Tag: Bengali news

Bengali news

  • Odisha: ওড়িশায় আত্মসমর্পণ করল ২ মহিলা ক্যাডার সহ ৯ জন মাওবাদী, জানেন কেন?

    Odisha: ওড়িশায় আত্মসমর্পণ করল ২ মহিলা ক্যাডার সহ ৯ জন মাওবাদী, জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করল ২ জন মহিলা ক্যাডার (Female cadres) সহ ৯ জন মাওবাদী। ৭ মে, মঙ্গলবার ওড়িশার (Odisha) ভুবনেশ্বরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সিপিআই (মাওবাদী) এর ৯ জন সদস্য একসঙ্গে ওড়িশা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। জানা গিয়েছে, ওই ২ মহিলা ক্যাডার সহ ৯ জন মাওবাদী এর আগে কুখ্যাত কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এদিন বৌধ জেলায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা।  

    পুলিশ তরফে জানানো হয়েছে 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলা ক্যাডার যোগী মাদভি ওরফে জ্যোতি এবং পোজে মাদভি সহ নয়জন মাওবাদীই পার্শ্ববর্তী ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া জেলার মুলের গ্রামের বাসিন্দা। যোগী যখন ২০১৯ সালে সিপিআই (মাওবাদী) তে যোগ দিয়েছিল তখন তিনি মাওবাদী নেতা সিলা ওরফে নাগমনির ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। এরপরে ২০২০ সালে কেকেবিএন বিভাগের চতুর্থ কোম্পানির বিভাগীয় কমিটির সদস্য (DCM) বিকাশ ওরফে জগদীশের সঙ্গে চরমপন্থী গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছিল। 

    কী বলল আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরা?

    আত্মসমর্পণকারী অন্যদের মধ্যে কেকেবিএন বিভাগের ডিসিএম সাময় মাদকাম ওরফে নরেশও রয়েছে। তিনি ডিভিশনের চতুর্থ কোম্পানিতে ১ম প্লাটুনের কমান্ডার ছিল এবং এর আগে ওডিশার কান্ধমাল, বৌধ এবং নুয়াপাদা জেলায় তার বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এই দুজন ছাড়া বাকিরা মাওবাদী (Maoists) সংগঠনে দলীয় সদস্য হিসেবে কাজ করছিল। মাদকাম পুলিশের কাছে জানিয়েছে, দলের মধ্যে নিচুতলার কর্মী-সদস্যদের ওপর ভীষণভাবে শোষণ ও নীপিড়ন হতো। বিশেষ করে, মহিলা সদস্যদের ওপর লাগাতার যৌন নির্যাতন চলত। এসব দেখে তারা মূলস্রোতে ফেরার সিদ্ধান্ত নেয়।

    আরও পড়ুন: বাংলায় তিন দফায় ‘শান্তিপূর্ণ’ ভোট, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রশংসা কমিশনের

    ছত্তিশগড়েও মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ (Maoists surrender)

    অন্যদিকে সম্প্রতি ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া জেলায় ৩৫জন মাওবাদী, পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। রবিবার দান্তেওয়াড়া পুলিশের প্রচার অভিযানের জেরে ওই রেঞ্জের ডি আই জি পুলিশ কমললোচন কাশ্যপ এবং সিআরপিএফ ও পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সামনে তারা আত্মসমর্পণ করে। জানা গিয়েছে ভইরামগড় এবং কাটেকল্যাণ এলাকায় মাওবাদী (Maoists) সংগঠনের কাজকর্মে যুক্ত ছিল তারা। এদের বিরুদ্ধে রাস্তা অবরোধ সহ বিভিন্ন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সংখ্যা (India Hindu Population) দ্রুত কমছে। আর যারা সংখ্যালঘু তাদের বংশলতিকা বাড়ছে বর্ষার লবঙ্গলতিকার মতো। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে ভারতের জনসংখ্যার এই ছবি। প্রধানমন্ত্রীর ইকনোমিক অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের (EAC-PM Study) প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সংখ্যা কমেছে ৭.৮ শতাংশ। অথচ এই সময়সীমায় ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে সংখ্যাগুরু (পড়ুন মুসলমান) জনসংখ্যা বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

    বেড়েছে সংখ্যালঘু (India Hindu Population) 

    কেবল প্রতিবেশী দেশগুলিতে নয়, ভারতেও যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, সেখানেও সংখ্যালঘু মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং শিখ সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বাড়ছে। আর উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে জৈন ও পার্শিদের সংখ্যা। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ এই পঁয়ষট্টি বছরে (India Hindu Population) ভারতে মুসলমান জনসংখ্যার হার বেড়েছে ৪৩.১৫ শতাংশ। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বেড়েছে ৫.৩৮ শতাংশ। জনসংখ্যা বেড়েছে শিখ এবং বৌদ্ধদেরও। শিখদের জনসংখ্যা বেড়েছে ৬.৫৮ শতাংশ। বৌদ্ধদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে সামান্য।

