Tag: Bengali news

Bengali news

  • Satabdi Roy: ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে রয়েছে’, বেফাঁস শতাব্দী রায়

    Satabdi Roy: ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে রয়েছে’, বেফাঁস শতাব্দী রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহার জেলে রয়েছেন। দলে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত কাজল সেখ বেশ কিছুদিন ধরে বীরভূমে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁর দাপাদাপিতে কেষ্ট অনুগামীরা এখন কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। লোকসভা ভোটের মুখে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এই অবস্থায় দলের গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের (Satabdi Roy) বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন শতাব্দী রায়? (Satabdi Roy)

    লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বুধবার সিউড়ি তৃণমূল কার্যালয়ে ছিল বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির বৈঠক। আর সেই বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন কোর কমিটির সদস্য বিকাশ রায়চৌধুরী, চন্দ্রনাথ সিনহা, অভিজিৎ সিংহ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অসিত মাল এবং বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। মূলত কোর কমিটির এদিনের এই বৈঠকে বীরভূম জেলায় লোকসভা ভোটের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিজেপির দখলে থাকা দুবরাজপুর বিধানসভা এলাকায় কীভাবে বেশি মার্জিনে ভোট টানা যাবে তা নিয়েও আলোচনা হয়। ভোটের আগে জেলায় যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হয় বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। এদিনের এই বৈঠকের পর সাঁইথিয়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে শতাব্দী রায় বলেন, “গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে বেশি মাথা ঘামাবেন না, ওটা এখন তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে পড়ে গিয়েছে। যে লোকগুলোর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলে তোমরা রিপোর্ট দেখাবে, তারাই দেখবে আবার দুদিন পর হাতে হাত ধরে ভোট করতে যাবে, তখন তোমাদের ওই রিপোর্টটা বেকার হয়ে যাবে।” ফলে, জেলায় যে গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে তা বিদায়ী সাংসদ স্বীকার করে নেন। তৃণমূল প্রার্থীর এই বক্তব্য নিয়ে দলের কর্মীদের মধ্যে চর্চা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ঠিক যেন অযোধ্যার রামলালার জীবন্ত রূপ! ৯ বছরের শিশুকে সাজিয়ে তুললেন দুই শিল্পী

    Asansol: ঠিক যেন অযোধ্যার রামলালার জীবন্ত রূপ! ৯ বছরের শিশুকে সাজিয়ে তুললেন দুই শিল্পী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় অযোধ্যার প্রভু রামলালাকে কার্যত জীবন্ত করে তুললেন আসানসোলের (Asansol) দুই শিল্পী। আদল দেখে মনে হচ্ছে, ঠিক যেন অযোধ্যার রামলালারই জীবন্ত রূপ। চোখ-মুখ-নাক যেন অবিকল অযোধ্যার রামলালা। ৯ বছরের এক শিশুকে এভাবে সাজিয়ে তুলেছেন যাঁরা, সেই দুই শিল্পী হলেন আশিস কুণ্ডু এবং রুবি কুণ্ডু।

    রামলালার বিগ্রহ দেখে অনুপ্রাণিত শিল্পী (Asansol)

    গত ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এই মূর্তি নিয়ে সারা ভারতের রামভক্তদের মধ্যে যেমন উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল, ঠিক তেমনি দেশের বাইরেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। অযোধ্যার রামলালার এই বিগ্রহকে দেখেই অনুপ্রাণিত হন বারবনির (Asansol) মেক-আপ আর্টিস্ট দম্পতি রুবি ও আশিস। তাঁদের ব্রাইডাল মেক-আপ স্টুডিও রয়েছে। রামলালার মূর্তি দেখে কোন বালককে এই মূর্তির আদলে সাজাবেন, তার জন্য সন্ধান শুরু করেন তাঁরা।

    শিল্পী দম্পতির বক্তব্য (Asansol)

