Tag: Bengali news

Bengali news

  • I League 2023-24: গোলকিপারের মারা শট, বিপক্ষের গোলে জড়িয়ে গেল মাটি না ছুঁয়েই!

    I League 2023-24: গোলকিপারের মারা শট, বিপক্ষের গোলে জড়িয়ে গেল মাটি না ছুঁয়েই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোলরক্ষকের শট মারলেন। বল বিপক্ষের (I League 2023-24) ফুটবলারের কাছে গেলেও কখনই তা মাটি ছুঁল না। তা জড়িয়ে গেল বিপক্ষের গোলপোস্টের জালে। আইলিগে এমন গোল দেখে ফুটবল ভক্তরা মুগ্ধ। রবিবারই ছিল রিয়াল কাশ্মীর বনাম চার্চিল ব্রাদার্সের ম্যাচ। এই ম্যাচে গোলটি করেন নোহিয়ার ক্রিজো। গতকাল গোয়ার তিলক ময়দান স্টেডিয়ামে হোম টিম চার্চিল ব্রাদার্স এফসি মুখোমুখি হয় রিয়াল কাশ্মীর এফসি-র।

    পরাস্ত চার্চিল ব্রাদার্স

    রবিবার রিয়াল কাশ্মীর ২-০ গোলে হারিয়ে দেয় চার্চিল ব্রাদার্সকে (I League 2023-24)। ম্যাচের ৬৬ মিনিটের মাথায় কাশ্মীরের হয়ে গোল করেন ইভোরি কোস্টের ক্রিজো। খ্যাতনামা ফুটবলার দিদিয়ার দ্রোগবার দেশের ফুটবলার ক্রিজো প্রায় মাঝ মাঠ থেকে ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন। যে চার্চিলের রক্ষণ ভাঙতে একটা সময় বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল কাশ্মীরকে। তাদের বিরুদ্ধেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় কাশ্মীর।

    ক্রিজোর গোলের শুরুর শট করেছিলেন কাশ্মীরের গোলরক্ষক শাবির খান 

    ক্রিজোর গোলের শুরুর শট করেছিলেন কাশ্মীরের গোলরক্ষক শাবির খান। কিক নিয়েছিলেন তিনি। সেই শটের (I League 2023-24) বল পৌঁছে যায় চার্চিলের এক ফুটবলারের কাছে। তা ফিরতি হেড করেন কাশ্মীরের এক ফুটবলার। সেই বলকে আর মাটিতে পড়তে দেননি ক্রিজো। গোলের দিকে পিছন করে থাকা অবস্থায় বল ধরে ঘুরে গিয়ে গোলে শট মারেন তিনি। চার্চিলের গোলরক্ষক লাফিয়েও বলের নাগাল পাননি। তখন উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন কাশ্মীরের খেলোয়াড়রা। এদিনের জয়ের ফলে আইলিগে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল রিয়াল কাশ্মীর। ১৪ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট তাদের। এই মুহূর্তে শীর্ষে রয়েছে মহমেডান। ১৫ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট রয়েছে ক্লাবের।

    আরও পড়ুন: বিষ্ণুর দশম অবতার! কল্কি ধাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kalki Dham: বিষ্ণুর দশম অবতার! কল্কি ধাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Kalki Dham: বিষ্ণুর দশম অবতার! কল্কি ধাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কল্কি ধাম (Kalki Dham) মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন করলেন সোমবার। এই মন্দির কল্কি অবতারের উদ্দেশে তৈরি করা হচ্ছে। রাম মন্দিরের পরে বর্তমানে কল্কি ধাম মন্দির নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী কল্কিকে ভগবান বিষ্ণুর দশম অবতার মানা হয়। মন্দিরটি তৈরি হচ্ছে উত্তরপ্রদেশের সম্বল জেলায়। কল্কি ধাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরে তার ছবি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকেও দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর পাশে।

