Tag: Bengali news

Bengali news

  • Karnataka: আইটি সেক্টরে ১৪ ঘণ্টা কাজ! ফের বিতর্কে কর্নাটক সরকার

    Karnataka: আইটি সেক্টরে ১৪ ঘণ্টা কাজ! ফের বিতর্কে কর্নাটক সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইটি কর্মীদের কাজের সময়সীমা ছিল ১০ ঘণ্টা। এবার সেটাই বাড়িয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা করার কথা ভাবছে কর্নাটকের (Karnataka) সিদ্দারামাইয়ার সরকার। সম্ভাব্য প্রস্তাবের কথা প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে (Employees Union) বিতর্ক। 

    কী বলা হয়েছে নয়া প্রস্তাবে (Karnataka)

    চাকরির ক্ষেত্রে কন্নড়ভাষীদের সংরক্ষণ বিল নিয়ে দিন কয়েক আগেই সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল কর্নাটকে। তার রেশ ফিকে হওয়ার আগেই ফের বিতর্কে সিদ্দারামাইয়ার সরকার। আইটি ক্ষেত্রে কাজের সময় বাড়ানোর জন্য ‘কর্নাটক দোকান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৬১’ সংশোধন করার পরিকল্পনা করেছে কর্নাটক সরকার। নয়া এই প্রস্তাব অনুযায়ী, আইটি, আইটিইএস কিংবা বিপিও ক্ষেত্রে কর্মরতদের প্রয়োজনে দিনে ১২ ঘণ্টার বেশি অতিরিক্ত সময় কাজ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। তবে একটানা তিন মাসে ১২৫ ঘণ্টার বেশি নয়।

    প্রস্তাবকে ঘিরে শুরু বিতর্ক

    প্রসঙ্গত, শ্রম আইন অনুযায়ী, বর্তমানে দৈনিক কাজের সময়সীমা সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা, সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা। ১৪ ঘণ্টার কর্মদিবসের প্রস্তাবটি (Karnataka) নিয়ে আলোচনার জন্য রাজ্যের তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সঙ্গে শ্রম বিভাগ বৈঠক করেছে বলে খবর। এর পরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ লাড, শ্রম বিভাগের প্রধান সচিব মহম্মদ মহসিন এবং আইটি-বিটি বিভাগের প্রধান সচিব একরূপ কৌরের সঙ্গে এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সদস্যরা দেখা করেছেন বলে খবর।

    নয়া প্রস্তাবকে ‘অমানবিক’ আখ্যা দিয়েছে ট্রেড ইউনিয়নগুলি। কেআইটিইউ-এর সম্পাদক সুরজ নিদিয়াঙ্গা বলেন, “দৈনিক আট ঘণ্টার হিসেবে এতদিন তিনটি শিফটে কাজ হত। এখন ১২ ঘণ্টার কর্মদিবস চালু হলে তিনটে শিফটের পরিবর্তে মাত্র দুটি শিফটই যথেষ্ট। এতে অনায়াসেই কর্মীদের এক তৃতীয়াংশকে ছাঁটাই করে দেওয়া যাবে। তাঁদের ভবিষ্যৎ কী?”

    আরও পড়ুন: “রামদেবের সমস্যা না থাকলে, রহমানের কেন?”, কানওয়ার বিতর্কে প্রশ্ন যোগগুরুর

    কেআইটিইউ-র তরফে জোরালো প্রতিবাদ করা হয়েছে প্রস্তাবের। সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, এরকম নিয়ম লাগু হলে চাকরি ছেড়ে দেবে এক তৃতীয়াংশ মানুষ। কিটু জানিয়েছে, আইটি সেক্টরের ৪৫ শতাংশ অবসাদে ভুগছেন। শারীরিক সমস্যা রয়েছে ৫৫ শতাংশের। তাই কাজের সময় বাড়িয়ে দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও (Employees Union) খারাপ হবে। তাদের আর্জি, যন্ত্র নয়, মানুষ হিসেবে দেখা হোক কর্মীদের (Karnataka)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 82: “মাকড়সা ভিতর থেকে জাল বার করে, আবার নিজে সেই জালের উপর থাকে”

    Ramakrishna 82: “মাকড়সা ভিতর থেকে জাল বার করে, আবার নিজে সেই জালের উপর থাকে”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ ও কথোপকথন

