Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: “অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে তৃণমূল আদালতে যাচ্ছে”, রাজ্যসভায় মমতাকে নিশানা মোদির

    PM Modi: “অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে তৃণমূল আদালতে যাচ্ছে”, রাজ্যসভায় মমতাকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) যুক্তিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তীব্র সমালোচনা করেছেন। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে তৃণমূল আদালতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে ঘোষণা করেছেন।

    পতনের সমস্ত রাস্তা তৈরি (PM Modi)

    যদিও মমতার নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata Banerjee) বুধবার  প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের সামনে এসআইআরের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন এবং নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগও করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন নিজের ভাষণে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার নিষ্ঠুর সরকার, নির্মম সরকার। কেবল ক্ষমতার জন্য চিন্তা করে, জনগণের জন্য নয়। একটি নির্মম সরকার পতনের সমস্ত রাস্তা তৈরি করেছে। এটাও একটা নতুন রেকর্ড। পশ্চিমবঙ্গের জনগণের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, কিন্তু রাজ্যের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিয়ে কোনও চিন্তা করছেন না। ক্ষমতায় থাকা ছাড়া তাদের আর কোনও আকাঙ্খা নেই।”

    চাকরি এবং জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে

    মোদি (PM Modi) আরও বলেন, “বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশগুলিও তাদের দেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়িত করছে। তবে আমাদের দেশে, কিছু গোষ্ঠী অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার জন্য ইচ্ছাকৃত এবং সংগঠিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের দেশের যুবসমাজ কীভাবে এমন নেতাদের গ্রহণ করতে পারে যারা অবৈধ অনুপ্রবেশের পক্ষে গুণগান করে পক্ষা অবলম্বন করছেন। দেশের যুবসমাজের জন্য সুযোগগুলো অবৈধভাবে কেড়ে নিচ্ছে এই অনুপ্রবেশকারীরা। অনুপ্রবেশকারীরা তাদের চাকরি এবং জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে, উপজাতি সম্প্রদায়ের জমি দখল করছে এবং আমাদের ছেলেমেয়েদের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতের জন্য হুমকি তৈরি করছে।”

    নিজেদের পকেট ভরার জন্য কাজ করেছে

    পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য নির্বাচনের আগে তৃণমূলকে কোণঠাসা করার জন্য বিজেপি যে রাজনৈতিক ইস্যুগুলিকে কাজে লাগাচ্ছে তার মধ্যে অনুপ্রবেশ অন্যতম। বিজেপি এসআইআর প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে, যার তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের অভিযোগ তাড়াহুড়ো করে প্রচুর নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) একই যুক্তি উত্থাপন করেছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তৃণমূল এবং তাদের বিরোধী জোটের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও করেছেন।  রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, বা বামপন্থী, তারা কয়েক দশক ধরে কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে এবং রাজ্যগুলিতে সরকার পরিচালনার সুযোগও পেয়েছে। তারা কেবল নিজেদের পকেট ভরার জন্য কাজ করেছে; নাগরিকদের জীবনে পরিবর্তন আনা কখনই তাদের অগ্রাধিকার ছিল না।”

  • UIDAI: আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করেছে ইউআইডিএআই, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রের

    UIDAI: আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করেছে ইউআইডিএআই, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউআইডিএআই (UIDAI) মৃত ব্যক্তিদের আধার (AADHAAR) বাতিল অভিযানে বিরাট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখনও পর্যন্ত আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের ব্যক্তি পরিচয় কর্তৃপক্ষ (UIDAI) একটি বড় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আড়াই কোটিরও বেশি মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করার পদক্ষেপ করেছে, যা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সংসদে জানিয়েছে, ডেটাবেসের নির্ভুলতা এবং অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য এই অভিযান চালানো হয়েছে।

    দ্বিতীয় বৃহৎ শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া (UIDAI)

    পিআইবি-র এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং রাজ্য-স্তরের নাগরিক নিবন্ধন ডেটাবেস (UIDAI) দ্বারা প্রদত্ত যাচাইকৃত মৃত্যুর রেকর্ড ব্যবহার করে এই নিষ্ক্রিয়করণ করা হয়েছে। সম্প্রতি গত কয়েক মাসে এটি দ্বিতীয় বৃহৎ শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া। ২০২৫ সালের শেষ থেকে এখনও পর্যন্ত মোট আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার (AADHAAR) নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

