Tag: bjp

bjp

  • BJP: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির

    BJP: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। এতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি পরিবারের মহিলা প্রধানকে মাসিক ২,০০০ টাকা করে (Tamil Nadu Polls) ভাতা এবং প্রতিটি পরিবারকে এককালীন ১০,০০০ টাকা দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, বিজেপি এনডিএর অংশ হিসেবে এআইএডিএমকের সঙ্গে ২৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

    পদ্মশিবিরের প্রতিশ্রুতি (BJP)

    পদ্মশিবিরের প্রতিশ্রুতি, পোঙ্গল, তামিল পুথান্ডু এবং দীপাবলি এই তিন উৎসবে প্রত্যেক পরিবারকে বছরে তিনটি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে নিখরচায়। হিন্দুত্ব নীতির সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বিজেপি ঘোষণা করেছে, ভগবান মুরুগানের সম্মানে থাইপুসামকে রাজ্য উৎসব হিসেবে ঘোষণা করা হবে। তিরুপরাঙ্কুন্ড্রম পাহাড়চূড়ায় কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর ঐতিহ্য ফের চালু করা হবে, রক্ষা করা হবে এই অনুষ্ঠানের মর্যাদাকে। প্রসঙ্গত, বিচারপতি স্বামীনাথনের নির্দেশের পর এবার হতে যাচ্ছে এই অনুষ্ঠান। তিনি এখানে তিরুপরাঙ্কুন্ড্রম পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত দীপ স্তম্ভে আনুষ্ঠানিক প্রদীপ জ্বালানোর নির্দেশ দেন। এই বিষয়টি নিয়ে শাসক ডিএমকে এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি হয়। কারণ ডিএমকে অনুমতি দেয়নি, অথচ বিজেপি ভক্তদের প্রদীপ জ্বালানোর অধিকার দাবি করে। বিষয়টি আদালত অবমাননার মামলা পর্যন্ত গড়ায় এবং গত বছর সংসদেও প্রতিধ্বনিত হয়।

    রেল ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

    ইশতেহারে বিজেপি তামিলনাড়ুর রেল ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে (Tamil Nadu Polls) ন্যায্য দামে জমি অধিগ্রহণ, হাই-স্পিড রেল করিডর (চেন্নাই–বেঙ্গালুরু, চেন্নাই–হায়দরাবাদ), কোয়েম্বাটুর–তিরুপ্পুর–সেলেম আরআরটিএস, ভিল্লুপুরম–চেন্নাই সেমি-আর্বান রেল, হাইড্রো পাওয়ার ট্রেন প্রকল্প এবং চেন্নাইকে দিল্লি, মুম্বই ও কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করতে নয়া স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেন চালু করা (BJP)। মহিলাদের জন্য, দলটি অপরাধ মোকাবিলায় জিরো-এফআইআর ব্যবস্থা সহজ করা, ভিকটিম-সাক্ষী সুরক্ষা, বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত, বাস, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ শতাংশ সিসিটিভি নজরদারি এবং নির্ভয়া তহবিলের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মহিলা পরিচালিত সমবায়, স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG) ও এমএসএমই-কে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া এবং ২০ শতাংশ সরকারি ক্রয় কোটা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটকে আক্রমণ

    ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটকে আক্রমণ করে বিজেপির সভাপতি নৈনার নাগেন্দ্রন বলেন, “বিজেপির পক্ষ থেকে সবাইকে তামিল নববর্ষের শুভেচ্ছা। তামিলনাড়ুতে বর্তমানে এক স্বৈরাচারী, জনবিরোধী ও পরিবারতান্ত্রিক শাসন চলছে। আসন্ন নির্বাচনে ডিএমকেকে পরাজিত করতে এনডিএ জোট সরকার গঠন করবে। ডিএমকে তাদের কোনও প্রতিশ্রুতিই ঠিকঠাক পূরণ করেনি। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ও মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা বেড়ে যাওয়া তার উদাহরণ।” বিজেপির এই ইশতেহারের সঙ্গে মিল রয়েছে এআইএডিএমকের ইশতেহারেরও। ওই ইশতেহারেও মহিলা (BJP) পরিবার প্রধানদের মাসে ২০০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। রেশন কার্ডধারীরা চালের সঙ্গে ডাল এবং ফ্রিজ পাবেন (Tamil Nadu Polls)। পুরুষদের জন্যও বিনামূল্যে বাস পরিষেবা চালু করা হবে এবং নিখরচায় বছরে তিনটি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে।

     

  • Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে বিরাট রোডশো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই শোয়ে সমর্থকদের ঢল নেমেছিল, চারিদিকে কেবল গেরুয়া রঙের ছটা। বস্তুত (Amit Shah), এদিন দুর্গাপুর হয়ে গিয়েছিল “গেরুয়া বাংলা…”। এর আগে ময়ূরেশ্বরের পল্লীমঙ্গল ক্লাব মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেন। আরজিকর ধর্ষণ মামলার পরে মহিলাদের সন্ধ্যা ৭টার পরে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনি তৃণমূল সরকারকে মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করেন (Paschim Bardhaman)।

