Tag: bjp

bjp

  • Amit Shah: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    Amit Shah: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাম মন্দির ইস্যু কারা ঝুলিয়ে রেখেছিল বছরের পর বছর? করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছিল কারা? রাম মন্দিরই বা নির্মাণ করল কারা?” রবিবার উত্তরপ্রদেশে বিজেপির এক নির্বাচনী জনসভায় প্রশ্নগুলি ছুড়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন এটা-কাশগঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের পদ্ম-প্রার্থী রাজবীর সিংহের সমর্থনে সভা করেছিলেন শাহ। সেখানেই বিরোধীদের নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেনাপতি।

    করসেবকদের কারা গুলি করেছিল? (Amit Shah)

    রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন অনুষ্ঠানে বিরোধীরা যোগ না দেওয়ায়ও তাঁদের কটাক্ষ করেন শাহ। বলেন, “অযোধ্যার রাম মন্দিরে বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যাঁরা যোগ দেননি, তাঁরা ভালো করেই জানেন যে তাঁরা করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “দু’টি দলের মধ্যে থেকে একটি গ্রুপকে পছন্দ করতে হবে আপনাদের। একটি গ্রুপ রাম ভক্তদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল আর অন্য দলটি রাম মন্দির নির্মাণ করেছিল।” শাহ বলেন, “কংগ্রেস, রাহুল বাবা এবং অখিলেশ যাদবের পার্টি সত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে রাম মন্দির ইস্যু ঝুলিয়ে রেখেছিল। আপনারা যখন মোদিজিকে দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে বসালেন, তখন তিনি ২২ জানুয়ারি জয় শ্রীরামের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করলেন।”

    শাহের নিশানায় রাহুল

    বিরোধীদের নিশানা করে বিদায়ী মন্ত্রিসভার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পিছড়েবর্গদের যে অধিকার দিয়েছিলেন, দীর্ঘদিনের শাসনকালে তা উপেক্ষা করেছিলেন বিরোধীরা।” এদিন শাহের নিশানায় চলে আসেন রাহুল গান্ধি স্বয়ং। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধি বলছেন যদি বিজেপি চারশো আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসেন, তাহলে তারা সংরক্ষণ তুলে দেবে। আমি আপনাদের বলতে চাই যে, পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুটো টার্মে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি, তার পরেও সংরক্ষণ তুলে দেওয়া হয়নি। কারণ নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং সংরক্ষণের পক্ষে।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বলতে চাই যে মোদির গ্যারেন্টিই হল বিজেপি তপশিলি জাতি-উপজাতি এবং ওবিসিদের সংরক্ষণ তুলে দেবে না, আর কাউকে তা করতেও দেবে না।” নিখরচায় রেশন সামগ্রী ২০২৯ সাল পর্যন্ত মিলবে বলেও জানান শাহ (Amit Shah)।

    আরও পড়ুুন: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বিজেপির ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত। কসবায় (Kasba Incident) বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। পুলিশ (kolkata police) সূত্রে খবর, দুজনকেই সোমবার আদালতে তোলা হবে। সম্প্রতি ভোট প্রচারে (Lok sabha Vote 2024) বেরিয়ে কসবা বিধানসভা এলাকার আনন্দপুরে আক্রান্ত হন বিজেপি নেত্রী (BJP leader) সরস্বতী সরকার। ঘটনার পরেই আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত বিজেপি নেত্রী। এরপরেই এই ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় নিজের এক্স হ্যান্ডলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Lok sabha Vote 2024)?

