Tag: Bengali news

Bengali news

  • Xiaomi India: ভারতে শাওমি আনছে বিলাসবহুল বৈদ্যুতিক গাড়ি, কেমন দেখতে, কত দাম?

    Xiaomi India: ভারতে শাওমি আনছে বিলাসবহুল বৈদ্যুতিক গাড়ি, কেমন দেখতে, কত দাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মঙ্গলবারই ভারতে প্রথম ইলেকট্রিক গাড়ির উদ্বোধন করছে মোবাইল সংস্থা শাওমি (Xiaomi India)। এমনটাই জানানো হয়েছে সংস্থাটির তরফে। তবে এই গাড়ি লঞ্চ বা বাজারে ছাড়া হচ্ছে না। কেবলমাত্র প্রদর্শনের জন্যই এদেশে গাড়ি আনছে শাওমি (Xiaomi India)। চিনে শাওমি এই গাড়িটির নাম দিয়েছে এসইউ৭ (Xiaomi India)। চিনে ইলেকট্রিক গাড়িটির ডেলিভারি গত মার্চ মাস থেকে শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, শাওমি এসইউ৭ বেস মডেলের ইলেকট্রিক গাড়ির দাম রেখেছে ত্রিশ হাজার ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা দাঁড়ায় ২৫ লাখ টাকা। মানে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে শাওমির ফোনের মতো এই বিলাসবহুল গাড়ি সবার জন্য নয়। শাওমির বৈদ্যুতিক গাড়িটির দুটো ভার্সন রয়েছে। তার মধ্যে একটি ফুল চার্জে ছুটতে পারবে ৬৬৮ কিলোমিটার, অন্যদিকে অপর গাড়ির রেঞ্জ ৮০০ কিলোমিটার।

    প্রতি ঘণ্টায় স্পিড তুলে দিতে পারে ২৬৫ কিলোমিটার (Xiaomi India)

    গাড়িটির আরও বেশ কিছু চমকপ্রদ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন প্রতি ঘণ্টায় স্পিড তুলে দিতে পারে শাওমির (Xiaomi SU7) এই গাড়ি ২৬৫ কিলোমিটার। আবার মাত্র তিন সেকেন্ডে শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে এই গাড়িটি। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, গাড়িটি একেবারে স্পোর্টস কারের সমতুল্য। বুধবার বেঙ্গালুরুতে একটি অনুষ্ঠানে উন্মোচন করা হবে শাওমির এই গাড়িটি। সংস্থার লক্ষ্য রয়েছে, স্মার্টফোনের বাইরেও অত্যাধুনিক কিছু পণ্যের প্রদর্শন। জানা গিয়েছে, এই বৈদ্যুতিক গাড়িটি প্রায় পাঁচ মিটার লম্বা। চিনে ইতিমধ্যে ১০ হাজার গাড়ি ডেলিভারি দেওয়া হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থা। জানা যাচ্ছে, মার্চ মাসের পর থেকে এখনও পর্যন্ত চিনে ৭০ হাজার অর্ডার মিলেছে এই গাড়িটির (Xiaomi India)। 

    শাওমির প্রতিষ্ঠাতা কী জানিয়েছেন

    শাওমির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লেই জুন বলেছেন, শাওমির প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি ২৯ হাজার ৮৭৪ ডলার থেকে ৪১ হাজার ৪৯৭ ডলারে বিক্রি হবে। সিএনএন জানিয়েছে, টেসলার একই মডেলের গাড়ির চেয়ে শাওমির এই মডেলের গাড়ির (Xiaomi SU7) দাম চার হাজার ডলার কম রাখা হয়েছে। চিনের সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে দেশটির বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পের মুনাফার হার পাঁচ শতাংশে নেমে এসেছে। চিনের বৃহত্তম কোম্পানি বিইওয়াইডি চলতি সপ্তাহের শুরুতে জানায়, বেচাকেনা কমে যাওয়ায় গত ত্রৈমাসিকে তাদের মুনাফা হয়েছে দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Raiganj: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রায়গঞ্জ (Raiganj) উপ-নির্বাচনে শেষদিনের প্রচারে ঝড়় তুলতে হাজির হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে মিছিলে পা মেলান তাঁরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক। বিজেপির সেই মিছিল লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই কাজ করেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Raiganj)

    জানা গিয়েছে, আগামী ১০ জুলাই রয়েছে উপ-নির্বাচন (Raiganj)। সেই মতো সব রাজনৈতিক দলের প্রস্তুতি তুঙ্গে। সোমবারই ছিল শেষ প্রচার। রায়গঞ্জের বিজেপি প্রার্থী মানস ঘোষের সমর্থনে বিজেপির পক্ষ থেকে মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই মিছিলে হাঁটেন শুভেন্দু-সুকান্ত। দুপুর নাগাদ শিলিগুড়ি মোড় থেকে শুরু হয় বিজেপি-র মিছিল। অভিযোগ, মিছিলটি শিলিগুড়ি মোড়ে যেতেই একটি বাড়ির ছাদ থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। বিজেপির এক কর্মী বলেন, আমরা স্লোগান দিতে দিতে মিছিলে হাঁটছিলাম। রাস্তার দুধারে মানুষ দাঁড়িয়ে আমাদের মিছিল দেখছিলেন। আচমকা আমাদের মিছিলে ওপর থেকে ডিম ছোড়া হয়। বাড়ির ছাদ থেকেই ডিম ছোড়া হয়েছে। আমরা এই ঘটনার পূর্ণ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