    ‘বিকল্প বিজেপিই’ (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “মমতা দিদি বলছেন মহিলারা যেন সন্ধ্যা ৭টার পর বাইরে না বেরোন। আপনি নিজে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও বাংলার বোনদের রক্ষা করতে পারলেন না—এটা লজ্জার বিষয়।” বিজেপিকে বিকল্প হিসেবে তুলে ধরে শাহ বলেন, “একবার বিজেপি সরকার গঠন করুন, আমরা এমন বাংলা গড়ব যেখানে একটি ছোট মেয়েও রাত ১টায় স্কুটার নিয়ে বেরোতে পারবে। সন্দেশখালি, আরজি কর, দুর্গাপুর ল’ কলেজ বা দক্ষিণ কলকাতা ল’ কলেজের মতো ঘটনা আর ঘটবে না (Amit Shah)।”

    সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন

    তিনি আরও বলেন, “এইমাত্র আমি মমতা দিদির একটি বক্তৃতা দেখছিলাম। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন—বলছেন, তৃণমূল না থাকলে তারা টিকবে না। তাদের শাসনে মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা হয়েছে, রামনবমীতে আক্রমণ হয়েছে, সরস্বতী পূজায় বাধা দেওয়া হয়েছে—তখন তিনি কোথায় ছিলেন?” শাহ দাবি করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যের জন্য একটি বড় মোড় ঘোরানোর সময় হবে। তিনি বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আর বোমা ফাটিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে না। বাংলার মানুষ বোমার জবাব ব্যালটে দেবে, ভয়ের জবাব বিশ্বাস দিয়ে দেবে। ব্যালট মেশিনে পদ্মফুল চিহ্ন খুঁজে নিন—বিজেপি সরকার সব গুন্ডাদের খুঁজে বের করবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাদের বলছি—২৩ এপ্রিল ঘরে থাকুন, না হলে ৪ মে আপনাদের ধরে জেলে পাঠানো হবে।” প্রসঙ্গত, (Paschim Bardhaman) ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়- ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ মে (Amit Shah)।

     

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপির অন্যতম প্রধান তারকা প্রচারক যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের কড়া সমালোচনা করে তিনি এই নির্বাচনকে ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    তোষণ রাজনীতির অভিযোগ (West Bengal Elections 2026)

    উত্তরবঙ্গে (West Bengal Elections 2026)  এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) অভিযোগ করেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ভোটব্যাংকের রাজনীতির স্বার্থে নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়কে তোষণ করছে। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসনের পরিবর্তে অরাজকতা চলছে। তোষণ নীতির কারণে সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।” তিনি আরও দাবি করেন, “উত্তরপ্রদেশে যেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ নীতি প্রয়োগ করে শান্তি ফেরানো হয়েছে, সেখানে বাংলায় অপরাধীরা শাসকদলের মদত পাচ্ছে।”

    উন্নয়ন বনাম দুর্নীতি

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রূপায়ণে রাজ্য সরকারের অনীহার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষের জন্য আয়ুষ্মান ভারত বা পিএম আবাস যোজনার মতো যে সব উন্নয়নমূলক প্রকল্প পাঠাচ্ছে, রাজ্য সরকার সেগুলির নাম বদলে দিচ্ছে অথবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। তারা দুর্নীতিমুক্ত এবং উন্নয়নমুখী শাসন চায়।”

    সনাতন সংস্কৃতি ও জাতীয় সুরক্ষা

    বক্তৃতায় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) হিন্দু ভাবাবেগ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাংলায় দুর্গাপূজা বা সরস্বতী পূজার মতো উৎসব পালনেও বাধা সৃষ্টি করা হয়, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অনুপ্রবেশের সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি জানান, তৃণমূলের তোষণ নীতির কারণেই সীমান্ত এলাকায় জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, বহিরাগত নেতারা এসে বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তারা উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এবং দাবি করেছেন যে বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ওপরেই আস্থা রাখবেন।

    নির্বাচনী প্রেক্ষাপট

    ২০২৬-এর এই নির্বাচন বিজেপি এবং তৃণমূল—উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত মর্যাদার লড়াই। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির আসন সংখ্যা কিছুটা কমলেও, ২০২৬-এর বিধানসভায় (West Bengal Elections 2026) ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আর সেই লড়াইয়ে যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) মতো হিন্দুত্বের পোস্টার বয়কে সামনে রেখে বিজেপি মেরুকরণ এবং উন্নয়নের ডাবল ইঞ্জিন মডেলের ওপর জোর দিচ্ছে।

  • Assembly Elections 2026: ফের শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র হবে বাংলা! পুরুলিয়ার সভা থেকে তরুণদের উদ্দেশে বার্তা শাহের

    Assembly Elections 2026: ফের শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র হবে বাংলা! পুরুলিয়ার সভা থেকে তরুণদের উদ্দেশে বার্তা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তরুণদের উপার্জনের জন্য ভিন্‌রাজ্যে যেতে হবে না। বাংলা আবার আগের মতো শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র হবে। পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এই কথা ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মমতার সরকারকে বিঁধে শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে ৭০০০ কারখানা বন্ধ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সব কারখানা বাইরে চলে গিয়েছে। আমাদের আদিবাসী, কুড়মি ভাইয়েরা উপার্জন করতে পারেন না। এখান থেকে বেঙ্গালুরু, আহমেদাবাদ, দিল্লি, মুম্বই যেতে হয়। বিজেপির সরকার গঠন করুন। আমরা পশ্চিমবঙ্গকে আবার আগের মতো শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্পূর্ণ চেষ্টা করব। তত দিন পর্যন্ত সকল বেকারকে মাসে তিন হাজার টাকা করে বেকার ভাতা দেওয়া হবে।” শাহ বলেন, “এ বার পুরুলিয়ার ৯টি আসনের মধ্যে ৯টিতেই বিজেপি-কে জেতাতে হবে। ক্লিন সুইপ করে দিন।”

    এসআইআর নিয়ে হুঁশিয়ারি!

