Tag: Bengali news

Bengali news

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”, সপ্তম দফার ভোটপ্রচারে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”, সপ্তম দফার ভোটপ্রচারে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সপ্তদফার নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আগে বসিরহাটে নির্বাচনী প্রচার সভা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের তৃণমূল শাসনে ভোট লুট, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন সহ একাধিক বিষয়ে মমতার সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল চোর আর হাজি নুরুল দাঙ্গাবাজ”। লোকসভার আগে থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সন্দেশখালি ক্ষোভের আগুনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারের নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিশানা করেছেন।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    বসিরহাটে লোকসভার ভোট প্রচারের মঞ্চ থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাইপো হেলিকপ্টারে এসে সভা করে গিয়েছেন এই মাঠে, তাই আর কেউ সভা করতে পারবে না। মামার বাড়ির আবদার! রাজা প্রতাপাতিদ্যের বংশধর মনে করছিলেন নিজেকে। এমনটা ভেবে ছিলেন কিন্তু বাস্তবে হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিজেপির সভা হয়েছে। অর্জুনের লক্ষ্য ভেদ করতে হবে। সকলে ভোট দিতে পারবেন। তৃণমূলের দিন শেষ। দেগঙ্গায় অশান্তির মূলের হাজি নুরুল। এই এলাকার এক নেতা জেলের ভিতরে আছেন। পুলিশের গাড়িতে কান্না করছিলেন। হাজার হাজার মানুষকে কাঁদিয়েছেন। তিনি আবার বলেছিলেন বসিরহাট জেতার জন্য নাকি তাঁকে জেলে ঢোকানো হয়েছে। নদীর ওপারে আছেন আরেক ছোট ভাই। শওকত মোল্লা, তিনিও ব্যাগ গোছাচ্ছেন যাবেন জেলে। মাঠে কেউ নেই, আছে মাত্র পুলিশ। আজ রাতে যদি কোনও গ্রামে রাতে পুলিশ ঢুকলে, শঙ্খ বাজাবেন মায়েরা। যুবকরা বাঁশি বাজাবেন। তৃণমূল মুখে আওয়াজ করবে কিন্তু টাচ্‌ করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুনঃ মহিলাদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক সুকান্ত

    আর কী বললেন?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ভোট প্রচারে বলেন, “আগে ভোট দিয়ে তারপর ভোট প্রদান করবেন। বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকবে। আমার নম্বর দেওয়া আছে। হোয়াটস্যাপে কল করবেন। ছবি ভিডিও পাঠাবেন। বুথ নম্বর, থানা উল্লেখ করে নাম ফোন নম্বর দিয়ে আমাকে মেসেজ করবেন। সকলকে একসঙ্গে একত্রিত হয়ে লড়াই করতে হবে। পোলিং এজেন্টের বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। সকাল সাড়ে দশটার মধ্যে ভোট দিতে হবে। বিশ্বাসযোগ্য লোক ছাড়া কেউ যেন নাম জানতে না পারেন। আইপ্যাকের চোরেরা টাকার অফার করতে পারে। আবার পুলিশ জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখতে পারে। তাই সকলকে সাবধানে থাকতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA: “নাগরিকত্বের কাগজ হাতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে, মাথা উঁচু করে বাঁচব”, বললেন নদিয়ার বিকাশ

    CAA: “নাগরিকত্বের কাগজ হাতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে, মাথা উঁচু করে বাঁচব”, বললেন নদিয়ার বিকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেলেন বিকাশ মণ্ডল নামে নদিয়ার এক যুবক। লোকসভা ভোটের আগে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিল পাশ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। আর তা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করেছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্য সভায় বাংলায় সিএএ (CAA) হতে দেব না বলে বার বার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। সব কিছুকে ফুৎকারে উড়়িয়ে দিয়ে অবশেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে নির্দেশ মতো বুধবার থেকেই বাংলায় সিএএ চালু হয়ে গেল। রাজ্যের ৮ জন নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়েছেন।

    মোদিজিকে কুর্ণিশ জানান মণ্ডল পরিবার (CAA)

    বেশ কিছুদিন আগে নদিয়ার বিকাশ মণ্ডল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। বুধবারই নাগরিকত্বের শংসাপত্র তিনি হাতে পেয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১২ সালে বাংলাদেশের ঝিনাইদহ থেকে নদিয়া কৃষ্ণনগরের ভীমপুর আশাননগর এলাকায় পরিবার নিয়ে চলে আসেন বিকাশবাবু। এরপরে যখন নাগরিকত্ব আইন পাস হল তারপর থেকেই তিনি চেষ্টায় ছিলেন এ দেশের নাগরিকত্বের শংসাপত্র পাওয়ার জন্য। এরপর তিনি এপ্রিল মাসে অনলাইনে আবেদন করেন। ২৭ মে তাঁকে ভেরিফিকেশনের জন্য কৃষ্ণনগর পোস্টাল সুপারিনটেনডেন্ট অফিসে তাঁকে ডাকা হয়। এরপর তিনি সমস্ত কাগজপত্র জমা করার পর বৃহস্পতিবার নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পান। মোদিজিকে কুর্ণিশ জানান মণ্ডল পরিবারের সদস্যরা।

