Tag: Bengali news

Bengali news

  • Election Result 2024: উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ভরাডুবি! সরকারি পদ গেল সৌরভের, ঘুম ছুটেছে নেতাদের

    Election Result 2024: উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ভরাডুবি! সরকারি পদ গেল সৌরভের, ঘুম ছুটেছে নেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহার বাদ দিলে উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। ভোটের (Election Result 2024) ফল বের হওয়ার পর দলের এমন হাল খুঁজতে উত্তরবঙ্গে যান মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে আসেন তিনি। এরপরই উত্তরবঙ্গের এক দাপুটে নেতাকে সরকারি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আর দলের এই সিদ্ধান্তে পদ হারানোর ভয়ে ঘুম ছুটেছে একাধিক নেতার।

    উত্তরবঙ্গে ভরাডুবি, পদ গেল সৌরভের (Election Result 2024)

    শুক্রবার এক নির্দেশিকায় শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা এসজেডিএ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে সৌরভ চক্রবর্তীকে। অতিরিক্ত জেলাশাসককে সেই পদ সামলানোর কথা বলা হয়েছে। এ নিয়ে প্রবল হইচই শুরু  হয়েছে দলের অন্দরেই। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার লোকসভা ভোটে কোচবিহারে জয় মিলেছে। দক্ষিণ দিনাজপুরে অল্প ভোটে (Election Result 2024) হেরেছে দল। কিন্তু, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিংয়ে চূড়ান্ত খারাপ ফলের জেরে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে দলের অন্দরেই। শিলিগুড়ি পুরভোটে ৩৭টি ওয়ার্ডে জিতেছিল দল। কিন্তু, লোকসভায় কার্যত একটি ওয়ার্ড বাদে সব ওয়ার্ডে হেরেছে তৃণমূল। জলপাইগুড়িতেও চূড়ান্ত হতাশাজনক ফল হয়েছে। সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, দল কেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা বলতে পারব না। তাছাড়া আমি শুধু একা নয়, দলের অনেক নেতার এলাকাতেই খারাপ ফল হয়েছে। সময় হলে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    কাজ করে ফল দেখাও, নাহলে পদ ছাড়তে হবে

    শিলিগুড়িতে জেলা তৃণমূলের (Trinamool Congress) মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলেন, “দলনেত্রীর নির্দেশ থাকলেও একদল নেতার বিলাসবহুল জীবনযাত্রা, সম্পত্তির বৃদ্ধি ভালভাবে নিচ্ছেন না মানুষ। তাই উত্তরে হার। আসলে অভিষেকের পারফরমেন্স থিয়োরির প্রয়োগ দরকার এখানেও। হয় কাজ করে ফল দেখাও, নাহলে পদ ছাড়তেই হবে।” মেয়র গৌতম দেব বলেন, “আমি সৌরভের অপসারনের বিষয়টি জানতাম না। তবে, অভিষেকের পারফরমেন্স থিয়োরি ঠিক সিদ্ধান্ত। আমাদের পারফর্ম করতেই হবে। উত্তরের এই এলাকায় আমরা খারাপ ফল করেছি। নেতাদের সম্পত্তি বৃদ্ধি, জীবনযাত্রা পাল্টে যাওয়া, সবই দল নজরে রেখেছে এটুকু বলতে পারি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: দাঁইহাটে ধরাশায়ী তৃণমূল, চেয়ারম্যান-কাউন্সিলর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    Election Result 2024: দাঁইহাটে ধরাশায়ী তৃণমূল, চেয়ারম্যান-কাউন্সিলর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমানে বিপুল ভোটে (Election Result 2024) জয়লাভ করেছে তৃণমূল। এখন তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের আনন্দ উল্লাস করে উৎসব পালন করা দরকার। কিন্তু, ভোটের ফল মিটতেই একেবারেই অন্যচিত্র ধরা পড়ল দাঁইহাটে। লোকসভায় জয়ী হলেও এই পুসভায় তৃণমূলকে হারিয়ে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। আর তারপরই পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের সঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলরদের একাংশের বিরোধ একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যা নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    দাঁইহাট পুরসভায় ধরাশায়ী তৃণমূল! (Election Result 2024)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাঁইহাট পুরসভায় ১৪টি ওয়ার্ড রয়েছে। কোথাও কোনও বিরোধী সদস্য নেই এক জনও। শহরে শক্তপোক্ত সংগঠন রয়েছে, এমন দাবি করে না প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও। তবুও, এই শহরে লোকসভা ভোটে (Election Result 2024) বিজেপি প্রায় আড়াই হাজার ভোটে পিছনে ফেলেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে। লোকসভা ভোটের পর ১৩ জুন প্রথম পুরবোর্ডের বৈঠক ডেকেছিলেন চেয়ারম্যান। কিন্তু, তিনি-সহ মাত্র তিন জন সদস্য হাজির হয়েছিলেন বৈঠকে। কোরাম না হওয়ায় শেষপর্যন্ত বৈঠক বাতিল করেন চেয়ারম্যান। দলীয় সূত্রের খবর, বৈঠকে বাকিদের অনুপস্থিতির বিষয়টি তিনি দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এর আগে দুপক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছিল। পরে, তা মিটে যায়। এবার ফের দ্বন্দ্ব সামনে চলে এসেছে।