    এদিনের সভা থেকে শাহ বলেন, “নির্বাচন কমিশন এসআইআর করছে। অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। আর মমতা দিদির সমস্যা শুরু হয়ে গিয়েছে। এটা তো সবে শুরু হয়েছে। এখন ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের সরকার গড়ুন, আমরা ওদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাড়াব। বিএসএফ-এর জমি দরকার কাঁটাতার বসানোর জন্য। ১৫ বছর ধরে তিনি জমি দিচ্ছেন না। বিজেপি স্থির করেছে, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য জমি দেওয়া হবে। অনুপ্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া হবে।” এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বিঁধে শাহ বলেন, “আমাদের জঙ্গলের জমি অনুপ্রবেশকারীদের থেকে মুক্ত করতে হবে কি হবে না? ভাইপো এটা করতে পারবে? মমতা দিদি করতে পারবে? ওরাই তো এনে রেখেছে। ওদের তো ভোটব্যাঙ্ক। কিন্তু মমতা দিদি, আপনার সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। ৫ তারিখ বিজেপির সরকার আসবে। পুরো রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে তাড়াব।”

    প্রত্যেক ঘরে নলবাহিত জল!

    শনিবার দুপুরে বাঁকুড়ায় জোড়া জনসভা করেছেন অমিত শাহ। প্রথমে ওন্দায় এবং তার পরে ছাতনায় সভা করেন তিনি। বাঁকুড়ার জোড়া জনসভা শেষ করে অমিত শাহ পৌঁছেন পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে। সেখানে জনসভা থেকে শাহ বলেন, “কংসাবতী, সুবর্ণরেখার মতো পবিত্র নদী থাকার পরেও পুরো এলাকায় সাঁওতালি এবং কুড়মি সমাজকে জলের কষ্টে ভুগতে হয়। আমরা ২৫০ কোটি টাকা খরচ করে পুরুলিয়া এবং আশপাশের এলাকায় প্রত্যেক বাড়িতে নলবাহিত জল পৌঁছে দেব। ড়মি এবং সাঁওতালদের মধ্যে সংঘর্ষ করিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ৫ তারিখ বিজেপির সরকার গঠন করুন। মহান কুড়মি ভাষাকে আমরা অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করব। বিজেপির যে সরকার তৈরি হবে, তা কাটমানি এবং সিন্ডিকেট থেকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুক্ত করবে।”

  • PM Modi in North Bengal: ‘বামেদের ৩৫ বছর দিয়েছেন, তৃণমূল ১৫ বছর, পাঁচ বছর মোদিকে দিন’! বঙ্গবাসীর কাছে আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in North Bengal: ‘বামেদের ৩৫ বছর দিয়েছেন, তৃণমূল ১৫ বছর, পাঁচ বছর মোদিকে দিন’! বঙ্গবাসীর কাছে আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বামেরা ৩৫ বছর শাসন করেছে। তৃণমূলও ১৫ বছর রাজ্যা চালাল। আগামী পাঁচ বছর বঙ্গবাসীকে মোদির উপর ভরসা রাখার আর্জি জানালেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in North Bengal)। কুশমন্ডির সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বার করা হবে। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গকে আবার বৈভবশালী রাজ্য করবে। তাই আমাদের প্রার্থীদের এখানে হাজির করেছি। বামেদের ৩৫ বছর দিয়েছেন, তৃণমূলকে ১৫, ৫ বছর মোদিকে দিয়ে দেখুন। ডবল ইঞ্জিন সরকার যেখানে, সেখানেই উন্নয়ন। বাড়ি পর্যন্ত পানীয় জল যায়, সে জন্য দিল্লি থেকে টাকা এসেছে। কিন্তু তার মাঝেও টিএমসি ঢুকে পড়েছে। আপনারা বিজেপিকে আনুন। মোদী কি গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছোবে।’’

    আদিবাসী সমাজের দ্রুত উন্নয়ন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘বাংলার রাজবংশী সমাজ, সাঁওতাল সমাজের ভূমিকা রয়েছে ভারতের উন্নতিতে। অনেক নায়ক রয়েছেন। তাঁদের জন্য আমরা গর্বিত। আমাদের নিরন্তর প্রয়াস আদিবাসী সমাজের দ্রুত উন্নয়ন হোক। আগে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় ছিলেন আদিবাসীরা। আমাদের সরকার মাওবাদী-মুক্ত সমাজ দিয়েছে। বন্দুক নামিয়ে ছেলে মায়ের কাছে ফিরেছেন। আমাদের মন্ত্রিসভায় আদিবাসী রয়েছেন। ওড়িশায় আমাদের মুখ্যমন্ত্রী আদিবাসী মুখ, ঝাড়খণ্ডেও তা-ই। এটাই আমাদের ট্র্যাক রেকর্ড। কিন্তু তৃণমূল সাঁওতাল সমাজকে অপমান করে। রাষ্ট্রপতি মুর্মু এসেছিলেন কিছু দিন আগে। তৃণমূল সংবিধানের মর্যাদা দেয়নি। আদিবাসী সমাজকে অপমান করেছে। তৃণমূলকে সবক শেখানো দরকার। তৃণমূল কখনও আদিবাসী উন্নয়নের শরিক হয়নি।’’

