Tag: bjp

bjp

  • BJP: ভোটের মুখে সৌমেন্দুর মিছিলে হামলায় অভিযুক্ত তৃণমূল, শোরগোল

    BJP: ভোটের মুখে সৌমেন্দুর মিছিলে হামলায় অভিযুক্ত তৃণমূল, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে রাজ্যের একাধিক লোকসভা এলাকায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করছে বিরোধীরা। বিরোধীদের প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এবার পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির বিজেপি (BJP) প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী  ঘটনা ঘটেছে? (BJP)

    শনিবার কাঁথির বিজেপি (BJP) প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর জনসংযোগ কর্মসূচি ছিল কাঁথির ভাজাচাউলি অঞ্চলের সরপাই বাজারে। তিনি মিছিল করে যাওয়ার পথে ভাজাচাউলি অঞ্চলের পশ্চিম সরপাইতে কাঠপুলের কাছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা র‍্যালির ওপর পাথর ছোড়ে এবং হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এই হামলায় দুই বিজেপি নেতা গুরুতর আহত হন। একজনের চোখে গুরুতর আঘাত লাগে এবং অন্যজনের মাথায় আঘাত লাগে বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত দুজন হলেন সূর্যকমল বাগ এবং শম্ভু পাল। আহতদের অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা খড়িপুকুরিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে। বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারী, উত্তর কাঁথির বিধায়িকা সুমিতা সিনহা, কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর মণ্ডল, বিজেপি নেতা কনিষ্ক পন্ডা আক্রান্ত দলীয় নেতৃত্বদের দেখতে খড়িপুকুরিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে রাতেই পৌঁছে যান। পরে, তাঁদের চিকিৎসার জন্য তমলুকে পাঠানো হয়।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানকে দেখেও শিক্ষা হয়নি, রেখার সভায় তৃণমূলের “দাদাগিরি”!

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির (BJP) কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর মণ্ডল বলেন, “তৃণমূলের হার্মাদ ও দুষ্কৃতীরা বুঝে গিয়েছে ওদের দিন অতিক্রান্ত। মানুষের মধ্যে জাগরণ ঘটেছে, মানুষের হৃদয়ে আছে পদ্ম প্রতীক, তাই সেই স্বতঃস্ফূর্ততাকে কখনও ভয় দেখিয়ে, হামলা করে আটকানো যাবে না।” পালটা কাঁথি সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি পীযূষকান্তি পন্ডা বলেন, “এই হামলার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। তৃণমূল শান্তিতে বিশ্বাস করে। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। এটি বিজেপির আদি-নব্যের লড়াই। ভোটের মুখে তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে ভোটের ময়দানে জমি পেতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: ‘বিজেপি একাই পেতে পারে ৩৫০টি আসন’, দাবি শীর্ষ অর্থনীতিবিদের

    Lok Sabha Elections 2024: ‘বিজেপি একাই পেতে পারে ৩৫০টি আসন’, দাবি শীর্ষ অর্থনীতিবিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উনিশের লোকসভা নির্বাচনের ফলকেও ছাপিয়ে যেতে চলেছে চব্বিশের ভোটের রেজাল্ট! এবার (Lok Sabha Elections 2024) বিজেপি ৩৫০টি আসন পেতে পারে। অন্তত এমনই দাবি করলেন খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ সুরজিৎ ভাল্লা।

    কী দাবি করলেন অর্থনীতিবিদ? (Lok Sabha Elections 2024)

    সম্প্রতি দিনের আলো দেখেছে তাঁর নতুন বই ‘হাউ উই ভোট’। সে সংক্রান্ত এক সাক্ষাৎকারে সুরজিৎ দাবি করলেন, বিজেপি ৩৩০ থেকে ৩৫০ আসন পেতে পারে। তিনি বলেন, “স্ট্যাটিসটিক্যাল সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে বলা যায় বিজেপির একারই পাওয়া উচিত ৩৩০ থেকে ৩৫০টি আসন। এটা আমি কেবল বিজেপির কথাই বলছি, তাদের সহযোগী দলগুলির কথা বলছি না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপির যে প্রচার চলছে, তাতেই দেখা যাবে উনিশের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় এবার বিজেপির ভোট বাড়বে ৫ থেকে ৭ শতাংশ।”

    ফিরছেন মোদিই!

