Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ramakrishna 32: “আলু পটল সিদ্ধ হলে তো নরম হয়, তা তুমি তো খুব নরম, তোমার অত দয়া!”

    Ramakrishna 32: “আলু পটল সিদ্ধ হলে তো নরম হয়, তা তুমি তো খুব নরম, তোমার অত দয়া!”

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    শ্রীরামকৃষ্ণকে বিদ্যাসাগরের পূজা সম্ভাষণ

    মিষ্টিমুখের পর ঠাকুর সহাস্যে বিদ্যাসাগরের সঙ্গে কথা কহিতেছেন। দেখিতে দেখিতে একঘর লোক হইয়াছে, কেহ উপবিষ্ট কেহ দাঁড়াইয়া।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আজ সাগরে এসে মিললাম। এতদিন খাল বিল হদ্দ নদী দেখেছি, এইবার সাগর দেখছি। (সকলের হাস্য)

    বিদ্যাসাগর (সহাস্যে)—তবে নোনা জল খানিকটা নিয়ে যান!(হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—না গো! নোনা জল কেন? তুমি তো অবিদ্যার সাগর নও, তুমি যে বিদ্যার সাগর! (সকলের হাস্য) তুমি ক্ষীরসমুদ্র (সকালের হাস্য)

    বিদ্যাসাগর–তা বলতে পারেন বটে।

    বিদ্যাসাগর চুপ করিয়া রহিলেন। ঠাকুর কথা কহিতেছেন—

    বিদ্যাসাগরের সাত্ত্বিক কর্ম—“তুমিও সিদ্ধপুরুষ”

    তোমার কর্ম সাত্ত্বিক কর্ম। সত্ত্বের রজঃ। সত্ত্বরগুণ থেকে দয়া হয়। দয়ায় জন্য যে কর্ম করা যায়, সে রাজসিক কর্ম বটে—কিন্তু এ রজোগুণ—সত্ত্বের রজোগুণ, এতে দোষ নাই। শুকদেবাদি লোকশিক্ষার জন্য দয়া রেখেছিলেন ঈশ্বর-বিষয় শিক্ষা দিবার জন্য। তুমি বিদ্যাদান অন্নদান করছ, এও ভাল। নিষ্কাম করতে পারলেই এতে ভগবান লাভ হয়। কেউ করে নামের জন্য, পুণ্যের জন্য, তাদের কর্ম নিস্কাম নয়। আর সিদ্ধ তো তুমি আছই।

    বিদ্যাসাগর—মহাশয় কেমন করে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (সহাস্য)—আলু পটল সিদ্ধ হলে তো নরম হয়, তা তুমি তো খুব নরম। তোমার অত দয়া!(হাস্য)

    বিদ্যাসগার (সহাস্য)—কলাই বাটা সিদ্ধ তো শক্তই হয়!(সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তুমি তা নও গো; শুধু পণ্ডিতগুলো দরকচা পড়া! না এদিক, না ওদিক। শুকুনি খুব উঁচুতে উঠে, তার নজর ভাগাড়। যারা পশু পণ্ডিত শুনতেই পণ্ডিত, কিন্তু তাদের কামিনী-কাঞ্চনে আসক্তি—শকুনি মতো পচা মড়া খুঁজছে। আসক্তি অবিদ্যার সংসারে। দয়া, ভক্তি, বৈরাগ্য বিদ্যার ঐশ্বর্য।

    বিদ্যাসাগর চুপ করিয়া শুনিতেছেন। সকলেই একদৃষ্টে এই আনন্দময় পুরুষকে দর্শন ও তাঁহার কথামৃত পান করিতেছেন।  

    আরও পড়ুনঃ “বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ…দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর”

    আরও পড়ুনঃ “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Puri Chandan Yatra:  হঠাৎ বিস্ফোরণ! জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রায় ঝলসে গেলেন একাধিক ভক্ত

