Tag: Bengali news

Bengali news

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ১৬/০৪/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ১৬/০৪/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি অশুভ প্রমাণিত হতে পারে।

    ২) চিন্তাভাবনা ও কাজের প্রতি অধিক মনোযোগী হন।

    ৩) নিজের প্রয়োজনীয়তা বোঝার ও তা পুরো করার চেষ্টা করুন।

    বৃষ

    ১)  আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    ৩) আর্থিক লাভ হবে।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কাজে সফল হলে আপনাদের আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত হবে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে অধিক সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) দায়িত্ব পূরণের জন্য চেষ্টা করতে হবে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সাফল্য লাভের জন্য অধিক প্রচেষ্টা করতে হবে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি খুব ভালো।

    ২) কাজের ভালো ফল পাবেন।

    ৩) পুরনো লগ্নির মাধ্যমে ভালো রিটার্ন পাবেন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) সমস্ত অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণ হবে।

    ৩) মনে আনন্দ থাকবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ অনুকূল নয়।

    ২) কাজে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

    ৩) চাকরিতে আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি খুব ভালো থাকবে।

    ২) নিজের স্বপ্ন পুরো করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) কেরিয়ারে ভালো সুযোগ পাবেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি সাধারণত অনুকূল নয়। 

    ২) ব্যবসা ও কর্মক্ষেত্রে সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ৩) কাজের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) অসম্পূর্ণ ইচ্ছা পূরণ হবে।

    ২) স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। 

    ৩) ব্যস্ততায় দিনটি অতিবাহিত হবে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ ভালো নয়।

    ২) ব্যবসা বা চাকরিতে আর্থিক লোকসান সম্ভব।

    ৩) আর্থিক বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দেওয়া হল”, বললেন মোদি  

    PM Modi: “দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দেওয়া হল”, বললেন মোদি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী বন্ড বাতিলের ‘সুপ্রিম’ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দেওয়া হল।” তাঁর দাবি, নির্বাচনী বন্ড না থাকলে কেউ জানতেই পারতেন না, কোন সংস্থা, কোন দলকে কত টাকা দিচ্ছে। নির্বাচনী বন্ডকে ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অথচ সাক্ষাৎকারে নির্বাচনী বন্ডের পক্ষেই সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    নির্বাচনী বন্ডের পক্ষে সওয়াল (PM Modi)

    তিনি বলেন, “নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ করতেই নির্বাচনী বন্ড চালু করা হয়েছিল। যদি সৎ প্রতিফলন দেখা যায়, সকলেই একদিন তা নিয়ে অনুশোচনা করবে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমি কখনওই বলিনি একটি সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত। কিন্তু বিরোধী দলগুলি নির্বাচনী বন্ড নিয়ে মিথ্যা প্রচার করছে।” ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে বলেও নানা সময় দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের সাক্ষাৎকারে সে প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। কাউকে ভয় পাওয়ানো বা দমন করা আমার সরকারের লক্ষ্য নয়। যখন আমি বলি আমার বড় পরিকল্পনা রয়েছে, তখন কারও ভয় পাওয়া উচিত নয়। আমি কাউকে ভয় দেখানো বা তাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিই না। আমি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিদ্ধান্ত নিই।”

    ‘ট্রেলর, পুরো সিনেমা এখনও বাকি’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি সব সময় সঠিক পথে চলার চেষ্টা করেছি। তবুও দেখতে পাই যে, দেশে আমার এত চাহিদা রয়েছে। আমি কীভাবে প্রতিটি পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করব, সেটাই বলার চেষ্টা করছি এই পরিকল্পনায়।” তাঁর সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা তো শুধু ট্রেলর। পুরো সিনেমা এখনও বাকি রয়েছে।” ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র পক্ষেও আরও একবার সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বার বার নির্বাচনের আয়োজন করতে গেলে উন্নয়ন কর্মসূচির ক্ষতি হয়। আমরা প্রতিশ্রুতি মতোই এই কর্মসূচি রূপায়ণের চেষ্টা করব।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আপনার স্বপ্নই হল মোদির সঙ্কল্প। আপনারা যখন বুথে ভোট দিতে যাবেন, তখন মাথায় রাখবেন এটা দেশের নির্বাচন। এটা দেশকে তৃতীয় আর্থিক বৃহত্তম শক্তি বানানোর নির্বাচন।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্রে’ করা হয়েছে কোন কোন সঙ্কল্প, জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • D Subbarao: সুদের হার কমাতে চাপ দিতেন প্রণব, চিদম্বরম, তোপ আরবিআইয়ের প্রাক্তন গভর্নরের

