Tag: Bengali news

Bengali news

  • Daily Horoscope 17 August 2024: প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ বাধতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 17 August 2024: প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ বাধতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) পেটের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন। 

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    বৃষ

    ১) প্রবাসীদের জন্য ভালো সময়।

    ২) স্ত্রীর সঙ্গে তর্ক না করাই ভালো হবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    মিথুন

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসার জন্য বাড়তি অর্থ বিনিয়োগ প্রয়োজন। 

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) আয় ভালো থাকলেও অভাব সহজে দূর হবে না।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুবিবেচক ব্যক্তি হিসাবে উন্নতির যোগ।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) মিথ্যা বদনাম রটতে পারে।

    ২) ব্যবসায় পরিশ্রম বৃদ্ধি পেলেও লাভ ভালো হবে।

    ৩) সতর্কভাবে চলা ফেরা করুন।

    তুলা

    ১) পিতামাতার সঙ্গে মতের অমিল হতে পারে।

    ২) চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন। 

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) বাকপটুতায় সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবেন।

    ২) জনহিতকর কাজে সুনাম পাবেন।

    ৩) সবাই প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) সন্তানের জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সঙ্গে ধর্ম নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন। 

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মকর

    ১) শত্রুদের থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) বাড়তি খরচ হতে পারে। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) কোনও বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) মানসিক অস্থিরতার জন্য কোনও ভালো কাজ হাতছাড়া হতে পারে। 

    ৩)  ধৈর্য ধরুন।

    মীন

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) সমাজের কাজে প্রশংসা পাবেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dhaka University: আরজি কর কাণ্ডে এপার বাংলার আদলে রাত দখলে নামছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা

    Dhaka University: আরজি কর কাণ্ডে এপার বাংলার আদলে রাত দখলে নামছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে ডাক্তারি পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন চলছে। বাড়ির মেয়েরা রাস্তায় নেমে গর্জে উঠেছিলেন ১৪ অগাস্ট। বুধবারের সেই রাতের সাক্ষী ছিলেন দেশবাসী। এবার এপার বাংলার আন্দোলনের ঢেউ গিয়ে পড়ল ওপার বাংলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dhaka University) মেয়েরা ডাক দিলেন রাত দখল করো কর্মসূচির। ১৬ অগাস্ট শুক্রবার রাত ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক পালাবদলের পর অশান্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। এই আবহের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের এই কর্মসূচি ঘোষণার কথা জেনে খুশি এপার বাংলার আন্দোলনকারীরা।

    কী কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে? (Dhaka University)

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dhaka University) মেয়েরা ডাক দিল রাত দখল করার কর্মসূচির। শুক্রবার রাত ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাস বিরোধী রাজু স্মারক ভাস্কর্যের সামনে জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এদিনের এই কর্মসূচির পোস্টার। সেখানে লেখা, ‘‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে পূর্বের প্রতিটি ধর্ষণ মামলার প্রকৃত তদন্ত ও বিচারের দাবিতে এবং কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে চলমান প্রতিবাদের সংহতিতে মেয়েরা রাত দখল করো।‘‘ বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলনে নেমেছিল দেশের ছাত্র-যুবরা। আন্দোলনের ঝাঁঝ এতটাই ছিল যে সংরক্ষণ সংক্রান্ত বাংলাদেশের যে আইন, তা বদলে বাধ্য হয়েছিল সে সময় মসনদে থাকা হাসিনা সরকার। এরপর পদ্মার জল অবশ্য অনেক দূর গড়ায়।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    রাস্তায় নেমে আন্দোলন

    প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই আরজি করের (RG Kar Incident) এক মহিলা ডাক্তারি পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয় সেমিনার রুম থেকে। তাঁকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ইতিমধ্যেই কলকাতার সীমা ছাড়িয়ে প্রতিবাদের ঢেউ মুম্বই থেকে দিল্লি কিংবা বেঙ্গালুরুতে আছড়ে পড়েছে। দেশের বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠন প্রতিবাদ জানিয়েছে আরজি করের ঘটনার। বাংলাদেশ থেকেও সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন অনেকেই। এবার সরাসরি পথে নামা। হাসিনার পতন, বাংলাদেশে অস্থিরতা এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন। আপাতত রাজনৈতিক ঝড়ঝাপ্টা সামাল দিয়েছে বাংলাদেশ। এবার কলকাতায় আরজি করের পাশে দাঁড়াতে ডাক দিল বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University)। সেখানে শুক্রবার রাতে জমায়েত। এপার বাংলার মতোই মহিলারা ওপারে রাত দখলে নামছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা হলে ৬ ঘণ্টার মধ্যেই এফআইআর! নির্দেশ কেন্দ্রের

    RG Kar Incident: কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা হলে ৬ ঘণ্টার মধ্যেই এফআইআর! নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে উত্তাল গোটা দেশ। এরই মধ্যে এবার চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কোনও প্রকার হিংসার ঘটনা ঘটলে ছয় ঘণ্টার মধ্যে মামলা রুজু করার নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Health Ministry)।

    কী জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক? (RG Kar Incident) 

    ১৬ অগাস্ট শুক্রবার, দেশের সবকটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিকে একটি মেমো পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Health Ministry)। চিকিৎসক কিংবা কোনও স্বাস্থ্য কর্মীর ওপর হামলা কিংবা হিংসার খবর পাওয়া গেলে ছয় ঘণ্টার মধ্যে তা নিয়ে এফআইআর দায়ের করতে হবে কর্তপক্ষকে। এমনটাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়, “সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে কর্তব্যরত থাকাকালীন হেনস্থা বা মারধরের শিকার হয়েছেন। অনেক সময় গালিগালাজ বা মৌখিক হেনস্থার মুখেও পড়তে হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ঘটনায় জড়িত থাকে রোগী বা রোগীর পরিবার।” তাই এবার থেকে এমন কোনও ঘটনা ঘটলে অভিযোগ জানানোর দায়িত্ব নিতে হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই। 

    আগে কী ঘটেছিল? (RG Kar Incident) 

