Tag: Bilawal Bhutto Zardari

Bilawal Bhutto Zardari

  • POJK Polls: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ইমরানের দলের, কারচুপির অভিযোগে সরব বিলাওয়াল

    POJK Polls: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ইমরানের দলের, কারচুপির অভিযোগে সরব বিলাওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে সাম্প্রতিক নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করেছে জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। ২৯ জুলাই দলটি পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে “প্রহসন” বলে অভিহিত করেছে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলে সাম্প্রতিক হিংসার নিন্দা করে পিটিআই বলেছে, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তান সম্পর্কে ভুল বার্তা যাচ্ছে। পিটিআই চেয়ারম্যান গওহর আলি খানের সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সর্দার কাইয়ুম নিয়াজি বলেন, কাশ্মীরিদের নজিরবিহীন নিপীড়ন ও বর্বরতার মুখে পড়তে হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “কাশ্মীরিদের এমনভাবে পিষে ফেলা হচ্ছে, যার কোনও নজির নেই।” তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির বিক্ষোভকারীরা সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য সব ধরনের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু নিজেদের দাবিদাওয়া আর শোনা হচ্ছে না বুঝতে পেরে তাঁরা ৯ জুন বিক্ষোভের কথা ঘোষণা করেন। নিয়াজির কথায়, “তাঁরা শান্তিপ্রিয় মানুষ এবং আজও শান্তিপূর্ণ রয়েছেন। বলুন তো, সেখানে আমাদের বাহিনীর কোনও সদস্য গুলিতে নিহত হয়েছেন, কিংবা লাঠির ঘায়ে আহত হয়েছেন? এই মানুষগুলি গুলি খাচ্ছেন, তবুও শান্তিপূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।”

    তিন দফায় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন (POJK Polls)

    পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে তিন দফায় নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নিয়াজি। তাঁর দাবি, ওই অঞ্চলের জনসংখ্যা মেরেকেটে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ। অথচ ২৫ কোটি মানুষের পাকিস্তানে এক দফায়ই নির্বাচন হয়। তিনি প্রশ্ন করেন, “পাকিস্তানের জনসংখ্যা ২৫ কোটি এবং সেখানে এক দফায় নির্বাচন হয়। এখানে তিন দফার কী প্রয়োজন? কাশ্মীরে কী ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে?” তিনি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গও তোলেন। ওই নির্বাচনে একই সঙ্গে প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় পরিষদের ভোট হয়েছিল। নিয়াজির অভিযোগ, সেই নির্বাচনে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের পক্ষে ব্যাপক কারচুপি করা হয়েছিল। দলটির প্রধান নওয়াজ শরিফকে লন্ডন থেকে পাকিস্তানে ফিরে এসে নির্বাচনী প্রচারে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

    গওহরের বক্তব্য

    গওহরও সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, ২৭ জুলাইয়ের নির্বাচন ওই অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে “প্রহসন” করা হয়েছে। তিনি বলেন, “২৭ তারিখে যে নির্বাচন হয়েছে, তা আপনারা সবাই দেখেছেন। নির্বাচনের নামে এটি ছিল একটি প্রহসন। এখন সবাইকে মেনে নিতে হবে যে গুলি ও লাঠি ব্যবহার করে, মানুষকে দমন করে, তাদের কণ্ঠরোধ করে এবং প্রতিবাদ করতে বাধা দিয়ে সমস্যার সমাধান করা যায় না। মানুষের কথা শোনাই গণতন্ত্র।” পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতির নিন্দা করে গওহর পাকিস্তান পিপলস পার্টি এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক স্বার্থে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, “আমরা প্রকাশ্যেই বলছি, সেখানে মৃতদেহ পড়ে ছিল, মানুষ রক্তে ভেসে যাচ্ছিল, আর রাজনৈতিক দলগুলি তা নিয়ে রাজনীতি করেছে। একজন আর একজনকে অভিনন্দন জানিয়েছে, অন্যজন অভিযোগ করেছে যে তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কারচুপি করা হয়েছে।” গওহরের দাবি, এই দুই দলই গত ৪০ বছর ধরে চলা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অধীনে ক্ষমতায় থেকেছে এবং নিজেদের প্রদেশগুলিতে পরাজিত হয়েছে। তাঁর মতে, নির্বাচনে কম ভোটার উপস্থিতিই এই দুই দলের প্রতি মানুষের প্রত্যাখ্যানের প্রতিফলন। তিনি বলেন, “এত কম ভোটার উপস্থিতি পুরো ব্যবস্থা এবং এই দুই দলের ওপর অনাস্থার প্রতিফলন। এটি তাদের বিরুদ্ধে গণভোটের সমান।” গওহর আরও বলেন, বর্তমান রাজনীতি মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