    কমেছে হিন্দুর হার

    সংখ্যালঘুদের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তার চেয়ে তুলনায় ঢের কমছে সংখ্যাগুরু হিন্দু জনসংখ্যা (India Hindu Population)। ১৯৫০ সাল থেকে ২০১৫ এই পর্বে ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার ভাগ ৮৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৭৮ শতাংশ। এই সময় মুসলমানদের ভাগ ৯.৮৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪.০৯ শতাংশ। ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা যে হারে কমছে, সেদিক থেকে ভারতের স্থান হয়েছে পড়শি দেশ মায়ানমারের পরেই। এখানে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ১০ শতাংশ। ভারতে এই হার ৭.৮ শতাংশ। হিন্দুর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ভারতের আর এক প্রতিবেশী দেশ নেপালেও। এখানেও হিন্দুরাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। তবে তাদের বৃদ্ধির হার মাত্রই ৩.৬ শতাংশ। যে রিপোর্টের ভিত্তিতে এসব বলা হচ্ছে, তা সংগ্রহ করা হয়েছে বিশ্বের ১৬৭টি দেশ থেকে। গবেষণাপত্রটির লেখকদের মতে, বিভিন্ন দিক থেকে বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা কেবল নিরাপদেই রয়েছেন তা নয়, তাঁরা ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে (India Hindu Population)।

    এগিয়ে বাংলাদেশ

    সংখ্যাগুরু হওয়া সত্ত্বেও ভারতে যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, সেখানে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে সংখ্যাগুরু মুসলমানদের সংখ্যা বাড়ছে তরতরিয়ে। সব চেয়ে বেশি বেড়েছে বাংলাদেশে। এদেশে মুসলমান বেড়েছে ১৮.৫ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে পাকিস্তান। সেখানে বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। এই তালিকার একেবারে শেষে রয়েছে আফগানিস্তান। সেখানে বেড়েছে মাত্রই ০.২৯ শতাংশ। গবেষণাপত্রটির লেখক শমিকা রবি, আব্রাহাম জোশ এবং অপূর্বকুমার মিশ্র। তাঁরা বলছেন, পাকিস্তানে হানিফ মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। এদেশে সামগ্রিকভাবে মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ১০ শতাংশ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে গিয়ে বাংলাদেশ আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পরেও পাকিস্তানে অব্যাহত মুসলমান জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার। ভারতের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী মায়ানমার। সেখানে জনসংখ্যার হার কমেছে ব্যাপকভাবে। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ এই সময়সীমায় সে দেশে থেরাভাদা বৌদ্ধদের সংখ্যা কমে গিয়েছে ১০ শতাংশ। এদেশে এরাই সংখ্যাগুরু (India Hindu Population)। গবেষণায় জানা গিয়েছে, ভারত এবং মায়ানমারের পরে নেপালে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের জনসংখ্যা কমেছে ৩.৬ শতাংশ।

    পিছিয়ে মলদ্বীপও

    ভারত মহাসাগরের বুকে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপ। এখানেও মুসলমানেরাই সংখ্যাগুরু। তবে এঁরা সফি সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসলমান। কমেছে এঁদের হারও। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে ১.৪৭ শতাংশ। ভারতের আরও দুই প্রতিবেশী দেশে বৌদ্ধরা সংখ্যাগুরু। এই দুই দেশের একটি হল ভুটান, অন্যটি শ্রীলঙ্কা। চলতি বছরের মে মাসে যে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভুটানে বৌদ্ধ জনসংখ্যার হার বেড়েছে ১৭.৬ শতাংশ। আর শ্রীলঙ্কায় এই হার ৫.২৫ শতাংশ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে সংখ্যালঘুদের মোট জনসংখ্যার শেয়ারের পরিবর্তন থেকে ওই দেশের সংখ্যালঘুদের স্টেটাস কী, তা বোঝা যায়।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    বিশ্বেও হ্রাস পাচ্ছে সংখ্যাগুরুরা

    ওই গবেষণা থেকে আরও জানা গিয়েছে, কেবল ভারতেই (India Hindu Population) নয়, গোটা বিশ্বেই কমছে সংখ্যাগুরুদের বৃদ্ধির হার। চিন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড এবং পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশের কথা অবশ্য আলাদা। এই দেশগুলিতে ভারতের চেয়ে বেশি বেড়েছেন সংখ্যালঘুরা। বিশ্বের যে ১৬৭টি দেশে ধর্মীয় জনগণনা করা হয়েছিল, সেখানে গড়ে জনসংখ্যা কমেছে ২২ শতাংশ (১৯৫০-২০১৫ এই সময় সীমায়)। লাইবেরিয়ায় কমেছে ৯৯ শতাংশ। আর নাবিমিয়ায় বেড়েছে ৮০ শতাংশ। ১২৩টি দেশে সংখ্যাগুরুদের সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

