Tag: Bengali news

Bengali news

  • Siliguri: তৃণমূল নেতার অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গেলে বাধা, ফিরে এল পুরসভা

    Siliguri: তৃণমূল নেতার অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গেলে বাধা, ফিরে এল পুরসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার বাধায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গিয়ে  ফিরে এলো তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভা। কারণ, সেই অবৈধ নির্মাণ হওয়া বাড়ির মালিক হচ্ছেন স্বয়ং তৃণমূল নেতা। শাসক দলের নেতা বলেই পিছু হটতে বাধ্য হল পুরসভা। এটা নিয়ে শিলিগুড়ি জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Siliguri)

    জানা গিয়েছে, প্রতিবেশীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আইন মেনে নোটিশ জারি করে শুক্রবার শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার কর্মীরা ওই বাড়ি ভাঙতে যায়। বাড়ির মালিক সৌমিত্র দেবনাথ তৃণমূলের ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক। এই বিতর্কিত বাড়ির নিচে তৃণমূলের নির্বাচনী কার্যালয় খোলা হয়েছে। পুরসভার কর্মীরা তার বাড়ি ভাঙতে গেলে  তিনি প্রতিবাদ করে রুখে দাঁড়ান। এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। শিলিগুড়ি পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। তারপর বাড়ি ভাঙার অভিযান স্থগিত রেখে ফিরে যান পুরসভার কর্মী ও ইঞ্জিনিয়াররা।

    দলের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও চক্রান্তের অভিযোগ

    অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে বাড়ি ভাঙার অভিযানে দলেরই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ করেন ত়়ৃণমূল নেতা সৌমিত্র দেবনাথ। তিনি ও তাঁর স্ত্রী মামনী দেবনাথ তৃণমূল কাউন্সিলর অমরআনন্দ দাসের বিরুদ্ধে তোলাবাজিরও অভিযোগ করেন। সৌমিত্র দেবনাথ বলেন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে অধিকাংশ বাড়ির জমিরই পাট্টা নেই। অধিকাংশ বাড়ির অনুমোদিত প্ল্যান নেই। আমার বাড়ি ভাঙতে হলে আরও অনেক বাড়ি ভাঙা পড়বে। এলাকার বাসিন্দারা কোনও দিন কারও বিরুদ্ধে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ করেননি। অমরআনন্দ দাস কাউন্সিলর হওয়ার পর গত এক বছর ধরে তিনি তার নিজের কিছু লোককে দিয়ে বাড়ি বেছে বেছে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ করাচ্ছেন পুরসভায়। তারপর অভিযোগ তোলার নাম করে ঘুরিয়ে মোটা টাকা আদায়ের জন্য চাপ সৃষ্টি  করা হচ্ছে। 

     কী বলছেন তৃণমূল কাউন্সিলর?

    তৃণমূল কাউন্সিলর অমরআনন্দ দাস বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নই। আমার বিরুদ্ধে টাকা চাওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে  সৌমিত্র দেবনাথ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে যাব। পাশাপাশি তিনি প্রশাসন ও আদালতের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে অধিকাংশ বাড়ির জমির পাট্টা নেই।  মানুষ সাধ্যমতো বাড়ি বানিয়ে শান্তিতে বসবাস করছেন। তাই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা যেন  কোনও বাড়ি নিয়ে অবৈধ নির্মাণ অভিযোগে না করেন। কারও বাড়ি যাতে ভাঙ্গা না পড়ে।

     কী বললেন মেয়র?

    নোটিশ জারি করে অভিযানে গিয়ে তৃণমূল নেতার বাধায় ফিরে আসতে হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে পুরসভা। তৃণমূলও অস্বস্তিতে। কেননা দলের নেতার বিরুদ্ধে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ। আর সেই বাড়ি মালিক বলছেন, তৃণমূলের কাউন্সিলর তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে এসব করে তোলাবাজি করছেন। মেয়র গৌতম দেব বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। পদ্ধতি মেনেই কাজ হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানে বাজেট-বরাদ্দ ১০ কোটি, মমতা দেবকে দেবেন ১২৫০ কোটি!