    পিপিপি ও পিএমএল-এনের সংঘাত

    এদিকে মিরপুর বিভাগের নির্বাচনী ফল নিয়ে পাকিস্তান পিপলস পার্টি এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ শুরু হয়েছে। পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির অভিযোগ, সর্বত্র কারচুপি করে, ভয় দেখানো এবং রাজনৈতিক ঘুষকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে পিএমএল-এন জনগণের রায় চুরি করেছে। পিএমএল-এনের নির্বাচনী বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিলাওয়াল। পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের প্রথম দফার ভোটে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানান তিনি। ২৯ জুলাই মুজাফফরাবাদে পিপিপির এক কর্মী সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিলাওয়াল নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলেছিলেন, “আপনারা যদি এই কারচুপির সঙ্গে জড়িত না থাকেন, তাহলে মিরপুরে পুনর্নির্বাচনের আয়োজন করুন।” নির্বাচন কমিশনের কথিত নিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে এটিই এখন পর্যন্ত তাঁর সবচেয়ে সরাসরি ও কঠোর চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

    শাহবাজ-মরিয়ম জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেননি’

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফকে সরাসরি কটাক্ষ করেন বিলাওয়াল। তিনি বলেন, “আজ কেউ যদি প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে থাকেন, কিংবা কেউ মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসে থাকেন, তা জনগণের ভোটে বা আপনাদের কর্মদক্ষতার কারণে নয়—এটি একটি ফর্ম-৪৭-এর ফল, এটা একটি শিশুও জানে।” ফর্ম-৪৭ হল কোনও নির্বাচনী এলাকার সব ভোটকেন্দ্রে গণনা করা ভোটের ফলের প্রাথমিক সমন্বিত বিবরণী, যা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং আধিকারিক প্রস্তুত করেন। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর থেকে পিটিআই-সহ বিরোধীরা এই শব্দটি ব্যবহার করে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে আসছে। বিলাওয়ালের অভিযোগ, পাঞ্জাব ও জাতীয় পরিষদের একাধিক আসনে পিএমএল-এন পরাজিত হলেও, রিটার্নিং আধিকারিকরা মিথ্যাভাবে দলটিকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। তাঁর দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় এই কারচুপির ফলেই শাহবাজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী এবং মরিয়ম নওয়াজ পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বিলাওয়াল দাবি করেছিলেন, দেশজুড়ে ব্যাপক জনসমর্থনের কারণে তাঁর দল কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করবে। তবে পরে ইমরানের পিটিআইও অভিযোগ করে, তাদের নির্বাচনী প্রতীক ক্রিকেট ব্যাটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না দেওয়া-সহ বিভিন্ন উপায়ে প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় পরিষদে তাদের জনগণের রায় থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

    এটা আপনার কথা নয়, ফর্ম-৪৭ কথা বলছে’

    বিলাওয়ালের বক্তব্যের আগেই মরিয়ম নওয়াজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পিপিপিকে কটাক্ষ করে বলেন, “কারচুপির সূক্ষ্ম শিল্পে ওস্তাদ পিপিপি এখন অন্যায় হয়েছে বলে কান্নাকাটি করছে। প্রলয় কবে আসবে?” এর জবাবে পিপিপির শরজিল মেমন বলেন, “এটা আপনি বলছেন না, ফর্ম-৪৭ কথা বলছে। প্রলয় এসেছিল ২০২৪ সালে, যখন জনগণের রায় দান হিসেবে বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।” বিলাওয়ালও পিএমএল-এনকে “কারচুপির ফসল” বলে আখ্যা দেন। নিজের দলের সঙ্গে পিএমএল-এনের তুলনা করে তিনি বলেন, পিপিপির রাজনৈতিক ইতিহাস তিন প্রজন্মের। তাঁর দাবি, “এমন একটি নির্বাচনও নেই, যেখানে পিএমএল-এন জনগণের ভোটে জিতেছে—সবসময় কারচুপির মাধ্যমে জিতেছে।”

    কাশ্মীরের মানুষের রায় চুরি করতে দেওয়া হবে না’

    বিলাওয়াল প্রশ্ন করেন, “তারা কি মনে করে, কাশ্মীরে আমরা তাদের নির্বাচন কারচুপি করতে দেব?” তিনি আরও বলেন, “কাশ্মীরের মানুষ মাথা নত করবে না এবং কাউকে তাদের রায় চুরি করতে দেবে না।” মুজাফফরাবাদের উদ্দেশে ইঙ্গিত করে বিলাওয়াল বলেন, “এটি মুজাফফরাবাদ, শ্রীনগর নয়।” তাঁর দাবি, বিরোধী পক্ষের কারচুপির চেষ্টা ব্যর্থ করতে তাঁর দল সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। তিনি আরও দাবি করেন, ৩০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৯০ শতাংশ, অথচ অধিকাংশ নির্বাচনী এলাকায় ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে। পিপিপি কর্মীদের উদ্দেশে বিলাওয়ালের প্রতিশ্রুতি, “আমি চুরি যাওয়া প্রতিটি ভোট ফিরিয়ে আনব”। তিনি বলেন, “আমি পরাজয় মেনে নিতে প্রস্তুত। কিন্তু আপনারা যদি নির্বাচন কারচুপি করে আমাদের রায় চুরি করতে চান, তাহলে আমি এই ফল মেনে নিতে পারি না।”