    আরজি করের চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় ১৪ অগাস্ট রাতে মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচি পালনের সময় আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে তাণ্ডব চালায় একদল দুষ্কৃতী। তছনছ করা হয় হাসপাতালের একাধিক বিভাগ। আক্রান্ত হন হাসপাতালের বেশ কয়েকজন চিকিৎসাকর্মী। এই ঘটনার পরই এবার কড়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    আরও পড়ুন: তলবেও মেলেনি সাড়া! প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে রাস্তা থেকে তুলল সিবিআই

    নিরাপত্তার দাবিতে পথে নেমেছে ডাক্তাররা

    অন্যদিকে, আরজি করের ঘটনার (RG Kar Incident) পর স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিতে নিরাপত্তার দাবিতে এবার পথে নেমেছে ডাক্তাররা। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য কড়া পদক্ষেপের দাবি উঠছে বারবার। দিল্লি এইমস, সফদরজং হাসপাতাল, রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালের চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। প্রতিবাদে যোগ দিয়েছে চিকিৎসকদের সর্বভারতীয় সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (IMA)। আইএমএ জানিয়েছে, শনিবার ১৭ অগাস্ট সকাল ৬টা থেকে রবিবার ১৮ অগাস্ট সকাল ৬টা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। এই ২৪ ঘণ্টা দেশের চিকিৎসকেরা, শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় পরিষেবা ছাড়া আর কোনও পরিষেবা দেবেন না। বিবৃতিতে চিকিৎসক সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, ‘সমস্ত প্রয়োজনীয় পরিষেবা চালু থাকবে।’ অর্থাৎ আপৎকালীন পরিষেবা ছাড়া এই ২৪ ঘণ্টায় সবরকম পরিষেবা দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন চিকিৎসকেরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: তলবেও মেলেনি সাড়া! প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে রাস্তা থেকে তুলল সিবিআই

    CBI: তলবেও মেলেনি সাড়া! প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে রাস্তা থেকে তুলল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের মূল পাণ্ডা নাকি প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ! তাঁর শাস্তির দাবিতে বার বার সরব হয়েছেন আন্দোলনকারীরা। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস দেখায়নি। আদালতের নির্দেশে এই মামলায় তদন্ত শুরু করে সিবিআই। তলব করার পরও সিবিআইয়ের (CBI) ডাকে সাড়া দেননি আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। শাসক দলের ওপরতলার হাত মাথায় রয়েছে ভেবে সব কিছুকেই তিনি ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে চাইছিলেন। আশা করেছিলেন সিবিআই তার টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারবে না। তাঁর সব আশাতে জল ঢেলে দিল সিবিআই। শুক্রবার দুপুরে রাস্তা থেকে প্রাক্তন অধ্যক্ষকে তুলে নিয়ে গেল সিবিআই। বিষয়টি প্রকাশ্যে সিবিআইয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সকলে।

     ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (CBI)

    সূত্রের খবর, সন্দীপ ঘোষ এদিন দুপুরে স্বাস্থ্যভবনে গিয়েছিলেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক সেখানে ছিলেন বলে খবর। সেখান থেকে ফেরার পথে তুলে নিয়ে যায় সিবিআই (CBI)। এর আগে কলকাতা পুলিশ, সিবিআই উভয়ই ডেকেছিল। কারও ডাকেই সাড়া দেননি। উল্টে বলেন, নিরাপত্তার কারণে তিনি যেতে পারেননি। এরপর থেকে সন্দীপের বাড়ির সামনে সাদা উর্দিধারী পুলিশও মোতায়েন রয়েছে। এবার সিবিআই তাঁকে নিয়ে গেল। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সিবিআই আরজি করের প্রাক্তন সুপারসহ তিনজন চিকিৎসককে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে। টালা থানার ওসির কাছে থেকে নথি সংগ্রহ করে সিবিআই। এবার প্রাক্তন অধ্যক্ষকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় সিবিআই।

    কেন মাঝরাস্তা থেকে পাকড়াও সন্দীপ ঘোষ?

    প্রসঙ্গত, সন্দীপ সেই ব্যক্তি, যাঁর বিরুদ্ধে মৃতদেহ লোপাটের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালে এই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে নিয়ে এসেছিলেন আরজিকর হাসপাতালেরই এক চিকিৎসক। সন্দীপ ঘোষ এদিনই হাইকোর্টে জানিয়েছিলেন, তাঁর বাড়িতে বিক্ষোভ চলছে। তাই সিবিআইয়ের সমন পেয়েও হাজিরা দিতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে খবর, এরপরই সিবিআই আধিকারিকরা সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সল্টলেকের একটি জায়গা থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিয়ে সিবিআই দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রশ্ন উঠছে, এভাবে মাঝরাস্তা থেকে সন্দীপ ঘোষকে নিয়ে যাওয়া হল কেন? তাহলে কি সিবিআই কোনওভাবে মনে করছে, এই মামলায় আরজি করের  (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষের বয়ান তাৎপর্যপূর্ণ?

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন

    শুক্রবারই সন্দীপ পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। উচ্চ আদালতের কাছে দ্রুত শুনানির আর্জি জানান। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে আদালত জানিয়ে দেয় সোমবার আবার আবেদন করতে। জানা গিয়েছে, আরজি করে চিকিৎসক ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার পর পরই অধ্যক্ষের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সন্দীপ। তবে তার মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ করা হয়। যদিও সেখানে বিক্ষোভ শুরু হয় সন্দীপের বিরুদ্ধে। তিনি ওই হাসপাতালে যাওয়ার আগে অধ্যক্ষের ঘরে তালা দেন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক পড়ুয়ারা। ঘটনাক্রমে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে চলে যান সদ্য প্রাক্তন অধ্যক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: বিজেপির ধর্নায় উত্তেজনা, মঞ্চ খুলে দেয় পুলিশ! আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দলের

