Tag: Bengali news

Bengali news

  • NIA: ভূপতিনগরে বিস্ফোরণকাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের তলব করল এনআইএ

    NIA: ভূপতিনগরে বিস্ফোরণকাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের তলব করল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর ২ ব্লকের ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার এনআইএ তলব করল। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুরের বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা এবং স্থানীয় থানার ওসিকে তলব করল এনআইএ (NIA)। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে  লোকসভা নির্বাচনের মুখে ফের শিরোনাম ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ড। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল ভূপতিনগরে? (NIA)

    ভগবানপুর ২ ব্লকের ভূপতিনগর থানা এলাকায় নাড়ুয়াবিড়লা গ্রাম। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সেখানেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় ৩ জনের। বাজি তৈরি করার সময় এই বিস্ফোরণ হতে পারে বলে নিহতদের একজনের স্ত্রী থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। যে বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়, তা এক তৃণমূল নেতার বাড়ি বলেও অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি লেখা হয়। তার পরেই এনআইএ (NIA) তদন্ত শুরু হয়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাকে তলব করেছিল এনআইএ। এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের তৃণমূল নেতাদের তলব করল এননআইএ। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিজেপি-র অঙ্গুলিহেলনে কেন্দ্রীয় সংস্থা বেছে বেছে তৃণমূল নেতাকে নোটিস পাঠাচ্ছে বলেই দাবি শাসক দলের নেতৃত্বের।

    আরও পড়ুন: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী সাফাই?

    এনআইএ সূত্রের খবর, তৃণমূল নেতাদের বৃহস্পতিবার কলকাতার এনআইএ (NIA) দফতরে তলব করেছে। শাসক শিবিরের নেতারা নোটিস পাওয়ার পরই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, “পায়ের তলা থেকে মাটি সরছে। বিজেপি হারছে। তাই ভয়ংকর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তৃণমূল নেতাদের নতুন করে এনআইএ নোটিস পাঠানো শুরু করেছে। যাতে ভোটের আগে প্রচারের সময় মাঠ ফাঁকা করা যায়। গোটাটাই ভোটের লক্ষ্যে চক্রান্ত। এর বিরুদ্ধে মানুষ গর্জে উঠবে। আমাদের কোনও কর্মী বা নেতা এই নোটিসে সাড়া দেবে না। আইনি পথে পদক্ষপ করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: বিনা লড়াইয়ে বিধায়ক নির্বাচিত অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী সহ পাঁচ বিজেপি প্রার্থী

    Arunachal Pradesh: বিনা লড়াইয়ে বিধায়ক নির্বাচিত অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী সহ পাঁচ বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হলেন অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু-সহ পাঁচ জন বিজেপি প্রার্থী। বুধবারই ছিল অরুণাচলের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। মুখ্যমন্ত্রীর আসন সমেত অন্য চার বিজেপি প্রার্থীর কেন্দ্রে অন্য কোনও মনোনয়ন জমা পড়েনি। তাই এই ৫ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় এল গেরুয়া শিবিরের।

    কোন কোন আসন থেকে বিজেপি প্রার্থীরা জিতলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়?