    লোকসভার ৫৪৩টি আসনে নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রাক নির্বাচনী বিভিন্ন সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, দিল্লির কুর্সিতে ফিরছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার (Lok Sabha Elections 2024)। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিভিন্ন জনসভায় দাবি করেছেন, বিজেপি একাই পাবে ৩৭০টি আসন। আর এনডিএ পাবে ৪০০টি আসন। প্রধানমন্ত্রীর দাবি যে নিছক অনুমান নয়, তার প্রমাণ মিলল এই অর্থনীতিবিদের দাবিতেও। তিনি বলেন, “এটা একটা আলোড়ন ফেলা নির্বাচন হতে চলেছে। প্রতিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও তাই থাকে। তবে এবার আলোড়ন আরও বেশি।” সুরজিৎ বলেন, “কংগ্রেস এবার ৪৪টি আসন পেতে পারে। অথবা ২০১৪ সালের ভোটে যা পেয়েছিল, তার দু’শতাংশ পেতে পারে।”

    আরও পড়ুন: “বাম-কংগ্রেস একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    সুরজিৎ বলেন, “বিরোধীদের (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডি) সমস্যাটা হল নেতৃত্বের। সিংহভাগ ক্ষেত্রে বিষয়টি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে এই অর্থনীতির পরেই রয়েছে নেতৃত্ব। আর এই দুটোই এখন বিজেপির ফেভারে রয়েছে। যদি বিরোধীরা এমন একজন নেতা ঠিক করতে পারতেন, যাঁর সার্বিক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে অথবা এমন একজনকে তুলে ধরতে পারতেন যাঁর গ্রহণযোগ্যতা অন্তত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অর্ধেক, তাহলেও লড়াই হত বলে আমার মনে হয়।”

    এই অর্থনীতিবিদের ভবিষ্যদ্বাণী, এবার তামিলনাড়ুতেও বিজেপি অন্ততপক্ষে পাঁচটি আসন পাবে। অথচ এ রাজ্যে এক সময় বিজেপি দুর্বল ছিল। তিনি বলেন, “তামিলনাড়ুতে বিজেপি যদি পাঁচটির বেশি আসন পায়, তাহলেও আমি অবাক হব না। কেরলেও একটা-দু’টো আসন পেতে পারে।” দেশবাসীর জীবনযাপনের মানোন্নয়নের জন্যই উনিশের নির্বাচনের চেয়েও এবার আরও বেশি আসন নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় ফিরবে বলেই দাবি তাঁর (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: সৌজন্যতা দেখালেন দিলীপ-মমতাজ, বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকল বাংলার রাজনীতি

    Lok Sabha Election 2024: সৌজন্যতা দেখালেন দিলীপ-মমতাজ, বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকল বাংলার রাজনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক নেতা মানেই প্রতিপক্ষকে সব সময় আক্রমণ করতে, এমন নয়। বরং, বিরোধী বা শাসক দলের কেউ আক্রান্ত বা অসহায় অবস্থায় থাকলে তাঁর পাশে থাকার বার্তা দেওয়ার সৌজন্যতা দেখানো একজন রাজনৈতিক নেতার কর্তব্য। যা বর্তমানে উধাও।  এই ভোট (Lok Sabha Election 2024) প্রচারের ফাঁকে এমনই রাজনৈতিক সৌজন্যের ছবি ধরা পড়ল পূর্ব বর্ধমানে। নজির গড়লেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। শাসক দলের জখম কর্মীর প্রতি তাঁর সৌজন্যতা দেখে শাসক দলের কর্মীরাও মুগ্ধ। প্রশংসা কুড়ালেন সকলের।

