Tag: bjp

bjp

  • Subhas Sarkar: অম্বেডকরের জন্মদিনে বিজেপির শ্রদ্ধাঞ্জলি, প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ সুভাষের

    Subhas Sarkar: অম্বেডকরের জন্মদিনে বিজেপির শ্রদ্ধাঞ্জলি, প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ সুভাষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা ভোট (lok sabha vote 2024), হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই রবিবার বাংলা নববর্ষের দিনেও চুটিয়ে ভোট প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। জনসংযোগ বাড়াতে এবার ভোট প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ করতে দেখা গেল বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারকে (Subhas Sarkar )। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।

    জুতো পালিশ করে প্রচার (Subhas Sarkar)

    রবিবার ডক্টর বি.আর.অম্বেডকরের (B.R Ambedkar) জন্মদিন উপলক্ষে বাঁকুড়ার মাচানতলা থেকে লালবাজার পর্যন্ত বিশেষ পদযাত্রায় অংশ নেন বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar)। সেখানেই হুড খোলা গাড়িতে চড়ে নিজের জুতো পালিশ করলেন তিনি। মিছিলে প্রচার চালাতে চালাতে হঠাৎই তিনি নিজের হাতে তুলে নেন নিজের জুতো। গাড়িতে দাঁড়িয়েই ব্রাশ দিয়ে সেই জুতো পালিশ করতে শুরু করেন তিনি।

    সুভাষ সরকারের বক্তব্য (Subhas Sarkar )

    বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar ) বলেন, “নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে কোনও কাজই ছোটো নয়। ডক্টর বি.আর.অম্বেডকর দলিত ও অত্যন্ত নিম্নবর্গ থেকে উঠে এসে সংবিধান প্রণয়নের মতো মহান কাজ করেছিলেন। একই সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নাম করে তিনি বলেন, “অম্বেডকরের স্বপ্ন আজ পূরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী। ডক্টর বি.আর.অম্বেডকরের সেই ভাবনা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই আজ জুতো পালিশ করলাম।”

    তৃণমূলের কটাক্ষ

    জুতো পালিশের বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। ওই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এটা কি জনগণের জুতো পালিশ হচ্ছে। সেটা তো হয়নি। জনগণকে তো ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। এসব করে নাটক করছেন সুভাষবাবু (Subhas Sarkar )। এতে কি ভোট বাড়ে।”

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে তৃণমূলের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির

    নানা প্রচারের প্রার্থীরা

    যদিও এমন ঘটনা আশ্চর্যের নয়। ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ভোটের প্রচারে বেরিয়ে এর আগে বিষ্ণুপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডলকে কখনও চুল কাটতে দেখা গিয়েছে ,কখনও আবার দেখা গেছে চা, চপ, পাঁপড় ভেজে তা বিক্রি করতে। কোনও প্রার্থীকে আবার দেখা গেছে টোটো চালাতে, কাউকে আবার দেখা গেছে সবজি বিক্রি করতে। তাই এই কাজকে জনগনের হয়ে  অম্বেডকরের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ছাড়া আর কিছুই না বলে মনে করেন না সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar )।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: পয়লা বৈশাখ ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ কবে হল আমরা জানি না, তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    Dilip Ghosh: পয়লা বৈশাখ ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ কবে হল আমরা জানি না, তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পয়লা বৈশাখ, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কবে হল আমরা জানি না। টিএমসি (TMC) চলে গেলে এই দিনটাও চলে যাবে। পশ্চিমবঙ্গ কবে শুরু হয়েছে তৃণমূল জানে না। পশ্চিমবঙ্গকে মিটিয়ে দিয়ে বাংলা করার চেষ্টা করছে, আবার পশ্চিমবঙ্গ দিবসও করছে।” পয়লা বৈশাখের সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে এবারে মমতার পশ্চিমবঙ্গ দিবসকেই একহাত নিলেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (dilip ghosh)।

    বাংলা দিবসের প্রস্তাব বিধানসভায়

    উল্লেখ্য, গত বছরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) বিধানসভায় দাঁড়িয়ে জানিয়েছিলেন, “বাংলা দিবস নিয়ে বিধানসভায় আনা প্রস্তাবে রাজ্যপাল স্বাক্ষর না করলেও পহেলা বৈশাখ দিনটিই বাংলা দিবস হিসাবে পালন করা হবে।” এবার রবিবার পয়লা বৈশাখের দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের প্রসঙ্গ তুলে আনেন দিলীপ ঘোষ। এদিন আলমগঞ্জের কল্পতরু মাঠে প্রাতঃভ্রমণে যান তিনি। এরপর সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। এদিন মাঠে নেমে আবার খোলা ব্যাটে নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তিনি। যার মধ্যে রয়েছে উত্তরবঙ্গে মমতা বা অভিষেকের (abhisekh banerjee) বক্তব্য।

