Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh Protest: অশান্ত বাংলাদেশ, পেট্রাপোল দিয়ে রফতানি বন্ধ করল ভারত

    Bangladesh Protest: অশান্ত বাংলাদেশ, পেট্রাপোল দিয়ে রফতানি বন্ধ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা ইস্যুতে উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh Protest)। বহু আন্দোলনকারীর পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে। জখমের সংখ্যাও বহু। নিখোঁজের তালিকায় আন্দোলনকারীর সংখ্যাও অনেক। শুক্রবার রাত থেকে বাংলাদেশে জারি করা হয়েছে কার্ফু। রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। এবার বাংলাদেশে অশান্তির প্রভাব পড়ল পেট্রাপোল বন্দরেও (Petrapole Border)। শনিবার সকালের পর প্রতিবেশী দেশে রফতানি বন্ধ করা হয়েছে। আমদানিও চলছে ধীর গতিতে। এদিন সকালে শুধু বাংলাদেশে পেট্রাপোলের মাধ্যমে ৩৫ ট্রাক পণ্য রফতানি করা হয়েছে। তার পরেই বন্ধ করা হয়েছে রফতানি। আমদানি চলছে ধীর গতিতে।

    কেন বন্ধ করা হল রফতানি? (Bangladesh Protest)

    পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, “শনিবার সকালে রফতানি শুরু হওয়ার পরে ল্যান্ড পোর্ট অথরিটির (এলপিআই)-এর সঙ্গে কথা বলে রফতানি বন্ধ করা হয়েছে। পণ্য রফতানি করছিলাম। পণ্য পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) সীমান্তের লোকজনের সঙ্গে গাড়ি নিয়ে যোগাযোগ করছিলাম। কিন্তু, মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি। এরফলে পণ্য কী ভাবে পাঠানো হবে, তা নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়। তার পরেই এলপিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এলপিআই আধিকারিক আধঘণ্টা রফতানি বন্ধ রাখার কথা বলেন প্রথমে। এরপর ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলে তিনি পুরো রফতানি বন্ধ করার কথা বলেন। সেই মতো রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশে যে সব ভারতীয় চালক রয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনারও ব্যবস্থা করা হবে। পরিস্থিতি আগের থেকে সামান্য বদলেছে। কিন্তু, এখনও উদ্বেগজনক। তাই বাণিজ্য আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে। যদি বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে বার্তা পাই যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, তখন আবার চালু হবে রফতানি।”

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    ভারতে আসা যাত্রীর সংখ্যাও কমেছে!

    বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) থেকে ভারতে আসা যাত্রীর সংখ্যাও কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে মুদ্রা বিনিময়ে। যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য পেট্রাপোলে (Petrapole Border) থাকে যানবাহন। যাত্রী না আসায় তাদের ব্যবসাও ধাক্কা খেয়েছে। স্থানীয় যানবাহনের ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাঁরা বলেন, “অন্য সময় সীমান্তে ভিড় লেগেই থাকে। এখন গোটা এলাকা খাঁ খাঁ করছে। চুপচাপ বসে আছি আমরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ২১ জুলাইয়ের পোস্টার সরানোয় পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ারকে হুমকি তৃণমূল নেতার! ভাইরাল ভিডিও

    Uttar Dinajpur: ২১ জুলাইয়ের পোস্টার সরানোয় পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ারকে হুমকি তৃণমূল নেতার! ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র আর একদিন বাকি, সরকারি পূর্ত দফতরের সামনে থেকে রাজনৈতিক পোস্টার সরিয়ে দেওয়ায় কার্যত তৃণমূল নেতার হুমকির মুখে পড়লেন এক অফিসার। ২১ জুলাইয়ের পোস্টার অফিসের গেট থেকে সরিয়ে দেন এক ইঞ্জিনিয়ার অফিসার। এরপর রীতিমতো ধমক এবং তোপের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। শুধু তাই নয় তাঁকে বাধ্য করা হয় ক্ষমা চাইতে। ইতিমধ্যে ভাইরাল (Viral video) হয়েছে সেই ভিডিও। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার কর্ণজোড়া এলাকায়।

    কীভাবে ঘটেছে ঘটনা (Uttar Dinajpur)?