    Mamata Banerjee: ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানে বাজেট-বরাদ্দ ১০ কোটি, মমতা দেবকে দেবেন ১২৫০ কোটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) গত ১২ ফেব্রুয়ারি আরামবাগ সফরে গিয়ে ঘোষণা করলেন, ১২৫০ কোটি টাকা দেবেন ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানে। তাঁর এই ঘোষণার পরই অভিমানী দেব গলে জল হয়ে গেলেন, যিনি মাত্র ৪ দিন আগেও বেঁকে বসেছিলেন। জানা গেল, ফের ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হচ্ছেন দীপক অধিকারী ওরফে অভিনেতা দেব! কিন্তু মমতার এই ঘোষণার পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ১০ বছরের সাংসদ দেব কি জানতেন না, ২০২৪-২৫-এর রাজ্য বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ১০ কোটি! তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১২৫০ কোটি পাবেন কোথা থেকে? নাকি ছেলে ভোলানোর মতো ১২৫০ কোটির টোপ দিয়ে দেবের মান ভাঙালেন! 

    ভোট বৈতরণী পারের বরাবরের হাতিয়ার (Mamata Banerjee) 

    ২০১১ সালে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটে জিততে এই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানকেই হাতিয়ার করেছিলেন। তিনি এই প্রকল্প নিয়ে দু’হাতে প্রতিশ্রুতি বিলিয়েছিলেন। অথচ বাস্তব সত্য হল, গত ১২ বছরে যে বাজেট হয়েছে, তার মধ্যে ৮ বার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য কোনও বরাদ্দই ছিল না। রাজ্য বাজেটে ২০১১-১২, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭ এবং ২০১৭-১৮ সালে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানে বরাদ্দ (Mamata Banerjee) ছিল শূন্য। ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হলেন অভিনেতা দেব। এরপর শুরু হল আবার প্রতিশ্রুতি বিলানো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মানস ভুঁইয়া, দেব কেউ বাদ যান না। একের পর সভায় ঘোষণা করলেন, সংসদে তৃণমূলের প্রার্থী জিতলে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হবেই। ঘাটালের মানুষকে আর ফি বছর বন্যায় ভাসতে হবে না। দেব জিতলেন, অথচ ২০১৪-১৫ বাজেট বরাদ্দেও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান শূন্য!

    বাজেট ঘোষণার অর্ধেকও বরাদ্দ হয় না

    ২০১৯-এ ফের লোকসভা নির্বাচন। ঘাটালের ভোটাররা যে ব্যাপক ক্ষুব্ধ, তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি মমতার। ২০১৮-১৯ সালে প্রথমবার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কপালে শিকে ছিঁড়ল বাজেটে। ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৪ ২৫ সালের মধ্যে বাজেটে এই প্ল্যানের জন্য মোট অর্থ বরাদ্দ ঘোষিত হল ৪৭০ কোটি টাকা। কিন্তু বাস্তবে দেওয়া হল অর্ধেকও নয়, মাত্র ২০৭ কোটি ৫৭ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা। এর মধ্যে কত টাকা কোথায় খরচ হয়েছে, তার কোনও হিসেবও নাকি জমা পড়েনি অর্থ দফতরে (Mamata Banerjee)।

    সরকারি মিথ্যাচার? (Mamata Banerjee) 

    ২০২১ এবং ২০২২ পরপর দু’বছর ব্যাপক বন্যা হয়েছিল ঘাটাল এলাকায়। ক্ষতির পরিমাণও কম ছিল না। ফলে সেচ দফতর বাজেট বরাদ্দ হিসেবে আগের থেকে কিছুটা বেশি টাকাই পেয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনেতা দেবের বাড়ির কাছে পায়ের পাতা ভেজানো জলে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছিলেন ওই বরাদ্দ এবং জানিয়েছিলেন, তিনি ঘাটালের পাশে আছেন। ঠিক তার পরের বছর থেকে শুরু হয়ে যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকারি তামাশা! বাজেট বরাদ্দই নেমে আসে এক লাফে ১০ কোটিতে।

    ফলে সরকারি মিথ্যাচারের প্রকৃষ্ট উদাহরণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান! এমনটাই মনে করছেন রাজ্যবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “তোকে বিধবার কাপড় খুব তাড়াতাড়ি পরতে হবে”, হুমকি দিয়েছিলেন উত্তম সর্দার