    মমতাকে তোপ দিলীপের

    অভিষেক বলেছিলেন, “টিএমসি জিতলে ডিসেম্বরে আবাসের টাকা ঢুকবে।” আর এবার সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বললেন, “দু’তিনবার তো জেতাল তৃণমূলকে মানুষ। টাকা কোথায় যাবে, সবাই জেনে গেছে। বিজেপি (BJP) জিতলে সবাই সব প্রকল্পের সুবিধা পাবে। টিএমসি জিতলে কয়েকটা পরিবার মাত্র পাবেন।” পাশাপাশি মমতা উত্তরবঙ্গে বলেছিলেন, “কেন ভোটদান বিজেপিকে?” এই প্রসঙ্গেও দিলীপ সপাটে জবাব দিয়ে জানিয়েছেন, “হ্যাঁ, বিজেপিকে ভোট দিয়ে বাড়ি পেয়েছেন, শৌচালয় পেয়েছেন, ফ্রিতে রেশন-ভ্যাকসিনও পেয়েছেন। মমতাকে ভোট দিয়ে কী পেয়েছেন? রাস্তাও পাননি ঠিকমতো। রাস্তা করেছেন? মাঠ ফাঁকা করে দিয়ে লুঠ করেছে সর্বত্র। পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য লুঠ করেছে তৃণমূল। আর ওদের মত কাটমানিখোরেরা আজ টিএমসির নেতা এখানে। কটা রাস্তা হাটার মতো আছে? সারা রাত পার্টি করে, নেতারা সকালবেলায় ঘুমায়। ওরা কী করে জানবে? রাস্তায় তো নামুক একবার।”

    আর কী বললেন?

    উল্লেখ্য এই প্রসঙ্গের সূত্র ধরেই দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পড়ে থাকুন। বসে থাকুন, শুয়ে থাকুন। উত্তরবঙ্গের আর জঙ্গলমহলের মানুষ তাঁকে শিক্ষা দিয়েছেন। তৃণমূলের জেতার চান্স ও কোনও সুযোগ নেই। এখন মানুষের মন গলাবার চেষ্টা করছেন। উনি গোয়াও গেয়েছিলেন। আসামেও গেয়েছিলেন। কী হলো? ওখানকার লোক দেখিয়ে দিয়েছে টিএমসির কী ওজন আছে। মানুষ টিএমসিকে ছাড়তে শুরু করে দিয়েছে। আর পিছন দিকে তাকাবে না।

    আরও পড়ুন: “ভোটের পর তিহাড়েই যাবেন দেব!”, নির্বাচনী প্রচারে আক্রমণ হিরণের

    কীর্তি আজাদকে কী বললেন?

    অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ (kirti azad) সম্প্রতি বলেছিলেন, “দিলীপ ঘোষের সঙ্গে লোক না, কতগুলো কুকুর হাঁটে।” এবার কীর্তি আজাদের সেই মন্তব্য তুলে দিলীপ বলেছেন, “একদিন আমার সঙ্গে হাঁটুন না তিনি। লোক আছে কী না বুঝে যাবেন। আমার লোকেরা তো আমায় তাড়া করে না। আমাকে পালাতেও হয় না নিজেরই লোকের চাপে। তিনি নাচানাচি করে বাঁদর খেলার মতো লোক জড়ো করার চেষ্টা করছেন। আবার ঘোড়ায়ও চাপছেন। একই সঙ্গে অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে হাঁটছেন। এটা কী ধরণের গণতন্ত্র? তিনি দাড়িয়েছেন না তাঁর স্ত্রী দাড়িয়েছেন? এটাই বড় প্রশ্ন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “কংগ্রেস দুর্নীতির আখড়া, ওদের অবস্থা বিগবসের মতো”, তোপ রাজনাথের

    Lok Sabha Elections 2024: “কংগ্রেস দুর্নীতির আখড়া, ওদের অবস্থা বিগবসের মতো”, তোপ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী (Lok Sabha Elections 2024) প্রচারে গিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের। কংগ্রেস যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই দুর্নীতি বেড়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। কংগ্রেস পার্টিকে তিনি রিয়েলিটি শো ‘বিগবসে’র সঙ্গেও তুলনা করেছেন।

    কী বললেন রাজনাথ? (Lok Sabha Elections 2024)

    শনিবার ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া ও কাঙ্কের জেলায় আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করেন রাজনাথ। তিনি বলেন, “লোকসভা নির্বাচনের পর এ রাজ্যে কংগ্রেসকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই তারা ডাইনোসোরের মতো বিলুপ্ত হয়ে যাবে।” এদিনের জনসভায় রাজনাথ আরও একবার ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র পক্ষে সওয়াল করেন। এতে যে সময় ও অর্থ দুই সাশ্রয় হয়, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। রাজনাথ বলেন, “কংগ্রেস যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই দুর্নীতি বেড়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে দলটি (কংগ্রেস) যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।”

    ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’

    ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ছত্তিশগড়ের ক্ষমতায় এসেছিল কংগ্রেস। সেই সময় উঠেছিল গোবর কেলেঙ্কারির অভিযোগ। এদিনের জনসভায় সেই প্রসঙ্গও টানেন রাজনাথ। তবে টানা দশ বছর ক্ষমতায় থাকলেও, নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির কোনও অভিযোগ ওঠেনি, তাও মনে করিয়ে দেন রাজনাথ (Lok Sabha Elections 2024)। বলেন, “নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কেউ একটাও দুর্নীতির অভিযোগ তুলতে পারবেন না।” মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেওকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যের নয়া বিজেপি সরকার দ্রুত ছত্তিশগড়ের উন্নয়ন করবে।” কংগ্রেসকে মরচে পড়া লোহার সঙ্গেও তুলনা করেন রাজনাথ। তার পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেস বিগবস (রিয়েলিটি শো) হাউসের মতো। এর নেতারা সর্বদা একে অন্যের জামা ছিঁড়ে ফেলতে ব্যস্ত।”

    আরও পড়ুুন: প্রচারে গিয়ে পাথরের ঘায়ে জখম অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী, আরোগ্য কামনা প্রধানমন্ত্রীর

    কংগ্রেসের অবস্থা ক্রমেই শোচনীয় হচ্ছে বলেও দাবি রাজনাথের। তিনি বলেন, “২০২৪ সালের পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যেই কংগ্রেস দলটা লাটে উঠে যাবে। পরে যখন প্রসঙ্গক্রমে কংগ্রেসের কথা উঠবে, তখন বাচ্চারা জিজ্ঞাসা করবে কংগ্রেস কে।” এর পরেই তিনি বলেন, “ডাইনোসোরের মতো কংগ্রেসও বিলুপ্ত হয়ে যাবে অচিরেই। সেই কারণেই কংগ্রেস ছেড়ে নেতারা যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “বাংলা হচ্ছে জঙ্গিদের সেফ করিডর”, বিস্ফোরক দিলীপ

    Dilip Ghosh: “বাংলা হচ্ছে জঙ্গিদের সেফ করিডর”, বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলা হচ্ছে জঙ্গিদের সেফ করিডর। আজ পর্যন্ত যত জঙ্গি সব এখানেই ধরা পড়েছে।” জঙ্গি ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে তোপ দাগলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “জঙ্গিরা দু’মাস ধরে ঘুরছিল। তখন কী করছিলেন। এটা কি মামার বাড়ি পেয়েছে। জঙ্গিরা ঘুরে বেড়াবে আর আপনি তাদের খাওয়াবেন, পুষবেন, সুরক্ষা দেবেন।”

     সব জঙ্গি বাংলাতেই ধরা পড়ছে! (Dilip Ghosh)

    বিজেপি প্রার্থী (Dilip Ghosh) বলেন, যত জঙ্গি সব বাংলাতেই ধরা পড়ছে। কারণটা হল কোনও ভয় নেই। এছাড়া এখান থেকে আধার কার্ড, রেশন কার্ড করে তারা বাংলাদেশ থেকে আসছে। এখানে এসে ট্রেনিং নিয়ে সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে গিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ ঘটাচ্ছে। একসময় বাংলাদেশ সরকারও বলেছে যে পশ্চিমবঙ্গতে ট্রেনিং নিয়ে হুজি জঙ্গি সংগঠন ওখানে গিয়ে ঝামেলা করেছে। এখান থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে ওখানে টাকা পয়সা পাঠানো হয়েছে। বারবার এই চোর সরকারের জন্য বাঙালিকে বদনাম হতে হচ্ছে। যে রাষ্ট্রবাদী বাঙালি, বিপ্লবী বাঙালি সে এখন রাষ্ট্রবিরোধী জঙ্গি বাঙালি, চোর বাঙালি হয়ে গিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “পূর্ব মেদিনীপুরে জঙ্গি ধরা পড়েছে। শাহজাহানের মতো লোক ধরা পড়ছে। গোটা রাজ্যে গুণ্ডা, জঙ্গিরা লুকিয়ে আছে। ওরা মারপিট করে, ভয় দেখিয়ে ভোট করাবে। গত বিধানসভা নির্বাচন, লোকসভা নির্বাচনে কোনও রাজ্যে বোম ফেটেছে, মানুষ খুন হয়েছে। কোথাও কিছু হয়নি, যা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। তাই মানুষ ভোট এলে কেন্দ্রীয় বাহিনী চায়। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাজ ভোট দেওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি করা। তাই সেন্ট্রাল ফোর্স পাঠিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন, ডিজি-মুখ্যসচিবের রিপোর্ট তলব কমিশনের

