Tag: bjp

bjp

  • Ghatal: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যকে কোমরে পিস্তল ঠেকিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে মারধর!

    Ghatal: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যকে কোমরে পিস্তল ঠেকিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে মারধর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির গ্রামপঞ্চায়েত সদস্যের কোমরে বন্দুক ঠেকিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তুলে নিয়ে যাওয়াই নয়, সেই সঙ্গে মারধরের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। এই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল (Ghatal) ব্লকের মনসুকা-১ গ্রামপঞ্চায়েতের খড়কপুর গ্রামে। যদিও বিজেপির অভিযোগকে পাল্টা তৃণমূল অস্বীকার করেছে।

    তৃণমূলে যোগদান করার হুমকি (Ghatal)!

    খড়কপুর গ্রামের (Ghatal) পঞ্চায়েত সদস্য সুভাষ মণ্ডল বলেছেন, “আমি আমার বাড়ির পাশের জমিতে কাজে গিয়েছিলাম। সেই সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতা আমার কোমরে একটা বন্দুক ঠেকিয়ে খাসবাড়ের তৃণমূল পার্টি অফিসে নিয়ে যায়। এরপর পার্টি অফিসেরর মধ্যে আমাকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। সেই সঙ্গে চলে লাথি, চড়, কিল, ঘুষি। অত্যাচারের পর একটি সাদা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়। তারপর কাগজে লেখা হয় চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষাধিক টাকা নিয়েছি। আমাকে অন্যায় ভাবে যারা মেরেছে সেখানে তৃণমূলের ৬ জন স্থানীয় নেতা প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিল। তাদের মধ্যে গঙ্গা কারকও ছিল। আমি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাবো। ওদের কড়া শাস্তির দাবি করি। তৃণমূলে যোগদান করার জন্যও আমাকে হুমকি দেওয়া হয়।” এই ঘটনার পর সেখান থেকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ওই ঘাটালের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ মাত্র সাত বছর বয়সেই এশিয়ার সেরা ‘ক্যারাটে কিড’ হুগলির আরাত্রিকা

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোলা এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ঘাটাল (Ghatal) তৃণমূল নেতা বিকাশ কর বলেছেন, “এই অভিযোগের কোনও বাস্তাব ভিত্তি নেই। বিজেপি সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলেছে। আমাদের পঞ্চায়েত বোর্ড ভালোভাবে কাজ করছে। একজন পঞ্চায়েত সদস্যকে জোর করে দলে নেওয়ার জন্য আমাদের অতো মাথা ব্যাথা নেই। কোনও রকম মারধর এবং অত্যচারের ঘটনাকে আমাদের দল আনুমোদন করে না। পুলিশকে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলব।”

    মনসুকা-১ গ্রাম (Ghatal) পঞ্চায়েতের মোট আসন ১৫। এখানে বিজেপি পেয়েছে ৪টি। বাকি ১১টি আসন দখল করেছে তৃণমূল। যদিও বিজেপির এক পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল যোগদান করেছেন। ফলে তৃণমূলের আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২টি এবং বিজেপির আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩টি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: নোয়াপাড়ায় তৃণমূল ছাত্রনেতার হাতে সেভেন এমএম পিস্তল! সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ছবি

    Barrackpore: নোয়াপাড়ায় তৃণমূল ছাত্রনেতার হাতে সেভেন এমএম পিস্তল! সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়ার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর পিস্তল হাতে ছবি সামজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা মাধ্যম যাচাই করেনি। কিন্তু কীভাবে হাতে এলো এই দেশি অস্ত্র? কোন প্রভাবশালী নেতা এই যুবকের পিছনে রয়েছেন? পুলিশ কেন গ্রেফতার করেনি? একাধিক প্রশ্ন উঠছে। ফলে বারাকপুরের (Barrackpore) রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে তীব্র চাপানউতোর তৈরি হয়েছে।

    অস্ত্র হাতে চোখেমুখে উল্লাস (Barrackpore)!