    ভারতে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ

    কী কারণে ভারতে বাড়ছে সংখ্যালঘুরা? গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা যে নিরাপদেই রয়েছেন, এটা তার একটা বড় প্রমাণ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, সংখ্যাগুরুদের জনসংখ্যা হ্রাসের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রমাণ করে দেশের নীতি রয়েছে সঠিক পথে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও রয়েছে ঠিকঠাক। তার জেরেই জনসংখ্যা বাড়ছে সংখ্যালঘুদের। ভারতের যে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের বাতাবরণ রয়েছে, তাও যে সত্য, তা প্রমাণিত এ দেশে সংখ্যালঘুদের বাড়বাড়ন্তে (India Hindu Population)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mithun Chakraborty: “নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে,” রোড শো থেকে আর্জি জানালেন মিঠুন

    Mithun Chakraborty: “নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে,” রোড শো থেকে আর্জি জানালেন মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাখির চোখ কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র। তাই, বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ের সমর্থনে ভোট প্রচার করতে একের পর এক হেভিওয়েট নেতারা আসছেন কৃষ্ণনগর লোকসভায়। বৃহস্পতিবার বলিউড সুপারস্টার তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী রানি মা অমৃতা রায়ের হয়ে কালীগঞ্জ বিধানসভার দেবগ্রাম মণ্ডল ২ এলাকায় রোড শো করলেন।

     মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার (Mithun Chakraborty)

    এদিন এই রোড শো তে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায় সহ একাধিক বিজেপি কর্মকর্তারা। তবে, মিঠুনকে (Mithun Chakraborty) একবার চোখের দেখা দেখতে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। রোড শোয়ে সাধারণ মানুষের ভিড়় উপচে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা পার্থ ঘোষ বলেন, “আমার বাড়ির সামনে দিয়ে মিঠুন গেলেন। তাঁকে এত কাছে থেকে দেখব তা ভাবতে পারিনি।” এর আগে, অমৃতা রায়ের সমর্থনে ইতিমধ্যে দু দুটি সভা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অপরদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিক সভা করেছেন। কিছুদিন আগেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রার্থীর সমর্থনে এসে রোড শো করে  প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন। অপরদিকে জমি ছাড়তে নারাজ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  দু -দুটি সভা করেছেন তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্র সমর্থনে। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ইতিমধ্যে সভা করে মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করেছেন,কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর হয়ে।এতে করেই বোঝা যাচ্ছে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র পাখির চোখ করে এগোচ্ছে শাসক-বিরোধী দুই শিবির। এক চুলও জমি ছাড়তে নারাজ রাজ্যের প্রধান দুই প্রতিপক্ষ।

    আরও পড়ুন: শাহজাহান বাহিনীর হাতে খুন হন বাবা, ঘরছাড়া হয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮৩ পেলেন প্রীতম

    নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে

    এদিন দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে এলাকায় চষে বেড়ান মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) । তিনি এদিন রোড শোয়ে খুব বেশি বক্তব্য রাখেননি। গাড়ি থেকে হাত নেড়ে সৌজন্য বিনিময় করেছেন সকলের সঙ্গে। মিঠুন এদিন শুধু বলেন, নদিয়ার সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে গেলে রানিমাকে জেতাতে হবে। সকলের কাছে তিনি এই আর্জি জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HS Result 2024: শাহজাহান বাহিনীর হাতে খুন হন বাবা, ঘরছাড়া হয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮৩ পেলেন প্রীতম

    HS Result 2024: শাহজাহান বাহিনীর হাতে খুন হন বাবা, ঘরছাড়া হয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮৩ পেলেন প্রীতম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শত প্রতিকূলতাকে জয় করে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র প্রীতম মণ্ডল এবার উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) ৪৮৩ পেয়ে পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। আর মেধাবী ছাত্রের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে সন্দেশখালির শাহজাহানের। অনেকের মনে হতে পারে, মেধাবী এই পড়ুয়ার সঙ্গে শাহজাহানের কী সম্পর্ক? আসলে এই প্রীতমের বাবা প্রদীপ মণ্ডলকে খুন করার অভিযোগ রয়েছে শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই প্রীতমকে সকলেই কুর্ণিশ জানিয়েছেন।

