Tag: Bengali news

Bengali news

  • Sri Ramakrishna Kathamrita 10: “দুষ্ট লোকের হাত থেকে রক্ষার জন্য একটু তমোগুণ দেখানো দরকার!”

    Sri Ramakrishna Kathamrita 10: “দুষ্ট লোকের হাত থেকে রক্ষার জন্য একটু তমোগুণ দেখানো দরকার!”

    ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    {গৃহস্থ তমোগুণ}

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Sri Ramakrishna Kathamrita)–লোকের সঙ্গে বাস করতে গেলেই দুষ্ট লোকের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করবার জন্য একটু তমোগুণ দেখানো দরকার! কিন্তু সে অনিষ্ট করবে বলে উলটে তার অনিষ্ট করা উচিত নয়।

    “এক মাঠে এক রাখাল গরু চরাত। সেই মাঠে একটা ভয়ানক বিষাক্ত সাপ ছিল। সকলেই সেই সাপের ভয়ে অত্যন্ত সাবধানে থাকত। একদিন একটি ব্রহ্মচারী (Sri Ramakrishna Kathamrita) সেই মাঠের পথ দিয়ে আসছিল। রাখালেরা দৌড়ে এসে বললে, ঠাকুর মহাশয়! ওদিক দিয়ে যাবেন না। ওদিকে একটা ভয়ানক বিষাক্ত সাপ আছে। ব্রহ্মচারী বলেলে, বাবা তা হোক; আমার তাতে ভয় নাই, আমি মন্ত্র জানি! এই কথা বলে ব্রহ্মচারী সেইদিকে চলে গেল। রাখালেরা ভয়ে কেউ সঙ্গে গেল না। এদিকে সাপটা ফণা তুলে দৌড়ে আসছে, কিন্তু কাছে না আসতে আসতে ব্রহ্মচারী যেই একটি মন্ত্র পড়লে, আমনি সাপটা কেঁচোর মতন কাছে পড়ে রইল। ব্রহ্মচারী বললে, ওরে তুই কেন পরের হিংসা করে বেড়াস; আয় তোকে মন্ত্র দিব। এই মন্ত্র জপলে তোর ভগবানলাভ হবে, আর হিংসা প্রবৃত্তি থাকবে না।’ এই বলে সে সাপকে মন্ত্র দিল। সাপটা মন্ত্র পেয়ে গুরুকে প্রণাম করলে আর জিজ্ঞাসা করলে ঠাকুর! কি করে সাধনা করব, বলুন? গুরু বললেন, এই মন্ত্র জপ কর, কারও হিংসা করো না। ব্রহ্মচারী যাবার সময়ে বললে, আমি আবার আসব।’

    এই রকম কিছুদিন যায়। রাখালেরা দেখে যে, সাপটা আর কামড়াতে আসে না! ঢ্যালা মারে তবুও রাগ হয় না, যেন কেঁচোর মতন হয়ে গেছে। একদিন একজন রাখাল কাছে গিয়ে ল্যাজ ধরে খুব ঘুরপাক দিয়ে তাকে আছড়ে ফেলে দিলো। সাপটার মুখ দিয়ে রক্ত উঠতে লাগল, আর সে অতেচন হয়ে পড়ল। নড়ে না চড়ে না। রাখালেরা (Sri Ramakrishna Kathamrita) মনে করলে যে, সাপটা মরে গেছে। এই মনে করে তারা সব চলে গেল।

    অনেক রাত্রে সাপের চেতনা হল। সে আস্তে আস্তে (Sri Ramakrishna Kathamrita) অতি কষ্টে তার গর্তের ভিতর চলে গেল। শরীর চূর্ণ—নড়বার শক্তি নাই। অনেকদিন পরে যখন অস্থিচর্মসার তখন বাহিরে আহারের চেষ্টায় রাত্রে এক-একবার চরতে আসত; ভয়ে দিনের বেলা আসত না, মন্ত্র লওয়া অবধি আর হিংসা করে না। মাটি, পাতা, গাছ থেকে পড়ে গেছে এমন ফল খেয়ে প্রাণধারণ করত।

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ, তৃতীয় দর্শন

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    আরও পড়ুনঃ “ঈশ্বরে ভক্তিলাভ না করে যদি সংসার করতে যাও তাহলে আরও জড়িয়ে পড়বে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sri Ramakrishna Kathamrita11: “আমি কামড়াতে বারণ করেছি, ফোঁস করে তাঁদের ভয় দেখাস নাই কেন?”

