Tag: Bengali news

Bengali news

  • Sugarcane Juice: তাপপ্রবাহের ঠেলায় নাস্তানাবুদ? এনার্জি ফিরে পেতে আখের রসের জুড়ি মেলা ভার!

    Sugarcane Juice: তাপপ্রবাহের ঠেলায় নাস্তানাবুদ? এনার্জি ফিরে পেতে আখের রসের জুড়ি মেলা ভার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে মানুষ ঠান্ডা পানীয়ের ওপর অনেক সময়ই নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। বাইরের তীব্র গরমে নিজের শরীরকে কিছু সময়ের জন্য ঠান্ডা করতে নানান ফলের জুস থেকে শুরু করে ঠান্ডা পানীয় খেয়ে থাকেন অনেকেই। কিন্তু এই গরমে আরও এক পানীয় হল আখের রস (Sugarcane Juice), যা অনেকেরই প্রিয়। ভারতীয় ঐতিহ্য এবং আয়ুর্বেদিক দিক থেকে আখের রস একটি পুষ্টিকর ও উপকারী পানীয় নামেই পরিচিত। এতে ফাইবার ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর উপাদান থাকে, যা মানুষের শরীরকে ঠিক রাখতে নানান ভাবে সাহায্য করে। তবে যারা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত, তাদের এই আখের রস এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। কারণ এটি আচমকা মানব শরীরের শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে পারে।

    কোথায় মেলে? (Sugarcane Juice)

    ভারতের বিভিন্ন জায়গা যেমন মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, গোয়া, পন্ডিচেরি এবং কেরলে আখ চাষ হয়। এই আখের রস একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়। যা গরম আবহাওয়া থেকে মানব শরীরকে সুস্থ সতেজ রাখে। তাছাড়াও ক্লান্তি, হিট স্ট্রোক প্রভৃতি থেকে শরীরকে দূরে থাকে। গরমে মানুষের শরীরকে হাইড্রেট রাখাটা খুবই দরকারি। তাই এই আখের রসই হয়ে উঠতে পারে এক গুরুত্বপূর্ণ পানীয়। আসুন, দেখে নিই, কী কী উপকারিতা আছে এই আখের রসের।

    প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক

    এটি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এক গ্লাস আখের রস (Sugarcane Juice) এই তীব্র গরমে আপনার ক্লান্ত শরীরকে নিমেষে শক্তি জোগাতে পারে। আখের রসে আছে গ্লুকোজ, এবং বিভিন্ন ইলেক্ট্রোলাইট যা শরীরকে তাৎক্ষণিক ঠান্ডা করতে সাহায্য করে।

    ক্যান্সার রোধে সাহায্যকারী (Sugarcane Juice)

    বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই আখের রসের মধ্যে আছে ক্যান্সার রোধের গুণাবলী। আখের রস শরীরে পাওয়া ফ্লেভোন ক্যান্সার কোষের উৎপাদন ও বিস্তার বন্ধ করতে সাহায্য করে। শরীরের পিএইচ-এর মাত্রা সঠিক রাখতে সাহায্য করে।

    কিডনি ভালো রাখে

    আখের রস উপকারী মূত্রবর্ধক (Sugarcane Juice) হিসেবেও পরিচিত। কারণ এটি কিডনির কার্যক্ষমতাকে স্বাভাবিক রাখে, দেহের অতিরিক্ত লবণ অপসারণ করে এবং শরীরকে কিডনি জনিত নানান সমস্যা থেকে দূরে রাখে।

    ত্বক ভালো রাখতে উপকারী

    আখের রসের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম, এবং অন্যান্য ইলেক্ট্রোলাইট পদার্থ যা আমাদের শরীরের রক্ত প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে ও স্বাভাবিক রাখে যা সুন্দর ত্বক পেতে সাহায্য করে। তাছাড়াও বার্ধক্যজনিত সমস্যা থেকে ত্বককে দূরে রাখে (Sugarcane Juice)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 42: “ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইলেন, দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া আবার সহাস্যে কথা কহিতেছেন”

    Ramakrishna 42: “ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইলেন, দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া আবার সহাস্যে কথা কহিতেছেন”

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ঈশ্বরকে ভালবাসা জীবনের উদ্দেশ্য—The End of life

    ঠাকুর সমাধি মন্দিরে

    গান গাইতে গাইতে ঠাকুর সমাধিস্থ হইয়াছেন! হাত অঞ্জলিবদ্ধ! দেহ উন্নত ও স্থির! নেত্রদ্বয় স্পন্দনহীন! সেই বেঞ্চের উপর পশ্চিমাস্য হইয়া পা ঝুলাইয়া বসিয়া আছেন। সকলে উদগ্রীব হইয়া এই অদ্ভুত অবস্থা দেখিতেছেন। পণ্ডিত বিদ্যাসাগরও নিস্তব্ধ হইয়া একদৃষ্টে দেখিতেছেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) প্রকৃতিস্থ হইলেন। দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া আবার সহাস্যে কথা কহিতেছেন।–ভাব ভক্তি, এর মানে-তাঁকে ভালবাসা। যিনিই ব্রহ্ম তাঁকেই মা বলে ডাকছে।

