Tag: Bengali news

Bengali news

  • Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ (Swami Suryananda)। রবিবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর এলাকায়। গুরুতর জখম হন ওই হিন্দু সাধু (Suvendu Adhikari)। হিন্দু সম্মেলন চলাকালীনই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও লক্ষ্যভিত্তিক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানপুরে আয়োজিত ওই হিন্দু সম্মেলনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হয়েছিলেন। তবে সমাবেশস্থলে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যার পরিপ্রেক্ষিতে স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ গুরুতর জখম হন। তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে।

    হিন্দু সন্ন্যাসী আক্রান্ত (Swami Suryananda)

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামীজি একাধিক আঘাত নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেখতে যাঁরা হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তাঁদের মতে, মহারাজের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল। মহারাজের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করা হয়নি। ধর্মীয় সমাবেশে কীভাবে হিংসা ছড়াল, সে বিষয়েও রাজ্য পুলিশ-প্রশাসন নীরব। ঘটনার প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের হয়েছে কি না, অথবা ঘটনাটিকে মারধর, দাঙ্গা নাকি হত্যার চেষ্টার মামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। হিন্দু সন্ন্যাসীর আক্রান্ত হওয়ায় খবর পেয়েই মহারাজকে দেখতে হাসপাতালে ছোটেন শুভেন্দু। মহারাজের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাটির বিশদ বিবরণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Swami Suryananda)।

    ‘জয় শ্রী রাম’

    শুভেন্দুর দাবি, ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেওয়ায় সম্মেলনের সময় ওই সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “এটি (জয় শ্রীরাম ধ্বনি) হিন্দু ধর্মীয় পরিচয়ের প্রকাশমাত্র।” তাঁর দাবি, হাসপাতালের বেড থেকেই স্বামীজি তাঁকে ঘটনার ধারাবিবরণী দেন (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “বুনো জন্তুর মতো তারা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। স্বামীজির গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টাও করেছিল। ঘুষি, লাথি ও বুকে আঘাত করাও হয়েছে। হয়েছে মারধর করাও।” নন্দীগ্রামের বিধায়কের অভিযোগ, হামলাকারীরা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের মধ্যে যাদের তিনি “জেহাদি” বলে উল্লেখ করেন, তারাও ছিল। তাঁর মতে, এটি কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ও ঠান্ডা মাথার হত্যার চেষ্টা।

    “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু এই ঘটনাকে “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস” বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসা চালাতে রাজ্য প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে মদত দিচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এটি নিছক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয় (Suvendu Adhikari)। এটি হিন্দু গর্ব প্রকাশের সাহস দেখানো যে কাউকে লক্ষ্য করে সংগঠিত সন্ত্রাস।” তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের রাজত্বে হিন্দু সাধুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর এবং ভক্তদের ভয় দেখানো নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশকে নীরব দর্শক বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার একটি পরিচিত ধারারই পুনরাবৃত্তি হয়েছে (Swami Suryananda)।

    সভ্যতার সঙ্কট!

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু জাতপাত ও আঞ্চলিক বিভাজন ভুলে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন। তাঁর মতে, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের ওপর হামলা আসলে সমগ্র হিন্দু বিশ্বাস ও পরিচয়ের ওপর আঘাত। তাঁর প্রশ্ন, “আর কতদিন হিন্দুরা নীরবে অত্যাচার সহ্য করবে?” শুভেন্দুর মতে, ঘটনাটি কোনও বিচ্ছিন্ন হিংসার ঘটনা নয়, এটি একটি বৃহত্তর সভ্যতার সঙ্কট।এদিকে, হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের শারীরিক অবস্থার ওপর চিকিৎসকেরা কড়া নজর রাখছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে (Suvendu Adhikari) কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও ক্রমশ জোরালো হচ্ছে (Swami Suryananda)।

     

  • Budget 2026: বাংলাদেশে অশান্তির জের, বিদেশি অনুদানে ভারত কমাল বরাদ্দ

    Budget 2026: বাংলাদেশে অশান্তির জের, বিদেশি অনুদানে ভারত কমাল বরাদ্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিরার সংসদে বাজেট (Budget 2026) পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই বাজেটে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে বিদেশি দেশগুলির জন্য অনুদান বাবদ বরাদ্দ করা হয়েছে ৫,৬৮৫.৫৬ কোটি টাকা। এই তালিকায় ভুটান-ই সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পাওয়া দেশ হিসেবে (Bangladesh Aid Cut) উঠে এসেছে। তবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইরানের চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে বিদেশমন্ত্রক (MEA)-এর জন্য মোট ২২,১১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবর্ষে বাজেট অনুমানের ২০,৫১৬ কোটি টাকা এবং সংশোধিত অনুমানের ২১,৭৪২ কোটি টাকার তুলনায় বেশি। মোট বরাদ্দের মধ্যে ‘কেন্দ্রীয় ক্ষেত্রের প্রকল্প দেশগুলিকে সহায়তা’ খাতে রাখা হয়েছে ৫,৬৮৫.৫৬ কোটি টাকা।

    উন্নয়ন সাহায্য (Budget 2026)