    বাবাকে গুলিকে খুন করে শাহজাহান বাহিনী (HS Result 2024)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালি-১ ব্লকে সপরিবারে থাকতেন প্রীতমরা। তাঁরা দুই ভাই। ছোট ভাই অনুভব মণ্ডল এবার দ্বাদশ শ্রেণিতে উঠলেন। গ্রামে তাঁর বাবা প্রদীপ মণ্ডলের একটা দোকান ছিল। কিছু জমিজমা, ভেড়িও ছিল তাঁদের। তা দিয়েই সংসার ভালোভাবে চলে যাচ্ছিল। প্রীতমদের ভালো স্কুলেও ভর্তি করিয়েছিলেন। কিন্তু, ২০১৯ সালে শাহজাহান এবং তাঁর বাহিনীর হাতে খুন হয়েছিলেন প্রদীপবাবু। গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। এরপরই তাঁর মা পদ্মা মণ্ডল দুই সন্তানকে নিয়ে সন্দেশখালি ছেড়ে চলে যান। পরে, প্রীতমকে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ভর্তি করেন। বাবাকে হারিয়েও নিজের লক্ষ্যে অটল ছিলেন তিনি। উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির সেই প্রীতম এবার উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) ৪৮৩ নম্বর পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। প্রীতমের স্বপ্ন আইপিএস হওয়ার। আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়াই এখন তাঁর লক্ষ্য। তাই তিনি ইউপিএসসির জন্য প্রস্তুতি নিতে চাইছেন।

    বড় হয়ে আইপিএস হতে চান প্রীতম

    প্রীতমের মা পদ্মা মণ্ডল বলেন, “স্বামী খুন হওয়ায় আর্থিক অনটনের মধ্যে সংসার চালাতে হচ্ছে। ২০২১ সালে বাড়িতে হামলা চালানো হয়। দোকান ভাঙচুর চালানো হয়। সব কিছু লুটপাট করে নেওয়া হয়। দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে ঝুঁকি নিয়ে গ্রাম ছাড়তে হয়। খুব কষ্ট করে আমি সন্তানদের মানুষ করেছি। প্রীতমের এই রেজাল্ট (HS Result 2024) হওয়ায় খুব ভালো লাগছে। ওর বাবা বেঁচে থাকলে আরও গর্বিত হত। প্রীতমের প্রথম থেকেই লক্ষ্য ছিল আইপিএস হওয়ার। বার বারই এ কথা আমাকে জানিয়েছে সে। প্রীতমকে ইউপিএসসি পড়ানোর জন্য দিল্লিতে পাঠানোর ব্যবস্থা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HS Result 2024: পায়ে লিখেই উচ্চ মাধ্যমিকে ৮০ শতাংশ! বিরাট সাফল্য মুর্শিদাবাদের ছাত্রের

    HS Result 2024: পায়ে লিখেই উচ্চ মাধ্যমিকে ৮০ শতাংশ! বিরাট সাফল্য মুর্শিদাবাদের ছাত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও (HS Result 2024) সকলকে তাক লাগিয়ে ফের একবার অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখালেন মুর্শিদাবাদের আলম। উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল বেরোতেই যখন প্রথম দশের তালিকা নিয়ে মাতামাতি সারা বাংলায়, তখন পায়ে লিখেই ৮০% নম্বর পেয়ে সকলের মাঝে আলাদা স্থান করে নিলেন মুর্শিদাবাদের ছাত্র। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মাধ্যমিকে ৬২৫ পেয়েছিল আর এবারে ফের উচ্চমাধ্যমিকেও বিজ্ঞান বিভাগে ৪০২ নম্বর পেয়ে পেয়ে নজির গড়লেন এই জেলার বড়ঞা ব্লকের বৈদনাথপুর গ্ৰামের মেধাবী ছাত্র এম.ডি আলম রহমান। পরিবারে বিরাট উচ্ছ্বাসের আবহ।

    দারিদ্র পরিবারের সন্তান আলম (HS Result 2024) 

    বুধবার দুপুরে উচ্চ মাধ্যমিকের (HS Result 2024) ফল প্রকাশ হতেই আলমের নম্বর জানতে পারে প্রতিবেশী ও‌ এলাকাবাসীরা। পরে তাদের মুখেই নিজের ছেলের সাফল্যের কথাটি আরও একবার শুনতে পেয়ে খুশির হাসি ফুটে ওঠে আলমের মা-বাবার মুখে। অত্যন্ত দারিদ্র পরিবারের সন্তান আলম রহমানের সাফল্যে খুশি হয়ে তাঁকে সংবর্ধনা জানাতে বাড়িতে এসে পৌঁছান গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সহ নেতৃত্বরা।