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওই পূর্ত দফতরের (Uttar Dinajpur) ইঞ্জিনিয়ারের অফিসে ঢুকে হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। এক তৃণমূল নেতা, অধিকারিককে বলেন, “আপনি একজন সরকারি কর্মচারী। এই সাব ডিভিশেনের অফিসার! ব্যানারটাই ফেলে দিলেন? হাত জোড় করে ক্ষমা চান এবং ব্যানার লাগিয়ে দিন। যতক্ষুণ পর্যন্ত ব্যানার না লাগাবেন ততক্ষুণ পর্যন্ত আপানকে আমরা ছাড়ব না। এখানে অফিসের সমানেই বসে থাকব।” এরপর দেখা যায় আধিকারিক বলেছেন, “আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। আমাকে ক্ষমা করে দিন।” ঠিক তারপরই পোস্টার অফিসের গেটের মধ্যে লাগিয়ে দেন।

    অফিসারের বক্তব্য

    পূর্ত দফতরের আধিকারিক ইঞ্জিনিয়ার বাবুন হালদার এই বিষয়ে সাংবাদিকদের পরে বলেছেন, “এটা তো সরকারি অফিস, এখানে রাজনৈতিক পোস্টার লাগানো ঠিক না। তাই আমি খুলে দিয়েছিলাম। কিন্তু এই ভাবে শাসক দলের কর্মীদের হুমকি অত্যন্ত অন্যায়। আমি উচ্চ আধিকারিকদের জানিয়েছি। দেখা যাক ন্যায় বিচার পাই কিনা।”

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    এই বিষয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা উত্তম কুমার সিনহা বলেছেন, “আমরা খবর পেয়েছি কে বা কারা আমাদের পোস্টার খুলে নিয়েছে। জানতে পেরেছিলাম ওই কাজ সরকারি আধিকারিক করেছেন। এরপর প্রশ্ন করি কেন করলেন? কিন্তু কোনও রাজনৈতিক পোস্টার ছিলনা। তিনি আমাদের প্রতি অন্যায় করেছেন। তাই পোস্টার লাগাতে বাধ্য হয়েছেন।”

    আরও পড়ুনঃ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে করেছেন বিয়েও! গ্রেফতার জয়ন্তের সাগরেদ রাহুল গুপ্তা

    বিজেপির বক্তব্য

    এই বিষয়ে বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেছেন, “রাজ্যে তৃণমূলের প্রকাশ্যে সন্ত্রাস চলছে। ওদের দাবি মতো কাজ না করলেই মুশকিল। চাহিদা না পূরণ করলে এমন করেই ভয় দেখিয়ে ভিডিও (Viral video) করে ভাইরাল করা হবে। সরকারি আধিকারিকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। অত্যন্ত অন্যায়, তীব্র ধিক্কার জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান, জীবন-মরণের সমস্যা”, বললেন হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান, জীবন-মরণের সমস্যা”, বললেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান জনসংখ্যা। আর এটাই অসমিয়াদের কাছে জীবন-মরণের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” দিন কয়েক আগে ঝাড়খণ্ডে সাংবাদিক বৈঠকে এমনই দাবি করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তিনি জানান, অসমে মুসলমান জনসংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে (Changing Demography)। ১৯৫১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, অসমে মুসলমান ছিলেন মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশ। সেটাই এখন বেড়ে হয়েছে ৪০ শতাংশ। মুসলমানদের এই বাড়বাড়ন্তের কারণে বদলে গিয়েছে অসমের ডেমোগ্রাফি। এনিয়ে ওই বৈঠকে উদ্বেগও প্রকাশ করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ডেমোগ্রাফি বদল উদ্বেগের বই কি! এটি কোনও রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং আমার কাছে এটি জীবন-মরণের সমস্যা।”

    অসমের ডেমোগ্রাফি বদল (Himanta Biswa Sarma)

    গত কয়েক দশকে কীভাবে অসমের ডেমোগ্রাফি বদলে গিয়েছে, সেই ছবিও তুলে ধরেন এই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “১৯৫১ সালে অসমে মুসলিম জনসংখ্যার হার ছিল ১২ থেকে ১৪ শতাংশ। এখন এটাই বেড়ে হয়েছে ৪০ শতাংশ।” তিনি বলেন, “আমরা অনেকগুলো জেলা হারিয়েছি (এই জেলাগুলিতে বর্তমানে মুসলমানরাই সংখ্যাগুরু। বোধহয় এই বিষয়টিই বোঝাতে চেয়েছে হিমন্ত)। অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ডেমোগ্রাফি বদলে যাওয়াটা আমার কাছে একটা বড় ইস্যু।” ব্যাপক হারে অনুপ্রবেশের ফলেই যে রাজ্যে মুসলমানদের এই বাড়বাড়ন্ত, তাও মনে করিয়ে দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “বাংলাদেশের মুসলমানদের ব্যাপক হারে অনুপ্রবেশের ফলেই মুসলমানদের সংখ্যা এত বেড়ে গিয়েছে। আমাদের সরকার প্রতিদিন প্রচুর অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে।”