    শনিবার রাতে কয়েক জন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে আরবান কমপ্লেক্সের কাছে পূর্বপাড়ায় দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা (Lok sabha Vote 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরীর সমর্থনে পোস্টার লাগাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, তখনই আচমকা তৃণমূলের লোকজন তাঁদের উপর চড়াও হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় তাঁদের পোস্টার, ব্যানার। তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়া হলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সরস্বতী সরকারকে কোপানো (Kasba Incident) হয়।গ্রেফতার হওয়া দুই অভিযুক্তর নাম গৌর হরি গায়েন ও আসরাফ মোল্লা ওরফে ভুতো। দুজনের বিরুদ্ধেই এফআইআরে বিজেপির (BJP) নেত্রীর উপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছিল।

    বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতির বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা (South Kolkata) জেলা সভাপতি অনুপম বলেছিলেন, ‘‘দক্ষিণ কলকাতা তৃণমূলের গড় হলেও এ বারের ভোটে সেই গড় নড়ে যাবে। আমাদের প্রার্থী এবং কর্মীরা ভোটপ্রচারে (Lok sabha Vote 2024) নেমে যে ভাবে সাড়া পাচ্ছেন, তাতে ভয় পেয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সেই ভয় থেকেই আমাদের মণ্ডল সভাপতি ও কর্মীদের ওপর হামলা (Kasba Incident) চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।’’

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

    ঘটনার প্রতিবাদে ধর্না

    এই ঘটনায় আনন্দপুর পুলিশ স্টেশনের সামনে ধর্নায় বসেন দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী (Lok sabha Vote 2024) দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁর দাবি, জামিন যোগ্য ধারায় মামলা করে পুলিশ হামলাকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। এই বিষয়ে পুলিশকে মদত দিচ্ছেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারার মামলা করার দাবিও জানিয়েছেন দেবশ্রী। যতক্ষণ না তা করা হবে ততক্ষণ ধর্না (Kasba Incident) চলবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী।

    অন্যদিকে শনিবার রাতেই আক্রান্ত বিজেপি নেত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন কেন্দ্রীয় শিশু ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। একই সঙ্গে, তাঁর যাবতীয় খোঁজ খবরও নিয়েছেন মন্ত্রী৷ বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথা হয় বলেও জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Congress: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধীদের দল

    Congress: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধীদের দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের নেতা বদলেছে। তবে ‘চরিত্র’ বদলায়নি। তাই অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে ‘ইন্ডি’ জোটের সব চেয়ে বড় দল কংগ্রেস (Congress)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হিন্দু বিরোধী রাজনীতি করতে গিয়েই সর্বস্ব খুইয়ে অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে সোনিয়া গান্ধী-মল্লিকার্জুন খাড়্গের দল। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়িয়েছে যে, চলতি লোকসভা নির্বাচনে কেবল কংগ্রেস নয়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর কাছে গোহারা হারতে চলেছে ‘ইন্ডিয়া’ ব্লক। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পরাস্ত হওয়ার পর বিধানসভা নির্বাচনে হাতছাড়া হয়েছে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ের রাশ। তার পরেও দিব্যি তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে চলেছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, তার জেরেই সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে ইন্দিরা গান্ধির দলের।

    চিন্তন শিবিরের দাবি (Congress)

    দলের হাল ফেরাতে ২০২২ সালের মে মাসে রাজস্থানে দু’দিনের চিন্তন শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে যোগ দিয়েছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের কংগ্রেস (Congress) নেতারা। এই চিন্তন শিবিরের দ্বিতীয় দিনে উত্তরের নেতারা যা বলেছিলেন, তার নির্যাস হিন্দুত্বের লাইনে না ফিরলে দলের সমূহ বিপদ। উত্তরের এই প্রতিনিধিরা বলেছিলেন, কংগ্রেস নেতাদের উচিত ‘দহি হান্ডি’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা, বিভিন্ন রাজ্য এবং জেলা কংগ্রেস কমিটির দফতরে গণেশ মূর্তি স্থাপন করা এবং অবশ্যই নবদুর্গা উৎসবের আয়োজন করা। উত্তরের নেতাদের দমিয়ে দিয়েছিলেন জয়রাম রমেশের মতো কংগ্রেসের দক্ষিণী নেতারা। তাঁরা সাফ বলেছিলেন, ধর্মের সঙ্গে রাজনীতিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। বিজেপি লাইন (হিন্দুত্বের লাইন) থেকে সরে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলেও চিন্তন শিবিরে জানিয়েছিলেন এক প্রবীণ নেতা। কংগ্রেসের দক্ষিণী নেতারা নন, উত্তরের নেতারাই যে ঠিক বলেছিলেন, কংগ্রেসের ভোট ম্যানেজাররা তা টের পান রাজস্থান-সহ তিন রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর পর। তবে সরাসরি হিন্দুত্বের লাইনে না গিয়ে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী দেশের বিভিন্ন মন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন, ভারসাম্য বজায় রাখতে যোগ দিয়েছেন মুসলমানদের ইফতার পার্টিতেও।

