Tag: bjp

bjp

  • Violence Against Women: মমতা জমানায় নগ্ন করে নারী নির্যাতন! রইল অমানবিক ১০টি ঘটনা

    Violence Against Women: মমতা জমানায় নগ্ন করে নারী নির্যাতন! রইল অমানবিক ১০টি ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  নারী নির্যাতনে (Violence Against Women) পশ্চিমবঙ্গ দেশের প্রথম সারিতে রয়েছে, বিরোধীদের এই দাবিকে ইতিমধ্যে সিলমোহর দিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশন। অন্যদিকে নারীদের ওপর ঘটে চলা অত্যাচারও বলছে, মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে ভাল নেই বাংলার মেয়েরা। মণিপুরের জন্য কেঁদে ভাসাচ্ছেন যে তৃণমূল নেত্রী, তাঁর শাসনে কেমন রয়েছেন বাংলার নারীরা? রাজনৈতিক অরাজনৈতিক মিলিয়ে মহিলা নির্যাতন যেন রুটিন কর্মসূচি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নাম উঠে আসছে শাসকদলের মদতপুষ্ট সমাজ বিরোধীদের। ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত নারী নির্যাতনের গুরুতর অপরাধগুলিকে নিয়ে বঙ্গ বিজেপির ট্য়ুইট সামনে এসেছে। যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, কন্যাশ্রী ও রূপশ্রীর মুখোশের আড়ালে এ কোন বাংলা? যা নারীদের বধ্যভূমি হয়ে গিয়েছে।

    বিগত ৭ বছরে মহিলাদের ওপর হওয়া অপরাধ

    ২১ জুলাই ২০২৩, মালদা

    মালদার মানিকচকে প্রকাশ্যে নগ্ন (Violence Against Women) করে দুই মহিলাকে মারধরের মধ্যযুগীয় বর্বরতা সামনে আসে। সব থেকে আর্শ্চয্যজনক তথ্য হল, মমতার পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

    ৮ জুলাই ২০২৩, হাওড়া

    পঞ্চায়েত ভোটের দিন বিজেপির এক মহিলা প্রার্থীকে নগ্ন করে অত্যাচার চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    ২৬ অক্টোবর ২০২২, মুর্শিদাবাদ

    মধ্যযুগীয় বর্বরতার আরও চিত্র দেখা যায় মুর্শিদাবাদে। দুইজন সমকামী মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানো হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে।

    ২৪ জুলাই ২০২২, দক্ষিণ দিনাজপুর

    একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ভিড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার একটি স্কুলে চড়াও হয় এবং মহিলা শিক্ষিকাকে প্রায় নগ্ন করে। ওই শিক্ষিকার অপরাধ, তিনি শৃঙ্খলা শিখিয়েছিলেন ছাত্রীদের।

    ১৫ মে ২০২২, মালদা

    বাড়িতে একা পেয়ে তিন যুবক এক মহিলাকে ধর্ষণের (Violence Against Women) চেষ্টা করে। ওই মহিলা বাধা দিলে তাঁকে বিবস্ত্র করা হয় এবং নানা ভাবে মানসিক নির্যাতনও চলে সঙ্গে। এই ঘটনার পরেও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীরব থাকেন।

    ১৫ জুন ২০২১, আলিপুরদুয়ার

    ৩৫ বছর বয়সী এক মহিলাকে নগ্ন করে গোটা গ্রামে ঘোরানো হয়। রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী চুপ থাকেন এই ঘটনার পরেও।

    ১৯ অক্টোবর ২০১৯, বীরভূম

    বীরভূমে এক মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়। যারা ওই মহিলাকে উদ্ধার করতে যায়, তাদের ওপরেও চড়াও হয় সমাজবিরোধীরা। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে নারীর সম্মান।

    ১৭ মে ২০১৮, কলকাতা

    কলকাতার সেন্ট পল ক্য়াথিড্রাল কলেজে এক ছাত্রীকে জোর পূর্বক বিবস্ত্র করানো হয়। এবং পুরো ঘটনা ক্য়ামেরাবন্দী করে সোস্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল করা হয়।