    Puri Chandan Yatra:  হঠাৎ বিস্ফোরণ! জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রায় ঝলসে গেলেন একাধিক ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই রথযাত্রা। সেজে উঠছে পুরী। কিন্তু রথযাত্রার আগেই ঘটল বিপত্তি। জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রায় (Puri Chandan Yatra) ভয়াবহ দুর্ঘটনা। বাজি ফেটে ঝলসে গেলেন বহু ভক্ত। বুধবার রাতে ওড়িশার (Odisha) পুরীতে চন্দন যাত্রা উপলক্ষে  জড়ো হয়েছিলেন হাজার হাজার ভক্ত। তখনই ঘটে এই দুর্ঘটনাটি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২০ জনেরও বেশি গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, আতশবাজি থেকেই আগুন লেগেছিল। ঘটনার পরেই আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে প্রশাসন। অ্যাম্বুল্যান্সে করে জখমদের নিয়ে আসা হয় হাসপাতালে। শুরু হয় চিকিৎসা।   

    কী করে ঘটল এই দুর্ঘটনা? (Puri Chandan Yatra) 

    জগন্নাথদেবের চন্দন যাত্রা উপলক্ষে পুরীর নরেন্দ্র পুষ্করিণী এলাকায় কয়েক’শ পুণ্যার্থী জড়ো হয়েছিলেন। আসলে এই দিনে রথযাত্রা উৎসবের জন্য পুরীতে রথ নির্মাণ শুরু হয়ে থাকে। তাই এই উৎসবে অনেকে সেখানে বাজি পুড়িয়ে আনন্দ করছিলেন। সেই সমস্ত বাজি ওখানেই জড়ো রাখা ছিল। আর তার থেকেই বাধে বিপত্তি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাজি পোড়ানোর সময় আগুনের ফুলকি ছিটকে এসে লাগে বাজির স্তূপে। সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। একের পর এক বাজি ফাটতে শুরু করে। 

    যেখানে বাজি রাখা ছিল, তার আশেপাশে যারা ছিলেন, তারা অগ্নিদ্বগ্ধ হন। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে সরোবরে ঝাঁপ দেন। জানা গিয়েছে হটাৎ এই দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন জখম হয়েছেন। সকলেই জেলার সদর হাসপাতালে ভর্তি। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।  

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর 

    এই ঘটনায় (Puri Chandan Yatra) শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে তিনি আহত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও আহতদের চিকিৎসার খরচ ওড়িশার (Odisha) মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে মেটানো হবে বলেও জানানো হয়েছে। পুরো বিষয়টির দিকে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।  

    আরও পড়ুন: ‘‘অর্ধসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা বন্ধ করুন’’, কৌশিক বসুকে পাঠ পড়ালেন বিশেষজ্ঞরা

    শোক প্রকাশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    অন্যদিকে এ ঘটনায় (Puri Chandan Yatra) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, “দুর্ভাগ্যজনক এই ঘটনার কথা আমি শুনেছি। আমি অত্যন্ত দুঃখিত। আমার প্রার্থনা ভগবানের আশীর্বাদে যেন আহত ব্যক্তিরা দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kaushik Basu: ‘‘অর্ধসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা বন্ধ করুন’’, কৌশিক বসুকে পাঠ পড়ালেন বিশেষজ্ঞরা

    Kaushik Basu: ‘‘অর্ধসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা বন্ধ করুন’’, কৌশিক বসুকে পাঠ পড়ালেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন হয়েছে গত দশ বছরে। মোদি জমানায় ভারতের অর্থনীতির লেখচিত্র যে ঊর্ধ্বগামী, তাও মেনে নিয়েছেন বিশ্বের অর্থনীতিবিদদের সিংহভাগই। দেশ এগোচ্ছে উন্নত ভারতের স্বপ্ন বুকে নিয়ে। এহেন আবহে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বেকারত্বকেই হাতিয়ার করছেন বিরোধীরা। এবার তাতে ইন্ধন জোগালেন প্রাক্তন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসুও (Kaushik Basu)।

    নেটিজেনদের নিশানায় অর্থনীতিবিদ (Kaushik Basu)

    তার পরেই তাঁকে নিশানা করেছেন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা। তাঁরা বলছেন, “ভুল তথ্য দেবেন না, বিপথে চালিত করবেন না। দেশে বেকারত্বের হার মাত্রই দু’শতাংশ।” বুধবার কৌশিক সরকারকে অনুরোধ করেছেন ভারতে ক্রমবর্ধমান বেকারত্বে রাশ টানতে। তিনি বলেন, “সিএমআইই-র সাম্প্রতিক ডেটা থেকে জানা যাচ্ছে, ভারতের যুব বেকারত্বের হার পৌঁছে গিয়েছে অ্যালার্মিং লেভেলে। বর্তমানে এর হার ৪৫.৪ শতাংশ, বিশ্বের মধ্যে সব চেয়ে বেশি।”

    কী বলেছেন কৌশিক বসু?

    কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন অর্থনীতির পাঠ দেন কৌশিক (Kaushik Basu)। তিনি বলেন, “দেশের স্বার্থে আমরা অবশ্যই স্লোগানের আড়ালে লুকিয়ে যাব না। রাজনীতিকে সরিয়ে রাখব এক পাশে। এবং উপযুক্ত পদক্ষেপ করব।” কৌশিকের মন্তব্যে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে সমালোচনার ঝড়। সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার সাথী বেল্লাম লিখেছেন, “যে ৪৫ শতাংশ বেকারত্বের কথা আপনি বলছেন, এরা ২০-২৪ বছর বয়সী। এদের অধিকাংশই এখনও পড়াশোনা করছেন। ৩০ এর ওপরে যাঁদের বয়স, তাঁদের ক্ষেত্রে বেকারত্বের হার মাত্র ২ শতাংশ। এর অর্থ হল, পড়াশোনা শেষ করে অধিকাংশই কাজ পেয়ে যাচ্ছেন।”

    কৌশিকের ৪৫ শতাংশ বেকারত্ব তত্ত্বের দাবি ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন এক প্রবীণ টেকনোক্র্যাট অ্যান্ড সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারও। সাথীর মতো তিনিও জানিয়ে দিয়েছেন যে ৪৫ শতাংশ বেকারত্বের কথা বলা হচ্ছে, তারা সবাই ২০-২৪ বছর বয়সী। যাঁদের সিংহভাগই পড়াশোনা করছেন। তিনি লিখেছেন, “৩০ বছর এবং তার ওপরে যাঁদের বয়স, তাঁদের ক্ষেত্রে বেকারত্বের হার মাত্র ২ শতাংশ। এই একই রিপোর্ট অনুযায়ী, আপনি উদ্ধৃতি দিচ্ছেন। অপপ্রচারের চূড়ান্ত (Kaushik Basu)।”

    আর পড়ুন: ভারতীয় অর্থনীতি পজিটিভ, জানিয়ে দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S&P Global Rating: ভারতীয় অর্থনীতি পজিটিভ, জানিয়ে দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং

    S&P Global Rating: ভারতীয় অর্থনীতি পজিটিভ, জানিয়ে দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘স্টেবল’ তকমা আগেই জুটেছিল। এবার মিলল ‘পজিটিভ’ ছাপও। এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিংয়ের (S&P Global Rating) তরফে এভাবেই ‘গুণকীর্তন’ করা হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতির। ভারতীয় অর্থনীতির এই বদল যে আসলে দেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিই প্রমাণ করে, তাও জানানো হয়েছে ওই রেটিং সংস্থার তরফে। বুধবার সংস্থার তরফে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে ভারতের ক্রেডিট রেটিং উল্লেখ করা হয়েছে ‘বিবিবি-’। ‘বিবিবি মাইনাস’ হল সর্বনিম্ন বিনিয়োগ গ্রেড রেটিং দেওয়া।

    কী বলছে রেটিং সংস্থা? (S&P Global Rating)

    সংস্থার (S&P Global Rating) তরফে বলা হয়েছে, আগামী দু-তিন বছরের মধ্যেই আমূল বদলে যাবে ভারতীয় অর্থনীতির হাল। গত দশ বছরে ভারত সরকার যে অর্থনৈতিক সংস্কার করে চলেছে, তার জেরেই ক্রমেই উন্নত হচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি। রেটিং ওই সংস্থার তরফে জানা গিয়েছে, ভারতীয় অর্থনীতির দৃঢ় প্রবৃদ্ধি, তাৎপর্যপূর্ণভাবে সরকারি ব্যয়ে নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের অর্থনীতি মজবুত করার যে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছে সরকার, তার জেরেই দেশের অর্থনীতির এই উৎকর্ষ সাধন। এস অ্যান্ড পি-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, “আমরা বিশ্বাস করি এই ফ্যাক্টরগুলি এবং ক্রেডিট মেরিটের সুফলই পাচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি।” রেটিং সংস্থার মূল্যায়নকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, ‘‘এস অ্যান্ড পি-র সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আগামী বছরগুলিতে ভারতের মজবুত বৃদ্ধির হার এবং দেশের অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রতিফলিত হচ্ছে।’’ 