    Sri Ramakrishna Kathamrita11: “আমি কামড়াতে বারণ করেছি, ফোঁস করে তাঁদের ভয় দেখাস নাই কেন?”

    ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    প্রায় এক বৎসর পরে ব্রহ্মচারী (Sri Ramakrishna Kathamrita) সেইপথে আবার এলো। এসেই সাপের সন্ধান করলে। রাখালেরা বললে, সে সাপটা মরে গেছে। ব্রহ্মচারীর কিন্তু ও-কথা বিশ্বাস হল না! সে জানে, যে মন্ত্র ও নিয়েছে তা সাধন না হলে দেহত্যাগ হবে না। খুঁজে খুঁজে সেই দিকে তার নাম ধরে ডাকতে লাগল। সে গুরুদেবের আওয়াজ শুনে গর্ত থেকে বেড়িয়ে এল ও খুব ভক্তিভাবে প্রণাম করলে। ব্রহ্মচারী জিজ্ঞাসা করলে, তুই কেমন আছিস? সে বললে, আজ্ঞে ভালো আছি। ব্রহ্মচারী বললে, তবে তুই এত রোগা হয়ে গিছিস কেন? সাপ বললে, ঠাকুর আপনি আদেশ করেছেন—কারও হিংসা করো না, তাই পাতাটা ফলটা খাই বলে বোধ হয় রোগা হয়ে গিছি! ওর সত্ত্বগুণ হয়েছে কি না, তাই কারু উপর ক্রোধ নাই। সে ভুলেই গিয়েছিল যে, রাখালেরা মেরে ফেলবার যোগাড় করেছিল। ব্রহ্মচারী বলেন, শুধু না খাওয়ার দরুন এরূপ অবস্থা হয় না। অবশ্য আরও কারণ আছে ভাবে দেখে। সাপটার মনে পড়ল যে, রাখালেরা আছাড় মেরেছিল। তখন সে বললে, ঠাকুর মনে পড়েছে বটে, রাখালেরা একদিন আছাড় মেরেছিল। তখন সে বললে, ঠাকুর মনে পড়েছে বটে, রাখালেরা একদিন আছাড় মেরেছিল। তারা অজ্ঞান, জানে না যে আমার মনের কি অবস্থা; আমি যে কাহাকেও কামড়াব না বা কোনরূপ অনিষ্ট করব না, কেমন করে জানবে? ব্রহ্মচারী (Sri Ramakrishna Kathamrita) বললে, ছি! তুই এত বোকা, আপনাকে রক্ষা করতে জানিস না; আমি কামড়াতে বারণ করেছি, ফোঁস করে তাঁদের ভয় দেখাস নাই কেন?

    দুষ্টু লোকের কাছে ফোঁস করতে হয়, ভয় দেখাতে হয়, পাছে অনিষ্ঠ করে। তাদের গায়ে বিষ ঢালতে নাই, অনিষ্ট করতে নাই। 

    ঈশ্বরের (Sri Ramakrishna Kathamrita) সৃষ্টিতে নানারকম জীবন্ত, গাছপালা আছে। জানোয়ারের মধ্যে ভাল আছে মন্দ আছে। বাঘের মতো হিংস্র জন্তু আছে। গাছের মধ্যে অমৃত ন্যায় ফল হয় এমন আছে; আবার বিষফলও আছে। তেমনি মানুষের মধ্যে ভাল আছে, মন্দও আছে; অসাধুও আছে; সংসারী জীব আছে আবার ভক্ত আছে।

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    আরও পড়ুনঃ “ভালো লোকের সঙ্গে মাখামাখি চলে, মন্দ লোকের কাছ থেকে তফাত থাকতে হয়”

     

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ, তৃতীয় দর্শন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sri Ramakrishna Kathamrita 9: “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    Sri Ramakrishna Kathamrita 9: “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ভিন্ন প্রকৃতি–Are all men equal?)

