Tag: Bengali news

Bengali news

  • Lok Sabha Elections 2024: প্রধানমন্ত্রীকে রেকর্ড ভোটে জেতাতে বারাণসীতে বিজেপির তারকা প্রচারকের ভিড়

    Lok Sabha Elections 2024: প্রধানমন্ত্রীকে রেকর্ড ভোটে জেতাতে বারাণসীতে বিজেপির তারকা প্রচারকের ভিড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি বারাণসীর দু’বারের সাংসদ। এবারও বিশ্বনাথ ‘ধামে’ বিজেপির প্রার্থী তিনিই। সেই নরেন্দ্র মোদিকে বারাণসী কেন্দ্রে রেকর্ড ভোটে জেতাতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে বিজেপির তারকা প্রচারকের দল (Lok Sabha Elections 2024)। পয়লা জুন সপ্তম তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে বারাণসীতে। সোমবার বিশ্বনাথের রাজ্য জয়ে বারাণসীতে ভিড় গেরুয়া পার্টির হেভিওয়েট নেতাদের। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক।

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (Lok Sabha Elections 2024)

    এদিন তামিল জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মত বিনিময় করেন জয়শঙ্কর। পরে সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী বলেন (Lok Sabha Elections 2024), “বিশ্ব দেখবে, আগামী ৪ জুন ভারতে মোদি ৩.০ সরকার গঠন হবে। বারাণসী নিজেই দেশের পুরো জনগণকে একটি বার্তা দিচ্ছে যে আগামী ৪ জুন তৃতীয়বারের মতো একটি বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গঠিত হবে মোদি সরকার।” তিনি বলেন, “আজ সারা বিশ্ব ভারতের বিদেশনীতি নিয়ে আলোচনা করছে, যা দেশবাসীর জন্য গর্বের। আজ ভারতের ছবি ও সুনাম সারা বিশ্বে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে, মোদির দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বের কারণে।”

    বিদেশনীতিতে নয়া দিগন্ত

    জয়শঙ্কর বলেন, “মোদির নেতৃত্বে ভারত তার বিদেশনীতিতে নয়া দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও উন্নত হয়েছে এবং গতিশীল হয়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন।” জয়শঙ্কর যখন বারাণসীর তামিল জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মত বিনিময় করছিলেন, তখন যাদব অধ্যুষিত সীর গোবর্ধনপুর এলাকায় জনসভা করছিলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক নানা কাজকর্মের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।

    আর পড়ুন: “যতদিন বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন…”, সংরক্ষণ নিয়ে কী বললেন নাড্ডা?

    এই সময়সীমায় দেশ কীভাবে এগিয়েছে, কীভাবেইবা বিশ্বের দরবারে ভারতের স্থান উঁচুতে হয়েছে, তা-ও জানান মোহন। এদিনই সিটি সাউথ বিধানসভা এলাকায় বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় বক্তৃতা দেন ব্রজেশ। মোদি সরকারের উন্নয়নমূলক নানা কাজকর্মের ফিরিস্তিও দেন তিনি। পরে বিজেপির এই তারকা প্রচারক দল বারাণসীর বিভিন্ন অংশে গিয়ে মত বিনিময় করেন ভোটারদের সঙ্গে।

    এদিকে, রবিবারই বারাণসীতে ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, কেন্দ্রীয়মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং জয়শঙ্কর। নাড্ডা বলেন, “বারাণসী মোদির পরিবার। বারাণসীর বাসিন্দারা দেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেছেন (Lok Sabha Elections 2024)।” আজ, সোমবার বারাণসীতে বিশাল শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Remal Cyclone: রেমাল বিপর্যয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু! কলাগাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত বাবা-ছেলে!

    Remal Cyclone: রেমাল বিপর্যয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু! কলাগাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত বাবা-ছেলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল রবিবার রাত থেকেই রেমাল (Remal Cyclone) ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব শুরু হয়েছে উপকূলবর্তী এলাকায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বড় প্রভাব ফেলেছে সুন্দরবন নদীবাঁধ সংলগ্ন এলাকায়। একই ভাবে জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণে জনজীবন বিপন্ন। বর্ধমানে এই ঝড়ে ভেঙে পড়েছিল কলাগাছ, আর তা কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান বাবা-ছেলে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া। অপর দিকে দক্ষিণ কলকাতার মহেশতলার জমা জলে ছিঁড়ে পড়েছিল বিদ্যুতের তার। তাতেই স্পর্শে মৃত্য হল এক মহিলার। আবার পানিহাটিতে বিদ্যুৎ হুকিং করা তারে স্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় আরও এক ব্যক্তির। নামখানা এবং এন্টালিতে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। রাজ্যে ঘূর্ণিঝড়ের বলি এখনও পর্যন্ত ৬।

    কলাগাছ কাটতে গিয়ে মৃত বাবা-ছেলে (Remal Cyclone)