    স্বপ্ন মহাকাশ বিজ্ঞানী হবে আলম

    মুদি দোকান ব্যবসায়ী বাবার আর্থিক সামর্থ্য খুব বেশি নয়, সাথে রয়েছে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা! তবুও আলমের স্বপ্ন মহাকাশ বিজ্ঞানী হওয়ার। তবে তাঁর এই স্বপ্ন যে কতটা বাস্তব হবে তা নিয়ে যথেষ্টই অনিশ্চয়তার প্রতিচ্ছবি আলমের চোখের মুখে। তবে তাঁর অদম্য জেদই তাঁকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক (HS Result 2024) জীবনে দুটি বড় পরীক্ষাতেই অভূতপূর্ব সাফল্য এনে দিয়েছে। কিন্তু স্বপ্ন পূরণের পথে বাকি সফর তাঁকে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। মহম্মদ আলমের মতো যোদ্ধারা জয়ী যাওয়ার মন্ত্র শেখায়, তাই তাঁর স্বপ্নের উড়ান যেন থেমে না যায়।

    আরও পড়ুনঃ“তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে”, তোপ সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: বাংলায় তিন দফায় ‘শান্তিপূর্ণ’ ভোট, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রশংসা কমিশনের

    Election Commission: বাংলায় তিন দফায় ‘শান্তিপূর্ণ’ ভোট, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রশংসা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রথম তিন দফার ভোট (Lok Sabha Vote 2024) শেষ হয়েছে। তবে বলা ভালো নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে যে ভাবে ভোট হয়েছে, তাতে খুশি নির্বাচন কমিশন। কিছু কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া তেমন কোনও বড় ঘটনা এখনও পর্যন্ত ঘটেনি। হয়নি কোনও মৃত্যুও। বাংলায় ভোট মানেই হিংসা—এই অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে বারবার তুলেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। লোকসভা ভোট হোক বা পঞ্চায়েত নির্বাচন, যে কোনও ভোটেই পশ্চিমবঙ্গে হিংসার ইতিহাস রয়েছে। তবে এবছর লোকসভা ভোটে তিন দফা পেড়িয়ে গেলেও সেরম উল্লেখযোগ্য কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই আশার আলো দেখছেন নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কর্তারা। 

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রশংসা

    বাংলায় যে এবার শান্তিপূর্ণ ভোট (Lok Sabha Vote 2024) হবে সেই বিষয়ে আগেই আশ্বস্ত করেছিল নির্বাচন কমিশন। শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ভোট শুরু হওয়ার আগে থেকেই একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন (Election Commission)। আপাতত রাজ্যে প্রথম তিন দফার ভোট নির্বিঘ্নে সমাপ্ত হয়েছে। কোথায় কেমন ভোট হচ্ছে, কী ভাবে ভোট পরিচালনা হচ্ছে, সেইসব নিয়ে আলোচনা করতে বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে ভোট নিয়ে একটি বৈঠক করে। সূত্রের খবর, সেখানেই বাংলার ভোট পরিস্থিতি নিয়ে প্রশংসা করে কমিশন। সঙ্গে প্রশংসায় ভরাল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিফ আফতাবকে। এদিনের বৈঠকে তিন দফা ভোটের মধ্যে বাংলাকে যে ‘শান্তিপূর্ণ’ রাখা গেছে সে বিষয়ে  আশ্বস্ত হয়েছে কমিশন। তবে বাকি চার দফার ভোটও যেন এমন শান্তিপূর্ণ হয়, সেই দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে কমিশনের (Election Commission) তরফে।  

    নির্বাচন কমিশনের দাবি (Election Commission) 

    এ প্রসঙ্গে কমিশনের কর্তারা জানিয়েছেন, “এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রথম তিনটি দফায় বাংলায় সে অর্থে বড়সড় কোনও গোলমালই হয়নি। কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে বুথ দখল, রিগিংয়ের বড় কোনও অভিযোগও ওঠেনি।” কমিশনের (Election Commission) দাবি, প্রথম দফার ভোটে কোচবিহারে কিছু বিক্ষিপ্ত গোলমাল হলেও ভোটকেন্দ্রে তার কোনও আঁচ পড়েনি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফাতেও ভোট ছিল শান্তিপূর্ণ।  

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে”, তোপ সুকান্তর

    যদিও তৃতীয় দফার ভোটে সবথেকে বেশি ক্রিটিক্যাল বুথ ছিল মুর্শিদাবাদে। যার মধ্যে পড়ে ডোমকল বিধানসভা। অতীতে প্রায় প্রতিটি ভোটে ডোমকলে রক্তারক্তি এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেকারনেই এই কেন্দ্রের ভোট নিয়ে আশঙ্কা ছিল কমিশনের (Election Commission)। এছাড়াও ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদে পরপর অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। ভোটের দিন সকাল থেকেও উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এই কেন্দ্রে। বাকি কেন্দ্রগুলি থেকেও অল্পবিস্তর অশান্তির খবর এসেছে ঠিকই, কিন্তু কোনওটাই বড় আকার নিতে পারেনি। ফলে এবার সেখানেও নির্বিঘ্নে ভোট হয়েছে। 
    প্রসঙ্গত, আগামী ১৩ মে চতুর্থ দফার ভোট (Lok Sabha Vote 2024) রয়েছে বাংলায়। সেদিন বোলপুর, বীরভূম, বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান দুর্গাপুর এবং আসানসোলে ভোট হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Cooking Oil: ওজন কমাতে রান্নায় তেল একেবারেই বাদ দিচ্ছেন? জানেন কী রোগ হতে পারে?