    শিল্পী দম্পতি বলেন, “আসানসোলের মহিশিলার বাসিন্দা নয় বছরের বালক আবির দে-কে নিপুণভাবে সাজানোর জন্য পরিকল্পনা শুরু করি। দীর্ঘ একমাস ধরে পরিকল্পনা করে প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সন্ধান করে আমরা রূপ দিতে শুরু করি। অনেক প্রচেষ্টার পর কাজটি সম্পন্ন করতে পেরে আমরা খুব খুশি। তবে শিশুর কথা ভেবে ও গায়ে রাখতে পারবে, এমন হালকা অলঙ্কারই সাজে ব্যবহার করা হয়েছে। বেশিরভাগ কাজটাই রয়েছে ফোমের সজ্জায়। রামভক্ত হিসেবে এই কাজ করে নিজেকে (Asansol) খুব ধন্য মনে করছি।” আবিরও নিজে রামলালা সেজে খুব খুশি বলে জানা গিয়েছে।

    লাইভ সম্প্রচার

    উল্লেখ্য অযোধ্যায় রামলালা (Ayodhya Ram Temple) মন্দিরে উপচে পড়া ভিড় এবং দর্শনার্থীদের দূরত্বের কথা মাথায় রেখে দূরদর্শনের পক্ষ থেকে প্রতিদিন সকালে মঙ্গলারতি সরাসরি লাইভ দেখানো হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই বিষয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। দূরদর্শনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সময়ে সময়ে ভক্তি এবং আধ্যাত্মিক বিষয়ে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়। আগামী এপ্রিল মাস থেকে ওই নতুন লাইভ সম্প্রচার করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dry Fruits: সন্তানকে প্রতিদিন কিসমিস‌ খাওয়ান? কতটা খাওয়া উচিত? কী হতে পারে বেশি খেলে? 

    Dry Fruits: সন্তানকে প্রতিদিন কিসমিস‌ খাওয়ান? কতটা খাওয়া উচিত? কী হতে পারে বেশি খেলে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বছর খানেক বয়স পার হলেই শিশুদের কিসমিস (Dry Fruits) দেওয়া হয়। অনেক সময়েই সন্তানকে নিয়মিত কিসমিস দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কিসমিস খেলে শরীরে তার গভীর প্রভাব পড়ে। তাই যাঁরা নিয়মিত কিসমিস খান, তাঁদের সচেতন থাকা জরুরি।

    নিয়মিত কিসমিস খেলে কী হতে পারে? (Dry Fruits)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে (Raisins) রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই শিশুদের নিয়মিত কিসমিস খাওয়ালে রক্তাল্পতার সমস্যা হবে না। পাশপাশি কিসমিসে রয়েছে তামা। তাই রক্তে লোহিত কণিকার উপাদান তৈরিতে কিসমিস বিশেষ সাহায্য করে। কিসমিসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ‌্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত কিসমিস খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। তাই শিশুদের সুস্থ রাখতে নিয়মিত কিসমিস খাওয়ানো জরুরি। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। দূষণ বাড়ছে। পরিবেশ দূষণের জেরে স্বাস্থ্যের একাধিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিস (Dry Fruits) শরীরে দূষণের জেরে তৈরি হওয়া সমস্যা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। কিসমিসে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম,‌ ফাইবারের মতো একাধিক খনিজ পদার্থ। তাই নিয়মিত কিসমিস খেলে শরীরে খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ হবে। শিশুদের ক্লান্তি বোধ কম হবে। এনার্জির জোগান থাকবে। পাশপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস‌্যাও কমবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কত পরিমাণ কিসমিস খাওয়া উচিত?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিস খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। কারণ, অতিরিক্ত পরিমাণ কিসমিস খেলে শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুদের নিয়মিত ৭ থেকে ১০টা কিসমিস (Dry Fruits) দেওয়া যেতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। প্রাপ্তবয়স্কেরা নিয়মিত ২০ থেকে ২৫ গ্রামের বেশি কিসমিস খেতে পারেন। তবে এর বেশি পরিমাণ কিসমিস খেলে তা শরীরের জন‌্য বিপজ্জনক হতে পারে।

