Tag: Bengali news

Bengali news

  • Rupam Islam: রূপম ইসলামের অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা, পুলিশের লাঠিচার্জ

    Rupam Islam: রূপম ইসলামের অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা, পুলিশের লাঠিচার্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেগঙ্গায় অনুপম রায়ের পর এবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় রূপম ইসলামের (Rupam Islam) অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হল। দর্শকদের ভিড়ে অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। তাতে বেশ কয়েকজন জখম হন। কয়েকজনকে আটক করা হয়। ধৃতদের মধ্যে চারজনের কাছে অস্ত্র পাওয়া যায়। গানের অনুষ্ঠানে অস্ত্র নিয়ে কেন এসেছিল এরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Rupam Islam)

    পূর্ব বর্ধমানের কালনাতে ‘খাদ্য পিঠে-পুলি’ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রূপম ইসলাম (Rupam Islam) ও তাঁর ব্যান্ড ফসিলস। সন্ধ্যে থেকেই গান শুনতে মাঠে দর্শকদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। সময় যত বাড়তে থাকে, গায়ককে এক ঝলক দেখতে মাঠের বাইরেও ভিড় জমে যায়। ভিতরেও ভিড়, বাইরেও ভিড়। ফলে,পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কালনা থানার পুলিশ। ভিড় খালি করার নির্দেশ প্রথমে দেওয়া দেওয়া হলেও সেখানে উপস্থিত একাংশ দর্শক তা কানে তোলেনি। সকলেই ব্যস্ত রূপমের গান শুনতে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কালনা থানার পুলিশ আসে। দর্শকরা পুলিশের কথা কানে না তুলতেই লাঠচার্জ করা শুরু হয়। এরপরই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় মেলার ভিতরে। সূত্রের খবর, অনেক মানুষ রাস্তাতেই পড়ে যান। এমনকী পাঁচিল টপকেও কেউ কেউ বের হওয়ার চেষ্টা করেন। কার্যত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, পুলিশের ভ্যানে তোলা হয় অনেককে। তবে চারজনকে অস্ত্র সমেত আটক করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

    কালনার বিধায়ক কী বললেন?

    কালনার বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ এই পিঠে-পুলি উৎসবের আয়োজন করেন। একটি কমিটিও রয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ প্রসঙ্গে কালনার বিধায়ক বলেন, সব কিছু ঠিকঠাক ছিল। অতিরিক্ত ভিড়ে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যায়। পুলিশ উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেত। তবে, অনুষ্ঠানে কেউ অস্ত্র হাতে এলে কি পুলিশ ছেড়ে দেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: এক পায়ে সাইকেল চড়ে অযোধ্যার রাম মন্দিরের পথে ক্যান্সার আক্রান্ত যুবক

    Ram Mandir: এক পায়ে সাইকেল চড়ে অযোধ্যার রাম মন্দিরের পথে ক্যান্সার আক্রান্ত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের জন্য সমস্ত রকম প্রস্তুতি চলছে। ২২ জানুয়ারি মন্দিরের উদ্বোধন হবে। সেই মাহেন্দ্রক্ষণে উপস্থিত হওয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা সামিল হচ্ছেন। অযোধ্যার সেই কর্মযজ্ঞের সাক্ষী হতে উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা থেকে সৌমিক গোলদার নামে এক যুবক এক পায়ে সাইকেল চালিয়ে পাড়ি দিলেন। তাঁর এই অদ্যম ইচ্ছাশক্তিকে কুর্ণিশ জানিয়েছে পরিবার, পরিচিত এবং এলাকার বাসিন্দারা। সাহায্যের জন্য সঙ্গে একজন বন্ধু নিয়ে মঙ্গলবার তিনি রওনা দিয়েছেন।

    দুর্ঘটনায় একটি পা খুইয়েছিলেন গোবরডাঙার সৌমিক (Ram Mandir)