    পরিচয় জালিয়াতি রোধ করতে অভিযান

    ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর আধার ডেটাবেস হল বিশ্বের বৃহত্তম বায়োমেট্রিক পরিচয় ব্যবস্থা, যেখানে ১৩৪ কোটিরও বেশি সক্রিয় আধারধারী রয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে সংযুক্ত নম্বরগুলি সরিয়ে, কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য পরিচয় জালিয়াতি রোধ করতে বিশেষ ভাবে সচেষ্ট। ভুয়ো আধারে যাতে সরকারি সুবিধা না পান তাই স্বচ্ছতা অবশ্যই প্রয়োজন। সরকারি প্রকল্পের বণ্টন ব্যবস্থাকে আরও সঠিক এবং কার্যকর করতে ইউআইডিএআই-র পদক্ষেপ ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ইউআইডিএআই (UIDAI) বায়োমেট্রিক লকিং, লাইভনেস ডিটেকশন সহ ফেস অথেনটিকেশন, অফলাইন কিউআর (QR) কোড যাচাইকরণ এবং অনুমোদনহীন অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য নিয়মিত ডি-ডুপ্লিকেশন প্রক্রিয়া সহ শক্তিশালী সুরক্ষা বৈশিষ্ট্যগুলিও তুলে ধরেছে। মৃত ব্যক্তিদের আধার (AADHAAR) নম্বরের নিয়মিত ডি-ডুপ্লিকেশন এবং ডিঅ্যাক্টিভেশনের মতো কাজ ইউআইডিএআই-এর কাছে ডেটাবেস স্যানিটাইজেশন অনুশীলনের একটি অংশ মাত্র। এটা একটি সাধারণ প্রক্রিয়া যা সময়ে সময়ে আপডেট বা সংস্করণ হয়ে থাকে।

  • Ramakrishna 574: “ধ্যানের অবস্থা কিরকম জানো? মনটি হয়ে যায় তৈলধারায় ন্যায়, এক চিন্তা, ঈশ্বরের; অন্য কোন চিন্তা আর ভিতর আসবে না”

    Ramakrishna 574: “ধ্যানের অবস্থা কিরকম জানো? মনটি হয়ে যায় তৈলধারায় ন্যায়, এক চিন্তা, ঈশ্বরের; অন্য কোন চিন্তা আর ভিতর আসবে না”

                 ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ—Sir Humphrey Davy ও অবতারবাদ

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘জগতের উপকার’ বা কর্মযোগ 

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর

    নিত্যলীলা যোগ

    Identity of the Absolute or the Universal Ego and the Phenomenal World 

    বৈকাল হইয়াছে, ডাক্তার আসিয়াছেন। অমৃত (ডাক্তারের ছেলে) ও হেম, ডাক্তারের সঙ্গে আসিয়াছেন। নরেন্দ্রাদি ভক্তেরাও উপস্থিত আছেন। ঠাকুর (Ramakrishna) নিভৃতে অমৃতের সঙ্গে কথা কহিতেছেন। জিজ্ঞাসা করিতেছেন, “তোমার কি ধ্যান হয়?” আর বলিতেছেন, “ধ্যানের অবস্থা কিরকম জানো? মনটি হয়ে যায় তৈলধারায় ন্যায়। এক চিন্তা, ঈশ্বরের; অন্য কোন চিন্তা আর ভিতর আসবে না।” এইবার ঠাকুর সকলের সঙ্গে কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি) — তোমার ছেলে অবতার মানে না। তা বেশ। নাই বা মানলে।

    “তোমার ছেলেটি বেশ। তা হবে না? বোম্বাই আমের গাছে কি টোকো আম হয়? তার ঈশ্বরে কেমন বিশ্বাস! যার ঈশ্বরে মন সেই তো মানুষ। মানুষ — আর মানহুঁশ। যার হুঁশ আছে, চৈতন্য আছে, সে নিশ্চিত জানে, ঈশ্বর সত্য আর সব অনিত্য — সেই মানহুঁশ। তা অবতার মানে না, তাতে দোষ কি?

    “ঈশ্বর (Ramakrishna); আর এ-সব জীবজগৎ, তাঁর ঐশ্বর্য। এ মানলেই হল। যেমন বড় মানুষ আর তার বাগান।

    “এরকম আছে, দশ অবতার, — চব্বিশ অবতার, — আবার অসংখ্য অবতার। যেখানে তাঁর বিশেষ শক্তি প্রকাশ, সেখানেই অবতার! তাই তো আমার মত (Kathamrita)।

    “আর-এক আছে, যা কিছু দেখছো এ-সব তিনি হয়েছেন। যেমন বেল, — বিচি, খোলা, শাঁস — তিন জড়িয়ে এক। যাঁর নিত্য তাঁরই লীলা; যাঁর লীলা তাঁরই নিত্য। নিত্যকে ছেড়ে শুধু লীলা বুঝা যায় না। লীলা আছে বলেই ছাড়িয়া ছাড়িয়ে নিত্যে পৌঁছানো যায়।

    “অহং বুদ্ধি যতক্ষণ থাকে, ততক্ষণ লীলা ছাড়িয়ে যাবার জো নাই। নেতি নেতি করে ধ্যানযোগের ভিতর দিয়ে নিত্যে পৌঁছানো যেতে পারে। কিন্তু কিছু ছাড়বার জো নাই। যেমন বললাম, — বেল।”