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    ডেমোগ্রাফি বদলে যাওয়ার নেপথ্যেও যে তুষ্টিকরণের রাজনীতি রয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন হিমন্ত। বলেন, “আমি মনে করি, অসমের জনসংখ্যার সমস্যার সমাধান করা কংগ্রেসের দায়িত্ব। কারণ রাজ্যের সংখ্যালঘুরা কংগ্রেস নেতাদের কথা শোনেন। তাঁরা নরেন্দ্র মোদি ও রাহুল গান্ধীর মধ্যে রাহুলকেই বেছে নেবেন। তাঁরা আমায় শত্রু মনে করেন।” তিনি (Himanta Biswa Sarma) বলেন, “রাহুল গান্ধী জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ অভিযানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হলে, আগামিকাল থেকেই অসমের জনসংখ্যা বৃদ্ধি কমবে ব্যাপকভাবে।”

    হু হু করে বাড়ছে মুসলমান

    রীতিমতো তথ্য দিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের রাজ্যে প্রতি দশ বছরে মুসলমান জনসংখ্যা বাড়ছে ৩০ শতাংশ করে। সেই হিসেবে ২০৪১ সালে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে উঠবেন মুসলিমরাই। এটাই বাস্তব। কেউ থামাতে পারবে না।” তিনি বলেন, “দশ বছরে ১৬ শতাংশ করে হিন্দু জনসংখ্যা বাড়ছে এ রাজ্যে। আমাদের সরকার মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে জনসংখ্যা কমাতে পদক্ষেপও করছে।”

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ

    বাংলাদেশি মুসলমানদের অনুপ্রবেশের ফলে যে আদিবাসী অধ্যুষিত ঝাড়খণ্ডের ডেমোগ্রাফিও বদলে যাচ্ছে, দিন কয়েক আগেই সে সংবাদ পরিবেশন করেছিল মাধ্যম। সেই প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছিল, কীভাবে পশ্চিমবাংলা দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে জাল নথি বানিয়ে বাংলার সীমানায় থাকা ঝাড়খণ্ডে ঢুকে পড়ছে অনুপ্রবেশকারীরা। সেখানকার আদিবাসী মহিলাদের বিয়ে করে তারা জমি হাতিয়ে নিচ্ছে বলেও জানানো হয়েছিল ওই প্রতিবেদনে। এই অনুপ্রবেশের ফলেই যে ঝাড়খণ্ডের ডেমোগ্রাফিও বদলে যাচ্ছে, তারও খতিয়ান পেশ করা হয়েছিল মাধ্যমের ওই প্রতিবেদনে।

    হিমন্তর আশ্বাস

    অসমের মতো ঝাড়খণ্ডেও যে অনুপ্রবেশকারীরাই মাথাব্যথার কারণ, তা ভালোই বুঝেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)। বলেন, “রাজ্যে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার রয়েছে। অনুপ্রবেশ রুখতে তারা কোনও কঠোর পদক্ষেপ করছে না। উপজাতির তরুণীদের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করছে তারা। পরে করছে ধর্মান্তকরণ। সরকার এসব জেনেশুনেও কোনও পদক্ষেপ করছে না।” ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে সরকার বদলের ডাকও দেন হিমন্ত। আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর পদক্ষেপ করবে বলেও আশ্বাস দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী।

    ঝাড়খণ্ড সরকার হাত গুটিয়ে কেন?

    তিনি বলেন, “এ রাজ্যেও ঝাড়খণ্ডের বাইরে থেকে আসছে অনুপ্রবেশকারীরা। আদিবাসী তরুণীদের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ে করছে। এসবই ঘটছে জেএমএম-কংগ্রেস জোট শাসকের ছত্রছায়ায়। অসমও সীমান্ত ঘেঁষা রাজ্য। সেখানেও আমি প্রতিদিন লড়াই করছি অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে। তাহলে লাগাতার অনুপ্রবেশ চলতে থাকলেও ঝাড়খণ্ড সরকার কেন হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে?” অনুপ্রবেশকারীদের স্বদেশে ফেরানোটা যে রাজ্য সরকারেরই কর্তব্য, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন হিমন্ত (Himanta Biswa Sarma)।

    আরও পড়ুন: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    প্রসঙ্গত, পয়লা জুলাইও কোনও ধর্মের নাম না করেই একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের এক শ্রেণির মানুষকে নিশানা করেছিলেন (Changing Demography) অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, অসমের অপরাধমূলক কাজকর্মকে প্রশ্রয় দিচ্ছে এরাই। তিনি অবশ্য এ-ও বলেছিলেন, “আমি বলছি না যে একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষই কেবল অপরাধ করছে। যদিও অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের পরে যেসব ঘটনা ঘটছে, তা রীতিমতো উদ্বেগের বিষয় (Himanta Biswa Sarma)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: নাগরিক পরিষেবা বন্ধ রাখা তৃণমূল কাউন্সিলরকে ‘শিক্ষা’! বাড়ির সামনে জঞ্জাল ফেললেন পুরবাসী

