Tag: Bengali news

Bengali news

  • Kamala Harris: প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আত্মবিশ্বাসী কমলা! উৎসবের প্রস্তুতি শুরু তামিলনাড়ুতে

    Kamala Harris: প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আত্মবিশ্বাসী কমলা! উৎসবের প্রস্তুতি শুরু তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চড়ছিল উত্তেজনা। কে হতে চলেছেন ডেমোক্র্যাটদের তরফে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, রবিবার থেকেই এ সব নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড় থেকে জো বাইডেন সরে দাঁড়ানোয় ডেমোক্র্যাট শিবিরের নতুন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে তিনি প্রস্তাব করেছেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নাম। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী (Us President Candidate) হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন অর্জন করে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে বলেন, ”আমাদের দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সমর্থন অর্জন করতে পেরে আমি গর্বিত।” 

    কমলা হ্যারিসের প্রতিশ্রুতি (Kamala Harris) 

    কমলা হ্যারিসের নাম দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনায় উঠে আসছিল। অবশেষে এই নিয়ে মুখ খুললেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন রাজনীতিবিদ। তাঁর প্রতিশ্রুতি, ”আগামী কয়েকমাসের মধ্যে আমেরিকার বিভিন্ন শহরে পৌঁছে যাব। সকলের সঙ্গে কথা বলব। দল এবং দেশকে এককাট্টা করতে উদ্যোগ নেব। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করবই।” 

    আরও পড়ুন: প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের রফতানি ছাড়াল ২০০ বিলিয়ন! ৮০০ বিলিয়ন বার্ষিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে আত্মবিশ্বাসী সরকার

    কমলার জন্য তামিলনাড়ুতে শুরু উৎসব 

    যদিও দলের তরফে এখনও পর্যন্ত সিলমোহর পড়েনি, তবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলার (Kamala Harris) ‘দেশের বাড়ি’ তামিলনাড়ুর তুলাসেন্দ্রপুরমে বাঁধ ভাঙতে শুরু করেছে উচ্ছ্বাস। বাইডেনের সরে দাঁড়ানো ও কমলার নাম প্রস্তাব হতেই ওয়াশিংটন থেকে প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরের এই প্রত্যন্ত গ্রাম কোমর বাঁধছে আসন্ন ‘উৎসবের’ জন্য। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, যদি কমলা নির্বাচনে জিতে যান এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (Us President Candidate) হন, তা হলে আরও বড় করে উদ্‌যাপন করা হবে। 
    উল্লেখ্য, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলার দাদুর জন্ম এই গ্রামে। কমলার (Kamala Harris) যখন পাঁচ বছর বয়স, তখন এক বার এই গ্রামে এসেছিলেন তিনি। দাদুর হাত ধরে ঘুরেছেন চেন্নাইয়ের সমুদ্র সৈকতেও। যদিও আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি আর এই গ্রামে পা রাখেননি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’! স্কুলের জায়গা ভাড়া দিয়ে নেওয়া হচ্ছে তোলা, বিপাকে পড়ুয়ারা

    South 24 Parganas: তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’! স্কুলের জায়গা ভাড়া দিয়ে নেওয়া হচ্ছে তোলা, বিপাকে পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আড়িয়াদহ, সোনারপুরের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) পাথরপ্রতিমায় তৃণমূল নেতার দাদাগিরি। স্কুলের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে বিল্ডারকে ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, পড়ুয়াদের সাইকেল রাখার জায়গায় কেন বালি-স্টোনচিপ, সিমেন্ট রাখা হচ্ছে?

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    জানা গিয়েছে,পাথরপ্রতিমা (South 24 Parganas) ব্লকের দক্ষিণ কাশিনগর হাইস্কুলে প্রায় হাজারের ওপরে ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা সাইকেল রাখার জায়গা না পেয়ে প্রতিনিয়ত রাস্তার ধারে সাইকেল রেখে ক্লাস করে। এই নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় বিভিন্ন গাড়িচালক থেকে শুরু করে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের। কিন্তু, সেই স্কুলের জায়গায় তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সদস্য স্বপন কুমার মান্না নিজের প্রভাব খাটিয়ে দখল করে ভাড়া দিয়েছেন এক ব্যবসায়ীকে। স্কুলের জায়গায় রাখা হচ্ছে, বালি, ইট, স্টোন। শিক্ষাক্ষেত্র থেকে শুরু করে সরকারি জায়গা, সমস্ত স্তরেই চলে শাসক দলের দাদাগিরি। একদিকে যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সরকারি জমি দখল মুক্ত করার নির্দেশ দিচ্ছেন, তখনই শিক্ষাক্ষেত্রে ক্ষমতা দেখিয়ে স্কুলের জায়গা ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠল তাঁরই দলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত তৃণমূলের (Trinamool Congress) পঞ্চায়েত সদস্য তথা স্কুল কমিটির সদস্য স্বপন কুমার মান্নাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি।

    আরও পড়ুন: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

    প্রধান শিক্ষক কী বললেন?

     এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক (South 24 Parganas) সুশান্ত কুমার মণ্ডল বলেন, আমার অজান্তেই এসব কাজ হচ্ছে, টাকা নেওয়ার কথা আমি জানি না। তবে, এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই বিষয় নিয়ে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির কনভেনার অরুনাভ দাস বলেন, শাসক দল শিক্ষাক্ষেত্র থেকে শুরু করে সমস্ত কিছুতেই দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছে। টাকার বিনিময়ে স্কুলের জায়গা ভাড়া দিয়েছে, এটাই স্বাভাবিক। কোন দিন দেখা যাবে ওই জায়গা বিক্রিও করে দিয়েছে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mashco Piro: সভ্যতার আলো এখনও পৌঁছায়নি ‘মাশকো পিরো’ উপজাতির কাছে, এই প্রথম ছবি প্রকাশ্যে এলো

    Mashco Piro: সভ্যতার আলো এখনও পৌঁছায়নি ‘মাশকো পিরো’ উপজাতির কাছে, এই প্রথম ছবি প্রকাশ্যে এলো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর প্রায় সকল আদিম উপজাতিগুলি সভ্যতার স্পর্শ পেয়েছে। কিন্তু আন্দামানের জারোয়াদের মতো বেশ কিছু উপজাতি এখনও সভ্যতার আলো থেকে দূরেই থাকতে চায়। ঠিক এমন একটি উপজাতি হল পেরুর আমাজন জঙ্গলের গভীরে বসবাসকারী ‘মাশকো পিরো’ (Mashco Piro)। ইতিপূর্বে আগে কোনও দিন তাদের ছবি তোলা যায়নি। তারা হল সভ্যতার সঙ্গে বিছিন্ন সব থেকে বড় উপজাতি গোষ্ঠী। বর্তমান সময়ে ‘সারভাইভাল ইন্টারন্যাশনাল’ নামে এক আদিবাসী অধিকার গোষ্ঠীর ক্যামেরায় এই লোকজনদের বিরল ছবি ধরা পড়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি নদীর তীরে ঘোরফেরা করছে তারা।

    কেন অস্তিত্ব সঙ্কটে (Mashco Piro)?

    এই ছবিকে ঘিরে আদিবাসী (Tribe) অধিকার গোষ্ঠীর কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ছবির মধ্যে দিয়ে এই মাশকো পিরো উপজাতিদের (Mashco Piro) শরীর এবং স্বাস্থ্য কতটা সুস্থ, তা নিয়ে একটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের জঙ্গলের বাইরে বেরিয়ে আসার কারণ হিসাবে মনে করা হচ্ছে, এলাকায় অধিক পরিমাণে গাছ কাটা। নিজেদের ঘরবাড়ি, ভিটে-মাটি ছেড়ে দূরে সরে চলে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে এই উপজাতির লোকজনকে। খাদ্য এবং নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য তাদের বার বার স্থান পরিবর্তন করতে হচ্ছে। ফলে তাদের স্বাস্থ্যের ওপর দারুণ প্রভাব পড়েছে। ‘সারভাইভাল ইন্টারন্যাশনাল’ জানিয়েছে যে এই ছবিগুলি এই বছরের জুন মাসে তোলা হয়েছিল। স্থানটি হল ব্রাজিলের সীমান্তবর্তী দক্ষিণ-পূর্ব পেরুর মাদ্রে দি দিওসের একটি নদীর তীর। এই সংস্থার নির্দেশক ক্যারোলিন পিয়ার্স বলেছেন, “এই উপজাতি হল মাশকো পিরো, তারা এখনও সভ্যতার আলো থেকে বঞ্চিত। যেখানে এই ছবি তোলা হয়েছে সেখানেই দেখা গিয়েছে পাশে গাছ কাটা চলছে। আর এই জন্য তাদের বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে। অবশ্য এই ছবি তোলার আগে ৫০ জনের একটি দলকে ইয়িন উপজাতির একটি গ্রামের কাছে দেখা গিয়েছিল। ১৭ জনের আরও একটি দলকে দেখা গিয়েছিল পুয়ের্তো নুয়েভোর নিকটবর্তী এক গ্রামে।”