    সামজিক মাধ্যমে যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে দেখা যাচ্ছে, নোয়াপাড়া (Barrackpore) বিধানসভার প্রাক্তন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) কনভেনার শুভাশিস চক্রবর্তী হাতে একটি দেশি সেভেন এমএম আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। এই অস্ত্র হাতে নিয়ে চোখে মুখে ব্যাপক উল্লাসের চিত্র ধরা পড়েছে তাঁর। একই ভাবে তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক সহ একাধিক তৃণমূল নেতা এবং তৃণমূল ছাত্রপরিষদের নেতার সঙ্গে তাঁর ছবিও বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই অস্বস্তিতে পড়েছে স্থানীয় তৃণমূল দল।

    তৃণমূল করলেই অস্ত্র নেওয়ার ছাড়!

    এই বিষয় নিয়ে জেলা (Barrackpore) বিজেপি নেতৃত্বের দাবি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক। আবার প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেছেন, “তৃণমূল করলেই অস্ত্র নেওয়ার ছাড় রয়েছে। তৃণমূলকে পুলিশ সব রকম বেআইনি কাজের অনুমোদন দিয়ে রেখেছে। এই রাজ্যে স্কুল কলেজে পড়াশুনা হয় না। এই রাজ্যে আইনের শাসন নেই বললেই চলে। স্কুলে ১০০০ কোটি টাকার মিড ডে মিল কেলেঙ্কারি হয়েছে। দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ জামাল অট্টালিকায় থাকলেও মায়ের স্থান কুঁড়ে ঘরেই! অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলাও

    তৃণমূলের বক্তব্য সামজিক অবক্ষয়

    অপরদিকে ভাটপাড়া (Barrackpore) শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবজ্যোতি ঘোষ বলেছেন, “যদি কোনও দুষ্কৃতী হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে থাকে তার দায় তৃণমূল কংগ্রেস নেবেনা। আইন আইনের পথে চলবে। প্রশাসনকে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলব। সবটাই সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র মাত্র।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CESC Bill Hike: চড়া হারে বিদ্যুতের বিল! প্রতিবাদে সভা করতে চেয়ে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি

    CESC Bill Hike: চড়া হারে বিদ্যুতের বিল! প্রতিবাদে সভা করতে চেয়ে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে লাগাম ছাড়া বিদ্যুৎ বিল (CESC Bill Hike)। এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে এবার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভা করতে চায় বঙ্গ বিজেপি। বৃহস্পতিবার সেই সভার অনুমতির দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করলেন উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ (BJP in Calcutta High Court)। শুক্রবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের এজলাসে মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    তমোঘ্ন ঘোষের বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে তমোঘ্ন ঘোষের বক্তব্য, ”চড়া হারে বিদ্যুতের বিল (CESC Bill Hike) আসছে। একতরফা ভাবে সিইএসসি গ্রাহকদের থেকে বেশি টাকা নিচ্ছে। তার প্রতিবাদে মিছিল, বিক্ষোভ কর্মসূচি করবে বিজেপি। কিন্তু আবেদন করা সত্ত্বেও পুলিশ সেই অনুমতি দিচ্ছে না। অনুমতি না দিয়ে বিজেপির আবেদন ঝুলিয়ে রেখেছে।” এরপর বৃহস্পতিবার বিজেপিকে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।   

    শুভেন্দু অধিকারীর দাবি 

    কলকাতায় চুপিসারে বিদ্যুতের বিল (CESC Bill Hike) বাড়াচ্ছে সিইএসসি, এমন গুরুতর অভিযোগ আগেই করেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি ছিল, বিগত কয়েক মাস ধরে অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুতের বিল বাড়ানো হচ্ছে কলকাতায়। মূলত ভোটের মধ্যে কোথাও দ্বিগুণ বা তিনগুণ হারে বিল বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই বিষয় নিয়ে হাইকোর্টে (BJP in Calcutta High Court) মামলা দায়ের করেছেন তমোঘ্ন ঘোষ। 

    আরও পড়ুন: নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রভাব কতটা? প্রমাণ মিললে তবেই রি-টেস্ট, জানাল শীর্ষ আদালত

    ২১ জুলাইয়ের পরের দিনই প্রতিবাদ সভা করতে চায় বিজেপি 

    প্রসঙ্গত, ২১ জুলাই (রবিবার) তৃণমূলের ‘শহিদ সমাবেশ’ কর্মসূচি রয়েছে ধর্মতলা চত্বরে, এই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই। আর তার পরের দিনই ওই স্থানে সভা করতে চায় বিজেপি। অর্থাৎ বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির (CESC Bill Hike) প্রতিবাদে ২২ জুলাই বিজেপির প্রতিবাদ মিছিল। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের বিজেপি দফতর থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি বিজেপির। যদিও শুক্রবার আদালতে মামলাটির শুনানির পরেই চূড়ান্ত হবে সিদ্ধান্ত।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘সংরক্ষণ বিল পেশে ব্যর্থ হলে কর্নাটক ফুঁসবে’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি পদ্মের