    Balurghat: নাগরিক পরিষেবা বন্ধ রাখা তৃণমূল কাউন্সিলরকে ‘শিক্ষা’! বাড়ির সামনে জঞ্জাল ফেললেন পুরবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার ২৫টি ওয়ার্ডে প্রায় ২৫০০০ ভোটে লিড পান বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। ফল ভালো হওয়ায় বালুরঘাট পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলার প্রলয় সরকার। এলাকার যেখানে সেখানে নোংরা আবর্জনা পড়ে থাকত। তাতে অতিষ্ট হয়ে উঠেছিলেন এলাকার মানুষ। নাগরিক পরিষেবা ঠিক করার জন্য বারবার বলা হয়েছিল কাউন্সিলরকে। কিন্তু, কর্ণপাত করেননি তিনি। দিনের পর দিন ওয়ার্ডের জঞ্জাল পরিষ্কার না হওয়ায় শনিবার ওয়ার্ডের জঞ্জাল তুলে তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ির সামনে ফেললেন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এই ঘটনায় শহর জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বালুরঘাট থানার পুলিশ।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (Balurghat)

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, লোকসভা নির্বাচনে কে কাকে ভোট দিয়েছেন তা আমাদের জানা নেই। বালুরঘাট (Balurghat) কেন্দ্রে বিজেপির সুকান্ত মজুমদার জয়ী হওয়ার পর থেকে এই ধরনের আচরণ দেখা দিয়েছে। দিনের পর দিন কাউন্সিলরকে জঞ্জাল পরিষ্কারসহ পুর পরিষেবার কথা জানানো হলেও কোনও কাজ করেন নি। বাধ্য হয়ে আমরা এই কাজ করলাম। আগামীদিনে যদি কাউন্সিলর নোংরা পরিষ্কার করার উদ্যোগ গ্রহণ না করেন তাহলে আমরা আবার কাউন্সিলরের বাড়ির সামনে এভাবেই নোংরা ফেলে যাব।

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    তৃণমূল কাউন্সিলর কী সাফাই দিলেন?

    এই বিষয়ে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর প্রলয় সরকার বলেন, ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস পালনে জেলার সব নেতৃত্ব কলকাতায় থাকায় বিজেপি এই নোংরা খেলাটি খেলেছে। আমার ওয়ার্ড প্রতিদিন পরিষ্কার করা হয়। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করছে। সবই বিজেপির চক্রান্ত।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে বিজেপির টাউন সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্ত বলেন, লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট পুরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে বিজেপি ভালো ফল করেছে। বেশ কিছু ওয়ার্ডের সমস্ত পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছেন তৃণমূল কাউন্সিলররা (Trinamool Congress)। যেমন, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে গত এক মাস ধরে কোনও আবর্জনা পরিষ্কার করছেন না কাউন্সিলর। আমরা এই নিয়ে সোমবার প্রমাণসহ মহকুমা শাসকের কাছে ডেপুটেশন দেব। এই বিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান  ইনচার্জ মুনমুন কর বলেন, পুরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে দিনে দুবার নোংরা পরিষ্কার করা হয়। পুরোটা মিথ্যে কথা। বিজেপি রাজনীতি করার জন্য এসব করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Godman: সরকারি জমি দখল করে উত্তরাখণ্ডে মন্দির নির্মাণ, তদন্ত শুরু স্বঘোষিত ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে

    Godman: সরকারি জমি দখল করে উত্তরাখণ্ডে মন্দির নির্মাণ, তদন্ত শুরু স্বঘোষিত ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বঘোষিত এক ধর্মগুরু (Godman) সরকারি জায়গাতে অবৈধভাবে ১৬ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় তৈরি করেছেন এক মন্দির যা নিয়ে শুরু বিতর্ক। উত্তরাখণ্ডের তৈরি হওয়া এই মন্দিরকে গিরে স্থানীয় গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভও দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, উত্তরাখণ্ডের সুন্দরদুঙ্গা গ্লেসিয়ারের বাগেশ্বরে এই মন্দির নির্মাণ করেছেন বাবা যোগী চৈতন্য আকাশ। ইতিমধ্যে ওই ধর্মগুরুর (Godman) বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে তদন্তও।

    দৈব নির্দেশ পেয়েছেন বলে দাবি ওই বাবার (Godman) 