    আরও পড়ুনঃ অশান্তি আটকাতে আরও কঠোর হবে বাংলাদেশ সরকার, জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    ৫৩০০০ হেক্টর জঙ্গলে গাছ কাটার ছাড়পত্র

    অনেক আগে থেকেই মাদ্রে দি দিওসের দুটি সংরক্ষিত জঙ্গলের মধ্যে মাশকো পিরো (Mashco Piro) বসবাস করে থাকে। কিন্তু এই জঙ্গলগুলিতে কাঠ কাটার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। কাঠ বহনের জন্য ট্র্যাক চলাচলের নিমিত্ত ২০০ কিমি রাস্তাও নির্মিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মাদ্রে দি দিওসের ৫৩০০০ হেক্টর জঙ্গলে, সেডার, মেহগিনি কাঠ কাটার জন্য ছাড়পত্র দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এরফলেই এই ‘মাশকো পিরো’-দের (Mashco Piro) ওপর সঙ্কট তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই উপজাতিরা (Tribe) বাইরের লোক দেখলেই পালিয়ে যায়, তাই তাদের এতদিন পর্যন্ত কোনও ছবি তোলা সম্ভবপর হয়নি।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Goa Beyond Beaches: শুধু সৈকত নয়, রাজ্যের অন্যত্রও পর্যটন টানতে উদ্যোগী গোয়া সরকার

    Goa Beyond Beaches: শুধু সৈকত নয়, রাজ্যের অন্যত্রও পর্যটন টানতে উদ্যোগী গোয়া সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীল জলের সমুদ্রের সৈকত ও ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপত্যের বাইরেও গোয়ার নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। গোয়ার আসল পরিচয় তার কৃষ্টি সংস্কৃতিকে, জীব বৈচিত্র । গোয়া এই দিকটিকেই এবার পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে চাইছে গোয়া সরকার। গোয়ার পর্যটন (Goa Tourism) বিভাগের তরফে “গোয়া বিয়ন্ড বিচেস” (Goa Beyond Beaches) নামে একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগের লক্ষ্য গোয়ার বিচ, পানিয়ের ঠেক এবং ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপত্যের বাইরেও গোয়ার মানুষের জীবনযাত্রা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং বন্যজীবন পর্যটকদের কাছে তুলে ধরা।

    গোয়ায় হোমস্টে তৈরিতে আর্থিক সহযোগ  

    সপ্তাহান্তে এবং বিশেষ বিশেষ সময় গোয়ার বিচগুলিতে গিজগিজ করে মানুষের কালো মাথায়। অথচ গোয়ার অনেক দর্শনীয় স্থল রয়েছে, যেগুলি যথেষ্ট আকর্ষণীয় হলেও সেগুলি ততটা জনপ্রিয় হয়নি। গো যত ভিড়, সমুদ্রের পারে। গোয়ার পর্যটন বিভাগের আধিকারিক দীপক নাভরেকর বলেন, “আমরা চাইছি, গোয়ার আসল সৌন্দর্য পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে। গোয়া মানে শুধুমাত্র সমুদ্রের পাড় নয়, গোয়ার কৃষ্টি, সংস্কৃতি, গোয়ার মানুষের জীবন, গোয়ার বৈচিত্র আমরা পর্যটকদের কাছে তুলে ধরছি। এর জন্যই নতুন করে সরকারের তরফে (Goa Beyond Beaches) উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। “গোয়া বিয়ন্ড বিচেস’ খুব দ্রুত পর্যটকদের মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, গোয়ার পর্যটনস্থলের বাইরে যে সমস্ত জায়গায় সৌন্দর্য, কৃষ্টি-সংস্কৃতি রয়েছে, সেগুলি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরা। জানা গিয়েছে, গোয়ার বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ এলাকায় যারা হোমস্টে তৈরি করবেন, সরকার তাঁদের দুই লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য দেবে। মূলত অভ্যন্তরীণ এলাকা যেমন কানাকোনা, বিচোলিম, সাত্তারিকে জনপ্রিয় করে তোলার প্রাথমিক উদ্দেশ্য নিয়ে এগোচ্ছে গোয়ার পর্যটন বিভাগ (Goa Tourism)।