    প্রসঙ্গত, অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। সে রাজ্যে বিধানসভার মোট আসন ৬০টি। ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল ৪১টিতে। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু এ বারও তাঁর পুরনো কেন্দ্র, তাওয়াং জেলার মুক্তো থেকেই প্রার্থী হয়েছেন। সে রাজ্যে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ৩০ মার্চ। পেমা খান্ডু ছাড়া অন্য যে চার বিজেপি প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁরা হলেন, তালি আসন থেকে জিকে টাকো, তালিহা কেন্দ্র থেকে নিয়াতো ডুকম, সাগালি আসন থেকে রাতু তেচি এবং রোয়িং বিধানসভা কেন্দ্র থেকে মুচ্চু মিথি।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    কী বলছেন অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনও (Arunachal Pradesh) অনুষ্ঠিত হবে। অরুণাচল প্রদেশ ছাড়া বাকি রাজ্যগুলি হল- ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সিকিম। উত্তর-পূর্ব ভারতের  দুই রাজ্য, অরুণাচল এবং সিকিমে ভোটগ্রহণ এক দফাতেই হবে। তা হবে আগামী ১৯ এপ্রিল। লোকসভার ভোটগণনার তারিখ ইতিমধ্যে কমিশন ঘোষণা করেছে ৪ জুন। তবে অরুণাচল এবং সিকিমে ভোট গণনা হবে ২ এপ্রিল। অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী ছাড়া অন্য কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। আমরা আশা করি, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে আরও কয়েকটি আসনেও আমরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হব।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Kalyani: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বনগাঁ লোকসভায় তৃণমূলের থেকে গতবার ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। এই কেন্দ্রটি বিজেপি-র শক্ত ঘাঁটি। কল্যাণী (Kalyani) বিধানসভা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরকে প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    নাম ঘোষণার পর থেকেই নিজের লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার ও কর্মীসভা করছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী। বুধবার কল্যাণীর গয়েশপুরে প্রচারে আসেন তিনি। সেখানে প্রচারে বাধার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কল্যাণী (Kalyani) থানার গয়েশপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দপল্লির মাঠ থেকে বিজেপির মিছিলের কথা ছিল। সেই মতো বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেই আনন্দপল্লি মাঠে আসেন শান্তনু ঠাকুর। তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। ‘বিজেপি চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। শান্তনুকে উদ্দেশ্য করে ওঠে গো ব্যাক স্লোগানও। পালটা চোর স্লোগান দিতে থাকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাও। স্লোগান পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ঘটনাস্থলে যান বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে তৃণমূল কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। বিজেপি কর্মীরা তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। পুলিশ ও সিআরপিএফ জওয়ানরা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কল্যাণীর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট উর্মি সান্যাল।

    আরও পড়ুন: “পাঁচ পয়সার কাজ করেননি”, তৃণমূল প্রার্থী খলিলুরকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “তৃণমূল ভয় পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। তাই ওদের হাজার হাজার হার্মাদদের প্রচারে বাধা দিতে পাঠিয়ে দিয়েছে। তৃণমূল বুঝতে পেরেছে আমিই জিতব। সেটা ওরা মেনে নিতে পারছে না। এই বাধায় ভয় পাওয়ার ছেলে আমি না। ৩৬ ইঞ্চি বুকের পাটা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবো।” গয়েশপুর পুরসভার পুরপ্রধান সুকান্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শান্ত এলাকাকে অশান্ত করতে এসেছেন শান্তনু ঠাকুর। সাধারণ মানুষ শান্তনু ঠাকুরকে আর চাইছে না। তাই বাধা দিচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MGNREGA Wages: একশো দিনের কাজের মজুরি বাড়াল কেন্দ্র, কার্যকর ১ এপ্রিল থেকে, কত হল জানেন?

    MGNREGA Wages: একশো দিনের কাজের মজুরি বাড়াল কেন্দ্র, কার্যকর ১ এপ্রিল থেকে, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো দিনের কাজ প্রকল্পে মজুরি (MGNREGA Wages) বাড়াল কেন্দ্র। ২৭ মার্চ এ বিষয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্টে যেসব অদক্ষ শ্রমিক কাজ করবেন, তাঁদেরই দেওয়া হবে নয়া হারে এই মজুরি। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষেই মিলবে নয়া হারে মজুরি। এপ্রিলের প্রথম দিন থেকেই এই হারে মজুরি মিলবে বলে নোটিশ জারি করে জানিয়ে দিয়েছে রুরাল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রক।

    কোন রাজ্যে কত মজুরি? (MGNREGA Wages)