    ধর্মের গ্লানি ও পাপ বাড়লে আবির্ভাব ঘটে বিষ্ণুর অবতারের

    হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী যখন যখন ধর্মের গ্লানি এবং অধর্মে ভরে যায় পৃথিবী, তখনই ভগবান বিষ্ণু অবতার রূপে আবির্ভূত হন এবং অত্যাচারিত মানুষকে রক্ষা করেন। পুরাণ অনুযায়ী এটাও মানা হয় যে বর্তমানে কলি যুগ চলছে এবং এই কলি যুগে পৃথিবী পাপে ভরে যাবে। ভগবান নারায়ণ তখন মানুষকে উদ্ধার করতে কল্কি অবতার রূপে আবির্ভূত হবেন। পৌরাণিক বিভিন্ন আখ্যান অনুযায়ী কলিযুগ (Kalki Dham) শুরু হয়েছে ৩১০২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ  থেকে বর্তমানে কলি যুগের প্রথম দশা চলছে। পুরাণ অনুযায়ী কলিযুগ চলবে ৪ লাখ ৩২ হাজার বছর।

    কল্কি অবতার কখন জন্ম নেবে?

    শ্রীমৎ ভাগবত এর দ্বাদশ স্কন্দে চব্বিশ তম শ্লোক অনুযায়ী যখন বৃহস্পতি সূর্য এবং চন্দ্র পুষা নক্ষত্রে আসবে, তখনই আবির্ভাব হবে কল্কি অবতারের। কল্কি অবতার জন্মগ্রহণ করবেন শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চম দিনে। এই বিশ্বাসেই প্রতিবছর কল্কি জয়ন্তী পালন করা হয় শ্রাবণ মাসের শুক্লা পঞ্চমীতে। ভগবান বিষ্ণুর দশম অবতার হিসেবে উত্তরপ্রদেশের সম্বল জেলাতে জন্মগ্রহণ করবেন কল্কি দেবতা। তাই সেখানেই নির্মিত হচ্ছে কল্কি ধাম (Kalki Dham)। অগ্নি পুরাণের ১৬ তম অধ্যায় অনুযায়ী, কল্কি অবতার ঘোড়ায় চড়ে আসবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: গরু পাচার রুখলেন গ্রামবাসীরা, ম্যাটাডোর ভাঙচুর করে আগুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Asansol: গরু পাচার রুখলেন গ্রামবাসীরা, ম্যাটাডোর ভাঙচুর করে আগুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার রুখলেন গ্রামবাসীরা। গরু বোঝাই ম্যাটাডোর ঘিরে ধরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। গরু নামিয়ে ম্যাটাডোরে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেন উত্তেজিত জনতা। সোমবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোলের (Asansol) দক্ষিণ থানার ডাঙ মহিশীলায় গ্রামে। গরু চোর সন্দেহে দুজনকে গণপিটুনি দেন বলে অভিযোগ। পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Asansol)

    আসানসোলের (Asansol) ডাঙ মহিশীলা গ্রামে গত কয়েকদিন ধরেই গরু চুরির ঘটনা ঘটে। বাড়ি থেকেও উধাও হয়ে যাচ্ছিল গরু। কিন্তু, চোরের হদিশ পাচ্ছিলেন না গ্রামবাসীরা। এমনকী মাঠ থেকে চুরি হয়ে যাচ্ছিল গরু। তবে, কে বা কারা এই গরু চুরি করছিল তার হদিশ পাননি এলাকাবাসী। পুলিশের কাছে এনিয়ে একাধিক গ্রামবাসী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। কিন্তু, বাস্তবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে, গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। সোমবার দুপুরে দুটি ম্যাটাডোরে গরু বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি গ্রামবাসীদের নজরে পড়তেই দুটি ম্যাটাডোর আটকান তাঁরা। গাড়ির চালকরা কেউ সদুত্তর দিতে পারেননি। এরপরই গ্রামবাসীরা জড়ো হয়ে ম্যাটাডোর থেকে গরু নামিয়ে চালকদের ওপর চড়াও হন। তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয়। গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। দমকলের গাড়ি এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এই এলাকায় গরু পাচার চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দিনের পর দিন এলাকা থেকে গরু পাচার হয়ে গেলেও চোর ধরা পড়ছিল না। পুলিশের কাছে আমরা একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েছি। তাতে কোনও কাজ হয়নি। এদিন দুটি ম্যাটাডোর করে অনেক গরু পাচার করা হচ্ছিল। আমরা হাতেনাতে তা ধরে ফেলেছি। অবিলম্বে এই গরু পাচারের সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আমরা আর্জি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Petrol Pump: বকেয়া মেটায়নি রাজ্য! উত্তরবঙ্গে পাম্প ধর্মঘট, রমরমিয়ে চলছে কালোবাজারি