    কেন অতিরিক্ত কিসমিস খাওয়া বিপজ্জনক? (Dry Fruits)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা। এর জেরেই ঘটতে পারে বিপত্তি। ডায়বেটিস আক্রান্তেরা অতিরিক্ত পরিমাণ কিসমিস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। যার জেরে একাধিক সমস্যা হতে পারে। আবার শিশুদের জন্যও অতিরিক্ত কিসমিস বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে থাকে প্রচুর ফাইবার। তাই অতিরিক্ত কিসমিস খেলে হজমের গোলমাল হতে পারে। পেটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য ও অতিরিক্ত কিসমিস খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই খাওয়ার সময় পরিমাণ (Dry Fruits) নিয়ে সতর্কতা জরুরি বলেই তাদের পরামর্শ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “যে বুথে লিড পাবো না সেই বুথে….”, প্রচারে গিয়ে এ কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    Bankura: “যে বুথে লিড পাবো না সেই বুথে….”, প্রচারে গিয়ে এ কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট চাইতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বাঁকুড়ার (Bankura) তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল। লিড না পেলে সেই এলাকায় কী পদক্ষেপ করবেন, তার ব্যাখ্যা করেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থীর এই মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিজেপি-র পক্ষ থেকে এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

    ঠিক কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী? (Bankura)

    তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল বাঁকুড়ার (Bankura) মঙ্গলবার প্রচারে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘যে বুথে লিড পাবো, সেই বুথে জান লড়িয়ে দেব। যে বুথে পাবো না সেই বুথে আমি তো দূরস্ত, আমার দলের কোনও কর্মীকেও আসতে দেব না।’ ওন্দা ব্লকের নতুনগ্রাম এলাকায় প্রচারে গিয়ে তিনি আরও বলেন, “কোন কোন বুথে তৃণমূল ও বিজেপি লিড পাচ্ছে তার তালিকা তৈরি করে রাখা হবে। যে বুথে তৃণমূল লিড পাবে সেখানে জান লড়িয়ে দেব। আর যেখানে তৃণমূল লিড পাবে না সেখানে আমি তো দূরস্ত আমার কোনও কর্মীকেও যেতে দেব না”। এখানেই থেমে থাকেননি। সুজাতাকে হুমকির সুরে গ্রামবাসীদের বলতে শোনা যায়, “তোমরা ভোটের বেলায় বড় ফুলকে দেবে, আর চাওয়ার বেলায় ছোট ফুলের কাছে চাইবে তা হয় না। তোমরা বারেবারে এখান থেকে বিজেপিকে জিতিয়েছ। এবারও যদি তাই হয় তাহলে এবার তোমাদের কথা শুনতে আমরা আর আসবো না। তোমরা বিজেপির সঙ্গে বুঝে নেবে।”পরে, সুজাতা মণ্ডলের যুক্তি, এই এলাকা থেকে বারবার বিধানসভা, লোকসভা ও পঞ্চায়েতে বিজেপি জিতছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওন্দা এলাকাকে উন্নয়নের জোয়ারে ভরিয়ে দিচ্ছেন। এতে তাঁদের যন্ত্রণা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল প্রার্থীর এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অমরনাথ শাখার বলেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। তৃণমূল এখন ঠেলায় পড়ে এমন মন্তব্য করছে। এরকম মন্তব্য ওরা যত করবেন, তত মানুষের থেকে তাঁরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: লোকসভার প্রচারে তৃণমূল-কংগ্রেসকে একযোগের আক্রমণ বিজেপির প্রার্থী নির্মল-গৌরীশংকরের