    প্রসাদ বলে মাতৃভাবে আমি তত্ত্ব করি যাঁরে।

    সেটা চাতরে কি ভাঙব হাঁড়ি, বোঝ না রে মন ঠারে ঠারে।।

    রামপ্রসাদ (Ramakrishna) মনকে বলছে—ঠারে ঠারে বুঝতে। এই বুঝতে বলছে যে, বেদে যাঁকে ব্রহ্ম বলেছে—তাঁকেই আমি মা বলে ডাকছি। যিনিই নির্গুণ, তিনিই সগুণ, যিনি ব্রহ্ম, তিনি শক্তি। যখন নিস্ক্রিয় বলে বোধ হয়, তখন তাঁকে ব্রহ্ম বলি। যখন ভাবি সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় করছেন, তখন তাঁকে আদ্যাশক্তি বলি, কালী বলি।

    ব্রহ্ম আর শক্তি অভেদ। যেমন অগ্নি আর দাহিকাশক্তি, অগ্নি বললেই দাহিকাশক্তি বুঝা যায়; দাহিকাশক্তি বললেই অগ্নি বুঝা যায়; একটিকে মানলেই আর একটিকে মানা হয়ে যায়।

    তাঁকেই মা বলে ডাকা হচ্ছে। মা বড় ভালবাসার জিনিস কিনা। ঈশ্বরকে (Ramakrishna)  ভালবাসতে পারলেই তাঁকে পাওয়া যায়। ভাব, ভক্তি, ভালবাসা আর বিশ্বাস। আর একটা গান শোনঃ

    উপায়-আগে বিশ্বাস-তারপর ভক্তি

    ভাবিলে ভাবের উদয় হয়।

    (ও সে) যেমন ভাব, তেমনি লাভ, মূল সে প্রত্যয়।।

    কালীপদ-সুধাহ্রদে, চিত্ত যদি রয় (যদি চিত্ত ডুবে রয়)।

    তবে পূজা, হোম, যাগযজ্ঞ, কিছুই কিছু নয়।।

    আরও পড়ুনঃ “কাপড়ের খুঁটটি খুলে দেখে যে শুধু রাম নাম লেখা একটি পাতা রয়েছে”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    আরও পড়ুনঃ“বেঙাচির ল্যাজ খসলে জলেও থাকতে পারে, আবার ডাঙাতেও থাকতে পারে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bajaj Chetak: বাজারে সস্তার ইলেক্ট্রিক স্কুটার নিয়ে এল বাজাজ! কী বৈশিষ্ট্য, দাম কত জানেন?

    Bajaj Chetak: বাজারে সস্তার ইলেক্ট্রিক স্কুটার নিয়ে এল বাজাজ! কী বৈশিষ্ট্য, দাম কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বুলন্দ্ ভারত কী বুলন্দ্ তসবীর…’’! বাজাজ চেতক (Bajaj Chetak) একটা নস্টালজিয়া। একসময় রাস্তায় দাপিয়ে বেড়াত বাজাজ স্কুটার। সেই নস্টালজিয়াই ফিরল আবার। একটা সময় মধ্যবিত্তের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল এই স্কুটার। তবে পেট্রল স্কুটির উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়েছিল এটি। কিন্তু বর্তমানে এবার ইলেকট্রিক অবতার (Electric Scooter) বাজারে স্কুটার ছেড়েছে কোম্পানি। সম্প্রতি সেই স্কুটারের তিনটে ভ্যারিয়েন্ট লঞ্চ হয়ে গেল।

    বিশেষ বৈশিষ্ট ও দাম (Bajaj Chetak) 

    বিক্রি বাড়ানোর জন্য চেতকের একটি নতুন বেস ভেরিয়েন্ট সাশ্রয়ী মূল্যের চেতক ২৯০১ লঞ্চ করা হয়েছে। যেটি একবার চার্জ দিলে দৌড়বে ১২৩ কিলোমিটার। তবে এই মাইলেজ পেতে আর একগাদা টাকা খরচ করতে হবে না। কারণ ১ লাখ টাকারও কম দামে দুরন্ত ইলেকট্রিক স্কুটি (Electric Scooter) লঞ্চ করেছে বাজাজ অটো। বর্তমানে এর দাম ৯৫,৯৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আপাতত লাল, সাদা, কালো, হলুদ এবং আকাশী নীল এই ৫টি রঙের অপশনে পাওয়া যাচ্ছে। ভারত জুড়ে ৫০০ টিরও বেশি শোরুমে পাওয়া যাবে এই ইলেকট্রিক স্কুটি। নতুন এই মডেলে মডার্ন রেট্রো ডিজাইনের সঙ্গে আধুনিক ফিচার্স যোগ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ৬৩ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে দৌড়তে পারে এই স্কুটার। ফুল চার্জ হতে সময় নেয় ৬ ঘণ্টা।  

