Tag: Bengali news

Bengali news

  • Artificial sweeteners: ডায়াবেটিস রোগীদের চিনির সঙ্গে বাদ থাকুক ‘কৃত্রিম চিনি’ও! কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা?

    Artificial sweeteners: ডায়াবেটিস রোগীদের চিনির সঙ্গে বাদ থাকুক ‘কৃত্রিম চিনি’ও! কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। পাশপাশি বিপত্তি বাড়াচ্ছে ওজন। তরুণ প্রজন্মের একাংশ, এই দুই শারীরিক সমস্যার জেরে নাজেহাল। তাই সহজ পথে অনেকেই হাঁটতে চাইছেন। নিত্যদিনের খাবারের তালিকা থেকেই সহজেই বাদ পড়ছে চিনি। কিন্তু অনেকেই আবার মিষ্টিবিহীন খাদ্যতালিকার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। তাই চিনি বাদ দিলেও, তার জায়গায় আসছে কৃত্রিম চিনি। অনেকেই মনে করছেন, চিনির থেকে ঢের ভালো এই ‘কৃত্রিম চিনি’ (Artificial sweeteners)। নিশ্চিন্তে চা-কফি কিংবা সরবতে দিয়ে খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, একেবারেই নিশ্চিন্ত থাকা যাবে না। এই অভ্যাস (Sugar Substitutes) অজান্তেই শরীরের বিপদ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    কেন উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা? (Artificial sweeteners)

    সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম চিনির একেবারেই পুষ্টিগুণ নেই। বরং এই চিনি শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। সংস্থার নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সেফটি-র তরফে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম চিনি বা আর্টিফিশিয়াল সুইটনার রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে কোনও ভূমিকা পালন করে না। এমনকী ওজন নিয়ন্ত্রণে ও কোনো উপকার দেয় না। বরং, এই কৃত্রিম চিনির কিছু রাসায়নিক উপাদান শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। তাঁরা জানাচ্ছেন, অ্যাসপার্টেম, সুক্রোজ, স্টিভিয়া, স্যাকারিনের মতো উপাদান কৃত্রিম চিনিতে অতিরিক্ত পরিমাণ থাকে। এগুলো শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক।

    কী ক্ষতি করছে কৃত্রিম চিনি?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যাসপার্টেমের মতো রাসায়নিক কৃত্রিম চিনিতে থাকে। চিনির থেকেও বেশি পরিমাণ থাকে। আর এই রাসায়নিক শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এই উপাদান ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কৃত্রিম চিনিতে (Artificial sweeteners) নানান রাসায়নিক থাকে, যেগুলো প্রসেসড খাবারে থাকে। এর জেরে দেহে অতিরিক্ত মেদ জমার ঝুঁকিও তৈরি হয়। অর্থাৎ, ওজন তো কমেই না, বরং কৃত্রিম চিনি অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়তে পারে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কৃত্রিম চিনি সহজলভ্য করতে অনেক সময়েই সিলিকা সহ একাধিক রাসায়নিক এর সঙ্গে মেশানো হয়। এই সব রাসায়নিক লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। 
    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন যাঁরা নিয়মিত কৃত্রিম চিনি খান, তাঁদের স্নায়ুর রোগের ঝুঁকি বাড়ে। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কৃত্রিম চিনি খেলে মাথার যন্ত্রণা, হাত-পায়ে খিঁচুনি সহ নানান রোগের প্রকোপ বাড়ে। এমনকী দেহে হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট হয়। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশ জুড়ে হৃদরোগের সমস্যা বেড়ে যাওয়ার আরেকটি কারণ এই কৃত্রিম চিনি। নিয়মিত কৃত্রিম চিনি খেলে, তা হৃদপিণ্ডের জন্য একেবারেই ভালো না। খুবই ক্ষতিকারক। এতে হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা কমে‌। 
    সাধারণ চিনির তুলনায় এই কৃত্রিম চিনির মিষ্টত্ব প্রায় তিনশো গুণ বেশি। তাই পুষ্টিবিদেরা জানাচ্ছেন, এই কৃত্রিম চিনি একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। সুস্থ ভাবে বাঁচতে হলে এড়িয়ে চলতে হবে চিনি। তা যে কোনও ধরনের চিনিই হোক না কেন (Sugar Substitutes)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ২৪ ঘণ্টায় ৭ জন শিশুর মৃত্যু! ফের প্রশ্নের মুখে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    Murshidabad: ২৪ ঘণ্টায় ৭ জন শিশুর মৃত্যু! ফের প্রশ্নের মুখে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কয়েকমাস আগে একদিনে ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনা সামনে আসার পর নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্য থেকে জেলায় স্বাস্থ্য দফতরের টিমও গিয়েছিল। পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়। কিন্তু, ফের একদিনে একাধিক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়িয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন পরিবারের লোকজন।