    Petrol Pump: বকেয়া মেটায়নি রাজ্য! উত্তরবঙ্গে পাম্প ধর্মঘট, রমরমিয়ে চলছে কালোবাজারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার বার আবেদন জানিয়েও পঞ্চায়েত ভোটে  কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ির জ্বালানির তেলের  টাকা দেয়নি রাজ্য। আর তাতে তৈরি হয়েছে সমস্যা। কোটি কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। আর বকেয়া টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতেই পেট্রল পাম্প (Petrol Pump) ধর্মঘট করলেন কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার থেকে শুরু করে গোটা উত্তরবঙ্গের পাম্প মালিকেরা। সেই সুযোগে কোচবিহারে চলল তেলের কালোবাজারি। এক লিটার তেল বিক্রি হল ১৫০ টাকায়। কোথাও আরও বেশি টাকা দিয়ে তেল কিনলেন গ্রাহকেরা।

    বকেয়া নিয়ে সরব পেট্রল মালিকরা (Petrol Pump)

    পঞ্চায়েত ভোটের সময়ে রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেই সময়ে প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকার জ্বালানি তেল ব্যবহার হয়েছিল। যে টাকা এখনও বকেয়া থাকার অভিযোগ তুলে সূত্রের খবর, পেট্রল পাম্পগুলি (Petrol Pump) তাদের বকেয়া টাকা চেয়েছে রাজ্যের কাছ থেকে। এ দিকে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে। ফলে, বকেয়া টাকা কে মেটাবে তা নিয়ে চলছে টানাপডেন। ‘উত্তরবঙ্গ পেট্রল মালিক সমিতি’র কোচবিহার জোনের দায়িত্বে রয়েছেন দীপঙ্কর বণিক। তিনি বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে শুধু কোচবিহারেই ৯০ লক্ষ টাকার তেল দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। সে বকেয়া কেউ মেটাচ্ছে না। এ ছাড়া, একাধিক ব্লক অফিসের লক্ষ-লক্ষ টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে। এমন হলে পেট্রল পাম্প চালানো কঠিন। তাই বাধ্য হয়ে আন্দোলন করতে হচ্ছে।”

    পাম্প ধর্মঘটে শুরু হয়েছে কালোবাজারি

    আলিপুরদুয়ারেও ধর্মঘটের জেরে বন্ধ পেট্রল পাম্প বন্ধ ছিল গোটা দিন। আলিপুরদুয়ার শহর-সহ জেলার বিভিন্ন জায়গায় পাম্পের সামনেই পেট্রলের কালোবাজারি চলে বলে অভিযোগ। অভিযোগ, কোথাও লিটার প্রতি পেট্রল কিনতে গ্রাহকদের গুণতে হল বাড়তি কুড়ি টাকা, তো কোথাও আবার তিরিশ থেকে চল্লিশ টাকা। কোচবিহার স্টেশন মোড়ে একটি পেট্রল পাম্প (Petrol Pump) রয়েছে। সে পাম্প এ দিন বন্ধ ছিল। পেট্রল পাম্পের পাশেই রাস্তার ধারে ছোট-ছোট পাত্রে জ্বালানি তেল নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কয়েক জন যুবক। লিটার প্রতি কেউ তিরিশ টাকা কেউ চল্লিশ টাকা বেশি নিয়ে পেট্রল বিক্রি করছিলেন। খোলা জায়গায় প্রায় সর্বত্র পেট্রল বিক্রির অভিযোগ রয়েছেই। এ দিন তা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। দিনহাটা-মাথাভাঙা প্রধান সড়কের ধারে বোতলে পেট্রল ভরে তা বিক্রি করা হয়।

    জেলা প্রশাসনের আধিকারিক কী বললেন?

