Tag: Bengali news

Bengali news

  • Suvendu Adhikari: “দলীয় কর্মীর খুনিকে সাতদিনের মধ্যে ধরতে হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “দলীয় কর্মীর খুনিকে সাতদিনের মধ্যে ধরতে হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি কর্মী বন্ধুবিহারী মাহাতর খুনের ঘটনায়  আগামী সাতদিনের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে মূল অভিযুক্তকে, নাহলে এই মামলা কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে হস্তান্তরের জন্য আবেদন  জানাব”, শুক্রবার বাঁকুড়ার খাতড়ায় এসে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন খাতড়ার দেদুয়া গ্রামে প্রয়াত দলীয় কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু। দেন পাশে থাকার আশ্বাসও।

    পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের (Suvendu Adhikari)

    মঙ্গলবার খাতড়ার (Bankura) দেদুয়া গ্রামে মৃত্যু হয় বিজেপি কর্মী বন্ধুবিহারী মাহাতর। মৃতের ছেলে সনাতন মাহাত থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিজেপি কর্মী খুনে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অবিলম্বে সকল অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের পক্ষ থেকে করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বাদল মাহাত, হারু ওরফে হারাধন মাহাত ও তারাপদ পালকে গ্রেফতার করে। কিন্তু, মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    বুথে তৃণমূল হেরেছে, সেই আক্রোশে বিজেপি কর্মী খুন!

    এই ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবিতে খাতড়া পাম্প মোড় থেকে দাসের মোড় পর্যন্ত দলের কর্মীদের নিয়ে মিছিল করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। লাগাতার তোপ দাগেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তদন্তের আগেই মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে ঘটনাটিকে জমি নিয়ে বিবাদে গন্ডগোল বলে দাবি করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপ প্রধান তথা স্থানীয় তৃনমূল নেতা উত্তম মাহাতকে এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। সাতদিনের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করানোর জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানানো হবে। এদিন মৃতের বাড়িতে দাঁড়িয়ে এই ঘটনার জন্য বাঁকুড়ার নব নির্বাচিত সাংসদ তথা তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি অরূপ চক্রবর্তীকেও একহাত নেন শুভেন্দু। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “বন্ধুবিহারী  মাহাতর অপরাধ, ২০১৮ সাল থেকে তিনি বিজেপি করতেন। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তাঁর বুথে তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। সেই আক্রোশ থেকেই এই খুন। নিহত কর্মীর পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে তাঁর বাড়ির বাইরে সিসিটিভি লাগানোর কথা বলেছি। মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যর পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যে-কোনও সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছি।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Muharram in Pakistan: মহরমে হতে পারে জঙ্গি হামলা, পাক-সরকারকে সতর্ক করল পুলিশ

    Muharram in Pakistan: মহরমে হতে পারে জঙ্গি হামলা, পাক-সরকারকে সতর্ক করল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মহরমে (Muharram in Pakistan) পাকিস্তানে হতে পারে জঙ্গি হামলা, জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষেরও – এ নিয়েই সে দেশের সরকারকে সতর্ক করল করাচি পুলিশ (Karachi Police)। ইতিমধ্যে, একাধিক পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে করাচি পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট তারিক-ই-ইসলাম ইতিমধ্যে একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। মহরমে (Muharram in Pakistan) পুলিশকে ঠিক কীভাবে সতর্ক থাকতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। ওই নির্দেশিকা অনুযায়ী বলা হচ্ছে, সরকারি আধিকারিকদের লক্ষ্য বানাতে পারে জঙ্গিরা। মহরমের সময় তাই উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকরা যেন অবশ্যই পুলিশের নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থাকেন। এর পাশাপাশি যখন তাঁরা বাড়ি ফিরবেন, তখন যেন তাঁরা ইউনিফর্ম অথবা জুতো না পড়েন।

    সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত (Muharram in Pakistan) 