    Sandeshkhali: “তোকে বিধবার কাপড় খুব তাড়াতাড়ি পরতে হবে”, হুমকি দিয়েছিলেন উত্তম সর্দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার পরই ফেরার শেখ শাহজাহান। এখনও খোঁজ নেই শাহজাহানের। তবে, শাহজাহানের অন্যতম অনুগামী শিবু হাজরা-উত্তম সর্দারের অত্যাচারের কাহিনি সামনে আসতে শুরু করেছে। পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে সুন্দরী মহিলাদের কীভাবে যৌন নির্যাতন চালানো হত, তা নিয়ে এর আগে মহিলারা গর্জে উঠেছেন। যদিও উত্তম এখন জেলে রয়েছেন। আর শিবু ফেরার। এবার উত্তমের বিরুদ্ধে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সন্দেশখালির মহিলারা।

    বিজেপি সদস্যের স্ত্রীকে হুমকি! (Sandeshkhali)  

    বিরোধী রাজনীতি করলে উত্তম যে তার কী হাল করতেন, তা নিয়ে মুখ খুললেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা। শোনালেন জীবনের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা। কীভাবে একপ্রকার জোর করেই তাঁদের তৃণমূল করতে বাধ্য করা হয়, সেকথা বললেন মহিলারা। পঞ্চায়েত ভোটের সময় তাঁর এলাকায় বিজেপির দিকে পাল্লা ভারী ছিল। জিতেও গিয়েছিল বিজেপি ওই এলাকায়। এরপরই ওই বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রীকে উত্তম সর্দার হুমকি দিয়েছিলেন। এক মহিলা বলেন, “বিরোধী পার্টি করার সাহস ছিল না কারও। বিজেপি প্রার্থী ভোটে জয়ী হওয়ায় উত্তমের চক্ষুশূল হয়ে ওঠে। যিনি ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁর স্ত্রীকে উত্তম বললেন, তোকে বিধবার কাপড় খুব তাড়াতাড়ি পরতে হবে। আমি উত্তম সর্দার।” এমন নয় যে আড়ালে-আবডালে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সবার সামনেই বন্দুক দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি সন্দেশখালির ওই মহিলার। তিনি বললেন, ‘লোকজনের সামনে বন্দুক দেখিয়ে উত্তম বলে গেল, আমি কিন্তু ওকে মার্ডার করে দেব। ২৭টা করেছি, ওকে নিয়ে ২৮টা হবে। তুই সাবধান হয়ে যা।’ এ তো গেল হুমকির কথা। এছাড়া ভোটের সময় দেদার ছাপ্পা চলত বলেও অভিযোগ ওই মহিলার। উত্তম-শিবু মতো শাহজাহান বাহিনী সন্দেশখালি জুড়ে তাণ্ডব চালাত। জোর করেই তৃণমূলের পক্ষে ভোট করাত। সন্দেশখালি জুড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিল ওরা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: চুরি-ডাকাতি-ধর্ষণ-শ্লীলতাহানি, মাদক পাচারের গড় মালদা! আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা, চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

    Malda: চুরি-ডাকাতি-ধর্ষণ-শ্লীলতাহানি, মাদক পাচারের গড় মালদা! আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা, চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চুরি-ডাকাতি, ধর্ষণ- শ্লীলতাহানি, মাদক পাচার, চোরাচালান, জাল নোটের কারবারের গড় হয়ে উঠছে মালদা (Malda)। একের পর এক অপরাধ ঘটেই চলেছে এই জেলায়। সঙ্গে রাজনৈতিক হানাহানি তো রয়েছে। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় একাধিক প্রশ্নপত্র ফাঁসে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে সেই মালদা জেলার নাম। এই ঘটনাকে সামনে রেখে মালদার মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সদস্যরা আতঙ্কিত। তাঁরা মালদহের জেলাশাসকের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (Malda)

    মালদায় (Malda) সীমান্ত রয়েছে এই জেলা ঘিরে। তাই বিভিন্ন সময় দেখা যায়, গরুপাচার, নারীপাচার, অস্ত্রপাচার, জালনোট পাচার, এমনকী ওষুধ পাচার পর্যন্ত চলে। একের পর এক সোনার দোকানে লুট হয়েছে। ব্যবসায়ীর ওপর দুষ্কৃতী হানা হয়েছে। দুষ্কৃতীদের এই তান্ডবে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি আতঙ্কিত সাধারণ মানুষরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, “আমরা খুব আতঙ্কিত। সবসময় একটা ভয় কাজ করছে। এই যে সরস্বতী পুজো গেল বুধবার। প্রতিবছর বাচ্চাদের কী ভিড় হয় রাস্তায়। এবার কিন্তু সেই উদ্দীপনাটা পর্যন্ত নেই। প্রতিদিন কিছু না কিছু ঘটে চলেছে। অভিভাবকরা ভীত, সন্ত্রস্ত। জানি না কোথায় এর শেষ হবে। আমরা বাড়ি থেকে কী বেরোব, বাচ্চাদের কী স্কুলে পাঠাব, ভয় লাগছে। মাদকের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠছে জেলাটা।”

    ব্যবসায়ী সংগঠনের কর্মকর্তা কী বললেন?

