Tag: Bengali news

Bengali news

  • Rafale Marine Jet Deal: ভারতে এসেছে ফরাসি দল, ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান নিয়ে আজ শুরু আলোচনা

    Rafale Marine Jet Deal: ভারতে এসেছে ফরাসি দল, ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান নিয়ে আজ শুরু আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে লোকসভা ভোটের মধ্যেই শুরু হতে চলেছে রাফাল মেরিন যুদ্ধবিমান কেনার দর কষাকষি-পর্ব (Rafale Marine Jet Deal)। নৌসেনার (Indian Navy) জন্য ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান কিনতে মনস্থির করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। চুক্তির মূল্য হতে পারে আনুমানিক ৫০ হাজার কোটি টাকা। এবার সেই চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে কথা বলতে ভারতে এসে পৌঁছেছে ফ্রান্সের উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। সূত্রের খবর, আজই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা। খুব শীঘ্রই হয়ত দু’পক্ষের তরফে যৌথ ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কারা থাকবেন বৈঠকে?

    সূত্রের খবর, ফরাসি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে চুক্তি-মূল্য ও আনুষাঙ্গিক বিষয় নিয়ে কথা বলবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তারা (Rafale Marine Jet Deal)। ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমানগুলি ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) দুই বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও আইএনএস বিক্রান্ত-এর ওপর মোতায়েন থাকবে। ২৬টি যুদ্ধবিমানের মধ্যে, ২২টি সিঙ্গেল সিটার বা এক আসন-বিশিষ্ট এবং ৪টি ডবল সিটার (দুই-আসন বিশিষ্ট) বিমান কেনা হবে। প্রশিক্ষণের জন্য ডাবল সিটার জেটগুলি ব্যবহার করা হবে। এর পাশাপাশি থাকবে, বর্তমানে ব্যবহৃত রুশ-নির্মিত মিগ-২৯কে যুদ্ধবিমানগুলিও। যা জানা যাচ্ছে, ফরাসি প্রতিনিধিদলে থাকবেন সেদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তারা। বৈঠকে থাকবেন রাফালের উৎপাদনকারী সংস্থা দাসো এভিয়েশন এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা তালে-র শীর্ষ আধিকারিকরাও। অন্যদিকে, ভারতীয় প্রতিনিধিদলে থাকবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সরঞ্জাম ক্রয় বিভাগ এবং ভারতীয় নৌসেনার শীর্ষ কর্তাব্যক্তিরা।

    চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষর?

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ফ্রান্সের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে রাফাল-আলোচনায় (Rafale Marine Jet Deal) মূলত তিনটি বিষয় উঠে আসবে। এক, ২৬টি রাফাল মেরিনের দাম। দুই, আনুষাঙ্গিক সরঞ্জাম ও অস্ত্রসম্ভার। তিন, চুক্তি স্বাক্ষর ইস্তক বিমান হস্তান্তরের সময়সীমা। জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষরের কাজ সম্পন্ন করতে চাইছে ভারত। ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চিনের আগ্রাসনের বিষয়টি মাথায় রেখে যত দ্রুত সম্ভব রাফাল-এম যুদ্ধবিমান হাতে পেতে চাইছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। চুক্তি হওয়ার পর অন্তত ২ বছরের মধ্যে ২৬টি বিমানের প্রথম ব্যাচ হয়ত ভারতীয় নৌসেনার হাতে আসবে। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। দেশের পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম উপকূলে একটি করে বিমানবাহীন রণতরী মোতায়েন করতে তৎপর নৌসেনা। সেই লক্ষ্যে, বুড়ো হয়ে যাওয়া মিগ-২৯কে-র পরিবর্তে অত্যাধুনিক রাফাল-এম যুদ্ধবিমানই যে প্রথম পছন্দ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট চুক্তি

    দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নৌসেনার (Indian Navy) দুটি বিমানবাহী রণতরীর জন্য ফ্রান্সের রাফাল-এম যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেয় নয়াদিল্লি। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ২৬টি রাফাল এম যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল। এরপর ফ্রান্সের তরফে প্রস্তাব চেয়ে পাঠোনা হয় (রিকোয়েস্ট ফর প্রোপোজাল)। ফ্রান্স গত ডিসেম্বরে ভারতীয় টেন্ডারে সাড়া দিয়েছিল। ফ্রান্সের পাঠানো প্রস্তাব পর্যালোচনা করার পর তা গৃহীত হলে ভারতের তরফে লেটার অফ অ্যাকসেপটেন্স পাঠানো হয়। যার স্বীকৃতিস্বরূপ জবাবও দেয় মাক্রঁ প্রশাসন। এবার চূড়ান্ত আলোচনায় (Rafale Marine Jet Deal) বসবে দুই পক্ষ। তারপরই চুক্তি সম্পন্ন হবে। জানা গিয়েছে, বায়ুসেনার জন্য কেনা ৩৬টি রাফাল বিমানের মতোই, রাফাল-এম বিমান কিনতে গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট চুক্তি হবে। অর্থাৎ, সরাসরি দুই সরকারের মধ্যে চুক্তি হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: “মুসলিম হয়ে কেন বিজেপি করছিস!” আরামবাগে বাড়ি ভাঙচুর নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Arambagh: “মুসলিম হয়ে কেন বিজেপি করছিস!” আরামবাগে বাড়ি ভাঙচুর নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ জুন রাজ্যের সপ্তম দফা লোকসভার নির্বাচন। এর মধ্যেই শাসকদল তৃণমূলের দ্বারা আক্রান্ত হলেন এক বিজেপি কর্মী। এইবার আক্রমণের শিকার হলেন, আরামবাগের (Arambagh) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির সংখ্যালঘু বুথ সভাপতি। মূল অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দুষ্কৃতীরা রাতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দেওয়া দেয় এবং ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে আক্রমণের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। এদিকে আক্রান্তের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি প্রার্থী অরূপকান্তি দিগার।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Arambagh)?