    আরও পড়ুন: নেই কোনও নিরক্ষর সাংসদ! ১৮তম লোকসভায় ৮০ শতাংশ সাংসদ স্নাতক পাশ

    মেটাল বডি ইলেকট্রিক স্কুটার (Bajaj Chetak) 

    কমদামে লঞ্চ হওয়া সত্ত্বেও এই বৈদ্যুতিক স্কুটারটিতে ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার ও ব্লুটুথ সংযোগের মত বৈশিষ্ট রয়েছে। জানা গিয়েছে, নতুন এই ইলেকট্রিক স্কুটারটি (Bajaj Chetak) কোম্পানির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং অনুমোদিত ডিলারশিপ থেকে বুক করা যাবে। এই মেটাল বডি ইলেকট্রিক স্কুটারটির ডিজাইন, স্পেসিফিকেশন এবং দাম পেট্রোল স্কুটারগুলির চেয়ে ভালো। একইসঙ্গে আরোহীর আরাম এবং সুবিধার জন্য ডিজাইন করা বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে টিপ্যাক প্যাকেজও রয়েছে। এছাড়াও রিভার্স, স্পোর্ট এবং ইকোনমি মোড, কল এবং মিউজিক কন্ট্রোল, ফলো মি হোম লাইট এবং উন্নত ব্লুটুথ অ্যাপ কানেক্টিভিটির মত উন্নত ফিচার রয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: এগরার পর কোলাঘাট! বিস্ফোরণে উড়ল আস্ত ঘর, ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কয়েকটি বাড়ি

    Bomb Blast: এগরার পর কোলাঘাট! বিস্ফোরণে উড়ল আস্ত ঘর, ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কয়েকটি বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরার খাদিকুল, উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের পর এবার পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট। বেআইনি বাজি কারখানায়  বিস্ফোরণে (Bomb Blast) উড়ে গেল আস্ত বাড়ি। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের আরও বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট থানার পয়াগ গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bomb Blast)

    সোমবার সকাল থেকে পয়াগ গ্রামে পুলিশ পিকেট রয়েছে। যাচ্ছে ফরেন্সিক টিমও। এদিন সকাল থেকে থমথমে রয়েছে এলাকা। জানা গিয়েছে, আনন্দ মাইতি নামে এক ব্যক্তির একটি বাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত (Bomb Blast) হয়ে গিয়েছে। বাড়ির লোকজন ছুটে পালিয়েছেন। এই ঘটনার জেরে স্থানীয় আরও বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কোলাঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দমকলের দু’টি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এখনও পর্যন্ত কতজন জখম হয়েছেন, সেই সংখ্যা পরিষ্কার নয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত সেই শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। গ্রামবাসীরা বলেন, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাড়িটিতে অবৈধ বাজি কারখানা ছিল। বহুবার পুলিশকে বলার পরও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তারপরই এই বিস্ফোরণের জেরে গোটা বাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। অবিলম্বে যারা এই কারবারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের গ্রেফতার করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ঘামে প্যাচপ্যাচ! জ্যৈষ্ঠের গরমে জেরবার জনজীবন, স্বস্তির বৃষ্টি কবে?

    খাদিকুল থেকে কোলাঘাট, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    ২০২৩ সালের ১৬ মে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটেছিল। মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ৯ জনের। সেই ঘটনার এক বছরের মাথায় আবার পূর্ব মেদিনীপুরের বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটল। খাদিকুলের বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছিল প্রশাসন। কিন্তু, কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, সেই ঘটনার এক বছর কাটতে না কাটতেই আবারও বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট। বার বার এই ধরনের বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Debangshu Bhattacharya: “তমলুকের জন্য ১০১ শতাংশ পরিশ্রম করেছি”, মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেবাংশুর

    Debangshu Bhattacharya: “তমলুকের জন্য ১০১ শতাংশ পরিশ্রম করেছি”, মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেবাংশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। এই জয় ২০১৯ সালের তুলনায় অনেক বেশি। এই জয়ের পর গত শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের কালীঘাটের বাড়িতে নবনির্বাচিত সাংসদদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে তমলুক লোকসভা নিয়ে আলোচনা হয়। মুখ্যমন্ত্রী দেবাংশু ভট্টাচার্যকে (Debangshu Bhattacharya) আরও সক্রিয় হওয়ার কথা বলেছেন। তৃণমূল কর্মীদের একাংশের দাবি ছিল, দুপুর ১২ টার আগে দেবাংশুকে পাওয়া যায়নি এলাকায়। এরপর রবিবার পাল্টা দেবাংশু ফেসবুকে বিস্ফোরক পোস্ট করেন। ফলে দলের মধ্যে কোন্দলের চিত্র ফের একবার প্রকাশ্যে।

    মমতা কী বলেছিলেন (Debangshu Bhattacharya)?