    D Subbarao: সুদের হার কমাতে চাপ দিতেন প্রণব, চিদম্বরম, তোপ আরবিআইয়ের প্রাক্তন গভর্নরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায় ও প্রাক্তন আর এক অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম ব্যাঙ্ক রেট নমনীয় করতে এবং বৃদ্ধির মনোহর ছবি তুলে ধরতে চাপ দিতেন। অন্তত এমনই দাবি করলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর ডি সুব্বারাও (D Subbarao)। সম্প্রতি বাজারে এসেছে তাঁর একটি বই। শিরোনাম ‘জাস্ট এ মার্সিনারি?: নোটস ফ্রম মাই লাইফ অ্যান্ড কেরিয়ার’। সুব্বারাও লিখেছেন, “শীর্ষ ব্যাঙ্কের স্বায়ত্ত্বশাসনে সরকার সামান্য হলেও হস্তক্ষেপ করত।”

    সুব্বারাওয়ের নয়া বই (D Subbarao)

    ২০০৭-০৮ সালে অর্থসচিব ছিলেন সুব্বারাও (D Subbarao)। ২০০৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রশি ছিল তাঁর হাতেই। সুব্বারাওয়ের সাম্প্রতিক ওই বইটির একটি অধ্যায়ের শিরোনাম ‘রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অ্যাজ দ্য গভর্নমেন্টস চিয়ারলিডার’। এই অধ্যায়েই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর সু্ব্বারাও মনে করিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে সরকার শীর্ষ ব্যাঙ্কের সুদের হার কমাতে চাপ দিত। জনতার মন জয়ে বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির হার মনোহরণ করে তুলে ধরতেও চাপ দিতেন দুই প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী।

    কী লিখেছেন প্রাক্তন গভর্নর?

    তিনি লিখেছেন, “আমি এরকম একটি ঘটনার কথা স্মরণ করতে পারি। তখন প্রণব মুখোপাধ্যায় অর্থমন্ত্রী ছিলেন। অর্থসচিব ছিলেন অরবিন্দ মায়ারাম। মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন কৌশিক বসু। তাঁরা আমাদের এস্টিমেটকে কীভাবে তাঁদের এস্টিমেট দিয়ে সমতুল করে দেখাতেন।” তিনি বলেন, “একটি বৈঠকে মায়ারাম বলেছিলেন বিশ্বের সব দেশেই সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কো-অপারেশন থাকে। আর এখানে, ভারতে এর উল্টো ছবি দেখা যায়।” সুব্বারাও বলেন, “রিজার্ভ ব্যাঙ্ক চিয়ার লিডারের মতো হোক, সরকারের এহেন দাবিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলাম আমি। অর্থমন্ত্রক বৃদ্ধির হার বাড়িয়ে দেখাবে, সুদের হার নমনীয় করার পক্ষে সওয়াল করবে, এটা আমায় হতাশ করত।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্রে’ করা হয়েছে কোন কোন সঙ্কল্প, জানেন?

    এর আগেও একটি বইতে একই দাবি করেছিলেন সুব্বারাও। বইটির নাম, ‘হু মুভড মাই ইন্টারেস্ট রেটস’। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, “তাঁর আমলে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সুদ না কমানোর অবস্থানে অনড় থাকায় বিরক্ত প্রকাশ করেছিলেন প্রণব ও চিদম্বরম। প্রাক্তন এই দুই অর্থমন্ত্রী বিশ্বাস করতেন বৃদ্ধির গতি বাড়ার পথে বাধা সুদের চড়া হার।” তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে সংঘাতের মাশুল তাঁকে গুনতে হয়েছে বলেও দাবি সুব্বারাওয়ের (D Subbarao)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: কথা রাখলেন সুকান্ত, কমিশনের অনুমতিতে চালু হল বালুরঘাট-দিল্লি এক্সপ্রেস