    হুগলিতে (Arambagh) বিজেপির আক্রান্ত সংখ্যালঘু বুথ সভাপতির নাম হল মইউদ্দিন মল্লিক। তিনি বলেন, “আমি নির্বাচনের দিনে বুথে বিজেপির এজেন্ট হয়ে কাজ করেছিলাম। আর ভোট মিটে যাওয়ার পর থেকে আমাকে অনেকবার হুমকির মধ্যে পড়তে হয়। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার রাতে আমার বাড়িতে এসে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়। এরপর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। ঘটনায় পরিবারকে নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। আমাকে হুমকি দিয়ে বলা হয়, মুসলিম হয়ে কেন বিজেপি করছিস!” এই ঘটনার প্রতি নিন্দা জানিয়ে বিজেপির প্রার্থী অরূপকান্তি দিগার তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “হারের ভয়ে তৃণমূল এই আচরণ করছে। তৃণমূলের অপশাসনের বিরুদ্ধে মানুষের জনমত ভোটে প্রকাশ পাবে।”

    আরও পড়ুনঃ সপ্তম দফা ভোটের আগে উত্তপ্ত জয়নগর, গুলি-বোমার আঘাতে আহত এক ব্যক্তি!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই প্রেক্ষিতে আরমাবাগের (Arambagh) তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা, ভাংচুরের বিষয়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়। স্থানীয় তৃণমূলের নেতা শেখ মহম্মদ বলেন, “শুনেছি এই হামলার কথা। মদ্যপ অবস্থায় এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপির অপর আরেক এজেন্ট। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে ঘুরে এই সমস্ত করছে দুষ্কৃতীরা। তবে তৃণমূলের কেউ এই কাজে যুক্ত নয়।”  

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার ও বুধবারে নির্বাচনী প্রচার করেন রাজ্যে। অপর দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় ভোটের প্রচার করেন। শেষ দফা প্রচারে নির্বাচনী প্রচার রাজ্যে জমে উঠেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ইভিএম পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন ‘হেরো’ প্রার্থীরা, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ইভিএম পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন ‘হেরো’ প্রার্থীরা, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের ফল পছন্দ না হলে ইভিএম পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন ‘হেরো’ প্রার্থীরা। তবে সবাই নন, কেবল দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা প্রার্থীরা কমিশনের (Lok Sabha Election 2024) কাছে এই আবেদন করতে পারবেন। গণনা শেষের সাত দিনের মধ্যেই আবেদন জানাতে হবে ক্রস-ভেরিফিকেশনের। এজন্য নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা ও অভিযোগের বয়ান জমা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনের কাছে। ইভিএমে জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আবেদনকারীকে ফেরত দেওয়া হবে তাঁর জমা দেওয়া টাকা। কমিশনের এহেন যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে খুশির হাওয়া শাসক-বিরোধী সব শিবিরেই।

    ইভিএম পরীক্ষার সুযোগ (Lok Sabha Election 2024)

    নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Election 2024) সূত্রে খবর, ফল ঘোষণার পর আবেদন করলে ইভিএমের মাইক্রো-কন্ট্রোলারের (যার মাধ্যমে ভিভিপ্যাট স্লিপ মেলে) বার্নট মেমরি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন পরাজিত প্রার্থীরা। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট দেবেন ইভিএম প্রস্তুতকারী সংস্থা ইসিআইএলের ইঞ্জিনিয়ররা। জানা গিয়েছে, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের পাঁচ শতাংশ বুথে এই পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া হবে। কোনও একটি ইভিএমে কোন প্রতীকের পাশের বোতাম কতবার টেপা হয়েছে, ভিভিপ্যাটে তার ক’বার প্রতিফলন ঘটেছে, সেগুলি খতিয়ে দেখবেন মেশিন প্রস্তুতকারী সংস্থার ইঞ্জিনিয়ররা।

    ইভিএমে কারচুপি সম্ভব নয়

    কমিশন জানিয়েছে, ভোট গণনায় জড়িত আধিকারিকদের কর্মশালায় বিষয়টি বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনও নির্দেশিকা জারি করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব বলেন, “নির্দেশিকা প্রকাশের জন্য এখনও অনেক সময় রয়েছে।” প্রসঙ্গত, ইভিএমের ক্ষেত্রে সেমি-কন্ডাক্টর যন্ত্রটি পরীক্ষা করলেই বোঝা যায়, ইভিএমে কারচুপি হয়েছে কিনা। নির্বাচন কমিশন বারংবার দাবি করেছে, ইভিএমে কোনওভাবেই কারচুপি করা সম্ভব নয়। কিন্তু ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে সরব হয়েছেন বিরোধীরা।

    আর পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ কেজরির আবেদন, আপ সুপ্রিমো ফিরছেন তিহাড়েই!