    স্বঘোষিত এই ধর্মগুরু (Godman) ইতিমধ্যে দাবি করেছেন যে আধ্যাত্মিক নির্দেশ বা দৈব নির্দেশ পাওয়ার পরেই পাওয়ার পরেই তিনি এই মন্দির তৈরি করেছেন। যে গ্রামে এই মন্দির তৈরি হয়েছে সেখানকার জনৈক বাসিন্দা মহেন্দ্র সিং ধামি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘বাবা আমাদেরকে মানে গ্রামবাসীদের প্রতিমুহূর্তে বোঝান যে তাঁর প্রকল্পকে সমর্থন করার জন্য এবং তিনি আমাদের বলেছেন দেবী ভগবতীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে তিনি এই মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।’’ প্রসঙ্গত, ওই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর দাবি, এই মন্দির নির্মাণ স্বপ্নাদেশে স্থানীয় দেবী কুণ্ডতে করতে বলা হয়েছে তাঁকে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দেবীকুণ্ড যা পবিত্র তীর্থস্থান বলে মনে করেন ভক্তরা, সেখানেই প্রতিদিন স্নান করেন এবং সাঁতার কাটেন ওই স্বঘোষিত ধর্মগুরু। এতে তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লাগছে বলেও দাবি গ্রামবাসীদের (Uttarakhand glacier) একাংশের।

    কী বলছেন স্থানীয় মহকুমা শাসক?

    অন্য আরেকজন গ্রামবাসী প্রকাশ কুমার তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আমাদের এখানে যা প্রথা রয়েছে, সেই প্রথাকে লঙ্ঘন করছেন ওই বাবা এবং গ্রামবাসীদের ভুল বুঝিয়েছেন।’’ জানা গিয়েছে, ওই স্বঘোষিত ধর্ম গুরুর মন্দির নির্মাণের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। কাপোকতের মহকুমা শাসক অনুরাগ আর্য সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘বন বিভাগের একটি দল, পুলিশ এবং রেভিনিউ অফিসাররা খুব শীঘ্রই দেবীকুণ্ড পরিদর্শন (Uttarakhand glacier) করতে যাবেন এবং সেখান থেকে অবৈধ নির্মাণ সরিয়ে ফেলবেন। যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে যোগী চৈতন্যের বিরুদ্ধে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 81: “পৃথিবী ছিল না, নিবিড় আঁধার, তখন কেবল মা নিরাকার মহাকালী—মহাকালের সঙ্গে বিরাজ করছিল”

    Ramakrishna 81: “পৃথিবী ছিল না, নিবিড় আঁধার, তখন কেবল মা নিরাকার মহাকালী—মহাকালের সঙ্গে বিরাজ করছিল”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ ও কথোপকথন

    চতুর্থ পরিচ্ছদের

    তমেব সূক্ষ্ম ত্বং স্থূলা ব্যক্তাব্যক্তস্বরূপিণী।

    নিরাকারপি সাকারা কস্তাং বেদিতুমর্হতি।।

    (মহানির্বাণতন্ত্র, চতুর্থোল্লাস, ১৫)

    বেদ ও তন্ত্র সমন্বয়—আদ্যাশক্তি ঐশ্বর্য

    যেমন জল, ওয়াটার, পানি। এক পুকুরে তিন-চার ঘাট; একঘাটে হিন্দুরা জল খায়, তারা বলে জল। একঘাটে মুসলমানেরা জল খায়, তারা বলে পানি। আর—এক ঘাটে ইংরেজরা জল খায়, তারা বলে ওয়াটার। তিন-ই এক, কেবল নামে তফাত। তাঁকে কেউ বলছে আল্লা, কেউ গড, কেউ বলছে ব্রহ্ম, কেউ কালী, কেউ বলছে (Kathamrita) রাম, হরি যীশু, দুর্গা।

    কেশব(সহাস্যে)—কালী কতভাবে লীলা (Ramakrishna) করেছেন, সেই কথাগুলি একবার বলুন।

    কেশবের সহিত কথা—মহাকালী ও সৃষ্টি প্রকরণ

    শ্রীরামকৃষ্ণ(সহাস্যে)—তিনি (Ramakrishna) নানা ভাবে লীলা করছেন। তিনি মহাকালী, নিত্যকালী, শ্মাশানকালী, রক্ষাকালী, শ্যামকালী। মহাকালী, নিত্যকালীর কথা তন্ত্রে আছে। যখন সৃষ্টি হয় নাই, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, পৃথিবী ছিল না, নিবিড় আঁধার, তখন কেবল মা নিরাকার মহাকালী—মহাকালের সঙ্গে বিরাজ করছিল।