    আরও পড়ুন: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    ভোটে হারের জন্য চেয়ারম্যান দায়ী!

    শহরে দলের ভোট-বিপর্যয়ের জন্য পুরপ্রধানকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন বৈঠকে অনুপস্থিত তৃণমূলের পুরপ্রতিনিধিরা। শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসীম ঘোষ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দলজিৎ মণ্ডল বলেন, “চেয়ারম্যান সিপিএম থেকে আমাদের দলে এসে সহজেই পদ পেয়েছেন। তাই এখনও তৃণমূল হয়ে উঠতে পারেননি। তিনি বরাবরই দলীয় কাউন্সিলরদের উপেক্ষা করে বিরোধীদের হয়ে কাজ করে চলেছেন। ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি লোকসভা ভোটে (Election Result 2024) বিজেপি প্রার্থীর হয়ে কাজ করেছেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলেও তিনি কথা শোনেননি। পুরপ্রধানের জন্যই আজ শহরে ন’টি ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে গিয়েছে। দলীয় নেতৃত্ব সবই জানেন।”

     সরে যাওয়ার আগে ওঁদের সব দুর্নীতি ফাঁস করে দেব

    চেয়ারম্যান প্রদীপ রায় বলেন,  “আমি সিপিএম থেকে তৃণমূলে এসেছিলাম উন্নয়নের কাজ করব বলে। পদের জন্য নয়। তৃণমূল কাউন্সিলরদের একাংশের বক্তব্য, আমি নাকি বিজেপির হয়ে কাজ করছি। দলের ক্ষতি হবে বলে ভোটের আগে এ নিয়ে কিছু বলিনি। কিন্তু, এখন বলতে বাধ্য হচ্ছি, ওঁরা দলবিরোধী কাজ করে চলেছেন। আমি সরে যাওয়ার আগে ওঁদের সব দুর্নীতি ও দলবিরোধী কাজ সাংবাদিক বৈঠক করে বলে যাব। এ সব দলীয় নেতৃত্বকে আগেই জানিয়ে রেখেছি।”

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    দাঁইহাট শহর তৃণমূল সভাপতি রাধানাথ ভট্টাচার্য বলেন, “চেয়ারম্যান বিজেপির হয়ে ভোটে কাজ করেছেন, এ কথা মানতে পারছি না। এ ভাবে আকচাআকচি না করে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া উচিত কাউন্সিলদের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “জেলা শাসক-আইপ্যাক চক্রান্ত করে নিশীথকে হারিয়েছেন”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “জেলা শাসক-আইপ্যাক চক্রান্ত করে নিশীথকে হারিয়েছেন”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের পর কোচবিহারে একাধিক জায়গায় তৃণমূলের অত্যাচারে বিজেপির কর্মীরা প্রাণের ভয়ে আতঙ্কিত। অপরদিকে জেলায় বিভিন্ন অঞ্চলগুলিতে বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য থেকে শুরু করে সাধারণ কর্মীরাও তৃণমূল দুষ্কৃতীদের সন্ত্রাসের ফলে ঘর ছাড়া হয়ে রয়েছেন। অনেকেই জেলা পার্টি অফিসে আশ্রয় নিয়েছেন। ভোট পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা দিতে কোচবিহারে এলেন বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্য সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে তোপ দেগে বলেন, “জেলা শাসক-আইপ্যাক চক্রান্ত করে নিশীথকে হারিয়েছেন।”