    গত ৮ জুলাই পাকিস্তানের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে সারাদেশ জুড়ে সেনা মোতায়েন করা হবে। মহরমকে কেন্দ্র করে করাচি পুলিশের (Karachi Police) পক্ষ থেকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে সিন্ধ প্রদেশ, বালোচিস্তান, খাইবার পাখতুনখোওয়া, ইসলামাবাদকে। জানা গিয়েছে, এই সমস্ত জায়গায় সেনা মোতায়েন করা হবে আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতির সামাল দিতে। পাকিস্তানের সংবিধানের ২৪৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী সে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার মনে করলে সেনা মোতায়েন করতে পারে।

    ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার আর্জি

    পাকিস্তানের ফেডারেল সরকার ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, সারা দেশে সেনা মোতায়ন করা হবে, পরিস্থিতির দেখে। প্রদেশ সরকারগুলি নিজেরাই ঠিক করবে কত সেনা মোতায়ন করা হবে এবং কোথায় কোথায় রুট মার্চ করবে সেই সেনা। এর আগেই পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সরকার কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছিল যে মহরমকে (Muharram in Pakistan) কেন্দ্র করে সাময়িকভাবে যেন ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকে ৬ থেকে ১১ জুলাইয়ের মধ্যে।

    শিয়া ও সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাদ 

    ইতিমধ্যে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যমে যে খবরগুলি প্রকাশিত হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র পাঞ্জাব প্রদেশেই ৫০২টি এমন স্থান আছে যেগুলো অতি স্পর্শকাতর। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানে মহরমকে কেন্দ্র করে শিয়া ও সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাদ বা সংঘর্ষ নতুন কিছু নয়। এর আগেও একাধিক বার এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এখন দেখার চলতি বছরের মহরমে পাকিস্তান সরকার তা কতটা সামাল দিতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    BJP: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স বিজেপি জোটের (BJP)। ১১টি আসনের মধ্যে ৯টিতেই জিতেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাজুটি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিধানসভার ওপরের কক্ষ হল বিধান পরিষদ (Maharashtra Legislative Council Poll)। এই নির্বাচনে সাধারণ জনতা অংশ নেয় না। পরিষদীয় নেতারাই নির্বাচনে অংশ নেন। ঠিক রাজ্যসভার মতোই। তবুও লোকসভা নির্বাচনের পর ধাক্কা সামলে এই জয়কে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    পাঁচটি আসন এসেছে বিজেপির (BJP) দখলে

    জানা গিয়েছে, ১১টি আসনের মধ্যে পাঁচটি আসন এসেছে বিজেপির দখলে। বিজেপির (BJP) পাঁচ জয়ী প্রার্থীর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে ছিলেন পঙ্কজা মুন্ডে, প্রয়াত বিজেপি নেতা গোপীনাথ মুন্ডের কন্যা। এর পাশাপাশি শিণ্ডে সেনা ও অজিত পাওয়ারের এনসিপির দুজন করে প্রার্থী জিতেছেন। অজিত পাওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘পাঁচজন কংগ্রেস বিধায়কের সাপোর্ট পেয়েছি আমরা। আমি তাঁদের ধন্যবাদ জানাই।’’ প্রসঙ্গত, বর্তমানে মহারাষ্ট্রে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা রয়েছে ১০৩, অজিত পাওয়ারের এনসিপির ৩৯, শিণ্ডে সেনার বিধায়ক সংখ্যা ৩৭।