    কালোবাজারির বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা নিতেও দেখা যায়নি প্রশাসন বা পুলিশকে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, কালোবাজারির কোনও অভিযোগই আমাদের কাছে কেউ করেননি। জেলা পুলিশের এক কর্তাও বলেন, আমাদের কাছে তেমন অভিযোগ যায়নি। তবে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে কর্তৃপক্ষকে রাজি করিয়ে জেলায় দুটি পেট্রল পাম্প সকালের দিকে খুলে রাখা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand: দাঙ্গাকারীদের কড়া বার্তা, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কাজ শুরু উত্তরাখণ্ড পুলিশের

    Uttarakhand: দাঙ্গাকারীদের কড়া বার্তা, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কাজ শুরু উত্তরাখণ্ড পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) পুলিশ হলদোয়ানির  বনভুলাপুরায় দাঙ্গাকারীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা রাস্তায় হাঁটল। প্রসঙ্গত, দাঙ্গায় সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগে ইতিমধ্যে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পুরসভার তরফে সেই নোটিস ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে মাস্টার মাইন্ড আব্দুল মালিকের কাছে।

    কী বলছে জেলা প্রশাসন?

    এ নিয়ে নৈনিতালের পুলিশ আধিকারিক প্রহ্লাদ নারায়ন মিনা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল মালিক এবং তাঁর ছেলে সহ আরও সাত অভিযুক্ত এখনও পুলিশের খাতায় পলাতক রয়েছে। আদালত তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছে। উল্লেখ্য আদালতের আদেশের পরেই জেলা প্রশাসন দাঙ্গাকারীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Uttarakhand) করার রাস্তায় হাঁটতে শুরু করেছে। এদিন প্রচুর সংখ্যায় পুলিশ এবং পাশাপাশি আধার সামরিক বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছে যান আব্দুল মালিকের প্রাসাদোপম বাড়িতে। এবং সেখানে এই মাস্টারমাইন্ডের প্রচুর জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিসের তালিকা

    পুলিশ এদিন বাজেয়াপ্ত করেছে ৩০ জোড়া চপ্পল এবং জুতা, জিমের সরঞ্জাম, বিপুল পরিমাণ টাকা। বাংলাদেশ, নেপাল সৌদি আরব এবং অন্যান্য দেশের মুদ্রাও সেখানে মিলেছে। তবে মোট টাকার পরিমান পুলিশ জানাতে পারেনি। এছাড়া বহু মূল্যের ঘড়ি এবং পারফিউমও সেখান (Uttarakhand) থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই নিয়ে পুলিশ জানিয়েছে যে বাজেয়াপ্ত করা জিনিসগুলির একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে যা আদালতে দাখিল করা হবে। দেখা যাচ্ছে বাজেয়াপ্ত করা জিনিসগুলির মধ্যে রয়েছে সোফা সেট ডাইনিং সেট, ফ্রিজ, আলমারি, এসি, কম্পিউটার, প্রিন্টার, গহনা ইত্যাদি।

    সম্প্রতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানি

    সম্প্রতি হলদোয়ানিতে একটি মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পৌর প্রশাসন এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপরে হামলার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে কার্ফু জারি করতে হয় উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকারকে। দশ হাজার মানুষের বাস রয়েছে ওই স্থানে এবং তা পুরোটাই মুসলিম অধ্যুষিত। সরকার বেআইনি মাদ্রাসা ভাঙতে যাওয়া মাত্রই ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপর পাথর ছুড়তে থাকে। এই ঘটনায় অসংখ্য পুলিশ কর্মী, সাংবাদিক এবং সাধারণ নাগরিক গুরুতরভাবে জখম হন। প্রশাসনের অসংখ্য গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পাঁচ হাজার ব্যক্তির নামে পুলিশ এফআইআর দায়ের করে (Uttarakhand)। যাদের মধ্যে ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ‘সেরার’ তকমা পাওয়া জেলা হাসপাতালে নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ক্ষুব্ধ রোগীরা