    পার্টি লাইন নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়েছে অতীতেও

    এই পার্টি লাইন নিয়ে অতীতে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে মতদ্বৈততা প্রকাশ্যে এসেছিল তাঁরই শিষ্য জওহরলাল নেহরুরও। গান্ধি প্রায়ই বলতেন, “ধর্ম হল ধর্মনিরপেক্ষতার অবিচ্ছদ্য অঙ্গ। ধর্মহীন রাজনীতি আদতে ধুলো।” ওয়াকিবহালের মতে, এই সত্যটাই বুঝতে চাননি নেহরু। তারই মাশুল গুণছে দল। এক সময় যে দল রাজ করত দেশের সিংহভাগ রাজ্যে, এখন সেই দলটি পরিণত হতে চলেছে আঞ্চলিক দলে।

    কংগ্রেসের (Congress) এই দুর্দিন ঘুচবে কি?

    আরও পড়ুুন: “ওয়েনাড়ে জিততে কংগ্রেস নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের সাহায্য নিচ্ছে”, তোপ মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: ৪৪ ডিগ্রিতেও খামতি নেই! আসানসোলে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে মহাগুরু

    Mithun Chakraborty: ৪৪ ডিগ্রিতেও খামতি নেই! আসানসোলে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে মহাগুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোদের গনগনে আঁচে পুড়ছে বাংলা। আর তার সাথে পুড়ছে শিল্পশহর আসানসোল। তবে এরমধ্যেও ভোটের প্রচারে খামতি নেই মহাগুরুর। ১৩ মে রাজ্যে চতুর্থ দফায় ভোট (lok sabha vote 2024) রয়েছে আসানসোলে। আর তার আগে ৪৪ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও শেষ মুহূর্তের প্রচারে আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী এসএস আলুয়ালিয়ার (S. S. Ahluwalia) সমর্থনে রবিবার আসানসোলে আসেন বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আর এদিনই নাম না করে শত্রুঘ্ন সিনহা প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।

    ঠিক কী বলেছিলেন (Mithun Chakraborty)?

    “উনি ছিলেন বিজেপির একজন লিডার, মন্ত্রী। রাজনীতিতে আমার থেকে অনেক বেশি জ্ঞান উনি রাখেন। কিন্তু উনি একটা দুর্নীতিগ্রস্ত দল বেছে নিয়েছেন। এটা আমার অনুভব।” নাম না করে আসানসোলের তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) তারকা প্রার্থী তথা অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা (Shatrughan Sinha) প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।

    কোন প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য?

    প্রসঙ্গত আসানসোলের (Asansole) বিজেপি প্রার্থী এসএস আলুয়ালিয়ার নির্বাচনী প্রচারে আসেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। রবিবার এসএস আলুয়ালিয়ার সাথে একটি রোড শো (road show) এ অংশগ্রহণ করেন তিনি। এরপরে এক বেসরকারি হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: বন্দে মেট্রোর ট্রায়াল রান শুরু জুলাইতে, জুড়বে ১২৪ শহরকে

    হুড খোলা গাড়িতে রোড শো

    এদিন হুড খোলা গাড়িতে চড়ে রোড শো শুরু হয়। মিঠুনের পাশে সেই গাড়িতে ছিলেন ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী। আসানসোলের বটতলা বাজার এলাকায় এই রোড শো শেষ হওয়ার কথা ছিল, তার আগেই মিঠুন চক্রবর্তী রোড শো থেকে চলে আসেন। ফলে বটতলা বাজার এলাকায় সাধারণ মানুষ মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে না পেয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। যদিও এরপর এই ঘটনায় বিজেপি (BJP) নেতা মিঠুন চক্রবর্তী সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, “এতে বিজেপি কর্মীদের কোনও দোষ নেই, আমি পারছিলাম না। আমার পা কাঁপছিল।” একথা বলে এরপর সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন মহাগুরু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: “শাহজাহানকে আড়াল করেছেন মমতা”, বহরমপুরে তোপ জেপি নাড্ডার