    চতুর্থ পরিচ্ছদের

    তমেব সূক্ষ্ম ত্বং স্থূলা ব্যক্তাব্যক্তস্বরূপিণী।

    নিরাকারপি সাকারা কস্তাং বেদিতুমর্হতি।।

    (মহানির্বাণতন্ত্র, চতুর্থোল্লাস, ১৫)

    বেদ ও তন্ত্র সমন্বয়—আদ্যাশক্তি ঐশ্বর্য

    (সহাস্যে)—হ্যাঁ গো! গিন্নিদের ওই রকম একটা হাঁড়ি থাকে। ভিতরে সমুদ্রের ফেনা, নীল বড়ি, ছোট-ছোট পুঁটলি বাঁধা শশাবিচি, কুমড়াবিচি, লাউবিচি—এই সব রাখে, দরকার হলে বার করে। মা ব্রহ্মময়ী সৃষ্টি-নাশের পর ওই রকম সব বীজ কুড়িয়ে রাখেন। সৃষ্টির পর আদ্যাশক্তি জগতের ভিতরেই থাকেন! জগৎপ্রসব করেন, আবার জগতের মধ্যে থাকেন। বেদে আছে ঊর্ণনাভির কথা; মাকড়সা আর তার জাল। মাকড়সা ভিতর থেকে জাল বার করে, আবার নিজে সেই জালের উপর থাকে। ঈশ্বর (Ramakrishna) জগতের আধার আধেয় দুই।

    কালীব্রহ্ম—কালী নির্গুণা ও সগুণা

    কালী কি কালো? দূরে তাই কালো, জানতে পারলে কালো নয়।

    আকাশ দূর থেকে নীলবর্ণ। কাছে দেখ, কোন রঙ নাই। সমুদ্রের জল দূরে থেকে নীল কাছে গিয়ে হাতে তুলে দেখ, কোন রঙ নাই।

    এই কথা (Ramakrishna) বলিয়ে প্রেমোন্মত্ত হইয়া শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) গান ধরিলেনঃ

    মা কি আমার কালো রে।

    কালোরূপে দিগম্বরী, হৃদপদ্ম করে আলো রে।।

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ত্রিভির্গুণয়ৈর্ভাবৈরেভিঃ সর্বমিদং জগৎ।

    মোহিততং নাভিজানাতি মামেভ্যঃ পরমব্যয়ম্‌।।

    (গীতা—৭।১৩।)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবাদির প্রতি)—বন্ধন আর মুক্তি—দুয়ের কর্তাই তিনি। তাঁর মায়াতে সংসারী জীব কামিনি-কাঞ্চনে বদ্ধ, আবার তাঁর দয়া হেলেই মুক্ত। তিনি (Ramakrishna) ভববন্ধনের বন্ধনহারিণী।

    এই বালিয়া (Ramakrishna) গন্ধর্বনিন্দিতকণ্ঠে রামপ্রসাদদের গান গাহিতেছেন;

    শ্যামা মা উড়াচ্ছে ঘুড়ি (ভবসংসার বাজার মাঝে)।

    (ওই যে) আশা-বায়ু ভরে উড়ে, বাঁধা তাহে মায়া দড়ি।।

    কাক গণ্ডি মণ্ডি গাঁথা, পঞ্জরাদি নানা নাড়ী।

    ঘুড়ি স্বগুণে নির্মাণ করা, কারিগরি বাড়াবাড়ি।।

    বিষয়ে মেজেছ মাঞ্জা, কর্কশ হয়েছে দড়ি।

    ঘুড়ি লক্ষের দুটা-একটা কাটে, হেসে দাও মা হাত-চাপড়ি।।

    প্রসাদ বলে, দক্ষিণা বাতাসে ঘুড়ি যাবে উড়ি।

    ভবসংসার সমুদ্রপারে পড়বে গিয়ে তাড়াতাড়ি।।

    আরও পড়ুনঃ “পৃথিবী ছিল না, নিবিড় আঁধার, তখন কেবল মা নিরাকার মহাকালী—মহাকালের সঙ্গে বিরাজ করছিল”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Baba Ramdev: “রামদেবের সমস্যা না থাকলে, রহমানের কেন?”, কানওয়ার বিতর্কে প্রশ্ন যোগগুরুর

    Baba Ramdev: “রামদেবের সমস্যা না থাকলে, রহমানের কেন?”, কানওয়ার বিতর্কে প্রশ্ন যোগগুরুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যদি রামদেবের কোনও সমস্যা না থাকে, তাহলে রহমানের থাকবে কেন?” প্রশ্নগুলি যিনি করলেন, তামাম বিশ্ব তাঁকে চেনে যোগগুরু হিসেবে। তিনি বাবা রামদেব (Baba Ramdev)। কানওয়ার তীর্থ যাত্রা (Kanwar Yatra) নিয়ে যে বিতর্কের জন্ম হয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারের দেওয়া একটি নির্দেশিকাকে ঘিরে, তার জেরেই এহেন প্রতিক্রিয়া যোগগুরুর।