    RG Kar Incident: বিজেপির ধর্নায় উত্তেজনা, মঞ্চ খুলে দেয় পুলিশ! আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) তরুণী ডাক্তার খুন-ধর্ষণের প্রতিবাদে বিজেপির ধর্না কর্মসূচি ঘিরে তুমুল উত্তেজনা শ্যামবাজারে। ১৪ আগস্ট রাতে রাজ্য জুড়ে আন্দোলন-প্রতিবাদের মাঝেই হামলা চলে আরজি করে। ভাঙচুর চলে হাসপাতালের একাধিক জায়গায়। সেই হামলার প্রতিবাদে এবং আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় (RG Kar Incident) বিচার চেয়ে ধর্না কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিজেপি। এদিন শ্যামবাজারে ধর্নায় বসার কথা ছিল গেরুয়া শিবিরের নেতা-নেত্রীদের। কিন্তু শুক্রবার সকাল হতেই অভিযোগ ওঠে অবস্থান মঞ্চ ভেঙে দেওয়ার। পরে একে একে বিজেপির নেতা-নেত্রীরা হাজির হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করতেই নতুন করে বাড়ে উত্তেজনা। পুলিশ আটকাতে গেলে, রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়।

    বিজেপির অভিযোগ (BJP Workers) 

    এদিন ১১টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত পথ অবরোধের পরিকল্পনা ছিল বিজেপির। স্থির হয়েছিল আরজি কর হাসপাতালের অদূরে শ্যামবাজার ১ নম্বর মেট্রো স্টেশনের কাছে ধর্নামঞ্চ বেঁধে প্রতিবাদ চলবে। মেট্রো স্টেশনের এক নম্বর গেটের কাছে গতকালই মঞ্চ বেঁধেছিল গেরুয়া শিবির। শুক্রবার ওই ধর্নামঞ্চে অবস্থানে বসার কথা ছিল রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। মঞ্চ বাঁধার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তবে বিজেপি যুব মোর্চার দাবি, ভোর পাঁচটাতেও ধর্নামঞ্চে ছিলেন তাঁরা। কিন্তু বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, সকাল ১০টা নাগাদ তাঁরা গিয়ে দেখেন ধর্নামঞ্চ উধাও। এ ঘটনায় গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, পুলিশই মঞ্চ খুলে নিয়ে গিয়েছে। যদিও পুলিশের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। 

    বিজেপি নেতা-নেত্রীকে চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    এই ঘটনার পরে ওই জায়গাতেই ফের মঞ্চ বাঁধার তোড়জোড় শুরু করে বিজেপি। জানা গিয়েছে, সেই সময়ই বিজেপি নেতা-কর্মীদের (BJP Workers) বাধা দেয় পুলিশ। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। পরে হাজির হন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ও। পুলিশ তাদের আটকাতে গেলে, রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। বিজেপি নেতা উমেশ রায় সহ একাধিক নেতা-নেত্রীকে কার্যত চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয় র‌্যাফ। কাঁদানে গ্যাস নিয়েও হাজির হয় পুলিশ। ফলে সব মিলিয়ে তৈরি হয় চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। 

    আরও পড়ুন: পোস্ট ডিলিটের ‘হুমকি’! নেটিজেনদের নোটিশ পাঠাল কলকাতা পুলিশ, সরব বিজেপি

    আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার (RG Kar Incident) 

    এ ঘটনা প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা পল সহ বিজেপি নেতা-কর্মীদের (BJP Workers) অভিযোগ, রাজ্য সরকার আরজি কর-কাণ্ডে অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে, আর যাঁরা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের গায়ের জোরে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর পরেই অগ্নিমিত্রা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘বুধবার রাতে আরজি করে হামলার ঘটনায় পুলিশের কোনও ভূমিকা দেখা যায়নি, অথচ বিজেপির ধর্নায় কেন এত তৎপর পুলিশ?’’ একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “প্রভাবশালীর আত্মীয় আরজি করের ঘটনায় যুক্ত। কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে আসছে। মুখ্যমন্ত্রী বা পুলিশ প্রশাসন কারও ওপর আমাদের ভরসা নেই।” এরপরেই পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল জানিয়েছেন, ‘‘আমরা আদালতে যাচ্ছি..।’’
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: পোস্ট ডিলিটের ‘হুমকি’! নেটিজেনদের নোটিশ পাঠাল কলকাতা পুলিশ, সরব বিজেপি

    RG Kar Incident: পোস্ট ডিলিটের ‘হুমকি’! নেটিজেনদের নোটিশ পাঠাল কলকাতা পুলিশ, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) রাজ্যজুড়ে আন্দোলন জোরদার হচ্ছে। বুধবার রাতে রাস্তায় নেমেছিলেন মহিলারা। শনিবার দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে আইএমএ। আর লাগাতার এই আন্দোলনে চরম ব্যাকফুটে শাসকদল তৃণমূল। আন্দোলনেও সামিল হয়েছে নেটিজেনরা। সমাজ মাধ্যমে আরজি করকে সামনে রেখে একের পর এক জ্বালাময়ী পোস্ট তৃণমূলের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছে। তাই, নেটিজেনদের মুখ বন্ধ করতে আসরে নেমেছে মমতার পুলিশ (Kolkata Police)। এমনিতেই রাজধানীর বুকে ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনার পর থেকে তথ্য লোপাট করতেই ব্যস্ত ছিল পুলিশ। যতদিন পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে ছিল মূল অভিযুক্তদের ধরার বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্টে এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আরজি কর কাণ্ড (RG Kar Incident) নিয়ে করা পোস্ট ডিলিট করতে তারা বাড়ি বাড়ি ছুটছে। এমনই অভিযোগ নেটিজেনদের। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।

    লেখক শেফালি বৈদ্যকে হুমকি চিঠি পুলিশের! 

    বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) সাইবার ক্রাইম বিভাগের তরফে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘‘পোস্ট ডিলিট করে দিন। আর ভবিষ্যতে এরকম কাজ থেকে বিরত থাকবেন। সেটা মেনে না চললে আইনের নির্দিষ্ট ধারার আওতায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে (RG Kar Incident)। এমন কয়েকজনকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যাঁরা আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট করেছিলেন। লেখক শেফালি বৈদ্য অভিযোগ করেন, ‘‘আমার বাকস্বাধীনতার অধিকার প্রয়োগ করে স্রেফ কয়েকটি প্রশ্ন করার জন্য কলকাতা পুলিশের থেকে হুমকি (Kolkata Police) দেওয়া চিঠি পেলাম। কলকাতা পুলিশের ক্ষমতা ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর যে দমিয়ে দিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার, সেটার প্রকৃষ্ট উদাহরণ এটা।’’

    দুষ্কর্মের টাকার যেত তৃণমূল নেতাদের পকেটে!