    ১৮ মার্চ ২০১৭, কলকাতা

    কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি এবং বিবস্ত্রের অভিযোগ ওঠে। এক রাজনৈতিক কর্মীকে চেক করার নামে এই কাজ করে পুলিশ। যদিও কোনও বিবৃতি শোনা যায়নি পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের তরফ থেকে।

    ২৫ জুলাই ২০১৬, মালদা
     
    মালদায় এক বয়স্কা মহিলাকে বিবস্ত্র করে বাঁ হাতের দুটো আঙুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় শোরগোল পড়লেও চুপ ছিলেন রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় ইসলামপুরে বিজেপি নেতাকে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় ইসলামপুরে বিজেপি নেতাকে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলাবাজির প্রতিবাদ করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হলেন এক বিজেপি (BJP) নেতা। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজদপুরের ইসলামপুর এলাকায়।  পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম অসীম সাহা। তিনি বিজেপি যুব মোর্চার নগর কমিটির সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ইসলামপুরে বস্ত্র ব্যবসায়ী রতন সাহার ভাগ্নে। বিজেপি নেতা খুন হওয়ার প্রতিবাদে দলীয় নেতা কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হামলায় এই খুনের ঘটনা ঘটেছে।  পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার দাবি তুলে ইসলামপুরের শিবডাঙ্গী এলাকায় বিজেপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ৩১ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশের সঙ্গে বাগ-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। ঘণ্টাখানেক বিক্ষোভের পর অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

     ইসলামপুর শহরের বীজহাট্টি এলাকায় রতন সাহা নামে এক কাপড় ব্যবসায়ীর কাছে দীর্ঘদিন ধরে মহঃ তফিক নামে এক যুবক মিথ্যা গল্প সাজিয়ে বকেয়া টাকার নাম করে জোর করে টাকার জন্য ওই ব্যবসায়ীকে চাপ দিতে শুরু করে বলে অভিযোগ। ওই যুবক কিছুদিন আগে তার কিছু বন্ধু বান্ধবকে নিয়ে ওই কাপড় ব্যবসায়ীর কাছে টাকা আদায়ের জন্য দোকানে এসে ঝামেলা সৃষ্টি করে। ওই কাপড় ব্যবসায়ীকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেয় অভিযুক্তরা। শনিবার  সকালে ওই কাপড় ব্যবসায়ীর দোকানে মহঃ সাহিল নামে অপর এক যুবক আবার টাকা আদায়ের জন্য ঝামেলা সৃষ্টি করে। তখন দোকানেই ছিলেন রতনবাবুর ভাগ্নে তথা বিজেপি (BJP) নেতা অসীম সাহা। তিনি তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় তাঁকে চাকু দিয়ে একাধিক জায়গায় আঘাত করে বলে অভিযোগ। তাকে বাঁচাতে গেলে এই ঘটনায় স্থানীয় অপর এক যুবক জখম হন। এরপর অভিযুক্ত ওই যুবক দলবল নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। আহতদের উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। জখম বিজেপি নেতা অসীমবাবুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় অসীম সাহার। ইসলামপুর থানার পুলিশ তদন্ত নেমে অভিযুক্ত মহঃ সাহিলকে  গ্রেফতার করে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) নেতার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা এলাকা জুড়ে। এ ঘটনায় প্রতিবাদে এলাকার সমস্ত দোকানপাট বন্ধ রাখা হয় ইসলামপুর ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে। অপরদিকে স্থানীয় বিজেপির যুব নেতা রথীন দাস বলেন, নিহত অসীম সাহা বিজেপির যুব নগর কমিটির সম্পাদক পদে ছিলেন। তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় তাঁকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হতে হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘তৃণমূলের সন্ত্রাসের জেরে ভিন রাজ্যে বিজেপির বহু জয়ী সদস্য,’ বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা

    BJP: ‘তৃণমূলের সন্ত্রাসের জেরে ভিন রাজ্যে বিজেপির বহু জয়ী সদস্য,’ বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সন্ত্রাস চলছে। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির বহু জয়ী সদস্য প্রাণ বাঁচাতে ভিন রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছে। শনিবার শিলিগুড়িতে একথা বলেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি (BJP) সাংসদ কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জন বার্লা। শিলিগুড়িতে রোজগার মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছিলেন জন বার্লা। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি। পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের ভোট লুট ও সন্ত্রাস নিয়ে সরব হন। তিনি বলেন, ভোট ঘোষণা হতেই তৃণমূল সন্ত্রাস শুরু করেছিল। এখনও সেই সন্ত্রাস চলছে। দিনে দুপুরে খুন-ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেই চলেছে রাজ্য জুড়ে। প্রশাসন বলতে কিছু নেই। এসপি, ডিএম, বিডিওরা সব তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করছে। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির বহু জয়ী সদস্য অসম, বিহার ও ওড়িশায় আশ্রয় নিয়েছেন প্রাণ বাঁচাতে।

    নির্বাচনে প্রশাসনিক আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপিকে (BJP) হারাতে তৃণমূল ভোট লুট করেছে। তাতেও নিশ্চিত হতে পারেনি। তাই ভোটের পর থেকেই গণনার আগে পর্যন্ত রাতের অন্ধকারে পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে স্ট্রং রুমের ব্যালট বাক্স বদল করেছে তৃণমূল। গণনাতেও কারচুপি করেছে। বিডিও সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা পকেট ব্যালট পেপার নিয়ে ঘুরেছেন। তৃণমূল প্রার্থীরা পিছিয়ে থাকলে সেখানে সেই ব্যালট গুঁজে দিয়ে বিজেপিকে হারিয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর অধীনে ভোট হলে একটি আসনে তৃণমূল জয়ী হত না, কেন বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী?

    বিজেপি সাংসদ জন বার্লা বলেন, বিজেপি এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের সব আসনেই জিতত। কেননা গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি সব আসনেই তৃণমূলের থেকে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। একথা জানিয়ে জন বার্লা বলেন, উত্তরবঙ্গে বিজেপির (BJP) সাতজন সাংসদ রয়েছে। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর পুরো তত্ত্বাবধানে আবার পঞ্চায়েত ভোট হলে তৃণমূল একটাও আসনে জিততে পারবে না। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে জেলে পাঠিয়েছিলেন। আমি জেলের ভেতরে থাকা সত্ত্বেও আলিপুরদুয়ারে একটাও পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ তৃণমূল জিততে পারেনি। সব বিজেপির দখলে ছিল। এবারও যদি অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট হতো তাহলে তৃণমূল কোনও আসনে জিততে পারত না। এটা বুঝতে পেরেই তৃণমূল ভোট লুট ও গণনায় কারচুপি করে জিতেছে। তবে আগামী দিনে মানুষ এর জবাব দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বিডিও অফিস ঘেরাওকে কেন্দ্র করে পুলিশ-বিজেপির ব্যাপক সংঘর্ষ শান্তিপুরে

    Nadia: বিডিও অফিস ঘেরাওকে কেন্দ্র করে পুলিশ-বিজেপির ব্যাপক সংঘর্ষ শান্তিপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাপক বৃষ্টির মধ্যে বিজেপির বিডিও অফিস অভিযানকে ঘিরে উত্তপ্ত শান্তিপুর (Nadia)। চলল ব্যারিকেড ভাঙচুর, পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি। গ্রেফতার বিজেপির দুই বিধায়ক সহ ৫০০ জন কর্মী। ডেপুটেশন দিতেই পারল না বিজেপি নেতৃত্ব। তীব্র উত্তেজনা জেলায়।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Nadia)?

    ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর (Nadia) ব্লকের ফুলিয়া বিডিও অফিসে। উল্লেখ্য, একুশে জুলাই উপলক্ষে যখন ধর্মতলায় ঐতিহাসিক জন সমাবেশ করছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস, ঠিক তাখন পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি বিডিও অফিসে ডেপুটেশন কর্মসূচির ডাক দেয় বিজেপি। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী নদিয়া জেলার প্রতিটি ব্লক অফিসে ডেপুটেশন দেয় বিজেপি। ঠিক সেই মতো ১৪৪ ধারা জারি থাকার কারণে বিডিও অফিস থেকে কিছুটা দূরে মঞ্চ বাঁধে বিজেপি নেতৃত্ব। সেখানে একের পর এক নেতৃত্ব বক্তব্য রাখার পর ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারকে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তাঁরা।

    পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

    তবে বিডিও (Nadia) অফিসের কিছুটা দূরে বাঁশের ব্যারিকেড তৈরি করে শান্তিপুর থানার পুলিশ। পুলিশকে নেতৃত্ব দেন রানাঘাট এসডিপিও প্রবীর মণ্ডল এবং শান্তিপুর সার্কেল ইন্সপেক্টর সহ শান্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সুব্রত মালাকার। বিজেপির মিছিল ব্যারিকেডের কাছে পৌঁছাতেই বাধা দেয় প্রশাসন। এরপরেই প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। বাঁশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে ধস্তাধস্তি চলার পর অবশেষে পিছু হটে বিজেপি নেতৃত্ব। প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়, শান্তিপুর ব্লকের বিডিও ডেপুটেশন নিতে অস্বীকার করেছে, সেই কারণে তাঁদের ঢুকতে দেওয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, বিধায়কসহ ৫০০ জন বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করা হল বলে পুলিশের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়।

    বিজেপির বক্তব্য

    এই বিষয়ে রানাঘাট (Nadia) বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক পার্থসারথি চ্যাটার্জি বলেন, আমরা জেলার অন্যান্য ব্লক অফিসেও আজ ডেপুটেশন দিয়েছি। কিন্তু এইরকম প্রশাসনের ব্যবহার দেখিনি। অন্যান্য ব্লক অফিসে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা কয়েকজন মিলিতভাবে ডেপুটেশন দিয়ে এসেছি। এখানে আমাদের ডেপুটেশন দিতেই দেওয়া হল না। যেহেতু শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতিতে আমাদের দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, সেই কারণে পুলিশ এই ধরনের ব্যবহার করছে। আমরা বলেছি যদি বিজেপি পঞ্চায়েত সমিতি গঠন না করতে পারে তাহলে আন্দোলন আরও ব্যাপক হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: মহিলা বিজেপি প্রার্থীর শ্লীলতাহানি করে নগ্ন করে নির্যাতন তৃণমূলের, তোলপাড় হাওড়ায়

    Howrah: মহিলা বিজেপি প্রার্থীর শ্লীলতাহানি করে নগ্ন করে নির্যাতন তৃণমূলের, তোলপাড় হাওড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিন ৮ জুলাই হাওড়ার পাঁচলায় (Howrah) এক মহিলা বিজেপি প্রার্থীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল। শুধু তাই নয়, এই প্রার্থীকে কাপড় খুলে নগ্ন করে অসম্মানিত করার অভিযোগও করা হয়েছে। মণিপুরের ছায়া কি বাংলাতেও! প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতারা। বর্তমানে ওই পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

    নিপীড়িত মহিলার বক্তব্য

    আক্রান্ত মহিলা (Howrah) জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। গত ৮ ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোটের দিনে সকাল ১১ টা নাগাদ স্থানীয় বুথে তিনি যখন ভোট দিতে যান, তখন তাঁকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর তাঁর কাপড় ধরে টানাটানি করা হয়। ঠিক তারপরেই ওই মহিলা দৌড়ে বুথ থেকে বেরিয়ে আসেন। তারপর তাঁকে নগ্ন করে নির্যাতন চালানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এবং তাঁর স্বামী তাঁকে উদ্ধার করেন। পরিবারের অভিযোগ, বুথ থেকে সব ভোট লুট করেছিল তৃণমূল। তাঁর উপর যে নির্যাতন হয়, তাতে অভিযোগের তীর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর গোটা পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ঘটনার এক সপ্তাহ পর মেল করে পাঁচলা থানার ওসির কাছে অভিযোগ জানায় পরিবার। এরপরই তদন্তে নামে হাওড়া জেলা গ্রামীণ পুলিশ। মহিলার বেশি চোট না থাকায় তিনি মেডিক্যাল পরীক্ষা করতে অস্বীকার করেন। গোটা পরিবার এখন শান্তিতে বসবাস করতে চাইছে। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য ট্যুইট করে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