    Sukanta Majumdar: কথা রাখলেন সুকান্ত, কমিশনের অনুমতিতে চালু হল বালুরঘাট-দিল্লি এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা রাখলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ভোটের আগেই বালুরঘাটবাসী পেলেন দিল্লিগামী এক্সপ্রেস ট্রেন। সোমবার ভোটের আগেই বালুরঘাট-দিল্লি সেই ট্রেন চালু হল। নির্বাচন কমিশনের অনুমতিতে এদিন বালুরঘাট থেকে ওই ট্রেন পথ চলা শুরু করল। উপকৃত হলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।   

    ট্রেনের চালকসহ যাত্রীদের ফুল ছুঁড়ে অভিনন্দন জানান সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ মার্চ রেলের তরফে বালুরঘাট থেকে সরাসরি দিল্লির ট্রেন চালুর ঘোষণা হয়েছিল। মালদার ফরাক্কা এক্সপ্রেসটি বালুরঘাট থেকে চলবে। তবে, ভোট ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় এই ট্রেন চালু করতে আইনি বাধার মুখে পড়ে রেল। তাই এনিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল রেল মন্ত্রক। এরপরই সেই অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রেল এখনও বালুরঘাট- দিল্লি এক্সপ্রেসের সময়সূচি না জানালেও অতি দ্রুত এই ট্রেন চালু হবে বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে। এদিন সেই দিল্লি -বালুরঘাট ট্রেন চালু হল। নির্বাচন বিধি লাগু থাকায় দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তিনিও ফুল ছুঁড়ে অভিনন্দন জানান চালকসহ যাত্রীদের। পাশাপাশি সারাদিনের ভোটের প্রচার সারলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন বালুরঘাট শহরের বিভিন্ন বাজার ও বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচার সারেন সুকান্ত মজুমদার। প্রচারে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বালুরঘাট -দিল্লি ট্রেন চলার কথা জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    জেলার মানুষকে দিল্লি পাঠালাম

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বিদায়ী সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আমি বালুরঘাট শহরের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচার সারলাম। এদিন থেকে বালুরঘাট দিল্লি ট্রেনটি চালু করা হল। আমরা যা কথা দিয়েছিলাম, সে কথাই রাখলাম, এটাই আর একবার প্রমাণিত হবে। বিরোধীদের চমকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যতই কথা বলুক, এক্ষেত্রে আইনত বাধা নেই। জেলার মানুষ জানে এই কৃতিত্ব কার। আমি জেলার মানুষকে দিল্লি পাঠালাম, আমাকে জেলার মানুষ এবার দিল্লি পাঠাক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ফের বাংলায় সফট টার্গেট বন্দে ভারত! কাচ ভাঙল ইটে, চিন্তায় রেল

    Malda: ফের বাংলায় সফট টার্গেট বন্দে ভারত! কাচ ভাঙল ইটে, চিন্তায় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বন্দে ভারত (Vande Bharat) কি এখন দুষ্কৃতীদের সফট টার্গেটে! প্রশ্ন উঠল নববর্ষের দিনেও। পশ্চিমবঙ্গে দুষ্কৃতীদের ছোড়া ইটে ফের ভাঙল বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের কাচ। মালদায় (Malda) পাথরের আঘাতে ট্রেনের একটি জানালার কাচ ভেঙে গিয়েছে বলে রেল দফতর সূত্রের খবর। বারবার একই ধরনের ঘটনা ঘটায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সুরক্ষা নিয়ে পুনরায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Malda)?

    জানা গিয়েছে, হাওড়া (Howrah) থেকে নিউ জলপাইগুড়িগামী (New Jalpaiguri) বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন মালদা (Malda) স্টেশন ছাড়ার পর শ্রীপুর থেকে সামসি স্টেশনের মধ্যবর্তী একটি জায়গায় ট্রেনের সি৮ কোচ লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা। কেন বারবার আক্রমণের মুখে পড়ছে  এই প্রশ্ন এখন বন্দে ভারতের যাত্রীদের। ঘটনায় সকল যাত্রীরা সুরক্ষার অভাব বোধ করছেন।