    Dakshin Dinajpur: ‘সেরার’ তকমা পাওয়া জেলা হাসপাতালে নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ক্ষুব্ধ রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা হাসপাতাল পেয়েছে রাজ্যের সেরা হাসপাতালের তকমা। অথচ ‘সেরা’ হাসপাতালে একাধিক রোগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নেই। কলকাতা থেকে ডাক্তারবাবুরা এসে সামাল দেন। তারা যে নিয়মিত আসেন, তাও নয়। সমস্যায় রোগী এবং তাঁর বাড়ির লোকেরা।

    ডাক্তার অভাবে ধুঁকছে হাসপাতাল! (Dakshin Dinajpur)

    দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা হাসপাতাল চত্বরে তৈরি করা হয়েছে সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল। ভবন ১০ তলার। চিকিৎসা পরিষেবার জন্য হাসপাতালে উন্নতমানের চিকিৎসা সরঞ্জাম আনা হলেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অভাবে খুঁকছে স্বাস্থ্য পরিষেবা। মেডিসিন, প্রসূতি, অর্থোপেডিক এবং আরও কয়েকটি বিভাগে ডাক্তার রয়েছেন। ডাক্তারের অভাব রয়েছে ইউরোলজিস্ট বা নিউরোলজিস্ট, নেফ্রোলজিস্ট, গ্যাস্ট্রো বিভাগের। এমনকী কার্ডিওলজি বিভাগও ডাক্তারহীন। সামান্য প্রস্টেটের সমস্যার জন্য হাসপাতাল থেকে পাওয়া যাচ্ছে না পরিষেবা। প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বাইরে থেকে দেখিয়ে নেওয়ার। বালুরঘাট পুরসভার আওতায় পুর হাসপাতাল ‘মাতৃসদন’। এর নীচে একটি বেসরকারি সংস্থার ল্যাব রয়েছে। সেখানে বাইরে থেকে ডাক্তাররা রোগী দেখতে আসেন। কিন্তু তাও মাসে একবার। একই অবস্থা গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতাল ও সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    কুমারগঞ্জের বাসিন্দা কমল বিশ্বাস বলেন, ‘তিনদিন আগে বাবার প্রস্টেটজনিত সমস্যায় জেলা হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিলাম। শুক্রবার বাবাকে ডিসচার্জ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। ইউরোলজিস্ট না থাকায় সেখানে বাবার চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। কলকাতা থেকে একদিনের জন্য আসা ডাক্তারবাবুই ভরসা। অবিলম্বে হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নিয়ে আসা উচিত।’

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, সেরা তকমা তো দিদিমণির হাতে। তিনি চেয়েছেন তাই সেরা তকমা পেয়েছে বালুরঘাট হাসপাতাল। হাসপাতাল সেরা তকমা পেলেও হাসপাতালে কোনও ভালো চিকিৎসার ব্যাবস্থা নেই। রোগীদেরকে চিকিৎসা করাতে জেলার বাইরে নিয়ে যেতে হয়। সবটাই লোক দেখানো।

    জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কী বললেন?

    জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুদীপ দাস বলেন, ‘এই মুহূর্তে জেলায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নেই। তবে স্বাস্থ্য দফতরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের জন্য আবেদন জানিয়েছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্পেশালিস্ট ডাক্তারদের যাতে পোস্টিং করানো যায়, তা নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: মিষ্টি-মাংসের দোকানে শিবু-উত্তম বাহিনীর হাজার হাজার টাকা বাকি, শিবিরে শুনলেন আধিকারিকরা

    Sandeshkhali: মিষ্টি-মাংসের দোকানে শিবু-উত্তম বাহিনীর হাজার হাজার টাকা বাকি, শিবিরে শুনলেন আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইডি আধিকারিকরা তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে আক্রান্ত হন। তারপর থেকে বিভিন্ন ঘটনায় গত দেড় মাস ধরে খবরের শিরোনামে সন্দেশখালি। অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। পরিস্থিতি সামাল দিতে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার জন্য রবিবার থেকে সন্দেশখালির বিভিন্ন প্রান্তে সরকারি ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকছে সেই ক্যাম্প। সরকারি আধিকারিকরা সেখানে থাকছেন। সংগ্রহ করা হচ্ছে অভিযোগ। সকাল সাধারণ মানুষের বক্তব্য সেই অভিযোগের খাতায় নথিভুক্ত করা হচ্ছে।