    আরও পড়ুন: সবজি থেকে জামা-কাপড়, টিভি-ফ্রিজ, ডিজিটাল লেনদেনেই জোর তরুণ প্রজন্মের

    মহারাষ্ট্রে ইন্ডি জোট ফের একবার ধরাশায়ী হল এনডিএ-এর কাছে

    অন্যদিকে, কংগ্রেস এই নির্বাচনে (Maharashtra Legislative Council Poll) পেয়েছে মাত্র একটি আসন। চলতি বছরই মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ভোট। তার আগে এই জয় যে বিজেপিকে (BJP) বাড়তি স্বস্তি দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিধান পরিষদের এই ভোটে ১১টি আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১২। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত প্রথম চলে ভোটগ্রহণ। এরপর গণনা শুরু হয়। প্রবল বৃষ্টির কারণে ভোট গ্রহণের সময়সীমা বাড়ানোর দাবি তুলেছিল বিরোধীরা। যদিও তা মানা হয়নি। গণনার কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যায় চিত্র। মহারাষ্ট্রে ইন্ডি জোট ফের একবার ধরাশায়ী হল এনডিএ-এর কাছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 13 july 2024: বৃষ রাশির জাতকদের কপালে অপমান জুটতে পারে

    Daily Horoscope 13 july 2024: বৃষ রাশির জাতকদের কপালে অপমান জুটতে পারে

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) দাম্পত্য জীবনে একটু বুঝেশুনে চলতে হবে আজ।

    বৃষ

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে। সতর্ক থাকুন।

    মিথুন

    ১) খরচ বৃদ্ধিতে চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে। 

    কর্কট

    ১) শেয়ারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে। বুঝেশুনে লগ্নি করুন।

    ২) পেটের রোগে কষ্ট বাড়তে পারে।

    সিংহ

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে। শরীরচর্চা করুন।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে আজ।

    ২) বাড়তি আয় করতে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে। ভেবে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে আজ।

    ২) কোনও কারণে মনে ভীষণ সংশয় বা ভয় কাজ করবে। 

    ধনু

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না, কারণ তা রাখা কঠিন হবে।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন। 

    মকর

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে আজ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে। 

    কুম্ভ

    ১) শখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ। 

    মীন

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে। 

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘সংবিধান হত্যা দিবস শ্রদ্ধা জানাবে জরুরি অবস্থার ভুক্তভোগীদের’’, মন্তব্য মোদির

    PM Modi: ‘‘সংবিধান হত্যা দিবস শ্রদ্ধা জানাবে জরুরি অবস্থার ভুক্তভোগীদের’’, মন্তব্য মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ২৫ জুনকে ‘সংবিধান হত্যা দিবস’ (Samvidhaan Hatya Diwas) হিসেবে ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। ঠিক এই আবহেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থাকে ভারতবর্ষের ইতিহাসের কালো অধ্যায় বলে উল্লেখ করলেন। এর পাশাপাশি তাঁর আরও মন্তব্য, ‘‘সংবিধান হত্যা দিবস শ্রদ্ধা জানাবে জরুরি অবস্থার ভুক্তভোগীদের।’’

    কংগ্রেস ভারতীয় ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায়ের শুরু করেছিল,  বললেন মোদি (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘সংবিধানকে পদদলিত করার দিন হিসেবে এই দিনটিকে স্মরণ করা হবে।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘‘২৫ জুন সংবিধান হত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হবে দেশের সংবিধানকে পদদলিত করার স্মৃতি হিসাবে। একইসঙ্গে এই দিনটি তাঁদের শ্রদ্ধার্ঘ জানানোর জন্য, যাঁরা জরুরি অবস্থার ভুক্তভোগী ছিলেন। কংগ্রেস ভারতীয় ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায়ের শুরু করেছিল।’’

    লোকসভায় আগেই পাশ নিন্দা প্রস্তাব

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশ লোকসভার প্রথম অধিবেশনেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে একটি প্রস্তাব রাখা হয় যেখানে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জারি (Samvidhaan Hatya Diwas) করা জরুরি অবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে নিন্দা জানানো হয়। ওই প্রস্তাবে বলা হয়, ভারতবর্ষের ইতিহাসে ইন্দিরা গান্ধীর এমন সিদ্ধান্ত কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। দেশের লোকসভা এমন প্রস্তাব গ্রহণ করে ঠিক জরুরি অবস্থার ৫০ বছর পূর্তির এক বছর আগে। এরপরেই এদিন ২৫ জুনকে ‘সংবিধান হত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Samvidhaan Hatya Diwas: প্রতিবছর ২৫ জুন পালিত হবে ‘সংবিধান হত্যা দিবস’, ঘোষণা কেন্দ্রের