    স্থানীয় এবং পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গোবরডাঙার বাবুপাড়ার বাসিন্দা সৌমিকের ২০২০ সালে ডান পায়ে ক্যান্সার ধরা পড়ে। তারপর দীর্ঘ দু’বছর ধরে চলা চিকিৎসায় সাড়াও মিলছিল। কিন্তু, ২০২২ সালে স্কুটি করে যাওয়ার সময় তিনি পড়ে যাওয়ায় ঘটে বিপত্তি। আঘাত লাগে পায়ে বসানো প্লেটে। সেখানে ইনফেকশন হয়ে তা গোটা পায়ে ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসকরা কোনও উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে সৌমিকের ডান পা বাদ দেন। তারপর থেকে বাঁ পায়ের উপর ভরসা করেই শুরু হয় যুবকের বাকি জীবনের পথ চলা। এদিকে, অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হওয়ার ছবি দেখে গোবরডাঙার এই যুবকের সেখানে যাওয়ার ইচ্ছে জাগে। পরিচিত এবং বন্ধুরাও তাঁকে উৎসাহ দেন। কিন্তু, এতটা পথ এক পায়ে সাইকেল চালিয়ে কীভাবে যাবে, তা ভেবে বাবা বাসুদেব গোলদার এবং মা ইতিকাদেবী ছেলেকে বহুবার বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু, ছেলের প্রবল ইচ্ছেশক্তির কাছে হার মানেন তাঁরা। সৌমিক তাঁর মা-বাবাকে বোঝাতে সক্ষম হন। কলকাতায় লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠেও এক পায়ে স্কুটি চালিয়ে তিনি গিয়েছিলেন। তারপরই তিনি ঠিক করেন, ৯ জানুয়ারি মঙ্গলবার অযোধ্যার উদ্দেশে পাড়ি দেবেন।

    পরিবেশ দূষণ রোধের বার্তা দিতেই সাইকেলে অযোধ্যা

    সৌমিক বলেন, প্রায় ৯৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথ যেতে সময় লেগে যাবে ১১ দিন। মূলত দিনের আলোতেই প্রতিদিন ৮০ কিমির বেশি পথ যাব। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী থেকে পূণ্য লাভের জন্য পাড়ি দিচ্ছি অযোধ্যায়। পরিবেশ দূষণ রোধের বার্তা দিতেই সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি সাইকেল চালালে শরীর সুস্থও থাকে। এক পায়ে সাইকেল চালিয়ে যাব ঠিক করার পর পরিবার প্রথমে চায়নি। কিন্তু, বোঝানোর পর পরিবারই আমাকে উৎসাহ দিয়েছে। গোবরডাঙাবাসীর থেকেও উৎসাহ পেয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ১১/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ১১/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মায়ের দিক থেকে কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কাজের চাপ বাড়তে পারে। 

    বৃষ

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    মিথুন

    ১) অধিক খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    কর্কট

    ১) শেয়ারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে। 

    সিংহ

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে। 

    কন্যা

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে। 

    তুলা

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে ভীষণ সংশয় বা ভয় কাজ করবে। 

    ধনু

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন। 

    মকর

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে। 

    কুম্ভ

    ১) শখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    মীন

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভাল সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Banerjee: নোবেলজয়ী বাঙালি গবেষণার কাজে বাছলেন যোগী রাজ্যকে, আলোচনাও সফল

    Abhijit Banerjee: নোবেলজয়ী বাঙালি গবেষণার কাজে বাছলেন যোগী রাজ্যকে, আলোচনাও সফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের নেতা-মন্ত্রীরা প্রায়শই বলেন যে বাংলাকে নাকি ইউপি-বিহার হতে দেওয়া যাবে না। অথচ নিজের গবেষণার জন্য উত্তরপ্রদেশকেই বেছে নিলেন নোবেলজয়ী বাঙালি অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhijit Vinayak Banerjee)। জানা গিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কীভাবে গ্রামের মানুষদের মধ্যেও স্বাস্থ্য পরিষেবা সহজে পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিয়ে রিসার্চ করছেন অভিজিৎবাবু। এই গবেষণাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন যোগী রাজ্যকে। মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে এবিষয়ে একপ্রস্থ আলোচনাও সারেন অভিজিৎবাবু (Abhijit Banerjee)। তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। নোবেলজয়ী বাঙালি এবং রাজ্য বিজেপির নেতার হাতে এদিন বংশীধারী কৃষ্ণ মূর্তিও তুলে দিতে দেখা যায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে। মঙ্গলবারই অযোধ্যার উদ্দেশে যাওয়ার কথা ছিল যোগী আদিত্যনাথের। কিন্তু সেই সফরসূচি তিনি পিছিয়ে দেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের কারণে।