    ২৪ ঘণ্টায় ৭ জন শিশুর মৃত্যু! (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় বাড়ছে উদ্বেগ। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে এই হাসপাতালে। অসুস্থ বাচ্চা নিয়ে হাসপাতালে আসতেও ভয় পাচ্ছেন পরিবারের লোকেরা। রেজিনগরের হাসিবুল শেখের নাতিও মারা গিয়েছে। তিনি বলেন, “আমি তো দেখলাম তিনটে বাচ্চা মারা গিয়েছে। আর আমার নাতিকে বহরমপুর নার্সিংহোম থেকে এখানে নিয়ে আসি। তারপর এখানেই নাতির মৃত্যু হয়েছে। শরদিন্দু মণ্ডল নামে এক রোগীর পরিবারের সদস্য বলেন, হাসপাতালে ১০ জন শিশুর মৃত্যুর পরও কর্তৃপক্ষের হুঁশ ফেরেনি। ফলে, পরিকাঠামো ঠিক করা হয়নি। তারজন্যই এই ঘটনা ঘটল। কার গাফিলতি তার তদন্ত হওয়া দরকার। রোগীর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, এমনও অভিযোগ ওঠে শিশু মারা গেলেও দেহ ফেলে রাখা হয়, যাতে সংখ্যাটা না বাড়ে। পরে, খাতায় এন্ট্রি করা হয় বিস্তারিত। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা মানতে চায়নি।

    আরও পড়ুন: চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী সাফাই দিলেন?

    হাসপাতাল (Hospital) সূত্রের জানা গিয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়। সাত জন শিশুর মৃত্যু প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (Hospital) অধ্যক্ষ অমিত দাঁ বলেন, “আমাদের কাছে একটা শিশু এলেও তাকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানোই লক্ষ্য থাকে। আমাদের কাছে এরকম অফিশিয়াল কোনও তথ্য নেই, যেখানে বলতে পারব ৭-৮ জন শিশু মারা গিয়েছে। তবে, এটুকু বলতে পারি, মুর্শিদাবাদ অনেক বড় জেলা। একটাই মেডিক্যাল কলেজ। প্রচুর শিশু আছে। আমাদের ডাক্তারবাবুরা সাধ্যমত চেষ্টা করেন। তারপরও কী হয়েছে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কুলপিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে কাজিয়া!

    South 24 Parganas: কুলপিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে কাজিয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) একটি সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল ফের প্রকাশ্যে এসেছে। কুলপিতে প্রকাশ্য সংবর্ধনা সভায় বিধায়ক ও ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির কাজিয়া প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে এলাকায়। উল্লেখ্য পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচনের আগেও একাধিক বার মাদার বনাম যুব তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    দলের শৃঙ্খলা নিয়ে দ্বন্দ্ব (South 24 Parganas)!

    কুলপিতে মথুরাপুর (South 24 Parganas) লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদের সংবর্ধনা সভায় তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। বৃহস্পতিবার দিন কুলপির পথের সাথী গেস্ট হাউসে নবনির্বাচিত সাংসদ বাপি হালদারের সংবর্ধনা সভা আয়োজন করা হয়। একদিকে যখন বিধায়ক দলের শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে ব্লক সভাপতির নাম না করেই একাধিক বক্তব্য রাখলেন, ঠিক উল্টোদিকে ব্লক সভাপতিও বিধায়কের নাম না করে দলের শৃঙ্খলা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুললেন। ফলে উভয়ের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে।

    তৃণমূল বিধায়কর বক্তব্য

    কুলপি (South 24 Parganas) বিধানসভার বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার বলেছেন, “দলের মধ্যে থেকে কেউ কেউ আমার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতার তকমা লাগাচ্ছে। আমি যদি সাম্প্রদায়িক হতাম তাহলে চারবারের বিধায়ক হতে পারতাম না। মানুষ সব জানে আমি তাঁদের জন্য কী করেছি। দল থাকলে তবেই কর্মীরা থাকবে, দলের মধ্যে থাকলে শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে সকলকে।” কিন্তু সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে বিধায়ক বলেন, “এখানে তৃণমূলের কোন গোষ্ঠীদ্বন্দ নেই, তবে সম্প্রদায়িকতার বিষয়ে কেউ কেউ অপপ্রচার করে করছেন।”