    BJP: ‘সংরক্ষণ বিল পেশে ব্যর্থ হলে কর্নাটক ফুঁসবে’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি পদ্মের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বেসরকারি সংস্থায় কন্নড়ভাষীদের নিয়োগ সংরক্ষণের বিল (Job Reservation Bill) বিধানসভায় পেশ করতে ব্যর্থ হলে কর্নাটকবাসীর ক্রোধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারকে।” বৃহস্পতিবার এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছে সে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি (BJP)। শিল্প, কারখানা এবং অন্যান্য সংস্থান বিল, ২০২৪-এ স্থানীয় প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউ-টার্ন নেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়ার তীব্র সমালোচনা করে পদ্ম শিবির।

    বেসরকারি চাকরিতে কন্নড়ভাষীদের জন্য সংরক্ষণ! (BJP)

    বেসরকারি চাকরিতে কন্নড়ভাষীদের সংরক্ষণের জন্য নয়া আইন চালুর ইঙ্গিত দিয়েছিল কর্নাটক সরকার। বুধবারই এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এ সংক্রান্ত একটি পোস্টও করেছিলেন। লিখেছিলেন, “কর্নাটকে ‘সি’ এবং ‘ডি’ গ্রুপের একশো শতাংশ সরকারি চাকরিই কন্নড়ভাষীদের জন্য সংক্ষরণ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরে পরেই বেসরকারি চাকরিতে স্থানীয়দের সংরক্ষণের জন্য নয়া আইন চালুর ইঙ্গিত দেন সে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ লাড। তিনি জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত বিলে বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য ৭০ শতাংশ কর্মী ও ৫০ শতাংশ আধিকারিকের পদ কন্নড়ভাষীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা বাধ্যতামূলক করা হবে। শ্রমমন্ত্রী বলেছিলেন, “মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব পাশ হয়েছে। বিলটি শীঘ্রই পেশ করা হবে বিধানসভায়।”

    পিছু হটল রাজ্য সরকার 

    মুখ্যমন্ত্রীর এই পোস্ট এবং পরে শ্রমমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেই শোরগোল শুরু (BJP) হয় রাজ্যে। কর্নাটকের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের মারাঠিভাষী অঞ্চল এবং পূর্বের তেলগুপ্রধান অঞ্চল থেকে আসে বিক্ষোভের খবর। আপত্তি তোলেন কর্পোরেট সংস্থার কর্তারা। তার জেরেই পিছু হটে রাজ্য সরকার। তড়িঘড়ি পোস্টটি মুছে দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, বিধানসভায় পেশ করার আগে আরও একবার বিলটি নিয়ে পর্যালোচনা করবে রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই টাস্ক ফোর্সের, কবুল ‘নিধিরাম’দের