    দীর্ঘ আলোচনা নোবেলজয়ী বাঙালি ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল দশটা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা অভিজিৎবাবুর (Abhijit Banerjee) সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন যোগী আদিত্যনাথ। সূত্রের খবর, নোবেলজয়ী বাঙালির কাছ থেকে সমস্ত কিছু শোনার পরে তাঁকে উত্তরপ্রদেশে স্বাগত জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। খুব তাড়াতাড়ি উত্তরপ্রদেশে তাঁর গবেষণার কাজ শুরু করতে চলেছেন অভিজিৎবাবু। গবেষণা সফল হলে জ্বর, পেটব্যথা কিংবা যে কোনও ধরনের ছোটখাট অসুখের চিকিৎসা পরিষেবা গ্রামের মানুষদের কাছে পৌঁছে দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষভাবে সহায়ক হবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। সাধারণভাবে প্রান্তিক মানুষদের অসুবিধার প্রধান বড় কারণ হল, সেখানে ভালো নামী-দামি চিকিৎসক মেলে না। তাঁদেরকে চিকিৎসা করাতে বড় শহরে কোনও বড় হাসপাতালেই যেতে হয়। কিন্তু অভিজিৎবাবুর (Abhijit Banerjee) গবেষণা সফল হলে সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কী বলছেন বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

    নোবেলজয়ী বাঙালির (Abhijit Banerjee) সফরসঙ্গী ছিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স টুল প্রয়োগ করে গ্রামের প্রান্তিক মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার কাজ কীভাবে করা যায়, তা নিয়ে উত্তরপ্রদেশে কাজ করতে চান অধ্যাপক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সমস্ত রকম সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: রাজ্যে জাল আধার কার্ড চক্রের পর্দাফাঁস! কীভাবে চলত এই কারবার?

    Murshidabad: রাজ্যে জাল আধার কার্ড চক্রের পর্দাফাঁস! কীভাবে চলত এই কারবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে আধার জালিয়াতি চক্র। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের মোটা টাকার বিনিময়ে আধার কার্ড করিয়ে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের গিরিয়া এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতের নাম আব্দুর রহমান।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পূর্ব পাড়ে রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্ত। কাঁটাতার পেরিয়ে জেলায় মাঝে মধ্যে অনুপ্রবেশকারীরা চলে আসে। বাংলাদেশিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করতেন এই আব্দুর। বিনিময়ে তিনি মোটা টাকাও নিতেন। দীর্ঘদিন জঙ্গিপুর গিরিয়া স্কুল সংলগ্ন এলাকায় কম্পিউটার দোকান খুলে এই বেআইনি কারবার তিনি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর দোকানে হানা দেয়। সেখান থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, বায়োমেট্রিক মেশিন-সহ একাধিক ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম তথা গ্যাজেট। উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু আধার কার্ডও। ধৃত ব্যক্তি মিঠিপুর এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এই বেআইনি কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় নাগরিক হওয়ার অন্যতম ঠিকানা ছিল এই আব্দুরের দোকান। বাংলাদেশীদের ভুয়ো আধার কার্ড তৈরি করে দিতেন আব্দুর। বিভিন্ন রকম অপরাধমূলক কাজকর্মে সহযোগিতা করার অভিযোগও রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। ধৃত আব্দুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার আনন্দ রায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই কম্পিউটার দোকানের আড়ালে বেআইনি কারবার চালাচ্ছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশ কিছু ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। আর এই ধরনের কারবার কারও একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। ফলে, এর পিছনে কেউ বা কারা রয়েছে। তাদের খোঁজে আমরা তল্লাশি শুরু করেছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বালি পাচারেও মদত তৃণমূলের! পথে নেমে আন্দোলন বিজেপি-র