    সত্য ও পুনর্মিলন কমিশনের প্রস্তাব

    পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের চলমান অস্থিরতা মোকাবিলায় সত্য ও পুনর্মিলন কমিশন গঠনের প্রস্তাবও পুনর্ব্যক্ত করেন বিলাওয়াল। তিনি বলেন, “আমি এই প্রস্তাব রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বা বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে দিচ্ছি না। আমি এটি দিচ্ছি সেই প্রতিটি কাশ্মীরির পক্ষ থেকে, যারা এই দু’পক্ষের কোনওটির সঙ্গে যুক্ত নন।” সরকার এবং বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি—উভয় পক্ষকেই এই দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিলাওয়ালের প্রশ্ন, “আপনারা যদি সঠিক পথে থাকেন এবং সত্যের পক্ষে থাকেন, তাহলে কমিশন গঠন করছেন না কেন?”

    কাশ্মীরের অর্থনৈতিক সঙ্কট নিয়েও সরব বিলাওয়াল

    কাশ্মীরে কর্মসংস্থানের কথা পিপিপি কেন বলছে, তার ব্যাখ্যায় বিলাওয়াল বলেন, তাঁর দল এই অঞ্চলের “অর্থনৈতিক সঙ্কট” সম্পর্কে সচেতন। এরপরেও পিএমএল-এনকে আক্রমণ করে তিনি দাবি করেন, দলটির অর্থনৈতিক দর্শন মূলত “ধনীদের আরও ধনী করা” নীতির ওপর নির্ভরশীল। বিলাওয়াল বলেন, “তারা আমাদের কটাক্ষ করে বলে, আমরা নাকি কাশ্মীরকে সিন্ধে পরিণত করতে চাই। না, আমি চাই কাশ্মীর কাশ্মীরই থাকুক এবং মানুষই তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুক।” তিনি আরও বলেন, “পাঞ্জাব, ইসলামাবাদ, খাইবার পাখতুনখোয়া, সিন্ধ বা বালুচিস্তান কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না।” নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পিপিপি নেতা। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার সঙ্গে পাঞ্জাবের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের ভূমিকার তুলনাও করেন তিনি।

     

  • Bilawal Bhutto Zardari: বুধে মক ড্রিল ভারতে, ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান, ‘সন্ধির প্রস্তাব’ জারদারির

    Bilawal Bhutto Zardari: বুধে মক ড্রিল ভারতে, ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান, ‘সন্ধির প্রস্তাব’ জারদারির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই বুধবার। এদিন মক ড্রিল করবে ভারত। এজন্য সারা হয়ে গিয়েছে যাবতীয় প্রস্তুতি। স্বাভাবিকভাবেই চাপে পড়ে গিয়েছে পাকিস্তান। এহেন আবহে সুর নরম করে ‘সন্ধির প্রস্তাব’ দিলেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রধান তথা প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। গত ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর হামলা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তার জেরে তলানিতে ঠেকেছে ভারত-পাকিস্তানের (Pakistan) সম্পর্ক। ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক স্ট্রাইক ঘোষণা করেছে নয়াদিল্লি। এর মধ্যে রয়েছে সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিতও। তখনই বিলাওয়াল গর্জন করেছিলেন, “সিন্ধুতে ভারতীয়দের রক্তগঙ্গা বইবে।” এর পরেই তাঁর এক্স হ্যান্ডেল ব্লক করে দেয় কেন্দ্র।

    কী বললেন জারদারি? (Bilawal Bhutto Zardari)

    পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে পহেলগাঁও হামলা প্রসঙ্গে বিলাওয়াল বলেন, “ওই অপরাধে পাকিস্তানের কোনও হাত ছিল না। আমরা সন্ত্রাসবাদ রফতানি করি না, আমরা সন্ত্রাসবাদের শিকার।” তিনি বলেন, “ভারত যদি শান্তির পথে হাঁটতে চায়, তাহলে তাদের খোলা হাতে আসা উচিত, মুষ্টিবদ্ধভাবে নয়। তাদের তথ্য নিয়ে আসা উচিত, মিথ্যা নয়।” বিলাওয়াল বলেন, “আসুন, আমরা প্রতিবেশী হিসেবে বসে সত্য কথা বলি। যদি তারা তা না করে, তাহলে তাদের মনে রাখা উচিত যে পাকিস্তানের জনগণকে নতজানু হতে বাধ্য করা হয়নি। পাকিস্তানের জনগণের লড়াই করার দৃঢ় সঙ্কল্প আছে। কারণ আমরা সংঘাত ভালোবাসি না, আমরা ভালোবাসি স্বাধীনতা।”