    কংগ্রেস সরকার পিছু হটায় হাত শিবিরকে নিশানা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিওয়াই বিজয়েন্দ্র। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “কন্নড়ভাষীদের চাকরি দিতে কেন বিলটি নিয়ে এসেছিলেন? কেনই বা সেটি স্থগিত করে দিলেন? কন্নড়ভাষীদের জীবন নিয়ে কেন ছিনিমিনি খেলছেন? কন্নড়ভাষীদের অপমান করার কোনও প্রয়োজন কি ছিল? সরকার কন্নড়ভাষীদের জন্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিলটি পেশ করুক। বিলটি নিয়ে গ্রামাঞ্চলে লাখ লাখ কর্মপ্রার্থী আশায় বুক বেঁধেছিলেন। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা চাকরি পাননি। তাই বিলটি পেশ না করা হলে জনগণের ক্রোধের মুখোমুখি হতে হবে রাজ্য সরকারকে।” বিল স্থগিত করে দেওয়ার বিষয়টিকে ‘কাপুরুষোচিত’ বলেও উল্লেখ করেন এই পদ্ম-নেতা। বিষয়টিকে (Job Reservation Bill) ‘নাটকবাজি’ বলে উল্লেখ করেছেন বিজেপি (BJP) নেতা সিটি রবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ভোটে জিতেই নবান্নে যাবে বিজেপি, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ভোটে জিতেই নবান্নে যাবে বিজেপি, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জোর করে রাজ্য অধিকার করবে না বিজেপি (BJP)। পেছনের দরজা দিয়েও নয়। ভোটে জিতেই নবান্নে যাওয়া হবে।” বুধবার কথাগুলি বললেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার কলকাতার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বিজেপির বর্ধিত প্রদেশ কার্যকারিণী বৈঠকে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখানেই দলের লক্ষ্য সম্পর্কে জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    ভোট লুটের অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    লোকসভার পাশাপাশি বিধানসভার উপনির্বাচনেও এ রাজ্যে আশানুরূপ ফল করেনি বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের এই ফলের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, “বাংলায় গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত। গণতন্ত্র রক্ষা করার দায় রয়েছে। সংবিধান রক্ষা করতে হবে রাজ্যে।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোট লুট করেছে। ভোটার স্লিপ নিয়ে ভোট দিতে যাওয়া হয়েছে। এপিক দেখানো হয়নি। হিন্দুদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। বহু জায়গায় হিন্দুরা ভোট দিতে পারেনি।” রাজ্যে উপদ্রুত আইন তৈরির দাবিও জানান শুভেন্দু। বলেন, “উপদ্রুত এলাকা আইন কার্যকর করে গুন্ডাদের ভোটের দিন বাড়িতে আটকে রাখতে চাই।”

    কী বললেন শুভেন্দু?

    তিনি বলেন, “বিজেপি বাংলায় অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে ২ কোটি ৩৩ লাখ ভোট পেয়েছে। তৃণমূলের জিহাদি জঙ্গিরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ২০১৯ সালের পর বুথস্তরের সংগঠনকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল।” আরও (Suvendu Adhikari) বলেন, “এক লক্ষের বেশি আমাদের বুথে বসা ছেলে পালিয়ে গিয়েছিল রাজ্য ছেড়ে। পরে আমরা তাদের রাজ্যে ফিরিয়ে এনেছি।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমরা নবান্ন অভিযান সফল করেছি। বিধানসভার ভিতরে-বাইরে লড়াই করেছি।”

    আরও পড়ুন: মাতৃভাষায় মিলবে পড়াশোনার রসদ, ‘অস্মিতা’ প্রকল্প চালু ইউজিসি-র

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “আমায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট সময় দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানিয়ে এসেছি, কীভাবে বাংলাকে বাঁচানো যায়। ২০২৬ সালের নির্বাচনেও দেখবেন ওরা আমাকেও ভোট দিতে দেবে না। কারণ আমি হিন্দু। ভোটের দিন আমার বাড়ির সামনে পঞ্চাশ জন জিহাদি বসে থাকবে।” তিনি বলেন, “বাংলার ভয়ঙ্কর অবস্থা। ভাঙড়ে দু’টি অঞ্চলের হিন্দুকে ভোট দিতে দেয়নি শওকত মোল্লা।” শুভেন্দু বলেন, “এখনই না জাগলে পশ্চিমবঙ্গ (BJP) আর ভারতে থাকবে না (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Siliguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়ির ফুটপাথ দখল করছেন মেয়র! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    Siliguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়ির ফুটপাথ দখল করছেন মেয়র! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে শিলিগুড়িতে ফুটপাথ দখল করে দোকান বসানোর অভিযোগ উঠল খোদ শহরের মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেবের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ফুটপাথ দখলমুক্ত করার অভিযান শুরু হয়েছে। সেখানে শিলিগুড়ির (Siliguri) গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা স্টেশন ফিডার রোডে ফুটপাথ ফুড লেন তৈরির নিয়ে বিতর্কে মেয়র। এক্ষেত্রেও কাটমানির অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা টাকার বিনিময়ে এই স্টল বিক্রি করছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

    কেন বিতর্ক? (Siliguri)

    মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো শিলিগুড়িতেও (Siliguri) পুরসভা শহরের বেশ কিছু জায়গায় ফুটপাথ সরানো হয়েছে। এনিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবসা করে আসা গরিব মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। একদিকে গরিব মানুষ বেকার করে দেওয়া, অন্যদিকে ফুটপাথে ফুডলেন বানানো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য করার অভিযোগে বিতর্কে জড়িয়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