    ভাইপো বাহিনীর কাজ

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ভাইপো বাহিনীর কাজ। পিসির লোকেদের কাজ। কাপুরুষের মতো আচরণ। লড়াই করার ইচ্ছা থাকলে সামনে এসে লড়াই করুন। ছাদ থেকে লুকিয়ে ডিম মারা হচ্ছে আমাদের নেতৃত্বের দিকে। এটা রায়গঞ্জের সংস্কৃতি নয়। আমি তো এখানকার মানুষ। কোনও দিন এই সংস্কৃতি দেখিনি। এই জঘন্য সংস্কৃতি ভাইপোর লোকেরা আমদানি করেছে।” শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এই রায়গঞ্জ ভোটের মিছিলে এর জবাব দেবে। এটা কোনও আক্রমণ নয়। দেউলিয়া রাজনীতির নিকৃষ্ট পরিচয়। এটা তৃণমূলের মতো নোংরা দলের পক্ষেই সম্ভব।”

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, “এটা ষড়যন্ত্র। এর তদন্ত করতে বলব পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনকে। যখন ওরা দেখছে এই আসনে জয়ী হবেন কৃষ্ণ কল্যাণী, সেই সময় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটাতে ওরা এই ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি (BJP)।” 

         

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indians in Russian Army: বড় কূটনৈতিক জয় মোদির, রুশ সেনায় যুক্ত ভারতীয়দের ফেরত পাঠাবেন পুতিন

    Indians in Russian Army: বড় কূটনৈতিক জয় মোদির, রুশ সেনায় যুক্ত ভারতীয়দের ফেরত পাঠাবেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জোর করে ভারতীয়দের রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে। অন্য কাজের প্রলোভনে তাঁদেরকে রাশিয়াতে নিয়ে গিয়ে সেনাবাহিনীতে (Indians in Russian Army) জোর করে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হতে থাকে। এই ঘটনায় যুদ্ধক্ষেত্রে নিহতও হয় বেশ কয়েকজন ভারতীয়। বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে ভারত সরকার। এবার এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে চলেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) বর্তমানে রয়েছেন রাশিয়া সফরে। এ নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আর তারপরেই রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নিল পুতিন সরকার। এই ঘটনা ভারতের একটা বড় কূটনৈতিক জয় (Indians in Russian Army)  হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    সোমবারে রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী (Indians in Russian Army) 

    প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবারে রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী (Modi)। সেখানে দুজনের মধ্যে একান্ত  কিছুক্ষণ কথা হয়। নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নিজেদের মধ্যে মত নিয়ে বিনিময় করেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। এখানে অন্যতম বিষয় ছিল রুশ সেনায় ভারতীয়দের নিয়োগ (Indians in Russian Army)। এ নিয়ে পুতিনের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। আর প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের সাড়া দিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রুশ সরকার।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসেই বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছিল, ২০ জন ভারতীয় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন 

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ আড়াই বছর হতে চললেও এখনও শেষ হয়নি। সেই যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে লড়াই করতে গিয়ে সাম্প্রতিককালে প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক ভারতীয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছিল, ২০ জন ভারতীয় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, রাশিয়াতে সেনাবাহিনীতে যাঁদেরকে জোর করে কাজে লাগানো হয়েছে। এরপরে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার সমস্ত রকমের চেষ্টা করা হয়। জানা গিয়েছে, দুবাইকেন্দ্রিক একটি সংস্থার মাধ্যমে রাশিয়া সেনাবাহিনীতে ভারতীয়দের নিয়োগ করা হত। ইউটিউব বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের কাছে প্রলোভনের ফাঁদ পাতা চলত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Daily Horoscope 09 july 2024: সিংহ রাশির জাতকদের পারিবারিক সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে

    Daily Horoscope 09 july 2024: সিংহ রাশির জাতকদের পারিবারিক সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আচরণ এবং ভাষা ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে।

    ২) ব্যবসায় পরিবর্তনের জন্য ভাল দিন।

    বৃষ

    ১) কোথাও ভ্রমণে গেলে নিজের জিনিস যত্নে রাখুন।

    ২) বাবা মায়ের আশীর্বাদে বকেয়া কাজ শেষ করতে পারবেন।

    মিথুন

    ১) ভাগ্যের দিক থেকে ভাল দিন।

    ২) দ্রুত কাজ শেষ করতে পারবেন। ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেন।

    কর্কট

    ১) সরকারি চাকরির প্রস্তুতি যাঁরা নিচ্ছেন তাঁদের আরও বেশি সতর্ক হতে হবে।

    ২) কারও থেকে টাকা ধার নিতে পারেন।

    সিংহ

    ১) পারিপার্শ্বিক কোনও বিষয়ে কথা বলবেন না।

    ২) পারিবারিক সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

    কন্যা

    ১) পারিবারিক সমস্যা মেটাতে কথা বলতে হবে।

    ২) পুরনো কোনও সমস্যা ফের সামনে আসতে পারে।

    তুলা

    ১) যৌথ উদ্যোগে ব্যবসার জন্য শুভ দিন।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) ভাল মন্দ মিশিয়ে দিন কাটবে।