    রাতের অন্ধকারে পরিবার নিয়ে চোরা পথে ভারতে চলে আসি

    এই বিষয়ে বিকাশ মণ্ডল বলেন, বাংলাদেশে সাইবার ক্যাফে ছিল আমার। সেখানে হিন্দুদের কোনও গুরুত্ব নেই। ওরা অত্যাচার করত। অল্প জমি ছিল। জলের দরে জমি বিক্রি করি দিই। মুসলিমদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে রাতের অন্ধকারে পরিবার নিয়ে কাঁটাতার পেরিয়ে চোরা পথে আমরা এই দেশে চলে আসি। নাগরিকত্ব কাগজ হাতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। মাথা উঁচু করে বাঁচব। আর এটুকু বলতে পারি, সিএএ (CAA) নিয়ে ভয়ের কিছু নেই, আবেদন করলে সবাই নাগরিকত্ব পাবে। আর কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের ভারতবর্ষে থাকার সুযোগ করে দিয়েছে। তাই, মোদিজিকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    হিন্দু মেয়েরা মন খুলে ঘুরতে পারে না, বসবাস করা যায় না বাংলাদেশে

    বিকাশবাবুর স্ত্রী সাথী বিশ্বাস বলেন, বাংলাদেশ মুসলিমরা হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করে। সেখানে হিন্দু মেয়েরা মন খুলে ঘুরতে পারে না, সেখানে বসবাস করা যায় না। বাইরে বের হলে অভিভাবকদের সঙ্গে যেতে হত। সবসময় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতাম। আর অত্যাচার তো ছিলই। সেই অত্যাচার থেকে বাঁচতেই ২০১২ সালে সপরিবারে আমরা নদিয়ায় চলে আসি। এই দেশে আসার পর নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে অধীর আগ্রহে ছিলাম। অবশেষে কেন্দ্রীয় সরকারের পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করে সার্টিফিকেট পেয়ে খুশি আমরা। মোদিজির প্রতি ভরসা আরও কয়েকগুণ বেড়ে গেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vivekananda Rock Memorial: কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসছেন প্রধানমন্ত্রী, জানুন বিবেকানন্দ রক সম্পর্কে

    Vivekananda Rock Memorial: কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসছেন প্রধানমন্ত্রী, জানুন বিবেকানন্দ রক সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য কন্যাকুমারীতে (Vivekananda Rock Memorial) ধ্যানে বসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এখানকার বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়ালে ধ্যান করবেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১৮৯২ সালে এই স্থানে স্বামী বিবেকানন্দ ধ্যান করেছিলেন। ওই একই স্থানের ধ্যান মন্ডপমে ধ্যান শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতেই এই স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ঠিক ফল ঘোষণার আগে একইভাবে উত্তরাখণ্ডে প্রধানমন্ত্রীকে এমন ধ্যানরত অবস্থায় দেখা যায়। তখন কেদারনাথের কাছে একটি গুহায় তিনি ধ্যান করেছিলেন।

    কেন বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়ালকে (Vivekananda Rock Memorial) বাছা হল

    সম্প্রতি, চেন্নাইতে শ্রীরামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ‘‘সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর আদর্শ স্বামী বিবেকানন্দ।’’ তিনি সেখানে আরও বলেছিলেন, ‘‘যখনই কোনও বিশেষ সুবিধা দেওয়া বন্ধ হয় কোনও বিশেষ লোক অথবা গোষ্ঠীকে, তখনই সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা হয় এবং সমাজ এগিয়ে চলে। আমাদের সরকারের সমস্ত কর্মসূচিতে এমন সাম্য দেখা যায়। কিন্তু এর আগে মানুষের মৌলিক সুযোগ সুবিধাগুলি প্রদানের ক্ষেত্রেও ভাগ করা হতো। এর ফলে অনেক মানুষই যোগ্য হয়েও সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন এবং শুধুমাত্র কিছু বাছাই করার লোক ও গোষ্ঠী এই সুবিধা পেতেন। কিন্তু এখন উন্নয়নের দরজা সবার জন্য খুলে গিয়েছে।’’ এক বিজেপি নেতা সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন যে কন্যাকুমারীতে (Vivekananda Rock Memorial) প্রধানমন্ত্রী ধ্যান করবেন এবং এরই মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যের বার্তা দেবেন।

    নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    ১৪০ কোটি দেশবাসীর প্রধানমন্ত্রী তিনি। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও যথেষ্ট আঁটোসাঁটো করা হয়েছে কন্যাকুমারীতে। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবে ২,০০০ পুলিশ কর্মী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ১ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী সেখানে অবস্থান করবেন বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি ভারতীয় কোস্টগার্ড, ভারতীয় নৌবাহিনী সমুদ্রে নজরদারি (Vivekananda Rock Memorial) চালাবে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায়।

    বিবেকানন্দ রক

    প্রসঙ্গত, কন্যাকুমারী উপকূলে তামিল সাধু তিরুভাল্লুভারের মূর্তির কাছেই অবস্থিত হল বিবেকানন্দ রক (Vivekananda Rock Memorial)। এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরেই। প্রসঙ্গত, ১৮৯২ সালের ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বর স্বামী বিবেকানন্দ এখানে বসে ধ্যান করেছিলেন বলে জানা যায়। প্রাচীন তামিল প্রবাদ অনুসারে, এই শিলাতে দেবী কুমারী বসে তপস্যা করেছিলেন। তাই এই শিলার আগেকার নাম ছিল শ্রীপদ পারাই (দেবী কুমারীর পদস্পর্শধন্য শিলা)। বর্তমানে শিলার উপর একটি ধ্যানমণ্ডপ নির্মিত হয়েছে। এখানে বসে পর্যটকরা ধ্যান করেন। মণ্ডপের ভিতরে স্বামী বিবেকানন্দের একটি মূর্তি আছে। এখান থেকে আরব সাগর, ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থল দেখা যায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: জুনের শুরুতেই ভিজবে রাজ্য! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    Weather Update: জুনের শুরুতেই ভিজবে রাজ্য! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসের শুরুতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস। এবার ধীরে ধীরে বঙ্গে (West Bengal) প্রবেশ করবে বর্ষা। জুন মাসের প্রথম চারদিন দক্ষিণবঙ্গের কিছু কিছু জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি (Weather Update) হবে। সঙ্গে ৩০-৪০ কিলোমিটার, কোথাও ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবার হলুদ সতর্কতা দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরের পাঁচ জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। 

    উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা

    বৃহস্পতিবার থেকে আগামী শনিবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি থাকছে। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবেই উত্তরবঙ্গে এই বৃষ্টি। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তরের এই ৫ জেলার পাশাপাশি আগামী ১ এবং ২ জুন উত্তর দিনাজপুর ও মালদা জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update)  রয়েছে। ভারী বৃষ্টির প্রভাবে নদীগুলিতে জলস্তর বাড়তে পারে। পাশাপাশি ভূমিধস নিয়েও উত্তরের জেলাগুলিকে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া (Weather Update) 

    উত্তরবঙ্গের মত দক্ষিণে অবশ্য ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। তবে আগামী শনিবার এবং রবিবার দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলিতে ওই দুদিনই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শনিবারের আগে পর্যন্ত বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণে বহাল থাকবে অস্বস্তিকর আবহাওয়া। ফলে বৃষ্টিতে না ভিজলেও ঘামে নাকাল হতে হবে সাধারণ মানুষকে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে ভারত-পাক ম্যাচে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা! কড়া নিরাপত্তা নিউ ইয়র্কে

    রাজ্যে বর্ষা প্রবেশ করছে কবে? 

    রাজ্যে (West Bengal) বর্ষা প্রবেশ নিয়েও এদিন আশার কথা শুনিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেরলে মৌসুমী বায়ু প্রবেশের অনুকূল পরিবেশ। আর সেই অনুযায়ী জুন মাসের ১০ তারিখের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা (Weather Update) প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সবটাই নির্ভর করছে কেরলে কবে বর্ষা ঢুকবে তার উপর।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “মোদির বিদেশনীতিই ভারতকে খ্যাতি এনে দিয়েছে”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “মোদির বিদেশনীতিই ভারতকে খ্যাতি এনে দিয়েছে”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার মোদি-স্তুতি শোনা গেল বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) গলায়। তিনি জানালেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে বিদেশনীতি নিয়েছে ভারত, তা দেশকে খ্যাতি দিয়েছে। এই বিদেশনীতির কারণেই তামাম বিশ্বে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে নয়াদিল্লি। শিমলায় বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে আলাপচারিতার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সেখানেই তিনি মোদির উচ্চকিত প্রশংসা করেন।

    মোদির বিদেশনীতি (S Jaishankar)

    বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে বিদেশনীতি ভারত গ্রহণ করেছে, তা আমাদের দেশকে সম্মান দিয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে ভারত বিশ্বগুরুর ভূমিকা পালন করবে।” গত কয়েক বছর ধরে ভারত-চিন সীমান্ত নিয়ে যে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, এদিনের অনুষ্ঠানে তা মেনে নিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তবে সীমান্তের নিরাপত্তার বেষ্টনী যে আগের চেয়ে অনেক আঁটসাঁট, অত্যাধুনিক পরিকাঠামোয় সুসজ্জিত, তাও মনে করিয়ে দেন বিদেশমন্ত্রী।

    কী বললেন জয়শঙ্কর?

