Tag: bjp

bjp

  • Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে হামলা, ভাঙচুর করা হল মঞ্চ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে হামলা, ভাঙচুর করা হল মঞ্চ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই সংগঠনকে ঢেলে সাজানো ও শক্তিশালী করে তুলতে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যের শাসকদল যেমন দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন স্থানে বিজয়া সম্মিলনী করে চলেছে, তেমনই পিছিয়ে থাকছে না গেরুয়া শিবিরও। বিজেপির সেই বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। বুধবার কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা-১ নম্বর ব্লকের আটিয়াবাড়ি-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলতলা এলাকায় বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানস্থলে এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে, পুলিশি নিরাপত্তায় বিজয়া সম্মিলনী হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Cooch behar)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকের আটিয়াবাড়ির বেলতলা এলাকায় বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীর প্রস্তুতি চলছিল। তৃণমূলের একদল দুষ্কৃতী লাঠিসোঁটা নিয়ে বাইকে চেপে সেখানে এসে তাণ্ডব চালাতে থাকে। তারা মঞ্চ ছাড়াও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। অনুষ্ঠানের হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে চলে যায়। বিজেপি কর্মীরা তাদের দেখে সেখান থেকে কার্যত পালিয়ে যান। খবর পেয়ে দিনহাটা থানার বিশাল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পুলিশ পৌঁছতেই দুষ্কৃতীরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায়। এরপর পুলিশের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিজেপির পূর্বনির্ধারিত বিজয়া সম্মিলনী সম্পন্ন হয়।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির দিনহাটা মণ্ডলের সহ-সভাপতি রফিক খান বলেন, ‘সন্ত্রাস করে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনী ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের কর্মী-সমর্থকরা এসে অনুষ্ঠানস্থলে ভাঙচুর করে, দলীয় পতাকা ছিঁড়ে দেয়। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা প্রতিবাদ করায় তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়।’

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    অপরদিকে তৃণমূলের আটিয়াবাড়ি ২ নম্বর অঞ্চল সভাপতি আব্দুল মান্নান বলেন, একশো দিনের কাজের টাকা না পেয়ে সেই টাকা সম্পর্কে জানতে গিয়েছিল। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।’ অন্যদিকে সিতাইয়ের বিধায়ক জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া বলেন, ‘বিজয়া সম্মিলনীর মধ্য দিয়ে বিজেপি কর্মীরা নিজেরাই গন্ডগোল করে। তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে লোকসভা ভোটের আগে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। এতে লাভ কিছু হবে না।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘মন্ত্রীদের জেল যাত্রায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি হলে হস্তক্ষেপ করবে কেন্দ্র’’, জানালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘মন্ত্রীদের জেল যাত্রায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি হলে হস্তক্ষেপ করবে কেন্দ্র’’, জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের জেলযাত্রা শুরু হয়েছে গত বছর থেকেই। সম্প্রতি, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেপ্তার করা হয় রাজ্যের আরেক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। ‘‘পরপর মন্ত্রীদের এমন জেল যাত্রায় যদি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়, তাহলে হস্তক্ষেপ করবে কেন্দ্র।’’ সোমবার সল্টলেকে দলের রাজ্য দফতরে বসে একথা বলতে শোনা যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। এর পাশাপাশি বালুরঘাটের সাংসদের দাবি, এরপরে পালা রয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। কারণ সেখানেও দেদার দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে রাজ্যের শাসক দলকে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, ‘‘আমরা তো কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করবোই। কিন্তু যে পরিস্থিতির দিকে বাংলা যাচ্ছে, আগামী দিনে বাংলার সরকার কোথা থেকে চলবে এটা সব থেকে বড় প্রশ্ন। জেলের ভিতর থেকে না জেলের বাইরে থেকে? কালীঘাট থেকে চলবে, না তিহাড় থেকে চলবে, না কি প্রেসিডেন্সি থেকে চলবে, সেটা আগামী দিনে বাংলার মানুষ দেখবে। বাংলা সাংবিধানিক সংকটের সম্মুখীন হলে কেন্দ্র অবশ্যই পদক্ষেপ নেবে। তখন তো কেন্দ্রের পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোনও জায়গা থাকবে না।’’