    একশো দিনের কাজের (MGNREGA Wages) এই প্রকল্পে বিভিন্ন রাজ্যে আলাদা আলাদা হারে মজুরি দেওয়া হয়। উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে দিন প্রতি দেওয়া হয় ২৩০ থেকে ২৩৭ টাকা। নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল প্রদেশে মেলে প্রতিদিন ২৩৪ টাকা করে। সব চেয়ে বেশি মজুরি দেয় হরিয়ানা। সেখানে প্রতিদিন মেলে ৩৭৪ টাকা করে। গোয়ায় আবার প্রতিদিন ৩৫৬ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে চলতি অর্থবর্ষ থেকেই। নয়া ব্যবস্থায় এই প্রকল্পে কর্নাটকে মিলবে প্রতিদিন ৩৪৯ টাকা করে। আগে দেওয়া হত ৩১৬ টাকা করে। এখানে মজুরি বেড়েছে ১০.৪৪ শতাংশ। 

    বৃদ্ধির হার (শতাংশে)  

    অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গনায় মজুরি হিসেবে মিলবে দৈনিক ৩০০ করে টাকা। আগে এখানে দেওয়া হত ২৭২ টাকা করে। বৃদ্ধির হার ১০.২৯ শতাংশ। মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে মজুরি বাড়ানো হয়েছে ১০ শতাংশ করে। ২২১ টাকা থেকে দৈনিক মজুরি বেড়ে হয়েছে ২৪৩ টাকা। একশো দিনের কাজ প্রকল্পে ৫ শতাংশের নীচে মজুরি বেড়েছে হরিয়ানা, অসম, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, রাজস্থান, কেরল এবং লাক্ষাদ্বীপে। নোটিশ থেকে জানা গিয়েছে, গোটা দেশে মজুরি বাড়ানো হয়েছে গড়ে ৭ শতাংশ। এতদিন যেখানে মিলত দিন প্রতি গড়ে ২৬৭.৩২ টাকা, সেখানে এখন মিলবে ২৮৫.৪৭ টাকা করে (MGNREGA Wages)।

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ন্যূনতম মজুরির বদলে কেন্দ্র লিভিং ওয়েজ চালু করতে চলেছে বলে খবর প্রকাশিত মাধ্যমে। ২০২৫ সালের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে লিভিং ওয়েজ। তার আগেই একশো দিনের কাজ প্রকল্পে এক ধাক্কায় অনেকটাই মজুরি বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। যেহেতু লোকসভা ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, ফলত এই নোটিশ জারি করার আগে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হয়েছে কেন্দ্রকে। মজুরি বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মূল্যসূচক এবং সে রাজ্যে মুদ্রাস্ফীতির হারের কথা।

    আরও পড়ুুন: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Lok Sabha Elections 2024: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

    Lok Sabha Elections 2024: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দেশের অর্থমন্ত্রী। দেশের যাবতীয় প্রয়োজনে টাকা জোগান তিনি। সেই তিনিই কিনা আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) লড়ছেন না টাকার অভাবে! শুনে যতই চোখ কপালে উঠুক না কেন, ঘোর বাস্তব এটাই। দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী? (Lok Sabha Elections 2024)

    ‘টাইমস নাও সামিট ২০২৪’ এ অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা আমায় অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা তামিলনাড়ু থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে যে পরিমাণ টাকার প্রয়োজন, তা আমার নেই। তাই ওঁর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছি আমি।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “নাড্ডাজির প্রস্তাব পাওয়ার পর আমি এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন সময় নিয়েছিলাম। তারপর বললাম, না, নির্বাচনে লড়ার মতো অর্থ আমার নেই।”

    পদ্ম-পার্টিকে ধন্যবাদ

    বিজেপি তাঁর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোয় পদ্ম-পার্টিকে ধন্যবাদ দিয়েছেন নির্মলা। বলেন, “আমি কৃতজ্ঞ যে (Lok Sabha Elections 2024) তারা আমার যুক্তিগুলি মেনে নিয়েছে। তাই আমি এবার নির্বাচনে লড়ছি না।” দেশের অর্থমন্ত্রী হয়েও তাঁর কাছে নির্বাচনে লড়ার মতো প্রয়োজনীয় অর্থ নেই কেন? প্রশ্ন শুনে নির্মলা বলেন, “দেশের অর্থ আমার ব্যক্তিগত নয়। আমার বেতন এবং সঞ্চয় অল্প। সেটা দেশের অর্থ নয়।”

    আরও পড়ুুন: “চিন-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে যদি…”, কী শর্ত দিলেন জয়শঙ্কর?