    ‘সমস্ত ধর্ষণের মামলার ফাইল খুলব’

    খাগড়াকুড়ির ময়দানের মঞ্চে প্রার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করে এদিন মোদি ‘জয় মা কালী’, ‘জয় বাবা ভোলানাথ’ বলে ভাষণ শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘‘দক্ষিণ দিনাজপুরের পুণ্যভূমিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রণাম জানাচ্ছি। সবার আগে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছি। কারণ, সভার যে প্ল্যানিং করেছেন, যে প্যান্ডেল করেছেন, খুব ছোট হয়ে গিয়েছে। যত জন ভিতরে আছেন, তার তিন গুণ বাইরে আছেন। তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি। তবে সকলকে আশ্বস্ত করছি, এই পরিশ্রমকে বেকার হতে দেব না। এই ভালবাসা ১০০ গুণ করে ফেরত দেব। উন্নয়নের মাধ্যমে ফেরত দেব। মেয়েদের জন্য মোদির গ্যারান্টি— সমস্ত ধর্ষণের মামলার ফাইল খুলব। খুঁজে খুঁজে হিসেব নেব। কী ভাবে হবে, সেটা ঘোষণাপত্রে বলে দিয়েছে বিজেপি।’’

    বামেদের সব দুর্নীতি তৃণমূলে

    এদিন কুশমুন্ডির সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বরণ করে নেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি জানান, সংকল্পপত্রে যা বলা হয়েছে, সেখান থেকে পরিষ্কার এর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের জন্য এত কিছু ভাবেননি। শনিবার বাংলায় একই দিনে তিনটি সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায়, মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে। তৃতীয় সভাটি কুশমন্ডিতে। তিনটি সভাতেই তাঁর দাবি, ‘‘বাংলার মানুষ বামেদের সরিয়েছিল। অনেক আশা নিয়ে মা-মাটি-মানুষের কথা শুনে তৃণমূলকে সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল তো বামেদের কার্বন কপি হয়ে গিয়েছে। সব গুন্ডা তৃণমূলে চলে এসেছে। বামেদের সব দুর্নীতি তৃণমূল নিয়ে নিয়েছে। এখন তারা আবার জয়ের স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু ওরা ভুলে যাচ্ছে, এটা নেতাজির মতো বীরের ভূমি। তৃণমূলের ভয়ের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে বিজেপির ভরসা। তাই এ বার তৃণমূলকে বার বার বাংলা বলছে, এই সব চলবে না।’’

  • Amit Sha in Bengal: ‘‘ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীকে ঘর থেকে বেরোতে দেব না’’ বাঁকুড়ার সভা থেকে হুঁশিয়ারি শাহের

    Amit Sha in Bengal: ‘‘ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীকে ঘর থেকে বেরোতে দেব না’’ বাঁকুড়ার সভা থেকে হুঁশিয়ারি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বাংলায় ভোট। ওই দু’দিন তৃণমূলের ‘গুন্ডাবাহিনী’ যেন ঘরের বাইরে পা না রাখে। শনিবার বাঁকুড়ার ওন্দার নির্বাচনী জনসভা থেকে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Sha in Bengal)। এদিনের সভায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি থেকে শুরু করে আরজি কর কান্ড নিয়ে মমতা সরকারকে নিশানা করেন আমিত শাহ। এসএসসি, পুরনিয়োগ, গরু, ১০০ দিনের কাজ, পিএম আবাস দুর্নীতি কারা করেছে? এদিনের সভা থেকে মমতাকে খোলা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন শাহ। বিজেপি বাংলায় সরকার গঠন করলে কমিটি করে সব টাকা গরিবদের ফেরানো হবে বলে আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সোনার বাংলা গড়ার ডাক

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘হীরক রানী’ বলেও কটাক্ষ করেন মোদির ‘ডেপুটি’। বলেন, ‘‘এই হীরক রানীকে টাটা বাই-বাই করার সময় চলে এসেছে। মোদি সরকার পাঁচ কেজি চাল দিলে তার থেকে ১ কেজি চুরি করে নেয় তৃণমূল সরকার। ওরা ভাবে যা দুর্নীতি করেছে, তার পরে আর কিছু হবে না ওদের। আজ বলছি, সিন্ডিকেটের লোকজন শুনুন, বিজেপির সরকার হলেই গরিবদের সব টাকা ফেরাতে হবে। বাংলার গরিবদের ভোট নিয়ে অনুদান যায় তৃণমূলের গুন্ডাদের ঘরে। মোদিজি লক্ষ কোটি টাকা পাঠিয়েছেন। আপনাদের ঘরে কি গেছে? মোদিজি যে বিকাশের অর্থ পাঠিয়েছিলেন, তা মমতাদিদির সিন্ডিকেট খেয়েছে। ৭০০০ সংস্থা বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছে। মোদিজি ফিরিয়ে আনবেন। রবীন্দ্রনাথের সোনার বাংলা গড়ব আমরা।’’

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি!

    রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনার কথাও বলেন শাহ। তাঁর কথায়, ‘‘কারও চার স্ত্রী রয়েছেন। তা কি থাকা উচিত? দিদিরা বলুন। বিজেপির সরকার করুন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনব। সকলের জন্য সমান বিধি হবে। লভ জিহাদ বন্ধ হবে। গর্ভবতী মায়েরা ২১ হাজার টাকা পাবেন। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ দিতে হবে না। বিধবা, প্রবীণ দিব্যাঙ্গজনেরা ২০০০ টাকা করে মাসে পাবেন। উত্তরবঙ্গে এমস হবে। চা শ্রমিকদের ভূমির মালিক করা হবে।’’ রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও কেন বাংলায় সুরক্ষিত নয় মেয়েরা? প্রশ্ন করেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘মমতাদিদি, আপনি মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, তাও আরজি কর, সন্দেশখালির মতো ঘটনা হয়। মমতাদিদি বলেন, সন্ধ্যা ৭টার পরে কারও বাইরে যাওয়া উচিত না। বিজেপির সরকার গড়ুন, রাত ১টায় মহিলারা বাইরে নিরাপদে ঘুরতে পারবেন।’’

    জনজাতিদের উন্নয়ন

    এদিন শাহ বলেন, ‘‘মমতা, কংগ্রেস— এরা কেউ জনজাতির কাউকে রাষ্ট্রপতি করেনি। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে নরেন্দ্র মোদীজি সাঁওতাল জনজাতি বোন দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি করে জনজাতিদের সম্মান করেছেন। দ্রৌপদীজি এখানে জনজাতিদের সঙ্গে দেখা করার জন্য এসেছিলেন। মমতাজি তাঁর অপমান করেছেন। জনজাতি ভাই-বোনদের বলছি, এই ভোটে জনজাতির মেয়ে দ্রৌপদীর অপমানের বদলা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে নিতে হবে। ওঁরা সহ্য করতে পারেন না, যে জনজাতি গরিবের মেয়ে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। আপনি যা করুন মমতাদিদি, আমরা জনজাতিদের উন্নয়ন করব।’’

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    এদিন বাঙালি অস্মিতায় শান দিয়ে শাহ বলেন,‘‘ওরা বলে বেড়াচ্ছে, মোদীজি দিল্লি থেকে শাসন করবে। আমার কথা শুনে রাখুন, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী যিনি হবেন, তিনি এখানে জন্মগ্রহণ করা, বাংলায় কথা বলা এক জন বিজেপি নেতাই হবেন। সব কৃষকদের এখন ৬০০০ টাকা দেন মোদিজি। বিজেপি এখানে সরকার গড়লে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৯০০০ টাকা হবে। ধানের এমএসপি ৩১০০ টাকা করা হবে। ৩০০ জনের বেশি বিজেপি কার্যকর্তার হত্যা হয়েছে। তৃণমূলের গুন্ডারা ভাবে, ওদের কিছু হবে না। ৫ মে বিজেপি সরকার গড়ার পরে হত্যাকারীদের জেলে পাঠানো হবে।’’

    আলুর ফলন নিয়ে তোপ

    এদিন মুখ্যমন্ত্রীর জেদের বশে আলু চাষীদের ক্ষতির কথাও বলেন শাহ। তাঁর দাবি, ‘‘বাঁকুড়ায় আলুর ফলন খুব। মমতাদিদির অহঙ্কার দেখুন! নিষিদ্ধ করে দিয়েছে, বলেছেন, বাংলার আলু ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডে যাবে না। সেখানকার মানুষ এখানকার মিঠা আলু খেতে চান। পাঠান না। কৃষকদের ২ টাকায় আলু বেচতে বাধ্য করে। বিজেপির সরকার আনুন। ওই দিনই এখানকার আলু পাশের রাজ্যে চলে যাবে। পাঞ্জাব থেকে যাতে আর আলুর বীজ আনতে না হয়, তা দেখব।’’ অনুপ্রবেশকারীরাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান ভোটব্যাঙ্ক, অভিযোগ শাহের। তাঁর দাবি, রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই শাহের আহ্বান,‘‘২৩ এপ্রিল পদ্ম চিহ্নে ভোট দিন। জোরে বোতাম চাপুন, যাতে দিল্লিতে শব্দ যায়। যাতে অনুপ্রবেশকারীদের কারেন্ট লাগে।’’

  • PM Modi in Bengal: ‘‘বিজেপি জিতবেই, গুজরাটেও সকাল ১১টায় এমন সভা হয় না’’ কাটোয়ায় জনসমাগমে আপ্লুত মোদি

    PM Modi in Bengal: ‘‘বিজেপি জিতবেই, গুজরাটেও সকাল ১১টায় এমন সভা হয় না’’ কাটোয়ায় জনসমাগমে আপ্লুত মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈতন্য মহাপ্রভুর পবিত্র ভূমিতে তৃণমূল পাপের রাজত্ব চালাচ্ছে। কিন্তু এটা আর চলবে না। ১৫ বছরের দুর্নীতির হিসেব হবে। ওরা মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। কিন্তু আর পারবে না। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর জনসভা থেকে হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই সভায় জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। মোদি বলেন, জনপ্লাবন বলে দিচ্ছে, বাংলার মানুষ পরিবর্তনের (Assembly Election in Bengal) জন্য তৈরি। আরও একবার আমজনতার সামনে তুলে ধরলেন ৬ গ্যারান্টি। আশ্বাস দিলেন বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে মাসে ঢুকবে ৩০০০ টাকা। চাকরি পাবেন বেকাররা। মোদির আশ্বাস, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে সরকারি সমস্ত শূন্যপদ পূরণ হবে। শিল্প আসবে বাংলায়।” সভা মঞ্চ থেকেই মোদির মুখে শোনা গেল নতুন স্লোগান, “ভয় আউট, ভরসা ইন, বিজেপিকে ভোট দিন।”