    রামদেবের প্রশ্ন (Baba Ramdev)

    তিনি বলেন, “নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে আপত্তি কোথায়? পরিচয় প্রকাশ করতে যদি রামদেবের কোনও সমস্যা না থাকে, তাহলে রহমানের থাকবে কেন? প্রত্যেকের তাঁদের নাম নিয়ে গর্ব বোধ করা উচিত। নাম লুকোনোর তো প্রয়োজন নেই। কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজন কেবল বিশুদ্ধতার।” রামদেব বলেন, “যদি আমাদের কাজে কোনও ভেজাল না থাকে, তাহলে আমরা হিন্দু না মুসলমান কিংবা অন্য কোনও সম্প্রদায়ের কিনা, সে প্রশ্ন ওঠে না।” প্রসঙ্গত, কানোয়ার তীর্থ যাত্রা উপলক্ষে সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ, কানোয়ার যাত্রার প্রতিটি রুটে যেসব খাবারের দোকান রয়েছে, সেগুলিতে বড় বড় ব্যানারে লিখতে হবে দোকান মালিকের নাম। যোগী সরকারের এহেন নির্দেশিকার জেরেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক।

    সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের

    উত্তরপ্রদেশ সরকারের সমালোচনায় যখন মুখর হয়েছে বিভিন্ন সংগঠন, তখন যোগী সরকারের এহেন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ। মঞ্চের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, খোলা মনে কানওয়ার যাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানাবে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন। মঞ্চের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কানওয়ার যাত্রা পথের পাশে থাকা মুসলমান দোকানদাররা হিন্দুদের ধর্মীয় বিশ্বাসের মর্যাদা দেবেন। ফি বছর শ্রাবণ মাসে কানোয়ার যাত্রায় যোগ (Baba Ramdev) দেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। হরিদ্বার, গোমুখ, গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাজল নিয়ে ভক্তরা গিয়ে ঢালেন কানোয়ারে শিবের মাথায়। ২২ জুলাই, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে কানোয়ার যাত্রা। সেই উপলক্ষেই রাজ্য সরকারের তরফে জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা। যা নিয়ে সরগরম দেশের রাজনীতি।

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    এক্স হ্যান্ডেলে সোনু সুদ লিখেছেন, “প্রতিটি দোকানে শুধু একটাই নেমপ্লেট থাকা উচিত। তা হল মানবিকতা।” এর জবাবে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “মানছি, হালাল শব্দের (Kanwar Yatra) পরিবর্তেও তাহলে মানবিকতা লেখা উচিত (Baba Ramdev)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Howrah: তৃণমূল নেতার সামনেই সালিশি সভায় খুন, জখম তিন, শোরগোল

    Howrah: তৃণমূল নেতার সামনেই সালিশি সভায় খুন, জখম তিন, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার তৃণমূল নেতা জেসিবি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের জামালউদ্দিন সর্দারের বিরুদ্ধে সালিশি সভা বসিয়ে অকথ্য নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। ইতিমধ্যেই জামালউদ্দিনকে পুলিশ গ্রেফতার। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার হাওড়ার (Howrah) শ্যামপুরে জমি নিয়ে চলা বিবাদ মেটাতে শনিবার রাতে গ্রামে বসেছিল সালিশি সভা। সেই সভাতেই হল রক্তারক্তি। খুন হলেন এক জন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম জিয়াউল খান। জখম হয়েছেন তিন জন। আর এই সালিশি সভাতেও নাম জড়াল স্থানীয় তৃণমূল নেতার (Trinamool Congress)। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে শ্যামপুর (Howrah) থানার বাছরি গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাবাড় গ্রামে একটি সালিশি সভা বসেছিল। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী তথা তৃণমূল নেতা (Trinamool Congress) সাইফুল খানের নেতৃত্বে সালিশি সভা ডাকা হয়েছিল। মূলত, দুই পরিবারের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিবাদের ফয়সালা করতে ডাকা হয়েছিল সেই সভা। কিন্তু, সেই সালিশি সভার মাঝপথে শুরু হয় হট্টগোল। জিয়াউল খান এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে রাজা খানের পরিবারের মধ্যে বিতণ্ডা হয়। অভিযোগ, কথা কাটাকাটির মধ্যে আচমকা ছুরি বার করেন রাজা। তা দিয়ে জিয়াউলকে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করেন তিনি। সালিশি সভার মধ্যেই মৃত্যু হয় জিয়াউলের। জখম হন আরও তিন জন। তাঁদের তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। বর্তমানে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁরা। মৃতের পরিবারের লোকজন বলেন, অনেক রাত পর্যন্ত সভা হয়েছিল। বাদানুবাদ হয়। তখন হঠাৎই ছুরি নিয়ে রাজা জিয়াউলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এলোপাথাড়ি কোপে জিয়াউলের মৃত্যু হয়। তৃণমূল নেতার কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে দেখলেই গুলি চালানোর নির্দেশ সেনাকে! শনিবারও নিহত ৭

    পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ হয়েছিল। সেখানেই গন্ডগোল বাধে। একজনের মৃত্যু হয়। তিনজন জখম হন। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sundarban: পূর্ণিমায় কোটালের প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র! ফের দুর্যোগের সম্ভাবনা, জারি সতর্কতা

    Sundarban: পূর্ণিমায় কোটালের প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র! ফের দুর্যোগের সম্ভাবনা, জারি সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ণিমায় কোটালের প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনে (Sundarban) ফের দুর্যোগের (Disaster) সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আবহাওয়া দফতর থেকে আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত সতর্কে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গভীর সমুদ্রে যাওয়ার উপর করা হয়েছে লাল সর্তকতা।

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর (Sundarban)

    কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় উপকুলে ঝড়ের (Disaster) সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গোটা সুন্দরবনের (Sundarban) উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে মাইকে করে উপকুলবর্তী এলাকায় সাবধান বার্তা দেওয়ার কাজ চলছে। সাগর, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার তরফে ফেরিঘাট ও জনবহুল এলাকায় চলছে বিশেষ নজরদারি। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। জীর্ণ এবং বেহাল সেতুবাঁধ, নদীর ধার থেকে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের ফাঁকা বুথে কারা দিলেন এতো ভোট? ভূতুড়েকাণ্ডে শোরগোল!

    বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা

    আবার আলিপুর আবহাওয়া দফতর থেকে জানিয়েছে, আপাতত কলকাতায় ভারী বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। আগামীকাল সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা (Sundarban), পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবার সব জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা জেলা, নদিয়া মুর্শিদবাদ জেলায়। একই ভাবে সোমবারের পর মঙ্গলবার সবগুলি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কলকাতায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। একই সঙ্গে পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই বৃষ্টি বজ্রবিদ্যুৎ সহযোগে হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে রবি-সোম-মঙ্গলে ভারী বৃষ্টির বিশেষ সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে শুরু করবে। জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও থাকবে।

    নতুন করে ভাঙন গঙ্গাসাগরে

    পূর্ণিমার কোটালে আবারও নতুন করে ভাঙলো গঙ্গাসাগরের(Sundarban) কপিলমুনি মন্দিরের নদী তীরবর্তী এলাকা। এর আগেও গঙ্গাসাগরের তিন নম্বর থেকে ৫ নম্বর রাস্তা ভেঙে চলে গিয়েছিল নদীগর্ভে। আজ রবিবার নতুন করে তিন নম্বর থেকে পাঁচ নম্বর স্নান ঘাটের যে রাস্তা তা ভেঙে চলে গিয়েছে নদী গর্ভে। ইতিমধ্যেই স্থানীয় দোকানদারেরা সেখান থেকে দোকানগুলিকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গভীর সমুদ্রে না নামার জন্য করছেন মাইকিং। বিগত কয়েকদিন আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হলুদ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। যেখানে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে মানা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আতঙ্কে প্রহর গুনছেন এলাকাবাসী।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath Landslide: কেদারনাথ যাত্রায় পাহাড় থেকে গড়িয়ে এল বোল্ডার, চাপা পড়ে মৃত ৩ পুণ্যার্থী

    Kedarnath Landslide: কেদারনাথ যাত্রায় পাহাড় থেকে গড়িয়ে এল বোল্ডার, চাপা পড়ে মৃত ৩ পুণ্যার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেদারনাথের (Kedarnath Landslide) যাত্রাপথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা (Accident)! ধসের জেরে পাহাড় থেকে গড়িয়ে আসে বড় পাথরের চাঁই আর এতেই মৃত্যু হল ৩ তীর্থযাত্রীর। ঘটনাটি রবিবার সকালেই উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগ জেলার গৌরীকুন্ডু ও চিরবাসারের মাঝামাঝি যাত্রাপথে ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘিরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে ওই এলাকাতে। প্রশাসনের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই পথে যাত্রা না করার।