    Samvidhaan Hatya Diwas: প্রতিবছর ২৫ জুন পালিত হবে ‘সংবিধান হত্যা দিবস’, ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ জুন দিনটি এবার থেকে পালিত হবে ‘সংবিধান হত্যা দিবস’ (Samvidhaan Hatya Diwas) হিসেবে। শুক্রবার এমন ঘোষণাই করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর পাশাপাশি এ দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) এক্স হ্যান্ডেলে গেজেট নোটিফিকেশনের ছবি পোস্ট করে লেখেন, “১৯৭৫ সালের ২৫ জুন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁর স্বৈরাচারী মানসিকতার প্রমাণ দিয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন এবং গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করেছিলেন। লক্ষাধিক মানুষকে বিনা দোষে জেলে ভরা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল।”

    অমিত শাহের ট্যুইট (Samvidhaan Hatya Diwas)

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) আরও লেখেন, “ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতি বছর ২৫ জুন সংবিধান হত্যা দিবস (Samvidhaan Hatya Diwas) হিসাবে পালিত হবে। ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা চলাকালীন যারা অমানবিক কষ্ট সহ্য করেছিলেন, তাঁদের অবদানকে স্মরণ করবে।”

    চাপে ইন্ডি জোট

    মোদি সরকারের এমন সিদ্ধান্তে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে বিরোধী ইন্ডি জোট। কারণ ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধী জরুরি অবস্থা জারি করলে সে সময়ে সারা দেশের অধিকাংশ বিরোধী নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। সেই নেতাদের মধ্যে বর্তমানে কংগ্রেসের সঙ্গে অনেকে জোটেও রয়েছেন। এই দলগুলি মোদি সরকারের সিদ্ধান্তকে (Samvidhaan Hatya Diwas) কিভাবে মোকাবিলা করবে সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। অনেকের মতে, মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিরোধী ইন্ডি জোট বেশ খানিকটা দুর্বল হয়ে পড়ল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandakumar: রথের দিন থেকেই গমগম করছে ‘মিনি চিৎপুর’, সামাজিক যাত্রাপালার বুকিং তুঙ্গে

    Nandakumar: রথের দিন থেকেই গমগম করছে ‘মিনি চিৎপুর’, সামাজিক যাত্রাপালার বুকিং তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার যাত্রাপাড়া হিসেবে বহুল পরিচিত কলকাতার চিৎপুর। একের পর এক নামজাদা যাত্রাদল রয়েছে এই এলাকায়। বহু নামজাদা অভিনেতা-অভিনেত্রী এই যাত্রাদলগুলির সঙ্গে যুক্ত। তবে, কলকাতার পর যাত্রাদলের বুকিংয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয় জায়গা পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার (Nandakumar) বাজার। এখানে জাতীয় সড়কের ওপর গোল চৌকি রাস্তার পূর্ব পাড়ে রয়েছে একাধিক যাত্রা বুকিংয়ের অফিস। পূর্ব মেদিনীপুরের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে নন্দকুমারে ছুটে আসেন যাত্রাপ্রেমীরা। যে কারণে এই জায়গা ‘মিনি চিৎপুর’ নামে পরিচিত। প্রতি বছর রথের দিন থেকে যাত্রাপালা বুকিংয়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

    কয়েক ঘণ্টাতেই বুকিংয়ের সংখ্যা ৫০ পেরিয়েছে (Nandakumar)