    মনে রাখতে হবে, নির্মলা রাজ্যসভার সদস্য। সেখানে দল কাউকে মনোনীত করে পাঠায়। আর লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। তবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও, তিনি যে বিজেপির হয়ে প্রচার করবেন, তা জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি অনেক মিডিয়া প্রোগ্রামে অংশ নেব। প্রার্থীদের সঙ্গেও থাকব। প্রচারেও থাকব।” লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার আরও একটি কারণ দেখিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। বলেন, “নির্বাচনে জয়ের জন্য আরও অনেক ফ্যাক্টর কাজ করে। আমাকে ভাবতে হয়েছে অন্ধ্রে দাঁড়াব নাকি তামিলনাড়ুতে। এর বাইরেও বহু প্রশ্ন রয়েছে। আপনি এই সম্প্রদায়ের নাকি অন্য সম্প্রদায়ের। এই ধর্মের নাকি অন্য ধর্মের। এই জাতির নাকি অন্য জাতির। আমার মনে হল, এসব আমার দ্বারা হবে না (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: “পাঁচ পয়সার কাজ করেননি”, তৃণমূল প্রার্থী খলিলুরকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    Murshidabad: “পাঁচ পয়সার কাজ করেননি”, তৃণমূল প্রার্থী খলিলুরকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের প্রচারে গিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী খলিলুর রহমান। বুধবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সাগরদিঘির কাবিলপুর এলাকায়। সাধারণ মানুষ কার্যত ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর সামনে। ভোটের মুখে সাধারণ মানুষ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    তুমুল বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল প্রার্থী (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরদিঘি ব্লকের কাবিলপুর গ্রামে বহুদিন ধরে একটি রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। সেই রাস্তা সংস্কারের বিষয়ে তৃণমূলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিধায়ক কেউ কোনও উদ্যোগ নেননি বলে অভিযোগ। ফলে, সাধারণ মানুষ রাগে ফুঁসছিলেন। তৃণমূল প্রার্থী এলাকায় প্রচারে আসতেই সমস্ত ক্ষোভ উগরে দেন গ্রামবাসীরা। স্থানীয় এক বাসিন্দার বক্তব্য, তৃণমূল প্রার্থী এর আগে সাংসদ হয়েছেন। আমরাই তাঁকে ভোট দিয়েছি। সাংসদ হওয়ার পর তিনি পাঁচ পয়সার কাজ করেননি। তাঁর ভোট চাওয়ার অধিকার নেই। স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, আমাদের সামান্য দাবি,  এলাকার রাস্তাটা ঠিক করার। তৃণমূল সেটা করেনি। ভোটের আগে প্রতিবার রাস্তা তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দেয়। আর ভোট শেষ হয়ে গেলে আর কেউ মনে রাখে না। এবারও ভোট চাইতে আসায় আমরা ক্ষোভের কথা তৃণমূল প্রার্থীকে বলেছি।

    আরও পড়ুন: আরএসএস-এর উদ্যোগে ১,২৫০ বিদ্যালয় চলছে জম্মু-কাশ্মীরে, শেখানো হচ্ছে দেশপ্রেম

    প্রচারে ব্লক সভাপতি ছিলেন না, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    তৃণমূল প্রার্থী খলিলুর রহমান এলাকায় কর্মীদের নিয়ে প্রচার করছেন, অথচ সেখানে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নেই। যা নিয়ে দলের অন্দরে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নূরে মেহবুব আলম বলেন, আসলে তৃণমূল প্রার্থী দেরিতে আসায় আমি যেতে পারিনি। আর আমার এদিন শরীর খারাপ ছিল। তাই, এদিন আমি বের হতে পারিনি। তৃণমূলের মধ্যে কোনও দ্বন্দ্ব নেই।

    তৃণমূল প্রার্থী কী সাফাই দিলেন?