    মৃতদের মধ্যে (Kedarnath Landslide) দুজন মহারাষ্ট্রের এবং একজন রুদ্রপ্রয়াগের বাসিন্দা

    প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরেই উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথের (Kedarnath Landslide) একনাগাড়ে ভারী বৃষ্টি হয়েই চলেছে। মাঝেমধ্যেই ধস নামার খবর মিলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই দুর্গম পথেই কেদারনাথে ট্রেকিং করে এগোচ্ছিলেন বেশ কয়েকজন তীর্থযাত্রী। কিন্তু তারই মাঝে পাহাড় থেকে নেমে আসে বড় বোল্ডার আর তাতেই পিষে মৃত্যু হয় তিনজনের। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে দুজন মহারাষ্ট্রের এবং একজন রুদ্রপ্রয়াগের বাসিন্দা। এই দুর্ঘটনায় (Accident) একজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজে হাত লাগায়। বোল্ডারের নিচে আরও কেউ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    শোক প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

    গোটা ঘটনায় উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি নিজের এক্স হ্যান্ডেলের দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘পাথর চাপা পড়ে হতাহতের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক (Kedarnath Landslide)। উদ্ধার কাজ চলছে। পরিস্থিতির ওপরে আমরা নজর রাখছি।’’

    এদিকে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবারও উত্তরাখণ্ড রাজ্যে চম্পাবত, নৈনিতালে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সতর্কতা জারি করা হয়েছে ওই এলাকাগুলির জন্য। এর পাশাপাশি রয়েছে ধসের আশঙ্কাও। শনিবারও ধস নামে চম্পাবত জাতীয় সড়কে। এর জেরে বন্ধ হয়ে যায় ওই জাতীয় সড়ক। জানা গিয়েছে, গঙ্গোত্রী জাতীয় সড়কেরও একই অবস্থা। ধসের কারণে বন্ধ হয়েছে সেই রাস্তা। ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়ে তীর্থযাত্রীদের কেদারনাথের পথে যাত্রা করতে নিষেধ করছে প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget: আজ সপ্তম বার বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন, কার রেকর্ড ভাঙবেন জানেন?

    Union Budget: আজ সপ্তম বার বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন, কার রেকর্ড ভাঙবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তমবার বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে সাতবার (Union Budget) বাজেট পেশ করলে রেকর্ড গড়বেন তিনি। এর আগে মোরারজি দেশাই ৬ বার বাজেট পেশ করেছেন। সেই রেকর্ড আগেই ছুঁয়ে ফেলেছেন নির্মলা। সোমবার থেকে শুরু হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। ২৩ জুলাই, বাজেট পেশ করে নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) প্রথম অর্থমন্ত্রী হবেন যিনি সাত বারের জন্য বাজেট পেশ করবেন।

    ৬ বার বাজেট পেশ করেছেন মোরারজি দেশাই (Union Budget)

    ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৪ সাল অবধি মোরারজি দেশাই ভারতের অর্থমন্ত্রী ছিলেন তিনি ছটি বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছিলেন। এর মধ্যে পাঁচটি পূর্ণ প্রস্তাব এবং একটি অন্তর্বর্তী বাজেট ছিল। এবারের বাজেট (Union Budget) প্রস্তাব আগের বারের মতোই কাগজবিহীন বাজেট হবে। চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করা হয়েছিল। নির্বাচনের পর ফের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট সরকার। এবারের বাজেট পেশ করার আগে অর্থ মন্ত্রকের আধিকারিক সহ দেশের বিভিন্ন অর্থনীতি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলেছিলেন অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। ২০ জুন তিনি বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন, শিক্ষা স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি, লঘু ও ভারী শিল্প উদ্যোগ সহ বিভিন্ন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন। কথা হয় বাজির ঘাটতি এবং সরকারের খরচ কমানোর নিয়েও।

    বাড়বে সরকারের খরচ (Nirmala Sitharaman)