    উন্নয়ন সাহায্য হিসেবে ভুটান পেয়েছে সর্বোচ্চ ২,২৮৮ কোটি টাকা, যা ভারতের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীর প্রতি দেশের অগ্রাধিকারকে তুলে ধরে। নেপাল পেয়েছে ৮০০ কোটি টাকা, আর মলদ্বীপ এবং মরিশাস পেয়েছে ৫৫০ কোটি টাকা করে। বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। এটি ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষের বাজেট অনুমানের ১২০ কোটি টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম, যদিও চলতি অর্থবর্ষের সংশোধিত অনুমান ৩৪.৪৮ কোটি টাকার চেয়ে বেশি। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং ভারতীয় কূটনৈতিক স্বার্থকে লক্ষ্য করে হওয়া বিক্ষোভের জেরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটেই এই বরাদ্দ হ্রাস করা হয়েছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Budget 2026)। সাম্প্রতিক বছরগুলির তুলনায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হল ইরানের চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য এ বার কানাকড়িটিও বরাদ্দ করা হয়নি। অথচ ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে এই প্রকল্পের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল, যা পরে সংশোধিত অনুমানে ৪০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়।

    ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

    এই সিদ্ধান্ত এমন একটা সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে এবং চাবাহার প্রকল্পে ভারতের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত ওয়াশিংটনের ছাড় (waiver) অব্যাহত থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৬ এপ্রিল (Budget 2026)। ভারত ও ইরানের যৌথ উদ্যোগে গড়ে ওঠা চাবাহার বন্দরকে আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও সংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে দেখা হয়। এটি একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক উত্তর–দক্ষিণ পরিবহণ করিডরের (INSTC) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কেন্দ্রীয় বাজেটে চাবাহার বন্দরের জন্য কোনও বরাদ্দ না রাখায় কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। কংগ্রেসের এই নেতার অভিযোগ, সরকার “কারও চাপে নতি স্বীকার করছে”। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে ভারতের বিদেশি উন্নয়ন সহযোগিতা কর্মসূচির মোট পরিমাণ ধরা হয়েছে ৬,৯৯৭ কোটি টাকা, যা বিদেশমন্ত্রকের মোট বরাদ্দের ৩১ শতাংশের কিছু বেশি।

    কোন দেশ কত পেল

    সরকারি আধিকারিকদের মতে, এই অর্থ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, আবাসন, সড়ক ও সেতুর মতো বৃহৎ পরিকাঠামো প্রকল্প থেকে শুরু করে তৃণমূল স্তরের সমাজ উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় করা হবে। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে শ্রীলঙ্কার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা, আর মায়ানমার পেয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। আফগানিস্তানের জন্য সাহায্যের পরিমাণ বাড়িয়ে ১৫০ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবর্ষে ছিল ১০০ কোটি টাকা, ফলে দেশটির সঙ্গে ভারতের উন্নয়নমূলক সহযোগিতা অব্যাহত থাকছে। আফ্রিকার দেশগুলির জন্য বরাদ্দ অপরিবর্তিত রেখে ২২৫ কোটি টাকাই রাখা হয়েছে (Bangladesh Aid Cut)। আর লাতিন আমেরিকার দেশগুলির জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১২০ কোটি টাকা। বিদেশি দেশগুলিতে দুর্যোগ ত্রাণ সহায়তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৮০ কোটি টাকা (Budget 2026)।

     

  • Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশ লাগাতর হিন্দু নির্যাতন অব্যাহত! বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা খারাপ?

    Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশ লাগাতর হিন্দু নির্যাতন অব্যাহত! বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা খারাপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং বিদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ওপর লাগাতার আক্রমণের ঘটনা ঘটেই চলেছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে, এই নিপীড়ন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো প্রকাশ পাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলি উপেক্ষা করে আসছে। অথচ হিন্দু-বিরোধী (Hindu Dharma) ধর্মান্ধতার কারণে খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি অপবিত্রকরণ, ঘৃণ্য বক্তব্য এবং যৌন সহিংসতা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, হিন্দুরা (Hindus Under Attack) তাদের অস্তিত্বের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের শিকার হয়েই চলছে। ২৫ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোথায় কোথায় আক্রমণ হয়েছে আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    কোচবিহারে হিন্দু নির্যাতন (Hindus Under Attack)

    স্থানীয় ক্ষোভ ও বিক্ষোভের কারণে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জের জামালদহ এলাকায়। মাত্র ১১ বছর বয়সী এক হিন্দু মেয়েকে (Hindus Under Attack) ধর্ষণের অভিযোগে ৬৩ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনামুল মিঞা নামে এক অভিযুক্ত ব্যক্তি হামলা চালানোর আগে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নাবালিকা হিন্দু মেয়েটিকে মারার হুমকি দিয়েছিল বলে জানা গেছে।

    দক্ষিণ ভারতে অবমাননা

    শবরীমালা সোনা চুরি মামলায় অর্থ পাচারের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) কেরালা, কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ু জুড়ে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে। দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান এবং সিপিআইএম নেতার সম্পত্তি সহ ২১টি স্থানে ইডি তল্লাশি চালিয়েছে।

    পালাক্কাদে সাম্প্রতিক প্রতিবাদ মিছিলের দৃশ্যগুলি প্রতিবাদের আচরণ এবং সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে যখন একটি স্কুল হোস্টেলে একজন ছাত্রের মৃত্যুর পর এই বিক্ষোভটি হয়েছিল। এই প্রতিবাদটি স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI) দ্বারা সংগঠিত হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) এর সঙ্গে যুক্ত একটি সংগঠন পালাক্কাদের স্কুল পরিচালিত হতো। প্রতিবাদের সময়, ওম প্রতীক যুক্ত হিন্দু আস্থার (Hindus Under Attack) উপরে চরম আঘাত হানে বামপন্থীরা।