    Murshidabad: লোকসভার প্রচারে তৃণমূল-কংগ্রেসকে একযোগের আক্রমণ বিজেপির প্রার্থী নির্মল-গৌরীশংকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বহরমপুর (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল সাহা হাতিনগর বকুলতলায় সকালে চায়ে পে চর্চায় অংশ গ্রহণ করেন। তিনি সেখানে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন “এখানে বিপুল সমর্থন দিয়েছেন আমার মা বোনেরা। তাঁরা আজ এখানে একত্রিত হয়েছেন এবং যুব সমাজও দাঁড়িয়ে পাশে। আজ এখানকার সবাই মোদির সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। এই রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে ফেলে দিয়ে নতুন সরকার এখানে আনবেন।” অপর দিকে মুর্শিদাবাদ (Murshidbad) লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী গৌরীশংকর নিজের জয় নিয়ে ব্যাপক আশাবাদী।

    তৃণমূল-কংগ্রেসকে আক্রমণ নির্মল সাহার (Murshidabad)

    ডাক্তার নির্মল সাহা ভোটের প্রচারে বের হয়ে বলেন, “সেদিনের আর বেশি দেরি নেই, তৃণমূল সরকারের পতন ঘটবেই এবং ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার গঠন করবে এই রাজ্যে। অধীরের বিরুদ্ধে লড়াই করা কঠিন কাজ নয়। আমি চিকিৎসক হিসেবে বহু মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছি। যখন তাঁদের কাছে গিয়ে ভোট চাইবো, তখন আমার এবং দলের আদর্শ নিরিখে আমাকে ভোট দিবেন, এটাই আমার আশা। জেলাবাসীকে একটা কথাই বলবো, এর আগে যাঁকে লোকসভায় পাঠিয়েছিলেন, তাঁকে প্রশ্ন করুন বহরমপুরে (Murshidabad) তিনি কী কাজ করেছেন? আবার আগামী পাঁচ বছর জয়ী হলে কী কাজ করবেন? ইউসুফ পাঠান আপনাদের কাছে এসে নিশ্চয়ই ভোট চাইবে। তাঁর কাছে জানতে চাইবেন তিনি এখানে কী করবেন?”

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী গৌরীশংকর

    এর আগেও দলের পক্ষ থেকে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী গৌরীশংকরকে দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার প্রার্থী ঘোষণা করায় আরও বড় লড়াই হবে। গৌরীশঙ্কর বলেন, “এটা নতুন কিছু না। রাজনীতিতে দল সামলাতে হয়, আবার কখনও নির্বাচনে লড়াইও করতে হয়। এবারের টিমটি পুরো ইয়াং, তাঁদেরকে নিয়ে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে সুবিধা হবে। মানুষের ভরসার একমাত্র জায়গা বিজেপি। সেই ভরসার জায়গাকে শক্তিশালী করতে প্রত্যেককেই নামতে হবে। প্রার্থী যেই হোক না কেন তার জন্য অনেক আগে থেকেই দলের কর্মীরা বিজেপিকে জয়যুক্ত করতে অত্যন্ত আশাবাদী।”

    গৌরীশংকরের পরিচয়

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রে এবারে বিজেপির প্রার্থী মুর্শিদাবাদ বিধানসভার জয়ী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। গৌরীশংকর ঘোষ ভারতীয় জনতা পার্টির একজন রাজনীতিবিদ। তিনি মুর্শিদাবাদ জেলার এম জে ব্লকের হাড়িভাঙ্গা প্রদাদপুরের বাসিন্দা। তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে এমএ করেছেন। ২০২১ সালের মে মাসে বিধানসভার সদস্য হিসাবে মুর্শিদাবাদ থেকে নির্বাচিত হন। তিনি বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সিংহ রায়কে ২৪৯১ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। বর্তমান মুর্শিদাবাদ লোকসভা নির্বাচনে দল তাঁকে প্রার্থীর সিলমোহর দেয়। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন বর্তমান ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবির। তিনি বর্তমানে শাসকদল তৃণমূলের ভরতপুরের বিধায়ক। গত ২০১৯ সালের মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন আবু তাহের খান, কংগ্রেসের আবু হেনা, সিপিএমের বদরুদ্দোজা খান এবং বিজেপির হুমায়ুন কবীর।

    ২০১৯ সালে প্রাপ্ত ভোট কেমন ছিল?