    তৃণমূল ব্লক সভাপতির বক্তব্য

    অন্যদিকে কুলপি (South 24 Parganas) বিধানসভার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সভাপতি সুপ্রিয় হালদার, বিধায়কের নাম না করে দলের সাংসদের সামনেই বলেন, “দলের মধ্যে থেকে পঞ্চায়েত নির্বাচন, বিধানসভা নির্বাচন ও লোকসভা নির্বাচনকে কেউ যদি আলাদা আলাদা করে গুরুত্ব দিয়ে দেখেন, তা হলে মানা হবে না। কোনও ব্যক্তির জন্য যদি অপর কোনও ব্যক্তির সম্মানহানি হয়, সেই বিষয়টিও বিধায়ক ও সাংসদকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি গঠন করা একান্ত প্রয়োজন।” দ্বন্দ্ব নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি আরও বলেন, “যাঁরা দলের মধ্যে থেকে ভুল কাজ করছে সেই বিষয়টি আমি বিধায়কের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছি। অন্যদিকে দল যাঁকেই টিকিট দিক না কেন, দলের মধ্যে থেকে শৃঙ্খলা পরায়ণ হয়ে কাজ করা উচিত তাঁর।”

    তৃণমূল সাংসদের বক্তব্য

    তবে এই বিষয়ে মথুরাপুর (South 24 Parganas) লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার বলেছেন, “দল বড় হলে তার মধ্যে সমস্যা থাকতে পারে, তবে তা নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নিতে হবে। অন্যদিকে যাঁরা দলের মধ্যে থেকে বিজেপির হয়ে ভোট করিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে দল।”

    আরও পড়ুনঃ চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    বিজেপির বক্তব্য

    তবে এই বিষয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কুলপি (South 24 Parganas) ব্লকের শ্রমিক ইউনিয়নের বিজেপি সভাপতি স্বপন হালদার বলেছেন, “বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে লেনদেনের ভাগ-বাটোয়ারা ঠিকঠাক না হওয়ার জন্যই এই ঘটনা ঘটছে। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সর্বোচ্চ তোলাবাজের দল। আর সেখানে বিধায়ক বেশি খাবে, নাকি ব্লক সভাপতি বেশি খাবে তা নিয়েই এই দ্বন্দ্ব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য। দূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতি বছর ভারতে মৃত্যু হচ্ছে ৩৩ হাজার মানুষের। সম্প্রতি ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ জার্নাল’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দূষণ সংক্রান্ত সমীক্ষার রিপোর্টে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, কলকাতা সহ ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে (Indian Cities) প্রতি বছর বায়ুদূষণের বলি হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। তাই দূষিত বায়ুর (Air Pollution) বিপদ থেকে নাগরিকদের বাঁচানোর জন্য অবশ্যই হু-র দেওয়া নির্দেশিকা মেনে চলা উচিত ভারতের, এমনটাই জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। গবেষণাটি সাসটেইনেবল ফিউচার কোলাবোরেটিভ, অশোকা ইউনিভার্সিটি, সেন্টার ফর ক্রনিক ডিজিজ কন্ট্রোল, সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট, হার্ভার্ড এবং বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

    ঠিক কী জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে? 

    সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে বায়ুদূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতিবছর ৩৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ওই ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে বায়ুদূষণের কারণে দৈনিক মৃত্যুর হার ৭ শতাংশেরও বেশি। এই শহরগুলির (Indian Cities) তালিকায় রয়েছে কলকাতা, আমেদাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বই, পুণে, সিমলা, এবং বারাণসী। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর নিরিখে শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী শহর দিল্লি, যেখানে প্রতি বছর ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বই। এখানে মৃত্যু সংখ্যা ৫ হাজার ১০০। আর কলকাতায় সেই সংখ্যা ৪ হাজার ৭০০। অন্যদিকে,  চেন্নাইয়ে বায়ুদূষণের কারণে বছরে ২ হাজার ৯০০ জন মানুষ মারা যান। বেঙ্গালুরুতে সেই সংখ্যা ২ হাজার ১০০ এবং বারাণসীতে ৮৩০। মৃত্যুর নিরিখে তালিকায় সবচেয়ে নিচে রয়েছে সিমলা, যেখানে বছরে বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ৫৯।  

    আরও পড়ুন: শিবের মাথায় জল দেবেন ভক্তরা, কানওয়ার যাত্রার রাস্তায় মাংস বিক্রি বন্ধ করলেন যোগী

    এর থেকে বাঁচার উপায় কী? (Air Pollution) 

    এ প্রসঙ্গে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সহ-লেখক জোয়েল শোয়ার্টজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ”এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ভারতের যা পরিস্থিতি সেখানে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণই একমাত্র পথ। একমাত্র বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই প্রতি বছর কয়েক হাজার জীবন বাঁচাতে পারে। অন্যান্য দেশে যেভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণ হয়, সে সব পদ্ধতিগুলি ভারতে জরুরীভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন।” বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ জানিয়েছে যে, পৃথিবীতে প্রায় সকলেই বায়ুদূষণের (Air Pollution) প্রস্তাবিত পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমাণে দূষিত বায়ু গ্রহণ করে, যা স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এর ফলেই উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। 
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়া কাণ্ডের তদন্তভার এবার সিবিআইকে তুলে দেওয়ার দাবি জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জ বিধানসভা উপ-নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী মানস কুমার ঘোষের সমর্থনে জনসভায় যোগ দিয়ে ফেরার পথে আচমকাই চোপড়া থানার আইসি-র সঙ্গে কথা বলার পর এমনটাই জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    চোপড়ার ঘটনায় লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে (Suvendu Adhikari)