    Birbhum: বালি পাচারেও মদত তৃণমূলের! পথে নেমে আন্দোলন বিজেপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের জমানায় বীরভূম (Birbhum) জুড়ে গরু পাচারের পাশাপাশি বালি পাচারও সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। গরু পাচার মামলায় কেষ্ট এখন তিহারে রয়েছেন। তারপরও এই জেলায় বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য কমেনি। শাসক দল এবং প্রশাসনের কর্মীদের একাংশের মদতে বেআইনিভাবে পাম্পের সাহায্যে বালি তুলে তা পাচার করা চলছে। বিজেপির পক্ষ থেকেই এমনই অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রশাসনের সব স্তরে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।

     বালি পাচার রুখতে আন্দোলনে বিজেপি (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়া এবং ময়ূরেশ্বর থানা এলাকায় ময়ূরাক্ষী নদীতে বহু বালিঘাট রয়েছে। বৈধ ঘাটের সঙ্গে একাধিক অবৈধ ঘাট রয়েছে বলেও অভিযোগ। অবৈধ ঘাটগুলি থেকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বালি পাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বৈধ ঘাটগুলি থেকেও বিভিন্নভাবে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ-প্রশাসনের একটি দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ময়ূরেশ্বরের কলেশ্বর মোড়ে একটি ছাপাখানায় হানা দিয়ে বালির ঘাটের বেশ কিছু নকল চালান উদ্ধার করে। গ্রেফতার করা হয় ওই ছাপখানার মালিককে। ওই চালান দিয়েই দীর্ঘদিন ধরে বালিপাচার হচ্ছিল বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বেআইনি বালি পাচারের অভিযোগ তুলে সম্প্রতি বিজেপির পক্ষ থেকে সাঁইথিয়ার তালতলা থেকে কোটাসুর পর্যন্ত পদযাত্রা, পথসভা হয়। কোটাসুর মোড়ে দীর্ঘক্ষণ পথ অবরোধও করা হয়। তারপরেও বেআইনি বালি পাচার থামেনি বলে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ। মঙ্গলবার বিজেপি-র পক্ষ থেকে জেলাশাসক, ময়ূরেশ্বর থানার ওসি ও জেলা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিককের কাছে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

    পাম্প বসিয়ে বালি তোলা চলছে, সরব বিজেপি

    বিজেপি-র রাজ্য সহ-সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, শাসক দল ও প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মীর মদতে সাঁইথিয়া থেকে ময়ূরেশ্বর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় নৌকার উপরে পাম্প মেশিন বসিয়ে ময়ূরাক্ষী নদীর নীচে থেকে যথেচ্ছ হারে বালি তুলে পাচার করা হচ্ছে। এর ফলে শুধু রাজস্ব ক্ষতিই হচ্ছে না, ধস নেমে জনবসতি ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অবিলম্বে বেআইনি এই কারবার বন্ধ করতে হবে।  

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, আমাদের দলের কেউ বেআইনি বালি পাচারের সঙ্গে যুক্ত আছে বলে জানা নেই। যদি থেকে থাকে তাহলে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করলে দল মাথা ঘামাবে না।

    অতিরিক্ত জেলাশাসক কী বললেন?

    বীরভূমের (Birbhum) অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও ভূমি রাজস্ব) অসীম পাল বলেন, পাম্পের সাহায্যে নদীগর্ভ থেকে বালি তোলা সম্পূর্ণ বেআইনি। ওই অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ৮০ ছুঁইছুঁই বৃদ্ধ চার বছর ধরে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন শুধু নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে!

    Bankura: ৮০ ছুঁইছুঁই বৃদ্ধ চার বছর ধরে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন শুধু নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জীবিত ও মৃত’ গল্পের কথা মনে আছে? মনে পড়ে সেই বিখ্যাত লাইন, “কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই”?
    এবার আসছি বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল ব্লকের কানাকাটা গ্রামের নজর আলি খানের কথায়। বয়সের ভারে ন্যুব্জ এই ব্যক্তিকেও না একদিন ওই রাস্তাতেই হাঁটতে হয়! কারণ, দিব্যি হেঁটেচলে বেড়ানো এই বৃদ্ধ সরকারের খাতায় ‘মৃত’। ফলে এক সময় তিনি প্রতি মাসে বার্ধক্য ভাতা বাবদ যে ১০০০ টাকা করে পেতেন, তা গত চার বছর হল বন্ধ। সমস্যা সমাধানে তিনি স্থানীয় নেতা, পঞ্চায়েত, প্রশাসন সর্বত্র দরবার করেছেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি আজও। ফলে একজন জীবিত ব্যক্তি কি নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে প্রমাণ করতে বাধ্য হবেন যে তিনি মৃত নন? পরিবেশ এবং পরিস্থিতি দেখে ওই বৃদ্ধ রীতিমতো হতাশ। তিনিও বুঝতে পারছেন না, এবার কী করবেন।

    সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে (Bankura)

    নজর আলি খানের বয়স ৮০ ছুঁই ছুঁই। মাথার সব চুল পেকে গিয়েছে। মুখ সাদা দাড়িতে ভরা। কয়েকটা দাঁতও আস্ত নেই। ভালো করে কথা বলার শক্তি হারিয়েছেন তিনি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তিনি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই বার্ধক্য ভাতা পেয়ে আসছিলেন। কিন্তু ছন্দপতন ঘটে ২০২০ সালে। বার্ধক্য ভাতা হিসেবে ওই টাকা বন্ধ হয়ে যায়। তখনই তিনি পড়ে যান আতান্তরে। গ্রামের মানুষ যা করে, তিনিও ছুটলেন পঞ্চায়েত দফতরে (Bankura)। কাজ হল না। ছুটে গেলেন বিডিও অফিসে। সেখানেও একই কথা, সরকারের খাতায় আপনি তো মৃত। মানুষের নানা সমস্যা সমাধানের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে যে দুয়ারে সরকার শিবির চালু হয়েছে, দৌড়ে গেলেন সেখানেও। একরাশ হতাশা ছাড়া জুটল না আর কিছুই। এদিকে অভাবের সংসারে ওই টাকাটুকু না পাওয়ায় সমস্যা জটিল থেকে জটিলতর হয়ে ওঠে। নিজেকে জীবিত প্রমাণ করার চেষ্টা এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন ওই অসহায় বৃদ্ধ।

    প্রশাসনের কি আদৌ কোনও সদিচ্ছা আছে? (Bankura)

    প্রশ্ন উঠতে পারে, দিব্যি হাঁটাচলা করা এক ব্যক্তির গা থেকে মৃত লেবেলটা গত চার বছর ধরে পার্টি বা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা কেন তুলে দিতে পারলেন না? কেন একে অন্যের ওপর দায় চাপালেন। সিমলাপাল গ্রাম পঞ্চায়েত স্বীকার করেছে যে একটা অনিচ্ছাকৃত ভুল। তা যত দ্রুত সম্ভব ঠিক করা হবে, এমন আশ্বাসও তারা দিয়েছে। চার বছর অপেক্ষা করা কি সেই দ্রুত সমাধানের পরিচয়? বিডিও মানস চক্রবর্তীর মুখেও সেই একই আশ্বাস, দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলের সম্পাদক রামানুজ সিংহ মহাপাত্রও আশ্বাস দেওয়ার ব্যাপারে এঁদের থেকে পিছিয়ে নেই। হক কথাটি বলেছেন বাঁকুড়া (Bankura) জেলার বিজেপির সম্পাদক দীপককুমার দাস। তাঁর প্রশ্ন, প্রশাসনের কি আদৌ কোনও সদিচ্ছা আছে?   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICDS: ডিমের দাম ছুঁয়েছে ৮ টাকা, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্য রাজ্যের বরাদ্দ মাত্র আড়াই টাকা!

    ICDS: ডিমের দাম ছুঁয়েছে ৮ টাকা, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্য রাজ্যের বরাদ্দ মাত্র আড়াই টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশু ও প্রসূতিদের খাবারের জন্য বরাদ্দ টাকা সঠিক সময়ে পাচ্ছেন না অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা (ICDS)। অভিযোগ, অগ্নিমূল্যের বাজারে ন্যূনতম টাকা বরাদ্দ হিসেবে দেওয়া হয়। যে টাকা দিয়ে ডিম কেনা বা অন্য সামগ্রী কেনা সম্ভব নয়৷ অনেক ক্ষেত্রেই শিশু ও প্রসূতিদের বরাদ্দ থেকে কম খাবার দিতে বাধ্য হচ্ছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। পাহাড়প্রমাণ বাকি জমেছে মুদি ও সবজির দোকানে। ধারে মাল দেওয়া বন্ধ করেছেন ব্যবসায়ীরা। এমন পরিস্থিতিতে গতকাল, মঙ্গলবার থেকে বালুরঘাটের বেশ কিছু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে খাবার দিতেই পারছেন না কর্মীরা। খাবার নিতে এসেও খালি হাতে ঘুরে যেতে হচ্ছে শিশু ও তাদের অভিভাবকদের। কেন্দ্রগুলি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ার দিয়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা।