    ২০১৯ সালে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের আবু তাহের খান। তিনি মোট ভোট পেয়েছিলেন ৬০৪৩৪৬, কংগ্রেসের আবু হেনা মোট ভোট পেয়েছিলেন ৩৭৭৯২৯, সিপিএমের বদরুদ্দোজা খান ভোট পেয়েছিলেন ১৮০৭৯৩ এবং হুমায়ুন কবীর বিজেপির হয়ে ভোট পেয়েছিলেন ২৪৭৮০৯। এইবার ঘরের ছেলে মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ লোকসভা নির্বাচন ২০২৪-এ মুর্শিদাবাদ লোকসভার প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগীর গ্রেফতার হওয়ার দিনই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন মহিলারা। দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই আবারও পথে নেমেছেন গ্রামের মহিলারা। এবারের ঘটনাস্থল সন্দেশখালির সুখদোয়ানি।

    ঠিক কী হয়েছে? (Sandeshkhali)

    জানা গিয়েছে, ইট বিক্রি করে সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) দুই তৃণমূল নেতা। এরপরই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন মহিলারা। এমনকী ঠিকাদারকে ঘিরে ধরে দেখানো হয় বিক্ষোভ। তাড়া খেয়ে দুই তৃণমূল নেতা পালিয়ে যান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামে পুলিশ ও র‍্যাফ। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, দুর্গা মন্দিরের জন্য বরাদ্দ ইট বিক্রি করে দিয়েছেন তৃণমূলের দুই নেতা। একজনের নাম সঞ্জীব আড়ি। তিনি অঞ্চল সভাপতি। অপরজন দেবব্রত ভুঁইয়া। তিনিও এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা। ম্যানগ্রোভ কেটে নদীর চর বিক্রি করে দোকান তৈরি করা হয়েছে। সেখানে এই দুই নেতার ভূমিকা রয়েছে। শুধু তাই নয়, নির্মল বাংলা প্রকল্পে শৌচাগার নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ইট ঠিকাদার চিত্ত অধিকারীকে বিক্রি করে দিয়েছেন এই দুই নেতা। এরপর ঠিকাদার সেই ইট তুলতে এলে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। অভিযুক্ত দুই তৃণমূল নেতা নাক গলাতে এসে বিপাকে পড়েন। তাঁদের সামনে পেয়ে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। মহিলারা তাড়া করেন তাঁদের। প্রাণ বাঁচাতে ছুটে একটি ঘরের ভিতর ঢুকে যান দুই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। তাঁদের নিরাপত্তা দিতে গোটা বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেমেছে র‍্যাফ। ইতিমধ্যেই গ্রামবাসীরা তৃণমূল নেতা দেবব্রতর বাইক ভাঙচুর করেন। অভিযোগ, মারধর করা হয়েছে তাঁর ভাইপোকে। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, গ্রামবাসীদের ঠেকাতে গিয়ে পুলিশ মাটিতে পড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা দেবব্রত ভুঁইয়া বলেন, এলাকায় কালভার্টের কাজ চলছে। সেটার জন্য কিছু ইট কম পড়ে। আমি ঠিকাদারকে বলেছিলাম পঞ্চায়েতের ইট নিয়ে কাজ করতে। কিন্তু, এখানকার পুজো কমিটি বলেছে ইট দেব না। এরপর ঠিকাদার সেই ইট নামিয়ে দেয়। আর আমরা মিটিংয়ে যাওয়ার সময় আমাদের ঘিরে ধরে বলে শাহজাহান এই করেছে ওই করেছে। আর কিছুই হয়নি। বাকি যা যা বলছে সব মিথ্যা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: ব্যবসায়ীর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে খুন তৃণমূল নেতা, অভিযুক্ত পলাতক