    Cooking Oil: ওজন কমাতে রান্নায় তেল একেবারেই বাদ দিচ্ছেন? জানেন কী রোগ হতে পারে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দ্রুত ওজন ঝরাতে অনেকেই মরিয়া হয়ে ওঠেন। স্থূলতা রুখতে অনেকেই রান্নায় তেল (Cooking Oil) একেবারেই ব্যবহার করেন না। অনেকই আবার এয়ার ফ্রায়ারেই অধিকাংশ রান্না করেন। কিন্তু পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই অভ্যাস একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। রান্নায় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার যেমন অস্বাস্থ্যকর, তেমনি ভালো নয় একেবারেই তেল ব্যবহার না করা, যাকে বলে নো-অয়েল কুকিং। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দীর্ঘ দিন একেবারেই তেলবিহীন রান্না খেলে, এর জেরে শরীরে একাধিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত তেল যেমন শরীরের জন্য ক্ষতিকারক, তেমনি তাঁরা বলছেন, তেল খাওয়ার কিছু উপকার রয়েছে। তাই ন্যূনতম তেল অবশ্যই রান্নায় ব্যবহার করতে হবে।

    রান্নায় তেলের ব্যবহার কেন উপকারী? (Cooking Oil)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে রান্নায় যে ধরনের তেল ব্যবহার করা হয়, সেগুলো অধিকাংশ শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই অল্প পরিমাণ তেল নিয়মিত রান্নায় দেওয়া দরকার।

    সর্ষের তেলের উপকার

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সর্ষের তেলের তৈরি খাবার খেলে, শরীরে ওমেগা থ্রি এবং ওমেগা সিক্সের দারুণ ভারসাম্য তৈরি হয়। এর জেরে ত্বক ভালো থাকে। পাশপাশি চুল পড়ার মতো সমস্যা কমে। একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। সর্ষের তেলে (Cooking Oil) অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। ফলে ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ প্রতিরোধেও রান্নার এই উপকরণ বিশেষ সাহায্য করে।

    সূর্যমুখী তেলের উপকার (Cooking Oil)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় ফ্যাটের জোগান জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, মানুষের শরীরের প্রয়োজনীয় উপকারি ফ্যাট সহজেই পাওয়া যায় সূর্যমুখী তেল থেকে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সূর্যমুখী তেলে ম্যানুস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এছাড়াও থাকে ওমেগা থ্রি। তাই এই তেল হার্টের জন্য উপকারী। এছাড়াও থাকে ভিটামিন ই। যা শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই রান্নায় পরিমিত সূর্যমুখী তেলের ব্যবহার শরীরের পক্ষে ভালো বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    রাইস অয়েল থেকে বিশেষ উপকার 

    রান্নায় রাইস অয়েলের (Cooking Oil) ব্যবহার বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই তেল হৃদপিণ্ডের জন্য বিশেষ উপকারী। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তেলে হার্টের জন্য উপকারী চর্বি থাকে। স্যাচুরেটেড ফ্যাট একেবারেই থাকে না। তাই এই তেল দিয়ে রান্না করলে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে। পাশপাশি ডায়বেটিস আক্রান্তদের জন্যও এই তেল উপকারী। কারণ এই তেল রক্তে অতিরিক্ত শকর্রার পরিমাণ বৃদ্ধিতে নিয়ন্ত্রণ আনে।

    তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রান্নায় ন্যূনতম তেল অবশ্যই নিয়মিত ব্যবহার জরুরি। তবে ভিন্ন রকমের তেল মিশিয়ে রান্না করলে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, সূর্যমুখী তেল, রাইস অয়েল কিংবা সর্ষের তেল (Cooking Oil) মিশিয়ে রান্না করলে শরীরে বিভিন্ন উপাদানের জোগান ঠিকমতো হয়। ভারসাম্যও বজায় থাকে।