    তমলুকে দলের হারের বিশ্লেষণ করতে গিয়ে মমতা, দেবাংশুর (Debangshu Bhattacharya) উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমার বয়সে আমি যখন যাদবপুরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সকাল ৭ থেকে প্রচারে থাকতাম, বাড়ি বাড়ি যেতাম। তুমি বেলা ১২টায় বেরিয়েছ। আরও সক্রিয়তা দরকার ছিল।”

    কী লিখলেন দেবাংশু?

    বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে ভোটে হেরে তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু (Debangshu Bhattacharya) ফেসবুকে লেখেন, “তমলুকের জন্য ১০১ শতাংশ পরিশ্রম করেছি। সকাল ৮ থেকে দুপুর ১ পর্যন্ত প্রচার করতাম, তারপর দুপুর ৩টেয় বেরিয়ে যেতাম। রাত পর্যন্ত মিটিং, মিছিল, প্রচার করেছি। বিরোধী প্রার্থী আধবেলা প্রচার না করেও জিতে গিয়েছেন। আমি পাগলের মতো বুথে বুথে ঘুরেও জিততে পারিনি। নির্বাচনী ক্ষেত্রে নেমে সাংগঠনিক পরিস্থিতি দেখে চমকে গিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল হঠাৎ অগ্নিকুণ্ডে এসে পড়েছি।”

    আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসা জেলায় জেলায় অব্যাহত, মুর্শিদাবাদে খুন এক দুধ ব্যবসায়ী

    আর কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে দেবাংশু (Debangshu Bhattacharya) আরও লেখেন, “অনেক মানুষ চেনা, অনেক রকমারি অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করে শেষ আড়াই মাস ভিমড়ি খেয়েছি প্রচুর, প্রকাশ্যে সবটা লিখতে কিংবা বলতে চাই না। মার্চে ওজন ছিল ৮৩ কিলো। যা আজ কমে ৭৭ কিলো, সৌজন্যে শেষ আড়াই মাস। এই ৬ কিলো ওজনের বিনিময়ে ৬ লক্ষ ৮৭ হাজার মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি, আশীর্বাদ পেয়েছি। সেটাই আমার কাছে এই নির্বাচনের নির্যাস। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক নদী পথ আমায় কোন মোহনায় নিয়ে গিয়ে ফেলবে জানি না। শুধু এটুকু জানি, আমার নৌকো খোয়া গিয়েছে, কেবল নিজেকে ভাসিয়ে, বাঁচিয়ে রেখেছি এই অগাধ জলরাশির পৃষ্ঠদেশে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diabetes: স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও বাড়ছে ঝুঁকি! কীভাবে বুঝবেন সন্তান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত? 

    Diabetes: স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও বাড়ছে ঝুঁকি! কীভাবে বুঝবেন সন্তান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শিশুদের বাড়ছে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি। তরুণ প্রজন্মের পাশপাশি একেবারে সদ্য স্কুলের গন্ডিতে পা রেখেই ডায়াবেটিস (Diabetes) আক্রান্ত হচ্ছে, এমন সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে‌। ছোটদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ছে‌। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সচেতনতাই পারবে এই বিপদ রুখতে। পরিবারের কেউ ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে, বিশেষত বাবা বা মায়ের ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। সন্তানের ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বেশি হয়। তাই স্বাস্থ্য সচেতনতা জরুরি। মন্ত্রকের তরফে লাগাতার ডায়াবেটিস স্ক্রিনিংয়ের বিষয়েও নজর দেওয়া হয়েছে। বিশেষত স্কুল কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে বাড়তি উদ্যোগ জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, স্কুলে শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময়ে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানো দরকার। কারণ, ভারতীয় শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে।

    কীভাবে বুঝবেন সন্তান ডায়াবেটিস আক্রান্ত? (Diabetes)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বহু শিশু টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়। এই রোগে দেহে ইনসুলিন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর জেরে কৃত্রিম ইনসুলিন হরমোন দিতে হয়। কিন্তু, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, শিশুদের মধ্যে বাড়ছে টাইপ ২ ডায়বেটিস। মূলত কিশোর বয়সে এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিছু উপসর্গ জানান দেয়, সন্তান‌ ডায়াবেটিস আক্রান্ত কিনা।