    Durgapur: ব্যবসায়ীর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে খুন তৃণমূল নেতা, অভিযুক্ত পলাতক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ভোটের আবহেই তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দুর্গাপুরের (Durgapur) কাঁকসা এলাকায়। অভিযোগ উঠেছে, বাড়িতে ডেকে এনে পিটিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে তৃণমূল নেতাকে। ঘটনায় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠেছে এলাকা। জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল নেতার সঙ্গে এক মহিলার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। আর তার জেরেই খুন হন তৃণমূল নেতা পবিত্র বিশ্বাস। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তদন্তে নেমেছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Durgapur)

    স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে কাঁকসার (Durgapur) গোপালপুর উত্তরপাড়ার পবিত্র বিশ্বাস নামে এক তৃণমূল কর্মীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান শম্ভু নামক এক ব্যবসায়ী। কিন্তু বাড়িতে অনেকটা সময় না ফেরায় খোঁজ শুরু হয় তৃণমূল নেতার। সাময়িক ভাবে তাঁকে ফোনেও পাওয়া যায়নি। পরে এলাকায় পবিত্রর দেহ উদ্ধার হয়। অপর দিকে খুনের দায়ে অভিযুক্তের বাড়িতে ব্যাপক হামলা করে আশেপাশের তৃণমূল সমর্থিত লোকজন। বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অপর দিকে পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল কর্মীর সঙ্গে ব্যবসায়ী শম্ভুর স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক ছিল। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থাকায় তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল বলেন, খুনের তদন্ত শুরু হয়েছে।

    পরিবারের অভিযোগ

    মৃত তৃণমূল কর্মী পবিত্র বিশ্বাসের পরিবারের তরফ থেকে বলা হয়, “মঙ্গলবার রাতে ফোন করে বাড়িতে পবিত্র জানান, আমাকে বাঁচাও। সেই সময় শম্ভুর বাড়িতে ছিলেন তিনি। এরপর তাঁকে প্রথমে পেটানো হয়। আমরা গিয়ে দেখি বাড়ির উঠানের সামনে পড়ে রয়েছেন। তুলে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসক। আমরা নিশ্চিত তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। অভিযুক্ত শম্ভু এখন পালাতক। আমরা দোষীর বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তি চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Murshidabad: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে জোর করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেতা শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে। সন্দেশখালির মডেলেই অন্যের জমি হাতানোর অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিতলা থানার দেবাইপুর এলাকার এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিতলা থানার দেবাইপুর এলাকার বাসিন্দা কামালউদ্দিন আহমেদ। অভিযোগ, তাঁর জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে তৃণমূল নেতা মাসাদুল খান। কামালউদ্দিনের দাবি, মাসাদুল খানের কাছ থেকে তাঁর বাবা সাড়ে তিন শতক জায়গা কিনে নিয়েছিলেন। আর এই জায়গা এখন কামালউদ্দিন আহমেদ সহ তাঁর আরও তিন ভাই ও দুই বোনের নামে রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে মাসাদুল খান জোরপূর্বক সেই জমি দখল করতে চাইছে। ঠিক যেমন শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল একদম সেই রকম। শুধু তাই নয়, হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। কামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি রানিতলা থানায় অভিযোগ জানাতে যাই। কিন্তু, পুলিশ আমাদের অভিযোগ নেয়নি। এরপর বাধ্য হয়ে ভগবানগোলার এসডিপিওর কাছে গিয়ে অভিযোগ জানাই। শমিরুদ্দিন আহমেদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, “আমাদের জমি জোর করে দখল করতে চাইছেন মাসাদুল। তিনি তৃণমূলের দাপুটে নেতা। থানাকে হাত করে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা বাড়িতে থাকতে পারছি না এখন। উল্টোপাল্টা কেসে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।”