    কী বলেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    কোচবিহারে আক্রান্ত নেতা কর্মীদের সাথে দেখা করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “আক্রান্ত নিপীড়িত মানুষেরা কেবল মাত্র বিজেপি কর্মী নয়, সকলে সনাতনী রাজবংশী এবং প্রান্তিক এলাকার মানুষ। লোকসভার পর থেকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা জেলায় জেলায় আক্রমণ করেছে। মানুষের জীবন এবং সম্পত্তিহানি ঘটিয়েছে। আমরা সকল কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁদের উপর হওয়া অত্যাচারের কথা শুনেছি। সকল মানুষকে আইনি সহযোগিতা, প্রয়োজনীয় খাবার এবং থাকার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি। বিজেপির কোচবিহার জেলা নেতৃত্ব, প্রাক্তন সাংসদ সহ বিধায়কেরা আক্রান্তদের পাশে রয়েছেন। যতজন আহত হয়েছেন তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত অফিসগুলিকে খুলতে দেওয়া হচ্ছে না। বিডিও, জেলা শাসকদের চিঠি করা হচ্ছে। প্রশাসন যদি কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে আমরা আগামী দিনে কোর্টে যাবো। পঞ্চায়েত পরিষেবাকে দ্রুত চালু করতে হবে। আমরা জেলা শাসক অরবিন্দ কুমার মিনার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি সময় দেননি। হিংসা কবলিত মানুষের জন্য প্রশাসন, তৃণমূল হয়ে এলাকায় কাজ করছে। এই জেলা শাসক তৃণমূলের জেলা সভাপতিতে পরিণত হয়েছেন। এটা খুব খারাপ দিক; রাজ্যের নির্বাচিত বিরোধী দলনেতা, জেলার বিধায়কের সঙ্গে জেলা শাসক হিংসা কবলিত মানুষের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে রাজি হননি।”

    আরও পড়ুনঃ “দলে থেকে যাঁরা অন্য দলের হয়ে ভোট করিয়েছেন তাঁদের তাড়াব”, বিস্ফোরক শতাব্দী

    আর কী বললেন?

    এই হিংসা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিককে জোর করে হারানো হয়েছে। জেলা শাসক, আইপ্যাক এবং তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা গণনায় কারচুপি করে হারিয়েছেন। গণনার আগে ইভিএম বদলে দিয়েছেন জেলা শাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। ১৯ এবং ২০ রাউন্ডের গণনায় চুরি করে তৃণমূলকে জয়ী করেছে। গণনার সময় বিজেপি এজেন্টদের চুলের মুঠি ধরে, বাইরে বের করে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই ফলাফল প্রকৃত ফলাফল নয়। আর তাই তৃণমূল এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। আমরা কোর্টে যাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Belghoria Shootout: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    Belghoria Shootout: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার দিনের বেলায় প্রকাশ্যে সিনেমার কায়দায় শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটল বেলঘরিয়ার (Belghoria Shootout) রথতলায়। পুলিশের সামনেই দুষ্কৃতীরা ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় বলে অভিযোগ। জনবহুল বিটি রোডে বেপরোয়াভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় চরম আতঙ্ক ছড়ায়। ব্যবসায়ীর গাড়িতে হামলা চালানোর পর পরই দুষ্কৃতীরা এলাকা থেকে চম্পট দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Belghoria Shootout)

