Tag: Bengali news

Bengali news

  • NIT student: এনআইটিতে ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে বিক্ষোভ! দায় নিয়ে পদত্যাগ ডিরেক্টরের

    NIT student: এনআইটিতে ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে বিক্ষোভ! দায় নিয়ে পদত্যাগ ডিরেক্টরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরে এনআইটি (National Institute of Technology Durgapur) দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রের (NIT student) রহস্য মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে চাঞ্চল্য। ছাত্রমৃত্যুর জেরে ডিরেক্টরকে ঘিরে প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয় ক্যাম্পাসে। অভিযোগ, রবিবার ডিরেক্টরকে কার্যত ধাক্কা মেরে ক্যাম্পাসের বাইরে বের করে দেন পড়ুয়াদের একাংশ। এরপর ঘটনার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেন ডিরেক্টর।

    ঠিক কী ঘটেছিল (NIT student)?

    মৃত ছাত্রের নাম অর্পণ ঘোষ (NIT student)। সে মেকানিক্যাল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। কলেজ সূত্রে খবর,এদিন তাঁর একটি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। অভিযোগ, পরীক্ষাহলে নিজের আইডি কার্ড (ID Card) নিয়ে যেতে ভুলে যান অর্পণ। তাই তাঁকে পরীক্ষায় বসতেই দেওয়া হয়নি। এরপরই ঘরে ফিরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।

    ঘটনার তদন্তে পুলিশ

    ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে নেমেছে দুর্গাপুর (Durgapur) থানার পুলিশ। পরীক্ষা বাতিলের কারণেই কি অবসাদ না ছাত্র (NIT student) মৃত্যুর পেছনে আছে অন্য কোনও কারণ? তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের (Police) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    কলেজের পড়ুয়াদের দাবি

    এ ঘটনায় কলেজের পড়ুয়াদের (NIT student) দাবি, অর্পণকে যখন তাঁর ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়, তখনও তাঁর হৃদযন্ত্র সচল ছিল। অ্যাম্বুল্যান্স আনা হলেও তারা বলে রিপোর্ট লেখাতে হবে, আইডি কার্ড দেখাতে হবে। অভিযোগ, অর্পণকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করার পর অনেকক্ষণ বেঁচে ছিলেন। কিন্তু এনআইটির নিজস্ব হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র না থাকা এবং দীর্ঘ ২০ মিনিট অর্পণকে ফেলে রাখার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে গেলেন দেবাশিস ধর

    ডিরেক্টরের পদত্যাগের দাবি 

    এদিকে ঘটনার পরেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে কলেজ ক্যাম্পাসে। ছাত্ররা (NIT student) ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা ডিরেক্টরের পদত্যাগের দাবি জানাতে থাকেন। তাঁদের অভিযোগ, পড়াশুনার পাশাপাশি চাকরি নিয়ে অত্যধিক মানসিক চাপ (Mental pressure) তৈরি হচ্ছে তাদের মধ্যে। কলেজে নেই মেডিকেলের কোনও সুবিধা। এছাড়া এই ছাত্রের উপর মানসিক চাপ ছিল। পরীক্ষা বাতিল হওয়ার কারণেই তাঁর মানসিক চাপ তৈরি হয় বলে মনে করছেন সহপাঠীরা। এমন অবস্থায় বিক্ষোভের মুখে পড়ে ঘটনার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিরেক্টর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Debashis Dhar: মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে গেলেন দেবাশিস ধর

    Debashis Dhar: মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে গেলেন দেবাশিস ধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের তরফে নো ডিউ সার্টিফিকেট না মেলায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। সরকারের বৈমাতৃসুলভ আচরণের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর (Debashis Dhar)। রাজ্য প্রশাসনের অঙ্গুলিহেলনে পুলিশের দীর্ঘদিন কোনঠাসা ছিলেন। পুলিশের চাকরি ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলেন তিনি। অভিযোগ ছিল শীতলখুচিকান্ডের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্দেশেই তাঁকে পুলিশে কোণঠাসা করে রাখা হয়।

    একাধিক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ (Debashis Dhar)

    দেবাশিস (Debashis Dhar) আগেই জানিয়েছেন শীতলখুচি (Sitalkuchi) কান্ডর পর বিভিন্ন মামলায় সাক্ষী করা হলেও আসামীর মত ব্যবহার করা হয় তাঁর সঙ্গে। একাধিক অনিয়মের মামলায় ফাঁসানো হয় তাঁকে। যদিও সাজানো মামলা ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছে। চাকরি থেকে সাসপেন্ড ছিলেন দীর্ঘকাল। রাজনৈতিক জীবনেও তাঁর পথে কাঁটা বিছিয়ে রেখেছে রাজ্য। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন দিয়েছিলেন দেবাশীষ ধর (Debashis Dhar)। পুলিশের চাকরি ছেড়ে দলে আসা দেবাশিসকে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট দিয়েছিল বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী শতাব্দী রায়। ভয় না পেয়ে তিনি কার্যত জোর কদমে লড়াই শুরু করেছিলেন। গত সপ্তাহে তিনি মনোনয়ন জমা দেন। কিন্তু সরকারের তরফে নো ডিউ সার্টিফিকেট তাঁকে না দেওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। বিকল্প প্রার্থী হিসেবে দেবতনু ভট্টাচার্যকে (Debtanu Bhattacharya) এই কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুনঃ “টানা ৬দিন পানীয় জল নেই,” সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ মহিলাদের