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মাসাদুল খান বলেন, “সালটা ২০১৪। সেই সময় প্রাক্তন সিপিএম প্রধানের নেতৃত্বে আমার জমি দখল করা হয়। জোর করে আমার জায়াগায় বাড়ি করা হয়। এমনকী আমি থানায় অভিযোগ করি। এরপর সালিশি সভা হয়। এরপর দেড় শতক জায়গা আমি ওদের দিয়ে দিই। আসলে ওরা আমার জমি দখল রেখেছিল। এখন আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। সব অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: নিশীথের দিকে তেড়ে গেলেন উদয়ন, উত্তপ্ত দিনহাটা, বনধ

    Cooch Behar: নিশীথের দিকে তেড়ে গেলেন উদয়ন, উত্তপ্ত দিনহাটা, বনধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয় আটকানোকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা। উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ ওই সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের দিকে তেড়ে আসেন। ফলে দুজনেই প্রকাশ্যে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন। মাথা ফেটেছে দিনহাটার এসডিপিও ধীমান মিত্রর। এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার দিনহাটায় ২৪ ঘণ্টার বনধ ডেকেছে তৃণমূল। পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে ভোটের প্রচার সেরে ফিরছিলেন নিশীথ। সেই সময় আবার দিনহাটা (Cooch Behar)  পুরসভার পুরপিতার বাড়িতে উদয়নের জন্মদিন পালন হচ্ছিল। অভিযোগ, নিশীথের কনভয় ওই এলাকায় আসতেই তা ঘিরে ধরার চেষ্টা করা হয়। তখনই নিশীথ প্রামাণিকের দেহরক্ষীরা লাঠিচার্জ করে উত্তেজিত তৃণমূল কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর নজিরবিহীন ঘটনা আসে প্রকাশ্যে। গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন নিশীথ প্রামাণিক। ওই সময়ই বেরিয়ে আসেন উদয়ন গুহও। তিনি নিশীথ প্রামাণিকের দিকে তেড়ে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে দিনহাটা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধীমান মিত্র সহ আহত হন একাধিক ব্যক্তি। দুই পক্ষের সংঘর্ষে কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে হিমশিম খায় পুলিশ। আহতদের দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা (Cooch Behar) বিজেপির সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, “আমরা সারা দিনের সভা শেষ করে বাড়ি ফিরছিলাম। সেই সময় দিনহাটার পাঁচমাথা মোড়ে তৃণমূলের লোকজন জড়ো হয়। আমরা সেখানে পৌঁছতেই অতর্কিত তৃণমূল আক্রমণ করে। এতে আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক আহত হন। আমাদের পক্ষ থেকে কোনও প্রকারের আক্রমণ করা হয়নি।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ভাবে রাস্তা দিয়ে আসছিলাম। হঠাৎ আমার কনভয়ে ইট-পাটকেল, তির-ধনুক নিয়ে আক্রমণ করে তৃণমূল। তিনি বলেন, “গন্ডগোল দেখে আমায় নামতে হয়েছে গাড়ি থেকে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন বলেন, “লাঠিসোঁটা, তির-ধনুক নিয়ে ঘুরছে। পরিকল্পিত ভাবে আমাদের ওপর হামলা করেছে ওরা।” তিনি আরও বলেন, আমার জন্মদিন উপলক্ষে কর্মীরা একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। আমি রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলাম। আচমকা আমাদের দলের কর্মীদের ওপর হামলা করেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: কাটমানির লড়াই? তৃণমূলের প্রধানকে দলবল নিয়ে ঘেরাও করে বসলেন দলেরই উপ প্রধান!