    তিনি বলেন, “মোদি সরকার চিন সীমান্তের পরিকাঠামোর উন্নয়ন খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়ে দিয়েছে আগের চেয়ে অনেক বেশি। ৩ হাজার কোটি টাকা থেকে এটা বেড়ে হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। চিন সীমান্তে থাকা সমস্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চওড়া এবং অল-ওয়েদার রাস্তা এবং সুড়ঙ্গ বানিয়েছি। দ্রুত যাতে সীমান্তে পৌঁছানো যায়, তাই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।” বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের সময় যখন ভারত রাশিয়া থেকে সস্তায় অপরিশোধিত জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন বিশ্বের নানা অংশের চাপ আমাদের ওপর ছিল। কিন্তু আমরা সেগুলোর তোয়াক্কা করিনি। আমরা যখন কোয়াড গোষ্ঠীতে যোগ দিলাম, তখনও একই চাপ আসছিল চিনের কাছ থেকে। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমাদের দেশের স্বার্থের কথা ভেবে। তাতে আমরা সফলও হয়েছি।” এর পরেই তিনি বলেন, “এসবই হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে।”

    সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা সন্ত্রাসবাদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। তাই দেশবাসীর দায় একটা স্থায়ী সরকার নির্বাচন করার। এভাবে বিশ্ববাসীকে একটা বার্তা দিতে হবে।” দশ বছর আগের ভারতের সঙ্গে ‘বিকশিত ভারতে’র তুলনাও টেনেছেন বিদেশমন্ত্রী। বলেন, “দশ বছর আগে আমার মতো যাঁরা বিদেশ যেতেন, তাঁদের অনেক কথা শুনতে হত। আর আজ, বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের একটা নয়া ইমেজ তৈরি হয়েছে। উন্নয়নের নিরিখেই এই ইমেজ তৈরি হয়েছে। ‘বিকশিত ভারতে’র জন্যই এই ইমেজ আমাদের তৈরি হয়েছে (S Jaishankar)।”

    আর পড়ুন: ‘পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটা গিলে খেয়েছে কংগ্রেস’, দাবি বিজেপির বিজ্ঞাপনী ভিডিওয়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: ভোট ঘোষণার পরে ৭৫ দিনে ১৮০ কর্মসূচি, কোন রাজ্যে ক’টি জনসভা করেছেন মোদি?

    PM Modi News: ভোট ঘোষণার পরে ৭৫ দিনে ১৮০ কর্মসূচি, কোন রাজ্যে ক’টি জনসভা করেছেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেখতে দেখতে লোকসভা নির্বাচন প্রায় শেষের দিকে। আগামী ১ জুন রয়েছে সপ্তম দফার ভোট। তারপরেই শেষ হবে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। গণনা ৪ জুন। এরই মধ্যে অন্তিম দফার প্রচার-পর্ব শেষে বৃহস্পতিবার, ৩০ মে সন্ধ্যায় কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১ জুন পর্যন্ত ধ্যানরত থাকবেন তিনি। চলতি বছরের মার্চ মাসের ১৬ তারিখে লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা করে কমিশন। তারপর থেকেই দেশে ম্যারাথন প্রচার শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News), যা শেষ হয়েছে ইতিমধ্যে। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর মিলেছে, প্রধানমন্ত্রী অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে মিছিল, জনসভা রোড শো মিলিয়ে ৭৫ দিনে ১৮০টি প্রচারের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। তবে এরমধ্যে ৫৭ দিনই তিনি প্রচারের কাজে অংশ নিয়েছেন।

    সব থেকে বেশি জনসভা উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্রে

    প্রতিদিন গড়ে তিনি তিনটি করে কর্মসূচিতে হাজির থেকেছেন। এমনও দিন ছিল যেদিন প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi News) পাঁচটি করে জনসভা করতে হয়েছে। আবার চারটি করে জনসভা করেছেন এমন দিনের সংখ্যা ২২। প্রচারে তিনি উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম ভারত চষে বেরিয়েছেন। সারা দেশের মধ্যে চারটি রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী সব থেকে বেশি সময় দিয়েছেন এবং এগুলি হল উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং মহারাষ্ট্র। প্রসঙ্গত, দেশের সবথেকে বেশি লোকসভার আসন রয়েছে উত্তর প্রদেশে। এবং সেই সংখ্যা ৮০। ২০১৯ সালে এনডিএ উত্তর প্রদেশে ৬৪টি আসন জিতেছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিহারেও অনেকটা সময় দিয়েছেন এবং এখানে ২০টি জনসভা করেছেন। মহারাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার সংখ্যা ১৯টি ও পশ্চিমবঙ্গে ১৮টি।