    ডাক্তার — ঠিক কথা (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কচ নির্বিকল্পসমাধিতে রয়েছেন। যখন সমাধিভঙ্গ হচ্ছে একজন জিজ্ঞাসা করলে, তুমি এখন কি দেখছো? কচ বললেন, দেখছি যে জগৎ যেত তাঁতে জরে রয়েছে! তিনিই পরিপূর্ণ! যা কিছু দেখছি সব তিনিই হয়েছেন। এর ভিতর কোন্‌টা ফেলব, কোন্‌টা লব, ঠিক করতে পাচ্ছি না।

    “কি জানো — নিত্য আর লীলা দর্শন করে, দাসভাবে থাকা। হনুমান সাকার-নিরাকার সাক্ষাৎকার করেছিলেন। তারপরে, দাসভাবে — ভক্তের ভাবে — ছিলেন।”

    মণি (স্বগতঃ) — নিত্য, লীলা দুই নিতে হবে। জার্মানিতে বেদান্ত যাওয়া অবধি ইউরোপীয় পণ্ডিতদের কাহারও কাহারও এই মত। কিন্তু ঠাকুর বলেছেন (Kathamrita), সব ত্যাগ — কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ—না হলে নিত্য-লীলার সাক্ষাৎকার হয় না। ঠিক ঠিক ত্যাগী। সম্পূর্ণ অনাসক্তি। এইটুকু হেগেল প্রভৃতি পণ্ডিতদের সঙ্গে বিশেষ তফাত দেখছি।

  • PM MODI: “৮৩ বছর বয়সী সাংসদ মল্লিকার্জুন বসেই স্লোগান দিন”, কটাক্ষ মোদির

    PM MODI: “৮৩ বছর বয়সী সাংসদ মল্লিকার্জুন বসেই স্লোগান দিন”, কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) বিরোধী সাংসদদের হট্টগোলের মধ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে কটাক্ষ করে বলেন, “বয়সের কথা বিবেচনা করে বসেই স্লোগান দিতে পারেন।”

    রাজ্যসভায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের জবাবী ভাষণ দেন  প্রধানমন্ত্রী (PM MODI)। কিন্তু লোকসভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল বিরোধীরা। বিরোধী দলের সদস্যদের তাঁর চেয়ার ঘিরে থাকার কারণে বক্তব্য রাখতে পারেননি মোদি।

    বয়সের কারণে বসে স্লোগান দিতে পারেন (PM MODI)

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর (PM MODI) বক্তব্য শুরু হওয়ার পর বিরোধী দলের সাংসদরা উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে শুরু করে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে বক্তব্য রাখার অনুমতি দেওয়ার দাবিতে তুমুল হৈহট্টগোল শুরু হয়। স্লোগান চলার সময়, প্রধানমন্ত্রী মোদি থেমে যান এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা খাড়গে-র কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, “৮৩ বছর বয়সী এই সাংসদ বয়সের কারণে বসে স্লোগান দিতে পারেন।”

    ভাবমূর্তি পরিবর্তন করতে সময় লেগেছে

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM MODI) ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির কথা উল্লেখ করেন। এরপর বিরোধীরা আবারও সমালোচনা করে এবং ওয়াকআউট করে। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “কংগ্রেস ২০১৪ সালে একটা জগাখিচুড়ি রেখে গিয়েছিল এবং এখন আমাদের সরকারকে সেটা পরিষ্কার করার জন্য অনেক প্রচেষ্টা করতে হয়েছে। তাদের কারণেই ভারতের একটি অস্বচ্ছ ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল। আমাকে সেই ভাবমূর্তি পরিবর্তন করতে অনেকটা সময় ব্যয় করতে হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ ছিল যা বালার বাইরে।”

    বোফর্স কেলেঙ্কারি কংগ্রেসের বড় কেলেঙ্কারি

    রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, বামপন্থী এবং ডিএমকে সহ দলগুলিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM MODI) বলেন, “কয়েক দশক ধরে কেন্দ্র এবং রাজ্যে শাসন করেছে কংগ্রেস ও তার সহযোগী দলগুলি কিন্তু মূলত দুর্নীতির জন্যই। এখনও, যখন মানুষ তাদের সম্পর্কে কথা বলে, তারা বাণিজ্য চুক্তির কথা বলে না। তারা বোফর্সের মতো চুক্তির কথা বলে। বোফর্স কেলেঙ্কারি ভারতের স্বার্থের বিপরীতে ছিল। মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছিল কংগ্রেস। যার বিস্তারিত এখনও প্রকাশ করা হয়নি। বিরোধীরা দাবি করেছে যে চুক্তির কারণে কৃষকদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তবে কেন্দ্র সরকারের সম্পূর্ণ আশ্বাস যে কৃষি এবং দুগ্ধজাত পণ্যের মতো ক্ষেত্রগুলি সুরক্ষিত থাকবে। প্রকল্পগুলি সফলভাবে বাস্তবায়নের উপর আমাদের সরকারের মনোযোগের সঙ্গে জোর দিয়েছে। কংগ্রেস কেবল কল্পনা করে এবং বাস্তবায়নের বিষয়ে কিছুই করে না।”