    JP Nadda: “শাহজাহানকে আড়াল করেছেন মমতা”, বহরমপুরে তোপ জেপি নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৩ এপ্রিল বহরমপুরে (Beharampur) লোকসভা ভোট। আর তার আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর গড় বহরমপুর লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। রবিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ প্রখর তাপদাহের মধ্যে বিধায়কহীন বড়ঞা বিধানসভায় বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল কুমার সাহার সমর্থনে সভা করেন তিনি।

    কী বললেন নাড্ডা (JP Nadda)?

    বড়ঞার জালিবাগানের জনসভায় বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল কুমার সাহার সমর্থনে ভোট দিয়ে তাঁকে জয়ী করার আহ্বান জানালেন জেপি নাড্ডা। এদিন প্রচারের পাশাপাশি ফের একবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রসঙ্গ উঠে এল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার মুখে। সন্দেশখালিতে যেভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা করেন নাড্ডা। তিনি বলেন,”শেখ শাহজাহানকে (Sheikh shahjahan) আড়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি (Mamata Banerjee)। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন ব্যবহার একেবারে অনুচিত। সন্দেশখালির মহিলাদের উপর যে অত্যাচার হয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বাংলার মায়েদের উপর অত্যাচার করেছে তৃণমূলের নেতা।” এদিন নির্বাচনী জনসভায় (Lok Sabha Election Campaign) জেপি নাড্ডার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডক্টর নির্মল কুমার সাহা, বহরমপুর সংগঠনিক জেলা সভাপতি সহ বিজেপি নেতৃত্বরা ও প্রায় হাজার হাজার কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষ।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল দুষ্কৃতীর কোপে মাথা ফাটল মহিলা বিজেপি কর্মীর! থানায় বিক্ষোভ দেবশ্রীর

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    এই লোকসভায় এবার হাড্ডাহাড্ডি ত্রিমুখী লড়াই হতে চলেছে। আর এই সভা থেকেই এদিন জেপি নাড্ডা (JP Nadda) তৃণমূলের (TMC)বিরুদ্ধে চালচোর থেকে শুরু করে সন্দেশখালির ঘটনা, কাটমানি, শিক্ষক দুর্নীতি, জমি মাফিয়া সহ বিভিন্ন দুর্নীতির জন্য ক্ষোভ উগরে তীব্র কটাক্ষ করেন, এবং একই সঙ্গে বাংলার এই সরকারকে উচ্ছেদ করার ডাক দেন। উল্লেখ্য লোকসভা ভোটের মরশুমে এই প্রথমবার রাজ্যে এলেন বিজেপি নেতা। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), অমিত শাহ একাধিকবার বঙ্গে এলেও বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি এলেন প্রথম। আর সব শেষে এদিনের সভায় নাড্ডা এও বলেন যে, বিজেপি এখানে ৩৫ টির বেশি আসনে জিতবে। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার যে সুযোগ সুবিধাগুলি দিচ্ছে তা বঙ্গে হতে দিচ্ছে না মমতার সরকার। ফলে এই প্রকল্পগুলির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “হামলা হলে হামলা হবে, চোখ দেখালে চোখ দেখাবো”, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলীপের

    Dilip Ghosh: “হামলা হলে হামলা হবে, চোখ দেখালে চোখ দেখাবো”, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election) জোর প্রচার চলছে বর্ধমানে। আর প্রচারের মাঝেই ফের দিলীপ ঘোষের নিশানায় তৃণমূল। এবার মারের বদলে পাল্টা মারের হুঁশিয়ারি দিলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। “হামলা হলে হামলা হবে, চোখ দেখালে চোখ দেখাবো, লাঠি দেখালে লাঠি দেখাবো, আমি দিলীপ ঘোষ।” এভাবেই রবিবাসরীয় সকালে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের (Burdwan Durgapur Lok Sabha constituency) বিজেপি প্রার্থী।

