Tag: BJP manifesto

  • West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে আসছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল, সোমেই পেশ বিধানসভায়?

    West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে আসছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল, সোমেই পেশ বিধানসভায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারবারিদের হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ক্ষমতায় এসেছে প্রথম বিজেপি সরকার। সোমবার তারাই বিধানসভায় পেশ করতে পারে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল (UCC Bill)। নির্বাচনের আগে ‘সঙ্কল্পপত্রে’ (বিজেপির ইস্তেহারের নাম) দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই বিল আনতে উদ্যোগী হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পদ্ম-সরকার। বিলটি পাস হলে ধর্ম নির্বিশেষে রাজ্যের সমস্ত নাগরিকের জন্য বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, সম্পত্তির অধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং পারিবারিক আইন সংক্রান্ত একক আইন কার্যকর হবে।

    কী রয়েছে সম্ভাব্য ইউসিসি বিলে? (West Bengal)

    বিজেপি সূত্রে খবর, সম্প্রতি বিধানসভার বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি (BAC)-র বৈঠকে বিলটি পেশের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। শুভেন্দুর নেতৃত্বাধীন সরকার এই বিলকে তাদের অন্যতম বড় আদর্শগত পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছে। কী রয়েছে সম্ভাব্য ইউসিসি বিলে? যদিও বিলের চূড়ান্ত খসড়া এখনও প্রকাশ করা হয়নি, তবে সরকার ও দলীয় সূত্রে খবর, চারটি মূল বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সব ধর্মের মানুষের জন্য একই ন্যূনতম বৈধ বিয়ের বয়স নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি, ধর্ম নির্বিশেষে বিবাহের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকারের মতে, এতে দাম্পত্য সম্পর্কের আইনি স্বীকৃতি নিশ্চিত হবে এবং ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা কমবে।

    বহুবিবাহে নিষেধাজ্ঞা

    প্রস্তাবিত বিলে বহুবিবাহ (Polygamy) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপির দাবি, এই পদক্ষেপ আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিককে সমান মর্যাদা দেবে, এবং বিশেষ করে নারীদের আরও বেশি সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। উত্তরাধিকার, সম্পত্তির মালিকানা ও সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে সব ধর্মের নারীর সমান আইনি অধিকার দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। সরকারের দাবি, বিভিন্ন ব্যক্তিগত আইনের কারণে যে বৈষম্য তৈরি হয়, এই বিল তা দূর করতে সাহায্য করবে।

    লিভ-ইন সম্পর্কের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন

    সবচেয়ে আলোচিত প্রস্তাবগুলির মধ্যে রয়েছে লিভ-ইন সম্পর্কের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন। শুধু সম্পর্ক শুরু নয়, সম্পর্ক শেষ হলেও তা নথিভুক্ত করতে হতে পারে। সরকারের মতে, এতে ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাবকত্ব, উত্তরাধিকার বা ডিভোর্সের মতো মামলায় আইনি স্বচ্ছতা আসবে (West Bengal)। বর্তমানে বিভিন্ন ধর্মের জন্য আলাদা বিবাহবিচ্ছেদ আইন রয়েছে। নতুন বিলে ধর্মভিত্তিক নিয়মের পরিবর্তে সবার জন্য একক ডিভোর্স আইন চালুর প্রস্তাব রয়েছে, যাতে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই সমান আইনি অধিকার পান (UCC Bill)।

    এই বিলের প্রয়োজনীয়তা

    পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুর-সহ একাধিক জেলায় উল্লেখযোগ্যভাবে বসবাস করেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন। তাই ব্যক্তিগত আইন সম্পর্কিত এই বিল রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা সংশ্লিষ্টমহলের। সরকারের দাবি, এই আইন ধর্মকে লক্ষ্য করে নয়, বরং আইনের সমতা ও প্রশাসনিক একরূপতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির মতে, বিভিন্ন ধর্মের জন্য আলাদা ব্যক্তিগত আইন থাকায় নাগরিকদের মধ্যে আইনি বৈষম্য তৈরি হয়। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হলে সংবিধানের সমতার নীতি আরও শক্তিশালী হবে। দলের দাবি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশের মহিলারাও এই আইনের পক্ষে সহমত প্রকাশ করেছেন, কারণ এতে বিবাহ, সম্পত্তি ও বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তাঁদের আইনি অধিকার আরও সুদৃঢ় হবে। যদিও এই দাবির সত্যতা আলাদা করে যাচাই করা হয়নি।

    কী বলছেন সমালোচকরা

    সমালোচকদের মতে, ব্যক্তিগত আইন বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত। তাই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার আগে সব সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা এবং মতামত নেওয়া জরুরি। তাঁদের আশঙ্কা, এই আইন ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রশ্নে জন্ম দিতে পারে নয়া বিতর্কের (West Bengal)।