    বিজেপির বক্তব্য

    প্রসঙ্গত বীরভূমের প্রার্থীর (Debashis Dhar) মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর বিজেপির (BJP) রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (Jagannath Chattopadhyay) সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)) চ্যালেঞ্জ জানানো হবে। এরপরই সোমবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন দেবাশীষ বাবু। বিজেপি নেতার আইনজীবী জানিয়েছেন, “লোকসভা নির্বাচন যেহেতু আসন্ন। তাই এই মামলার যাতে দ্রুত শুনানি হয় এবং আদালত যাতে মক্কেলকে রাজ্য সরকারকে দ্রুত নো ডিউ সার্টিফিকেট প্রদান করে সেই আবেদন করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment: এসএসসি মামলায় প্যানেল বাতিল! স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    SSC Recruitment: এসএসসি মামলায় প্যানেল বাতিল! স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি মামলায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ (SSC Recruitment) দিল না সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা, বিচারপতি মনোজ মিশ্রের এজলাস জানিয়েছে, আগামী সোমবার ফের এই মামলার শুনানি হবে। এর ফলে চাকরি বাতিলের নির্দেশই বহাল রইল। শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘প্যানেলের বাইরে নিয়োগ করা হয়েছে। এটা তো সম্পূর্ণ জালিয়াতি।’’

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এর পাশাপাশি দেশের শীর্ষ আদালত এদিন পর্যবেক্ষণে (SSC Recruitment) বলে, ‘‘কেন সুপার নিউমেরারি পোস্ট তৈরি করা হল?’’ এদিন চাকরিহারাদের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, নির্বাচনের ডিউটিতে অনেকেই রয়েছেন তাই এই মামলার স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক। কিন্তু তা শোনেনি সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে এসএসসির তরফ থেকে যোগ্য এবং অযোগ্যদের বাছাই করার বিষয়ে বলা হয়। সেক্ষেত্রে বিচারপতিদের বেঞ্চ প্রশ্ন করেন, ‘‘ওএমআর শিট তো সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করা হয়েছে, তাহলে কীভাবে আপনারা কারা যোগ্য সেটাকে আলাদা করবেন!’’ তবে ওএমআর শিট সম্পূর্ণ হবে নষ্ট হয়ে গেলেও আজব দাবি জানিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং তাদের আইনজীবী বলেন, ‘‘আমরা যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করতে প্রস্তুত রয়েছি।’’

    সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত এসএসসি

    রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষ আদালতের এদিন সওয়াল করে বলেন, ‘‘এই সময় নির্বাচন চলছে, এখন সিবিআই তদন্ত করলে পুরো মন্ত্রিসভা জেলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সুপার নিউমেরিক পোস্ট তৈরি নিয়ে তদন্তে স্থগিতাদেশ চায় রাজ্য (SSC Recruitment)। সুপ্রিম কোর্ট তা মঞ্জুর করে। এসএসসির আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী আদালতে প্রশ্ন তোলেন জানান, ৮ হাজার জনের নিয়োগ বেআইনি ভাবে হলেও ২৩ হাজার চাকরি কেন বাতিল করা হল?’’ পাল্টা প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ‘‘বেআইনি ভাবে নিয়োগ হয়েছে, এমন অভিযোগ জানার পরেও কী ভাবে সুপার নিউমেরিক পোস্টের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা? কেন সুপার নিউমেরিক পোস্ট (বাড়তি পদ) তৈরি করা হল?’’

    হাইকোর্টের রায়

    প্রসঙ্গত, সোমবারই এসএসসি মামলা (SSC Recruitment) ২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ বাতিল করে দেয়। কলকাতা হাইকোর্ট বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির রায়ের ফলে ২৫ হাজার ৭৫৩ জন  শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীর চাকরি চলে যায়। সাদা খাতা জমা দিয়ে যারা মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি পেয়েছিলেন, তাদেরকে ১২ শতাংশ সুদসহ বেতন ফেরত দিতে বলা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সম্পদের পুনর্বণ্টন, সম্পত্তি কর, কংগ্রেসকে একেবারে ধুয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: সম্পদের পুনর্বণ্টন, সম্পত্তি কর, কংগ্রেসকে একেবারে ধুয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির (PM Modi) নিশানায় ফের কংগ্রেস। সম্পদের পুনর্বণ্টণের যে প্রতিশ্রুতি কংগ্রেস দিয়েছে নির্বাচনী ইস্তাহারে (পোশাকি নাম ‘ন্যায়পত্র’), তাকে আরও একবার প্রধানমন্ত্রী বিদ্ধ করলেন সমালোচনার তিরে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, “(এগুলি) সমাধানের ছদ্মবেশে ভয়ঙ্কর সব সমস্যা।”