      স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও প্রতিবাদে সরব

    শিলিগুড়ি (Siliguri) শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা স্টেশন ফিডার রোড। এই রাস্তাতেই রয়েছে দমকল কেন্দ্র, একাধিক স্কুল, শিলিগুড়ি থানা। এহেন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ফুটপাথে ফুডলেন তৈরি করতে ২২ টি স্টল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভা। সেই মতো ২২ টি চলমান স্টলও আনা হয়েছে। সেই স্টল বসাতে গিয়ে কার্যত বিক্ষোভ ও প্রতিরোধের মুখে পড়েন মেয়র। ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা ফুটপাথ ছেড়ে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এখানে দোকান করে আসছি।  এখন সেখানে ২২ টি স্টল বসিয়ে ফুডলেন করা হলে আমাদের দোকান আড়ালে চলে যাবে। ব্যবসা মার খাবে। ফুডলেনের জন্য অযথা যানজটে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে। এর প্রতিবাদ জানাতে আমরা একদিন ওই এলাকার ব্যবসা বনধ রেখেছিলাম। তাতে সাময়িক পিছু হটলেও এখানে ফুডলেন করার সিদ্ধান্তে অনড় মেয়র। এবার ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন।

    ফুডলেনের নামে চলছে তৃণমূলের কাটমানির খেলা!

    শিলিগুড়ির (Siliguri) বিজেপির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, এই ফুড স্টল বসানোর উদ্যোগে শিলিগুড়ি পুরসভা মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ নিয়ে কার্যত দ্বিচারিতা করছে। একদিকে ফুটপাথ দখলমুক্ত করা হচ্ছে গরিব মানুষকে পথে বসিয়ে,আর একদিকে ফুডলেন তৈরির নামে ফুটপাথে স্টল বসানো হচ্ছে। ফুডলেন করতে হলে অন্য কোথাও ফাঁকা জায়গায় করা যেত। আসলে এই দোকান বসানোর পিছনে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতাদের মোটা টাকার খেলা রয়েছে। গরিব মানুষকে পথে বসিয়ে  ফুটপাথ দখলমুক্ত করার চেয়ে সবার আগে বন্ধ করা উচিত জাতীয় সড়কের  ধারে বিভিন্ন জায়গায় নয়ানজুলি বুজিয়ে পেট্রল পাম্প, হোটেল তৈরি করা।  তৃণমূল নেতাদের মদতে এসব চলছে। 

      শিলিগুড়ির মেয়র কী বললেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা তথা শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, ফুডলেন করা নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশে অনেকেই অনেক অভিযোগ করছেন। আমি রাজ্য সরকারকে জানিয়েই এই ফুডলেন তৈরি করছি। সব কাজ স্বচ্ছতার সঙ্গে হচ্ছে। ২২ টি স্টল সবার সামনে লটারির মাধ্যমে বন্টন করা হবে। কাটমানির কোনও প্রশ্ন নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sonarpur: চোপড়ার ছায়া সোনারপুরে, জেসিবির পর তৃণমূল নেতা জামাল, পায়ে শিকল বেঁধে মহিলাকে অত্যাচার!

    Sonarpur: চোপড়ার ছায়া সোনারপুরে, জেসিবির পর তৃণমূল নেতা জামাল, পায়ে শিকল বেঁধে মহিলাকে অত্যাচার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার ছায়া যেন সোনারপুরে (Sonarpur)! সালিশি সভায় ডেকে মহিলাদের বাড়িতে নিয়ে তালিবানি কায়দায় শিকল দিয়ে বেঁধে, পাশবিক অত্যাচার করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কর্মী জামালউদ্দিন সর্দারের বিরুদ্ধে। অন্যের জমি হাতিয়ে প্রাসাদের মতো বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলে অভিযোগ। এই এলাকার প্রতাপনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাঙ্গুরে বাড়ি এই তৃণমূল কর্মীর। কোনও কাজ না করে কীভাবে এই সুবিশাল বাড়ি বানিয়েছেন তিনি, সেই প্রশ্নও রয়েছে এলাকাবাসীর মনে। ‘সালিশ কি সফা’ করে এক মহিলাকে বাড়িতে ডেকে নির্মম অত্যাচার করেছেন এই তৃণমূল কর্মী। এরপর এই নির্যাতিতা মহিলার পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। বিজেপি নেত্রীকে কাছে পেয়ে সাহস পেলেন এলাকাবাসীও। এরপর মহিলা শোনালেন সেই নির্মম অত্যাচারের বিবরণ।

    ভয় দেখিয়েই এলাকায় শাসন কায়েম (Sonarpur)!