    শুক্রবার রাতেই কলকাতায় শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই দিনের বেলায় ফের বেলঘরিয়ায় (Belghoria Shootout) শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটে। এমনিতেই রথতলায় সবসময় লোকজনের ভিড়় লেগেই থাকে। তাছাড়া রথতলা মোড়েই কামারহাটি পুরসভা। কাছেই রয়েছে বেলঘরিয়া থানা। রাস্তার পাশেই বিধায়ক মদন মিত্রের অফিস। সবমিলিয়ে অত্যন্ত জনবহুল এলাকা রথতলা। এদিন অজয় মণ্ডল নামে প্রতিষ্ঠিত ওই ব্যবসায়ী কালো রংয়ের একটি গাড়ি করে কলকাতার দিক থেকে বিটি রোড ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। ব্যবসায়ীর বাড়ি বারাকপুরে। রথতলা মোড়ের আগে থেকেই দুটি বাইকে দুষ্কৃতীরা ব্যবসায়ীর গাড়ি ফলো করছিল। রথতলা মোড়ের কাছে আচমকাই তারা গাড়ির সামনে এসে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুলির আওয়াজ শুনে রথতলা মোড়ে স্থানীয় লেকজন ছুটে পালাতে শুরু করেন। ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে পাঁচ থেকে আট রাউন্ড গুলি করা হয়। রথতলায় এই ধরনের ঘটনা আমরা এর আগে দেখিনি। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। ওই ব্যবসায়ী গাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তার পাশে থাকা দোকানে গিয়ে আশ্রয় নেন। গাড়িতে গুলির একাধিক দাগও পাওয়া গিয়েছে। দিনে দুপুরে দুষ্কৃতীদের এমন বেপরোয়া মনোভাবে আতঙ্কিত এলাকাবাসী।

    আরও পড়ুন: শনি সকালেও ঘামছে শহরবাসী, আজ বিকেল থেকে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    ব্যবসায়ীর কাছে তোলা চেয়েছিল দুষ্কৃতীরা!

    বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী অজয়বাবু। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিল্পাঞ্চলের দুষ্কৃতী গ্যাং ওই ব্যবসায়ীর কাছে তোলা চেয়েছিল। সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেছিলেন ব্যবসায়ী। আর তারপরই থেকেই ব্যবসায়ীকে টার্গেট করেছিল দুষ্কৃতীরা। তবে, পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, গাড়ির একাধিক জায়গায় গুলি লাগার চিহ্ন রয়েছে। তবে, ব্যবসায়ীর গাড়িতেই হামলা চালিয়েছে। ব্যবসায়ীকে ভয় দেখানোর জন্য এই হামলা। আমরা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। বিটি রোডে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “দলে থেকে যাঁরা অন্য দলের হয়ে ভোট করিয়েছেন তাঁদের তাড়াব”, বিস্ফোরক শতাব্দী

    Birbhum: “দলে থেকে যাঁরা অন্য দলের হয়ে ভোট করিয়েছেন তাঁদের তাড়াব”, বিস্ফোরক শতাব্দী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) ফের আরেকবার লোকসভা ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। বীরভূম এবং বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রে ভালো ফল করেছে তৃণমূল। যে দুবরাজপুর বিধানসভা ২০২১ সালে বিজেপি জয়ী হয়েছিল, এবার সেখানেও তৃণমূল ঘাস ফুল ফুটেছে। আর এইবার জয়ী হয়ে সাংসদ শতাব্দী রায় বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দলেরই নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। খয়রাশোল ব্লকের দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ করে বলেন, “দলে থেকে যাঁরা অন্য দলের হয়ে ভোট করিয়েছেন তাঁদের তাড়াব” এই মন্তব্যের ফলে দলের অন্দরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ঠিক কী বললেন শতাব্দী (Birbhum)?

    বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল সাংসদ একাধিকবার ভোটের আগেও তৃণমূলের অন্তর্গত দলীয় কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে গোষ্ঠীকোন্দলকে উস্কে দিয়েছিলেন। শনিবার শতাব্দী রায় আবার বলেছেন, “দলের মধ্যে কয়েকজন বেইমান আছেন। বিজেপির জন্য যাঁরা ভোট করেছেন, তাঁদের আগে চিহ্নিত করতে হবে। আমরা তো দলের জন্য ভোট করি, আগে যা হয়নি এবার থেকে তাই করা হবে। দলে থেকে দলবিরুদ্ধ আচরণ করা যাবে না। বেইমানদের আগে তাড়ানো হতো না, এইবার থেকে তাড়ানো হবে। আমিও বিরোধীদের সম্মান করি। কিন্তু দলের পদ থেকে হিন্দুদের কাছে বলব বিজেপিকে ভোট দাও, আবার মুসলমানদের বলবে কংগ্রেসকে ভোট দাও। আর জয়ী হওয়ার পর বলবে, দিদি আমি আপনার জন্য পুজো দিয়েছি। তাঁদের প্রত্যককে আমি চিনি।”