    বৃহস্পতিবার জনসভা শেষ করে সোজা চোপড়া থানায় গিয়ে পৌঁছান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শিলিগুড়ি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মন, চিন্ময় দেব বর্মনসহ অন্যান্য বিধায়কেরা। চোপড়া থানা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, চোপড়া এখন ন্যাশনাল নয়, ইন্টারন্যাশনাল হয়ে গিয়েছে। এখানে খাপ পঞ্চায়েত হয়েছে। চোপড়ায় যে ঘটনা ঘটেছে বাঙালি এবং ভারতীয় হিসেবে লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে। আচমকা আমি আসায় আইসির সঙ্গে দেখা হল, না হলে আগের থেকে জানা থাকলে আইসি পালিয়ে যেতেন। তিনি আরও বলেন, “আমি যা বলেছি আইসি শুধু শুনেই গেলেন, কিছু বলতে পারলেন না। চোপড়ায় বিধায়ক হামিদুল রহমান এক প্রকার প্রশাসক। চোপড়াতে রাজ্যপালের যেদিন আসার কথা ছিল, তার আগের দিন আমার কাছে প্রমাণ আছে, চোপড়ার বিডিও ও চোপড়া থানার আইসি হামিদুলের সঙ্গে দেখা করেন। তার আগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি ও এসডিপিও হামিদুলের বাড়িতে গিয়েছিলেন। হামিদুল রহমান এখানে পঞ্চায়েতে ভোট করতে দেন না, গুন্ডাগিরি চালায়, কোনও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নেই। কোনও দলের অস্তিত্ব রাখতে চান না চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমান।

    আরও পড়ুন: দেশবাসীকে বিশ্বকাপ উৎসর্গ, মুম্বইয়ে জনসমুদ্রে ভাসলেন রোহিত-বিরাটরা

    হামিদুলকে তুলোধনা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, এবারের শিলিগুড়ি লোকসভায় চোপড়া এলাকায় ১৫০ টি বুথে লুট করে এক লক্ষ বেশি লিড নিয়েছে তৃণমূল। তারপরও শিলিগুড়ি লোকসভায় বিজেপি জিতেছে। গত ১০ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রীত্বে পুলিশের সরাসরি প্রশ্রয়ে একটা জঙ্গলের রাজ করা হয়েছে,আমাদের মনে হচ্ছে চোপড়াটা (Chopra Incident) ভারতের বাইরে। হামিদুল রহমান কীভাবে বলেন, ইসলামিক দেশে মহিলাদের ওপর এভাবে অত্যাচার করা হয়। এটাই ইসলামিক দেশ নয়, এটি হল স্বামী বিবেকানন্দের দেশ, যেটা নিজের ধর্মের প্রতি আস্থাশীল, অপর ধর্মের ওপর শ্রদ্ধাশীল। এটাই স্বামীজি শিখিয়েছেন। আজকে আমি চিফ সেক্রেটার মিস্টার গোপালিকা কে লিখেছি ,কোচবিহার ও চোপড়ার (Chopra Incident) ঘটনার তদন্তের জন্য রাজ্য সরকার যেন তুলে দেয় সিবিআইয়ের হাতে। এই কাণ্ডে যেসব পুলিশ যুক্ত আছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।  যদি সিবিআই হাতে তুলে না দেয় রাজ্য সরকার তাহলে আমরা আইনি পথে যাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rishi Sunak: ব্রিটেনের ভোটে লেবার পার্টির জয়জয়কার! ‘‘আমি ক্ষমাপ্রার্থী’’, পরাজয় স্বীকার সুনকের

    Rishi Sunak: ব্রিটেনের ভোটে লেবার পার্টির জয়জয়কার! ‘‘আমি ক্ষমাপ্রার্থী’’, পরাজয় স্বীকার সুনকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনের ফল (UK Election Results) ঘোষণা শুরু হয়েছে। ভারতীয় সময় সকাল ৯টা পর্যন্ত বিরোধী দল লেবার পার্টি প্রায় ২০০ আসনে জয়ী হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে কনজারভেটিভ পার্টি এখনও পর্যন্ত (সকাল ৯টা) ২৭টি আসনে জয় পেয়েছে। আর লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি জয় পেয়েছে ৩২টি আসনে। যা ট্রেন্ড, তাতে লেবার পার্টি ৪১০ আসনে জয় পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কনজারভেটিভ পার্টি জয় পেতে পারে ১৩১ আসনে। এই আবহে ঋষি সুনক (Rishi Sunak) সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘অত্যন্ত পরিশ্রমের পরেও অনেক কনজারভেটিভ প্রার্থীরা পরাস্ত হয়েছেন। আমি (Rishi Sunak) এর জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’’