  • Laxmi Bhandar: মমতার দেড় হাজার নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের দেবে তিন হাজার টাকা, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Laxmi Bhandar: মমতার দেড় হাজার নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের দেবে তিন হাজার টাকা, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের তৃণমূল সরকার বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) প্রকল্পে টাকা বৃদ্ধি করেছে। এবার তাকে চ্যালেঞ্জ করে তিন হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে বঙ্গ বিজেপি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রীসভার অনুমোদনের পর পেশ হয়েছে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট। তাতে দেখা গিয়েছে জনমোহিনী প্রকল্পের জোয়ার। ভোটের আগে রাজ্যের মহিলা ভোটকে টার্গেট করে যেন কল্পতরু হয়ে উঠেছেন। তবে বিজেপি এই ঘোষণার পাল্টা ঘোষণা করেছে।

    বাংলার মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্য কেন? (Laxmi Bhandar)

    এদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ আরও ৫০০ করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অসংরক্ষিত ক্যাটাগরির মহিলা পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফশিলি জাতি-উপজাতি পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই টাকা বৃদ্ধি করে তিন হাজার করা হবে। আমি আমাদের সংকল্প কমিটির কনভেনারকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে পয়লা জুন আগে আপনাকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউণ্টে তিন হাজার করে টাকা দেবো। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) কেবলমাত্র ভোটের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে। সিভিক, প্যারা টিচার এবং যুবশ্রী এপ্রিলে হবে। কিন্তু লক্ষ্মী ভাণ্ডার আই প্যাকের বুদ্ধিতে মার্চের মধ্যেও ঢুকিয়ে দেবে। উদ্দেশ্য একটাই ভোট অন অ্যাকাউন্টটা পেশ হয়েছে। গোয়াতে গিয়ে মহিলাদের পাঁচ হাজার টাকা দেবে বলে ঘোষণা করেছিল তৃণমূল। ফলে বাংলার মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্য কেন? অধিবেশনে আমি এই মর্মে প্রশ্ন তুলেছিলাম।”

    পয়লা জুনের আগে ঢুকে যাবে টাকা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মমতাকে তোপ দেগে আরও বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) প্রকল্প নাকি এই সরকার দেশে প্রথম চালু করেছে। এই ধরনের প্রকল্প প্রথম চালু হয় মধ্যপ্রদেশে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান লাডলি বহেনা চালু করেছিলেন। তারপরে আসামে সর্বানন্দ সোনোয়াল চালু করেন। পরে বিজেপি সরকার থাকা অনেক রাজ্যে এটা চালু হয়েছে। লাখপতি দিদি কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছে। ওড়িশায় সুভদ্রা যোজনায় এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। মহারাষ্ট্রে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়। হরিয়ানায় ২১০০ টাকা দেওয়া হয়। ২১ টি রাজ্যে এরকম মহিলাদের নিয়ে স্কিম রয়েছে। আমি আমাদের সংকল্পপত্র কমিটির কনভেনরকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, আমরা অনেক এটা আগেই বলেছি। এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে মে মাসের ক্যাবিনেটে সিদ্ধান্ত নিয়ে পয়লা জুনের আগে আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে ঢোকাব। এটা মিনিমাম। এটা আরও বাড়তে পারে, কমবে না।”

  • Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রীতি মেনে ভাষণ শুরু করলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই বক্তব্য শেষ করে দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। রাজ্যের বাজেট অধিবেশনে এমন ঘটনা নজির বিহীন। রাজ্যপাল বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জানিয়ে দেন, আর পড়বেন না। রাজ্য বিধানসভায় এই ঘটনা বেনজির। তবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যপালের সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল নিজের মেরুদণ্ড সোজা রেখে, সংবিধান এবং ভারত সরকারকে মর্যাদা দিয়ে যেটা করেছেন, তার জন্য হ্যাটস অফ টু গভর্নর অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে কুর্ণিশ জানাই।”

    পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান (Governor CV Ananda Bose)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মমতা সরকারকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “সরকারের লেখা মিথ্যা ভাষণ পড়তে চাননি রাজ্যপাল। তামিলনাড়ুর পর বাংলাতেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছে। বিধানসভায় রাজ্যপাল লে করা মানেই ভাষণটি গ্রহণ করেননি।” জানা গিয়েছে রাজ্যপালের (Governor CV Ananda Bose) ভাষণের জন্য বরাদ্দ সময়ছিল প্রায় ৪৫ মিনিট। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে চার থেকে পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান। রাজ্য সরকারের দেওয়া ভাষণে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়েছে। তবে এই সব বক্ত্যব্যের পিছনে কোনো সঠিক তথ্য ছিল না। আর সেই কারণেই হয়তো রাজ্যপাল ভাষণের অংশ পাঠ করেননি।