    স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি ইস্যুতে রাজ্যপালকে চিঠি সুকান্তর

    রাজ্যের প্রায় সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজে দুর্নীতি ও অনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ সুকান্তর। স্বাস্থ্য ভবনেও দেদার দুর্নীতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ। স্বাস্থ্য দফতরে হওয়া দুর্নীতির তদন্তের আর্জি জানিয়ে সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি দিলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘রাজ্যে বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজে দালাল রাজ চলছে। তৃণমূলের নেতাদের মধ্যেও দ্বন্ধ রয়েছে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সুপারের বিরুদ্ধে রয়েছে হাজার হাজার অভিযোগ তবু তাঁকে সেখানে রাখা হয়েছে। আগামীদিনে স্বাস্থ্য মন্ত্রী জেলে যেতে পারেন এতো দুর্নীতির কারণে। এই কারণে আমি সব অভিযোগ ও তথ্য জানিয়ে রাজ্যপালকে চিঠি লিখেছি।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amrit Kalash: তৈরি হবে ‘অমৃত বাগান’, বাংলার মাটি নিয়ে দিল্লি রওনা হলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা

    Amrit Kalash: তৈরি হবে ‘অমৃত বাগান’, বাংলার মাটি নিয়ে দিল্লি রওনা হলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসেই ‘মেরি মাটি, মেরি দেশ’ (Amrit Kalash) কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ৩০ জুলাই নিজের ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রথমবারের জন্য এই কর্মসূচির পরিকল্পনা জানিয়েছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘মেরি মাটি, মেরি দেশ’ কর্মসূচি রাজ্য জুড়ে পালিত হয় ‘আমার দেশ, আমার মাটি’ হিসেবে। জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন কর্মসূচিতে। রবিবারই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মাটি নিয়ে বিজেপি কর্মীরা রওনা হন দিল্লির উদ্দেশে।

    ‘মেরি মাটি, মেরি দেশ’ কর্মসূচি কী?

    দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এবং পবিত্র স্থানের মাটি এবং গাছ দিয়ে দিল্লিতে তৈরি হবে একটি নতুন বাগান। যার নাম হবে ‘অমৃতবাটিকা’। জানা গিয়েছে, নয়াদিল্লির জাকির হোসেন মার্গের ‘ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল’ প্রাঙ্গণে এই বাগানের মাটিতে (Amrit Kalash) মিশে থাকবে সারা ভারতের মাটি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের কাজে শহিদ হয়েছেন যাঁরা, তাঁদের গ্রামে  শিলালিপিও স্থাপন করা হয়েছে। এবার এই কর্মসূচির দুদিনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে সোমবার। মঙ্গলবার সেই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রওনা দিলেন হাজারেরও (Amrit Kalash) বেশি বিজেপির নেতা-কর্মী।

    রবিবার বিজেপির ‘অমৃত কলস যাত্রা’

    রবিবার কলেজ স্ট্রিট থেকে অমৃত কলস (Amrit Kalash) নিয়ে একটি মিছিল করে বিজেপি নেতৃত্ব ধর্মতলায় আসে। সেখানে বক্তব্য রাখেন সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ সমেত অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। বিকাল ৪ টে ৫৫ মিনিট নাগাদ কলকাতা স্টেশন থেকে  বিশেষ ট্রেনে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন বাংলার বিজেপি নেতা-কর্মীরা। জানা গিয়েছে, ট্রেনটি দিল্লি পৌঁছাবে সোমবার বিকাল ৩ টে ২০ নাগাদ। সেখানে বিজেপি কর্মীদের স্বাগত জানাতে হাজির থাকবেন বাঁকুড়ার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। এরপরেই অমৃতবাটিকায় যাবে রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এবং পবিত্র স্থানের মাটি। বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্যের নেতা-কর্মীরা বৃহস্পতিবারের ট্রেনে দিল্লি থেকে রওনা হবেন এবং পশ্চিমবঙ্গে ঢুকবেন শুক্রবার রাতে। জানা গিয়েছে, সারা দেশ থেকে ২০ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি ৭৬৬ জেলা থেকে অংশগ্রহণ করবেন। ৮ হাজারেরও বেশি অমৃত কলস (Amrit Kalash) পৌঁছাবে দিল্লিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mukul Roy: মুকুলের একাকী, নিঃসঙ্গ ছবি সামনে আসতেই কটাক্ষের ঝড় নেটিজেনদের, কী বললেন শুভ্রাংশু?