    Jalpaiguri: কাটমানির লড়াই? তৃণমূলের প্রধানকে দলবল নিয়ে ঘেরাও করে বসলেন দলেরই উপ প্রধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের উপ প্রধানের হাতে ঘেরাও তৃণমূলেরই প্রধান। লোকসভা ভোটের মুখে ব্যাপক অস্বস্তি শাসক দলের অন্দরে। তৃণমূল পরিচালিত গ্রামপঞ্চায়েত দফতর ঘেরাও করল তৃণমূলের অপর এক গোষ্ঠী। লোকসভা ভোটের আগে ফের প্রকাশ্যে এল তৃনমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। মোটা টাকার বিনিময়ে আসন কিনেছেন বর্তমান প্রধান। আদিবাসীদের বঞ্চিত করে উন্নয়ন করা হচ্ছে এই অভিযোগ তুলে চা বাগানের বাসিন্দাদের নিয়ে জলপাইগুড়ি অরবিন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান রাজেশ মণ্ডলকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূলের উপ প্রধান টিগা রাউতিয়া। ঘটনায় তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয় তৃণমূল পরিচালিত জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) অরবিন্দ গ্রামপঞ্চায়েত অফিসে। অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবিলায় উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির পুলিশ আধিকারিকেরা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Jalpaiguri)

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) অরবিন্দ গ্রামপঞ্চায়েতের উপ প্রধান টিগা রাউতিয়া বলেন, আমি যেহেতু আদিবাসী তাই আমাকে প্রধান অবজ্ঞা করে।আমাকে আড়াল করে কাজকর্ম করে। আমাকে কোনও মিটিংয়ে ডাকে না। আমার এলাকায় পানীয় জল নেই,রাস্তা ভাঙা, কিছুই কাজকর্ম হচ্ছে না। আমাকে গ্রামের মানুষ বারবার চেপে ধরছেন। আর সহ্য করা যাচ্ছে না। তাই আজ গ্রামবাসীদের নিয়ে প্রধানকে ঘেরাও করা হয়েছে। প্রাক্তন উপ প্রধান তথা তৃণমূলের চা শ্রমিক নেতা মহেশ রাউতিয়া বলেন, পঞ্চায়েত প্রধান টাকার বিনিময়ে এই আসন কিনে রাজত্ব চালাচ্ছে। বিনা টেন্ডারে কাটমানি নিয়ে কাজ করাচ্ছেন। আমাদের উপ প্রধান এই সবের বিরোধিতা করায় তাকে অন্ধকারে রেখে অফিস পরিচালনা করছে। আমরা আজ ডেপুটেশন দিলাম। দলকে সব জানানো হবে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    পঞ্চায়েত প্রধানের কী বক্তব্য?

    তার বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অরবিন্দ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান রাজেশ মণ্ডল। তিনি বলেন, যা কাজকর্ম হচ্ছে তা আইন মেনেই হচ্ছে। বর্তমান উপ প্রধানের বাবা তিনি যা অ্যাকশন প্ল্যান করে গিয়েছিলেন সেই অনুযায়ী কাজ হচ্ছে। আমরা সবাই তৃণমূল। একসাথে মিটিং এ বসে আলোচনা করে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া যেত। কিন্তু, ভোটের মুখে ফেসবুকে প্রচার করে তারপর আন্দোলন এর পেছনে কী যোগসূত্র রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে হবে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন? 

    বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী বলেন, এই গ্রামপঞ্চায়েতে কাটমানির লড়াই। প্রাক্তন উপ প্রধান বলছে বর্তমান প্রধান টাকার বিনিময়ে প্রধান হয়েছে। কি অদ্ভুত কাণ্ড। গোটা পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল পরিচালিত বোর্ডগুলিতে এই একই চিত্র।আর এর জেরে শহর সংলগ্ন চা বাগানে পানীয় জল, রাস্তাঘাট সব ধরনের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত স্থানীয় আদিবাসী সমাজ। যা লজ্জার। মানুষ দেখুক কারা এই রাজ্য চালাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share