    কোন কোন উপসর্গ দেখে বুঝবেন?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হঠাৎ করেই খিদে বেড়ে গেলে সতর্ক হওয়া জরুরি। অতিরিক্ত পরিমাণ খাওয়ার ইচ্ছে, ঠিকমতো খাবার খাওয়ার পরেও পেট ভরছে না মনে হওয়া, ওজন মারাত্মক বেড়ে যাওয়া ডায়াবেটিসের লক্ষণ। পাশাপাশি, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্থূলতা ডায়াবেটিসের অন্যতম উপসর্গ। তাঁদের পরামর্শ, সন্তানের ওজন মারাত্মক বাড়লে, স্থূলতার সমস্যা দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে। কারণ, ডায়াবেটিসের (Diabetes) ঝুঁকি স্থূলতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। পাশপাশি অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ অত্যন্ত বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তান যদি খুব সামান্য কাজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তাহলে সতর্কতা জরুরি। ডায়াবেটিসের আরেকটি উপসর্গ এই ক্লান্ত হয়ে পড়া। কিংবা দুর্বল হয়ে পড়া। ডায়াবেটিসের লক্ষণ দেখা দিলে, দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমবে। তাই নানান রোগে বিশেষত সংক্রামক রোগে সন্তান বারবার আক্রান্ত হলে ডায়াবেটিস পরীক্ষা জরুরি।

    মূত্রত্যাগের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে? (Diabetes)

    এছাড়াও, মূত্রত্যাগের পরিমাণ বেড়ে গেলে সতর্কতা জরুরি। কারণ এটা ডায়াবেটিসের অন্যতম উপসর্গ। আবার খুব কম বয়সে ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে রোগী অনেক সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। একে ডায়াবেটিস কিটোএসিডোসিস বলা হয়। এর জেরে পেটে ব্যথা, এক ধরনের খিঁচুনি, এমনকি দেহে জলের পরিমাণ কমে যাওয়ার মতো নানান জটিল সমস্যা তৈরি হয়। এমন ঘটনা বারবার ঘটলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। না হলে প্রাণঘাতী বিপদ ঘটতে পারে। এমনই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ মহল‌। 
    বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে তাদের ত্বকেও নানান সমস্যা দেখা দেয়। ঘাড়ের কাছে কালো দাগ‌ দেখা দেয়। এমন উপসর্গ দেখ দিলেও চিকিৎসকের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কীভাবে রুখবেন সন্তানের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি?

    পরিবারের কেউ ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। তবে এখন যে হারে ডায়াবেটিসের (Diabetes) প্রকোপ বাড়ছে, তাতে সব অভিভাবকদের সচেতন থাকা দরকার। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের পরামর্শ, শিশুদের জীবন যাপন স্বাস্থ্যকর হলেই এই ধরনের রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তাই শিশুদের নিয়মিত যোগাভ্যাসের মতো শারীরিক কসরতে অভ্যস্ত করতে হবে। যাতে তাদের মস্তিষ্ক ও শরীরের সমস্ত অংশ সচল থাকে। এর জেরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হবে। পাশপাশি মেদ কমবে। স্থূলতার ঝুঁকি কমবে। নিয়মিত খেলাধুলায় অভ্যস্ত করা জরুরি। যাতে শারীরিক কসরত ঠিকমতো হয়। পাশপাশি খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যকর হওয়া জরুরি। অতিরিক্ত ভাজা খাবার একেবারেই নয়। বার্গার, হটডগ, পিৎজার মতো প্রিজারভেটিভ খাবারে শিশুদের অভ্যস্ত করতে চলবে না। বরং শাক, সব্জির সঙ্গে প্রাণীজ প্রোটিনের ভারসাম্য বজায় রেখে ডায়েট তৈরি করতে হবে। যাতে শিশুর চাহিদা মতো ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট সবকিছুই শরীরে পৌঁছয়। ব্যালান্স খাবার খেলে বেশির ভাগ রোগ মোকাবিলা সহজ হবে‌।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chat GPT Founder: পদত্যাগের পথে চ্যাট জিপিটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান বিজ্ঞানী ইলিয়া সুৎস্কেভার! কেন?

    Chat GPT Founder: পদত্যাগের পথে চ্যাট জিপিটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান বিজ্ঞানী ইলিয়া সুৎস্কেভার! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওপেন এআই (Chat GPT Founder) সংস্থার প্রধান বৈজ্ঞানিক এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়া সুৎস্কেভার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সংস্থার সঙ্গে দীর্ঘদিন দড়ি টানাটানি চলছিল তাঁর। মনে করা হচ্ছিল চ্যাটজিপিটির সহ-প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে সংস্থার যোগাযোগ আর দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    প্রধান বৈজ্ঞানিক ইলিয়া সুৎস্কেভার ওপেন এআই ছাড়তে চলেছেন (Chat GPT Founder)