    এঁদেরই কেউ কেউ আবার ব্যালট পেপারের যুগে ফিরে যাওয়ার দাবিও জানিয়েছেন নানা সময়। তৃণমূল নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ব্যালটে ভোট নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন একাধিকবার। বিরোধীদের এই সব অভিযোগে সন্দেহ দানা বাঁধতে পারে ভোটারদের মনেও। হেরো প্রার্থীর পাশাপাশি ভোটারদের মনে জন্ম নেওয়া সেই সন্দেহ নিরসনেরই ইভিএম পরীক্ষা করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কমিশনের (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IndiGo Airlines: মহিলাদের সুরক্ষায় জোর! ফ্লাইটে সিট বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বড় সুবিধা এনে দিল ইন্ডিগো

    IndiGo Airlines: মহিলাদের সুরক্ষায় জোর! ফ্লাইটে সিট বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বড় সুবিধা এনে দিল ইন্ডিগো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলা যাত্রীদের জন্য বিশেষ সুবিধার কথা ঘোষণা করল ইন্ডিগো এয়ারলাইনস (IndiGo Airlines)। এবার থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইনসের বিমানের টিকিট বুকিং করার সময় মহিলাযাত্রীরা যদি চান, তা হলে অন্য মহিলার পাশের আসনটি নিজের জন্য বুক করতে পারেন। সম্প্রতি একটি বিবৃতি দিয়ে এমনই জানিয়েছে ইন্ডিগো। 

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (IndiGo Airlines)

    অনেক সময়ই নিরাপত্তার দিক থেকে একজন মহিলা জন-পরিবহন মাধ্যমে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অপর মহিলার পাশে বসতেই নিরাপদ বোধ করেন। ট্রেন থেকে বাসে যাতায়াতের সময় বহু মহিলাই এদেশে মহিলা সহযাত্রীকেই পাশে চান। সেই কথা মাথায় রেখেই এবার এই সুযোগ এনে দিল ইন্ডিগো। এবার থেকে চাইলে বিমানেও মহিলা সহযাত্রীর (Female Flyers) পাশে বসার মতো সিট বেছে নিতে পারবেন একজন মহিলা। 
    জানা গিয়েছে নতুন এই সুযোগে ইন্ডিগোর (IndiGo Airlines) মহিলা যাত্রীরা ওয়েব চেক-ইনের সময় অন্য মহিলা যাত্রীরা কোন আসনগুলি অগ্রিম বুক করেছেন তা দেখতে পারবেন এবং সুরক্ষা-স্বাচ্ছন্দ্য মত নিজের পছন্দ অনুযায়ী তাদের আসন নির্বাচন করতে পারবেন। 

    ইন্ডিগোর ‘গার্ল পাওয়ার’ 

    ইন্ডিগোর (IndiGo Airlines) তরফ থেকে এই নয়া উদ্যোগের বিষয়ে বলা হয়েছে, এই ব্যবস্থাটি বিশেষভাবে মহিলা ভ্রমণকারীদের পিএনআর (যাত্রী নাম রেকর্ড) অনুসারে তৈরি করা হয়েছে। সেই মহিলা যাত্রী একা ভ্রমণ করুক কিংবা পরিবারের সঙ্গে, সর্বদাই তিনি এই সুবিধা পাবেন। তবে এই সুবিধা মহিলযাত্রীরা কবে থেকে পাবেন, সে বিষয় এখনও কোনও ঘোষণা করেনি ইন্ডিগো এয়ারলাইনস। বর্তমানে ইন্ডিগোর ‘গার্ল পাওয়ার’ নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই উদ্যোগটি পাইলট মোডে রয়েছে।  

    আরও পড়ুন: ষষ্ঠ দফায় কোন কেন্দ্রে কত শতাংশ ভোট পড়ল? এগিয়ে কোন কেন্দ্র? তথ্য প্রকাশ কমিশনের

    উল্লেখ্য, বিমানে মহিলা যাত্রীদের (Female Flyers) সঙ্গে মাঝেমধ্যেই দুর্ব্যবহারের খবর সংবাদ শিরোনামে আসে। ২০২৩ সালে দিল্লিগামী বিমানে যৌন হেনস্থার শিকার হয়ে সহযাত্রী জনৈক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এক মহিলা। নিউ ইয়র্ক থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের সেই সহযাত্রী মত্ত অবস্থায় তাঁর সামনে যৌনাঙ্গ প্রদর্শন করেন ও তাঁর গায়ে প্রস্রাব করেন বলে মহিলা অভিযোগ করেছিলেন। শুধু এই ঘটনাই নয়, গত বছর এই রকম একাধিক ঘটনা সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। তাই অতীতের সমস্ত ঘটনার কথা মাথায় রেখে বিমানে মহিলাদের নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে তুলতেই ইন্ডিগো এয়ারলাইনস (IndiGo Airlines) এই সিদ্ধান্তটি নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Eastern Railway: ট্রেনের টয়লেটে বের হবে না দুর্গন্ধ! নয়া ডিভাইস বসছে হাওড়া-শিয়ালদা ডিভিশনে

    Eastern Railway: ট্রেনের টয়লেটে বের হবে না দুর্গন্ধ! নয়া ডিভাইস বসছে হাওড়া-শিয়ালদা ডিভিশনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক্সপ্রেস ট্রেনে টয়লেটের অব্যবস্থা নিয়ে অনেকবার যাত্রীরা অভিযোগ করে থাকেন। এবার সেই সমস্যা অনেকটাই মিটতে চলেছে। এবার ফুরফুরে হবে ট্রেনের টয়লেট। বের হবে না দুর্গন্ধ। এমনই উদ্যোগ নিয়ে ভারতীয় রেল। পূর্ব রেলের (Eastern Railway) ট্রেনের টয়লেটে বিশেষ ধরনের ডিভাইস যুক্ত করা হচ্ছে। এর আগে মুম্বই জোনের ট্রেনের টয়লেটে এই ধরনের ডিভাইস চালু ছিল। সেখানে সফল হওয়ার পর এবার পূর্ব রেলও এই বিশেষ ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে। নতুন এই ডিভাইসের নাম দেওয়া হয়েছে গন্ধভেদ (আইওটি ভিত্তিক রিয়েল টাইম হাইজিন মনিটরিং সিস্টেম)। হাওড়া-শিয়ালদা ডিভিশনে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে কাজ করবে এই ডিভাইস? (Eastern Railway)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্য রেলওয়ের (মুম্বই জোন) কয়েকটি স্টেশন টয়লেটে এই সিস্টেম চালু করা হয়েছিল। সেখানে সফল হওয়ার পর, রেলওয়ে (Eastern Railway) বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী পূর্ব রেলের একাধিক ট্রেনে নতুন এই উদ্যোগ কার্যকরী হতে চলেছে। হাওড়া ডিভিশনের ৩টি ট্রেন, শিয়ালদা ডিভিশনের ৩টি ট্রেন, আসানসোল ডিভিশনের ২টি ট্রেন এবং মালদা ডিভিশনের ২টি ট্রেনে গন্ধভেদ ডিভাইস পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে চলেছে। এই ডিভাইসের মাধ্যমে ট্রেনের শৌচাগারটি কী পরিস্থিতিতে রয়েছে সেটা পর্যালোচনা করবে। সেই অনুসারে সংকেত পাঠানো হবে। সাফাইকর্মীর কাছে সেই সংকেত যাবে। সেই অনুসারে সাফাই কর্মীরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের একটাই অস্ত্র, এটা হতে দেব না,” বাংলায় এসে তীব্র আক্রমণ মোদির