    পশ্চিমবঙ্গে জনজোয়ার মোদির সভাগুলিতে 

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের আলোচনায় বারবার উঠে আসছে, পশ্চিমবঙ্গের নাম। কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News) রোড শো সমেত ১৮টি নির্বাচনী জনসভা করেছেন এখানে। তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গ থেকে গতবারের লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসনে জয় পায় বিজেপি। এই সংখ্যা এবার বাড়াতে চাইছে গেরুয়া শিবির। শেষ দফার প্রচারে উত্তর কলকাতায় প্রধানমন্ত্রীর রোড শোতে জনজোয়ার শুরু হয়। কাতারে কাতারে মানুষ দুপাশে হাজির হন প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখতে। একই চিত্র দেখা গিয়েছে বিহার এবং মুম্বইতেও।

    দক্ষিণ ভারতে ৩৫ সভা

    দক্ষিণ ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)  নির্বাচনী প্রচারে যথেষ্ট জোর দিয়েছেন। দক্ষিণ ভারতের ৫ রাজ্যে ৩৫টি নির্বাচনী জনসভা করেছেন তিনি। যার মধ্যে কর্নাটকে ১১টি, তেলেঙ্গনায় ১১টি, তামিলনাড়ুতে ৭টি জনসভা করেছেন তিনি। ওড়িশায় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভার সংখ্যা ১০। মধ্যপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রী দশটি নির্বাচনী জনসভা করেছেন। ঝাড়খণ্ডে প্রধানমন্ত্রী সাতটি জনসভা করেছেন। রাজস্থানে পাঁচটি ও ছত্তিশগড়ে চারটি জনসভা নরেন্দ্র মোদি করেছেন।

    নিজের রাজ্য গুজরাটে ৫টি সভা 

    অন্যদিকে তাঁর নিজের রাজ্য গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি নির্বাচনী জনসভা করেছেন। পাশের পাঞ্জাবে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News) সমাবেশ করেছেন চারটি। দিল্লি, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখন্ডে প্রধানমন্ত্রী দুটি করে জনসভাতে অংশ নিয়েছেন। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে প্রধানমন্ত্রী দুটি জনসভা করেছেন এবং জম্মু-কাশ্মীরে একটি সমাবেশ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Digestion: নিয়মিত হজমের সমস্যায় ভুগছেন? কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি মানলেই মুশকিল আসান!

    Digestion: নিয়মিত হজমের সমস্যায় ভুগছেন? কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি মানলেই মুশকিল আসান!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালের জলখাবার কিংবা রাতের খাবার খাওয়ার পরেই এক ধরনের অস্বস্তি। আবার অনেকের খাওয়ার ইচ্ছেই অধিকাংশ সময় থাকে না। পেটে অস্বস্তি, বমি কিংবা হজমের একাধিক সমস্যায় জেরবার অনেকেই। আর সমস্যা শুধু হজমের গোলমালেই আটকে থাকছে না। বরং, দীর্ঘদিন হজমের গোলমাল (Digestion) থাকার জেরে গ্যাস্ট্রিক, আলসার সহ নানান জটিল রোগ তৈরি হচ্ছে। ফলে, ভোগান্তি আরও বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি ঘরোয়া উপাদান এবং কিছু সহজ উপায় মেনে খাদ্যাভ্যাস তৈরি করলেই এই ধরনের লাগাতার সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। খিদে বাড়বে, হজম হবে সহজেই, আর সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব হবে‌। কিন্তু জীবনযাপনের কোন বদল হজমের গোলমাল কমিয়ে দেবে?

    পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হজমের সমস্যায় ভুক্তভোগীদের অন্যতম কারণ জল পর্যাপ্ত না খাওয়ার অভ্যাস। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস জল খেলে অন্ত্র ভালো থাকে। পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়ে। পাশপাশি সারাদিনে অন্তত ৪-৫ লিটার জল একজন প্রাপ্তবয়স্কের খাওয়া উচিত। দেহে পর্যাপ্ত জলের জোগান থাকলেই হজমের সমস্যা কমবে। জল পাকস্থলীকে ভালো রাখে। ক্ষতিকারক অ্যাসিড তৈরি আটকায়। তাই হজম শক্তি বাড়ে‌।