    মালদার (Malda) মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি জয়ন্ত কুণ্ডু বলেন, “গত এক বছরে ১৩-১৪টা ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সারা জেলায় মাদকদ্রব্য বিক্রি চলছে। চাঁচল, গাজোল, কালিয়াচক সমস্ত ব্লকে আমরা ডেপুটেশন দিয়েছি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকেও আমরা চিঠি পাঠালাম। সারা জেলাজুড়ে একের পর এক অপরাধমূলক ঘটনা ঘটেই চলেছে।  প্রশাসনকে বারবার বলেছি এটা বন্ধ হওয়া দরকার। জেলায় সোনার দোকানে ডাকাতি বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও কাজ হচ্ছে না। আমরা খুবই আতঙ্কিত। পুলিশ সক্রিয় না হলে এই জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jharkhand: প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডেই রয়েছে ‘সাতশো পাহাড়ের দেশ’! ঘুরে আসবেন নাকি?

    Jharkhand: প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডেই রয়েছে ‘সাতশো পাহাড়ের দেশ’! ঘুরে আসবেন নাকি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) এক অপূর্ব সুন্দর, পাহাড়-অরণ্যে ঘেরা এই “কিরিবুরু-মেঘাতাবুরু”। প্রকৃতপক্ষে কিরিবুরু-মেঘাতাবুরু দুটি আলাদা পাহাড়ের চূড়া। যেন দুই যমজ বোন। সারান্ডা জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত কিরিবুরু-মেঘাতাবুরু তার আপন নৈসর্গিক সৌন্দর্য দিয়েই জয় করে নিতে পারে যে কোনও প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকের হৃদয়। চারদিকে, যেদিকে দু’চোখ যায়, ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি। বলা হয়, এখান থেকে নাকি মোট সাতশোটি পাহাড়ের চূড়া দেখা যায়। তাই অনেকেই একে “সাতশো পাহাড়ের দেশ” বলে সম্বোধন করেন।

    পুন্ডুল ফলস, শাল মহাদেব মন্দির (Jharkhand)

    এই পাহাড়ের বুক চিরে চলে গেছে পথ। পথের দু’পাশে বিখ্যাত সারান্ডা-অরণ্য। শাল, সেগুন, জারুল গাছের নিবিড় অরণ্যের মাঝে বাস হাতি, ভালুক, চিতা, বাইসন, জঙলি কুকুর (যাকে স্থানীয় ভাষায় বলে “ঢোল”) প্রভৃতি প্রাণীর। আর মাঝে মধ্যেই দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির, যার মধ্যে রয়েছে তিতির, বন টিয়া, ময়ূর, ধনেশ প্রভৃতি। এক সঙ্গেই দেখে নেওয়া যায় পুন্ডুল ফলস, শাল মহাদেব মন্দির প্রভৃতি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই অঞ্চলটি এক সময় ছিল পূর্ব সিংভূমের রাজা এবং তাঁদের জ্ঞাতি ও বন্ধুদের শিকারস্থল। আর বর্তমানে হয়েছে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। শুধু পর্যটন কেন্দ্র বললে অবশ্য ভুল হবে। ভারতের খনিজ সম্পদের এক বড়-সড় ভান্ডারও (Jharkhand) বলা যেতে পারে একে। এখান থেকে আকরিক লৌহ যাচ্ছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে।