    সম্পদের পুনর্বণ্টন (PM Modi)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনি যদি জানেন যে সম্পদের পুনর্বণ্টনের নামে সরকার আপনার কষ্টার্জিত অর্থ কেড়ে নেবে, তাহলে কি আপনি দিনরাত পরিশ্রম করবেন?” কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে ‘যুবরাজ’ সম্বোধন করে তিনি বলেন, “বিরোধীদের এই জাতীয় কার্যকলাপ পৃথিবী জ্বালাও নীতির উদাহরণ।” তাঁর মতে, সম্পদ করের এই আইডিয়া স্টার্টআপকে হত্যা করবে। এটি প্রকৃতপক্ষে বিরোধীদের ভোটব্যাঙ্ককে খুশি করার একটি পদ্ধতি। এই জাতীয় আইডিয়া সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করবে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি মনে করি না এগুলি কোনও সমাধান। কল্পনাপ্রসূতও কোনও সমাধান এগুলি নয়।” তার পরেই তিনি বলেন, “এগুলি হল সমাধানের ছদ্মবেশে ভয়ঙ্কর সব সমস্যা।”

    ‘বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যদি প্রকৃতই মানুষের শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি, তাহলে আমাদের প্রথমেই সরাতে হবে বাধাগুলি, তাঁদের ক্ষমতায়ন করতে হবে। এটি তাঁদের উদ্যোগ-শক্তিকে প্রকাশ করে। যেমনটা আমরা দেখেছি দেশের টু কিংবা থ্রি-টায়ার শহরগুলিতে। একঝাঁক স্টার্টআপ ও স্পোর্টস স্টার বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।” সম্পদ কর এবং সম্পদের পুনর্বণ্টন যে কখনওই সাফল্যের মুখ দেখেনি, সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, “এগুলি দারিদ্র দূর করতে পারে না। এগুলি বিলি করা হয়েছিল যাতে প্রত্যেকেই সমানভাবে গরিব থাকে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গরিবরা দারিদ্রের জ্বালায় জর্জরিত, সম্পদ তৈরি থেমে গিয়েছিল, দারিদ্র হয়ে উঠেছিল সর্বজনীন। এই নীতি অনৈক্যের বীজ বপন করেছিল, রুদ্ধ করে দিয়েছিল সাম্যের লক্ষ্যে পৌঁছানোর সমস্ত রাস্তা। দেশের মধ্যে তারা প্রোথিত করেছিল বিদ্বেষের বীজ, নড়বড়ে করে তুলেছিল অর্থনীতির ভিত।”

    “মাওবাদী চিন্তাভাবনা”

    গত সপ্তাহেই আমেরিকার ধাঁচে এদেশেও উত্তরাধিকার ট্যাক্স চালুর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করার কথা বলেছিলেন কংগ্রেসের ওভারসিজ নেতা শ্যাম পিত্রোদা। তিনি বলেছিলেন, “আমেরিকায় উত্তরাধিকার ট্যাক্স রয়েছে। কারও যদি ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্পদ থাকে, তাহলে তাঁর মৃত্যুর পর ৫৫ শতাংশ সম্পদ নিয়ে নেবে সরকার, বাকি ৪৫ শতাংশ পাবেন মৃতের উত্তরাধিকারীরা।” এদিন তাঁকেও আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কংগ্রেসের প্রস্তাব এক্স-রে-র মতো অথবা সম্পদ পুনর্বণ্টনের জন্য আর্থ-সমাজিক সার্ভে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “মাওবাদী চিন্তাভাবনা এবং দর্শনের পরিষ্কার উদাহরণ। এটা দেখে দুঃখ হচ্ছে যে কংগ্রেস এবং তার যুবরাজ এমন মাওবাদী দৃষ্টিভঙ্গি বহন করে চলেছেন, যা আদতে বিপর্যয় ডেকে আনবে। আপনারা হয়ত শুনেছেন, যুবরাজ বলছেন আমরা এক্স-রে করব। এই এক্স-রে কিছুই নয়, প্রত্যেকের বাড়িতে রেইড করবে। কৃষকের বাড়িতে রেইড করে তারা জানতে চাইবে, তাঁদের কত জমিজমা রয়েছে। সাধারণ মানুষের বাড়িতে রেইড করতে গিয়ে তারা দেখবে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে তাঁরা কত সম্পদ করেছেন। তারা আমাদের বাড়ির মা-বোনেদের গয়নাও রেইড করবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সংবিধান প্রতিটি সংখ্যালঘুর সম্পত্তি রক্ষা করে। এর অর্থ হল, কংগ্রেস যখন সম্পদের পুনর্বণ্টনের কথা বলে, তখন তা সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে বর্তায় না, ওয়াকফ সম্পত্তি পুনর্বণ্টনের কথা তারা বলে না, তাদের শ্যেন দৃষ্টি কেবল অন্য সম্প্রদায়ের (পড়ুন সংখ্যাগুরুদের) সম্পত্তির ওপর। এভাবে তারা দেশে অনৈক্যে বীজ বপন করবে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    ভারতের মর্যাদাহানি