    শ্যামাকালীর অনেকটা কোমল ভাব—বরাভয়দায়িনী। গৃহস্থবাড়িতে তাঁরই পূজা হয়। যখন মহামারী, দুর্ভিক্ষ, ভূমিকম্প, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি—রক্ষাকালীর পূজা করতে হয়। শ্মাশানকালীর সংহারমূর্তি। শব, শিবা (Ramakrishna), ডাকিনী, যোগিনী মধ্যে শ্মশানের উপর থাকেন। রুধিরদারা, গলায় মুণ্ডমালা, কটিতে নরহস্তের কোমরবন্ধ। যখন জগৎ নাশ হয়, মহাপ্রলয় হয়, তখন মা সৃষ্টির বীজ সকল কুড়িয়ে রাখেন। গিন্নীর কাছে যেমন একটা ন্যাতা-ক্যাতার হাঁড়ি থাকে, আর সেই হাঁড়িতে গিন্নী পাঁচরকম জিনিস তুলে রাখে (Kathamrita)। (কেশবের ও সকলের হাস্য)

    আরও পড়ুনঃ “সূর্যকে বাদ দিয়ে সূর্যের রশ্মি ভাবা যায় না, সূর্যের রশ্মিকে ছেড়ে সূর্যকে ভাবা যায় না”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET UG Result out: সুপ্রিম নির্দেশে নিট ইউজির রেজাল্ট আউট! প্রকাশিত হল শহর-সেন্টার ভিত্তিক ফলাফল

    NEET UG Result out: সুপ্রিম নির্দেশে নিট ইউজির রেজাল্ট আউট! প্রকাশিত হল শহর-সেন্টার ভিত্তিক ফলাফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস, বেনিয়ম-সহ একগুচ্ছ অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় দেশ। এরই মধ্যে এবার নিট ইউজি পরীক্ষার শহর-সেন্টার ভিত্তিক ফলাফল (NEET UG Result out) প্রকাশ করল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) এভাবে নিট ইউজি ফল প্রকাশ করার জন্যে নির্দেশ দিয়েছিল এনটিএ-কে। সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতেই এবার শনিবার, ২০ জুলাই অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে মেডিক্যাল প্রবেশিকার ফল নতুন ভাবে প্রকাশ করল কর্তৃপক্ষ।  

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে ফলপ্রকাশ (NEET UG Result out) 

    উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার এনটিএ-কে নিট ইউজি-র ফলাফল আপলোডের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে রেজাল্ট আপলোড করতে বলে শীর্ষ আদালত। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশ করেছে এনটিএ। তবে ওয়েবসাইটে পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশ করলেও, তাদের পরিচয় গোপন রাখার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এই পরীক্ষায় যাঁরা অংশ নিয়েছেন তাঁরা এনটিএ নিট-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট – exams.nta.ac.in/NEET/-এ ফলাফল দেখতে পারেন। এছাড়াও neet.ntaonline.in-এ ফলাফল চেক করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: ওড়িশার দিকে এগোচ্ছে নিম্নচাপ, রবিতে কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৫ মে স্নাতক স্তরের মেডিক্যালের প্রবেশিকার আয়োজন করে এনটিএ। এবার মোট ২৩.৩৩ লাখ পড়ুয়া সর্বভারতীয় এই পরীক্ষায় বসেছিলেন। মোট ৪,৭৫০টি কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল পরীক্ষা। যা ছড়িয়েছিল ৫৭১টি শহরে। দেশের বাইরে মোট ১৪টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষার আয়োজন করেছিল এনটিএ। এরপর গত ৪ জুন নিট ইউজির রেজাল্ট প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু তার পরই এই সর্বভারতীয় প্রবেশিকায় কারচুপির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয় দেশ। গোটা পরীক্ষার বাতিলের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয় একাধিক মামলা। পাশাপাশি আদালতের নির্দেশে ফের ১৫৬৩ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিতে হয়েছিল এনটিএ-কে। আর এরপরেই শনিবার সুপ্রিম (Supreme Court) নির্দেশে প্রকাশিত হল নিট ইউজি পরীক্ষার শহর-সেন্টার ভিত্তিক ফলাফল (NEET UG Result out)। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shravan Somvar: অল্পতেই সন্তুষ্ট হন মহাদেব, শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার কীভাবে পালন করবেন?

    Shravan Somvar: অল্পতেই সন্তুষ্ট হন মহাদেব, শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার কীভাবে পালন করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণ মাসকে (Shravan Somvar) মনে করা হয় মহাদেবের অতি প্রিয় মাস। শ্রাবণ মাসে শিব ভক্তরা প্রতি সোমবারেই দেবাদিদেব মহাদেবের উদ্দেশে পূজা অর্পণ করেন। ভক্তদের বিশ্বাস, মহাদেবের (Mahadev) আশীর্বাদে দূর হয় জীবনের যাবতীয় সমস্যা ও বাধা বিঘ্ন। জীবনে নেমে আসে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি। শাস্ত্র বিশারদরা বলেন, শ্রাবণ মাসের সোমবার পালনের সময় বিশেষ কিছু রীতি পালন করলে সন্তুষ্ট হন মহাদেব। রয়েছে বিশেষ কিছু পুজোর পদ্ধতিও। তাই শ্রাবণ মাসের সোমবারে (Shravan Somvar) ভগবান শিবের পুজো অত্যন্ত ফলদায়ক ও শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীরা বলছেন, যদি কারও কুণ্ডলীতে বিবাহের যোগ না থাকে বা বিবাহে বাধা আসে, তাহলে শ্রাবণ মাসের সোমবার পালনে সে বাধা কেটে যায়। শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবারে কীভাবে করবেন পুজো? সে নিয়েই আজকে আমাদের প্রতিবেদন।

    শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবারের (Shravan Somvar) পুজো পদ্ধতি

    ১) চলতি বছর শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার (Shravan Somvar) ২২ জুলাই। সোমবার সকালে স্নান করার পরে শিবের মন্দিরে যান। এক্ষেত্রে খালি পায়ে মন্দিরে যেতে পারলে ভালো হয়। জল ভর্তি পাত্র বাড়ি থেকে জল নিয়ে যান। মন্দিরের শিবলিঙ্গে তা অর্পণ করুন। ১০৮ বার শিব মন্ত্র জপ করুন। দিনে অন্ন গ্রহণ না করাই ভালো, শুধু ফল খান। সন্ধ্যায় আবার দেবাদিবের মন্ত্রগুলি জপ করুন। 

    ২) ভগবান শিবকে (Mahadev) খুশি করতে শ্রাবণ মাসের সোমবার শিবলিঙ্গে বিভিন্ন সামগ্রী নিবেদন করুন। গঙ্গাজল, বেলপাতা, ধুতুরা ফুল, ভাঙ, কর্পুর, দুধ, রুদ্রাক্ষ ভস্ম নিবেদন করুন। জ্যোতিষীরা বলছেন এই জিনিসগুলো অর্পণ করলে ব্যক্তির সৌভাগ্য জাগ্রত হয়।

    ৩) শিবের মাথায় জল ঢালার পর বেলপাতা, ধুতুরা ও আকন্দর মালা নিবেদন করতে হবে। প্রদীপ জ্বালিয়ে করতে হবে আরতি। পুজো শেষে উপোস ভাঙতে পারেন ফল খেয়ে। ভক্তি দিয়ে পুজো করলে জীবনের সমস্ত বাধা দূর হয় এবং বাড়িতে সুখ-সমৃদ্ধি আসে।

    কী কী করবেন না

    ১) শিবলিঙ্গে কখনই হলুদ, সিঁদুর, তুলসী, ডাল, কুমকুম, তিল, চাল, লাল ফুল, শঙ্খ সহ গঙ্গাজল অর্পণ করা উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা।

    ২) শিবলিঙ্গ কখনও প্রদক্ষিণ করবেন না। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহাদেব তাঁকে প্রদক্ষিণ করা পছন্দ করেন না। তাই শিবলিঙ্গ বা মহাদেবের মূর্তিকে ভুলেও প্রদক্ষিণ করবেন না।

    ৩) মহাদেবের আরাধনায় বেলপাতা জরুরি হলেও সোমবার ভুলেও বেলপাতা ছিঁড়বেন না। আপনি সোমবার পুজো করলে আগের দিন বেলপাতা গাছ থেকে তুলে রাখুন।

    ৪) শিবলিঙ্গের অভিষেক করতে জল এবং দুধ ঢালতে হয়। কিন্তু তার জন্য ভুলেও স্টিল বা তামার পাত্র থেকে শিবলিঙ্গে জল দেবেন না। কেবলমাত্র পেতলের পাত্র থেকেই শিবলিঙ্গে জল ঢালুন।

    ৫) উপবাসের সময় ভুলেও দুধ খাবেন না। শ্রাবণ মাসে মহাদেবকে দুধ নিবেদন করুন, শিবলিঙ্গে দুধ ঢালুন। এর ফলে কোষ্ঠী থেকে চন্দ্র দোষ দূর হবে এবং মনের অশান্তি কমবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে না গেলে আইসিডিএস কর্মীদের জরিমানার ফতোয়া জারি তৃণমূল নেতার