    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়া (Jharkhand)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে হাওড়া বরবিল জনশতাব্দী এক্সপ্রেস ট্রেন ধরে আসতে হবে বড়া জামদা স্টেশনে। সময় লাগে প্রায় ৬-৭ ঘন্টা। সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে যেতে হবে কিরিবুরু। সময় লাগে প্রায় ৩০-৪০ মিনিট। 
    থাকা-খাওয়া-এখানে রয়েছে সেইল (SAIL) এর গেস্ট হাউস (Jharkhand)। খালি থাকলে এটি পর্যটকদের ভাড়া দেওয়া হয়। বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ৮৯৮১৬১২১০০ নম্বরে। আর এইসব স্থানে বেড়াতে এলে সঙ্গে গাড়ি রাখা খুব প্রয়োজন। স্বল্প সংখ্যক পর্যটকের জন্য সেক্ষেত্রে ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। তাই অধিকাংশ পর্যটকই এক্ষেত্রে প্যাকেজ ট্যুরের আশ্রয় নেন। সেক্ষেত্রে অর্থ যেমন সাশ্রয় হয়, থাকা-খাওয়া, জঙ্গলের মধ্যে ঘোড়াঘুড়ির ঝামেলাও অনেক কমে। এখানে গাড়ি অথবা প্যকেজের জন্য প্রয়োজনে ফোন করতে পারেন ৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Garlic: উচ্চ রক্তচাপ থেকে ক্যান্সার, এক কোয়া রসুনেই বহু রোগ কাবু!

    Garlic: উচ্চ রক্তচাপ থেকে ক্যান্সার, এক কোয়া রসুনেই বহু রোগ কাবু!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তরকারির মশলা হিসেবে কিংবা খালি পেটে, দিনে অন্তত এক কোয়া রসুন (Garlic) খেলেই একাধিক উপকার পাওয়া যাবে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, রসুন খুবই উপকারী। নিয়মিত রসুন খেলে একাধিক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হয়। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়ম করে রসুন খাওয়া জরুরি। তাহলে একাধিক রোগের থেকে মুক্তি সম্ভব! এবার দেখা যাক, কোন‌ কোন রোগের দাওয়াই রসুন?

    উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে (Garlic)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সকালে এক কোয়া রসুন (Garlic) খাওয়া দরকার। কারণ, এতে দেহে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়। আর রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হলেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে‌।

    লিভার ও মূত্রাশয়ের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখে

    নিয়মিত রসুন খেলে লিভার ভালো থাকে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, লিভার এবং মূত্রাশয়ের সমস্যা কমাতে নিয়মিত রসুন (Garlic) খাওয়া জরুরি। এতে এই দুই অঙ্গের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য হয়।

    মহিলাদের হাড়ের রোগের ঝুঁকি কমায় (Garlic)

    রসুন খেলে দেহে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বাড়ে। তাই মহিলাদের নিয়মিত রসুন খাওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মহিলাদের মধ্যে হাড়-ক্ষয় রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই নিয়মিত রসুন খাওয়া জরুরি। এতে দেহে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে। ফলে হাড়ের ক্ষয়-রোগের ঝুঁকি কমবে।

    ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

    রসুনে (Garlic) রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যার ফলে শরীরে একাধিক রোগ প্রতিরোধের শক্তি বাড়ে। বিশেষত ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য রসুন জরুরি। কারণ, এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। নিয়মিত রসুন খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

    হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় (Garlic)

    রসুন দেহের বাজে কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত রসুন খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক থাকে। যার জেরে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সকালে এক কোয়া রসুন খাওয়া খুবই উপকারি।

    স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে

    রসুনে দেহের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়। বয়স বাড়লে অনেকের মস্তিষ্কে ঠিকমতো রক্ত সঞ্চালন হয় না। এর জেরে স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। তাই নিয়মিত রসুন খেলে সেই সমস্যা কমে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রসুন (Garlic) খালি পেটে এক কোয়া খেলে, আর তারপরে পর্যাপ্ত জল খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। এর জেরে স্মৃতিশক্তি ক্ষয়ের ঝুঁকিও কমানো‌ যায়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির পথে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় টিমকে বাধা পুলিশের, বচসা-ধস্তাধস্তি