    কথা অসত্য তাই পড়া যাবে না

    বিধানসভায় যখন রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণ পড়ে থেমে যান সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন ভাষণ পড়বেন না, রাজ্যপাল তখন নির্দিষ্ট লাইন তুলে ধরে বলেন এই কথা অসত্য, পড়া যাবে না। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অনুরোধ না শুনে বাইরে বেড়িয়ে যান রাজ্যপাল।

    এর বেশি আমি পড়ব না!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাষণে লেখা ছিল, ‘দ্য ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হেল্ড আপ বাই দ্য সেন্টার ফর এ লং টাইম’ অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকার দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রেখেছে। উনি ঠিক এই জায়গাতেই থামেন এবং বলেন, ‘আই উইল নট রিড মোর’, এর বেশি আমি পড়ব না। এরপরই তিনি বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম করেন। রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণে রাজ্যের বকেয়া বা ঋণের বিষয়ে আপত্তি জানাননি। কিন্তু যখনই ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’-এর প্রসঙ্গ আসে, তখনই তিনি বেঁকে বসেন। এখানেই থেমে থাকেননি শুভেন্দু, তিনি আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার তো আগেই ৫০:৫০ অংশীদারিত্বে এই সেচ প্রকল্পটি করতে বলেছিল। শর্ত ছিল, জমি অধিগ্রহণের পর স্কিম পাঠাতে হবে। রাজ্য সরকার তো জমি অধিগ্রহণই করেনি। রাজ্যপাল কেন এমন একটি বিষয় পড়বেন, যার স্বপক্ষে কোনও ডকুমেন্ট রাজ্যের কাছে নেই? সরকার যা লিখে দেবে, তিনি কি তাই পড়তে বাধ্য?’’

  • Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের (Nabanna) আবেদন খারিজ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ জন অফিসারকে ট্রেনিংয়ে ডাকা হয়েছে। প্রত্যেক আধিকারিককেই নির্ধারিত সময়সূচি মেনে ব্রিফিং বৈঠকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্রিফিং বৈঠক ঘিরে কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই মোতাবেক রাজ্যের ২৪ আইএএস-আইপিএস অফিসারকে দিল্লি যেতে হল।

    বৈঠকে অংশগ্রহণ করতেই হচ্ছে (Nabanna)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্ধারিত ব্রিফিং বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে আগে জমা পড়া ছাড়ের আবেদন বিবেচনার পর তা বাতিল করা হয়েছে। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছিল তাঁদের নির্ধারিত দিন ও সময়ে বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে হবে।

    ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক

    পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের ২৫ জন সিনিয়র অফিসারকে কেন্দ্রীয় অবজারভার হিসেবে নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। ওই তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনা সহ ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক। এই সিদ্ধান্তকে পুর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছ নবান্ন কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল। এই আবেদনকে খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আইপিএস হৃষীকেশ মীনাকে বৈঠক ও প্রশিক্ষণপর্বে যোগ দিতে হবে না। ফলে, ২৫ জনের মধ্যে ২৪ জনকেই দিল্লি যেতে হচ্ছে।

    রাজ্যের আবেদন মানা সম্ভব নয়

    রাজ্যের অবশ্য দাবি ছিল, ভোটের মুখে প্রথম সারির প্রশাসনিক (Nabanna) আধিকারিকদের বৈঠকে পাঠানো হলে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই বিকল্প ১৭ জন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে হয়েছিল। কমিশন বুধবার স্পষ্ট করে জানিয়েছে এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও আবেদন মানা সম্ভব নয়। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছে তাঁদের নির্ধারিত দিন এবং সময়ে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করতেই হবে। কমিশনের নির্দেশ সকল আধিকারিকদের নজরে আসতে হবে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের মধ্যে যাতে কোনও বিভ্রান্তি না থাকে সেই জন্য এই নির্দেশিকা দ্রুত কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

  • Washington Post: এক ঝটকায় ৩০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ওয়াশিংটন পোস্ট, কেন জানেন?