    এনআইএ তদন্ত নিয়ে তৃণমূলকে তোপ

    ভূপতিনগর বিস্ফোরণ সহ একাধিক ঘটনায় এনআইএ তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অনেককে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এনআইএ তদন্ত প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “সব সামনে আসবে। সবে অ্যাসিড ঢালা হয়েছে ইঁদুর, পোকা মাকড় সব বেরচ্ছে। ভোটের পর সব বেরিয়ে আসবে বলে।” একইসঙ্গে মোদিজিকে আবার একবার ভোট দিয়ে জয়ী করার তিনি আবেদন জানান। তিনি বলেন, “মোদিজি যেমন বড় কথা বলেন, তেমনই বড় কাজও করেন। কাশ্মীরে ব্রিজ, রামমন্দির হচ্ছে। তিনি দেশকে ভ্যাকসিন দিচ্ছেন। চন্দ্রযান যাচ্ছে। কৃষকদের টাকা দিচ্ছেন। এইমস হচ্ছে। তাই নরেন্দ্র মোদিকে ভোট দিয়ে বড় মার্জিনে জয়ী করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bjp Manifesto: দেশের গরিব, যুব সমাজ ও মহিলাদের উন্নয়নই লক্ষ্য, নববর্ষে ইস্তাহার প্রকাশ করল বিজেপি

    Bjp Manifesto: দেশের গরিব, যুব সমাজ ও মহিলাদের উন্নয়নই লক্ষ্য, নববর্ষে ইস্তাহার প্রকাশ করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা নববর্ষের দিনই ইস্তাহার প্রকাশ করল বিজেপি। রবিবার সকালে বিজেপির সদর দফতর থেকে ইস্তাহার প্রকাশ করা হয়েছে। এদিন ইস্তাহার (Bjp Manifesto) প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বিজেপির ইস্তাহারের নাম ‘সঙ্কল্প পত্র’।

    কী রয়েছে ইস্তেহারে? (Bjp Manifesto)

    বিজেপির এই ইস্তাহার (Bjp Manifesto) কমিটিতে রয়েছেন ২৭ জন। কমিটির আহ্বায়ক নির্মলা সীতারামন। সহ-আহ্বায়ক পীযূষ গয়াল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মধ্যে কমিটিতে জায়গা হয়েছে ধর্মেন্দ্র প্রধান, অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং ভূপেন্দ্র যাদবের। ইস্তাহার কমিটির মাথায় রয়েছেন রাজনাথ। ইতিমধ্যেই এই কমিটির বৈঠক হয়ে গিয়েছে দু’বার। ইস্তাহার তৈরিতে বিজেপি দেড় মিলিয়নেরও বেশি প্রস্তাব পেয়েছে জনগণের কাছ থেকে। সমৃদ্ধশালী ভারত, মহিলা, যুব, গরিব এবং কৃষকের জন্য কী কী উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে তা উল্লেখ রয়েছে। যেসব প্রতিশ্রুতি পূরণ করা যাবে, সেগুলির ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ইস্তাহারে। মূলত দেশের গরিব, যুব সমাজ, কৃষক ও মহিলাদের লক্ষ্যেই এই ইস্তেহার প্রকাশ করা হয়েছে। ইস্তেহারের ট্যাগলাইন দেওয়া হয়েছে, “মোদি কি গ্যারান্টি”। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ১০ বছর ধরে দেশ অনেকটা এগিয়েছে। দেশের সব দেশে আজ পাকা রাস্তা তৈরি হয়েছে। আবাস যোজনায় ৪ কোটি পাকা বাড়ি তৈরি হয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবায় যুক্ত হয়েছে পঞ্চায়েত। ২ লক্ষ পঞ্চায়েত ইন্টারনেট পরিষেবায় যুক্ত। গ্রামেও ফাইবার অপটিক্স বসেছে। এসবের পাশাপাশি এই ইস্তাহারে মূলত ২৫টি বিষয়ে গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপে আমি দায়বদ্ধ”, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে দেশে বিপুল উন্নয়ন

    রাজনাথ সিং বলেন, “আমি খুব খুশি ও সন্তুষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমরা সমত প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছি। আজ সংকল্প পত্রের মাধ্যমে বিজেপি আত্মসম্মান ও দক্ষ ভারতের রোডম্যাপ প্রকাশ করা হবে।” জেপি নাড্ডা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য সবকা সাথ, সবকা বিকাশ। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে দেশে বিপুল উন্নয়ন হয়েছে। মোদির সরকার হল গরিবের সরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল সরকার দেশকে ধ্বংস করতে চায়”, বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল সরকার দেশকে ধ্বংস করতে চায়”, বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি গ্রেফতার প্রসঙ্গে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দিনরাত এক করে চুটিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন তিনি। শনিবার জেলার গঙ্গারামপুর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রচার করেন তিনি। প্রচারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাঁচ বছরে কী কী কাজ করেছেন তা তিনি সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরেন।