    Mukul Roy: মুকুলের একাকী, নিঃসঙ্গ ছবি সামনে আসতেই কটাক্ষের ঝড় নেটিজেনদের, কী বললেন শুভ্রাংশু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটা সময় শুধু মিটিং, মিছিল নয়, ঘরোয়া  বৈঠকে তাঁকে ঘিরেই সবসময় থাকতেন অনুগামীরা। তাঁকে বাংলার রাজনীতির চাণক্য বলা হত। সেই মুকুল রায় (Mukul Roy) এখন কার্যত একাকী, নিঃসঙ্গ। রাজনৈতিক প্লাটফর্মেও আর তাঁর সেভাবে দেখা মেলে না। বাড়িতে তাঁকে ঘিরে অনুগামীদেরও আর কোনও ভিড় নেই। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মুকুল রায়ের অসুস্থ, জীর্ণ ছবি সামনে আসতেই একের পর এক প্রশ্ন বাণে বিদ্ধ করা হয় তৃণমূলের প্রাক্তন সেকেন্ড ইন কমান্ডকে।

    মুকুলের ছবি দেখে কী লিখলেন নেটিজেনরা? (Mukul Roy)

    দলের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে মুকুল রায় তৃণমূলে ছিলেন। তিনি রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত হয়েছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পুলিশ প্রশাসন, আমলাদের নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে দলের অন্দরে চর্চিত ছিল। এমনকী বিধায়ক বা সাংসদের টিকিট পেতে গেলেও তাঁর সবুজ সংকেতের প্রয়োজন হত। কাঁচরাপাড়ায় আসলে তাঁকে ঘিরে থাকতেন এক ঝাঁক অনুগামী। রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতা আসার কিছুদিনের মধ্যে তাঁর সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে থাকে। দলের অন্দরে গুঞ্জন রয়েছে, তৃণমূলে অভিষেকের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে দলে কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েন তিনি।  পরবর্তীতে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন। তিনি গত বিধানসভায় নদিয়ার কৃষ্ণনগর বিধানসভা থেকে বিজেপি প্রতীকে জয়ী হয়ে বিধায়ক নির্বাচিত হন। কয়েকমাস পরই তিনি ছেলে শুভ্রাংশু রায়কে নিয়ে তিনি অভিষেকের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি নিজে একাই দিল্লি গিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তৃণমূল দলটা আর করা যায় না বলে তিনি উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন। ফলে, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়। এরই মাঝে নতুন করে তাঁর এই ছবি সামনে আসতেই নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়াতে তাঁর এই ছবি পোস্ট করে অনেকে নানা ধরনের কমেন্ট লিখেছেন। দুদিন আগে বাঁকুড়া জেলার এক বিধায়ক হরকালী প্রতিহার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মুকুল রায়ের এই ছবি পোস্ট করে একজন সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘বাঁকুড়ার দলত্যাগী বিধায়ক হরকালী প্রতিহারেরও একদিন এই হাল হবে।’ কেউ আবার লিখেছেন, ‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না।’ কেউ লিখেছেন, ‘মুকুল ঝড়ে পড়েছে।’

    বাবার ছবি নিয়ে নেটিজেনদের কী প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু?