    খাবারের টাকা নিয়মিত মিলছে না (ICDS)

    প্রসঙ্গত, জেলায় সব মিলিয়ে ৩২০০র বেশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে। বালুরঘাট শহরে ২৯১টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে এবং বালুরঘাট ব্লকে রয়েছে ৪৪৪টি। এই কেন্দ্রগুলি থেকে শিশু ও প্রসূতিদের পুষ্টিযুক্ত সুষম খাবার দেওয়া হয়। অভিযোগ, তিন-চার মাস হল খাবারের টাকা নিয়মিত পাচ্ছেন না অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীরা। এমনকী দীর্ঘদিনের পুরানো বাজারমূল্য হিসেবেই টাকা দেওয়া হয়। এখন ডিমের দাম ৮ টাকা হলেও দেওয়া হচ্ছে আড়াই টাকা৷ জ্বালানি হিসেবে যে টাকা দেওয়া হয়, তাও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এইসব বিষয় নিয়ে সম্প্রতি আইসিডিএস-এর কর্মীরা জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। তারপরেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় গতকাল থেকে অনেক কেন্দ্র থেকে খাবার দিতে পারেননি কর্মীরা। এদিনে শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ড সহ বেশ কিছু এলাকার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র (ICDS) থেকে খাওয়ার দিতে পারেননি কর্মীরা।

    দোকানদার আর জিনিস দিতে চাইছেন না (ICDS)

    এই বিষয়ে এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী বলেন, আমরা গত তিন মাস ধরে কোনও টাকা পাচ্ছি না। ফলে দোকানে বাকি পড়ে রয়েছে। দোকানদার আর জিনিস দিতে চাইছেন না। আমরা নিজেদের টাকা থেকে অঙ্গনওয়াড়ির জিনিসপত্র কিনছি। আমরা এইসব বিষয় জেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। প্রশাসনের কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই। আমরা যদি টাকা ঠিক করে না পাই, আগামী দিনে আমরা সমস্ত অঙ্গনওয়াড়ি (ICDS) বন্ধ করে দেব। এই বিষয়ে এক অভিভাবক বলেন, আমরা ঠিক করে খাবার পাই না। আমরা এই খাবারগুলো বাচ্চাদেরকে খাওয়াই। এইভাবে চললে সমস্যায় পড়তে হবে।

    কী বললেন জেলাশাসক?

    এনিয়ে জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, এখন নতুন একটা সিস্টেমে পেমেন্ট (ICDS) দেওয়া হচ্ছে। তাই টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে একটু সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়েই দেখছি, যাতে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    Ram Mandir: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনে তোড়জোড় শুরু হয়েছে জোরকদমে। এই আবহের মধ্যে বাংলাতেই রাম মন্দির তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি বা দুটি নয়, তিনটি রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে কোচবিহারে। আর এই মন্দির তৈরির মূল উদ্যোক্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। আর একটি মন্দির তো অযোধ্যার রাম মন্দিরের সঙ্গে ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হবে। সেই মতো প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কোচবিহারের কোথায় তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির? (Ram Mandir)

    কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের পাশাপাশি মাথাভাঙা এবং শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করতে উদ্যোগী বিজেপি নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের ছড়ারকুঠি গ্রামে দুই ট্রাক বেলেপাথর এসে পৌঁছেছে। খরচ প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা। ওই বেলেপাথর রাজস্থান থেকে নিয়ে আসার তদারকি করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেই। জানা গিয়েছে, কোচবিহার উত্তর বিধানসভার ছড়ারকুঠি এলাকায় প্রায় সাত দশক পুরানো কালীমন্দির রয়েছে। প্রত্যেক দীপাবলিতে সেখানে পুজো হয়। এবার দীপাবলিতে কালীপুজোর সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে তাঁরা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি মন্দিরের ফাঁকা স্থানে রামমন্দির তৈরি করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে রাজি হওয়ায় রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রী নিজেই রাজস্থান থেকে প্রয়োজনীয় বেলেপাথর এবং কারিগরদের নিয়ে এসেছেন।