    ছত্তিশগড়ে লাভ জিহাদ

    ছত্তিশগড়ের সুরগুজা জেলার পুলিশ বিহারের পাটনার বাসিন্দা মোহাম্মদ মাহফুজকে গ্রেফতার করেছে। যিনি জনজাতি মহিলাদের প্রতারণা ও শোষণের জন্য হিন্দু পুরুষ (Hindu Dharma)  সেজেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল এবং রেলওয়ে অফিসার হওয়ার মিথ্যা পরিচয়ের অভিযোগ রয়েছে। হিন্দু মেয়েদের লক্ষ্য করে প্রতারণামূলক সম্পর্কের বিষয়ে চলমান উদ্বেগকে তুলে ধরা হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ ভাবে লাভ জিহাদের ঘটনা।

    কাশ্মীরে হামলার ছক

    উত্তরপ্রদেশ সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (ATS) এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ সন্দেহভাজন ইসলামী সন্ত্রাসী মোহাম্মদ উজাইদ কুরেশিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু করেছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি মিরাটের বাসিন্দা এবং আল-কায়েদা দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আবিষ্কার করেছেন যেখানে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর উপর ফেদায়িন (আত্মঘাতী) হামলার অভিযোগ মিলছে।

    হরিয়ানায় ছক

    গুরুগ্রামের রাজীব নগর এলাকা থেকে লাভ জিহাদের মতো একটি মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে। বিহারের এক হিন্দু মহিলা (Hindu Dharma) দাবি করেছেন, “এক ব্যক্তি মন্দিরের অনুষ্ঠানে তাকে বিয়ে করার জন্য তার মুসলিম পরিচয় গোপন করেছিলেন, পরে তাকে আক্রমণ করেছিল। ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দাবি করেছিলেন। অভিযুক্তের নাম আরিফ খান, যিনি ভিকটিমকে প্রতারণা করার জন্য আরভের পরিচয় দিয়েছিলেন।

    মাদিকেরি গ্রামীণ পুলিশ নাপোকলু গ্রামের ২১ বছর বয়সী এক কলেজ ছাত্রকে একাধিক মহিলার সাথে যৌন কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার, তার মোবাইল ফোনে সেই কার্যকলাপ রেকর্ড করার এবং ভিডিওগুলি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে । অভিযুক্ত ব্যক্তি বেঙ্গালুরুর একটি কলেজে অধ্যয়নরত একজন বিবিএ ছাত্র, পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অব্যাহত এবং ধীরে ধীরে দেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাত-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির অপবিত্রকরণ, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম (Hindu Dharma) অবমাননার অভিযোগের পর জনতার আক্রমণ, নারীদের ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য হিন্দুদের ভয় দেখানো এবং তাড়িয়ে দেওয়ার হাতিয়ার।

    বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দেওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনায়, ২৩ বছর বয়সী এক হিন্দু মেকানিককে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, যেখানে তিনি ঘুমাচ্ছিলেন এমন সময়েই আগুন দেওয়া হয়। চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক নামে পরিচিত ওই যুবক তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন এবং নরসিংদী শহরের একটি স্থানীয় গাড়ি মেরামতের কারখানায় কাজ করতেন।

  • Ramakrishna 571: “সাত্ত্বিক আহার, রাজসিক আহার, তামসিক আহার, আবার সাত্ত্বিক দয়া, রাজসিক দয়া, তামসিক দয়া, সাত্ত্বিক অহং ইত্যাদি সব আছে”

    Ramakrishna 571: “সাত্ত্বিক আহার, রাজসিক আহার, তামসিক আহার, আবার সাত্ত্বিক দয়া, রাজসিক দয়া, তামসিক দয়া, সাত্ত্বিক অহং ইত্যাদি সব আছে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ শ্যামপুকুরের বাটীতে ভক্তসঙ্গে

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (মাস্টারকে)—তাহলেই বা। মা হৃদয়ে থাকুন!

    সুরেন্দ্র মা মা করিয়া পরমেশ্বরীর উদ্দেশে কত কথা কহিতে লাগিলেন।

    ঠাকুর সুরেন্দ্রকে দেখিতে দেখিতে অশ্রু বির্সজন করিতেছেন। মাস্টারের দিকে তাকাইয়া গদ্‌গদস্বরে বলিতেছেন (Kathamrita), কি ভক্তি! আহা, এর যা ভক্তি আছে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কাল ৭টা-৭৷৷টার সময় ভাবে দেখলাম, তোমাদের দালান। ঠাকুর প্রতিমা রহিয়াছেন, দেখলাম সব জ্যোতির্ময়। এখানে-ওখানে এক হয়ে আছে। যেন একটা আলোর স্রোত দু-জায়গার মাঝে বইছে!—এবাড়ি আর তোমাদের সেই বাড়ি!

    সুরেন্দ্র—আমি তখন ঠাকুর দালানে মা মা বলে ডাকছি, দাদারা ত্যাগ করে উপরে চলে গেছে। মনে উঠলো মা বললেন, ‘আমি আবার আসব’।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও ভগবদ্‌গীতা

    বেলা এগারটা বাজিবে। ঠাকুর পথ্য পাইলেন। মণি হাতে আঁচাবার জল দিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মণির প্রতি— ছোলার ডাল খেয়ে রাখালের অসুখ হয়েছে। সাত্ত্বিক আহার করা ভাল। তুমি গীতা পড় না?

    মণি—আজ্ঞা হাঁ, যুক্তাহারের কথা আছে। সাত্ত্বিক আহার, রাজসিক আহার, তামসিক আহার। আবার সাত্ত্বিক দয়া, রাজসিক দয়া, তামসিক দয়া। সাত্ত্বিক অহং ইত্যাদি সব আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—গীতা তোমার আছে?