    তৃণমূল সরকার দেশকে ধ্বংস করতে চায় (Sukanta Majumdar)

    বেঙ্গালুরুতে বিস্ফোরণ করে বাংলায় একমাস লুকিয়ে ছিল আইএস দুই জঙ্গি। কলকাতা থেকে দিঘা পর্যন্ত অবাধ বিচরণ জঙ্গিদের। পুলিশি ব্যর্থতা ঢাকতে মরিয়া পুলিশমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, যে দুজন ধরা পড়েছে। তারা যে কর্মকান্ড করেছে বিগত এক মাসে, তাতে তো লোকাল সাহায্য ছাড়া এইসব করতে পারে না। লোকালে তো স্লিপারসেল নিশ্চয় আছে। যারা সামনে আসে না, যারা তথ্য দেয়, পুলিশ এলো কিনা,পুলিশ জানতে পারলো কি না, পুলিশ কে বোকা বানিয়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সি জানতে পারলো কিনা এই সব চেষ্টা করে তারা। এর আগেও তো আমরা দেখলাম মুজিবর রহমানকে যারা হত্যা করেছিল তাদের মধ্যে একজন কলকাতায় ২৬  বছর এসে থেকে গিয়েছে।ধ রতেই পারেনি কলকাতা পুলিশ। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এখন একটাই কাজ, কোথায় থেকে বিজেপি নেতাদের কেস দেওয়া যাবে তার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। আমি এতটুকুই বলতে চাই, তৃণমূল সরকার দেশকে ধ্বংস করতে চায়।

    আরও পড়ুন: “সবই তো আমি দিয়েছি, কেন বিজেপিকে ভোট দেন?,” আক্ষেপ মমতার

    রেশন দুর্নীতির মামলায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    রেশন দুর্নীতি মামলায় আরও ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেক ও বোলপুরের বাড়ি বাজেয়াপ্ত প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন,বিদেশের টাকা ফিরবে কিনা সেতো সময় বলবে। এইটুকু বলতে পারি অতি লোভে তাঁতি নষ্ট। পেপার টাকা পিঁপড়ে খায়। বাকিবুল সারাজীবন কষ্ট করে যা টাকা আয় করেছিলেন, তাতে তিনি সিরাজউদৌল্লা হয়ে গিয়েছিলেন, সেখানে থেকে যেন ফকিরউদৌল্লা না হয়ে যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: অভিষেক চলে যেতেই তৃণমূলে ধস, শাসক দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান শতাধিক নেতা-কর্মীর

    BJP: অভিষেক চলে যেতেই তৃণমূলে ধস, শাসক দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান শতাধিক নেতা-কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুপুরে সভা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Bandopadhyay) । আর অভিষেক এলাকা ছাড়তেই সন্ধ্যা বেলায় তৃণমূলে বড় ভাঙ্গন ধরাল বিজেপি (BJP)। উত্তরবঙ্গের ধুপগুড়ির (Dhupguri) অন্তর্গত মাগুরমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাইশচালা গ্রামে তৃণমূলের (TMC) শতাধিক কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করেন। যারা যোগদান করেছেন তাদের মধ্যে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান বুথ সভাপতিও রয়েছেন। 

    অভিষেক চলে যেতে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান (BJP)

    লোকসভা ভোটের মুখে জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করছে বিজেপি (bjp)। কারণ, শাসকদলের ঘরে সিঁধ কেটে তারা নিজেদের শক্তি আরও বাড়িয়েছে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার ধুপগুড়ির দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে জনসভা করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা শেষ করে এলাকা ছাড়তেই তৃণমূলের কর্মীরা ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুলে নাম লেখালেন। শুক্রবার রাতে বিজেপির ঘরোয়া বৈঠকে তারা পুরনো দল ছেড়ে বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে নেন। বিজেপির ওই বৈঠকের নেতৃত্বে ছিলেন জলপাইগুড়ির বিদায়ী সংসদ তথা এবারেরও বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত কুমার রায়। তাঁর হাত ধরেই কর্মীরা বিজেপিতে যোগদান করেন তৃণমূল কর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, তৃণমূল দলটা আর করা যায় না। দুর্নীতিগ্রস্তরা সামনের সারিতে রয়েছেন।  

    আরও পড়ুন: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে যোগ! কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়?