    সেইসঙ্গে তিনি জানান, পুলিশের নির্দেশে ‘ভয়’ পেয়ে পোস্ট মুছে দিচ্ছেন না। বরং আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (RG Kar Incident) এবং হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে যা হয়েছে, তারপর নিজের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পোস্ট মুছে দিচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি। দেবায়ন সেন নামে এক ব্যক্তিকে নোটিশ পাঠিয়েছে কলকাতা পুলিশ। যে পোস্টটি ডিলিট করতে বলে নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাতে দেবায়নবাবু লিখেছেন, ‘‘সংবাদমাধ্যমে যা প্রকাশিত হয়নি, নিহত চিকিৎসক আরজি কর মেডিক্যালে ড্রাগ, যৌন, ওষুধ ও অঙ্গ পাচার চক্রের ব্যাপারে জেনে ফেলেছিলেন। যাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সম্পূর্ণ সমর্থন ছিল। এই সব দুষ্কর্মের টাকার একাংশ তৃণমূল নেতাদের পকেটে যেত। এখন সঞ্জয় রায়কে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে।’’

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    কী বললেন সুকান্ত?

    সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট (RG Kar Incident) ডিলিট করতে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) নির্দেশ নিয়ে সরব হয়েছেন নোটিশ প্রাপকরা। শুক্রবার এক পোস্টে সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে এনেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘‘নোটিশ পাঠিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছে তৃণমূলের পুলিশ। যারা সুবিচারের দাবি জানাচ্ছেন তাঁদের প্রতি: আমরা তৃণমূলের পুলিশের হুমকিতে ভয় পাই না। আমরা লক্ষ্যে অবিচল অটল দৃঢ়তায় ন্যায়ের লক্ষ্যে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। বাক স্বাধীনতা হরণ করতে কলকাতা পুলিশ নোটিশ পাঠিয়ে যাক।’’ সুকান্তবাবু তাঁর পোস্টে ৩ জনকে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম থানার পাঠানো নোটিশ প্রকাশ করেছেন। সাইবার ক্রাইম থানার ডেপুটি কমিশনারের তরফে নোটিশগুলি প্রকাশ করা হয়েছে। পোস্ট ডিলিট না করলে তা ধর্তব্যযোগ্য অপরাধ গণ্য হবে বলে পুলিশের তরফে হুমকি দেওয়া হয়েছে (RG Kar Incident)।

    To everyone demanding justice for #BengalDoctor :

    We will not be intimidated by TMC police. Our resolve remains unshaken. We will continue to fight for justice with unwavering determination.

    Let TMC police issue notices in an attempt to stifle free speech. pic.twitter.com/6MgYO1YiGx

    আক্রমণ শানিয়েছেন অমিত মালব্য

    এই বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি বলেন, ‘‘সাধারণ নাগরিকদের ভয় দেখানোর পরিবর্তে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্তে (RG Kar Incident) যদি মনোনিবেশ করত কলকাতা পুলিশ, তাহলে কাজে দিত। কলকাতা পুলিশ এবং তাদের মধ্যরাতের ছলচাতুরি কোনওদিন শেষ হবে বলে মনে হচ্ছে না। রাত ১ টা ৩৭ মিনিটে লোকজনকে পোস্ট ডিলিট করতে বলছে। হাস্যকর।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ঐতিহাসিক পদক্ষেপ! স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশে গেল ইসরোর ক্ষুদ্রতম রকেট

    ISRO: ঐতিহাসিক পদক্ষেপ! স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশে গেল ইসরোর ক্ষুদ্রতম রকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের পরের দিনই ইসরোর নয়া সাফল্য। শুক্রবার সকালে শ্রীহরিকোটার উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছে ইসরোর (ISRO) নতুন মিশন ইওএস-০৮ (EOS-08)। তবে, এই অভিযানে এই স্যাটেলাইটটি নয়, বরং সকলের চোখ ছিল এর বাহক, ‘স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল ডি৩’-এর (SSLV D3) দিকে। কারণ, এটিই হল ইসরোর তৈরি সবথেকে ছোট রকেট। অতি সম্প্রতি, ইসরো এই রকেটটি তৈরি করেছে। 

    এই বেবি রকেটের কিছু বিশেষত্ব (SSLV launch) 

    গত বেশ কয়েকবছর ধরেই ছোট আকারের রকেট তৈরি নিয়ে কাজ করছে ইসরো (ISRO)। এই অভিযান ইসরোর মিশন স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেলের চূড়ান্ত সংস্করণের প্রথম উড়ান। ৩৪ মিটার এই রকেটটি ৫০০ কেজি পর্যন্ত ওজনের ছোট উপগ্রহগুলি বহন করতে পারে। ছোট আকারের স্যাটেলাইটগুলিকে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপন করার জন্যই এই রকেটটির নকশা করা হয়েছে।  

    ইওএস-০৮ স্যাটেলাইটের উদ্দেশ্য

    ইওএস-০৮ স্যাটেলাইটটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৭৫ কিলোমিটার উচ্চতায় লো-আর্থ অরবিটে স্থাপন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে এটি এক বছরের জন্য কাজ করবে। ১৭৫.৫ কেজি ওজনের এই স্যাটেলাইটটি প্রায় ৪২০ ওয়াট শক্তি উৎপাদন করতে পারে। যে পেলোডগুলি রয়েছে স্যাটেলাইটটিতে, সেগুলি আসন্ন গগনযান মিশনে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে। এই স্যাটেলাইটের উদ্দেশ্য হল পরিবেশ এবং দুর্যোগ সংক্রান্ত সঠিক তথ্য প্রদান করা। 
    যদিও স্বাধীনতা দিবসের সকালেই এই রকেট (SSLV launch) উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু, কিছু প্রযুক্তিগত ত্রুটির জন্য তা করা যায়নি। তার বদলে, স্বাধীনতা দিবসের পরের দিন অর্থাৎ ১৬ অগাস্ট অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের প্রথম লঞ্চ প্যাড থেকে, সকাল ৯টা বেজে ১৯ মিনিটে যাত্রা শুরু করে রকেটটি। ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, এই উৎক্ষেপণ একেবারে সফল। ইসরো সফলভাবে ইওএস-০৮ এবং এসএসএলভি ডি৩-কে কক্ষপথে স্থাপন করেছে। পাশাপাশি ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ‘উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে। পুরো দলকে অভিযানের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানাই।’