    আউটলুক পরিবর্তনের অর্থ

    এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং (S&P Global Rating) হল একটি মার্কিন মূল্যায়ন সংস্থা। এটি এস অ্যান্ড পি গ্লোবালের একটি বিভাগ যা স্টক, বন্ড এবং পণ্যের ওপর আর্থিক গবেষণা ও বিশ্লেষণ প্রকাশ করে।আউটলুক পরিবর্তন মানে আগামী দু’বছরে রেটিং আপগ্রেড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, “বর্তমানে ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আর্থিক ঘাটতি, উচ্চ ঋণপত্র এবং করের বোঝা। তা সত্ত্বেও, ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি অটূট।” সংস্থার আশা, আর্থিক ঘাটতির হার চলতি অর্থবর্ষে ৭.৯ শতাংশ থেকে কমে  ২০২৮ অর্থবর্ষ নাগাদ ৬.৮ শতংশ হতে পারে। সংস্থাটির মতে, আগামী তিন বছর ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার যদি ৭ শতাংশ থাকে, তাহলে অচিরেই জিডিপি ও ঘাটতির অনুপাত কমে আসবে। এস অ্যান্ড পি তাদের রিপোর্টে বলেছে, “ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী প্রতিফলিত করে যে অব্যাহত নীতিগত স্থিতিশীলতা, গভীরতর অর্থনৈতিক সংস্কার এবং উচ্চ পরিকাঠামো বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা বজায় রাখবে।”

    আর পড়ুন: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    ভারতের অর্থনীতির ভিত যে ক্রমেই মজবুত হচ্ছে, তার প্রমাণ মিলেছে মোদি সরকারের আমলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তির অবস্থানেই। ২০১৪ সালের আগে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারত ছিল ১০ নম্বরে। মোদি সরকারের দশ বছরের রাজত্বে ওই তালিকায় ভারতের জায়গা হয়েছে পাঁচ নম্বরে। অর্থনীতিবিদদের সিংহভাগের মতে, আগামী এক বছরের মধ্যেই ভারত চলে আসবে ওই তালিকার চার নম্বরে। তার আগে থাকবে কেবলই আমেরিকা, চিন এবং জাপান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CAA: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    CAA: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, সংক্ষেপে সিএএ (CAA) অনুযায়ী শংসাপত্র বিলির স্থান-কাল জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আপাতত এই শংসাপত্র বিলি হবে পশ্চিমবঙ্গ, হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ডে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার থেকে সিএএ আইন অনুযায়ী শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু করেছে সিএএ সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি। প্রসঙ্গত, গত ১৫ মে প্রথমবার তিনশো জন আবেদনকারীকে সিএএ-র শংসাপত্র বিলি করেছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। দিল্লিতে ১৪ জন আবেদনকারীর হাতে এই শংসাপত্র তুলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয়কুমার ভাল্লা স্বয়ং।

    সিএএ শংসাপত্র বিলি শুরু (CAA)

    বুধ-সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA), ২০২৪ এর আওতায় পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব শংসাপত্র মঞ্জুরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ প্রথম দফার আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব প্রদান করেছে পশ্চিমবঙ্গের এমপাওয়ার্ড কমিটি। একইভাবে হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ডেও বুধবার থেকে প্রথম দফার আবেদনপত্রগুলির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের এমপাওয়ার্ড কমিটি।

    সিএএ

    গত ১১ মার্চ, দেশজুড়ে লাগু হয় সিএএ। যদিও ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ পাশ করিয়েছিল মোদি সরকার। সংসদের দুই কক্ষেই বিলটি পাশ হওয়ার পর পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। বিলটিতে স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এই আইন অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মতো দেশ থেকে যে সব অ-মুসলিম মানুষ ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে এ দেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন এবং অন্তত পাঁচ বছর ভারতে বাস করছেন, তাঁরা নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেতে সিএএতে আবেদন করতে পারেন বলেও জানিয়েছে কেন্দ্র।

    আর পড়ুন: ইভিএম পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন ‘হেরো’ প্রার্থীরা, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