    পরিস্থিতি এতটাই জটিল আকার নিয়েছে পরিবারের লোকজন চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন। মুকুল (Mukul Roy) পুত্র শুভ্রাংশু এই সোশ্যাল মিডিয়াকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘বর্তমানে বাবার অসুস্থতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি প্রকাশিত করেছে, সেই ছবি নিয়ে অনেকে অনেক কিছু বলছেন। হ্যাঁ, তিনি সত্যিই অসুস্থ, ২৫ বছর ধরে ব্লাড সুগারের সঙ্গে লড়াই চালাতে চালাতে তিনি এখন ডিমেনশিয়া, পারকিনসন ও লিভারের সমস্যায় ভুগছেন এবং তার সঙ্গে বয়সজনিত কারণে মুত্রথলিতেও একটি সমস্যা দেখা দিয়েছে। হ্যাঁ, তিনি সত্যিই খুবই অসুস্থ। আমি তার পুত্র হিসাবে এর মধ্যে থেকে বলতে বাধ্য হচ্ছি, কিছু লোক তাদের শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন। ….আর খোঁজ নেওয়ার প্রশ্নে এইটুকু বলে রাখতে পারি যে,আমাদের দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী শত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজে বাবার খোঁজ নেন প্রতিটি সময়ে। আমাদের নেতৃত্ব অভিষেক ব্যানার্জি ও তার ব্যস্ততার ফাঁকে বাবার খোঁজ নেন সবসময়। সকলের কাছে আমার করজোড়ে নিবেদন, শুধু আমার বাবা কেন, কোনও অসুস্থ মানুষের অসুস্থতা নিয়ে ছেলেখেলা করবেন না, কটাক্ষ করবেন না। এইটুকুই বলার ছিল।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘তৃণমূল নেতারা নিজেদের বাড়িতে টাকা রাখেন না,’ কেন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: ‘তৃণমূল নেতারা নিজেদের বাড়িতে টাকা রাখেন না,’ কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতারা নিজেদের বাড়িতে টাকা রাখেন না। কেউ বান্ধবী, কেউ আবার আপ্তসহায়কের বাড়িতে টাকা রাখেন, কেউ আবার পরিচিত ব্যবসায়ীর বাড়িতে টাকা রাখেন। বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে ইডি হানা প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে একথা বলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, জ্যোতিপ্রিয়বাবুর পার্থবাবুর মত বান্ধবী জোটেনি। সে কারণে আপ্তসহায়ক এর বাড়িতে তিনি টাকা রাখতে পারেন, সেজন্য ইডি তল্লাশি চলছে।

    বাকিবুরের সম্পত্তি নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি? (Sukanta Majumdar)

    ইডি তল্লাশি অভিযান নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এটা হবারই কথা ছিল। কারণ, বাকিবুর রহমানের বিপুল সম্পত্তি। অবাক হয়ে যাচ্ছি তার বলে হাজার বিঘার উপর জমি রয়েছে। বাকিবুরের একার জমি নয়, আসল বাকিবুর অন্য জায়গায় বসে আছে সেটা সবাই জানে সেখান দিয়ে জ্যোতি বেরোচ্ছে, জ্যোতি দেখা যাচ্ছে। ইডি-র অনেক আগেই হানা দেওয়া উচিত ছিল। বাকিবুর রহমানের নামে তৃণমূল নেতারা পয়সা খাটায়, এই পয়সা শুধু বাকিবুরের না। অপরাধীদের বাড়িতে বা অফিসে শুধু হানা দিলেই হবে না। অভিযুক্তদের জেলের ভেতরে ঢোকাতে হবে।

     এথিক্স কমিটির তদন্ত নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, লোকসভার এথিক্স কমিটির কাজ হচ্ছে কোনও সংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে সেই বিষয়টি তদন্ত করে দেখার। স্বাভাবিকভাবে সেই কমিটি তদন্ত করছে এতে যদি দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে সাংসদ পথ খারিজ হবে। কিন্তু, আমার মনে হয় শুধুমাত্র এইটুকুতেই শেষ করলে হবে না। কারণ এর পেছনে বিদেশি কোনও চক্র কাজ করতে পারে। উদ্দেশ্য ভারতীয় কোম্পানিগুলোকে টার্গেট করে ভারতীয় অর্থনীতিকে দুর্বল করা। আদানি,আম্বানি নাম শুধুমাত্র উপলক্ষ, প্রধান উদ্দেশ্য ভারতীয় অর্থনীতিকে দুর্বল করা। ভারতীয় জিডিপি ভালো হচ্ছে তা আমাদের শত্রু দেশগুলোর সহ্য হচ্ছে না। তারা এই সমস্ত কাজ করতে পারে, সেই কারণেই বড় মাপের তদন্ত হওয়ার প্রয়োজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Telangana Assembly Election 2023: তেলেঙ্গানায় ফের বিজেপি প্রার্থী কট্টর হিন্দুত্বের মুখ টাইগার রাজা