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির পথে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় টিমকে বাধা পুলিশের, বচসা-ধস্তাধস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পথে কেন্দ্রীয় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। নিরাপত্তার স্বার্থে নস্কর পাড়াতেই আটকে দেওয়া হয় তাদের। তারই প্রতিবাদে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার কলকাতায় আসেন কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যরা। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশে ইতিমধ্যেই গঠিত হয়েছে ছয় সদস্যের বিশেষ এই টিম। এই টিমের এদিন সন্দেশখালিতে পৌঁছে পরিস্থিতি অনুসন্ধান করার কথা ছিল। কিন্তু রামপুরের কাছেই নস্কর পাড়ায় আটকে দেওয়া হয় তাদের।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    গত সপ্তাহে দফায় দফায় অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। সেসময় স্থানীয় মহিলাদের একাংশ দাবি করেছিলেন, দিনের পর দিন তাঁদের ওপর যৌন নির্যাতন হয়েছে।  মহিলাদের ওপর সেই নির্যাতনের অভিযোগ সংবাদ মাধ্যমে দফায় দফায় উঠে এসেছে। সেখানে সংসদীয় দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার গড়ে দেওয়া ওই উচ্চপর্যায়ের অনুসন্ধান কমিটি শুক্রবার সন্দেশখালি রওনা দেয়। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী ও প্রতিমা ভৌমিক, তিন সাংসদ সুনীতা দুগ্গল, কবিতা পাতিদার, সংগীতা যাদব ও রাজ্যসভা সাংসদ ও উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ব্রিজলাল। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ও বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। ঠিক ছিল,এই প্রতিনিধিদল সন্দেশখালির মহিলা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। তাঁদের অভিযোগের কথা শুনবেন। এরপর জেপি নাড্ডার হাতে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা তাঁদের রিপোর্ট তুলে দেবেন। কিন্তু, শুক্রবার ওই কেন্দ্রীয় টিমকে সন্দেশখালি যাওয়ার পথে রামপুর নস্করপাড়ায় আটকে দেওয়া হয়। চারজনের প্রতিনিধিকে যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু, পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এরপরই পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যদের প্রথম বচসা হয়। পরে, ধস্তাধস্তি হয়। সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন সেন্ট্রাল টিমের সদস্যরা।

    পুলিশি বাধা নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় টিমের সদস্য?

    কেন্দ্রীয় টিমের সদস্য তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী বলেন, পুলিশের যে ভূমিকা আমরা এখানে এসে দেখছি, সেই সক্রিয়তা শাহজাহানকে গ্রেফতারির ক্ষেত্রে পুলিশ দেখাত, তাহলে এই সময় আর আসত না। কেন্দ্রীয় টিমের সঙ্গে এসেছেন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। তিনি বলেন, গায়ের জোরে আটকানো হচ্ছে। তৃণমূলের মন্ত্রীরা যেতে পারবেন। আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা যেতে পারবে না। এটাই হচ্ছে বাংলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dry Fruits: দিনে খান চারেক খেজুরই মোক্ষম দাওয়াই! কোন‌ কোন‌ রোগ থেকে মিলবে রেহাই? 

    Dry Fruits: দিনে খান চারেক খেজুরই মোক্ষম দাওয়াই! কোন‌ কোন‌ রোগ থেকে মিলবে রেহাই? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    প্রত্যেক দিনের খাবারের তালিকায় থাকুক খেজুর।‌ দিনে খান চারেক খেজুর খেলেই একাধিক রোগ থেকে মুক্তি সহজেই পাওয়া যাবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই কাজের চাপে দীর্ঘ সময় ভারী খাবার খাওয়ার সুযোগ পান না।‌ খাবারের মাঝে সময়ের ব্যবধান বেড়ে যাওয়ার ফলে নানান শারীরিক জটিলতাও দেখা দেয়। সেই সময়ে সঙ্গে থাকুক খেজুর। অন্তত কয়েকটা খেজুর খেয়ে নিলে সমস্যা কমবে। নিয়মিত খেজুর (Dry Fruits) খেলে এমন অনেক সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন কোন রোগের দাওয়াই খেজুর?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই যে কোনও বয়সের মানুষের রক্তাল্পতা দূর করতে নিয়মিত খেজুর খাওয়া জরুরি। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা মেয়েদের নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এ দেশে বহু মহিলা রক্তাল্পতার সমস্যায় ভোগেন। তাই নিয়মিত খেজুর খেতে হবে। খেজুরে থাকে ল্যাক্সাটিভ। তাই নিয়মিত খেজুর (Dry Fruits) খেলে পাকস্থলীর একাধিক সমস্যার সমাধান হয়। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, হজমের গোলমাল কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করার পাশপাশি পাকস্থলীর আলসারের মতো গুরুতর সমস্যার মোকাবিলাতেও খেজুর খুব কার্যকর ভূমিকা নেয়। 
    হাড়ের ক্ষয়-রোগ রুখতে খেজুর বিশেষ কার্যকর। বিশেষত অস্ট্রিয়পোরেসিসের মতো রোগ মোকাবিলায় খেজুর (Dates) সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুরে থাকে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, তামা, ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম। তাই খেজুর হাড় সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

    প্রচুর পরিমাণে শক্তি (Dry Fruits) 