    রবিবাসরীয় প্রচারে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)

    এদিন বর্ধমানের সাধনপুর হাইস্কুল মাঠে প্রাতঃভ্রমণ ও জনসংযোগ সারেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তারপর রোজকার মত চা চক্রের অনুষ্ঠানে হাজির হন। সেখানে তিনি বলেন, “আগামী ১৩ তারিখ পর্যন্ত যদি ভদ্রভাবে না থাকে, আমিতো পাঁচ বছর থাকবো তারপর হিসাব কেতাব বুঝে নেব। বিজেপি (BJP) এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়বে না। ওদের প্রার্থীকে এখনই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। গরমে, রোদে কষ্ট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলেন লোক হলো না। ওদের সমস্যা ওদের ব্যাপার। পার্টি অফিসের সামনে থেকে গো ব্যাক বলছে, দম থাকলে বেড়িয়ে আয় আমাদের মতন রোদে গরমে।”

    এছাড়া এদিন প্রচারে বেড়িয়ে আরও একাধিক বিষয়ে মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। কেতুগ্রামে বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়া সাহার প্রচারে হামলার ঘটনায় দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওরা এসবই করবে। আরতো কিছু করার নেই ওদের।” একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে পাখা বিলি নিয়ে সিপিএমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষের পাল্টা দাবী, “ওদের তো হাওয়াও নেই। আমি পাখা বিলি করবো, ক্যালেণ্ডার বিলি করবো। আমি মনে করি এটা নির্বাচনের বিধিভঙ্গ নয় এটা নির্বাচনের অঙ্গ।” পাশাপাশি শনিবার জামালপুরে নির্বাচনী সভায় অভিষেক ব্যানার্জির মন্তব্য নিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “উনি কি মনে করেন ডায়মণ্ড হারবার একমাত্র লোকসভা যে সব টাকা ওখানে খরচ হবে। আসলে উনি ডায়মণ্ড হারবার মডেল চালু করার চেষ্টা করছেন।”

    আরও পড়ুন: প্রায় ২৬ হাজার বাতিল চাকরির মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টে, সোমেই শুনানি

    অভিষেককে নিশানা দিলীপের

    উল্লেখ্য, শনিবার জামালপুরের সেলিমাবাদের মাঠে বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শর্মিলা সরকারের সমর্থনে নির্বাচনী সভায় অভিষেক ব্যানার্জি ঘোষণা করেন লোকসভা নির্বাচনে যে পঞ্চায়েত, যে এলাকায়, যে ব্লকে, যে বিধানসভায় তৃণমূল (TMC) জিতবে সেই এলাকায় প্রকৃত উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকে যাবে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। আর এবার সেই বিতর্কের মাঝেই অভিষেক ব্যানার্জিকে (Abhishekh banerjee) সরাসরি নিশানা করলেন দিলীপ ঘোষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: তৃণমূল দুষ্কৃতীর কোপে মাথা ফাটল মহিলা বিজেপি কর্মীর! থানায় বিক্ষোভ দেবশ্রীর