    রেমালের (Remal Cyclone) প্রকোপে বাড়ির কলাগাছ ভেঙে পড়েছিল। এরপর সেই গাছ কাটতে গিয়ে লাইনের তারের সংস্পর্শে আসতেই মৃত্যু হয় বাবা ও ছেলের। বাবার নাম ফড়ে সিং এবং ছেলে তরুণ সিং। প্রথমে বাবা গাছ কাটতে গিয়ে তারের সংস্পর্শে আসেন। এরপর বাবাকে, ছেলে বাঁচাতে গেলে বিদ্যুৎপৃষ্ট হন। দ্রুত হাসপাতলে নিয়ে গেলে বাবা-ছেলেকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কিন্তু এলাকার মানুষের অভিযোগ, ঝড় প্রাকৃতিক কারণে হলেও ইলেকট্রিকের লাইনের তারের বিষয়ে প্রশাসনের বড় গাফিলতি রয়েছে। এই মৃত্যুর দায় প্রশাসন উপেক্ষা করতে পারে না।

    বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বলি আরও ২

    মহেশতলায় ঝড়ে (Remal Cyclone) জমা জলে ইলেকট্রিক তারে স্পৃষ্ট হয়ে আজ মৃত্যু হয়েছে তাপসী দাস নামক এক মহিলার। রাস্তার জমা জলে পা দিতেই আহত হন তিনি। এরপর স্থানীয়রা দ্রুত বেহালার বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে জানা যায়। অপর দিকে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে হুকিং করা তারের স্পর্শে আহত হয়ে মৃত্যু হয় গোপাল বর্মণের। তবে এই হুকিং করা তার ঝড়ের ফলে মাটিতে পড়ে ছিল। এরপর স্পর্শ হতেই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। রাজা রোড এলাকায় এই নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    দিঘার জলে নামেতে নিষেধাজ্ঞা

    রেমাল (Remal Cyclone) ঘূর্ণি ঝড়ের তাণ্ডবে অস্থির সুন্দরবন। গোসাবার রাঙাবেলিয়ায় বেশ কিছু জায়গায় ধসের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্যোগের মধ্যে প্রশাসন প্লাস্টিক, ত্রিপল নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার থেকে পূর্ব মেদিনীপুরে তুলনায় কম ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাস অনেক বেড়ে গিয়েছে। ওল্ড দিঘা এবং নিউ দিঘায় আজও সমুদ্র সৈকতে কাউকে নামতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে এই সৈকত শহরের আশেপাশে এলাকায় খুব একটা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। অপর দিকে বকখালির পাশেই লক্ষ্মীপুর গ্রাম। সমুদ্রের ধারে হওয়ায় গ্রামের বাড়ি ঘর ভেঙে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমন কী চাষের জমিতে সমুদ্রের নোনা জল ঢুকে গিয়েছে। অনেকে ঘর ছেড়ে নিরপাদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Google: অ্যাপলের পথে হাঁটছে গুগল, বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল সংস্থা

    Google: অ্যাপলের পথে হাঁটছে গুগল, বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে অ্যাপলের iphone এর চাহিদা তৈরি হলেও Google কিছুতেই দাঁত ফোটাতে পারছে না। ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে অ্যাপল-এরই ব্যবসায়িক মডেল অনুসরণ করতে চলেছে গুগল। জানা গিয়েছে গুগল এবার ডিকশন টেকনোলজি এবং ভারত এফআইএইচ সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতে তাদের মোবাইল ফোনের প্রোডাকশন বাড়াতে চলেছে। এই একই পথ অনুসরণ করেছিল মার্কিন মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা অ্যাপল। মোদি সরকারের প্রোডাকশন লিংক্ড ইন্সেন্টিভ প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে অ্যাপেল ভারতে ব্যবসা কয়েক বছরের মধ্যেই বাড়িয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

    অ্যাপলের পথে হাঁটবে গুগল

    জানা গিয়েছে, অ্যাপল মোবাইলের তৈরি করার খরচ কমানোর জন্য এবং লাভ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টাটা গ্রুপ। ভারতে অ্যাপেলের সবথেকে বড় ভেন্ডার তাইওয়ানের সংস্থা ফক্স স্ক্যানের সঙ্গে হাত মেলাতে চলেছে। গুগল জানিয়েছে, তারা মোবাইল নির্মাণের তৃতীয় ফ্যাক্টরি ভারতে বসাতে চলেছে। ২০১৬ সালে চিনে তাদের মোবাইল ফোন তৈরি করা শুরু করে গুগল। কিন্তু পরবর্তীকালে আমেরিকার চিনের সঙ্গে ব্যবসায়িক টানাপোড়নের জেরে ফ্যাক্টরি ভিয়েতনামে ২০১৯ সালে সরিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু ভারত তাদের কাছে সবচেয়ে বড় বাজার। স্বাভাবিকভাবেই, ভারতে ব্যবসা করতে গেলে ব্যবসায়িক সুবিধের জন্য দেশেই প্রোডাকশন ইউনিট চালু করতে চায় তারা। অর্থাৎ ঘরেই তৈরি হবে মোবাইল, ঘরেই হবে বিক্রি। ভারতে বর্তমানে ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মোবাইলের বাজার রয়েছে। যা ভিয়েতনামের ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১২ গুণ বেশি।

    ভারতে শুরু হবে গুগলের মোবাইল ফোনের কারখানা

    আরও জানা গিয়েছে, কেন্দ্র সরকারের পিএলআই স্কিমের পর ভিয়েতনামের তুলনায় ভারতে মোবাইল প্রস্তুত করার খরচ ৭ থেকে ৮ শতাংশ কম হবে। বর্তমানে সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড ফোন Google-এর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করলেও নিজস্ব মোবাইলের ক্ষেত্রে কিছুতেই কব্জা জমাতে পারছে না তারা। ভারতে গুগলের ফোনের মার্কেট শেয়ার ০.২৫ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: : ক্রোম আপডেট না করলে ভয়ংকর বিপদ! সতর্ক করল তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সংস্থা