    করোনার সময় থেকে যাত্রাপালা বুকিংয়ে ভাটা পড়েছিল। গত কয়েক বছর সেভাবে বুকিং পায়নি পূর্ব মেদিনীপুরের এই ‘মিনি চিৎপুর’ (Nandakumar)। এবার রথ উৎসবের দিন থেকে চিত্রটাই বদলে গিয়েছে। নন্দকুমারে যাত্রার বুকিং করতে এলে অনেকেই পরিচিত এজেন্টদের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। তেমনই এক এজেন্ট বলেন, “প্রতি বছরের মতো এ বারও রথের দিন সকাল থেকে আমরা অফিস সাজিয়ে বসেছিলাম। অন্যান্য বছর বেলা ১২টা থেকে বুকিংয়ের জন্য বিভিন্ন মেলা কমিটি এবং আয়োজকরা আসেন। এ বার সকাল ৭টা থেকে আয়োজকদের ভিড়ে উপচে পড়েছে অফিস। কয়েক ঘণ্টায় একটি অফিসে ১৬টি বুকিং পেয়েছি। বেশ কয়েকটি বুকিং অফিস মিলিয়ে রথের দিনের প্রথম কয়েক ঘণ্টাতেই বুকিংয়ের সংখ্যা ৫০ পেরিয়ে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    সামাজিক যাত্রাপালায় আগ্রহ বেশি

    এখন পালাগান বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সামাজিক যাত্রাপালার বিষয়ে বেশি আগ্রহী আয়োজকদের। রাজনীতির কচকচানি অথবা পৌরাণিক ঘটনা নিয়ে পালাগানে সে ভাবে আর আকৃষ্ট হচ্ছেন না দর্শক। ইন্টারনেটের যুগেও যে যাত্রাশিল্প হারিয়ে যায়নি, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন বুকিং এজেন্টরা। হলদিয়ার একটি কালীপুজো কমিটির সদস্য সুদীপ্ত মণ্ডল বুকিংয়ের জন্য এসেছিলেন নন্দকুমার (Nandakumar)। তিনি বলেন, “এখনও সাধারণ মানুষের কাছে যাত্রার বিপুল চাহিদা রয়েছে। অন্যান্য অনুষ্ঠানের তুলনায় যাত্রা দেখতে অনেক বেশি মানুষ ভিড় জমান। তাঁদের দাবি মতো আমরা এ বারেও যাত্রা বুকিং করে এসেছি।”

    প্রথমদিনেই ২২টি বুকিং!

    জয়গুরু নাট্য কোম্পানির মালিক অভিনেত্রী জয়া ভট্টাচার্য বলেন, “আমি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে যাত্রা করেছি। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়েছি আমরা। মাঝে একটা সময়ে যাত্রাশিল্পে (Yatra) চরম দুর্দশা তৈরি হয়েছিল। তারপর তিনবছর হল আমরা নিজেরাই দল গড়েছি। প্রথম বছর ১৭৫টি শো করেছিলাম। গত বছর ১৬১টি যাত্রাপালা (Yatra) করেছি। এ বার প্রথম দিনেই ২২টি বুকিং পেয়েছি। আশা করছি, গত ২ বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagan Mohan Reddy: বিধায়ককে খুনের চেষ্টা করেছিলেন জগন? মামলা দায়ের চন্দ্রবাবুর পুলিশের 

    Jagan Mohan Reddy: বিধায়ককে খুনের চেষ্টা করেছিলেন জগন? মামলা দায়ের চন্দ্রবাবুর পুলিশের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সভাপতি জগনমোহন রেড্ডির (Jagan Mohan Reddy) বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করল চন্দ্রবাবু নাইডুর পুলিশ। জানা গিয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহনের পাশাপাশি দুই আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একদা জগনমোহন রেড্ডির (Jagan Mohan Reddy) দলের সাংসদ ছিলেন রঘুরাম কৃষ্ণাণ রাজু। বর্তমানে তিনি চন্দ্রবাবুর দলের বিধায়ক। তাঁকেই খুনের চেষ্টার অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    জগনের (Jagan Mohan Reddy) বিরুদ্ধে মন্তব্যের কারণে গ্রেফতারি ২০২১ সালে