    পরাজয়ের দায় নিলেন সুনক (Rishi Sunak)

    লেবার পার্টির এই জয়ের পরে তাদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। ব্রিটেনের এই নির্বাচনে ইতিমধ্যে তিনি নর্থ ইয়র্কশায়ারের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘লেবার পার্টি এই সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। আমি স্যার কিয়ের স্টার্মারকে ফোন করে তাঁর দলের বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতা বদল হতে চলেছে ব্রিটেনে। আমাদের দেশে এখনও পর্যন্ত স্থিতিশীলতা বজায় (UK Election Results) রয়েছে। ব্রিটিশ নাগরিকরা আজ রাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন। আমার দলের পরাজয়ের জন্য আমি দায় নিচ্ছি। অনেক কিছু শিখতে হবে আমাদের। অত্যন্ত পরিশ্রমের পরেও অনেক কনজারভেটিভ প্রার্থীরা পরাস্ত হয়েছেন। আমি (Rishi Sunak) এজন্য দুঃখিত।’’ অন্যদিকে কনজারভেটিভ পার্টির শীর্ষ নেতা জ্যাকব রিসমগ বলেন, ‘‘এই রাত দলের জন্য খুবই হৃদয়বিদারক।’’

    ১৪ বছর পরে ক্ষমতা বদল হতে চলেছে ব্রিটেনে

    প্রসঙ্গত, ১৪ বছর পরে ক্ষমতা বদল হতে চলেছে ব্রিটেনে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম ‘হাউস অফ কমন্স’। মোট আসন রয়েছে ৬৫০টি। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ৩২৬টি আসন। ট্রেন্ড সত্যি হলে, প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের নেতৃত্বাধীন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ে দ্বিগুণ ভোট এবং তিন গুণ আসন নিয়ে ক্ষমতা দখল করতে চলেছে কিয়ের স্টার্মারের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি।

    কী বলছেন কিয়ার স্টার্মার?

    সোশ্যাল মিডিয়ায় লেবার পার্টির নেতা স্যার কিয়ার স্টার্মার হলবন ও সেন্ট প্যানক্রাস আসনে জয় পেয়েছেন। তারপর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘পরিবর্তন শুরু হয়েছে। এখন আমাদের দেওয়ার সময়।’’ লেবার পার্টির এই নেতা হলবন ও সেন্ট প্যানক্রাসের জয়কে বড় পাওয়া হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘‘এটা আমার বাড়ি। যেখানে আমার সন্তানেরা বড় হয়েছে। আমার স্ত্রীর জন্ম হয়েছে।’’ তাঁকে সমর্থনের জন্য পরিবারকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্টার্মার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: শিবের মাথায় জল দেবেন ভক্তরা, কানওয়ার যাত্রার রাস্তায় মাংস বিক্রি বন্ধ করলেন যোগী

    Yogi Adityanath: শিবের মাথায় জল দেবেন ভক্তরা, কানওয়ার যাত্রার রাস্তায় মাংস বিক্রি বন্ধ করলেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণ মাসে শিবের মাথায় যাতে ভক্তরা নির্বিঘ্নে জল ঢালতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করল যোগী সরকার (Yogi Adityanath)। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য কানওয়ার যাত্রার (জল নিয়ে হাঁটা) রাস্তায় সমস্ত মাংসের দোকানের প্রকাশ্যে বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থাকছে আঁটোসাটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মহিলা শিবভক্তদের নিরাপত্তায় আলাদা করে জোর দিচ্ছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। প্রচুর মহিলা পুলিশ মোতায়েন থাকবে। চলতি বছরের কানওয়ার যাত্রা (Kanwar Yatra) শুরু হচ্ছে ২২ জুলাই।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

    সম্প্রতি, মন্ত্রিসভার বৈঠকে কানওয়ার যাত্রার পথে মাংস বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকার। শ্রাবণ মাস শুরু হচ্ছে ২২ জুলাই। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সরকারের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি ঘোষণা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শ্রাবণী শিবরাত্রি, নাগপঞ্চমী, রাখী বন্ধন চলতি মাসেই অনুষ্ঠিত হবে। এর পাশাপাশি হবে চিরাচরিত কানওয়ার যাত্রাও। জগন্নাথের রথযাত্রা রয়েছে ৭ থেকে ৯ জুলাই। মহরম রয়েছে ১৭-১৮ জুলাই। গুরু পূর্ণিমা রয়েছে ২১ জুলাই। তাই এই উৎসবগুলিকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সমস্ত প্রশাসনিক শীর্ষ আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ।

    সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে পুলিশকে (Kanwar Yatra)

    এর পাশাপাশি পুলিশকে সদা সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য। জানা গিয়েছে, যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরও জানিয়েছেন, কানওয়ারযাত্রা যে রাস্তাগুলির উপর দিয়ে যায় যথা গাজিয়াবাদ, মিরাট, অযোধ্যা, বরেলী, প্রয়াগরাজ, বারাণসী- এই সমস্ত জায়গাগুলিতে বেশি করে নজরদারি চালাতে হবে। এর পাশাপাশি তিনি (Yogi Adityanath) আরও নির্দেশ দিয়েছেন যে মহরমের শোভাযাত্রায় বড় বড় তাজিয়াগুলি যা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে সেগুলিকে অনুমতি দেওয়া যাবে না।

     

    আরও পড়ুনঃ হাথরস কাণ্ডে গ্রেফতার ৬, মধুকরকে ধরতে লাখ টাকার পুরষ্কার
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 05 july 2024: সিংহ রাশির জাতকরা শত্রুদের থেকে সাবধান থাকবেন আজ

    Daily Horoscope 05 july 2024: সিংহ রাশির জাতকরা শত্রুদের থেকে সাবধান থাকবেন আজ

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বন্ধুদের সহযোগিতা পাবেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন সুখে কাটবে।

    ৩) জীবনসঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    বৃষ

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) কাঙ্খিত ফল লাভের ইচ্ছা পূরণ হবে।

    ৩) সন্ধ্যাবেলা সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    মিথুন

    ১) পরিবারের ছোট সদস্য বা বাচ্চারা সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ২) বদহজমের সমস্যায় ভুগতে পারেন।

    ৩) পরিবারে সমস্ত জটিলতার অবসান ঘটবে।

    কর্কট

    ১) পারিবারিক জীবনে সমস্যা হতে পারে।

    ২) তাড়াহুড়োয় কোনও কাজ করলে তা ভেস্তে যেতে পারে।

    ৩) সন্ধ্যা নাগাদ ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    সিংহ

    ১) আপনার কাজের বিরোধিতা হবে।

    ২) শত্রুদের থেকে সাবধান।

    ৩) পারিবারিক সমস্যার ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্ত নিলে দুর্ভোগ বাড়তে পারে।

    কন্যা

    ১) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে।

    ২) সন্ধ্যাবেলা পরিবারের ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    ৩) মানসিক অবসাদ কমবে।

    তুলা

    ১) মনের মধ্যে আনন্দ অনুভূতি থাকবে।

    ২) চাকরিজীবী জাতকরা রোজগারের নতুন সুযোগ পাবেন।

    ৩) কাউকে টাকা ধার দেবেন না, কারণ সেই টাকা ফিরে পাবেন না।

    বৃশ্চিক

    ১) পরিবারে কোনও শুভ অনুষ্ঠান হতে পারে।

    ২) বাড়িতে অতিথি আগমন হবে।

    ৩) সমস্ত কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন আজ।

    ধনু

    ১) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    ২) অধিক দৌড়ঝাঁপ করতে হবে আজ।

    ৩) চোখে সমস্যা হতে পারে।

    মকর

    ১) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ২) দাম্পত্য সুখ বৃদ্ধি হবে।

    ৩) ব্যবসায়ে উন্নতি হবে।

    কুম্ভ

    ১) প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    ২) ব্যবসায়ীদের অর্থাভাবের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) সাবধানে গাড়ি চালান।

    মীন

    ১) অধিক পরিশ্রম করতে হবে আজ।

    ২) ব্যবসার জন্য দিনটি ভালো নয়।

    ৩) সবার সাহায্য নিয়ে এগিয়ে যাবেন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahesh Rath Yatra: ঘড়া ঘড়া জল-দুধে স্নান করেও অবিকল মাহেশের জগন্নাথদেবের দারুমূর্তি

    Mahesh Rath Yatra: ঘড়া ঘড়া জল-দুধে স্নান করেও অবিকল মাহেশের জগন্নাথদেবের দারুমূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতবর্ষের দ্বিতীয় বৃহত্তম রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় হুগলির মাহেশে (Mahesh Rath Yatra)। শ্রীরামপুরের কাছে এই রথ দেখতে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্তের ঢল নামে। মাহেশের রথেরও আছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। পুরীতে জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার জন্য তিনটি আলাদা রথ থাকে। মাহেশে ত্রিমূর্তি থাকেন একটিই রথে। সেই রথের উচ্চতা ৫০ ফুট। পুরীর রথের থেকেও এই রথ উচ্চতায় বেশি। মনে করা হয়, জগন্নাথের এত উচ্চ রথ আর দ্বিতীয়টি নেই। উচ্চতা অনুযায়ী রথের ওজনও বেশি, এই রথ ১২৫ টনের। এবারও মাহেশের রথ দেখতে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম ঘটবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে।