    Loksabha Election 2024: তৃণমূল দুষ্কৃতীর কোপে মাথা ফাটল মহিলা বিজেপি কর্মীর! থানায় বিক্ষোভ দেবশ্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) মধ্যেই মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীর। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে কসবা থানার গেটের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসলেন বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরি। ঘটনায় অভিযুক্ত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। এই ঘটনায় ভোটের আবহে ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রে।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Loksabha Election 2024)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতায় বিজেপির সাংগঠনিক জেলার কসবা মণ্ডল সভাপতি সরস্বতী সরকারকে চপার দিয়ে কোপ মারার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রতিবাদে আনন্দপুর থানার সামনে বিজেপি ব্যাপক ভাবে বিক্ষোভ দেখায়। এদিন এই ঘটনায় জন্য বিক্ষোভের নেতৃত্বে দেখা যায় এই দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী (Loksabha Election 2024) দেবশ্রীকে। তিনি নিজে বিজেপি কর্মী সরস্বতীদেবীর বাড়িতে যান। এরপর তাঁকে সঙ্গে করে আনন্দপুর থানায় নিয়ে আসেন। এরপর থানার ওসির সঙ্গে দেখা করতে চান। কিন্তু থানায় ওসি না থাকায় কথা হয়নি। উল্লেখ্য তৃণমূলের তরফ থেকে এই হামলার কথা অস্বীকার করেছে। বিজেপির জেলা সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্য বলেন, “১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা ১০ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষের নির্দেশে আমাদের এই মহিলা মণ্ডল সভাপতি আক্রান্ত হয়েছেন। এলাকার প্রভাবশালী নেতা হলেন সুশান্ত ঘোষ। সেই জন্য কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না আনন্দপুর থানার পুলিশ।”

    কী বললেন দেবশ্রী?

    বিজেপির মহিলা কর্মীকে আক্রমণ এবং কোপ মারার ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে একাধিক বিষয়ে মমতার বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বিজেপি নেত্রী দেবশ্রী চৌধুরী। তিনি বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কি এই ভাবেই শাসন চালাবেন। তাঁর প্রার্থী (Loksabha Election 2024) মালা রায় এই ভাবে মহিলাদের মারধর করবার জন্য ভোট চাইছেন? বিজেপির এক মহিলাকে কোপ দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে।” একই ভাবে থানায় ওসিকে না পেয়ে তোপ দেগে দেবশ্রী আরও বলেন, “থানায় তো নেই, স্নান করতে গিয়েছেন। স্নান করে মাংসভাত খাবেন। তারপর সুখটান দেবেন। এরপর তৃণমূল নেতা সুশান্ত ঘোষকে ফোন করে সিদ্ধান্ত নেবেন। যতক্ষণ ওসি আসবেন না ততক্ষণ এখানে আমরা বসে থাকব। দেখি তাঁর হজম হতে কত সময় লাগে। তারপর ওষুধ নিয়ে আসব।”

    আরও পড়ুন: বিজেপি কর্মী আসলে কেউটে সাপ মনে করে লাঠি দিয়ে পেটানোর নিদান দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনার দায় অস্বীকার করে তৃণমূল নেতা সুশান্ত ঘোষ বলেন, “ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। তবে নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) সময়ে এই ধরনের ঘটনা না ঘটলেই ভালো হতো। ঘটনায় যুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তি চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: আজমল কাসভকে ফাঁসিতে লটকানোর নেপথ্য নায়ককেই প্রার্থী করল বিজেপি

    Lok Sabha Elections 2024: আজমল কাসভকে ফাঁসিতে লটকানোর নেপথ্য নায়ককেই প্রার্থী করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি আজমল কাসভকে মনে আছে? মুম্বইয়ে ২৬/১১ জঙ্গি হামলার একমাত্র জীবিত জঙ্গি ছিল সে। ওই হামলায় নিহত হয়েছিলেন (Lok Sabha Elections 2024) ১৬৪জন। এই কাসভকেই ফাঁসিতে লটকানোর নেপথ্য নায়ক ছিলেন যিনি, সেই উজ্জ্বল দেওরাও নিকমকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করল বিজেপি। উত্তর-মধ্য মুম্বই কেন্দ্রের পদ্ম-প্রার্থী তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, নিকমকে টিকিট দিয়ে এই কেন্দ্রে বিরোধীদের কার্যত দাঁড়িয়ে গোল দিল বিজেপি।