    গোয়ার অভয়ারণ্য (Goa Beyond Beaches)

    গোয়া মানেই দর্শকদের কাছে দক্ষিণ গোয়ার উপনিবেশিক আমলের স্থাপত্য এবং নর্থ গোয়ার আরব সাগরের নীল জলের  বিচার পাশে তিন তারা, পাঁচ তারা হোটেল আর সমুদ্রের পাড়ের বিচ স্যাক। সরকার চাইছে এই ধারণা ভেঙ্গে গোয়ার বন্যজীবন, গোয়ার গ্রামীণ কোঙ্কণী মানুষের জীবন এবং কৃষ্টি-সংস্কৃতি বিশ্বের কাছে তুলে ধরা। নীল জলের সমুদ্রের রাজ্যে বন্যপ্রাণী সাফারির কথা জানেনই না অনেক পর্যটক। গোয়াতে কোটিগাও, মাধেই, নেত্রভালি এবং সেলিম আলী বার্ড স্যাংচুয়ারি রয়েছে। এগুলি দর্শনীয় হলেও প্রচারের অভাবে সেভাবে দর্শক টানতে ব্যর্থ হয়। সরকার চাইছে এই সমস্ত জায়গাগুলিকে (Goa Beyond Beaches) জনপ্রিয় করে তুলতে। বিশেষ করে গোয়া কর্নাটকে সীমান্তের কোটিগাও অভয়ারণ্যে উড়ন্ত কাঠবিড়ালি, এশিয়ান ও ভারতীয় ভাম বিড়াল, মাউস ডিয়ার, স্লেন্ডার লরিস, নানান প্রজাতির হরিণ ও নানান ধরনের জীবজন্তু দেখার সুযোগ রয়েছে। একইভাবে মাধেই অভয়ারণ্যে নানান প্রজাতির হরিণ, গন্ধগোকুল, বন্য শুকর, কালো চিতাবাঘ দেখার সুযোগ রয়েছে। অথচ বেশিরভাগ পর্যটক গোয়ায় এসে সমুদ্রের পাড়ে সময় কাটিয়ে ফিরে যান। তাঁরা জানেনই না গোয়ার এই সকল অভয়ারণ্যের কথা।

    আরও পড়ূন: ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারে ১০ লাখ ডলার দেবে ভারত! ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    ডেস্টিনেশন ওয়েডিং-এর দায়িত্ব সরকারের (Goa Tourism)

    শুধুমাত্র সরকার এটুকুতেই সীমিত থাকতে চায় না। বিশেষ করে যারা ডেস্টিনেশন ওয়েডিং-এর জন্য গোয়ায় যেতে চান, তাঁদের জন্য সরকার এক নতুন ভাবনা নিয়ে এসেছে। সরাসরি গোয়ার পর্যটন বিভাগের কাছে আবেদন করলেই হবে। সরকারের তরফেই বাকি পরিষেবা দেওয়া হবে। বর্তমানে মধ্যবিত্তদের মধ্যেও ডেস্টিনেশন ওয়েডিং-এর আগ্রহ বেড়েছে। সরকার চাইছে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গোয়ার পর্যটনকে (Goa Tourism) এক অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: কৃষিক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ল বাজেটে, কত হল জানেন?

    Budget 2024: কৃষিক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ল বাজেটে, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারও বাজেটে (Budget 2024) কৃষিক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই পেশ হল তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ২০২৪-২৫ সালের বাজেটে কৃষি ও কৃষির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়িয়ে (Farm Allocation Hike) দেওয়া হল ১২ লাখ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ১.১৪ লাখ কোটি টাকা। চলতি অর্থবর্ষে সেটাই বেড়ে হল ১.৫২ লাখ কোটি টাকা।

    কী বললেন সীতারামন? (Budget 2024)

    বাজেট পেশ করে সীতারামন জানান, আগামী দু’বছরে সারা দেশে এক কোটি কৃষককে প্রাকৃতিক চাষে উৎসাহিত করা হবে। ডাল এবং তৈলবীজ উৎপাদনে স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রী জানান, সর্ষে, চিনাবাদাম, তিল এবং সয়াবিনের মতো তৈলবীজের জন্য আত্মনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, “এই বাজেটের (Budget 2024) ফোকাস হবে ১০৯টি নয়া উচ্চ ফলনশীল, ৩২টি ক্ষেত্রে জলবায়ু সহনশীল জাত এবং উদ্যান ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে গবেষণা ও জলবায়ু সহনশীল জাতগুলির বিকাশ।

    ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাকস্ট্রাকচার

    কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাকস্ট্রাকচার রূপায়নেও কাজ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বে কেন্দ্র কৃষক ও তাঁদের জমির রেকর্ডকে তিন বছরের মধ্যে এই পরিকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করতে সাহায্য করবে। এই ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাকস্ট্রাকচার ব্যবহার করে খারিফ শস্যের ক্ষেত্রে ডিজিটালি শস্য উৎপাদনের পরিমাণ সার্ভে করা হবে। দেশের ৪০০টি জেলায় এটা করা হবে। জমি রেজিস্ট্রিতে নিয়ে আসা হবে ছ’কোটি কৃষক এবং তাঁদের জমির যাবতীয় বিবরণ।

    আরও পড়ুন: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    এদিকে, ‘কিষান সম্মান নিধি’ প্রকল্পে বাড়ল অনুদানের পরিমাণও। এতদিন এই প্রকল্পে কৃষকরা পেতেন বছরে ৬ হাজার টাকা করে। দুহাজার টাকা বাড়ানোয় এবার থেকে তাঁরা পাবেন বার্ষিক ৮ হাজার টাকা করে। চারটি সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে এই অর্থ। ফান্ডিংয়ের গেরোয় পড়ে কৃষক যাতে বিপদে না পড়েন এবং তাঁদের আর্থিকভাবে সাবলম্বী করতে এই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রক সূত্রে খবর। এতদিন এই প্রকল্পের সুবিধা পেতেন ১৪ কোটি কৃষক। এবার বাড়ানো হয়েছে আরও দুকোটি। সব মিলিয়ে এবার থেকে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ১৬ কোটি কৃষক। কেন্দ্রীয় অনুদানের এই টাকা (Farm Allocation Hike) সরাসরি চলে আসবে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে (Budget 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: গরিব কল্যাণের বাজেট! গ্রামোন্নয়নে বরাদ্দ ২ লাখ ৬৬ হাজার কোটি

    Budget 2024: গরিব কল্যাণের বাজেট! গ্রামোন্নয়নে বরাদ্দ ২ লাখ ৬৬ হাজার কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হল মঙ্গলবার। এই বাজেটে (Budget 2024) গ্রামোন্নয়নের জন্য ২ লাখ ৬৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গ্রাম উন্নয়নের বিভিন্ন প্রকল্পে গ্রামীণ পরিকাঠামো নির্মাণে এই খরচ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গরিব কল্যাণের প্রতিফলনই ধরা পড়েছে এদিনের বাজেটে।

    আরও পড়ুন: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    ৮০ কোটি মানুষ পাবেন ৫ বছর পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন (Budget 2024)

    এর পাশাপাশি ‘প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা’ অর্থাৎ কিনা রেশন পুনরায় পাঁচ বছরের জন্য ফ্রি করা হয়েছে। ৮০ কোটি মানুষ ফের একবার পাঁচ বছরের জন্য বিনামূল্যে রেশন পেতে চলেছেন মোদি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী। এদিন সংসদে এমনটাই জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। এর পাশাপাশি ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ প্রকল্পে গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় তিন কোটি গরিব মানুষকে বাড়ি তৈরি করে (Budget 2024) দেবে সরকার। জানা গিয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’র এই পর্যায়ে ১০ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ করছে সরকার। 

    ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা’

    ‘প্রধানমন্ত্রী জনজাতি উন্নত গ্রাম অভিযান’ চালু করা হয়েছে ৬৩ হাজার গ্রামের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য। এর ফলে উপকৃত হবেন পাঁচ কোটিরও বেশি জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ। উপজাতি অধ্যুষিত জেলাগুলিতে এই যোজনা কাজ করবে। এর পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য চতুর্থ পর্যায়ে ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা’র কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে মোট ২৫,০০০ গ্রামীণ জনপদকে সংযুক্ত করবে সরকার। এদিনের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, ১ লাখ ৫২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের (Budget 2024) জন্য।