    বর্তমানে দুটি সেগমেন্টে মোবাইল বিক্রি করে থাকে গুগল।  একটি হল pixel8 যার দাম ১ লাখের উপরে। অর্থাৎ এটি সুপার প্রিমিয়াম ক্যাটেগরির মোবাইল ফোন। অন্যদিকে গুগলের বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন ৩০ হাজার টাকার কাছাকাছি অর্থাৎ এটিকে আপার সেগমেন্ট ধরা হয়। তবে বাজেট ফোন অর্থাৎ ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজারের মধ্যে গুগলের কোন ফোন নেই। এর জেরে গুগল ব্যবসায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়ছে। ভারতের তাদের প্রোডাকশন ইউনিট চালু করলে এই রেঞ্জেও নিজের মোবাইল লঞ্চ করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal: দিনভর রেমালের দাপাদাপি! হাওড়ায় জলমগ্ন রেললাইন, ব্যাহত পরিষেবা, দুর্ভোগ

    Cyclone Remal: দিনভর রেমালের দাপাদাপি! হাওড়ায় জলমগ্ন রেললাইন, ব্যাহত পরিষেবা, দুর্ভোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনভর দাপট দেখাল ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal) । সোমবার  সকাল থেকে অঝোরে বৃষ্টি আর ঝোড়ো হাওয়ার কারণে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবাও। সকাল থেকে হাওড়া-শিয়ালদা শাখায় ট্রেন দেরিতে চলছে। আর এবার নাগাড়ে বর্ষণে ব্যাহত হাওড়া স্টেশনের দক্ষিণ পূর্ব রেলের ট্রেন চলাচলাও।

    পাম্প চালিয়ে রেল লাইনের জল নামানোর চেষ্টা, বহু ট্রেন বাতিল (Cyclone Remal)

    রেমালের দাপটে (Cyclone Remal) টিকিয়াপাড়া রেল ওয়ার্ডে রেল লাইনের ওপর জল উঠে গিয়েছে। সেই কারণে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মোট ছয়টি লোকাল ট্রেন এখনও পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে টিকিয়াপাড়া রেল ইয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে পড়ার কারণে। ৩৮৪৩৩ হাওড়া-পাঁশকুড়া লোকাল, ৩৮৪৪৮ পাঁশকুড়া-হাওড়া লোকাল, ৩৮৩১৭ হাওড়া-মেচেদা লোকাল, ৩৮৩০৪ মেচেদা- হাওড়া লোকাল, ৩৮৪২৫ হাওড়া-পাঁশকুড়া লোকাল এবং ৩৮৪৪০ পাঁশকুড়া-হাওড়া লোকাল এদিনের জন্য বাতিল রাখার সিদ্ধান্ত মেওয়া হয়েছে দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফে। বাতিল রয়েছে আপ দিঘা ও ডাউন তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেসও। যদিও এছাড়া আর কোনও দূরপাল্লার ট্রেন এখনও পর্যন্ত বাতিল করা হয়নি। দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই পাম্প চালিয়ে রেল লাইনের ওপর থেকে জল নামানোর চেষ্টা শুরু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপটে সোমবার বিকেলেও বৃষ্টি শহরে, কবে কাটবে দুর্যোগ?

    শেওড়াফুলি-তারকেশ্বর লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ

    সোমবার দুপুরে বন্ধ হয়ে গেল শেওড়াফুলি-তারকেশ্বর লাইনের ট্রেন চলাচল। এই লাইনে ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে জি টি রোডও। জানা গিয়েছে, রেমালের (Cyclone Remal) জেরে ঝড় হওয়ায় নসিবপুর স্টেশনের কাছে একটি বাঁশগাছ হেলে পড়েছে। ট্রেনের রোডও। জানা গিয়েছে, রেমালের জেরে ঝড় হওয়ায় নসিবপুর স্টেশনের কাছে একটি বাঁশগাছ হেলে পড়েছে। ট্রেনের ওভারহেড তারে ঠেকে রয়েছে সেটি। সেই কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিতে হয়েছে। দুপুরের পর থেকে আপ লাইনে কোনও ট্রেন এগোতে পারছে না।শেওড়াফুলি চার নম্বর রেল গেটে দাঁড়িয়ে আছে একটি আপ লাইনের ট্রেন। ফলে গেট খোলা যাচ্ছে না। গেট বন্ধ থাকায় শেওড়াফুলিতে জিটি রোড স্তব্ধ গিয়েছে। কতক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে, তা বুঝতে পারছেন না রেল যাত্রী থেকে পথচলতি মানুষ। ডাউন লাইনে ট্রেন চলছে স্বাভাবিক গতিত খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন ট্রেনের কর্মীরা।

     ট্রেন বাতিলের জেরে দুর্ভোগে নিত্যযাত্রীরা

    রেলের তরফে আগেই বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল। পরে ঝড়ের প্রভাবে আরও বেশি কিছু লাইনে পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে, রীতিমতো দুর্ভোগে পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। পরে, রেমাল-এর ধাক্কা সামলে শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় ট্রেন চলাচল শুর হয় সোমবার সকালে। শিয়ালদা ও হাওড়া থেকে একে একে সব লোকার ট্রেন এবার ছাড়তে শুরু করে। তবে, শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় বাতিল করা হল একাধিক ট্রেন। ডায়মন্ড হারবার, নামখানা, ক্যানিং, বজবজ, হাসনাবাদ, মাঝেরহাট- হাসনাবাদ, বনগাঁ সহ একাধিক লাইনে ৪৬টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: “যতদিন বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন…”, সংরক্ষণ নিয়ে কী বললেন নাড্ডা?