    ঈশ্বরের সৃষ্টিতে নানারকম জীবজন্তু, গাছপালা আছে। জানোয়ারের মধ্যে ভাল আছে মন্দ আছে। বাঘের মতো হিংস্র জন্তু আছে। গাছের মধ্যে অমৃতের ন্যায় ফল হয়, এমন আছে; আবার বিষফলও আছে। তেমনি মানুষের মধ্যে ভাল আছে, মন্দও আছে, সাধু আছে, অসাধুও আছে, সংসারী জীব আছে আবার ভক্ত আছে।

    জীব চারপ্রকারঃ বদ্ধজীব, মুমুক্ষজীব, মুক্তজীব ও নিত্যজীব

    নিত্যজীবঃ যেমন নারদাদি। এরা সংসারে থাকে জীবের মঙ্গলের জন্য – জীবদিগকে শিক্ষা দিবার জন্য।

    বদ্ধজীবঃ বিষয়ে আসক্ত হয়ে থাকে, আর ভগবানকে ভুলে থাকে – ভুলেও ভগবানের চিন্তা করে না।

    মুমুক্ষজীবঃ যারা মুক্ত হবার ইচ্ছা করে। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ মুক্ত হতে পারে, কেউ বা পারে না।

    মুক্তজীবঃ যারা সংসার কামিনী-কাঞ্চন আবদ্ধ নয় – যেমন সাধু মহাত্মারা, যাদের মনে বিষয়বুদ্ধি নাই, আর যারা সর্বদা হরিপাদপদ্ম (Sri Ramakrishna Kathamrita) চিন্তা করে।

    “যেমন জাল ফেলা হয়েছে পুকুরে। দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না – এরা নিত্যজীবের উপমাস্থল। কিন্তু সব মাছই জালে পড়ে। এদের মধ্যে কতকগুলি পালাবার চেষ্টা করে। এরা মুমুক্ষজীবের উপমাস্থল। কিন্তু সব মাছ পালাতে পারে না। দু-চারটে ধপাঙ ধপাঙ করে জাল থেকে পালিয়ে যায়, তখন জেলে বলে, ওই একটা মস্ত মাছ পালিয়ে গেল! কিন্তু যারা জালে পড়েছে, অধিকাংশই পালাতে পারে না; আর পালাবার চেষ্টাও করে না। বরং জাল মুখে করে, পুকুরের পাঁকের ভিতরে গিয়ে চুপ করে মুখ গুঁজরে শুয়ে থাকে – মনে করে, আর কোন ভয় নাই, আমরা বেশ আছি। কিন্তু জানে না যে জেলে হড় হড় করে টেনে আড়ায় তুলবে। এরাই বদ্ধজীবের উপমাস্থল।”

    সংসারী লোক – বদ্ধজীব (Sri Ramakrishna Kathamrita)

    বদ্ধজীবেরা সংসারে কামিনী-কাঞ্চনে বদ্ধ হয়েছে, হাত-পা বাঁধা। আবার মনে করে যে, সংসারের ওই কামিনী ও কাঞ্চনেতেই সুখ হবে, আর নির্ভয়ে থাকবে। জানে না যে ওতেই মৃত্যু হবে। বদ্ধজীব যখন মরে, তার পরিবার বলে, তুমি তো চললে, আমার কি করে গেলে? আবার এমনি মায়া যে, প্রদীপটাতে বেশি সলতে জ্বললে বদ্ধজীব বলে, তেল পুড়ে যাবে সলতে কমিয়ে দাও। এদিকে মৃত্যুশয্যায় শুয়ে রয়েছে!