    সিএএ আইনের ব্যাখ্যায় যাঁরা পাঁচ নম্বরের অন্তর্ভুক্ত, তাঁদেরও আবেদনের কথা ভাবতে হতে পারে। এই ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ২০০৪ সালের ৩ ডিসেম্বর কিংবা তার পরে যাঁদের ভারতে জন্ম, তাঁদের বাবা-মা দুজনেই ভারতীয় হলে, তিনিও এ দেশের নাগরিক। কিন্তু বাবা-মায়ের মধ্যে অন্তত একজন ভারতীয় নাগরিক না হলে প্রশ্নের মুখে পড়বে তাঁদের সন্তানের নাগরিকত্ব (CAA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Highest Temperature: ৫২.৩ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলল দিল্লি, দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

    Highest Temperature: ৫২.৩ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলল দিল্লি, দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহে রেকর্ড গড়ল দিল্লি, বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছায় রাজধানীতে (Highest Temperature) ৫২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস । ভারতে এর আগে কোথাও এত বেশি তাপমাত্রা কখনও দেখা যায়নি। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহের শেষের দিকেই পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর যে রাজধানীতে তীব্র তাপপ্রবাহ হতে চলেছে। সেই মতো আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল যে বুধবার দিল্লির তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ৪৫ ডিগ্রির থেকে সামান্য বেশি। কিন্তু সেই যাবতীয় পূর্বাভাসকে মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়ে ৫২ ডিগ্রির বেশি ছুঁয়েছে তাপমাত্রা।

    এর আগে ২০১৬ সালে ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দেখা গিয়েছিল

    এর আগে ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। ওই বছরের ১৯ মে রাজস্থানের ফলোদি শহরে তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, কিন্তু বুধবার সেই সমস্ত কিছুকে পিছনে ফেলে দিয়েছে দিল্লি। ঘটনাক্রমে বুধবার ফালোদির তাপমাত্রা ছিল ৫১° সেলসিয়াস। হরিয়ানার সিরসায় এদিন তাপমাত্রা পৌঁছায় ৫০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে ভারতের আবহাওয়া বিভাগের আঞ্চলিক প্রধান, কুলদীপ শ্রীবাস্তব বলেছেন, “দিল্লিতে আগেই তীব্র গরম আবহাওয়া ছিল। রাজস্থান থেকে আসা গরম বাতাসের কারণে রাজধানীর কিছু বিশেষ অংশের আবহাওয়া আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। মুঙ্গেশপুর, নারেলা এবং নজফগড়ের মতো অঞ্চলগুলিতে (Highest Temperature) এই গরম বাতাসের পূর্ণ শক্তি দেখা যাচ্ছে।”

    জল নষ্ট করলেই নাগরিকদের দিতে হবে জরিমানা  

    অন্যদিকে এই সময়ে দিল্লি সরকার ঘোষণা করেছে যে জল নষ্ট করলেই নাগরিকদের দিতে হবে জরিমানা। জল অপচয় করতে দেখা গেলেই দু হাজার টাকা করে জরিমানা নেওয়া হবে। কারণ প্রচণ্ড গরমে ইতিমধ্যে রাজধানীতে জল সংকট দেখা দিয়েছে। ওই নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনও বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক থেকে জল উপচে পড়লে, ব্যক্তিগত গাড়ি বা অন্যান্য যানবাহন ধোয়া নির্মাণ ও বাণিজ্যিক কারণে পানীয় জল (Highest Temperature) ব্যবহার করলে জরিমানা গুনতে হবে। কোথাও কোনও জল অপচয় হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ২০০টি দল মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে দিল্লি সরকার। এই নিয়ম লঙ্ঘন করলেই দিতে হবে জরিমানা। বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে এই ২০০টি দল কাজ শুরু করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ECI: ভোটে নাক গলানোয় ওড়িশায় সাসপেন্ড আইপিএস অফিসার

    ECI: ভোটে নাক গলানোয় ওড়িশায় সাসপেন্ড আইপিএস অফিসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে একশো শতাংশ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ নির্বাচন কমিশন (ECI)। অযাচিতভাবে নির্বাচনে নাক গলানোয় এবার সাসপেন্ড করা হল এক আইপিএস অফিসারকে। এই আধিকারিকের নাম ডিএস কুট্টে। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের তরফে এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কুট্টে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের স্পেশাল সেক্রেটারি। তিনি ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস অফিসার। অ্যাডিশনাল ডিজি পদমর্যাদার অফিসার তিনি।

    কমিশনের নির্দেশ (ECI) 