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ জানান, “তৃণমূল থেকে চলে আসা নেতাদের সঙ্গে তাঁদের অনুগামী প্রায় দেড়শো পরিবার বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন রয়েছে আগামী শুক্রবার। একেবারে প্রথম দফাতেই ভোট জলপাইগুড়িতে। হাতে বাকি আর এক সপ্তাহেরও কম। ঠিক সেই সময়েই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান লোকসভা ভোটের ময়দানে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার। তবে এই যোগদানের প্রসঙ্গে রাজ্যের শাসক শিবিরের থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ১০০ দিনের গরিবের টাকাও খেল শাসক দল! তৃণমূল নেতাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    South 24 Parganas: ১০০ দিনের গরিবের টাকাও খেল শাসক দল! তৃণমূল নেতাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শতাধিক গরিব মানুষের ১০০ দিনের টাকা মেরে খাওয়ার অভিযোগে তৃণমূল নেতাকে ঘিরে বিক্ষোভ অভিযোগ উঠল। লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে এলাকার মানুষের এই ক্ষোভ সামনে চলে আসায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুর লোকসভার কুলপি ব্লকে চরম বিপাকে শাসক দল। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    লোকসভার ঢাকে কাঠি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোট প্রচারের ময়দানে নেমে পড়েছেন সব দল। মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডারকে হাতিয়ার করে অক্সিজেন পাওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল। এই অবস্থায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুর লোকসভার কুলপি ব্লকের করঞ্জলি গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামে ১০০ দিনের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ করল করঞ্জলি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। খাল কাটা থেকে শুরু করে শ্মশানের ঘাস কাটার কাজ করেছিলেন এলাকার মহিলা ও পুরুষেরা। প্রাক্তন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা অঞ্চল সভাপতি স্বপন  মাঝির নেতৃত্বে কাজ করেছিলেন এই এলাকার গরিব মানুষেরা। সেই টাকা তুলে খাওয়ার অভিযোগ উঠল করঞ্জলি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, “আমরা কাজ করার পরও টাকা পেলাম না। অথচ যারা কাজ করেনি, তাদের কাছে সেই টাকা চলে গেল। খাতায় কলমে দেখানো হল, টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।”এরপরই তৃণমূল নেতা স্বপন মাঝিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মহিলা থেকে সাধারণ মানুষ সকলে।

    আরও পড়ুন: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে যোগ! কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল নেতা স্বপন মাঝি বলেন, আসলে টাকা সকলে পাননি, এটা ঠিক। সেই কারণে এলাকার মানুষ এসেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে সামনে বৈঠক বসে সমাধান করব। বিজেপি নেতা অরুনাভ দাস বলেন, দুর্নীতি ছাড়া তৃণমূল বাঁচতে পারে না। গরিবের টাকও মেরে খাচ্ছে। মানুষ এবার নিজের দাবি আদায়ে পথে নেমেছেন। তৃণমূল যত দিন থাকবে, মানুষ ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হবেন। সামনের নির্বাচনে দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে উৎখাত করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru Cafe Blast: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে যোগ!  কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়? 

    Bengaluru Cafe Blast: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে যোগ! কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Bengaluru Cafe Blast) জড়িত ২ আইএস জঙ্গি ২৮ দিন ধরে আস্তানা গেড়েছিল এ রাজ্যেই। এমনটাই জানা গিয়েছে এনআইএ সূত্রে। লোকসভা ভোটের আগে রাজ্য থেকে জঙ্গিদের খোঁজ মেলায় তৃণমূল সরকারকে  তুলোধনা করেছে বিজেপি। তবে, মুখ্যমন্ত্রীর কথা মতো জঙ্গিরা নাকি দুই দিন, বাংলার অতিথি য়ে এসেছিলেন। প্রশ্ন একটাই অতিথি-ই বটে! বাংলা এখন জঙ্গিদের ঘোরার জায়গা। তাদের মুক্তাঞ্চল। এই প্রথম নয়। এর আগেও, একাধিকবার বাংলা থেকে ধরা পড়েছে বহু জঙ্গি। তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলা যেন জঙ্গিদের সেফ-আস্তানা হয়ে উঠেছে বাংলা।

    জঙ্গিদের সেফ হেভেন

    বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণকাণ্ডের (Bengaluru Cafe Blast)  মূল ২ অভিযুক্ত আস্তানা গেড়েছিল কলকাতাতেই। ২ জনকে দিঘা থেকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের মূল চক্রীদের বাংলা থেকে গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা আরও ভয়ঙ্কর তার কারণ সন্দেহভাজন জঙ্গিরা বাংলায় ২৮ দিন ধরে ছিল! এই শহরের বুকে একের পর একে হোটেলে আত্মগোপন করে ছিল! নাম ভাঁড়িয়ে কলকাতায় একের পর এক হোটেলে আস্তানা বদলেছে তারা। পুলিশ-গোয়েন্দাদের চোখে ধুলো দিয়ে জঙ্গিরা সোজা পাড়ি দিয়েছে বাঙালিদের অন্যতম পছন্দের উইক এন্ড ডেস্টিনেশন দিঘা। ভোটের আগে এই জঙ্গিরা ধরা পড়ায় ফের প্রশ্ন উঠেছে, বাংলা কি সন্ত্রাসবাসীদের ‘সেফ হেভেন’? জঙ্গিদের ‘স্লিপার সেল’গুলির আস্তানা? কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়? 