    আরও পড়ুন: ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ীর ষষ্ঠ প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    ইসরোর প্রশংসা করলেন বিজ্ঞানমন্ত্রী (ISRO) 

    কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ইওএস-০৮ এবং এসএসএলভি-ডি৩ (SSLV launch) মিশনের সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরো দলের প্রশংসা করে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন। পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘‘ইওএস-০৮ এবং এসএসএলভি ডি৩ মিশনের সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরো টিমকে ধন্যবাদ জানাই৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতায় টিম ইসরো ধারাবাহিকভাবে একের পর এক সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IMA: আরজি কর কাণ্ডের জের, শনিবার দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টা ধর্মঘটের ডাক দিল আইএমএ

    IMA: আরজি কর কাণ্ডের জের, শনিবার দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টা ধর্মঘটের ডাক দিল আইএমএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনায় লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। হাসপাতালে কর্মবিরতিও চলছে। বুধবার রাতে রাজ্যের মহিলারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সরব হয়েছেন চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ। এবার এই প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিল ডাক্তারদের সর্বভারতীয় সংগঠন, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন বা আইএমএ (IMA) । ২৪ ঘণ্টার জন্য ধর্মঘটের ডাক দিল তারা।

    কী জানাল আইএমএ? (IMA)

    বুধবার আরজি করের নিহত মহিলা চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দিল্লি থেকে বাংলায় আসেন কেন্দ্রীয় চিকিৎসক সংগঠন আইএমএ-র (IMA) সভাপতি আর ভি অশোকান এবং সর্বভারতীয় সম্পাদক। বুধবার রাতে আরজি কর হাসপাতালে হামলার ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার আপৎকালীন বৈঠকে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। এক বিবৃতিতে ডাক্তারদের সংগঠনটি বলেছে, ‘‘শনিবার সকাল ৬টা থেকে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশজুড়ে কর্মবিরতি ঘোষণা করল আইএমএ। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপৎকালীন পরিষেবা ছাড়া ওই ২৪ ঘণ্টা অন্য সবরকম পরিষেবা দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন চিকিৎসকরা। সমস্ত প্রয়োজনীয় পরিষেবা চালু থাকবে। হতাহতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু ওপিডি-র নিয়মিত কাজকর্ম হবে না এবং ইলেকটিভ সার্জারি (যেগুলি পরে করলেও অসুবিধা নেই) করা হবে না। যেখানে যেখানে আধুনিক মেডিসিনের ডাক্তাররা পরিষেবা দেন, সেই সকল সেক্টরে পরিষেবা প্রত্যাহার করা হবে।’’ ডাক্তারদের ন্যায়সঙ্গত কারণের সঙ্গে গোটা দেশের সহানুভূতি চাইছে আইএমএ।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    দেশজুড়ে কর্মবিরতি

    বুধবার রাতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের মধ্যে লুকিয়েই একদল দুষ্কৃতী আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, ‘ফেডারেশন অব রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন’ বা ‘ফোরডা’ও বৃহস্পতিবার থেকে ফের ধর্মঘট শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে, ১৩ অগাস্ট কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পরে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছিল ডাক্তারদের এই সংগঠন। এদিন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ফোরডা বলেছে, ‘‘এরপর থেকে যে যে ঘটনা ঘটেছে, বিশেষ করে বুধবার রাতের হিংসা, তা আমাদের সবাইকে হতবাক ও ব্যথিত করেছে। এটা আমাদের পেশার এক অন্ধকার অধ্যায়। একটি সমিতি হিসেবে, আমরা আমাদের সহকর্মী আবাসিক চিকিৎসকদের সঙ্গে আমাদের পূর্ণ সংহতি জানাচ্ছি।’’ খুনের ঘটনায় ফের দেশজুড়ে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত রেসিডেন্ট ডাক্তারদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিবৃতি জারি করে এমনটাই জানায় আবাসিক চিকিৎসকদের সর্বভারতীয় সংগঠন ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন (ফোরডা)। এবার কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিল দেশের মধ্যে চিকিৎসকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) (IMA)।

    প্রতিবাদে যাদবপুরের অধ্যাপকরা

    অন্যদিকে, আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে এবার পথে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা। শুক্রবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা কর্মবিরতির ডাক দিলেন। দুপুর একটা থেকে তিনটে অরবিন্দ ভবনে অবস্থান- বিক্ষোভ। আর পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ডাক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: থিসিসে সই পেতে হলে দিতে হবে ‘বাড়তি’ মূল্য! রাজি ছিলেন না নির্যাতিতা, তাই কি ‘শাস্তি’?

    RG Kar: থিসিসে সই পেতে হলে দিতে হবে ‘বাড়তি’ মূল্য! রাজি ছিলেন না নির্যাতিতা, তাই কি ‘শাস্তি’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘটনার পরে কেটে গিয়েছে সাত দিন! কিন্তু একের পর এক প্রশ্ন উঠছেই! আর বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে‌ কলেজ কর্তৃপক্ষ! আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক বার উঠে আসছে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কী ছিল, সেই প্রশ্ন! জুনিয়র চিকিৎসক, বিশেষত ইন্টার্ন এবং স্নাতকোত্তর ট্রেনিদের একাংশের অভিযোগ, নানান অবৈধ লেনদেনে অংশ নিতে না চাওয়ার জেরেই এই পরিণতি (Punishment) ঘটতে পারে! বিশেষত, হাউজস্টাফ এবং স্নাতকোত্তর ট্রেনিদের রেজাল্ট এবং সার্টিফিকেট দেওয়া নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে যে ধরনের দুর্নীতি হয়, তা নিয়ে নির্যাতিতা একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁর নানান সময়ে বচসাও হয়েছিল। এমনটাই জানাচ্ছে স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের একাংশ।

    কী অভিযোগ আরজি কর হাসপাতালের স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের? (RG Kar)