    কী অভিযোগ জানালেন বাসিন্দারা? (Sandeshkhali)

    গত কয়েক দিনের গণআন্দোলনে গোটা দেশ সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের দৌরাত্ম্যের কথা জেনে গিয়েছে। শাহজাহানের শাগরেদ শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মিষ্টি জলের পুকুরে তাঁরা নোনাজল ঢুকিয়ে দিয়েছেন, জমি কেড়ে নিয়েছেন, লিজের টাকা দেননি, ভেড়িতে কাজ করার টাকা দেননি। কেউ বলছেন, আমি ৪০ হাজার টাকা পাই, কেউ বলছেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা পাই। টাকার কথা বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হত। সরকারি অফিসাররাও এমন সব অভিযোগ শুনে চমকে যাচ্ছেন। বিনিময়ে চাকরির দুর্নীতি হয়েছে। দেশবাসী নিশ্চয়ই এগুলি ভুলে যাননি।’ অভিযোগ শুনে হতবাক হয়ে যান অফিসাররা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সন্দেশখালির এক বাসিন্দা এদিন ওই ক্যাম্পে হাজির ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছ থেকে উত্তম সর্দার ৬০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। উত্তম বলেছিলেন, একমাস পরে আমাকে ফেরত দিয়ে দেবেন। তারপর আর আমি সেই টাকা পাইনি।’ ওই ব্যক্তির আরও অভিযোগ, জবকার্ডের জন্য তাঁর অ্যাকাউন্টে ২৪ হাজার টাকা ঢুকেছিল। তার মধ্যে ২২ হাজার টাকাই উত্তমকে দিয়ে দিতে হয়েছিল।

    সরকারি আধিকারিক কী বললেন?

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali) বিডিও অফিসের এক আধিকারিক বলেন, ‘কলকাতা শহরের থেকে সামান্য দূরত্বে এই সন্দেশখালি। এলাকার মানুষের এত দুর্দশা! অথচ আমরা এতদিন তা জানতামই না। এবার সব বুঝতে পারছি। সকাল থেকে একের পর এক অভিযোগ এসেছে। ওই সব অভিযোগ শুনে আমরা অবাক হয়ে যাচ্ছি। সমস্ত অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা দেওয়া হবে।’

    মিষ্টি-মাংসের দোকানে বাকি শিবু-উত্তমের!

    শুধু তাই নয়, সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এলাকার বিভিন্ন পোশাকের দোকান, মিষ্টি দোকান, মাংসের দোকানে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, সেসব দোকানে শিবু, উত্তম বাহিনীর হাজার হাজার  টাকা বাকি রয়েছে। টাকা চাইলেই হুমকি শুনতে হত। ওই দোকানদাররা সেই খাতা নিয়ে ক্যাম্প অফিসে চলে আসছেন। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘ক্যাম্প খোলা হয়েছে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার জন্য। অভিযোগ জানাতে অনেকেই আসছেন। কেউ বলছেন টাকা পাননি, কেউ বলছেন, টাকা চাইলেই হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কথা বলতে বলতে অনেকেই কেঁদে ফেলছেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: পরপর দু’বার সংসদ রত্ন পুরস্কার পেলেন সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: পরপর দু’বার সংসদ রত্ন পুরস্কার পেলেন সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের পর ফের এই বছর। সংসদ রত্ন পুরস্কার পেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংসদ রত্ন সম্মানে ভূষিত করা হয় তাঁকে। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি সুকান্ত। রবিবার তাঁর বাড়ি এসে সেই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় বালুরঘাটের সাংসদের হাতে। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপতি ড: এপিজে আবদুল কালামের পরামর্শেই ‘সংসদ রত্ন’ সম্মান চালু করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। বর্তমান সময়ে কমিটির শীর্ষে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার?

    সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির রাজ্যসভাপতি (Sukanta Majumdar) লিখেছেন, ‘‘২০২৪-এর সংসদ রত্ন সম্মানে ভূষিত হয়ে আমি অভিভূত। দিল্লিতে ১৭ তারিখ আয়োজিত পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে আমি শারীরিক কারণে উপস্থিত না থাকতে পারায়, আজ আমার বাসভবনে প্রাইম পয়েন্ট ফাউন্ডেশন এই আয়োজন করেন। ওনাদের সকলকে আমার বিনীত ধন্যবাদ, আমাকে এই সম্মানে সম্মানিত করার জন্য।’’

    আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে মেয়াদ বাড়ল নাড্ডার

    সাংসদদের পারফরম্যান্সের ওপরে ভিত্তি করে দেওয়া হয় এই পুরস্কার দেওয়া হয়

    প্রসঙ্গত, লোকসভায় সাংসদদের উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্সের ওপরে ভিত্তি করে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, সংসদের অধিবেশনে প্রাইম পয়েন্ট ফাউন্ডেশন নামের একটি সংস্থা এই পারফরম্যান্স বিচার করে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পুজোর দিন সন্দেশখালির ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় যেতে চেয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)। কিন্তু মাঝপথে তাঁর সঙ্গে পুলিশের বচসা বাঁধে, সেই বচসা খণ্ডযুদ্ধে পরিণত হয়। এরপর বসিরহাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সুকান্তকে। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে। এই সময়ের মধ্যেই সংসদ রত্ন পুরস্কার প্রদানের অনুষ্ঠান ছিল। তাই তিনি যেতে পারেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ১৯/০২/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ১৯/০২/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পরিবারের কোনও সদস্যের ব্যবহারের কারণে চিন্তিত হবেন।

    ২) বাণী ও ব্য়বহারে নিয়ন্ত্রণ রাখুন, সমস্যা হতে পারে।

    ৩) পারিবারিক কলহ দূর হবে।

    বৃষ

    ১) বাবার পরামর্শ পেলে তা কার্যকরী করুন।

    ২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দখল দেবেন না, তা না-হলে আপনার কোনও কথা কারও খারাপ লাগতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে কোনও কাজ হাতে নিলে তা সম্পন্ন করতে বিলম্ব করবেন না।

    মিথুন

    ১) অংশীদারীর কাজ করলে লাভান্বিত হতে পারেন।
      
    ২) কেরিয়ারের জন্য কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
     
    ৩) কর্মক্ষেত্রে আপনার কোনও ভুল আধিকারিকদের সামনে আসতে পারে, যার ফলে তাঁরা ক্ষুব্ধ হবেন।

    কর্কট

    ১) সন্তানের সঙ্গতির ওপর লক্ষ্য রাখুন, তা না-হলে সমস্যায় জড়াতে পারেন। 
     
    ২) কোনও কাজের কারণে আকস্মিক যাত্রা করতে হতে পারে, এর ফলে লাভান্বিত হবেন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন, এতে সফল হবেন।

    সিংহ

    ১)  কর্মক্ষেত্রে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণিত করার চেষ্টা করবেন, আপনার চেষ্টা সফল হবে।

    ২) পরিবারে কোনও সদস্যের কাছ থেকে প্রতারণার শিকার হতে পারেন।
     
    ৩) মনের মধ্যে কোনও সমস্যা চললে, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে পারেন।

    কন্যা

    ১) বড় লগ্নি করে থাকলে লোকসান হতে পারে।

    ২) আপনার কোনও বড় ভুল পরিবারের সদস্যদের সামনে চলে আসতে পারে।
     
    ৩) আজ কাউকে টাকা ধার দিয়ে থাকলে তা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

    তুলা

    ১) উন্নতির পথে আগত সমস্ত বাধা দূর হবে।

    ২) সন্তানের শিক্ষা সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা দূর হবে।

    ৩) পরিবারের কোনও সদস্য নতুন চাকরি পাওয়ায় তাঁকে পরিবার থেকে দূরে যেতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও বিশেষ ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাবেন।

    ২) যে কাজ করবেন তাতে সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) রাজনীতির ক্ষেত্রে কর্মরত জাতকদের সতর্ক থাকতে হবে।

    ধনু

    ১) প্রতিদ্বন্দ্বীর ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দেবেন না।
     