    গন্ধভেদ ডিভাইসে কী কী সেন্সর রয়েছে জানেন?

    রেল (Eastern Railway) সূত্রে জানা গিয়েছে, যন্ত্রটিতে ব্যবহৃত গন্ধ সেন্সর অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন সালফাইড, মিথেন, ট্রাইমিথাইল অ্যামাইন, মিথাইল মারক্যাপ্টান, ইথানল ইত্যাদি শনাক্ত করে। আরেকটি সেন্সর টোটাল ভোলাটাইল অর্গানিক যৌগ শনাক্ত করে, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য সমানভাবে ক্ষতিকর। জীবাণুনাশক ও এয়ার ফ্রেশনারের মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ শনাক্ত করার সেন্সরও রয়েছে ডিভাইসটিতে, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। টয়লেটে তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা সনাক্ত করা অপরিহার্য। ‘গন্ধভেদ’ যন্ত্রটি এই প্যারামিটারগুলিও পর্যবেক্ষণ করবে। পরীক্ষায় সফল হওয়ার পরে, ট্রেনের শৌচাগারগুলির স্বয়ংক্রিয় স্বাস্থ্যবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য পূর্ব রেলওয়েতে ধীরে ধীরে এই বিশেষ ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 31: “না গো! নোনা জল কেন? তুমি অবিদ্যার সাগর নও, তুমি যে বিদ্যার সাগর, তুমি ক্ষীরসমুদ্র!”

    Ramakrishna 31: “না গো! নোনা জল কেন? তুমি অবিদ্যার সাগর নও, তুমি যে বিদ্যার সাগর, তুমি ক্ষীরসমুদ্র!”

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    শ্রীরামকৃষ্ণকে বিদ্যাসাগরের পূজা ও সম্ভাষণ

    ঠাকুর (Ramakrishna) ভাবাবিষ্ট হইতেছেন ও কিয়ৎক্ষণ ভাবে দাঁড়াইয়া আছেন। ভাব সংবরণ করিবার জন্য মধ্যে মধ্যে বলিতেছেন, জল খাব। দেখিতে দেখিতে বাড়ির ছেলেরা ও বন্ধুরা আসিয়া দাঁড়ালেন।

    ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হইয়া বেঞ্চের উপর বসিতেছেন। একটি ১৭/১৮ বছরের ছেলে সেই বেঞ্চে বসিয়া আছে—বিদ্যাসাগরের কাছে পড়াশুনার সাহায্য প্রার্থনা করিতে আসিয়াছে। ঠাকুর ভাবাবিষ্ট, ঋষির অন্তর্দৃষ্টি, ছেলের অন্তরের ভাব সব বুঝিয়াছেন। একটু সরিয়া বসিলেন ও ভাবে বলিতেছেন, মা! এ-ছেলের বড় সাংসারসক্তি! তোমার অবিদ্যার সংসার! এ অবিদ্যার ছেলে!

    যে-ব্যক্তি ব্রহ্মবিদ্যার জন্য ব্যাকুল নয়, শুধু অর্থকারী বিদ্যা উপার্জন তাহার পক্ষে বিড়ম্বনা মাত্র, এই কথা কি ঠাকুর (Ramakrishna) বলিতেছেন?

    বিদ্যাসাগর ব্যস্ত হইয়া একজনকে জল আনিতে বলিলেন ও মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করিতেছেন, কিছু খাবার আনিলেন ইনি খাবেন কি? তিনি বলিলেন, আজ্ঞা, আনুন না। বিদ্যাসাগর ব্যস্ত হইয়া ভিতরে গিয়া কতকগুলি মিঠাই আনিলেন ও বলিলেন, এগুলি বর্ধমান থেকে এসেছে। ঠাকুরকে কিছু খাইতে দেওয়া হইল, হাজরা ও ভবনাথ কিছু পাইলেন। মাস্টারকে দিতে আসিলে পর বিদ্যাসাগর বলিলেন, ও ঘরের ছেলে, ওর জন্য ছেলে, ওর জন্য আটকাচ্ছে না। ঠাকুর একটি ভক্তছেলের কথা বিদ্যাসাগরকে বলিতেছেন। সে ছোকরাটি এখানে ঠাকুরের সম্মুখে বসে ছিল। ঠাকুর (Ramakrishna) বলিলেন, এ-ছেলেটি বেশ সৎ আর অন্তঃসার যেমন ফল্গু নদী, উপরে বালি, একটু খুঁড়লেই ভিতরে জল বইছে দেখা যায়!