    আরও পড়ুনঃ ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের ফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যাচ্ছে বিজেপি

    আগেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছিল

    উল্লেখ্য, খয়রাশোলে (Birbhum) প্রাক্তন ব্লক সভাপতির সঙ্গে অঞ্চল সভাপতিদের গোষ্ঠী কোন্দলের কথা সবাইকার জানা। একাধিক তৃণমূল নেতারা বিরোধ মেটাতে রাস্তায় নেমেছিলেন। কাজের কাজ শেষ পর্যন্ত কিছুই হয়নি। তৈরি করা হয়েছিল কোর কিমিটিও। গোষ্ঠী কোন্দলের ঝামেলা মেটেনি বললেই চলে। রাজনীতির একাংশের বক্তব্য এই কোন্দলকে ঢাল করে ২০২১ সালে বিজেপি পদ্ম ফুটিয়ে ছিল দুবরাজপুরে। একই ভাবে শতাব্দীকে লোকসভার প্রচারে, একাধিকবার আবাস যোজনার বাড়ি, কাঁচা রাস্তা, পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে জেলার গ্রামীণ এলাকায় সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল শতাব্দীকে। আবার রামপুরহাট পুরসভার পুরনির্বাচনে ভালো ভোট না পাওয়ায় দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Sikkim: বিপদসীমা ছুঁতে পারে তিস্তার জল! সিকিমে এখনও আটকে ১২০০ পর্যটক

    North Sikkim: বিপদসীমা ছুঁতে পারে তিস্তার জল! সিকিমে এখনও আটকে ১২০০ পর্যটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশ খারাপ হচ্ছে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি। ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে বিপদসীমার কাছ দিয়ে বয়ে চলেছে তিস্তা। প্রবল বিপর্যয়ে (Flood situation) বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। একের পর এক ধসের জেরে উত্তর সিকিমে (North Sikkim) আটকে পড়েছেন বিপুল পরিমাণ পর্যটক। জানা গিয়েছে সিকিমে ১২০০ পর্যটক এখনও সেখানে আটকে রয়েছেন। তাঁদের অধিকাংশই পশ্চিমবঙ্গের। তা ছাড়া রয়েছেন ১৫ জন বিদেশি। ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দিতে রংপোতে পর্যটকদের সহায়তার জন্য হেল্পডেস্ক চালু করা নিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। 

    সিকিমের পরিস্থিতি (North Sikkim) 

    সিকিম (North Sikkim) আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে উত্তর সিকিমে প্রায় ২ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী তিন-চার দিনও বৃষ্টিপাতের একই পরিস্থিতি (Flood situation) থাকবে বলেই জানিয়েছে সিকিম হাওয়া অফিস। এই পরিস্থিতিতে উত্তর সিকিমে বিভিন্ন জায়গায় নতুন করে ছোট বড় ধস নেমেছে। আটকে বহু পর্যটক। পরিস্থিতি এমন যে, পর্যটনের জন্য বিখ্যাত লাচুংয়ের সঙ্গে গোটা রাজ্যেরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। বিচ্ছিন্ন টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থাও। 

    চালু হেল্পডেস্ক 

    সিকিমে (North Sikkim) আটকে পড়া পর্যটকদের জন্য চালু করা হয়েছে হেল্পডেস্ক। সেখানে দুজন অফিসারের ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। নম্বর দুটি হল—রবি বিশ্বকর্মা (৮৭৬৮০৯৫৮৮১) এবং পুষ্পজিৎ বর্মণ (৯০৫১৪৯৯০৯৬)। তবে আটকে থাকা পর্যটকদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন প্রশাসনের কর্তারা। পর্যটকরা সুস্থ আছেন বলেই খবর।

    আরও পড়ুন: সমাজমাধ্যম থেকে কেজরির ভিডিয়ো সরাতে বলে স্ত্রী সুনীতাকে নোটিশ দিল্লি হাইকোর্টের

    বানভাসী পরিস্থিতি গোটা উত্তরবঙ্গে (Flood situation) 