    Murshidabad: ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে না গেলে আইসিডিএস কর্মীদের জরিমানার ফতোয়া জারি তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ জুলাই সমাবেশে আইসিডিএস কর্মীদের যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল হুমায়ুন কবীর নামে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। আর সমাবেশে না গেলে দাবি মতো জরিমানা দিতে হবে। এমনই ফতোয়া জারি করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ফরাক্কার আমতলা এলাকায়। এই ঘটনা জানাজানি হতে এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    শহিদ সমাবেশের জন্য আইসিডিএস সেন্টার থেকে জোর করে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠল হুমায়ুন কবীর নামে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। তাঁর স্ত্রী পঞ্চায়েত সমিতির সমস্যা। ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিডিও এবং সিডিপিওর দ্বারস্থ হয়েছেন এক আইসিডিএস কর্মী। অভিযোগ পত্রে ফরাক্কার (Murshidabad) আমতলার ৬০ নম্বর কেন্দ্রের অঙ্গনওয়ারি কর্মী মহাশ্বেতা ঘোষ অভিযোগ করেছেন, “আমতলার  তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা রোজিনা খাতুনের স্বামী তথা স্থানীয় তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর বারবার আমাকে শহিদ সমাবেশে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। সমাবেশে না যাওয়ার কথা বললে জরিমানা বাবদ ১৫০০ টাকা দাবি করেন।” পরে, তিনি আরও বলেন, “ফরাক্কা এলাকায় আরও একাধিক আইসিডিএস কর্মীর কাছে ওই তৃণমূল নেতা জরিমানা  করেছেন। কারও কাছে দুহাজার টাকা, কারও কাছে আবার আড়াই হাজার টাকা দাবি করেছেন। আমি টাকা দিতে অস্বীকার করায় আমাকে হুমকি এবং মারধরের চেষ্টা করেন ওই তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা। তাতেই কার্যত আতঙ্কিত হয়ে নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।”

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে শহিদ সমাবেশের জন্য আইসিডিএস সেন্টার থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠলেও অভিযোগ একেবারে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা ওই আইসিডিএস কর্মীর বিরুদ্ধেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন স্থানীয় তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, “এই ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। আসলে আইসিডিএস কর্মী সেন্টার ঠিক মতো চালান না। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের প্রচুর অভিযোগ রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি, ওএমআর মূল্যায়ন সংস্থার কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    ED: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি, ওএমআর মূল্যায়ন সংস্থার কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকের টেট পরীক্ষার ওএমআর মূল্যায়নকারী সংস্থা এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় কোটি টাকা। তার মধ্যে নগদ অর্থ যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা ওই সংস্থার ফিক্সড ডিপোজিটও। প্রসঙ্গত, প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় (West Bengal Primary Recruitment case) দীর্ঘদিন ধরেই ইডি (ED) ও সিবিআইয়ের রাডারে রয়েছে এস বসু রায় সংস্থাটি। নিয়োগ দুর্নীতিতে ওএমআর শিট নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে সংস্থার বিরুদ্ধে।

    ওএমআর সংক্রান্ত তথ্য প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই আদালতে জানিয়েছিল সিবিআই

    ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটের ওএমআর শিট স্ক্যানিং এবং মূল্যায়নের দায়িত্বে ছিল এই সংস্থা। কিন্তু তদন্তে উঠে আসে ওএমআর সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য তারা নষ্ট করে ফেলে। এই ওএমআর সংক্রান্ত তথ্য প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই আদালতে জানিয়েছিল সিবিআই। ওএমআর তথ্যের সন্ধানে নেমে সিবিআই আদালতকে জানিয়েছিল, যে সার্ভারে ওএমআর শিট স্ক্যান করা হয়েছিল তা ২০১৭ সালেই বদলে ফেলে ওই সংস্থা। সার্ভার ক্রাশ করায় তা হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন সংস্থার তৎকালীন প্রধান। সেই নির্দেশই পালন করা হয়। সে সময়ে কলকাতা হাইকোর্ট তদন্তকারী সংস্থাকে জানিয়েছিল, ডিজিটাল তথ্য কখনও নষ্ট হয় না। প্রয়োজনে এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিতে পারে সিবিআই। কিন্তু যেভাবেই হোক তথ্য (West Bengal Primary Recruitment case) উদ্ধার করতে হবে।

    জেলে গিয়ে ইডির (ED) জেরা 

    হাইকোর্টের ওই নির্দেশ পাওয়ার পরে চলতি মাসের ৯ জুলাই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়ে এস বসু রায়-এর সংস্থার অফিসে গিয়ে হানা দেয় সিবিআই। শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। টানা কয়েকদিন ধরে চলে এই তল্লাশি অভিযান এবং সেখান থেকে ৩৫টিরও বেশি হার্ড ডিস্ক ও দুটি সার্ভার বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই। জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে ইডিও এস বসু রায়ের কয়েকজন কর্মচারী ও হিসাবরক্ষককে তলব করে জেরা করে। এই মামলায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন এস বসু রায়ের এক কর্মচারী ও এক শেয়ারহোল্ডার। তাঁরা বর্তমানে জেলে রয়েছেন। সেখানে গিয়েও তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি (ED) গোয়েন্দারা। তারপরে শনিবারই ইডির গোয়েন্দারা এস বসু রায় সংস্থার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share