    যদিও বিক্ষোভ নিয়ে জঙ্গিপুরের তৃণমূল প্রার্থীর খলিলুল রহমান কিছু বলেননি। তিনি শুধু বলেন, রাস্তাটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এতদিন কেন হয়নি তা জানা নেই। তবে, মানুষ যদি ফের আমাকে জিতিয়ে নিয়ে আসেন, এই এলাকার বেহাল রাস্তা তৈরি করা হবে আমার প্রথম কাজ। আর ব্লক সভাপতির প্রচারে না থাকা প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, আমি ব্লক সভাপতিকে খুঁজছি। ফলে, তিনি যে ব্লক সভাপতির ওপর বেজায় চটেছেন তা বলা বাহুল্য।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষ বলেন, তৃণমূল প্রার্থী এর আগে সাংসদ হয়ে যে কিছু করেননি তার জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে গেল এদিনের ঘটনা। প্রচারে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তিনি। আসলে এই সব প্রার্থীকে কেউ ভোট দেবে না। এখন থেকে মানুষ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: আরএসএস-এর উদ্যোগে ১,২৫০ বিদ্যালয় চলছে জম্মু-কাশ্মীরে, শেখানো হচ্ছে দেশপ্রেম

    RSS: আরএসএস-এর উদ্যোগে ১,২৫০ বিদ্যালয় চলছে জম্মু-কাশ্মীরে, শেখানো হচ্ছে দেশপ্রেম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় বদলে গিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাথর ছোড়া, সেনাবাহিনীর ওপর আক্রমণ, সেসব এখন অতীত। কাশ্মীরে ভারতীয়ত্ববোধ জাগরণের জন্য অনবরত কাজ করে চলেছে সঙ্ঘ পরিবার (RSS)। আরএসএস-এর শাখা সংগঠন ‘রাষ্ট্রীয় সেবা ভারতী’র উদ্যোগে চলে ‘একল বিদ্যালয়’গুলির কাজ। কাশ্মীরের মুসলিম শিশুদের পড়ানো হচ্ছে কোরানের আয়াত, তাদের শেখানো হচ্ছে দেশপ্রেম। এছাড়া, ভারতীয় হিসেবে তাদের কর্তব্যও বোঝানো হচ্ছে। পাঠদান চলছে ভারতীয়ত্ববোধের এবং কাশ্মীরিয়ত-র। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সূত্রে জানা গিয়েছে, এরকম একল বিদ্যালয় ১,২৫০টি চলছে উপত্যকায়। এই স্কুলগুলি সেই সমস্ত জায়গাতেই অবস্থান করছে যেখানে ৯৫ শতাংশেরও বেশি মুসলিম জনগোষ্ঠীর বাস রয়েছে।

    ২ বছরে স্কুল বেড়েছে ৫৩ শতাংশ

    জানা গিয়েছে, কাশ্মীরের দশটি জেলাতে চলছে একল বিদ্যালয়ের কাজ। যার মধ্যে কাশ্মীরের বারমুল্লা জেলাতেই এমন স্কুলের সংখ্যা ১৮০টি। প্রসঙ্গত, এই জেলায় বেশ কয়েকবার সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) তরফ থেকে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ২০২২ সাল থেকে একল বিদ্যালয়ের কাজ হঠাৎই ৫৩ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। গত দু’বছরে একল বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৮০০ থেকে ১,২৫০ হয়েছে।

    কাশ্মীরি এবং উর্দু এই দুই ভাষাতে শিক্ষাদান চলে

    স্কুলগুলি গড়ে উঠেছে মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে। তাদেরকে দেখাশোনা করে মুসলিম শিক্ষকরা। একজন করে অভিযান প্রমুখও রয়েছে স্কুলগুলিতে। যে সমস্ত গ্রামে ‘একল বিদ্যালয়’ রয়েছে সেখানে পাঁচ থেকে ছয় জনের একটি কমিটি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। স্কুলের পরিচালন সমিতির মধ্যে বেশ কিছু জায়গাতে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যরাও রয়েছেন। জানা গিয়েছে, কাশ্মীরি এবং উর্দু এই দুই ভাষাতে শিক্ষাদান চলে।

    কী বলছেন কাশ্মীরের বাসিন্দারা?