    বদ্ধজীবেরা ঈশ্বরচিন্তা (Sri Ramakrishna Kathamrita) করে না। যদি অবসর হয় তাহলে হয় আবোল-তাবোল ফালতু গল্প করে, নয় মিছে কাজ করে। জিজ্ঞাসা করলে বলে, আমি চুপ করে থাকতে পারিনা, তাই বেড়া বাঁধছি। হয়তো সময় কাটে না দেশে, তাস খেলতে আরম্ভ করে।” (সকলে স্তব্ধ)

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ, তৃতীয় দর্শন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Humayun kabir: এবার সরাসরি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি! শক্তিপুরে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

    Humayun kabir: এবার সরাসরি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি! শক্তিপুরে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন ভোটের আবহ। আর এরই মধ্যে নির্বাচনী জনসভা থেকে উস্কানিমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগেই মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সফরে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহরমপুরে নেমেই বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে কাছে ডেকে বহরমপুর লোকসভা নির্বাচনে ইউসুফ পাঠান যাতে জয়লাভ করে সে বিষয়ে হুমায়ুন কবিরকে (Humayun kabir) নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই কথা মেনেই বুধবার জনসভা করছিলেন হুমায়ুন কবির। 

    হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য (Humayun kabir)

    এদিন তিনি রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,”কাদের কে বলেছে? কোন ধর্মস্থান ভাঙার কথা? যারা একথা বলে সম্প্রীতি নষ্ট করছে তাদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কেন কোন রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না? ভোট আগামী ৭ তারিখ, তারপর সবাইকে এই শহরে থাকতে হবে। সেখানে কি করে রাজনীতির নেতৃত্বরা এরকম ভাবে হুমকি দেয়? তাদের ক্ষেত্রে কেন কোন পদক্ষেপ হবে না? কতদিন আর উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ এই হুমকি শুনবে। ভোটের জন্য উস্কানি মূলক ভাষণ দেবেন নেতারা। আর তার ফল ভোগ করতে হবে সাধারণ মানুষকে। এ কতদিন ধরে চলবে? মানুষ কবে সজাগ হবে? প্রশ্ন উঠেছে আজ।” 
    একই সঙ্গে এদিন বিজেপি কে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,”কত ধানে কত চাল হয়, দুঘণ্টার মধ্যে তোমাদের কেটে যদি ভাগীরথীর গঙ্গায় না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। এখানে তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? কিন্তু যদি ভেবে থাকো ৩০% লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আর আমরা ৭০%। এখানে কামনগরে তোমরা বেঁচে আছ বলে কাজীপাড়ায় মসজিদ ভাঙবে আর বাকি এলাকার মুসলমান ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনদিন হবে না। বিজেপিকে আমি হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলছি কোনও দিন হবে না।”   
    অর্থাৎ যেখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার কথা মুখে বলছে সব দলই আর কাজে করছেন অন্য, সেরকমই একটি চিত্র এবার ধরা পরল হুমায়ুন কবিরের (Humayun kabir) সভায়। আর হুমায়ুন কবিরের মন্তব্যের জেরে ফের উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে শক্তিপুরে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?  

    রামনবমীর দিনও উত্তেজনা 

    প্রসঙ্গত শক্তিপুরে এর আগে রামনবমীর দিনও মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এর জেরে একাধিক পুলিশকর্মী, দুই নাবালক সহ মোট ১৮ জন জখম হয়েছিলেন। শক্তিপুর হাই স্কুল মোড়ের কাছে রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছিল। রামনবমীর মিছিলটি যখন একটি মসজিদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই নাকি হামলা চালানো হয়েছিল। সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যান মুর্শিদাবাদের ডিআইজি সৈয়দ ওয়াকার রাজা। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তারই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয় শক্তিপুরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: জমি হাতিয়েছিলেন শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মিজানুর! সন্দেশখালি গিয়ে খোঁজ নিল সিবিআই

    Sandeshkhali: জমি হাতিয়েছিলেন শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মিজানুর! সন্দেশখালি গিয়ে খোঁজ নিল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) একের পর এক বাসিন্দাদের জমি হাতিয়েছিল শাহজাহান বাহিনী। জমিহারাদের তালিকায় নাম রয়েছে, সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লকের সরবেড়িয়া আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডুগরিপাড়ার কাবিল মোল্লা ,আনসার মোল্লা, ফজের আলি মোল্লা, সুজয় লস্কর, রাজু লস্কর সহ একাধিক গ্রামবাসীদের। তাঁদের কাছ থেকে জমির চরিত্র বদল করে সরকারি তথ্য নষ্ট করে বেনামে জমি দখল করে বেনামে বিক্রি করার অভিযোগ ওঠে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ  তৃণমূল নেতা মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে।