    JP Nadda: “যতদিন বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন…”, সংরক্ষণ নিয়ে কী বললেন নাড্ডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যত দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ হবে না।” বারাণসীতে সাংবাদিক সম্মেলনে সাফ জানিয়ে দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। বিজেপি বিরোধীরা ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের পরিকল্পনা করছে বলেও অভিযোগ করেন নাড্ডা। বলেন, “সংবিধানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ চলবে না।” তার পরেই তিনি জানিয়ে দেন, বিজেপি যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ হবে না।

    কী বললেন নাড্ডা? (JP Nadda)

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (JP Nadda) বলেন, “আমাদের দলিত, উপজাতি, পিছড়েবর্গ এবং একেবারে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির সংরক্ষণে কাউকেই আমরা অনধিকার প্রবেশ করতে দেব না। আপনারা দেখবেন, ৪ জুন কী হয় (এদিনই ফল প্রকাশ হবে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের)।” নাড্ডা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি মানে ছিল ডিভাইড অ্যান্ড রুল। কিন্তু এখন দেশে চলছে উন্নয়নের রাজনীতি।” দশ বছর আগে দেশের রাজনৈতিক অবস্থান কি ছিল, সে প্রশ্নও তোলেন নাড্ডা।

    গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক!

    তিনি বলেন, “ওই সময় ভারতকে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে গণ্য করা হত। কিন্তু বড় সমস্যা ছিল রাজনীতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ উদাসীন থাকতেন। রাজনীতির প্রতি তাঁদের বিশ্বাস ভেঙে গিয়েছিল। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক। কিন্তু গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরাতে পেরেছেন। দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছেন।” বিরোধীরা যে বর্ণ বিভাজনের রাজনীতি করতেন, তা-ও মনে করিয়ে দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বলেন, “বিরোধীরা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন করত, কাস্টইজমে ইন্ধন জোগাত। এই সংস্কৃতির বিলোপ ঘটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ দেশে চলছে উন্নয়নের রাজনীতি। এর ভিত্তিই হল, সবকা সাথ, সবকা প্রয়াস আউর সবকা বিশ্বাস।”

    আর পড়ুন: ইউপিএ জমানায় ৩৫ মুসলিম শ্রেণি ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল মমতার সুপারিশে!

    এদিন কালভৈরব মন্দিরে পুজোও দেন না্ড্ডা। বলেন, “যখনই আমি বারণসীতে আসি, কালভৈরব মন্দিরে পুজো দিই। পুজো দিই সঙ্কটমোচন এবং কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরেও।” তিনি বলেন, “কাশীকে আমরা ধর্মীয় নগরী বলেই জানি। এই শহরই সনাতন ধর্মকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এখানে এলে আমি নতুন করে শক্তি নিয়ে ফিরি (JP Nadda)।” প্রসঙ্গত, এই বারাণসী লোকসভা কেন্দ্রেই বিজেপির বাজি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এই কেন্দ্রের দু’বারের সাংসদ। পয়লা জুন সপ্তম তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে এখানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 29: “বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ…দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর”

    Ramakrishna 29: “বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ…দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর”

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    বিদ্যাসাগর

    সিঁড়ি দিয়া উঠিয়া একেবারে প্রথম কামারাটিতে (উঠিবার পর ঠিক উত্তরের কামরাটিতে) ঠাকুর ভক্তগণসঙ্গে প্রবেশ করিতেছেন। বিদ্যাসাগর কামরার উত্তরপার্শ্বে দক্ষিণাস্য হইয়া বসিয়া আছেন; সম্মুখে একটি চারকোণা লম্বা পালিশ করা টেবিল। টেবিলের পূর্বধারে একখানি পেছন দিকে হেলান-দেওয়া বেঞ্চ। টেবিলের দক্ষিণপার্শ্বে ও পশ্চিমপার্শ্বে কয়েকখানি চেয়ার। বিদ্যাসাগর দু-একটি বন্ধুর সহিত কথা কহিতেছিলেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) প্রবেশ করিলেন পর বিদ্যাসাগর দণ্ডায়মান হইয়া অভ্যর্থনা করিলেন। ঠাকুর পশ্চিমাস্য, টেবিলের পূর্বপার্শ্বে দাঁড়াইয়া আছেন। বামহস্ত টেবিলের উপর। পশ্চাতে বেঞ্চখানি। বিদ্যাসাগরকে পূর্বপরিচিতের ন্যায় একদৃষ্টে দেখিতেছেন ও ভাবে হাসিতেছেন।