    মণি—আজ্ঞা, আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ওতে সর্বশাস্ত্রের সার আছে।

    মণি—আজ্ঞা, ঈশ্বরকে নানারকমে দেখার কথা আছে; আপনি যেমন বলেন, নানা পথ দিয়ে তাঁর কাছে যাওয়া—জ্ঞান, ভক্তি, কর্ম, ধ্যান।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)—কর্মযোগ মানে কি জান? সকল কর্মের ফল ভগবানে সমর্পণ করা।

    মণি—আজ্ঞা, দেখছি, ওতে আছে। কর্ম আবার তিনরকমে করা যেতে পারে, আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কি কি রকম?

    মণি—প্রথম — জ্ঞানের জন্য। দ্বিতীয় — লোকশিক্ষার জন্য। তৃতীয় — স্বভাবে।

    ঠাকুর আচমনান্তে পান খাইতেছেন। মণিকে মুখ হইতে পান প্রসাদ দিলেন (Kathamrita)।

  • Union Budget 2026: চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য কোনও অর্থই বরাদ্দ করেনি কেন্দ্র, কেন জানেন?

    Union Budget 2026: চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য কোনও অর্থই বরাদ্দ করেনি কেন্দ্র, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে (Union Budget 2026) ভারত সরকার চাবাহার বন্দর (Chabahar Port) প্রকল্পের জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করেনি। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে নয়াদিল্লি ইরানের সিস্তান–বালুচিস্তান প্রদেশে অবস্থিত এই চাবাহার বন্দরের উন্নয়নের জন্য বছরে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে আসছিল। চাবাহার ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এটি একটি কানেক্টিভিটি প্রকল্প, যেখানে ভারত অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া ও তার বাইরের অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্য ও কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার করতে এই বন্দরকে দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    চাবাহার ইরানের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর (Union Budget 2026)

    ওমান উপসাগরের মুখে অবস্থিত চাবাহার ইরানের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর, যা দেশটিকে সরাসরি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের সঙ্গে যুক্ত করে। ইরান–পাকিস্তান সীমান্তের পশ্চিমে অবস্থিত এই বন্দরটির অবস্থান অনেকটাই পাকিস্তানের পূর্ব সীমান্তে থাকা গ্বাদর বন্দরের প্রতিচ্ছবি। গ্বাদর বন্দরটি চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই)-এর আওতায় উন্নয়ন করেছে। ফলে চাবাহার কেবল একটি অর্থনৈতিক প্রকল্পই নয়, বরং এই অঞ্চলে চিনা প্রভাবের মোকাবিলায় ভারতের কৌশলগত পাল্টা ভারসাম্য হিসেবেও বিবেচিত হয় (Chabahar Port)। ইরানের কাছে চাবাহার পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কমানোর একটি বিকল্প বাণিজ্যপথ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। ভারতের জন্য এই বন্দর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি পাকিস্তানকে এড়িয়ে আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ সুগম করে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই ভারতকে স্থলপথে আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করতে বাধা দিয়ে আসছে।

    চাবাহারে ভারতের সম্পৃক্ততার ইতিহাস

    চাবাহারে ভারতের সম্পৃক্ততার ইতিহাস দু’দশকেরও বেশি পুরানো। ২০০২ সালে বন্দরের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়, যখন তৎকালীন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তথা বর্তমান রাষ্ট্রপতি হাসান রুহানি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রজেশ মিশ্রের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরের বছর, ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সঈদ মোহাম্মদ খাতামির ভারত সফরের সময় তিনি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী সহযোগিতার একটি রোডম্যাপে সই করেন, যেখানে চাবাহারকে অন্যতম প্রধান প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত করা হয় (Union Budget 2026)। দেশভাগের পর পাকিস্তান একটি শত্রু প্রতিবেশী হিসেবে আবির্ভূত হওয়ায় ইরান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভারতের স্থলপথ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তী প্রায় চার দশক ধরে এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল, কারণ ভারতের অর্থনৈতিক উন্নতি তখন অনেকটাই স্থবির হয়ে গিয়েছিল।

    ভারত ও ইরানের সহযোগিতা

    ১৯৯৬ সালে আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতা দখল করার পর ভারত ও ইরানের সহযোগিতা আরও গভীর হয়। পাকিস্তান-সমর্থিত এই সুন্নি ইসলামি গোষ্ঠীর বিরোধিতা করে উভয় দেশই আহমদ শাহ মাসুদের নেতৃত্বাধীন নর্দান অ্যালায়েন্সকে সমর্থন করে। পাকিস্তানের কারণে আফগানিস্তানে স্থলপথে প্রবেশাধিকার না পাওয়ায় বিকল্প যোগাযোগপথ খোঁজা ভারতের কাছে ক্রমশ জরুরি হয়ে পড়ে। চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় পাকিস্তানে গ্বাদর বন্দর উন্নয়নের কাজ শুরু হওয়ার পর চাবাহারের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। নয়াদিল্লির চোখে চাবাহার শুধু অর্থনৈতিক সংযোগের মাধ্যম নয়, বরং এই অঞ্চলে চিনের প্রভাব খর্ব করার একটি কৌশলগত হাতিয়ার (Chabahar Port)। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও চাবাহার বন্দরে ভারতের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ছ’মাসের ছাড় দেয়। সেই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২৬ এপ্রিল (Union Budget 2026)।