    আরও পড়ুন: জনমুখী বাজেট মোদি সরকারের! দাম কমছে ক্যান্সারের ওষুধ থেকে মোবাইলের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: সহকর্মীকে বেধড়ক মার পুলিশের! বিচার চেয়ে থানার সামনে অবস্থানে সিভিক ভলান্টিয়াররা

    Cooch Behar: সহকর্মীকে বেধড়ক মার পুলিশের! বিচার চেয়ে থানার সামনে অবস্থানে সিভিক ভলান্টিয়াররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের (Cooch Behar) পুন্ডিবাড়ি থানার পুলিশ আধিকারিকদের ‘দাদাগিরি’। কর্মরত এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে মারধর করার অভিযোগ উঠল সেই থানারই কর্তব্যরত এক পুলিশ আধিকারিক চন্দ্রনাথ বটব্যাল সহ দুজনের বিরুদ্ধে। ওই পুলিশ আধিকারিক থানার মেজবাবুর দায়িত্বে রয়েছেন। ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে থানার সামনে প্রকাশ্যে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। হামলার প্রতিবাদে অন্যান্য সিভিকররা আক্রান্ত সহকর্মীর সঙ্গে প্রতিবাদ আন্দোলনে সামিল হন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Cooch Behar)

    জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে একটি ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে যাওয়ার কথা ছিল পুন্ডিবাড়ি থানার (Cooch Behar) পুলিশের। সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer) সন্তোষ দাস বলেন, একজনকে গ্রেফতার করার জন্য সোমবার রাতে থানা থেকে বের হচ্ছিলাম। থানার লকআপ থেকে আসামীকে আমাদের সঙ্গে অভিযানে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। আমি আসামীকে আমাদের গাড়ির পরিবর্তে মেজবাবুর গাড়িতে তুলতে গিয়েছিলাম। এরপরই মেজবাবু আমার ওপর চড়াও হন। আমাকে থানার ভিতরে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। থানার মেজোবাবু সহ দুই জন আধিকারিক মিলে আমাকে মারধর করে এবং পুণ্ডিবাড়ি সরকারি হাসাপাতালে নিয়ে গিয়ে তাঁরা ডাক্তার’কে দিয়ে ভুয়ো রিপোর্ট তৈরি করেন। আমি নাকি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলাম। এটা একেবারে মিথ্যা। কোনও কারণ ছা়ড়াই আমার ওপর এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই আমরা আন্দোলন শুরু করেছি। এই থানায় অনেক সিভিক ভলান্টিয়ার আমার মতো নির্যাতনের শিকার। আমরা এই ঘটনার সুবিচাই চাই। পুলিশ আধিকারিকদের এই অত্যাচারের প্রতিবাদ জানাতে আমরা পুন্ডিবাড়ি থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছি। অন্য এক সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer) বলেন, থানার বড়বাবু গত একমাস ধরে নাইট ডিউটি দিচ্ছেন। পরিকল্পিতভাবে একটি জঙ্গলের মধ্যে ব্রিজে একা ডিউটি করতে পাঠাচ্ছেন। এসবই ইচ্ছাকৃত করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলছে। যদিও এই বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকরা কেউ মুখ খুলতে চাননি।

    আরও পড়ুন: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    Budget 2024: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মসংস্থান (Employment) নিয়ে বড় ঘোষণা তৃতীয় মোদি সরকারের বাজেটে (Budget 2024)। মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ঘোষণা করেন, এক মাসের বেতন দিয়ে আর্থিক সহায়তা থেকে শুরু করে উৎপাদন ক্ষেত্রে নয়া কর্মসংস্থান এবং ভাতারও। প্রধানমন্ত্রীর প্যাকেজের অংশ হিসেবেই সরকার রূপায়ন করবে এই তিন প্রকল্প। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, প্রকল্পগুলি কী কীঃ

    স্কিম এ – ফার্স্ট টাইমার’ (Budget 2024)

    ‘ফার্স্ট টাইমার’ স্কিমটি হল, প্রথমবার যাঁরা চাকরি করতে আসবেন, তাঁদের জন্য। এই প্রকল্প অনুযায়ী, ইপিএফওতে নাম নথিভুক্ত হলেই এক মাসের বেতন বাবদ ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। বেতনের ওই টাকা দেওয়া হবে তিনটি কিস্তিতে। প্রতি মাসে যাঁদের বেতন এক লাখ কিংবা এক লাখ টাকার মধ্যে, তাঁরাও সুবিধা পাবেন এই প্রকল্পের। এতে ২১০ লাখ যুবক উপকৃত হবেন বলে আশাবাদী কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