    গুজরাটেও হয় না, জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত

    এদিন পূর্ব বর্ধমানের জেলা নেতৃত্ব কাটোয়ার মঞ্চে স্বাগত জানিয়েছেন মোদিকে। উত্তরীয় পরিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মোদির সামনে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন শমীক। জানান, বর্ধমানকে ধান উৎপাদনে এক থেকে তিনে নামিয়ে এনেছে শাসকদল। কাটোয়ার সভায় প্রধানমন্ত্রীর জন্য কয়েক জন শিশু ছবি নিয়ে এসেছিল। তাদের ছবি জমা দিয়ে দিতে বলেন মোদি। জানান, পিছনে নাম ও ঠিকানা লেখা থাকলে তিনি ধন্যবাদবার্তা পাঠাবেন। একই সঙ্গে বলেন, ‘‘গুজরাটেও সকাল ১১-১২টায় এমন সভা আমি করতে পারি না। চাইলেও করা যায় না। আপনারা এখানে আশ্চর্য জমায়েত করেন প্রতি বার। আমি অভিভূত। এ রাজ্যে যে ৪ মে-র পর পরিবর্তন আসছে, তা এই সভা থেকেই নিশ্চিত।’’

    সব দুর্নীতির হিসেব হবে

    এদিন মোদি বলেন, ‘‘আপনাদের ছ’টি গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। সেগুলি পূরণের সময় এসেছে। তৃণমূলের নির্মম সরকারের ভয়ের রাজকে সরিয়ে ভরসায় বদলে দেবে আমার গ্যারান্টি। দুর্নীতি নিয়ে বিজেপি শ্বেতপত্র জারি করবে। যাতে তৃণমূলের সব সিন্ডিকেট, সব দুর্নীতিগ্রস্তদের হিসেব করা যায়। ১৫ বছরের হিসেব হবে। সব কাজের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। তৃণমূল ভয় পেয়ে গিয়েছে। একের পর এক মিথ্যা বলছে। বলছে আমরা ক্ষমতায় এলে নাকি সব প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। আসলে তা নয়। আসলে বিজেপি ওদের দুর্নীতির দোকান বন্ধ করবে। লুট বন্ধ করবে।’’

    সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা

    বর্ধমান থেকে মোদি বলেন, ‘‘এখানকার সীতাভোগ আর মিহিদানার সুগন্ধ সারা দুনিয়ায় জনপ্রিয়। তৃণমূলের সরকার আলু চাষিদের বরবাদ করে দিয়েছে। আলু পচছে। এটা চলবে না। বাংলা চুপ থাকবে না।’’ বিজেপি কৃষকদের জন্য ইস্তাহারে অনেক ঘোষণা করেছে বলে জানান মোদি। ‘ডবল ইঞ্জিন’-এর সুবিধা পাবেন কৃষকেরা। বিজেপি এলে যুবসমাজ লক্ষ লক্ষ চাকরি পাবে। বেকারদের ভাতাও দেওয়া হবে। দুর্নীতির জন্য যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁদের বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। রোজগার মেলার আয়োজন করা হবে এখানেও। সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাবেন কর্মচারীরা। রাজ্যের সব শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে।’’

    মহিলাদের মাসে তিন হাজার টাকা

    বিজেপির সংকল্প পত্রে মহিলাদের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা, বিনামূল্যে সরকারি বাসে যাতায়াতের ঘোষণা করেছে বিজেপি। সেগুলি উল্লেখ করেন মোদিও। জানান, বিজেপির আমলে এ রাজ্যের মহিলারা নিরাপদে, নির্ভয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। মতুয়াদের উদ্দেশে মোদি বলেন, ‘‘মতুয়া, নমঃশূদ্র, সব শরণার্থী পরিবার তৃণমূলের দয়ায় নেই। দেশের সংবিধান আপনাদের সুরক্ষিত করেছে। সিএএ করেছি, যাতে মতুয়া-সহ শরণার্থীরা সুরক্ষা পান। সিএএ-র মাধ্যমে তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ আরও দ্রুত করা হবে।’’

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধার অভিযোগ

    এদিন ফের মোদির মুখে শোনা যায় আয়ুষ্মান ভারত-এর কথা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘তৃণমূল রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা দেয়। আয়ুষ্মান ভারত যোজনাতেও বাধা দিয়েছে তৃণমূল। ৪ মে-র পর বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিলে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই এই প্রকল্প চালু করা হবে, আমার গ্যারান্টি রইল। পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের অধীনে শিল্পীদের কেন্দ্রীয় সরকার প্রশিক্ষণ দেয়। অসমে এক লক্ষ মানুষ এই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। বিহারেও পেয়েছেন। প্রত্যেকে ১৫ হাজার টাকার আর্থিক সাহায্যও পেয়েছেন। তৃণমূল এই প্রকল্প এখানে আনতে দেয়নি। অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছে আপনাদের।’’

  • Amit Shah: “পশ্চিমবঙ্গে যারা বাবরি মসজিদ করতে চাইছে, তাদের সঙ্গে জোট করে না বিজেপি”, সাফ জানালেন শাহ