    নায়ক নিকম

    স্মৃতির সরণী বেয়ে ফিরে যাই চলুন ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর, এই তিন দিনে। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বাণিজ্য নগরী মুম্বই। নিহত হয়েছিলেন ১৬৪জন। জখম হয়েছিলেন অন্তত ৩০৮ জন। গোটা বিশ্বে তোলপাড় করা এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল কাসভকে। সেই সময় সরকারি আইনজীবী ছিলেন নিকম। ওই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ফাঁসি হয়েছিল কাসভের। কাসভকে ফাঁসিকাঠে চড়ানোর নেপথ্য (Lok Sabha Elections 2024) নায়ক ছিলেন নিকমই। কেবল কাসভই নন, নিকমের ফোকরহীন যুক্তির জেরে ফাঁসির সাজা হয়েছে আরও ৩৬ জনের। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন ৬২৮ জন। আইনজীবী মহলে নিকমকে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ সংক্রান্ত মামলার ‘মাস্টার’ বলা হয়। এহেন নিকমকেই প্রার্থী করে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে বিজেপি।

    অকপট নিকম 

    তিনি যে রাজনীতির জগতের লোক নন, অকপটে সে কথা স্বীকারও করেছেন নিকম। বলেন, “আমি জানি, আমি রাজনীতির জগতের লোক নই। বছরের পর বছর ধরে আপনারা আমায় আদালতে লড়াই করতে দেখেছেন। বিজেপি আমায় এই দায়িত্ব দিয়েছে। সেজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে কৃতজ্ঞ। বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা, মহারাষ্ট্র বিজেপির প্রধান চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে, উপ মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ, মুম্বই বিজেপির প্রধান আশিস শেলারের কাছেও আমি কৃতজ্ঞ।”

    আরও পড়ুুন: “প্রথম দু’দফার ফল হতে চলেছে ২-০”, মহারাষ্ট্রে বললেন মোদি

    এর পরেই রাজনীতিতে নবাগত নিকম বলেন, “রাজনীতির জগতের লোক না হলেও, আপনাদের মাধ্যমে আমি প্রত্যেককে বলতে চাই, দেশের সংবিধান, আইন এবং সুরক্ষাই থাকবে আমার অগ্রাধিকারের তালিকায়। যে লোকসভা কেন্দ্র থেকে আমায় লড়তে বলা হয়েছে, সেটি মুম্বইয়ের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। এই আসনে এক সময় লড়তেন প্রয়াত মনোহর জোশী, রামদাস আটাওয়ালা এবং পুনম মহাজন। এঁরা সংসদে বারাংবার সরব হয়েছেন নানা ইস্যুতে।” প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন নিকম (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: “প্রথম দু’দফার ফল হতে চলেছে ২-০”, মহারাষ্ট্রে বললেন মোদি

    Lok Sabha Elections 2024: “প্রথম দু’দফার ফল হতে চলেছে ২-০”, মহারাষ্ট্রে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দু’দফার ফল হতে চলেছে ২-০। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সব আসন পাবে। শূন্য হাতে ফিরতে হবে ইন্ডিয়া ব্লককে। শনিবার নির্বাচনের ফলের যে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, এই হল তার নির্যাস (Lok Sabha Elections 2024)। মহারাষ্ট্রের কোলাপুরে বিজেপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই নিশানা করেন ইন্ডিয়া ব্লককে। তিনি বলেন, “কোলাপুরকে মহারাষ্ট্রের ফুটবল হাব বলা হয়। ফুটবল স্থানীয় যুবকদের ভীষণ প্রিয়। গত দু’দফার নির্বাচনের ফল যদি আমি ফুটবলের ভাষায় প্রকাশ করি, তাহলে বলতে হয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২-০-তে লিড করছে।”

    ইন্ডি জোটকে নিশানা মোদির (Lok Sabha Elections 2024)

    বিরোধীরা দেশবিরোধী এবং তুষ্টিকরণের রাজনীতি (Lok Sabha Elections 2024) করছেন বলেও এদিন অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ডিএমকে, কংগ্রেসের কাছে যাদের গুরুত্ব খানিক বেশি, তারা সনাতন ধর্মকে গালাগাল দিচ্ছে। তারা সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া বলছে। আর ইন্ডি জোট তাদের মহারাষ্ট্রে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। যারা সনাতন ধর্মকে ধ্বংস করার কথা বলে, তাদের সম্মানিত করছে। এসব দেখলে বালাসাহেব (ঠাকরে) অবশ্যই দুঃখিত হতেন।”