    স্বামীর বক্তব্য

    আক্রান্ত মহিলার (Howrah) স্বামী জানিয়েছেন, তিনি পরপর দুটি পঞ্চায়েত নির্বাচন দেখলেন। বিজেপি করার জন্য তাঁর স্ত্রীকে নৃশংস ভাবে নগ্ন করে যেভাবে অত্যাচার চালিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা, সেই ঘটনার স্মৃতি মনে পড়লে তাঁরা আঁতকে উঠেছেন। তাই তাঁরা আর এই ধরনের ঘটনার সম্মুখীন হতে চান না। তাঁদের পরিবার চায় বিজেপি এই রাজ্যে ক্ষমতায় এসে রাজ্য জুড়ে এই নারী সমাজের উপর অত্যাচার, হিংসা এবং অরাজকতার অবসান ঘটাক।

    আজকেই দিল্লিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মুজমদার এবং সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মলেন করে পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজেপির কর্মী-সমর্থক এবং প্রার্থীদের উপর অত্যাচারের কথায় সরব হয়েছেন। সেই সঙ্গে হাওড়ার পাঁচলায় নারী নির্যাতনের কথাকে তুলে ধরে শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য যথারীতি বলেন, পাঁচলায় এমন ঘটনা ঘটছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি।  

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ডায়মন্ড হারবারে গর্ভবতী মহিলাদেরও ছাড়েনি তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    South 24 Parganas: ডায়মন্ড হারবারে গর্ভবতী মহিলাদেরও ছাড়েনি তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আজ শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবার থানার দক্ষিণ কুলেশ্বরে আহত বিজেপি কর্মীদের সাথে দেখা করতে গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অপরদিকে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করার ডাক দিয়েছেন। আবার মঙ্গলা হাটে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে বিজেপি দাবি করেছে, তৃণমূলের অন্তর্ঘাত। আর ঠিক এর পরেই হাটের পরিস্থিতি মুখ্যমন্ত্রী পরিদর্শন করে সিআইডি তদন্তের অনুমতি দিলেন। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা।

    আক্রান্ত কর্মীদের পাশে শুভেন্দু (South 24 Parganas)

    রাজ্য জুড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত। বোমাবাজি, ঘরবাড়ি, সম্পত্তি লুট, মহিলাদের উপর অত্যাচার, বোমা-বন্দুক-পিস্তলের হুমকিতে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে  সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। ভোট পরবর্তী হিংসায় দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ তিনি দলীয় কর্মীদের সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। পুলিশের সামনে মারধর থেকে শুরু করে ভোট পরবর্তী বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে মিথ্যা মামলা দেওয়া, বাড়ি ভাঙচুর করা, মারধর করার মতো একাধিক বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। পাশাপাশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কর্মীদেরকে অভয় দিয়ে বলেন, আগামী দিনে কোনও হেনস্থার শিকার হতে হবে না, দল সম সময় কর্মীদের পাশে রয়েছে। ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) লোকসভা কেন্দ্রের বেশ কিছু তৃণমূল যুবনেতার নাম করে সাংবাদিকদের সামনে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, এই যুব তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে আগামী দিনে কোর্টে যাব।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    এই এলাকার (South 24 Parganas) মানুষ অত্যন্ত সহজ সরল। শুধু বিজেপি করার জন্যই তৃণমূলের হার্মাদরা এলাকায় অত্যাচার করেছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে বিজেপির কর্মীদের মারধর করা হয়। বাড়ির মহিলাদের উপর চলছে অত্যাচার। এসসি মহিলাদের কাপড় ধরে টানাটানি করছে তৃণমূলের গুন্ডারা। গণতন্ত্র নেই, কিমের রাজ্যের থেকেও খুব খারাপ অবস্থা এখানে। এলাকার মানুষ বাঁচতে চায়। শান্তিতে জীবন জীবিকা নিয়ে বসবাস করতে চায়। পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয় না। শুভেন্দু আরও বলেন, ভাইপো নিজে এই এলাকাকে নোংরা করেছেন। আজ, যাঁরা কলকাতায় বসে ডিমভাতের উৎসব করছেন, তাঁরা এই এলাকার গণতন্ত্রকে হরণ করেছেন। স্থানীয় এক বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রী গর্ভবতী, তাঁকেও পর্যন্ত অত্যাচারের শিকার হতে হয় তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে। তিনি আরও বলেন, এই বাংলাকে বাঁচাতে গেলে আমাদের একসঙ্গে লড়াই করতে হবে তৃণমূলের বিরুদ্ধ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপির বিডিও ঘেরাও কর্মসূচিতে উত্তেজনা জামুরিয়ায়, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