    ভারতকেই সিদ্ধান্ত নিতে দিন 

    পাকিস্তানের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari) বলেন, “ভারতকেই সিদ্ধান্ত নিতে দিন। সে কি আলোচনা করবে নাকি ধ্বংস হবে? সহযোগিতা করবে নাকি সংঘাত চায়?” এর পরেই তিনি বলেন, “একটি ট্যাঙ্ক দিয়ে সন্ত্রাসবাদকে দমন করা যাবে না। একে ন্যায়ের মাধ্যমে পরাজিত করতে হবে। গুলি দিয়ে একে উৎখাত করা যাবে না, আশা দিয়ে নিরস্ত্র করতে হবে।” বিলাওয়াল বলেন, “জাতিগুলিকে দানব হিসেবে চিত্রিত করে নয় (Pakistan), বরং যে অভিযোগগুলি এর জন্ম দেয়, সেগুলির মোকাবিলা করেই একে পরাস্ত করতে হবে (Bilawal Bhutto Zardari)।”

  • Pakistan Election: নির্বাচন পরবর্তী জটিল সমীকরণ, কোন দল সরকার গঠন করবে পাকিস্তানে?

    Pakistan Election: নির্বাচন পরবর্তী জটিল সমীকরণ, কোন দল সরকার গঠন করবে পাকিস্তানে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহতেই পাকিস্তানের (Pakistan Election) সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। পাক দলের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খান বর্তমানে জেলে রয়েছেন এবং তাঁর দলকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যার ফলে তেহেরিক-ই-ইনসাফের প্রার্থীরা নির্দল হিসেবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্দল প্রার্থী হিসেবে তাঁরা পাকিস্তানের সব থেকে বেশি আসনে জয়লাভ করেছেন। অন্যদিকে বিলাবল ভুট্টোর দল এবং নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ সে দেশে পারিবারিক দল হিসেবেই পরিচিত। তারা ইতিমধ্যে হাত মেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কারণেই সব থেকে বেশি আসন জেতা সত্বেও তেহেরিক-ই-ইনসাফের সদস্যরা সরকার গঠনে ভূমিকা নিতে পারবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ তারা এককভাবে জাদু সংখ্যা ১৩৩-এ পৌঁছাতে পারেনি।

    কে কত আসন পেল?

    পাকিস্তানের নির্দল সদস্যরা (Pakistan Election) অর্থাৎ তেহেরিক-ই-ইনসাফের সদস্যরা জিতেছে ১০১ আসন। পাকিস্তানের ২৬৫ টি আসনে ভোট হয়। ৭৫টি আসন জিতেছে নওয়াজ শরিফের মুসলিম লিগ। বিলাবল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি জিতেছে ৫৪ টি আসনে। তবে এমন পরিস্থিতি পাকিস্তানে নতুন নয়। ২০০৬ সালের নির্বাচনেও সে দেশে কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

    গণনায় স্বচ্ছতার দাবি ইমরানের দলের

    জানা গিয়েছে নওয়াজ শরিফ ও বিলাবল ভুট্টোর দল জোটে আসছে। অন্যদিকে, ইমরান খানের দল (Pakistan Election) ইতিমধ্যে গণনা স্বচ্ছতার দাবি তুলেছে। একই দাবি শোনা গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং ব্রিটেনের তরফ থেকেও। যেখানে পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক এই দাবিকে নস্যাৎ করেছে।

    কে করবে সরকার গঠন?

    জানা গিয়েছে, এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নওয়াজ শরিফ, বিলাবল ভুট্টোর দল ইমরান খানের নির্দল হিসেবে জেতা কিছু সাংসদের (Pakistan Election) সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করতে পারে। নওয়াজ শরিফের ভাই শেহবাজ শরিফকে ফের দেখা যেতে পারে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে। প্রসঙ্গত ২০২২ সালের এপ্রিল মাসেই ইমরান খানকে দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।

     

    আরও পড়ুন: পার্টি অফিসে ধর্ষণ করেছিলেন শাহজাহান! রিপোর্ট তলব মহিলা কমিশনের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Peoples Party: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে লড়বেন বিলাওয়াল ভুট্টো?

    Pakistan Peoples Party: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে লড়বেন বিলাওয়াল ভুট্টো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী পদে লড়বেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (Pakistan Peoples Party) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। প্রার্থী হচ্ছেন তাঁর বাবা আশিফ আলি জারদারিও। পাকিস্তানের এই প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ফের লড়বেন প্রেসিডেন্ট পদে। দলের চেয়ারম্যান ফয়জল করিম কুন্ডি জানিয়েছেন বিলাওয়াল ও তাঁর বাবার প্রার্থী হওয়ার খবর। জারদারি যে প্রধানমন্ত্রী পদে লড়বেন, সে ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। সিনিয়র জারদারি জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী পদে বিলাওয়াল নিজে কিংবা খুরশিদ শাহ দলের তরফে হবেন যোগ্য প্রার্থী।

    কী বললেন আশিফ? 