    যদিও কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি আশা প্রকাশ করেছে, সরকারের খরচ বৃদ্ধি হবে এবারের বাজেটে (Union Budget)। ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মনে করে তাঁরা। এবার বিভিন্ন কৃষি সংগঠন অর্থমন্ত্রীর (Nirmala Sitharaman) কাছে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। ১২ অগাস্ট পর্যন্ত বাদল অধিবেশনে ১৯ দিন সংসদ খোলা থাকবে। আশা করা হচ্ছে এবার সরকার কেন্দ্রীয় সরকার সাতটি বিল পেশ করতে চলেছে। তার মধ্যে অন্যতম এয়ারক্রাফট বিল।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    এছাড়াও জম্মু-কাশ্মীরের বাজেটের জন্য সংসদের সম্মতিও উল্লেখযোগ্য বিষয়। ২৩ জুলাই সংসদে বাজেট পেশ ছাড়াও, ফিন্যান্স বিল নিয়ে আলোচনা হবে। জানা গিয়েছে, এবারের অধিবেশনে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট আইন, ভারতীয় বায়ুযান বিল, ২০২৪ বয়লার্স বিল, কফি ও রবার প্রমোশন বিল পাশ করানোর চেষ্টা করবে সরকার।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: বাংলাদেশের আন্দোলনের প্রভাব বঙ্গের মাছ বাজারে, লোকসানের অঙ্ক শুনলে চমকে যাবেন…

    Bangladesh Protest: বাংলাদেশের আন্দোলনের প্রভাব বঙ্গের মাছ বাজারে, লোকসানের অঙ্ক শুনলে চমকে যাবেন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা সংস্কারের (Bangladesh Protest) দাবিতে আন্দোলন চলছে বাংলাদেশে। এর প্রভাব পড়েছে এপার বাংলার মাছ বাজারে। হাওড়া, পাইকপাড়া, বারাসত সহ বিভিন্ন পাইকারি বাজারে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণে মাছ আমদানি (Fish Supply) করা হত। বিগত ৩-৪ দিন ধরে তা বন্ধ। ফলে ইলিশ সহ বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা অন্যান্য মাছের যোগানেও টান পড়েছে। প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লোকসান হচ্ছে, এপার বাংলার মাছ ব্যবসায়ীদের।

    কোটি কোটি টাকার ক্ষতি (Bangladesh Protest)

    আন্দোলনের জেরে (Bangladesh Protest) বাংলাদেশ থেকে বাতিল হয়েছে ট্রেন। বন্ধ সে দেশের ইন্টারনেট পরিষেবা। জারি হয়েছে কারফিউ। স্থল বন্দর হয়ে জিনিসপত্রের আমদানি-রফতানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি বন্ধ ইলিশ মাছের আমদানি। প্রতিদিন প্রায় ১০০ টন মাছ আমদানি হত বাংলাদেশ থেকে। ইলিশ মাছ ছাড়াও ট্যাঙরা, ভেটকি, পাবদা, পাঙাস, পমফ্রেট সহ বিভিন্ন ধরনের মাছ বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা হয় হাওড়ার মাছ বাজারে। অন্যান্য মাছ বাজারেও টন-টন মাছ আসত প্রতিদিন। বিগত ৩-৪ দিন ধরে সেই আমদানি বন্ধ।

    সংগঠনের বক্তব্য (Fish Supply)

    ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ বলেন, “বাংলাদেশ থেকে মাছ আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকায় অনলাইনে সে দেশের ব্যবসায়ীদের টাকা পাঠানো যাচ্ছে না। নতুন অর্ডারও দেওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশ (Bangladesh Protest)থেকে এ রাজ্যেও গাড়ি আসার সংখ্যা কমে গিয়েছে। ফলে সমস্যায় পড়ছেন মাছের ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিন গড়ে আড়াই কোটি টাকার লোকসান হচ্ছে। বর্ষাকালে বাংলাদেশ থেকে পদ্মার ইলিশ (Fish Supply) আমদানি করা হয়। অন্যান্য নদীর ইলিশও আসে ভারতে। কিন্তু এবার ইলিশের আমদানির জন্য চিঠি লেখার কাজ শুরু হলেও, ইলিশ পাওয়া যাবে কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়।

    আরও পড়ুন: সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সংস্কার হবে, হাইকোর্টের রায় খারিজ করে জানাল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট

    এভাবে অশান্তি চলতে থাকলে এবার ওপার বাংলার ইলিশ নাও আসতে পারে।” আপাতত পরিস্থিতি (Bangladesh Protest) কবে স্বাভাবিক হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন মাছ ব্যবসায়ীরা।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly By-Election 2024: বিজেপি ৫২, তৃণমূল ৯৭১! উপ নির্বাচনে শাসকের ভোট লুটের অজস্র নগ্ন ছবি প্রকাশ্যে