    খাবার সময়ের ব্যবধান কমানো জরুরি (Digestion)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবনে হজমের সমস্যা তৈরি হওয়ার অন্যতম কারণ হল খাবার সময়ের মধ্যে ব্যবধান বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের বড় অংশের খাবার খাওয়ার সময় ঠিক নেই। অনেকেই জলখাবার খান না।‌ অনেক দেরিতে ঘুম থেকে ওঠেন। সরাসরি লাঞ্চ করেন। যা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। আবার অনেকেই ভারী ব্রেকফাস্ট করেন। লাঞ্চ একদম বাদ দেন। আবার ডিনার করেন‌। এই দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। সকালের জলখাবার, দুপুরের খাবার আবার বিকেলে হালকা খাবার খাওয়া, রাতের খাবার সময় মতো খাওয়া জরুরি। অনেকেই অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকেন। তাঁরা অনেক সময়েই রাতের খাবার অনেকটা দেরিতে খান‌‌। দীর্ঘদিন এই অভ্যাস জারি থাকলে হজমের গোলমাল দেখা দেবে। এছাড়াও গলব্লাডার স্টোন, গ্যাস্ট্রিকের (Digestion) মতো রোগের ঝুঁকিও বাড়বে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে পাকস্থলীতে এক ধরনের অ্যাসিড তৈরি হয়। যা দেহের জন্য ক্ষতিকারক। তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর কিছু খাবার খাওয়া উচিত।

    খাওয়ার পরে কিছু নির্দিষ্ট যোগাভ্যাস বাড়াবে হজমের ক্ষমতা

    যোগাভ্যাস একাধিক রোগ নির্মূল করতে সক্ষম। আর তার মধ্যে অন্যতম হজমের গোলমাল। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, সকালে নিয়মিত হাঁটলে হজমের ক্ষমতা বাড়ে। খিদে বাড়ে। ফলে অন্ত্র সক্রিয় থাকে। এর পাশপাশি ভারী খাবার খাওয়ার পরেই বিশ্রাম নেওয়া একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, দুপুরে কিংবা রাতে ভারী খাবার খাওয়ার পর কিছুক্ষণ বজ্রাসনের মতো কিছু যোগাভ্যাস করা জরুরি। এতে হজম শক্তি বাড়ে‌। সুস্থ থাকা যায়।

    রাতে অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার একেবারেই নয় (Digestion)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ রাতের ডিনার অধিকাংশ সময় রেস্তোরাঁয় করেন। কিংবা বাইরের খাবার আনিয়ে খান।‌ আর এই অভ্যাস বিপদ‌ বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাতে বিশেষত বেশি রাতে অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার খাওয়া একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। এর জেরে অন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়‌। হজমের গোলমাল হয়। রাতে একেবারেই হালকা খাবার খাওয়া উচিত। এতে হজম দ্রুত হয়। কিন্তু কোন ঘরোয়া খাবার নিয়মিত খেলে হজম শক্তি বাড়বে?

    প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার

    নিয়মিত প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার খেলে হজম শক্তি বাড়বে। এমনই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সকালের জলখাবারে কলা কিংবা আপেলের মতো ফল‌ থাকা জরুরি।‌ কারণ এগুলো‌তে প্রচুর প্রোবায়োটিক রয়েছে। এছাড়াও ভারী খাবার খাওয়ার পরে টক দই খাওয়া জরুরি।‌ কারণ টক দইয়ে থাকে উপকারী ব্যাকটেরিয়া। এগুলো অন্ত্রে গিয়ে হজম ক্ষমতা বাড়ায়। পাকস্থলী ও লিভার সুস্থ রাখে।‌

    প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড দারুচিনি, থাকুক চায়ে

    দারুচিনি হজম শক্তি বাড়াতে এবং হজমের সমস্যা কমাতে বিশেষ উপকারী। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, দারুচিনিকে প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড বলা হয়। এই মশলা রান্নায় ব্যবহার করলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়। যাঁরা খুব হজমের সমস্যায় ভোগেন, তাঁরা চায়ে এক টুকরো দারুচিনি দিয়ে নিয়মিত খেলে বিশেষ উপকার পাবেন (Digestion)।

    ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার হজম শক্তি বাড়াবে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফাইবার হজমের সমস্যা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত যে কোনও রকমের ডাল, নাশপাতির মতো ফল কিংবা আটার তৈরি রুটি খাওয়া জরুরি। এই ধরনের খাবার নিয়মিত খেলে অন্ত্র সুস্থ থাকে। ফলে হজমের গোলমাল কমে‌‌।

    আদার ব্যবহার কমাবে গ্যাসের সমস্যা (Digestion)

    অনেকেই গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন। তাঁদের জন্য আদা বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সকালে একটুকরো কাঁচা আদা খেতে পারলে গ্যাসের সমস্যা‌ কমে। এমনকি গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকিও কমে। তবে যাঁরা কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন না, তাঁরা তরকারিতে নিয়মিত আদা বাটা ব্যবহার করুন। এমনই পরামর্শ বিশেষজ্ঞ মহলের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মহিলাদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: মহিলাদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের ফোন নম্বর জোগাড় করতে সরকারি প্রকল্পে ফর্ম ফিলআপ করাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর সেই নম্বর দিয়ে দেওয়া হচ্ছে আইপ্যাকের কাছে। রাজ্যে সপ্তম দফা নির্বাচনের আগে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ইতিমধ্যে রাজ্যে সন্দেশখালি প্রসঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়ে তৃণমূল সরকার চাপের মধ্যে রয়েছে। বিজেপি নেতার এই অভিযোগে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “মহিলাদের তৃণমূল কুপ্রস্তাব যে দেবে না তার কী নিশ্চয়তা? দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে সরকারি প্রকল্পে ফর্ম ফিলাপের নামে মহিলাদের ফোন নম্বর এবং ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার কাজ করছে তৃণমূল। এই তথ্য এরপর তুলে দেওয়া হবে আইপ্যাকের কাছে। এই নম্বর এবং তথ্যকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের জনমতকে প্রভাবিত করবে তৃণমূল। তথ্যপাচারের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে তৃণমূল।”

    আর কী বললেন?