    Amit Shah: “পশ্চিমবঙ্গে যারা বাবরি মসজিদ করতে চাইছে, তাদের সঙ্গে জোট করে না বিজেপি”, সাফ জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদের (Babri Masjid) ধাঁচে কোনও কাঠামো নির্মাণে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে জোট করার চেয়ে বিজেপি আগামী ২০ বছর বিরোধী আসনে বসতেই বেশি পছন্দ করবে।” শুক্রবার সাফ জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে একটি স্টিং অপারেশন সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে কথাগুলি বলেন তিনি।

    স্টিং ভিডিও (Amit Shah)

    গত বছর অযোধ্যার বাবরি মসজিদের আদলে পশ্চিমবঙ্গে একটি মসজিদ নির্মাণের চেষ্টা করতে গিয়ে চর্চায় চলে আসেন হুমায়ুন। চলতি মাসেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন। তার কয়েক সপ্তাহ আগে, একটি স্টিং ভিডিও অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে হুমায়ুনকে বলতে শোনা যায়, বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তাঁর। তৃণমূলকে হারানোর জন্য ১,০০০ কোটি টাকার একটি চুক্তির কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। হুমায়ুনের এহেন দাবিকে প্রচারের হাতিয়ার করে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে তৃণমূল এবং কংগ্রেস। যদিও হুমায়ুন এবং বিজেপি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ভুয়ো, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে (Amit Shah)।

    কী বললেন শাহ?

    এই বিতর্কের জবাবে শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন হাজার হাজার ভিডিও তৈরি করতে পারেন।”  তিনি জোর দিয়ে বলেন, “বিজেপি ও কবীরের লক্ষ্য সম্পূর্ণ আলাদা।” তিনি তাঁদের পার্থক্যকে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “বিজেপি কখনওই তাঁকে (হুমায়ুন) সহযোগিতা করবে না (Babri Masjid)।” উল্লেখ্য, এর আগে, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ হুমায়ুনকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, “তিনি ১০০ কোটি টাকারও যোগ্য নন, ১,০০০ কোটি তো দূরের কথা (Amit Shah)!”

    অভিযোগ অস্বীকার হুমায়ুনের

    হুমায়ুনও এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ভিডিওটি তাঁর বদনাম করতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুসলিম ভোট হারানোর ভয়ে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করার অভিযোগও আনেন। স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, প্রমাণ না দিলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Babri Masjid)। তাঁর ব্যাখ্যা সত্ত্বেও অব্যাহত রয়েছে বিতর্ক। অল ইন্ডিয়া মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM), যারা হুমায়ুনের দলকে সমর্থন করেছিল, তারাও জানিয়ে দিয়েছে ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’র সঙ্গে তাদের জোট ভেঙে দেওয়া হয়েছে (Amit Shah)।

  • West Bengal Elections 2026: এক বছরের মধ্যে ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি, ডেবরায় বড় ঘোষণা অমিত শাহের

    West Bengal Elections 2026: এক বছরের মধ্যে ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি, ডেবরায় বড় ঘোষণা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি যখন তুঙ্গে, তখন বঙ্গবাসীকে বড় আশার কথা শোনালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। রাজ্যের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা মেটাতে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন (West Bengal Elections 2026)

    ঘাটালবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে অমিত শাহ প্রতিশ্রুতি দেন যে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি (West Bengal Elections 2026) ক্ষমতায় এলে আগামী এক বছরের মধ্যেই ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ কার্যকর করা হবে। বছরের পর বছর বন্যার কবলে পড়া এই অঞ্চলের মানুষের স্থায়ী সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বদ্ধপরিকর বলে তিনি জানান। অমিত শাহ বলেন, “নরেন্দ্র মোদিজি এই প্রকল্পের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন। ৬০ শতাংশ অর্থ কেন্দ্রীয় সরকার দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকারই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানকে আক্ষরিক অর্থে জঞ্জালে পরিণত করেছে। আপনারা রাজ্যে বিজেপির সরকার আনুন, আমি কথা দিচ্ছি মাত্র এক বছরের মধ্যে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান তৈরি করে এই অঞ্চলের নিকাশি সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে দেব।”

    অনুপ্রবেশ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ

    আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলে কড়া বার্তা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit shah)। তিনি আশ্বাস দেন, বিজেপি সরকার গঠন করলে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে। বাংলার সীমান্তকে সুরক্ষিত করাই তাঁদের অন্যতম অগ্রাধিকার। অমিত শাহ বলেন, “বাংলার মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং গরিব মহিলাদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। তাঁদের ক্ষমতায়নের বদলে কেবল রাজনীতির বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই বিজেপির বড় প্রতিশ্রুতি — মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যেই সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে ৩,০০০ টাকা।” তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পাল্টা হিসেবেই এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

    রাজ্য সরকারের সমালোচনা

    বর্তমান রাজ্য সরকারের (West Bengal Elections 2026) কঠোর সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন যে, কেন্দ্রের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে অনীহা দেখানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে রাজ্যের উন্নয়নের গতি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের মতো সংবেদনশীল ইস্যুকে সামনে আনা এবং অনুপ্রবেশের প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নেওয়া—এই দুই কৌশলী প্রচারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গ উভয় প্রান্তের ভোটারদের বিশেষ বার্তা দিতে চেয়েছেন। অমিত শাহের এই উচ্চাভিলাষী প্রতিশ্রুতি ২০২৬-এর নির্বাচনী লড়াইয়ে বিজেপিকে অনেকটাই সুবিধা করে দেবে বলে বলছেন বিজেপি সমর্থকরা।