    জমিহারাদের কী বক্তব্য? (Sandeshkhali)

    ইতিমধ্যে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তদন্তভার নিয়েছে সিবিআই। আর সেই সিবিআই প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার সন্দেশখালির রাজবাড়ি, ডুগড়ি পাড়া এলাকায় গিয়ে জমি হারাদের অভিযোগের সত্যতা তথ্য যাচাই করেন। গ্রামবাসীদের বয়ান রেকর্ড করেন সিবিআই আধিকারিকরা। কাবিল মোল্লার অভিযোগ,আমরা দীর্ঘদিন এই জমি চাষবাস করে জীবিকা নির্বাহ করি। এই গ্রামের বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীর কাছে থেকে জোরপূর্বক শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মিজানুর ক্ষমতা বলে আমাদের জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে কোনও সুরাহা পাইনি। সিবিআই ওয়েবসাইটে আমরা অভিযোগ জানিয়েছি। এরপর তদন্ত শুরু হয়েছে। আশা করবো, সিবিআইয়ের তদন্তের পর আমাদের জমি আমরা ফেরত পাব। সেই আশায় প্রহর গুনছি।

    আরও পড়ুন: ‘এক ফোনে দিদিভাই’ কর্মসূচি চালু করলেন অগ্নিমিত্রা, ট্রেনে জনসংযোগ বিজেপি প্রার্থীর

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মিজানুর রহমান বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সিপিএমের আমলে জমির পাট্টা দেওয়া ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর থেকে এই জমির বিষয় দেখছে। এই জমির সঙ্গে আমার কোনও যোগসূত্র নেই। পাশাপাশি সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু জমির পাট্টা আছে, রেকর্ড নেই। আবার জমির রেকর্ড আছে, পাট্টা নেই। সেই জমির প্রকৃত কাগজপত্র নিয়ে ধন্দে রয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। সমস্ত কিছু যাচাই করতে এদিন সন্দেশখালি যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: জেলাশাসকের দফতরে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দুকে বাধা

    Tamluk: জেলাশাসকের দফতরে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দুকে বাধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুকে (Tamluk) জেলাশাসকের অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী (BJP Candidate) সৌমেন্দু অধিকারী (Soumendu Adhikary) । নিজেদের খাস তালুকেই বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় শোরগোল এলাকায়। বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল জেলা শাসকের অফিসে কর্মরত পুলিশের বিরুদ্ধে।  এদিন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipore) কাঁথিতে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়। মনোনয়ন চলাকালীন শিশির অধিকারীকেও (Sisir Adhikary) বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বসচা শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    জেলাশাসকের অফিসে ১৪৪ ধারী ধারার জারি

    পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হয় জেলাশাসকের অফিসে ১৪৪ ধারী ধারার জারি রয়েছে। দফতরের ১০০ মিটারের মধ্যে প্রার্থী, এজেন্ট এবং প্রস্তাবক ছাড়া মোট চারজনের বেশি কেউ প্রবেশ করতে পারবে না এমনটাই নির্দেশ রয়েছে জেলা শাসকের। বিজেপি কর্মীরা নাকি সেই সময় জোটবদ্ধ হয়ে জেলা শাসকের দপ্তরের কাছাকাছি চলে আসেন। সেই সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তবে শিসির অধিকারী এলাকার সাংসদ। তাঁকে কেন বাধা দেওয়া হয় এনিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে। এর পরেই  গন্ডগোল আরও বাড়ে। স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা।  প্রসঙ্গত অধিকারি পরিবারের খাসতালুক কাঁথি। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রতীকে এখান থেকেই লড়াই করছেন সৌমেন্দু অধিকারী। ২০০৯ সাল থেকে এখানে জয়ী হয়ে আসছেন শিশির অধিকারী। বয়স জনিত কারণে এবার তিনি প্রার্থী হচ্ছেন না। তার বদলে প্রার্থী করা হয়েছে তাঁর পুত্রকে। দীর্ঘদিন ধরেই অধিকারি পরিবারের কেউই আর তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত নয়। শিশির অধিকারী, সৌমেন্দু ও দিব্যেন্দু এরা সকলেই তৃণমূলের সঙ্গে সঙ্গ ত্যাগ করেছেন বহুদিন আগেই।