    ২) শারীরিক অসুস্থার আশঙ্কা রয়েছে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

    ধনু

    ১) অতিরিক্ত কাজের কারণে দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    ২) কারও সঙ্গে পরিচয় লাভজনক হতে পারে।

    মকর

    ১) বাবার থেকে কোনও ভাল খবর পেতে পারেন।

    ২) কোনও ব্যথার সমস্যা থাকলে তা থেকে মুক্তি পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে।

    ২) কোনও কাজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভুগলে এবার ভোগান্তি কমবে।

    মীন

    ১) কাউকে অন্ধ বিশ্বাস করলে বিপুল আর্থিক লোকসান হতে পারে।

    ২) তাড়াহুড়ো করে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে যাবেন না। হিতে বিপরীত হতে পারে।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • By Election 2024: শেষ উপনির্বাচনের প্রচার, জানুন কবে, কোথায় ভোট

    By Election 2024: শেষ উপনির্বাচনের প্রচার, জানুন কবে, কোথায় ভোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্যই শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তৃতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে কেন্দ্রের রাশ হাতে নিয়েছে এনডিএর সর্বসম্মত নেতা নরেন্দ্র মোদি। এই নির্বাচনের রং ফিকে হওয়ার আগেই ফের হতে চলেছে নির্বাচন (By Election 2024)। তবে এবার হবে উপনির্বাচন, দেশের ১৩টি বিধানসভা আসনে। এই আসনগুলি ছড়িয়ে রয়েছে দেশের ৭টি রাজ্যে।

    কোন কোন রাজ্যে নির্বাচন (By Election 2024)

    ১০ জুলাই, বুধবার যে ১৩টি বিধানসভা আসনে নির্বাচন হবে, তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ৪টিও। সোমবার সন্ধে ৬টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়েছে প্রচার-পর্ব। ভোটগণনা হবে ১৩ জুলাই, শনিবার। সেদিনই জানা যাবে, ১৩টি আসনের সিংহভাগের রাশ যাবে কোন দলের হাতে। বাংলার যে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে এদিন নির্বাচন (By Election 2024) হবে, সেগুলি হল নদিয়ার রানাঘাট দক্ষিণ, উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ এবং কলকাতার মানিকতলা। নির্বাচন হবে হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার তিন আসনেও। বিহার বিধানসভার রুপৌলী আসনেও হবে উপনির্বাচন। ভোট হবে মধ্যপ্রদেশের অমরওয়াড়ায়ও। নির্বাচন হবে উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথেও। এ রাজ্যেরই মঙ্গলৌরেও হবে উপনির্বাচন। অকাল নির্বাচন হবে তামিলনাড়ুর বিক্রবন্দি এবং পাঞ্জাবের জলন্ধর পশ্চিমে।

    ভোট পশ্চিমবঙ্গের ৪ আসনেও

    পশ্চিমবঙ্গের যে চার আসনে নির্বাচন হচ্ছে, তার মধ্যে মানিকতলায় উপনির্বাচন হচ্ছে বিধায়ক সাধন পাণ্ডের মৃত্যুর কারণে। রাজ্যের বাকি তিন আসনে অকাল ভোট হচ্ছে বিজেপির টিকিটে জিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তিন দলবদলু – কৃষ্ণ কল্যাণী, মুকুটমণি অধিকারী এবং বিশ্বজিৎ দাস, তাই। হিমাচল প্রদেশের দেহরা, হামিরপুর এবং নালাগড়ের তিন নির্দল বিধায়ক ইস্তফা দিয়ে যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে। রুপৌলির জেডিইউ বিধায়ক বিমা দেবী আরজেডিতে যোগ দেওয়ায় নির্বাচন হচ্ছে সেখানেও।

    আর পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মধ্যপ্রদেশের অমরওয়াড়ার কংগ্রেস বিধায়ক কমলেশ প্রতাপ শাহ গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ায় সেখানেও হচ্ছে নির্বাচন। বদ্রীনাথের কংগ্রেস বিধায়ক ইস্তফা দিয়ে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপির। তাই সেখানে হচ্ছে উপনির্বাচন। মঙ্গলৌরে উপনির্বাচন হচ্ছে স্থানীয় বিধায়কের অকাল প্রয়াণে। বিক্রবন্দিতেও নির্বাচন হচ্ছে স্থানীয় বিধায়কের মৃত্যুর জেরে। আর জলন্ধর পশ্চিমে উপনির্বাচন হওয়ার কারণ আপ বিধায়ক শীতল অঙ্গুরল রিঙ্কু গেরুয়া খাতায় নাম লেখানোয় (By Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • GenAI: জেনএআই ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে সিংহভাগ ভারতীয় সংস্থা! কী এটা?

    GenAI: জেনএআই ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে সিংহভাগ ভারতীয় সংস্থা! কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার জেনারেটিভ এআই (GenAI)-এর ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে সিংহভাগ ভারতীয় সংস্থা (Indian Firms Plan)। সোমবার প্রকাশিত এক রিপোর্টেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, নিরাপত্তা বাড়াতে এবং আইটি অবজেকটিভগুলিকে বৃহত্তর ব্যবসায়িক লক্ষ্যগুলির সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে প্রায় ৭৩ শতাংশ ভারতীয় সংস্থা চাইছে জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করতে। আগামী এক বছরের মধ্যেই এই পরিকল্পনা কার্যকর করা হতে পারে বলেও খবর।

    জেনারেটিভ এআই (জেনএআই) ঠিক কী?