    Washington Post: এক ঝটকায় ৩০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ওয়াশিংটন পোস্ট, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী ছাঁটাই করল জেফ বেজোসের মালিকানাধীন ওয়াশিংটন পোস্ট (Washington Post)।  তাদের মোট কর্মশক্তির প্রায় ৩০ শতাংশ ছাঁটাই করছে। এই ব্যাপক ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়বে বিদেশনীতি ও ক্রীড়া বিষয়ক প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে। বিশেষ করে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে পত্রিকাটির বহু রিপোর্টিং কার্যকলাপ মার খাবে (Mass Layoffs)।

    ছাঁটাইয়ের তালিকায় (Washington Post)

    এক্স হ্যান্ডেলে সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ছাঁটাইয়ের তালিকায় রয়েছেন ওয়াশিংটন পোস্টের এশিয়া সম্পাদক, নয়াদিল্লি, সিডনি ও কায়রোর ব্যুরো প্রধানরা, চিন ও তুরস্কের সংবাদদাতারা এবং মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক পুরো রিপোর্টিং টিম। সাংবাদিকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্লোবাল সাউথের বড় একটি অংশ থেকে স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ করার ক্ষমতা হারাবে পত্রিকাটি। পত্রিকার এক্সিকিউটিভ এডিটর ম্যাট মারি বলেন, “এই ছাঁটাই নিউজরুমে স্থিতিশীলতা আনার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।” তবে প্রত্যাশিতভাবেই এই ঘোষণা কর্মীদের পাশাপাশি পত্রিকার একাধিক প্রাক্তন শীর্ষ কর্তার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন এই ঘটনাকে পত্রিকার ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার দিনগুলির একটি বলে উল্লেখ করেছেন।

    আন্তর্জাতিক সংবাদ কভারেজ টিম

    মারে এও বলেন, “পোস্টের আন্তর্জাতিক সংবাদ কভারেজ টিম ছোট করা হলেও, প্রায় ১২টি ব্যুরো চালু থাকবে, যেগুলির মূল ফোকাস থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সংবাদপত্রটিতে (Washington Post) একের পর এক কর্মী ছাঁটাই ও স্বেচ্ছাবসর কর্মসূচির ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ উদাহরণ এই সিদ্ধান্ত। সাবস্ক্রিপশন কমে যাওয়া এবং আর্থিক চাপের মুখে পড়েই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে (Mass Layoffs)।” সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কর্মীসংখ্যা হ্রাস ও স্বেচ্ছাবসর কর্মসূচির ধারাবাহিকতারই অংশ এই ছাঁটাই। সাবস্ক্রিপশন কমে যাওয়া ও আর্থিক চাপের সঙ্গে লড়াই করছে পত্রিকাটি। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগে ওয়াশিংটন পোস্ট বড় ধাক্কা খায়, যখন ডিজিটাল গ্রাহকদের একাংশ সাবস্ক্রিপশন বাতিল করেন এবং একাধিক কলামিস্ট পদত্যাগ করেন।

    সম্পাদকীয় অনুমোদন আটকে দেন বেজোস, তারপরেই…

    এই পরিস্থিতির সূচনা হয় পত্রিকার মালিক জেফ বেজোস উপ-রাষ্ট্রপতি কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট পদে সমর্থনের সম্পাদকীয় অনুমোদন আটকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়া কর্মীরা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বেতন পাবেন, তবে এই সময়ে তাঁদের কাজ করতে হবে না। পাশাপাশি তাঁরা ছ’মাসের স্বাস্থ্য বিমার সুবিধাও পাবেন (Mass Layoffs)। ওয়াশিংটন পোস্টের এই সঙ্কটের সম্পূর্ণ উল্টো ছবি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের। পত্রিকাটি জানিয়েছে, ৪ ফেব্রুয়ারির তথ্য বলছে, তারা ২০২৫ সালে প্রায় ১৪ লাখ নতুন সাবস্ক্রাইবার যুক্ত করেছে (Washington Post)।

     

  • Election Commission: সোমবারের মধ্যেই জবাব তলব, নবান্নকে কড়া চিঠি নির্বাচন কমিশনের, কেন জানেন?

    Election Commission: সোমবারের মধ্যেই জবাব তলব, নবান্নকে কড়া চিঠি নির্বাচন কমিশনের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সওয়াল করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Election Commission)। গায়ে কালো গাউন চাপিয়ে আদালতে হাজির হয়েছিলেন তিনি (Mamata Banerjee)। সাংবিধানিক একটি প্রক্রিয়ার জন্য কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সটান সুপ্রিম কোর্টে চলে গেলেন দেখে, হইচই পড়ে যায় গোটা দেশে। সোমবার ফের শুনানি হবে এসআইআর মামলার। তার আগেই বুধবার সন্ধ্যায় নবান্নকে কড়া চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সোমবারের মধ্যেই তাদের চিঠির জবাব দিতে হবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই চিঠির বার্তাটি পরিষ্কার। মমতা যেমন নির্বাচন কমিশনকে ‘হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন’ বলে খোঁচা দিয়ে এসআইআরের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তেমনি কমিশনও পাল্টা জবাবে যেন বলতে চাইছে, তাঁর সরকারও সমানে অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ এখনও মানেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

    পাঁচটি গুরুতর অসহযোগিতা (Election Commission)