    জখম তৃণমূল কর্মীকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন দিলীপ (Lok Sabha Election 2024)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, গত ১০ এপ্রিল পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে স্বপন মল্লিক নামে এক তৃণমূল কর্মী জখম হন। দলের অন্য গোষ্ঠীর হাতে তিনি গুরুতর জখম হন। তিনি এখন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। স্বপনকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে দিলীপ বলেন, “চুরি বা যে কোনও অন্যায় দেখে প্রতিবাদ করলেই তৃণমূল নেতারা আক্রমণ করছে। তাতে তৃণমূল কর্মীরাও রেহাই পাচ্ছেন না। বিধায়ক গোষ্ঠীর লোকজন ১০০ দিনের কাজের টাকা লুট করেছে। স্বপন তার প্রতিবাদ করেছিলেন। তাই তিনি আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা স্বপনের পরিবারের পাশে আছি। ওঁরা খুবই গরিব। যতটা পারলাম সাহায্য করেছি। আগামীদিনেও আমরা সাহায্য করব।” তৃণমূল মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “দিলীপ ঘোষ ভোটে (Lok Sabha Election 2024) দাঁড়িয়েছেন। তাই, সহানুভূতি আদায়ের জন্য হাসপাতালে গিয়েছেন।”

    অধীর বিক্ষোভে তৃণমূল কর্মীদের দুষলেন বিধায়ক

    সৌজন্যের রাজনীতির নজির গড়লেন মুর্শিদাবাদের নওদার তৃণমূল বিধায়ক শাহিনা মমতাজ। বিপক্ষ দলের প্রার্থীর প্রতি ‘অভব্য’ আচরণের ঘটনায় প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিলেন নিজেরই দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, শনিবার বেলার দিকে শাহিনার বিধানসভা নওদা এলাকায় প্রচারে গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। তাঁর উদ্দেশে গো ব্যাক স্লোগানও দেন শাসকদলের লোকেরা। যা ঘিরে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিকেলে সেই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন শাহিনা। দলীয় কর্মীদের আচরণ সমর্থন না করে বিধায়ক বলেন, “যা হয়েছে, সেটা অসভ্যতা এবং নোংরামি এমন কাজকে মোটেই সমর্থন করছি না। বিরোধী দলের প্রার্থী হিসাবে অধীরের অধিকার রয়েছে প্রচার করার। কেন নোংরামো করবে? এই ধরনের নোংরামো একদমই ঠিক নয়।” ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আবহে শনিবার মমতাজ ও দিলীপের এমনই’সৌজন্য-রাজনীতি’র সাক্ষী থাকল পশ্চিমবঙ্গ। সাম্প্রতিককালে রাজ্য-রাজনীতিতে যা বিরল বলেই মনে করছেনঅনেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: শাহজাহানকে দেখেও শিক্ষা হয়নি, রেখার সভায় তৃণমূলের “দাদাগিরি”!

    Basirhat: শাহজাহানকে দেখেও শিক্ষা হয়নি, রেখার সভায় তৃণমূলের “দাদাগিরি”!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে ইডির ওপর হামলার করার শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর কী হাল হয়েছে তা রাজ্যের মানুষ দেখেছেন। জেল বন্দি শাহজাহানের অবস্থা দেখেও শিক্ষা নেয়নি তৃণমূল নেতারা। এবার বসিরহাটের (Basirhat) বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের প্রচারের সময় তৃণমূলের একাংশের দাদাগিরির অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সন্ধেয় ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হিঙ্গলগঞ্জের কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ভোটের আগে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Basirhat)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় হিঙ্গলগঞ্জের (Basirhat) কালীনগর এলাকায় বিজেপি প্রার্থী তথা সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রর সমর্থনে একটি সভা ছিল। সেই সময়েই তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী দলবল নিয়ে সভাস্থলে একপ্রকার ‘দাদাগিরি’ দেখান বলে অভিযোগ। সভাস্থলের যে ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে বেশ কিছু তপ্ত বাক্য বিনিময় ধরা পড়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্যের শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেছে বিজেপি। বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র বলেন, ‘হয়ত তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী ভয় পেয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর কাজ এটাই। তারা এটাই করে এসেছে। আজ বসিরহাটের মানুষ এককাট্টা হয়েছেন দেখে, তারা ভয় পাচ্ছে। তারা এতদিন মানুষের ওপর অত্যাচার করে এসেছে। সেই নেশাটাই তো ছাড়তে পারছে না। ওরা চাইছে বিজেপি যেখানে যেখানে সভা করবে, সেখানে সেখানে গিয়ে ভয় দেখাবে ওরা। এসব করে কোনও লাভ হবে না।’