    শ্রীচৈতন্য নামকরণ করেছিলেন ‘নব নীলাচল’ (Mahesh Rath Yatra)

    মাহেশের (Mahesh Rath Yatra) মূল মন্দির থেকে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার বিগ্রহ রথে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে, প্রায় এক কিলোমিটার দূরে মাসির বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয় রথে চাপিয়ে। কথিত আছে, সাধক ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী ৬২৯ বছর আগে পুরীতে গিয়ে প্রভু জগন্নাথকে ভোগ নিবেদনের জন্য স্বপ্নাদেশ পান। কিন্তু, সেই ভোগ তিনি অর্পণ করতে পারেননি। এরপর স্বপ্নাদেশে পাওয়া নিম কাঠ দিয়ে তিন বিগ্রহ তৈরি করা হয়। সেই থেকেই চলে আসছে পুজো। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, সন্ন্যাস গ্রহণের পর শ্রীচৈতন্য পুরী যাওয়ার পথে মহেশের কাছে পৌঁছান। ধ্রুবানন্দের মন্দিরে যাওয়ার পর, তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। গভীর সমাধিতে লীন হন। শ্রীচৈতন্য মাহেশকে ‘নব নীলাচল’ অর্থাৎ ‘নতুন পুরী’ বলে নামকরণ করেছিলেন। পরে, বৃদ্ধ ধ্রুবানন্দ তাঁকে মন্দিরের দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করেন। তাঁর অনুরোধে শ্রীচৈতন্য কমলাকর পিপলাইকে তাঁর বারো গোপালের পঞ্চম মন্দিরের সেবাইত করেন। কিছুদিন পর ধ্রুবানন্দ মারা যান। কমলাকর পিপলাই ছিলেন, যেমনটি আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রীচৈতন্যের বারোটি গোপালের মধ্যে পঞ্চম। তিনি ছিলেন সুন্দরবনের খলিজুলির জমিদারের ছেলে। তিনি লজিক পড়ার জন্য নবদ্বীপে আসেন। পরে, তিনি মহাপ্রভুর প্রিয় হয়ে ওঠেন। তাঁর সঙ্গে যোগ দেন। মাহেশ মন্দিরের দায়িত্ব নেওয়ার পরে, তিনি সেখানেই থেকে যান। তিনিই বিখ্যাত রথ উৎসব শুরু করেছিলেন। তাঁর উত্তরাধিকারীরা এখনও মাহেশ এবং কেউ কেউ কলকাতায় মন্দিরের সেবাইত বা ‘অধিকারি’ হিসেবে বসবাস করেন।

    রথ দেখতে এসেছিলেন রামকৃষ্ণ-মা সারদা 

    মাহেশের (Mahesh Rath Yatra) এই জগন্নাথ অর্চনা ৬২৯ বছরের প্রাচীন। মাহেশের সেবাইত পিয়াল অধিকারী বলেন, স্বপ্নাদিষ্ট দারুমূর্তি আজও একই রকম ভাবে আছে, যা মাহেশের বিশেষ মাহাত্ম্য। এত বছর ধরে ঘড়া ঘড়া জল-দুধে স্নান সত্ত্বেও মূর্তি আছে অবিকল। মাহেশের স্নান প্রক্রিয়ারও আছে নিজস্বতা। ভাদ্র মাসে এই এলাকায় দেখা দেয় ষাঁড়াষাঁড়ি বান। সেই জল তুলে রাখা হয় জগন্নাথের স্নানের জন্য। বিশেষ সেই জলের সঙ্গে থাকে দেড় মন দুধ। সকলের সামনেই অনুষ্ঠিত হয় এই পুণ্যস্নানের মুহূর্ত। ভক্তমনের বাঞ্ছা পূর্ণ করতেই জগন্নাথের এই লীলা। মাহেশের রথ দেখতে ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব এসেছিলেন। মা সারদাও রথের টানে মাহেশে এসেছিলেন। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মাহেশে রথ দেখতে এসেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস রাধারানি মাহেশ রথযাত্রার বিস্ময়কর বিবরণ নিয়ে লেখা।