    তেলবিহীন রান্না খেলে কী সমস্যা হতে পারে? (Cooking Oil)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তেলবিহীন রান্না দিনের পর দিন খেলে একাধিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর জেরে শরীরে একেবারেই উপকারী ফ্যাটের জোগান‌ বন্ধ হতে পারে। এর জন্য হার্টের রোগ দেখা দিতে পারে। একাধিক হাড়ের সমস্যাও হতে পারে। পাশপাশি ভিটামিন ই-র অভাব শরীরে নানা রোগের কারণ হতে পারে। শরীরে ভিটামিন ই-র জোগান মূলত তেল থেকেই পাওয়া যায়। এর ফলে চুল ও ত্বকের নানান সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ঠিকমতো জোগান পাওয়া যাবে না। ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমতে পারে (Cooking Oil)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: সন্দেশখালির মতো আমারও ‘জাল ভিডিও’ বাজারে ছাড়া হবে, আশঙ্কা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Ganguly: সন্দেশখালির মতো আমারও ‘জাল ভিডিও’ বাজারে ছাড়া হবে, আশঙ্কা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির আসন থেকে পদত্যাগ করে একেবারে রাজনৈতিক ময়দানে বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়াই করতে নেমেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক ছিলেন তিনি। বিচারকের আসনে বসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। রাজ্যের তৃণমূল শাসকের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর সিদ্ধান্তেই একাধিক দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূল মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতা আজ জেলে পৌঁছে গিয়েছেন। এবার এই বিচারপতি রাজ্যের নির্বাচনী আবহে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল চক্রান্ত করে ফেক ভিডিও প্রকাশ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর এই কথায় রাজনীতির আঙ্গিনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কি বলেছেন অভিজিৎ (Abhijit Ganguly)?

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) এদিন সাংবাদিক সম্মলেন করে বলেন, “সন্দেশখালি নিয়ে যেমন জাল ভিডিও তৈরি করা হয়েছে, সেরকম জাল ভিডিও কাঁথি এবং তমলুকের প্রার্থীদের সম্পর্কে তৈরি করা হয়েছে। কাঁথির সৌমেন্দু অধিকারী এবং তমলুকের প্রার্থী আমি… আমাদের বিরুদ্ধে তৃণমূল চক্রান্ত করছে। সম্ভবত এটা খুব দ্রুত বাজারে ছেড়ে দেওয়া হবে। মানুষকে বিভ্রান্ত করাই তৃণমূলের একমাত্র কাজ। এই রকম ভিডিও এলে কেউ যেন গুরুত্ব না দেন।”

    আরও পড়ুনঃ “তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে”, তোপ সুকান্তর

    আর কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে তমলুক বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) আরও বলেন, “যদি ভিডিও দেখার পর কোনও ব্যক্তির মনে যদি সংশয় হয় তাহলে আমার কাছে আসবেন, আমাকে জিজ্ঞেস করবেন। আমি পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দেবো। এই ভিডিও কীভাবে জাল তা আমি বুঝিয়ে দেবো।” এই তমলুক এবং কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের ভোট হল আগামী ২৫ মে, ষষ্ঠ দফায়। কিন্তু বিজেপি প্রার্থীর এমন আশঙ্কার কথায় রীতিমতো শোরগোল পরে গিয়েছে গোটা জেলায়।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুরেন্দ্রজিৎ সিং আহলুওয়ালিয়া সমর্থনে হুট্ খোলা গাড়িতে বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার করেন। এই  নির্বাচনী প্রচারটি বার্নপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে টাউন পূজা, বন্ধু মহল মাঠ, সুভাষপল্লী স্কুল হয়ে আবার বার্নপুর বাসস্ট্যান্ডে শেষ করা হয়। সঙ্গে ছিলেন জেলা সভাপতি বাপ্পা চ্যাটার্জী, কৃষ্ণেদু মুখার্জী রাজ্য নেতা সহ বিজেপি নেত্রী এবং কর্মীসমর্থক। এই শোভাযাত্রা থেকে সুকান্ত, সন্দেশখালির ভুয়ো প্রচার নিয়ে ভিডিও প্রসঙ্গে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি।

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    এদিন আসানসোলে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে তৃণমূল নেত্রী মমতাকে আক্রমণ করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূল সন্দেশখালির পাপ ঢাকার জন্য অনেক কিছু করছে। নতুন কিছু না কিছু আরও ঘটবে। বীরভূমে আমরা দেখেছি বাবাকে বোমা মেরে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা খুন করেছিল। সেই ছেলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রথমে বিস্ফোরক হয়েছিল। কিন্তু পরে অনুব্রতর চাপে খুন হওয়ার পিতার ছেলে নিজের বয়ান বদলাতে বাধ্য হয়েছিল। ফলে আমরা জানি কীভাবে বক্তব্য পাল্টাতে বাধ্য করে তৃণমূল। তৃণমূল এই ভোট প্রচারের বাজারে ফেক ভিডিও প্রকাশ করা হচ্ছে।” আবার রাজভবন থেকে ভিডিও প্রকাশ সম্পর্কে সুকান্ত বলেন, “মানুষ দেখে সব কিছুর সিদ্ধান্ত নেবেন। সময় সব কিছু বলবে।”