    Telangana Assembly Election 2023: তেলেঙ্গানায় ফের বিজেপি প্রার্থী কট্টর হিন্দুত্বের মুখ টাইগার রাজা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার তেলেঙ্গানা বিধানসভা নির্বাচনের (Telangana Assembly Election 2023) প্রথম দফায় ৫২ জনের একটি প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করছে বিজেপি। সেই তালিকায় নাম প্রকাশ পেয়েছে টাইগার রাজা সিং-এর। এই টাইগার সিং, রাজ্যের দাপুটে হিন্দুত্ববাদী নেতা। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম প্রধানমুখ হিসাবে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে আরও মোট তিনজন সাংসদকে বিধানসভায় টিকিট দিয়েছে বিজেপি। তাঁদের মধ্যে একজন সাংসদকে দুটি কেন্দ্র থেকে টিকিট দেওয়ার কথা জানা গেছে। আপাতত টাইগারের টিকিটে শোরগোল তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজনীতিতে।

    কে এই টাইগার সিং (Telangana Assembly Election 2023)?

    বরাবর তেলেঙ্গানা রাজ্যে হিন্দুত্ব নিয়ে ব্যাপক চর্চায় থাকতেন এই টাইগার রাজা। রাজ্যে গো-রক্ষা থেকে শুরু করে হিন্দু সনাতন ধর্মের অপামানকারীদের বিরুদ্ধে তীব্র সরব ছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশের যথার্থ ইতিহাসবোধ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরিতকরণ, লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে বেশ সক্রিয় থাকতেন এই নেতা। সূত্রে জানা গেছে, এই নেতার নির্বাচনী কেন্দ্র হল ঘোষমহল কেন্দ্র। উল্লেখ্য ২০১৮ সালে এই কেন্দ্র থেকেই বিজেপি আসনটিতে জয়ী হয়েছিল। এইবারের নির্বাচনে তাই হিন্দুত্ববাদী নেতাকেই প্রার্থী করা হয়েছে। আর তাই তাঁর সমর্থকদের মধ্যে লক্ষ করা গেছে বেশ উৎসাহ।

    টাইগার সিং বিতর্কিত কেন?

    নুপুর শর্মার মন্তব্যের বিতর্ক যখন তুঙ্গে ছিল, সেই সময় নুপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন করেছিলেন টাইগার সিং। ২০২২ সালে নুপুরকে সমর্থন করায় বিতর্ককে আরও উস্কে দেন, বলে মনে করেছিলেন বিরোধী রাজনীতির লোকেরা। সেই সময় দলের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ রাখতে, তাঁকে বিজেপির তরফ থেকে সাময়িক সাসপেন্ড করা হয় বলে জান যায়। কিন্তু এবার বিধানসভার নির্বাচনের (Telangana Assembly Election 2023) আগে বিজেপি, টাইগারের সাসপেনশেন তুলে নেয় এবং তারপর তাঁকে নির্বাচনী টিকিট প্রদান করা হয়। বিরোধী পক্ষের লোকেরা তাঁর টিকিটে খুব একটা খুশি নয় তাও জানা গিয়েছে।

    বিজেপির শৃঙ্খলা কমিটির বক্তব্য

    বিজেপির কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটির পক্ষ থেকে টাইগার রাজা সম্পর্কে বলা হয়, “টাইগারের প্রতিক্রিয়া দলের কমিটি বিবেচনা করেছে। আর তারপর তাঁর উত্তরের পরিপ্রেক্ষিতে শৃঙ্খলা কমিটি অবিলম্বে সাসপেনশেন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” উল্লেখ্য তাঁর সাসপেনশেন তুলে নেওয়ার পরই প্রার্থীপদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।     

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটের ক্লাবের পুজোয় পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দিলেন সুকান্ত