    কবে, কোথায় কারা ধরা পড়েছে 

    কখনও লস্কর-ই-তৈবা তো কখনও আইএস। বাংলায় কেন সক্রিয় জঙ্গি কার্যকলাপ? এরাজ্যকে কি নিরাপদ মনে করছে তারা? অতীতেও, বাংলা থেকে ধরা পড়েছে একাধিক জঙ্গি। ২০০৭ সালে বেঙ্গালুরু তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় নাশকাত হামলার সঙ্গে যুক্ত জঙ্গি সংগঠন ‘আল বদর’-এর সদস্য ধৃত ফৈয়াজ স্বীকার করে, সে দীর্ঘদিন কলকাতায় ছিল। লালবাজারের কাছেই বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের একটি ঠিকানায় পাসপোর্টও বানিয়েছিল সে। পুণের জার্মান বেকারি বিস্ফোরণে অভিযুক্ত জঙ্গি সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন (আইএম)-এর প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য ইয়াসিন ভটকল শুধু লুকিয়েই থাকেনি, কলকাতা থেকে বিস্ফোরকও নিয়ে গিয়েছিল। লস্কর-ই-তৈবার বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ আবদুল করিম টুন্ডাকে এ রাজ্য থেকেই ২০১৩-তে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ কাণ্ডে জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ’ (জেএমবি)-র সদস্য কওসর ওরফে বোমা মিজান, হাবিবুর এবং জেএমবির চিফ সালাউদ্দিন সালে এ রাজ্যে দীর্ঘদিন থেকে সংগঠন তৈরির পাশাপাশি বিস্ফোরক তৈরিও করছিল। ২০২১ সালে কলকাতার হরিদেবপুর থেকে তিন জেএমবি নেতা ধরা পড়ে। আল কায়দার উপমহাদেশীয় শীর্ষ নেতা আবু তালহা বহু দিন কোচবিহারে লুকিয়ে ছিল। সেখানে ভোটার কার্ড-সহ অন্য পরিচয়পত্রও বানিয়ে নিয়েছিল সে। ২০১৭-য় বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত অভিযুক্তদেরও এ রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে আশ্রয় নেওয়া মুফাক্কির নামে এক বাংলাদেশি জঙ্গিকে ২০২৩-এ গ্রেফতার করে এনআইএ। ২০২১ সালে নিউটাউনে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের সঙ্গে এনকাউন্টারে মারা যায় পাঞ্জাবের দুই গ্যাংস্টার জয়পাল ভুল্লার এবং যশপ্রীত জসসি।

    শুভেন্দুর দাবি

    পশ্চিমবঙ্গ আন্তর্জাতিক জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে। এই নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ আন্তর্জাতিক অপরাধীর মুক্তাঞ্চল, এটা আগেও প্রমাণিত। পঞ্জাব পুলিশ চপারে করে এখানে এসে পাঞ্জাবের দুষ্কৃতীদের এনকাউন্টার করেছে। মুজিবর রহমান খুনের দু’জন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত খুনির একজন হাওড়ায় হোমিওপ্যাথ ডাক্তার হিসেবে ছিল। পরে পার্ক সার্কাস থেকে মাজেদকেও ধরা হয়। পার্ক সার্কাস মানে শহরের প্রাণকেন্দ্র। মমতা নিজে দেশবিরোধী কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। দিল্লিতে জাহাঙ্গীরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর দিন যে ঘটনা ঘটেছিল, তার মূল অভিযুক্ত ফিরোজ৷ যে আমাকে হলদিয়ায় পাথর ছোড়ায় অভিযুক্ত, তার বাড়ি তমলুকের একটি গ্রামে। লাল্টু শেখ, আবদুল মান্নান ফেক আই কার্ড তৈরি করত। তারা গত বছর সোনারপুর থেকে গ্রেফতার হয়।”