    আরও পড়ুন: ‘‘সামনের সপ্তাহে বোমা পড়তে চলেছে, বেসামাল হবে তৃণমূল’’, কী ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও বসিরহাটের (Basirhat) বিজেপি প্রার্থীর এই অভিযোগকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন না বসিরহাটের তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল কংগ্রেসের বসিরহাট শহর কমিটির সভাপতি অভিজিৎ ঘোষের কথায়, ‘এর কতটা সত্যতা আছে, সে বিষয়ে নিশ্চয়ই তাদের হাতে তথ্য আছে। রেখা পাত্র পায়ের তলায় রাজনৈতিক জমি খুঁজে পাচ্ছেন না। শুধু সন্দেশখালি থেকেই তৃণমূল ৩০-৩৫ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: সুকান্তর সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার, দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে তোপ

    Mithun Chakraborty: সুকান্তর সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার, দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে তোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের হয়ে জেলায় এসেছেন বলিউডের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) । শুক্রবার তপন বিধানসভা এলাকায় মিঠুন জনসভা করার পর এদিন গঙ্গারামপুরে রোডশো করলেন। বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে জনসভা ও রোডশো করলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। সঙ্গে ছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। সুকান্ত মজুমদার ও গঙ্গারামপুরের বিধায়ক সত্যেন রায়।

    গঙ্গারামপুরে মিঠুনের রোডশো (Mithun Chakraborty)

    এদিন গঙ্গারামপুরের প্রধান সড়ক ধরে রোড শো চলতে থাকে। হাজার হাজার বিজেপি কর্মী-সমর্থক মিছিলে হাঁটেন। দেখা গেল, গঙ্গারামপুরের জনপ্রিয় ক্ষীর দই মিঠুন (Mithun Chakraborty) চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার। গঙ্গারামপুরে সিপিএমের জেলা পার্টি অফিসের সামনে অনেকক্ষণ মিঠুন চক্রবর্তীর রোডশো দাঁড়িয়ে যায়। পার্টি অফিসে অনেকেই দেখা গেল ব্যালকনিতে। বালুরঘাট লোকসভায় তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছে বিপ্লব মিত্র। আর গঙ্গারামপুরে তাঁর বাড়ি। তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ির এলাকায় রোড শো করেন বিজেপির রাজ্য জেলা সভাপতি তথা বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার ও মিঠুন চক্রবর্তী। জেলার রাজনীতিতে গঙ্গারামপুরকে তৃণমূলের গড় হিসেবে ধরা হয়। সেই এলাকায় মিঠুন চক্রবর্তী ও সুকান্ত মজুমদারের  রোড শোয়ে সাধারণ মানুষের ভিড় ও উৎসাহ দেখে জয় নিশ্চিত বলে  বিজেপি কর্মীরা আশা করছেন।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালি গেল সিবিআই টিম, কথা বললেন গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে

    দুর্নীতিগ্রস্তদের উচিত শিক্ষা দিয়ে দিন

    গঙ্গারামপুরের রোডশোর পাশাপাশি কুশমন্ডিতে এক জনসভা করেন সুকান্ত মজুমদার ও মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। মিঠুন নাম না করে কয়লা চুরি বালি চুরি, গরু চুরি কিছুই বাদ রাখেননি। মহাগুরু বলেন, যে দল কয়লা, বালি, গরু চুরি সঙ্গে যুক্ত সেই দলের প্রার্থীকে ভোট না দিয়ে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারকে ভোটে জেতানো আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, আমি সাপের ডায়লগটা বলার জন্য আমার ওপর মামলা করেছিল। তাই আমি কিছু ডায়লগ ঘুরিয়ে বলছি। আমি জল ঢোরা নই, বালি বড়াই নই, আমি সেই সাপ যে ছোট ছোট ইঁদুর খুঁজে বেরোচ্ছি। আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত নই। রেশন চুরি, কয়লা চুরি ও মানুষের লেখাপড়া বিদ্যা চুরি করি না। আমরা সুন্দর বাংলা প্রদান করব। ওরা দুর্নীতিগ্রস্ত। মেয়েদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। তাই এবারে সময় বুঝে দুর্নীতিগ্রস্তদের উচিত শিক্ষা দিয়ে দিন। আর সুকান্ত মজুমদারকে দ্বিতীয় বারের জন্য সাংসদ করুন।

    ৫০ হাজার লিড পাব!

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, গঙ্গারামপুরে মিঠুনের রোড শোয়ে যেরকম মানুষের ভিড় ও উৎসাহ দেখলাম তাতে গঙ্গারামপুর থেকে ৫০ হাজার ভোটে লিড পাবো। আমরা মিঠুন চক্রবর্তীকে গঙ্গারামপুরের বিখ্যাত ক্ষীর দই উপহার দিলাম। তিনি দই খেয়ে সুনাম করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “আমার বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর বোমা মারল তৃণমূলের দৃষ্কৃতীরা”, বললেন বিজেপি নেতা

    Ranaghat: “আমার বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর বোমা মারল তৃণমূলের দৃষ্কৃতীরা”, বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করল বিজেপি। এমনিতেই রানাঘাটের (Ranaghat) বিজেপির প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার তৃণমূলের বুথ সভাপতির বাড়ির সামনে বোমাবাজি করার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    শুক্রবার রাতে রানাঘাট (Ranaghat) শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির ২৩৮ বুথ সভাপতি কল্যাণ কুমার ঘোষের বাড়ির সামনে বোমাবাজির করা হয় বলে অভিযোগ। নদিয়ার রানাঘাটে বিজেপি নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাতে শহরের ভট্টাচার্য পাড়ায় নিজের বাড়িতেই স্ত্রীকে নিয়ে ছিলেন বিজেপির বুথ সভাপতি কল্যাণ কুমার ঘোষ। অভিযোগ, আচমকাই তিনি পরপর তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান পান। এমনকী বোমাবাজির পর তিনজনকে এলাকা ছেড়ে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেন তিনি। এই বিষয়ে বিজেপির বুথ সভাপতি কল্যাণবাবু বলেন,আমি যখন বাড়ি থেকে স্কুটি করে দলের কাজে বের হবো বলে প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেই সময়ই বাড়ির সামনে পরপর তিনটি বোমা ছোড়া হয় আমার বাড়ি লক্ষ্য করে। বাড়ি থেকে বেরিয়েই দেখি, তিনজন দুষ্কৃতী ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালায়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। বিষয়টি নিয়ে রানাঘাট থানায় অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। রাতে শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করে বিজেপি পক্ষ থেকে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এই বোমাবাজির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    বিজেপি প্রার্থীর গাড়ির ওপর হামলা

    প্রসঙ্গত, রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা  প্রাক্তন সংসদ জগন্নাথ সরকারের গাড়িতে দুষ্কৃতীরা হামলার ঘটনা ঘটে। পরে, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার  বিরুদ্ধে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক শান্তিপুর ঘোড়ালিয়া বাইপাস মুখে রাস্তা অবরোধ করা হয়। তাদের দাবি, অবিলম্বে মিথ্যে মামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে সাজানো সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: মমতার বিরুদ্ধে এবার উস্কানি ও হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

    Mamata Banerjee: মমতার বিরুদ্ধে এবার উস্কানি ও হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে দ্বারস্থ হল বিজেপি (BJP)। মমতার বক্তব্য নিয়ে আপত্তি তুলে ইতিমধ্যেই কমিশনকে চিঠি দিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে। বিজেপির অভিযোগ, “জলপাইগুড়ির সভায় মমতা ভোটারদের হিংসায় প্ররোচনা দিয়েছেন। সেই সঙ্গে দিয়েছেন উস্কানি, যা আদর্শ আচরণবিধির বিরোধী।”

    ঠিক কী বলেছিলেন মমতা (Mamata Banerjee)?