    নির্যাতিতা মহিলা রশিদা বিবি এই তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে বলেছেন, “এলাকায় (Sonarpur) জমিজমা কেনাবেচা, দাম্পত্য কলহ থেকে পারিবারিক সমস্যা সবকিছুরই সমাধান করে থাকেন জামাল। তাঁর হাত ছাড়া কোনও কাজ হয় না। আমাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন। তাঁর বাড়ির মধ্যে মেঝেতে জায়গায় জায়গায় শিকল বাঁধার স্থান করা আছে। কখনও কখনও আবার বেঁধে উপর থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হতো। সেই সঙ্গে চলত মারধর। সোনারপুর থানার পুলিশের সঙ্গেও তাঁর বিরাট ভালো সম্পর্ক। সেই ভয় দেখিয়েই এলাকায় শাসন কায়েম করতেন জামাল। বাড়িতেই সালিশি সভা বসিয়ে তিনি বিচার করতেন। যারা তাঁর প্রস্তাবে রাজী হত না, তাদের উপর অত্যাচার চালানো হতো। এলাকার কোনও মহিলারাই তাঁর অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পায়নি।”

    শেখ শাহজাহানের উত্তরসূরী শেখ জামাল

    বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাকের সামনে এই ভাবের মহিলাদের উপর তালিবানি কায়দায় অত্যাচার করা হচ্ছে আর তিনি চুপ! শেখ শাহজাহানের উত্তরসূরী শেখ জামাল। এলাকায় দুর্নীতি করে লোকের জমি দখল করে মানুষের উপর অত্যচার করছেন তিনি। পুলিশ সব জেনে শুনেও চুপ। বাড়ির (Sonarpur) মহিলাদের তুলে নিয়ে শেকল দিয়ে বেঁধে অত্যাচার করা হয়েছে। এই রাজ্যে নারী সুরক্ষা বলে কিছু নেই। এই এলাকার বিজেপি কর্মীদের উপর ভোট পরবর্তী হিংসার নায়ক এই জামাল। অবিলম্বে কঠোর শাস্তি চাই এই তৃণমূল (TMC) কর্মীর বিরুদ্ধে।”

    আরও পড়ুনঃ ভাঙড়ে চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুনের নেপথ্যে শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠরা, বলছেন স্থানীয়রা

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Sonarpur) তৃণমূল (TMC) বিধায়ক লাভলী মৈত্র মৌখিক ভাবে জানিয়েছেন, “জামাল সর্দার তৃণমূলের কেউ নন। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। প্রশাসনকে বলব ব্যবস্থা নিতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhangar: ভাঙড়ে চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুনের নেপথ্যে শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠরা, বলছেন স্থানীয়রা

    Bhangar: ভাঙড়ে চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুনের নেপথ্যে শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠরা, বলছেন স্থানীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ে (Bhangar) চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুনের ঘটনা ঘটেছিল। পুলিশ দুই জনকে গ্রেফতারও করেছে। উল্লেখ্য সিসিটিভি ফুটেজে মারধরের ঘটনায় তাদের দেখা গিয়েছে। এবার স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, ভাঙড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির লোকজন এই গণপিটুনির ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠ। গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে খুনের ঘটনা ঘটেছে।

    উল্লেখ্য, তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান থেকে শুরু করে চোপড়ার জেসিবি, কামারহাটির জয়ন্ত সিং-এর মতোই ভাঙড়েও তৃণমূল নেতাদের দৌরাত্ম্যের চিত্র আরও একবার সামনে উঠে এসেছে। রাজ্যের শাসক দলের দুষ্কৃতীদের পুলিশ প্রশাসনের একাংশ সংরক্ষণ দেয় বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।

    বেঁধে মারধর করা হয়েছিল (Bhangar)!