    আশিফ বলেন, “বিলাওয়াল প্রার্থী হতে পারে। আমিও প্রার্থী হতে পারি। খুরশিদ শাহও বলেছেন প্রার্থী হবেন।” ইসলামাবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ফয়জল কুন্ডি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী পদে লড়বেন বিলাওয়াল। ২০১৮ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তিও হতে পারে। আশিফ আলি জারদারিকে ফের প্রেসিডেন্ট পদে দেখা যেতে পারে। তিনি বলেন, “২০১৮ সালের রিপ্লে দেখতে চাই আমরা। আশিফ আলি জারদারিকে প্রেসিডেন্ট করতে চাই।” প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালেও প্রেসিডেন্ট পদে বসেছিলেন আশিফ আলি জারদারি।

    ‘ড্রয়িং রুম পলিটিক্স’

    তিনি জানান, পিপিপির অবস্থানই হল, ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারির পরে নির্বাচন হওয়া উচিত নয়। নওয়াজ শরিফের সমালোচনা করে কুন্ডি বলেন (Pakistan Peoples Party), নওয়াজের দল নির্বাচনে অংশ নিতে দ্বিধা করছে। তিনি একে ‘ড্রয়িং রুম পলিটিক্স’ আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, “নির্বাচন এড়িয়ে কেন তারা দাবি করছে যে তারা দেশের বৃহত্তম দল?” কুন্ডির দাবি, দেশবাসী পিপিপির সঙ্গেই রয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে দল পুরোপুরি প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ললিত ঝা-র, কী বলল লোকসভাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড?

    নির্বাচনের সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারির প্রসঙ্গে কুন্ডি জানান, এই জাতীয় নিষেধাজ্ঞা দল প্রসারিত করার স্বাধীনতার পরিপন্থী। মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে জনগণের। এদিন নওয়াজকেও নিশানা করেছেন কুন্ডি। বলেন, “এই ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টাবিলিটি ব্যুরো নওয়াজ শরিফের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছে। একটার পর একটা মামলায় তিনি খালাসও হচ্ছেন। তাই জনগণের জানা উচিত ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টাবিলিটি ব্যুরো ঠিক না ভুল।” তিনি (Pakistan Peoples Party) বলেন, “ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টাবিলিটি ব্যুরো কারও সম্পত্তি নয়, একটি প্রতিষ্ঠান।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘‘জেগে উঠুন, কফির ঘ্রাণ নিন, ৩৭০ ধারা ইতিহাস’’! বিলাওয়ালকে জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ‘‘জেগে উঠুন, কফির ঘ্রাণ নিন, ৩৭০ ধারা ইতিহাস’’! বিলাওয়ালকে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীর নিয়ে পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টোর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে যদি কথা বলতে হয় তাহলে অধিকৃত কাশ্মীর (Occupied Kashmir) তারা কবে খালি করছে (vacate) শুধুমাত্র তা নিয়েই কথা হবে। পাশাপাশি পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি যা বলছেন তাতে কোনও গুরুত্ব না দেওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

    জয়শঙ্করের জবাব

    জয়শঙ্কর শুক্রবার বলেন, ‘‘আমি বলতে চাই, জি২০-র সঙ্গে তাদের (পাকিস্তানের) কোনও সম্পর্ক নেই। সেই সঙ্গে আমি বলব যে শ্রীনগরের সঙ্গেও তাদের কোন সম্পর্ক নেই। কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা করার জন্য শুধুমাত্র একটি ইস্যু আছে তা হল, পাকিস্তান কখন অধিকৃত কাশ্মীরের অবৈধ দখলদারি ছেড়ে দেবে।’’ সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠকে যোগ দিতে গোয়ায় এসে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি বলেছিলেন, ‘‘ভারত যদি ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট নেওয়া পদক্ষেপ (৩৭০ ধারা বাতিল) পর্যালোচনা না করে, পাকিস্তান তা হলে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবে না।’’ 

    ৩৭০ এখন ইতিহাস

    ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভূস্বর্গকে ‘অধিকৃত কাশ্মীর’ বলেও উল্লেখ করেন পাক বিদেশমন্ত্রী। পাশাপাশি টেনে আনেন কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের প্রসঙ্গও। এরপরই ৩৭০ ধারা নিয়ে পাক (Pakistan) বিদেশমন্ত্রী (Foreign Minister) ভুট্টোর উদ্দেশে কড়া বার্তা ভারতের বিদেশমন্ত্রীর। জয়শঙ্কর বলেন, ‘‘জেগে উঠুন এবার, কফির ঘ্রাণ নিন, ৩৭০ এখন ইতিহাস।’’ এদিন তিনি আরও বলেন, “যাঁরা জঙ্গি হামলায় শিকার, তাঁরা কখনই সন্ত্রাসবাদের অপরাধীদের সঙ্গে এক টেবিলে আলোচনায় বসতে পারে না। যাঁরা সন্ত্রাসবাদের শিকার, তাঁরা সর্বদাই নিজেদের রক্ষা করতে ব্যস্ত থাকে। সন্ত্রাসবাদকে ঠেকাতে নানা রকমের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। কিন্তু যাঁরা সন্ত্রাসবাদকে বৈধতা দেন, তাঁরা এখানে বসে মিথ্যা কথা প্রচার করছেন। আমরা একই নৌকায় রয়েছি, এটা জোর করে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন।”

    আরও পড়ুন: ‘পাসওয়ার্ড’ নয়! গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করতে এবার লাগবে ‘পাস কি’