    কমিশনের (ECI) নির্দেশে বলা হয়েছে, ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস তথা মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ সচিব ডিএস কুট্টেকে নির্বাচন পরিচালনায় অযথা হস্তক্ষেপের জন্য প্রাসঙ্গিক পরিষেবা বিধির আওতায় সাসপেন্ড করা হবে। কমিশন জানিয়েছে, কুট্টের সদর দফতর ওড়িশার রেসিডেন্ট কমিশনারের অফিসে ২৯ মে বিকেলের মধ্যে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। কমিশনের তরফে জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছে, ওড়িশার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কুট্টেকে চার্জশিটের খসড়া সরবরাহ করবেন এবং ওড়িশার মুখ্যসচিব ৩০ মে বিকেল পাঁচটার মধ্যে সংশ্লিষ্ট পরিষেবা বিধি অনুসারে চার্জশিটের ব্যবস্থা করবেন।

    কুট্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, গত মাসে কুট্টের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বসে বিজু জনতা দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ করেছিল বিজেপি। দ্রুত তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি কল ডিটেলস রেকর্ড পুনরুদ্ধার করার দাবি জানানো হয়। এদিকে, আর এক আইপিএস অফিসার আশিস সিংহকেও মেডিক্যাল টেস্টের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। গত ৪ মে থেকে মেডিক্যাল লিভে রয়েছেন তিনি। ৩০ মে-র মধ্যে তাঁকে মেডিক্যাল টেস্টের জন্য হাজিরা দিতে হবে। ভুবনেশ্বরের এইমসে এই পরীক্ষা হবে, পরীক্ষার জন্য বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি করার নির্দেশও দিয়েছে কমিশন। আশিস ২০১০ ব্যাচের আইপিএস।

    আর পড়ুন: ইভিএম পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন ‘হেরো’ প্রার্থীরা, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

    কমিশন সূত্রে খবর, গত ২৭ মে সিইওর তরফে অভিযোগ পেয়ে পদক্ষেপ করা হয়েছে এই দুই আইপিএস আধিকারিকের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, খোরধা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তথা প্রার্থী প্রশান্ত জগদেবের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার একটি বুথে ইভিএম ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে (ECI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ভাঙড়ে একই দিনে স্থানীয় তৃণমূল নেতার সভা, শুভেন্দুর সভাকে বাতিল করল প্রশাসন

    Suvendu Adhikari: ভাঙড়ে একই দিনে স্থানীয় তৃণমূল নেতার সভা, শুভেন্দুর সভাকে বাতিল করল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সপ্তম দফা ভোটের প্রচার জমে উঠেছে। আগামী ১ জুলাই শেষ পর্বের ভোট গ্রহণ হবে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুই দিনে আশোকনগর, যাদবপুর, কাকদ্বীপে তিনটি জনসভা এবং কোলকাতায় একটি রোডশো করেছেন। তাঁর ভোটের প্রচার ছিল দারুণ জমজমাট। এই প্রচারের মধ্যেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ভাঙড়ে একটি সভা করার কথা ছিল বুধবার। কিন্তু সেই সভাকে অনুমতি দিল না প্রশাসন। ঘটনায় প্রশাসন এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছে বিজেপি।

    বিজেপির অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    ভাঙড়ে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভা বাতিল করায় বিজেপি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, রাজনৈতিক প্রতি হিংসার কারণে এই সভাকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা যে স্থানীয় তৃণমূল নেতার একই দিনে সভা রয়েছে। তাই সেই জন্য বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সম্পূর্ণ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের গভীর চক্রান্ত বলে উল্লেখ করেছে বিজেপি। ভাঙড়ে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সভা করলে মানুষ তৃণমূলের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবে, আর তাই শাসক দলের মনে বিজেপিকে ঘিরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে সভা স্থগিত হলেও নির্ধারিত সময়ে সভাস্থলে শুভেন্দু যাবেন এবং এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    আরও পড়ুনঃ “মুসলিম হয়ে কেন বিজেপি করছিস!” আরামবাগে বাড়ি ভাঙচুর নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    আইন শৃঙ্খলার সমস্যা