    দিলীপের অভিমত

    বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ বলেন, “জঙ্গিরা এখানে গা-ঢাকা মোটেই দেয়নি, ওরা জানে এখানে কেউ গায়ে হাত দেবে না। শেখ শাহজাহান তো দু’মাস ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। পুলিশ কি জানত না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানতেন শাহজাহান কোথায় আছে। কেন ধরেননি? ওরাই এই ধরনের লোককে আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করছে।” তিনি আরও বলেন, “বাংলা হচ্ছে জঙ্গিদের সেফ করিডর। আজ পর্যন্ত যত জঙ্গি সব এখানেই ধরা পড়েছে। কারণটা হল কোন ভয় নেই। এছাড়া এখান থেকে আধার কার্ড, রেশন কার্ড করে তারা বাংলাদেশ থেকে আসছে। এখানে এসে ট্রেনিং নিয়ে সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে গিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ ঘটাচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: ২ ঘণ্টা দাবি মুখ্যমন্ত্রীর! দার্জিলিং থেকে দিঘা, ২৮ দিন রাজ্যে ছিল ধৃত আইএস জঙ্গিরা, পাল্টা এনআইএ

    দিলীপের সংযোজন, “হুজি থেকে শুরু করে করে আল-কায়দা, আইএস জঙ্গিরা, ভিনরাজ্যের গ্যাংস্টাররা এখানে ধরা পড়েছে। মাসের পর মাস ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর যখন উপর থেকে ডান্ডা দিয়েছে তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু’ঘণ্টার মধ্যে জঙ্গিদের ধরে ফেললেন। অথচ তারা দু’মাস ধরে ঘুরছিল। তখন কী করছিলেন। এটা কি মামার বাড়ি পেয়েছে। জঙ্গিরা ঘুরে বেড়াবে আর আপনি তাদের খাওয়াবেন, পুষবেন, সুরক্ষা দেবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: “সবই তো আমি দিয়েছি, কেন বিজেপিকে ভোট দেন?,” আক্ষেপ মমতার

    Mamata Banerjee: “সবই তো আমি দিয়েছি, কেন বিজেপিকে ভোট দেন?,” আক্ষেপ মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে খাতা খুলতে জেলায় জেলায় জনসভা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রীর সভায় জনজোয়ার দেখাতে ছোট ছোট মাঠে জনসভা করা হচ্ছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক এনে সেই ছোট মাঠ ভরাচ্ছেন। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। কিন্তু, মাঠ ভরা দেখেও স্বস্তিতে থাকছেন মুখ্যমন্ত্রী। মাঠ ভরলেই ভোট জয় নিশ্চিত তা মনে করছেন না তিনি। তাঁর সভায় যারা আসছেন, সবাই যে তৃণমূলকে ভোট দেবেন না তা মুখ্যমন্ত্রী বুঝে গিয়েছেন। শনিবার শিলিগুড়ি লাগোয়া জাবরকভিটা জুনিয়র হাইস্কুল মাঠে জলপাইগুড়ি আসনে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রকাশ্য সভায় নিজের বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী সেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

     ঠিক কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Mamata Banerjee)

    এদিন ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় একটি ছোট মাঠে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) নির্বাচনী জনসভা ছিল। সেখানে বক্তৃতা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “২০২১-র বিধানসভা নির্বাচনে আমি এখানে গৌতম দেবের হয়ে জনসভা করতে এসেছিলাম। বড় মাঠ ভরে গিয়েছিল। ভেবেছিলাম গৌতম জিতবে। কিন্তু, পরে দেখলাম বড় ব্যবধানে ভোটে গৌতম হেরেছে।” মাঠ ভরলেই যে তৃণমূলে জয় নিশ্চিত নয়, নিজের এই আশঙ্কা এভাবেই এদিন তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই তিনি উত্তেজিত হয়ে প্রশ্নের সুরে বলেন, “বিজেপি কী দিয়েছে? সবই তো আমি দিয়েছি। কেন আপনারা বিজেপিকে ভোট দেন?”

    আরও পড়ুন: দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন, একের পর এক বিস্ফোরণ, দমদমে একী কাণ্ড?

    কী বলছে বিজেপি?

    ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কথা শুনতে আর লোক পছন্দ করছে না। কেননা সকলেই জেনে গিয়েছেন উনি মিথ্যা কথা বলেন। মিথ্যাবাদী ও চোরদের কথা আর মানুষ শুনতে চাইছেন না। সে কারণেই তাঁর জনসভায় সাধারণ মানুষ হয় না। লোক দেখাতে ছোট ছোট মাঠে জনসভা করা হচ্ছে। আইসিডএস কর্মী, আশা কর্মী এবং রাজ্য সরকারি কর্মীদের দিয়ে সেই ছোট মাঠ ভরিয়ে দেখানো হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় জনজোয়ার। সেটা মুখ্যমন্ত্রীও জানেন। আর সে কারণেই তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন মাঠ ভরলেই তৃণমূল জিতবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share