    ইতিমধ্যেই এক নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে তিস্তার জল ফুলে উঠেছে। বানভাসী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা উত্তরবঙ্গে। তিস্তা পার সংলগ্ন নিচু এলাকার বাসিন্দাদের ইতিমধ্যে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিচু এলাকায় কিছু জায়গায় প্রশাসনের তরফে ত্রিপল খাটিয়ে স্থানীয়দের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যদিকে এমত অবস্থায় সিকিমের (North Sikkim) মুখ্যসচিব কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলেছেন। আটকে থাকা বিপুল পরিমানে পর্যটকদের বিমান পথে উদ্ধার করা যায় কিনা, সে ব্যাপারে চলছে চিন্তাভাবনা। ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের কাছেও চাওয়া হয়েছে সাহায্য। তবে তিস্তায় সেতু তলিয়ে যাওয়ার কারণে পর্যটকদের উদ্ধার করা আরও কঠিন হয় পড়েছে।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh To Kolkata Train: ফের বাড়ল বাংলাদেশ-কলকাতা ট্রেনের ভাড়া, জানুন তালিকা

    Bangladesh To Kolkata Train: ফের বাড়ল বাংলাদেশ-কলকাতা ট্রেনের ভাড়া, জানুন তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওপার বাংলা থেকে প্রচুর মানুষ এপার বাংলায় আসেন। বেশিরভাগ জনই চিকিৎসার স্বার্থে কলকাতায় আসেন এবং সুস্থ হয়ে ফের ফিরে যান। বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় আসার বাস ও বিমান থাকলেও পকেট সাশ্রয়ী হিসেবে এবং আরও অন্যান্য সুবিধার জন্য মধ্যবিত্ত বাঙালির পছন্দের তালিকায় সর্বদাই শীর্ষে থাকে ট্রেন (Bangladesh To Kolkata Train)। তবে ফের একবার বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা ট্রেনগুলির ভাড়া বাড়ল বলে জানা গিয়েছে। ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জেরেই এমন ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এমনটাই জানা গিয়েছে।

    ১৫ জুন থেকেই বাড়ল ভাড়া 

    গতকাল ১৫ জুন শনিবার থেকেই এই নতুন ভাড়া কার্যকর হয়ে গিয়েছে। ওপার বাংলার ট্রেনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক মেহরাবুর রশিদ খান একটি বিবৃতি জারি করে ভাড়া বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন। ওই বিবৃতি অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা তিনটি ট্রেন (Bangladesh To Kolkata Train) যথা- মৈত্রী এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস ও মিতালী এক্সপ্রেস এদের ভাড়া সর্বনিম্ন ৭০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩০৫ টাকা বেড়েছে। 

    কোন ট্রেনে কত ভাড়া বাড়ল

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল পথ চলা শুরু করে মৈত্রী এক্সপ্রেস। বন্ধন এক্সপ্রেস ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় ছোটে ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর। মিতালী এক্সপ্রেস চালু হয় খুব সম্প্রতি ২০২১ সালের ২৬ মার্চ। ঢাকা থেকে কলকাতা চলাচল করে মৈত্রী এক্সপ্রেস। খুলনা থেকে কলকাতায় আসে বন্ধন এক্সপ্রেস ঢাকা। অন্যদিকে ঢাকা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত যাতায়াত করে মিতালী এক্সপ্রেস। জানা গিয়েছে, আগে মৈত্রী এক্সপ্রেসের এসি কামরার ভাড়া ছিল ৪,৯০০ টাকা। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তা হল ৫,১১০ টাকা। আবার বন্ধন এক্সপ্রেসের (Bangladesh To Kolkata Train) ট্রেনের এসি ভাড়া ছিল ২,৯৫০ টাকা। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তা হল ৩,০৫৫ টাকা। মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনের এসি আসনের ভাড়া ছিল ৬,৭২০ টাকা। সেটা বেড়ে হল ৭,০২৫ টাকা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Central Team: বাংলায় ভোট-পরবর্তী হিংসা, চার সাংসদের কেন্দ্রীয় দল পাঠাচ্ছে বিজেপি