    আগে, জেনে নেওয়া যাক, ঠিক কী এই জেনারেটিভ এআই (GenAI)। সোজা কথায়, এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে যে পাঠ্য, চিত্র, অডিও এবং সিন্থেটিক ডেটা তৈরি করা হয়, সেগুলিই হল জেনারেটিভ এআই ( সংক্ষিপ্ত- জেনএআই)। অর্থাৎ, এআই-কে কাজে লাগিয়ে যা জেনারেট করা হচ্ছে (তৈরি করা হচ্ছে) তাই জেনারেটিভ এআই। এর সাহায্যে, নিমেষের মধ্যে ব্যবহারকারীর চাহিদা বা দাবি অনুযায়ী, উচ্চ-মানের পাঠ্য, গ্রাফিক্স এবং ভিডিও তৈরি হয়। এর সবচেয়ে দুই প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল চ্যাটজিপিটি ও মেটাএআই। 

    কী বলছে রিপোর্ট? (GenAI)

    এক্সপোজার ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি টেনেবলের মতে, মাত্র ৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি প্রয়োগে আস্থা দেখিয়েছে খুব বেশি পরিমাণে। টেনেবল এপিজের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নাইজেল এনজি বলেন, “এআইয়ের দ্রুত উত্থান সত্ত্বেও, অনেক ভারতীয় ব্যবসায়ী এখনও তাঁদের প্রযুক্তিকে উন্নত করে চলেছেন। তবে তাঁদের প্রায়ই রিসোর্স বা দক্ষতার অভাবের সম্মুখীন হতে হয়। দক্ষতা তৈরি, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং এআই ইমপ্লিমেন্টের অভাবও অনুভব করেন তাঁরা। এর পাশাপাশি তাঁরা উচ্চ মাত্রার ডেটা গভর্ন্যান্সও মেনটেন করেন।”

    সমীক্ষায় ধরা পড়েছে দুই চ্যালেঞ্জ 

    ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ৮২৬ জন আইটি এবং সাইবার সিকিউরিটি প্রফেশনালের ওপর ((GenAI)) সমীক্ষা করেন সমীক্ষকরা। এর মধ্যে ৫২ জন ভারতীয়ও ছিলেন। ভারতীয় সংস্থাগুলিতে লুক্কায়িত দু’টি প্রধান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করতে পেরেছেন সমীক্ষকরা। এই দুটি চ্যালেঞ্জ হল ইউটিলাইজিং বা অপটিমাইজিং এআই টেকনোলজি এবং এআইয়ের কার্যকারিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা। প্রথমটির সমস্যা রয়েছে ৭১ শতাংশ ভারতীয় সংস্থার। আর দ্বিতীয়টি ৫৪ শতাংশ ভারতীয় সংস্থার সমস্যা।

    আর পড়ুন: দৃশ্যমাধ্যমে অমর্যাদা করা যাবে না বিশেষভাবে সক্ষমদের, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    এই রিপোর্টেই যে উদ্বেগের বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে, সেটি হল জেনারেটিভ এআই ক্রমেই হয়ে উঠছে বৃহত্তর সিকিউরিটি থ্রেট। ভারতীয় সংস্থাগুলির মধ্যে ৪০ শতাংশের মধ্যে কাজ করছে এই ভীতি। এনজি বলেন, “ভবিষ্যতে জেনারেটিভ এআইয়ের বিবর্তনীয় ক্ষমতা ব্যবহার করা হতে পারে সাইবার সিকিউরিটি পদ্ধতিগুলিতে। এই যে একটা পথ থেকে অন্য পথে শিফ্ট হবে, তাতে একাঙ্গীভূত হয়ে যাবে আইটি এবং সাইবার সিকিউরিটি। এআই গভর্ন্যান্সকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং প্রযুক্তিকে দায়িত্বের সঙ্গে (Indian Firms Plan) ব্যবহার করার ওপরও গুরুত্ব দেবে জেনারেটিভ এআই (GenAI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • World’s Longest Bicycle: বিশ্বের দীর্ঘতম সাইকেল! ১৮০ ফুট লম্বা, নির্মাতাদের নাম উঠল গিনেস বুকে

    World’s Longest Bicycle: বিশ্বের দীর্ঘতম সাইকেল! ১৮০ ফুট লম্বা, নির্মাতাদের নাম উঠল গিনেস বুকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোট থেকে তাঁর একটাই ইচ্ছা গিনেস বুকে (Guinness World Records) নাম তোলা! আগ্রহ যেমন ছিল তেমন চেষ্টার ত্রুটিও করেননি নেদারল্যান্ডের ইভান সাল্ক। অবশেষে সেই লক্ষ্যে সফল হলেন ইভান। ৩৯ বছর বয়সি ইভান তাঁর সঙ্গী ৭ ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে তৈরি করে ফেললেন এই মুহূর্তে বিশ্বের দীর্ঘতম সাইকেল (World’s Longest Bicycle)। জানেন কতটা লম্বা এই সাইকেল? ১৮০ ফুট লম্বা ও ১১ ইঞ্চি চওড়া। এই সাইকেলই এখন বিশ্বের সব থেকে বড় সাইকেল। এক্ষেত্রে অবশ্য এক অস্ট্রেলিয়ানের রেকর্ড ভেঙেছেন ইভান। এর আগে ২০২০ সালে ১৫৫ ফুট দীর্ঘ এবং ৮ ইঞ্চি চওড়া সাইকেল বানিয়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ডে নাম তুলেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা বার্নি রায়ান। তবে দক্ষিণ গোলার্ধের এই রেকর্ড ভেঙে দিলেন উত্তর গোলার্ধের বাসিন্দা ইভান। তাঁর সঙ্গে নাম উঠল আরও সাতজন ইঞ্জিনিয়ারের।