    ২০২১ সালের মে মাসে তৎকালীন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডির (Jagan Mohan Reddy) বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাজুকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সম্প্রতি, পালাবদল হয়েছে দক্ষিণের এই রাজ্যে। এনডিএ শরিক হিসেবে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছেন চন্দ্রবাবু। ঠিক এই আবহে অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের কাছে রাজু অভিযোগ করেন, ২০২১ সালে তাঁকে হায়দরাবাদে গ্রেফতার করার পর গুন্টুরে জেলা সিআইডি দফতরে পাঠানো হয়েছিল। সেখানেই তৎকালীন সিআইডি প্রধান পিভি সুনীল কুমার এবং এক আইপিএস অফিসার পি সীতারামঞ্জনেয়ুলুর নেতৃত্বে অত্যাচার করা হয় তাঁর ওপর। রাজু আরও অভিযোগ করেছেন, জগনমোহনের বিরুদ্ধে মন্তব্য করা বন্ধ না করলে খুন করার হুমকিও দেওয়া হয় তাঁকে।

    পুলিশের (Andhra Pradesh police) গাড়ির ভিতর আমায় মারধর করা হয়েছিল

    অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, “আমার বিরুদ্ধে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল। আমায় অত্যাচার করা হয়েছিল, পুলিশের (Andhra Pradesh police) গাড়ির ভিতর আমায় মারধর করা হয়েছিল। জোর করে আমায় গুন্টুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।” ওই বিধায়কের আরও জানিয়েছেন, গ্রেফতারির কয়েক সপ্তাহ আগেই তাঁর ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছিল। গুন্টুর হাসপাতালে তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হলেও, সেখানে মিথ্যা রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল যে তাঁর শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্ন নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: বর্ধমানে চোর সন্দেহে গণ-পিটুনি! পুলিশের গায়ে হাত তুললেন উত্তেজিত জনতা

    Burdwan: বর্ধমানে চোর সন্দেহে গণ-পিটুনি! পুলিশের গায়ে হাত তুললেন উত্তেজিত জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই ছেলে ধরা সন্দেহে গণ-পিটুনির অভিযোগ উঠছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। একাধিক জায়গায় গণ-পিটুনির জেরে মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। ছেলে ধরার জের কাটতে না কাটতেই এবার চোর সন্দেহে আটকে মারধরের অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানের (Burdwan) দেওয়ানদিঘি এলাকায়। আর পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশও।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের কাছে খবর আসে আলমপুরে (Burdwan) চারজনকে ঘিরে চোর সন্দেহে মারধর করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এলাকায় কয়েকদিন ধরে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন ওই ব্যক্তিরা। প্লাস্টিকের জিনিস বিক্রি করতেন তাঁরা। মূলত মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা সকলে। তাঁদেরকে চোর সন্দেহ করে এলাকার লোকজন বেধড়ক পেটান। পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের ওপরও চড়াও হন গ্রামের লোকজন। হেনস্থার শিকার হন পুলিশ কর্মীরা। গ্রামের লোকজনের বক্তব্য, এলাকায় এসে তাঁরা চুরির ছক কষছিলেন। আমাদের আশঙ্কা, পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেবে। সেটা চলবে না। এটা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসা হয়। জানা গিয়েছে, চারজনকে উদ্ধারে বাধা দেন এলাকাবাসী। পরে, বিশাল বাহিনী গিয়ে পুলিশ কর্মীর পাশাপাশি চারজনকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জেলা পুলিশ (Police) সুপার (Burdwan) আমন দীপ বলেন, “আমাদের কাছে খবর আসে চোর সন্দেহে গ্রামে চারজনকে মারধর করা হয়েছে। এরপরই পুলিশের দু’টো গাড়ি পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পুলিশ (Police) সেখানে গিয়ে চারজনকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। সেই সময় পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। ফলে, পরিস্থিতি সামাল দিতে ফের ডিএসপির নেতৃত্বে একটা টিম সেখানে ফের যায়। বড় বাহিনী পাঠানো হয়। পুলিশের গায়ে হাত তোলার অভিযোগে আমরা মোট ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছি। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আমরা হেফাজতে নিতে চাই তাদের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bagda: নাইনএমএম পিস্তল হাতে তৃণমূল কর্মী? ছবি ফাঁস করে গ্রেফতারের দাবি বিজেপির