    BJP: বিজেপির বিডিও ঘেরাও কর্মসূচিতে উত্তেজনা জামুরিয়ায়, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ডেপুটেশনকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা জামুরিয়ার বিডিও অফিস এলাকায়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বিজেপির নেতা-কর্মীদের। ব্যারিকেড ভেঙে বিডিও অফিসের মূল গেটের সামনে বিক্ষোভ। বিজেপি নেতা তাপস রায়, জামুরিয়া মণ্ডল ২ এর বিজেপি সভাপতি রমেশ ঘোষ অভিযোগ করেন, নমিনেশন থেকে শুরু করে ভোটের দিন ও গণনার দিন পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। প্রশাসনের মদতে ভোট লুট হয়েছে। সেই বিষয় নিয়ে আগাম ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী তাঁরা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিককে স্মারকলিপি দিতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁরা এসে দেখেন, বিডিও অফিসের অনেকটা দূরে পুলিশ ব্যারিকেড করে রেখেছে। সেখানেই তাঁদেরকে জানানো হয় যে বিডিও অফিস চত্বরে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তাঁরা বিডিও অফিস যাবার চেষ্টা করেন। সেই সময় পুলিশ তাঁদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করে দেয়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত বলে জানান রমেশবাবু। এই নিয়ে বিডিও জানান, কিছু দাবি নিয়ে বিজেপির এক প্রতিনিধি দল তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। তাঁদের দাবিদাওয়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

    বর্ধমান ১ বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ (BJP)

    ‘বিডিও ঘেরাও গণতন্ত্র ফেরাও’ স্লোগানকে সামনে রেখে বর্ধমান ১ বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি (BJP)। শুক্রবার দুপুরে বিজেপি কর্মীরা বিডিও অফিসে ঢুকতে গেলে তাঁদের গেটের বাইরে আটকে দেয় পুলিশ। এনিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি (BJP) কর্মীরা। বিডিও অফিসে ঢুকতে না পেরে গেটের বাইরে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে্ন তাঁরা। বিক্ষোভ চলাকালীন শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টিতে ভিজেই চলে বিক্ষোভ, স্লোগান। এদিন বিজেপির বিডিও ঘেরাও অভিযানকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ছিল বিডিও অফিসে। বর্ধমান ১ বিডিও অফিসকে মুড়ে ফেলা হয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। পরে বিজেপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেয়।

    খড়গ্রাম বিডিও অফিসে ফের নির্বাচনের দাবি (BJP)

    ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিভিন্ন জায়গায় ছাপ্পা, কারচুপি, ব্যালট লুট হয়েছে। এরই প্রতিবাদে আজ খড়গ্রাম বিডিও অফিসে ছয় দফা দাবি নিয়ে বিজেপির (BJP) এস টি মোর্চার সভাপতি আদিত্য মৌলিকের নেতৃত্বে একটি দল খড়গ্রাম বিডিও-র সঙ্গে দেখা করে। তাদের বক্তব্য, যেভাবে ভোট ভোট লুট হয়েছে এবং ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে, তাতে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানাচ্ছেন বিজেপির নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, পুনরায় যেন পঞ্চায়েত নির্বাচন করা হয় ও সেন্ট্রাল ফোর্সকে যেন কাজে লাগানো হয়। খড়গ্রামের বিডিও অরুণাভ মণ্ডল জানালেন, রাজ্য জুড়ে যে বিজেপির কর্মসূচি চলছে, তারা আজকে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেটি গ্রহণ করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: হাওড়ার মঙ্গলাহাট তুলে দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে, অগ্নিকাণ্ডের পর সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    BJP: হাওড়ার মঙ্গলাহাট তুলে দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে, অগ্নিকাণ্ডের পর সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া ময়দানের মঙ্গলাহাটে চক্রান্ত করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন ব্যাবসায়ীরা। ইতিমধ্যেই পোড়া মঙ্গলাহাটের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। শুক্রবার দুপুরে বিজেপির (BJP) হাওড়া জেলা সদরের সভাপতি মনিমোহন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একদল বিজেপি নেতা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) রাজ্য সম্পাদক উমেশ রায় বলেন, এই হাটে ব্যবসায়ীদের থেকে মোটা টাকা তোলা হয়। আর ব্যবসায়ীদের কোনও স্বার্থ দেখা হয় না। এই হাটে কোনও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই। যার ফলে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দলের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য আমরা ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি। এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের  ব্যবসা করার জায়গা দিতে হবে। বিজেপির হাওড়া জেলা সদরের সভাপতি মনিমোহন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, মঙ্গলাহাটের বেচাকেনার দিন বদল করা হচ্ছে। এই হাটকে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। তিনি এর জন্য সরাসরি তৃণমূলকে দায়ী করেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এদিন সকালে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু এবং রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় আলাদাভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কী কারণে আগুন লাগল তা নিয়ে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা তদন্ত করবেন। তাতে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে অরূপ রায়ের বক্তব্য, কোনও অভিযোগ থাকলে পুলিশ তদন্ত করে দেখবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কী বললেন মঙ্গলহাটের মালিক?