    কী বলছেন ইভান? (World’s Longest Bicycle)

    তবে একটা বিষয় উল্লেখ করা দরকার, যে কোনও সাধারণ শহরে এই সাইকেল (World’s Longest Bicycle) চালানো যাবে না। যানজট তৈরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে। ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে নেট পাড়ায় ভাইরাল হয়েছে ইভানদের তৈরি এই সাইকেল। সকলেই তারিফ করছেন তাঁদের। এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইভান বলেন, ‘‘ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতাম যে এমন কিছু একটা করতে হবে যার জন্য গিনেস বুকে আমারও নাম ওঠে। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ভাল লাগছে।’’

    অন্যরাও বানিয়েছেন এমন সাইকেল

    তবে এটাই প্রথম নয় সাইকেল নির্মাণে (World’s Longest Bicycle) ইভানের আগেও অনেকেই রেকর্ড (Guinness World Records) গড়েছেন। জানা যাচ্ছে, ১৯৬৫ সালে ২৬ ফুট দীর্ঘ ৩ ইঞ্চি চওড়া সাইকেল বানিয়ে গিনেস বুকে প্রথম রেকর্ড তৈরি করেছিল জার্মানি। এর পর একে একে নিউজিল্যান্ড, ইতালি, বেলজিয়াম, অস্ট্রেলিয়া এবং নেদারল্যান্ড-সহ বিভিন্ন দেশের লোক রেকর্ড গড়েছেন। ২০১৮ সালে এই দীর্ঘতম সাইকেল তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন ইভান-সহ আট ইঞ্জিনিয়ার। ইভানের কথায়, ‘‘অন্যরা যখন আড্ডা দিয়ে সময় নষ্ট করে, আমরা তখন সৃষ্টিশীল কাজে মগ্ন থাকি।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণের কাজে রাজ্যের ঢিলেমি, সরব সুকান্ত

    Balurghat: বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণের কাজে রাজ্যের ঢিলেমি, সরব সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট-হিলি রেলপথ (Balurghat) সম্প্রসারণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজে ঢিলেমির অভিযোগ উঠল রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে। জুলাই মাসের মধ্যেই রেল দফতরের হাতে এক-তৃতীয়াংশ জমি হস্তান্তর করার প্রশাসনিক দাবি থাকলেও, বাস্তবে কিন্তু ঘটেছে অন্যরকম। ৭০ শতাংশ জমিদাতাই এখনও টাকা পাননি। শুধু তাই নয়, কত টাকা পাওয়া যাবে, ওই টাকা কবে ঢুকবে বা কবে জমি তাঁদের ছাড়তে হবে ইত্যাদি নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন জমিদাতারা। আর তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে এই কাজে গতি আনার দাবি জানালেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সোমবার সুকান্তবাবু বলেন, জমি অধিগ্রহণের কাজ জেলা প্রশাসনের। জমিদাতাদের বিঘা প্রতি কী পরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে বা কত টাকা তাঁরা পাবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট তাঁদের জানানো উচিত। কেন্দ্রীয় সরকার এই খাতে প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করেছে, তাই জেলা প্রশাসনকে জমি অধিগ্রহণের (Land Acquisition) কাজে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে।

    সমস্যায় ১০০টি পরিবার (Balurghat)

    প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে বালুরঘাট পর্যন্ত ট্রেন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিলি পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের দাবি ওঠে। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে ইউপিএ সরকার ওই রেলপথের অনুমোদন দিয়ে দেয়। বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত ২৯.৭ কিলোমিটার পথের জন্য ৩৮৬ একর জমি চিহ্নিত করা হয়। দীর্ঘদিন ওই প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। বেশ কিছু জমিদাতা ইতিমধ্যেই টাকা পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু প্রথম দফায় বালুরঘাট ব্লকের যে সমস্ত এলাকার জমি রেল দফতরকে জুলাই মাসের মধ্যে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে প্রশাসনের, সেই সব এলাকার জমিদাতাদের অধিকাংশই এখনও টাকা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত লাইন আত্রেয়ী নদী পেরিয়ে বালুরঘাট শহরে ঢুকে ভাটপাড়া, অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা দিয়ে ঢুকবে হিলি ব্লকে।