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের বক্তব্য

    গত মাসে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, চাবাহার ইস্যুতে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলির ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ার পরেই এই মন্তব্য ভেসে আসে। সেই প্রেক্ষিতে নয়াদিল্লি নিজেদের বিকল্প পথ খতিয়ে দেখছে বলেও খবর। জয়সওয়াল বলেন, “আপনারা জানেন, ২৮ অক্টোবর মার্কিন ট্রেজারি দফতর একটি চিঠির মাধ্যমে শর্তসাপেক্ষ নিষেধাজ্ঞা ছাড় সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছিল, যার মেয়াদ ২৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত। এই ব্যবস্থাটি কার্যকর রাখতে আমরা আমেরিকার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছি।”

    এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ২০১৮ সালে চাবাহার প্রকল্পের জন্য দেওয়া নিষেধাজ্ঞা ছাড় প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেও পরে ভারতকে ছ’মাসের জন্য ছাড় দেয়। তবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা ফের বাড়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা (Chabahar Port) দেশগুলির ওপর নতুন করে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার কথা ঘোষণা করেন (Union Budget 2026)।

     

  • Union Budget: নির্মলার বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব মহিলা উদ্যোক্তা সৃষ্টির ওপর

    Union Budget: নির্মলার বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব মহিলা উদ্যোক্তা সৃষ্টির ওপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন যে বাজেট (Union Budget) পেশ করেছেন, তাতে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, লাখপতি দিদি প্রকল্পের (Lakhpati Didi Scheme) সাফল্যের ভিত্তিতে সরকার মহিলাদের ঋণনির্ভর জীবিকা থেকে উদ্যোক্তায় রূপান্তরিত করতে সাহায্য করতে চায়। বাজেটে মহিলাদের জন্য স্বনির্ভর উদ্যোক্তা গোষ্ঠীকে (Self-Help Entrepreneurs) কমিউনিটি-মালিকানাধীন খুচরো বিপণন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে তৃণমূল স্তরে উদ্যোক্তা কার্যক্রম জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে মহিলা-নেতৃত্বাধীন স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি স্থানীয় খুচরো বিপণন নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতে পারবেন, মহিলাদের তৈরি পণ্যের বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়বে এবং কমিউনিটি স্তরে স্থায়ী জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    নারী উদ্যোক্তাকেন্দ্রিক নীতিগত উদ্যোগ (Union Budget)

    গত বছরে লিঙ্গভিত্তিক বাজেট বরাদ্দে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, নারী উদ্যোক্তাকেন্দ্রিক নীতিগত উদ্যোগ এবং লাখপতি দিদি প্রকল্পের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় অর্থমন্ত্রী ‘শি-মার্টস (She-Marts)’ চালুর কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন,
    “লাখপতি দিদি প্রকল্পের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে আমি প্রস্তাব রাখছি, যাতে নারীরা ঋণ-নির্ভর জীবিকা থেকে এক ধাপ এগিয়ে উদ্যোগের মালিক হতে পারেন। উন্নত ও উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্লাস্টার উন্নয়ন ফেডারেশনের আওতায় কমিউনিটি-মালিকানাধীন খুচরো বিপণন কেন্দ্র হিসেবে শি-মার্টস স্থাপন করা হবে (Union Budget)।” লাখপতি দিদি প্রকল্প হল কেন্দ্রের একটি উদ্যোগ, যার লক্ষ্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (SHG) সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলা। এই প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট নারীদের ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, প্রকল্পের অধীনে নেওয়া ঋণের ওপর সুদের ভর্তুকির ব্যবস্থাও রয়েছে, যাতে উপভোক্তাদের আর্থিক চাপ কমে।

    নারীদের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ

    বাজেট ২০২৬-এর অধীনে উন্নীত লাখপতি দিদি প্রকল্প নারীদের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ আরও প্রসারিত করবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে যেমন নারীদের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়বে, তেমনি দেশজুড়ে তাদের তৈরি পণ্য বিক্রির জন্য আরও বেশি খুচরো বিপণন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এর ফলে নারীরা বাজারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে পারবেন এবং স্থায়ী রোজগারের উৎস তৈরি করতে পারবেন (Lakhpati Didi Scheme)। গ্রাম ও শহর—উভয় এলাকায়ই মহিলাদের জন্য নতুন আর্থিক সুযোগ সৃষ্টি হবে (Union Budget)।

     

  • Union Budget 2026: দেশের চার রাজ্যে পৃথক রেয়ার আর্থ করিডর গড়ার প্রস্তাব নির্মলার

    Union Budget 2026: দেশের চার রাজ্যে পৃথক রেয়ার আর্থ করিডর গড়ার প্রস্তাব নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সংসদে পেশ হল কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2026)। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু ও কেরালায় পৃথক রেয়ার আর্থ করিডর (Rare Earth Corridors) গঠনের প্রস্তাব দেন। এর লক্ষ্য হল, রেয়ার আর্থ উপাদান ও স্থায়ী চুম্বকের খনন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনে ভারতের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা জোরদার করা। অর্থমন্ত্রী বলেন, “খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ রাজ্যগুলিকে কেন্দ্রীয় সরকার লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেবে, যাতে খনন ও পরিশোধন থেকে শুরু করে গবেষণা এবং উচ্চমানের উৎপাদন পর্যন্ত পুরো মূল্যশৃঙ্খলকে উন্নত করা যায়। এই খাতগুলি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, ইলেকট্রনিক্স, প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও ইলেকট্রিক মোবিলিটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

    ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম (Union Budget 2026)