    গত মঙ্গলবার ১৭ এপ্রিল জলপাইগুড়িতে সভা ছিল মমতার (Mamata Banerjee)। সেই সভা থেকেই ওইদিন বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, ”আমার গাড়ি দেখে ওঁরা চোর বলছে। সেদিন ওঁদের জিভ টেনে নিতে পারতাম। কিন্তু ভোট (Lok sabha Election 2024) বলে কিছু বলিনি! তা ছাড়া আমি নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ নই। ওঁরা বলেন, বেছে বেছে জেলে পাঠাব। উল্টো ঝুলিয়ে সিধে করে দেব’। আমি সেটা বলব না। জিভ টেনে নিতে পারলেও সেটা করব না।’’

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ারের চালসায় বিজেপির সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি লক্ষ্য করে বিজেপির কয়েক জন কর্মী ‘চোর চোর’ স্লোগান (Slogan) দিয়েছিলেন। সেই ঘটনার পাল্টা জবাব দিতে গিয়েই মঙ্গলবারের সভা থেকে এমন মন্তব্য করে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এবার মুখ্যমন্ত্রীর সেই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই কমিশনে দারস্থ হয় পদ্ম শিবির।

    বিজেপির অভিযোগ

    জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যে মন্তব্য করেছেন তাতে স্পষ্ট, এখন ভোটের জন্য তিনি সংযত থাকছেন। তবে ভোট মিটে যাওয়ার পর হিংসা শুরু হতে পারে। আদর্শ আচরণ বিধি অনুযায়ী, ভোটের আগে এমন কথা বলা যায় না। এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃদায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    মোদি ও শাহ কেও নিশানা মমতার

    তবে শুধু বিজেপি কর্মীদেরই নয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকেও নিশানা করেছিলেন মমতা (Mamata Banerjee)। গত বিধানসভা নির্বাচনে কোমরের দড়ি আর পাথরের মিষ্টি উপহার দেওয়ার কথা বলেছিলেন মমতা। একই ভাবে এই রাজ্যের মোদি-শাহের ভোট প্রচারকে বার বার ‘বহিরাগত’ বলে ছিলেন তিনি। এমন কী ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মহিলাদের দ্বারা ঘেরাও করার কথা বলে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন খোদ মমতা।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘‘সংরক্ষণ থাকবে, মোদির নামেই প্রথম দফায় বাম্পার ভোট’’, বললেন শাহ

    Lok Sabha Election 2024: ‘‘সংরক্ষণ থাকবে, মোদির নামেই প্রথম দফায় বাম্পার ভোট’’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি ক্ষমতায় এলে সংবিধান পরিবর্তন করে তফশিলি জাতি, জনজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ বাতিল করার কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার গুজরাটের গান্ধীনগর (Lok Sabha Election 2024) থেকে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শাহ। শুক্রবার রাজস্থানের যোধপুরের ভোপালগড়ের একটি নির্বাচনী জনসভা থেকে শাহ বলেন, ‘দেশে লোকসভা নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ে বাম্পার ভোটিং হয়েছে। মোদি, মোদি জয়ধ্বনি দিয়ে মানুষ ভোট দিয়েছেন।’ 

    সংরক্ষণের সুবিধা প্রসঙ্গে শাহ

    সংবিধান পরিবর্তন প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, ‘‘বিরোধীরা বলছেন, সংবিধানে যে সংরক্ষণের সুবিধা রয়েছে তা তুলে দিতেই চারশো আসনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে বিজেপি। আমি স্পষ্ট বলে দিতে চাই, চারশো আসনের সঙ্গে সংবিধান বা সংবিধানে থাকা সংরক্ষণ নীতির পাল্টানোর সম্ভাবনা নেই। বিজেপি সংরক্ষণের পক্ষে। কোনও ভাবেই সংরক্ষণের সুবিধা প্রত্যাহার করা হবে না এবং কাউকে তা করতেও দেওয়া হবে না। জনতার প্রতি বিজেপির দায়বদ্ধতা রয়েছে। বিরোধীরা ভুলে যাচ্ছেন, ২০১৪ সালে এনডিএ-র যা সদস্য সংখ্যা ছিল, তা সংবিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট ছিল। আর ২০১৯ সালে বিজেপি একাই নিজের শক্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। তার পরেও বিজেপি সংরক্ষণ নীতি পাল্টানোর চেষ্টা করেনি।’’