    বিজেপি গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক বলে লাগাতার প্রচার করে চলেছেন বিরোধীরা। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীরা ক্ষমতায় আসতে পারছেন না। তাই বিশ্বমঞ্চে তারা ভারতের মর্যাদাহানি করতে শুরু করেছে।” তিনি বলেন, “তাঁরা (বিরোধীরা) আমাদের নাগরিকদের সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলছেন, আমাদের গণতন্ত্র, আমাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মিথ্যা রটাচ্ছেন। ভারতে নির্বাচনী স্বৈরাচার কখনওই আসবে না, যদি না যুবরাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষমতায় চলে আসেন। এর কারণ তাঁকে নির্বাচনে লড়াই করতে হবে। আর তাঁর কথায় ভরসা করে ভারতবাসী নষ্ট হতে দেবেন না তাঁদের গণতন্ত্রকে।” পাবলিক সেক্টর, প্রাইভেট সেক্টর এবং এন্টারপ্রেনিয়রশিপ এই তিন ক্ষেত্রে ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় দেশবাসী তাঁর দশ বছরের রাজত্বকালকে মনে রাখবেন বলেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। তাঁর জমানায় যে ভারতের প্রতি বিশ্ব নেতাদের সম্ভ্রম বাড়ছে, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: নবাবিয়ানার সাক্ষী মুর্শিদাবাদে অজস্র দ্রষ্টব্য, ইতিহাস যেন এখানে কথা বলে!

    Murshidabad: নবাবিয়ানার সাক্ষী মুর্শিদাবাদে অজস্র দ্রষ্টব্য, ইতিহাস যেন এখানে কথা বলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)। প্রায় ৫৪ বছরের নবাবিয়ানার সাক্ষী বাংলা, বিহার, ওড়িশার শেষ স্বাধীন রাজধানী এই মুর্শিদাবাদ। এখানকার সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় দ্রষ্টব্য হল হাজারদুয়ারি। ১৮২৪ থেকে ১৮৩৮ সালে নগদ ১৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন নবাব নাজিম হুমায়ূন জা। আসল নকল মিলিয়ে প্রাসাদটির ১০০০টি দরজা থাকার জন্য এর নাম হয়েছে হাজারদুয়ারি। প্রাসাদের অভ্যন্তরে রয়েছে সংগ্রহশালা। সেখানে প্রদর্শিত হয়েছে তৎকালীন সময়ের নবাবদের ব্যবহৃত তৈজসপত্র, পোশাক, বিভিন্ন দলিল-দস্তাবেজ। এর আর্ট গ্যালারিতে রয়েছে মার্শাল, টিটো প্রমুখ বিশিষ্ট শিল্পীদের আঁকা অপূর্ব সব ছবি। অস্ত্রাগারে রয়েছে প্রায় ২৯০০০-রও বেশি অস্ত্র।

    বৃহত্তম ইমামবাড়া, কাটরা মসজিদ, জগৎ শেঠের বাড়ি (Murshidabad) 

    হাজারদুয়ারির বিপরীতেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম ইমামবাড়া। ১৮৪৬-এ সিরাজের তৈরি কাঠের ইমামবাড়াটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিনষ্ট হলে পরবর্তী কালে এটি নির্মাণ করেন নবাব নাজিম ফেরাদুন জা। হাজারদুয়ারির প্রাঙ্গণেই রয়েছে ঘড়ি মিনার, সিরাজের তৈরি মদিনা, বাচ্চেওয়ালি তোপ নামের বিশাল এক কামান। মুর্শিদাবাদের পরবর্তী আকর্ষণ কাটরা মসজিদ। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ ১৭২৩-২৪ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মাণ করেন। এখানেই রয়েছে তাঁর সমাধি। পাশেই তোপখানায় জাহানকোষা কামান। এছাড়াও এখানকার অন্যতম দ্রষ্টব্য কাঠগোলা বাগান, মোতিঝিল, জগৎ শেঠের বাড়ি, নসীপুরে দেবী সিং-এর প্রাসাদ (এই তিনটি স্থানেই বর্তমানে সংগ্রহশালা হয়েছে), ভাগীরথী নদীর ওপারে কীরিটকণা গ্রামে গ্রামে রয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের পবিত্র তীর্থস্থান একান্ন সতীপীঠের অন্যতম কিরীটেশ্বরী মন্দির, খোশবাগে নবাব সিরাজউদ্দৌলা, নবাব আলিবর্দী খানের সমাধি, বড়নগরে রানি ভবানীর তৈরি মন্দির প্রভৃতি (Murshidabad)। 

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Murshidabad)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেস, ভাগীরথী এক্সপ্রেস ছাড়াও শিয়ালদা থেকে যাচ্ছে লালগোলা প্যাসেঞ্জার। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) দূরত্ব প্রায় ২১৫ কিমি।
    থাকা খাওয়া-হাজারদুয়ারির আশেপাশে থাকাটাই সুবিধার। তাতে বেড়ানোর ঝামেলা এবং খরচ অনেকটাই কমে। এখানে আছে হোটেল হিস্টোরিক্যাল, হোটেল অন্বেষা (দুটিরই ফোন ৯৪৩৪১১৫৪৭০), হোটেল ফ্রেন্ডস এবং হোটেল পাপিয়া (এই দুটির ফোন ৯৭৩২৬০৯০৮৪), হোটেল যাত্রিক (৯৭৩৩৯৭৫০২৪), হোটেল মঞ্জুষা (৯৫৯৩৯৫০৯৭৩) প্রভৃতি। আর ঐতিহাসিক স্থানে ঠিকঠাক ঘোরার প্রয়োজনে দরকার হয় অভিজ্ঞ গাইডের। গাইডের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ৯৭৭৫৮৫৬৭০৫, ৯৪৭৫০৬৪৮৮৯ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panihati: “টানা ৬দিন পানীয় জল নেই,” সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ মহিলাদের