    বিদ্যাসাগরের বয়স আন্দাজ ৬২/৬৩, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) অপেক্ষা ১৬/১৭ বৎসর বড় হইবেন। পরনে থান কাপড়, পায়ে চটি জুতা, গায়ে একটি হাত-কাটা ফ্লানেলের জামা। মাথার চতুপার্শ্বে উড়িষ্যাবাসীদের মতো কামানো। কথা কহিবার সময় দাঁতগুলি উজ্জ্বল দেখিতে পাওয়া যায়,–দাঁতগুলি সমস্ত বাঁধানো। মাথাটি খুব বড়। উন্নত ললাট ও একটু খর্বাকৃতি। ব্রাহ্মণ—তাই গলায় উপবীত।

    বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ। প্রথম—বিদ্যানুরাগ। একদিন মাস্টার কাছে এই বলতে বলতে সত্য সত্য কেঁদেছিলেন, আমার তো খুব ইচ্ছা ছিল যে, পড়াশুনা করি, কিন্তু কই তা হল! সংসারে পড়ে কিছুই পেলাম না। দ্বিতীয়—দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর। বাছুরেরা মায়ের দুধ পায় না দেখিয়া নিজেকে কয়েক বৎসরের ধরিয়া দুধ খাওয়া বন্ধ করিয়াছিলেন, শেষে শরীর অতিশয় অসুস্থ হওয়াতে অনেকদিন পর আবার ধরিয়াছিলেন। গাড়িতে চড়িতেন না– ঘোড়া নিজের কষ্ট বলিতে পারে না। একদিন দেখলেন, একটি মুটে কলেরা রোগে আক্রান্ত হইয়া রাস্তায় পড়িয়া আছে। দেখিয়া নিজের কোলে করিয়া তাহাকে বাড়িতে আনিলেন ও সেবা করিতে লাগিলেন। তৃতীয়–স্বাধীনতাপ্রিয়তা। কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে একমত না হওয়াতে, সংস্কৃত কলেজের প্রধান অধ্যক্ষের (প্রিন্সিপ্যাল) কাজ ছাড়িয়া দিলেন। চতুর্থ—লোকাপেক্ষা করিতেন না। একটি শিক্ষককে ভালবাসিতেন; তাঁহার কন্যার বিবাহের সময়ে নিজে আইবুড়ো ভাতের কাপড় বগলে করে এসে উপস্থিত। পঞ্চম—মাতৃভক্তি ও মনের বল। মা বলিয়াছেন, ঈশ্বর তুমি যদি এই বিবাহে (ভ্রাতার বিবাহে) না আস তাহলে আমরা ভারী মন খারাপ হবে, তাই কলিকাতা হইতে হাঁটিয়া গেলেন। পথে দামোদর নদী, নৌকা নাই, সাঁতার দিয়া পার হইয়া গেলেন। সেই ভিজা কাপড়ে বিবাহ রাত্রেই বীরসিংহায় মার কাছে গিয়া উপস্থিত! বলিলেন মা এসেছি!

    আরও পড়ুন: “আমাকে বিদ্যাসাগরের কাছে কি লইয়া যাইবে? আমার দেখিবার বড় সাধ হয়”

    আরও পড়ুনঃ “সব ত্যাগ করে ভগবানকে ডাক–তিনিই সত্য আর সব অনিত্য”

    আরও পড়ুনঃ“এই স্থানে নরেন্দ্রের গান ঠাকুর প্রথমে শুনেন ও তাঁহাকে দক্ষিণেশ্বরে যাইতে বলেন”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghar Wapsi: বাংলা ও অসমে ‘ঘর ওয়াপসি’, হিন্দু ধর্মে ফিরে এলেন তিন কন্যা

    Ghar Wapsi: বাংলা ও অসমে ‘ঘর ওয়াপসি’, হিন্দু ধর্মে ফিরে এলেন তিন কন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মুসলিমরা ধর্মান্তকরণের মাধ্যমেই হিন্দু থেকে ইসলামকে গ্রহণ করেছেন – এ তত্ত্ব আজ প্রতিষ্ঠিত। হিন্দু সংস্কৃতিকে ভালোবেসে তাই অনেকেই ফিরে আসছেন সনাতন ধর্মে। সাম্প্রতিক সময়ে এমনই ঘটনা দেখা দেল পূর্ব ভারতের অসম ও পশ্চিমবঙ্গে। ‘ঘর ওয়াপসি’-র পরে মুসলিম মেয়েদের নামকরণও বদলে গেল (Ghar Wapsi)। বিবাহ বন্ধনে প্রত্যেকেই আবদ্ধ হলেন হিন্দু ছেলের সঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গের বানু খাতুন হলেন অনু এবং অনীশা খাতুন হলেন অন্বেষা। অন্যদিকে অসম রাজ্যের আমিনা হলেন রাধা রবিদাস।

    পশ্চিমবঙ্গের ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi)

