিন আদালতে। ভারত (India) সরকারের একটি এজেন্সির আধিকারিকের নির্দেশেই নিখিল এই কাজ করেন বলে অভিযোগ (Gurpatwant Pannun)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share