    BJP Central Team: বাংলায় ভোট-পরবর্তী হিংসা, চার সাংসদের কেন্দ্রীয় দল পাঠাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশে লোকসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও ভোট-সন্ত্রাস হয়েছে শুধুমাত্র একটি রাজ্যে এবং তা হল পশ্চিমবঙ্গ। এমনই অভিযোগ কেন্দ্রীয় বিজেপির (BJP Central Team)। প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ প্রতিটি জেলাতেই বিজেপির পার্টি অফিসে ঢুকে হামলা বা বাড়ি ভাঙচুর, মহিলাদের ওপর অত্যাচারের নানা ঘটনা সামনে এসেছে। ২০২৪ সালের লোকসভার ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের (Post-Poll Violence) অভিযোগ রাজ্যপালের কাছে জানাতে গেলে রাজ্য পুলিশ বাধা দেয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। ঠিক এই আবহে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার খোঁজখবর নিতে পা রাখতে চলেছে বিজেপির চার সাংসদের কেন্দ্রীয় দল। যার আহ্বায়ক ত্রিপুরার বিপ্লব দেব।

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলে কারা রয়েছেন? 

    ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব দেব ছাড়াও দলে থাকছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ও বর্তমানে রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল এবং মধ্যপ্রদেশের রাজ্যসভা সাংসদ কবিতা পাতিদার। বিজেপির তরফে প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চার সদস্যের কেন্দ্রীয় দল (BJP Central Team) পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বকে (Post-Poll Violence)।

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ছায়া দেখা যাচ্ছে 

    বিজেপির অভিযোগ, ‘‘লোকসভা ভোটের পরে রাজ্যে যে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post-Poll Violence) চলছে, তাতে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ছায়া দেখা যাচ্ছে। আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব দেখেও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। অথচ তাঁরই দলের দুষ্কৃতীরা বিরোধী দলের কর্মী এবং ভোটারদের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।’’ বিজেপির ওই প্রেস বিবৃতিতে আরও লেখা রয়েছে, ‘‘গোটা দেশে এ বার লোকসভা ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণ ভাবে। ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে লোকসভা ভোট ছাড়াও চার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটিতে ক্ষমতার বদলও হয়েছে। কোথাও কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি (BJP Central Team)। হয়েছে শুধুমাত্র বাংলায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কথা রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী! সমুদ্র সাথি প্রকল্পের এক টাকা পেলেন না রাজ্যের মৎস্যজীবীরা

    South 24 Parganas: কথা রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী! সমুদ্র সাথি প্রকল্পের এক টাকা পেলেন না রাজ্যের মৎস্যজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ঘোষণার পরও সমুদ্র সাথি প্রকল্পের এক টাকাও পেলেন না দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) সহ রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মৎস্যজীবীরা। স্বাভাবিকভাবে মৎস্যজীবীরা এই ঘটনায় বেজায় ক্ষুব্ধ। রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    সমুদ্র সাথি প্রকল্পে মৎস্যজীবীদের জন্য কী ঘোষণা করা হয়েছিল (South 24 Parganas)

    দুমাস আগে রাজ্য সরকারের মৎস্য দফতর থেকে মৎস্যজীবীদের জন্য  একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়,১৫ ই এপ্রিল থেকে ১৪ই জুন পর্যন্ত যন্ত্র চালিত ট্রলার কিংবা ভুটভুটি নিয়ে নদীতে কিংবা সমুদ্রে মাছ ধরতে পারবেন না মৎস্যজীবীরা। একই সঙ্গে দুমাস বেকার হয়ে থাকা মৎস্যজীবীদের জন্য সমুদ্র সাথি প্রকল্পে দশ হাজার টাকা করে পরিবার পিছু অনুদান দেবে সরকার। মৎস্যজীবীদের (South 24 Parganas) বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা দুমাস হয়ে গেল। আজও পর্যন্ত সেই সমুদ্র সাথি প্রকল্পের ১০ হাজার টাকা দেওয়া হল না। ১৪ জুনের পর পুনরায় গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছেন ওই মৎস্যজীবীরা। তবে, হাতে টাকা না থাকায় দেনা করছেন তাঁরা। আর এরজন্য তৃণমূল সরকারকে দায়ী করছেন মৎস্যজীবীরা।