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক ভাবে উত্তপ্ত হয়েছিল ভাঙড়। ৫ জন মানুষের রাজনৈতিক হত্যার ঘটনা ঘটেছিল। একাধিক সময়ে বোমা, গুলি, বন্দুকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অভিযোগের তির ছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। একটি খুনের মামলায় তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আবার একাধিক পুলিশ আধিকারিকদের বদল হয়েছে। তবে সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশাসনের তরফ থেকে সভায় অনুমতি না দেওয়ার পিছনে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ভোটের বাজারে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভা বাতিল হওয়ায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: পরিকাঠামো নেই, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নেশামুক্তি কেন্দ্রে ঘটছে মৃত্যু, সরব বিজেপি

    Balurghat: পরিকাঠামো নেই, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নেশামুক্তি কেন্দ্রে ঘটছে মৃত্যু, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও আবাসিককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে উত্তাল হয়েছে, আবার কখনও নেশামুক্তি কেন্দ্রে দুষ্কৃতীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তেতে উঠেছে এলাকা। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) জেলা জুড়ে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নেশামুক্তি কেন্দ্রগুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রচুর। তবুও, প্রশাসন কোনও কড়া পদক্ষেপ নেয় না বলে অভিযোগ। নেশামুক্তি কেন্দ্রগুলির বিরুদ্ধে এবার সরব হয়েছেন বিজেপির বিধায়ক সত্যেন রায়। কোন লাইসেন্সের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে এসব নেশামুক্তি কেন্দ্র, কে দিয়েছে অনুমতি, কিছুই জানা যায় না। স্বাস্থ্য দফতর, সমাজকল্যাণ দফতর থেকে পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে এই অভিযোগ ঘুরপাক খায়। এসব নেশামুক্তি কেন্দ্রগুলির বিরুদ্ধে এবার সরব হয়েছেন গঙ্গারামপুরের বিজেপির বিধায়ক সত্যেন রায়।

    নেশামুক্তির পরিকাঠামো নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (Balurghat)

    এক সরকারি আধিকারিক বলেন, একটি দোতলা বা তিনতলা বাড়ি, সেখানে ঝাঁ চকচকে অফিস ঘরে মাদক নিয়ে সচেতনতার প্রচার সংক্রান্ত ইংরেজিতে লেখা পোস্টার বা ছবি। তাতেই চালু হয়ে যাচ্ছে নেশামুক্তি কেন্দ্র। সঙ্গে রয়েছে সংস্থার নাম আর ফোন নম্বর। মৌখিক প্রচারেই মাদকাসক্তদের পরিবারের যাতায়াত শুরু হয় সেখানে। মাসে মাসে মোটা টাকা রোজগার করছে সংস্থাগুলি। ভিতরে কী পরিকাঠামো রয়েছে, সেখানে কোনও চিকিৎসক আছেন কিনা, রোগীর পরিবার সেসব বিষয়ে কিছুই জানতে পারেন না। এমনকী রোগীর সঙ্গে নিয়মিত দেখা করানোর কথা থাকলেও তা মানা হয় না। এই গোপনীয়তার সুযোগেই বাড়ছে অপরাধ। প্রায়শই কেন্দ্রগুলি থেকে রোগীমৃত্যুর ঘটনা সামনে আসছে।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের একটাই অস্ত্র, এটা হতে দেব না,” বাংলায় এসে তীব্র আক্রমণ মোদির

    নেশামুক্তি কেন্দ্রে ঘটছে রোগীমৃত্যু!

    মাসকয়েক আগে বালুরঘাট হাসপাতালে জরুরি বিভাগের সামনের রাস্তায় একটি মৃতদেহ পড়ে থাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। কারা দেহ ফেলে গিয়েছিল, তার তদন্ত শুরু করতেই জানা যায়, পতিরামের একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রে মৃত এক আবাসিককে সেখানে ফেলে গিয়েছিল কর্তৃপক্ষই। ওই ঘটনার তদন্ত শেষ না হতেই গত শনিবার আরও একটি কেন্দ্রে এক আবাসিকের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই অসুস্থ আবাসিককে বালুরঘাট (Balurghat) হাসপাতালে ভর্তি না করে রায়গঞ্জের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এতেই উঠেছে প্রশ্ন।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় জানাচ্ছেন, ‘জেলায় অনেক নেশামুক্তি কেন্দ্র আছে যা সম্পূর্ণ বেআইনি। খবর এসেছে, বহু কেন্দ্রে রোগীদের মারধর, অত্যাচার করা হয়। নেই কোনও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্ট। আবাসিকদের বেঘোরে প্রাণ যাচ্ছে। এসব কেন্দ্র বন্ধ হোক।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিষ জল পান করছেন শিলিগুড়িবাসী! আন্দোলনে নামার হুমকি বিজেপির