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) একই ভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “এই ভাবে এলাকায় এলাকায় মহিলাদের নম্বর নিয়ে তাঁদের সঙ্গে অভব্য আচরণের কাজে লিপ্ত হবে না তো তৃণমূল? সন্দেশখালিতে যেমন মহিলাদের নির্যাতন করা হয়েছিল, এমন ঘটনা ঘটবে নাতো? আমার মনে হয় এইরকম ঘটনার ছক করছে তৃণমূল। আমাদের বসিরহাট কেন্দ্রের প্রার্থী রেখা পাত্রের ব্যক্তিগত তথ্য তৃণমূলের চোরেরা প্রকাশ করে সম্ভ্রমহানির মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। তৃণমূল নেতা দেবাশু এই কাজের নেতৃত্ব দিয়েছে। এখন প্রশ্ন হল সরকারের তথ্য তৃণমূল নেতার কাছে কীভাবে পৌঁছাল।

    প্রধানমন্ত্রী নিশান করেছেন তৃণমূলকে

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন নারী কিন্তু তারপরেও জেলায় জেলায় নারী দর্শন, খুন, ধর্ষণ, হত্যার ঘটনায় বিজেপি বার বার সরব হয়েছে। সন্দেশখালির মহিলাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রাতভর পার্টি অফিসে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। এই অভিযোগে শাহজাহানের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন হয়েছে একাধিক সময়ে। রাজ্যে মা-বোনদের নিরাপত্তা সুরক্ষা নিয়ে বুধবার কাকদ্বীপের এক সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও নিশানা করেছেন তৃণমূল সরকারকে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: বিশ্বকাপে ভারত-পাক ম্যাচে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা! কড়া নিরাপত্তা নিউ ইয়র্কে

    T20 World Cup 2024: বিশ্বকাপে ভারত-পাক ম্যাচে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা! কড়া নিরাপত্তা নিউ ইয়র্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই টি-২০ বিশ্বকাপ। আগামী ৯ জুন মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। কিন্তু ম্যাচের (T20 World Cup 2024) আগেই এল জঙ্গি হানার হুমকি। নিউ ইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এই ম্যাচে হামলার হুমকি দিয়েছে আইএসএস-কে জঙ্গি সংগঠন। ফলে দুই দেশের প্লেয়ারদের জীবনহানির (India vs Pakistan Security) প্রশ্ন উঠতেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে স্টেডিয়াম। মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি ১০০ পুলিশকর্মী।

    হুমকির ভিডিও প্রকাশ্যে 

    সম্প্রতি জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে (T20 World Cup 2024) হামলা করার জন্য আহ্বান করা হয়েছে। এই হামলার নাম দেওয়া হয়েছে ‘লোন উলফ’। ভিডিয়োয় বলা হয়েছে, যে কেউ এই হামলা করতে পারে। এই ‘লোন উলফ অ্যাটাক’ হচ্ছে একটা গণহত্যা। যেটা প্রকাশ্যে কোনও এক ব্যক্তি করে। 

    সতর্ক নিউ ইয়র্ক প্রশাসন

    নাসাউ কাউন্টির পুলিশ কমিশনার প্যাট্রিক রাইডার এই হুমকির কথা জানিয়ে বলেছেন, গত এপ্রিল থেকেই জঙ্গি সংগঠন আইএস-খোরাসান এ রকম হামলার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু এ বারের হুমকি একেবারে নির্দিষ্ট করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের (T20 World Cup 2024) জন্য দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি নাসাউ স্টেডিয়ামের উপর একটি ড্রোন দেখা গিয়েছে। তাতে ম্যাচের তারিখ ‘৯/৬/২০২৪’ লেখা। এর পরেই নড়চড়ে বসেছে নিউ ইয়র্ক প্রশাসন।  তিনি বলেন, “একটি ভিডিয়ো বার্তায় জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘লোন উলফ’ হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। যেখানে এত বড় একটা ম্যাচ এবং প্রচুর দর্শক আসবেন, সেখানে কোনও কিছুই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সব রকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।” 