    দিদির সদিচ্ছার অভাব

    অমিত শাহ (Amit shah) সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বছরের পর বছর ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কেবল প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু তা বাস্তবায়নে কোনো আন্তরিকতা দেখাননি।” তাঁর দাবি, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা ও সঠিক পরিকল্পনার অভাবেই এই প্রকল্প থমকে রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বলেন, “ঘাটালবাসীর বন্যার কষ্টকে তৃণমূল সরকার স্রেফ ভোটের রাজনীতিতে পরিণত করেছে। প্রতি বছর বর্ষায় সাধারণ মানুষ যখন ঘরবাড়ি হারান, তখন রাজ্য সরকার কেন্দ্রের ওপর দোষ চাপিয়ে নিজের দায় এড়াতে চায়।”

    বিজেপির সংকল্প

    অমিত শাহ (Amit shah) পুনরায় প্রতিশ্রুতি দেন যে, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করলেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান সম্পন্ন করা হবে। তাঁর কথায়, “আমরা যা বলি, তা করে দেখাই। মেদিনীপুরের মানুষকে আর বন্যার আতঙ্কে দিন কাটাতে হবে না।” প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য যুবকদের ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। যাঁরা দুর্নীতির জন্য চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের ৫ বছর পর্যন্ত বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। বিজেপি-র ইস্তেহারে আরও বলা হয়েছে, যোগ্যদের মেধার ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরি নিশ্চিত করা হবে। রাজ্যের সব চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে।

    তৃণমূলের পাল্টা অবস্থান

    অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বরাবরের মতোই দাবি করা হয়েছে যে, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের জন্য প্রয়োজনীয় কেন্দ্রীয় বরাদ্দ আটকে রেখেছে দিল্লি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার জানিয়েছেন, কেন্দ্র টাকা না দিলে রাজ্য সরকার নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এই কাজ শেষ করার চেষ্টা করবে। বিজেপি নেতার এই সফরকে ‘নির্বাচনী গিমিক’ বলেও কটাক্ষ করেছে শাসক শিবির।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মেদিনীপুর ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। নির্বাচনের আগে অমিত শাহের এই সরাসরি আক্রমণ এবং প্রকল্পের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের মনে যে নতুন করে আশার সঞ্চার হবে, তা বলাই বাহুল্য।

  • West Bengal Elections 2026: বিচারের আর্তনাদ নিয়ে বিজেপির প্রচারে মুর্শিদাবাদে নিহত হরগোবিন্দ দাস-চন্দন দাসের পরিবার

    West Bengal Elections 2026: বিচারের আর্তনাদ নিয়ে বিজেপির প্রচারে মুর্শিদাবাদে নিহত হরগোবিন্দ দাস-চন্দন দাসের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ। এই আবহে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) সংঘটিত পূর্বতন হিংসার স্মৃতি উসকে দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করল ভারতীয় জনতা পার্টি। গত বছর ওয়াকফ বিল নিয়ে সৃষ্টি হিংসায় প্রাণ হারানো হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাসের পরিবারের সদস্যরা এবার বিজেপির হয়ে ময়দানে নেমেছেন।

    স্বজনহারাদের লড়াই (West Bengal Elections 2026)!

    শামসেরগঞ্জের (West Bengal Elections 2026) ধুলিয়ানে গত বছর ওয়াকফ কেন্দ্রিক গোলমালে নৃশংসভাবে খুন হন বাবা হরগোবিন্দ ও ছেলে চন্দন দাস। এই নির্বাচনে তাঁদের বিধবা স্ত্রীরা বিজেপির নির্বাচনী কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের উপস্থিতি প্রচারের ময়দানে (Murshidabad) এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।

    পদ্ম শিবির এই হত্যার ঘটনাকে ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি’ এবং ‘তোষণ নীতির ফল’ হিসেবে বর্ণনা করছে। নিহতদের পরিবারের মাধ্যমে তারা ভোটারদের কাছে হিন্দু সামাজের নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    আবেগ ও ন্যায়বিচার

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) জনসভাগুলোতে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বিচারের দাবি জানাচ্ছেন। তাঁদের কান্নায় ভেজা আবেদনকে সামনে রেখে বিজেপি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলায় ওয়াকফ বিতর্ক এবং সেই সংক্রান্ত হিংসার শিকার পরিবারগুলোকে প্রচারে নামানো বিজেপির একটি অত্যন্ত সুচিন্তিত রাজনৈতিক কৌশল। এর মাধ্যমে তারা মূলত হিন্দু সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইস্যুটিকে জনমানসে বড় করে তুলে ধরতে চাইছে।

    ভোটদাতাদের মনে প্রভাব ফেলবে

    তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য এই প্রচারকে ‘লাশের রাজনীতি’ বলে পাল্টা আক্রমণ করেছে। শাসক দলের মতে, বিজেপি একটি দুঃখজনক ব্যক্তিগত ঘটনাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে, জেলাজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে প্রচার চালালেও, হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের পরিবারের এই সক্রিয় উপস্থিতি ভোটদাতাদের মনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা।

LinkedIn
Share