    নির্যাতিতার মৃত্যুর পরেই একাধিক অভিযোগ নিয়ে সামনে এসেছে আরজি কর হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ। ওই হাসপাতালের স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এমডি কিংবা এমএস কোর্সে থিসিস খুব জরুরি। চিকিৎসক-পড়ুয়া পাশ করবেন‌ কিনা, তার অনেকটাই নির্ভর করে তাঁর থিসিসের ওপরেই। আর এই থিসিস হাসপাতালে করতে হয়। দরকার হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সই।‌ বিভাগীয় প্রধান ও কলেজ কর্তৃপক্ষের সাহায্য ছাড়া এই ধরনের থিসিসের কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয় না। আর এখানেই চলে নানান দুর্নীতি। জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, আরজি কর হাসপাতালের সদ্য প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষ ও হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক কার্যত একটি চক্র চালাতেন। বাড়তি অর্থ দাবি করতেন। সেই অর্থ দিলে তবেই স্নাতকোত্তর পড়ুয়ার থিসিসে সই হবে। শুধু স্নাতকোত্তর পড়ুয়া নয়, হাউজস্টাফ এবং ইন্টার্নদের থেকেও অর্থ দাবি করা হত। দাবি মতো অর্থ না দিলে এমবিবিএস কোর্সের ফাইনাল সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না, এমন হুমকিও দেওয়া হত বলে অভিযোগ উঠছে।

    কেন সমস্যা হয়েছিল?

    জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, নির্যাতিতা এই অসাধু লেনদেনে নারাজ ছিলেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, কলেজের (RG Kar) একাধিক বেআইনি কাজ নিয়ে তিনি অভিযোগ জানিয়েছিলেন। পাশপাশি, থিসিসে সই পেতে বাড়তি অর্থ দেওয়ায় তিনি অসম্মত হয়েছিলেন। এই নিয়ে বিভাগীয় প্রধান এবং অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গেও তাঁর মতান্তর হয়েছিল। কলেজ কর্তৃপক্ষের এই অনৈতিক লেনদেন তিনি মানতে নারাজ ছিলেন। আর তার জেরেই শাসক দলের একাংশের তাঁর প্রতি রাগ ছিল। এমনই অভিযোগ করছে ওই হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে চিকিৎসক মহল? (RG Kar)

    রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে,‌ আরজি কর হাসপাতালের এই দুর্নীতি কোনও ব্যতিক্রম নয়। রাজ্যের একাধিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজে এই অসাধু চক্র চলছে। প্রশাসন সব কিছু জানার পরেও অধিকাংশ সময়েই কোনও পদক্ষেপ করে না। এমবিবিএস কোর্সে কে ইন্টার্ন হওয়ার সুযোগ পাবে, কোন‌ বিভাগে‌ কে হাউজস্টাফ হিসেবে কাজ করবে কিংবা স্নাতকোত্তর কোর্সে থিসিসে সই কিংবা নম্বর কতখানি‌ দেওয়া হবে, সব কিছু মেধার দ্বারা নির্ধারিত হচ্ছে না। বরং, এই সব কিছুর জন্য নির্দিষ্ট ‘দাম’ নির্ধারণ করা হচ্ছে। অভিযোগ জানানোর পরেও অনেক সময়েই কাজ হচ্ছে না। বরং যাঁরা অভিযোগ জানাচ্ছেন, তাঁদের প্রাপ্য হচ্ছে ‘শাস্তি’ (Punishment)। অনেক সময়েই রাজ্যের স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বহু পড়ুয়া মাঝপথেই পড়া ছেড়ে দিচ্ছেন। পাড়ি দিচ্ছেন ভিন রাজ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Direct Action Day: ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট! পাশবিক অত্যাচার, গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন বাঙালি হিন্দুরা

    Direct Action Day: ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট! পাশবিক অত্যাচার, গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন বাঙালি হিন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বলছে বাংলাদেশ। মনের হিংসা পুড়িয়ে দিচ্ছে সভ্যতার দলিল। উন্মত্ত জনতার হাতে বলি হচ্ছে বহু হিন্দু পরিবার। বলি হচ্ছে বিএনপি-জামাত বিরোধীরা। খুন করে উল্টে টাঙিয়ে দেওয়া হচ্ছে দেহ। আজ যখন বাংলাদেশে এই অবস্থা, তখন আমরা একটু পিছন দিকে ফিরে দেখার চেষ্টা করব (Direct Action Day)।

    ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট…

    সময়টা ছিল ১৯৪৬। তখনও দেশ ভাগ হয়নি। তবে স্বাধীনতার তোড়জোড় চলছে। দেশে তৈরি হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ভারতের হাতে শাসন ক্ষমতা তুলে দেওয়ার বিষয়টি দেখভাল করার জন্য ব্রিটেন থেকে পাঠানো হয়েছে ক্যাবিনেট মিশনকে। দিল্লিতে থেকে পুরো বিষয়টি তদারকি করছেন ভাইসরয় লর্ড ওয়েভেল। প্রায় প্রতিদিনই আলোচনা চলছে। মুসলিম লিগ আলাদা পাকিস্তানের দাবিতে অনড়।

    পৃথক মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের দাবি (Direct Action Day)

    ১৯৪০ সালের লাহোর অধিবেশন থেকেই মুসলিমদের আলাদা দেশ তৈরির জন্য উঠে পড়ে লাগেন মহম্মদ আলি জিন্না। চল্লিশের দশকের শুরু থেকেই বাড়তে থাকে হিন্দু মুসলিমদের মধ্যে অশান্তির ঘটনা।অবিভক্ত বাংলায় তৈরি হয় সুরাবর্দীর সরকার। মনে রাখতে হবে, সেসময় অখন্ড বাংলায় মুসলিমদের সংখ্যা সামান্য বেশি ছিল। হিন্দুরা ছিল ৪৭ শতাংশ। মুসলিম প্রায় ৫২ শতাংশের ওপর। এই প্রেক্ষিতেই প্রাদেশিক সরকার তৈরি করে মুসলিম লিগ। যার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সুরাবর্দী। (সেই সময় বাংলায় মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছিল না। প্রদেশের প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই উল্লেখ করা হত।)

    তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে গিয়েছে। চার্চিলের পর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন ক্লেমেন্ট অ্যাটলি। সিদ্ধান্ত হয়েছে, ১৯৪৮ সালের মধ্যে ভারতকে স্বাধীনতা দেওয়া হবে। কিন্তু কীভাবে এই কাজটা হবে, কতটা মসৃণভাবে করা যাবে, তার জন্যই চলছে আলোচনার পর আলোচনা। নেহরুর নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সেখানে মুসলিম লিগ কখনও ঢুকছে, কখনও বেরোচ্ছে। বলা চলে, সরকার গঠন নিয়ে খেলা করছে। এই পরিস্থিতিতেই ১৯৪৬ সালের ৭ এপ্রিল দিল্লিতে ৩ দিনের কনভেনশনের ডাক দেন জিন্না। সেখানে ডাকা হয় লিগপন্থী সমস্ত কেন্দ্রীয় নেতা ও প্রাদেশিক নেতাদের। বাংলা থেকে যোগ দিতে যাওয়ার জন্য একটা গোটা ট্রেনেরই ব্যবস্থা করে ফেলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সুরাবর্দী। তাতে অংশ নিয়েছিলেন শেখ মুজিবুরও। তিনি তখন কলকাতার কলেজের ছাত্র। 

    ‘ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে’-র ডাক জিন্নার 

    এই কনভেনশন থেকেই ১৬ অগাস্ট দেশজুড়ে ‘ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে’ (Direct Action Day) বা প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসের ডাক দেন জিন্না। স্লোগান ওঠে, লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান। মানে, যে কোনও ভাবেই হোক আদায় করতে হবে পাকিস্তান। হিসেব বলছে, দেশে তখন প্রায় ৪০ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে মুসলিমদের সংখ্যা প্রায় দশ কোটি। এর মধ্যে বাংলা ও পাঞ্জাবে সংখ্যায় বেশি মুসলিমরাই। 

    ডায়রেক্ট অ্যাকশন প্ল্যান ডাক দেওয়াই নয়, সেই মতো প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়। অগাস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকে এর উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ১৬ অগাস্ট সরকারি ভাবে ছুটি ঘোষণা করেন তৎকালীন অখণ্ড বাংলার প্রধানমন্ত্রী সুরাবর্দী। ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র আজাদের সম্পাদকীয়তে লেখা হল, ১৬ অগাস্ট থেকে পাকিস্তানের জন্য যুদ্ধ শুরু হবে। মৌলানা আক্রম খান পবিত্র রমজান মাসে কাফেরদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণার দায়িত্ব স্মরণ করালেন। আর শুক্রবার ময়দানে জমায়েতের ডাক দিল মুসলিম লিগ। 

    মুসলিম জনতাকে উত্তেজিত করে সুরাবর্দীর ভাষণ

    সেদিন দুপুর ২টোর দিকে সমাবেশ শুরু হয়, যদিও নামাজের পর থেকেই কলকাতার সব জায়গা থেকে মুসলমানদের মিছিল জড়ো হতে শুরু করে (The Great Calcutta Killing)। অংশগ্রহণকারীদের একটি বিশাল অংশের হাতে ছিল লোহার রড ও লাঠি। সমাবেশে হাজির ছিল বিপুল মানুষ। প্রধান বক্তা হিসাবে খোয়াজা নাজিমউদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী হোসেন শাহিদ সুরাবর্দী ছিলেন। তাঁরা সেই অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত মুসলিম জনতাকে যথেষ্ট উত্তেজিত করলেন, গর্জন উঠতে থাকল সভা থেকে। দীনেশ চন্দ্র সিনহা তাঁর ১৯৪৬ কলকাতা হত্যা বইতে লিখেছেন, সুরাবর্দী নাকি সেখানে বলেছিলেন, তোমাদের ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হল, যা করার তাই করো। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তরফে জানা যাচ্ছে, সোরাবর্দীর প্রাথমিক প্রচেষ্টা ছিল – যাতে কোনও পুলিশ এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে। তিনি সামরিক বাহিনী ও পুলিশকে আটকাতে সক্ষম হয়েছিলেন।

    মৃত ২ হাজার, আহত ৮ হাজারের বেশি

    সেই সময়ের হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ড কাগজের প্রথম পাতায় খবরে দেখা যাচ্ছে, তিন দিনের হিংসায় ২ হাজার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৮ হাজার জন (Direct Action Day)। সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে কয়েক কোটি টাকার। হাসপাতালে যেসব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কাজ করছিলেন এবং রেড ক্রস সূত্রে এই খবর পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু বাস্তব সত্য হল, অনেকেই সেদিন হাসপাতালে যেতে পারেননি। রাস্তায় পড়ে মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের। 

    ১৬ অগাস্ট সকাল দশটা পর্যন্ত সব কিছু শান্তই ছিল। ৩০ অগাস্টের পত্রিকায় এক সাক্ষাৎকারে জানা যাচ্ছে, আড়াইশ-তিনশ জন মুসলিম আচমকা হামলা শুরু করে চোরবাগান এলাকায়। লাঠি, ছুরি, কুকরি নিয়ে তারা ঝাঁপিয়ে পড়ে ওই এলাকায়। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ১৮ বছরের ছেলেকে কুপিয়ে মারে। এরপর এগিয়ে যায় মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের দিকে। সেখান থেকে ফিরে এসে একটি ধরমশালায় ঢুকে ৬ জনকে কুপিয়ে মারে। চলে নির্বিচারে লুঠপাট। 

    কিশোরীকে চৌরাস্তায় নগ্ন করে হাঁটানো হয় 

    হ্যারিসন রোড ও ধর্মতলা স্ট্রিটে কয়েক হাজার দোকান ও বাড়িতে লুঠপাট করা হয়। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় সেখানে। সোনার দোকান থেকে সবকিছু লুঠ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। খবরের কাগজ থেকে জানা যাচ্ছে, সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার দোকান ও বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। ক্ষতি হয় প্রায় ৫ কোটি টাকা (The Great Calcutta Killing)। 