    উল্লেখ্য, এদিন গোয়ায় এসসিও-র বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক চলাকালীন ফের রক্তাক্ত হয় কাশ্মীর। শুক্রবার রাজৌরির জঙ্গলে জঙ্গি দমন অভিযানে নেমেছিল সেনা। সেখানে সন্ত্রাসবাদীদের আইইডি বিস্ফোরণে শহিদ হন পাঁচজন। বিলাওয়ালের সফরের মধ্যেই জম্মু কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা হচ্ছে। আজ ভোর থেকেই জম্মুর দুটি জায়গায় সেনা-জঙ্গি এনকাউন্টার হচ্ছে। সেখানে এক জঙ্গি খতম হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bilawal Bhutto Zardari: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    Bilawal Bhutto Zardari: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতে (India) এলেন পাকিস্তানের (Pakistan) বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভু্ট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। বৃহস্পতি ও শুক্র দু দিন ধরে গোয়ায় হচ্ছে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। ওই বৈঠকে যোগ দিতেই ভারতে এসেছেন বিলাওয়াল। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে তাঁর কথা হতে পারে বলেও সরকারি সূত্রে খবর। পুঞ্চে জঙ্গি হামলা হয়েছে দিন কয়েক আগে। শহিদ হয়েছেন ভারতের পাঁচ জওয়ান। এহেন আবহে বৃহস্পতিবার ভারতে এলেন বিলাওয়াল।

    জয়শঙ্করের আমন্ত্রণে ভারতে বিলাওয়াল ভু্ট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)…

    ২০১৪ সালে দিল্লির তখতে আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। প্রধানমন্ত্রী পদে মোদি যেদিন শপথ নেন, সেদিন ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তার পর আর পাকিস্তানের কোনও শীর্ষ নেতৃত্ব ভারতে আসেননি। দীর্ঘ ৯ বছর পর এলেন বিলাওয়াল। তিনি যে ভারতে আসবেন, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এপ্রিলেই। পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জারাহ বালোচ জানিয়েছিলেন, জয়শঙ্করের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েই ভারতে যাচ্ছেন বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari)।

    সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক হচ্ছে গোয়ায়। এদিন গোয়াগামী বিমানে উঠে ট্যুইট-বার্তায় বিলাওয়াল লেখেন, বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আমার সিদ্ধান্ত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের সনদের প্রতি পাকিস্তানের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরেছে। মিত্র দেশগুলির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনায় আমি উদগ্রীব। সাংহাই কো-অপারেশনের পূর্ণাঙ্গ সদস্য আট দেশ। এই দেশগুলি হল, ভারত, চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে আফগানিস্তান, বেলারুশ, ইরান এবং মঙ্গোলিয়া। ডায়লগ পার্টনার হিসেবে রয়েছে মিশর, কাতার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, তুরস্ক, কম্বোডিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান এবং সৌদি আরব, এই ৯টি দেশ।

    আরও পড়ুুন: “পুলিশের নেতৃত্বেই খুন”! ময়নায় বিস্ফোরক জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

    বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari) সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনে যোগ দেবেন বলে পাকিস্তান জানালেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই ভেবেছিলেন তিনি শেষমেশ ভারতে আসবেন না। কারণ ডিসেম্বরে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বিলাওয়াল বলেছিলেন, ওসামা বিন লাদেন নিহত হয়েছেন। কিন্তু গুজরাটের কসাই এখনও জীবিত। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর পরেই ভারত-পাক সম্পর্ক আরও তলানিতে গিয়ে ঠেকে। সম্প্রতি পুঞ্চে ভারতীয় সেনা বাহিনীর টহলদারি ভ্যানে হামলা চালায় জঙ্গিরা। তাতে নিহত হন পাঁচ জওয়ান। ওই ঘটনায়ও সন্দেহের তির পাকিস্তানের দিকেই। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতে এলেন বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari)। তবে তাঁর এই ভারত সফরে খুব একটা লাভ হবে না-ই বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। কারণ, পাকিস্তানের যাবতীয় সিদ্ধান্তই নেয় সেনাবাহিনী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Jammu Kashmir: কাশ্মীরে মহিলাদের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে ভারত! ‘জবাবেরও অযোগ্য’, নস্যাৎ নয়াদিল্লির

    Jammu Kashmir: কাশ্মীরে মহিলাদের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে ভারত! ‘জবাবেরও অযোগ্য’, নস্যাৎ নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি (Jammu & Kashmir) নিয়ে ভারতকে কোণঠাসা করার মরিয়া চেষ্টা করল পাকিস্তান (Pakistan)। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক বিতর্কে পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাবল ভুট্টো জারদারি উপত্যকার শান্তিশৃঙ্খলার প্রসঙ্গ তুলে ভারতকে কাঠগড়ায় তুলতে চেষ্টা করেন। যদিও তাঁর অভিযোগ নস্যাৎ করে নয়াদিল্লি। রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ বলেন, ‘‘পাক বিদেশমন্ত্রীর ঘৃণ্য, ভিত্তিহীন মন্তব্য জবাব দেওয়ারই যোগ্য নয়।’’