    Siliguri: বিষ জল পান করছেন শিলিগুড়িবাসী! আন্দোলনে নামার হুমকি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়রের অপদার্থতায় ১৫ দিন ধরে বিষ জল পান করলেন শিলিগুড়ি (Siliguri) শহরবাসী। এমনই অভিযোগ বিজেপির। পুরসভার সরবরাহ করা পানীয় জল পান না করার জন্য মেয়রের আবেদনে এই বিষয়টি সামনে এসেছে। বুধবার শিলিগুড়ি পুরসভায় সাংবাদিক সম্মেলন করে মেয়র গৌতম দেব স্বীকার করেন, প্রায় গত ১৫ দিন ধরে যে পানীয় জল সরবরাহ করা হয়েছে তা দূষিত। পিএইচই থেকে দেওয়া রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই জল ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষিত। অক্সিজেন কম। তাই এই জল যেন এখন থেকে আর কেউ পান না করেন।

    কেন দূষিত জল সরবরাহ করা হল? (Siliguri)

    গজলডোবায় তিস্তার বাঁধ মেরামতে জন্য শিলিগুড়ি (Siliguri) পানীয় জল প্রকল্পে তিস্তার জল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। কিন্তু, শহরবাসী যাতে জলকষ্টে না পড়েন তারজন্য মহানন্দা নদীর জল সরবরাহ করে কাজ করা হচ্ছিল। সেই জলের নমূনা পিএইচই কলকাতায় পাঠানো হয়। সেই রিপোর্ট এসেছে, এই ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষিত, এই জল পানের অযোগ্য। এখন প্রশ্ন হল, পরীক্ষা না করে কেন মহানন্দার জল নেওয়া হল? অনেক আগেই রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ জানিয়েছে, রাজ্যের ভয়ঙ্কর দূষিত নদীগুলির মধ্যে মহানন্দা প্রথম তিনে রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, আগে কেন পরীক্ষা করে দেখা হল না?

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের একটাই অস্ত্র, এটা হতে দেব না,” বাংলায় এসে তীব্র আক্রমণ মোদির

     কী বলছেন মেয়র?

    মেয়র গৌতম দেব বলেন, শহরবাসী (Siliguri) যাতে জলকষ্টে না পড়েন তার জন্য মহানন্দার জল নিয়ে পানীয় জল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। এই জলের নমুনা জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতর থেকে কলকাতায় পাঠানো হয়। রিপোর্ট আসতে পাঁচ-ছ’দিন সময় লাগে। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরই আমরা শহরবাসীকে এই জল পান না করার আবেদন জানাচ্ছি।

    দূষিত জল পান করে বাড়ছে পেটের রোগ!

    গত দুই সপ্তাহ ধরে হঠাৎ করে পেটে ব্যথা। সেই সঙ্গে বমি ও পাতলা পায়খানা হচ্ছে। শিলিগুড়ি (Siliguri) হাসপাতালে এই ধরনের সমস্যা নিয়ে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এদিন শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসা নৌকাঘাটের চম্পা রায়, শান্তিনগরের জবা ঘোষ বলেন, আমরা সারা বছর পুরসভার জল খাই। কিন্তু, গত দু’সপ্তাহ ধরে এই জল খাওয়ার পর থেকে আমরা দেখছি হঠাৎ করে পেটে কামড় দিচ্ছে, তারপর ব্যথা। কখনও কখনও পাতলা পায়খানা হচ্ছে। তাই হাসপাতালে এসেছি। 

    বিষ জল পান করছেন শিলিগুড়িবাসী

    বিজেপির শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, মেয়রের অযোগ্যতাতে এই জিনিস ঘটেছে। শিলিগুড়ি মানুষ আজ ভয়ঙ্কর ঝুঁকির মুখে। এনিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত। এনিয়ে মেয়রকে জবাবদিহি করতে হবে। যদি তিনি সন্তোষজনক উত্তর না দেন এবং এই বিষ জল পানের ফলে শহরের বিপর্যয় দেখা যায়, তাহলে আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আগামীদিনে চরম আন্দোলন নামব। মানুষের জীবন নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা আমরা বরদাস্ত করব না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share