    তবে ‘ঘর ওয়াপসি’-র এই কাজ যে খুব সহজে হয়েছে এমনটা নয়। তাঁদেরকে প্রবল বাধার মুখে পড়তে হয়। কোনও ভাবেই দুই কন্যার বাড়ির লোকজন চায়নি এমন সম্পর্ক মেনে নিতে। এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু সংহতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রীতিমতো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে তাঁদেরকে হিন্দু সমাজে স্বাগত জানানো হয়। ‘ঘর ওয়াপসি’-র মাধ্যমে হিন্দু ধর্মে ফিরে আসা প্রত্যেকেই মনে করছেন, এই ধর্মে মেয়েদের জন্য রয়েছে ব্যাপক স্বাধীনতা ও সম্মান। ‘ঘর ওয়াপসি’-র পরপরই প্রত্যেকে নিজেদের পরিচয়কে গোপন রেখেছিলেন তাঁদের নিজস্ব নিরাপত্তার কারণেই। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি ‘ঘর ওয়াপসি’র ঘটনা সামনে এসেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার মহকুমার লুৎফন্নেসা খাতুন হিন্দু ধর্মকে গ্রহণ করেছেন।

    অসমের ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi)

    অন্যদিকে অসমের ‘ঘর ওয়াপসি’-র (Ghar Wapsi) ঘটনাটি ঘটেছে সেখানকার করিমগঞ্জ জেলাতে। সেখানে নতুনভাবে ঘর বেঁধেছেন ইসলাম ত্যাগ করে আসা আমিনা। তাঁকেও স্বাগত জানাতে রীতিমতো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত ২৬ মে আমিনাকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাগত জানায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। জানা যায়, ২০২০ সালেই প্রেমিক শ্যাম রবিদাসকে বিয়ে করেন আমিনা। জানা গিয়েছে, শ্যামের পরিবার আমিনার পরিবারের সঙ্গে বিবাদে যেতে চায়নি। তাই তারা মানেনি এই বিয়ে। কিন্তু দম্পতি বিশেষ বিবাহ আইনে স্বামী-স্ত্রী হয়ে যায়, তাই তাদের পরিবার তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতেও পারেনি। চার বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরতে থাকে তারা। এই সময়ের মধ্যে আমিনা একটি সন্তানের মা হয়। সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরে শ্যাম এবং আমিনা ফিরে আসার কথা চিন্তা করে। এরপরেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদে এগিয়ে আসে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ, সরব বিজেপি

    Bankura: পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এলাকায় পাইপ লাইন বসানো হয়েছে। তবে, এখনও পানীয় জল পরিষেবা শুরু হয়নি। এমনিতেই টিউবওয়েল থেকে জল ঠিক মতো বের না হওয়ায় জল সঙ্কট দেখা দিয়েছে বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল ব্লকের লক্ষ্মীসাগর এলাকায়। আর জলের পরিষেবা দিতে গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পাঠানো পানীয় জলের ট্যাঙ্ক পাঠানো। সেই জল খেয়ে বিপত্তি।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল ব্লকের লক্ষ্মীসাগর দাসপাড়া পানীয় জলের সমস্যার কারণে স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েত থেকে ট্যাঙ্কারে পানীয় জল পাঠিয়েছিল। সেই জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন প্রায় ২০ জন। এরইমধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনজন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোটের দিন স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েতের তরফে ট্যাঙ্কার পাঠানো হয়। সেখান থেকেই জলপান করেন গ্রামের লোকেরা। অভিযোগ, সেই জল খেয়েই অসুস্থ হতে শুরু করেন লোকজন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেটে ব্যথা, পাতলা পায়খানা, বমির উপসর্গ দেখা হয়। একজন বা দুজন নয়। এলাকায় ওই জল যাঁরা খেয়েছেন, তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফলে, পঞ্চায়েতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ

    হাসপাতালে ভর্তি থাকা এক গ্রামবাসী বলেন, “পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে এরকম হয়েছে। ট্যাঙ্কের জল আসে এখানে। ওই জল খেয়ে ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি। বমি, পায়খানা, পেটে ব্যথা। বাচ্চাদেরও হয়েছে।” জানা গিয়েছে, একের পর এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁদের সিমলাপাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনজনের অবস্থার অবনতি হলে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এলাকার বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পাইপ লাইন থাকলেও জলের বালাই নেই। ভোটের আগে জলের ট্যাঙ্কার এনে পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তাতেই এমন কাণ্ড! আমরা এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কেউ কোনও কথা বলতে চাননি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NCBC: ইউপিএ জমানায় ৩৫ মুসলিম শ্রেণি ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল মমতার সুপারিশে!

    NCBC: ইউপিএ জমানায় ৩৫ মুসলিম শ্রেণি ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল মমতার সুপারিশে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বাতিল হয়েছে ৭৭ শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র। এর মধ্যে রয়েছে ৭৫টি মুসলমান শ্রেণি। কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ের পরে গা ঝাড়া দিয়ে উঠল ন্যাশনাল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস বা এনসিবিসি (NCBC)। তালিকা থেকে আরও কিছু শ্রেণিকে বাদ দেওয়া যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা করছে তারা।

    কী বললেন এনসিবিসির চেয়ারম্যান? (NCBC)

    এনসিবিসির চেয়ারম্যান হংসরাজ গঙ্গারাম আহির বলেন, “২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ইউপিএ সরকার ওবিসি তালিকায় এমন কোনও শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল কিনা, যারা ওই শ্রেণিগুলোর (কলকাতা হাইকোর্ট যাদের বাতিল করেছে) মতো, তা খতিয়ে দেখা হবে।” তিনি জানান, ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেন্ট্রাল ওবিসি তালিকায় ৪৬টি শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করতে সুপারিশ করেছিল তৎকালীন কংগ্রেস পরিচালিত ইউপিএ সরকারকে। এদের মধ্যে ৯টি বাতিল করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল ৩৭টি শ্রেণি।