    কাশ্মীরের এক বাসিন্দা বলেন, ‘‘আমরা চাই না, আমাদের ছেলেরা পাথর ছোড়ার দলে নাম লেখাক অথবা সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে যুক্ত হোক। আমরা এটাও চাই না, আমাদের ছেলেরা মাদকাসক্ত হোক।’’ বিগত পাঁচ বছরে বারমুল্লা জেলাতে একজন একল বিদ্যালয়ের (RSS) ছাত্রও স্কুল ছেড়ে যায়নি অথবা টাকার জন্য পাথর ছোড়ার দলে নাম লেখায়নি। এমন কথাই জানাচ্ছেন সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা আরও বলছেন, ‘‘একল বিদ্যালয়ে যারা পড়াশোনা করে, তারা প্রত্যেকেই গর্বিত হিন্দুস্তানি-মুসলমান। আমরা তাদেরকে কোরান পড়াই।’’

    পরিবর্তন হচ্ছে কাশ্মীরের সমাজের

    প্রসঙ্গত, গত মাসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘বিকশিত ভারত-বিকশিত জম্মু কাশ্মীর’ অনুষ্ঠানে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এই ভিড়ই জানান দিচ্ছে যে কাশ্মীরের সমাজ কত দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, এ কথা বলেন একল বিদ্যালয়ের এক শীর্ষ আধিকারিক। একল বিদ্যালয়ে চার ধরনের প্রমুখ বানানো হয়েছে। ‘অঞ্চল অভিযান প্রমুখ’, ‘পরীক্ষণ প্রমুখ’, ‘মূল্যায়ণ প্রমুখ’ ও ‘জাগরণ প্রমুখ’। আরও চমকপ্রদ তথ্য হল, একল বিদ্যালয়ে যাঁরা পাঠদান করেন তাঁদের ৭০ শতাংশই হলেন মহিলা। জানা গিয়েছে, একল বিদ্যালয়ের কাজ চালানোর জন্য দেশের ভিতরের বিভিন্ন বিশিষ্টজন এখনও পর্যন্ত ১২৯ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। প্রবাসী ভারতীয়দের ক্ষেত্রে অনুদানের পরিমাণ হল ৪৪ কোটি টাকা। কাশ্মীরে মোট ৪৮০টি গ্রামে চলছে একল বিদ্যালয়ের কাজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: ১৩টি রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচন ইনচার্জ, সহ-ইনচার্জ নিয়োগ বিজেপির

    Lok Sabha Elections 2024: ১৩টি রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচন ইনচার্জ, সহ-ইনচার্জ নিয়োগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ৫৪৩টি আসনে হবে নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। তার মধ্যে পেতে হবে ৪০০টি আসন। এর মধ্যে আবার বিজেপিকে একাই পেতে হবে অন্তত ৩৭০টি আসন। বাকি ৩০টি পেতে হবে এনডিএর অন্য শরিক দলগুলিকে। এই লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তাই ৪০০ আসনের লক্ষ্যেই ঝাঁপাচ্ছে গেরুয়া শিবির।

    কে, কোথাকার দায়িত্বে? (Lok Sabha Elections 2024)

    এজন্য দেশের ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে নির্বাচন ইনচার্জ ও সহ-ইনচার্জ নিয়োগ করেছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের তরফে (Lok Sabha Elections 2024) জানানো হয়েছে, অসমের ইনচার্জ নিয়োগ করা হয়েছে ক্যাপ্টেন অভিমন্যুকে। ছত্তিশগড়ের জন্য নিতিন নবীনকে। দিল্লির ইনচার্জ ওপি ধনখড়, মহারাষ্ট্রের জন্য দীনেশ শর্মা, মেঘালয়ের জন্য এম ছুবা আও, মণিপুরের জন্য অজিত ঘোপছেদে, মিজোরামের জন্য দেবেশ কুমার, নাগাল্যান্ডের জন্য নলীন কোহলি, তেলঙ্গানার জন্য অভয় পালিত এবং ত্রিপুরার জন্য অবিনাশ রাই খান্নাকে নিয়োগ করা হয়েছে। রাজ্যসভার সদস্য তথা উত্তরপ্রদেশের ভূতপূর্ব উপমুখ্যমন্ত্রী দীনেশ শর্মাকে মহারাষ্ট্রের ইলেকশন ইনচার্জ করা হয়েছে। 

    সহ-ইনচার্জ কারা?