    বাজেট ভাষণে সীতারামন বলেন, “এই বাজেটে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিমের বরাদ্দ ২২,৯৯৯ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০,০০০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি আইএসএম ২.০, রেয়ার আর্থ করিডর এবং পৃথক কেমিক্যাল পার্কের মতো নতুন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।” এই প্রস্তাবটি (Union Budget 2026) ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে চালু হওয়া রেয়ার আর্থ পার্মানেন্ট ম্যাগনেট স্কিমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। সরকারের মতে, নতুন করিডরগুলি বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের বদলে খনন, প্রক্রিয়াকরণ, উদ্ভাবন ও উৎপাদনকে একসূত্রে যুক্ত করে সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তুলে সহায়তার পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। রেয়ার আর্থ উপাদান মোট ১৭টি খনিজের একটি গোষ্ঠী, যা ইলেকট্রিক যানবাহনের মোটর, বায়ু টারবাইন, স্মার্টফোন, সেমিকন্ডাক্টর, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং উচ্চ-নির্ভুল ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে ভারত তার প্রয়োজনের একটি বড় অংশ আমদানি করে, যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ শিল্পক্ষেত্রগুলি বৈশ্বিক সরবরাহ বিঘ্নের ঝুঁকিতে রয়েছে।

    চিনের আধিপত্য

    বিশ্বব্যাপী রেয়ার আর্থ উৎপাদন ও পরিশোধন ক্ষমতায় (Union Budget 2026) চিনের আধিপত্য রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে চিন গুরুত্বপূর্ণ খনিজের রফতানিতে কড়াকড়ি করেছে। এর ফলে ভারত-সহ বিভিন্ন উৎপাদননির্ভর অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে (Rare Earth Corridors)। প্রস্তাবিত করিডরগুলির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ক্ষেত্রে ভারতের কৌশলগত স্বনির্ভরতা গড়ে তোলা, আমদানি-নির্ভরতা কমানো এবং ভূ-রাজনৈতিক ও সরবরাহ শৃঙ্খলজনিত ধাক্কা থেকে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া হবে বলেই আশা। চিহ্নিত চারটি রাজ্যের মধ্যে তামিলনাড়ু ও কেরালায় বিস্তৃত উপকূলীয় খনিজ ভান্ডার রয়েছে, বিশেষত মনাজাইটসমৃদ্ধ বালু, যেখানে রেয়ার আর্থ উপাদান মেলে। বাজেটের এই প্রস্তাব বিনিয়োগ প্রবাহ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিল্প সম্প্রসারণে সম্ভাব্য প্রভাবের দিক থেকে নিবিড়ভাবে পর্যালোচিত হবে, বিশেষ করে নির্বাচনের আগে।

    ‘প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে’ মডেল

    একটি বৃহত্তর শিল্প ও সরবরাহ শৃঙ্খল কৌশলের অংশ হিসেবে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন রাজ্যগুলিকে সহায়তা দিতে একটি চ্যালেঞ্জ-ভিত্তিক প্রকল্প ঘোষণাও করেছেন, যার আওতায় তিনটি বিশেষায়িত রাসায়নিক পার্ক স্থাপন করা হবে। এই পার্কগুলি ক্লাস্টারভিত্তিক, ‘প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে’ মডেলে গড়ে তোলা হবে, যার লক্ষ্য দেশীয় রাসায়নিক উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আমদানি-নির্ভরতা আরও কমানো (Union Budget 2026)। রেয়ার আর্থ করিডর ও রাসায়নিক পার্ক—এই দুই উদ্যোগ একত্রে মূলধনী পণ্য উৎপাদন জোরদার করা এবং গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে সরকারের লক্ষ্যকে প্রতিফলিত করে, এমন একটা সময়ে যখন কৌশলগত খনিজের জন্য বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা তীব্রতর হচ্ছে। এই বাজেট প্রস্তাব আগামী দশকে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও উন্নত উৎপাদনের ক্ষেত্রে (Rare Earth Corridors) ভারতকে একটি নির্ভরযোগ্য ও স্বনির্ভর কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অভিপ্রায় স্পষ্ট করে (Union Budget 2026)।

     

  • Baloch liberation Army: বালুচ লিবারেশন আর্মির হাতে খতম ৮৪ জন পাকিস্তানি সেনা

    Baloch liberation Army: বালুচ লিবারেশন আর্মির হাতে খতম ৮৪ জন পাকিস্তানি সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ জানুয়ারি জারি করা এক বিবৃতিতে বালুচ লিবারেশন আর্মি (Baloch liberation Army) (বিএলএ) দাবি করেছে, “অপারেশন হেরোফ ফেজ টু”-তে ৮০ জনেরও বেশি পাকিস্তানি (Pakistan) জঙ্গি, পুলিশ কর্মী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের সদস্য নিহত হয়েছে। আমাদের যোদ্ধারা বালুচিস্তানের একাধিক জেলায় আক্রমণ চালিয়েছে। আক্রমণগুলি দশ ঘণ্টা ধরে সংগঠিত হয়েছিল এবং প্রদেশের অসংখ্য শহরে নিরাপত্তা, সামরিক এবং প্রশাসনিক কাঠামোগুলিকে লক্ষ্য করে করা হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ভিডিও-র সত্যতা নিশ্চিত করেছে বিএলও।

    কোথায় কোথায় হামলা (Baloch liberation Army)?

    বিএলএ (Baloch liberation Army) মুখপাত্র জিয়ান্দ বালোচের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, কোয়েটা (Pakistan), নোশকি, মাস্তুং, দালবান্দিন, কালাত, খারান, পাঞ্জগুর, গোয়াদার, পাসনি, তুরবাত, টুম্প, বুলেদা, মাঙ্গোচর, লাসবেলা, কেচ এবং আওয়ারান এবং এর আশেপাশের বেশ কিছু জায়গায় হামলা চালানো হয়। আমাদের যোদ্ধারা একই সঙ্গে শত্রু সামরিক, প্রশাসনিক এবং নিরাপত্তা কাঠামো-এ হামলা চালিয়েছে, এবং বেশ কয়েকটি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত করেছে।

    ৮৪ জন নিহত, ১৮ জন বন্দি!