    ১৬ অগাস্ট দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে মানিকতলা, টেরেটি বাজার, চিত্তরঞ্জন অ্যাভেনিউ, বিডন স্ট্রিট এলাকায়। শিয়ালদা স্টেশনের কাছে এক হিন্দু পরিবারকে কোপানো হয়। ওই পরিবারের কিশোরী কন্যাকে চৌরাস্তায় নগ্ন করে হাঁটানো হয়। ধর্মতলা, রিপন স্ট্রিট, চাঁদনি চক, গরপার, হ্যারিসন স্ট্রিট, মল্লিক বাজার — এসব এলাকায় দাপাতে শুরু করে মুসলিম ন্যাশনাল গার্ডের দাঙ্গাকারীরা।

    শহরে রক্তগঙ্গা বয়েছিল, আকাশ ঢেকেছিল শকুনে

    ১৬ অগাস্ট নরসংহারের সবচেয়ে বড় ছবি পাওয়া যায় মেটিয়াবুরুজে (Direct Action Day)। সেখানে ৬০০ জন হিন্দু খুন হন। তাদের বেশিরভাগই ওড়িয়া। তাঁরা থাকতেন কেশোরাম কটন মিলের পিছনে। লিচুবাগানে। সকলেই শ্রমিক। এই হামলা চলাকালীন দিলখুশ স্ট্রিটে চলচ্চিত্র অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের বাড়ির ওপর আক্রমণ হয়। নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ইতিহাসবিদ স্যার যদুনাথ সরকারের বড় ছেলেকে। মৃত্যু হয় মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী ভীমচন্দ্র নাগের সন্তানের। বলা হয়, এত লাশ পড়েছিল সেদিন যে শহরে রক্তগঙ্গা বয়েছিল। কলকাতার আকাশ ছেয়ে গিয়েছিল শকুনে।

    আজও বন্ধ ভিক্টোরিয়া কলেজের সেই হলঘর

    তবে, নৃশংসতার সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ দেখা গিয়েছিল ভিক্টোরিয়া কলেজে। সেখানে ঢুকে একের পর এক হিন্দু মেয়েদের গণধর্ষণ করে লিগের গুন্ডারা।  তাদের জনপ্রিয় স্লোগান ছিল, ‘হাতে বিড়ি মুখে পান, লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান।’ শুধু তাই নয়, রাজাবাজারের মাংসের দোকানে হিন্দু মেয়েদের নগ্ন দেহ হত্যা করার পর টাঙিয়ে দেওয়া হয়। হত্যার পর কয়েকজনের বক্ষদেশ শরীর থেকে আলাদা করে কলেজের দেওয়ালে টাঙিয়ে দিয়েছিল গুন্ডারা। শোনা যায়, কলেজের যে হলে ওই নৃশংস কাণ্ড ঘটানো হয়েছিল, তা সেদিন থেকে তালাবন্ধ অবস্থাতেই রয়েছে।

    গোপাল পাঁঠার নেতৃত্বে প্রতিরোধ হিন্দুদের (The Great Calcutta Killing)

    ক্রমশ পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে বুঝতে পেরে হিন্দুরাও আত্মরক্ষার জন্য জায়গায় জায়গায় সঙ্ঘবদ্ধ হতে শুরু করে। এই সময় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেন গোপাল মুখোপাধ্যায়। যিনি এলাকায় পরিচিত গোপাল পাঁঠা নামে। বউবাজার এলাকায় তাঁদের পারিবারিক মাংসের দোকান ছিল। তাই ওই নামেই সবাই তাঁকে চিনত। তাঁর কাকা ছিলেন বিপ্লবী বিপিন বিহারী গাঙ্গুলির অনুগামী অনুকূল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়। ছোটবেলা থেকেই নেতাজি সুভাষ, অরবিন্দ ঘোষের গুণমুগ্ধ ছিলেন গোপাল। শরীর গঠনের জন্য তাঁদের একটি দলও ছিল। নাম ভারত জাতীয় বাহিনী। তিনি যখন দেখেন, মুসলিম লিগের পোশা গুণ্ডা মীনা পেশোয়ারি, বোম্বাইয়ার মতো দাঙ্গাবাজরা এলাকায় হিন্দুদের কচুকাটা করছে, তখন দলবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন গোপাল। একজন হিন্দু মারা গেলে ১০ জন মুসলিমকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁকে নিরস্ত হওয়ার ডাক দেন স্বয়ং মহাত্মা গান্ধী। কিন্তু গোপাল বলেন, আগে দাঙ্গা বন্ধ হোক, তারপর তিনি চুপ করবেন। 

    গোপাল পাঁঠার কাছে হার মানে দাঙ্গাবাজরা

    তাঁর একরোখা মানসিকতার কাছেই হার মানে দাঙ্গাবাজরা (Direct Action Day)। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে সেনা নামানোর জন্য আর্জি জানান স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সুরাবর্দী। তবে তার আগেই হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। কলকাতা ছাড়েন অসংখ্য লোক। এই দাঙ্গাকেই ‘দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ (The Great Calcutta Killing) বলে অভিহিত করা হয়। মুলত তাঁদের এই রুখে দাঁড়ানোতেই থমকে যায় মুসলিম লিগ। থমকে যায় ইংরেজ সরকারও। কারণ, মুসলিম লিগ প্ল্যান করেছিল, কলকাতা সহ গোটা বাংলাকেই পাকিস্তানের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার। কিন্তু সেসময় রুখে দাঁড়িয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। হিন্দুদের জন্য আলাদা হোমল্যান্ডের দাবি করেছিলেন তিনি। এই উদ্যোগে সামিল হন অনেকেই। শেষে হিন্দু অধ্যুষিত পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হয়। 

    বাঙালি হিন্দুদের কাছে এক অন্ধকার অধ্যায়

    তবে চিরকালের জন্য বাংলার বুকে ঘা রেখে যায় ১৬ অগাস্টের দাঙ্গা (The Great Calcutta Killing)। যেদিন মুসলিমদের জন্য পৃথক দেশের দাবি তুলে নিধন যজ্ঞে সামিল হয় এক শ্রেণির গুন্ডা। আর তাতে সরাসরি প্ররোচনা দেয় শাসক পক্ষ। নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে মানুষ খুন করতেও যারা পিছপা হয়নি। ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট (Direct Action Day), বাঙালি হিন্দুদের কাছে এক অন্ধকার অধ্যায় হিসেবেই থেকে যাবে…

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share