     মঙ্গলহাটের মালিক শান্তিরঞ্জন দে বলেন, এই হাট নিয়ে অনেকগুলি মামলা চলছে। আমার বিরুদ্ধে যে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি এই ধরনের কোনও কাজ করিনি। এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, শট সার্কিট থেকেও আগুন লাগতে পারে।

    ব্যবসায়ীদের কী বক্তব্য?

    ব্যাবিসায়ীদের অভিযোগ,এই হাটের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গণ্ডগোল চলছিল। ৩৬ বছর আগে একবার এই হাটে আগুন ধরে যায়। তারপর থেকে এটিকে পোড়া হাট নামেই চেনেন সকলে। এই পোড়া হাট ছাড়াও আরও প্রায় ১১ টি হাট ভবন আছে এখানে। সেই সব ভবনেও আগুন নেভানোর কোনও পরিকাঠামো নেই। এসব নিয়ে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব সরব হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: রায়দিঘিতে পরাজিত বিজেপি প্রার্থীর ভেড়িতে দিল বিষ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: রায়দিঘিতে পরাজিত বিজেপি প্রার্থীর ভেড়িতে দিল বিষ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনে হেরে যাওয়া বিজেপি (BJP) প্রার্থীর মাছের ভেড়িতে বিষ দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আর পুকুরে বিষ দেওয়ার কারণে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি।  ঘটনাটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার রায়দিঘি বিধানসভার কন কন দিঘি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৪৬ নম্বর বুথের আড়িয়াপাড়া এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

     পঞ্চায়েত নির্বাচনে সুপর্ণা  মণ্ডল বিজেপির প্রার্থী হয়ে শাসকদলের পুষ্পিতা মাঝির কাছে হেরে যায়। হঠাৎ করে বুধবার রাতে দুষ্কৃতীরা বিজেপি প্রার্থীর ভেড়িতে বিষ দিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে ভেড়িতে গিয়ে বিজেপি প্রার্থীর শ্বশুর দেখতে পান, ভেড়িতে প্রচুর মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই দলমত নির্বিশেষে  কয়েক শতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে আসেন। দুষ্কৃতীদের শাস্তির দাবিতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করেন।  তবে ভোটে হারার পর পুকুরে বিষ পড়লেও বিরোধী দলের দিকে আঙুল তুলতে নারাজ পরাজিত প্রার্থী এবং পরিবারের লোকজন। 

    কী বললেন পরাজিত বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    পরাজিত বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুপর্ণা মণ্ডল বলেন, ভোটে হেরে যাওয়ার পর ভেড়িতে এভাবে বিষ দিয়ে মাছ মেরে দেবে তা ভাবতে পারছি না। যে বা যেসব দুষ্কৃতী এসব কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা সুব্রত বর বলেন, দলীয় প্রার্থী হেরে যাওয়ার পর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই কাজ করেছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যে বা যারা এই ঘটনায় যুক্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী  পুষ্পিতা মাঝি বলেন, আমাদের দল এমন জঘন্য কাজ করতে পারে না। ভোট যুদ্ধে হার-জিত আছে, তাই বলে কাউকে পুকুরে বিষ দিতে হবে এমন কথা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারেন না। তবে, যে বা যারা  করেছে তাদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক। এটাই প্রশাসনের কাছে আমাদের আবেদন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliyaganj: মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু কাণ্ডের তদন্তে তাঁর বাড়িতে মহকুমা শাসক, তৈরি করা হল স্কেচ