    আরও পড়ুন: দুঃসহ জ্বালা! আজই কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪২ ডিগ্রি, চরম সতর্কতা জেলায় জেলায়

    ভোট নিয়ে স্মৃতিচারণায় শাহ

    ২০১৯ সালে গান্ধীনগর থেকে তিনি লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024) জিতেছিলেন ৫.৫ লাখ ভোটে। এবার ফের একবার গান্ধীনগরের মাটিতে ভোট-ভাগ্য পরীক্ষা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আর তার লক্ষ্যে শুক্রবার মেগা রোড শো করে মনোনয়ন জমা দেন অমিত শাহ। শুক্রবার গুজরাটের নরেন্দ্রপুরা থেকে সরখেজ হয়ে গান্ধীনগর পৌঁছায় শাহের রোডশো। এই রোড শো নিয়ে অমিত শাহ বলছেন, ‘আমার জন্য স্পেশ্যাল এটাই যে যে জায়গা দিয়ে রোড শো গিয়েছে, সেখানে এককালে আমি পোস্টার মেরেছি, দেওয়াল লিখন করেছি পার্টির জন্য, আমার সফর এই এলাকায় স্থানীয় পার্টি কর্মী থেকে শুরু হয়েছিল আর সেখান থেকে আজ যেখানে আমি আছি…।’ রাজনৈতিক সফর নিয়ে অকপট অমিত শাহ বলছেন, ‘৩০ বছর ধরে এখানের মানুষ আমায় বিধায়ক, সাংসদ বানিয়েছেন। আর পরে আমি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হয়েছি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছি। আমি নরেন্দ্র মোদির সঙ্গী হিসাবে গুজরাটে তাঁর মন্ত্রিসভায় ছিলাম, কেন্দ্রেও আছি। আমি এটার জন্য গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি গান্ধীনগরের মানুষের ভালোবাসা আর আশীর্বাদ আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “১ লক্ষ ভোটে সুকান্ত মজুমদারকে আমরা জয়ী করব”, বললেন বিজেপিতে যোগদানকারীরা

    Balurghat: “১ লক্ষ ভোটে সুকান্ত মজুমদারকে আমরা জয়ী করব”, বললেন বিজেপিতে যোগদানকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের বালুরঘাটে (Balurghat)  তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল তৃণমূল। সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি সহ শতাধিক তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন। ভোটের মুখে এই যোগদানের ঘটনায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা চাঙা হয়ে উঠেছে।

    কারা যোগদান করলেন? (Balurghat)  

    ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি রঞ্জিত সরকার, ওয়ার্ডের যুব সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস, মহিলা তৃণমূল সভাপতি টুম্পা সান্যাল সরকার, তৃণমূলের বুথ সভাপতি রবীন সূত্রধর-সহ শতাধিক কর্মী, সমর্থক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের (Balurghat) বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আজ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট রঞ্জিত সরকারের নেতৃত্বে ওয়ার্ডের মহিলা প্রেসিডেন্ট টুম্পা সরকার, বুথ সভাপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন বুথের তৃণমূলের মহিলা নেত্রী এসেছেন। আরও অনেকে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিজেপির পতাকা তুলে নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদির কাজ দেখে। এতে ভোটের আগে আমাদের অনেকটাই শক্তিবৃদ্ধি হল।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    ১ লক্ষ ভোটে জয়ী করাই লক্ষ্য

    তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করে রঞ্জিত সরকার বলেন, আমি তৃণমূলে  নানা পদে থেকেছি। কিন্তু বিজেপি এখানে যা কাজ করেছে, তা দেখেই আমরা দল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিই। সুকান্ত মজুমদার বিভিন্ন পরিষেবা দিয়েছেন এই বালুরঘাটকে। অমৃত ভারত স্টেশন দিয়েছেন। তাই আমরাও বিজেপিতে এলাম। আর অনেকে আসতে চান, নানা কারণে আসতে পারছেন না। আমাদের টার্গেট সুকান্ত মজুমদারকে ১ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জেতানোর। সেই লক্ষ্যপূরণে আমরা নিজের এলাকায় কাজ করা শুরু করেছি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বালুরঘাট লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্বাচনী প্রচারে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় নরেন্দ্র মোদি এসে ঝড় তুলেছিলেন। এবার মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী সুকান্তর সমর্থনে বালুরঘাটে প্রচারে আসেন। শুক্রবার তপনে জনসভা করেছেন। এদিন রোড শো করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: যুবতীর সঙ্গে আশীলন আচরণে অভিযুক্ত তৃণমূল, নির্যাতিতার পাশে সন্দেশখালির প্রতিবাদী মহিলারা

    Raiganj: যুবতীর সঙ্গে আশীলন আচরণে অভিযুক্ত তৃণমূল, নির্যাতিতার পাশে সন্দেশখালির প্রতিবাদী মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটল রায়গঞ্জে (Raiganj)। আর সেই নির্যাতিতার পাশে দাঁড়াতে রায়গঞ্জে এলেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা। শুক্রবার রায়গঞ্জে আসেন সন্দেশখালির ১২জনের একটি দল। রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কার্তিক চন্দ্র পালের সমর্থনে কালিয়াগঞ্জে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর জনসভায় যোগ দেন তাঁরা। এমনকী হেমতাবাদে এক নির্যাতিতার পাশে দাঁড়ান তাঁরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Raiganj)

    ভোটের স্লিপ বিলি করতে গিয়ে এক মহিলার সঙ্গে অভব্য আচরণ করার অভিযোগ রায়গঞ্জে (Raiganj) হেমতাবাদে। জানা গিয়েছে, ভোটের স্লিপ দিতে এসে জল চেয়েছিলেন অভিযুক্ত। তারপরই বাড়ির এক যুবতীর সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। অভিযুক্তকে গাছে বেধে মারধরের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। বিজেপির জেলা সভাপতিই ভিডিও পোস্ট করেন। অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক তৃণমূলের সমর্থক। এই ঘটনার পর অভিযোগকারী মহিলার সঙ্গে গিয়ে দেখা করেন সন্দেশখালির মহিলাদের ১২ জনের একটি দল। তাঁর পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, বিগত দিনে উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও একাধিক নারী নির্যাতনের অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিশেষ করে কালিয়াগঞ্জের সাহেবঘাটায় এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোরালো আন্দোলনেও নেমেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। এবারে লোকসভা নির্বাচনে সন্দেশখালির মহিলাদের বিজেপির হয়ে প্রচারে আসার ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    আরও পড়ুন: দুঃসহ জ্বালা! আজই কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪২ ডিগ্রি, চরম সতর্কতা জেলায় জেলায়

    সন্দেশখালির মহিলারা কী বললেন?

    এদিন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা বলেন, শুধু সন্দেশখালি নয়, গোটা পশ্চিমবঙ্গে নারীদের ওপরে যেভাবে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারই বিরুদ্ধে আমরা প্রচারে নেমেছি। এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে কারণে আমরা এ জেলায় এসে মানুষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। তৃণমূল ক্ষমতায় এলে ফের নারী নির্যাতন হবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকারের বক্তব্য, নির্বাচনের আগেই যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে তাহলে ভোটে জেতার পর কি অবস্থা হবে তা ভেবেই ভোটারদের ভোট দেওয়া উচিৎ। তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি অরিন্দম সরকারের বক্তব্য, অভিযুক্ত তৃণমূল করেন কি না তা জানা নেই। আর সব দলেই খারাপ বা ভাল লোক থাকেন। যদি এমন কেউ করেই থাকেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share