    ওপেন এআই সংস্থার প্রধান অস্ত্র চ্যাট-জিপিটি। এই চ্যাটবট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের দুনিয়ায় একটা অভাবনীয় পদক্ষেপ। ঘন্টার কাজ মিনিটে করতে সক্ষম চ্যাট জিপিটি। ওপেন এআই সংস্থার বোর্ড অফ ডিরেক্টরদের মধ্যে সংস্থাকে লাভ-মুখী করা হবে নাকি নন প্রফিট অর্গানাইজেশন হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে তা নিয়ে দোলাচল চলছিল দীর্ঘ দিন ধরে। এর মধ্যেই গত বছর (Chat GPT Founder) সংস্থার নন প্রফিট বোর্ড অফ ডিরেক্টর সিইও স্যাম অল্টম্যানকে সংস্থার সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগ না রাখার অভিযোগে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরে মাইক্রোসফটে পুরনো চাকরি ফিরে পান স্যাম। এই ঘটনার কয়েক মাস পরেই সংস্থার প্রধান বৈজ্ঞানিক সুৎস্কেভার কোম্পানি ছাড়া সিদ্ধান্ত নিলেন। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তিনি সমাজ মাধ্যমে লেখেন, “কোম্পানি বর্তমানে যাদের হাতে রয়েছে তাঁরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়াকে সুরক্ষিত এবং লাভজনক করে তোলার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।”

    আরও পড়ুন: চ্যাট জিপিটি ও জেমিনি এআই-কে টক্কর দিতে ওয়েব দুনিয়ায় হনুমানের আত্মপ্রকাশ

    মনে করা হচ্ছে ওপেন এআই (Chat GPT Founder) সংস্থার টেকনোলজি এবং সংস্থার স্ট্রাটেজি নির্মাণের ক্ষেত্রে ইলিয়া সুৎস্কেভারের সঙ্গে সংস্থার অন্য বোর্ড অফ ডিরেক্টদের মতানৈক্য তৈরি হচ্ছিল। বিশেষ করে স্যাম অল্টম্যানের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ নিয়ে আগেই মতানৈক্য ছিল। এখনও বৈজ্ঞানিকদের একটা অংশ মনে করেন যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে নিয়ন্ত্রিত না রাখা যায় তাহলে আগামী দিনে মানব সভ্যতার জন্য এটি ক্ষতিকারক হতে পারে। একইসঙ্গে ভুল তথ্য পরিবেশন এর বিষয়টিও খেয়াল রাখা উচিত।

    ইলিয়া সুৎস্কেভারের সঙ্গে স্যাম অল্টম্যানের মতবিরোধ

    প্রসঙ্গত কয়েকমাস যাবৎ সুৎস্কেভার মূলত জমসমক্ষ থেকে অদৃশ্য হয়ে যান। ফলে (Chat GPT Founder) কোম্পানিতে তাঁর অব্যাহত ভূমিকা সম্পর্কে জল্পনা তৈরি হয়। এরপর মে মাসে সমাজ মাধ্যমে একটি বার্তা পুনঃপোস্ট করার পর প্রথমবার তিনি সোশ্যাল নেটওয়ার্কে কিছু শেয়ার করেছিলেন। মার্চ মাসে একটি প্রেস কনফারেন্সে সুৎস্কেভার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, অল্টম্যান বলেছিলেন যে তিনি তাঁকে ভালোবাসেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে সুৎস্কেভার ওপেনএআইকে ভালোবাসেন। অল্টম্যান আরও বলেন,”আমি আশা করি আমরা আমাদের বাকি ক্যারিয়ারের কোন না কোন সময় একসাথে কাজ করব।” মঙ্গলবার এক্স-এর একটি পোস্টে, অল্টম্যান লিখেছেন, “ইলিয়া সহজেই আমাদের প্রজন্মের সর্বশ্রেষ্ঠ মনের একজন, আমাদের ক্ষেত্রের পথপ্রদর্শক এবং প্রিয় বন্ধু।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    Asansol: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বের হওয়ার পর আসানসোল (Asansol) শিল্পাঞ্চলে ডাকাতি, ছিনতাইয়ের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়িয়েছে শহরবাসীর। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বিশেষ করে রবিবার দুপুরে একেবারে ভরা বাজারের মধ্যে সোনার দোকানে ভয়ঙ্কর ডাকাতির ঘটনায় চরম আতঙ্কে রয়েছেন শহরবাসী। রানাঘাট, পুরুলিয়ার পর রানিগঞ্জ। এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড।

    রানিগঞ্জে সেনকো গোল্ডে ডাকাতি! (Asansol)

    রবিবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ প্রায় ৯ জনের একটি দুষ্কৃতী দল হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মুখে কাপড় বেঁধে হঠাৎ ঢুকে পড়ে রানিগঞ্জের (Asansol) নেতাজি সুভাষ বোস রোডের ওপর সেনকো গোল্ডের শোরুমে। বন্দুক দেখিয়ে দোকানের কর্মীদের এক জায়গায় বসিয়ে রেখে লুটপাট চালাতে শুরু করে। এদিকে ঘটনার খবর পেয়েই রানিগঞ্জ থানা, শ্রীপুর ফাঁড়ির পুলিশ কর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। ডাকাতদের ধরতে পুলিশ কর্মীরা হানা দিতেই প্রায় ২০-২৫ রাউন্ড দুই পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। একজন দুষ্কৃতী গুলিবিদ্ধ হয়। তার সঙ্গীরা তাকে তুলে নিয়ে পালিয়ে গেছে বলেই জানা যাচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও সেখানে জড়ো হন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: ঘামে প্যাচপ্যাচ! জ্যৈষ্ঠের গরমে জেরবার জনজীবন, স্বস্তির বৃষ্টি কবে?