    Kaliyaganj: মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু কাণ্ডের তদন্তে তাঁর বাড়িতে মহকুমা শাসক, তৈরি করা হল স্কেচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জ (Kaliyaganj) ব্লকের রাধিকাপুর এলাকায় পুলিশের গুলিতে মৃত্যুঞ্জয়ের নিহত হওয়ার ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ হল। এর পর আজ রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি ঘটনাস্থল চাঁদগা গ্রামে পরিদর্শনে যান। মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলার পাশাপাশি মহকুমা শাসকের তত্ত্বাবধানে সেদিনের ঘটনার স্কেচ তৈরি করা হয়। তবে এদিনের তদন্ত নিয়ে মহকুমা শাসক কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে আজও ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি মহকুমা শাসকের কাছে জানানো হয়েছে।

    কীভাবে গ্রহণ হল সাক্ষ্য (Kaliyaganj)?

    এদিন রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি, কালিয়াগঞ্জের (Kaliyaganj) জয়েন্ট বিডিও এবং স্কেচ তৈরিতে পারদর্শী একজন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে দুপুর দেড়টা নাগাদ রাধিকাপুরের চাঁদগা গ্রামে পৌঁছান। মৃত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন সহ পরিবারের বাকি সদস্যদের থেকে সেই রাতের ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন মহকুমা শাসক। পরিবারের সদস্যদের বয়ান অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি স্কেচ তৈরি করা হয়। প্রায় ঘণ্টা দেড়েক জিজ্ঞাসাবাদ করেন মহকুমা শাসক।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উচ্চ আদালত ও মানবাধিকার কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী কোথাও পুলিশের গুলিতে কেউ মারা গেলে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত করতে হয়। সেই নিয়ম মেনেই পুলিশের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত করার আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতিকে এই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২২ মে এই মর্মে মহকুমা শাসক একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। তাতে বলা হয়, ৬ জুন কালিয়াগঞ্জ বিডিও অফিসে ওইদিন রাধিকাপুরের চাঁদগা গ্রামে রাতে তল্লাশি অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল পুলিশকর্মীকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়। এর পাশাপাশি মৃতের পরিবারের সদস্য, এলাকার বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শীদেরকেও আসার জন্য বলা হয়। ৬ জুন ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয় মহকুমা শাসকের (Kaliyaganj) উপস্থিতিতে। এরপর পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য এই তদন্তের কাজ থেমে থাকে। নির্বাচন পর্ব মিটতেই এই তদন্তের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হয়। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এরপর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে ঘটনার দিন এই গ্রামে অভিযানে নিযুক্ত প্রত্যেক পুলিশকর্মীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। এরপর স্কেচ ফাইনাল করে মহকুমাশাসক তার চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেবেন।

    পরিবারের বক্তব্য

    মৃত মৃত্যুঞ্জয় (Kaliyaganj) বর্মনের দাদা মৃণালকান্তি বর্মন জানিয়েছেন, “মহকুমা শাসকের আজকের তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হয়েছে। তবে রাজ্য সরকারের উপর আমাদের আস্থা নেই। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিভিন্ন জায়গায় সরকারি আধিকারিকদের যেসব ঘটনা সামনে এসেছে তাতে তো বোঝাই যাচ্ছে যে তাঁরা মমতা ব্যানার্জির সাথে মিলে রয়েছেন।  বিভিন্ন আধিকারিকরা আসছেন, সিআইডি এসেছেন। তাঁরা সব তথ্য নিয়ে গেছেন।  কিন্তু আদৌ এই সমস্ত তথ্য হাইকোর্টে পেশ করবে কিনা তা নিয়ে আমাদের সংশয় আছে।”

    অপরদিকে, মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন জানিয়েছেন, “মহকুমা শাসককে ঘটনার সম্পর্কে জানিয়েছি। কিন্তু সিআইডি কিংবা পুলিশের ওপর আমাদের ভরসা নেই। আমরা সিবিআই তদন্ত চাই।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share