    তদন্তে আরপিএফ

    এদিকে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে হাওড়া স্টেশনে যাওয়ার সময় রবিবার বিকেলে মালদা টাউন স্টেশনের বন্দে ভারত এক্সপ্রেস আসার পর মালদার (Malda) আরপিএফ (RPF) কর্মীরা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তাঁরা রেল যাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলেন। এর আগে বন্দে ভারত ট্রেনের সঙ্গে যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবারও সেই আশ্বাস দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে শেষ বেলায় মনোজ টিগ্গার হয়ে জমকালো রোড শো-তে মহাগুরু

    যাত্রীর বক্তব্য

    বন্দে ভারতের এক যাত্রী এদিন বলেন, “আগে এই ধরনের পাথর ছোড়ার ঘটনা শুনেছিলাম। এবার মালদায় (Malda) নিজের চোখে দেখলাম। বিষয়টি বন্ধ করা উচিত। না হলে এত টাকা খরচ করে এই ট্রেনে ঝুঁকি নিয়ে যাওয়ার কোনও মানেই হয় না। যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    Siliguri: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তাই, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে এরাজ্য। সোমবার শিলিগুড়িতে (Siliguri) দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার সমর্থনে প্রচারে এসে এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন কেন্দ্রের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ এবং তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন, এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গরিব ও সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না।

     জঙ্গিদের আশ্রয় দেয় তৃণমূল সরকার (Siliguri)

    এদিন শিলিগুড়িতে (Siliguri) নির্বাচনী প্রচারে রাজু বিস্তাকে জেতানোর আহ্বান জানান অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশজুড়ে উন্নয়নের কাজ হয়েছে। তার শরিক হয়ে রাজু বিস্তাও গত পাঁচ বছরে এই অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করেছেন। মানুষ বুঝেছেন যে নরেন্দ্র মোদি গরিব ও সাধারণ মানুষের জন্য কল্যাণকর কাজ করেছেন, আগামী দিনেও করবেন। সেখানে রাজ্যের তৃণমূল সরকার সম্পর্কে মানুষের মধ্যে ঘৃণা, বিরক্তি এসে গিয়েছে। কলকাতা থেকে রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে গেলে তৃণমূল সরকার সম্পর্কে শোনা যায় দুর্নীতিগ্রস্ত, নারী নির্যাতনকারীদের আশ্রয়দাতা। ক্রমে জঙ্গিদেরও আশ্রয়দাতা হয়ে উঠেছে। বেঙ্গালুরু বা দেশের যে কোনও প্রান্তে  নাশকতা ঘটিয়ে জঙ্গিরা পশ্চিমবঙ্গে এসে  আশ্রয় নিচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের মনেও প্রশ্ন উঠেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের জঙ্গিরা কেন পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিচ্ছে? সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছে যে, তৃণমূল সরকার জঙ্গিদেরও আশ্রয় দেয়। 

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির পথেই কি নন্দীগ্রাম? তৃণমূল নেতার বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ মহিলাদের 

    এরাজ্যের গরিবদের বঞ্চিত করছে তৃণমূল

    তৃণমূল রাজ্যে গরিব মানুষের ক্ষতি করে চলেছে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত সহ কৃষকদের বিমা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি এরাজ্যে লাগু করেননি। অথচ ১০০ দিনের কাজের  টাকার জন্য তিনি চিৎকার করে যাচ্ছেন। এরাজ্যের গরিব ও সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছেন, সরাসরি তাদের উপকার লাগে এমন কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি মুখ্যমন্ত্রী এরাজ্যে কেন লাগু হতে দেননি। তাই এবার  রাজু বিস্তা সহ রাজ্যের সব বিজেপি প্রার্থীকে জেতানর জন্য ভোটাররা মনস্থির করে ফেলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: লোকসভা ভোটের আগে প্রকাশ্য দিবালোকে শুটআউট আসানসোলে! তীব্র উত্তেজনা

    Asansol: লোকসভা ভোটের আগে প্রকাশ্য দিবালোকে শুটআউট আসানসোলে! তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনেদুপুরে ব্যবসায়ীকে শুটআউট (Shootout)! লোকসভা ভোটের মুখে গুলিতে খুন মাইক্রো ফিনান্স সংস্থার মালিক। আসানসোলের (Asansol) কুলটি থানার চিনাকুড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Asansol)?