    গুলি চালিয়ে ভয় দেখিয়ে গাড়ি ছিনতাই!

    আসানসোলের (Asansol) মহিশিলা চক্রবর্তী মোড়ে গুলি চালিয়ে চার চাকা গাড়ি ছিনতাই করে পালাল দুষ্কৃতীরা। রবিবার দুপুরে  এই ঘটনায় এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনায় নয়না নন্দ দত্ত ও প্রবাল স্যান্যাল নামে দুজন জখম হন। হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় আহত নয়না নন্দ দত্ত বলেন, চারচাকা গাড়িতে করে পরিবার নিয়ে দুর্গাপুর থেকে আমরা অনুষ্ঠান বাড়িতে যোগ দিতে যাচ্ছিলাম। আচমকা চারজন দুষ্কৃতী আমাদের গাড়ি থামিয়ে তাদেরকে হাসপাতালে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে। পরিবারের লোকজন রয়েছে বলে আমি আপত্তি জানালে আমাকে লক্ষ্য করে ওরা গুলি চালায়। এরপরেই ওই চার দুষ্কৃতী আমাদের গাড়ি থেকে বের করে গাড়িটি নিয়ে চম্পট দেয়। প্রবাল স্যান্যাল নামে আরও এক ব্যক্তি বলেন, গুলির আওয়াজ শুনে গাড়ি থেকে বেরিয়ে এলে আমার হাত ঘেঁষে গুলি বেরিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

    গুলি কাণ্ডে বাজেয়াপ্ত গাড়ি, গ্রেফতার ১

    রানিগঞ্জে (Asansol) সোনার দোকানে ডাকাতি ও আসানসোল মহিশিলা এলাকায় গুলি চালনার ঘটনা একই দলের সংঘটিত। এমনই অনুমান পুলিশের। ঘটনায় ছিনতাই করা গাড়ি সহ একজনকে গিরিডি থেকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যায় একথা জানান ডিসি (সেন্ট্রাল) ধ্রুব  দাস। তিনি বলেন, “রানিগঞ্জে সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনার পরে ওই দলটি আসানসোল থেকে একটি গাড়ি ছিনতাই করে পালায়। ঘটনায় পুলিশের একটি টিম পিছু করতে করতে গিরিডি পুলিশের সাহায্য নিয়ে একজনকে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 18th Lok Sabha: নেই কোনও নিরক্ষর সাংসদ! ১৮তম লোকসভায় ৮০ শতাংশ সদস্যই স্নাতক

    18th Lok Sabha: নেই কোনও নিরক্ষর সাংসদ! ১৮তম লোকসভায় ৮০ শতাংশ সদস্যই স্নাতক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি গঠিত হল দেশের নতুন সরকার। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় উন্নয়ন জোট এনডিএ-এর ২৯৩ জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। বিভিন্ন এক্সিট পোল যা পূর্বাভাস দিয়েছিল তার চেয়ে ভাল পারফরম্যান্স করেছে। বিরোধী জোটের ২৩২ জন সাংসদ ১৮তম লোকসভার (18th Lok Sabha) অংশ হতে চলেছেন। তবে লোকসভায় নির্বাচিত এই নতুন সাংসদদের শিক্ষাগত মান (MPs Educational Qualification) কত? জানা গিয়েছে নবনির্বাচিত ১৮তম লোকসভায় কোনও নিরক্ষর সাংসদ তো নেই-ই, উপরন্তু প্রায় ৮০ শতাংশ সাংসদের শিক্ষাগত মান স্নাতক এবং কেউ কেউ স্নাতকোত্তর।  

    নতুন লোকসভায় শিক্ষাগত যোগ্যের তালিকা 

    নব-নির্বাচিত ৫৪৩ জন সাংসদের মধ্যে সিংহভাগই উচ্চ-শিক্ষিত। নির্বাচিত সাংসদদের শিক্ষাগত বিভিন্ন ডিগ্রি রয়েছে। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় ১৯ শতাংশ প্রার্থীর  শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর মধ্যে। বাকি সকলেই উচ্চশিক্ষিত। ১৮তম লোকসভার (18th Lok Sabha) ৫ শতাংশ সাংসদের ডক্টরেট ডিগ্রি রয়েছে, যার মধ্যে তিনজন মহিলা সাংসদ রয়েছে। 