    আরও পড়ুন: এবার থেকে ওয়েটিং লিস্টের ঝামেলা থেকে মুক্তি! ট্রেনের টিকিটে বড় বদল

    উল্লেখ্য, বিশ্বের যেই প্রান্তেই ভারত পাকিস্তান ম্যাচ (T20 World Cup 2024) হোক না কেন, সবসময় নিরাপত্তা (India vs Pakistan Security) নিয়ে প্রশ্ন থাকে। যেই দেশই আয়োজনক করুক তাদের বাড়তি সতর্ক হতে হয়। আর এবার নিউ ইয়র্কে দুই দল নামার আগে এই হুমকির হুঁশিয়ারিতে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সেই দেশের সাধারণ মানুষ। তবে নিউ ইয়র্কের গর্ভনর অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তারা এমন কোনও হুমকি পায়নি যাতে সাধারণ মানুষদের আশঙ্কা থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটা গিলে খেয়েছে কংগ্রেস’, দাবি বিজেপির বিজ্ঞাপনী ভিডিওয়

    BJP: ‘পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটা গিলে খেয়েছে কংগ্রেস’, দাবি বিজেপির বিজ্ঞাপনী ভিডিওয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তম দফার লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা পয়লা জুন। তার আগেও বিজেপিকে পরাস্ত করতে কংগ্রেসের হাতিয়ার সেই সংরক্ষণ। ‘ইন্ডি’ জোটের সব চেয়ে বড় দল কংগ্রেসকে এনিয়ে ফের নিশানা করল বিজেপি (BJP)। বুধবার “মেরা ভোট মেরা অধিকার, হোয়্যারইন ইট অ্যাটেম্পটড টু এক্সপোজ দ্য কংগ্রেস” শীর্ষক একটি ভিডিও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে বিজেপি। এই ভিডিওতেই পদ্ম-পার্টির তরফে দেখানো হয়েছে কীভাবে দলিত, এসসি-এসটি, পিছিয়ে পড়া শ্রেণি এবং অতি পিছিয়ে পড়া শ্রেণির সংরক্ষণের কোটা খেয়ে ফেলে তালিকায় ঢোকানো হয়েছে সংখ্যালঘু (পড়ুন, মুসলমান) সম্প্রদায়কে।

    কংগ্রেসকে তোপ (BJP)

    ভিডিওটি মাত্র আটচল্লিশ সেকেন্ডের। সেখানে বিজেপি (BJP) তুলে ধরেছে, কীভাবে কংগ্রেস ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। এসসি-এসটি-ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গণ-হিস্টিরিয়া ছড়াচ্ছে। কংগ্রেস কীভাবে এসসি-এসটি-ওবিসিদের ওই তালিকা থেকে বের করে দিয়ে গিলে ফেলছে ওবিসিদের কোটা। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, কংগ্রেস কীভাবে ব্যাকওয়ার্ড শ্রেণির সংরক্ষণের বিরোধিতা করে আসছে, তা নিয়ে আলোচনা করছেন তরুণ প্রজন্মের কয়েকজন।

    বাবা সাহেবের কথা অমান্য!

    তাঁরা বলছেন, কংগ্রেস কীভাবে বাবা সাহেব আম্বেডকরের কথা অমান্য করেছে। তারা কখনওই উপজাতিদের ন্যায়বিচার দেয়নি। কংগ্রেসই একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া মিলিয়া এবং আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে এসসি-এসটি-ওবিসিদের সংরক্ষণ অনুমোদন করেনি। এই বিষয়েও আলোকপাত করেছেন ওই তরুণরা। বিজ্ঞাপনে থাকা তরুণদের এও বলতে শোনা গিয়েছে, কীভাবে ২০০৯ সালের নির্বাচনী ইস্তাহারে কংগ্রেস সরকারি চাকরি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ চালু করেছে কেরল, কর্নাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশে।

    এই ভিডিওতেই মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে কীভাবে কংগ্রেস ২০০৪ সালে ক্ষমতায় এসেছিল। অন্ধ্রপ্রদেশের এসসি-এসটির কোটার বদলে তারা মুসলমানদের সংরক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যদিও সেবার তা করতে ব্যর্থ হয়েছিল তারা। তবে ২০১১ সালে গোটা দেশে এটা লাগু করার চেষ্টাও করেছিল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখতে কংগ্রেস পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটার ভাগ থেকে কিছুটা অংশ মুসলমানদের দিতে চাইছে বলেও দাবি করা হয়েছে ভিডিওতে। শেষে নাগরিকদের বিচার-বিবেচনা করে ভোট দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে গেরুয়া পার্টি।

    আর পড়ুন: বিরোধীদের ‘ব্রহ্মাস্ত্রে’ই তাঁদের ঘায়েল করলেন প্রধানমন্ত্রী, কীভাবে জানেন?

    এদিকে, বিরোধীরা ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ করতে চাইছে বলেও অভিযোগ বিজেপির। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “সংবিধানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ হবে না (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share