    বালুরঘাট পুরসভা লাগোয়া ভাটপাড়া গ্রামাঞ্চলের যে দিকে রেল লাইন যাবে, সেখানকার অধিকাংশ বাসিন্দাই এখনও তাঁদের জমির প্রাপ্য টাকা পাননি। অথচ জেলা প্রশাসন দাবি করছে, আগামী জুলাই মাসের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে এক-তৃতীয়াংশ জমি তুলে দেওয়া হবে রেল কর্তৃপক্ষের হাতে এবং দুর্গাপুজোর মধ্যেই ৭০ শতাংশ জমি রেলের হাতে তুলে দেওয়া হবে। গত বছর দুর্গাপুজোর পর থেকেই টাকা দেওয়া হবে বলে শুনেছেন জমিদাতারা। তাঁদের বসবাসের বাড়ি এবং জায়গা ছেড়ে চলে যেতে হবে অন্যত্র। এই ১০০টি পরিবারকে জমি কিনে বাড়ি করে নিতে হবে। এই সুযোগে এলাকায় জমির দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। কিন্তু সরকারি কোষাগার থেকে কত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বা যে হিসেবে টাকা দেওয়া হবে, সেই টাকা দিয়ে আদৌ জমি কিনে বাড়ি করা যাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দিহান জমিদাতারা। এমনকী তাঁদের অভিযোগ, জমি দান করতে সম্মতি জানালেও কত দাম দেওয়া হবে জমির জন্য, তা তাঁদের কাছে পরিষ্কার নয়। বারবার জেলা প্রশাসনিক দফতরে গিয়েও তাঁরা জানতে পারেননি, কত টাকা পেতে পারেন বা কবে ঢুকবে টাকা। সেই কারণে সমস্যায় পড়েছে এই ১০০টি পরিবার।

    কী বলছেন জমিদাতারা?

    জমিদাতা লোকনাথ হালদার বলেন, বছরখানেক আগেই কাগজপত্র প্রশাসনের কাছে জমা করে দিয়েছি। এখন আমাদের অন্যত্র জমি কিনে নেওয়ার কথা। কিন্তু কত টাকা পাব বা কবে টাকা পাব, এই ব্যাপারে কিছুই জানতে পারছি না। এদিকে জমিও (Balurghat) কিনতে পারছি না, জমির দামও বেড়ে যাচ্ছে।

    কী জানাল জেলা প্রশাসন?

    জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা জানান, এই প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ৩০ শতাংশ জমিদাতাদের (Balurghat) টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। জুলাই মাসের মধ্যেই বালুরঘাট স্টেশন থেকে কামারপাড়া পর্যন্ত জমি রেলকে হস্তান্তর করা হবে। পুজোর আগে এই প্রকল্পের জন্য সমস্ত জমিই রেলকে হস্তান্তর করা হবে। সম্প্রতি রেলের আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    সক্রিয় হওয়ার আর্জি সুকান্তর (Balurghat)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, জেলা প্রশাসনের কাজ হল জমি অধিগ্রহণ করা। তাদের উচিত, জমিদাতাদের সঠিক তথ্য জানানো, তাঁরা প্রতি বিঘার উপর কত করে দাম পাবেন। কেন্দ্রীয় সরকার বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকারকে জমি অধিগ্রহণের জন্য। জেলা প্রশাসনের সক্রিয় হওয়া উচিত (Land Acquisition)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Inspiring Story: দুর্ঘটনার জেরে পঙ্গুপ্রায়, দশ শতাংশ ছিল বাঁচার সম্ভাবনা, এখন ডাক্তার হয়ে অন্যকে বাঁচান

    Inspiring Story: দুর্ঘটনার জেরে পঙ্গুপ্রায়, দশ শতাংশ ছিল বাঁচার সম্ভাবনা, এখন ডাক্তার হয়ে অন্যকে বাঁচান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আহমেদাবাদে ২৭ বছর বয়সি হাড়ের ডাক্তার সাক্ষী মাহেশ্বরী, আজ এক প্রেরণার (Inspiring Story) নাম। যাঁরা প্রতি মুহূর্তে সংঘর্ষ করছেন তাঁদের রোল মডেল হতে পারেন সাক্ষী। দুর্ঘটনায় পঙ্গুপ্রায় হয়েছিলেন, কুড়ি বার অস্ত্রোপচার করা হয় তাঁর শরীরে, একটা সময় নিজেও আশা হারিয়ে ফেলছিলেন তিনি। তবে মনের জোর অটুট রেখে শেষমেষ হাড়ের ডাক্তারই হয়ে উঠলেন সাক্ষী!

    সাত বছর আগের দুর্ঘটনা

    সাত বছর আগে দুর্ঘটনার মুখে পড়েন (Inspiring Story) সাক্ষী, তখন তিনি এমবিবিএসের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া। আর পাঁচটা দিনের মতো দুর্ঘটনার দিনও আহমেদাবাদে নিজেদের বাড়িতে বসে দৈনিক কাজকর্ম সারছিলেন সাক্ষীর বাবা দীনেশ এবং মা স্নেহা। মেয়ের দুর্ঘটনার কথা জানিয়ে হঠাৎই ফোন আসে তাঁদের কাছে। তড়িঘড়ি ফোন পেয়ে তাঁরা ছুটে যান কর্নাটকে। সেখানেই হয়েছিল দুর্ঘটনা। মেয়েকে দেখে হতবাক হয়ে যান তাঁরা। দুর্ঘটনায় বুকে, মাথায়, হাতে, পায়ে গুরুতর চোট। সাক্ষী (Sakshi Maheshwari) ২০ দিন ছিলেন আইসিইউতে। পর পর অস্ত্রোপচার হয়েছিল শরীরের বিভিন্ন অংশে। সেই সংখ্যাটা প্রায় ২০। এর পাশাপাশি অস্ত্রোপচারের পর ছ’মাস ধরে চলেছিল চিকিৎসা। সাক্ষীর পরিবার জানিয়েছে, দু’বছর ধরে টানা ফিজিয়োথেরাপি করানো হয়েছিল। সাক্ষীর পরিবার এখনও ভুলতে পারেননি দিনগুলি।