    কমিশনের ওই চিঠিতে সব মিলিয়ে পাঁচটি গুরুতর অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কমিশনের অভিযোগ, দুজন ইআরও, দুজন এইআরও এবং একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এক এইআরও এবং বিডিওর বিরুদ্ধে অননুমোদিতভাবে অতিরিক্ত এইআরও নিয়োগের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে এখনও সাসপেন্ড করা হয়নি। তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভার বদলির সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়নি, যা কমিশনের নির্দেশের পরিপন্থী (Election Commission)। কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম না মেনে এসডিও বা এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। একইভাবে, রিটার্নিং অফিসার নিয়োগেও নির্দেশিকা মানা হয়নি বলে অভিযোগ। কমিশনের ওই চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই সব ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নির্দেশ ও নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী চিঠি উপেক্ষা করা হয়েছে। ফলে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কমিশন।

    সমসসীমাও বেঁধে দিয়েছে কমিশন

    এজন্য কমিশন সমসসীমাও বেঁধে দিয়েছে। জানিয়ে দিয়েছে, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার দুপুর ৩টের মধ্যে এই সব বিষয়ের বিস্তারিত কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না এলে পরবর্তী কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত। নির্বাচন কমিশনের দফতরের (Election Commission) এক আধিকারিক বলেন, “নির্বাচন কমিশনের জারি করা গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ লিখিত বা বিজ্ঞপ্তি দিয়েই জানানো হয়। কিন্তু প্রতিটি কাজের জন্য লিখিত নির্দেশ পাঠানো যায় না। এখন তথ্য এবং বার্তা দ্রুত পাঠানোর অন্যতম মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ (Mamata Banerjee)। কাজের সুবিধার্থে জেলার আধিকারিকদের হোয়াটসঅ্যাপে কোনও কিছু বলা হয়। এর মধ্যে অনিয়মের কিছু নেই।” তিনি বলেন, “সব জেলাশাসককে বলা হয়েছে, তাৎক্ষণিক কাজের সুবিধার জন্য হোয়াটসঅ্যাপে কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়। কারও কোনও আপত্তি থাকলে তিনি জানাতে পারেন। তবে নিয়ম মোতাবেক প্রথমে তাঁকে নির্দেশ পালন করতে হবে। তার পরে তিনি লিখিত নির্দেশ চাইতে পারবেন।” তবে এখনও পর্যন্ত কোনও জেলাশাসক বা জেলা আধিকারিক এই নির্দেশের বিরোধিতা করেননি বলেই সূত্রের খবর (Election Commission)।

     

  • Donald Trump: ট্রাম্পের কড়া ভিসা নীতির জের, ভারতেই বিশাল অফিস খুলছে গুগলের মূল সংস্থা অ্যালফাবেট

    Donald Trump: ট্রাম্পের কড়া ভিসা নীতির জের, ভারতেই বিশাল অফিস খুলছে গুগলের মূল সংস্থা অ্যালফাবেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোরতর অভিবাসন নীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে কৌশলগত পদক্ষেপ নিতে চলেছে অ্যালফাবেট। ট্রাম্পের ভিসা কড়াকড়ির জন্য বিকল্প পথ হিসেবে ভারতে তাদের ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে চলেছে গুগলের মূল সংস্থাটি। ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনের সিদ্ধান্তের ফলে বাধ্য হয়েই এই সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাটি। কারণ এই প্রশাসন এইচ-১বি ভিসা (H 1B Visa) কর্মসূচিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থাগুলি বিদেশ থেকে বিশেষ করে ভারত ও চিন থেকে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ করে। এর জন্য  এইচ-১বি ভিসার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল তারা। এখন ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বিধিনিষেধের ফলে অ্যালফাবেটের মতো সংস্থাগুলি প্রতিভার উৎস দেশগুলিতেই তাদের ব্যবসার একটি অংশ সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে।

    অ্যালফাবেটের অফিস (Donald Trump)

    ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড প্রযুক্তি করিডরে অ্যালেম্বিক সিটিতে অ্যালফাবেট মোট ২৪ লক্ষ বর্গফুট অফিস স্পেস নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি অফিস টাওয়ার লিজ নেওয়া, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই কর্মীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি, আরও দুটি টাওয়ার কেনার অপশন নেওয়া হয়েছে, যেগুলির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা আগামী বছর। অ্যালফাবেটের এক মুখপাত্রের মতে, সংস্থাটি ইতিমধ্যেই ৬ লক্ষ ৫০ হাজার বর্গফুট অফিস স্পেস লিজ নিয়েছে (Donald Trump)। ‘কেনার-অপশন’ নেওয়ার অর্থ হল—নির্মাণ শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলি কেনার একচেটিয়া অধিকার থাকবে অ্যালফাবেটের হাতে। তবে সংস্থাটি চাইলে ওই সম্পত্তিগুলি না কেনার সিদ্ধান্তও নিতে পারে (H 1B Visa)।