    উদ্ধব-শিবিরকেও আক্রমণ

    শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবিরকেও এদিন নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ওরা (উদ্ধব ঠাকরে শিবির) ডিএমকের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছে।” প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনায় উঠে এসেছে ইন্ডিয়া ব্লক এবং মহা বিকাশ আগাড়ির প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করতে গিয়ে তারা ঔরঙ্গজেবের অনুগামীদের সঙ্গেও জোট করছে। সিএএ প্রত্যহারের যে প্রতিশ্রুতি বিরোধীরা দিয়েছেন, এদিন তাকেও একহাত নেন প্রধানমন্ত্রী। অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েও না যাওয়ায়ও এদিন বিরোধীদের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “তারা (মন্দির কর্তৃপক্ষ) সব কিছু ভুলে গিয়েছিলেন (রাম মন্দির নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থান)। কংগ্রেসের দুয়ারে গিয়ে ২২ জানুয়ারি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তারা তা পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে। কেউ যদি ভগবান রামকেই প্রত্যাখ্যান করেন, তাহলে আপনি কী করবেন?”

    আরও পড়ুুন: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    কংগ্রেসের ইস্তাহারে (পোশাকি নাম ‘ন্যায়পত্র’) সম্পদের পুনর্বণ্টনের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তাকেও কটাক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই দল (কংগ্রেস) চিরকাল বাবাসাহেবকে (সংবিধান রচয়িতা, ভীম রাও আম্বেডকর) অশ্রদ্ধা করে আসছে। এখন তারা দলিত ও বঞ্চিতদের জন্য সংরক্ষণও কেড়ে নিতে চাইছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • South 24 Parganas: বিজেপি কর্মী আসলে কেউটে সাপ মনে করে লাঠি দিয়ে পেটানোর নিদান দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    South 24 Parganas: বিজেপি কর্মী আসলে কেউটে সাপ মনে করে লাঠি দিয়ে পেটানোর নিদান দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়নগর লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলের সমর্থনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার গোসাবা বিধানসভার চুনাখালি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে নির্বাচনীয় জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। জনসভায় তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল এবং বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল ও সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়িকা লাভলী মৈত্র উপস্থিত ছিলেন। দলীয় প্রার্থীকে পাশে বসিয়ে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপিকে নিশানা করে একাধিক আক্রমণ করলেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক।

    বিজেপি কর্মীদের কেউটে সাপের সঙ্গে তুলনা (South 24 Parganas)

    জনসভায় (South 24 Parganas) বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাসন্তী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন,” ভারতবর্ষ এবং বাংলার মানুষের সব থেকে বড় শত্রু বিজেপি। ধর্মের নাম করে এই দল বিষ ছড়াচ্ছে।” এরপর সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা তৈরি থাকবেন। ঘর বা বাড়ি বা বাস্তুর পাশে যদি বিজেপি কর্মীরা আসেন, মনে করবেন কেউটে সাপ এসেছে। সঙ্গে সঙ্গে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাড়া করুণ।” তৃণমূল বিধায়কের এই বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।” অন্যদিকে, সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়িকা লাভলী মৈত্র মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে কড়া আক্রমণ করলেন। তিনি বলেন,” যখন বিজেপি প্রার্থী আসবে তাদের জল খাওয়াবেন। আর ঘেরাও করে ১০০ দিনের কাজের টাকা কোথায় তা জানতে চাইবেন।”

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    জয়নগর (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক বিকাশ সর্দার বলেন, শ্যামলবাবু তো কয়েকদিন আগে তৃণমূলে থাকতে ভয় পাচ্ছিলেন। এখন বিজেপিকে কেউটে সাপের মতো আচরণ করে লাঠি দিয়ে মারার কথা বলছেন। এটুকু বলতে পারি, বিজেপিকে মারতে হবে না। তৃণমূল কর্মীরাই আপনাকে লাঠি পেটা করবেন। এসব যত বলবেন, মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন। আর রাজ্যজুড়ে যা দুর্নীতি করেছে তৃণমূল, তাতে ভোট চাওয়ার মুখ নেই। এখন এই ধরনের গরম গরম কথা বলে মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share