    Bagda: নাইনএমএম পিস্তল হাতে তৃণমূল কর্মী? ছবি ফাঁস করে গ্রেফতারের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাইনএমএম পিস্তল হাতে এক যুবকের ছবি আনল বিজেপি। বাগদায় (Bagda) উপনির্বাচনের দিনে কার্যত এই তৃণমূল (TMC) নেতা বন্দুক হাতে নিয়ে দাপিয়ে বেরিয়েছেন। যদিও এই মারাত্মক অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ এখনও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ইতিমধ্যে সামজিক মাধ্যমে এই ছবি ব্যাপক ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

    কেন পুলিশ গ্রেফতার করেনি (Bagda)?

    গত বুধবার ১০ জুলাই, বাগদা (Bagda) উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ পর্ব ছিল। এই দিনে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যের কথা সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়ে উঠেছিল। বিজেপি বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেছেন, “পিস্তল হাতে এই ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী। এই উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা হয়েছিল। ১৮৬, ১৮৭, ১৮৮ এবং মালিপোঁতা পঞ্চায়েতে হামলা হয়েছে। এই লোকটি পিস্তল নিয়ে দাপিয়ে বেরিয়েছে। আমরা কোন রাজ্যে বসবাস করছি? পুলিশকে তথ্য দিয়ে অভিযোগ করলেও কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। গ্রেফতার পর্যন্ত করা হয়নি।” আবার বিজেপি নেতা রাহুল সিন্‌হা বলেছেন, “তৃণমূল নেতারা আইনের কথা বলে দুষ্কৃতীদের উস্কানি দিচ্ছেন। দোষীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে শাসক দল।”

    সরকারি রিভলভার কীভাবে বাইর পৌঁছচ্ছে?

    অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্তা অরিন্দম আচার্য এই বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, “এই পিস্তল (Bagda) কারা বিক্রি করছে, আর কারাই বা বাইরে সরবরাহ করেছে, তা নম্বর দেখেই খুব সহজেই চিহ্নিত করা যায়। এই সব বিষয়ে সঠিক ভাবে তদন্ত না হলে আগামীদিনে আরও ভয়ঙ্কর অবস্থা নেবে। সরকারি রিভলভার কীভাবে বাইরে পৌঁছচ্ছে?”

    আরও পড়ুনঃ সিকিম যাওয়ার পথে বন্ধ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক! বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    নির্বাচন একেবারে শান্তিপূর্ণ হয়েছে

    তৃণমূলের জেলা (Bagda) সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেছেন, “এই নির্বাচন একেবারে শান্তিপূর্ণ হয়েছে। মানুষ উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন। আমরা বিপুল সংখ্যক ভোটে জয়ী হব বলে, বিজেপি কুৎসা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। বিজেপি সমাজ বিরোধীদের আশ্রয় দিয়ে থাকে। দুই একজন সমাজ বিরোধীদের ছবি প্রকাশ করে কার্যত নিজেদের মুখ ঢাকতে চেষ্টা করছে। কিন্তু এই ভাবে কাজ হবে না। মানুষ আমাদের পাশে রয়েছেন।” আবার তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, “ভোটের দিনে এমন ঘটনা ঘটলে কেন্দ্রীয় বাহিনী কী করছিল? নির্বাচন কমিশনই কোথায় ছিল? দেবদাসবাবু কেন বাহিনীকে ডেকে ধরিয়ে দিলেন না।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share