    ৩৭ এর মধ্যে ৩৫টিই মুসলমান শ্রেণি

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “৩৭টি শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য নোটিশ জারি করেছিল সরকার। এর মধ্যে ৩৫টি শ্রেণিই মুসলমান সম্প্রদায়ের। কেবল বাংলা থেকেই অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ৩৭টি শ্রেণি। সেই তালিকাই এখন পরীক্ষা করব আমরা।” তিনি বলেন (NCBC), “যদি দেখা যায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে যেসব শংসাপত্র বাতিল হয়েছে, তাদের কোনও শ্রেণি ওই তালিকায় রয়ে গিয়েছে, তাহলে ওই শ্রেণিকে বাদ দেওয়ার জন্য এনসিবিসি সোশ্যাল জাস্টিস মিনিস্ট্রিকে রেকমেন্ড করবে।”

    আর পড়ুন: ২৮ তারিখ কলকাতায় রোড-শো মোদির, আগে যাবেন বাগবাজারে সারদা মায়ের বাড়ি

    প্রসঙ্গত, এর আগে এনসিবিসি রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশিদের ওই তালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল। অভিযোগ, এদের ওবিসি সার্টিফিকেট পাইয়ে দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারই এদের এই শংসাপত্র দিয়েছিল। এনসিবিসি কর্তা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেসব মুসলমান শ্রেণিকে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট তাদের বাদ দিয়েছে, এটা দুঃখজনক। শুনানির সময়ই আমার খারাপ লেগেছিল – হোন না তাঁরা বাঙালি কিংবা বাংলাদেশি। এভাবে চলতে থাকলে যাঁরা প্রকৃতই ওবিসি, তালিকায় ঠাঁই হবে না তাঁদের। উল্লেখ্য, গোটা মুসলমান সমাজকে ওবিসি তালিকার অন্তর্ভুক্ত করায় কর্নাটকের মুখ্যসচিবকে গত মাসে তলব করেছিল এনসিবিসি (NCBC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Drone Technology: বিশ্বজুড়ে সামরিক ড্রোনের চাহিদা তুঙ্গে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিপুল উৎপাদন ভারতেই

    Drone Technology: বিশ্বজুড়ে সামরিক ড্রোনের চাহিদা তুঙ্গে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিপুল উৎপাদন ভারতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনুষ্যবিহীন আকাশযান হল ড্রোন। বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী যুদ্ধে ড্রোন প্রযুক্তি (Drone Technology) ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, নজরদারি চালানোর কাজে এর জুড়ি নেই। সাম্প্রতিক সময়ে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলিতে আক্রমণ শানাতে হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী ব্যবহার করে ড্রোন। ড্রোন হামলা, তাই আজ অতি পরিচিত শব্দ হয়ে উঠেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও এর ব্যাপক ব্যবহার দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে, তুর্কি সেনা আরবের বিরুদ্ধেও সফলভাবে ড্রোন ব্যবহার করেছে। অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও নিরাপত্তার কাজে ড্রোন ব্যবহার করা হয়। দেশে মোদি জমানায় বাড়ছে ড্রোনের উৎপাদনও। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যেই কয়েক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ড্রোন উৎপাদন করতে সক্ষম হবে আমাদের দেশ। আজকে আমাদের এই প্রতিবেদনে ড্রোনের উৎপত্তি, তার সামরিক প্রয়োগ, ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ড্রোনের ব্যবহার এই সমস্ত কিছু নিয়েই আলোচনা করা হবে।

    গত ২০ বছরে ড্রোন প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিগত ২০ বছরেই ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগেই বলা হয়েছে, ড্রোন হল মনুষ্যবিহীন আকাশ যান (Drone Technology)। যেটি কোনও মানুষকে অপারেট করতে হয় না। প্রযুক্তি ও সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে তা উড়তে পারে। বহু দূর থেকে পরিচালিত হতে পারে। আবার যে কোনও প্রাণঘাতী বিস্ফোরক ও ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতেও সক্ষম হল ড্রোন। নানা ক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায় যথা— কৃষি, প্রাকৃতিক বিপর্যয়, খনিতে কাজ, আবহাওয়া, জমি জরিপ, নির্মাণ, এই সমস্ত ক্ষেত্রেই ড্রোনের উল্লেখযোগ্য অসামরিক ব্যবহার রয়েছে। তাই একথা বলাই যায় ড্রোনের ব্যবহার দুই ধরনের সামরিক ও অসামরিক। সশস্ত্র ড্রোন ও নিরস্ত্র ড্রোন। সাধারণভাবে নিরস্ত্র ড্রোনগুলি নজরদারি চালানোর কাজে ব্যবহার করা হয় অন্যদিকে সশস্ত্র ড্রোন প্রাণঘাতী হামলাও চালাতে সক্ষম।