    Assembly By-Election 2024: বিজেপি ৫২, তৃণমূল ৯৭১! উপ নির্বাচনে শাসকের ভোট লুটের অজস্র নগ্ন ছবি প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনেও ফাঁকা বুথ (Empty Booth), কিন্তু এতো ভোট কারা দিলেন? এই ভূতুড়ে ভোটারদের ঘিরে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। রানাঘাট দক্ষিণের উপনির্বাচনের (Assembly By-Election 2024) চিত্রটাই ছিল ঠিক এমনই। জ্ঞানদাসুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল ১২৭ নম্বর বুথ। এই ভোটকেন্দ্রে সিপিএম পেয়েছে ৮ ভোট, বিজেপি পেয়েছে মাত্র ৫২ ভোট। অপর দিকে তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছেন ৯৭১ ভোট। বুথে মোট ভোটারদের ৯৩.৬৪ শতাংশ একক ভাবে পেয়েছে রাজ্যের শাসক দল। এই প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ দেখেই উঠছে প্রশ্ন। আবার কুঞ্জবিহারী দাস প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুম নম্বর ২। সেখানে সিপিএম পেয়ছে ১১ এবং বিজেপি পেয়েছে ৬৪, তৃণমূলের ভোট ৫০৯। বুথে ভোট পড়ার পরিমাণ ৮৫.৯৮ শতাংশ। এই দুই বুথ থেকেই বোঝা যাচ্ছে কীভাবে ভোট হয়েছে। যদিও বিজেপির অভিযোগ, এটাই হল তৃণমূলের ‘ডায়মন্ড হারবার মডলে।’

    মাণিকতলায় তৃণমূলের ভোট শতাংশ (Assembly By-Election 2024)

    নির্বাচন কমিশনের তথ্যের সূত্র দেখে জানা গিয়েছে, রাণাঘাট দক্ষিণের অন্তত ১৪টি ভোটকেন্দ্রে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট (Assembly By-Election 2024) ৮০ শতাংশ। আবার মাণিকতলায় গত লোকসভার ভোটে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়ে ছিল প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ভোটে। ১৬ এবং ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল বিজেপি। আবার উপনির্বাচনে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে থেকেই তৃণমূলের লিড ৩৫৭০ ভোটে। ৬৩ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে মাত্র ১০০ ভোট পেলেও, সিপিএম ২৮, কিন্তু তৃণমূলের সুপ্তি পাণ্ডে পেয়েছেন ৭১৬ ভোট। আবার ৭৫ নম্বর বুথে বিজেপি পেয়েছে ৬৭ ভোট, সিপিএম পেয়েছে ৯ ভোট আর তৃণমূল ৪৭৬ ভোট। একই কেন্দ্র ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, ১৪৮ নম্বর বুথে বিজেপি, সিপিএমের ভোট একই। কিন্তু তৃণমূলের ভোটের ক্রমটা ৩৪২, ৩৯২, ৩৬২, ৩৬৭, ৩৪৯। দেখেই যেন মনে হবে কেউ তৃণমূলের জন্য ভোটের নম্বর মনগড়া বসিয়েছেন। তাই প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলের ভোট (Empty Booth) নিয়ে।

    বাগদা এবং রায়গঞ্জে ভোটের পরিমাণ

    আবার বাগদা কেন্দ্রের ২৩৩, ২৩৫, ২৪০, ২৭৮ নম্বর বুথে ভোট লুট (Assembly By-Election 2024) হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। ২৩৫ নম্বর বুথে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর পেয়েছেন ৮৪৪ ভোট। ফরওয়ার্ড ব্লকের গৌর বিশ্বাস ৩০ এবং বিজেপির বিনয় বিশ্বাস ১০। একই ভাবে ২৩৩ নম্বর বুথে তৃণমূল ৬৭৮, ফরওয়ার্ড ব্লক ৪৭ এবং বিজেপি ৫৫। আবার ২৪০ নম্বর বুথে তৃণমূল ২৮১, ফরওয়ার্ড ব্লকের ২ এবং বিজেপি ৩৪। তাই ভোট কীভাবে হয়েছে, তা নিয়ে শাসকের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি। রায়গঞ্জের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৯৩ হাজার ৪০২ ভোট, আর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৬ হাজার ৬৬৩ ভোট। এক মাস পরে উপনির্বাচনে বিজেপির হয়ে গেল ৩৬ হাজার ৪০২ ভোট আর তৃণমূল পেয়েছে ৮৬ হাজার ৪৭৯ ভোট। এই ভোট গ্রহণ এবং ফলে বিরোধীরা শাসক দলের ষড়যন্ত্র মনে করছে।