    বিএলএর (Baloch liberation Army) তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানি (Pakistan) সামরিক বাহিনী, পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার ৮৪ জন সদস্য নিহত হয়েছে, সেই সঙ্গে শতাধিক আহত হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৮ জনকে বন্দি করা হয়েছে। তারা আরও দাবি করেছে যে অফিস, ব্যাঙ্ক এবং কারাগার সহ ৩০ টিরও বেশি সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়েছে এবং ২০ টিরও বেশি যানবাহন আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে তীব্র সংঘর্ষের সময় বিএলএ যোদ্ধারা কিছু নির্দিষ্ট পোস্ট এবং কাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

    চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে হামলা বালুচদের

    বালুচিস্তানে (Baloch liberation Army) কর্মরত বেশ কয়েকটি বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে বালুচ লিবারেশন আর্মি অন্যতম। এই প্রদেশটি রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন, সম্পদ নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নয়নের অভিযোগের কারণে কয়েক দশক ধরে বিদ্রোহ করেছে। এই গোষ্ঠীটি পূর্বে পাকিস্তানি (Pakistan) নিরাপত্তা বাহিনী, এবং বিদেশি স্বার্থ, বিশেষ করে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রকল্পগুলির ওপর একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে।

    পাকিস্তান বহুদিন ধরে বালুচদের ওপর ধর্মীয়, সামাজিক, আর্থিক এবং রাজনৈতিক শাসন চালাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে পাক সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন বালুচরা। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং ফ্রন্টিয়ার কর্পসকে প্রায়শই বেলুচ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত দমন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, যার ফলে প্রায়শই জোরপূর্বক অপহরণের ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি দাবি করেছে  কয়েক বছর ধরে পাকিস্তান (Pakistan) সেনাবাহিনী বা তাদের মিলিশিয়ারা হাজার হাজার বালুচকে অবৈধভাবে হত্যা বা অপহরণ করেছে।

    যোগাযোগ ব্যবস্থায় ক্ষতি

    শুক্রবার শেষ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে জানা গিয়েছে কিছু এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক বিবরণ প্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিএলএ ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা আরও আপডেট জারি করবে। বালুচিস্তানের (Baloch liberation Army) পরিস্থিতি এখনও স্থিতিশীল রয়েছে, রিপোর্ট করা ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Amit Shah: “পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষায় ব্যর্থ তৃণমূল সরকার”, তোপ শাহের

    Amit Shah: “পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষায় ব্যর্থ তৃণমূল সরকার”, তোপ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষায় ব্যর্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার।” শনিবার এমনই আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ অনুপ্রবেশের প্রবেশদ্বারে পরিণত হয়েছে, যা শুধু রাজ্যের জন্য নয়, গোটা দেশের নিরাপত্তার পক্ষেই বড় ধরনের হুমকি (Amit Shah)। ব্যারাকপুরে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ (BJP) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রশ্ন নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও অপরিহার্য।”

    অনুপ্রবেশ বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে (Amit Shah)

    শাহের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। তাঁর দাবি, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ সম্পূর্ণ করতে রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে বাধা দিয়ে এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যও তিনি খারিজ করে দেন যে, সীমান্তের দুর্বলতার জন্য কেন্দ্র দায়ী। শাহের মতে, প্রকৃত সমস্যা হল বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি দিতে রাজ্য সরকারের অনিচ্ছা। তিনি বলেন, “হাইকোর্ট বিএসএফের পক্ষে রায় দেওয়ার পরেও জমি হস্তান্তর করা হয়নি। এই অবস্থায় বেড়া কীভাবে সম্পূর্ণ হবে?” শাহের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনিক অসহযোগিতার কারণেই এই বিলম্ব হয়েছে। তাঁর দাবি, এর সুযোগ নিয়ে অনুপ্রবেশকারীরা অবাধে রাজ্যে ঢুকছে এবং রাজনৈতিক চাপে রাজ্য প্রশাসনের একাংশ ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরিতে সাহায্য করছে।

    কী বললেন শাহ?

    আক্রমণের সুর আরও চড়িয়ে শাহ বলেন, “শাসক দল অনুপ্রবেশকারীদের ‘ভোটব্যাঙ্কে’ পরিণত করেছে। এপ্রিলের শেষের মধ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হলে সঙ্গে সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে এবং ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শেষ করা হবে।” সীমান্ত সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি (Amit Shah)। মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্বেগ নিয়েও কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি টিএমসি সরকারের বিরুদ্ধে ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলে বলেন, “বিজেপি নেতা শান্তনু ঠাকুর এবং কেন্দ্রীয় সরকার মতুয়াদের পাশে রয়েছে। তাই ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।” মতুয়া সম্প্রদায়ের আইনি সুরক্ষা ও রাজনৈতিক সমর্থনের আশ্বাসও দেন তিনি। এসআইআর প্রসঙ্গে শাহ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তি সত্ত্বেও সংবিধান ও নির্ধারিত নিয়ম মেনেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।” তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক সুবিধার জন্য টিএমসি বৈধ প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে।