    স্কিম বি – উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান

    সীতারামন (Budget 2024) বলেন, এই স্কিমটি প্রথমবারের কর্মীদের কর্ম সংস্থানের সঙ্গে যুক্ত উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করবে। কর্মজীবনের প্রথম চার বছর তাঁদের ইপিএফও কন্ট্রিবিউশনের ক্ষেত্রে কর্মী এবং তাঁর নিয়োগ কর্তা দু’পক্ষকেই একটি নির্দিষ্ট স্কেলে ইনসেনটিভ দেওয়া হবে। সীতারামনের আশা, এই প্রকল্পে উপকৃত হবেন প্রথমবার চাকরিতে যোগ দেওয়া ৩০ লাখ যুবক ও তাঁদের নিয়োগ কর্তারা।

    আরও পড়ুন: নামমাত্র সুদে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ, বাজেটে বিশেষ ঘোষণা নির্মলার

    স্কিম সি – সাপোর্ট টু এমপ্লয়ার্স

    এটি একটি এমপ্লয়ার-ফোকাসড স্কিম। সমস্ত ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কর্মসংস্থানে সহায়তা করবে এই প্রকল্প। এই প্রকল্পে সমস্ত অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে, যাঁদের মাসিক বেতন এক লাখ টাকা কিংবা তার মধ্যে, তাঁরাই পাবেন এই প্রকল্পের সুবিধা। সরকার নিয়োগ কর্তাদের প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত দেবে। টাকা মিলবে দু’বছর পর্যন্ত। ইপিএফওতে তাঁদের কনট্রিবিউশনের জন্যই এই টাকাটা দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “এই স্কিম (Budget 2024) ৫০ লাখ মানুষের অতিরিক্ত কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।” দেশের তরুণ প্রজন্মকে কর্মদ্যোগী করাই অন্যতম মূল লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণেই পদক্ষেপ (Employment) কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 84: “আমি মুক্ত পুরুষ; সংসারেই থাকি বা অরণ্যেই থাকি, আমার বন্ধন কি?”

    Ramakrishna 84: “আমি মুক্ত পুরুষ; সংসারেই থাকি বা অরণ্যেই থাকি, আমার বন্ধন কি?”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ  কথোপকথন

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ত্রিভির্গুণয়ৈর্ভাবৈরেভিঃ সর্বমিদং জগৎ।

    মোহিততং নাভিজানাতি মামেভ্যঃ পরমব্যয়ম্‌।।

    (গীতা—৭১৩)

    সত্য বলছি, তোমার সংসার করছ এতে দোষ নাই। তবে ঈশ্বরের (Ramakrishna) দিকে মন রাখতে হবে। তা না হলে হবে না। একহাতে কর্ম কর, আর-একহাতে ঈশ্বরকে ধরে থাক। কর্ম শেষ হলে দুইহাতে ঈশ্বরকে ধরবে।

    মন নিয়ে কথা (Kathamrita)। মনেতেই বদ্ধ, মনেতেই মুক্ত। মন যে-রঙ ছোপবে সেই রঙে ছুপবে। যেমন ধোপাঘরের কাপড়। লালে ছোপও লাল, নীলে ছোপাও নীল, সবুজ রঙে ছোপাও সবুজ। যে-রঙে ছোপাও সেই রঙেই ছুপবে। দেখ না, যদি একটু ইংরেজী পড়, তো অমনি মুখেই ইংরেজী কথা এসে পড়ে। ফুট-ফাট, ইট-মিট। (সকলের হাস্য) আবার পায়ে বুটজুতা, শিস দিয়ে গান করা; এই সব এসে জুটবে। আবার যদি পণ্ডিত সংস্কৃত পড়ে অমনি শালোক ঝড়বে। মনকে যদি কুসঙ্গে রাখ তো সেরকম কথাবার্তা, চিন্তা হয়ে যাবে। যদি ভক্তের সঙ্গে রাখ, ঈশ্বরচিন্তা, হরি কথা–এই সব হবে।

    মন নিয়েই সব। একপাশে পরিবার, একপাশে সন্তান। একজনকে একভাবে, সন্তানকে আর-একভাবে আদর করে। কিন্তু একই মন।

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    সর্বধর্মান পরিত্যাজ্য মামেকং শরণং ব্রজ।