    সোমবার বেলা পৌনে বারোটা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে চিনাকুড়ি (Asansol) এলাকায় একটি বেসরকারি মাইক্রো ফিনান্স সংস্থা অফিসে ঢোকে এক দুষ্কৃতী। তার মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিলো। এরপর অফিসের মধ্যে ঢুকে অফিসে বসে থাকা উমা শংকর চৌহানকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কুলটি থানার পুলিশ (Police), এরপর গুলিবিদ্ধ উমা শঙ্কর চৌহান ( ৩৫) কে উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    অফিসের কর্মীদের বক্তব্য

    ঘটনায় ওই অফিসের কর্মীরা বলেন, “এক দুষ্কৃতীরা এসে উমা শঙ্কর চৌহানকে লক্ষ্য করে পরপর ৪-৫ রাউন্ড গুলি করে। সেই গুলিতে জখম হয়ে অফিসের মধ্যে লুটিয়ে পড়েন উমাশংকর। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। জানা গেছে, এই ঘটনার কয়েক মিনিট আগে এক যুবক অফিসে এসে একজনের খোঁজ করছিলো। তারপরেই মুখ বাঁধা ওঁই যুবক আসে। ঠিক ভোটের মুখে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায় (Asansol)।” পুলিশ তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। যুবকের খোঁজে তল্লাশি (Investigation) চালানো হচ্ছে। তবে কী কারণে আততায়ীর নিশানা হলেন উমা শঙ্কর, তা বুঝতে পারছেন না তাঁর পরিবারের লোকজনও।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে নিখোঁজ স্বামীর খোঁজ পেতে সিবিআই তদন্তের দাবি স্ত্রীর

    ১৩ মে ভোট আসানসোলে

    উল্লেখ্য ১৩ মে চতুর্থ দফা ভোট আসানসোলে (Asansol)। ইতিমধ্যেই প্রচার পর্ব চলছে জোরকদমে। ভোট নিয়ে মেতে রয়েছেন আসানসোলের মানুষ। আর তারই মধ্যে এই ঘটনায় হইচই পড়ে গেছে এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, অফিসের কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভির ফুটেজ। পাশাপাশি উমাশঙ্করের সঙ্গে কারও টাকা পয়সা নিয়ে কোনও গন্ডগোল ছিল কিনা তাও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ভোটের মুখে এই ঘটনা তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: নিবিড় অরণ্যের মাঝে মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ! ইতিহাসের জ্বলন্ত সাক্ষী জয়পুর ফরেস্ট

    Bankura: নিবিড় অরণ্যের মাঝে মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ! ইতিহাসের জ্বলন্ত সাক্ষী জয়পুর ফরেস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়া জেলার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এবং অরণ্য ‘জয়পুর ফরেস্ট’। দুপাশে শাল, শিমূলের নিবিড় অরণ্যর বুক চিরে চলে গেছে রাজপথ। মাঝে মধ্যেই দেখা মেলে হাতিদের চলাচল করার জন্য “এলিফ্যান্ট করিডোর” (Bankura)। নিবিড় অরণ্যের মাঝে বাস করে হাতি সহ হরিণ, সজারু, ময়ূর আর নানান প্রজাতির পাখি। অরণ্যের শিহরণ, নিস্তব্ধতা প্রতিনিয়ত গ্রাস করে অরণ্যপ্রেমী পর্যটকের হৃদয়। এই অনাবিল আরণ্যক সৌন্দর্য তো মনপ্রাণ দিয়ে উপভোগ করবেনই। তার সঙ্গেই দেখে নিন ইতিহাসের এক অপূর্ব আর জ্বলন্ত সাক্ষী।

    মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ (Bankura)