    মিষ্টিমুখের পর ঠাকুর সহাস্যে বিদ্যাসাগরের সঙ্গে কথা কহিতেছেন। দেখিতে দেখিতে একঘর লোক হইয়াছে, কেহ উপবিষ্ট কেহ দাঁড়াইয়া।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আজ সাগরে এসে মিললাম। এতদিন খাল বিল হদ্দ নদী দেখেছি, এইবার সাগর দেখছি। (সকলের হাস্য)

    বিদ্যাসাগর (সহাস্যে)—তবে নোনা জল খানিকটা নিয়ে যান! (হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ—না গো! নোনা জল কেন? তুমি অবিদ্যার সাগর নও, তুমি যে বিদ্যার সাগর! (সকলের হাস্য) তুমি ক্ষীরসমুদ্র (সকালের হাস্য)

    বিদ্যাসাগর–তা বলতে পারেন বটে।

    বিদ্যাসাগর চুপ করিয়া রহিলেন। ঠাকুর কথা কহিতেছেন—

    আরও পড়ুনঃ “বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ…দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর”

    আরও পড়ুনঃ “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কবে কার বিরুদ্ধে খেলবে ভারত?

    T20 World Cup 2024: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কবে কার বিরুদ্ধে খেলবে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ (T20 World Cup 2024) সালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আমেরিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে। এ নিয়ে উন্মাদনা ব্যাপক রয়েছে ক্রিকেট ফ্যানদের। গত বছরেই হাতছাড়া হয়েছে বিশ্বকাপ। টি-টোয়েন্টিতে কেমন পারফরম্যান্স করে ভারতের ক্রিকেটাররা, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ। আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সময়ের ব্যবধান প্রায় অনেকটাই। একথা মাথায় রেখে দুই আয়োজক দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়েই সময়সূচি তৈরি করেছে বিসিসিআই। গ্রুপ পর্যায়ের প্রতিটি ম্যাচ সম্প্রচারিত হবে ভারতীয় সময় রাত্রি ৮টা থেকে।

    কবে কোথায় খেলা ভারতের

    জানা গিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অষ্টম ম্যাচে প্রথমবার খেলতে নামবে ভারত। ৫ জুন ভারত ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। রোহিতরা প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মাঠে নামবে সেদিন। এরপরে ভারতের ম্যাচ রয়েছে ৯ জুন। সেদিন প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে পাকিস্তান। ৯ জুনের ম্যাচ বিশ্বকাপের ১৯তম ম্যাচ হবে। পরবর্তীকালে ১২ জুন আমেরিকার বিরুদ্ধে ভারত খেলতে নামবে। আর গ্রুপস্তরে শেষ ম্যাচ ভারতের হবে কানাডার বিরুদ্ধে। ম্যাচটি (T20 World Cup 2024) হবে ১৫ জুন।

    ১৯ জুন থেকে শুরু হবে সুপার এইটের খেলা

    প্রতিটা গ্রুপে পাঁচটি করে দল রয়েছে। ভারত রয়েছে ‘এ’ গ্রুপে। আরও জানা গিয়েছে ভারতের প্রথম তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে নিউইয়র্কে। শেষ ম্যাচটি আয়োজিত হবে ফ্লোরিডায়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ স্তরের ম্যাচ শেষ হচ্ছে ১৭ জুন। তারপর ১৯ জুন থেকে শুরু হবে সুপার এইটের খেলা। প্রতিটি গ্রুপ থেকে প্রথম দুই স্থানে শেষ করা দুটি দেশ সুপার এইটে উঠবে। ভারত ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে (T20 World Cup 2024)। যদি প্রথম স্থানে ভারত শেষ করে সেক্ষেত্রে ভারতের সুপার এইটের ম্যাচ হবে ২০ জুন। আর যদি দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত তাহলে ১৭ জুন হবে সুপার এইটের ম্যাচ।

    কোন গ্রুপে কোন কোন দেশ

    গ্রুপে ‘এ’-তে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, কানাডা, আয়ারল্যান্ড এবং আমেরিকা।

    গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে ইংল্যান্ড, নামিবিয়া, স্কটল্যান্ড এবং ওমান।

    গ্রুপ ‘সি‘-তে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আফগানিস্তান, পাপুয়া নিউগিনি ও উগান্ডা।

    গ্রুপ ‘ডি’-তে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ড ও নেপাল।

    ভারতীয় দলে কারা রয়েছেন

    ভারতীয় দলে রয়েছেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা, সহ অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া, যশশ্রী জয়সওয়াল, বিরাট কোহলি, সূর্য কুমার যাদব, রিসভ পন্থ (উইকেট কিপার), সঞ্জু সামসন (উইকেট কিপার), শিবম দুবে, রবীন্দ্র যাদেজা, আক্সর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, যোগেন্দ্র চাহাল, অর্শদ্বীপ সিং, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজ। রিজার্ভ বেঞ্চে থাকবেন- শুভমন গিল, রিংকু সিং, খলিল আহমেদ, আবেশ খান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha election 2024: ষষ্ঠ দফায় কোন কেন্দ্রে কত শতাংশ ভোট পড়ল? তথ্য প্রকাশ কমিশনের

    Lok Sabha election 2024: ষষ্ঠ দফায় কোন কেন্দ্রে কত শতাংশ ভোট পড়ল? তথ্য প্রকাশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেখতে দেখতে ২০২৪ এর লোকসভা ভোটের (Lok Sabha election 2024) প্রথম ছয় দফার ভোট শেষ হয়েছে। বাকি রয়েছে শেষ তথা সপ্তম দফার ভোট। আর ভোটের এই আবহে বাকি পাঁচ দফার মত এবার ষষ্ঠ দফায় দেশ জুড়ে কত শতাংশ ভোট পড়েছে সেই তথ্য প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। গত ২৫ মে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ হয়েছে দেশ জুড়ে। এর মধ্যে বিহারের ৮টি, হরিয়ানার ১০টি, জম্মু ও কাশ্মীরের ১টি, ঝাড়খণ্ডের ৪টি, দিল্লির ৭টি, ওডিশার ৬টি, উত্তর প্রদেশের ১৪টি এবং পশ্চিমবঙ্গের ৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহন হয়েছে। 
    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে সারা দেশ জুড়ে আটটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ৫৮টি আসনে ভোট (Lok Sabha election 2024) দানের হার ৬৩.৩৭ শতাংশ। ষষ্ঠ দফায় ১১,১৩,১৬,৬০ জন ভোটারের মধ্যে ৭,০৫,৪৪,৯৩৩ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পুরুষ ভোটারদের হার ৬১.৯৫ শতাংশ, মহিলা ভোটারদের হার ৬৪.৯৫ শতাংশ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটের হার ১৮.৬৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। 