    Panihati: “টানা ৬দিন পানীয় জল নেই,” সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচারে বেরিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে কদমতলা এলাকায়। ভোটের মুখে পানীয় জলের দাবিতে এভাবে দলীয় প্রার্থী বিক্ষোভের মধ্যে পড়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে শাসক দল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Panihati)

    কার্যত বেহাল পানিহাটির (Panihati) নাগরিক পরিষেবা। পানীয় জল থেকে বিদ্যুৎ, জঞ্জাল থেকে নিকাশি, রাস্তাঘাট কোনওকিছুই বাদ নেই। গরমের মধ্যে পানীয় জলের সমস্যা দীর্ঘ হচ্ছে। জলের জন্য পানিহাটিতে ক্ষোভ বিক্ষোভ লেগেই আছে। এই আবহের মধ্যে সোমবার সকালেই ফের পানীয় জলের দাবিতে বাড়ির মহিলারা রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। এমনিতেই গরমে নাজেহাল অবস্থা, তারমধ্যে পুরসভার দেওয়া পাইপ লাইন দিয়ে একটুও জল পড়ছে না। গরম উপেক্ষা করে মহিলারা রাস্তা অবরোধে সামিল হন। সেই সময় প্রচার সেরে ফিরছিলেন দমদম লোকসভার প্রার্থী সৌগত রায়। তাঁকে মহিলারা চিৎকার করে বলে ওঠেন, ৬ দিন ধরে জল নেই। এই গরমে কী করে বাঁচব? পুরসভার কাছে বার বার গিয়ে আবেদন করেছি। কোনও লাভ হয়নি। আপনি কিছু একটা করুণ। এরপর সৌগত অবরোধকারীদের সামনে পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল তীর্থঙ্কর ঘোষের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, কেএমডিএ-র সঙ্গে কথা বলেন। এরপরই স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরা সেখানে হাজির হন। পানীয় জলের সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়ার পর অবরোধ ওঠে।

    আরও পড়ুন: “আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়”, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায় বলেন, আমাকে দেখে বিক্ষোভ কেউ দেখাইনি। আসলে তাঁরা নিজেদের দাবি কথা জানিয়েছেন। ৬দিন ধরে এলাকায় জল নেই। তাই, মহিলারা রাস্তা অবরোধ করেছিলেন। আমি পুরসভাকে জানিয়েছি। আশা করি, জলের সমস্যা মিটে যাবে। বিজেপি নেতা কৌশিক চট্টোপাধ্যায় বলেন, এর থেকে লজ্জার আর কিছু হয় না। সাংসদ হিসেবে তিনি যে কিছু করেননি তা আবারও প্রমাণ হয়ে গেল। ভোট বাক্সে মানুষ এর জবাব দেবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    PM Modi News: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বাংলা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। কলকাতা একটা সময় দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির নিরিখে সর্বাগ্রে থাকত। রাজনীতির জন্য তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রকে অন্তত সেই পথে যেতে দেওয়া যাবে না।’’ এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঠিক এই ভাষাতেই বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। রাজ্যে বেড়ে চলা দুর্নীতি, বেকারত্ব, দারিদ্রতা, হিংসা এই সমস্ত কিছুর কারণেই বাংলা যে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে তাই এদিন প্রতিফলিত হল প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    মহারাষ্ট্র নিয়ে কী বললেন? 

    মহারাষ্ট্রকে নিয়ে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi News) সংযোজন, ‘‘মুম্বই দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। মহারাষ্ট্রে আমাদের আরও শক্তিশালী হতে হবে যাতে দেশের উন্নতিতে সে রাজ্যের যথেষ্ট অবদান থাকে। মহারাষ্ট্রের মানুষের আবেগ বোঝার চেষ্টা করছি আমরা। আমাদের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি তাদের। অত্যন্ত ইতিবাচক ফলও পাচ্ছি সেখান থেকে।’’

    বিষয় পরিবারতান্ত্রিকতা

    অন্যদিকে এদিনই পরিবারতান্ত্রিকতা ইস্যুতে আঞ্চলিক দলগুলিকে তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News) এবং তিনি সাফ বলেন, ‘‘শিবসেনা এবং এনসিপির মধ্যে যে ঝড় উঠেছে তা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, অন্য নেতাদের চেয়ে শুধু পরিবারের সদস্যদের বেশি গুরুত্ব দিলে শুধু সমস্যাই তৈরি হয়, আর কিছু নয়। শরদ পওয়ারের সমস্যা একেবারে পারিবারিক বিবাদ। দলের লাগাম মেয়ের হাতে থাকবে না কি ভাইপোর হাতে? শিবসেনার কোন্দলও কংগ্রেসের মতো, যোগ্য নেতাকে পদোন্নতি দেওয়া উচিত না কি ছেলেকে?’’

    পারিবারিক বিবাদে মহারাষ্ট্র কেন ভুগবে?