    আরও পড়ুনঃ মোদির নির্দেশের পরই বড় সিদ্ধান্ত, যোগ্য শিক্ষকদের জন্য চালু বিশেষ পোর্টাল

    আর কী বললেন?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আরও বলেন, “তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে। আমরা দেখেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা লাগিয়ে মোদি এবং অমিত শাহের ভিডিওতে ভয়েস দিয়ে ভুয়ো বার্তা ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী থাকলেও কণ্ঠস্বর এআই দিয়ে এডিট করা হচ্ছে। আমি মানুষকে অনুরোধ করব এই সব ফেক ভিডিও থেকে যেন নিজেদের সাবধান করেন। এই চোরেদের ভালো করে চিনে রাখুন। এই চোরদের সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট নিজে মান্যতা দিয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল চাকরি চুরি করেছে। এসএসসি এক কথায় চোর। রাজ্য সরকার প্রাতিষ্ঠানিক চোর, মুখ্যমন্ত্রী প্রাতিষ্ঠানিক চোর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air India: গণ ‘সিক লিভে’র শাস্তি! ৩০ জন কেবিন ক্রু-কে একসঙ্গে ছাঁটাই এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের

    Air India: গণ ‘সিক লিভে’র শাস্তি! ৩০ জন কেবিন ক্রু-কে একসঙ্গে ছাঁটাই এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কর্মীসঙ্কটের জেরে বিপাকে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়া (Air India Flights) এক্সপ্রেস। একসঙ্গে প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু আচমকাই ছুটি নিয়েছিলেন। ফলে কর্মীসঙ্কটের জেরে বাধ্য হয়ে ৭০টির বেশি এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) এক্সপ্রেস বিমান বাতিল (Flights Cancelled) করতে বাধ্য হয়েছিল বিমান সংস্থা। আর এবার কর্মীদের এমন আচরণের পাল্টা পদক্ষেপ নিল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। এক চিঠিতে একসঙ্গে চাকরি গেল কমপক্ষে ৩০ জন কেবিন ক্রু-র।

    ঠিক কী কারনে এই সিদ্ধান্ত? (Air India) 

    সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছিল প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু। তারা নিজেদের মোবাইলও অফ করে দেন যাতে যোগাযোগ করা না যায়। সূত্রের খবর টাটা গোষ্ঠীর সংস্থাটিতে চাকরির নতুন যে শর্ত দেওয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদেই এই ঘটনা (Flights Cancelled)ঘটেছে। নয়া নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে কয়েক দিন ধরেই অসন্তোষ দেখা দিচ্ছিল কর্মীদের মধ্যে। আর কর্মী অসন্তোষের জেরে এবার চটে লাল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। বিক্ষুব্ধ কর্মচারিদের একাংশকে বিনা নোটিশে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দিল টাটা গোষ্ঠীর এই উড়ান সংস্থা। যদিও এয়ার ইন্ডিয়ার বিক্ষোভকারী কেবিন ক্রুদের দাবি, অসুস্থতার কারণে ছুটি চেয়েছিলেন তাঁরা। যা না মেলায় মঙ্গলবার কাজে যোগ দেননি এদের একটা বড় অংশ। 

    উড়ান সংস্থার বক্তব্য 

    অন্যদিকে বুধবার, 8 মে একগুচ্ছ বিক্ষোভকারীর হাতে টার্মিনেশন লেটার বা চাকরি থেকে বরখাস্তের চিঠি ধরিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) এক্সপ্রেস। চিঠিতে উড়ান সংস্থাটি বলেছে, ‘যে ভাবে একসঙ্গে কেবিন ক্রুরা অসুস্থতার রিপোর্ট করেছে, তা সন্দেহজনক। এটি পূর্ব পরিকল্পিত বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। তাঁরা সম্মিলিতভাবে কাজ থেকে বিরতি নিতে চাইছেন। যা কোনভাবেই বরদাস্ত করা সম্ভব নয়।’ তবে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। হঠাৎ করে একসঙ্গে এতজন কর্মীদের ছুটি নেওয়ায় বিমানবন্দররে যে অব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, তার জেরেই শাস্তি স্বরূপ ৩০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে নীতি বিরুদ্ধ আচরণের জন্য আরও কর্মীকে ছাঁটাই করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: মোদির নির্দেশের পরই বড় সিদ্ধান্ত, যোগ্য শিক্ষকদের জন্য চালু বিশেষ পোর্টাল

    এ প্রসঙ্গে উড়ান সংস্থাটির সিইও (CEO) অলোক সিং জানিয়েছেন, “মঙ্গলবার উড়ান টেক অফের মুখে প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি চেয়েছিলেন। যা অনৈতিক।” হঠাৎ করে এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জেরে যাত্রী পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share