    জয়পুর ফরেস্টের মধ্যেই রয়েছে মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ। এখানে এলে অবশ্যই দেখে নিন সুপ্রাচীন গোকুলচাঁদ মন্দিরটি। বাঁকুড়া জেলার বৃহত্তম এই মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল প্রথম রঘুনাথ সিংহের রাজত্বকালে, ১৬৪৩ সালে। আবার এও বলা হয়, মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয় বীর হাম্বীরের পূর্ববর্তী মল্লরাজা চন্দ্রমল্লের আমলে। ল্যাটেরাইট পাথরে নির্মিত মন্দিরটি দৈর্ঘ্য-প্রস্থে ৪৫ ফুট এবং উচ্চতায়ও ৪৫ ফুট। এর চুড়াগুলি লক্ষণীয়। মন্দিরটি পূর্বমুখী, পঞ্চরত্ন (Bankura)। এই মন্দিরের প্রধান বিগ্রহ গোকুলচাঁদ। প্রায় পরিত্যক্ত এই মন্দিরটি আজও বাংলার প্রাচীন শিল্প ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। এর কাছেই জঙ্গলের মধ্যে রয়েছে এক বিশাল বাঁধ বা সরোবর, নাম  সমুদ্র বাঁধ। একই সঙ্গে অরণ্যর শিহরণ, ইতিহাসের আঘ্রাণ, আর অমলিন প্রকৃতিকে পেতে হলে জয়পুর ফরেস্ট হল অন্যতম সেরা ঠিকানা।

    কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ১২৭ কিমি (Bankura)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে বিষ্ণুপুর বা বাঁকুড়াগামী সব বাসই যাচ্ছে জয়পুরের ওপর দিয়ে। সড়কপথে কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ১২৭ কিমি। বিষ্ণুপুর প্রায় ১৪ কিমি। আর ট্রেনে গেলে রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস, পুরুলিয়া এক্সপ্রেস, আরণ্যক এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেনে গিয়ে বিষ্ণুপুর নেমে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে যেতে হবে জয়পুর (Bankura)।
    থাকা খাওয়া-এখানে রয়েছে জঙ্গলের অভ্যন্তরে আরণ্যক রিসর্ট ( ৮২৪০০৮৫২৪৩ ), বনলতা রিসর্ট ( ৯৭৩২১১১৭০৬ ) প্রভৃতি। দুটিতেই খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে নিখোঁজ স্বামীর খোঁজ পেতে সিবিআই তদন্তের দাবি স্ত্রী’র

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে নিখোঁজ স্বামীর খোঁজ পেতে সিবিআই তদন্তের দাবি স্ত্রী’র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট (Basirhat) মহকুমার ন‍্যাজাট থানার ভাঙ্গিপাড়ার ঘটনা। ২০১৯ সালের ৬ই জুন সন্দেশখালি (Sandeshkhali) বিধানসভার ভাঙ্গিপাড়ায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃণমূলের (TMC) কর্মিসভা হয়। সেই সভার শেষে এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ মণ্ডল, সুকান্ত মণ্ডল ও দেবদাস মণ্ডলের ওপর হামলা করে তৃণমূলের দুষ্কৃতী বাহিনী। দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় প্রদীপ মণ্ডল ও সুকান্ত মণ্ডলের। সেই সঙ্গে নিখোঁজ হন দেবদাস মণ্ডল।

    পুলিশের তদন্ত কোন পথে (Sandeshkhali)?

    সেই সময় থেকে দেবদাস মণ্ডলের (Sandeshkhali) খোঁজ না পাওয়ায় তাঁর পরিবার ন‍্যাজাট থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। সেই অভিযোগে নাম উঠে আসে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান সহ তাঁর সাগরেদদের। পরবর্তীকালে শেখ শাহজাহানের নাম বাদ যায় এফআইআর থেকে। তারপর দেবদাসের পরিবার দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের। বিচারপতি পুনরায় এফআইআরের নির্দেশ দেন এবং শেখ শাহজাহান নাম বহাল রাখা হয়। তারপর কেটে গেল পাঁচটি বছর।

    নিঁখোজের স্ত্রী কী বলছেন?

    আদৌ কি ফিরবে দেবদাস মণ্ডল (Sandeshkhali)? নাকি সেই দিনই তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তারপর তাঁর দেহ লোপাট করা হয়েছে কোনও মাছের ভেড়িতে। আজও অজানা তাঁর মৃত্যুর রহস্য। এমনটাই জানাচ্ছেন তাঁর স্ত্রী সুপ্রিয়া মণ্ডল।