    বিহারের বিধায়ক সঞ্জীব চৌরাশিয়া এবং সাংসদ রমেশ বিধুরি এবং সঞ্জয় ভাটিয়াকে উত্তরপ্রদেশের সহ-ইনচার্জ নিয়োগ করেছে বিজেপি। কর্নাটকের প্রাক্তন বিজেপি প্রেসিডেন্ট নলিন কুমার কাটিলকে কেরলের কো-ইনচার্জ করা হয়েছে। আন্দামান-নিকোবরের সহ-ইনচার্জ হয়েছেন রঘুনাথ কুলকার্নি, দিল্লির অলক গুর্জর। মহারাষ্ট্রের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে নির্মল কুমার সুরানা এবং জীবন সিং পাওয়াইয়া। 

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    এবার সাত দফায় হবে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। প্রথম দফার নির্বাচন শুরু হবে ১৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ জুন।আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় এক প্রকার নিশ্চিত। তবে কীভাবে আরও বেশি করে আসন নিয়ে ফেরা যায়, সেই জন্যই যাবতীয় পদক্ষেপ করছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা। সংসদে বিজেপির প্রতিনিধিত্ব যত বেশি হবে, ততই অনায়াসে পাশ করানো যাবে সেই সব বিল, যেগুলি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি। তাই নিয়োগ করা হয়েছে ইনচার্জ ও কো-ইনচার্জ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: “চিন-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে যদি…”, কী শর্ত দিলেন জয়শঙ্কর?

    S Jaishankar: “চিন-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে যদি…”, কী শর্ত দিলেন জয়শঙ্কর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায় ভারত। একথা বারংবার জানিয়ে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। চিন-ভারত সম্পর্ক কীভাবে স্বাভাবিক হবে, তাও জানিয়ে দিলেন তিনি। বিদেশমন্ত্রী বললেন, “চিনের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে তখনই, যখন চিন সীমান্তে কী পরিমাণ সৈন্য মোতায়েন করছে তার ওপর। অদূর ভবিষ্যতে বেজিংয়ের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্কের পূর্বশর্তও হবে এটাই।” তিনি বলেন, “ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি আমার প্রথম কর্তব্য হল সীমান্ত সুরক্ষিত রাখা। এই বিষয়ে আমি কোনও কম্প্রোমাইজ করব না।”

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishanka)

    সম্প্রতি সিঙ্গাপুর, ফিলিপিন্স এবং মালয়েশিয়া সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। সব শেষে তিনি গিয়েছেন কুয়ালালামপুরে। সেখানেই প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে এক আলোচনায় যোগ দেন তিনি। প্রত্যাশিতভাবেই ওঠে চিন প্রসঙ্গ। তখনই কীভাবে পড়শি দেশ চিনের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি হবে, তা জানিয়ে দেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “প্রতিটি দেশ চায় তার প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে। কে চায় না? কিন্তু প্রতিটি সম্পর্কের একটা ভিত্তি থাকে। আমরা এখনও চিনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।”

    ‘আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি’