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটের ক্লাবের পুজোয় পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দিলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মহাঅষ্টমীর অঞ্জলি দিলেন বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) মৈত্রীচক্র ক্লাবে। যেহেতু পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে শাসক বনাম বিরোধীদের লড়াই, প্রত্যেক দিনের অঙ্গ, তাই বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে নানান কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকতে হয়। রাজ্য রাজনীতি নিয়ে শত ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারকে সময় দিতে অষ্টমী থেকে পুজোর কয়েকটা দিন তিনি বালুরঘাটেই থাকবেন বলে জানা গেছে। পুজো সেরে রাজ্যে হিংসামুক্ত সমাজ গড়ে তোলার বার্তা দিলেন বালুরঘাটের সাংসদ। 

    অষ্টমীর অঞ্জলি দিলেন সুকান্ত (Dakshin Dinajpur)

    অষ্টমীর দিন বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচীর আগেই স্ত্রী কোয়েল চৌধুরী মজুমদার এবং দুই কন্যা সৃজা ও শ্রীময়ীকে নিয়ে পাড়ার মৈত্রী চক্র ক্লাবে (Dakshin Dinajpur) অঞ্জলি দেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। পুজো দিয়ে, রাজ্যের সকলর জন্য অশুভ শক্তিকে পরাজয় করে, শুভ শক্তি জাগরণের মাধ্যমে মঙ্গল কামনা করলেন।

    কী বলেন সুকান্ত

    বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur) পুজো দিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “সংগঠন দেখার কাজে বিভিন্ন কর্মসূচি করে বাড়িতে সময় দিতে পারি না। তাই পুজোয় এসেছি অঞ্জলি দিতে। সেই সঙ্গে স্ত্রী কন্যাদেরকে কাজের ফাঁকে কিছুটা সময় দেওয়াটাও প্রয়োজন।” তবে তিনি পরিবার বলতে সমগ্র জেলার তথা রাজ্যেরবাসীর কথা বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে অসুরের সংখ্যা বেড়ে গেছে, তাই পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রার্থনা জানাই মা দুর্গার কাছে।” পাশাপাশি রাজ্যপালের বক্তব্যের পালটা কুনাল ঘোষের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, “বর্তমানে হিংসা মুক্ত, দুর্নীতি মুক্ত পশ্চিমবঙ্গ একান্ত প্রয়োজন।”

    পুজো হল জনসংযোগের মাধ্যম

    সুকান্তর বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur) পুজোতে অঞ্জলি দেওয়াকে বড় জনসংযোগের মাধ্যম হিসাবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। হাতে গোনা কয়েকটা মাস পরেই লোকসভার ভোট। এ রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের গতবারের থেকে বেশি আসনের প্রত্যাশা। আর তাই রাজনৈতিক প্রচার এবং জনসমর্থন নিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয় নেতারা বার বার পরামর্শ দিতে আসছেন রাজ্যে। পুজোর দ্বিতীয়ার দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এসেছেন। আবার সপ্তমীর দিন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা কলকাতায় এসে পুজো দর্শন করেন। সেই সঙ্গে ভিতরে ভিতরে দলকে আরও শক্ত-মজবুত করার বার্তা দেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুর্নীতির অসুর নিধনের বার্তা নিয়ে বঙ্গবাসীকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: আরও বেকায়দায় মহুয়া মৈত্র, সরে দাঁড়ালেন নিজের আইনজীবীই!

    Mahua Moitra: আরও বেকায়দায় মহুয়া মৈত্র, সরে দাঁড়ালেন নিজের আইনজীবীই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে কাটমানি, চাল চুরি, ত্রিপল চুরি, বালি চুরি, কয়লা চুরি, গরু চুরি এবং চাকরি চুরির মতো নানা অভিযোগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের বারবার বিরোধীদের আক্রমণ করতে শোনা গেছে। এবার সংসদ ভবনে টাকা নিয়ে নাকি প্রশ্ন করেন, এমন অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে। আর এর ফলে গোটা দেশে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে গত সপ্তাহে তৃণমূলের এই সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে, সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তোলেন। পাল্টা বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে তৃণমূল সাংসদ দিল্লি হাইকোর্টে মানহানির মা্মলা দায়ের করেন। কিন্তু এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী। সবটা মিলিয়ে তৃণমূল সাংসদ চাপের মুখে এবং আরও বেকায়দায়। আগামী ৩১ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ।