    ২) দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হতে সমস্যা হবে।
     
    ৩) কর্মক্ষেত্রে কেউ পরামর্শ দিলে ভেবেচিন্তে তাঁর পরামর্শ গ্রহণ করুন।

    মকর

    ১) সন্তানের কেরিয়ারের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) কোনও কথায় মায়ের সঙ্গে অযথা ঝগড়া করবেন না, তাঁরা আপনার কথায় কষ্ট পেতে পারেন।
     
    ৩) ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় সাবধান হতে হবে, তা না-হলে সাফল্য লাভে সমস্যা হবে।

    কুম্ভ

    ১) কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব পেতে পারেন। 
     
    ২) নতুন কাজ করার জন্য সময় বের করতে পারেন।
     
    ৩) পুরনো চাকরিতে টিকে থাকুন।

    মীন

    ১) ব্যবসায়ীরা পরিবর্তনের পরিকল্পনা করবেন।

    ২) কাজে অধিক ব্যস্ত থাকার কারণে শারীরিক সমস্যার যত্ন নিতে পারবেন না।

    ৩) খাওয়া-দাওয়ার যত্ন নিন, তেলেভাজা এড়িয়ে যান।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে মুখ খোলার জের! পুলিশের পোশাক পরে মহিলার বাড়িতে হামলা

    Sandeshkhali: শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে মুখ খোলার জের! পুলিশের পোশাক পরে মহিলার বাড়িতে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শিবু হাজরা গ্রেফতার হওয়ার পর উচ্ছ্বাসে মেতে ছিলেন সন্দেশখালিবাসী। আর শনিবার রাতেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) এক নির্যাতিতার বাড়়িতে পুলিশ পোশাক পরে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এমনই অভিযোগ নির্যাতিতা মহিলার। ফলে, নতুন করে আতঙ্ক আবার দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শিবু হাজরা, উত্তম সর্দারদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন, শিবু হাজরা লোক বাড়িতে ঢুকে হামলা চালিয়েছিলেন। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দিয়ে আসার পর থেকে রেহাই নেই! শনিবার সন্দেশখালিতে ছিল উৎসবের মেজাজ। মানুষে মিষ্টি মুখ করেছেন। কিন্তু রাতেই জানান দিল সন্ত্রাস! বসিরহাট আদালতে গোপন জবানবন্দি দেওয়া ওই মহিলার বাড়িতে পুলিশের পোশাকে ঢুকে হামলার অভিযোগ উঠল। শিবু হাজরার গ্রেফতারির রাতেই বাড়িতে চলল হামলা। বেড়ার ঘরের দেওয়াল ফুটো করে দেখা হল, ঘরের ভিতরে কোন মহিলা শুয়ে? কিন্তু পুলিশের পোশাকে কেন হামলা? পুলিশের বক্তব্য, পুলিশই এসেছিল, তবে মহিলার নিরাপত্তার জন্য। জানা গিয়েছে, রাতের ওই ঘটনার পর রবিবার ওই মহিলার বাড়িতে আন্দোলনকারীরা আসেন। তাঁর পাশে থাকার আশ্বাস দেন। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, এখনও আমরা নিরাপদ নই। পুলিশ কোথায়? এই বাড়ির গলি ঘুরতেই পুলিশ ক্যাম্প! আমাদের আতঙ্কের কোনও শেষ নেই। ভীষণভাবে আতঙ্কিত গ্রামের মহিলারা। মহিলারা এখন মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছে। আসলে এভাবে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে ওরা।

    নির্যাতিতা মহিলা কী বললেন?

    নির্যাতিতা মহিলার বক্তব্য, গোপন জবানবন্দি দেওয়া আমার অপরাধ। রাতেই পুলিশ পোশাক পরে বাড়িতে চড়াও হয়। দেওয়াল ফুটো করে দেওয়া হয়। ঘরের মধ্যে টর্চ মেরে আমি রয়েছি কি না দেখা হয়। এভাবে পুলিশ বাড়ির ভিতর ঢুকে তাণ্ডব করতে পারে। আসলে পুলিশের আড়ালে কারা ছিল তা তদন্ত হওয়া দরকার। কারণ, আমাকে সামনে পেলেই হামলা হত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share