    রাজ্যের কোন কেন্দ্রে কত ভোট পড়ল? 

    তবে শুধু ভোট দানের হারই নয় একইসঙ্গে কোন কেন্দ্রে কত ভোট (Lok Sabha election 2024) পড়েছে, রবিবার সে তথ্যও প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার ষষ্ঠ দফায় রাজ্যের আট কেন্দ্রে ভোট পড়ার গড় হার ৮২.৭১ শতাংশ। এবার আট কেন্দ্রের মধ্যে শীর্ষে বিষ্ণুপুর। সেখানে ভোট পড়েছে ৮৫.৯১ শতাংশ। বিষ্ণুপুরের পরেই আছে তমলুক। সেখানে ভোটের হার ৮৪.৭৯ শতাংশ। কাঁথির ভোটের হার ৮৪.৭৭ শতাংশ। ঝাড়গ্রামে এবার ৮৩.৪৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। ঘাটালে ভোট পড়েছে ৮২.১৭ শতাংশ। মেদিনীপুরে ভোটের হার ৮১.৫৬ শতাংশ। বাঁকুড়ায় ভোটের হার ৮০.৭৫ শতাংশ। তবে পুরুলিয়ায় ভোটের হার সর্বনিম্ন। সেখানে এবার ভোট পড়েছে ৭৮.৩৯ শতাংশ।   

    দেশের কোন রাজ্যে কত ভোট পড়ল? (Lok Sabha election 2024)

    অন্যদিকে কমিশনের (Election Commission) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে ষষ্ঠ দফায় দিল্লিতে রেকর্ড ভোট পড়েছে। সেখানে ভোটের হার ৫৮.৬৯ শতাংশ। হরিয়ানায় ভোট পড়েছে ৬৪.৮০ শতাংশ৷ ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডে যথাক্রমে ৭৪.৪৫ শতাংশ এবং ৬৫.৩৯ শতাংশ ভোট পড়েছে।  
    কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, ষষ্ঠ দফায় পুরুষদের তুলনায় মহিলা ভোটারের সংখ্যা বেশি ছিল। যেমন বিহারে মহিলা ভোটারের হার ৬২.৯৫ শতাংশ এবং পুরুষ ভোটারের হার ৫১.৯৫ শতাংশ। একইভাবে উত্তর প্রদেশে মহিলা ভোটারের হার ৫১.৩১ শতাংশ ও পুরুষ ভোটারের হার ৫৭.১২ শতাংশ। বিহার, উত্তর প্রদেশের মত পশ্চিমবঙ্গের ছবিও এক। এ রাজ্যে মহিলা ভোটারের হার ৮৩.৮৩ শতাংশ ও পুরুষ ভোটারের হার ৮১.৬২ শতাংশ। 

    আরও পড়ুন: পড়াশোনা শেষ হলেই ছাড়তে হবে হস্টেল! কড়া নির্দেশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

    তবে কমিশন তার বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে যে, এই ভোটদানের হারের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট অন্তর্ভুক্ত নয়। চূড়ান্ত ভোটদানের ফলাফল ৪ জুন পোস্টাল ব্যালট গণনা এবং মোট ভোট (Lok Sabha election 2024) গণনার সাথে যুক্ত হওয়ার পরে জানা যাবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ কেজরির আবেদন, আপ সুপ্রিমো ফিরছেন তিহাড়েই!

    Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ কেজরির আবেদন, আপ সুপ্রিমো ফিরছেন তিহাড়েই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কি ফিরে যেতে হবে জেলের অন্ধকার কুঠুরিতেই? আপাতত এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। কারণ কেজরিওয়ালের জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন শুনতে রাজি নয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। নিম্ন আদালতে জামিনের আবেদন করার বিষয়ে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। তাই তাঁর আবেদন শুনতে নারাজ দেশের শীর্ষ আদালত।

    তালিকাভুক্তই হয়নি মামলা (Supreme Court)

    বুধবারই মামলাটি তালিকাভুক্ত করতে অস্বীকার করেছেন আদালতের রেজিস্ট্রার। প্রসঙ্গত, পয়লা জুন দেশে রয়েছে সপ্তম তথা শেষ দফার লোকসভা নির্বাচন। এদিনই শেষ হচ্ছে কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ। তাই পরের দিনই তাঁকে ফিরতে হবে তিহাড় জেলে (Supreme Court)। ১০ মে কেজরিওয়ালকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সময়ই ২ জুন আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে।

    কেন চেয়েছিলেন জামিন?