    কর্মসংস্থানের সুযোগ

    জানা গিয়েছে, সব ক’টি নয়া পরিকাঠামো পুরোপুরি ব্যবহার করা হলে প্রায় ২০ হাজার অতিরিক্ত কর্মী কাজ করতে পারবেন। এর ফলে ভারতে অ্যালফাবেটের কর্মীসংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে যেতে পারে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অ্যালফাবেটের মোট কর্মী সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯০ হাজার, যার মধ্যে ভারতে কর্মরত ১৪ হাজারের কাছাকাছি। ভারতে এই সম্প্রসারণের মূল কারণ হল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন সরকারের এইচ-১বি ভিসার আমূল সংস্কার। গত বছর নতুন এইচ-১বি ভিসার আবেদন ফি বাড়িয়ে ১ লাখ মার্কিন ডলার করা হয়, যা আগে ছিল মাত্র ২ হাজার থেকে ৫ হাজার ডলারের মধ্যে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া এবং ট্রাম্পের ভাষায়, বিদেশি আউটসোর্সিং সংস্থাগুলির দ্বারা ‘ব্যবস্থার অপব্যবহার’ রোধ করা।

    বৃহত্তম ক্যাম্পাস ‘অনন্তে’র উদ্বোধন

    এইচ-১বি ভিসার অন্যতম বৃহৎ স্পনসর অ্যালফাবেট দীর্ঘদিন ধরেই ইঞ্জিনিয়ারিং ও এআই উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদে এই কর্মসূচির ওপর নির্ভরশীল ছিল। এই পদগুলির বড় অংশে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদরা কর্মরত। নতুন বিধিনিষেধ, বাড়তি নজরদারি এবং আউটসোর্সড কাজের ওপর সম্ভাব্য কর আরোপ—সব মিলিয়ে উচ্চদক্ষতার কাজ দ্রুত ভারতের মতো দেশে সরে যাচ্ছে, যেখানে দক্ষ জনবলের প্রাচুর্য রয়েছে এবং খরচ তুলনামূলকভাবে কম (Donald Trump)। ভারতে নতুন অফিস স্পেস অধিগ্রহণের এই সিদ্ধান্ত এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন মাত্র এক বছর আগেই অ্যালফাবেট বেঙ্গালুরুতে তাদের বৃহত্তম ক্যাম্পাস ‘অনন্ত’ উদ্বোধন করেছে। এই কৌশল গ্রহণে অ্যালফাবেট একা নয় (H 1B Visa)। ট্রাম্প প্রশাসনের ভিসা বিধিনিষেধ মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রপিক পিবিসি (যারা ‘ক্লদ’ তৈরি করে) সম্প্রতি ভারতে তাদের অফিস খুলেছে। পাশাপাশি মেটা, মাইক্রোসফট, অ্যাপল, অ্যামাজন, নেটফ্লিক্স-সহ অন্য প্রযুক্তি জায়ান্টরাও দ্রুত ভারতে তাদের কার্যকলাপ সম্প্রসারণ করছে (Donald Trump)।

    ভিসা-সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি

    ভারতে অ্যালফাবেট-সহ বিভিন্ন সংস্থার এই কৌশল শুধু ভিসা-সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি কমাচ্ছে না, বরং বিশ্বের সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অর্থনীতির সুবিধাও নিতে সাহায্য করছে। প্রযুক্তি প্রতিভার বৃহত্তম ভান্ডার হওয়ার পাশাপাশি, ভারতে একশো কোটিরও বেশি মোবাইল ব্যবহারকারী রয়েছেন এবং স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট পরিষেবা সহজলভ্য—যা ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করেছে। গত মাসে প্রকাশিত ব্লুমবার্গের আর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ভিসা বিধিনিষেধের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর প্রযুক্তি প্রতিভা হারাচ্ছে এবং তার সুফল পাচ্ছে ভারত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি এই নীতির কারণে ভারতীয় প্রযুক্তি কর্মীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে না যান বা সেখান থেকে ফিরে আসেন, তবে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে ভারত—এবং এই পরিবর্তন ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। লিংকডইনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতে স্থানান্তরিত হওয়া প্রযুক্তি পেশাদারের  সংখ্যা বেড়েছে ৪০ শতাংশ (H 1B Visa)।

    ফিকি (FICCI) এবং অ্যানারক (ANAROCK)-এর একটি যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে ২,৪০০-রও বেশি গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার (GCC) গড়ে উঠতে পারে, যেখানে কর্মসংস্থান হবে প্রায় ২৮ লক্ষ পেশাদারের। বর্তমানে দেশে প্রায় ১,৭০০টি জিসিসি রয়েছে, যেখানে কর্মরত ১৯ লাখের মতো মানুষ (Donald Trump)।

LinkedIn
Share