    আরও পড়ুনঃ কেউ পাননি ভাতা কারও কপালে জোটেনি ডিম-ভাত! ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল কর্মীরাই

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “রাণাঘাট দক্ষিণে ৭০ হাজার, বাগদায় ২০ হাজার এবং রায়গঞ্জে ৫০ হাজার ভোটারকে ভোট (Assembly By-Election 2024) দিতে দেয়নি তৃণমূল। মাণিকতলায় ৮টি ওয়ার্ডে লুট করেছে তৃণমূল। সেই সঙ্গে হিন্দুদের ভোট দিতে দেয়নি।” অপর দিকে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, “কাউকে কোথাও ভোটে বাধা দেওয়া হয়নি। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সংস্কার হবে, হাইকোর্টের রায় খারিজ করে জানাল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট

    Bangladesh: সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সংস্কার হবে, হাইকোর্টের রায় খারিজ করে জানাল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে হাইকোর্টের রায়কে খারিজ করে দিল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট (Bangladesh Supreme Court)। এর পাশাপাশি শীর্ষ আদালতে এদিন আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশের (Bangladesh) সংরক্ষণ ব্যবস্থা সংস্কার করা হবে। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের সংরক্ষণ নিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের সিদ্ধান্তকে গত ৫ জুন অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট। এরপরেই সংরক্ষণ ইস্যুতে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয় বাংলাদেশে। অগ্নিগর্ভ হয় সে দেশের পরিস্থিতি। সরকারকে জারি করতে হয় কার্ফু। শতাধিক মানুষ নিহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে নামাতে হয় সেনা।

    হাসিনা সরকারের সিদ্ধান্ত (Bangladesh) অনেকটাই বহাল থাকল

    ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার। রবিবার বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট ওই নির্দেশকে খারিজ করল। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের এদিনের রায় শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষেই বেশ কিছুটা গিয়েছে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তবে ২০১৮ সালে শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হুবহু তা এদিন বহাল রাখেনি বাংলাদেশের (Bangladesh) শীর্ষ আদালত। হাইকোর্টের রায় বাতিল করা হয়েছে বটে তবে সংরক্ষণ ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল হয়নি।

    শীর্ষ আদালতের রায়ের বিশ্লেষণ 

    এদিনের রায়ের ফলে সরকারি চাকরিতে ৭ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সন্তানদের জন্য। বাকি ২ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে অন্যান্য শ্রেণীর জন্য। বাকি ৯৩ শতাংশ নিয়োগই হবে মেধার ভিত্তিতে। এদিন রায় ঘোষণার পাশাপাশি পড়ুয়াদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যেতে বলেছে শীর্ষ আদালত। শুনানির পরেই বাংলাদেশের (Bangladesh) অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্ট (Bangladesh Supreme Court) জানিয়েছে, হাই কোর্টের রায় বেআইনি ছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য সরকারি চাকরিতে পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। অন্যান্য শ্রেণির জন্য থাকবে আরও দুই শতাংশ সংরক্ষণ।’’

    কেন সংরক্ষণ ইস্যুতে উত্তাল বাংলাদেশ?

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংরক্ষণের নিয়ম নিয়েই এই অশান্তির সূত্রপাত। ২০১৮ সালেও একই বিষয়ে আন্দোলন উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশটি। প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে সে দেশে মোট ৫৬ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল, যার মধ্যে ৪৪ শতাংশ আসন সাধারণের জন্য নির্ধারিত ছিল। ৫৬ শতাংশ আসনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০%, জেলার জন্য ১০%, জনজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ ছিল। ২০১৮ সালে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০ শতাংশ, নারীদের ১০ শতাংশ ও জেলার ১০ শতাংশ আসন বাতিল করে দেন। রাখা হয় শুধু জনজাতিদের ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষণ। এ নিয়ে মামলা গড়ায় বাংলাদেশের হাইকোর্টে। চলতি বছরের ৫ জুন হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, হাসিনা সরকারের নির্দেশ অবৈধ। ফের প্রতিবাদ আন্দোলনে নামেন পড়ুয়ারা। তবে এদিন হাইকোর্টের সেই নির্দেশ খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share