    কী কারণে জামিনের আবেদন করেছিলেন, ভাটিন্ডার এক জনসভায় তাও জানিয়েছিলেন আপ সুপ্রিমো। বলেন, “আমার অনেকটা ওজন কমে গিয়েছে। এটা গুরুতর অসুস্থতার উপসর্গ। একাধিক মেডিক্যাল পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এই চেকআপ করাতেই আমি দেশের শীর্ষ আদালতের কাছে সাতদিন অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছি।” মামলাটি দ্রুত শুনানির আবেদনও জানিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সেই আর্জি খারিজ করে দেয় বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী ও বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চ। বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই আবেদনটি তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতিই। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার সাফ জানিয়ে দেন, এই মামলাটি তালিকাভুক্ত করা হবে না।

    আর পড়ুন: “তৃণমূলের একটাই অস্ত্র, এটা হতে দেব না,” বাংলায় এসে তীব্র আক্রমণ মোদির

    দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় ২১ মার্চ গ্রেফতার করা হয় কেজরিওয়ালকে। যেহেতু ইডিই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল, তাই সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে ইডি। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে কেন গ্রেফতার করা হল, সে প্রশ্নও তোলে সুপ্রিম কোর্ট। ১৯ এপ্রিল দেশে শুরু হয়েছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচনী প্রচারের জন্য জেলের বাইরে আসতে চেয়ে কেজরিওয়াল আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টে। তাঁর সেই আবেদন মঞ্জুর করে শীর্ষ আদালত। জামিন পান ১০ মে (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • OIC: ক্রমশই কি প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে ‘অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন’?

    OIC: ক্রমশই কি প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে ‘অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন’ (OIC) যা আগে পরিচিত ছিল ‘অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কনফারেন্স’ নামে, এই সংগঠন দাবি করে যে, তারাই মুসলিম দেশগুলির কন্ঠস্বর এবং যে, তারাই বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষার কাজ করে থাকে। ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ মিলিয়ে ৫৭টি দেশ এই সংস্থার সদস্য হিসেবে রয়েছে। বিগত কয়েক দশক ধরেই রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশৃঙ্খলা, আভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ, সন্ত্রাসবাদ – আরবসহ বিশ্বের প্রায় প্রতিটি মুসলিম দেশকেই গ্রাস করেছে। একটি রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ সংঘাত ও সন্ত্রাস সংক্রান্ত প্রাণহানির ঘটনা ঘটে শুধুমাত্র ‘অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন’ (OIC)- এর সদস্য দেশগুলিতে।

    ওআইসির (OIC) উৎপত্তি, বিবর্তন ও যাত্রা

    তুর্কি অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পরেই তার বিকল্প ভাবা শুরু করেন কয়েকজন। উদ্দেশ্য ছিল, অটোমানদের রেখে যাওয়া আদর্শ সারা বিশ্ব জুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের অভিন্ন চেতনার কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে। প্রথমে বহু মুসলিম দেশ অংশগ্রহণ করে ১৯২৬ সালের মে মাসে মিশরের কায়রোতে। সেখানে গঠিত হয় ‘মুসলিম বিশ্ব কংগ্রেস’ নামের একটি নতুন সংস্থা, মুসলিম বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। কিন্তু পরবর্তীকাল থেকেই দেখা যায় গঠনের পর থেকেই এর উদ্দেশ্য কখনও সফল হয়নি। কারণ বেশিরভাগ মুসলিম দেশগুলির মধ্যে মতবিরোধ প্রকাশ্যে আসতে থাকে এবং অনেক দেশই মুসলিম বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার দাবিদার হয়ে ওঠে। যার মধ্যে পাকিস্তানও ছিল। মুসলিম বিশ্বের নেতাদের নিয়ে পাকিস্তান দুটি সম্মেলন করে। একটি ১৯৪৯ সালে, অপরটি ১৯৫১ সালে। প্রতিটি বৈঠকেই প্যালেস্তাইন মুসলিম বিশ্বে শিক্ষার প্রসারের জন্য তহবিল গঠনের প্রস্তাব দেয়। এমন প্যান-ইসলামিক সত্ত্বার সর্বদাই বিরোধ করে তুরস্ক। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর কথাতেও ফুটে ওঠে বিরোধের সুর। প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী সুরাবর্দি বলেছিলেন, “মুসলিম ঐক্য হল, শূন্যের সংগ্রহ, যা শূন্যই তৈরি করে।” যদিও প্যান ইসলামিক সত্ত্বাকে বজায় রাখার জন্য সর্বদাই গলা ফাটিয়েছে প্যালেস্তাইন। ১৯৬৯ সালের ২১ অগাস্ট জেরুসালেম শহরের আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এর ঠিক চারদিন পরে কায়রোতে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলভুক্ত দেশগুলির বিদেশ মন্ত্রীদের একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু সেখানে আরব দেশের নেতারা বলেন, আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনা একটি বিরাট ইস্যু এবং এর জন্য প্রয়োজন রয়েছে সমস্ত মুসলিম বিশ্ব নেতাদের সম্মেলনের। এই ভাবেই  ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর অপর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত (OIC) হয় রাবাতে। যেখানে ২৫টি মুসলিম দেশ অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে ১০ জন রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। কিন্তু এখানেও দেখা যায় মিশর, আলজেরিয়ার মতো দেশগুলি রাবাত বৈঠকে অংশগ্রহণ করলেও ইরাক, সিরিয়ার মতো দেশগুলি তা বয়কট করে। অর্থাৎ এখানেও এক ধরনের মতবিরোধ সামনে আসে এবং প্রশ্নের মুখে পড়ে সারা বিশ্বব্যাপী মুসলিম ঐক্য।