    হাসপাতাল ফেরত সাক্ষীর লড়াই (Inspiring Story)

    সাক্ষী (Sakshi Maheshwari) জানিয়েছেন, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরেই শুরু হয়েছিল আসল লড়াই। তিনি জানিয়েছেন, নিজে ডাক্তারির ছাত্রী হয়েও শরীরের চোট-আঘাতের দিকে তাকাতে পারতেন না। দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়ে নিতে বসেছিল তাঁর। চিকিৎসকেরাও জানিয়েছিলেন ভাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ। শুধু নিজের জেদকে সম্বল করে ২৭ বছরের সাক্ষী আজ হাড়ের ডাক্তার হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ছাড় পাওয়ার পর অর্ধেক যুদ্ধ জিতে যান সাক্ষী। তবে বাকি যুদ্ধ এখনও তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিল। সাক্ষী মাহেশ্বরীর নিজের ভাষায়, ‘‘আমি তখন ছিলাম একজন ডাক্তারি পড়ুয়া। যে গুরুতর আঘাত আমি পেয়েছিলাম তা দীর্ঘ সমস্যার সৃষ্টি করবে এটা জানতাম। এর পাশাপাশি আমি জানতাম যে ভবিষ্যতে চলার পথটাও খুব কঠিন হতে চলেছে।’’ বর্তমানে হাসপাতালে যখন দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগীরা আসেন, তখন সাক্ষী তাঁদের মধ্যে নিজের অতীতকে খুঁজে পান, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে,  সব সময় মাথার মধ্যে ঘুরত একটাই প্রশ্ন, ‘‘কোনও দিন কি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব?’’ প্রতি বারই প্রশ্নের জবাব দিতেন নিজেই। নিজেকে বলতেন, ‘‘আমাকে পারতেই হবে (Inspiring Story)।’’ পাশে ছিলেন মা, বাবা, দাদু, দিদা।

    বাবা আমাকে দৈনন্দিন কাজে ছোট ছোট লক্ষ্য বেঁধে দিতেন

    সাক্ষী (Sakshi Maheshwari) বলেন, ‘‘কঠিন দিনগুলিতে সবার কাছ থেকেই সাহায্য পেয়েছি। বাবা আমাকে দৈনন্দিন কাজে ছোট ছোট লক্ষ্য বেঁধে দিতেন। আমি সেগুলো পূরণ করার চেষ্টা করতাম।’’ বেশ কয়েকদিন শয্যাশায়ী থাকার পরে সাক্ষী ওয়াকারে করে হাঁটাচলা শুরু করেন। তিনি নিজেই জানিয়েছেন, প্রথমে তাঁর হাঁটতে খুবই অসুবিধা হত। তিনি কেবলমাত্র ঘর থেকে বের হতে পারতেন, আবার বিছানায় চলে আসতেন প্রায় সঙ্গে সঙ্গে। কিন্তু এমন সময়ে তাঁর বাবা ছোট ছোট লক্ষ্য বেঁধে দিতে থাকেন। লক্ষ্যপূরণের জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে বেশি পা ফেলতে থাকেন সাক্ষী ঘরে ঢোকার আগে। এভাবেই সেরে উঠছিলেন তিনি। পিতার কাছ থেকে পাওয়া এমন প্রেরণা তাঁকে সুস্থ হতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন (Inspiring Story) সাক্ষী।

    সাক্ষীর মা কী বলছেন?

    সাক্ষীর মা স্নেহা বলেন, ‘‘ওকে অত কষ্টের মধ্যে দেখে আমরাও ভেঙে পড়তাম প্রায়ই। প্রত্যেকটা দিনই ওর কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল।’’ এই অবস্থায় সাক্ষী জেদ ধরেন, ডাক্তারি পড়া তিনি চালিয়ে যাবেন যেকোনও মূল্যে। আত্মীয়-স্বজন, অধ্যাপক, সহপাঠী, বন্ধুরা বুঝিয়েছিলেন অনেক। তাঁদের মনে হয়েছিল, সাক্ষীর শরীরে যা অবস্থা, তাতে তিনি পড়ার চাপ সামলাতে পারবেন না। কিন্তু সাক্ষী ছিলেন নাছোড়বান্দা।

    স্নাতকোত্তরে ভর্তির দিন বোন কেটেছিলেন কেক

    দুর্ঘটনার পরেই সাক্ষী সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, ডাক্তারি পড়া চালিয়ে যাবেন এবং স্নাতকোত্তরে অর্থোপেডিক নিয়েই পড়াশোনা করবেন। যে দিন আহমেদাবাদের বিজে হাসপাতালে অর্থোপেডিক বিভাগে স্নাতকোত্তর পড়ার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন সাক্ষী, সে দিন তাঁর বোন ইশা কেক কেটেছিলেন। ইশা বলেন, ‘‘আমি মনে করতে পারি সেই দিনটির কথা যেদিন আমার দিদি আহমেদাবাদের ডিজে মেডিকেল কলেজে অর্থপেডিক ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়। সেদিন আমরা বাড়িতে উৎসব শুরু করি এবং কেক কাটি।’’