    তিনি বলেন, “আমি চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা সময়ে সময়ে সাক্ষাৎ করি। আমাদের সৈন্যরাও ও দেশের সৈন্যদের সঙ্গে আলোচনায় বসে প্রায়ই। কিন্তু একটা ব্যাপারে আমরা খুব পরিষ্কার, সেটা হল আমাদের একটা চুক্তি রয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা রয়েছে। আমাদের একটা ঐতিহ্য রয়েছে। তাই আমরা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সেনা মোতায়েন করি না। আমাদের উভয়পক্ষেরই এই দূরত্বটা বজায় রাখা উচিত। আমাদের যেখানে সেনা মোতায়েন করার কথা, আমরা সেখানেই সেনা মোতায়েন করি। চিনেরও তাই করা উচিত। আমরা চাই দুই দেশের সম্পর্কে ফিরে আসুক স্বাভাবিকতা।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এই স্বাভাবিকতা ফিরতে গেলে সেনা মোতায়েনের যে শর্ত আমাদের রয়েছে, তা মেনে চলতে হবে। একমাত্র তাহলেই ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্বাভাবিকতা ফিরবে।” জয়শঙ্কর বলেন, “এ বিষয়ে (সেনা মোতায়েনের বিষয়ে) আমরা খুব, খুব সৎ। চিনের ক্ষেত্রে সীমান্ত সমস্যা থাকায় দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে না বলেই মনে করেন বিদেশমন্ত্রী। যদিও ভারত সম্পর্কের উন্নতিতে খুবই আন্তরিক বলেও জানান তিনি (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বরাজ্যে ‘রামধাক্কা’ খেল আম আদমি পার্টি। তাও আবার লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) মুখে। পাঞ্জাবের সবেধন নীলমণি সাংসদ আপের সুশীল কুমার রিঙ্কু (জলন্ধরের সাংসদ) হাতে তুলে নিলেন গেরুয়া ঝান্ডা। তিনি একা নন, জলন্ধর পশ্চিমের বিধায়ক আপের শীতল অঙ্গুরালও যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে। আপ ছেড়ে সাংসদ ও বিধায়কের পদ্ম শিবিরে যোগদানের অনুষ্ঠান হয় দিল্লিতে, বুধবার।

    আপ সরকারের প্রতি মোহভঙ্গ! (Lok Sabha Elections 2024)

    গত বিধানসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় আসে আপ। সেই প্রথম দিল্লির বাইরে রাজত্ব পায় আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) মুখে এক সাংসদ ও এক বিধায়কের বিজেপি শিবিরে যোগ দেওয়ার ঘটনাটিকে পাঞ্চাবের আপ সরকারের প্রতি মোহভঙ্গ হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ। বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওদে সুশীল ও শীতলকে স্বাগত জানান গেরুয়া শিবিরে। বিজেপিতে যোগদানের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির পাঞ্জাব রাজ্য সভাপতি সুনীল কুমার জাখর ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী।

    বিজেপিতে আপ সাংসদও

    পাঞ্জাব থেকে আপের একমাত্র সাংসদ ছিলেন সুশীল। অংসদীয় আচরণের জন্য সংসদের বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে। আপের আগে কংগ্রেসেই ছিলেন সুশীল। তিনি কংগ্রেসের তিনবারের কাউন্সিলরও ছিলেন। জলন্ধর পশ্চিমের বিধায়কও হয়েছিলেন ‘হাত’ প্রতীকে লড়ে। ২০২৩ সালে যোগ দেন আম আদমি পার্টিতে। জলন্ধর লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়ে সংসদে পা রাখেন আপের প্রতিনিধি হয়ে।

    আরও পড়ুুন: কেজরিওয়ালের জামিনের আবেদন খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে, অতঃ কিম?

    পাঞ্জাবের আপ সরকারের প্রতি মোহভঙ্গ হওয়ায়ই যে তিনি বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছেন, দ্ব্যর্থহীনভাবে তা জানিয়ে দিয়েছেন সুশীল। তিনি বলেন, “উপনির্বাচনে যেসব প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, তা পূরণ করতে পারিনি। কারণ আমার সরকার আমায় সাহায্য করেনি। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাজের ধরন আমায় মুগ্ধ করেছে। জলন্ধরের উন্নয়ন সংক্রান্ত যে কোনও কাজ নিয়ে আমি কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছি। কেন্দ্র তা অনুমোদন করেছে। আমি কোন পার্টির তা বিচার করেনি। আদমপুর বিমানবন্দরেও বিমান ওঠানামা শুরু হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “জলন্ধরে বন্দে ভারত ট্রেন থামছে। আদমপুর ও জলন্ধরে রেলওয়ে ওভারব্রিজ চাই। কেন্দ্রের সাহায্যে এটাও করব। আমার নিজের কোনও লোভ নেই। কিন্তু জলন্ধরবাসীর জন্য আমার অনেক কিছু চাওয়ার আছে (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share