    ২০০৯ সাল থেকে সাংসদ শিশির অধিকারী 

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) বিজেপিতে যোগদান করার পরেই গোটা পরিবারের সঙ্গেই তৃণমূলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে। শিশির অধিকারী তৃণমূলের টিকিটের জয়ী হলেও তিনি সংবাদমাধ্যমে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে যে বক্তব্য রেখেছেন তাতে তাঁর তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব প্রকাশ পেয়েছে।

  • Madhyamik Result 2024: ‘অযোগ্য’ পরীক্ষকরাও কি তাহলে মাধ্যমিকের উত্তরপত্র দেখলেন? রয়ে গেল প্রশ্ন

    Madhyamik Result 2024: ‘অযোগ্য’ পরীক্ষকরাও কি তাহলে মাধ্যমিকের উত্তরপত্র দেখলেন? রয়ে গেল প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিকের (Madhyamik Result 2024) ফল প্রকাশিত হল, কিন্তু রয়ে গেল সেই বিতর্ক। মাধ্যমিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে শিক্ষকদের যোগ্যতার প্রশ্ন আরও একবার সামনে চলে এল। অনেকেরই মুখে মুখে ঘুরছে একটাই প্রশ্ন, তাহলে কি ‘অযোগ্য’ পরীক্ষকরাই উত্তরপত্র দেখলেন? জানা গিয়েছে ২০১৬ সালের ফলাফলের ভিত্তিতে এই শিক্ষকদের নিযুক্তি হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি হাইকোর্টের রায়ে সেই সময়ের সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল হয়ে যায়। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ছিল না, সাড়ে পাঁচ হাজার নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার যোগ্য-আযোগ্যদের নিয়ে তথ্য জানাতে পারেনি। এবার তাই সম্পূর্ণ প্যানেলের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক পদ বাতিল করেছে হাইকোর্ট। 

    পর্ষদ সভাপতির বক্তব্য (Madhyamik Result 2024)

    মধ্যশিক্ষা (Madhyamik Result 2024) পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের পর বলেন, “আমাদের কাছে এমন কোনও তথ্য নেই যে যাঁরা খাতা দেখেছেন, তাঁরা কোন সালে চাকরি পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরাও ভাবিত। সব কিছু পরিচালনা করা আমাদের মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরাও খুব চিন্তিত। আমরা ইতিমধ্যে আদালতে গিয়েছি।” মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বক্তব্য, শিক্ষকের অভাবের কারণে মার্কশিট এবং শংসাপত্র বিতরণে সমস্যা হবে।

    আরও পড়ুনঃ ফের মেধা তালিকায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন, প্রথম দশে স্থান পেল ৬ পড়ুয়া

    বহু ‘অযোগ্য’ পরীক্ষক!

    এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার (Madhyamik Result 2024) মোট পরীক্ষক ছিলেন ৫১ ৮৩৮ জন। তার মধ্যে আবার প্রধান পরীক্ষক ছিলেন ১ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে বহু ‘অযোগ্য’ পরীক্ষক আছেন বলে জানা গিয়েছে। ২০১৬ সালে পরীক্ষা হয়েছিল। সেখান থেকেই ২০১৯ সালে শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী প্যানেলভুক্ত হয়। কিন্তু সিবিআই-এর তদন্তে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির কথা উঠে আসে। এরপর হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির বিশেষ বেঞ্চ ২৫৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দেন। অভিযোগ ছিল, যাঁরা মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। চার সপ্তাহের মধ্যে ১২ শতাংশ সুদ সমেত বেতন ফেরানোর কথা জানিয়েছে আদালত। পাল্টা এই নির্দেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে আবেদনও করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের এই মর্মে নির্দেশও দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (Lok Sabha Election 2024)