    শিক্ষাগত যোগ্যতার দল-ভিত্তিক বিশ্লেষণ 

    লোকসভায় নবনির্বাচিত (18th Lok Sabha) সাংসদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) ২৪০ জন সাংসদের মধ্যে ৬৪ জন স্নাতক এবং ৪৯ জন স্নাতকোত্তর। কংগ্রেসের  ৯৯ জন সাংসদের মধ্যে ২৪ জন স্নাতক ও ২৭ জন স্নাতকোত্তর। এছাড়াও ২১ জন সাংসদের স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে। অন্যদিকে ১০৫ জন সাংসদ সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা (MPs Educational Qualification) পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত রয়েছে। তবে এটাও উল্লেখ করা দরকার যে, পুরনো দলের কোনো সাংসদের শিক্ষাগত যোগ্যতা দশম শ্রেণি পাশের নিচে নেই। এই গোষ্ঠীতে বিভিন্ন দলের সদস্যও রয়েছে যেমন সমাজবাদী পার্টির (SP) ৬জন সাংসদ সহ আরও অনেকে।  

    আরও পড়ুন: জমকালো অনুষ্ঠানে ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ মোদির, মন্ত্রিসভায় কারা?

    এছাড়াও উচ্চ শিক্ষার জন্য, ১৪৭ জন সাংসদ স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং আরও ১৪৭ জনের স্নাতকোত্তর যোগ্যতা রয়েছে। উপরন্তু, স্নাতক এবং ডিপ্লোমা যোগ্যতা সহ ৯৮ জন সাংসদ রয়েছেন। ফলে এই গোটা বিষয়টি সংসদের মধ্যে শিক্ষাগত (MPs Educational Qualification) বৈচিত্র্যকে আরও জোরদার করেছে। নতুন লোকসভায় কলেজে পড়া সাংসদের সংখ্যাও বেড়েছে। সর্বোপরি লক্ষ্য করলে দেখা যাবে বর্তমানে লোকসভায় ধীরে ধীরে নিরক্ষর সাংসদের তালিকা কমছে। স্নাতক নন এমন সাংসদের তালিকা ১৭ তম লোকসভার ২৭ শতাংশ থেকে ১৮তম লোকসভায় (18th Lok Sabha) ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। এই লোকসভার ৭৮ শতাংশ সাংসদ কমপক্ষে স্নাতক শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন।  নবনির্বাচিত নারী সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রেও এই অনুপাত একই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোট পরবর্তী হিংসা জেলায় জেলায় অব্যাহত, মুর্শিদাবাদে খুন এক দুধ ব্যবসায়ী

    Murshidabad: ভোট পরবর্তী হিংসা জেলায় জেলায় অব্যাহত, মুর্শিদাবাদে খুন এক দুধ ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। দেশে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এই রাজ্যের তৃণমূল বিপুল সংখ্যায় ভোট নিয়ে ২৯টি আসনে জয় লাভ করেছে। কিন্তু ফল ঘোষণার পর থেকেই জেলায় জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত। কখনও বিরোধী দলের কর্মীদের টার্গেট করছে শাসক দল, আবার কখনও শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। রবিবার দলীয় কোন্দলে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ গেল একজন ব্যক্তির। পরিবারের দাবি, খুনিদের পরিচয় না জানা গেলেও তৃণমূলের দলীয় কোন্দলে খুনের ঘটনা ঘটেছে।

    কীভাবে খুনের ঘটনা ঘটল (Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) হরিহরপাড়ায় গজনীপুর এলাকায় খুন হওয়া ব্যক্তির নাম সনাতন ঘোষ। এই ব্যক্তি এলাকায় তৃণমূল করতেন। পেশায় তিনি ছিলেন একজন দুধ ব্যবসায়ী। গতকাল রবিবার রাত ১২ টায় গজনীপুর থেকে নিজের বাড়িতে বাইকে করে আরও একজনকে সঙ্গে নিয়ে ফিরছিলেন তিনি। কিন্তু গজনীপুর ও শ্রীপুরের মধ্যবর্তী মাঠ এলাকায় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁদের বাইক থামিয়ে খুব কাছ থেকে গুলি করে।

    পুলিশের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে খবর, সনাতনের দেহের একাধিক জায়গায় গুলি লেগেছে। গুলির শব্দ এবং চিৎকার শুনে আশেপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন সনাতন। তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পুলিশ তাঁকে মুর্শিদবাদ মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান।

    আরও পড়ুনঃ সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    পরিবারেরে বক্তব্য

    মৃত সনাতনের পরিবারের (Murshidabad) পক্ষ থেকে এক মাসি বলেছেন, “রাতের বেলায় পার্টির মিটিং করে বাইকে করে ফিরছিলেন সনাতন। কিন্তু পেছন থেকে একটি গাড়ি এসে, রাস্তায় তাঁদের বাইক দাঁড় করিয়ে দুষ্কৃতীরা ৬ রাউন্ড গুলি করে। এই গুলি সনাতনের কানে, বুকে, পেটে লাগে। যারা গুলি করেছে তাদের পরিচয় জানা না গেলেও দলীয় কোন্দলের কারণে খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও রাজনৈতিক কারণে তাঁকে বার বার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।” যদিও তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির দিকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

LinkedIn
Share