    সাক্ষীকে স্যালুট ছোট বোনের

    ইশা মাহেশ্বরী আরও বলেন, ‘‘দিদি আমার আদর্শ। খুব কম বোনেরই এমন সুযোগ থাকে নিজের দিদিকে বেড়ে উঠতে দেখার। আমি তাঁকে স্যালুট জানাই। তাঁর ইচ্ছা শক্তিকে স্যালুট জানাই। আমার জীবনের প্রধান চরিত্রই সাক্ষী।’’ ইশা আরও জানিয়েছেন, যে দিন সাক্ষী দুর্ঘটনার পর প্রথম বার নিজের দাঁত মাজতে পেরেছিলেন, পরিবারের সকলে নাচ-গান, হুল্লোড় করেছিলেন। সাক্ষী জানিয়েছেন, সে দিন সেই দুর্ঘটনা না হলে হয়ত রোগীদের প্রতি এতটা সমব্যথী হতে পারতেন না তিনি। তাঁদের কষ্টটা বুঝতে পারতেন না।

    যাঁরা সংঘর্ষ করছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে সাক্ষীর বার্তা

    সাক্ষীর এমন গল্প অনেকের কাছেই প্রেরণা হতে পারে। যাঁরা সংঘর্ষ করছেন তাঁদের উদ্দেশে সাক্ষীর বার্তা, ‘‘কখনও আশা ছাড়বেন না। যা কিছু সংস্থান আছে সব ব্যবহার করতে থাকুন। সাফল্য মিলবেই।’’ সাক্ষী এও জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পরে শয্যাশায়ী অবস্থায় তিনি হাত নাড়াতে পারতেন না। তাই বর্তমানে যখন তিনি কোনও সমস্যায় পড়েন তখন নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে থাকেন এবং সেগুলোর প্রশংসা করেন। ভাবেন কীভাবে তাঁর হাত স্বপ্ন পূরণ করতে সাহায্য করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ক্লাবে ঢুকে তৃণমূল কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’! বারাকপুরে ধস্তাধস্তির মাঝে মৃত ১

    Barrackpore: ক্লাবে ঢুকে তৃণমূল কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’! বারাকপুরে ধস্তাধস্তির মাঝে মৃত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর বৈঠক ঘিরে অশান্তি বারাকপুরে (Barrackpore)। একটি ক্লাবের সদস্যদের মধ্যেই শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি। এতেই জড়িয়ে প্রাণ গেল এক প্রৌঢ়ের। ঘটনায় কাঠগড়ায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগের আঙুল উঠেছে বারাকপুরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC councilor) মৌসুমি মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ধস্তাধস্তি শুরু হতেই ক্লাব ঘরের বাইরে মৃত্যু হয় পার্থ চৌধুরী নামের ওই কমিটির সদস্যর। তাঁকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বারাকপুরের (Barrackpore) ১২ নম্বর ওয়ার্ডে।

    অভিযোগ, সদলবলে ঝাঁপিয়ে পড়েন বারাকপুরের (Barrackpore) কাউন্সিলর মৌসুমী মুখোপাধ্যায়

    জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর নতুন কমিটি গঠন করা হচ্ছিল, সে সময় তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী মুখার্জী দল বল (TMC councilor) নিয়ে সেখানে আসেন এবং এই কমিটি মানি না বলে গন্ডগোল শুরু করেন। এরপরই সদলবলে ঝাঁপিয়ে পড়েন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী মুখোপাধ্যায়। এরপরই গন্ডগোলের সূত্রপাত। ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পার্থ চৌধুরীকে। ঘটনাস্থলেই পড়ে যান পার্থবাবু। তড়িঘড়ি তাঁকে বারাকপুর (Barrackpore) বিএন বসু হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে ডাক্তাররা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    ঘটনা অস্বীকার কাউন্সিলরের, তবে অন্য মত মৃতের পরিবারের

    যদিও মারপিট গন্ডগোলের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর। তাঁর দাবি মিটিং ভেতরে চলছিল আর বাইরে পার্থ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁকে অন্যরা ঘিরে ধরে। মৃতের সঙ্গে পুজো কমিটির মিটিং-এর কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন মৌসুমি। যদিও নিহত প্রৌঢ়ের পরিবারের দাবি, পার্থের কোনও শারীরিক অসুস্থতা ছিল না। কাউন্সিলরের (TMC councilor) অনুগামীরা তাঁকে মারধর করেন।

    কী বলছেন পুরপ্রধান?

    এই ঘটনার পর বারাকপুর বিএন বসু হাসপাতালে আসেন পৌর প্রধান উত্তম দাস। তিনি বলেন, “ক্লাবে মিটিং ছিল। ভিতরে কী হয়েছে বলতে পারব না। তবে খবর নিয়ে জেনেছি, যিনি মারা গিয়েছেন, তিনি ওই বৈঠকে ছিলেন না। কিছু ছেলে ওঁকে ধাক্কাধাকি করেছে। তখনই উনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।” একই সঙ্গে পুরপ্রধান জানান, কাউন্সিলর বা যিনিই এই ঘটনায় দোষী হোন না কেন, পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। আগে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসুক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share