    বর্তমান অবস্থা

    আজও দেবদাসের খোঁজ পায়নি তাঁর পরিবার। স্ত্রীর দাবি, স্বামী মৃত অথবা জীবিত ফিরে আসুক ঘরে। বর্তমানে শেখ শাহজাহান রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ইডি হেফাজতে রয়েছেন। পরিবারের (Sandeshkhali) পক্ষ থেকে আদালতের কাছে দাবি করা হয়েছে, দেবদাসের খোঁজ পেতে সিবিআই তদন্ত করা হোক। তাহলে আসল রহস্য প্রকাশ্যে আসবে। নিহত প্রদীপ মণ্ডলের পরিবার সেই ঘটনার পর থেকে কোথায় আছে, তা এখনও অনেকের অজানা। নিহত সুকান্ত মণ্ডলের পরিবার বলতে একমাত্র তাঁর মা। তিনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে বর্তমানে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁকে আর দেখার কেউ নেই। কষ্ট করে সুন্দর একটি পাকা দালান বাড়ি তৈরি করেছিলেন সুকান্ত। বর্তমানে তাঁর সুন্দর একটি বাড়ি থাকলেও সেই বাড়িতে বসবাস করার মতো আর কেউ নেই। এমনটাই জানাচ্ছেন গ্রামের মানুষ।

    দেবদাস মণ্ডলের পরিবারে বয়স্ক বাবা-মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে বিছানায় শয্যাশায়ী। সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরানো পরিবারে একমাত্র রোজগেরে ছিলেন দেবদাস। বর্তমান তাঁর সংসারের  খুবই করুণ দশা। তাঁর বর্তমানে একটি ছোট্ট মেয়ে ও একটি ছোট্ট ছেলে রয়েছে। তারা জানে না তাদের বাবা কবে বাড়ি ফিরে আসবে। তাদের মা পথ চেয়ে বসে আছে কবে তাঁর স্বামী ঘরে ফিরবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: সুরাহা হয়নি সুপ্রিম কোর্টেও, আপাতত লকআপেই কেজরি, ইডির রিপোর্ট তলব

    Supreme Court: সুরাহা হয়নি সুপ্রিম কোর্টেও, আপাতত লকআপেই কেজরি, ইডির রিপোর্ট তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টেও (Supreme Court) স্বস্তি পেলেন না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। ইডির এই গ্রেফতারিকে বেআইনি আখ্যা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে ইডির কাছে রিপোর্ট তলব করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৭ এপ্রিল। সেই দিনই রিপোর্ট জমা দিতে হবে ইডিকে।

    কী বললেন কেজরির আইনজীবী? (Supreme Court)

    এদিন কেজরির মামলাটির শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চে। সওয়াল করতে গিয়ে কেজরিওয়ালের পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বলেন, “আগামী শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানির আর্জি জানাচ্ছি। ইডির গ্রেফতারি ছিল নির্বাচনী প্রচার থেকে কেজরিওয়ালকে দূরে রাখার জন্য।” এত তাড়াতাড়ি শুনানির তারিখ দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। প্রসঙ্গত, এবার লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। দিল্লিতে নির্বাচন হবে এক দফায়, ২৫ মে। শেষ দফার নির্বাচন হবে ১ জুন।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্রে’ করা হয়েছে কোন কোন সঙ্কল্প, জানেন?

    কেজরিওয়ালই মূল চক্রী!

    আবগারি নীতি মামলায় কেজরিওয়ালকেই মূল চক্রী হিসেবে দেখিয়েছে ইডি। তাঁর বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগও করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। সেই কারণেই ইডির গ্রেফতারিকে বেআইনি আখ্যা দিয়ে তিনি যে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন, তা ধোপে টেকেনি বলে ধারণা আইনজ্ঞ মহলের। সুপ্রিম কোর্টের আগে কেজরিওয়াল গিয়েছিলেন দিল্লি হাইকোর্টে। সেখানেও স্বস্তি না মেলায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী দ্বারস্থ হন শীর্ষ আদালতে। সেখানেও হল না সুরাহা। তাই আপাতত পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত লকআপেই থাকতে হচ্ছে আপ সুপ্রিমোকে।

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্টে কেজরিওয়ালের আইনজীবীর দাবি ছিল, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে যখন গ্রেফতার করা হয়, তখন লাগু হয়ে গিয়েছে আদর্শ নির্বাচনী আচরণ বিধি। তাই তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তার পরেও (Supreme Court) অবশ্য মেলেনি জামিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share