    আরও পড়ুন: শনি সকালেও ঘামছে শহরবাসী, আজ বিকেল থেকে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার আহ্বায়ক অরুনাভ দাস বলেন, ভোটের আগে এটা তৃণমূলের চমক ছিল। এই সব লোভ দেখিয়ে ভোট করিয়ে নিয়েছে। এখন ভোট শেষ। তাই, মৎস্যজীবীদের জন্য তৃণমূল সরকারের চিন্তা করার সময় নেই। অন্যদিকে, এই বিষয় নিয়ে কুলপির বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার বলেন, ভোট থাকার কারণে অনেক মৎস্যজীবী এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারেননি। আবেদন করলে অবশ্যই সবার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন কথা দিয়েছেন, অবশ্যই মৎস্যজীবীরা টাকা পাবেন। কোনও চিন্তার কারণ নেই। আর বিরোধীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীরা সারাক্ষণই অভিযোগ করে। কোনও কাজ করে না, সেই কারণেই লোকসভা নির্বাচনে মানুষ তাদের গ্রহণ করেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: সমাজমাধ্যম থেকে কেজরির ভিডিয়ো সরাতে বলে স্ত্রী সুনীতাকে নোটিশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Arvind Kejriwal: সমাজমাধ্যম থেকে কেজরির ভিডিয়ো সরাতে বলে স্ত্রী সুনীতাকে নোটিশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে আপ সুপ্রিমো। এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) একটি ভিডিয়ো সরিয়ে নিতে বলে তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরিওয়ালকে নোটিশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi HighCourt)। একই সঙ্গে ওই ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্যও ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স এবং ইউটিউবকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়াও আদালত বিভিন্ন সমাজমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের কিছু চোখে পড়লে তা-ও সরিয়ে দিতে হবে।   

    ভিডিওটিতে ঠিক কী ছিল? (Arvind Kejriwal) 

    আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) যখন আদালতে হাজির করানো হয়েছিল, সেই সময়কার কোর্টের ভিতরে তাঁর বক্তব্যের একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন আপ নেতা-কর্মীরা। সুনীতাও তেমনই একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছিলেন এক্সে। আর ভিডিও শেয়ার করতেই তা নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। এরপর ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়া নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে (Delhi HighCourt) দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। 

    আরও পড়ুন: কাঁচরাপাড়ার বুকে যেন রবিনসন স্ট্রিটকাণ্ডের ছায়া, মৃত মেয়েকে আগলে বাবা!

    মামলাকারীর অভিযোগ 

    জানা গিয়েছে বৈভব সিংহ নামে এক আইনজীবী কেজরির (Arvind Kejriwal) ভিডিয়োর বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলাটি করেন। মামলাকারী জানান, আদালত কক্ষের মধ্যেকার এই ধরনের ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ, তা দিল্লি হাইকোর্টের ভিডিয়ো কনফারেন্সিং নিয়মের বিরোধী। ২০২১ সাল থেকে ওই নিয়ম চালু আছে। নিয়ম অনুযায়ী, আদালতের মধ্যেকার কোনও প্রক্রিয়ার ভিডিয়ো রেকর্ড করা যাবে না। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের ভিডিয়ো ছড়িয়ে দেওয়াও যাবে না। কেজরির ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে আপ নেতারা বিচার ব্যবস্থার অপমান করেছেন বলেও দাবি করেন মামলাকারী।

    আগে ঠিক কী ঘটেছিল?   

    আসলে আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারির পর গত ২৮ মার্চ দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিচারক কাবেরী বাওয়েজার বিশেষ বেঞ্চে দ্বিতীয় বারের জন্য হাজির করানো হয়েছিল কেজরিওয়ালকে। অভিযোগ, আদালতে যখন কেজরি নিজের বক্তব্য জানাচ্ছিলেন, সেই সময়ে তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা ভিডিয়ো রেকর্ড করেন এবং পরে তা সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। কেজরির স্ত্রী-ও তা শেয়ার করেন। এবার সেই ভিডিও সংক্রান্ত শুনানিতে শনিবার উচ্চ আদালত (Delhi HighCourt) সুনীতাকে নোটিশ দিল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share