    মামলা থেকে কেন সরে গেলেন আইনজীবী? (Mahua Moitra)

    সূত্রে জানা গেছে, মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) আইনজীবী গোপাল শঙ্কর মানহানির মামলা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। অবশ্য এর কারণ হিসাবে স্বার্থের কথা উল্লেখ করেছেন গোপাল শঙ্কর। অনুদিকে বিপক্ষের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদরাই দিল্লি হাইকোর্টে বলেন, বৃহস্পতিবার মহুয়ার আইনজীবী গোপাল শঙ্কর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে বলেন, মহুয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ যদি প্রত্যাহার করে নিই, তাহলে পোষ্য কুকুর হেনরিকে ফেরত দিয়ে দেবেন। এই ঘটনার কথা জানিয়ে আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদরাই, দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সচিন দত্তের কাছে প্রশ্ন করেন, “মহুয়ার আইনজীবী শঙ্কর মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছেন। তাঁর কি এই মামলায় দাঁড়ানোর অধিকার আছে।” উত্তরে বিচারপতি বলেন, “এর উত্তর আপনাদের দেওয়া উচিত”। ঘটনার সত্যতা জানতে বিচারপতি মহুয়ার আইনজীবীর কাছের জানতে চান, কথা বলেছেন কিনা। জাবাবে গোপাল শঙ্কর বলেন, “তাঁর মক্কেল জয় অনন্তকে ব্যক্তিগত ভাবে চেনেন, তাই কথা বলেছেন।” এরপর বিচারক মহুয়ার আইনজীবীকে মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন।

    প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল

    মহুয়ার (Mahua Moitra) প্রাক্তন প্রেমিক ছিলেন বিরোধী আইনজীবী জয় অনন্ত দেহরাই। কিন্তু টাকা নিয়ে প্রশ্ন করার অভিযোগ করার পর থেকেই, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক জয় অনন্তকে প্রেমে হতাশ বলে দাবি করেন। সেই সঙ্গে আইনজীবী প্রেমিক, তাঁর বিরুদ্ধে বদলা নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন মহুয়া। সূত্রে আরও জানা গেছে, সম্পর্ক ভাঙার পর থেকে এই প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে পোষ্য কুকুরকে নিয়ে বিবাদ চলছিল। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পরই আইনজীবী জয় অনন্ত, সেই অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ সরবরাহ করেন বলে জানা গেছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা নীতিশের, দূরত্ব বাড়ছে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সঙ্গে?

    Nitish Kumar: মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা নীতিশের, দূরত্ব বাড়ছে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সঙ্গে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের রাজনীতিতে কখনও বিজেপির হাত ধরেছেন নীতিশ (Nitish Kumar) তো কখনো বা আরজেডির। বর্তমানে আরজেডির সঙ্গে জোটে থাকা নীতিশের কি দূরত্ব বাড়ছে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সঙ্গে? কারণ বৃহস্পতিবার বিহারের মতিহারিতে এক অনুষ্ঠান মঞ্চে থেকে বিজেপির প্রশংসা করতে শোনা গেল বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে। তার সঙ্গে নিতীশের আরও বার্তা ভারতীয় জনতা পার্টির উদ্দেশে, যে তাঁর সঙ্গে এখনও বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যায়নি বিজেপির। এনিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে সারা দেশজুড়ে। 

    মোদি সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নীতিশ

    রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মূর পাশে বসে পূর্বতন ইউপিএ সরকারকে নিশানা শানিয়েছেন নীতিশ (Nitish Kumar)। এর পাশাপাশি বর্তমান মোদি সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘২০০৭ সালে মনমোহন সিং সরকার বিহারে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। সরকারের কাছে আমি আবেদনও জানিয়েছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য। তবে সেসময় আমার কোনও আবেদনই মান্যতা পায়নি। ২০১৪ সালে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবেদন মান্যতা পায়। ২০১৬ সালে মতিহারিতে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ শুরু হয়।’’ এদিনের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় বিহারের বিজেপি নেতা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের উদ্দেশে নীতিশ বলেন যে যতদিন বেঁচে থাকবো সবার সম্পর্কে বজায় থাকবে। সবাই একসঙ্গে কাজও করব।

    দূরত্ব বাড়ছে ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে?