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi News) কথায়, ‘‘এসব ওদের ঝগড়া বিবাদ। আমি বিশ্বাস করি, দেশ এই ধরনের পারিবারিক রাজনীতিকে ঘৃণা করে। যদি কেউ ‘সহানুভূতি’ শব্দ ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে সহানুভূতি জাগানোর চেষ্টা করে, আমি বলব, সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হবে। মানুষ এই ধরনের রাজনীতিকে ঘৃণা করে। এই ধরনের আচরণ মেনে নিতে পারে না। এসব আপনাদের পারিবারিক বিবাদ, আপনারা ঘরেই এর সমাধান করুন। এর জন্য মহারাষ্ট্র ভুগবে কেন?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raw Mango: গরমে খান কাঁচা আমের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা

    Raw Mango: গরমে খান কাঁচা আমের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রীষ্মকালে কাঁচা আম অনেকেরই পছন্দ। গরমের দিনে (summer days) বাইরে থেকে ফিরে এক গ্লাস আমপোড়া শরবত (Raw Mango) খেলে যেন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। তীব্র গরমে এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবতই যেন শরীরে আনতে পারে প্রশান্তি। কিন্তু জানেন কি শুধু স্বাদেই নয় গুনের দিক থেকেও খুব উপকারী এই আমপোড়া শরবত।

    কাঁচা আমপোড়া (Raw Mango) শরবতের উপকারিতা

    ১) প্রখর তাপের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করতে বেশ উপকারী কাঁচা আম (Raw Mango) । কাঁচা আম সান স্ট্রোকের (Sun stroke) ঝুঁকি কমায়। দেহে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতেও সাহায্য করে।

    ২) ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে থাকে কাঁচা আম। পাশাপাশি কাঁচা আমের শরবতে উপস্থিত ভিটামিন সি নখের ভঙ্গুরতাও কমায়। 

    ৩) কাঁচা আম (Raw Mango) হজমের সমস্যা প্রতিরোধ করে। মর্নিং সিকনেস, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, ক্রনিক ডিসপেপসিয়া এবং বদহজমের জন্য কাঁচা আম খাওয়া খুব উপকারী।

    ৪)কাঁচা আম লিভারের জন্য ভাল। যকৃতের রোগের চিকিৎসার জন্য পরিচিত এটি। এক টুকরো কাঁচা আম খেলে ক্ষুদ্রান্ত্রে পিত্ত নিঃসরণ উদ্দীপিত হয়। এটি ফ্যাট শোষণ বাড়ায়। এবং খাদ্যে পাওয়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

    ৫) পাশাপাশি, কাঁচা আমে থাকে ভিটামিন এ। চোখের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও গরমকালে নিয়ম করে কাঁচা আম (Raw Mango)  খাওয়া জরুরি।

    আরও পড়ুনঃ চাঁদিফাটা রোদে হিট স্ট্রোক এড়াতে কী কী করবেন? দেখে নিন এক নজরে

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

    ভিটামিন সি, ভিটামিন ই সহ বহু গুণে ঠাসা কাঁচা আম (Raw Mango)। এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। কাঁচা আম শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। ফলে গরমের দিনে সর্দি-গরমি থেকেও নিষ্কৃতি দেবে কাঁচা আমই। আর কাঁচা আমে যেহেতু প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে, তাই এটি মুখের নানা রকম ক্ষত নিরময়ে সহায়তা করতে পারে। স্কার্ভি ও মাড়ি থেকে রক্তপাতের মতো সমস্যাতেও কাজে আসতে পারে কাঁচা আম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: ফের হুথিদের খপ্পর থেকে ২২ ভারতীয় সহ ৩০ জনকে উদ্ধার করল নৌসেনা

    Indian Navy: ফের হুথিদের খপ্পর থেকে ২২ ভারতীয় সহ ৩০ জনকে উদ্ধার করল নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাগরে ফের ভারতীয় নৌবাহিনীর (INS Kochi) সাফল্য। পানামার (Panama) পতাকা সম্বলিত সেচেলেসের (Scychelles) জাহাজ থেকে ৩০ জনকে উদ্ধার করল নৌসেনা (Indian Navy)। এর মধ্যে ২২ জন ভারতীয় ছিলেন। হুতি সংগঠনের জঙ্গিরা এই জাহাজে হামলা চালিয়েছিল। ভারতীয় নৌসেনার এই রক্ষা অভিযানের কথা স্বীকার করেছে মার্কিন নৌসেনা।

    ঠিক কী হয়েছিল (Indian Navy)

    জানা গিয়েছে, লাল সাগরে ওই মার্চেন্ট ভেসেল অ্যান্ড্রোমেডা স্টার (Andromeda Star) কাঁচা তেল নিয়ে ফিরছিল। হুতি জঙ্গিরা আক্রমণ শানালে সাহায্যের জন্য ছাড়ে ডিস্ট্রেস ম্যাসেজ ছাড়ে জাহাজের ক্যাপ্টেন। সাহায্যের আবেদন পেয়ে তড়িঘড়ি এগিয়ে যায় ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy) আইএনএস কোচি (INS Kochi)। কোচির আগমনেই পালায় হুতি জঙ্গি। নৌবাহিনী জানিয়েছে জাহাজের সকল সদস্য সুরক্ষিত আছে। জাহাজের সামান্য ক্ষতি হয়েছে।