    খেজুরে প্রচুর পরিমাণে শক্তি থাকে। একশো গ্রাম খেজুরে ২৮২ কিলোক্যালোরি শক্তি থাকে। তাই শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খেজুর বিশেষ কার্যকর। কারণ, এদের দেহে বাড়তি শক্তি জোগান দেওয়া প্রয়োজন। তাই দরকার খেজুর। নিয়মিত খেজুর খেলে শক্তির ঘাটতি হবে না। ক্লান্তি সহজেই দূর হবে। অনিদ্রার সমস্যা মোকাবিলায় খেজুর বিশেষ সাহায্য করে। তাছাড়া, খেজুরে থাকে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ। তাই হৃদযন্ত্রের পেশিকে কার্যকর করতে খেজুর (Dry Fruits) বিশেষ সাহায্য করে। পাশপাশি খেজুর শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুর পেশি ও হাড়ের পাশাপাশি শরীরের স্নায়ু সচল রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে। তাই মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। এতে মাইগ্রেনের সমস্যা কমবে বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: তিন মিনিটের ঝড়ে তছনছ! উড়ল বাড়ির চাল, ভাঙল মণ্ডপ, বজ্রাঘাতে মৃত্যু এক

    Burdwan: তিন মিনিটের ঝড়ে তছনছ! উড়ল বাড়ির চাল, ভাঙল মণ্ডপ, বজ্রাঘাতে মৃত্যু এক

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়ে পূর্ব বর্ধমান (Burdwan) জেলার একাধিক এলাকা। বাজ পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন অনেকেই। মাটির বাড়ির খড়ের ছাউনি উড়ে গিয়েছে। জেলার বহু জায়গায় সরস্বতী পুজো মণ্ডপ ভেঙে গিয়েছে। সবমিলিয়ে জেলায় তান্ডব চালিয়েছে ক্ষণিকের ঝড়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    পূর্ব বর্ধমান জুড়েই বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে বজ্রবিদ্যুৎ- সহ বৃষ্টি হয়েছে। বর্ধমান (Burdwan) শহরে বেশ কিছু ক্ষণের জন্য ভারী বৃষ্টি হয়। জেলার নানা প্রান্ত থেকে ক্ষয়ক্ষতির খবর এসেছে। বিকেলে আচমকা ঝাড়বৃষ্টি শুরু হয় বর্ধমানের বেশ কিছু এলাকায়। কালনায় ওই ঝড় মিনিট তিনেক স্থায়ী হয়েছিল। ঝড়ের দাপটে ওই তিন মিনিটেই ভেঙে পড়ে সরস্বতী পুজোর একাধিক মণ্ডপ এবং অস্থায়ী তোরণ। গাছ ভেঙে বন্ধ হয়ে গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। কালনার বৈদ্যপুরে মণ্ডপের তোরণ ভেঙে গুরুতর জখম হন দু’জন। ঠাকুর দেখতে গিয়ে মণ্ডপের তোরণ ভেঙে পড়ে এই বিপত্তি হয়। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে, গলসির বোমপুরে বজ্রাঘাতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম সজনী মুর্মু। তিনি ক্ষেত মজুরের কাজ করতেন। ঝড়ের সময় তিনি মাঠেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডব চলেছে রায়না, খণ্ডঘোষ, মেমারিতেও। খণ্ডঘোষের বেড়ুগ্রামে একাধিক মাটির বাড়ির খড়ের চাল উড়ে গিয়েছে। অনেক গাছ ভেঙে পড়েছে রাস্তার ওপর। রায়না থানা এলাকার আস্তিকুরে ঝড়ের সময় গাছের ডাল ভেঙে আহত হন এক ব্যক্তি। ডাল ভেঙে তাঁর গায়ে পড়ে। ওই ব্যক্তির নাম অনন্ত পোড়েল।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা কী বললেন?

    কালনার এক বাসিন্দা বলেন, আমরা সরস্বতী মণ্ডপের পাশেই দাঁড়িয়েছিলাম। দুপুর থেকে মেঘলা আবহাওয়া ছিল। বিকেলের পর আচমকা ঝড় ওঠে। সামান্য কিছুক্ষণ ছিল। আর তাতেই সব কিছুই তছনছ করে দিয়েছে। মণ্ডপ ভেঙে গিয়েছে। আমার এক বন্ধু জখম হয়েছে। ঝড়ের সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bone Diseases: তিরিশের চৌকাঠেই কোমর আর পায়ে ব্যথা! হাড়ের ক্ষয় হচ্ছে না তো?