    অযোধ্যার রাম মন্দিরের সঙ্গে এই মন্দিরের উদ্বোধনের পরিকল্পনা

    কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায় বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ছড়ারকুঠি এলাকায় রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হচ্ছে। সেই মন্দির তৈরি করার জন্য সহযোগিতা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেও। মন্দিরটি ৩০ ফুট উচ্চতা এবং ১৫ ফুট চওড়া। মন্দিরের জন্য রাম সহ ৯টি মূর্তি চলে এসেছে। সব ঠিক থাকলে এই মন্দিরটি আগামী ২২ জানুয়ারি সূচনা করা হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আগে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখানে স্পোর্টস হাব তৈরি করার ঘোষণা করেছিলেন এখনও সেটা হয়নি। নারায়ণী সেনা তৈরি করার আশ্বাস দিয়েছিলেন সেটাও হয়নি। রাম সকলের হৃদয়ে রয়েছেন। কাজেই তাঁকে নিয়ে রাজনীতি কখনওই করা উচিৎ নয়। সেটা না করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির উচিৎ কোচবিহারের হাজার-হাজার মানুষের ১০০ দিনের বকেয়া টাকা দ্রুত প্রদান করা এবং বাংলা আবাস যোজনার আটকে রাখা টাকা প্রদান করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কলকাতা শহরে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ। লাগাতার ছাত্র হেনস্থার পরেও কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ করেনি, এমনই অভিযোগ উঠছে। আর এবার অভিযোগ উঠেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য পড়ুয়া ও প্রাক্তন পড়ুয়াদের হেনস্থার জেরেই ওই প্রথম বর্ষের পড়ুয়া মারা যান।‌ কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র হেনস্থা নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছায়। কিন্তু ২০২৪ সালের প্রথমেই ফের কলকাতার আর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ উঠল।

    কী অভিযোগ উঠছে?

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাগাতার ছাত্র হেনস্থা হচ্ছে। অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসে এবং হস্টেলে ছাত্রদের হেনস্থা করা হয়। সম্প্রতি, মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছে, অস্থি বিভাগের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি অর্থাৎ, স্নাতকোত্তর পাঠরত প্রথম বর্ষের পড়ুয়া হেনস্থার শিকার হয়েছেন। দীর্ঘ চার মাস ধরে লাগাতার হেনস্থা করা হচ্ছে। অভিযোগ, কখনও রোগী দেখার সময়ে, রোগীর পরিজনদের সামনে কর্তব্যরত ওই ট্রেনি চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন ওই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের স্নাতকোত্তর পড়ুয়ারা।‌ আবার কখনও কাজ নিয়ে মানসিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে। এমনকী রোগী ও পরিজনদের সামনেই গালাগালি করা হয়েছে‌। এছাড়াও অভিযোগ, হস্টেলেও হেনস্থা করা হয়েছে। এমনকী শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে। তলপেটে লাথি মারা, মারধর করা সহ একাধিক অভিযোগ জানানো‌ হয়েছে। আরও অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা মাসের পর মাস ঘটলেও‌ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকেরা কোনও পদক্ষেপ করেননি। দুজন নির্দিষ্ট চিকিৎসক-পড়ুয়ার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ জানানোর পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এমনকী, হস্টেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও প্রয়োজনীয় সমাধান পাওয়া যায়নি। অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পাশপাশি অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, এরপরেও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে আইনি সাহায্য তাঁরা নেবেন। 

    কী বলছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? 

    মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ প্রসঙ্গে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল‌ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।‌ অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তারা কঠোর ব্যবস্থা নেবে।‌ কলেজ ক্যাম্পাস হোক কিংবা হস্টেল, কোথাও ছাত্র হেনস্থা বরদাস্ত করা হবে না বলেও তারা সাফ জানিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share