    আইএনএস কোচিকে মিশনে বাছা হয়

    নৌবাহিনী (Indian Navy) জানিয়েছে হুতি জঙ্গিতে কাছে মিসাইল ড্রোন জাতীয় অত্যাধুনিক সরঞ্জাম থাকায় আইএনএস কোচিকে (INS Kochi) এই মিশনের জন্য বেছে নেওয়া হয়। এটি বিধংসী জাহাজ। শুক্রবার এই অভিযান চালানো হয়। আইএনএস কোচিকে সাহায্য করে একটি হেলিকপ্টার, কমান্ডো বাহিনী এবং এক্সক্লুসিভ অর্ডিন্যান্স ডিসপোজাল টিম। এই বিধ্বংসক জাহাজে রয়েছে গাইডেড মিসাইল সিস্টেম, অ্যান্টি মিসাইল সিস্টেম, টরপিডো, র‍্যাডার ও আরো অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। ইজরায়েল হামাস যুদ্ধের পর লাল সাগর,  গালফ অফ এডেন, মধ্য ও উত্তর আরব সাগরে দুষ্কৃতি দৌতাত্ম্য বেড়েছে। জলদস্যু ছাড়াও বেশ কয়েকটি ইসলামিক উগ্রপন্থী সংগঠন জাহাজ ছিনতাই ও জাহাজের কর্মীকে বন্ধক বানিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা শুরু করেছে। যার জন্য ভারতীয় এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে হয়েছে ভারতীয় নৌসেনাকে। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিক লাগোয়া সাগরে বাহিনীকে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি অপারেশন করতে হয়েছে।

    নৌসেনার তৎপরতা

    এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে (Excluisive Economic Zone) কোস্ট গার্ডকে সঙ্গী করে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। সাম্প্রতিক সময়ে এমভি রুয়েনের উপর জঙ্গি হামলা এবং এমভি কেম প্লুটোর উপর ড্রোন আক্রমণের পর চিন্তা বেড়েছে বভিন্ন দেশের বাহিনীর। ইন্ডিয়ান এক্সক্লুসিভ ইকনমিক জোন ছাড়া অন্য অঞ্চলেও তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতীয় নৌসেনার (INS Kochi)।

    আরও পড়ুনঃ কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    নৌসেনার বক্তব্য

    নৌসেনা (Indian Navy) জানিয়েছে তারা আরব সাগর, গালফ অফ এডেন, লালসাগর এবং ভারত মহাসাগর অঞ্চলের নিরাপত্তা দিতে তৎপর এবং যে কোনও ধরনের ছোট বড় সমস্যার মোকাবিলায় সক্ষম। সাম্প্রতিক অতীতে ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নাবিকদের উদ্ধার করেছে নৌসেনা। যে কোন দেশের তরফে এই অঞ্চলে নিরাপত্তা চাওয়া হলে ভারতীয় নৌসেনা (INS Kochi) যথাসম্ভব প্রচেষ্টা করছে এবং আগামীদিনেও করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Forest Fire: দাবানলের গ্রাসে উত্তরাখণ্ড, কীভাবে ছড়ায় আগুন? প্রতিরোধের ব্যবস্থাই বা কী?

    Uttarakhand Forest Fire: দাবানলের গ্রাসে উত্তরাখণ্ড, কীভাবে ছড়ায় আগুন? প্রতিরোধের ব্যবস্থাই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বংসী দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে উত্তরাখণ্ডের বনগুলিতে (Uttarakhand Forest Fire)। রাজ্যের বন বিভাগ যে তথ্য দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, গত ২ দিনে কুমায়ুন অঞ্চলের ২৬টি বন দাবানলের গ্রাসে। ২৬টি বন রাজ্যের প্রায় ১০৮ হেক্টর জমি জুড়ে অবস্থান করছে। সব থেকে বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে গাড়োয়াল অঞ্চলের বনগুলিতে। সেখানকার ৩৪.১৭৫ হেক্টর বন ধ্বংস হয়েছে দাবানলের কারণে।

    কী বলছেন বন দফতরের আধিকারিকরা? 

    বন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক (Uttarakhand Forest Fire) চন্দ্রশেখর জোশী জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই নন্দা রেঞ্জে দাবানলের খবর মিলেছে। নৈনিতাল, হলদোয়ানি, রামনগর প্রভৃতি বনবিভাগ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই সমস্ত অঞ্চলগুলিতে দাবানলকে রোধ করার জন্য তড়িঘড়ি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকারও। বন দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দাবানলকে রোধ করার জন্য একযোগে প্রয়াস চালিয়েছে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স, আর্মি, প্রান্তীয় রক্ষক দলের স্বেচ্ছাসেবকরা এবং হোম গার্ডরা। কুমায়ুন রেঞ্জের বনদফতরের শীর্ষ আধিকারিক প্রসন্ন কুমার পাত্র জানিয়েছেন, কুমায়ুন অঞ্চলে নৈনিতাল জেলার দুই থেকে তিনটি জায়গায় এবং আলমোরা, পিথোরাগড় প্রভৃতি স্থানের একটি করে অঞ্চল দাবানলের গ্রাসে গিয়েছে।

    দাবানলের প্রধান কারণ কী?