    নীতিশ কুমারের (Nitish Kumar) এই মন্তব্যে জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে কি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ফের একবার পদ্ম শিবিরের হাত ধরতে চলেছেন? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার নাম নিয়েই প্রথম থেকে ক্ষুদ্ধ ছিলেন নীতিশ (Nitish Kumar)। তাঁকে অন্ধকারে রেখেই নাম ঠিক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।  বিরোধী জোট করার ক্ষেত্রে প্রথমে তৎপর হয়েছিলেন নীতিশই এবং সেই মতো তিনি কলকাতাতে এসে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনাও সারেন নবান্নে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারনা যে ইন্ডিয়া জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নীতিশের নাম ঘোষণা না হওয়াতেও তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: সপ্তমীর পুজোতে আসছেন জে পি নাড্ডা, কোন কোন মণ্ডপে যাবেন জানেন কি?

    JP Nadda: সপ্তমীর পুজোতে আসছেন জে পি নাড্ডা, কোন কোন মণ্ডপে যাবেন জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তমীতে শহরে আসছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডা (JP Nadda)। কলকাতা শহরের বেশ কিছু দুর্গা পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখবেন। সূত্রের খবর, এই বাংলার জামাই শহরের তিনটি পুজোতে বিশেষ ভাবে উপস্থিত থাকবেন। তিনটির মধ্যে দুটি জানা গেছে, যার একটি হাওড়ার উলুবেড়িয়ার দুর্গা পুজো এবং আরেকটি সল্টলেকের বি জে ব্লকের পুজো। তাই বঙ্গ বিজেপির মধ্যে তাঁর আগমনকে ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে।  

    পুজোতে শহরে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি (JP Nadda)

    অমিত শাহের কলকাতা ঘুরে যাওয়ার পর, জে পি নাড্ডার (JP Nadda) কলকাতা আসার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। সামনেই লোকসভার নির্বাচন। ২০১৯ সালের লোকসভার নির্বাচনে এই রাজ্যে বিজেপি ১৮ টি আসনে জয়ী হয়েছিল। এবার বিজেপির সর্ব ভারতীয় নেতা পশ্চিমবঙ্গকে পাখির চোখ করে, বাংলার বিজেপি নেতাদের বিশেষ বার্তা দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে পুজো এবং অপর দিকে কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমনকে সামনে রেখে, রাজ্য বিজেপিও জনসংযোগের করে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন, বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

    পুজোর উদ্বোধনে এসেছিলেন অমিত শাহ

    পুজোর দ্বিতীয়ার দিনে কয়েক ঘণ্টার জন্য কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি শিয়ালদার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গা পুজোতে প্রদীপ প্রজ্বলন করে উদ্বোধন করেন। সেই সঙ্গে তিনি বার্তা দিয়ে বলেছিলেন, “২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অয্যোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধন হবে, কিন্তু কলকাতাবাসীরা বাংলায়, দুর্গাপুজোতেই রামমন্দির নির্মাণ করে উদ্বোধন করে ফেলেছেন। সবাইকে অভিনন্দন জানাই। আজকের দিনে কোনও রাজনীতির আলোচনা করবো না। বাংলা, দুর্নীতি থেকে মুক্তি লাভ করুক এটাই মায়ের কাছে কামনা করি।” সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমি বাংলায় বার বার আসবো এবং বাংলার রাজনীতির সমস্যা নিয়ে কথাও বলবো। বাংলার পরিবর্তন হওয়াটা একান্ত প্রয়োজন।” এবার আসবেন বিজেপি সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা (JP Nadda) তাই রাজ্য বিজেপির মধ্যে প্রস্তুতির ব্যস্ততা চলছে ব্যাপক ভাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share