    জাতীয় প্রেক্ষাপট

    পশ্চিমবঙ্গ প্রথম নয়, এর আগে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করেছে উত্তরাখণ্ডের সরকার। অসম, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট-সহ একাধিক বিজেপি-শাসিত রাজ্যও এই একই ধরনের আইন আনার উদ্যোগ নিয়েছে (UCC Bill)। সোমবার বিধানসভায় বিলটি পেশ হওয়ার পর তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এরপর সংশোধনী ও ভোটাভুটির মাধ্যমে বিলের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বিল শুধু আইনগত নয়, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, সামাজিক কাঠামো এবং ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে (West Bengal)।

     

  • BJP: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির

    BJP: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। এতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি পরিবারের মহিলা প্রধানকে মাসিক ২,০০০ টাকা করে (Tamil Nadu Polls) ভাতা এবং প্রতিটি পরিবারকে এককালীন ১০,০০০ টাকা দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, বিজেপি এনডিএর অংশ হিসেবে এআইএডিএমকের সঙ্গে ২৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

    পদ্মশিবিরের প্রতিশ্রুতি (BJP)

    পদ্মশিবিরের প্রতিশ্রুতি, পোঙ্গল, তামিল পুথান্ডু এবং দীপাবলি এই তিন উৎসবে প্রত্যেক পরিবারকে বছরে তিনটি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে নিখরচায়। হিন্দুত্ব নীতির সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বিজেপি ঘোষণা করেছে, ভগবান মুরুগানের সম্মানে থাইপুসামকে রাজ্য উৎসব হিসেবে ঘোষণা করা হবে। তিরুপরাঙ্কুন্ড্রম পাহাড়চূড়ায় কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর ঐতিহ্য ফের চালু করা হবে, রক্ষা করা হবে এই অনুষ্ঠানের মর্যাদাকে। প্রসঙ্গত, বিচারপতি স্বামীনাথনের নির্দেশের পর এবার হতে যাচ্ছে এই অনুষ্ঠান। তিনি এখানে তিরুপরাঙ্কুন্ড্রম পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত দীপ স্তম্ভে আনুষ্ঠানিক প্রদীপ জ্বালানোর নির্দেশ দেন। এই বিষয়টি নিয়ে শাসক ডিএমকে এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি হয়। কারণ ডিএমকে অনুমতি দেয়নি, অথচ বিজেপি ভক্তদের প্রদীপ জ্বালানোর অধিকার দাবি করে। বিষয়টি আদালত অবমাননার মামলা পর্যন্ত গড়ায় এবং গত বছর সংসদেও প্রতিধ্বনিত হয়।

    রেল ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

    ইশতেহারে বিজেপি তামিলনাড়ুর রেল ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে (Tamil Nadu Polls) ন্যায্য দামে জমি অধিগ্রহণ, হাই-স্পিড রেল করিডর (চেন্নাই–বেঙ্গালুরু, চেন্নাই–হায়দরাবাদ), কোয়েম্বাটুর–তিরুপ্পুর–সেলেম আরআরটিএস, ভিল্লুপুরম–চেন্নাই সেমি-আর্বান রেল, হাইড্রো পাওয়ার ট্রেন প্রকল্প এবং চেন্নাইকে দিল্লি, মুম্বই ও কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করতে নয়া স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেন চালু করা (BJP)। মহিলাদের জন্য, দলটি অপরাধ মোকাবিলায় জিরো-এফআইআর ব্যবস্থা সহজ করা, ভিকটিম-সাক্ষী সুরক্ষা, বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত, বাস, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ শতাংশ সিসিটিভি নজরদারি এবং নির্ভয়া তহবিলের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মহিলা পরিচালিত সমবায়, স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG) ও এমএসএমই-কে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া এবং ২০ শতাংশ সরকারি ক্রয় কোটা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটকে আক্রমণ

    ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটকে আক্রমণ করে বিজেপির সভাপতি নৈনার নাগেন্দ্রন বলেন, “বিজেপির পক্ষ থেকে সবাইকে তামিল নববর্ষের শুভেচ্ছা। তামিলনাড়ুতে বর্তমানে এক স্বৈরাচারী, জনবিরোধী ও পরিবারতান্ত্রিক শাসন চলছে। আসন্ন নির্বাচনে ডিএমকেকে পরাজিত করতে এনডিএ জোট সরকার গঠন করবে। ডিএমকে তাদের কোনও প্রতিশ্রুতিই ঠিকঠাক পূরণ করেনি। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ও মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা বেড়ে যাওয়া তার উদাহরণ।” বিজেপির এই ইশতেহারের সঙ্গে মিল রয়েছে এআইএডিএমকের ইশতেহারেরও। ওই ইশতেহারেও মহিলা (BJP) পরিবার প্রধানদের মাসে ২০০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। রেশন কার্ডধারীরা চালের সঙ্গে ডাল এবং ফ্রিজ পাবেন (Tamil Nadu Polls)। পুরুষদের জন্যও বিনামূল্যে বাস পরিষেবা চালু করা হবে এবং নিখরচায় বছরে তিনটি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে।

     

LinkedIn
Share