    উত্তরাখণ্ডের বিধ্বংসী দাবানলের (Uttarakhand Forest Fire) কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা চিহ্নিত করছেন, নেপাল সীমান্তবর্তী চম্পাওয়াত ও নৈনিতাল জেলার তীব্র তাপপ্রবাহকে। কারণ এর জেরেই বেড়ে গিয়েছে শুষ্কতা। বনের পর বন দাবানলের গ্রাসে চলে গিয়েছে। অন্যদিকে অপর একটি কারণ হল, গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে শীতকালীন বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের পরিমাণ খুবই কম হয়েছে।

    সাধারণভাবে উত্তরাখণ্ডের দাবানলের (Forest Fires in Uttarakhand) ঘটনাগুলি লক্ষ্য করা যায় ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে। এই সময়ে আবহাওয়া শুষ্ক থাকে এবং গরম থাকে। বেশিরভাগ দাবানলের ঘটনা ঘটেছে শুকনো পাতা এবং বনে থাকা অন্যান্য দাহ্য পদার্থের কারণে। যা আগুনের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। তবে পরিবেশ মন্ত্রকের অধীনে থাকা ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট একটি রিপোর্ট জমা করে ২০১৯ সালে। তাতে তারা জানিয়েছে, ৯৫ শতাংশই দাবানলের কারণ মনুষ্যসৃষ্ট।

    দাবানলের প্রাকৃতিক কারণগুলির মধ্যে রয়েছে বজ্রপাত, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া। কারণ যাই হোক না কেন দাবানল ছড়িয়ে পড়ার তিনটি মূল উপাদান হল- জ্বালানি, তাপ এবং অক্সিজেন। জ্বালানি হল দাহ্য পদার্থ। এর মধ্যে রয়েছে গাছ, ঘাস, গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ ইত্যাদি। অন্যদিকে অক্সিজেন আগুনকে জ্বলতে সাহায্য করে।

    কীভাবে দাবানল ছড়ায়?

    জ্বালানি যেমন, ঘাস গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদগুলি সাধারণভাবে দ্রুত পুড়ে যায়। গাছ এবং গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদগুলিতে তেল এবং রজন জাতীয় পদার্থ থাকার কারণে আগুন দ্রুত এবং তীব্রভাবে ছড়াতে থাকে। আবার শুষ্ক আবহাওয়া হওয়ার কারণে কিছু ধরনের (Forest Fires in Uttarakhand) গাছপালাতে আদ্রতাও কম থাকে। আবার সেই সময় যদি বায়ু চলাচলটা প্রবল ভাবে হয় তবে সেই বায়ু থেকে অক্সিজেন আগুনকে আরও ভয়ঙ্কর করে তোলে।

    কীভাবে  বনের আগুন প্রতিরোধ করা যায়?

    পরিবেশ মন্ত্রকের মতে, প্রাথমিকভাবে দাবানলপ্রবণ বনাঞ্চলগুলিতে ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ, অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা রাখা, স্থানীয় মানুষজনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, ফায়ার লাইন তৈরি এই সমস্ত কিছুর দ্বারা আগুন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বনবিভাগ বনের দাবানলকে (Uttarakhand Forest Fire) প্রতিরোধ করার জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য গুলি হল-

    – ফায়ার অ্যালার্ট সিস্টেম:  ফায়ার অ্যালার্ট সিস্টেম geospatial প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়ে। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয় দাবানলের স্থানগুলিকে। স্থানগুলি চিহ্নিত করা হয়ে গেলে তা বন বিভাগের আধিকারিকদের জানিয়ে দেওয়া হয়।

    – মোবাইল স্কোয়াড: দাবানলকে প্রতিরোধ করতে মোবাইল স্কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। রাজ্যের বনদফতর তার কর্মীদের নিয়োগ করে এবং দাবানলের সম্ভাবনা রয়েছে এমন স্থানগুলিতে ওই কর্মীরা টহলদারি চালাতে থাকে।

    – লিফ ব্লোয়ার: লিপ ব্লোয়ার সিস্টেমের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করেন বনদফতরের কর্মীরা।

    – স্থানীয় মানুষজনের সাহায্য নেওয়া: বনাঞ্চলের কাছাকাছি বসবাসরত মানুষজনদের নিয়ে যৌথ বনব্যবস্থা কমিটি গড়ে তোলা হয়েছে। এই কমিটির কাজ হল দাবানল সম্পর্কে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা এবং দাবানলের পরিস্থিতি তৈরি হলে তা রোধ করা।

    কীভাবে ভারতীয় বিমান বাহিনী উত্তরাখণ্ডের বনের দাবানল প্রতিরোধ করল?

    ভারতীয় বিমান বাহিনী দাবানল প্রতিরোধ করার জন্য Mi-17v5 হেলিকপ্টার মোতায়ন করেছে। এই হেলিকপ্টারটি পাঁচ হাজার লিটার জল বহন করতে সক্ষম। হেলিকপ্টারটি সেজে উঠেছে বড় বাম্প বালতি দ্বারা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হেলিকপ্টারটি (Uttarakhand Forest Fire) নদী বা পুকুরে নামিয়ে প্রথমে সেখান থেকে ভরাট করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে তা দাবানলের অঞ্চলে উড়ে যায় এবং সেখানে গিয়ে জল ঢেলে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share