    বারবার বিতর্কের মধ্যেও থেকেছে ওআইসি 

    পরবর্তীকালে, ১৯৭২ সালে জেড্ডায় ওআইসির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বেশ কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়। ইসলামিক শিক্ষা প্রচার, আন্তর্জাতিক ইসলামিক সংবাদ সংস্থা প্রতিষ্ঠা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা প্রভৃতি বিষয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। বিভিন্ন কমিটিও গঠন করা হয় যার নেতৃত্বে রাখা হয় মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের। বিগত পাঁচ দশক ধরে ওআইসি এমন ৫৬টি বিদেশ মন্ত্রকের পর্যায়ের বৈঠক করেছে। ১৪টি শীর্ষ সম্মেলনে করেছে। এর পাশাপাশি অসংখ্য জরুরি বৈঠক হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিষ্ঠার পর থেকে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হলেও এর বেশিরভাগ সদস্য দেশই আন্তর্জাতিক ইসলামিক নীতি সম্পর্কে ব্যাপক অজ্ঞ। বারবার বিতর্কের মধ্যেও থেকেছে ওআইসি (OIC)। যেমন ১৯৮১ সালেই ওআইসি তৃতীয় ইসলামিক সম্মেলনে লেবাননের প্রেসিডেন্টকে বয়কট করে। কারণ তিনি ছিলেন একজন খ্রিস্টান। তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কারণ এক্ষেত্রে ওআইসি-র যুক্তি ছিল যে একজন অমুসলিম মক্কায় কখনও প্রবেশ করতে পারে না। কিন্তু যদিও ওআইসি সর্বদা নিজেদেরকে ধর্মনিরপেক্ষ বলেই জাহির করে এসেছে। আবার যখন ওআইসি দেশ হিসেবে ভারতের সদস্য হওয়ার সম্ভাবনার কথা উঠে আসে তখন প্রতিবেশী পাকিস্তান বিরোধিতা করে যে ভারতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলমান নেই, তাই একে সদস্যপদ দেওয়া যাবে না। অন্যদিকে, ১৯৭৪ সালে উগান্ডা একটি খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে ওআইসি সদস্য করা হয়। ওআইসির সংবিধানে বলা হয়েছে যে যারা ইসলামিক দেশ, তারাই এর সদস্য হবে। কিন্তু তুর্কি ঘোষিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। তবুও একে সদস্য করা হয়েছে। আলজেরিয়ার ক্ষেত্রে একই কথা খাটে। তাই যখন ওআইসির নাম পরিবর্তন করা হচ্ছিল, তখন অনেকেই এটাকে ‘অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক স্টেটস’ বা ‘অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কান্ট্রিস’ হিসাবে নামকরণ রাখার কথা বলেন। কিন্তু এর সমস্ত সদস্য মুসলিম রাষ্ট্র নয় বলে ভিতর থেকেই বাধা আসে।

    সুস্পষ্ট বিভাজন রয়েছে সদস্য দেশগুলির মধ্যে

    ওআইসির ভিতরে আরব অঞ্চলের দেশগুলি এবং যারা আরব অঞ্চলের বাইরে পড়ে, সেই দেশগুলির মধ্যে একটি সুস্পষ্ট বিভাজন রয়েছে। আভ্যন্তরীণ বিবাদ, রাজনৈতিক বিবাদ, মতাদর্শগত বিবাদে ওআইসি জন্মের পর থেকেই ভুগছে। ১৯৮৪ সালে ওআইসিতে মিশর প্রত্যাবর্তন করে এবং মিশরের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধ দেখা যায় সদস্য সাতটি দেশের। সাম্প্রতিক অতীতে ২০১৬ সালে ওআইসির বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে, প্রথমবারের মতো ইয়েমেন ও সিরিয়ার মতো দেশগুলি ইরানের বিরুদ্ধে এবং সৌদি আরবের পক্ষে খোলাখুলি ভাবে সমর্থন জানায়। ২০১৯ সালে হুথিদের সমর্থন করার জন্য ইরানের নিন্দা করে ওআইসি (OIC)। হুথি হল একটি ইরান কেন্দ্রিক জঙ্গি সংগঠন। এরপর ইরান বলে, কতকগুলি দেশ ইরানের নিন্দা করেছে, এটা ওআইসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি নয়।

    ওআইসি ও ভারত

    ওআইসি-র সদস্য হিসেবে পাকিস্তান সর্বদাই কাশ্মীর ইস্যুতে অন্যান্য দেশের সাহায্য চেয়েছে। ১৯৯৪ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান ওআইসির একটি জরুরি বৈঠক ডাকে। সেখানে কাশ্মীর ইস্যুতে রাষ্ট্রসঙ্ঘ যেন হস্তক্ষেপ করে সেরকম একটি প্রস্তাব পাশ করানো হয়। কাশ্মীর সংক্রান্ত একটি গ্রুপও তৈরি করা হয়। যার মধ্যে পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, নাইজিরিয়ার প্রতিনিধিরা ছিলেন। মোদি জমানায়, ২০১৯ সালে আবুধাবিতে ওআইসির ৪৬তম বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ভারতকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে ভারতের প্রবেশ ঠেকাতে পাকিস্তান অনেক বিরোধ করে। তা সত্ত্বেও এই বৈঠকে ভারতকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া হয়। ২০০৬ সালে সৌদি আরবের রাজা আবদুল্লা নিজেই বলেছিলেন যে, রাশিয়ার মতো ভারতের ওআইসি-তে পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকা উচিত। ২০১৯ সালের ওআইসির বিদেশ মন্ত্রকের বৈঠকে তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী প্রয়াত সুষমা স্বরাজের উপস্থিতি সেখানে পাকিস্তানের প্রভাবকে যথেষ্ট হ্রাস করেছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এরই মধ্যে বারবার ওআইসির প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ পাকিস্তান কাশ্মীর ইস্যুতে সর্বদাই ওআইসিকে কাজে লাগাতে চেয়েছে। তবে ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বিলোপ সাধনের পরে ওআইসির (OIC) তরফ থেকে খুবই সংক্ষিপ্ত এবং হালকা বিবৃতি দেওয়া হয়। তখনই বোঝা যায় যে এদের প্রাসঙ্গিকতা ও ক্ষমতা, ঠিক কতটা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share