    অহং ত্বাং সর্বপাপেভ্যো মোক্ষয়িষ্যামি মা শুচঃ।।

    গীতা—১৮।৬৬।

    ব্রাহ্মদিগকে উপদেশ—খ্রিষ্টধর্ম, ব্রহ্মসমাজ ও পাপবাদ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ব্রাহ্মভক্তদের প্রতি)—মনেতেই বদ্ধ, মনেতেই মুক্ত। আমি মুক্ত পুরুষ; সংসারেই থাকি বা অরণ্যেই থাকি, আমার বন্ধন কি? আমি ঈশ্বরের (Ramakrishna) সন্তান; রাজাধিরাজের ছেলে; আমায় আবার বাঁধে কে? যদি সাপে কামড়ায়, বিষ নাই জোর করে বললে বিষ ছেড়ে যায়! তেমনি আমি বদ্ধ নই, আমি মুক্ত এই কথাটি (Kathamrita) রোখ করে বলতে বলতে তাই হয়ে যায়। মুক্তই হয়ে যায়।

    আরও পড়ুনঃ “তোমরা খুব সেয়ানা, কেউ দশে আছো; কেউ ছয়ে আছো, কেউ পাঁচে আছো”  

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Export Sector: প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের রফতানি ছাড়াল ২০ হাজার কোটি ডলার!

    India Export Sector: প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের রফতানি ছাড়াল ২০ হাজার কোটি ডলার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দারুণ সুখবর। ২০২৪-২৫ এর প্রথম ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন) ভারতের রফতানি (India Export Sector) ২০০ বিলিয়ন বা ২০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। এরফলে সরকার তার পূর্ণ-বছরের লক্ষ্যমাত্রা (Annual Target) ৮০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছানোর বিষয়ে আশা প্রকাশ করেছে। এ প্রসঙ্গে বাণিজ্য সচিব সুনীল বার্থওয়াল জুন মাসের ভারতের বাণিজ্য তথ্য প্রকাশের সময় বলেছেন, ”আমরা বেশ আনন্দিত এবং আশাবাদী যে আমরা এই বছর ৮০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাণিজ্য অতিক্রম করব।”

    রফতানির পাশাপাশি বেড়েছে আমদানিও (India Export Sector) 

    বাণিজ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, জুন মাসে পণ্যদ্রব্য এবং পরিষেবায় ভারতের সামগ্রিক রফতানি ৬৫.৪৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, ফলে বছরে ৫.৪% রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে। জানা গিয়েছে, মার্চেন্ডাইজ রফতানি ইউএসডি ৩৪.৩২ বিলিয়ন থেকে বেড়ে ইউএসডি ৩৫.২০ বিলিয়ন হয়েছে, যেখানে পরিষেবা রফতানি ইউএসডি ২৭.৭৯ বিলিয়ন থেকে ইউএসডি ৩০.২৭ বিলিয়ন হয়েছে। অন্যদিকে রফতানির পাশাপাশি জুন মাসে আমদানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। সামগ্রিক আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইউএসডি ৭৩.৪৭ বিলিয়ন বেড়েছে। 

    আরও পড়ুন: ভারতীয় নৌবাহিনীর রণতরী আইএনএস ব্রহ্মপুত্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! নিখোঁজ ১ নাবিক

    আশাবাদী সরকার 

    বিশেষত চিন, রাশিয়া, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং সিঙ্গাপুরের মতো দেশে রফতানি (India Export Sector) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য রফতানি গন্তব্যগুলির মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, নেদারল্যান্ডস এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশের সাম্প্রতিক এই রফতানি কর্মক্ষমতা দেখে সরকারের আশা প্রবল হয়ে উঠছে। এর আগে ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে, ভারত ৭৭৮ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড রফতানি করেছে, যা আগের বছরের ইউএসডি ৭৭৬.৩ বিলিয়ন থেকে সামান্য বেশি।

    সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ

    রফতানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে ছিল, বৈদ্যুতিন পণ্য সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি স্কিম (PLI) চালু করা, যাতে ভারতীয় নির্মাতারা বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামুখী হয়, এবং একইসঙ্গে বিনিয়োগ আকর্ষণ করার ফলে রফতানি বৃদ্ধি ঘটে। সর্বোপরি ভারতকে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে একীভূত করে আমদানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে রফতানি বাড়ানো। . 
     
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share