    পাকিস্তানের দাবি খারিজ ভারতের

    রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিতর্কে’ জম্মু ও কাশ্মীরের প্রসঙ্গ তুলে বিলাবল অভিযোগ করেছিলেন, ভারতের রাষ্ট্রযন্ত্র কাশ্মীরের মহিলাদের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে! তারই জবাবে রুচিরা বলেন, ‘‘পরিকল্পনা মাফিক বিদ্বেষ ছড়াতে চাইছে পাকিস্তান।’’ সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমাগত ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে যাচ্ছেন বিলাবল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও নিশানা করেছেন তিনি।  ফেব্রুয়ারিতে পাক সরকার আয়োজিত ‘কাশ্মীর সংহতি দিবস’ কর্মসূচিতে ভারতকে আক্রমণ করে বিলাবল বলেন, “কাশ্মীরিদের নিজভূমেই একঘরে করে দেওয়া হয়েছে। কাশ্মীর উপত্যকায় পরিকল্পনামাফিক অন্যান্য রাজ্যের বাসিন্দাদের বসতি স্থাপনের সুযোগ করে দিচ্ছে ভারত সরকার। এর ফলে কাশ্মীরের ভূমিপুত্রদের অধিকার খর্ব হচ্ছে।’’

    আরও পড়ুন: কেষ্টকে জেরা করতে গঠন ৬ সদস্যের বিশেষ দল! কী কী প্রশ্ন করবে ইডি?

    জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাবল ভুট্টোর মন্তব্যের  তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয় ভারতের তরফে। মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘে ভারতের  প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ পাক মন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে কটাক্ষ করেন। পাক মন্ত্রী বিলাবল ভুট্টো ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ জম্মু কাশ্মীর নিয়ে যে মন্তব্য করেন, তা ভারতের তরফে খারিজ করা হচ্ছে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন রুচিরা। জম্মু কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান যে মিথ্যাচার করছে, তার জবাব দেওয়ার অযোগ্য বলে ভারত মনে করে। মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘে এমনই জানান ভারতের প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bilawal Bhutto Zardari: প্রধানমন্ত্রীকে ‘বেনজির’ আক্রমণ, বিলাওয়ালের কুশপুতুল পোড়াবে বিজেপি

    Bilawal Bhutto Zardari: প্রধানমন্ত্রীকে ‘বেনজির’ আক্রমণ, বিলাওয়ালের কুশপুতুল পোড়াবে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) বেনজির ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন বেনজির-পুত্র, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। পাক বিদেশমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের বিরুদ্ধে পথে নামছে বিজেপি। আজ, শনিবার দেশজুড়ে জানানো হবে প্রতিবাদ। পোড়ানো হবে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির কুশপুতুলও। প্রসঙ্গত, বিলাওয়াল প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও সে দেশের নিহত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে।

    বিজেপির কর্মসূচি…

    এদিনের কর্মসূচি নিয়ে বিজেপির তরফে জারি করা হয়েছে প্রেস বিজ্ঞপ্তি। তাতে বলা হয়েছে, দিল্লি সহ দেশের সবকটি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে এও বলা হয়েছে, বিজেপির কার্যকর্তারা পাকিস্তান ও পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর কুশপুতুল দাহ করবেন। এভাবেই পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করা হবে। শুক্রবার দিল্লিতে পাক হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তিকর মন্তব্য বিলাওয়াল ভুট্টোর, ‘অসভ্য’ বলল ভারত

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। সেখানেই তিনি বলেন, ওসামা বিন লাদেন নিহত হয়েছেন। কিন্তু গুজরাটের কসাই এখনও জীবিত। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঘটনাচক্রে এদিনই ছিল বাংলাদেশ যুদ্ধে ভারতীয় সেনার নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর বিজয় দিবস। এমন একটি দিনে আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিলাওয়ালের ওই মন্তব্যের জেরে দেশজুড়ে হয় সমালোচনা। এদিনই ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা হয় বিবৃতি। তাতে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, বিলাওয়ালের দাদু জুলফিকর আলি ভুট্টোর প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়ই পাকিস্তানে ধর্ষণ, হত্যালীলা চালিয়েছিল পাক সেনা।

    বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যে তাঁর মানসিক দেউলিয়াপনা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতা প্রকাশ পেয়েছে। পাকিস্তান এমন একটি দেশ যেটি ওসামা বিন লাদেনকে শহিদ হিসাবে মানে এবং লাখভি, হাফিজ সাইদ, মাসুদ আজহার, সাজিদ মীর এবং দাউদ ইব্রাহিমের মত সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্য তাদের দেশের মানের তুলনায় বেশ নিচু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bilawal Bhutto Zardari: কাশ্মীরে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মেনে নেব না, জার্মানিকে স্পষ্টবার্তা ভারতের