    শেকড়-সহ উৎখাত করার ডাক

    নির্বাচনের আগে রাজ্যের শাসক দলকে শানিত আক্রমণ শানিয়ে শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে হবে (BJP)। এই সরকারকে শেকড়-সহ উৎখাত করতে হবে।” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কল্পিত ‘সোনার বাংলা’ গড়ার প্রতিশ্রুতিও দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিজেপির নির্বাচনী সম্ভাবনা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শাহ বলেন, “দলটি ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করবে।” তাঁর বক্তব্য, যে সরকার অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেয়, জনগণের রায়ে তারা টিকতে পারে না। শাসক দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ অব্যাহত রেখে শাহ বলেন, “ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির স্বার্থে টিএমসি সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আলোচনার বিরোধিতা করেছে।” তাঁর মতে, এটি বাংলার সাংস্কৃতিক ও জাতীয় পরিচয়ের ওপর একটি বড় আঘাত (Amit Shah)।

    এর আগে, কলকাতার আনন্দপুরে একটি গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, ঘটনাটি দুর্ঘটনা নয়, বরং টিএমসি শাসনের দুর্নীতির ফল। বক্তব্যের শেষে সমর্থকদের হাত তুলে বিজেপি সরকারের সমর্থনে স্লোগান দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জনতার উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, “তাঁরা কি (BJP) বর্তমান সরকারকে সরিয়ে একটি নিরাপদ ও পুনর্গঠিত পশ্চিমবঙ্গ গড়তে প্রস্তুত?”

     

  • Union Budget: ‘এডুকেশন টু এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজেস স্ট্যান্ডিং কমিটি’ গঠনের কথা ঘোষণা মোদি সরকারের

    Union Budget: ‘এডুকেশন টু এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজেস স্ট্যান্ডিং কমিটি’ গঠনের কথা ঘোষণা মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এডুকেশন টু এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজেস স্ট্যান্ডিং কমিটি’ নামে একটি নয়া উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করল (Union Budget) কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Govt)। রবিবার এই ঘোষণাটি করা হয়। কমিটির লক্ষ্য হল কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করা এবং ভবিষ্যতের জন্য ভারতীয় কর্মশক্তিকে প্রস্তুত করা। সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, এই কমিটি মূলত পরিষেবা খাতের ওপর গুরুত্ব দেবে, যাকে তিনি অর্থনৈতিক বৃদ্ধির একটি বড় চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন।

    নতুন প্রযুক্তির প্রভাব (Union Budget)

    এই কমিটি কর্মসংস্থানের ফল উন্নত করা এবং এআই-সহ নতুন প্রযুক্তির প্রভাব ভারতের শ্রমবাজারে কীভাবে পড়ছে, তা বিশ্লেষণ করবে। তরুণদের জন্য শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানে একটি মসৃণ রূপান্তর নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী বলেন, “পরিষেবা খাত দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালক। নতুন স্ট্যান্ডিং কমিটি পরিষেবা খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সুপারিশ করবে, যা ভারতকে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের আসনে পৌঁছতে সাহায্য করতে পারে। সীতারামন জানান, ২০৪৭ সালের মধ্যে বৈশ্বিক পরিষেবা বাজারে ভারতের অংশীদারিত্ব ১০ শতাংশে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। তাঁর মতে, কমিটি এমন ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করবে যেখানে প্রবৃদ্ধি বাড়ানো সম্ভব, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে এবং রফতানি বৃদ্ধি করা যেতে পারে। এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ভারতের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে (Union Budget)।

    ডিজিটাল সরঞ্জাম

    কমিটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে এআই-সহ নতুন প্রযুক্তি শ্রমবাজারে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তা মূল্যায়ন করা। অর্থমন্ত্রী বলেন, “স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও ডিজিটাল সরঞ্জাম কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে কোন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হবে, তা বোঝা অত্যন্ত জরুরি।” এই বিশ্লেষণের ভিত্তিতে কমিটি সুপারিশ করবে, কীভাবে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা যায়। অর্থমন্ত্রী বলেন, “এআই-সহ উদীয়মান প্রযুক্তির প্রভাব কর্মসংস্থান ও দক্ষতার চাহিদার ওপর কীভাবে পড়ছে, তা মূল্যায়ন করে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপের প্রস্তাব দেওয়া হবে।” তিনি আরও (Modi Govt) বলেন, “তরুণদের জন্য বহুমুখী ও দক্ষ পেশাগত সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্যে সরকার শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ নেবে (Union Budget)।”

    সহায়ক স্বাস্থ্য পেশা

    এই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হবে অ্যালায়েড হেলথ প্রফেশনস বা সহায়ক স্বাস্থ্য পেশা। অর্থমন্ত্রী জানান, এই খাতে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আধুনিকীকরণ করা হবে এবং সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। এতে ১০টি নির্বাচিত ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে অপটোমেট্রি, রেডিওলজি, অ্যানেস্থেশিয়া, অপারেশন থিয়েটার টেকনোলজি, অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজি ও বিহেভিয়ারাল হেলথ। অর্থমন্ত্রীর মতে, আগামী পাঁচ বছরে এর ফলে প্রায় এক লাখ নতুন সহায়ক স্বাস্থ্যকর্মী যুক্ত করা সম্ভব হবে। এতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, তেমনি দেশে ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য পরিষেবার চাহিদাও মেটানো যাবে।

    পরিষেবা খাত, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ওপর জোর দিয়ে সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগ ভারতের এমন এক (Modi Govt) কর্মশক্তি গড়ে তুলবে, যা আগামী দিনের অর্থনীতির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে (Union Budget)।

     

LinkedIn
Share