    স্থানীয় ব্যক্তি কলিম শেখ গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনায়, তৃণমূল নেতাদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ তুলে বলেছেন, “ঘটনা ঘটেছিল ৭ জুলাই, মৃতের নাম আজগর মল্লিক। ভাঙড় (Bhangar) থানার অন্তর্গত ফুলবাড়ি এলাকার বাসিন্দা তিনি। ভাঙড় বাজার এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে চুরির ঘটনা বেড়ে গিয়েছিল। চোর সন্দেহে তাঁকে প্রথমে বেঁধে রাখা হয়। এরপর স্থানীয় বাজার সমিতির শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতারা তাঁকে মারধর করে। এরপর নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়, ঠিক তারপর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হাতেই এই ভাবে একজনকে অকালে মরতে হল।”

    ফের চোর সন্দে গণপিটুনির ভিডিও ভাইরাল

    ভাঙড়ে (Bhangar) চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যুর পর ছেলে ধরা সন্দেহে এবার ফের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তবে ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। এই ঘটনাটি ঘটেছিল ৯ জুলাই মঙ্গলবার, ভাঙড় এক নম্বর ব্লকের পেরানগঞ্জ অঞ্চলের সাইআইটি এলাকায়। মূল অভিযোগ, ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের বানিয়ারা এলাকার এক ব্যক্তি মহিবুল মোল্লা, তাঁর বোনের বিবাহর জন্য ঘোষপুর এলাকার এক ঘটকের সঙ্গে ছেলে দেখতে গিয়েছিলেন। সেই সময় ওই এলাকার একটি ক্লাবের সামনে একটি গাছের তলায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আর সেই সময় কিছু মানুষ তাঁকে ছেলে ধরা সন্দেহে আটকে রাখে। এরপর এলাকার তৃণমূলের বুথের সেক্রেটারি শেখ হাবিব (পলাশ) সহ বেশ কয়েকজন এসে বেধড়ক মারধর করে। এই দৃশ্যের ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। তবে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান আহত মহিবুল মোল্লার ভাই সাইদুর রহমান মোল্লা। এরপর তাঁকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। তবে এখনও পর্যন্ত ভাঙড় থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। অন্যদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুনঃ সিঙ্গুরে যেন উলট পুরাণ! অনাবাদি জমিকে চাষের যোগ্য করে বাকি অংশে শিল্প চান তৃণমূল নেতা

    বিজেপির বক্তব্য

    এই বিষয় যাদবপুর সংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি মনোরঞ্জন জোয়ারদার বলেছেন, “শুধু ভাঙড় (Bhangar) নয় গোটা রাজ্যজুড়েই এই ভাবেই চলছে তৃণমূল নেতাদের দাদাগিরি। দিনের পর দিন এখানে পুলিশ প্রশাসন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। বিরোধীদের মিথ্যে মামলা দিচ্ছে পুলিশ আর তৃণমূলের গুন্ডাদেরকে সহায়তা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: সরকারি দফতরে তৃণমূলের মদতে নির্বিচারে কাটা পড়ল গাছের ডাল, প্রতিবাদে বিজেপি

    Nadia: সরকারি দফতরে তৃণমূলের মদতে নির্বিচারে কাটা পড়ল গাছের ডাল, প্রতিবাদে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের বিডিও অফিসের ক্যাম্পাসের মধ্যে রয়েছে ফুটবল খেলার মাঠ। এই খেলার মাঠের চারিদিকে রয়েছে বড় বড় আমগাছ। সেই আম গাছের ডাল নির্বিচারে কাটা হয়েছে । এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে অরণ্য সপ্তাহ চলছে। অরণ্য সপ্তাহ পালনের মধ্যে এইভাবে ব্লক প্রশাসনের ভিতর যেভাবে গাছের ডালগুলি কাটা হয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এলাকায়। তৃণমূলের (Trinamool Congress) মদতেই এসব হয়েছে। এমনই অভিযোগ বিজেপির।

    কাটমানি নিয়ে গাছ চুরির অনুমতি! (Nadia)