    ফল ঘোষণার পরে পঁয়তাল্লিশ দিন সংরক্ষণ করা হবে ওই ইউনিট। সিম্বল লোডিং ইউনিটকে গোলাপি কাগজে করে ট্রাঙ্কে সংরক্ষিত করে রাখতে হবে। সিলের ওপর স্বাক্ষর করবেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সব প্রার্থী। ওই সব ইউনিটকে সুরক্ষিত রাখবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার কিংবা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। পুরো প্রক্রিয়াটির ভিডিওগ্রাফি করতে হবে।

    কী বলছেন আধিকারিক?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের এক আধিকারিক (Lok Sabha Election 2024) বলেন, “সিম্বল লোডিং ইউনিটে প্রার্থীদের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক থাকে। সেখান থেকে তথ্য প্রবেশ করানো হয় ভিভিপ্যাটে। পরে সেই ভিভিপ্যাটগুলি পাঠানো হয় বুথে। এর অর্থ হল, সিম্বল লোডিং ইউনিট ও ভিভিপ্যাটের তথ্য এক হবে। তাই ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় থাকলে সিম্বল লোডিং ইউনিট যাচাই করলেই সঠিক তথ্য মিলবে। এমতাবস্থায় ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?

    প্রসঙ্গত, ইভিএমের সঙ্গে সব ভিভিপ্যাট গণনার দাবি তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল অ্যাসেসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস নামের একটি সংগঠন। ২৬ এপ্রিল ওই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় দূর করতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করতে হবে। গণনায় দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রার্থী তা যাচাই করার আবেদন করতে পারবেন। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছিল, ইভিএমে প্রতীক আপলোড করার পর তা একেবারে সিলড ও নিরাপদ রাখতে হবে মেশিনে। সিলে স্বাক্ষর করতে পারেন প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টরা। সিলড মেশিনটি ফল ঘোষণার পর পঁয়তাল্লিশ দিন পর্যন্ত স্টোররুমে সংরক্ষিত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ মেনেই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Agnimitra Paul:  ‘এক ফোনে দিদিভাই’ কর্মসূচি চালু করলেন অগ্নিমিত্রা, ট্রেনে জনসংযোগ বিজেপি প্রার্থীর

    Agnimitra Paul:  ‘এক ফোনে দিদিভাই’ কর্মসূচি চালু করলেন অগ্নিমিত্রা, ট্রেনে জনসংযোগ বিজেপি প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ মানুষের কাছে আরও নিবিড় জনসংযোগ করতে এবার অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করল বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। তাঁর উদ্যোগে মূলত মেদিনীপুর লোকসভায় চালু করা হল,  ‘এক ফোনে দিদিভাই’ কর্মসূচি। বিজেপি প্রার্থীর কাছে নিজেদের কথা এবার সরাসরি জানাতে পারবেন মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাধারণ মানুষজন। সে জন্য একটি ফোন নম্বরও প্রকাশ করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির ভোটের লড়াইয়ের একটি থিম সং-ও প্রকাশ করেন অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul)। লোকসভা ভোটের প্রচার পর্বে মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছে যেতে এই নয়া উদ্যোগ মেদিনীপুরের বিজেপি প্রার্থীর।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী? (Agnimitra Paul)