    Bilawal Bhutto Zardari: কাশ্মীরে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মেনে নেব না, জার্মানিকে স্পষ্টবার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) সমস্যার সমাধানের জন্য রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ দাবি করেছিল পাক সরকার। তাকে সমর্থন করে জার্মানিও (Germany)। যদিও সীমান্তপার সন্ত্রাস নিয়ে উচ্চবাচ্য করেনি দুই দেশই। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত। কাশ্মীর নিয়ে তৃতীয় পক্ষের অনধিকার চর্চা যে ভারত মেনে নেবে না, এদিন তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছে নয়াদিল্লি।

    সম্প্রতি যৌথভাবে সাংবাদিক বৈঠক করেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari) এবং জার্মানির বিদেশমন্ত্রী অ্যানালেনা ব্যায়েরবক। এই সাংবাদিক বৈঠকটি হয়েছি বার্লিনে। সেখানে জম্মু-কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের জন্য রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ দাবি করেছিল পাক সরকার। তাকে সমর্থন করে জার্মানি। অ্যানালেনা এও বলেন, কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে জার্মানির ভূমিকা ও দায়িত্ব রয়েছে। এর প্রেক্ষিতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত।

    আরও পড়ুন : ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    ভারতের হয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, তামাম বিশ্বের যেসব দেশ সিরিয়াস ও বিবেক সম্পন্ন তাদের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সোচ্চার হেওয়া প্রয়োজন। বিশেষত সীমান্তপার সন্ত্রাস (Cross-border Terrorism ) নিয়ে। ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীরে দশকের পর দশক ধরে চলে আসছে এমন সন্ত্রাস। এখনও চলছে। সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়েছেন বহু বিদেশি নাগরিকও। কেবল জম্মু-কাশ্মীরেই নয়, দেশের অন্যত্রও হানা দিচ্ছে সন্ত্রাসবাদীরা। মুম্বইয়ে ২৬/১১ হামলার নেপথ্যে যে পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীরা তা জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও এফএটিএফও। পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করেই ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, যখন কোনও রাষ্ট্র নিজের স্বার্থ বা উদাসীনতার কারণে কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তখন তারা শান্তি নয়, তার বিরুদ্ধে কাজ করে। এভাবে তারা সন্ত্রাসবাদের শিকার হওয়া মানুষদের প্রতি অবিচার করে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জার্মানির বিদেশমন্ত্রী কাশ্মীর নিয়ে যে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির (Bilawal Bhutto Zardari)  মন্তব্যকে সমর্থন করেছে, তা উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indo-Pak Relation: ভারতকে বন্ধু হিসেবে চায় পাকিস্তান! বেনজির-পুত্রের মন্তব্যে বরফ গলার ইঙ্গিত?

    Indo-Pak Relation: ভারতকে বন্ধু হিসেবে চায় পাকিস্তান! বেনজির-পুত্রের মন্তব্যে বরফ গলার ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়তে আগ্রহী পাকিস্তান (Pakistan)। সম্প্রতি একথা জানিয়েছেন সেদেশের বিদেশমন্ত্রী (Foreign Minister) বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। ইসলামাবাদের (Islamabad) একটি অনুষ্ঠানে বিলাওয়াল জানান, কাশ্মীর বিতর্ককে শেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি  করতে ইচ্ছুক তিনি। প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকাই শ্রেয় বলে মনে করেন বিলাওয়াল।

    ইসলামাবাদের ইনস্টিটিউট অফ স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (Institute of Strategic Studies) প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিলওয়াল বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সমস্যা রয়েছে। ভারত-পাকিস্তান সংঘাত দীর্ঘদিনের। কিন্তু, কাশ্মীর বিবাদে জড়িয়ে কিংবা ভারতের হিন্দুত্ববাদের সমালোচনা করে পাকিস্তানের কোনও লাভ হচ্ছে না। বরং কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কে ফাটল ধরায় সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।” বিশ্বের বিভিন্ন স্তরেও ভারতের সমালোচনা করে সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান। দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যে সম্পর্ক ভালো থাকলে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পাকিস্তান লাভবান হবে বলে মনে করছেন পাক বিদেশমন্ত্রী

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের কনিষ্ঠতম বিদেশমন্ত্রী হলেন বেনজির-পুত্র বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৭০ নম্বর ধারা (Article 370) প্রত্যাহার করে নেয় ভারত সরকার। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দিল্লির সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করে ইসলামাবাদ। যতদিন কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ভারত সরকার ফিরিয়ে না দিচ্ছে, ততদিন দুই দেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। কিন্তু ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে পাকিস্তান।

    বিলাওয়ালের মতে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে রাখা অর্থহীন। বিবাদকে দূরে সরিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পক্ষে মত  শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) সরকারের বিদেশমন্ত্রীর। কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে তিনি যে প্রস্তুত, তা-ও জানিয়েছেন। পাক বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে ভারতও। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সবসময়ই সুসম্পর্ক স্থাপনে উদ্যোগী ভারত। কিন্তু তার জন্য দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করতে নারাজ দিল্লি।

LinkedIn
Share