    চারতলা এই রথ

    জানা গিয়েছে, শ্যামবাজারের বসু পরিবারের কৃষ্ণরাম বসু এই রথ দান করেছিলেন। চারতলা এই রথেরও আছে নিজস্ব ব্যাখ্যা- চৈতন্যলীলা, রামলীলা, কৃষ্ণলীলা এবং শীর্ষে আরোহণ করেন প্রভু জগন্নাথ। স্নানযাত্রা থেকে রথযাত্রার এই অন্তর্বর্তী সময়ে অন্তরালে থাকেন জগন্নাথ। কথিত আছে, এই সময় জ্বরে ভোগেন তিনি। দূর- দূরান্ত থেকে কবিরাজ এসে পাঁচন তৈরি করে প্রভুর নিরাময়ের ব্যবস্থা করেন। তারপর আসে রথযাত্রার মুহূর্ত। কথিত আছে, রথে উপবিষ্ট জগন্নাথকে দর্শন করলে আর পুনর্জন্মের ভয় থাকে না। স্নানযাত্রা থেকেই সেই মহালগ্নের সূচনা হয়ে যায় শ্রীরামপুরের (Serampore) মাহেশে। জগন্নাথ দেবের মন্দির সংলগ্ন স্নান পীড়ি ময়দানে রথ উপলক্ষে প্রতি বছর ১ মাস ধরে চলে মেলা। প্রতিবছর নতুন সাজে সাজানো হয়। এবারও রথের (Serampore) রশিতে টান দিতে হাজার হাজার ভক্ত ভিড় করছেন মাহেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  •  Assam-Manipur floods: অসম-মণিপুরের বন্যা পরিস্থিতি আরও সংকটজনক, মৃত বেড়ে ৪৮

     Assam-Manipur floods: অসম-মণিপুরের বন্যা পরিস্থিতি আরও সংকটজনক, মৃত বেড়ে ৪৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম ও মণিপুরের (Assam-Manipur floods) বন্যা পরিস্থিতি আরও সংকটজনক! লাগাতার ভারী বর্ষণে উত্তর-পূর্বের এই দুটি রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮। এই দুই রাজ্যে মানুষ প্রাণ যেমন হারিয়েছে, তেমনি বন্যায় ঘরবাড়ি, চাষের জমি এবং গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। হাজার হাজার মানুষকে ত্রাণ শিবিরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ এবং উদ্ধার কাজে নেমেছে প্রশাসন। 

    উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে লাল সতর্কতা (Assam-Manipur floods)!

    অসমএবং মণিপুর (Assam-Manipur floods) উভয় রাজ্যের নানা জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত এখনও অব্যাহত রয়েছে। ভারতের আবহাওয়া দফতর (IMD) এই সপ্তাহে সমস্ত উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে৷ ইতিমধ্যে নৌকায় করে সেনাবাহিনী, অসম রাইফেলস, রাজ্য পুলিশ, মণিপুর ফায়ার সার্ভিস, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ কর্মীরা সহ স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা বন্যা-দুর্গত মানুষকে উদ্ধার করার পাশাপাশি প্যাকেটজাত পানীয় জলের বোতল এবং খাবার বিতরণ করছে।

    ১৬ লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ!

    এখনও পর্যন্ত অসমে (Assam-Manipur floods) ৪৬ জন এবং মণিপুরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার অসমে বন্যায় ডুবে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। অসমের সামগ্রিক বন্যা পরিস্থিতি এখনও সংকটজনক, কারণ ২৯টি জেলার ১৬.২৫ লাখেরও বেশি মানুষ বন্যার কবলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে, মণিপুরের ২০০০ জনেরও বেশি মানুষকে বন্যা কবলিত এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ২৮০০টি গ্রাম এখনও প্লাবিত হয়েছে এবং বন্যার জলে (Heavy Rain) ৩৯৪৫১.৫১ হেক্টর চাষের জমি প্লাবিত হয়ে রয়েছে। আসামে ৩.৮৬ লাখেরও বেশি মানুষকে, ২৪টি বন্যা কবলিত জেলায় প্রশাসনের দ্বারা নির্মিত ৫১৫টি ত্রাণ শিবির কেন্দ্রে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হাথরস কাণ্ডে গ্রেফতার ৬, মধুকরকে ধরতে লাখ টাকার পুরষ্কার

    ইম্ফল নদীর বাঁধ ভেঙে গিয়েছে

    গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যার জল (Heavy Rain) মণিপুর ও অসম (Assam-Manipur floods) উভয় রাজ্যে শতাধিক রাস্তা, কয়েক ডজন সেতু এবং হাজার হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ব্রহ্মপুত্র নদ ও এর উপনদীর জলের স্তর এই সপ্তাহে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে, যার ফলে আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। ইম্ফল নদীর পশ্চিমের সিংজামেই ওইনাম থিঙ্গেলে তার বাঁধ ভেঙ্গেছে। বৃষ্টির মধ্যে কংবা ইরং এবং ইম্ফল পূর্বের কেইরাওয়ের কিছু অংশে কংবা নদী বন্যার জলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একই ভাবে উত্তর-পূর্ব রাজ্য যেমন মেঘালয় এবং অরুণাচল প্রদেশও ত্রাণ পাঠিয়ে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share