    ড্রোনের জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি

    বিংশ শতাব্দীর একেবারে শুরুর দিকে সামরিক কাজে প্রথম ড্রোনের ব্যাপকভাবে বিকাশ শুরু হয়। তবে প্রযুক্তির কারণে সে সময় ড্রোনের ব্যবহারে ব্যাপক বাধা আসে তবুও বিভিন্ন কাজে ড্রোনের জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি। ইয়েমেন, পাকিস্তান, সোমালিয়ার মত বেশ কতগুলি দেশ যুদ্ধক্ষেত্রের (Drone Technology) বাইরেও শুধুমাত্র গোপন অভিযানে চালাতে সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করেছিল। ২০১৯ সালে ড্রোন নিয়ে একটি গবেষণা হয় এবং এটি করে নিউইয়র্কের বার্ড কলেজ। ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ দ্য ড্রোন’-এর গবেষকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ১০০টিরও বেশি দেশ সামরিক কাজে ড্রোন ব্যবহার করে এবং সারা বিশ্বে বিভিন্ন সামরিক কাজে বর্তমানে ৩০,০০০-এরও বেশি উন্নত মানের ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। ওই গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে সামরিক কাজে ১৭১ ধরনের ড্রোন ব্যবহার করা হয়। ৫৮টি দেশে রয়েছে ২৬৮টি ড্রোন তৈরির ইউনিট। অর্থাৎ, এখান থেকে ড্রোন উৎপাদন হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ড্রোনের মডেলও বদলেছে, বেড়েছে তার ক্ষমতা এবং আকার। অনেক বেশি উচ্চতায় আজ তা উড়তে সক্ষম। গবেষকরা বলছেন, ড্রোনের ব্যবহার কমছেই না, বরং পৃথিবীব্যাপী ক্রমশ তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীর মধ্যে বৃহত্তম ড্রোন উৎপাদনকারী ও বিক্রেতা দেশ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইজরায়েল এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে চিন। এর পাশাপাশি, তুরস্ক ও ইরানের মতো দেশগুলিও ড্রোন উৎপাদনে পিছিয়ে নেই। গবেষণা তে দেখা যাচ্ছে যে ভারত এবং ব্রিটেন সারা পৃথিবীর মধ্যে ড্রোনের সবথেকে বড় আমদানিকারক দেশ।

    ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধির ২টি দিক রয়েছে (Drone Technology)

    যে কোনও দেশে বিদ্রোহ হোক অথবা দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ, সামরিক ড্রোনের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রোন ব্যবহারের বৃদ্ধির দুটি দিক রয়েছে। সরবরাহের দিক এবং অন্যটি হচ্ছে চাহিদার দিক। ড্রোনের ব্যাপক চাহিদা যেমন বাড়ছে সেই রকমের রপ্তানিকারক দেশগুলি ভালো মতোই সরবরাহ করতে পারছে। কারণ ড্রোন তৈরি করা তাদের পক্ষে বেশ লাভজনক হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে উৎপাদনের ক্ষমতাও অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। কম সময়ে অনেক বেশি ড্রোন উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। সারা পৃথিবীর দিকে নজর দিলে আমরা দেখতে পাবো যে, দুটি দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ, কোনও দেশের ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলা বা দেশের আভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ— এই সমস্ত কিছুতে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।

    ভারতে ড্রোনের ব্যবহার ও ড্রোন উৎপাদন

    আমাদের নিজেদের দেশের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাবো যে, চিন এবং ভারতের মধ্যে যে ধরনের সীমান্ত বিবাদ চলছে, সেখানে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ড্রোন বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাকিস্তান থেকে জঙ্গি অনুপ্রবেশ সমেত সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার কাজ চলে। তাই সীমান্তে নিখুঁত নিশানা করতে ভারতের সেনারা ড্রোনের ব্যবহার করেই থাকে। এছাড়াও বিশেষ করে পাঞ্জাবে এবং জম্মু-কাশ্মীরে অস্ত্র গোলাবারুদ, মাদক কারবারের কাজে সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ড্রোন ব্যবহার করে। এমন খবর প্রায় শিরোনামে আসে। আগেই বলা হয়েছে, ভারত ড্রোনের অন্যতম বড় আমদানিকারক। সাধারণভাবে ভারতে বেশিরভাগ ড্রোন আমদানি করা হয় ইজরায়েল থেকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৯০ সাল থেকেই ভারতে সামরিক কাজে ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উঠে এসেছে। শুরুতে ডিআরডিও মানববিহীন এই যানকে পরিচালিত করত। বর্তমানে মোদি জমানায় ভারতে দেশীয় প্রযুক্তিতে ড্রোন তৈরিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃষ্টিভঙ্গি এক্ষেত্রে খুব পরিষ্কার। তিনি ভারতীয় সংস্থাগুলির ওপর ভরসা করেন ড্রোন উৎপাদনে। ড্রোন ইকোসিস্টেম আগামী দিনে ভারতবর্ষে আরও উন্নত হতে চলেছে এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে ‘ড্রোন রুলস’ আনে মোদি সরকার। সেখানে দেশীয় সংস্থাগুলিকে ড্রোন প্রযুক্তির কাজে প্রোমোট করার কথা বলা হয়। ২০২১-এর পরবর্তী সময় থেকেই দেখা যাচ্ছে ভারতে ড্রোন নির্মাতা (Drone Technology) সংস্থাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ড্রোন নির্মাতা সংস্থাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ideaForge, Aarav Unmanned System (AUS), Asteria aerospace, IOTech, এবং Hubbal Fly. আগামীদিনে ড্রোনের দুনিয়ায় ভারত শীর্ষস্থানীয় দেশ হতে চলেছে একথা বলাই যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share