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাঠ পরিষ্কারের নামে যেভাবে কৃষ্ণগঞ্জের (Nadia) বিডিও অফিস চত্বরে গাছগুলির ডাল কাটা হয়েছে, এটা কখনও কাম্য নয়। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা তথা বিশিষ্ট আইনজীবী অমিত প্রামাণিক বলেন, কীভাবে অফিস ক্যাম্পাসের মধ্যে গাছগুলিকে কাটা হয়েছে, বন দফতর কীভাবে গাছগুলি ন্যাড়া করার অনুমতি দেয়। না আদৌ এই ন্যাড়া করার পিছনে অন্য কারণ লুকিয়ে আছে? তিনি আরও বলেন, তৃণমূল সরকারের আমলে কয়লা চুরি, বালি চুরি, চাকরি চুরির পর এবার গাছ চুরির ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল নেতারা কাটমানি নিয়ে গাছ চুরির অনুমতি দিয়েছে। আমাদের দাবি, ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    প্রতিবাদে সরব পরিবেশপ্রেমী

    পরিবেশপ্রেমী (Nadia) স্বপন কুমার ভৌমিক বলেন, কোনও অবস্থাতেই এইরকমভাবে ফলন্ত গাছের ডাল কাটা যায় না। গাছের ডাল যেভাবে কাটা হয়েছে, কয়েকদিনের মধ্যেই অধিকাংশ গাছ মারা যাবে। প্রতিবছর টেন্ডারের মাধ্যমে বিডিও অফিস থেকে এই আম গাছগুলির ফল বিক্রি করা হয় অর্থাৎ লিজ দেওয়া হয়। যে বা যারা এই গাছের ডাল নির্মমভাবে কাটার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন তদন্ত করে করে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেত্রী তথা কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাকলি দাস বলেন, মাঠের সৌন্দর্যায়নের জন্য গাছের ডাল কাটা হয়েছে। বিজেপির লোকেরা উন্নয়ন দেখতে পান না বলেই তাঁরা এই সমস্ত অভিযোগ করছেন। যে ডালগুলি কাটা হয়েছে, সেগুলি আইন মাফিক করা হয়েছে। গাছের কাটা ডাল টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার উল্টোরথের অনুষ্ঠানে যোগদান করে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। হাওড়ার সাঁকরাইলের নবঘরায় তিনি বলেছেন, “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে।” তবে তাঁর এই ভাষণের সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    রথযাত্রার দিনেই রাজ্যে তৃণমূলের (TMC) চলা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এরপর একাধিক বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন। তিনি বলেছেন, “যদু বংশ ধ্বংসের সময় মুষল পর্ব শুরু হয়েছিল। তৃণমূলেও তাই শুরু হয়েছে। এই ভাবেই তাঁদের দল শেষ হয়ে যাবে।” শুধু তাই নয় এই বর্ষায় সবজির দাম বৃদ্ধি নিয়ে মমতার সরকারে সমালোচনা করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন, “দেশের বিভিন্ন রাজ্য পেট্রোপণ্যের দাম কমিয়েছে। আর বাংলায় তৃণমূল সরকার অতিরিক্ত কর বসিয়েছে। গ্রাম থেকে সবজি, আনাজ, ফল গাড়িতে করে শহরে আসে। ফলে জ্বালানির দাম না কমালে সবজির দাম কমবে না, লোক দেখানো টাস্ক ফোর্স দিয়েও কমবে না।”

    আরও পড়ুনঃ রথে চড়ে তারাপীঠ ঘুরলেন মা-তারা, কেন মন্দিরের বাইরে বের হন দেবী?

    উপনির্বাচনে ব্যাপক রিগিং করেছে তৃণমূল!

    এদিন এই সভা থেকে রাজ্যে চার আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেছেন, “তৃণমূল (TMC) উপনির্বাচনে ব্যাপক ভাবে রিগিং করেছে। মাত্র এক মাস আগেই লোকসভার ভোটে যে কেন্দ্রগুলিকে বিজেপি এগিয়ে ছিল, সেখানে তৃণমূল কোন কাজ করল যে মানুষ এতো পরিমাণে ভোট দিল! এটা সম্পূর্ণ ভাবে রিগিং এবং ছাপ্পার ফলাফল। আগে হুগলির আরামবাগে সিপিএম নেতা অনিল বসু তিন-চার লাখ ভোটে জিতে মমতাকে পশ্চাৎদেশ দেখিয়ে ছিলেন। আজ সেই অনিল বসু এবং সিপিএমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তৃণমূলের অবস্থা আরও খারাপ হবে। না হলে এক একটি বুথে বিজেপি মাত্র ২-৩টি করে ভোট পায়? আগে সিপিএম যা করেছে, তৃণমূল এখন তাই করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share