    অগ্নিমিত্রা (Agnimitra Paul) বলেন, “সকাল ১০টা থেকে সন্ধে ৬ টা পর্যন্ত সেই নম্বরে ফোন করতে পারবেন মেদিনীপুরবাসী। নিজেদের সমস্যার কথা কিংবা মেদিনীপুরের উন্নয়নের জন্য কোনও পরিকল্পনার কথা সাধারণ মানুষ আমার দেওয়া এই ফোন নম্বরে জানাতে পারবেন। একইসঙ্গে মেদিনীপুরকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তার আইডিয়া দিতে পারবেন। আমি চেষ্টা করব সমস্যা সমাধান করার। যে সমস্যাগুলি এখন সমাধান করতে পারবো না, সেগুলি ভোট পরবর্তী সময়ে জিতে সাংসদ হয়ে এলে সমাধানের চেষ্টা করবো। আর প্রত্যেকটি জায়গার সমস্যা নথিভুক্ত করে রাখা দরকার। সেই কারণে এই নম্বরে যে সমস্যা বা ইস্যুগুলি আসবে, সেগুলি নথিভুক্ত করে রাখা হবে।”

    আরও পড়ুন: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    লোকাল ট্রেনে জনসংযোগে অগ্নিমিত্রা

    গরম উপেক্ষা করেই লোকাল ট্রেনে চেপে প্রচারে করলেন মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul)। বিগত বেশ কিছুদিন ধরে ৪৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা মাথায় নিয়ে প্রচার সারছেন তিনি। খড়্গপুর স্টেশন থেকে একটি লোকাল ট্রেনে উঠে দাঁতনের সোনাকোনিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন বিজেপি প্রার্থী। লোকাল ট্রেনে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন, তাই লোকাল ট্রেনকেই প্রচারের জায়গায় হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি। খড়গপুর থেকে বালেশ্বরগামী লোকাল ট্রেনেও প্রচার সারেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?

    Calcutta High Court: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। বৃহস্পতিবার একটি মুখবন্ধ খামে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে স্টেটাস রিপোর্ট দিয়েছে সিবিআই। আদালতে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, জমির রেকর্ড সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করছে না রাজ্য।

    রাজ্যকে নির্দেশ আদালতের (Calcutta High Court)

    জমি কেড়ে নেওয়া সংক্রান্ত ৯০০টি অভিযোগ রয়েছে। রাজ্য তদন্তে সহযোগিতা না করলে তদন্তে দেরি হবে। এর পরেই প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে হবে রাজ্যকে। রাজ্যের কাছে সিবিআই যেসব নথি চেয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে সিবিআইয়ের হাতে সেসব নথি তুলে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। গত ১০ এপ্রিল সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। সেখানে হতাশ হতে হয়েছে রাজ্যকে। হাইকোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করেনি শীর্ষ আদালত।

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় হস্তক্ষেপ করেনি। রাজ্যকে সহযোগিতা করতে হবে এটাই কাম্য।” প্রধান বিচারপতি জানান, সিবিআই যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তা অত্যন্ত গোপনীয়। তবে জমি দখলের তদন্তে রাজ্যকে যাবতীয় সাহায্য করতে হবে সিবিআইকে। প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, সিবিআইকে সহযোগিতা করতে রাজ্য সরকারকে আধিকারিকদের নিযুক্ত করতে হবে। নিজেদের কৌশল প্রয়োগ করে সন্দেশখালির ঘটনায় সাক্ষীদের কাছ থেকে সঠিক তথ্য বের করে আনতে হবে। তার জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর দায়িত্বও নিতে হবে সিবিআইকে। প্রয়োজনে মহিলা আধিকারিকদের নিযুক্ত করতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুন। সেদিনই সিবিআইকে ফের পরবর্তী রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে কংগ্রেসকে নিশানা মোদির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    সন্দেশখালিকাণ্ডের পর এলাকার রাস্তায় এলইডি লাইট ও সিসিটিভি লাগানোর ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সে ব্যাপারে রাজ্য কোনও পদক্ষেপ না করায় প্রধান বিচারপতির হুঁশিয়ারি, আগামী শুনানির আগে যদি রাজ্য প্রশাসন ওই বিষয়ে পদক্ষেপ না করে, তাহলে ইস্যু করা হবে আদালত অবমাননার রুল। এদিকে, সন্দেশখালি মামলায় যুক্ত হতে চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। বৃহস্পতিবার সেই অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, মামলায় যুক্ত হয়ে হলফনামা দিতে পারবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share