    Bone Diseases: তিরিশের চৌকাঠেই কোমর আর পায়ে ব্যথা! হাড়ের ক্ষয় হচ্ছে না তো?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দিনভর ল্যাপটপে কাজ করার পরে কোমর সোজা করে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে যায়। আবার চেয়ারে বসে বেশ কিছুক্ষণ কাজ করার পরেই পায়ে ব্যথা। এমনকী কয়েক পা হাঁটলেও গোড়ালিতে যন্ত্রণা। প্রৌঢ় বয়সে নয়, তিরিশের চৌকাঠ পেরলেই এমন একাধিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আর চল্লিশের পরে সিঁড়ি দিয়ে নামা-ওঠা, প্রয়োজনে মেঝেতে বসা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠছে। হাঁটু, পা আর কোমরের ব্যথায় কাবু তরুণ প্রজন্মের একাংশ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাড়ের ক্ষয়ের (Bone Diseases) জেরেই বাড়ছে এই ধরনের সমস্যা।

    কেন বাড়ছে হাড়ের ক্ষয়-রোগ? (Bone Diseases)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাড়ের ক্ষয়-রোগের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা আরও বেশি। ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-র অভাবেই এই সমস্যা বেশি হচ্ছে। শিশুদের মধ্যেও হাড়ের শক্তি ঠিকমতো হচ্ছে না। ফলে, ভবিষ্যতে আরও বেশি এই ধরনের সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুষ্টির ভারসাম্য না থাকার জেরেই এই সমস্যা বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই অতিরিক্ত প্রোটিন জাতীয় খাবার খাচ্ছেন। কিন্তু ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার শরীর পর্যাপ্ত পাচ্ছে না। তার জেরেই স্থূলতা বাড়ছে। দেহের ওজন ধরে রাখতে পারছে না হাঁটু এবং পা‌। ফলে হাড়ের সমস্যা (Bone Diseases) আরও বাড়ছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল?

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরচর্চা, এই দুই অস্ত্রেই কাবু হবে হাড়ের ক্ষয়-রোগ (Bone Diseases)। তাঁদের পরামর্শ, রুটিনমাফিক জীবনযাপন কমিয়ে দেবে হাড়ের রোগের দাপট। বিশেষত কোমর, পায়ের যন্ত্রণা কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রত্যেক দিন অন্তত একটানা তিরিশ মিনিট হাঁটলে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি ক্ষয় হবে। এতে স্থূলতার সমস্যা এড়ানো যাবে। পাশপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা করলে কোমর, পিঠ, হাত এবং পায়ের পেশি সচল থাকবে। ফলে, ব্যথা কাবু করতে পারবে না। পাশপাশি, একটানা চেয়ারে বসে থাকা বা ল্যাপটপে কাজ করতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁদের পরামর্শ, অন্তত তিরিশ মিনিট অন্তর একটু হাঁটাচলা করা জরুরি। তাতে ব্যথা কমবে। তাছাড়া, তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশ দিনের একটা বড় সময় এয়ারকন্ডিশন ঘরে থাকে। সূর্যের আলোতে বিশেষ সময় কাটানো হয় না। কিন্তু দিনের কিছুটা সময় রোদে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এতে শরীরে ভিটামিন‌ ডি পাওয়া যায়। ফলে, শরীর সুস্থ থাকে।

    খাবারে বিশেষ নজরদারি (Bone Diseases)

    তবে, হাড়ের ক্ষয়-রোগ রুখতে খাবারে বিশেষ নজরদারি জরুরি। কারণ, এতে দেহে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে। পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, হাড়ের ক্ষয় রুখতে নিয়মিত ডিম খেতে হবে। দিনে অন্তত একটা ডিম খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম। তাই নিয়মিত ডিম খেলে হাড়ের শক্তি বাড়ে। এছাড়া, কলা, লেবু জাতীয় ফল, বাদাম এবং গাজর, পালং শাক, ব্রকোলির মতো সব্জি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ, এগুলোতে রয়েছে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে শক্তিশালী (Bone Diseases) করতে সাহায্য করে। পাশপাশি তৈলাক্ত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ, এতে থাকে ওমেগা থ্রি। এছাড়াও ভিটামিন ডি। যা শরীরের জন্য উপকারী। নিয়মিত ডাল খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, ডালে থাকে প্রোটিন। যা শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share